• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

বাংলার রাজনীতিতে নতুন দল ঘোষণা ভাইজানের, বেগ পেতে পারে তৃণমূল

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পথে হাঁটতে নাম রেখেছেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির ভাই পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকির নাম। সভাপতি হয়েছেন শিমল সোরেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এই নতুন দলের এই দুজন কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের নাম পড়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান।এর আগে আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন, মুসলিম, দলিত ও পিছিয়েপড়াদের নিয়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। সেই নতুন দল গঠন করার জন্য তিনি বিভিন্ন সভায় মানুষের কাছে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন মিমের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েসি। যদিও আব্বাস তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি নিজেই দল গড়তে চালেছেন। সেই দলের সঙ্গে জোটে আসতে পারেন কিন্তু তিনি এখানে মিমের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন না। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি। সম্প্রতি মিনাখাঁয় একটি অনুষ্ঠানের আগে তাঁর অনুগামীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এবং তাঁদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এসব অত্যাচার বন্ধ করতে চান আব্বাস। এদিন আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়ে দেন, তিনি কিংমেকার হতে চান। কিন্তু তিনি নিজে ভোটে লড়বেন না। আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করবে। এছাড়া ব্রিগেডের জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাইজান। সেই জনসভা থেকেই জেলা নেতৃত্বের দায়িত্ব ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান। তাঁর এই নতুন দল বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেগ দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নওসাদ সিদ্দিকি বলেন, আমরা চাই পাঠ্যসূচিতে সংবিধানকে রাখা হোক। এই দাবিতে আমরা কলকাতার পথে নামব। কৃষি বিলের প্রতিবাদ হবে। আব্বাসের বক্তব্য, বিজেপি দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক। তবে সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তিনি সরাসরি কোনও জবাব দেননি। এর আগে আব্বাস উদ্দিনের সংগঠন নিয়ে সিপিএমের একাংশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কংগ্রেসও নেতৃত্ব এখনও সেভাবে এই দল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেনি। দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে নতুন কোনও জোট হয় কিনা। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ আব্বাসের এই দল নিয়ে উচ্ছ্বাসিত। এর ফলে তৃণমূলের রাজরাজনৈতিক ক্ষতি হবে বলে তাঁদের ধারণা। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আব্বাস। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হলে সবাই একজোট লড়তে হবে। তাঁরা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
দেশ

নন্দীগ্রামে কেন হারবেন মমতা, কী ব্যাখ্যা শুভেন্দুর?

নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে সরাসরি মমতাকেই আক্রমণের নিশানা করেছেন শুভেন্দু। এই প্রথম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে ভাইপো জুড়ে একনাগাড়ে আক্রমণ করে গেলেন তিনি। নন্দীগ্রামে কেন মমতা হারবেন দিলেন সেই ব্যাখ্যাও।রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল বাড়াতে যে টোটকার আশ্রয় নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো সেখানেই আঘাত করতে চাইছেন শুভেন্দু। এ ব্যাপারে সময় নষ্ট করতে রাজ নন তিনি। সোমবার বলেছিলেন ৫০ হাজার ভোটে হারবেন মাননীয়া। এদিনও নন্দীগ্রাম আন্দোলন স্মরণ করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, মমতা অনেক কিছুই জানেন না। মিথ্যা বলছেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। মোদ্দা কথা, তৃণমূল কর্মীদের মনোবলে আঘাত করে বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করাই ছিল শুভেন্দুর উদ্দেশ্য। তবে তৃণমূল নেত্রীর পরাজয় নিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণের ওপর জোর দিয়েছেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা, দাবি মুকুলেরনন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তারপর থেকে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কখনও বলছেন ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারবেন মাননীয়া তা নাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের পাশের খেজুরিতে স্বল্প সময়ের বক্তব্যে টানা নিশানা করে গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে।এদিন একদিকে যেমন শুভেন্দু বলেছেন ভোটের পর প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পাশাপাশি নন্দীগ্রামকে কীভাবে অবহেলা করেছেন তাঁর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, তৃণমূলে থেকে এক ধরনের চাপের রাজনীতি করে গিয়েছেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক, এবার বিরোধী দলে থেকে সেই চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন শুভেন্দু। যে কারণে এখন আক্রমণ চলছে একেবারে সরাসরি। মিথ্যাবাদী বলতেও ছাড়ছেন না।আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মমতার পাশে থাকার বার্তা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারেরএদিন শুভেন্দু সরাসরি ভোটের ধর্মীয় মেরুকরণ করেছেন। সেই মেরুকরণ করে শুভেন্দু দাবি করেছেন, যাঁরা জয়শ্রীরাম বলেন সেই ২ লক্ষ ১৩ হাজার ভোটারের ওপর তাঁর ভরসা রয়েছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৬২ হাজার ভোটারের ওপর ভরসা করে স্বপ্ন দেখছেন। সেখানেও সিঁদ কাটবেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।স্কুল পাঠ্যে স্থান পেয়েছে সিঙ্গুরের আন্দোলন। শুভেন্দু বলেন, অষ্টম শ্রেণির বইতে সিঙ্গুরের ইতিহাস স্থান পেয়েছে। সিঙ্গুর আন্দোলনকে ছোট করছি না। ওই বইতে নন্দীগ্রামের একটা লাইনও নেই। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে যে সব পুলিশ আধিকারিক গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বা অত্যাচার করেছেন তাঁদের ভাল পোষ্টিং দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি ও সিপিএমের সভায় লোক পাঠাবেন তৃণমূলনেত্রী

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী এই অভিযোগ করে আসছেন। বনগাঁর সভাতেও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোস্টার নিয়ে একদল মানুষ তৃণমূল নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। সোমবার নন্দীগ্রামের সভাতেও যাওয়ার পথে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মঙ্গলবার পুরুলিয়ার জনসভায় বেতন বৃদ্ধির দাবি করতে থাকেন একদল মানুষ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বারেবারে তাঁর সভায় পরিকল্পনা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, প্রতি জায়গায় গিয়ে এরকম বদমায়েশি করে দুএকজন। কেউ পাঠিয়ে দেয়। আপনার বক্তব্য থাকলে কাগজে লিখে দেবেন। মিটিংয়ের মধ্যে ডিস্টার্ব করবেন না। এক লক্ষ লোকের মধ্যে ১০ জন। বসুন। এখানে বললে একটি কাজও করব না। আমাকে চিঠি লিখে দিতে হবে। সভা নষ্ট করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে?মমতার অভিযোগ, বিজেপি লোক পাঠিয়ে জনসভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে। প্রয়োজনে অ্যাকশন নেওয়া হবে তিনি জানিয়ে দেন। তৃণমূল নেত্রী বলেন, প্রতিদিন আমার মিটিংয়ে বিজেপি শিখিয়ে দিচ্ছেন আর করছেন। এসব আমি বুঝি। আমি এবার থেকে বিজেপির মিটিংয়ে লোক পাঠিয়ে দেব। সিপিএমের মিটিংয়েও লোক পাঠিয়ে দেব। চালাকি বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় পোস্টার, ব্যানার নিয়ে গিয়ে দাবি-দাওয়া জানাতে হাজির হয়ে যাচ্ছেন একদল। সহজেই মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। মমতা বলেন, যদি কারও কোনও দাবি-দাওয়া থাকে তাহলে সেটা চিঠি দিয়ে জানাতে পারেন। কিন্তু এটা কোন পদ্ধতি নয়। এরকম করলে আমি কিছু করব না। যদিও পরে মমতা বলেন, আমি একটু বকাঝকা করেছি কিছু মনে করবেন না। আপনাদের দাবিপত্র নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা", দাবি মুকুলের

বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তাঁর এক সময়ের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন মুকুল রায়। বর্তমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দাবি, শেষমেশ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা। নন্দীগ্রামের মানুষকে ভয় পেয়ে পালিয়ে আসবেন। মুকুল রায়ের বক্তব্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে হেরে যাবেন সেই ভয়েই তিনি সেই আসন ছাড়তে চাইছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন যদি তিনি নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ান তাতেও বিজেপির কোনও অসুবিধে নেই। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য মমতা ভয় পেয়ে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সরে যেতে চাইছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে হাফ লাখ ভোটে হারবেন মাননীয়া"

সকালে নন্দীগ্রামে চ্যালেঞ্জ। বিকেলে কলকাতায় পাল্টা চ্যালেঞ্জ।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের ঘোষিত তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার পরাজিত করবেন বলে কলকাতার সভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, আমি বা বিজেপির যে কেউ নন্দীগ্রামে প্রার্থী হোক না কেন হাফ লাখ(৫০ হাজার) ভোটে মাননীয়াকে হারবই। তা নাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।ফের কলকাতায় মিছিল করবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, গড়িয়া মোড় থেকে হাজরা মোড় অবধি র্যালি করব। একটা চিঠি থানায় ফেলে আসবেন। পুলিশের অনুমতি নেব না। দক্ষিণ কলকাতার সাংগঠনিক জেলায় ১০ আসনে জয়ী করার আবেদন জানান শুভেন্দু।এদিন বিজেপির মিছিলে ইঁট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এর আগে ডায়মন্ডহারবারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি, আমাদেরও দুটো করে হাত পা আছে। আমাদের হাত-পা চললে ভাল হবে না। স্বভাব না পাল্টালে চেহারার ভৌগোলিক অবস্থা পাল্টে দেব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেফ সিট খুঁজে বেড়াচ্ছেন। উনি নন্দীগ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আমরা ভবানীপুরটা দেখে নেব।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সেরা বাজি মমতার, তৃণমূলনেত্রীই নন্দীগ্রামে প্রার্থী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যে মরণ-বাঁচন লড়াই তা নন্দীগ্রামের জনসভায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট। এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী হতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে আমি প্রার্থী হলে কেমন হয়। দলকে আমি বলব এই নন্দীগ্রামে আমার নাম রাখতে। আবেগে ভেসে তিনি এই কথা বলেন বলেও জানিয়ে দেন। শেনা মাত্রই মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দেন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আমাকে ২৯৪ কেন্দ্রে ঘুরতে হবে। আপনারা এই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়াও নন্দীগ্রামে একগুচ্ছ উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদ ও নিখোঁজ পরিবারের হাতে মাসে ১ হাজার টাকা পেনশন দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে নিখোঁজ পরিবারদের ৪ লক্ষ টাকা করে সাহায্য

শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের পর আজ সোমবার প্রথম নন্দীগ্রামের জনসভা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের পাশেই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই জনসভায় যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন দশটি নিখোঁজ পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে সহায়তা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের জনসভা করার কথা ছিল কিন্তু তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেই জনসভা স্বল্প পরিসরে হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতা, দক্ষিণ কলকাতায় শুভেন্দু- চড়ছে উত্তেজনার পারদ

একই দিনে অগ্নিপরীক্ষা। নন্দীগ্রাম ও দক্ষিণ কলকাতায়। নন্দীগ্রামে আজ জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এদিন দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল করবেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য রাজনীতি একেবারে জমজমাট। রাজনীতির প্রতি পদক্ষেপে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। এবার দিনে দিনেই পাল্টা চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ মহলের মতে, জনতার আবেগ ও ভিড় প্রমান করবে পাল্লা কার দিকে ভারি।৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে জনসভা করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই সভা বাতিল করে দল। সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। ১৮ জানুয়ারি মমতার সভা হবে বলে ঘোষণা করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা ১৯ জানুয়ারি খেজুরিতে বিজেপি জনসভা করবে বলে ঘোষণা করেন। শেষমেশ সোমবার দক্ষিণ কলকাতায় মমতার খাসতালুকে মিছিলের কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেই মিছিলে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু।নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূলে কে বা কারা তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে। দাবি-পাল্টা দাবি চলছে। ২০১৬-তে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার তাঁর গড়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করতে ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। সোমবারের জনসভা থেকে কী বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তার অপেক্ষায় নন্দীগ্রামের মানুষ। অন্যদিকে যে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল নেতৃত্ব নিয়ে শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ, সেখানেই মিছিল করে কলকাতা অভিযান শুরু করছেন তিনি। টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে মিছিল শুরু করে শেষ হবে রাসবিহারী মোড়ে। বামফ্রণ্ট আমলেও দক্ষিণ কলকাতা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়। সেখানেই এবার নিজের শক্তি পরীক্ষা করে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে যুযুধান দুই পক্ষের মহারণ প্রত্যক্ষ করবেন উদগ্রীব জনতা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানে দুই তৃণমূল বিধায়কের করোনা টীকাকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার দুজন তৃণমূল বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের ভ্যাকসিন বা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ও প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। এছাড়াও কাটোয়াতে করোনার টিকা নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে রোগী কল্যান সমিতির নাম করে এভাবে টীকা নেওয়া ঠিক হয়নি। প্রথম সারির যোদ্ধাদের আগে টিকাকরণ করার কথা। অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জনপ্রতিনিধিদের টিকাকরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ প্রকাশ করেছেন।তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এখনই যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হয়নি তাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। আম্ফান এর মতোন এক্ষেত্রেও তালিকায় গন্ডগোল রয়েছে। এদিকে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় জানিয়েছেন, এই বিধায়করা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য। তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের টিকাকরণ করা হয়েছে। বর্ধমান জেলা তৃণমূল এর মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের বক্তব্য, টীকা নিয়ে কোন স্বজনপোষণ করা হয়নি। বিজেপি সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ করে। এই বিধায়করা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জনপ্রতিনিধিদের টীকাকরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সর্বপ্রথমে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টীকাকরণ করতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। টিকাকরণের সফটওয়্যারে একটা সমস্যা হয়েছে। তাই নির্দেশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে তালিকা অনুযায়ী টীকা দিতে হবে। এটা ঠিক কাজ হয়নি বলেই তাঁরা মনে করেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত অভিনেত্রী সাংসদের, কী কৌশলে বাজিমাত?

ফেসবুকে বিদ্রোহ, তারপর কুণালের দৌত্য, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাত্রা বাতিল। ২৪ ঘন্টা এভাবেই কাটল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। আপাতত তৃণমূলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ দলে থাকার কথা ঘোষনা করলেও কিন্তু একটা রয়েই গেল।তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ, তিনি তার লোকসভা কেন্দ্রে সভা সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না, তাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মিটিংয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত শুনতে হচ্ছে। তাঁর কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে কী কৈফিয়ত দেবেন? এটাই শতাব্দীর মূল প্রশ্ন।সমস্যাগুলো নিয়ে বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সেভাবে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ফেসবুক পোস্ট করে, শনিবার দিল্লি যাবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার কৌশলে আপাতত তিনি সফল। কিন্তু প্রকুত কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেকথা তিনি প্রকাশ্যে এড়িয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকা লোকজনদের একটা বড় অংশ অন্য পেশা থেকে কেউ রাজনীতিতে এলেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি পলিটিক্যাল নন। একথা হজম করতেই হয়েছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, একাংশ রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত করেছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যে জেলার সভাপতি সারা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি সাংগঠনিক সভা করেন। দলের সভাপতি দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী অনুব্রত মন্ডলের ওপর কথা বলার ক্ষমতা নেই ওই জেলার দুই মন্ত্রীর। অনুব্রত গড়ের তৃণমূল সাংসদ বোমা ফাটালেন প্রকাশ্যে। দলকে ঢোক গিলতে হল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ কয়েক ঘন্টার বৈঠকে সমাধান হতে পারে? ছাই চাপা আগুনের কী হাল হয় তা সকলেরই জানা।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। ইতিমধ্যে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাংশ বিজেপিতে যোগ দেবার লাইনে রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের দর বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এক একজন ১৫ বছর, ১০ বছর বা কেউ ৫ বছর বিধায়ক, সাংসদ থাকার পর ভোটের মুখেই এভাবে ক্ষোভ ব্যক্ত করছেন। তাহলে কী তাঁরা সবাই ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন? আপাতত তৃণমূলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতাব্দীরায়। আমি তৃণমূলেই আছি একথার যে অন্য একটা অর্থও হয় তা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা রাজনীতির লোক নয় বলে অন্যদের ছোট করে নিজেদের বড়াই করেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডলের গড়েই তৃণমূল সাংসদের 'বিদ্রোহ', শোরগোল রাজনীতিতে

ইতিমধ্যে এক সাংসদসহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনেকেই দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন। এবার নবতম সংযোজন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেই জেলার সাংসদ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। বৃহস্পতিবার শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব ফেসবুক পেজে তাঁর লেখা বয়ানে বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহল। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে।কী লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়--বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়। গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। 2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায়

জানুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমানে জেপি নাড্ডার ঠাসা কর্মসূচি, নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

একদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাঁর সফর নিয়ে সতর্ক বর্ধমান জেলা পুলিশ-প্রশাসন। এর আগে ডায়মন্ড হারবারে জনসভায় যাওয়ার পথে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছিল। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। নাড্ডার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে চলে দেশজুড়ে। রাজ্যপাল রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। নাড্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইপিএসদের নিয়ে কেন্দ্র -রাজ্য টানাটানি চলে।শনিবারের দিনের বঙ্গ সফরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। বিজেপি কর্মীরাও সতর্ক। বিজেপি সভাপতির বেশিরভাগ যাতায়াত কর্মসূচি রাখা হয়েছে হেলিকপ্টারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে আকাশ পথে তিনি যাতায়াত করবেন বলেই সূত্রের খবর। ফের যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রেখে তাঁর এদিনের কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে।জেপি নাড্ডা প্রথমে এগারোটা নাগাদ নামবেন অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে উড়ে যাবেন কাটোয়ায়। ১১টা ৪০ মিনিটে জগদানন্দপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পুজো দেবেন। ১১টা ৫০ মিনিটে ওই গ্রামেই কৃষক সুরক্ষা সভায় অংশ নেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বাড়ি বাড়ি মুষ্টি ভিক্ষার চাল সংগ্রহ করবেন। জগদানন্দপুরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন। সেখান থেকে কপ্টারে উড়ে বর্ধমানে হেলিপ্যাডে নামবেন।বিকেল ৩টা ৫ মিনিট নাগাদ শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবি সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেবেন। দর্শণ ও পুজো সেরে বর্ধমান শহরে রোড শো করবেন। বীরহাটা থেকে শুরু হয়ে কার্জনগেটে রোড শো শেষ হবে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। ৭ টা নাগাদ ফিরে যাবেন অন্ডাল বিমানবন্দরে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

আজ নন্দীগ্রামে বিজেপির মেগা-সমাবেশ, নতুন কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

আজ, শুক্রবার সকলের নজরে নন্দীগ্রামে বিজেপির সমাবেশ। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন ৮ জানুয়ারি এক লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামে স্টেট ব্যাংকের পাশের ময়দানে এই সভার আয়োজন করেছে বিজেপি। ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভা হবার কথা ছিল। সেই কারণেই ৮ জানুয়ারি পাল্টা জনসভার কথা ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূল নেতা অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে তৃণমূলের সভা বাতিল করা হয়েছিল। এদিকে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছে যদি তৃণমূল কংগ্রেস ১৮ জানুয়ারি সভা করে সেক্ষেত্রে আজ নন্দীগ্রামের সভায় ফের নতুন ঘোষণা করবেন। আজকের নন্দীগ্রামের সভায় হাজির থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়, দলের পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল উত্থান হয়েছিল। সেই নন্দীগ্রামকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতির ময়দানে জায়গা পেতে চাইছে বিজেপিও। সেদিন আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবার পদ্ম পতাকাতলে থেকে বিজেপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সেই নন্দীগ্রামকেই সামনে রেখেছেন তিনি। দেখার বিষয় এদিনের সমাবেশে কত মানুষ ভিড় করেন এবং শুভেন্দু নতুন কী ঘোষণা করেন?

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, তোপ অভিষেকের

নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সভা-সমাবেশে বক্তব্যে ঝড় বইছে। বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য চলছে। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরে এক জনসভায় বিজেপিকে একহাত নিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে।অভিষেক এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে এসে বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি নষ্ট করতে চাইছে। ভোট নেওয়ার সময় বিজেপি আসে। পরিষেবা দেয় তৃণমূল। চোর, ছেঁচড়, চিটিংবাজরা সবাই বিজেপিতে গিয়েছে। বাংলায় নির্বাচন হবে, পরিযায়ী নেতারা এখানে এসে জুড়ে বসবেন। এখানকার সাংসদ সুকান্ত মুজমদার বলেছেন, আমি বহিরাগত। বাংলায় জন্ম, বাংলায় কথা বলি, ব্রাহ্মন সন্তান আমি বহিরাগত? ইন্দোরের কৈলাস বিজয়বর্গীয় বাংলা বলতে পারে না, বাংলা লিখতে পারে না, বাংলা পড়তে পারে না, তিনি দিনাজপুরের বা বাংলার ভূমিপুত্র? চাটুকারিতা আর তল্পিবাহক হয়ে গিয়ে বাংলাকে গুজরাট ও দিল্লির হাতে বন্ধক রাখতে চলেছে।বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে আক্রমণের সময় নাম না করে ভাইপো সম্বোধন করছেন। তোলাবাজ ভাইপো বলছেন সদ্য বিজেপি যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও{ অভিষেক বলেন, কথায় কথায় আমাকে আক্রমণ করছে। বলছে তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। আমার তোলাবাজি কেউ যদি প্রমান করতে পারে, কোনওরকম তোলাবাজির সঙ্গে আমি বিন্দুমাত্র জড়িত তাহলে আমার পিছনে ইডি, সিবিআই করতে হবে না একটা ফাঁসির মঞ্চ করবেন। আমি গিয়ে মৃত্যুবরণ করে নেব।নাম নিয়ে কথা বলার বুকের পাটা নেই। বলে ভাইপো। ভাইপো বললে মামলা করা যায় না।অভিষেক বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না। আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, আমি নাম করে বলছি দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, অমিত শাহ বহিরাগত, বিজেপির দিল্লির নেতারা বহিরাগত। তোমার ক্ষমতা থাকলে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেখাও। জেলে ঢোকাও।শুভেন্দু সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন বাংলাটাকে নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে। বিজেপি এলে এসএসসি হবে, টেট হবে, চাকরি হবে যুবকদের। অভিষেক বলেন, বাংলা কী একটা বস্তু। তাহলে চুরি করতে সুবিধা হবে। অভিষেক নাম না করে এদিন তোলাবাজ নিয়ে প্রশ্ন করেন হাজির জনতাকে। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনারা টিভির পর্দায় কাকে টাকা নিতে দেখেছেন? একটু জোরে? জবাব আসে, শুভেন্দু অধিকারীকে। একাধিকবার একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে থাতেন। কিন্তু নিজে নাম নেননি মুখে। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা তোপ দেগেছেন বিনয় মিশ্রকে নিয়ে। শুভেন্দুর বক্তব্য, তৃণমূল যুবার সহসভাপতি ছিলেন, তারপর ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। টুইট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুভেন্দুর প্রশ্ন, বিনয় মিশ্রের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক?

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

পটাশপুরে রাতভর বোমাবাজি, টার্গেট বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, অভিযুক্ত তৃণমূল

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকের সাউথখন্ড এলাকায় তাজা বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গতকাল রাতভর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি চলে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পটাশপুর থানার পুলিশ। বম্ব স্কোয়াড গিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বর অভিযোগ, গত ১ জানুয়ারি বিজেপির ২৩৪ এবং ২৩৫ নম্বর বুথের বিজেপি কার্যকর্তারা মিলে বনভোজন করেন। সেখানে বোমাবাজি করে তৃণমূল। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপরই থেকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে জানান তিনি। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

জানুয়ারি ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

সৌরভ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী

মৃদু হৃদরোগে আক্রান্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বাড়িতে জিম করার সময় মাথা ঘুরে পড়ে যান সৌরভ। তড়িঘড়ি তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত সৌরভের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।সৌরভের আরোগ্য কামনায় টুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জানা গেছে সৌরভের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় প্রমুখ। প্রয়োজনে সৌরভকে দিল্লির এইমসে নিয়ে চিকিৎসা করা হলে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এদিকে সৌরভের এই অসুস্থতার খবরে বাংলার ক্রীড়াজগতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সৌরভকে জরুরি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে হাসপাতালে। ইতিমধ্যে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আ্যাঞ্জিওগ্রাফি করার জন্য মহারাজকে ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর ইসিজি করা হয়েছে। সেখানেই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এছাড়া, ইকো কার্ডিওগ্রাম করা হয়েছে। রাজ্য সরকার তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে সবরকম সহযোগিতা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

অনুব্রত মন্ডলের মাথায় রুপোর মুকুট, কটাক্ষ দিলীপের

কেউ বলছেন ঝেঁটিয়ে সাফ করে দিন। কেউ বলছেন থেকে ঠেঙিয়ে পগার পার করে দিন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারির প্রথমেই তাপ উত্তাপ চরমে উঠেছে। এসবের মাঝেই বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল মাথায় রুপোর মুকুট পড়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।কোথায় পেলেন এই মুকুট? অনুব্রত গিয়েছিলেন নানুরের একটি মেলাতে। সেই মিলন মেলায় উদ্যোক্তারা তাঁকে একটি দু কেজি ওজনের রুপোর মুকুট উপহার দেন। তিনি সেই রুপোর মুকুট পরে মঞ্চে বসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখতে মঞ্চের সামনে হাজির জনতা হা করে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অদ্ভুত সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।মুকুট পরে হালকা মেজাজে থাকলেও বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর হুঁশিয়ারি, ঠেঙিয়ে বিজেপিকে পগার পার করে দিন। এডাল থেকে ওডাল উঠলেই হবে নাকি। বড় হনু নাকি? মন্তব্য অনুব্রতর।এদিকে তাঁর মাথায় রুপোর মুকুট দেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ বন্ধ করে রাখতে পারেননি। তিনি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অনুব্রত মন্ডলকে। দিলিপের বক্তব্য, রাজ্য, রাজ্যপাট চলে যাবে। আর মুকুট পরার সময় পাবে না। তাই আগেভাগেই মুকুট পড়ে নিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত রুপোর মুকুট নিয়ে রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • ...
  • 52
  • 53
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal