• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Country

দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফুটবলের মহারণে কখন, কোন সময়ে কোয়ার্টার ফাইনালে কোন দল খেলবে, দেখে নিন একনজরে

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে আগামী কাল, শুক্রবার( ৯ ডিসেম্বর, রাত ৮.৩০টা) থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। এই পর্বে মোট ৮টি দল অংশ নেবে। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেবে ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া। এশিয়া থেকে কোনও দেশ কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারেনি। যদিও নকআউটে খেলেছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। কোয়ার্টার ফাইনালে একমাত্র আফ্রিকান দল টিকে রয়েছে, মরোক্কো। পাঁচটি দল ইউরোপের, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড। লাতিন আমেরিকার দুই বড় দল ব্রাজিল ও আর্জেন্তিনা তো রয়েছে। কোন দিন, কোন সময়ে, কে কার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ খেলবে তার সূচি নিম্নে দেওয়া হল।এক নজরে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচঃ(ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম)প্রথম ম্যাচঃব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া, ৯ ডিসেম্বর, রাত ৮.৩০টাদ্বিতীয় ম্যাচঃনেদারল্যান্ড বনাম আর্জেন্তিনা, ১০ ডিসেম্বর, রাত ১২.৩০টাতৃতীয় ম্যাচঃমরক্কো বনাম পর্তুগাল, ১০ ডিসেম্বর, রাত ৮.৩০টাচতুর্থ ম্যাচঃইংল্যান্ড বনাম ফ্রান্স, ১১ ডিসেম্বর, রাত ১২.৩০টাএবারের বিশ্বকাপে একাধিক তথাকথিত বড় দল অপেক্ষাকৃত সাধারণ দলের কাছে হেরে গিয়েছে। বিদায় নিয়েছে স্পেনের মতো হেভিওয়েট দল। তবে এখনও মেসি, এমবাপে, ক্রিশ্চানো রোনাল্ডোর মতো তারকারা রয়েছে। ফুটবল বোদ্ধাদের নজরে এখন আর কোনও অঘটন ঘটে কিনা সেদিকে। আফ্রিকার একমাত্র দল মরোক্কো আর কোনও বড় দলকে বেগ দেয় কিনা সেটাও দেখার।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেন ছাড়তে পারবেন না ১৮ থেকে ৬০ বছরের পুরুষরা! কেন জানুন

ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণ তাজা করল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি। নতুন নির্দেশিকায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানালেন, ইউক্রেন ছাড়তে পারবেন না ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষেরা।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ইউক্রেনের ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষরা ইউক্রেনের সীমানা ত্যাগ করতে পারবেন না। এই নিয়ম সামরিক আইন বজায় থাকা অবধি কার্যকর থাকবে। আমরা নাগরিকদের এই তথ্য এখন থেকেই মেনে চলার নির্দেশ দিচ্ছি। তবে এই পুরুষদের সেনাবাহিনীর কাজে লাগানো হবে কি না তা নিয়ে এখনই কিছু পরিষ্কার করেনি ভ্লাদিমির সরকার। ইউক্রেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিক্টর লিয়াশকো জানিয়েছেন, রাশিয়া আক্রমণ শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনে কমপক্ষে ৫৭ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন।ইউক্রেন সেনার দাবি, খারকিভের কাছে রাশিয়ার চারটি যুদ্ধ ট্যাংক ধ্বংস করেছে তারাও। লুহানস্ক অঞ্চলে নিহত হয়েছেন ৫০ জন রুশ সেনা। ছটি রুশ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামিয়েছে ইউক্রেন সেনা। যদিও এই তথ্য অস্বীকার করেছে রাশিয়া। রাতের অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে হতাহত এবং যুদ্ধের প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য দিতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি। কিন্তু শুক্রবারের সকাল থেকেই আবার দুদেশে সংঘাত নতুন মাত্রা নিতে শুরু করেছে। হামলার দ্বিতীয় দিনে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। শহরের মধ্যস্থলে পরপর দুটি বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে শুক্রবার ভোরে। ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে অনুমান ইউক্রেন পুলিশের।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

Inequality: ভারত এখন এক ‘চরম অসাম্যের দেশ, জানাল বিশ্ব রিপোর্ট

ভারতের নীচের সারির অর্ধেক মানুষের হাতে দেশের সম্পদের প্রায় কিছুই নেই। অথচ ধনীরা অত্যন্ত ধনী।দরিদ্র তো বটেই। ভারত এখন এক চরম অসাম্যের দেশও। আজ বিশ্ব অসাম্য রিপোর্ট জানাল, ২০২১-এ দেশের মোট আয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগই গিয়েছে দেশের উপরের সারির এক শতাংশ মানুষের হাতে। অথচ নিচু তলার ৫০ শতাংশ মানুষকে দেশের মোট আয়ের মাত্র ১৩ শতাংশ নিয়েই দিন গুজরান করতে হয়েছে।ভারতের সম্পর্কে অসাম্য রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্রয়ক্ষমতার তুলনার নিরিখে ভারতের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় বছরে ২ লক্ষ ৪ হাজার ২০০ টাকা। কিন্তু আয়ের দিক থেকে নীচের সারির অর্ধেক মানুষের গড় আয় মাত্র ৫৩ হাজার ৬১০ টাকা। উপরের সারির ১০ শতাংশ মানুষের আয় তার প্রায় ২০ গুণ। ১১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৫২০ টাকা।প্যারিস স্কুল অব ইকনমিকসএ অবস্থিত ওয়র্ল্ড ইনইক্যুয়ালিটি ল্যাব-এর এই রিপোর্ট তৈরিতে সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন ফ্রান্সের অর্থনীতিবিদ টমাস পিকেটি। রিপোর্টের মুখবন্ধে নোবেলজয়ী দুই অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এস্থার ডুফলো লিখেছেন, বিশ্বের যে সব দেশে অসাম্য চরমে, ভারত এখন তার মধ্যে পড়ছে।শুধু ভারতে অসাম্যের ছবি তুলে ধরা নয়, সেই অসাম্য কতটা গভীরে, তা বুঝতে নরেন্দ্র মোদি জমানায় সরকারি পরিসংখ্যানের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদেরা। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত তিন বছরে অসাম্য নিয়ে সরকার যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তার গুণগত মান গুরুতর ভাবে খারাপ হয়েছে। ফলে অসাম্যের ছবিটা সম্প্রতি কতটা বদলেছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।অর্থনীতিবিদেরা রিপোর্টে বলছেন, কোভিড-সংকটে গোটা বিশ্ব জুড়েই বিলিয়নেয়ার বা কোটিপতিদের সম্পদের পরিমাণ আরও বেড়েছে। বিশ্বের মাত্র ২,৭৫০ জন বিলিয়নেয়ারের হাতে এখন পৃথিবীর ৩.৫ শতাংশ সম্পদ। ১৯৯৫ সালে এঁদের হাতে বিশ্বের ১ শতাংশ সম্পদ ছিল। কোভিডের সময়ই ধনীরা আরও ফুলেফেঁপে উঠেছেন। নীচের সারির অর্ধেক মানুষের কাছে এই ধনীদের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইনইক্যুয়ালিটি ল্যাব-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে লিঙ্গ বৈষম্যও চরমে। মোট আয়ে মহিলা শ্রমিক-কর্মীদের ভাগ মাত্র ১৮ শতাংশ। এই হার গোটা বিশ্বের মধ্যেই নিম্নতম। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতেই মহিলাদের আয়ের ভাগ ১৫ শতাংশ। চিন বাদ দিয়ে এশিয়ার দেশগুলিতে এর হার ২১ শতাংশ।রিপোর্টে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ জমানায় ভারতে আয়ের অসাম্য চরমে ছিল। ১০ শতাংশ ধনীতম মানুষের ঝোলায় দেশের মোট আয়ের অর্ধেক চলে যেত। স্বাধীনতার পরে সমাজতন্ত্রের অনুপ্রেরণায় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ফলে অসাম্য কমে। ধনীতম ১০ শতাংশ মানুষের আয় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে আসে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া, উদারীকরণ শুরুর পরে বিশ্বের মধ্যে ভারতে আয়-সম্পদের অসাম্য প্রবল ভাবে বেড়েছে। উপরের সারির ১ শতাংশ মানুষ আর্থিক সংস্কারের ফায়দা পেয়েছেন। কিন্তু কম ও মাঝারি আয়ের মানুষের আয় ততটা বাড়েনি। দারিদ্র বজায় থেকেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি মমতার

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে কৃষকদের আন্দোলন বড় আকার ধারণ করেছে। আজ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে এনিয়ে বৈঠকেও বসেছে কৃষক সংগঠনগুলি। সেই বৈঠক চলাকালীন টুইট করে এ কথা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, আমি কৃষি আন্দোলন নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। কেন্দ্রীয় সরকার এখনই নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহার করুক। অন্যথায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা আন্দোলনে নামব। আরও পড়ুন ঃ অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ প্রথমদিন থেকেই তৃণমূল এই আইনের বিরোধিতা করে আসছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি লেখেন, আমরা দেশের সম্পত্তিকে বিজেপির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হতে দেব না। অত্যাবশকীয় পণ্য আইন নিয়ে শুক্রবার দলের বৈঠক ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
দেশ

মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার

নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ সীমায় পৌছল। জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ গত ৬ মাসে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ সীমায় পৌছে গিয়েছে। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতের বেকারত্বের হার ৭.৮ শতাংশ। চলতি মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত এই সমীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জুন মাসে লকডাউন ধীরে ধীরে তুলে নেওয়ার পর থেকে কিছুটা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। তবে ২৫ অক্টোবরের পর থেকে সেই পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে শুরু করে। আরও পড়ুন ঃ ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় নিভার ২২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে নিয়োগের হার ছিল ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সিএমআইই-র রিপোর্টে জানা গিয়েছে, দেশে ১.৮ কোটি মানুষকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসেই কাজ হারিয়েছেন ৫০ লাখ চাকুরিজীবী। মহামারী জনিত কারণ দেখিয়ে এঁদের ছাঁটাই করা হয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালে নিয়োগের হার ছিল ৩৯.৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭ ছিল ৪২.৮ শতাংশ। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিলে নিয়োগের হার কমে আসে মাত্র ২৭ শতাংশে। অক্টোবরে অবশ্য এই হার বেড়ে ৩৭.৮ শতাংশ হয়েছে। তবে নভেম্বরে ফের ওই হার এক শতাংশের বেশি কমেছে। যা অর্থনীতির পক্ষে মোটেই সুখকর নয়।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস

আন্তর্জাতিক শিশুদিবস থাকলেও ভারতে আলাদা করে শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর৷ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে ১৯৬৪ সালের আগে পর্যন্ত প্রতি বছর ২০ নভেম্বর পালিত হত শিশু দিবস । শুধু ভারত নয় বিশ্বের অন্য দেশেও ওই তারিখটি পালনের কথা ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। কিন্তু ওই বছর নেহরুর মৃত্যুর পর থেকে সর্বসম্মতিতে দিন বদল হয়।শিশুদের প্রতি তাঁর স্নেহ ও ভালোবাসার কথা সর্বজন বিদিত। জওহরলাল নেহরু ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভালবাসতেন। তাই জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর তাঁর জন্মদিনকে ভারতে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ওই দিন শিশুদের অধিকার, যত্ন এবং শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নানা উত্সবের মাধ্যমে শিশু দিবস পালিত হয়। এদিন গুগল ডুডুল-এও ছোট্ট আকর্ষণীয় ভিডিওর মাধ্যমে শিশু দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের এই ভিডিওয় সংক্ষেপে ভারতে শিশু দিবস পালনের কারণ এবং গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মসনদে কে , সিদ্ধা্ন্ত রবিবারের এনডিএ বৈঠকে প্রসঙ্গত, আমরা সবাই জানি শিশুদের নিজস্ব জগত রয়েছে। রয়েছে নিজেদের চাওয়া, পাওয়া। অনেক সময় আমরা সচেতন ভাবে তাদের চাওয়া, পাওয়াকে গুরুত্ব দিই না। তাদের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনে কিছুটা হলেও উদাসীন থাকি। অথচ এরাই আগামী সমাজের নাগরিক। এদের মঙ্গলের কথা সবার আগে ভাবা দরকার। শিশুদের সুস্থ ভাবে বেড়ে ওঠার জন্য তাদের অধিকার ও চাহিদা সম্পর্কে প্রাপ্তবয়স্কদের সব সময়ে সজাগ থাকতে হবে এমন কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞেরা। আর তা আবশ্যকও। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্য সুযোগসুবিধা সম্পর্কে দেশে কী কী প্রকল্প রয়েছে এবং কী ভাবে এরা তার সুযোগ পেতে পারে সে বিষয়ে বড়দের সব সময় সচেতন থাকা জরুরি। শিশুদের অধিকার ও মানসিকতা সম্পর্কে সচেতনতা কেবল শিশুদিবসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সারা বছর যাতে এই কর্মকাণ্ডের ধারা অব্যাহত থাকে তার জন্যও সচেতনতা জরুরি। সেই প্রতিজ্ঞাই করা দরকার শিশুদিবসে। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু শিশুদের উন্নতি ও বিকাশের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। নেহরুর সময় থেকে শিশুদের বিকাশের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সেগুলির উত্তরাধিকার বর্তমান নাগরিক এবং প্রশাসনের উপরে। তাই এই কাজে সরকার ও অভিভাবকদের আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
দেশ

সাম্প্রতিককালে দেশে বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছেঃ সুপ্রিম কোর্ট

বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছে। আর এই বিষয়ে সরাসরি দেশের গণমাধ্যমগুলির উপরে সরাসরি আঙুল তুলল শীর্ষ আদালত। করোনা আবহের প্রাক্কালে দিল্লিতে যে তাবলিগি জমায়েত হয়েছিল তার রায় দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এস বোবদে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি জানান, সম্প্রতি বাকস্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হচ্ছে। গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্ব নিয়ে খবর পরিবেশন করা উচিত। না হলে যেকোনও সময়ে হিংসা ছড়িয়ে যেতে পারে। আরও পড়ুনঃ ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে গণমাধ্যমের হয়ে হলফনামায় বলা হয়েছে ওই সময় খারাপ প্রতিবেদনের কোনও উদাহরণ নেই।এদিন অবশ্য এই হলফনামা তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের এক জুনিয়র অফিসার পেশ করেন। যা চূড়ান্ত অপমানজনক বলে মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট -এর প্রধান বিচারপতি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবকে এই নিয়ে ফের হলফনামা দায়ের করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন আজ যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার যথোপযুক্ত প্রমাণ কি আপনাদের কাছে আদৌ আছে? যদি থাকে তাহলে সেটা পেশ করা উচিৎ ছিল। তাই আজকের পেশ করা হলফনামা বাতিল করা হল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

ট্রাইবুনালে কেন মাত্র ১৩৯ জনের নাম উঠল! এবার হাইকোর্টে যাওয়ার পথ দেখাল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয় আদালতে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, কিন্তু নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম।এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে মামলাকারীরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে পারেন। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে, প্রথম দফার ভোট নিয়েও এদিন আদালতে আলোচনা হয়। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং বহু পরিযায়ী শ্রমিকও এসে ভোট দিয়েছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বড় ধরনের কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোটদানের হার দেখে তিনি খুশি। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ভোটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন।এই শুনানি ঘিরে একদিকে যেমন ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও সামনে এসেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

আপে বড় ভাঙন! রাঘব চাড্ডা সহ সাত সাংসদের বিজেপিতে যোগ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আম আদমি পার্টি ছাড়লেন রাঘব চাড্ডা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জন সাংসদও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি।দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাঘব এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সংবিধানের নিয়ম মেনেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে আপের দশ জন সাংসদের মধ্যে সাত জনই এই সিদ্ধান্তে সই করেছেন।সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, তিনি দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে দলকে সময় দিয়েছেন। কিন্তু এখন দল তার আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, দল আর দেশের জন্য কাজ করছে না, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এতদিন তাঁর মনে হচ্ছিল তিনি সঠিক ব্যক্তি হলেও ভুল দলে রয়েছেন। তাই তিনি এখন মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চান।এর আগে বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন রাঘব। মূল্যবৃদ্ধি, সস্তায় খাবার, পরিষেবা সংক্রান্ত নানা দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।এই দলবদল ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

জনসভায় চোখে জল মমতার! ফিরহাদকে নিয়ে এমন কথা আগে শোনেননি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানান, তাঁর মায়ের অসুস্থতার সময় তিন বোতল রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন ফিরহাদ হাকিম নিজে এগিয়ে এসে রক্ত দিয়েছিলেন এবং তাঁর মায়ের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করেছিলেন।মমতা বলেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে ফিরহাদের রক্তের গ্রুপ মিলে গিয়েছিল। সেই কঠিন সময়ে তিনি পাশে ছিলেন। শুধু তাই নয়, মায়ের মৃত্যুর সময়ও অনেক দায়িত্ব সামলেছিলেন ফিরহাদ। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি কোনও সমস্যা হলেই প্রথমে ফিরহাদকেই ফোন করেন।তিনি আরও বলেন, ফিরহাদ তাঁর পরিবারের সদস্যের মতো। তাঁর কথায়, ফিরহাদের মা ব্রাহ্মণ এবং বাবা মুসলমান। এই উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়। এটাই ভারতের প্রকৃত চিত্র বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা জানান, তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় শেষকৃত্যের ব্যবস্থার দায়িত্বও তিনি ফিরহাদকেই দিয়েছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনিই সব কিছু দেখাশোনা করেছিলেন।একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবারের একটি ঘটনার কথাও বলেন। তাঁর বাড়িতে একটি ছেলের উপনয়ন অনুষ্ঠানের সময় ফিরহাদ এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন এবং সেই অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশে অংশ নিয়েছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি কখনও এই ধরনের ব্যক্তিগত কথা প্রকাশ্যে বলেন না। তবে তিনি সব সময় সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চান। তাঁর কাছে সকল মানুষ সমান, সে যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক না কেন। সংকীর্ণ রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না বলেও স্পষ্ট জানান।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মোদির বিস্ফোরক অভিযোগ! হাওড়া থেকে পাল্টা তোপ মমতার

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রচার আরও জোরদার হয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার দিয়ে দিন শুরু করলেও পরে একাধিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে গিয়ে জনসভা করেন তিনি। সেখান থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদি বলেন, একসময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সারা বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হত। কিন্তু এখন সেখানে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে এবং ছাত্রদের পড়াশোনার বদলে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি জানান, সেখানে আবার পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।এই বক্তব্যের পরই পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলার গর্ব এবং দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের প্রতিবাদকে অরাজকতা বলা ঠিক নয় বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, ছাত্র-যুবকদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটে তৃণমূল ভালো ফল করতে পারেনি এবং দ্বিতীয় দফায় বিজেপি আরও এগিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, বিজেপি জিতলে রাজ্যে উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, যাদবপুরে শাসক দলের প্রভাব রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের শাসনে বাংলার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

‘ভাইপো ট্যাক্স বন্ধ হবে’! তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহর তীব্র আক্রমণ

উত্তর চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর রাজ্যে আর তৃণমূল সরকার থাকবে না। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, তখন আর কাটমানির নামে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না।প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপি বড় সাফল্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে বিজেপি।বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে এই সভায় এসে শাহ সন্দেশখালির ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।অনুপ্রবেশের বিষয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি সরকার এলে তাদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।গরু পাচারের প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন শাহ। তাঁর দাবি, শাসকদলের আশ্রয়ে এই ধরনের কাজ বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার বদল হলে এইসব বন্ধ করা হবে এবং যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সভা থেকে তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে পরিস্থিতি শান্ত রাখা জরুরি, তবে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।হিঙ্গলগঞ্জের এই সভার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গাবিহার নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার! ‘যমুনায় ডুব দিয়ে দেখুন’

বঙ্গ সফরে এসে শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। এরপর হাওড়ার এক জনসভা থেকে এই বিষয়েই তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বাংলার গঙ্গা পরিষ্কার বলেই সেখানে নৌকাবিহার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি ভোটের সময়ের রাজনীতি এবং ছবি তোলার প্রচার। তিনি মোদিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গঙ্গায় নৌকাবিহার করা ভালো বিষয়, তিনিও বিভিন্ন সময়ে গঙ্গায় যান।এরপরই দিল্লির যমুনা নদীর দূষণের প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেন তিনি। মমতা বলেন, যমুনার দূষণ ভয়াবহ এবং মোদির উচিত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির যমুনা পরিষ্কার রাখতে না পারলেও বাংলায় এসে গঙ্গাবিহার করছেন প্রধানমন্ত্রী।দিল্লিতে দূষণের সমস্যা নতুন নয়। প্রতি বছর শীতের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। নদীর জলে ফেনা দেখা যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। দিল্লির নির্বাচনের সময়ও এই বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল।এই প্রেক্ষিতেই মোদির গঙ্গাবিহারকে ঘিরে রাজনৈতিক বক্তব্য আরও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে কলকাতা পর্যন্ত যোগাযোগ উন্নত করার জন্য করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এর মাঝেই বঙ্গের ভোট আবহে গঙ্গাবিহার নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal