• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

কমিশনের দারস্থ বিজেপি নেতারা

কলকাতাঃ রাজ্যে ১০৭ পুরসভার ভোট স্থগিত হয়ে রয়েছে গত এক বছর ধরে। সেই ভোট দ্রুত করানোর দাবিতে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হল বৃহস্পতিবার। তারা দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানায়। এখন প্রশাসকরা পুরসভার কাজ পরিচালনা করছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোট মত দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব , এই পুরসভাগুলির ভোট সম্পন্ন করতে হবে। কলকাতা হাইকোটও তাতে সহমত পোষণ করে। এছাড়াও ২০২১ সালের বিধানসভা নিরবাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূণ হয়,সে দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

মুকুল রায়ের হাতে বাংলার দায়িত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

নয়াদিল্লি: রাজ্য বিজেপির একটাই লক্ষ্য বাংলার শাসনভার নিজেদের হাতে নেওয়া। সেই নিয়ে একাধিকবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলার শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ডাকে দিল্লিতেই রয়েছেছেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষেরা। আজকের বৈঠকে দিলীপ ঘোষের হাতে নয় বরং মুকুল রায়ের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে নির্বাচনের আগে বঙ্গ সামলানোর দায়িত্ব। প্রসঙ্গত বিজেপি পার্টির নিয়মে রয়েছে জাতীয় সহ সভাপতি এবং জাতীয় সম্পাদকদের এক একটি রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে কে কোন দায়িত্ব পাবে তা ঠিক করে দেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। তবে এতদিন মুকুল রায় বাংলার প্রতিনিধি ছিলেন তাই হিসেব মতো তাঁর হাতে রাজ্যের ভার না যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই কথা যাতে না ওঠে সেই কারণে আগেই তিনি দিল্লির ভোটার ও দিল্লি থেকে বিজেপির সদস্যও হয়ে গিয়েছেন। বলা বাহুল্য যে হয়ত বাংলা সামলানোর দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আগেই মুকুল রায়কে বিজেপি জাতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে বাধা দূর করতে। তাই এখন যদি বাংলার দায়িত্ব মুকুল রায়কে দেওয়া হয় সেই নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না।এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর নয় বরং বাংলা জয়ের জন্য মুকুল রায়ের উপর আস্থা রাখছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এক সময় তৃণমূলের দাপুটে নেতা ছিলেন মুকুল রায়। সেই কারণে বাংলার খুঁটিনাটি তাঁর থেকে ভালো করে জানা বিজেপির অন্যান্য সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয় সেটা খুব ভালো করেই জানে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে দিলীপ ঘোষ বা অন্যান্য বিজেপি নেতাদের থেকে ভোট যুদ্ধে জিততে মুকুল রায়ের হাতেই বৃহস্পতিবার বাংলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। বঙ্গে ২০২১-এর নির্বাচনী যুদ্ধে জিতেতে বিজেপি চাইছে বাংলায় সমগ্র নেতৃত্ব দিক মুকুল রায়।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজনীতি

গুরুত্ব বাড়ল মুকুল-অনুপমের, বিদ্রোহে চাপ নাকি দলত্যাগের ভাবনা রাহুলের?

রাজ্য বিজেপিতে ফাটল চওড়া হচ্ছে। বিজেপিতে মুকুল রায় পদ পেতেই বাদ পড়ে বিদ্রোহের সুর রাহুল সিনহার গলায়। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বিজেপির কেন্দ্রীয় পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা হয়েছে‌। সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুপম হাজরাকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মুখপাত্র করা হয়েছে দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তাকে। নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন রাহুল সিনহা। এরপরই ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা বলেন, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে চল্লিশ বছর ধরে দলের সেবা করার পুরস্কার পেলাম। তৃণমূল থেকে আসা লোকদের জায়গা করে দিতে আমাকে এই পুরস্কার দেওয়া হলো। এর পক্ষে বা বিপক্ষে আজ কিছু বলব না। যা বলব ১০-১২ দিনের মধ্যে। নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তখন ঠিক করব। রাহুলের এই বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তিনি দলত্যাগ করতে পারেন, যোগ দিতে পারেন তৃণমূলেই। অথবা দলের উপর চাপ বাড়াতেই তাঁর এই মন্তব্য। এদিকে, মুকুল রায় বলেন, দল আমাকে গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবেই কাজ করব বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
বিবিধ

নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ অগ্নিমিত্রার

২০১৬ থেকে ২০১৮ অবধি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বাংলার স্থান যৌন নিগ্রহে চতুর্থ, মহিলাদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ে তৃতীয় এবং অ্যাসিড আক্রমণে শীর্ষে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রশাসনের গাফিলতিতে চলছে অবাধে অ্যাসিড বিক্রি। গত এক দশকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে এমন দাবি করলেন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। গত ৯ বছরে রাজ্যে নারী নিগ্রহে ঘটনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে 'আর নয় মহিলাদের অসুরক্ষা'-র ডাক দেন তিনি। ৯৭২৭২৯৪২৯৪ 'আর নয় অন্যায়'-এর এই নম্বরে ১ টিপে যে কোনও মহিলা যে কোনও সময় অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএস করেও তাঁদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায় বা অবিচারের অভিযোগ জানানো যাবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, পাল্টা দিলীপ

বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প এবং কৃষি দুটোই হবে। কৃষি বিল নিয়ে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বাস্তবে এই বিলের ফলে একদিকে কৃষকরা যেমন বেশি দাম পাবেন, তেমনই ক্রেতাদেরও সুবিধা হবে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। বিজেপির হুগলির সিঙ্গুর সাংগঠনিক মোর্চার উদ্যোগে নসীবপুরে আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে সায়ন্তন বসু বলেন, তৃণমূল দলটা সার্কাসের জোকারের মতো সংসদের ভেতরে ও বাইরে আচরণ করছে। কিন্তু সংসদ পশ্চিমবঙ্গ নয় যে যেমন খুশি তেমন আচরণ করব। এ সব মেনে নেওয়া হবে না। আরও পড়ুন- অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ এর পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, যিনি এখানে এসে সাংসদদের সম্পর্কে যে কথাগুলো বলেছেন জোকার সার্কাস বলে সেটা সায়ন্তনবাবুকে তাঁর দলের লোকেরাই বলে থাকেন। উনি এখানে আসেন কলকাতার নেতাদের কাছে নম্বর বাড়াবার জন্য। ওঁর কথার কোন দাম নেই। এদিন বিজেপির হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, কৃষকদের কথা তৃণমূলের মুখে মানায় না। সিঙ্গুরে কৃষির কথা বলে যাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন তাঁদের আমলে দেখছি সিঙ্গুর কেমন সর্ষে আর কাশফুলে ভর্তি! বিজেপি কৃষককে বাঁচাতে রাস্তায় নামছে আর তৃণমূল নামছে ফড়ে আর দালালদের স্বার্থরক্ষায়। এর পাল্টা দিলীপ যাদব বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায সিঙ্গুরের কৃষকদের আন্দোলনে যেমন ছিলেন, তেমনই কৃষকদের স্বার্থে তাঁদের পাশেই থাকবেন এবং কৃষকদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল সাধারণ কৃষকদের বিপদে ফেলবে। দেশের বড় বড় শিল্পপতি পুঁজিপতিরা ফড়ে হিসেবে কাজ করবে। কৃষকদের তো কোনও উপকার হবে না, উপরন্তু কৃষকদের আরও সমস্যার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে এই মোদী সরকার। বিজেপি সরকারের আমলে আমাদের দেশে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর ওদের নেতারা এসে এখানে বড় বড় কথা বলে যাচ্ছেন। শিল্প নিয়ে কথা তুলছেন। বিজেপি কটা শিল্প করেছে? দিন যাচ্ছে দেশের মানুষ কর্মচ্যুত হচ্ছেন। শিল্প বিলগ্নীকরণ করার নামে দেশকে দেউলিয়া করে দিচ্ছে। দুদিন পরে এই সরকারকে বেচুরাম বলে ডাকবে সকলে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

চার্জশিটে নাম তৃণমূলের ষড়যন্ত্রেই, দাবি বিজেপি সাংসদের

লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর থেকে উন্নয়নমুখী কর্মধারাকে স্তব্ধ করে দিতেই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক জঘন্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের সিআইডি চার্জশিটে নাম থাকার প্রসঙ্গে এমন দাবি করলেন নদিয়ার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, আমি এতে ভীত নই, আজীবন আমি মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যাব, এটাই আমার শপথ। এদিন বগুলাতে বিজেপি নদীয়া জেলা দক্ষিণ, ৩৮ নং জেড. পি-র উদ্যোগে রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। তৃণমূল থেকে অনেকেই এদিন সাংসদের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন। বগুলা বেনফিস মার্কেটে আয়োজিত এই সভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আশিসকুমার বিশ্বাস-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। জগন্নাথবাবু আরও বলেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে আজ তৃণমূল দলটি। আর রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এদের দলদাসে পরিণত হয়েছে বলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছেন না। সম্প্রতি কৃষ্ণগজ্ঞ বিধায়ক সভা কেন্দ্রের প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের মামলায় আদালতে পুলিসের চার্জশিট দাখিল সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে কথা গুলি বলেন, সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে রক্তদাতা ছিলেন ৮৬ জন। এদিন মুড়াগাছা কলোনির দাপুটে সিপিআইএম নেতা অমরেশ ঢালির নেতৃত্বে এলাকার ১৬টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। মামজোয়ান গ্ৰামের ৩০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়। সবমিলিয়ে এলাকার তৃণমূল, সিপিআইএম এবং কংগ্রেস দল ছেড়ে প্রায় চার শতাধিক কর্মী-সমর্থক এদিন বিজেপি শিবিরে যোগদান করেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ডা. দুলালচন্দ্র বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

রাজুর হুমকি সপাটে ওড়ালেন অকুতোভয় স্বপন

১৯৬৭ সাল থেকে রাজনীতি করছি। মৃত্যুকে ভয় পাই না। কোন নেতা কোথায় দাঁড়িয়ে আমাকে নিয়ে কী বলল তা নিয়ে ভাবি না। আমি ক্রিমিনাল কিনা তা জানেন মানুষই। গণদেবতা রয়েছেন, আমার বাঁচা-মরা তাঁদের হাতেই। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধুপুর খেলার মাঠে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার মঞ্চ থেকে এ কথা বলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কালনা থানা ঘেরাও করতে এসে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দেন স্বপন দেবনাথ ও অনুব্রত মণ্ডলকে উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবের মতো এনকাউন্টার করে মারা হবে। তার প্রেক্ষিতেই সেই হুমকিকে সপাটে ওড়ালেন স্বপন দেবনাথ। এদিনের সভায় রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প এই এলাকায় কীভাবে কতটা পৌঁছেছে তা পরিসংখ্যান দিয়ে তুলে ধরেন স্বপনবাবু। সভায় বিভিন্ন দল থেকে ১০০ জন তৃণমূলে যোগ দেন। এ ছাড়া ২৪ জন ব্রাহ্মণ পুরোহিত তৃণমূলের পতাকা গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালনা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শ্রাবণী পাল, কালনা ১ নং ব্লক সভাপতি শান্তি চাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি সৌরভ দেবনাথ প্রমুখ। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন, উত্তেজনা ময়না-সবং-এ

পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচার বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানা গিয়েছে, ময়নার বাকচায় ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ি হলেও পাশেই সবং-এ গিয়েছিল নৈশ ফুলবল খেলা দেখতে। সেখানেই বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ বেশ কিছু দিন ধরেই দীপক মন্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে তাঁরা ভাবতে পারেনি এভাবে বোমা মেরে খুন করে দেবে। তখন নৈশ ফুটবল খেলা চলছিল। হঠাৎ বাইক বাহিনী এসে দীপককে ঘিরে বোমা ছুড়তে থাকে। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপকের। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, নিজেদের কাছে বোমা মজুত ছিল। তা ফেটেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশি তদন্তেই সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কেশপুরে বোমাবাজি, নাবালক-সহ নিহত ২, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব জোরালো

আবার অশান্ত কেশপুর। রাজ্যে পালাবদলের আগে যে কেশপুর নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেশপুর হবে সিপিআইএমের শেষপুর! সেই কেশপুরেই এবার অস্বস্তিতে শাসক দল। এমনিতেই দলের নতুন জেলা, ব্লক, শহর কমিটি ঘোষণার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমে তো নি, বরং বেড়েইছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে কেশপুরের ঘটনা তৃণমূলকে আরও চিন্তায় রাখল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্যাপক বোমাবাজিতে অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের দামোদরচক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায় এক নাবালক-সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জন আহতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শেখ নাসির ও ১৪ বছরের শেখ মাজহার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সেলিমের ভাই স্বর্ণশিল্পী নাসিরের আজ মুম্বাই ফেরার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ফলেই এই পরিস্থিতি। তবে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এক সময়ের সিপিআইএমের হার্মাদরাই বিজেপির আশ্রয়ে থেকে এই হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দামোদরচক। লাগাতার বোমার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিচালনার ফলে শেখ মাজহার ও শেখ নাসির গুরুতর জখম হন। জানা গিয়েছে, জখমদের প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূলের দাবি, কেশপুরের ঘটনা জমি-জায়গা নিয়ে পারিবারিক বিবাদের ফল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, হামলাকারীরা সিপিএমের হার্মাদ। তারা কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির আশ্রয় নেয়। এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তৃণমূল এতো বড়ো দল যে কে কোথায় মিছিলে হাঁটল তা কারও মনে থাকে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা নিয়ে দলের অন্দরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। অজিত মাইতি বলেন, ব্লক সভাপতি ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। এসব কোনও বিষয়ই নয়। মৃতরা তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি। যদিও নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগেই আছে। নিহতরা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি শিবিরের। যেখানে ঘটনা তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থানা রয়েছে। বর্তমান ব্লক সভাপতির মদতেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইন্তাজ আলি ওরফে ঝন্টু পলাতক। সে তৃণমূল কর্মী, ঘটনার পর শাসক দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। মেদিনীপুরে যে বাড়িতে সে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সেই বাড়ির মালিক রামুকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সে পালিয়েছে। নিহতদের বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বিজেপিকে দায়ী করলেও বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, নিহতরা তৃণমূলের। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারে না। কোন দাদার হাত তাদের মাথার উপর আছে তা তদন্ত করে দেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে এটাই চাই। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তদন্তে তা প্রমাণ হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি এলে দেখতে পাবে কেশপুরে কত অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পুলিশও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শক্ত হাতে না ধরলে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আগে এমন অশান্তি আরও বাড়তে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে 'রাফাল'

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রাফাল। আম্বালায় ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেসে সর্বধর্ম পূজায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রয়েছেন ফ্রান্সের আর্মড ফোর্সের মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে

এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে নির্দেশ অনুসারে কোভিড টেস্ট করার পর আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ১০ দিনের Self Isolation এ আছি। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, গত সাত দিনে আমার সাথে যারা সংস্পর্শে এসেছিলেন অনুগ্রহ করে আপনারা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal