• ১১ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

কমিশনের দারস্থ বিজেপি নেতারা

কলকাতাঃ রাজ্যে ১০৭ পুরসভার ভোট স্থগিত হয়ে রয়েছে গত এক বছর ধরে। সেই ভোট দ্রুত করানোর দাবিতে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হল বৃহস্পতিবার। তারা দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানায়। এখন প্রশাসকরা পুরসভার কাজ পরিচালনা করছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোট মত দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব , এই পুরসভাগুলির ভোট সম্পন্ন করতে হবে। কলকাতা হাইকোটও তাতে সহমত পোষণ করে। এছাড়াও ২০২১ সালের বিধানসভা নিরবাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূণ হয়,সে দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

মুকুল রায়ের হাতে বাংলার দায়িত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

নয়াদিল্লি: রাজ্য বিজেপির একটাই লক্ষ্য বাংলার শাসনভার নিজেদের হাতে নেওয়া। সেই নিয়ে একাধিকবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলার শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ডাকে দিল্লিতেই রয়েছেছেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষেরা। আজকের বৈঠকে দিলীপ ঘোষের হাতে নয় বরং মুকুল রায়ের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে নির্বাচনের আগে বঙ্গ সামলানোর দায়িত্ব। প্রসঙ্গত বিজেপি পার্টির নিয়মে রয়েছে জাতীয় সহ সভাপতি এবং জাতীয় সম্পাদকদের এক একটি রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে কে কোন দায়িত্ব পাবে তা ঠিক করে দেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। তবে এতদিন মুকুল রায় বাংলার প্রতিনিধি ছিলেন তাই হিসেব মতো তাঁর হাতে রাজ্যের ভার না যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই কথা যাতে না ওঠে সেই কারণে আগেই তিনি দিল্লির ভোটার ও দিল্লি থেকে বিজেপির সদস্যও হয়ে গিয়েছেন। বলা বাহুল্য যে হয়ত বাংলা সামলানোর দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আগেই মুকুল রায়কে বিজেপি জাতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে বাধা দূর করতে। তাই এখন যদি বাংলার দায়িত্ব মুকুল রায়কে দেওয়া হয় সেই নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না।এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর নয় বরং বাংলা জয়ের জন্য মুকুল রায়ের উপর আস্থা রাখছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এক সময় তৃণমূলের দাপুটে নেতা ছিলেন মুকুল রায়। সেই কারণে বাংলার খুঁটিনাটি তাঁর থেকে ভালো করে জানা বিজেপির অন্যান্য সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয় সেটা খুব ভালো করেই জানে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে দিলীপ ঘোষ বা অন্যান্য বিজেপি নেতাদের থেকে ভোট যুদ্ধে জিততে মুকুল রায়ের হাতেই বৃহস্পতিবার বাংলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। বঙ্গে ২০২১-এর নির্বাচনী যুদ্ধে জিতেতে বিজেপি চাইছে বাংলায় সমগ্র নেতৃত্ব দিক মুকুল রায়।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজনীতি

গুরুত্ব বাড়ল মুকুল-অনুপমের, বিদ্রোহে চাপ নাকি দলত্যাগের ভাবনা রাহুলের?

রাজ্য বিজেপিতে ফাটল চওড়া হচ্ছে। বিজেপিতে মুকুল রায় পদ পেতেই বাদ পড়ে বিদ্রোহের সুর রাহুল সিনহার গলায়। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বিজেপির কেন্দ্রীয় পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা হয়েছে‌। সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুপম হাজরাকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মুখপাত্র করা হয়েছে দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তাকে। নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন রাহুল সিনহা। এরপরই ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা বলেন, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে চল্লিশ বছর ধরে দলের সেবা করার পুরস্কার পেলাম। তৃণমূল থেকে আসা লোকদের জায়গা করে দিতে আমাকে এই পুরস্কার দেওয়া হলো। এর পক্ষে বা বিপক্ষে আজ কিছু বলব না। যা বলব ১০-১২ দিনের মধ্যে। নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তখন ঠিক করব। রাহুলের এই বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তিনি দলত্যাগ করতে পারেন, যোগ দিতে পারেন তৃণমূলেই। অথবা দলের উপর চাপ বাড়াতেই তাঁর এই মন্তব্য। এদিকে, মুকুল রায় বলেন, দল আমাকে গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবেই কাজ করব বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
বিবিধ

নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ অগ্নিমিত্রার

২০১৬ থেকে ২০১৮ অবধি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বাংলার স্থান যৌন নিগ্রহে চতুর্থ, মহিলাদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ে তৃতীয় এবং অ্যাসিড আক্রমণে শীর্ষে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রশাসনের গাফিলতিতে চলছে অবাধে অ্যাসিড বিক্রি। গত এক দশকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে এমন দাবি করলেন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। গত ৯ বছরে রাজ্যে নারী নিগ্রহে ঘটনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে 'আর নয় মহিলাদের অসুরক্ষা'-র ডাক দেন তিনি। ৯৭২৭২৯৪২৯৪ 'আর নয় অন্যায়'-এর এই নম্বরে ১ টিপে যে কোনও মহিলা যে কোনও সময় অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএস করেও তাঁদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায় বা অবিচারের অভিযোগ জানানো যাবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, পাল্টা দিলীপ

বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প এবং কৃষি দুটোই হবে। কৃষি বিল নিয়ে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বাস্তবে এই বিলের ফলে একদিকে কৃষকরা যেমন বেশি দাম পাবেন, তেমনই ক্রেতাদেরও সুবিধা হবে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। বিজেপির হুগলির সিঙ্গুর সাংগঠনিক মোর্চার উদ্যোগে নসীবপুরে আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে সায়ন্তন বসু বলেন, তৃণমূল দলটা সার্কাসের জোকারের মতো সংসদের ভেতরে ও বাইরে আচরণ করছে। কিন্তু সংসদ পশ্চিমবঙ্গ নয় যে যেমন খুশি তেমন আচরণ করব। এ সব মেনে নেওয়া হবে না। আরও পড়ুন- অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ এর পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, যিনি এখানে এসে সাংসদদের সম্পর্কে যে কথাগুলো বলেছেন জোকার সার্কাস বলে সেটা সায়ন্তনবাবুকে তাঁর দলের লোকেরাই বলে থাকেন। উনি এখানে আসেন কলকাতার নেতাদের কাছে নম্বর বাড়াবার জন্য। ওঁর কথার কোন দাম নেই। এদিন বিজেপির হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, কৃষকদের কথা তৃণমূলের মুখে মানায় না। সিঙ্গুরে কৃষির কথা বলে যাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন তাঁদের আমলে দেখছি সিঙ্গুর কেমন সর্ষে আর কাশফুলে ভর্তি! বিজেপি কৃষককে বাঁচাতে রাস্তায় নামছে আর তৃণমূল নামছে ফড়ে আর দালালদের স্বার্থরক্ষায়। এর পাল্টা দিলীপ যাদব বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায সিঙ্গুরের কৃষকদের আন্দোলনে যেমন ছিলেন, তেমনই কৃষকদের স্বার্থে তাঁদের পাশেই থাকবেন এবং কৃষকদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল সাধারণ কৃষকদের বিপদে ফেলবে। দেশের বড় বড় শিল্পপতি পুঁজিপতিরা ফড়ে হিসেবে কাজ করবে। কৃষকদের তো কোনও উপকার হবে না, উপরন্তু কৃষকদের আরও সমস্যার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে এই মোদী সরকার। বিজেপি সরকারের আমলে আমাদের দেশে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর ওদের নেতারা এসে এখানে বড় বড় কথা বলে যাচ্ছেন। শিল্প নিয়ে কথা তুলছেন। বিজেপি কটা শিল্প করেছে? দিন যাচ্ছে দেশের মানুষ কর্মচ্যুত হচ্ছেন। শিল্প বিলগ্নীকরণ করার নামে দেশকে দেউলিয়া করে দিচ্ছে। দুদিন পরে এই সরকারকে বেচুরাম বলে ডাকবে সকলে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

চার্জশিটে নাম তৃণমূলের ষড়যন্ত্রেই, দাবি বিজেপি সাংসদের

লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর থেকে উন্নয়নমুখী কর্মধারাকে স্তব্ধ করে দিতেই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক জঘন্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের সিআইডি চার্জশিটে নাম থাকার প্রসঙ্গে এমন দাবি করলেন নদিয়ার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, আমি এতে ভীত নই, আজীবন আমি মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যাব, এটাই আমার শপথ। এদিন বগুলাতে বিজেপি নদীয়া জেলা দক্ষিণ, ৩৮ নং জেড. পি-র উদ্যোগে রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। তৃণমূল থেকে অনেকেই এদিন সাংসদের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন। বগুলা বেনফিস মার্কেটে আয়োজিত এই সভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আশিসকুমার বিশ্বাস-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। জগন্নাথবাবু আরও বলেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে আজ তৃণমূল দলটি। আর রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এদের দলদাসে পরিণত হয়েছে বলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছেন না। সম্প্রতি কৃষ্ণগজ্ঞ বিধায়ক সভা কেন্দ্রের প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের মামলায় আদালতে পুলিসের চার্জশিট দাখিল সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে কথা গুলি বলেন, সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে রক্তদাতা ছিলেন ৮৬ জন। এদিন মুড়াগাছা কলোনির দাপুটে সিপিআইএম নেতা অমরেশ ঢালির নেতৃত্বে এলাকার ১৬টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। মামজোয়ান গ্ৰামের ৩০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়। সবমিলিয়ে এলাকার তৃণমূল, সিপিআইএম এবং কংগ্রেস দল ছেড়ে প্রায় চার শতাধিক কর্মী-সমর্থক এদিন বিজেপি শিবিরে যোগদান করেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ডা. দুলালচন্দ্র বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

রাজুর হুমকি সপাটে ওড়ালেন অকুতোভয় স্বপন

১৯৬৭ সাল থেকে রাজনীতি করছি। মৃত্যুকে ভয় পাই না। কোন নেতা কোথায় দাঁড়িয়ে আমাকে নিয়ে কী বলল তা নিয়ে ভাবি না। আমি ক্রিমিনাল কিনা তা জানেন মানুষই। গণদেবতা রয়েছেন, আমার বাঁচা-মরা তাঁদের হাতেই। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধুপুর খেলার মাঠে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার মঞ্চ থেকে এ কথা বলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কালনা থানা ঘেরাও করতে এসে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দেন স্বপন দেবনাথ ও অনুব্রত মণ্ডলকে উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবের মতো এনকাউন্টার করে মারা হবে। তার প্রেক্ষিতেই সেই হুমকিকে সপাটে ওড়ালেন স্বপন দেবনাথ। এদিনের সভায় রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প এই এলাকায় কীভাবে কতটা পৌঁছেছে তা পরিসংখ্যান দিয়ে তুলে ধরেন স্বপনবাবু। সভায় বিভিন্ন দল থেকে ১০০ জন তৃণমূলে যোগ দেন। এ ছাড়া ২৪ জন ব্রাহ্মণ পুরোহিত তৃণমূলের পতাকা গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালনা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শ্রাবণী পাল, কালনা ১ নং ব্লক সভাপতি শান্তি চাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি সৌরভ দেবনাথ প্রমুখ। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন, উত্তেজনা ময়না-সবং-এ

পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচার বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানা গিয়েছে, ময়নার বাকচায় ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ি হলেও পাশেই সবং-এ গিয়েছিল নৈশ ফুলবল খেলা দেখতে। সেখানেই বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ বেশ কিছু দিন ধরেই দীপক মন্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে তাঁরা ভাবতে পারেনি এভাবে বোমা মেরে খুন করে দেবে। তখন নৈশ ফুটবল খেলা চলছিল। হঠাৎ বাইক বাহিনী এসে দীপককে ঘিরে বোমা ছুড়তে থাকে। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপকের। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, নিজেদের কাছে বোমা মজুত ছিল। তা ফেটেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশি তদন্তেই সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কেশপুরে বোমাবাজি, নাবালক-সহ নিহত ২, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব জোরালো

আবার অশান্ত কেশপুর। রাজ্যে পালাবদলের আগে যে কেশপুর নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেশপুর হবে সিপিআইএমের শেষপুর! সেই কেশপুরেই এবার অস্বস্তিতে শাসক দল। এমনিতেই দলের নতুন জেলা, ব্লক, শহর কমিটি ঘোষণার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমে তো নি, বরং বেড়েইছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে কেশপুরের ঘটনা তৃণমূলকে আরও চিন্তায় রাখল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্যাপক বোমাবাজিতে অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের দামোদরচক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায় এক নাবালক-সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জন আহতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শেখ নাসির ও ১৪ বছরের শেখ মাজহার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সেলিমের ভাই স্বর্ণশিল্পী নাসিরের আজ মুম্বাই ফেরার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ফলেই এই পরিস্থিতি। তবে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এক সময়ের সিপিআইএমের হার্মাদরাই বিজেপির আশ্রয়ে থেকে এই হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দামোদরচক। লাগাতার বোমার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিচালনার ফলে শেখ মাজহার ও শেখ নাসির গুরুতর জখম হন। জানা গিয়েছে, জখমদের প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূলের দাবি, কেশপুরের ঘটনা জমি-জায়গা নিয়ে পারিবারিক বিবাদের ফল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, হামলাকারীরা সিপিএমের হার্মাদ। তারা কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির আশ্রয় নেয়। এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তৃণমূল এতো বড়ো দল যে কে কোথায় মিছিলে হাঁটল তা কারও মনে থাকে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা নিয়ে দলের অন্দরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। অজিত মাইতি বলেন, ব্লক সভাপতি ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। এসব কোনও বিষয়ই নয়। মৃতরা তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি। যদিও নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগেই আছে। নিহতরা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি শিবিরের। যেখানে ঘটনা তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থানা রয়েছে। বর্তমান ব্লক সভাপতির মদতেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইন্তাজ আলি ওরফে ঝন্টু পলাতক। সে তৃণমূল কর্মী, ঘটনার পর শাসক দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। মেদিনীপুরে যে বাড়িতে সে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সেই বাড়ির মালিক রামুকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সে পালিয়েছে। নিহতদের বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বিজেপিকে দায়ী করলেও বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, নিহতরা তৃণমূলের। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারে না। কোন দাদার হাত তাদের মাথার উপর আছে তা তদন্ত করে দেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে এটাই চাই। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তদন্তে তা প্রমাণ হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি এলে দেখতে পাবে কেশপুরে কত অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পুলিশও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শক্ত হাতে না ধরলে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আগে এমন অশান্তি আরও বাড়তে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে 'রাফাল'

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রাফাল। আম্বালায় ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেসে সর্বধর্ম পূজায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রয়েছেন ফ্রান্সের আর্মড ফোর্সের মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে

এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে নির্দেশ অনুসারে কোভিড টেস্ট করার পর আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ১০ দিনের Self Isolation এ আছি। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, গত সাত দিনে আমার সাথে যারা সংস্পর্শে এসেছিলেন অনুগ্রহ করে আপনারা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভয়ার মামলায় বড় স্বস্তি নির্মলের, জামিন পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক! তবু এখনই জেলমুক্তি নয়

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। একই দিনে জামিন পেয়েছেন অভয়ার প্রতিবেশী কাকু সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও। তবে জামিন পেলেও এখনই জেল থেকে বেরতে পারবেন না নির্মল। কারণ, তোলাবাজি ও লটারি সংক্রান্ত অন্য দুই মামলায় তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ আগে থেকেই রয়েছে।১৩ অগস্ট বালাসোর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভয়ার মামলায় নির্মল ঘোষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। মোট ১৫ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আরও দুদিনের হেফাজত শেষ করে সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ফের তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। তবে সেই আবেদন খারিজ করে আদালত নির্মলকে জামিন দেয়।অস্ত্র আইনের একটি মামলাতেও নির্মলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। সেই আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ফলে অভয়ার মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক।অন্য দিকে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকেও জামিন দিয়েছে। আদালতে সঞ্জীবের আইনজীবী অভয়ার বাবার পুরনো একটি ভিডিয়োর বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, সেই ভিডিয়োয় অভয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন সঞ্জীব তাঁর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন।পালটা অভয়ার বাবার আইনজীবী দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিয়ো ক্লিপ আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সঞ্জীবকে জামিন দেয় আদালত। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার বাবা শেখররঞ্জন দেবনাথ। তবে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।আর জি করের ঘটনার পর অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তাঁর নির্দেশেই দ্রুত দাহকার্য করা হয়েছিল। পরিবারের সম্মতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সেই সময়ও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।রাজ্যে পালাবদলের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে দ্রুত সৎকারের কারণ এবং সেই সময় কারা কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষের পাশাপাশি পানিহাটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছে।তবে অভয়ার মামলায় আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় দুজনেই আপাতত জামিন পেয়েছেন। নির্মলের ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য মামলায় জেল হেফাজতের নির্দেশ থাকায় অভয়ার মামলায় জামিন পেলেও এখনই তাঁর জেলমুক্তির সম্ভাবনা নেই।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

১৪ বছর পর আদালতে বিস্ফোরক দাবি! বরুণ বিশ্বাস খুনে প্রথম বার প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম বাবার মুখে

সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই মামলায় সোমবার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য গ্রহণ হল। বনগাঁ ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের এজলাসে সাক্ষ্য দেন বরুণের বাবা জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস।বয়সের ভারে এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না জগদীশবাবু। সেই অবস্থাতেই ছেলের খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন তিনি। তাঁর সাক্ষ্য ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আদালতে প্রথম বার বরুণ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সরকারি আইনজীবী।উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার সুটিয়ায় বরুণ বিশ্বাসকে ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন করা হয়। তাঁর দাদার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষী রয়েছেন। এর আগে ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সোমবার ৩৮ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আদালতে নিজের বক্তব্য জানান বরুণের বাবা।এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং তাঁর সাজাও হয়েছে। এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ছয় জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।সম্প্রতি বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারকে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। মামলায় নতুন করে বিশেষ সরকারি আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এ দিন বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল।আদালতে বিচারক নিজে বরুণের বাবার সামনে বসে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণের পর বিশেষ সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বরুণের বাবা আদালতে দাবি করেছেন, তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ষড়যন্ত্র করে তাঁর ছেলেকে খুন করিয়েছেন। কয়েক জনের কাছ থেকে তিনি এই কথা জানতে পেরেছিলেন বলেও আদালতে জানিয়েছেন বলে দাবি সরকারি আইনজীবীর।সরকারি আইনজীবীর আরও বক্তব্য, বরুণ বিশ্বাসকে যে গুলি চালিয়েছিল, তার বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং সাজাও হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আরও যারা ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলছে। দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।অন্য দিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী নির্মাল্য সাহা জানান, বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। তাঁর দাবি, এ দিনই প্রথম আদালতে বরুণের বাবা এক প্রভাবশালী প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম করেছেন। এর আগে পুলিশ বা সিআইডির কাছে তিনি এই নাম জানিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে আসামিপক্ষও বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।১৪ বছর ধরে চলা এই মামলায় বরুণ বিশ্বাসের বাবার সাক্ষ্য তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আদালতে করা অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন। সাক্ষ্য, নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের অফিসে ফের পুলিশ-দমকল! পাঁচ-ছ’তলায় কী মিলল, কেন সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা?

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে সোমবার ফের পৌঁছলেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা। অফিসের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের পর সোমবার ফের পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।দমকলের আধিকারিকেরা জানান, নিয়ম মেনেই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সাততলা ভবনটির একতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি তলায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাঁচ ও ছতলার অফিসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার সময় কয়েকটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকেরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। অভিযোগ, স্প্রিঙ্কলার ব্যবহার করা যায়নি। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি আগুনের সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যালার্মও বাজেনি বলে জানা গিয়েছে।দমকলের এক আধিকারিক জানান, এই ধরনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ভবনের প্রতিটি তলায় একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে কি না এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সেগুলি কার্যকর থাকবে কি না, সেটিই মূলত পরীক্ষা করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, সাততলা ভবনটির বিভিন্ন তলায় অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে পাঁচ ও ছতলায় থাকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকদের কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে তৃণমূল। দলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, বিজেপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক ভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদেরও নানা ভাবে নিশানা করা হচ্ছে।বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন অবস্থানে ছিলেন যেন তিনি সকলের ঊর্ধ্বে। এখন প্রশাসনিক পদক্ষেপ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ গিয়েছিল। বেআইনি বিলবোর্ড খোলার বিষয়কে কেন্দ্র করে সে দিন সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা অফিসে পৌঁছনোয় স্বাভাবিক ভাবেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal