• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

টুকিটাকি

টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
টুকিটাকি

অল্প দিনেই কর্মক্ষেত্রে তাকলাগানো উন্নতি! অফিসের কাজের জায়গায় রাখুন এই গাছ

কর্মক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না? সকাল থেকে সন্ধ্যা অব্দি হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরেও কাজের জায়গায় সাফল্য ধরা দিচ্ছে না? উদয়াস্ত পরিশ্রম করেও বসের মন পাচ্ছেন না? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, কর্মক্ষেত্রে অল্প দিনের মধ্যেই নজরকাড়া উন্নতি করতে কয়েকটি গাছ আপনাকে প্রশ্নাতীত সাফল্য এনে দিতে পারে।স্নেক প্ল্যান্টঅত্যন্ত কম জলে এই গাছ বাড়ে। নিজের কর্মক্ষেত্রে কোনও একটি জায়গায় ছোট্ট টবে এই গাছটি বসাতে পারেন। অল্প দিনের মতোই ম্যাজিকের মত ফল পাবেন।জেড প্ল্যান্ট:নিজের ব্যবসা কিংবা অন্যান্য কাজের জায়গায় এই বিশেষ গাছটিও ছোট্ট একটি টবে আপনি বসাতে পারেন। এই গাছের বিরাট কোনও পরিচর্যার দরকার পড়ে না। আপনার কর্মজীবনের উন্নতিতে এটি অন্যতম সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।মানি প্ল্যান্ট:কাজের জায়গায় সব সময় একটা পজিটিভিটি তৈরি করবে এই গাছ। আপনার সম্পদ বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে আপনাকে বলশালী করতে পারে বিশেষ এই গাছটি।উপরোক্ত গোটা বিষয়টি কিন্তু একেবারেই বাস্তুশাস্ত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্ণনা করা হয়েছে। এই গাছ লাগানোর বিষয়টির বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই। আপনি যদি বাস্তুশাস্ত্রে বিশ্বাসী হন তবে একবার এই গাছ লাগানোর বিষয়টি পরখ করে দেখতেই পারেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
টুকিটাকি

সাবধান! বাচ্চা মোবাইলে আসক্ত? জানেন কি কি ক্ষতি হতে পারে?

কেউ হয়তো জিজ্ঞেস করেই যাচ্ছে তোমার নাম কি? কোন ক্লাসে পড়? কে শোনে কার কথা। তখন সে একেবারে ভিন্ন জগতে। ওই কথা সে শুনতেই পাচ্ছে না। কারণ তখন বাচ্চাটি মোবাইলের স্ক্রিণের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে। তার জগত তখন 6-7ইঞ্চির স্ক্রিণ। আজকের ডিজিটাল যুগে স্মার্ট ফোন একটি অত্যাবশ্য়ক যন্ত্র। যা হাতের মুঠোয় মেলে ধরেছে গোটা পৃথিবী। এক দশক আগেও যা ছিল কেবল যোগাযোগের মাধ্যম। এখন তা বিনোদন ও জ্ঞানের ভান্ডার। যার ব্যবহার দৈনন্দিন জীবন যাপন সহজলভ্য করে তুলেছে। বড় থেকে ছোট সকলেই এখন মোবাইলে আসক্তি গ্রস্ত।তবে স্মার্ট মোবাইল তার বিস্তর প্রভাব ফেলছে শিশু মনের উপর। শিশুরা অত্যাধুনিক খেলনা হিসেবে মোবাইলকে বেছে নিয়েছে। তারা ভুলে গিয়েছে খেলনা গাড়ির কথা, পুতুল পুতুল খেলা। নিদেনপক্ষে দুষ্টুমিও। সব যেন মোবাইল কেন্দ্রীক। এখন বাস, ট্রেন, বিমান বা শপিং মলেও বাচ্চাদের হাতে মোবাইল। নতুন নতুন গেমস, চমকদার কার্টুন, নিত্য নতুন শিক্ষণীয় বিষয়, শিশুদের বিশেষ আকর্ষণের কারণ। যার ফল স্বরূপ শিশুরা মোবাইলে স্ক্রিনে নিজেদের বন্দি করে রাখছে{ দিনের বেশ কিছুটা সময় এভাবেই তারা কাটিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল শিশু মনের উপর বিরাট প্রভাব ফেলছে। যার নেগেটিভ দিকটাই বেশি। অতিরিক্ত সময় মোবাইলের স্ক্রিন দেখার জন্য তাঁদের চোখের সমস্যা দেখা দিছে। যেমন চোখ ড্রাই হয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথা ব্যাথা হওয়া। সব থেকে বড় কথা, আসক্তির ফলে নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ থাকছে না।তাছাড়া মোবাইলে এর আলো মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়, যা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়। যার ফলে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। পড়াশুনায় মন বসছে না। অতিরিক্ত গেমস বা কার্টুন দেখার ফলে সামাজিক দূরত্ব বাড়ছে। সকলের সাথে মিলেমিশে থাকা বা বন্ধুদের সাথে মাঠ কিংবা পার্কে খেলাধুলার প্রবণতাও কমছে। যার ফলে তাঁদের মধ্যে একাকিত্ব ও অত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে।কিছু বাচ্চা মোবাইলে এতটাই আসক্ত যে মোবাইলে হাত থেকে নিলে তারা জেদ বা কান্নাকাটি করছে। এমনকি খুব রেগে যাচ্ছে। ছোট বয়সেই খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। বাবা-মা কথা বললেও বিরক্তি প্রকাশ করছে। এককথায় তাদের সামলানোই দুষ্কর হয়ে যায়। আবার অনেক গেমসে আসক্ত বাচ্চারা স্ক্রিন এর ভিতরের জগৎকে বাস্তব ভেবে অপরাধ মূলক কাজও করে ফেলছে।মোবাইল ফোনের অপব্যবহার বাচ্চাদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কি মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে?তা কখনই সম্ভব না। আজকের যুগে মোবাইল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। শুধু দরকার এর সঠিক ব্যবহার, আর অভিভাবকদের সচেতনতার। কয়েকটি বিষয় যদি অভিভাবকরা একটু নজরে রাখেন তাহলেই মোবাইলের সঠিক ব্যবহার হবে। আর বাচ্চারাও এর আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বাবা-মায়ের অতিরিক্ত মোবাইল ব্য়বহারেও বাচ্চা প্রভাবিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের সাবধান থাকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে-* বাচ্ছাদের স্ক্রিন টাইমিং কমিয়ে, তাঁদের এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস যেমন অঙ্কন, নাচ, গান, বই পড়াতে উৎসাহিত করা।* ছোটরা মোবাইলে কী দেখছে সেদিকে যথেষ্ট সচেতন থাকা। অর্থাৎ নজর রাখা।* বাচ্ছাদের সাথে সময় কাটানো। গল্প শোনানো, খেলা, ঘুরতে যাওয়া। একসঙ্গে লাঞ্চ বা ডিনার করা।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
টুকিটাকি

তীব্র গরমে কি খাবেন কি আর কি খাবেন না, জেনে নিন

২০২৪ র উষ্ণতম মাস এপ্রিল। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। ভয়ঙ্কর দাবদহে রাস্তাঘাট শুনশান। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত আদ্রতার কারনে এই সময় শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝড়ে। অতিরিক্ত ঘামের কারনে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি, অস্বস্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোড়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে জল বা পানীয় এবং জল যুক্ত ফল খেতে হবে।এই তীব্র গরমে কী কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপাদেয়, সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ অতসী সাহা দত্ত এই গরমেও শরীরকে সুস্থ্য রাখতে বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই তীব্র দাবদহেও শরীরকে সুস্থ রাখবে। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত খাবারের তালিকাঃজলঃপূর্ণবয়স্ক একজন নারীর সারাদিনে অন্তত ২.৫লিটার থেকে ৩ লিটার ও একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দিনে ৩ লিটার থেকে ৩.৫ লিটার পরিশুদ্ধ জল পান করা উচিত। যাঁরা কিডনি রোগে ভুগছেন তাঁরা চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তাঁর পরামর্শমত জল পান করবেন।এই তীব্র দাবদহে পাতিলেবু বা অন্য যেকোনও ফলের শরবত খাওয়া যেতে পারে। ডাবের জল, তরমুজ খুবই কার্যকর এইসময়ে। এই ধরনের ফল খুব সহজেই মানুশের শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করে। ডাব বা ফলের শরবত খেলে জলের সাথে সাথে আমাদের শরীরের যে খনিজ লবণের প্রয়োজন তার চাহিদাও পূরণ হয়।সবজিঃফল বা জলের সাথে সাথে বেশ কিছু সব্জীও আমাদের শরীরে জলাভাব কাটাতে সাহায্য করে। যেমন, কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, শসা, চিচিঙ্গা, গাজর, কুমড়ো, লাউ, পালংশাক, টমেটোতেও জলের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরে জলাভাব কমাতে এই ধরনের সব্জী আমাদের অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময় রান্না যেন কোনোমতেই রিচ না হয়। এইসময়, আম বা তেঁতুল দিয়ে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাঁটা দিয়ে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে খুব সাহায্য করে।মরসুমি ফলঃআমঃ এই সময় বাজারে খুব-ই সহজলভ্য কাঁচা আম। কাঁচা আম দিয়ে তৈরি ডাল, শরবত, বা কাঁচা আম পুড়িয়ে শরবত, আম পান্না শরীরের জল শূন্যতা দূর করার জন্য খুব উপকারি। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া কাঁচা আমে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি ও আছে, যা মানব দেহ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।তরমুজঃ এছাড়া এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ পাওয়া যায়, এই তরমুজ ও শরীর ঠান্ডা করার জন্য খুব উপকারি। তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য ভীষণ দরকার।পেঁপেঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এবং যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান (ওবেসিটি) তাদের জন্য ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস হতে পারে পেঁপে। কোলেস্টেরল কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়াতেও এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। পেঁপেতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে।আখের রসআখের রস-ও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সাথে বিট নুন, পুদিনাপাতা এবং পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বৃদ্ধি পায়, সাথে সাথে পুষ্টিগুণও অনেকগুন বেড়ে যায়।বেলের শরবতবেলের আরেক নাম অমৃত ফল। একটি পাকা বেল রোজ খেলে বহু রোগ নিরাময় হয় বলে জানা যায়। বেলে আছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ এবং বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার। বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর।পুদিনার শরবতশরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে ও পাকস্থলীতে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে পুদিনার জুড়ি মেলা ভার। শরীর সতেজ রাখার জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।যা খাবেন নাকোনও ভাবেই তীব্র দাবদাহ মাথায় নিয়ে ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না। সাময়িক আরাম আপনার ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই ধরনের কার্বনেটেড বেভারেজ (স্ফট ড্রিঙ্ক) আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি, যা একেবারেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে গরম চা বা কফি বা গরম কোনও খাবার এই সময় না খেলেই মঙ্গল।খাবেন নাঃ# বাইরের খোলা শরবত,# ঝাল মশালা যুক্ত খাবার,# ফাস্ট ফুড / জাঙ্ক ফুড# ভাজা বা পোড়া খাবার

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
টুকিটাকি

আপনি কি বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে শুচ্ছেন? একটু চেষ্টা করে দেখুন

সবাইকার রাতে নিঃশব্দ ঘুম ভাগ্যে থাকে না। এমন অসংখ্য মানুষ আছে যাঁদের বিভিন্ন কারণে রাতে ঘুম আসে না। কারও কারও চিন্তার কারণে, কেউ কেউ হয়ত মনের মত ঘুমাবার আদর্শ জায়গা পাননি, আবার কারও অধীক পরিশ্রমের জন্য পায়ে যন্ত্রনার কারণে। কারণ যাই হোক না কেন, ঘুমাতে না পারা খুবই বিরক্তিকর এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনে এটা একটা বড় প্রভাব ফেলবেই।মাঝে মাঝেই, আমরা আমাদের পা নিয়ে কম বেশি সকলেই খুব অস্থির বোধ করি। যখন এটা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখনই এটি রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (RLS)-র লক্ষণ হিসাবে ধরা হয়।রেস্টলেস লেগস সিনড্রোমরেস্টলেস লেগস সিনড্রোম বা আরএলএস হল একটি ঘুমের ব্যাধি যা পায়ের নীচের দিকের অংশ সরানোর সময় যন্ত্রনা আনুভুত হয়। এটি সাধারণত সন্ধ্যায় এবং রাতের দিকে বাড়ে এবং আরও বেশি বেড়ে যায় যখন কেউ বিশ্রাম নিতে যায়। পা যখন নড়াচড়া করে সেই সময় এই অস্থিরতা কমে যায়, কিন্তু নড়াচড়া বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই এই অস্থিরতা আবার ফিরে আসে। এই অবস্থায় ঘুমানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।এর লক্ষণ কি?আরএলএস-র লক্ষণগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, পায়ে ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়া, পায়ে এমন অস্বস্তি হবে মনে হবে সবসময় পাটা একটু নাড়াচাড়া করি। পা নড়াচড়া করতে থাকলে উপসর্গ কম অনুভূত হয়, এবং দিনেরবেলার তুলনায় রাতে লক্ষণগুলো বাড়ে। আপনি কি এই এই উপসর্গগুলি বুঝতে পারেন? যদি তাই হয়, তাহলে আপনি রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম বা আরএলএস-এর দ্বারা আক্রান্ত। এর কারণে আপনি প্রায়ই ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং আপনার কোনও কিছুতেই মনোসংযোগ করতে অসুবিধা হয়। আরএলএস আক্রান্ত মানুষজন তাঁদের নিজেদের বাসস্থান ও খোলামেলা জায়গার বাইরে যেতে চান না, তাঁরা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে যেতে চান না কারন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আবদ্ধ থাকতে হবে বলে ঠিক একই কারণে তাঁরা ট্রেন বা বিমানে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করতে পারে না।কারণরেস্টলেস লেগস সিনড্রোম র কারণ এখনো অবধি অজানা। অভিজ্ঞ চিকিৎসকমহলের ধারনা সম্ভবত আমাদের নড়াচড়া এবং প্রতিচ্ছবি নিয়ন্ত্রণ কারি মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষগুলির সমস্যার কারণে এটি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি বংশগত বলেও মনে করা হচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে শরীরে আয়রনের মাত্রা কম থাকায় বা কিডনি সমস্যার কারনে বা ডায়াবেটিসের মতো অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও হতে পারে।ল্যাভেন্ডার সাবানএকটি জনপ্রিয় টেলিভিশন প্রোগ্রামে সুপরিচিত চিকিৎসক ডাঃ ওজ, রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম থেকে নিরাময়ের এক অদ্ভুত পদ্ধতি বাতলেছেন। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে এই কথাটার বাস্তব ভিত্তি আছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন। ডঃ ওজ সেখানে বলেছেন আপনারা যারা এই সিনড্রোমে আক্রান্ত তাঁরা রাতে শোবার সময় পায়ের দিকে বিছানার চাদরের নীচে একটি সাবানের টুকরো রেখে শোবেন। এবং সাবানটি ল্যাভেন্ডার সাবান হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। ল্যাভেন্ডার সাবানে সুগন্ধে এক প্রশান্তি আছে বলে অনেকে মনে করেন। প্রতি সন্ধ্যায় আপনার পায়ের কাছে আপনার চাদরের মধ্যে ল্যাভেন্ডার সাবানের একটি টুকরো রাখুন। কয়েকদিন পর থেকেই আপনি অনুভব করবেন যে আপনার পায়ের খিঁচুনি এবং ক্র্যাম্পগুলি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এবং আপনার পা অনেক বেশী শান্ত বোধ করছে! এটা চেষ্টা করুন আশাকরি এর সুফল আপনি পাবেনই।ল্যাভেন্ডার সাবানপ্রমাণল্যাভেন্ডার সাবানে রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম এর হ্রাস পাওয়ার ব্যাপারটি এখনো অবধি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি, তবে অনেক মানুষ সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে যা নানা মন্তব্য করেন। তাতে মনে করা হয়, যে এটি সত্যিই কাজ করে। এক ভদ্রমহিলা ডঃ ওজ কে জানিয়েছেন যে, তিনি তার স্বামীর অজান্তেই বিছানার চাদরের নীচে একটুকরো সাবান রেখেছিলেন এবং তাঁর স্বামী শোবার কিছুক্ষনের মধ্যেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। রুজ এর ধারনা এটি শুধুমাত্র রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম-এই কাজ করে তা নয়, এই পদ্ধতির আরও কিছু সুফল হয়ত আমরা অদুর ভবিষ্যতে জানতে পাব। ডাঃ ওজ বলেছেন, যেকোনো সাবান নয় শুধুমাত্র ল্যাভেন্ডার সাবান-ই ব্যবহার করুন। যেকোনো সাধারণ সাবান থেকে এই রিলিফ আশা করবেন না।আপনারা যাঁরা এই রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম এ আক্রান্ত তাঁরা শুধু শুধু দিনের পর দিন পেনকিলার বা পেন রিলিফ মলম ব্যাবহার না করে একটুকরো ল্যাভেন্ডার সাবান আপনার পায়ের দিকে বিছানার চাদরের নিচে কয়েকটা দিন রেখেই দেখুন না......

জুলাই ১০, ২০২২
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Face Cream: হোম মেড ফেস ক্রিম দিয়ে শুষ্ক ত্বকে ফিরিয়ে আনুন পুরনো ঔজ্জ্বল্য

সামনেই পুজো। সারা বছর নিজের দিকে তেমন তাকানোর সময় না হলেও, পুজোর কটা দিন নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সময় আবহাওয়াটাই কেমন যেন মন ভালো থাকে। তাই নিজেকে একটু সাজিয়ে নিতে পারলে, মনটাও ভালোই হয়ে যায়। এমনিতে করোনা আবহে ঘরে থেকে থেকে একেঘেয়েমির আস্তরণ পড়ে গিয়েছে অনেকের মনে। এক ঝটকায় সেই আস্তরণ সরিয়ে ফেলতে ঘরে বসেই নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলুন। বহু বছর ধরে অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন-ই ত্বকের পরিচর্চার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মার্কিন দেশের ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন ই-এর সাময়িক ব্যবহারে সূর্যের ইউভি বিকিরণের কারণে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষার পাশাপাশি ভিটামিন ই-তে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেশন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য। যা ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও টোনড করতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ভিটামিন ই হল সেরা উপাদান। তবে বাজার চলতি কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে, বাড়িতে তৈরি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফেস ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল বাজারে সহসলোভ্য। তাই এই উপকরণ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই পারেন।মসৃণ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও ভিটামিন ই মাস্কতাজা অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ফেস ক্রিম বা মাস্কটি মুখের ত্বকে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উভয় উপকরণের মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে মসৃণ ও লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পেঁপে ও ভিটামিন ই মাস্ক২ টেবিলস্পুন পেঁপের পাল্প, এক টেবিলস্পুন গোলাপ জল ও ১৫-২০ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল- একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখের সর্বত্র লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ও ভিটামিন ই-এর মিশ্রণ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস মাস্ক দারুণ উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন এনজাইম বা ত্বকের মৃত কোষ ও ট্যান দূর করতে এই ফেস মাস্ক বেশ কার্যকরী। এই দুই উপাদান ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।গ্রিন টি, মধু ও ভিটামিন ই মাস্কমুখের মধ্যে অকাল বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে একটি বাটিতে এক কাপ গ্রিন টি, ২-৩ টেবিলস্পুন চালের গুঁড়ো, ১ টেবিলস্পুন মধু, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রথমে গ্রিন টি বানিয়ে তা ঠান্ডা করতে দিন। তারপর গ্রিন টিয়ের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু ও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। মুখের ত্বকের উপর সমানভাবে পেস্টটি ব্যবহার করুন। গ্রিন টি অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্যে করে।এই কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্কই আপনার ত্বকে ফিরিয়ে আসতে পারে সেই পুরনো জৌলুস। তাই পুজোর কটা দিন নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া এই মাস্কগুলো দিয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
টুকিটাকি

Oliv Oil: সোনালি অলিভ ওয়েলের গুণাগুণ

প্রতিদিনের রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে, শরীর ভীষণভাবে উপকৃত হয়। অলিভ অয়েলে রয়েছে সামান্য মিষ্টি, ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট। যার ফলে, এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রয়েছে অলিক প্রোপেন, যা সবচেয়ে শক্তিশালী পলিফেনল হিসেবে গণ্য। এটা এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মানব শরীরে ভীষণ উপকারী। অলিভ অয়েলে পাওয়া পলিফেনলগুলি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায়তা করে। আপনি যদি খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল যুক্ত করেন, তাহলে আপনার রক্তে সর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।১. অলিভ অয়েলে মেলে পলিফেনল। এটি হল এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যার জন্য শরীরে ইনস্যুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও উপকারী অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।২. প্রতিদিন রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। অলিভ অয়েলে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষগুলিকে নষ্ট করে দেয়।৩. পাকস্থলী ও অন্ত্রের জন্য ভীষণই উপকারী অলিভ অয়েল। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। অলিভ অয়েল প্রতিদিন ব্যবহারে কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি মেলে।৪. অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।৫. অলিভ অয়েল দিয়ে চোখের চারপাশ মাসাজ করলে উপকার মেলে। এরফলে, ক্লান্তিভাব দূর হয়, ভাল ঘুম হয়।৬. অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে শরীরে উচ্চরক্তচাপ কমে। অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফেনল ও মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড -- যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।৭. অলিভ অয়েল স্মৃতিলোপ রুখতে সাহায্য করে। অ্যালঝাইমারের মোকাবিলা করে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
টুকিটাকি

রাশিফল (Horoscope 9th September 2021): কন্যার ইচ্ছাপূরণ, বৃশ্চিকের সুনামবৃদ্ধি

মেষ/ ARIES: কোনও কারণে ঈর্ষান্বিত হতে পারেন। বৃষ/ TAURUS: আঘাতপ্রাপ্তি যোগ রয়েছে আজ। মিথুন/ GEMINI : আজকের অর্থভাগ্য শুভ। কর্কট/ CANCER : সততায় লাভ হতে পারে। সিংহ/ LEO: আজ পরোপকার করতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: কোনও ইচ্ছাপূরণ হতে পারে আজ। তুলা/ LIBRA: মনে সন্তোষলাভ হতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: আজ সুনামবৃদ্ধি পেতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: ভোগবিলাসে ব্যয় হতে পারে। মকর/ CAPRICORN: আজ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: মামলা মকোদ্দমায় হার হতে পারে। মীন/ PISCES : সৎ পরামর্শ লাভ করতে পারেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
টুকিটাকি

Neck Black spot: ঘাড়ে কালো দাগ? নির্মূল করবেন কী করে? রইল ঘরোয়া টিপস

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে আপনি বরাবরই সচেতন ! কিন্তু হঠাৎ করেই লক্ষ্য করছেন ঘাড়ে খেয়াল করছেন অযাচিত কালো দাগ। জনসমক্ষে বেরোতে অস্বস্তি হচ্ছে তাই। পিঠ কাটা জামা পড়তে গেলে ভাবতে হচ্ছে দশ বার। কীভাবে মুক্তি পাবেন এই অযাচিত কালো দাগ থেকে? রইল কিছু ঘরোয়া উপায়।অ্যালোভেরা জেলযে কোনও ত্বক ঘটিত সমস্যা হলে অ্যালোভেরা জেল অব্যর্থ। অ্যালোভেরা জেল খুব সহজেই ত্বকের ডার্কনেস দূর করে। অ্যালোভেরা জেলে থাকা মিনারেল, ভিটামিন ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে সাহায্য করে। ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে সামান্য জেল নিন দিয়ে ঘাড়ে স্ক্রাব করুন দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন । আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।অ্যাপেল সিডার ভিনিগারত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। ত্বক থেকে ডেড সেল সরাতেও সাহায্য করে এই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। একটি পাত্রে ২টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে তাতে অল্প জল মিশিয়ে নিন। এবার তুলোতে ভিজিয়ে ঘাড়ের কালো অংশে লাগান আর কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং জলে ধুয়ে নিন।দইত্বককে পরিষ্কার করতে আরও এক অব্যর্থ জিনিস হল দই। দই যেমন খেলেও উপকার। ত্বকের জন্যও সমান উপকারি। দুচামচ দই নিয়ে ঘাড়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্রায় পনেরো মিনিট রেখে দেওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন তাহলেই দেখবেন চমক।আলুব্লিচের জন্য আলু খুবই ভাল। আলুটা ভাল করে গ্রেট করে নিন। তারপর আলু থেকে চেপে রস বের করুন। সেই রস ঘাড়ের কালো অংশে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেই দেখতে পাবেন পার্থক্য।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

Flax seed oil: ত্বকের পরিচর্যায় অপরিহার্য তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল

অলিভ অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল, জোজোবা অয়েল- ত্বকের পরিচর্যায় কিন্তু দারুণ ভাবে কাজে লাগে এই তিন ধরনের এসেন্সিয়াল অয়েল। তবে এই তালিকায় রয়েছে আর এক ধরনের তেল যাকে বলা হয় তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল। ত্বকের পরিচর্যার পাশাপাশি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এবার দেখে নেওয়া যাক, তিসির তেল কীভাবে ত্বকের পরিচর্যায় কাজে লাগে।বিভিন্ন র্যাশ-আলার্জি দূর করে- ত্বকে যদি কোনও র্যা শ বা অ্যালার্জি হয় তাহলে সেটা নিরাময়ে সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এই তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ইনফ্লেমেটরি উপকরণ, যার সাহায্যে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাব কিংবা চুলকানি ও অন্যান্য অস্বস্তিকর সমস্যা, লাল হয়ে যাওয়া- এইসব কমে যায়। বিশেষ করে যাঁদের রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক, তাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তখন তিসির তেল ব্যবহার করলে নিমেষে দূর হয় দাগ-র্যা শ-চুলকানি। ব্রণর সমস্যাও দূর হয়ে এই তেলের সাহায্যে। আঙুলে করে নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়ে দিলেই পাওয়া যাবে সমাধান।ত্বক আর্দ্র রাখে- তিসির তেলে রয়েছে এসেন্সিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড। এর প্রভাবে ত্বকের রুক্ষ-শুষ্ক ভাব দূর হয়। ত্বক থাকে মসৃণ এবং মোলায়েম। হাল্কা কোনও ময়শ্চারাইজারের সঙ্গে এই তেল মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। জেল্লা বাড়ার পাশাপাশি দূর হয় ত্বকের কালচে দাগছোপ। রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে হাতের তালুতে দুফোঁটা তিসির তেল নিন। তারপর হাতেই ঘষে সেটা সামান্য গরম করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করে তারপর ৫ মিনিট তেল মুখে রেখে পরিষ্কার এবং সামান্য উষ্ণ জলে মুখে ধুয়ে নরম কাপড় বা গামছা কিংবা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। সকালে উঠেই ত্বকের ফারাকটা চোখে পড়বে আপনার।ডার্ক সার্কেল দূর করে- চোখের তলায় কালি বা কালচে ছোপ পড়ে গিয়েছে, গোলাকারে চোখের চারপাশেই দেখা দিয়েছে কালচে দাগছোপ, এই সমস্যার সমাধানে খুবই ভালভাবে কাজ করে তিসির তেল। তানা এক সপ্তাহ চোখের চারপাশের কালচে দাগে এই তেল মাখলে তফাতটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। এছাড়াও ত্বকের বলিরেখা রুখতে, চামড়ার কুঁচকে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে তিসির তেল।শুধু মুখের ত্বকের নয়, সারা শরীরের ত্বকের যত্নেই আপনি ব্যবহার করতে পারেন তিসির তেল। এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ত্বক খুবই নরম, মসৃণ এবং মোলায়েম থাকে।

আগস্ট ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Sun Tan: পদযুগলে ট্যান দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় জানুন

গ্রীষ্মকালে আমাদের ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বলা যেতে পারে। এইসময় ট্যানিং হল সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। হাত-পা-পিঠে ট্যানিংয়ের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ প্রায়শই দেখা যায়। কখনও কখনও ট্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি এবং জ্বালাভাব অনুভব করা যায়। গরমে রোদের তাপে হাত ও মুখে ট্যান পড়লে কীভাবে তা দূর করা যায়, তার ঘরোয়া টোটকা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু পায়েও যে ট্যানিং পড়ে কদাচিত দেখতে লাগে, তা এড়িয়ে যাওয়া হয় অনেক সময়ই। পা থেকে ট্যানিং অপসারণের জন্য কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, পা থেকে ট্যান দূর করার ঘরোয়া প্রতিকারবেকিং সোডা এবং দই একটি পাত্রে এক চামচ বেকিং সোডা নিন এবং এতে একটি লেবুর রস ও তাজা দই মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি স্ক্রাব তৈরির জন্য এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর পেস্টটিকে পায়ে লাগান এবং এক্সফোলিয়েট করার জন্য হালকা মাসাজ করুন। ৪-৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি ৮-১০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ট্রাই করে দেখুন।হলুদ ও বেসন একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন নিন। এতে আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপ জল যোগ করুন। মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে সমস্ত উপাদান মিশিয়ে নিন। রোদে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পায়ে পুরো পেস্টটা প্রয়োগ করুন। শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পরে আঙুল ও পায়ের উপরের অংশে, যেখানে য়েখানে ট্যান পড়েছে, সেখানে হালকা বৃত্তাকার ভাবে পা মাসাজ করুন। ট্যান হালকা করার জন্য ত্বকের মৃতকোষগুলি নির্মূল হয়ে যায়। এবার পা থেকে পেস্টটি স্বাভাবিক ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার বা তিনবার ব্যবহার করুন।পেঁপে ও মধু আধ পাকা পেঁপে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এক কাপ পাকা পেঁপের কিউব একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। একটি বাটিতে পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দুটি পায়ে আলতোভাবে লাগান। ১০ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে মাসাজ করুন এবং তারপরে এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পরে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন একবার করে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।কাঁচা দুধ এবং চালের গুঁড়ো- একটি পাত্রে দুচামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা দুধ যোগ করে একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এবার পেস্টটি উভয় পায়ে প্রয়োগ করে বৃত্তাকার গতিতে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এটি ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে এবং ধীরে ধীরে সূর্যের ট্যানটি মুছতে সহায়তা করে। কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Turmeric Milk: মহৌষধি হলুদ দুধের টনিক

আগেকার দিনের মা, ঠাকুমারা দুধের গ্লাসে এক চিমকে হলুদ ফেলে দিয়ে খেতে বলতেন। কেটে যাওয়া, শরীর ব্যথা, যে কোনওরকম অসুস্থতা হলেই এই হলুদ দুধের ব্যবহারের প্রচলন ছিল। হলুদ দুধের উপকারিতার কথঅ মাথায় রেখেই করোনাকালে তার চাহিদা আরও বেড়েছে। আসুন জেনে নিন, মহৌষধি হলুদ দুধের নানাবিধ উপকারের কথা। খাবার হজমে দারুণ কাজ করে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা তাই খাওয়ার পর প্রতিদিন রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। রক্তে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, লিভার ভালো রাখতে সবথেকে ভালো টনিক দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়া।আরও পড়ুনঃ বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ারকরোনা পরিস্থিতিতে ইনফেকশন একটা বড় চিন্তার বিষয়। যে কোনওরকমের ইনফেকশনের হাত থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করতে হলুদ দুধ খুবই জরুরি। প্রতিদিন হলুদ দুধ খেলে আমাদের হৃদপিন্ড ভালো থাকে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এমনটাই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের। কিডনি ভালো থাকলে, শরীর থেকে যাবতীয় দূষিত পদার্থ বা টক্সিন বেরিয়ে যায়। আর কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলুদ দুধের জুড়ি মেলা ভার। বর্ষাকাল মানেই বিভিন্ন জ্বর, সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা লেগেই থাকে। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিসক থেকে বিশেষজ্ঞ প্রত্যেকেই।সারাদিন অফিসে কাজ কিংবা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের চাপ। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসেই কেটে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে মাথার যন্ত্রণার সমস্যা। এক গ্লাস হলুদ দুধ নিমেষে আপনাকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। হাড়কে শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি হাড় বা গাঁটের যন্ত্রণার উপশম ঘটায়। তাই হাড়ের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস করে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি যেটা জরুরি, তা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হলুদ দুধের তুলনা হয় না।

আগস্ট ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
টুকিটাকি

কোমরে মেদ? ঝরিয়ে ফেলুন তুলসি পাতায়

তুলসি পাতার একাধিক ঔষধি গুণ আর রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। যুগ যুগ ধরেই ছোটোখাটো নানা রোগের ওষুধ হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে জানেন কি পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি পাতা অব্যর্থ টোটকা হিসেবে কাজ করে? পেটের বাড়তি মেদ ঝরাতে কষ্টকর শরীরচর্চার বদলে কাজে লাগিয়ে দেখুন তুলসির টোটকা। জেনে নিন তার পদ্ধতি...সর্দি-কাশিতে তো বটেই, পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি চা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ঔষধি পানীয়। জেনে নিন কী ভাবে বানাবেন তুলসি চা। তুলসি চায়ের উপকরণ: ৩-৪টি তুলসি পাতা, ২ কাপ কাপ জল, আধা চামচ মধু।প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ কাপ জল দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে দিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ৩-৪টি তুলসি পাতা দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। পাত্রের জল কিছুটা শুকিয়ে ১ কাপের মতো হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন।আরও পড়ুনঃ রোজ পাতে থাকুক ঢ্যাঁড়স! জেনে নিন এর গুণাবলীএ বার এর সঙ্গে আধ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে খেয়ে দেখুন এই চা। প্রতিদিন অন্তত দুবার তুলসি চা খেয়ে দেখুন। দ্রুত ঝরবে পেটের মেদ, শরীর থাকবে চনমনে।তুলসি পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান। যা এই কোভিডের সময় আপনার ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়াতেও সাহায্য করবে। তাই তুলসির গুণকে আপন করে নিতে আজই বাড়িতে তুলসির ব্যবহার বাড়ান।আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনআরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকার

জুলাই ১৮, ২০২১
টুকিটাকি

Black food diet: মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবার

সুস্থ থাকতে সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফল খাওয়া উচিত, এ বিষয়ে বারবার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কিন্তু কখনও কালো খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কাউকে উৎসাহ দিতে দেখা যায় না। এমন অনেক কালো রঙে ফল বা সবজি রয়েছে, যা সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী ও নিয়মিত ডায়েটে সেই খাবারের প্রাধান্য বৃদ্ধি করা উচিত। ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই ধরণের খাবার খাওয়া সত্যিই উচিত।ব্ল্যাক ফিগস- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই কালো রঙের ফিগস খুব পরিচিত। এই ফল অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার, যা সামগ্রিকভাবে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। ওজন কমানোর জন্যও এই উপকারী ফল দারুণ কার্যকরী। এছাড়া ক্যান্সার রোধের জন্য কালো রঙের এই ডুমুর জাতীয় ফল খাওয়া অত্যন্ত ভাল। উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশনের মোকাবিলার জন্য ব্ল্যাক ফিগস খাওয়া যেতে পারে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণব্ল্যাক বেরিজ- স্বাস্থ্যের সুবিধার ক্ষেত্রে এই বেরিগুলি স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরিগুলির মতো অন্যান্য বেরিগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম। হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অসুখের প্রবণতাকে হ্রাস করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। এই ফল মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনিয়মিত পিরিয়ডস, ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে যন্ত্রণা উপশম করতে এই ফল বেশ কার্যকরী। ব্ল্যাক বেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যার ফলে ত্বকের পরিপূর্ণ দেখভালের জন্যও সহায়তা করে এই বেরি। স্মুদি, স্যালাদ, প্যানকেক, মিষ্টি জাতীয় মেনুতে এই বেরির ব্যবহার অতুলনীয়।কালো তিল- এশিয়ার প্রায় সব প্রান্তেই কালো তিল বীজ পাওয়া যায়। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো ম্যাক্রো খনিজ উপাদান। যা কার্ডিওভাসকুলারের সুস্থতা ও উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, যা রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে । কালো তিলের বীজে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। শরীরে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চাইলে এই বীজ নিয়মিত রান্নায় দিতে পারেন।কালো রসুন কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত কালো রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। জ্বালাধরা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কালো রসুনের জুরি মেলা ভার। এই রসুন অ্যালঝাইমার রোগীদের জন্য বিশেষ করে উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার বিরোধী উপাদান। যা কাঁচা ও সাধারণ রসুনের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ভাল।এই কালো সবজি ও ফলের মাধ্যমে আপনি সহজেই নিজের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়িয়ে নিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন নির্ভয়ে। পাশাপাশি, নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে গাদা গাদা ওষুধও খেতে হবে না আপনাকে। সুতরাং, ভালো খান থুড়ি, কালো খান, সুস্থ থাকুন।

জুলাই ১১, ২০২১
টুকিটাকি

Eyelashes : ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিন

মাস্কারা দিয়ে দিয়ে আর ভাল লাগছে না। চোখের পাতাও ঝরে যাচ্ছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বড় করবেন আইল্যাশ? জেনে নিন।ছোটবেলা থেকেই লম্বা আই ল্যাশের শখ অনেকেরই। এটাও ঠিক সুন্দর চোখের সঙ্গে বড় বড় আই ল্যাশ অনেকের জন্মগত। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে আপনার কোনওদিন লম্বা এই ল্যাশ হতে পারে না। অনেকেই আছেন যারা নকল চোখের পাতা লাগান। কিন্তু তা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়। কিন্তু না, এবার আর নকল নয় ইচ্ছে হলে পেয়ে যেতে পারেন সুন্দর ন্যাচারাল আই ল্যাশ। কীভাবে? রইল কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি।গ্রিন টিরোগা হওয়ার জন্য আমরা সাধারণত গ্রিন টি খেয়ে থাকি। কিন্তু জা্নেন কী গ্রিন টি এমনকী চোখের পাতা বড় করতেও সাহায্য করে। রোজকার যেমন চা বানান, সেই চা থেকে এক চা চামচ চা নিয়ে ঠান্ডা করে চোখের পাতায় লাগান তুলো দিয়ে। এটা দু থেকে তিন বার করুন তাহলেই পাবেন অসাধারণ ফল।অলিভ অয়েলচুলের গ্রোথের জন্য অলিভ দারুণ ওষুধ। অনেকেই চুলের গ্রোথের জন্য অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। হাতে অল্প পরিমাণ তেল নিন আর ধীরে ধীরে চোখের উপর মাসাজ করুন । পরের দিন সকালে উঠে হালকা গরম জলে চোখ ধুয়ে নিন।ক্যাস্টর অয়েলপ্রতিদিন কাজল আর মাস্কারা দিয়ে দিয়ে চোখের অবস্থা খারাপ। অনেক সময় চোখের পাতাও পরে যায়। যদি তুলো দিয়ে হালকা করে ক্যাস্টর অয়েল দেওয়া যায় তাহলে বেশ কয়েকদিন দেওয়ার পর তার প্রভাব দেখা যাবে। চোখ থাকবে সুস্থ, চোখের উপর থেকে সরে যাবে ক্লান্তি ছাপ। উপরন্তু বাড়বে চোখের পাতাও।

জুন ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

হারের হ্যাটট্রিকে চাপে শ্রেয়স, বৈভবের অভিষেক রঙহীন; ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে ভারত

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুর্দশা যেন কাটছেই না। বিশ্বকাপজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বেও সেই হতাশার ছবিই আরও স্পষ্ট হল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ রান করেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ হল ভারত। এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনটি ম্যাচ হেরে সমালোচনার মুখে পড়লেন শ্রেয়স আয়ার।এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ না পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান বৈভব। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের নজির গড়লেও ব্যাট হাতে সেই অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি।তবে শুরুটা ছিল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। জফ্রা আর্চার ও জশ টংয়ের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিরুদ্ধে দুটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান বৈভব। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। উইল জ্যাকসের বলে ক্রিজ ছেড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই তরুণ ব্যাটারকে।অন্য প্রান্তে অভিষেক শর্মা নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে খেলতে মাত্র ২৪ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্যাম কারেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তাঁর বিদায়ের পর ভারতের ইনিংসে কিছুটা গতি কমে যায়।মধ্যক্রমে ঈশান কিশন ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান ৪৯ এবং শ্রেয়স ৩৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের বোলাররা চমৎকার পরিকল্পনায় ভারতের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারির দিকে শট খেলতে বাধ্য করেন। ঝুঁকিপূর্ণ সেই শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ভারত।শেষের দিকে তিলক বর্মা মাত্র ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও শিবম দুবে ও অক্ষর পটেল ব্যর্থ হন। ফলে একসময় ২০০ রানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভারত থামে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে। হার্দিক পাণ্ড্য না থাকায় অতিরিক্ত বোলার খেলাতে গিয়ে ব্যাটিং গভীরতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন দুই বিধ্বংসী ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। ম্যাচের শুরুতে ভারতের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল।কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে চাপ সরিয়ে দেন তিনি। পরে টম ব্যান্টন ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে ওঠেন জেকব বেথেল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতরান করেও ভারতের বিরুদ্ধে দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। এবার সেই আক্ষেপ মুছে দিলেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে।ভারতের বোলাররা শুরুতে সাফল্য পেলেও মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এক ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এই জয় ইংল্যান্ডকে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল। এখন সিরিজে ফিরতে হলে বাকি তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই জিততে হবে ভারতকে। তবে বর্তমান ফর্ম, ব্যাটিংয়ের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবং মাঝের ওভারে বোলিংয়ের ধারহীনতা দেখে সেই কাজ মোটেও সহজ মনে হচ্ছে না।নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের জন্যও পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। অধিনায়ক হিসেবে এখনও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। টানা তিনটি পরাজয়ের পর তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শুধু সিরিজ নয়, দলের আত্মবিশ্বাসও আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে বড় বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘোষণায় চমকে রাজ্য, বদলে গেল সব হিসাব

শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ফেরাতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ এবং হাজার হাজার চাকরি বাতিলের ঘটনার পর এবার নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যের বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার আরও এক ধাপ এগোল বলে দাবি করা হয়েছে।শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গত কয়েক বছরে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত ছিল। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় আদালতের নির্দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার। এবার সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হিসেবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শীর্ষ পদে অভিজ্ঞ প্রশাসনিক আধিকারিককে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সরকার শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে। সেই লক্ষ্যেই নিয়োগ কমিশনগুলিকে সর্বভারতীয় মানের কাঠামোয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাখা হবে না।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালার হাতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলেই সরকারের আশা।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি হবে মেধা এবং যোগ্যতা। অতীতের মতো কোনও ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মকে বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সরকারের এই ঘোষণার পর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। এখন নজর থাকবে নতুন কমিশনের অধীনে নিয়োগ কতটা স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেই।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চন্দ্রিমাকে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল! ‘সব পেয়েও তখন অভিমান হয়নি, এখন হঠাৎ কী হল?’

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। চন্দ্রিমার সিদ্ধান্ত নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর সময় কোনও অভিমান ছিল না। তাহলে এখন হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।সম্প্রতি দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবারও তিনি দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তৃণমূল ভবনে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু পরের দিনই দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেই মন্তব্যে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমার পরিবারের কয়েকজন আগেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। কিন্তু তৃণমূল ভবনের ঘটনাদিন তিনি যদি আরও কিছুক্ষণ সেখানে থাকতেন, তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে দাবি করেন কুণাল। তাঁর কথায়, দলীয় কর্মীরাও চন্দ্রিমাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সেই অনুরোধ না মেনে সেখান থেকে চলে যান। কুণালের দাবি, দলের দায়িত্বে থাকা একজন নেতার কাছে এমন আচরণ প্রত্যাশিত ছিল না।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি কাউকে ভবনের দখল নিতে সাহায্য করেননি। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যেই তিনি অপমানিত বোধ করেন। তাঁর মতে, সেই কথার মধ্য দিয়ে তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন।এর জবাবে কুণাল ঘোষ আরও কড়া ভাষায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন চন্দ্রিমা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তখন কোনও অভিমান ছিল না। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই হঠাৎ অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। কুণালের কথায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন সব সুবিধা নেওয়া আর পরে অন্য শিবিরের দিকে ঝুঁকে পড়া রাজনৈতিকভাবে অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবে নেবেন না।চন্দ্রিমাকে এক সময় স্বাস্থ্য, অর্থ এবং আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের পর এই প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মারাদোনার রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শিখরে মেসি! গোলেও একের পর এক নজির

বয়স যত বাড়ছে, ততই যেন নতুন নতুন ইতিহাস লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুধু দলকে জেতাতেই বড় ভূমিকা নেননি, একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এতদিন ছিল আর্জেন্টিনার আর এক কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার দখলে।ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড় করালেন ৯-এ। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের মালিক এখন এককভাবে লিওনেল মেসি। এতদিন ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে এই রেকর্ডটি ছিল দিয়েগো মারাদোনার নামে। সেই নজির ভেঙে আরও একবার নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।গোল করাতেও অতুলনীয় মেসিফুটবল বিশ্বে মেসিকে সাধারণত অসাধারণ গোলদাতা হিসেবেই বেশি চেনা হয়। তবে তাঁর খেলার অন্যতম বড় শক্তি হল সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। নিখুঁত পাস, অসাধারণ ভিশন এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেমেকারেও পরিণত করেছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেই দক্ষতারই আরও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ মিলল।বিশ্বকাপে ৯টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বই নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরও প্রতীক।গোলেও নতুন মাইলফলকঅ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল করেও ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বাড়ানো বল থেকে দুরন্ত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর ২০তম গোল।এই গোলের সুবাদে আরও একটি অনন্য নজির গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দুটি পৃথক বিশ্বকাপে সাত বা তার বেশি গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও নিজের নাম লেখান মেসি।গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই সাতটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন মেসি। তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ছয় গোল করে খুব কাছেই রয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ততই জমে উঠবে সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতা।নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনার জয়কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে দুই দলই ২-২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় এক আত্মঘাতী গোলে। অতিরিক্ত সময়ে মেসির নেওয়া একটি শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনে বোরজেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন। সেই আত্মঘাতী গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই জয়ের সুবাদে লিওনেল স্কালোনির দল নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট। আর ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসি আরও একবার প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু গোল করার জন্যই নন, দলের আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ইতিহাস সৃষ্টিদুই ক্ষেত্রেই অনন্য। প্রতিটি ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি যেন নিজের কিংবদন্তিকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক?' আর্জেন্টিনার জয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, ভবিষ্যদ্বাণী উল্টে দিল লা অ্যালবিসেলেস্তে

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমক, নাটকীয়তা আর নানান ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। কখনও অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণী, কখনও আবার কার্টুন সিরিজ The Simpsons-এর কাকতালীয় মিলপ্রতিটি বিশ্বকাপেই এমন নানা ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ঘানার এক স্বঘোষিত তান্ত্রিক।বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, লিওনেল মেসিদের দল নাকি কেপ ভার্দের কাছেই আটকে যাবে এবং প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কেউ সেটিকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিলেও, অনেকেই আবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন।কিন্তু মাঠে নেমে সব হিসেবই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ১২০ মিনিট ধরে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা নিশ্চিত করে লা অ্যালবিসেলেস্তে। কঠিন লড়াইয়ের পর পাওয়া এই জয় শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচ্ছ্বসিত করেনি, একইসঙ্গে ঘানার সেই তান্ত্রিকের দাবিকেও সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে।আর্জেন্টিনার জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে হাস্যরসের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসব জায়গাতেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক? কেউ লিখছেন, ধরে আন ব্যাটাকে! আবার কেউ মিম বানিয়ে দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হতেই তিনি নাকি গায়েব হয়ে গিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মিম এবং ট্রোল ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।ঘটনার মজার দিক আরও একটি। যে ঘানার তান্ত্রিক আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সেই ঘানার দলই শেষ পর্যন্ত কলম্বিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফলে সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করে বলছেন, অন্যের ভাগ্য গণনা করতে গিয়ে নিজের দলের ভবিষ্যৎই দেখতে পেলেন না!ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনও ফলাফল মেনে নেয় না, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচ যেন তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কুসংস্কার, অলৌকিক দাবি কিংবা ভাইরাল ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই, কৌশল এবং ফুটবল দক্ষতাই যে আসল কথাতা আরও একবার প্রমাণ করলেন মেসিরা।এখন শেষ ১৬-র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে মিশর। তবে এই মুহূর্তে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় একটাইঘানার সেই তান্ত্রিক এখন

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal