• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

প্রযুক্তি

প্রযুক্তি

ইনফোসিসের নয়া ক্যাম্পাস, কর্মসংস্থানের আশার আলো বাংলায়

আইটি সেক্টরে খুশির খবর। নয়া কর্মসংস্থানে পথ দেখাতে পারে ইনফোসিস। রাজ্যের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াল ইনফোসিসের নয়া ক্যাম্পাস। কলকাতার নিউ টাউনে ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে ঝা চকচকে অফিস। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বুধবার বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এখানে আইটি সংস্থাগুলির বিনিয়োগ বাড়ছে। বুধবার থেকে দেশের বৃহত্তম আইটি সংস্থাগুলির মধ্যে একটি, ইনফোসিস কলকাতার নিউ টাউনে তার নব নির্মিত ভবনে কার্যক্রম শুরু করেছে। এই খবরে আইটি সেক্টর বাংলায় নতুন করে আশার আলো দেখছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞরা।The Dept of ITE is elated to inform that @Infosys has started their operations in Kolkata from today in their newly built State of the Art facility in New Town. Sharing a few pictures from my recent visit to the spectacular premises spread across 50 acres. All depts of the GoWB pic.twitter.com/PKjDp0gOFG Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) July 10, 2024মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বলেছেন যে তিনি কয়েক দিন আগে ৫০ একর জুড়ে বিস্তৃত দুর্দান্ত কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেছেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। এখন এই কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এখানকার হাজার হাজার যুবকের কর্মসংস্থান হবে। তিনি আরও বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা কলকাতাকে ভারতের পরবর্তী সবচেয়ে জনপ্রিয় আইটি হাব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জুলাই ১১, ২০২৪
প্রযুক্তি

জানেন কেন AC-র সর্বোনিম্ন তাপমাত্রা বেঁধে দেওয়া আছে?

এবছর যেন গরম থেকে মুক্তি নেই। জুন মাস শেষ হতে চললেও সকলে AC চালাতে বাধ্য হচ্ছে। যাঁদের এয়ার কন্ডিশনড নেই তাঁরাও এখন কিনছেন। এবার গরমের রেকর্ড অতীতের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এসি আর বিলাসিতা নয়। প্রয়োজনীয় বস্তু হয়ে উঠেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী AC-র তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। AC-তে তাপমাত্রার যত কম হবে, শীতলতা তত বেশি হবে। কিন্তু প্রতিটি এয়ার কন্ডিশনারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কেন ১৬ ডিগ্রি সেট করা থাকে? এখন আবার তা ১৮ ডিগ্রি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর প্রকৃত কারণ কি জানা আছে?বাংলার গরম এবার প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে রাজস্থান ও দিল্লিকে।। প্রচণ্ড গরমে দেশের সব জায়গায় এসি বিক্রি রেকর্ড গড়েছে। গরম থেকে বাঁচতে এসি-কুলারের সাহায্য নিচ্ছেন সবাই। কিন্তু বাইরের তাপমাত্রা ৪২ থেকে ৪৫ ডিগ্রি থাকলে কুলারগুলিও সেভাবে কাজ করছে না। এমন পরিস্থিতিতে AC মেশিনই একমাত্র ভরসা। এয়ার কন্ডিশনার মেশিনের ক্ষেত্রে তাপমাত্র ১৬ ডিগ্রির কম এবং ৩০ ডিগ্রির বেশি হতে পারে না। সারা বিশ্বে এসির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একই নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু এর কারণ কী? কেন ১৬ বা ১৮ ডিগ্রিতে সেট করা থাকে AC।সমস্ত এয়ার কন্ডিশনারগুলি ইভাপোরেটর কুল্যান্টের সাহায্যে ঠান্ডা হয় এবং এটি আপনার ঘরকেও ঠান্ডা করে। এমন পরিস্থিতিতে এসির তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির কম হলে বাষ্পীভবনে বরফ জমতে শুরু করবে এবং এসি যা আপনার ঘরকে ঠান্ডা করছে সেটি নিজেই ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। অর্থাৎ স্বয়ং এসির স্বাস্থ্যের অবনতি হবে। এই কারণে যে কোনও এসির তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির কম হতে পারে না। এখন আবার তা ১৮ ডিগ্রি করা হয়েছে।যদি বাতাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অর্থাৎ ৩০ ডিগ্রির কথা বলি, তাহলে আপনি নিজেই এর কারণ বুঝতে পারবেন। আসলে, যখনই তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকে, আবহাওয়া শীতল থাকে। কিন্তু যখন তাপমাত্রা তার উপরে চলে যায়, তখন গরম অনুভব করতে শুরু করবে। একইভাবে, যদি এসির তাপমাত্রা ৩০ এর উপরে চলে যায় তবে এসি চালানোর কোনও লাভ নেই কারণ এটি ঠান্ডা বাতাসের পরিবর্তে গরম বাতাস বইতে শুরু করবে।

জুন ২৪, ২০২৪
প্রযুক্তি

গরমে কোন AC কিনবেন? 3, 4 না 5 স্টার AC, কোনটি বেশি উপযোগী?

এবারের গরম র সহ্য করা যাচ্ছে না। অসহ্য গরম থেকে মুক্তি পেতে এয়ার কন্ডিশনার বা AC মেশিনের কোনও বিকল্প নেই। গত কয়েক বছরে শহর থেকে জেলা, গ্রাম সর্বত্রই AC মেশিন কেনার হিড়িক প্রবলভাবে বেড়ে গিয়েছে। বাজারে 3 স্টার, 4 স্টার ও 5 স্টার রেটিং যুক্ত AC কিনতে পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে কোনটি বেশি উপযোগী? কোন রেটিংযুক্ত AC কিনলে আপনি বিদ্যুতের বিল বাঁচাতে পারবেন? সে ব্যাপারেই রইল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।এয়ার কন্ডিশনার কিংবা AC মেশিন এখন আর বিলাসবহুল সামগ্রীর মধ্যে পড়ে না। বরং সময় যত এগোচ্ছে ততই এই সামগ্রীটি অপরিহার্য্য ঠেকছে অনেকের কাছেই। অসহ্য গরম থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই AC -তেই সকলের ভরসা। ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলিতে দাবদাহের কালে AC কিনতে ভিড় বাড়ছে। বাজারে 3 স্টার, 4 স্টার, 5 স্টার রেটিংয়ের AC পাওয়া যায়। তবে কোন স্টার রেটিংযুক্ত AC কিনলে আপনি বিদ্যুতের বিল কমাতে পারবেন? কত স্টার যুক্ত রেটিংয়ের AC আপনার পক্ষে ভালো? অনেক ক্রেতা ভেবেই কূল পান না কোন এসি কিনবেন। বরং কিছুটা কনফিউজড হয়ে পড়েন। কত স্টার যুক্ত রেটিংয়ের AC বিদ্যুতের বিল কমাতে পারে সেটা জানার আগে আসুন জেনে নিই AC-র স্টার রেটিংয়ের ব্যাপরটা ঠিক কী?স্টার রেটিং আসলে AC-র শক্তি বা দক্ষতা জানান দেয়। AC-তে স্টারের সংখ্যা যত বেশি হবে সেই মেশিনের দক্ষতাও ততই বেশি হবে। বাজারে ১ থেকে শুরু করে ৫ স্টার এসি পাওয়া যায়।5 স্টার AC এবং 3 স্টার AC-র মধ্যে পার্থক্য কী?3 স্টার AC-র চেয়ে 5 স্টার AC-র শক্তি খরচ কম হয়। সেই কারণেই বাড়িতে 5 স্টার AC আনলে বিদ্যুতের বিল সাশ্রয় হয়।3 স্টার AC-র চেয়ে 5 স্টার AC দ্রুত আপনার ঘর ঠান্ডা করতে পারে। এতে কম সময়ে কম বিদ্যুৎ খরচে আপনার ঘর ঠান্ডা হয়। বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন, 3 স্টার AC-র চেয়ে তাই 5 স্টা র AC কেনা যুক্তিযুক্ত।

জুন ১৬, ২০২৪
প্রযুক্তি

নিজে থেকেই লগ আউট! ফেসবুক ইনস্টা -র অস্বাভাবিক আচরণে বিভ্রান্ত ব্যবহারকারীরা

রাত ৮-৩০ টার পর থেকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টা হটাৎ করে নিজে থেকেই লগআউট হয়ে যাচ্ছে। এহেন আচরণে প্রথম দিকে অনেকেই ভাবছিলেন তাঁদের পাসওয়ার্ডের কোনও সমস্যা হয়েছে, বা ভুল হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই নিয়ে বেশ বিপাকে এই দুই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। জানা যায়, এ সমস্যা শুধুমাত্র বাংলা বা ভারতেই নয়, বিশ্ব জুড়ে স্তব্ধ এই পরিষেবা। অনেকেই তাঁদের এক্স হ্যন্ডেলে বা হোয়াটসঅ্যাপে পোস্ট করে জানাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেও জানা যায়নি সমস্যার মূল কারণ। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি মূল সংস্থা মেটা।ফেসবুক ইনস্টা-র ব্যবহারকারীরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই এই দুই পরিষেবা নিজে নিজেই অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট হয়ে যাচ্ছে। কোনওভাবেই আর লগ ইন করা যাচ্ছে না। ব্যবহারকারীরা কেউই তাঁদের কোনও পোস্ট, গ্যালারী, কমেন্ট কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না।বিশিষ্ট সাইবার বিশেষজ্ঞ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিটার বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শিবকালি গুপ্ত জনতার কথা কে বলেন, মেটা কর্তৃপক্ষ এখনও বিবৃতি দিয়ে এই দুর্বিপাক সম্বন্ধে কোনও কিছু জানায়নি। তিনি বলেন, এমনও হতে পারে কোনও বড়সড় সাইবার অ্যাটাক হয়েছে বা হতে পারে সেই আন্দাজ করে সমস্ত ব্যবহারকারীদের লগ আউট করে দিয়েছেন মেটা কর্তৃপক্ষ তাঁদের ডাটা সুরক্ষিত রাখার জন্য। আথবা কোনও রূটিন মেনটেনেন্সও হতে পারে।ডঃ শিবকালি গুপ্ত আরও জানান, যদি রূটিন মেনটেনেন্স হয় সে ক্ষেত্রে মেটা-র মত সংস্থা অগ্রীম নোটিফিকেশন করে রাখত। তাঁর ধারণা এটা কোনও ধরনের সাইবার অ্যাটাক। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।

মার্চ ০৫, ২০২৪
প্রযুক্তি

আদিত্য এল-১ অভিযানের মূল কারিগরকে জানুন, আজ সুর্যাভিযানে যাবে 'আদিত্য'

রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালিশিখর হইতে শিখরে ছুটিব,ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব।শনিতে রবির অভিযান। মহাকাশ গবেষণায় চন্দ্রযান-৩ এর মহা সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ইসরোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আর এক যানআদিত্য ছুটবে সৌর্য পর্যবেক্ষণে। আদিত্য এল ১ আজ ২রা সেপ্টেম্বর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ হবে। এই অভিযান স্বমন্ধে জানাতে গিয়ে ইসরো জানিয়েছে, এটির মূল লক্ষ্য হল মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করা যাতে সূর্যের জটিল প্রক্রিয়াগুলির উপর খুব ঘনিষ্ঠ অধ্যয়নের মাধ্যমে আলোকপাত করা যায়।এই অভিযান কে আদিত্য এল ১ বলা হচ্ছে কেন? এর মানে কী?আদিত্য নামটি এক অর্থে সূর্যকে বোঝানো হয়। আদিত্য বা আদিতেয় বলতে অদিতির সন্তানকে বোঝায়। সাধারণত, আদিত্যগণ সংখ্যায় বারো। এদের একত্রে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয়। এরা হলেন অর্যমা, পূষা, ত্বষ্টা, সবিত্র, ভগ, ধাত্রী, মিত্র, বিষ্ণু, বরুণ, মিত্র, অংশ, বিবস্বান বা সূর্য। অনেক পণ্ডিতের মতে, দ্বাদশ আদিত্য বলতে বারোটি মাসকে বুঝানো হয়। ঋকবেদে এর উল্লেখ আছে। আদিত্য নামকরণ করা হয়েছে হিন্দু দেবতানুসারে এবং L1 মানে সূর্য-পৃথিবী সিস্টেমের Lagrange পয়েন্ট ১।আদিত্য L1 এর উদ্দেশ্য কি?মিশনের মূল লক্ষ্য হল সূর্য, সুর্যের করোনা ও এর বাইরের স্তর এবং এর চারপাশের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করা। প্রকল্পটি হিন্দু সূর্য দেবতা আদিত্য র নামে নামকরণ করা হয়েছে। সূর্যের কার্যকলাপ এবং মহাকাশ আবহাওয়া এবং পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গঠনমূলক বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং অন্তর্দৃষ্টি সংগ্রহ করতে এই অভযান।আদিত্য এল ১-এর যন্ত্রের বিন্যাস গবেষকদের সূর্যের পৃষ্ঠ এবং করোনাকে অভূতপূর্ব গভীরতায় বিভিন্ন আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সূর্যকে দেখে পরীক্ষা করতে সক্ষম হবে। মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল চৌম্বক ক্ষেত্রের গতিশীলতা, সৌর শিখা এবং পৃথিবীর জলবায়ু এবং মহাকাশের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য সৌর প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানা।PSLV-C57/Aditya-L1 Mission:The 23-hour 40-minute countdown leading to the launch at 11:50 Hrs. IST on September 2, 2023, has commended today at 12:10 Hrs.The launch can be watched LIVEon ISRO Website https://t.co/osrHMk7MZLFacebook https://t.co/zugXQAYy1yYouTube ISRO (@isro) September 1, 2023আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী কে?আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) বিশিষ্ট সৌর বিজ্ঞানী ডাঃ শঙ্কর সুব্রমণিয়ান কে. দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূল দিকগুলি হল, ইন্সট্রুমেন্টেশন, অপটিক্স এবং সৌর চৌম্বক ক্ষেত্র। ইসরোর অ্যাস্ট্রোসাট, চন্দ্রযান-১ ও চন্দ্রযান-২ এ ও তাঁর যথেষ্ট অবদান ছিলো।বর্তমানে তিনি ইউআরএসসির স্পেস অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের (এসএজি) দায়িত্বে রয়েছেন। চন্দ্রযান-৩ প্রোপালশন মডিউলের উপরে আদিত্য-এল 1, এক্সপোস্যাট এবং বিজ্ঞানের পেলোডের আসন্ন মিশনের জন্য, SAG বৈজ্ঞানিক পেলোড তৈরি করার কাজ করছে। উপরন্তু, তিনি আদিত্য-এল ১ এর এক্স-রে পেলোডগুলির মধ্যে জন্য প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করছেন। আদিত্য-এল ১ সায়েন্স ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার মধ্যে অনেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছে, এর নেতৃত্বে রয়েছেন ড. শঙ্করসুব্রামনিয়ান কে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
প্রযুক্তি

Whatsapp Facebook:হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এর পরিসেবা ব্যহত

বিশ্বজুড়ে স্তব্ধ হয়ে গেল হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম। আজ রাত নটা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এর পরিসেবা ভেঙে পড়ে। দুই মাধ্যম দিয়ে কোনও রকম বার্তা পাঠানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনটি সামাজিক মাধ্যম স্তব্ধ হয়ে যাওয়াতে কিছুটা অবাকই হন নেটিজেনরা। বারবার রিফ্রেস করতে থাকেন তাঁদের অ্যাকাউন্ট। কিন্তু কোনও মতেই কোনও লাভ হয় না। বিশেষ করে হোয়াটস অ্যাপ কাজ না করাতে অনেকেই সমস্যার মধ্যে পড়েন।বিশ্বের সব দেশেই এর ভয়ংকর প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন জায়গাতে এই তিন সামাজিক মাধ্যম খোলা যাচ্ছে না বলে অনেকেই টুইট করতে থাকেন। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপের মতো প্লার্টফর্মগুলি নিঃস্তব্ধ হয়ে যাওয়াতে ব্যবহারকারীরা টুইটারের সাহায্যে বার্তার আদানপ্রদান করতে থাকেন। এই গভীর সমস্যার কথা জানিয়ে বহু মানুষ টুইট করতে থাকেন। অনেকেই জানান, হোয়াটস অ্যাপ কিংবা ম্যাসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করা হলে তা ডেলিভারি হয়নি।Were aware that some people are experiencing issues with WhatsApp at the moment. Were working to get things back to normal and will send an update here as soon as possible.Thanks for your patience! WhatsApp (@WhatsApp) October 4, 2021হোয়াটসঅ্যাপ কর্তিপক্ষ টুইটারে তাঁদের অভিব্যাক্তি জানিয়ে টুইট করে জানান এই মুহুর্তে কিছু মানুষের হোয়াটসঅ্যাপে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সে সম্বন্ধে আমরা অবগত। আমরা পরিসেবাগুলিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর জন্য কাজ করছি এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখানে এগুলি স্বাভাবিক হয়ে যায় তার প্রচেষ্টা চলছে।বিস্তারিত আসছেঃ......

অক্টোবর ০৪, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
প্রযুক্তি

Reels: টিকটক নিষেধাজ্ঞার পরও দিনে ৬০ লক্ষ স্বল্প-দৈর্ঘের ভিডিও ভারত থেকে আপলোড হচ্ছে

ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরপত্তা সুনিশ্চিত করতে মোদি সরকার ২০২০-র জুলাই মাসে ৫৯ টি চিনা অ্যাপসের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তার মধ্যে অন্যতম টিকটককে নিষেধাজ্ঞার এক সপ্তাহ পরে ২০২০ সালের ৮ ই জুলাই ভারতে রিলস চালু হয়। রিলস ফেসবুকের অন্তর্গত ইনস্টাগ্রামের একটি প্লাটফর্ম। বর্তমানে রিলস-এ শুধু ভারত থেকেই প্রতিদিন ৬ মিলিয়ন শর্ট-ভিডিও আপলোড হচ্ছে বলে জানান ফেসবুক ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর অজিত মোহন।চিনা প্ল্যাটফর্ম টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ভারতের শর্ট-ফর্ম ভিডিও মার্কেটে এক বিরাট শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এটা অনুধাবন করে ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম। সেকারণেই টিকটক নিষেধাজ্ঞার মাত্র এক সপ্তাহ পরে ২০২০ সালের ৮ ই জুলাই ভারতে রিলস চালু করে সংস্থাটি। অন্যদিকে ভারতে রিলসএর প্রতিপক্ষ মোজ-এ মাসে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন শর্ট ভিডিও আপলোড হয়। গড়ে আনুমানিক প্রতিদিন প্রায় ২.৫ মিলিয়ন ভিডিও।টিকটক নিষেধাজ্ঞার পরে অনেক সংস্থা-ই ওই শূন্যস্থান পূরণের দৌড়ে সামিল হয়। কিন্তু শর্ট-ভিডিও প্লাটফর্মের মধ্যে মোজ সেসময় ভারতে লড়াই কারা বিকল্পগুলির মধ্যে শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা SimilarWeb থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোজের মাসে প্রায় ৪৭.৭৮ মিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী (MAUs) রয়েছে, এছাড়া টাইমস ইন্টারনেটের মালিকানাধীন এমএক্স টকা টক (MX TakaTak) রয়েছে। যাদের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর(MAUs) সংখ্যাও ঈর্ষনীয়। তাঁদের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী (MAUs) প্রায় ২৩.৯৫ মিলিয়ন। এবং আরেক প্রতিযোগী ডেইলিহান্টের জোশ (Dailyhunts Josh), যার প্রায় ১৪ মিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী(MAUs)।ফেসবুক ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর অজিত মোহন রিলস-এর মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যাটি জানাননি। রিলস ইনস্টাগ্রাম অ্যাপের একটি প্রধান অংশ। এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মূল প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সুত্র অনুযায়ী রিলস-এর বর্তমানে ভারতে ২১০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছেন। এর অর্থ, প্ল্যাটফর্মটি নিজে জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত সরকারের ফেব্রুয়ার মাসের তথ্য অনুসারে এই মুহূর্তে ইনস্টাগ্রামের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর (MAUs) সংখ্যা রিলস-এর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।মোহন বলেছিলেন, ইনস্টাগ্রাম রিলসকে অর্থকরী প্রক্রিয়ায় (মানিটাইজেসন) নিয়ে যাওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেছেন পণ্যের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল, আমরা কীভাবে ব্যবহারকারীদের জন্য আরও নতুন টুলস তৈরি করে রিলস-কে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি। আমাদের গবেষকরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন কীভাবে আমরা রিলস-কে আরও ইউজার ফ্রেন্ডলি করতে পারি এবং তাঁরা যেন অতি সহজে এটিকে ব্যবহার করতে পারেন। এবং আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যাতে আমরা বিশ্বের সর্বস্তরের দর্শকের কাছে পৌছাতে পারি।তিনি আরও জানান, আমরা রিলস-এ বিজ্ঞাপন প্রচার করার মাধ্যমে, ব্যবহারকারীরা তাদের অনুগামী (followership) বাড়িয়ে সেখান থেকে আয় করতে পারে তাঁর ব্যবস্থা করছি। এই ব্যবস্থা খুব শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে। আমরা কয়েকমাসের মধ্যেই মানিটাইজেসন ব্যবস্থা শুরু করে দেব।তিনি আরও বলেন, আমরা রিলস-এ বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাটি চালু করার খুব প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। এখনও বিজ্ঞাপন সরবরাহের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আগামী কয়েক মাসে মধ্যেই এটি চালু হওয়ার আশা করছেন তিনি।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ১২, ২০২১
প্রযুক্তি

Mask: ডাক্তার ও নার্সদের জন্য অভিনব মাস্ক আবিস্কার করে সাড়া ফেলেছে বাংলার কিশোর বিজ্ঞানী

কোভিড আক্রান্তদের প্রাণে বাঁচানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত এক করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। কোভিড যুদ্ধে নিজে সামিল হতে না পারলেও প্রথম সারির সেইসব কোভিড যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ কিছু একটা করার ব্যাপারে মনস্থির করে বসে দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র দেবর্ষি দে। সেই অনুযায়ী নিজের বিজ্ঞান ভাবনা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেবর্ষি তৈরি করে ফেলেছে ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার। পিপিই কিট পরিহিত প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের মুখে থাকা তাঁর তৈরি মাস্ক ফ্রেশ অক্সিজেন সরবরাহ করবে। পাশাপাশি শ্বাস কষ্টের রোগীরা নেবুলাইজেশনের সহায়তাও তাঁর আবিস্কৃত মাস্কের মাধ্যমে পাবেন বলে দেবর্ষি দাবি করেছে। খুব শীঘ্রই কোভিড সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তার প্রাক্কালে এক খুদে বিজ্ঞানীর তৈরি সামান্য মূল্যের এমন অভিনব মাস্ক প্রশাসন ও চিকিৎসক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক আবিষ্কারে বাঙালি তরুণীর বিশ্বজয়মেধাবী ছাত্র দেবর্ষি দে-র বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার প্রত্যন্ত গ্রাম বেত্রাগড়ে। সে জামালপুরের সেলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। দেবর্ষি জানিয়েছে, দুই ধরণের ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার সে তৈরি করেছে। তার মধ্যে একটি প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা অর্থাৎ ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্য। অপরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য।দেবার্ষি আরও জানিয়েছে, দুটি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার সে একই প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে। তবে ডাক্তার ও নার্সদের জন্যে তাঁর তৈরি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন। সেই কারণে সাধারণ মানুষদের ব্যবহারের জন্যে তাঁর তৈরি করা মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি আকারে একটু ছোট। আর ডাক্তার ও নার্সদের জন্য তৈরি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি আকারে একটু বড়। মুলত ১২ ভোল্ট ডিসি রি-চার্জেবল লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি,বাজার থেকে কেনা একটি টিপি ৪০৫৬ এবং একটি এক্স এল ৬০০৯ সার্কিট বোর্ড এবং নিজের তৈরি করা অপর একটি সার্কিট বোর্ড ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার এর ভিভাইসটিতে রয়েছে বলে দেবর্ষি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাটনিজের তৈরি করা ডিভাইসের ব্যখ্যা দিতে গিয়ে দেবর্ষি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা তাঁর মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারের ডিভাইসটিতে ২ টি এয়ার সাকার রয়েছে। আর ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্যে তৈরি করা ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫ টি এয়ার সাকার। প্রতিটি এয়ার সাকারের মধ্যে রয়েছে ৬ টি ০.১-০.৩ মাইক্রোনের ফিল্টার। যা বাতাসকে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ করে পাইপ লাইনের মধ্যমে মাস্কের ভিতরে পাঠিয়ে দেয়। ছোট ডিভাইস টিতে থাকা সুইচ দ্বারাই ডিভাইসটি কন্ট্রোল করা যাবে। আর বড় ডিভাইসটি তার (wire) দ্বারা যুক্ত রিমোটের মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে হয়। ছোট ডিভাইসটির ওজন ২০২ গ্রাম আর বড় ডিভাইসটির ওজন ৪০৫ গ্রাম। যা সহজেই ব্যবহার যোগ্য। সরু পাইপের ইনপুট লাইন ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত থাকবে আর আউটপুট পাইপ লাইন মাস্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়াও নিমুলাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১৫ এমএল এর নিমুলাইজার চেম্বারটি ইনপুট পাইপ লাইন ডিভাইসের সাথে এবং চেম্বারের আউটপুট পাইপ লাইনটি মাস্কের সাথে যুক্ত করতে হবে। শ্বাস কষ্টের রোগীরা এক্ষেত্রে উপকার পাবেন। ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা বড় ডিভাইসের ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি তৈরি করতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। আর একই প্রযুক্তিতে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্যে তৈরি করা ছোট ডিভাইসের মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি তৈরী করতে সর্বোচ্চ ৩০০- ৩৫০ টাকা খরচ পড়েছে বলে দাবি দেবর্ষির।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাদেবর্ষির বাবা ব্রজেন দে হাওড়ার লিলুয়ার এমসিকেবি ইনস্টিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কেমিস্ট্রির প্রফেসার। মা হীরা দে সাধারণ গৃহবধূ। দেবর্ষির দিদি দেবর্পিতা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে এমসিকেবি ইনস্টিটিউটে তৃতীয় বর্ষে পাঠরত। বৃহস্পতিবার ব্রজেন বাবু ও হীরাদেবী বলেন,ছোট থেকেই বিজ্ঞান ভিত্তিক কারিগরি বিষয় নিয়ে দেবর্ষির আগ্রহ বাড়তে শুরু করে। ইলেকট্রনিক্স খেলনা বা অন্য যা কিছু সে হাতের কাছে পেত তার সবটা খুলে ভিতরে কিকি পার্টস আছে , সেই পার্টসগুলি কীভাবে কাজ করছে তা বোঝার চেষ্টা করতো দেবর্ষি। এইসব ছাড়াও ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক্সের সরঞ্জাম থেকে নতুন কিছু তৈরি করা যায় কিনা তারও প্রচেষ্টা ছেলে দেবর্ষি চালাতো। ব্রজেনবাবু বলেন, এখন স্কুল বন্ধ রয়েছে। বাড়িতে বসেই নিজের বিজ্ঞান ভাবনা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেবর্ষি প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা ডাক্তার ও নার্স এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্যে ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার তৈরি করে ফেলেছে জেনে তিনি গর্বিত বোধ করছেন। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে লাগবে এমন আরও অনেক কিছু দেবর্ষি আবিস্কার করুক এমটাই ইচ্ছার কথা মা হীরাদেবী শুনিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বজ্রপাত বৃদ্ধি, বর্ধমানের জামালপুরে কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত বিশেষজ্ঞরা, বললেন মমতাজামালপুর ব্লক হাসপাতালের বিএমওএইচ চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ জানিয়েছেন,পিপিই কিট পরিহিত হয়ে কাজ করা ডাক্তার ও নার্সদের ক্ষেত্রে দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্ক সহায়ক হতে পারে বলেই তাঁর মনে হয়েছে। অন্যদিকে ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্কটি অভূতপূর্ব হওয়াই তিনি বিষয়টি সম্বন্ধে বিএমওএইচ কে জানান। এমন মাস্ক প্রথমসারির কোভিড যোদ্ধারের কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা নেবে বলেই তাঁর মনে হয়েছে। সার্টিফিকেশনের জন্য বিএমওএইচ মাস্কের বিষয়টি নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সার্টিফিকেশন পাওয়া গেলে সরকারিভাবে দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্ক ব্যবহার করা যাবে বলে বিডিও জানিয়েছেন।

জুন ২৪, ২০২১
প্রযুক্তি

ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক আবিষ্কারে বাঙালি তরুণীর বিশ্বজয়

গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার - উচ্চ-রেজোলিউশন চিত্র ও ভিডিও আকারে বিশ্বজুড়ে বিশ্ব সেরা শিল্পকর্ম পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি অনলাইন মিউজিয়াম। গুগল ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা করে এই ভার্চুয়াল মিউজিয়াম টি । এই মিউজিয়াম উচ্চ- রেজুলেশন চিত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে। বিশ্ব সেরা দশটি শিল্পকর্ম, পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির দেখার জন্য গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার এর মিউজিয়ামে প্রবেশ করলে দেখা মিলবে ভারতের গর্ব দিগন্তিকা বোস এর উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক ২০২০। তার উদ্ভাবিত মাস্ক টি গুগল এর মিউজিয়ামে উপস্থাপনে সহযোগিতা করেছে মিউজিয়াম অফ ডিজাইন এক্সিলেন্সের যাদুঘর মুম্বাই। গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার মিউজিয়ামে দিগন্তিকার উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক এর মডেল সংরক্ষণ করেছে । সাথে উল্লেখ করেছে ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক,2020, উদ্ভাবক দিগন্তিকা বোস এর নাম । আরো উল্লেখ করেছে এই ধুলোমুক্ত এবং ভাইরাস-নিরোধকমাস্কটি ভারতের সতের বছর বয়সী কনিষ্ঠ তম উদ্ভাবক হিসাবে ডিজাইন টির প্রোটোটাইপ করেছেন দিগন্তিকা, মিউজিয়ামে আরো উল্লেখ করেছে যে তাঁর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জ্ঞানকে ব্যবহারিক ব্যবহারের জন্য প্রয়োগ করে দিগন্তিকা আবিষ্কার করেছিলেন যে নেতিবাচক আয়নগুলি আমাদের চারপাশের বাতাসের সংস্পর্শে আসে তখন তারা বেশিরভাগ ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেয়। সম্পূর্ণ ভাইরাস ধ্বংস নিশ্চিত করতে, একটি সাবান-জল মিশ্রণ দুটি রাসায়নিক ফিল্টারে যুক্ত করা হয়েছে যা গৃহীত বাতাসকে বিশুদ্ধ করে যার মধ্যে ভাইরাসের অবশিষ্ট ধ্বংস করে প্রবেশ করতে দেয়। এই ভাবে সমগ্ৰ উদ্ভাবন টির বর্ণনা দিয়েছে গুগল। দিগন্তিকা মেমরি ভি এম ইনস্টিটিউশন ইউনিট ২ এর দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। এতি মধ্যে তার এগারো টি উদ্ভাবনের জন্য এই বয়সেই উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।দিগন্তিকা জানায় আমার খুব ভালো লাগছে এটা জানতে পেরে যে আমার উদ্ভাবিত ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক কে গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার বিশ্ব সেরা দশটি অনুপ্রেরণামূলক ডিজাইনের মধ্যে স্থান দিয়েছেন গুগলের মিউজিয়ামে।

মে ০৭, ২০২১
প্রযুক্তি

নাসার 'মঙ্গল' কামনায় অ্যালিসার আত্ম-বলিদান

যে বয়সে একরত্তি বাচ্ছা তার বাবা মায়ের কাছে খেলনা, চকোলেট বা পার্কে নিয়ে যাবার বায়না ধরে, সেই ছোট্ট বয়সে, যখন সে সবেমাত্র ৩ বছর তার বাবাকে বলেছিল, বাবা, আমি একজন নভোচারী হতে চাই এবং মঙ্গলগ্রহে যাওয়া লোকদের মধ্যে একজন হতে চাই। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার বাবার এই বিষয়ে কোনও সম্যক ধারনা ছিল না এবং তিনি ভাবতেই পারেননি যে তার ছোট্ট অ্যালিসা তাঁর এই স্বপ্ন সফল করবে।অ্যালিসা কারসন ১০ই মার্চ ২০০১ আমেরিকা লুসিয়ানিয়া প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। অ্যালিসা রাউজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি তার সমস্ত বিষয়গুলি ৪ টি ভিন্ন ভাষায় অধ্যয়ন করেন। ৯ ই অক্টোবর, ২০১৩-তে তিনি নাসা পাসপোর্ট প্রোগ্রামে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। তখনই তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি নাসা সেন্টার ঘুরে দেখার অনুমতি পান। মাত্র ১১বছর বয়সে নাসা তাঁর ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মনোভাব, নিষ্ঠা দেখে তাঁকে মঙ্গল গ্রহে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তিনি বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকটি টিভি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন, অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় ও ম্যাগাজিনে তাঁকে নিয়ে লেখা হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে, ২০৩৩-এ অ্যালিসাই সেই মানুষ যে মঙ্গল গ্রহে প্রথম পদার্পণ করবেন। এবং ভয়ংকর সত্যি এটাই যে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে তিনি আর পৃথিবীতে ফিরবেন না জেনেও তিনি নাসার সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। যেহুতু নীল গ্রহ থেকে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই তাই তাঁকে বিবাহ, যৌনতা, সন্তান ধারন থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানেই প্রশ্ন, একজন মানুষের স্বপ্ন কত বড় হলে সেখানে সে তাঁর অস্ত্বিত্ত্বকেও অস্বীকার করতে পারে? অ্যালিসা জানে যে সে আর পৃথিবী-তে ফিরে আসতে পারবে না, আর মাত্র ১৪-১৫ বছর বাদে একেবারে নিঃসঙ্গ ভাবে কিছু যন্ত্রকে সঙ্গী করে কোটি কোটি যোজন দূরে হিমশীতল নীল তারার বুকে বিলীন হয়ে যাবে। এই হারিয়ে যাওয়াতেই তার স্বপ্নপূরণ! আদ্ভুত!! অ্যালিসা ব্যাটন যেন রবি ঠাকুরের কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা গাইতেই গাইতেই সুরের রেশ টুকু রেখে হারিয়ে যেতে চায়।অ্যালিসা কারসন এক স্বপনের ব্যপারি, তাঁর বিখ্যাত উক্তি সর্বদা আপনার স্বপ্ন আপনি নিজে পূরণ করুন এবং কাউকে এটিকে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে দেবেন না।Always follow your dream and dont let anyone take it from you.জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
প্রযুক্তি

প্লে স্টোর থেকে ৩টি জনপ্রিয় অ্যাপ সরাল গুগল

এখনকার দিনে স্মার্ট ফোন মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আর স্মার্টফোন মানেই বিভিন্ন ধরণের রকমারি অ্যাপস। তবে ইতিমধ্যে বেশ কিছু অ্যাপের ক্ষেত্র সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সেগুলি গুগল সরিয়ে দিয়েছে প্লে স্টোর থেকে। ওই অ্যাপগুলির বিরুদ্ধে তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার ফলেই গুগলের তরফে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপগুলি হল প্রিন্সেস সালন , নম্বর কলোরিং ক্যাটস এবং কসপ্লে। জানা গিয়েছে , এগুলি শিশুদের তথ্য সঞ্চয় করে রাখে। এই সঞ্চয় করে রাখা ডেটা তারা কোন থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করছিল বলেও জানা গিয়েছে। তবে এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি ঠিক কি ধরনের তথ্য তারা চুরি করছিল।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
প্রযুক্তি

ভারতের বাজারে ফের ফিরতে চলেছে মাইক্রোম্যাক্স

ভারতের বাজারে ফের নতুনভাবে ফিরতে চলেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল ব্র্যান্ড মাইক্রোম্যাক্স। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারতের অংশীদার হয়ে এবার এই সংস্থা বাজারে আনতে চলেছে নতুন ব্র্যান্ড। যার নাম ইন। এই ফোনের দাম দশ হাজারের মধ্যে থাকবে বলেও জানা গিয়েছে।এই ব্র্যান্ডে মাইক্রোম্যাক্স ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে ভারতের বাজারে দেশীয় কোম্পানির বিকাশ ঘটবে। অন্যদিকে বাড়বে কর্মসংস্থান। জানা গিয়েছে এই ফোনে থাকবে অ্যান্ড্রয়েড টেন অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধাও। পাশাপাশি এই ফোনের ক্যামেরা বাকিদের থেকে যথেষ্ট উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
প্রযুক্তি

আজ বাজারে আসতে চলেছে নয়া স্মার্টফোন

চলতি বছরের জুলাই মাসে ওয়ানপ্লাস সংস্থা বাজারে নিয়ে এসেছিল ওয়ানপ্লাস নরড। এবারে সংস্থার তরফে ওই সিরিজের একটি স্পেশাল এডিশন লঞ্চ করতে চলেছে। জানা গিয়েছে সংস্থার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে। আজ বাজারে সংস্থার তরফ থেকে আনা হবে ওয়ানপ্লাস ৮ টি। ওই সংস্থার ইনস্টাগ্রামে করা একটি পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে ওই স্পেশাল এডিশন ফোন আসবে বেশ আকর্ষণীয় লুকের সঙ্গে। ইতিমধ্যে সামনে এসেছে টিজার পোস্টার। জানা গিয়েছে ওই ফোনে থাকবে একাধিক সুবিধা।জানা গিয়েছে তিনটে আলাদা স্টোরেজের সঙ্গে পাওয়া যাবে এই ফোন। ৬ জিবি এবং ৬৪ জিবির ক্ষেত্রে দাম ২৪৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে ৮ জিবি এবং ১২৮ জিবির ক্ষেত্রে এবং ১২ জিবি এবং ২৫৬ জিবির ক্ষেত্রে দাম যথাক্রমে ২৭৯৯৯ টাকা এবং ২৯৯৯৯ টাকা। এই ফোনটি আনা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড টেনের সঙ্গে। এতে রয়েছে ৬.৪৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে। জানানো হয়েছে এই ফোনের ৭০ শতাংশ চার্জ হতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। এছাড়া এই ফোনে রয়েছে উন্নত ক্যামেরা। এই ফোনে ৪কে ভিডিও রেকর্ড করা যাবে। এছাড়া সিকিউরিটির জন্য এই ফোনে রয়েছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
প্রযুক্তি

মাত্র ২০০ টাকার মধ্যে এয়ারটেলের নজরকাড়া প্ল্যান

উৎসবের মরশুমে তাই গ্রাহকদের আরও কাছে টানতে মাত্র ২০০ টাকার মধ্যেই আকর্ষণীয় প্ল্যান আনল এয়ারটেল। এই সংস্থা ২০০ টাকার মধ্যে এনেছে একাধিক নজরকাড়া প্ল্যান। উৎসবের মরশুমে এই বেসরকারি টেলিকম সংস্থা বাজারে এনেছে নতুন ৫টি প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে একাধিক সুবিধা। ১৯ টাকার প্ল্যানে প্ল্যানে রয়েছে দুদিনের জন্য আনলিমিটেড কল করার সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে ২০০ এমবি ডেটা ব্যবহারের সুবিধা। অন্যদিকে রয়েছে ১২৯ টাকার প্ল্যানও। এয়ারটেল-এর এই প্ল্যানে রয়েছে আনলিমিটেড কলের সুবিধা ২৮ দিনের জন্য। সঙ্গে রয়েছে ১ জিবি ডেটা ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে ১৪৯ টাকার আরও একটি প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে ২৮ দিনের ভ্যালিডিটি। সঙ্গে রয়েছে আনলিমিটেড কলের সুবিধাও।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
প্রযুক্তি

মাত্র ৩ হাজারে নয়া স্মার্ট ক্যামেরা, দারুণ সুযোগ রিয়েল মি'র

রিয়েলমি ফোনের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় হলেও ইদানিং একাধিক ধরনের নতুন গ্যাজেট তারা নিয়ে এসেছে বাজারে। আগেই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল এক ঝাঁক নতুন ডিভাইস তারা বাজারে নিয়ে আসবে। সেইমতো বেশ কিছু গ্যাজেট তারা অনলাইনে লঞ্চ করেছে । যার মধ্যে রয়েছে স্মার্ট ক্যামেরা, ইলেকট্রিক টুথ ব্রাশ, তার সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংক। গত মাসেই নয়া স্মার্ট ক্যামেরা সম্পর্কে জানা গিয়েছিল। আর এতদিনে এই ডিভাইসটি আসতে চলেছে ভারতের বাজারে। এতে রয়েছে ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট। এছাড়া ছবির গুনমান উন্নত করার জন্য একাধিক নতুন ফিচার। এছাড়া নিরাপত্তার জন্য লেন্সে কভারের সুবিধা দিচ্ছে ওই সংস্থা। একইসঙ্গে রাতে ছবি তোলার জন্য রয়েছে নাইট ভিশন মোড। জানা গিয়েছে এই ডিভাইসের দাম পড়বে মাত্র ২৯৯৯ টাকা। তবে এটি বিক্রির ক্ষেত্রে আরও ছাড় দেওয়া হবে। এছাড়া রয়েছে ২০ হাজার এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক। এতে রয়েছে দুটি সাধারণ ইউএসবি পোর্ট এবং একটি ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট। এতে রয়েছে ১৮ ডবলু দ্রুত চার্জের সুবিধা। ফলে যে কোনও রকম দুর্ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকবে এই পাওয়ার ব্যাংক। এটির দাম পড়বে মাত্র ১৫০০ টাকা।

অক্টোবর ১০, ২০২০
প্রযুক্তি

মোবাইল ফোন থেকে ডিলিট নম্বর উদ্ধার করুন এইভাবে

আজকাল কাজের ব্যস্ততার মধ্যে অনেকেই আর ফোন নম্বর সেভাবে খাতায় লিখে রাখেন না। এক্ষেত্রে সকলেই চোখ বুঝে ভরসা করেন মোবাইল ফোনের কনট্যাক্ট লিস্টে। কিন্তু ফোনে কোনও গোলমাল হওয়ার পর সিস্টেম আপডেট করতে গিয়ে উড়ে যায় কনট্যাক্ট লিস্ট। কিংবা অন্য কোনওভাবে ডিলিট হয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ নম্বরগুলি। গুগল সে সমস্যার সমাধানেই তৈরি করেছে কনট্যাক্টস অ্যাপ। প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। ইনস্টল করে নিলেই হবে। এখন আবার এই অ্যাপটিকে আরও খানিকটা ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তুলেছে গুগল। যুক্ত করেছে নতুন ফিচার ট্র্যাশ। অনেকে এই ফিচারের সাহায্যে কোনও নম্বর মো্বাইল থেকে ডিলিট করার পরও তা ফিরে পেতে পারেন। এই ফিচারে ৩০ দিন পর্যন্ত জমা থাকবে আপনার ডিলিট করা নম্বর। এই অ্যাপটি ব্যবহার করাও অত্যন্ত সহজ।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
প্রযুক্তি

গ্রাহকদের জন্য ক্রিকেট বোনাঞ্জা নিয়ে এল এয়ারটেল

শুরু হয়েছে আইপিএলের মরশুম।ক্রিকেটপ্রেমীদের কথা ভেবে এয়ারটেল নিয়ে এল ক্রিকেট বোনাঞ্জা। এই সুবিধার জন্য তারা যুক্ত হয়েছে প্রথম শ্রেণীর এক বেসরকারী সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে। সংস্থার গ্রাহকেরা এয়ারটেল থ্যাঙ্কস অ্যাপের সাহায্যে এতে যোগ দিতে পারবেন। পাবেন একাধিক অফার।এই ক্রিকেট বোনাঞ্জা মূলত একটি কুইজ কনটেস্ট এবং গেম। জিতলে গ্রাহকেরা পাবেন আকর্ষণীয় অফার। এছাড়াও রয়েছে ভাগ্যবান বিজেতাদের জন্য একটি পুরস্কার।এই বোনাঞ্জার সুবিধা গ্রাহকেরা আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পেতে পারবেন।এছাড়াও থাকছে দৈনিক এবং সাপ্তাহিক পুরস্কার। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গেম খেলে জেতার সুবিধাও।তাদের এই নয়া চমক গ্রাহকদের ভালো লাগবে বলেই দাবি সংস্থার।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
প্রযুক্তি

মাত্র চার হাজার টাকায় ৫জি ফোন জিও'র

মাত্র চার হাজার টাকায় ৫জি ফোন নিয়ে আসছে রিলায়েন্স জিও।এই ফোনগুলিতে থাকবে উন্নত্মানের বিভিন্ন ফিচার।রিলায়েন্সের বার্ষিক সাধারণ সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুকেশ অম্বানি। তিনি বলেন অত্যন্ত কম দামে গুগলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে দারুণ ফোন বাজারে আনতে চলেছে জিও।২০২১ সালের শুরুর দিকেই এই ফোন বাজারে আসবে। রিলায়েন্স জিওর এই সস্তা অ্যান্ড্রয়েডগুলি ৪জি ও ৫জি ফোন হবে, যা শুধু ভারতের বাজারেই বিক্রি হবে বলে জানা গিয়েছে। ব্লুমবার্গে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০০ মিলিয়ন প্রাথমিক স্তরের স্মার্টফোন তৈরি করতে চাইছে রিলায়েন্স। আগামী দু বছরের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। রিলায়েন্সের তৈরি নতুন ৫জি ফোনটির নাম রিলায়েন্স অরবিক ফোন।গুগল প্লে কনসোলে ইতিমধ্যেই জিও অরবিক ফোনটিকে লিস্ট করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
প্রযুক্তি

PUBG বা FORTNITE নয়, শীর্ষ স্থানে "AMONG US"

মোবাইল গেম খেলা ভালো খারাপ এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বিশেষত স্কুল পড়ুয়াদের জন্য এর প্রভাব মারাত্বক। আমাদের আনেকেরই জানা নেই যে, এই বছরের সর্বাধিক ডাউনলোড হওয়া মোবাইল গেমটি কিন্তু বহুল প্রচারিত PUBG বা FORTNITE নয়। এটি আমাদের মধ্যে আপেক্ষাকৃত কম পরিচিত মোবাইল গেম, সেন্সর টাওয়ারের (https://sensortower.com/) বর্তমান প্রতিবেদন অনুসারে, 2020 অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারের সর্বাধিক ডাউনলোড হওয়া স্মার্টফোন গেমটি হল AMONG US। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-র InnerSloth game studio নির্মিত AMONG US গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল স্টোর দুই জায়গাতেই 2020 অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারের সর্বাধিক ডাউনলোড গেমসের তালিকার শীর্ষে। এটি একটি মাল্টিপ্লেয়ার গেম যা অনলাইনে বা স্থানীয় ওয়াই-ফাইতে ৪ থেকে ১০ জন খেলোয়াড় এক সাথে খেলা যায়। ওয়েবসাইটের বিবরণ অনুযায়ী, গেমটির মূল লক্ষ্য হল আপনার মহাকাশযান-টিকে সুরক্ষিত রাখা এবং সস্থানে ফিরে আসা। কিন্তু সাবধান থাকুন ... যেহেতু সেখানে আন্য কোনও বাইরের শ্ত্রুও থাকতে পারে! একজন নাবিকদলকে বদলি করা হয় পরাশ্রয়ী প্রতিহিংসাপরায়ণ দ্বারা। তাদের লক্ষ্য হল জাহাজটি তার জায়গায় পৌঁছানোর আগে বাকি নাবিকদের অপসারণ করা। পবঞ্ছকরা জাহাজটির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। ওদের লক্ষ-ই হল জাহাজটিকে নাশকতা করা, ছিঁচকে চোরের মত ঢুকে নাবিকদের প্রতারিত করবে এবং সকল নাবিকদের মেরে ফেলবে। এবং সর্বশেষে নাবিকদেরই জয় লাভ হবে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal