• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজ্য

ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে: অমিত শাহ

দুদিন বাদেই রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন ফেরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সিঙ্গুরের বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে ব়্যালি করলেন বিজেপির তারকা প্রচারক। সেই রোড শো থেকে সিঙ্গুরে শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু ছোট বা মাঝারি নয়, রাজ্যে বড় শিল্প আনবে বিজেপি। শিল্প ফিরবে সিঙ্গুরেও।২০১১ সালে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়। আর সেই পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র ছিল সিঙ্গুরও। টাটার ন্যানো প্রকল্প ঘিরে সেইসময় রাজ্য রাজনীতি আবর্তিত হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে শিল্পের জন্য গৃহীত জমি কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরে সভা করে সেই এলাকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, আমার আন্দোলনের স্থান। সিঙ্গুরে আমার আবেগজুড়ে রয়েছে। ক্ষমতায় ফিরে সিঙ্গুরে অ্যাগ্রোপার্ক তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই কেন্দ্রের ভোটের আগে শাহি প্রচার সারলেন। স্বপ্ন দেখালেন রাজ্যে শিল্প গড়ার। বললেন, ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরণের শিল্প হবে।কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এদিনও বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে বিজেপি যে ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে এদিনও আত্মপ্রত্যয়ী শাহ। সিঙ্গুরের পর ডোমজুড়েও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন শাহ। সেখান থেকে তাঁর দাবি, প্রথম তিন দফা নির্বাচনে ৬৩-৬৮টি আসন পাবে বিজেপি। এদিনের রোড শোয়ের পর এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
কলকাতা

বয়ালের বুথে মমতার ধর্না নিয়ে পাল্টা কমিশনে বিজেপি

নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নম্বর বুথে ২ ঘণ্টা মমতার উপস্থিতি। তৃণমূল বলছে, মুখ্যমন্ত্রী ভোট লুট রুখতে গিয়েছিলেন। এবার পালটা এল বিজেপির তরফে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গতকাল বয়ালে আইন ভেঙে দুঘণ্টা ধর্না দিয়েছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ভোটের গতি কমিয়ে দেওয়া। যাতে হারের ব্যবধান কমানো যায়।বিজেপি বলছে, নন্দীগ্রামের বুথে মমতার ২ ঘণ্টা বসে থাকা বেআইনি। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার অভিযোগ, নন্দীগ্রাম বিধানসভার ৭ নম্বর বুথে মমতা রীতিমতো ধর্না দিয়েছেন। তিনি প্রার্থী হিসেবে যে কোনও বুথে যেতেই পারেন। কিন্তু ধর্না দিতে পারেন না। দুঘণ্টা ধর্না দিলেন। সব ভুলে গেলেন। ১৪৪ ধারারও তোয়াক্কা করেননি। বহিরাগতদের নিয়ে ভোট প্রভাবিত করেছেন মমতা। গত ৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র নন্দীগ্রামেই শতাংশ ভোট কমল? তার মানে কী? উনি জেনেবুঝে ভোটকে প্রভাবিত করলেন। ভোটের গতি কমিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূলনেত্রী ভোটের পর উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন। যদিও এসব হুমকির কোনও অর্থ হয় না। কারণ, এরপর উনি আর মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এসব হুমকির পর যদি কোনও অঘটন ঘটে তাঁর জন্য দায়ী কে হবে?শুক্রবার দুপুরে তৃণমূলের উচ্চস্তরীয় এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। ইভিএম নিয়েও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে শাসক দল।তৃণমূলের পালটা কমিশনে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দলও। শিশির বাজোরিয়া, তথাগত রায়দের দাবি, তৃণমূল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট চায় না। সেকারণেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রোজ নতুন নতুন অভিযোগ নিয়ে কমিশনে নালিশ করছেন তাঁরা। কমিশনের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, গতকাল যেভাবে ভোট হল, তাতে বিজেপি খুশি। আমরা সন্তুষ্ট। শিশির বাজোরিয়া বলছেন, এইভাবে ভোট হলে আমরা মাথা তুলে বলতে পারব, বাংলায় ভোট ভাল হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

সাতসকালে নন্দীগ্রামে ভোট দিলেন শুভেন্দু

এতদিন ছিলেন বিধায়ক। প্রথমবার নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সাতসকালেই নন্দীগ্রামের নন্দনায়েকবাড়ের ৭৬ নং বুথে গিয়ে ভোট দিয়ে এসেছেন তিনি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ নন্দনায়েকবাড়ের ওই ভোটকেন্দ্র পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী। এক দলীয় কর্মীর বাইকে চেপে ভোট দিতে আসেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও আসেন বাইকে চেপেই। পরনে ছিল সাদা পাজামা-পাঞ্জাবী। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। বিজেপি প্রার্থী পৌঁছাতেই ওই ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে জড়ো হন প্রচুর মানুষ। আশেপাশের বাড়ির ছাদে এবং বুথের বাইরেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জমায়েতের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের জয় শ্রীরাম স্লোগানের বহরও ছিল লক্ষনীয়। নন্দনায়েকবাড়ের এই বুথে মোট ভোটার মাত্র ৬০০ জন। স্বভাবিকভাবেই ভোটারদের ভিড় তেমন চোখে পড়েনি। তবে, শুভেন্দু অধিকারী বুথে আসতেই তাঁকে ঘিরে যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়, সেটা বেশ লক্ষনীয়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী দাবি করেন, এবারে উন্নয়ন জিতবে এবং তোষণ পরাস্ত হবে। তাঁর কথায়, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। আমার তরফ থেকে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। দুটি বুথে আমার এজেন্টদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। তবে, সমস্যা মিটে গিয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। নিয়ম মেনেই হোক। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, সব বুথেই তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট রয়েছে। তবে, অন্তত ৮০টি বুথে তৃণমূল এজেন্ট দিতে পারেনি। যদিও তৃণমূলের তরফে সেই অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতা স্বদেশ দাস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুভেন্দু মিথ্যে বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন দীনেশ বাজাজ, নান্টু পাল

বুধবার বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ, শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী। এদিন দুপুরে হেস্টিংস অফিসে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন তাঁরা।চলতি মাসেই তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন জোড়াসাঁকোর প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ। এবার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। এদিন দীনেশ ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দেন শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল, প্রাক্তন কাউন্সিলর মঞ্জুশ্রী পাল, বিধান রোড ব্যবসায়িক সংগঠনের বাবলু তালুকদার, সর্বভারতীয় বৈশ্য ফেডারেশনের রাজ্যের সহ-সভাপতি সুমন আগরওয়াল, আইএনটিটিইউসির সহ-সভাপতি বিজয়শংকর পাণ্ডে।এদিকে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল থেকে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন নান্টু পাল। বুধবার কলকাতায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রার্থী ঘোষণার পরই তৃণমূলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন তিনি। শিলিগুড়ির প্রার্থী হয়েছেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। তাঁকে বহিরাগত বলে দাগিয়ে দল ছাড়েন নান্টু পাল। এবার সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি।

মার্চ ৩১, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
কলকাতা

খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন দিনহাটার বিজেপি নেতা, রিপোর্ট বিবেক দুবের

খুন বা রাজনৈতিক অশান্তিতে মৃত্যু নয়, দিনহাটার বিজেপি নেতা আত্মহত্যাই করেছেন। সূত্রের খবর, ভোটের আগে শাসকদলকে কার্যত স্বস্তি দিয়ে রাজ্য কমিশনের তরফে নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এমনই রিপোর্ট দিলেন। অর্থাৎ পুলিশ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে বিজেপি নেতাদের অভিযোগ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। এখন এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে।গত বুধবার সকালে দিনহাটা শহর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি অমিত সরকারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপি কার্যালয়ের লাগোয়া পশু চিকিৎসালয়ের বারান্দায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। তাঁকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দিনহাটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে দেহ উদ্ধার করতে বাধা দেয় বিজেপি কর্মীরা। পরে অবশ্য দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যান দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক উদয়ন গুহর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। এই গুঞ্জনও শোনা যায়, তিনি এবার ভোটে প্রার্থী হতে না পেরে অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার জেরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নির্বাচন কমিশনও নড়েচড়ে বসে। এ রাজ্যে নিযুক্ত দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে, অজয় নায়েককে। কমিশনের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই তাঁরা কপ্টারে পৌঁছে গিয়েছিলেন এলাকায়। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত সরকারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। কথা বলেন তাঁর দেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে। সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সোমবার তাঁরা কমিশনকে রিপোর্ট পাঠান।

মার্চ ২৯, ২০২১
দেশ

প্রথম দফার ২৬টি আসনই জিতবে বিজেপি, আত্মবিশ্বাসী অমিত শাহ

ভোটের ফল বেরনোর কথা ২ মে। কিন্তু অমিত শাহ ততদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন। প্রথম দফার ভোটের পরের দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একপ্রকার ফলাফল ঘোষণা করে দিলেন। দিল্লিতে ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করলেন, প্রথম দফার ৩০টি আসনের মধ্যে ২৬টি আসনেই জিতবে গেরুয়া শিবির। শাহর দাবি, বিজেপি নিজেদের পূর্ব নির্ধারিত ২০০ আসনের টার্গেট পূরণ করতে চলেছে। আর প্রথম দফা ভোটের পরই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। গতকাল রাজ্যের ৩০ আসনের নির্বাচনে প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছিল ভোটের হার। গতবারের তুলনায় ভোট পড়েছে অনেকটাই বেশি। ৫ জেলায় ভোট পড়েছিল প্রায় ৮৮ শতাংশ। সাধারণত বেশি ভোটের হার প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলছেন, দলের কর্মী এবং সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে আমি নিশ্চিত আমরা ২৬টির বেশি আসন পাচ্ছি। আমি বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের সমর্থন করার জন্য। শাহ বলছেন, বাংলায় যেভাবে নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে, সেটাই ইঙ্গিত করছে বিজেপি ২০০ আসনের টার্গেট পূরণ হতে চলেছে। তিনি বলছেন, বাংলার মহিলাদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দেব আমাদের ভোট দেওয়ার জন্য। বাংলায় আমরা দুশোর বেশি আসন নিয়ে সরকার গড়তে চলেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার নজর দিচ্ছেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে। তাঁর কথায়, বাংলার ভাগ্য এখন নন্দীগ্রামের হাতে। নন্দীগ্রামে পরিবর্তন হলেই বাংলায় পরিবর্তন হবে। যদিও তৃণমূলের দাবি, বাংলায় এই ধরনের কোনও মাইন্ড গেম কাজ করবে না। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন পালটা শাহকে আক্রমণ শানিয়ে বলছেন, আপনার মাইন্ড গেম গুজরাতের জিমখানায় ফেলে আসুন। এটা বাংলা, এখানে এই ধরনের পূর্বাভাস চলবে না।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজ্য

মনোনয়ন দিতে বাধা, কার্যালয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর!

শ্লীলতাহানির মামলা চলায় গলসির বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন দলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। জোর করে ভোটের ময়দান থেকে সরানো হলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিলেন তিনি। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অস্বস্তিতে পড়েছে দল।১৭ মার্চ বিজেপির তরফে পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তপন বাগদির। স্বাভাবিকভাবেই এরপর পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ ২৬ মার্চ তপন বাগদিকে ডেকে পাঠান পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তাঁর নামে শ্লীলতাহানির মামলা থাকায় তপনকে প্রার্থীপদ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। তাঁর কথায়, বহু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। তাঁরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। আমি কেন পারব না।এই ঘটনার জেরেই আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিক মনে করেছেন বলেই আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠিয়েছি। ২৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেব। ওই দিন যদি কোনও বাধা দেওয়া হয় বা শেষ পর্যন্ত আমাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয় তবে জেলা কার্যালয়ে আত্মহত্যা করব।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজ্য

চোখে রং লাগায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন লকেট

প্রথম দফা ভোটের দিনই আক্রান্ত লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। শনিবার সন্ধেয় চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগরের কালীতলা মাঠে কচিকাঁচা ও মহিলাদের সঙ্গে বসন্ত উৎসবে শামিল হয়েছিলেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীনই লকেটের উদ্দেশে দুষ্কৃতীরা বিষাক্ত রং ছুঁড়ে মারে। রং সরাসরি লকেটের ডান চোখে এসে লাগে। চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ধরে। কর্মীরাই তাঁকে গাড়িতে তুলে দেন। চুঁচুড়ার লিচুবাগানের বাড়িতে গিয়েও চোখই খুলতে পারছেন না তিনি।TMC goons led by GP Pradhan Bidyut Biswas, Kodalia No. 2, attacked Locket Chatterjee, a BJP candidate from Chinsurah Assembly.The khela of hatred, violence harassment will be put to an end soon. This cowardly khela of harassing women is triggered by the fear of defeat! pic.twitter.com/yyLBbOMli2 BJP Bengal (@BJP4Bengal) March 27, 2021লকেট জানান, এদিন সন্ধেয় কোদালিয়ায় টোটো করে প্রচারে যাওয়ার সময় মাঠে বসন্ত উৎসব হচ্ছিল। সেখানে অনেক মহিলারা তাঁর সঙ্গে হাত মেলাতে এগিয়ে আসেন। মহিলাদের অনুরোধেই তিনি টোটো থেকে নেমে বসন্ত উৎসবে মাতেন। মহিলারা রং মাখাবেন বলে আবদার করলে করোনা পরিস্থিতিতে তাঁদের রং মাখাতে বারণ করেন লকেট। শেষ পর্যন্ত রঙের পরিবর্তে কপালে একটা টিপ পরেন। মহিলারা যখন তাঁকে টিপ পরাচ্ছিলেন, ঠিক তখন দুজন পুরুষ হঠাৎই সামনে এসে বলে, আজ আপনাকে রং মাখাব, কিছুতেই ছাড়ব না। ওই দুই দুষ্কৃতী মহিলাদের পিছনে চলে যায়। তারপরই হঠাৎ গুড়ো গুড়ো কিছু পদার্থ চোখে এসে পড়ে লকেটের। চশমার জন্য তাঁর চোখ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও কিছুটা হলেও চশমার ফাঁক দিয়ে রং চোখে ঢুকে যায়। প্রথমে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা করছিল। তারপর একটু চোখ মেলে তাকিয়ে দেখেন পিছনেই তৃণমূলের ব্যাজ পরা তিন থেকে চারজন যুবক দাঁড়িয়ে সেখানে। তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করছিল। লকেটের অভিযোগ, মহিলাদের ভিড়ের আড়াল থেকে তৃণমূলই তাঁর দিকে এই বিষাক্ত রং ছুঁড়েছে। লকেট কাঁদতে কাঁদতে বলেন, একজন মহিলাকে যে এরকমভাবে আক্রমণ করা যায়, আমি ভাবতেই পারি না।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে চুঁচুড়ায়। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদার বলেন, বিরোধী দলনেতা-নেত্রীদের অসম্মান করা তৃণমূলের সংস্কৃতি নয়। আসল কথা লকেট জেনে গিয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে হারবেন। তাই প্রচারে থাকার জন্য নাটক করছেন।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন কেশিয়াড়িতে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

রাজ্যে ভোট শুরুর দিন একাধিক বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে আরও দুঃসংবাদ। ভোটের দিন সাতসকালে বাড়ির উঠোন থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের বেগমপুর বুথ এলাকার এই ঘটনায় তপ্ত হয়ে ওঠে কেশিয়াড়ি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে সরব কেশিয়াড়ির বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মু। ঘটনার খবর পেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে খবর, কেশিয়াড়ির বেগমপুরে মঙ্গল সোরেন নামে এক বিজেপি কর্মী শুক্রবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ না ফেরায় থানায় খবর দেয় তাঁর পরিবার। এদিন সকালে মঙ্গল সোরেনের আত্মীয় জানান, দুশ্চিন্তা হচ্ছিল, তাই রাতভর না ফেরায় থানায় গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সকালের বাড়ির উঠোনেই তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। কেশিয়াড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মূর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তৃণমূল কর্মীরা মঙ্গলকে খুন করে বাড়ির সামনে উঠোনে ফেলে রেখে যায়। তাঁর মাথায়, ঘাড়ে আঘাত রয়েছে, আঁচড়ের দাগও রয়েছে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সকালে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরুর গাড়িতে চড়ে ভোট প্রচারে লকেট

রাজ্যের যেখানে যখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু হাতে পেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদকেই বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামিয়েছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনিও কার্যত কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার হুগলির চুঁচুড়ায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্গত পোলবায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। প্রচার করতে গিয়ে তিনি গোরুর গাড়িতেও চড়ে বসলেন। যদিও তাঁর এই কাজকে সুযোগ পেয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রতিপক্ষ তৃণমূল প্রার্থীও।পোলবার দনারপাড়ায় পচারের জন্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য একটি গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। গোরুর গাড়িটিকে গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। সেই গোরুর গাড়িতে চড়ে গ্রামের রাস্তায় মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রচারে বেরন লকেট। হঠাৎ কেন গোরুর গাড়িতে তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে লকেট বলেন, এই এলাকায় প্রচুর কৃষক বাস করেন। আর গোরুর গাড়ির সঙ্গে কৃষকদের বহু দিনের গভীর সম্পর্ক। যেহেতু রাজ্যের কৃষকদের অবস্থা খুব খারাপ তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে, সম্মান জানাতে আমি গোরুর গাড়িতে চড়ে প্রচার করছি। ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যুকেও হাতিয়ার করেন তিনি। লকেট শুক্রবার পোলবায় ঝোরোর পাড়া, ঠাকুরপুকুর, বিষহিতলা হয়ে সংগ্রামপুরে গিয়ে প্রচার শেষ করেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
কলকাতা

টিটাগড়ে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও দেওয়াল লিখন নিয়ে বিবাদ তো কোথাও আবার সভাস্থল নিয়ে গণ্ডগোল মাথাচারা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শুটআউট ঘিরে বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল টিটাগড় এলাকা। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। যদিও তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধেয় টিটাগড় বাজারে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর মিছিল ছিল। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভরসন্ধে বেলা বাজারে পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে বলে খবর। বিজেপি কর্মীর বুকে গুলি লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয় তাঁকে।আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম মধু রাও। তিনি টিটাগড়ের বউ বাজারে তাঁর নিজের দোকান রয়েছে। সন্ধেবেলা তিনি সেখানেই বসেছিলেন। তখনই তাঁর উপর হামলা চালায় তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রমণি শুক্লা জানান, রাজ চক্রবর্তীর মিছিল চলাকালীন মধু রাওয়ের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। মিছিল শেষে তাঁর উপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, মধু রাও আগে তৃণমূল কর্মী ছিলেন। সদ্য বিজেপিতে যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে নদিয়ার বেথুনাডহরিতেও থানার সামনে শুটআউটের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ভয়ে দীর্ঘদিন ঘর ছাড়া ছিলেন নাকাশিপাড়া ব্লকের বাসিন্দা ফিরোজ শেখ। দিন দুয়েক আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন। তার পরই স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য জাহিদুল শেখের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। এর পর তাঁকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ রয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে থানার সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

এবার জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা মুকুল রায়কে

বেজে গিয়েছে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা। ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচন। তার আগেই নিরাপত্তা বাড়ল বিজেপির সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের। এবার থেকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন তিনি। সূত্রের খবর, বুধবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা এসেছে।বর্তমানে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন মুকুল রায়। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা পেতে চলেছেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে একথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২০ বছর পর এবারই ভোটের ময়দানে লড়ছেন মুকুল রায়। শেষবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। কিন্তু এবার সরাসরি নামছেন ভোটযুদ্ধে। কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে ভোটে লড়বেন তিনি। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। ফলে কড়া লড়াইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে মুকুল রায়কে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজ্য

বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, রণক্ষেত্র দিনহাটা

ভোট যত এগিয়ে আসছে, জেলায় জেলায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাও বাড়ছে। বুধবার বিজেপি-র মণ্ডল সভাপতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহার জেলার দিনহাটায়। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে দেহ।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দিনহাটা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় কমিশনের আধিকারিকরা।ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। স্থানীয় বিজেপি ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীর নাম অমিত সরকার। বুধবার সকালে দিনহাটার পশু হাসপাতালের বারান্দায় অমিতের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য তথা মুখপাত্র দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেছেন, ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি-র সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও সরব হয়েছেন ঘটনা নিয়ে। বুধবার সকালে এই ঘটনা নিয়ে টুইট করে তৃণমূলের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটার পরিস্থিতি। সেখানকার বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কোচবিহারের সাংসদ তথা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা থানায় যান। সেখানে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। থানা থেকে ফেরার পথে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে নিশীথের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সে সময় বাধা দিলে পুলিশের উপরে চড়াও হন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দিকেও পাল্টা ঢিল ছুড়তে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তখন কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এর পরই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেছেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। যে বিজেপি নেতা বা কর্মী খুনের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তিনি নিশ্চয় দেখে ওই দাবি করছেন। তাহলে পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। তাই না জেনে কিছু বলতে চাইছি না। ঘটনা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও করেছেন তিনি। দুপুরে দিনহাটা শহরে মিছিল করে দিনহাটা সদর মহকুমা শাসকের দপ্তরে সামনে অবস্থানে বসলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এবং দিনহাটা শহরকে অশান্ত করার প্রতিবাদে অবস্থানে বসেছেন তিনি।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করবে, দাবি বিশ্বপ্রিয় ও সুজিতের

ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের নির্বাচনী কর্মিসভা হল মধ্য কলকাতার ভারতসভা ঘরে। মঙ্গলবার একইসঙ্গে আইসিডিএস এর জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয় এই সভায়। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহসভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, রাজ্য বিজেপি নেতা সুজিত ঘোষ, বিজেএমসির রাজ্য সভাপতি মিঠু চ্যাটার্জি, বিজেএমসির রাজ্য কমিটির সম্পাদক বাবলু বালা, সম্পাদক সৈকত মন্ডল সহ অন্যরা। গেরুয়া শিবিরের নয়া আইসিডিএস সংগঠনের চেয়ারপার্সন হয়েছেন মিতা সমাজপতি, আইসিডিএস এর ভাইস চেয়ারম্যান সমর্পিতার।এদিনের সভায় বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী বলেন, এখন আমাদের একটাই কাজ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। বিজেপি নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, এই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করব আমরা। দলকে রাজ্যে ক্ষমতায় এনে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

মার্চ ২৪, ২০২১
দেশ

‘এনআইএ বলেছিল বিজেপিতে যোগ দিলেই মিলবে জামিন’

বিজেপি অথবা আরএসএসে যোগ দিলে জামিন মিলবে। নাহলে পচে মরতে হবে জেলে। কার্যত এমনই প্রস্তাব নাকি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। অসমের বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে ওঠা অখিল গগৈ এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন এনআইএর বিরুদ্ধে। জেলে তাঁর উপরে হওয়া অকথ্য মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ এনেছেন তিনি। তাঁর গড়া নতুন রাজনৈতিক দল রাইজোর দল একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। সেই চিঠিতেই এমন অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে অখিলকে।২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় কৃষক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের নেতা অখিলকে। তখন অসম উত্তাল সিএএ বিরোধী আন্দোলনে। আইনশৃঙ্খলার নাগাড়ে অবনতি হওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জোরহাট থেকে অখিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসমের নাগরিক সমাজ দীর্ঘ সময় ধরে গগৈয়ের মুক্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও জেলবন্দি রয়েছেন তিনি। তবে জেলে থাকলেও অখিলের দল কিন্তু সক্রিয়। অসম বিধানসভা নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে রাইজোর দল। আরেক আঞ্চলিক দল এজেপি-র সঙ্গে জোট বেঁধেছে তারা।এই পরিস্থিতিতে অখিল একটি চিঠি লিখেছেন জেল থেকে। সেখানেই এনআইএর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন তিনি। অখিলের দাবি, ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালতের অনুমতি ছাড়াই তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এনআইএর সদর দপ্তরে প্রবল অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। একথা জানিয়ে অখিল লিখেছেন, এনআইএর সদর দপ্তরে আমাকে এক নম্বর লকআপে আটকে রাখা হয়েছিল। একটা মাত্র নোংরা কম্বল দেওয়া হয়েছিল। ৩-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মেঝেতে ঘুমতে হয়েছিল। আমি এই অপমানজনক আচরণের প্রতিবাদ করার পরে ওরা অন্য একটা প্রস্তাব দিল। আমাকে জানানো হয়েছিল বিজেপিতে যোগ দিলে আমি বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারব। মন্ত্রীও হতে পারব।বিজেপি অখিলের সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে অসমে তিন দফার ভোট শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। অনেকেই মনে করছেন, বিজেপির পক্ষে ক্ষমতায় ফেরা খুব সহজ হবে না। ভোট আবহে সরগরম পরিস্থিতিতে এবার সামনে এল অখিলের এই চিঠি।

মার্চ ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 55
  • 56
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal