• ১০ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

মমতার বাধাতেই থমকে কেন্দ্রীয় প্রকল্প, বাংলায় ভোটের আগে বড় বার্তা বিজেপি সভাপতির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাধার কারণেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে নাএই অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী নির্বাচনে লড়াইয়ের নির্দেশ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা দেন তিনি।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য-সহ বাংলার দায়িত্বে থাকা একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নীতিন নবীন প্রথমে সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন। এরপর একে একে প্রত্যেক সাংসদের লোকসভা এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কোথায় কী উন্নয়ন হয়েছে, কোথায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সাংসদদের নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সরকারের বাধার কারণেই একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে।প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই প্রথমবার বাংলায় এসেছিলেন নীতিন নবীন। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সেই সুরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন।একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি পাল্টা দাবি করছে, দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ছাড়া হচ্ছে না। সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই ইস্যুকে আরও জোরালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা নিয়ে কলকাতায় অমিত শাহ, হোটেল বৈঠক থেকে কর্মী সম্মেলনের ব্যস্ত সফর

শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান। প্রকাশ্যে কোনও কর্মসূচি না থাকলেও, রাতেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের প্রস্তুতি ও কৌশল নির্ধারণ।হোটেলেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির একাধিক প্রথম সারির রাজ্য নেতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। যদিও বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি, দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, কর্মীসংগঠন এবং নির্বাচনী রণকৌশল নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। পরে আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনাও ছিল বলে খবর।শনিবার তাঁর কর্মসূচি পুরোপুরি কর্মী সম্মেলন ঘিরে। সকাল ১১টা ১০ নাগাদ তিনি যাবেন উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। আনন্দপুরী মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বনগাঁ, বসিরহাট, বারাসত ও ব্যারাকপুর এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীরা। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা দেবেন বাগডোগরার উদ্দেশে।বিকেলে শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানে দ্বিতীয় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন অমিত শাহ। সেখানে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। কর্মী সম্মেলন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ বাগডোগরা থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর স্পষ্টভাবেই রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতির গতি বাড়ানোর বার্তা বহন করছে, যেখানে সংগঠন মজবুত করা ও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাই মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজনীতি

‘৭–৫ নয়, ১২–০ চাই’— বাঁকুড়াকে বিজেপি-শূন্য করার রণসংকল্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

পাঁচ বছর আগের ঘাটতি মিটিয়ে বাঁকুড়াকে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় আয়োজিত রণ সংকল্প সভা থেকে সেই লক্ষ্যই স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সোজাসাপ্টা বার্তা রাজ্য জয়ের পর এ বার বাঁকুড়ার ১২টি বিধানসভা আসনেই জয় চাই, কোনও রকম আপস নয়।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটিতে জিততে পেরেছিল তৃণমূল। বাকি আটটি চলে গিয়েছিল বিজেপির দখলে। ২০১৯ সাল থেকে জেলার দুই লোকসভা আসনই বিজেপির হাতে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখল করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। তবে এখনও শালতোড়া বিধানসভা বিজেপির দখলেই। সেই কারণেই রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি-শূন্য বাঁকুড়া-র ডাক দেন অভিষেক।সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ২০২১ সালে আপনারা আমাদের চারটি আসন দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে লোকসভায় চার থেকে ছয়ে পৌঁছেছি। এখন তৃণমূল ছয়, বিজেপিও ছয়। কিন্তু এ বার দুটি ছয় মেরে ১২০ করতে হবে। স্পষ্ট করে দেন, ৭৫ বা কাছাকাছি ফল মানা হবে না, পূর্ণ জয়ই লক্ষ্য।বাঁকুড়া জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতাও তুলে ধরেন অভিষেক। জেলার মোট ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কিছু অংশ অন্য জেলার লোকসভা এলাকায় পড়লেও ভোটের অঙ্কে বাঁকুড়া বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালের পর থেকেই সংগঠনের দুর্বলতা শুরু হয়েছিল বলে কার্যত স্বীকার করেন তিনি। তবে ২০২৪ সালে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখলের মাধ্যমে রুপোলি রেখা দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা।বক্তৃতায় খানিকটা অভিমানও ধরা পড়ে তাঁর গলায়। প্রত্যাশিত ভোট না পেলেও বাঁকুড়াবাসীর জন্য রাজ্য সরকার যে লক্ষ্মীর ভান্ডার, পানীয় জল প্রকল্পসহ নানা সামাজিক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, তা মনে করিয়ে দেন অভিষেক। খাদান শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি। জানান, আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা পাথর খাদানগুলি চালু হলে অন্তত ২৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ৩১ মার্চের আগেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে, যার মধ্যে বাঁকুড়া জেলার প্রাপ্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ ছাড়া হলে জেলার উন্নয়নে গতি আসত বলেও দাবি করেন তিনি।বিজেপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট কার্ড রাজনীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, আমরা আমাদের কাজের হিসাব নিয়ে মানুষের কাছে যাব। বিজেপি কী করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে ওদের মাঠে নামতে হবে। পাশাপাশি বিজেপি জিতলে বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত, আর তৃণমূল জিতলে অধিকার ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বাঁকুড়ার সভামঞ্চে র্যাম্পে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের অভিবাদন জানিয়ে অভিষেক বুঝিয়ে দেন আসন্ন নির্বাচনে বাঁকুড়া দখলই তৃণমূলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক লক্ষ্য। এখন দেখার, এই ১২০ রণহুঙ্কার বাস্তবে কতটা সফল হয়।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

হুমায়ুন কবীরের নতুন দল ‘জেইপি’, মঞ্চ থেকেই একের পর এক হুঁশিয়ারি, ব্রিগেডে জনসভা জানুয়ারিতে

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা খাগারুপাড়া মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল হুমায়ুন কবীরের নতুন রাজনৈতিক দল জে ইউ পি (JUP)। দল গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই সভাপতি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। সভার মঞ্চ থেকেই আগামী বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে একের পর এক বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করেন তিনি।হুমায়ুন কবীর জানান, জেইউপি দলের হয়ে তিনি বেলডাঙা ও রেজিনগর, এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী হবেন এবং ৩০ হাজার ভোটে দুটি আসনেই জয়লাভ করবেন। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জেলার আরও ছয়টি বিধানসভা আসনে দলের প্রার্থী ঘোষণা করেন তিনি।সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, আপনি সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাংলার মানুষের মাথায় চাপিয়েছেন। এর জবাব ২০২৬ সালে বাংলার মানুষ দেবে।কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রিগেডে সভা করব। ফিরহাদ হাকিম বেশি বাড়াবাড়ি করলে ব্রিগেড থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়ে মেয়র অফিস ঘেরাও করা হবে।সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হুমায়ুন কবীর বলেন, আজ যারা এখানে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, জেলায় হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেপুটেশন, জেলার বাইরে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে থানার ইট খুলে নেব।তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেন, মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করে দেব।একই সঙ্গে বিজেপিকেও সতর্ক করে তিনি বলেন, বিধানসভা থেকে মুসলিম বিধায়কদের চ্যাদোলা করে বাইরে ফেলবে, এমন স্বপ্ন দেখবেন না। বিরোধী দলনেতাকেও আক্রমণ করে বলেন, ২০০টি আসনে প্রার্থী দিলে ১০০টি আসন জিতব, তার মধ্যে ২০ জন হিন্দু বিধায়ক থাকবেন।মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে, তাহলে আপনার প্রিয় চ্যানেলে বসুন, আমার মুখোমুখি। সেদিন বাংলার মানুষ দেখবে আপনার মিথ্যাচার।সভা শেষে তিনি আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন৪ জানুয়ারি: ডোমকল জনকল্যাণ মাঠে জনসভা৫ জানুয়ারি: হরিহরপাড়া এলাকার একটি মাঠে জনসভাএদিনের সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বহু কর্মী-সমর্থক জে ইউ পি দলে যোগদান করেন, যা দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ২২, ২০২৫
রাজনীতি

বর্ধমানে পৌঁছল বিহারের ৫৫টি বাইক, উদ্দেশ্য ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘাত তুঙ্গে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানে শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক চাপানউতোর। শনিবার বিহারের নম্বর প্লেটযুক্ত ৫৫টি পুরনো মোটরবাইক বর্ধমান জেলা বিজেপি দলীয় অফিসের ঠিকানায় এসে পৌঁছানোকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বাইকগুলি ট্রেন থেকে নামিয়ে বর্ধমান রেল স্টেশনের ইস্টার্ন রেলওয়ের পার্সেল অফিসের সামনে রাখা হয়।এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের একাধিক নেতা ও কর্মী। বর্ধমান রেল স্টেশনে পার্সেল অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে তৃণমূল। বাইকগুলির মালিকানা, পরিবহণ সংক্রান্ত নথি এবং কেন শুধুমাত্র বিজেপির বর্ধমান জেলা অফিসের ঠিকানায় এই বাইক পাঠানো হয়েছে। তা প্রকাশ্যে আনার দাবি তোলেন বিধায়ক।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, বিহারের রাজেন্দ্রনগর থেকে সুনীল গুপ্তা নামের এক ব্যক্তির নামে এই ৫৫টি বাইক পাঠানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবেই বাইকগুলি রাজ্যে ঢোকানো হচ্ছে। তৃণমূল নেতৃত্বের আশঙ্কা, আগামী দিনে এই বাইক ব্যবহার করে বাইরের লোকজন বা দুষ্কৃতীদের রাজ্যে ঢোকানোর চেষ্টা হতে পারে। জানা গিয়েছে, এই ৫৫টি নয়, ২৩ জেলা মিলিয়ে প্রায় ৬০০০ মোটর বাইক আসার কথা।বিধায়ক খোকন দাস স্পষ্ট ভাষায় জানান, এতগুলো বাইক বিহার থেকে কী উদ্দেশ্যে বাংলায় আনা হয়েছে, তা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। ভোটের আগে এই বাইক ব্যবহার করে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনি রেল ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। দলের বর্ধমান শহর সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়ও বাইকগুলির সম্পূর্ণ তথ্য জনসমক্ষে আনার দাবি জানান। তাঁর বক্তব্য, রেল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি জেলা ও রাজ্য প্রশাসনকে এই পরিবহণের বিস্তারিত জানাতে হবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথি প্রকাশ না হলে বাইকগুলি পার্সেল অফিস থেকে ছাড়তে দেওয়া হবে না।অন্যদিকে, তৃণমূলের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি সিংহরায় বলেন, কিছুদিন আগেই বিহারে নির্বাচন হয়েছিল। সেই সময় দলীয় কর্মীদের কাজে ব্যবহারের জন্য এই বাইকগুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিহারের ভোট শেষ হওয়ায় সেগুলি এখন পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্ধমান জেলা বিজেপি অফিস রাঢ়বঙ্গ জোনের কেন্দ্রীয় অফিস হওয়ায় এখানকার ঠিকানাতেই বাইক পাঠানো হয়েছে। বিজেপির দাবি, প্রতি নির্বাচনের আগেই এভাবেই বাইক আনা হয় এবং বিষয়টি জেনেও তৃণমূল অহেতুক বিতর্ক তৈরি করছে। বাইক বিতর্কে প্রশাসনের ভূমিকা কী হয়, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
রাজনীতি

একেই হুমায়ুন কবীরে অস্থির! এবার দুর্নীতির অভিযোগ জেলা পরিষদের সদস্যপদে ইস্তফা দাপুটে তৃণমূলনেত্রীর

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। দলের হেভিওয়েট নেত্রী ও জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি শাহনাজ বেগম জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। শুধু পদত্যাগই নয়, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে নিজের দলের পরিচালিত জেলা পরিষদ বোর্ডকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।১৭ ডিসেম্বর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠান শাহনাজ বেগম। তার প্রতিলিপি জমা পড়েছে জেলা শাসকের কাছেও। তবে প্রশাসনিক চিঠির থেকেও বেশি আলোড়ন তৈরি করেছে তাঁর ফেসবুক পোস্ট। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, চোর জেলা পরিষদের একজন অংশীদার হয়ে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই এক লাইনের মন্তব্যেই জেলা তৃণমূল রাজনীতিতে তীব্র অস্বস্তি ছড়িয়েছে।শাহনাজ বেগম দাবি করেছেন, তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভই যে এবার প্রকাশ্যে এসেছে, তা তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে দলের অন্দরে এমন প্রকাশ্য বিদ্রোহ তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা।মুর্শিদাবাদ জেলা রাজনীতিতে শাহনাজ বেগম অত্যন্ত প্রভাবশালী নাম। একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে জেলা পরিষদে তৃণমূলের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। ২০১৩ সাল থেকে সোমপাড়া, রামপাড়া ও রামনগর বাছড়া এলাকা থেকে টানা তিনবার নির্বাচিত হন তিনি। কর্মাধ্যক্ষ থেকে সহকারী সভাধিপতি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন শাহনাজ।যদিও আপাতত অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেননি তিনি। তবে পদ ছাড়লেও এলাকার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এই বিস্ফোরক ইস্তফা মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজনীতি

অভিষেক কিসের জবাব চাইলেন অমিত শাহর কাছে? বিদ্যাসাগর প্রসঙ্গেও কটাক্ষ বিজেপিকে

কলকাতায় দুর্গাপুজো উদ্বোধন করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। এদিন বিদ্যাসাগর কলেজে মনীষীর মূর্তিতে মাল্যদানের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে এক হাত নেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলোন, আমার অত্যন্ত খারাপ লেগেছে, কারণ কেউ (অমিত শাহ) যিনি মাত্র ১০ মিনিট দূরে একটি পুজো প্যান্ডেল উদ্বোধন করতে এসেছিলেন, এতটুকু বিবেকবোধ নেই যে, আজ বিদ্যাসাগরের ২০৫তম জন্মজয়ন্তী। তাঁর মনেও হয়নি বিদ্যাসাগরের বাড়ি বা বিদ্যাসাগর কলেজে এসে শ্রদ্ধা জানানোর। একারণেই আমরা বলি ওরা বাংলা-বিরোধী। মানুষ আগেও দেখেছে, আগামীতে আবারও দেখবে।নানা ভাবে বাংলার মনীষীদের অপমান করা হয়েছে বলে তোপ দেগেছেন অভিষেক। তিনি বলোন, আমাদের রাজনৈতিক লড়াই চলতে থাকবে, কিন্তু বাংলার মনীষীদের যেভাবে অপমান করা হয়েছিল, তা ভোলা যাবে না। ওরা জানে না রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথায় জন্মেছিলেন। ওরা পঞ্চানন বর্মার নামও ভুল উচ্চারণ করে। ওরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায় বা ক্ষুদিরাম বসুর অবদান সম্পর্কেও অজ্ঞ। আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে ওদের থেকে শেখার দরকার নেই।দুর্গাপুজো নিয়েও বিজেপি দ্বিচারিতা করছে বলে মন্তব্য করেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি বলেন, আজ যিনি দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করছেন, তিনিই পাঁচ বছর আগে বলেছিলেন বাংলায় কোনও দুর্গাপুজো হয় না। আজ সেই দুর্গাপূজা ইউনেস্কোর ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ স্বীকৃতি পেয়েছে। বিজেপি-শাসিত কোনও রাজ্যের উৎসব বা উদযাপন এধরনের স্বীকৃতি পায়নি। আমাদের কন্যাশ্রীও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ওদের আমাদের বাংলার থেকে শেখা উচিত।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্যের জবাবে অভিষেকের বক্তব্য, ওদের আগে প্রশ্ন করুন: বাংলার প্রাপ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা কবে ছাড়বে? কেন এই টাকা আটকে রাখা হয়েছে? যদি বলে আমরা মিথ্যা বলছি, তবে তারা চ্যানেল ও সময় বেছে নিক। আমি নথি-প্রমাণ নিয়ে হাজির হব, এমনকি তাদের নিজেদের চ্যানেল হলেও। বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে কোন অধিকারে?অভিষেক বলেন, আমার প্রশ্ন, কেন উনি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে এখানে আসলেন না? গাড়িতে ১০ মিনিটের রাস্তা। কারণ, উনি বাংলা-বিরোধী। বাংলার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে অস্বীকার করে। বাংলার বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের হারিয়েছিল, বিজেপি কোন ছাড়? বাংলার মানুষের দৃঢ়তার সামনে ওরা কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজনীতি

একদল কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ, কি জন্য ছুটলেন সেখানে.......

এখনও বঙ্গ বিজেপির কাছে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ। অন্য দলে যোগ না দিলেও বিজেপির কোনও কার্যক্রমেই দেখা মিলছে না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। এরইমধ্যে একদল দলীয় কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কেন ছুটলেন ওড়িশা?The Bengal Files এরাজ্যে কোনও প্রেক্ষাগৃহেই রিলিজ হয়নি। দেশের অন্যত্র এই বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার পাশের বিজেপি শাসিত রাজ্য ওড়িশায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে গিয়েছেন প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন বিজেপির ৫৫ জন কার্যকর্তা। বৃহস্পতিবার এরা দলবল মিলে খড়গপুর থেকে ট্রেনে চেপেছেন। উদ্দেশ্য ওড়িশায় গিয়ে বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা দেখা। বেঙ্গল ফাইল সিনেমার সার্বিক বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সিনেমার মুখ্য চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পরিবারও সিনেমাটির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ঘটনা বিকৃত করার অভিযোগে পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করেছেন তাঁর নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার হিংসাত্মক পরিস্থিতি ও সেই সঙ্গে গোপাল মুখার্জি (গোপাল পাঠা)-র ভূমিকা রয়েছে এই হিন্দি ছবিতে। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এরাজ্যে ব্যান করা না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার জন্য় বাংলার কোথাও এই সিনেমা মুক্তি পায়নি। এমনকী The Bengal Files ট্রেলার লঞ্চেও কলকাতায় তুমুল গন্ডগোল হয়েছিল। এরাজ্যে মুক্তি না পাওয়ায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে ওড়িশায় গেলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ওড়িশা যাওয়ার পথে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সারা ভারতে রিলিজ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখানে The Bengal Files রিলিজ হতে দেয়নি। রাজ্য সরকারের যে স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা বালেশ্বর যাচ্ছি বেঙ্গল ফাইলস সিনেমাটি দেখার জন্য। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার সত্যকে ভয় পায়। বাঙালির সঙ্গে স্বাধীনতার আগে ও পরে কী হয়েছে, এখনও কী চলছে মানুষ যাতে সেটা জানতে না পারে তাই বেঙ্গল ফাইলস রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজনীতি

কলকাতায় তৃণমূলের শহিদ দিবস, উত্তরবঙ্গে যুব মোর্চার উত্তরকন্যা অভিযান

একদিকে যখন ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেস শহিদ দিবস পালন করছে তখন উত্তরবঙ্গে উত্তরকন্যা অভিযান করছে বিজেপি। এদিন শিলিগুড়িতে উত্তরকন্যা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ড. ইন্দ্রনীল খাঁ সহ উত্তরবঙ্গের বিজেপির সাংসদ এবং বিধায়কগণ। এদিন তিনবাত্তি মোড় থেকে সুবিশাল মিছিল শুরু হয়। মিছিল শেষে চুনাভাটি ফুটবল গ্রাউন্ড থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে যে হিন্দুরা এসেছেন, তাঁরা মোদীজির চোখে শরণার্থী। অনুপ্রবেশকারী নন। এখানে ভারতীয় মুসলিমরা আছেন। আপনাদের কোনও চিন্তা নেই। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। কিন্তু বাংলাদেশি মুসলিম এবং রোহিঙ্গাদের একজনকেও ভোটার তালিকায় থাকতে দেব না। আগামী বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে পরাস্ত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, চ্যালেঞ্জ করছি ২০২৬-এ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করব। আমি চ্যালেঞ্জ করছি আপনাকে।বিরোধী দলনেতা বলেন, উত্তরবঙ্গে প্রকৃতি যা যা দিয়েছে, সব লুট করেছে। বালি, পাথর, গাছ কিছুই নেই। পাহাড়ের উপর বঞ্চনা হয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকেরা ঠিকঠাক মজুরি পান না। উত্তরবঙ্গের হাসপাতালগুলিতে নিউরোলজিস্ট নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সেখানে এইমস তৈরি করতে চাইলেও রাজ্য সরকার জায়গা দেয় না বলে অভিযোগ তাঁর। বিরোধী দলনেতা এদিন আগামীর কর্মসূচি ঘোষণা করে জানান, আগামী ৪ অগস্ট দলের ৬৫ জন বিধায়ককে নিয়ে কোচবিহারে যাবেন। তখন দলের সব বিধায়ক মিলে উত্তরকন্যাতেও যাবেন বলে জানান তিনি।

জুলাই ২১, ২০২৫
রাজনীতি

“ভোটারদের গায়ে হাত পড়লে গণ আন্দোলন", চক্রান্ত বাংলাতেও! চরম হুঁশিয়ারি মমতার

বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটার তালিকায় কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করছে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলো। সোমবার একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসে হুঙ্কার ছাড়লেন তৃণমূল সুপ্রমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিহারে ৪০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গেও সেটাই করতে চাও? যদি এমনটা করার চেষ্টা করো, তাহলে আমরা ঘেরাও আন্দোলন শুরু করব। আমরা তীব্র প্রতিবাদে নামব। আমরা তোমাদের কারোর নাম বাদ দিতে দেব না, একজনকেও ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে দেব না_এরই পাশাপাশি বিজেপি সরকারের বাঙালিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতা বলেন, এই মুহূর্ত থেকেই শুরু হচ্ছে ভাষা আন্দোলন। ২৭ জুলাই থেকে, প্রতি শনিবার ও রবিবার মিছিল ও সভা করতে হবে-বাংলা ভাষার প্রতি যে হিংসা ও অবমাননা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এটা করতে হবে। কোনও পরিযায়ী শ্রমিক বা তাঁদের পরিবার যদি বলে তারা সমস্যায় আছে, তাহলে পাশে দাঁড়াতে হবে, আমাদেরও অবহিত করুন।

জুলাই ২১, ২০২৫
রাজনীতি

সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শমীকের হুঙ্কার: "কেবল ২০০টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি"

সকল নিয়ম মেনে গতকাল সংগঠন পর্বের পর আজ সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল রাজ্য সভাপতি সংবর্ধনা সমারোহ। এই পর্বে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতী শুভেন্দু অধিকারী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একাদশতম সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শ, নিষ্ঠার সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অসাধারণ বাগ্মিতা, বক্তব্য রাখার সহজাত ক্ষমতা শুরু থেকেই মানুষের নজর কেড়েছিল। ধীরে ধীরে দলের যুব মোর্চার সম্পাদক, পরে তিন বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। দীর্ঘদিন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অবস্থান টেলিভিশনে দৃঢ়তার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ ৪০৪২ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পার্টির কাজ দেখা, দলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেছেন নিরলসভাবে।২০০৬ সালে প্রথমবার নির্বাচনে লড়েন শ্যামপুকুর থেকে। তারপর ২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা, সেই বছরেই বসিরহাট দক্ষিণ উপনির্বাচন, ২০১৯ দমদম লোকসভা ও ২০২১ এ রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা। ২০১৪ তে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে রাজ্যে বিজেপির প্রথম নির্বাচিত বিধায়ক হন। মাত্র ১৮ মাসের বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর বক্তৃতার যুক্তিবোধ, কার্যকারিতা এবং স্বচ্ছতা বিধানসভায় সকলের নজর কাড়ে।তিনি বরাবর বলেন, সাংগঠনিক গোপনীয়তা, মতাদর্শের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস, নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যই একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক শর্ত। ২০২৪ সালে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন। তাঁর দক্ষতা, তাঁর অভিজ্ঞতা, তাঁর মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায় সেই ক্ষেত্রেও। আজ নবীন প্রবীণ সকল কার্যকর্তার ভালোবাসা ও আবেগের মধ্যে দিয়ে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে যেন এক নতুন মাত্রা যোগ করল। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন, তৃণমূলের বিসর্জনই ভারতীয় জনতা পার্টির একমাত্র লক্ষ্য। কেবল দুশো টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি এবং ২০২৬ সালে বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসবে এবং প্রশাসনিক কার্য পরিচালিত হবে রাইটার্স বিল্ডিং থেকে, নবান্ন থেকে নয়। এদিন কর্মীদের উদ্দেশ্যেও তিনি আসন্ন লড়াইয়ে সকলে মিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটিতে ২০২৬ ভোটের লড়াইয়ের শপথ বিজেপির, অভিষেক নয়া রাজ্য সভাপতির

ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সংগঠনপর্ব অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছেছে বুধবার। আজ চূড়ান্ত পর্বে প্রদেশ দপ্তরে ৬০ জন কার্যকর্তা রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেগুলি গৃহীত হয়েছে।রাজ্য সভাপতি পদে মাত্র একটি পদ্ধতিগতভাবে সঠিক মনোনয়ন জমা পড়েছে। সেটাও গ্রহণ করা হয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের নাম সভাপতি হিসাবে ঘোষণা শুধু বাকি। বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটির সভায় তাঁকে সভাপতি হিসাবে বরণ করা হবে দলের পক্ষ থেকে। আগামীকাল সাইন্স সিটিতে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন ও অভিনন্দন সমারোহ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষিত হবে।এদিন মুরলীধর সেন লেনের পার্টি অফিসের বাইরে রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিকেলের চা ও টোস্ট খেলেন। এই চায়ের দোকানের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িত রয়েছে। নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মজীবনে বহুবার এই চায়ের দোকানে সময় কাটিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপির রাজ্য জুড়ে শক্তিশালী দল হয়ে ওঠার পুরো মাত্রায় সাক্ষী ছিল এই ছোট্ট দোকানটি। পড়ন্ত বিকেলে তাই সেখানেই একটু স্মৃতিচারণা...আজ কলকাতা বিমানবন্দরে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে স্বাগত জানালেন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।আগামীকাল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্য সভাপতি অভিনন্দন সমারোহ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সম্মাননীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য পদাধিকারীগণের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০২, ২০২৫
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের পোস্টারে ছবি কার? কি সিদ্ধান্ত দলের?

২১ জুলাই শহীদ দিবস। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের ২১ শে জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সভা সফল করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। শনিবার ভবানীপুরের দলীয় কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে তৃণমূল। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে দলীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার ২১ জুলাইয়ের পোস্টারে থাকবে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকবে না। এটা অভিষেক নিজেই চেয়েছেন। উল্লেখ্য, অভিষেক ২০১১ সালে তৃণমূলে যোগ দেন এবং দলের যুব সংগঠনের সভাপতি হন। এরপর থেকে তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে উঠে আসেন। কিন্তু তাঁর ছবি পোস্টার থেকে বাদ যাওয়ার বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনার শেষ নেই। গত বছর নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের সমাবেশে অভিষেকের ছবি না-থাকায় তৃণমূলের ভিতরেই বিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। কুণাল ঘোষের মতো নেতারা সেই নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। এবার যাতে তেমন কোন বিতর্ক না হয় তা নিয়ে আগে ভাগেই সতর্ক অবস্থান নিল দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুদীপবাবু বলেন, ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর থেকে যেসব পোস্টার পাঠানো হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, অভিষেক নিজেই বলেছেন, যেহেতু তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না, তাই তাঁর ছবি পোস্টারে না থাকাই যুক্তিযুক্ত।রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা বারবার দলীয় সভায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, সরকার যেমন তাঁর হাতেই, সংগঠনেও তিনিও শেষ কথা। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই, বাম সরকারের আমলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন তৃণমূল কর্মী। সেই শহিদদের স্মৃতিতে প্রতিবছর এই দিনটি পালন করে তৃণমূল। যেহেতু সেই সময় অভিষেক রাজনীতিতে ছিলেন না, তাই এবার তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন এমনটাই দাবি সুদীপের-ফিরহাদদের।তবে এই ছবি বিতর্ক নতুন কোন ইস্যু নয়। ২০২৩ সালে নেতাজি ইন্ডোরের এক সভাতেও শুধু মমতার ছবি ছিল, অভিষেকের ছবি না-থাকায় কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছিলেন। আবার ২০২৫-এর শুরুতে অভিষেকের দফতর থেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারে তাঁর বিরাট ছবি ঘিরেও শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পরে সেটি বদলে দেয় রাজ্য নেতৃত্ব। এরপর ফের ফেব্রুয়ারিতে নেতাজি ইন্ডোরের দলীয় সভায় দেখা যায় শুধুই মমতার ছবি। সব মিলিয়ে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে যে রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তাতে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একক নেতৃত্বকেই সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আর অভিষেকের ছবি না-থাকা সেই বার্তাকেই আরও সুদৃঢ় করল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের ।

জুন ১৫, ২০২৫
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলো বর্ধমানে। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে চড়াও হয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। তখন বিজেপির কার্য্যকারিনী কমিটির বৈঠকও চলছিল। বর্ধমান শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলা এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় এলাকার বিধায়ক খোকন দাসের নাম জড়িয়েছে। বর্ধমান শহরের ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অসিত হালদার সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল লামা, মনোজ ওরাও,পুনা ভাংরা ও পবন সিং সোমবার বর্ধমান জেলা বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছান। এরপর আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তারা সেখান থেকে চলে যান স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে । আহতদের কাছ থেকে হামলার ঘটনার সবিস্তার শুনে বিজেপি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুস্কৃতীরা চরম অন্যায় করছে। বিজেপির সংগঠন বিস্তারে ভয় পেয়ে তারা এসব করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা যুবমোর্চার সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহার অভিযোগ, বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের বাড়ির শহরের রথতলা এলাকায়। বিধায়কের বাড়ির কাছেই বাড়ি রথতলা এলাকায় ৫ নম্বর মণ্ডলের মণ্ডল বিজেপি সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই বুথ স্বশক্তিকরণ ও অপারেশন সিঁদুরের সফলতার কথা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বৈঠকের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এমনকি মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজও চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপিকর্মী আহত হন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। খবর পেয়ে রাতেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্ব আইনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। বিজেপি বাজার গরম করার জন্যই তৃণমূলের নামে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে প্রসেনজিত দাস মন্তব্য করেছেন। আর বিধায়ক খোকন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাতে ঝামেলার কথা শুনেছি। ওদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা। আমরা ওর মধ্যে নেই। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমাদের কেউ হামলা করেনি। আর শুভঙ্কর রায় তো বাংলাদেশী। ওই একমাত্র এখানে থাকে। ওর গোটা পরিবার থাকে বাংলাদেশে। কি করে নাম তোলালো তা বুঝতে পারছি না। বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিজে বাংলাদেশি বলেই হয়তো বিধায়ক খোকন দাস সবাইকে বাংলাদেশি বানিয়ে দিতে চাইছে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জীর্ণ বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেস, এবার কাজল শেখের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্লক সভাপতির

বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকলহ যেন কিছুতেই কমছে না। বরং বাড়ছে। আইসিকে গালাগাল দেওয়ার অডিও ভাইরাল হতেই অনুব্রত ও কাজল গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে। নাম না করে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বীরভূমের সাঁইথিয়া ব্লকের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ সাবের আলি। তাঁর বক্তব্য, দলকে ভাঙিয়ে কেউ কেউ ব্যবসা করছে। তাঁর অভিযোগ, সভাধিপতি দলে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি কোর কমিটির কাছে জানাবেন বলে জানিয়েছেন সাবের আলি।এআইকে যতই দোষারোপ করা হোক না কেন কুকথা কাণ্ডে বিদ্ধ বীরভূম জেলার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মুষড়ে পড়েছিলেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। এরই মাঝে উৎসাহিত হয়ে কাজল ঘনিষ্ঠরা বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সভা করেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বোলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিসে হাজিরা দিয়ে পরের দিন দলীয় কার্যালয়ে হাজির হন অনুব্রত। এরপর থেকেই ফের উৎসাহিত হয়ে ময়দানে নেমে পড়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাঁইথিয়া ব্লকের হরিসরা গ্রামে সভা করেন সাবের আলি। সভায় তিনি বলেন, বীরভূম জেলায় ১১ টি বিধানসভার সিটে জয়ী করতে পারেন একমাত্র অনুব্রত মণ্ডল। কারণ তিনিই জেলায় সংগঠনকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন।সাবের আলির অভিযোগ, বীরভূম জেলা পরিষদ সাঁইথিয়া ব্লকে কোন উন্নয়ন করেনি। আর সাঁইথিয়া ব্লকের একজন উপপ্রধানকে ডেকে দলে বিভাজনের সৃষ্টি করছেন। ভাঁওতাবাজি করে তাকে বলা হচ্ছে তোমার এলাকার উন্নয়নে যত টাকা লাগবে দেব। শুধুমাত্র দলে বিভাজন করতে এসব করছেন সভাধিপতি। সরাসরি সভাধিপতিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই ব্লকে একমাত্র অবজারভার রানা সিং সভা ডাকতে পারেন। সভাধিপতি পারেন না। মাঠপলসা অঞ্চলে সভাধিপতি নোংরামি করেছে। বনগ্রাম অঞ্চল নিয়ে নোংরামি করছে। দলটা সভাধিপতির বাড়ির সম্পত্তি নয়। কাউকে নিয়ে আলোচনা করতে হলে জেলা পরিষদে নিয়ে গিয়ে আলোচনা করুন। দলকে বিভাজন করতে কাউকে পার্টি অফিসে ডেকে পাঠিয়ে আলোচনা করবেন না। কোর কমিটির কাছে মুখোশ খুলে দেব। এ বিষয়ে কাজল শেখের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০৭, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
রাজনীতি

বাংলার রাজনৈতিক জগতে নক্ষত্র পতন

প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা। বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেস দুই আমলেই তিনি মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘ রোগভোগের পর ৮২ বছর বয়সে শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান ক্যানিং পূর্বের বাকড়ি গ্রামে। নিজের পৈতৃক ভিটেতেই দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন রেজ্জাক। অসুস্থ অবস্থাতেই তাঁকে দেখতে গিয়েছেন সিপিএম এবং তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন রেজ্জাকের মৃত্যুর খবর পেয়ে ভাঙ্গর এবং ক্যানিং এলাকা থেকে একাধিক তৃণমূল ও বাম নেতারা ছুটে যান তাঁকে শেষ দেখা দেখতে। গ্রামের ভিটে বাড়িতেই রেজ্জাকের দেহ সমাধিস্থ করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার অন্তর্গত মিলন বাজারের কাছে বাঁকড়া গ্রামে রেজ্জাক মোল্লার পৈতৃক ভিটেবাড়ি। অসুস্থ অবস্থায় গত চার পাঁচ বছর ধরে ওই বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রেজ্জাক। গত চার পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্যজনিত অসুখের সাথে কিডনির অসুখে ভুগছেন তিনি।বছর তিনেক আগে শ্বাসকষ্ট ও কিডনির সমস্যার কারণে কলকাতার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলে স্বেচ্ছায় সরে আসেন। ৮২ বছরের রেজ্জাক দীর্ঘদিন বামফ্রন্ট সরকারের ভূমি সংস্কার দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়ে ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করে কৃষি বিপণন ও উদ্যান পালন দফতরের মন্ত্রী হয়েছিলেন।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? বললেন শমীক ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস দিয়ে ছিল তাদের পাশে থাকবে। আজ দেখা গেল চাকরি হারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ কসবায়,,,, পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? যারা যোগ্য মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন তাদেরকে কি মূর্খ মনে করেন? যাদের চাকরি চলে গেছে তাদের পাশে কিভাবে দাড়াবে সরকার? সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। এতটা নিচে নেমে গেছে শিক্ষককে লাথি মারছে পুলিশ আর বাংলার মানুষ সেসব সহ্য করছে? নানা প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচাৰ্য। বিজেপি সাংসদ বলেন,ওমআর সিটের মিরর ইমেজ চাইতে গিয়ে মার খেতে হল অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন শিক্ষকদের পাশে আছে। তার পরেও কেন তারা আন্দোলন করছে,,,, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন ছিলেন তখন থেকে শিক্ষার এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যা বিচার হয়েছে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছে। কিছু লোককে বাঁচানোর জন্য আজকে এতগুলো পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে আন্দোলন তো করবেই। একজন সাহিত্যিক যার প্রস্তাব বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় তিনি স্টেজে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন রাজ্যের আইন ব্যবস্থা অন্য গলির মধ্যে ঢুকে গেছে।কুনাল ঘোষ বলছেন, রাজনৈতিক দের বক্তব্যের কারণে এই হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে,,,,মানুষ পথে নামবে। রাজনৈতিক পতাকা ছাড়া নামবে। রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে নামবেন। তৃণমূলের বিসর্জন ছাড়া মুক্তি নেই।পুলিশের বক্তব্য, কোনও ইন্টিমেশন ছাড়াই আজ চাকরি হারারা এভাবে আন্দোলন করেছে,,,, তৃণমূল ইন্টিমেশন দিয়ে চাকরি বিক্রি করেছিলেন! চাকরির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে আবার ইন্টিমেসন দিতে হয়?পশ্চিমবঙ্গের যে পরিমাণে ওয়াকফ প্রপার্টি লুট হয়েছে বিক্রি হয়েছে তা অন্য কোন স্টেটে হয়নি। দরিদ্র মুসলিম মহিলা আছে কিছু শিশুরা আছে তাদের জন্য ওয়াকফ বিল।মুখ্যমন্ত্রী বলছে আপনারাই স্কুলে গিয়ে পড়ান চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস তাদের পাশে আছি। অন্যদিকে পুলিশ মন্ত্রীর পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা করছে চাকরিহারা শিক্ষকদের,,,, এটাই তো তৃণমূল। চোরের সমর্থন করতে জীবনানন্দ। তাদের প্রশ্নে কি মুখ্যমন্ত্রী কোন উত্তর দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রধান বিচারপতিকে টার্গেট করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে গোটা প্যানেল বাতিল হয়ে গেছে মুখ্যমন্ত্রী কি করে তাদের পাশে দাঁড়াবে?মুখ্যমন্ত্রী কি দ্বিচারিতা করছে একদিকে বলছে আপনার এই স্কুলে যান পড়ান আপনাদের পাশে আছি অন্যদিকে পুলিশকে দিয়ে আক্রমণ,,,, আজকে কসবায় যা হয়েছে সেটা দেখে বোঝা যায় কতটা পাশে আছে।ঠাকুর পুকুরে মত তো অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মৃত্যু,,,, তার সঙ্গে পুলিশের আত্মীয়তা আছে তাই বলছি তার সঙ্গে মিটমাট করে নাও। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আগুন জলছে,,,, পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক জেলায় ডেমোগ্রাফি বদলে দেয়া হচ্ছে। এ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো কে সমর্থন করেছে।রাজনৈতিক কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা আগুন জ্বলার ছবি দেখা যাচ্ছে,,, এর আগে টিয়ার গ্যাস চালানো হয়েছে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে কিন্তু আজকের জঙ্গিপুরে সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা ভারতবর্ষের আইন মানিনা বলে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর মামলায় বড় স্বস্তি, আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডেই মিলবে সমাধান

এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধারের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া সমস্ত নথিই গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে জমা পড়া নথি পরের দিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে তুলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিকের পাশের শংসাপত্রের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে। বয়স এবং অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। আদালত আরও জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা পড়া নথি বিবেচনা করা হবে না।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আপত্তি জানিয়ে বলেন, আধারের মতো একক নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা অভিভাবকের নাম সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আইনজীবীদের মধ্যে তর্কের সময়ে বলা হয়, অনেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে পাশ না করলেও তাঁদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড থাকে। এর উত্তরে আদালত জানায়, নির্ধারিত সময়সীমা এবং অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া নথিই বিবেচিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নথি যাচাইয়ে ব্যস্ত বিচারকরা, কার্যত থমকে গেল বারাসত আদালতের স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া

নথি যাচাইয়ের বিশেষ কাজে ব্যস্ত থাকায় বারাসত আদালতের অধিকাংশ বিচারক আগামী নয় মার্চ পর্যন্ত আদালতে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত ধাক্কা খেয়েছে। বারাসত আদালতে মোট পনেরো জন বিচারকের এজলাস বসে। একজন জেলা বিচারক-সহ মোট আট জন অতিরিক্ত জেলা বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাকি বিচারকদের উপরেই সমস্ত আদালতের দায়িত্ব এসে পড়েছে। অর্থাৎ ছয় জন বিচারককে পনেরোটি আদালতের কাজ সামলাতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এতে বিচার ব্যবস্থায় তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে মামলাকারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় ঘনিয়ে এলেও শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। কোথাও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন থাকলেও বিচারক না থাকায় সাক্ষীরা আদালতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক কষ্টে সাক্ষী হাজির করেও শুনানি না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে। মামলাগুলি আবার কবে স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন আইনজীবীরা।পাবলিক প্রসিকিউটর বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, আপাতত নয় তারিখ পর্যন্ত এই সমস্যা চলবে এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কিছু মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকলেও বিচারক অনুপস্থিত থাকায় সেগুলিও এগোচ্ছে না। বিচারকরা যতদিন নথি যাচাইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকবেন, ততদিন আদালতে এই অচলাবস্থা চলবে বলেই মত তাঁর।অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শ্যামলকান্তি দত্ত জানান, নিম্ন আদালতের বহু বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে চলে যাওয়ায় দ্রুত বিচার আদালতগুলিকে একসঙ্গে একাধিক মামলার দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। সেখানে নিজেদের মামলার পাশাপাশি অন্য মামলাও সামলাতে হচ্ছে। ফলে জামিন সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য শুনানি প্রায় বন্ধ। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় পার হয়ে গেলেও শুনানি এগোচ্ছে না এবং সাক্ষীরা এসে ঘুরে চলে যাচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে বারাসত আদালত এলাকায় আইনজীবী ও মামলাকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক না হলে মামলার জট আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই হেরে নিভে গেল শিশুর জীবন

ভাঙড়ের রাস্তা সংস্কারের কাজ চলাকালীন কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হওয়া বালক শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। বুধবার ভোরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তার শরীরের প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। গোটা এলাকাজুড়েও নেমে এসেছে শোকের আবহ। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, ক্যানিং বিধানসভার অন্তর্গত ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল কয়েক দিন আগে। মঙ্গলবার বিকেলে রাস্তার ধারে প্রায় দুইশো লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম পড়ে ছিল। সেই ড্রামের পাশেই আট থেকে দশ বছর বয়সী চার শিশু খেলছিল। আচমকাই বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সাদিকুল মারাত্মকভাবে ঝলসে যায় এবং বাকি তিনজনও দগ্ধ ও আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় একজন পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত শিশুদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রথমে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনজনকে কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতাল এ স্থানান্তর করা হয়। আহতদের মধ্যে সাদিকুলের অবস্থা সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত ভোরে তার মৃত্যু হয়।অন্য দুই আহত বালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর ভাঙড় এলাকায় পৌঁছন ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।রাস্তা মেরামতির কাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal