• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

বঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

ভোটের বঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তির পাশাপাশি নতুন করে চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে রাজ্যের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় লাফিয়ে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে কোভিড-১৯-এ সংক্রমিত ৩৬৪৮ জন। বৃহস্পতিবারও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮০০। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল প্রায় ৮০০। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের ৮ জনের। সংক্রমণের হারে সবচেয়ে এগিয়ে কলকাতা। এখানে দৈনিক আক্রান্ত ৬৭৫ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক কম। ২৪ ঘণ্টায় ১১৪৬ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। করোনা থেকে সুস্থতার হার এ নিয়ে দাঁড়াল ৯৫.২২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত মহামারির কামড়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছেন রাজ্যের ১০,৩৭৮ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৮, ৬০৩, যা গত দিনের তুলনায় প্রায় ৩০০০ বেশি। কলকাতার পরই যেসব জেলার করোনা পরিসংখ্যানে মাথাব্যথা বাড়ছে, তা হল উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে একদিনেই সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫৭ জন। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আচড়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবারই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় এই বৈঠকে ছিলেন না। বাংলার তরফে ছিলেন মুখ্যসচিব। তাতে নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয়েছে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়েও। বাংলায় টিকাকরণের কী পরিস্থিতি, ভোটযুদ্ধের মাঝে সতর্কতা কতটা নেওয়া হচ্ছে, সেসব নিয়ে সংশয় থাকছে। তার উপর এই লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা বাড়ছে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ট্রেন চলাচল

সিগন্যালিংয়ের সমস্যা। অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল পরিষেবা। এক ঘণ্টা বাদে আংশিকভাবে তা চালু করার চেষ্টা করছে রেল। পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার জেরে বহু নিত্যযাত্রীকে নাকাল হতে হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস যাত্রীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রের খবর, শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার বালিগঞ্জ স্টেশনে সিগন্যালে সমস্যা থাকার কারণে এদিন সকাল ৮টা নাগাদ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আপ বা ডাউন কোনও লাইনেই ট্রেন চলছিল না। যার ফলে সোনারপুর, ক্যানিং, বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবার, লক্ষীকান্তপুর, নামখানা এবং বজবজ লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। প্রায় প্রতিটি স্টেশনেই বহু যাত্রীর ভিড় জমে গিয়েছে। আটকে বহু ট্রেন। রেলের পদস্থ আধিকারিক ও টেকনিশিয়ানরা দ্রুত সিগন্যাল ব্যবস্থায় কাজ করছে। সকাল ৯ টার পর আংশিক পরিষেবা চালু করা গেলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুকে নোটিস নির্বাচন কমিশনের

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলে সম্বোধন করে কমিশনের কোপে পড়লেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার শুভেন্দুকে এ বিষয়ে শোকজ নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ নন্দীগ্রামে ভোটের শেষ প্রচারের দিন প্রতিপক্ষ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে মমতা বেগম বলে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তৃণমূল শিবির প্রথমেই তীব্র আপত্তি তোলে। এটা অসম্মানজনক বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। সেই অভিযোগ ভালভাবে খতিয়ে দেখে ভোট হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর শুভেন্দুর সেই মন্তব্যকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে চিহ্নিত করেল কমিশন। আর তারপরই শুভেন্দুকে নোটিস পাঠানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। যদিও কমিশনের এই শোকজ নোটিস নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শুভেন্দু অধিকারী কিংবা গেরুয়া শিবিরের কেউই।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের উপর হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১৬

দিলীপ ঘোষের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে কোচবিহারের শীতলকুচি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কমপক্ষে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বুধবার শীতলকুচিতে সভা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের। সেই সভা সেরে বেরনোর সময় দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, যে মাঠে তাঁর সভা হয়েছিল, সেখানেই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। দিলীপের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও দুটি বোমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আধলা ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তাঁর নিজের গায়েও ইটের আঘাত লেগেছে। কনভয়ের অন্য গাড়িতেও বোমা পড়েছে বলেও দাবি করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে নামে পুলিশ।অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে কলকাতায় কমিশনের বাইরে ধরনা দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও দলের নেতা-কর্মীরা। ফলে কোচবিহারের ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতাতেও। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতভর কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় বোমাবাজি করা হয়। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলের কর্মীরাই অভিযোগ করেছেন রাতে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবিষয়ে কোচবিহারের এসপি দেবাশিস ধর বলেন, গতকাল প্রায় ১৫০ জন ঘটনাস্থলে ছিল। রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপি জানিয়েছেন, এই ঘটনার কারণেই ভোটে শুধু কোচবিহারেই ১৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশন। থাকবে ৬ হাজার রাজ্যপুলিশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে: অমিত শাহ

দুদিন বাদেই রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন ফেরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সিঙ্গুরের বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে ব়্যালি করলেন বিজেপির তারকা প্রচারক। সেই রোড শো থেকে সিঙ্গুরে শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু ছোট বা মাঝারি নয়, রাজ্যে বড় শিল্প আনবে বিজেপি। শিল্প ফিরবে সিঙ্গুরেও।২০১১ সালে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়। আর সেই পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র ছিল সিঙ্গুরও। টাটার ন্যানো প্রকল্প ঘিরে সেইসময় রাজ্য রাজনীতি আবর্তিত হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে শিল্পের জন্য গৃহীত জমি কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরে সভা করে সেই এলাকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, আমার আন্দোলনের স্থান। সিঙ্গুরে আমার আবেগজুড়ে রয়েছে। ক্ষমতায় ফিরে সিঙ্গুরে অ্যাগ্রোপার্ক তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই কেন্দ্রের ভোটের আগে শাহি প্রচার সারলেন। স্বপ্ন দেখালেন রাজ্যে শিল্প গড়ার। বললেন, ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরণের শিল্প হবে।কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এদিনও বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে বিজেপি যে ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে এদিনও আত্মপ্রত্যয়ী শাহ। সিঙ্গুরের পর ডোমজুড়েও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন শাহ। সেখান থেকে তাঁর দাবি, প্রথম তিন দফা নির্বাচনে ৬৩-৬৮টি আসন পাবে বিজেপি। এদিনের রোড শোয়ের পর এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরাল কমিশন

ভোটের আবহেই দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দুই বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরিয়ে দিল কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, এঁদের তিনজনের বিরুদ্ধেই ভোটের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার দুই থানার পুলিশ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নিখিল নির্মলকে সরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিইও করা হয়েছে ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার সি মুরুগানকে। পূর্ব বর্ধমানের ডিইও করা হয়েছে শিল্পা গৌরীসারিয়াকে। তিনি ২০০৯ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে বসানো হয়েছে পশ্চিম বধর্মানের জেলার নির্বাচন আধিকারিকের পদে। কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই আধিকারিকদের সরানোর সিদ্ধান্ত।তবে শুধু নির্বাচনী আধিকারিকদের সরানো নয়। প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। সেই উদ্দেশ্যেই আগামী পর্বে কলকাতার যে এলাকায় নির্বাচন, সেই এলাকার দুটি থানার আধিকারিকদের বদলে দিয়েছে কমিশন। রিজেন্ট পার্ক থানার ওসি মৃণালকান্তি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী থানার ওসি প্রতাপ বিশ্বাসকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে। পরিবর্তে টালিগঞ্জে রাম থামা এবং মলয় বসুকে বাঁশদ্রোণী থানার ওসি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, টালিগঞ্জে এবার হেভিওয়েটেদের লড়াই। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন। লড়াইয়ে সিপিএমের দেবদূত ঘোষও। সম্ভবত, সে কারণেই এই কেন্দ্রে বিশেষ নজর কমিশনের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট, ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ। অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা পোস্ট মুছে ফেলার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। আপত্তিকর পোস্ট নিয়ে আজ সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর তরফে কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।তৃতীয় দফা ভোটের আগে সোমবার বিকেলে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কমিশনে যায়। সেখানে তথ্য প্রমাণ সহযোগে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়। অনিন্দ্য চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লাগাতার আপত্তিকর পোস্ট করতেন বলে অভিযোগ। সেই পোস্টের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের পোস্টের উপর নজর রাখার জন্য কমিশনের মিডিয়া মনিটরিং সেল রয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিডিয়া মনিটরিং সেলকে শুভেন্দুর অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই অভিযোগে, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া মনিটরিং সেল ওই পোস্টগুলির উৎস খুঁজে বের করে। এবং যে জেলা থেকে এই পোস্টগুলি করা হয় সেখানে অভিযোগ পাঠানো হয়। জেলায় এই সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা অফিসাররা আপত্তিকর পোস্টগুলি সেন্সর করা বা মুছে ফেলার কাজ করে। জানা গিয়েছে, অনিন্দ্য চৌধুরী নামের ওই ব্যক্তির আপত্তিজনক পোস্টগুলো ইতিমধ্যেই মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এবং প্রয়োজনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

দেশে প্রথমবার দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ১ লক্ষ

করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল দেশ। এই প্রথমবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্ত হলেন লক্ষাধিক। মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই। বিশেষজ্ঞদের কথায়, নিজেদের উদাসীনতার ফল ভুগছে আমজনতা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে কম কোভিড জয়ীর সংখ্যা। দৈনিক সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা সংক্রমিতের প্রায় অর্ধেক।উনিশের শেষের দিক থেকেই বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব দেখাচ্ছে করোনা ভাইরাস। চলতি বছরের প্রথমদিকে সামান্য আশার আলো দেখা গিয়েছিল। বাজারে কোভিড টিকা আসার পরই মনে করা হচ্ছিল এবার হয়তো মহামারির শেষ,কিন্তু কোথায় কী! আমজনতার উদাসীনতার খেসারত দিচ্ছে গোটা দেশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সোমবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ৫৫৮ জন। ফলে দেশে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ১ কোটি ২৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৭ জন। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮২ হাজার ১৩৬জন।সংক্রমণের প্রথমভাগে সুস্থতার হার আশার আলো দেখিয়েছিল। দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে বেশি মানুষ করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কায় সেই হিসেবও গণ্ডগোল হয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় যেখানে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক, সেখানে একদিনে কোভিডজয়ীর সংখ্যা মোটে ৫২ হাজার ৮৪৭ জন। ফলে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৩০ জন।চোখ রাঙাচ্ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪৭৮ জনের। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ১০১ জন। প্রথমবারের মতো এবারও সংক্রমণের শীর্ষে সেই মহারাষ্ট্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি হয়েছে নাইট কার্ফু। বিহারে ১০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ স্কুল। ওডিশায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে আমজনতার হুঁশ ফেরেনি।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

দেশে ৭ মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ, বাড়ছে আতঙ্ক

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ক্রমেই নাজেহাল দেশের করোনা পরিস্থিতি। গত বছর সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংক্রমণ যেমন শিখরে পৌঁছেছিল, ফের সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে দেশে। এর মোকাবিলা কী ভাবে হবে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য প্রশাসনের। এ জন্য রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি করা হয়েছে বেশ কিছু রাজ্যে। এখনই লকডাউনের কথা ভাবছে না বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে যদিও জানিয়েছেন, এ ভাবে চলতে থাকলে শীঘ্রই লকডাউন জারি হতে পারে সে রাজ্যে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ হাজার ১২৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২৬০ জন। গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের দৈনিক সংক্রমণ হয়েছিল ৯৭ হাজার। তার পর থেকে তা কমতে শুরু করে। কমতে কমতে এক সময় ১০ হাজারে নীচেও নেমেছিল দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সংক্রমণকে ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। দেশের দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি মহারাষ্ট্রে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯১৩ জন। গত বছরেও এতটা করুণ অবস্থা হয়নি সেখানে। কর্নাটকেও গত কদিনে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় তা প্রায় ৫ হাজার। ছত্তিশগড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এই সপ্তাহের শুরু থেকে বাড়তে বাড়তে দিল্লিতে শনিবার নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি। ভোট নিয়ে ব্যস্ত তামিলনাড়ুতেও তা তিন হাজার ছাড়াচ্ছে। উত্তরপ্রদেশেও প্রায় ৩ হাজার। গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবে সংক্রমণ আড়াই থেকে তিন হাজারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। হরিয়ানা তেলঙ্গানা, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গেও দৈনিক সংক্রমণ গত কদিনে লাফ দিয়ে বেড়েছে। কেরলে অবশ্য একই মাত্রায় হচ্ছে সংক্রমণ। মূলত এই কটি রাজ্যতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশের দৈনিক মৃত্যুও বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েক গুণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭১৪ জনের। গত বছর অক্টোবর নাগাদ এই সংখ্যক দৈনিক মৃত্যুর সাক্ষী শেষবারের মতো থেকেছে দেশ। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর দৈনিক মৃত্যু ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে গেল। ৭১৪ জনের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে ৪৮১ জনের।রাজ্যেও করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭৩৩ হয়েছে। যেখানে এপ্রিলের প্রথম দিনে সংক্রমণ ছিল ১ হাজার ২৭৪, দৈনিক সংক্রমণের হার ৪.৯৪ শতাংশ বেড়ে একলাফে ৬.৪২ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে।কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় সংক্রমণ সর্বাধিক। দুই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৫১৩ ও ৩৩১ জন। ফলে রাজ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ৬৯২ হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ড

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ড। শনিবার ভোরের দিকে তোপসিয়ার এক জুতো কারখানায় আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। এর জেরে কারখানার দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। শুক্রবারই জোড়া অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কলকাতায়। শনিবার ভোরে ফের সেই আগুন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮, তপসিয়া রোডের এক জুতো কারখানা থেকে ভোরে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘড়িতে সময় তখন ৫টা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পারেন, ওখানে আগুন লেগেছে। সকলে সতর্ক হয়ে ওঠেন। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ততক্ষণে ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আশপাশ থেকে জল এনে তাঁরাই প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে তোপসিয়ার ঘটনাস্থলে একে একে পৌঁছয় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। ঘিঞ্জি পরিবেশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।আসলে জুতোর কারখানায় চামড়া, আঠার মতো বহু দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে। তাই আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানার প্রচুর সামগ্রী নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন প্রায় ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শুক্রবারই লেনিন সরণি, চাঁদনি চক এলাকার দুটি বহুতলে আগুনের ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল। দুপুরে লেনিন সরণির পাখার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের রেশ মিটতে না মিটতেই সন্ধেয় চাঁদনির এক বাণিজ্যিক বহুতল গ্রাস করে নেয় আগুনে লেলিহান শিখা।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
কলকাতা

বয়ালের বুথে মমতার ধর্না নিয়ে পাল্টা কমিশনে বিজেপি

নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নম্বর বুথে ২ ঘণ্টা মমতার উপস্থিতি। তৃণমূল বলছে, মুখ্যমন্ত্রী ভোট লুট রুখতে গিয়েছিলেন। এবার পালটা এল বিজেপির তরফে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গতকাল বয়ালে আইন ভেঙে দুঘণ্টা ধর্না দিয়েছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ভোটের গতি কমিয়ে দেওয়া। যাতে হারের ব্যবধান কমানো যায়।বিজেপি বলছে, নন্দীগ্রামের বুথে মমতার ২ ঘণ্টা বসে থাকা বেআইনি। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার অভিযোগ, নন্দীগ্রাম বিধানসভার ৭ নম্বর বুথে মমতা রীতিমতো ধর্না দিয়েছেন। তিনি প্রার্থী হিসেবে যে কোনও বুথে যেতেই পারেন। কিন্তু ধর্না দিতে পারেন না। দুঘণ্টা ধর্না দিলেন। সব ভুলে গেলেন। ১৪৪ ধারারও তোয়াক্কা করেননি। বহিরাগতদের নিয়ে ভোট প্রভাবিত করেছেন মমতা। গত ৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র নন্দীগ্রামেই শতাংশ ভোট কমল? তার মানে কী? উনি জেনেবুঝে ভোটকে প্রভাবিত করলেন। ভোটের গতি কমিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূলনেত্রী ভোটের পর উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন। যদিও এসব হুমকির কোনও অর্থ হয় না। কারণ, এরপর উনি আর মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এসব হুমকির পর যদি কোনও অঘটন ঘটে তাঁর জন্য দায়ী কে হবে?শুক্রবার দুপুরে তৃণমূলের উচ্চস্তরীয় এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। ইভিএম নিয়েও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে শাসক দল।তৃণমূলের পালটা কমিশনে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দলও। শিশির বাজোরিয়া, তথাগত রায়দের দাবি, তৃণমূল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট চায় না। সেকারণেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রোজ নতুন নতুন অভিযোগ নিয়ে কমিশনে নালিশ করছেন তাঁরা। কমিশনের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, গতকাল যেভাবে ভোট হল, তাতে বিজেপি খুশি। আমরা সন্তুষ্ট। শিশির বাজোরিয়া বলছেন, এইভাবে ভোট হলে আমরা মাথা তুলে বলতে পারব, বাংলায় ভোট ভাল হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত আলিয়া

মারণ করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভক্তদের উদ্দেশে একথা জানিয়ে একটি পোস্টও করেন আলিয়া। তারপরই খবরটি প্রকাশ্যে আসে। প্রিয় অভিনেত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের ইনস্টা স্টোরিতে আলিয়া লেখেন, সবাইকে জানাতে চাই আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি ইতিমধ্যে নিজেকে আইসোলেশনে নিয়ে গিয়েছি। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মেনে চলছি। আপনাদের প্রত্যেকের ভালবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। সবাই সাবধানে থাকবেন এবং খেয়াল রাখবেন। এর আগে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড তথা ব্রহ্মাস্ত্র সিনেমার সহ-অভিনেতা রণবীর কাপুর। তবে তিনি আপাতত সুস্থ। তাঁর রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বান্ধবী আলিয়া।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

‘২০২৪-এ বারাণসী সামলান’, মোদিকে নিশানা তৃণমূলের

বঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন প্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । নন্দীগ্রামের ভোট পরিস্থিতিতে গেরুয়া ঝড়, দিদির হার দেখেছিলেন তিনি। তাই উলুবেড়িয়ার সভা থেকে তাঁর শ্লেষমিশ্রিত প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি অন্য কোনও আসন থেকে ফের লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো? সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলও এর জবাব দিয়েছে। নন্দীগ্রামে জয় নিশ্চিত, অন্য আর কোথাও লড়বেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টুইট করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৪এ দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।তৃণমূলের অফিশিয়াল পেজে লেখা হয়েছে, দিদি নন্দীগ্রাম থেকে জিতছেনই।তাই অন্য কোনও আসন থেকে তাঁর লড়াইয়ের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। পরের অংশের বার্তাই বেশ ইঙ্গিতবাহী। নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে তৃণমূলের পরামর্শ বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন, আপনার মিথ্যাচার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। বরং ২০২৪এ নিজের জন্য নিরাপদ একটি আসন খুঁজে নিন। কারণ, আপনি বারাণসীতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন। আর এখানেই উসকে উঠছে জল্পনা। তবে কি পরবর্তী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই? তারই ইঙ্গিত দিয়ে রাখল দলের তরফে এই টুইট?

এপ্রিল ০২, ২০২১
দেশ

বহাল থাকছে স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের পুরনো হারই

রাতারাতি অবস্থান বদল কেন্দ্রের। এখনই কমছে না স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফের সুদের হার । বরং ২০২০-২০২১ আর্থিক বছরের শেষ ত্রৈমাসিকের সুদের হারই নতুন আর্থিক বছরের প্রথম তিনমাস অব্যাহত থাকবে। বৃহস্পতিবার সকালে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সাফাই, ভুল করে পুরনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। সে কথা অবশ্য মানতে রাজি নয় আমজনতা। ভোটবাক্সের কথা ভেবেই মোদি সরকার নিজের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াল বলে মনে করছে তাঁরা। এদিন টুইট করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, গত ত্রৈমাসিকের হারেই সুদ মিলবে পিপিএফ -সহ সমস্ত স্বল্প সঞ্চয়ে। বুধবার রাতে জারি হওয়া নির্দেশিকা প্রত্যাহার করছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের ৫ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটপ্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে স্বল্প সঞ্চয় সুদ কমানো হলে তার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বিজেপির ভোট বাক্সে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ভোটের কথা মাথায় রেখেই এদিন তড়িঘড়ি সুদ কমানোর বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় সরকার।বুধবার রাতে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০২১-২০২২ আর্থিক বছরে পিপিএফ সঞ্চয়ে সুদের হার থাকবে ৬.৪ শতাংশ। নির্দেশিকা প্রত্যাহার করায় সুদের হার থাকছে ৭.১ শতাংশ। স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হারও কমার কথা ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়াবে ৩.৫ শতাংশ। এক বছরের জন্য যাঁরা টাকা রাখবেন তাঁদের ত্রৈমাসিক সুদের হার ৫.৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছিল ৪.৪ শতাংশ। ধাক্কা খেয়েছিল প্রবীণদের সঞ্চয়ও। নয়া বিজ্ঞপ্তি বলছে, প্রবীণদের সেভিংস অ্যাকাউন্টের ত্রৈমাসিক সুদের হার ৭.৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছিল ৬.৫ শতাংশ। তবে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হল।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ার সতর্কবার্তা মমতার

পায়ে চোট নিয়েই প্রায় মাসখানেক ধরে হুইলচেয়ারে বসে নির্বাচনী প্রচার সারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর মন্দির দর্শনে গিয়ে পায়ে আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশ্রাম নেননি তেমন। হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়েছেন। ঘুরেফিরে আজ ফের নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো। টানা তিনদিন এখানেই রয়েছেন, একাধিক জায়গায় জনসভা করছেন। আর প্রায় প্রতিবারই ঘুরেফিরে আসছে তাঁর চোটের প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার বাঁশুলিয়াচকের সভা থেকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর গলায় ফের শোনা গেল সেই কথা। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিই না। আমার পায়ে চোট করানো হয়েছে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে। এরপরই তাঁর বার্তা, সন্ধে ৬টার পর কাউকে ঢুকতে দেবেন না। এদিন তাঁকে দেখেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায়। এরপরই তিনি বহিরাগত গুন্ডাদের কথা বলেন। সোমবার নন্দীগ্রামের বয়াল-২র সভা থেকে মমতা নাম না করে তাঁর আঘাতের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে দায়ী করেছিলেন। বলেছিলেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগত গুণ্ডাদের এনে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনে গিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, ভোটে অশান্তি তৈরির জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে। এবার নন্দীগ্রামে অশান্তি রুখতে একজন প্রশাসনিক প্রধানের মতোই পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরের মানুষজনের আনাগোনা ভোটের দিন যে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরনোর ঝুঁকিও না নিতে পারেন, এসব সম্ভাবনা বেশ টের পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তিনি সজাগ, এক অভিভাবকের মতোই। তাই স্থানীয়দের প্রতি তাঁর সরাসরি বার্তা, বাইরের কাউকে আর ঢুকতে দেবেন না। শুধু ইনসাইডাররা থাকবেন, আর আমি থাকব। আমি ভোটার, আমাকে তো থাকতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, কোনও অশান্তি করবেন না। কেউ অন্য়ায় করলে আমি আছি তো শাস্তি দেওয়ার জন্য। আসলে, নন্দীগ্রামে কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে চিন্তায় সবমহলই।

মার্চ ৩০, ২০২১
বিদেশ

মোদির বাংলাদেশ সফরে দৃঢ় হল মৈত্রীর বন্ধন

বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর বন্ধন আরও মজবুত করতে দুদিন ঢাকায় কাটিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে ফিরে আসার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে একাধিক মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেরও ঘোষণা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে মিতালী এক্সপ্রেসের সূচনা করা হবেও বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে আশা করছেন কূটনীতিকরা। একই সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত মিতালী এক্সপ্রেসেরও সূচনা হবে বলে জানানো হয়। এই ট্রেনের জন্য বিশেষভাবে তিনটি সীমান্তবর্তী হল্ট স্টেশনেরও নির্মাণ হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এবং দেশে ফিরে আসার আগে একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফসপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সমগ্র পরিসর নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও গভীর করা নিয়েও আলোচনা করেছি। এ দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার স্বরূপ ১০৯ টি অ্যাম্বুল্যান্স ও ১২ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, বাংলাদেশের ৫০ তম স্বাধীনতা দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষের এই বিশেষ অনুষ্ঠান উপলক্ষে নির্মিত সোনা এবং রুপোর মুদ্রাও মোদির হাতে তুলে দেন হাসিনা।

মার্চ ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 88
  • 89
  • 90
  • 91
  • 92
  • 93
  • 94
  • ...
  • 108
  • 109
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রেজিনগরে হার হুমায়ুন-পুত্রের, কলকাতার বিজয় মিছিল থেকে ভাগীরথী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জয়ের পর কলকাতায় বিজয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পরে আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ভাগীরথী মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে। একই সঙ্গে রেজিনগরের ফলকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থী করেন ছেলেকে। ভোটের প্রচারে রেজিনগর থেকেই হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।কিন্তু রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা এই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে পরাজিত হন। ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন বলে দাবি করা হয়েছে। হারের আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। পরে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কলকাতার সভা থেকে তাঁকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।রেজিনগরের ফলকে বিজেপির রাজনৈতিক সাফল্য হিসাবেই তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় নাএই ধারণা ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। শুভেন্দুর দাবি, সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশও এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘুরা দেখেছেন, তাঁদের ভোট ছাড়াও মোদির জয়রথ চলছে। তাই মূলস্রোতে থাকতে তাঁরাও বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।এ দিনের সভা থেকে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়েও দলের পক্ষে প্রচার করেন শুভেন্দু। আগামী দিনে এই দুই পুরসভায় বিজেপিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, এ বার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্য নিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতার মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুহাত পেতে ভোট চাওয়ার কথা বলে আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন চান শুভেন্দু।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতাতেও ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! হাঁটতে পারেন মমতা, নজর পুলিশের অনুমতিতে

দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিলের ডাক দিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা। এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে শেষ পর্যন্ত মিছিল হবে কি না, তা নির্ভর করছে পুলিশের অনুমতির উপর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।প্রকাশিত প্রচারপত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে সেখানে। এই সব ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আয়োজকেরা। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি আদৌ এই কর্মসূচিতে হাঁটবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত প্রচারপত্রে মিছিলের কথা জানানো হলেও, পুলিশের অনুমতি না মেলা পর্যন্ত কর্মসূচির চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।এ দিকে, পুজোর মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপ ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মিছিল হলে ওই এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনুমতি না মিললে কালীঘাট তৃণমূল কী পদক্ষেপ করবে, তা এখনও জানা যায়নি।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সেই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরাও যোগ দেন।দিল্লির পর এ বার কলকাতায় এই ইস্যুতে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মিছিলের অনুমতি মেলে কি না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে যোগ দেন কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের পীঠস্থান’, আন্দোলনের দিন ঠিক করতে পুলিশকে চরম বার্তা সিজেপির

যন্তর-মন্তরেই আন্দোলন করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে এ বার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল সিজেপি। সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যায়। থানায় ঢোকার আগে সিজেপি নেতারা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যন্তর-মন্তর ছেড়ে অন্য কোথাও আন্দোলন করতে তাঁরা রাজি নন। তাঁদের দাবি, যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান জায়গা। সেখানে বিক্ষোভের দিন ও সময় পুলিশকেই ঠিক করে দিতে হবে।সিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আন্দোলনের দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে সিদ্ধান্ত জানাতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আন্দোলনের তারিখ জানতে তাঁরা দিল্লি পুলিশের কাছে যাচ্ছেন। পুলিশই তাঁদের বিক্ষোভের দিন জানাবে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সৌরভ দাসের বক্তব্য, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে গেলে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার কথা বলত। এ বার তাঁরা পুলিশের কাছেই আন্দোলনের দিন ও সময় জানতে চাইছেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন তাঁরা।উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন দলের তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই বিমানের ভিতর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।মুক্তি পাওয়ার পরেও আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও ইঙ্গিত দেননি সিজেপি নেতারা। বরং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই মতো সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান দলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পরেই এই টানাপড়েন আরও বেড়েছে। সিজেপির দাবি, যন্তর-মন্তরেই তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ দিতে হবে। অন্য দিকে, পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সঙ্কট থেকে বাজারের ওঠানামা, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদএমনই দাবি করা হয়েছে প্রকাশের জন্য দেওয়া খবরে। সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে ব্যষ্টিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।রবার্ট ই হল আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে, মাইকেল উডফোর্ড নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল বিষয় হল, কী ভাবে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়। ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কী ভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। এই সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গে সামগ্রিক অর্থনীতির ওঠানামার সম্পর্ক বুঝতে তাঁদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সরকার অর্থনীতি পরিচালনার জন্য নানা ধরনের মডেল ব্যবহার করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলির তাত্ত্বিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা সাহায্য করেছে। বাজারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাঁদের কাজের গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই গবেষণার ফলে জ্বালানি সঙ্কট কিংবা সাধারণ মানুষের খরচের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর প্রস্তুতি আরও ভাল ভাবে নেওয়া সম্ভব। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তা বুঝতে পারলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষে উপযুক্ত নীতি তৈরি করা সহজ হতে পারে।গত বছর ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য তিন জন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। নতুন পণ্য ও উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁরা।এর আগে গত সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দেওয়া খবরে উল্লেখ রয়েছে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল ঘোষণা পর্ব শেষ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম এবং পুরস্কারের কারণ সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাজ্য

আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক সাড়ে ৯ হাজার টাকা! আরামবাগের পড়ুয়াদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়কের

ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই মিলবে টাকা! দৈনিক ১০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অংশ নিলে মাসে ৯৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজ পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে এই প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের সমর্থনে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশটও দেখিয়েছেন বিধায়ক। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার পরশুড়া বিধানসভা এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ওই পড়ুয়া তাঁকে কিছু তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা দেখান। সেই সূত্রেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই পড়ুয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ্যে আনেননি।বিমান ঘোষের অভিযোগ, ককরোচদের আন্দোলনের নামে পড়ুয়াদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি এবং ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির পক্ষে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর কাছে আসা তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জানানোর প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ককরোচদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি, আবার কখনও ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনের পিছনে বিদেশি অর্থের জোগান রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে বিমান ঘোষের দাবি এবং দেখানো হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলি ঘিরে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত বা সরকারি তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

মোদি সরকারের অন্দরে ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

মোদি সরকারের অন্দরমহলের খবর কি পৌঁছে যাচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে? সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত অন্তত ২০০ জন আধিকারিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাঁদের কাছ থেকেই সরকারের নানা খবর পান বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে দাবি রাহুলের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ভোট চুরি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সরব হন রাহুল। সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিকের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং বিদেশমন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতর থেকে তিনি তথ্য পাচ্ছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কংগ্রেস নেতা।দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, পুলিশের প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী তাঁদের জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যা করছেন, তা ঠিক এবং সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আধাসেনা এবং দেশের সাধারণ মানুষ বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির সমর্থনে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।শনিবারের বিক্ষোভে ধরপাকড়ের প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও দিল্লিকে কার্যত জেলখানায় পরিণত করা হয়েছে। তাঁর মতে, আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে মোদি সরকার বড় ভুল করছে।ব্যঙ্গের সুরে রাহুল বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে সরকার চাইলে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মীও মোতায়েন করতে পারে। তাঁর দাবি, গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে। সরকার যত বেশি বাধা দেবে, বিরোধীরা ততই তাদের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাহুলের বক্তব্য, শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জমায়েত থেকেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন চলবে বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুলিশের একাংশের সমর্থন নিয়ে রাহুলের দাবিগুলি তাঁর নিজের বক্তব্য হিসাবেই সামনে এসেছে। এই দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal