• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Test

কলকাতা

ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ধর্মতলা

টেট উত্তীর্ণদের বলপূর্বক অবস্থান থেকে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে বিধানভবন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করল ছাত্র পরিষদ। সেই সময়ই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। গার্ড রেল দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ধর্মতলা চত্বরে পুলিশ মিছিল আটকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও পড়ুন ঃ নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। বিকাশভবন অভিযানে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। ফলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। তারা অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থীদের তুলে দেন। তাদের শিয়ালদহ স্টেশনে পৌছে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন ছাত্র পরিষদ এই কর্মসূচি গ্রহণ করে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ

টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের গেজেট পদ্ধতি মেনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। বুধবার গভীর রাতে আচমকাই বিধাননগর থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। জোরপূর্বক উঠিয়ে দেওয়া হয় চাকরী প্রার্থীদের। যাতে পুনরায় তাঁরা অবস্থানে বসতে না পারে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। তাঁদের কর্মসূচি ছিল বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দাবিদাওয়া তুলে ধরা হবে। তাদের এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। আরও পড়ুন ঃ কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম টেট উত্তীর্ণদের সমর্থন জানাতে অবস্থান মঞ্চে যান রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বরাও। চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতারা। জানা গিয়েছে, আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেখানে অনেকদিন থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে

ভাতা নয় চাকরি চাই এই দাবিতে মঙ্গলবার যুবশ্রী এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক কর্মপ্রার্থী সমিতি পূর্ববর্ধমান জেলাকমিটির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হল কার্জনগেট চত্বরে। সংগঠনের পূর্ব বর্ধমানের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা বলেন, সারা রাজ্য জুড়ে স্থায়ী চাকরির দাবিতে আন্দোলন চলছে। ২০১৩ সালে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, আগামী দু- এক বছরের মধ্যে যুবশ্রীদের স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু আট বছর হতে চললেও সেই নিয়োগ হয়নি।বহুবার এটা নিয়ে আন্দোলন করেছি, মুখ্যমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রীকে জানানো হলেও কোনও সাড়া পাচ্ছি না। আরও পড়ুন ঃ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না , ক্ষোভ বিধায়কের তাই আমরা আগামী ২২ শে ডিসেম্বর কমিটির পক্ষ থেকে নবান্ন চলো অভিযানের ডাক দিয়েছি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বর্ধমানে সভা করছি। আট বছর ধরে যুবশ্রীদের ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকায় সংসার চলে না। কিন্তু আমরা সেই ভাতা চাইছি না। ক আমরা চাইছি, কাজের পরিবর্তে টাকা নিতে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলাশাসককে ৪ দফা দাবীর ভিত্তিতে একটি ডেপুটেশনও দেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুরে রাস্তায় বসে চপ ভেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির

দুর্গাপুরে এন টি এস যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রবিবার বিওয়ান মোড়ের কাছে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে চপ ও মদের বোতল রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায় কর্মী-সমর্থকরা ৷ পশ্চিম বর্ধমানের বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল সরকার বলেছিল এমএমসি খুলবে, ফার্টিলাইজার খুলবে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখনই নয় জাঁকিয়ে শীত কিন্তু দশ বছর ধরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাও খোলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন চপ শিল্প করতে। বাড়িতে বাড়িতে মদ তৈরি হচ্ছে। বেকার ছেলেরা মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকছে। বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি হচ্ছে। বেকার যুবক যুবতীরা কোন চাকরি পাচ্ছে না। তারা দিল্লি যাচ্ছে, গুজরাত যাচ্ছে। আর তারই প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ৷

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ

ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরে বাঙালির উপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও আহত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর ৭ জেলার সহযোদ্ধারা একটি প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ করে হলদিয়ায়। মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে যে ত্রিপুরার বাঙালি আর একা নেই, ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সমগ্র বাঙালি জাতি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ত্রিপুরার বাঙালির পাশে আছে, বাঙালি ভাইয়ের খুনীর শাস্তি চাইবে। এই মিছিল মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে শুরু করে সমগ্র হলদিয়া শহর কেন্দ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী স্লোগানে মুখরিত করে দুর্গাচকে সভার মাধ্যমে শেষ হয় বিপুল জন সমাগমের মাঝে। বাংলা তথা ত্রিপুরার বাঙালির মাটিতে বহিরাগত আস্তানা গড়ার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর জোরদার প্রচার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলা পক্ষর সভা থেকে প্রশ্ন ওঠে, বাঙালিকে খুন করার সময়, ডিটেনশন ক্যাম্পে ভরার সময়, এনআরসি থেকে বাদ দেওয়ার সময় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই ডায়লগ কোথায় যায়? বাংলা পক্ষ দাবি করে যে বিজেপি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালি বিরোধী। আরও পড়ুন ঃ দুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পুণর্বাসন দেওয়ায় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা প্রতিবাদ দেখাতে থাকে। সেই আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালালে এক যুবক ্মারা যায়। জানুয়ারি মাসে ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পাকাপাকিভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে কেন্দ্র। বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়। তাদের নাম ভোটার তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছে কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। শুরু হয় আন্দোলন। চার দফা দাবিতে একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। এছাড়াও তারা অসম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফা্নগঞ্জ

দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে উত্তপ্ত তুফা্নগঞ্জ। বিজেপির অভিযোগ , তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বন্ধ ব্যর্থ করতে না পেরে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। জোড়াই মোড়ে বিজেপির দুই কর্মী রবীন্দ্র দাস ও বিমল পাল জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দুজনকে তুফা্নগঞ্জ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি , জোর করে রাস্তা বন্ধ ও দোকানে হামলার জেরে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি সমর্থকদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। তুফা্নগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় , বন্ধে গোলমাল এড়াতে দোকান - বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে সরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। আরও পড়ুন ঃ মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের অভিযোগ নাককাটিগাছ এলাকার পূর্ব শিকারপুরে বুধবার সকালে খুন হন বিজেপির ৯/১৯৮ নম্বর বুথের বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় আহত হন আরও দুজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কালাচাঁদকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃতের পরিজনদের দাবি, বিজেপি করার অপরাধেই তাঁদের উপরে এই আক্রমণ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির জেলা নেতৃত্বেরও। যদিও পুলিশের দাবি কালীপুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে পূর্ব শিকারপুরের ২টি ক্লাবের মধ্যে গণ্ডগোলকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। বিবাদ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন ৫৫ বছরের কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর অভিযোগ করছে বলে পাল্টা দাবি করছে তৃণমূলও।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মহিলাদের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে বেধড়ক মারধর দুষ্কৃ্তীদের

জলসা দেখে ফেরার পথে মহিলাদের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃ্তীরা। অভিযোগ, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজিও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ , রবিবার রাতের বোমাবাজিতে কারও বাড়ির কাচের জানলা কিংবা দরজা ভেঙে গিয়েছে। সোমবার দিনভর সেভাবে এলাকার দোকানপাটও খোলেননি অনেকেই। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কাঁকিনাড়ার মণ্ডলপাড়ায়। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করে দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাতে থাকে। খবর পেয়ে বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় জগদ্দল থানার পুলিশ। উন্মত্ত জনতা তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। কিছুক্ষণ পরে পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের রবিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২০ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৩১৪ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ৩৮৩ জন। তার ফলে মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫৪ জন। বর্তমানে সুস্থতার হার ৮৯.৬৭ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৭ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২৫ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনার বলি হয়েছেন ৭ হাজার ২৯৪ জন। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮১৩ জন। ্তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৬ জন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু দিন কয়েকের জন্য ক্ষণিক স্বস্তি দিয়েছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো কাটতে না কাটতেই ফের করোনা সংক্রমণের উচ্চ হারে চিন্তা বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯৩ জন। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৬৪। এখন রাজ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮৮৬ জন। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৮৪১ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৩৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৩০ শতাংশ। শনিবার ৪৪ হাজার ১৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৪২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২২০৬ জন কলকাতায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ১৫৭৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ১২৬। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫৭৯ জন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০৩ জন। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৫ শতাংশ।গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬২৪৪। বুধবার ৪৩ হাজার ৫৯২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ২২ হাজার ২৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষোভ কর্মসূচি মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির

মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার দুর্গাপুরে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমার সমস্ত সংগীতশিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী ও বাচিকশিল্পীরা। আরও পড়ুন ঃ আমরা দাদার অনুগামীদের উদ্যো্গে মাস্ক বিতরণ শিল্পী সুমন দাস বলেন, দুর্গাপুর ও আসানসোল মহকুমায় প্রায় ১ হাজার শিল্পী গত সাত মাস ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে । করোনার জন্য অনুষ্ঠান কোথাও করা যাচ্ছে না। খুব কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে, তাই আমাদের আবেদন রাজ্য সরকার অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক।

অক্টোবর ১২, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রের শ্রম আইনের বিরোধীতায় পথে নামছে বিজেপির শ্রমিক সংগঠন

নরেন্দ্র মোদী সরকারের শ্রম আইনের বিরোধীতায় এবার পথে নামছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ বা বিএমএস। কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী নীতির প্রতিবাদে চলতি মাসের ২৮ তারিখে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।উল্লেখ্য, মোদি সরকারের শ্রম আইনের বিরোধিতায় আগেই প্রতিবাদে নেমেছে বাম ও কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলি। ১০টি শ্রমিক সংগঠন গত সপ্তাহেই কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী নীতির প্রতিবাদ জানাতে ২৬ নভেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ভারতীয় মজদুর সংঘের ১৯ তম জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনের শেষ দিনে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত গোটা দেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের নতুন শ্রম আইনের বিপদ সম্পর্কে বোঝানো হবে। এই কাজ শেষ হওয়ার পর শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। তাই দুর্গাপুজোর দিনগুলি বাদ দিয়ে ২৮ অক্টোবর প্রতিবাদে পথে নামা হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, মোদি সরকারের শ্রম আইনের বিরোধিতায় ডান ও বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি যখন পথে নেমেছে তখন বিএমএস কেন তাদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছে না? বিএমএস পরিষ্কার বলেছে, মোদি সরকার যে শ্রম আইন এনেছে তা দেশের শ্রমিকদের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর ফলে বহু মানুষ কাজ হারাবেন এই আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। মানুষের কর্মজীবনে নিশ্চয়তা চলে যাচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
রাজ্য

জাতীয় সড়কের বেহাল সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূল যুব'র

২ নম্বর ব্লকের জাতীয় সড়কের খানাখন্দে ভরা সার্ভিস রোড। এই সার্ভিস রোডটি দুর্গাপুরের ওল্ড কোর্ট মোড়ের পাশেই অবস্থিত। আর এই ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। সোমবার এই খানাখন্দে ভরা দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামল দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ওল্ড কোর্ট মোড়ে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন তৃণমূল যুব কর্মী- সমর্থকরা। দলের যুব শাখার পশ্চিম বর্ধমান জেলার নেতা রূপেশ যাদব বলেন, কেন্দ্রের এসব ব্যাপারে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই, শুধু রাজনীতি করতেই ব্যস্ত।বিজেপি সরকারের এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
বিবিধ

কৃষি বিলের প্রতিবাদে অভিনব আন্দোলনে তৃণমূলের

কৃষি বিলের প্রতিবাদে দুর্গাপুরে বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর কৃষক পরিবারগুলিকে সঙ্গে নিয়ে জমির আল ধরে পদযাত্রা করল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। দুর্গাপুর তিন নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ, কিষান ক্ষেত মজুর শাখার সদস্যরা জমিতে নেমে কেন্দ্রের কৃষক বিরোধী বিলের প্রতিবাদ করলেন, তাঁদের হাতে ছিল লণ্ঠন। এই কর্মসূচিতে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal