• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Test

টুকিটাকি

এইসব উপসর্গ দেখলে করোনা পরীক্ষায় দেরি করা যাবে না

করোনা আবার বাড়ছে। ফলে সংক্রমণের ভয় এখন তুঙ্গে। এই সময়ে নিজের এবং অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক না বাড়িয়ে সাবধান হওয়া দরকার। কী ভাবে হতে হবে সতর্ক? মাস্ক পরা, স্যানিটাইজার ব্যবহার করা অবশ্যই জরুরি। তবে আরও একটি দিকে খেয়াল রাখতে হবে ভাল ভাবে। কোনও সঙ্কেত পেলেই করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া দরকার। কী ধরনের অসুবিধা থাকলে ভাবতেই হবে পরীক্ষা করার কথা? দুদিনের বেশি যদি জ্বরজ্বর ভাব থাকে, তবে গাফিলতি না করাই ভাল। সারা দিন কাশি যদি এমন হয় যে গলার স্বর বদলে যাচ্ছে, তবে তা চিন্তার।অন্য সময়ের তুলনায় বেশি ক্লান্ত লাগছে দিনভর, তা-ও স্বাভাবিক নয়।এমন সব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়াই ভাল। উপসর্গ থাকলে তাতে গুরুত্ব না দিলে বিপদ বাড়তে পারে। সমস্যায় পড়বেন অন্যরাও।এক বার পরীক্ষা করিয়ে নিলে ক্ষতি কী!

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

শীতলকুচি-কাণ্ডের প্রতিবাদে মোমবাতি হাতে বর্ধমানে রোড শো মমতার

হুইলচেয়ারে বসে নেত্রী। হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি। সঙ্গে জনজোয়ার। ভাঙা পা নিয়েই বর্ধমান শহরে রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শহরের পুলিশ লাইন থেকে স্পন্দন স্টেডিয়াম পর্যন্ত রোড শো করেন তিনি। গোটা রোড শোয় মোমবাতি হাতে ধরে রাখেন তৃণমূল নেত্রী। তৃণমূল সূত্রের খবর, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলির প্রতিবাদ জানাতেই এদিন মোমবাতি হাতে নিয়ে রোড শো করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।উত্তরবঙ্গে সভা শেষ করে এদিন বিকেলে বর্ধমানে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অনেক আগে থেকেই অবশ্য পুলিশ লাইন থেকে স্পন্দন পর্যন্ত জিটি রোডের দুধারে অগণিত মানুষ ভিড় করেন। পুলিশ লাইনে রোড শো শুরুর আগে ছৌ, রণপা শিল্পীরা অনুষ্ঠান শুরু করে দেন রাস্তায়। এছাড়া আদিবাসী লোকশিল্পীরাও ছিলেন। ডিজের সুরে খেলা হবে গান। আর গোটা যাত্রাপথে মাইকে বেজেছে, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। তৃণমূল নেত্রী কখনও হাত নেড়েছে, আবার কখনও হাতজোড় করে নমস্কার করেছেন রাজপথের দুধারে অপেক্ষারত মানুষজনকে।রবিবারের রোড শোয় মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিশোরী ও তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই দূর থেকে হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেলফি নিতে ভোলেননি। এদিনের রোড শোয় পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা পূর্বস্থলি দক্ষিণের প্রার্থী স্বপন দেবনাথ, মন্তেশ্বরের প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, বর্ধমান দক্ষিণের প্রার্থী খোকন দাস, বর্ধমান উত্তরের নিশীথ মালিক, রায়নার শম্পা ধাড়া-সহ জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রার্থীরা ছিলেন।

এপ্রিল ১১, ২০২১
বিদেশ

মুকুট নিয়ে টানাটানি, সুন্দরীদের লঙ্কাকাণ্ড!

আজব পরিস্থিতি তৈরি হল শ্রীলঙ্কার এক বিউটি কনটেস্টে। মিসেস শ্রীলঙ্কা ২০২১ প্রতিযোগিতায় বিজয়িনীর মাথায় মুকুট তুলে দিয়েও তা খুলে নেওয়া হল। সেই টানাহ্যাঁচড়ায় তিনি চোটও পেলেন। ভর্তি হতে হল হাসপাতালেও! তাঁর পরিবর্তে বিজয়ী ঘোষণা করা হল দ্বিতীয় স্থানাধিকারীকে।কেন একজনকে সেরার শিরোপা দিয়েও এভাবে তা সরিয়ে নেওয়া হল? এই কারণকে ঘিরে ঘনিয়েছে বিতর্ক। আসলে এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার নিয়ম হল, কেবল বিবাহিত মহিলারাই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু দেখা যায়, ৩১ বছরের পুষ্পিকা ডি সিলভার বিয়ে হলেও পরে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তাই তাঁকে সেরা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়া হয়।ক্যারোলিন জুরি, যিনি আগের বার বিজয়ী হয়েছিলেন, তিনি মঞ্চে এসে পুষ্পিকার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন। কিন্তু এরপরই তিনি জানতে পারেন পুষ্পিকা বিবাহবিচ্ছিন্না। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ক্যারোলিন। সোজা মাইক হাতে তিনি বলে ওঠেন, এই প্রতিযোগিতার নিয়ম হল আপনাকে বিবাহিত হতে হবে। বিবাহ বিচ্ছিন্ন হলে চলবে না। তাই আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ করছি। বিজয়িনীর মুকুটটা তুলে দিচ্ছি প্রথম রানার আপের মাথায়। কেবল বলাই নয়, এরপরই দ্রুত তিনি এগিয়ে যান পুষ্পিকার দিকে। আর তাঁর মাথা থেকে টানাটানি করে খুলে ফেলেন মুকুটটি। গোটা ঘটনায় হতভম্ব হয়ে যান পুষ্পিকা। তাঁর মাথায় আঘাতও লাগে টানাটানিতে। এরপর ক্ষুণ্ণ ভঙ্গিতে তিনি মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান।পরে অবশ্য ফেসবুককেই প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে বেছে নেন তিনি। দাবি করেন, তিনি বিবাহ বিচ্ছিন্না নন। এই দাবি যাঁরা করছেন, তাঁদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন তাঁরা যেন পুষ্পিকার ডিভোর্সের কাগজপত্র দেখান। তাঁর এমন অপমানের প্রতিবাদ করে তিনি আইনের দ্বারস্থও হবেন বলে জানিয়ে দেন।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
বিদেশ

একদিনে ১১৪ জনকে গুলি করে মারল মায়ানমারের সেনা

রক্তস্নাত মায়ানমার নিয়ে সারা বিশ্বের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শনিবার একদিনে অন্তত ১১৪ জনের মৃত্যুর পরে একযোগে বারোটি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে জুন্টার নিষ্ঠুরতার। গত দুমাস ধরেই গণতন্ত্রকামীদের থামাতে নির্বিচারে তাদের উপরে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে নারকীয় হত্যালীলা চলেছে শনিবার।মায়ানমারের সেনা আগেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, যদি গণতন্ত্রকামীরা ফের পথে নামে তাহলে সরাসরি মাথায় গুলি করবে তারা। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রতিবাদীদের মাথা লক্ষ্য করেই গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে মায়ানমার সেনাকে। কিন্তু এই প্রথম সরাসরি এমন হুমকি দিয়েছিল তারা। সেদেশের সরকারি টিভি চ্যানেলেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। পরে রাজপথে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সেনা। দেশের ৪৪টি শহরে সেনার গুলিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন প্রতিবাদীরা। তাদের মধ্যে বহু নাবালক-নাবালিকারাও ছিল। রীতিমতো লোকবসতির মধ্যে ঢুকে গুলি চালানোর কথা জানা গিয়েছে। এক তেরো বছরের কিশোরীকে তার বাড়ির মধ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সেনার গুলিতে মৃতের সংখ্যা চারশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। ঘটনার নিষ্ঠুরতায় বিস্মিত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, জাপান, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া-সহ বারোটি দেশের তরফে পেশ করা বিবৃতিতে জুন্টার এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করে বলা হয়েছে, যে কোনও পেশাদার সেনাবাহিনী সব সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কাজ করে। মানুষকে রক্ষা করাই তাদের কাজ। ক্ষতি করা নয়। আমরা মায়ানমারের সেনার কাছে আর্জি জানাচ্ছি হিংসা থেকে বিরত হয়ে মায়ানমারের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার।

মার্চ ২৮, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের

ভোটের আঁচে পুড়ছে রাজ্য। এর মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখালেন এসএসসি চাকরি প্রার্থীরা । মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও কেন চাকরি পেলেন না? এই প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির সামনের রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখালেন এসএসসি প্রার্থীরা।দীর্ঘদিন ধরে এসএসসির এই চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ আটকে রয়েছে। মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও তাঁদের নিয়োগ করা হয়নি। ২ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি বলেই অভিযোগ তুলেছেন ওই চাকরি প্রার্থীরা। গত দুমাস ধরে তাঁরা সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের দাবি নিয়ে কেউ কথা বলতেও আসেননি বলে অভিযোগ। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। তাঁদের বিক্ষোভ জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকা রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়। যানজটে নাকাল হন নিত্যযাত্রী। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারীদের আটক করে তাঁরা। এদিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ কলেজ সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান আরেকদল চাকরিপ্রার্থী।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

এবার দাম বাড়ছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের

আগামী মাস থেকেই দেশজুড়ে বাড়তে চলেছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম। কেন্দ্রের ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিছু বহুল ব্যবহৃত ওষুধের দাম খানিকটা বাড়ানোর অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। তবে, তাতে খুশি নন, ওষুধ প্রস্তুতকারীরা। তাঁদের দাবি, কাঁচামালের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে ওষুধের দাম অন্তত ২০ শতাংশ বাড়াতে হবে। যে যে ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে তার মধ্যে রয়েছে সাধারণ বেদনানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিইনফেক্টিভ, হার্টের ওষুধ। দাম বাড়তে পারে প্যারাসিট্যামলেরও। চলতি বছরে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচকে ০.৫ শতাংশ পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র সরকার। যার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি হতে চলেছে। তবে, এই বৃদ্ধি ততটা উদ্বেগজনক নয়। মূল সমস্যা অন্য জায়গায়। ওষুধ প্রস্তুতকারকদের দাবি, প্যারাসিট্যামলের মতো ওষুধের কাঁচামালের দাম অত্যাধিক হারে বেড়েছে। যার ফলে এই পরিস্থিতিতে যে যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। তাঁদের দাবি দাম বাড়াতে হবে অন্তত ২০ শতাংশ। মুশকিল হল, মূল্যবৃদ্ধির ঠেলায় সাধারণ মানুষ এমনিতেই নাজেহাল। ইতিমধ্যেই গ্যাস-পেট্রলের দাম বেরেছে লাগামছাড়া হারে। তার উপর যদি ওষুধের দামও এই হারে বাড়ে তাহলে সেটা সাধারণ মানুষের জন্য গোদের উপর বিষফোঁড়া হবে। ওষুধের কাঁচামালের দাম বাড়ার পিছনেও অবশ্য পরোক্ষে মোদি সরকারের নীতীকেই দায়ী করছে বিরোধীরা। আসলে ওষুধের কাঁচামালের একটা বড় অংশ আমদানি করতে হয় চিন থেকে। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদের আবহে চিন হু হু করে এই কাঁচামালগুলোর দাম বাড়াচ্ছে। আবার, ভারত যে সব ওষুধ তৈরির কাঁচামাল বিদেশে রপ্তানি করে, চিন সে সবের কাঁচামালের দাম কমিয়ে দিচ্ছে। যাতে ভারতের ওষুধ সংস্থাগুলি প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পারে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।

মার্চ ২১, ২০২১
বিদেশ

রক্তে ভাসছে মায়ানমারের রাজপথ

গণতন্ত্রের দাবিতে উত্তাল মায়ানমার। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে বিক্ষোভ দমনে বন্দুকের আশ্রয় নিয়েছে সেনাবাহিনী। তবে সামরিক বুটের চাপেও জনতার জয়গান কিছুতেই থামছে না। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার ফের পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন প্রতিবাদী।গত ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২৩২ জন আন্দোলনকারী মারা গিয়েছেন বলে দাবি করেছে অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজ়নার্স নামে এক সংগঠন। জানা গিয়েছে, গতকাল মধ্য মায়ানমারের আংবান শহরে সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান মানুষ। তখনই তাদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষীরা। মৃত্যু হয় অন্তত আটজন বিক্ষোভকারীর। এদিকে, রাজধানী নাইপিদাও থেকে শুরু করে ইয়াঙ্গন পর্যন্ত প্রায় সমস্ত বড় শহরে রাস্তায় সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে সরব হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেনার হাতে বন্দি নেত্রী আং সান সুচির মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। কয়েকদিন আগেই প্রায় ৩২টি চিনা সংস্থার কারখানায় হামলা চালায় জনতা। কারণ, টাটমাদাও বা বার্মিজ সেনার পাশে দাঁড়িয়েছে বেজিং। আর এতেই ক্ষিপ্ত গণতন্ত্রকামীরা। সোমবারও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান অনেকে।এদিকে, সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য মোট ৪০ জন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন মায়ানমারে। শুক্রবারও দুজন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে বিবিসি-র এক সাংবাদিকও রয়েছেন বলে খবর। যদিও সংবাদমাধ্যমটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আউং থুরা নামে তাদের ওই সাংবাদিকের কোনও খোঁজই মিলছে না। একের পর এক সংবাদমাধ্যমের অফিসও বন্ধ করে দিচ্ছে জুন্টা। গত সপ্তাহে এক দিনও বেসরকারি কোনও সংবাদপত্র ছাপা হয়নি দেশে।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজ্য

গেরুয়া শিবিরের সদ্য প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির আরেকদফা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অনেককেই পছন্দ নয় দলের একাংশের। সন্ধে হতেই দিকে দিকে এর প্রতিবাদে নামেন কর্মী, সমর্থকরা। রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। আর তারপরই বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপির একদল কর্মী, সমর্থক। তাঁদের অভিযোগ, বিজন মুখোপাধ্যায় বিজেপির কোনও কর্মীই নন। রানিগঞ্জের মানুষ চেনেনই না এই প্রার্থীকে। পরিবর্তে কোনও ভূমিপুত্র বিজেপি কর্মী বা আরএসএস সদস্যকে প্রার্থীকে কেন করা হলো না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।এদিন সন্ধেবেলা রানিগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। এরপর রানিগঞ্জের পাঞ্জাবীমোড় লাগোয়া ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও প্রার্থী ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায় বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন, এটা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। কর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে তাঁরা ঠিক করে নেবেন। আবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পরে বিজেপি নেতা অরুণ ব্রহ্মর অনুগামীরা। অরিন্দম সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নিজের এলাকা থেকে টিকিটও পেয়েছেন। তা নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে সন্ধ্যায় দলীয় পতাকা ফ্লেক্স, ব্যানার পুড়িয়ে পথ অবরোধ করে। এছাড়াও বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির কার্যালয়ে নিজেরাই ভাঙচুর করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বদল করে অরুণ ব্রহ্মর নাম ঘোষণা করতে হবে। দমদমের বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ অব্যাহত। এদিন দমদম রোডে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

মার্চ ১৮, ২০২১
কলকাতা

প্রার্থী বদলের দাবি, ক্ষোভ আছড়ে পড়ল হেস্টিংসের অফিসে

একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী বদলের দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এবার সেই ক্ষোভের আঁচ এসে পড়ল খাস কলকাতার বিজেপি কার্যালয়ে। সোমবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসের বাইরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পাঁচলা ও উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্রের প্রার্থী বদলের দাবিতে এদিন সরব হন তাঁরা। এমনকী, হেস্টিংস অফিসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় মুকুল রায়কেও। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাঁদের।রবিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাতে দেখা যায় পাঁচলায় প্রার্থী হয়েছেন মোহিত ঘাঁটি। আর উদয়নারায়ণপুরে প্রার্থী হয়েছেন সুমিত রঞ্জন কাঁড়ার। প্রার্থী নিয়ে অসন্তুষ্ট স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। মোহিত তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছেন। তাঁকে প্রার্থী করায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ ছিল। এদিন তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল। বিজেপির পুরনো কর্মীদের অভিযোগ, মোহিত দেহ ব্যবসা চালান। মাত্র ১৫ দিন আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। স্রেফ রাজীব ঘনিষ্ঠ বলে এবার টিকিট পেয়েছেন মোহিত। এই টিকিট পাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা।রবিবার প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পর থেকেই ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সোমবার বেলা গড়াতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। হেস্টিংস কার্যালয়ের সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ৫০০ নেতা-কর্মী জড়ো হন। স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। সেইসময় মুকুল রায় অফিসে ঢুকতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা। গেট ভেঙে অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়।

মার্চ ১৫, ২০২১
বিদেশ

ফের রক্তাক্ত মায়ানমার, সেনার গুলিতে ১২ গণতন্ত্রকামীর মৃত্যু

ফের রক্তস্নাত মায়াসমার। শনিবার অন্তত ১২ জন গণতন্ত্রকামীকে গুলি করে মারল জুন্টা। গোটা বিশ্বজুড়ে জুন্টার ভয়ানক আগ্রাসী ভূমিকার তীব্র নিন্দা হচ্ছে। গত বুধবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘ তুলোধোনা করেছে মায়ানমারের সেনার এই ভূমিকাকে। কিন্তু কোনও সমালোচনাই যে তারা গ্রাহ্যের মধ্যে আনতে রাজি নয়, তা এদিন ফের বুঝিয়ে দিল মায়ানমার সেনা। শনিবার ম্যান্ডালায় ধর্নায় বসে থাকা নিরস্ত্র মানুষদের উপরে যেভাবে গুলি চালিয়েছে সেনা, তা দেখে আতঙ্কিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পাঁচজন। তাদের মধ্যে এক ১৩ বছরের কিশোরও ছিল। সেনা যে গুলি চালানোর সময় কাউকে রেয়াত করছে না, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল এই ঘটনায়। এরই পাশাপাশি ইয়াঙ্গন, প্যায় ইত্যাদি জায়গাতেও নির্বিচারে চালানো হয়েছে গুলি। ১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই দেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেয় মায়ানমার সেনা। পাল্টা ক্যু বা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে পথে নামে দেশের আমজনতা। কোথাও তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তো কোথাও আবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে। কিন্তু আন সাং সু কি-পন্থীদের দমনে মরিয়া সে দেশের সেনা। আর সেই কারণেই নির্বিচারে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তারা। এপর্যন্ত সেনার গুলিতে ৭০ জনের বেশি প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রবার বুলেটের আঘাতে অনেকে আহত হয়েছেন।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

শিলিগুড়ির রাস্তায় নেমে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার

রবিবার ব্রিগেড থেকে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিলিগুড়ি থেকে তার উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, মোদি যখন ফাঁকা ব্রিগেডে, আমি তখন রাস্তায়। কারণ রাস্তাই আমাকে রাস্তা দেখায়। রবিবার শিলিগুড়িতে রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল ও সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সেই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মমতা। শেষে শিলিগুড়ির সফদর হাসমি চকে একটি সভাও করেন। আর সেখান থেকেই ব্রিগেডে মোদির ভাষণের সরাসরি জবাব দেন তিনি। তাঁর বার্তা, এ বারের নির্বাচন অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। অস্তিত্ব রক্ষা করতে না পারলে বাংলা ভাগ করবে বিজেপি।সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফর নিয়ে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে শুধু কুৎসা করতে আসেন। ব্রিগেডে বাংলা নিয়ে কথা বলার আগে ওঁর উচিত রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জবাব দেওয়া। কেন গ্যাসের দাম বাড়ছে? পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে? মোদিকে আগে সেই জবাব দিতে হবে। রান্না ঘরে আগুন লাগালে মা-বোনেরা ছেড়ে কথা বলবেন না। রবিবার ব্রিগেডের সভা থেকে মোদি বারবার বলেছেন, বাংলায় এ বার আসল পরিবর্তন হবে। পাল্টা মমতার হুঁশিয়ারি, বাংলায় পরিবর্তন করতে পারবেন না। এ রাজ্যে তৃণমূল সরকারই থাকবে। তার আগে দিল্লিতে পরিবর্তন হয়ে যাবে। রবিবার মমতার মিছিলে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মমতার পাশেই ছিলেন মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেন-রা। ব্রিগেডে যখন মোদি ভাষণ দিতে শুরু করে দিয়েছেন, ততক্ষণে সভামঞ্চে পৌঁছে যান মমতা। তার বেশ কিছু ক্ষণ পর ভাষণ শুরু করেন। ভোটের মুখে বারবার প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় আসা নিয়ে তোপ দাগেন তিনি। বলেন, যখন করোনার প্রকোপ চলছিল, তখন ভয়ে ঘরে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমি তখন সারা রাজ্যে ঘুরেছি, হাসপাতালে গিয়েছি। আর এখন কোভিডের টিকায় মোদির বড় বড় মুখ দেওয়া হচ্ছে। আসলে সবই জুমলা। একদিকে রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে উজ্জ্বলা যোজনায় দুর্নীতি হচ্ছে। মোদির ভোটের আগে উজ্জ্বলা, ভোটের পরে জুমলা।ব্রিগেডের সভায় যখন পরপর বিজেপি নেতারা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তখনই মমতার পাল্টা জবাব, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের থেকে অনেক বেশি সুরক্ষিত বাংলার মহিলারা। কিষান নিধি প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা টেনে তৃণমূল সরকারকে বারবার আক্রমণ করে বিজেপি। সেই সূত্রেই তৃণমূল নেত্রী বললেন, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী রাজ্য সরকার দিয়েছে। দরকার হলে এ বার পাকাবাড়িও বানিয়ে দেবে। আপনার দেওয়া পাকাবাড়ির দরকার নেই।প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর উত্তরবঙ্গের প্রথম সফরে লোকসভা নির্বাচনের কথা করিয়ে দিয়ে তূণমূল নেত্রীর মন্তব্য, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বলেছিল, সব চা বাগান খুলে দেবে। আপনারা ভোট দিয়েছেন। কিন্তু একটাও চা বাগান খোলেনি। এখন রাস্তা তৈরি করতে এসেছে। রাস্তা তো তৈরি হয়েই গিয়েছে, নতুন করে কী রাস্তা তৈরি করবে?

মার্চ ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঘুর্নীর পাক বোঝার আগেই ম্যাচ শেষ , ভারত ২-১ এ এগিয়ে

রবীন্দ্রোত্তর সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন ঝোলের সমুদ্র মন্থন করে হার-মাংসের অস্বিত্ত খুঁজে পেতে গেলে, ডুবুড়ি কে গামছা কিনে দিতে হবে। মোতেরার বা আধুনা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ দুই দলের ব্যাটসম্যানরা মনে হয় সেই গামছাটাই খুঁজছিলেন রানের অস্তিত্ত্ব সন্ধান করতে। তারা হিমসিম খেলেন ঘুর্নী পিচে। সারা ম্যাচে মাত্র দুটি অর্ধশতরান! খেলা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল কোলকাতার সিএবি দু দিনের লীগ হচ্ছে। ১২ ঘন্টাও স্থায়ী হলনা ম্যাচ!ভারতের দুই পেস বোলার ইশান্ত শর্মা এবং যশপ্রীত বুমরা এক বারও হাত না ঘুরিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়ে গেলো মাত্র ৩০.৪ ওভারে! ভূমিপুত্র অক্ষর পটেল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই মাত্র ১৫ ওভার করে হাত ঘোরালেন এবং শেষ উইকেটটা ৩১তম ওভার করতে এসে তার চতুর্থ বলে তুলে নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যন্ডের দ্বিতীয় ইনিংস এক সেশনেরও (দু ঘণ্টার-ও কম) কম সময়ে শেষ হয়ে যাওয়াই এই ম্যাচের পিচের ভঙ্করতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।এখনো পর্যন্ত যতগুলি পিঙ্ক টেস্ট (দিনরাতের) হয়েছে, তার প্রায় সব গুলোতেই পেস বোলারদের প্রাধান্যই বেশী দেখা গিয়েছে। স্পিন বোলাররা সেরকমভাবে হালে পানি পাননি, সর্বত্র গতির দাপটে কাহিল হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। ইডেনে হওয়া প্রথম দিন-রাতের পিঙ্ক টেস্টেও পেসারদেরই প্রাধান্য ছিল তারা ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন।পিচ নিয়ে বিদেশী মিডিয়াতে গেল গেল রব উঠেছে। এখনো পর্যন্ত তারা ঘূর্ণি পিচের থেকে বেশি মাত্রাই ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের স্পিন খেলার অক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন। পেস বোলাররা সাহায্য ভারতের কোন মাঠের কোনও পিচেই সেভাবে পাননি কোনদিন, শোনা যায় সেই কারনেই ভারত সফরে প্রচণ্ড অনীহা ছিল প্রবাদ প্রতিম স্যর রিচার্ড হ্যাডলি এবং ইয়ান বোথামের, ভারতের পিচে কিছুটা সাহায্য সিম বোলাররা পান, বিপক্ষ্যে দুই ভয়ঙ্কর সিম বোলার জেমস অ্যান্ডারসন এবং স্টুয়ার্ট ব্রড রয়েছেন, যাঁরা অসম্ভব পারদর্শি দুদিকেই বল সুইং করাতে। সে কারণেই হয়ত পেস পিচের ঝুঁকি নিতে চাননি রবি শাস্ত্রী ব্রিগেড।প্রথম বল থেকেই বনবন করে বল ঘুরেছে। খুব কম বল-ই হাঁটুর ওপর উঠেছে। কখনো কখনো মনে হচ্ছিল ব্যাটসম্যানরা হয়ত সোজা হয়ে দাঁড়াতেই ভুলে গেছেন। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে ইংল্যান্ড শেষ হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জ্যাক ক্রাউলি (৫৩), বাকি ব্যাটসম্যানরা কেউই কুড়ি রানের গণ্ডী পার করতে পারেননি। জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার(৬৬), ভারত অধিনায়ক ২৭ রান করে জ্যাক লিচ এর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান। দ্বিতীয় দিন মাত্র চার ঘণ্টাতেই দু দলের ১৭টি উইকেটের পতন হয়। ভারতীয় ব্যটসম্যানরা যারা স্পিন বল খেলতে সিদ্ধহস্ত তারাও হিমসিম খেলেন, একটা উদাহরন-ই যথেষ্ট এটা বোঝানোর জন্য। জো রুটের মত একজন অনিয়মিত অফস্পিনারের বোলিং গড় ৬.২ ওভার ৩ মেডেন, ৮ রান ৫ উইকেট! এক সময় তো রুট কে মনে হচ্ছিল যেন মুথাইয়া মুরলীধরন বল করছেন। একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রুটের বলে দিসেহারা হয়ে সাজঘর থেকে ক্রিজে আসা-যাওয়া করছিলেন। মাত্র ৩৩ রানে এগিয়ে থেকে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। যদিও ম্যাচের শেষে রোহিত শর্মার জানান এই পিচে সে রকম কোন জুজু ছিল না।বোলার্স ফুটমার্ক এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল যে আম্পায়ার কে বার বার গ্রাঊন্ডসম্যান ডেকে ক্ষত রিপেয়ার করতে হচ্ছিল। টেস্ট ম্যাচে প্রথম দিনেই এ দৃশ্য শেষ কবে দেখা গেছে সেটা নিয়ে গবেষনা চলতেই পারে। পিচের হাল এতটাই খারাপ তা অনুমান করে বিরাট কোহালি দ্বিতীয় ইনিংসে জোরে বোলারদের না এনে প্রথম থেকেই স্পিনারদের লেলিয়ে দিলেন। প্রথম ওভারের প্রথম বলে জ্যাক ক্রলি আউট হবার পর তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোও আউট হয়ে ফিরে যান।পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ছাড়া ভারতের ঘুর্নী উইকেটে অন্য দলের সাফল্য দুরবীন দিয়েও বড় একটা দেখা যায় না। অক্ষর এবং অশ্বিনের বল এই ঘুর্নী পিচে সামলানোর মত টেকনিক ইংল্যন্ড দলের ব্যটসম্যানদের ছিল না। কতক্ষণ তারা টেকে সেটাই বড় প্রশ্ন ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। এক সেশনও পার করতে পারলো না!৪৯ রানের টার্গেট অতিক্রম করতে ভারতকে বিশেষ আসুবিধা হয়নি। বিনা উইকেট তারা জয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে যায়। সহজাত ভঙ্গীতে জো রুটের বলে ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করলেন রোহিত শর্মা (২৫) অপরদিকে শুভমন গিল ১৫ রান করে অপরাজিত থেকে যোগ্য সহয়তা করেন। এই জয়ের সৌজন্যে ১-০ পেছিয়ে থেকেও ভারত ২-১ ফলে সিরিজে এগিয়ে গেল। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

অগ্নিমূল্য জ্বালানি, প্রতিবাদে ব্যাটারি-চালিত স্কুটারে নবান্ন যাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের দুঃখের পাশে দাঁড়াতে, এরকম কবে কোন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল! এদিন অভিনব পদ্ধতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গাড়ির বদলে বাড়ি থেকে হেঁটে হাজরা মোড় আসেন তিনি। সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে নবান্নে যান মমতা। চালকের আসনে ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।লিটার পিছু পেট্রল-ডিজেল একশো টাকা ছুঁইছুঁই। সেই কারণে গত ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কর্মীদের রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ-মিছিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। নিজে একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। রাজ্য সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে এক টাকা করে করও কমিয়েছে। কারণ, রোজ জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অন্যতম ইস্যু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আজ, বৃহস্পতিবার অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানালেন মমতা। ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
বিদেশ

দিশার গ্রেপ্তারিতে এবার সরব গ্রেটা

কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে গ্রেটা থুনবার্গের শেয়ার করা টুলকিট বিতর্ক নয়া মোড় নিয়েছে দিশা রবির গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই বিতর্কিত টুলকিটটি সম্পাদনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন। এরপর দিশাকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন গ্রেটা। টুইট করে প্রতিবাদ জানালেন দিশার গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে।শুক্রবার ওই টুইট করেন গ্রেটা। বরাবরের মতো স্পষ্ট ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন তিনি। লিখেছেন, বাকস্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল হল অ-আলোচনাযোগ্য মানবাধিকার। এটা যে কোনও গণতন্ত্রেই মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। সেই সঙ্গে তিনি একটি হ্যাশট্যাগও জুড়ে দেন, স্ট্যান্ডউইথদিশারবি-এরই পাশাপাশি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার গ্রুপের একটি বিবৃতিও যোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, গ্রেটার শুরু করা ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার প্রচার অভিযানের ভারতীয় শাখার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২১ বছরের দিশা। সেই গ্রুপের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা দিশার পাশেই আছে।গ্রেটার টুলকিট নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয় এমাসের গোড়ায়। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম মুখ গ্রেটার শেয়ার করা ওই টুলকিট আসলে খলিস্তানিদের তৈরি। তার মধ্যে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। আছে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করার বার্তা। এমনকী, ২৬ জানুয়ারির ঘটনার সঙ্গে টুলকিটে দেওয়া উসকানির সম্পর্ক রয়েছে বলেও পুলিশের ধারণা। যদিও গ্রেটা সেটি পরে শেয়ার করেছেন, তবুও খলিস্তানিদের মতো ভারত-বিরোধী শক্তিরা যে ষড়যন্ত্র সাধারণতন্ত্র দিবসে করেছিল, তার সঙ্গে এর উস্কানির সাযুজ্য রয়েছে বলেই মত পুলিশ প্রশাসনের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

আদিগঙ্গায় নেমে পার্শ্বশিক্ষকদের অভিনব প্রতিবাদ

বিদ্যার দেবীর আরাধনার দিনে বেনজির প্রতিবাদ পার্শ্বশিক্ষকদের। আদিগঙ্গায় নেমে তারা প্রতিবাদ জানালেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি অবধি সাঁতার কেটে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন তারা। পুলিশের অনুরোধে শেষপর্যন্ত তারা উপরে উঠে আসেন। সরস্বতী পুজোর সকালে এই প্রতিবাদ রীতিমতো নজির তৈরি করল।শিক্ষা মিত্র শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা এই কাজ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। কখনও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনশনে বসছেন। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দিয়েছেন অনেক বার। বিকাশ ভবনে অভিযান করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঘেরাও করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশ্যে মিছিল হয়েছে। কিন্তু তাদের এখনও কোনও উন্নয়ন হয়নি। নির্দিষ্ট হারে বেতন বাড়ানো হয়নি।শুধু তাই নয়, পার্মানেন্ট করার বিষয়েও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে পার্শ্বশিক্ষকদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ চলছে। এবারে এক নতুন পন্থা অবলম্বন করলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। মঙ্গলবার বেলা দশটার পরে বেশ কয়েকজন পার্শ্বশিক্ষক জমায়েত করেছিলেন। আলিপুর সেন্ট্রাল জেল লাগোয়া অঞ্চলে তারা উপস্থিত হন। আরও কয়েকজন আলিপুর পোস্ট অফিস সামনে জড়ো হন। এরপর তারা দুটি দলে ভাগ হয়ে আদিগঙ্গার দিকে চলে যান। সেখানে আদিগঙ্গার জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন কয়েকজন। কোমর, বুক জলে তখন দাঁড়িয়ে আছেন পাঁচ ছজন। জামা খুলে ভিতরে থেকে প্লাস্টিক বের করেন। প্লাস্টিকের ভিতরে তৈরি করা ছিল প্ল্যাকার্ড। সেই লেখা প্ল্যাকার্ডগুলি নিয়ে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ এই প্রতিবাদ দেখতে জড়ো হয়েছিল আদিগঙ্গার চারদিকে।পুলিশ আসে কালীঘাট থানা থেকে। তারাও অনুরোধ করেন উপরে উঠে আসতে।পার্শ্বশিক্ষকদের নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জল্পনা চলছে। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে পার্শ্বশিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে। সুদিন কবে আসবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন পার্শ্ব শিক্ষকদের। আন্দোলন চলছে বিভিন্ন উপায়ে। এবার নতুন আন্দোলনের নজির দেখা গেল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজ্য

মুরগি চুরির প্রতিবাদ করে খুন

খামার থেকে প্রতিবেশীর মুরগি চুরি করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। কাঠগড়ায় প্রতিবেশী যুবক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার কালিতলা ঘোষপাড়া এলাকায়। খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত। খুনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম শ্যামল সরকার(৩১)। স্থানীয় বিল্ডার্সের দোকানে কাজ করত। অভিযোগ, প্রতিবেশী দেবব্রত হালদার তাঁকে খুন করেছে।ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।পরিবারের অভিযোগ, খামার থেকে মুরগি চুরি করত অভিযুক্ত দেবব্রত হালদার। তাকে বারণ করতে মঙ্গলবার সন্ধেয় তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন শ্যামল সরকার। তখনই দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে থাকে শ্যামলের। পরে দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরাই তাকে ভ্যানে তুলে চিকিৎসকের কাছে পাঠায়। যদি অভিযুক্তের পরিবারের দাবি, এক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী এসে শ্যামলের উপর চড়াও হয়। তাঁকে জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তুনে আনেন দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

রাহানেদের দেওয়া শততম টেস্টের উপহারে আপ্লুত নাথান লায়ন

৯ দিন পেরিয়ে গেছে ব্রিসবেন-এর সেই ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যচ। কিন্তু নাথান লায়ন-এর মনে জ্বলজ্বল করছে তাঁকে দেওয়া ভারতীয় ক্রিকেটারদের শততম টেস্টের উপহার। বর্ডার-গাভাসকার সিরিজের শেষ টেস্ট ম্যাচটি ছিল নাথান লায়নের শততম টেস্ট। লায়নের আগে ১২ জন অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটাররা নাথান-এর শততম টেস্টের মুহুর্তটিকে স্মরনীয় করে রাখতে তাঁদের স্বাক্ষর করা জার্সি উপহার দেয়। নাথান তার অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রাম থেকে পোস্ট করে ভারতীয় ক্রিকেটারদের ধন্যবাদ জানান।View this post on InstagramA post shared by Nathan Lyon (@nath.lyon421)লায়নের শততম টেস্ট জয়লাভ করে ভারতীয় দল। যদিও লায়ন সেই সব নিয়ে কিছু মন্তব্য করেননি। পোষ্ট করে তিনি লেখেন, এক সপ্তাহ হল বাড়ি ফিরেছি। এই গ্রীষ্মে নিজেকে আনেকটাই মেলে ধরতে পেরেছি। আমার সব সময়ই স্বপ্ন ছিল টিম অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাগি গ্রিন টুপি পরা। একটা টেস্ট খেলতে পারলেই আমার স্বপ্ন হয়ত পূরণ হতো, সেখানে আরও ৯৯টা টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছি। খেলার সুযোগ পাওয়ায় এমন কিছু বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে যা সারা জীবনের সঙ্গী হয়ে থাকবে। ব্রিসবেনে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলতে পেরে আমি ভীষনভাবে গর্বিত। জিততে পারিনি ঠিকই, কিন্তু অনেক কিছু শিক্ষালাভ করতে পেরেছি।লায়ন অস্ট্রেলিয়াকে জেতাতে না পারলেও ভারতকে অভিনন্দন জানাতে কার্পন্য করেননি। তিনি ভারতীয়দের উদ্দেশ্য করে লেখেন, রাহানে, তোমাদের বিশেষ অভিনন্দন। তোমাদের খেলোয়াড়ি মনোভাব এবং উপহারে আমি আপ্লূত। আমার সংগ্রহের তালিকায় এই সই করা জার্সিটি এক বিশেষ স্থান পাবে।A wonderful memento from a classic Test series.Next on the agenda 400 Test Wickets @NathLyon421 #AUSVIND pic.twitter.com/JEVt7kDFZl ICC (@ICC) January 27, 2021জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
কলকাতা

সমবেতনের দাবিতে শিক্ষক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার বিধানসভা চত্বর

অধিবেশন শুরুর আগেই উত্তাল বিধানসভা চত্বর। বুধবার সমবেতন, সমান সুবিধার দাবিতে বিধানসভা অভিযান করলেন শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের এই বিক্ষোভের জেরে বিধানসভার সামনে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। এমনকী, গেট ভেঙে বিধানসভার ভিতর ঢোকারও চেষ্টা করেন তাঁরা। পরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার দাবিতে বিধানসভার বাইরে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। যদিও পুলিশ এসে পরে তাঁদের সরিয়ে দেয়।প্রাণীমিত্র, প্রাণীবন্ধু, এসএসকে, এমএসকে, পার্শ্বশিক্ষকরাই শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্য। বেতন কাঠামোর উন্নতি-সহ একাধিক দাবি রয়েছে তাঁদের। এদিন তাঁরা হাইকোর্টের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখান থেকেই বিধানসভা অভিযান করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিধানসভা চত্বর। তাঁদের ঠেকাতে ৬ নম্বর গেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এদিন সেই গেট টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। যদিও পুলিশ তাদের আটকে দেয়।আন্দোলনকারীদের দাবি, শিক্ষকদের সমান বেতন ও সুবিধা দিতে হবে। শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী সকলের সঙ্গে দেখা করেন, দাবি দাওয়া শোনেন। ক্লাবগুলোকে টাকা দেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে দেখাও করেন না। আমাদের সুযোগ সুবিধাও দেখেন না।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
বিদেশ

নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া

রাশিয়ায় দুর্নীতি, দমননীতি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে । এমন পরিস্থিতিতে রুশ বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান হাজার হাজার মানুষ।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল নাভালনিকে। তবে আদালত তিন বছর জেলের সাজা দিলেও কারাগারে দিন কাটাতে হয়নি তাঁকে। কারণ, দোষী সাব্যস্ত হলেও নাভালনির সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত অনুসারে তাঁকে থানায় বা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে হাজির দিতে হয়। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্ত মানছেন না নাভালনি। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে ফের একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে নাভালনিকে।সূত্রের খবর, শনিবার রাজধানী মস্কোর পুশকিনস্কয়া স্কোয়ারে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নাভালনির মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ দেখান। একইভাবে গোটা দেশে, এমনকী সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তেও সরকার বিরোধী সমাবেশে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। রুশ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশ করা হয়েছে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন প্রতিবাদীরা। ঘটনায় ৩৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনিও।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal