• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজনীতি

দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়

২০২১-এ তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তাঁরাও যে মন-প্রাণ দিয়ে লড়াই করবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিমল গুরুং । বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন , বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। ১৭ বছর ধরে ওদের সঙ্গে রয়েছি আমরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কিছুই করেনি বিজেপি। তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করব। ওঁনাকে আমাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছি। আমি নিশ্চিত উনি আমাদের দাবি পূরণ করবে। আমি চেয়ারে বসার জন্য রাজনীতি করি না। আমি আগামীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য রাজনীতি করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে যা করতে হবে আমরা তাই করব। বিজেপিকে চরম শিক্ষা দেব। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ এদিন দার্জিলিং পুরসভার ১৭ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে ফিরলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমল গুরুং। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও। এদিন দার্জিলিং পুরসভার কাউন্সিলররা জানান, বিজেপি তাদের কথা রাখেনি। যে আশায় তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তার কিছুই হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে আবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় ফিরলেন। এদিন বিনয় তামাংকে নিয়ে প্রশ্ন বিব্রত হন গুরুং। সাফ জানিয়ে দেন, বিনয় তামাংকে নিয়ে তিনি এখানে কিছু বলতে আসেননি। বিনয় তামাং কী বলছেন সেটা তাঁর ব্যাপার। উনি কী বললেন সেটা নিয়ে ভাবছি না।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট

কালীপুজোর মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মতো নো-এন্ট্রি থাকবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি গোটা নভেম্বর মাসজুড়ে বাজি কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধায় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে কালীপুজোর পাশাপাশি ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও ফাটানো যাবে না বাজি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড থাকবে। আরও পড়ুন ঃ আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা একসঙ্গে ১০ জন ঢুকতে পারবে এই আয়তনের মণ্ডপে ৷ মণ্ডপ থেকে ৫ মিটার দূরত্বে থাকবেন ঢাকি ৷ অন্যদিকে ৩০০ বর্গমিটারের থেকে বড় মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জন ঢুকতে পারবে । জগদ্ধাত্রী ও কার্তিক পুজোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ বহাল থাকবে। এইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা জানিয়েছেন , কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর , তারাপীঠ, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা ঠিক করবে পুলিশই।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার

কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ৯ বছর বয়সী এক বালক। বর্ধমান থেকে হারিয়ে যায় বালকটি। নাম সোমনাথ বিশ্বাস। সে বর্ধমানের গোপালপুরের বাসিন্দা। দমদমের একটি আবাসিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার রাতে তাকে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিশ্চিন্দা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে , এদিন ২ নং জাতীয় সড়কের বামুনডাঙা থেকে তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক জানা গিয়েছে , লকডাউনের সময় থেকে সোমনাথ বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে রয়েছে। এক ব্যক্তি সাইকেলে তাকে বর্ধমান থেকে হাওড়ায় নিয়ে এসেছে বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে। রাস্তায় পুলিশ দেখে ওই ব্যক্তি সোমনাথকে জাতীয় সড়কের উপর নামিয়ে চম্পট দেয়। এরপর ওই বালককে উদ্ধার করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। জানা গেছে, ওই বালকের বাবা-মা নেই। তাই সে ঠাকুমার কাছেই থাকে। লকডাউনে স্কুল থেকে বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে হারিয়ে যায় সোমনাথ। তার দাবি, এরপরে এক কাকু তাকে বাড়ি পৌঁছনোর নাম করে এক সাইকেল আরোহীর হাতে তুলে দিয়েছেন। তার মাধ্যমেই এদিন সে বালিতে পৌঁছায়। কিন্তু বামুনডাঙাতে পুলিশ দেখে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। এরপরে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হাতে সোমনাথকে তুলে দেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন , এসপি , ডিএমদের বার্তা ধনকড়ের

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন। সোমবার দার্জিলিঙের রাজভবনে এসপি ও ডিএমদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সেখানে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে লেখেন, কাজের সময় রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা উচিত। কোনও আপস করা চলবে না। এদিন তিনি দার্জিলিঙের ডঃ সন্তোষ নিম্বলকর ও জেলাশাসক এস পুনমবালমের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। রাজ্যপাল তাদের অনুরোধ করেন, যা্তে তারা রাজনীতির উব্ধে উঠে নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন। আরও পড়ুন ঃ এখনও শুরু হয়নি দুর্গাপুর ব্যারাজের ৩১ নং লকগেটের মেরামতির কাজ প্রসঙ্গত , রবিবারই তিনি দার্জিলিঙে এসেছেন। আগামী এক মাস তাঁর উত্তরবঙ্গে থাকার কথা। এই সময়ে তিনি প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এছাড়াও বৈঠক করবেন সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ নিয়ে মোদির সমালোচনা তৃণমূলের

করোনাকালে অজস্র পরিযায়ী শ্রমিক ও চিকিৎসার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কোনও কিছু না ভেবেই বৃথ বিজ্ঞাপনের পিছনে টাকা খরচ করা হয়েছে , এটা ভয়ঙ্কর। সোমবার টুইট করে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এভাষাতেই তোপ দাগলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার টুইটে লিখেছেন , নির্লজ্জভাবে জনগণের টাকা অপব্যবহার করছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের জন্য এই সঙ্কটজনক সময়ে অনেক কিছু করা যেত। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম টুইটে লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে।নিজের সরকারের বিজ্ঞাপনের জন্য জনগণের টাকা নয়ছয় করছে। এটাই মোদির সুশাসন। আচ্ছে দিন ?

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

উল্টানো দলীয় পতাকা! হুগলির হেভিওয়েটদের ফ্লপ সভায় প্রতিফলিত অনৈক্যের ছবিই

হুগলি জেলার বলাগড় আসন এখনও তৃণমূলের দখলে। তবে একুশে কী হবে? প্রতিবাদ সভার মঞ্চে তৃণমূলের উল্টানো পতাকাতেই কি সেই আভাস? এমনিতেই লোকসভা নির্বাচনে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে ৩৪ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তৃণমূলের ছন্নছাড়া দশায় দলীয় কর্মীরাই আশার আলো দেখছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, হয়তো কোর কমিটিই থাকবে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কর্মীরাই গুরুত্ব না পেয়ে আর থাকবেন না। হুগলি জেলায় চরমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মনে করায় নচিকেতার সেই গানের কথা, ...সবার হাতেই কাঠি। প্রশান্ত কিশোরের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত নতুন জেলা কমিটি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে জেলা নেতাদের সঙ্গে পিকের বৈঠকে পরিস্থিতি আরও ঘেঁটে ঘ হয়েছে। কোর কমিটি হয়েছে, ১০টি বিধানসভায় কোর কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেওয়া হয়। তার প্রথম সভা ছিল রবিবার ১ নভেম্বর, বলাগড় বিধানসভার ডুমুরদহের শেরপুর মাঠে। হেভিওয়েটরা অনেকে ছিলেন, কিন্ত সভা ডাহা ফ্লপ। সভা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিধায়ক অসীম মাঝি। বক্তারা যেখানে ভাষণ দেবেন তার সামনেই দলের উল্টানো পতাকা কীভাবে নজর এড়িয়ে গেল? একে ছোট মাঠ, ব্যারিকেড দিয়ে তারও তিন ভাগের এক ভাগে সভা হলো। তবু মাঠ ভরল না। প্রধান বক্তা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যে একমাত্র বক্তা হবেন কে ভেবেছিল? মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, অসীমা পাত্র থেকে শুরু করে বিধায়ক বেচারাম মান্না, সুবক্তা স্নেহাশিস চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবরা বলার সুযোগই পেলেন না। কল্যাণ একাই একদা গাভাসকারের মতো ৬০ ওভার ধরে বিরক্তিকর ইনিংস খেলায়! রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তিনিই যে একমাত্র লড়াই করছেন, নানা অঙ্গভঙ্গি করে তা বোঝানোর চেষ্টা চালালেন দেড় ঘণ্টার ভাষণে। যা মেরেকেটে হাজার খানেক লোক হয়েছিল তাঁরাও বিরক্তি নিয়ে ভাষণ চলাকালীন ঘরমুখো হতে থাকলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক জেলা পদাধিকারীর কথায়, এই বলাগড়েই বিভিন্ন শাখা সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে বহু বড়ো মিছিল, সভা হয়েছে। আজ সত্যিই মাথা হেঁট হয়ে গেল। কর্মীরা কেউ কল্যাণবাবুর নিজেকে জাহিরের কথা শুনতে আসেননি। উনি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাও সেভাবে বললেন না। কর্মীরা দিদির বার্তা, উন্নয়নের কথা, ভোটের আগে হেভিওয়েট দলীয় নেতৃত্বর কাছ থেকে দিশা পেতে এসেছিলেন। তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হলো। জেলার রাজনীতিতে ব্লক সভাপতি বদলের হাওয়া ওঠায় বর্তমান ব্লক সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় আসেননি এদিনের সভায়। প্রচারের হোর্ডিংয়ে নাম থাকা বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ব্লকের অনেক নেতাই আসেননি। আসেননি বলাগড়ের ১৩টি অঞ্চলে বুথ স্তরে কাজ করা কয়েক হাজার কর্মী। তাঁদের একজন বললেন, ২৩ মে ফল বেরোনোর পর যাঁরা পুলিশের নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরে ছিলেন তাঁরাই এখন কোর কমিটিতে। আর যাঁরা সে সময় বিজেপির আক্রমণ উপেক্ষা করে কর্মীদের আগলে রেখেছিলেন, তাঁদের আজ দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সরানো হচ্ছে। পদে বসানো হচ্ছে আসল দুর্নীতিবাজদের। আমফান বা লকডাউনের সময়েও বিপন্ন মানুষের পাশে দেখা যায়নি কোর কমিটির সদস্যদের। আর আরামবাগে তো এখনও দলের যুব সভাপতিই নেই! জেলায় ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে ব্যানার পড়তে শুরু করেছে। জেলার রাজনীতির চিত্র না বদলালে ভাঙন রোধ সম্ভব হবে না। তৃণমূলের এই দশা দেখে মুচকি হাসছে বিজেপি। দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে যে কোর কমিটির সভা আয়োজন তার প্রথমটাতেই এমন অনৈক্যের ছবি কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্বকে উদ্বেগে রাখবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা ভোটের আগে যে আভাস একেবারেই ভালো নয়। প্যানিক অ্যাটাকেই কি দলের উল্টো পতাকা হেভিওয়েটরা দেখতে পেলেন না? ভোটের আগে সব প্ল্যান উল্টো হওয়ার কি ইঙ্গিত এটাই? এককাট্টা হয়ে ভোটে লড়তে না পারলে জেলায় হতে পারে সবচেয়ে খারাপ ফল। দলের কাজকর্মে বিরক্ত অনেকে দলনেত্রীর উপর এখনও আস্থা রাখলেও পূর্ব মেদিনীপুরের দিকেও চোখ রাখছেন। তাসের ঘরের মতো দল ভেঙে পড়ুক, মন থেকে কেউ চাইছেন না। প্রশান্ত কিশোরের টিমের বিরুদ্ধে নানা প্রামাণ্য নথিও পৌঁছে দিচ্ছেন উপর মহল অবধি। যার ফলের উপরই নির্ভর করছে সেই প্রশ্নের উত্তর, হুগলিতে এবার ক'টা আসন পাবে তৃণমূল?

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর

সদ্য পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের সেই স্বীকারোক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন , আজ পড়শি দেশ থেকে যে খবর পাওয়া গেছে, যেভাবে সেখানকার সংসদে সত্যিটা স্বীকার করা হয়েছে, তা এই লোকগুলির আসল চেহারা দেশের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে। দয়া করে এমন রাজনীতি করবেন না। এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকুন। এতে জেনে বা না জেনে আপনারা দেশবিরোধী শক্তির বোড়ে হয়ে উঠছেন। এভাবে আপনারা দেশের উপকার করতে পারবেন না। নিজেদের দলেরও ভালো করতে পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন , একটু আগে আধা সেনার প্যারেড দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল পুলওয়ামা হামলার কথা। সেই হামলায় আমাদের যে বীর সঙ্গীরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁরা আধা সেনারই অংশ ছিলেন। সেই সময় গোটা দেশ শোকার্ত ছিল। কিন্তু তখনও কিছু লোক নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখছিল। সেই সময় আমার হৃদয়ে বীর শহিদদের গভীর ক্ষত ছিল। তাই বিরোধীদের সমস্ত অশ্লীল অভিযোগ আমি চুপচাপ সহ্য করে গেছি। উল্লেখ্য , চলতি সপ্তাহেই ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, পুলওয়ামা আমাদের সাফল্য। ঘরে ঢুকে ভারতকে মেরেছি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

ডাঃ সুকুমার হাঁসদার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার তথা বিধায়ক ডাঃ সুকুমার হাঁসদার প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুকুমার হাঁসদার প্রতি শোক জানিয়ে লেখেন , ডাঃ হাঁসদা তাঁর সারা জীবন আদিবাসীদের উন্নয়নব্রতে উৎসর্গ করেছিলেন। আদিবাসী আন্দোলনে ও আদিবাসী মানুষের কল্যাণসাধনে তাঁর ভূমিকা ও অবদান ছিল বিরাট। আদিবাসী সমাজের অভ্যন্তরে থেকে তিনি তাঁদের বিকাশে নিজের জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি ঝাড়গ্রাম কেন্দ্র থেকে দুবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। আমি সুকুমার হাঁসদার পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ প্রয়াত হন ডাঃ সুকুমার হাঁসদা। বর্তমান রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে ঝাড়গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। ২০১১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি রাজ্য বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ঝাড়গ্রাম থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে তিনি ডেপুটি স্পিকার হন। বর্তমানে তিনি রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি তিনি অসুস্থ হয়ে কলকাতার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডাক্তার সুকুমার হাঁসদার বাবা ছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুবোধ হাঁসদা, তার শ্বশুরমশাই ছিলেন রাজ্যের একসময় মন্ত্রী । তার স্ত্রী , ছেলে ও মেয়ে রয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
ভ্রমণ

শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলে

শিব ঠাকুরের একটা সরল, সাধাসিধে ভোলাভালা ইমেজ আছে, তিনি ভোলানাথ। জাঁকজমক, আড়ম্বরের বেশী দরকার হয় না, অল্পেই তিনি তুষ্ট তাই তিনি আশুতোষ। কোনো অহঙ্কারের লেশ মাত্র নেই, অথচ তিনিই সব। ছোটবেলা থেকে তাঁর অনেক গল্প - কাহিনী মায়ের কাছে শোনা। সচরাচর রাগ করেন না, কিন্তু রেগে গেলে তাণ্ডব নৃত্য শুরু করেন, নটরাজ রূপে। ২০১৩ সালে কেদারনাথ মহাপ্রলয়ের সময়ে প্রকৃতির যে প্রলয়ঙ্করী রূপ দেখে আমরা শিউরে উঠেছিলাম, সেও ছিল বাবার রুদ্র রূপের প্রকাশ। আসলে ঈশ্বর আর প্রকৃতি তো আলাদা নয়, প্রকৃতির মধ্যেই তিনি বিরাজ করেন। পৌরাণিক কাহিনী তে আমরা জানি দক্ষ যজ্ঞের স্থলে সতীর দেহ ত্যাগের পর শিবের তাণ্ডব এবং তারপর বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহ বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হওয়া, যা থেকে ৫১টি সতী পিঠের উৎপত্তি। পরবর্তী কালে সতী জন্ম নেন হিমালয় কন্যা পার্বতী রূপে। শিব কে পতি হিসাবে পাবার জন্য তিনি বহু বছর কঠোর তপস্যা করেন। আর পার্বতী তো আমাদের ঘরের মেয়ে। উমা, গৌরী, দুর্গা কত আদরের নামে আমরা তাকে ডাকি। কৈলাস থেকে প্রতি বছর তিনি আমাদের কাছে ছেলে মেয়ে সহ আসেন। কেদারনাথ থেকে ফেরার সময় পৌঁছে গিয়াছিলাম ত্রিয়ুগীনারায়ণ, কথিত আছে যেখানে রাজনন্দিনী পার্বতী ও শিবের স্বর্গীয় বিবাহ সম্পন্ন হয়।ব্রহ্ম শিলাপার্বতীর তপস্যার স্থানটি ছিল বর্তমান গৌরীকুণ্ড। তপস্যায় সন্তুষ্ট মহাদেব পার্বতীর বিবাহ প্রস্তাব মঞ্জুর করেন গুপ্তকাশী তে। কেদারনাথ যাওয়া - আসার পথে শোন প্রয়াগ থেকে ১২ কিমি দূরে ত্রিয়ুগীনারায়ণ নামক একটি ছোট্ট পাহাড়ী গ্রাম। শোনপ্রয়াগ থেকে ত্রিয়ুগীনারায়ণ পর্যন্ত পুরো পথটাই চিরপাইনে ঢাকা, বেশ মনোমুগ্ধকর।গঠনশৈলী র দিক থেকে কেদারনাথ মন্দিরের মত একটি ছোট মন্দির আছে। মনে করা হয় এই মন্দিরের বর্তমান রূপ আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত। ভিতরে তিনটি যুগ (সত্য, ত্রেতা এবং দ্বাপর) ধরে প্রজ্জ্বলিত অখণ্ড অগ্নিশিখা, যা জ্বালানো হয়ে ছিল সেই বিবাহের সময়, তাই এটি ত্রিযুগী। এই মন্দিরের আরাধ্য দেবতা নারায়ণ, শিব-পার্বতীর বিবাহে তিনি ছিলেন পার্বতীর ভাই এর ভূমিকায়। এই দুটি কারণে মন্দিরের নাম ত্রিয়ুগীনারায়ণ। এই মন্দির অখণ্ড ধুনি মন্দির নামেও খ্যাত। মন্দিরের সীমানায় চারটি কুণ্ড আছে। রুদ্র কুণ্ড স্নানের জন্য, বিষ্ণু কুণ্ড পরিষ্কারের জন্য, ব্রহ্ম কুণ্ড পানের জন্য, সরস্বতী কুণ্ড পূর্বপুরুষ দের জলদানের জন্য নির্দিষ্ট। এই বিবাহে পৌরহিত্য করেন প্রজাপতি ব্রহ্মা। ব্রহ্ম শিলা নামক এক শিলা খন্ড আছে, যা বিবাহ স্থলটিকে নির্দেশ করে। মন্দিরের ভিতরে রুপোর বিষ্ণু, লক্ষী ও সরস্বতীর মূর্তি আছে। এই মন্দিরে পূজো দেবার সময় দর্শনার্থীরা কাঠ নিয়ে আগুনে অর্পণ করে, তার ছাই নিয়ে আসেন আশীর্বাদ হিসাবে। এটি বৈবাহিক সম্পর্কের শান্তি নিয়ে আসে বলে মনে করা হয়। পূজার জিনিসপত্র নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করার পর, পুজারিজী ব্রহ্ম শিলা র চারপাশে ঘুরিয়ে তারপর পূজো নিবেদন করলেন। এটাই প্রচলিত রীতি। তাঁর সাথে অনেকক্ষণ ধরে কথোপকথনে জানতে পারলাম পার্বতীর তপস্যা স্থল থেকে শুরু করে এই মন্দিরের সমস্ত কথা। তিনি জানালেন বহু প্রাচীন কাল থেকেই অনেক পরিব্রাজক এই মন্দিরে এসেছেন। উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এখানে এসেছিলেন, তাঁর রচিত হিমালয়ের পথে পথে গ্রন্থে এর উল্লেখ আছে। শিব-পার্বতীর বিবাহে-র স্থান হিসাবে খুব জনপ্রিয় ও পবিত্র এই জায়গায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন প্রথিতযশা শিল্পপতি ধিরুভাই আম্বানি ও কোকিলাবেন সহ আরো অনেক বিখ্যাত মানুষ। এখানে বিবাহ অনুষ্টানের জন্য আনেক আগে থেকে মন্দির কমিটির কাছে বুকিং করে রাখতে হয়। মন্দির সহ চারপাশের পরিবেশ অদ্ভুত শান্ত, নিরিবিলি। এখান থেকে গাড়য়াল হিমালযের বিখ্যাত গিরিশৃঙ্গ গুলি দৃশ্যমান। এখানকার মৃদুমন্দ বাতাস আজও চুপি চুপি সেই সুদূর অতীতের গল্প গাথা ই শুনিয়ে যায়। কেদারনাথ যাওয়া বা আসার পথে আধ বেলা হাতে থাকলে এই সুন্দর মন্দির ও স্বর্গীয় বিবাহের স্থানটি ঘুরে রোমাঞ্চকর অনুভূতির স্বাদ নিতে পারেন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনহরিদ্বার থেকে শোন প্রয়াগ ২৩১ কিমি। শোন প্রয়াগ থেকে ১২ কিমি দূরে ত্রিয়ুগীনারায়ণ মন্দির। কোথায় থাকবেনশোন প্রয়াগ এ থাকার জন্য অনেক লজ ও হোটেল আছে। ত্রিয়ুগীনারায়ণ এ GMVN এর হোটেল আছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা

ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। দু দিনের সফরে তিনি রাজ্যে আসছেন । বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন জে পি নাড্ডা। সেদিনই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, ৫ সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তাও দেবেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, গত ১৯ অক্টোবর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একদিনের সফরে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরের পর এবার দক্ষিণবঙ্গে দলের সাংগঠনিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে আসছেন নাড্ডা।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
কলকাতা

বাইক বুক করে চালকের হাতে হেনস্থার শিকার বাঙালি যুবক

র্যাপিডো নামক একটি কোম্পানিতে বাইক বুক করে হেনস্থার শিকার হলেন বিন মহম্মদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি বালুরঘাটের বাসিন্দা। মহাষ্টমীর দিন তিনি ওই সংস্থা থেকে বাইক বুক করেছিলেন। পুরো ঘটনায় অভিযোগের তির সংস্থার চালক আদর্শ কুমারের বিরুদ্ধে। বিন মহম্মদের কাছে এসে ওই চালক হিন্দিতে জানতে চাইল কোথায় যাবো ? তারপর জানতে চাইল কত ভাড়া দেখাচ্ছে ? তারপর চালক বলল, সে যাবে না। কারণ জানতে চাইলে সে বলল আমি এত কম ভাড়াতে যাই না। বিন মহম্মদ ওই চালককে বলল , আপনি আপনার কোম্পানিকে বলুন আমাকে বললে হবে। তখন সে বলল আপনি রাইডটা বাতিল করুন। উনি বললেন , আমি কেন করব আপনার অসুবিধা আপনি করুন। আরও পড়ুনঃ অষ্টমীর সন্ধ্যায় বুদ্ধদেবের বাড়ি গেলেন সস্ত্রীক ধনকড় তখন আদর্শ কুমার বিন মহম্মদকে রাইডটি বাতিল করার জন্য চাপ দিতে থাকে। নাহলে বিন মহম্মদকে কোনওভাবেই সে ছাড়বে না। কিছুক্ষন পরে আদর্শ কুমার যাত্রীকে বলে, ভাড়া বেশি দিলে তবেই যাবে তখন পাশের একটি অটোস্ট্যান্ডে এক চালকের কাছে গিয়ে বিন মহম্মদ বলেন, দাদা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি বিপদে পড়েছি। আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে র্যাপিডো সংস্থার চালক। বিস্তারিত শোনার পর অটোচালক বিন মহম্মদকে সাহায্য করে। তার কিছুক্ষন পরেই ওই সংস্থার অফিস থেকে ইন্টারনেট কল আসে বিন মহম্মদের কাছে। বিন মহম্মদ তাদের ঘটনাটি বিস্তারিত জানিয়ে বলল, কলকাতা পুলিশে এই বিষয়ে অভিযোগ করবেন। তার কিছুক্ষণ পরেই ওই সংস্থার চালক ফোন করে গালাগালি ও হুমকি দিতে থাকে বিন মহম্মদকে। সমস্ত কথা ওই চালক হিন্দিতে বলেছে। বিন মহম্মদ হিন্দি বলেননি। আদর্শ কুমারকে বাংলা বলতে বললে সে তখন বিন মহম্মদকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। তখন বিন মহম্মদ পুরো বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে বাংলা পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। অবশ্য যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার জন্য অভিযুক্ত চালককে সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও সংস্থার তরফ থেকে বিন মহম্মদের কাছে ইমেল পাঠিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়েছে। এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে , ভবিষ্যতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর হবে না।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

আজ দশমী , আড়ম্বরহীনভাবেই চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি

আজ দশমী। উমার ঘরে ফেরার দিন।সকলের মনে বিষাদের সুর। বিকেল থেকেই শুরু হবে বিসর্জন। কিন্তু এবার বিসর্জনে থাকছে না কো্নও আড়ম্বর। বাজবে না ব্যান্ডপার্টি। ডিজে বাজানোর ক্ষে্ত্রেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। খুব কম সংখ্যক পুজো কমিটির সদস্য মালবাহী গাড়ির সঙ্গে বিসর্জন ঘাটে যেতে পারবেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবরকমের শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা লরি বা ট্রেলারে তুলতে হবে। সরাসরি তা নিয়ে যেতে হবে বিসর্জন ঘাটে। এবার নির্ধারিত দিন ও সময় মেনে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে। পুজো শুরু হওয়ার অনেক আগেই পুজো কমিটিগুলিকে বিসর্জন সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আরও পড়ুনঃ অতিমারীর খারাপ প্রভাব থেকে সকলকে রক্ষা করুক আনন্দ উৎসব , টুইট রাজ্যপালের পুলিশের নির্দেশ অনুযায়ী, উদ্যোক্তাদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে নির্দিষ্ট ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে। সেই অনুযায়ী প্রত্যেকটি থানার আধিকারিকরা নিজেরাও খোঁজখবর নিয়েছেন, তাঁদের এলাকার কোন প্রতিমা কবে ও কখন বিসর্জনের জন্য বের হবে। কলকাতা পুলিশের আওতায় ২৪টি মূল ঘাট-সহ মোট ৩০টি ঘাটে বিসর্জন দেওয়া যায়। বারোয়ারি পুজোর ক্ষেত্রে মূলত গঙ্গায় বিসর্জন পরিকল্পনা করা হয়। জানা গিয়েছে , দশমীর দুপুর থেকেই প্রত্যেকটি ঘাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ নিয়োগ করা হচ্ছে। কারণ বাড়ির পুজোগুলি দশমীর বিকেলের পর থেকেই বিসর্জন দেওয়া শুরু করে। এছাড়াও দশমীর দিন বেশ কয়েকটি বারোয়ারি পুজো প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
রাজ্য

বিমল গুরুংয়ের বিরোধিতায় শান্তি মিছিল মোর্চার

বিমল গুরুংয়ের বিরোধিতায় রবিবার শান্তি মিছিল করল বিনয় তামাংপন্থী মোর্চা শিবির। এদিন তারা দার্জিলিঙের চকবাজারে মিছিল বের করেন। মিছিলে অবশ্য বিনয় তামাং ছিলেন না। কিন্তু শয়ে শয়ে মোর্চা সমর্থক এদিনের মিছিলে পা মেলান। তাদের একটাই দাবি , বিমল গুরুং যাতে পাহাড়ে আবার না ফিরতে পারেন। তাঁদের বক্তব্য, ক্ষমতার লোভেই গুরুং ফিরছেন। কিন্তু সেই ফিরলেনই যদি, তা হলে আগে পাহাড়ে এত অশান্তি বাধালেন কেন? মোর্চাকর্মীদের মিছিলের জেরে যাতে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সেজন্য এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল। তবে কোথাও কোথাও গুরুংয়ের সমর্থনেও পোস্টার পড়েছে। আরও পড়ুনঃ কামারহাটিতে ওষুধের দোকানে বিস্ফোরণ, এলাকায় চাঞ্চল্য উল্লেখ্য , দীর্ঘদিন ফেরার থাকার পর কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে আসেন বিমল গুরুং । গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে অনড় থেকেও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ তোলেন গুরুং। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন বলে জানান তিনি।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

কবিগুরুর "দুঃসময়" কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ

কলকাতার মেগাপুজোগুলোর অন্যতম চেতলা অগ্রণী। এই পুজো মন্ত্রী ববি হাকিমের পুজো হিসেবে বেশি পরিচিত। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ মানুষের পদার্পণ হয় এই মণ্ডপে। এবার পরিস্থিতিটা একটু অন্যরকম। হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপের ভিতরে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই এখানকার পুজো কমিটির সঙ্গে যু্ক্ত সকলেরই মন খারাপ। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান করেছেন। চক্ষুদান করার পর, ১৯ তারিখ থেকেই খুলে দেওয়া হয় এই মণ্ডপ। আরও পড়ুনঃ ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি গত বছর তাদের থিম ছিল কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। আঠাশতম বর্ষেও তাঁদের মণ্ডপভাবনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে এবারের মণ্ডপ। অতিমারী ও ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত বঙ্গে এই কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছেন শিল্পী। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিরাট একটা পাখি। মহাশূন্যে ডানা মেলে উড়ছে সে। প্রদীপ হাতে অভয় দিচ্ছেন ভয়ঙ্করী চামুণ্ডারূপিণী মা দুর্গা। কঠিন সময় কাটিয়ে আশার প্রতীক ওই বিরাট ডানামেলা পাখিটি, যাকে উদ্দেশ্য করে ধ্বনিত হয় লক্ষ মানুষের মানুষের বেঁচে থাকার আর্তি ---এখনই অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং

এনডিএ ছাড়ছেন তিনি। একুশের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। হঠাৎ বুধবার কলকাতায় এক অভিজাত হোটেলে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই মন্তব্য করেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা কী পেয়েছি? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ সকলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবির স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে। ভোট ইস্তেহারেও সে কথা লিখেছিলেন। কিন্তু গত ৬ বছরে কিছুই তো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে শুধু বলেন, দেখছি, হবে। তুলনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বরং ভাল। উনি আমাদের কথা শুনেছিলেন। তার পর কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। সাংবাদিক বৈঠকে এর পরেই গুরুং বলেন, আমি কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট তথা এনডিএ-র শরিক। কিন্তু আজ এই মুহূর্ত থেকে এনডিএ ছাড়ছি। সেই সঙ্গে এই অঙ্গীকার করছি যে একুশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে ভোট লড়ব। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ডের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গুরুং বলেন , এখনও তৃণমূলের কারও সঙ্গে আমার আলোচনা হয়নি। গুরুংয়ের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রোশন গিরি উপস্থিত ছিলেন। গুরুং আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। কোনও অন্যায় করিনি। এর পরেও যদিব পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে তা হলে জেলে যেতে রাজি। সেখানে বসেই কাজ করব। আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , এদিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের গোর্খা ভবনের সামনে হাজির হয় গো্র্খা জনমুক্তি মোর্চার পলাতক এই নেতার গাড়ি। তবে এদিন গোর্খা ভবনের গেট বিমলের জন্য খোলেনি। এক পুলিশকর্মী গোর্খা ভবনের গেট খোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এসময় বিমলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। তাহলে তিনি কিভাবে কলকাতায় এলেন? জবাবে এই গোর্খা নেতা বলেন, যা বলার তিনি গোর্খা ভবনের ভিতরে বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত গোর্খা ভবনের ভিতরে যেতে পারেননি তিনি। গেট না খোলায় শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর এদিন তিনি প্রকাশ্যে এলেন। শো্না যাচ্ছিল , পুজো্র সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। সেই জল্পনাকে সত্যি করে এদিন তিনি কলকাতায় এলেন। প্রসঙ্গত , পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সাব-ইনস্পেক্টর অমিতাভ মালিক খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইউএপিএ আইনের ধারাও রুজু রয়েছে তাঁর নামে। এবছরের মার্চে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার ছেলের বিয়ের আসরে দেখা গিয়েছিল গুরুং এবং গিরিকে। তখনই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুংয়ের যোগসাজশের জল্পনা বাড়ে। কিছুদিন আগে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মোর্চা, রাজ্য সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। অবশেষে এদিন তিনি সামনে এলেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল নুসরত- মিমি অভিনীত 'এসওএস কলকাতা '

আজ মুক্তি পেল অংশুমান প্রত্যুষ পরিচালিত ছবি এসওএস কলকাতা। কলকাতা সহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে বুধবার ছবিটি মুক্তি পেল। এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন যশ দাশগুপ্ত , নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী , এনা সাহা , সুদীপ মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ছবিটির ট্রেলার ও টিজার। এটি একটি অ্যাকশন প্যাকড সিনেমা। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন এনা সাহা। কয়েক বছর আগে ঘটে যাওয়া কলকাতায় জঙ্গি হামলার ঘটনা অবলম্বনে ছবিটি তৈরি হয়েছে। মিমি এখানে যশের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। উল্লেখ্য , পুজোয় এবার মোট ১২ টি ছবি মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবিটি কতটা দর্শকের মনোরঞ্জন করতে পারে , সেটাই এখন দেখার। আরও পড়ুনঃ নতুন মিউজিক ভিডিও লঞ্চ লক্ষীরতন শুক্লার প্রসঙ্গত , এর আগে অংশুমান প্রত্যুষ প্যান্থার নামে একটি ছবি পরিচালনা করেছিলেন। সেই ছবিতে ছিলেন সুপারস্টার জিৎ। ছবিটি ভালই চলেছিল। চলতি বছরে করোনা আবহে সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে , সিনেমা হলে ৫০ শতাংশ আসনে দর্শকরা বসতে পারবে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 91
  • 92
  • 93
  • 94
  • 95
  • 96
  • 97
  • 98
  • 99
  • 100
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal