• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

কলকাতা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা দিলে হাসপাতালকে বাড়তি সুবিধা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা দিলে হাসপাতাল বা নার্সিংহোম সম্প্রসারণে বাড়তি সুবিধা দেবে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে যে সমস্ত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যসাথীর জন্য পৃথক ওয়ার্ড নির্মাণ করবে তাদের বিল্ডিং নির্মাণে অতিরিক্ত ফ্লোর এরিয়া মঞ্জুর করা হবে। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ।নয়া বাড়ি তৈরি হলে শুধু বেড বাড়বে তাই নয়, নতুন কর্মসংস্থানও হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুরমন্ত্রী। কলকাতার পাশাপাশি জেলার পুরসভাকেও বিল্ডিং আইন সংশোধন করে একইভাবে স্বাস্থ্যসাথীর ওয়ার্ড গড়তে সাহায্যের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর চালু করা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে প্রতিদিন বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় শয্যাসংখ্যা কম। দিন কয়েক আগে কলকাতার ৩২টি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুরমন্ত্রী। তখন তিনি পৃথক স্বাস্থ্যসাথী ওয়ার্ড তৈরির সুপারিশ করেন। কিন্তু একাধিক হাসপাতাল কর্তা ফিরহাদের কাছে অভিযোগ করেছে, বিল্ডিং আইন সংশোধন করে বাড়তি ফ্লোর এরিয়া না পেলে এবং স্বাস্থ্য দপ্তর অনুমতি না দিলে ওই ওয়ার্ড করা সম্ভব নয়। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সংকেত নিয়ে এদিন স্বাস্থ্যসাথী ওয়ার্ড নির্মাণে বহুতল হাসপাতাল বাড়ির জন্য বাড়তি ফ্লোর এরিয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুরমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
দেশ

"দল ছেড়ে ভালই করেছেন, নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন"

নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছাড়লেন দীনেশ ত্রিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যসভার সাংসদপদও ছেড়ে দিয়েছেন। বস্তুত, রাজ্যসভাতেই তাঁর ওই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন দীনেশ। বলেছেন, আমার রাজ্যের সর্বত্র হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। অথচ আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমি রবীন্দ্রনাথ, নেতাজির ভূমি থেকে আসা মানুষ। তাই এটা আমি আর দেখতে পারছি না। আমি একটি দলে আছি। তাই দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হচ্ছে। কিন্তু আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে। এর চেয়ে ইস্তফা দিয়ে বাংলায় গিয়ে কাজ করা ভাল। তাঁর আরও বক্তব্য, আমি আমার অন্তরের ডাক শুনেছি। সকলকেই কখনও না কখনও অন্তরাত্মার ডাক শুনতে হয়।পাশাপাশিই দীনেশ বলেছেন, আমি তৃণমূল ছাড়ছি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জল্পনা, অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন দীনেশ। দীনেশের ওই ঘোষণা শুনে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান দীনেশকে বলেন, এ ভাবে ইস্তফা দেওয়া যায় না। এর একটি পদ্ধতি আছে। আপনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত ভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিন। দীনেশ যে ভাবে আচম্বিতে দল এবং রাজ্যসভার সাংসদপদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তাতে চমকিত তৃণমূল। যদিও সংসদে দীনেশের সতীর্থ প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, উনি ছেড়ে দেওয়ায় আমরা দুঃখিত। দীনেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিভিন্ন আলোচনায় তিনি আমাকে সে কথা বলেছিলেন। দিল্লির কিছু নেতাকেও বলেছিলেন। তবে উনি যে এ ভাবে দল ছেড়ে দেবেন, সেটা সম্পর্কে কোনও ধারণা আমাদের ছিল না। বস্তুত, দীনেশ নিজেও কোনও পরিচিত মহলেই দল ছাড়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত দেননি। তবে তৃণমূলে থেকে যে তিনি সন্তুষ্ট নন, তা ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন।তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, বৃহস্পতিবারই দীনেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি টুইটকে রিটুইট করেছিলেন। যা থেকে তাঁর বিজেপি-তে যোগদানের সম্ভাবনা আরও জোরাল হচ্ছে। গত লোকসভা ভোটে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ে হেরে গিয়েছিলেন। জিতেছিলেন অর্জুন সিং, যাঁর সঙ্গে জেলার রাজনীতিতে তাঁর দ্বন্দ্ব সুবিদিত। অর্জুন অবশ্য দীনেশের তৃণমূল ত্যাগের কথা শুনে প্রাক্তন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিজেপি-তে স্বাগত জানিয়েছেন। দীনেশের পদত্যাগে তাঁর রাজ্যসভার সতীর্থ সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, ওঁর যখন দমবন্ধ হয়ে আসছিল, তখন দল ছেড়ে ভালই করেছেন। নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন। কিন্তু একটা বিষয়ে খটকা লাগছে। যখন রাজ্যসভায় আমাদের দলের বলার সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন চেয়ারম্যান কেন ওঁকেই বাজেট নিয়ে বলতে দিলেন! এটা তো নজিরবিহীন। সেই সময়েই সুযোগ পেয়ে উনি গোটা দেশের সামনে ওই কথাগুলো বলেছেন। আমাদের ধারনা, ওঁকে কথাগুলো বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমরা ভাল করে খোঁজখবর নিয়ে দেখব।আরও পড়ুন: দিনভর বামেদের হরতালে কী ঘটল বাংলায়? পড়ুন

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্যের

কয়লা পাচার কাণ্ডে তল্লাশি চালাতে গেলে লাগবে না রাজ্যের অনুমতি। সিবিআইকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। ২৩ মার্চের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ২৭ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।গত সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে তল্লাশি চালাতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আর এতেই আপত্তি ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

ভোট ঘোষণার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নের জবাব যাতে পত্রপাঠ দিয়ে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যে সব আয়োজন সেরে ফেলতে চাইছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এবং সেই তাগিদেই বৃহস্পতিবার রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব।ইতিমধ্যেই অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখে গিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারপর দিল্লিতে কয়েক দফায় পর্যালোচনা বৈঠকও হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তামিলনাড়ুতে পা রেখেছে ফুল বেঞ্চ। সেখানে দুদিনের সফর সেরে ১৩ তারিখ তামিলনাড়ু, কেরলে উড়ে যাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। ১৩ এবং ১৪ তারিখ কেরলের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখার পর ১৫ তারিখ দিল্লি ফিরবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, তার পরই চার রাজ্যের সিইওর সঙ্গে ভোটপ্রস্তুতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত বৈঠক করতে চলেছে কমিশন। ওই বৈঠকের পরই নির্বাচনী সূচি ঘোষণা হয়ে যাবে। মনে করা হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন ভোট ঘোষণা হতে পারে। ওই বৈঠকে কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের জবাব পত্রপাঠ দিয়ে দিতে হোমওয়ার্কে এক তিল খামতি রাখতে চান না সিইও।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
দেশ

ভ্যাকসিন চেয়ে মোদিকে ফোন ট্রুডোর

বাংলাদেশ, ব্রাজিলের পর এবার ইউরোপের দেশ কানাডা। মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন হাতে পেতে ভারতের মুখাপেক্ষী হচ্ছে আরও অনেকেই। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করে ভারতের তৈরি করোনা টিকা পাওয়ার আবেদন জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারত-কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অটুট রাখতে তাঁকে ভ্যাকসিন সরবরাহে সাহায্য করার আশ্বাসও দিয়েছেন মোদি। নিজেই টুইটে এ খবর জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।ট্রুডোকে বন্ধু বলে সম্বোধন করে মোদি টুইটারে লেখেন, বুধবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়ে খুশি হয়েছেন। কানাডার রাষ্ট্রপ্রধান ভারতের থেকে কোভিড ভ্যাকসিন নিতে চান বলে জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, কানাডার প্রয়োজনমতো করোনা টিকা সরবরাহ করতে ভারতও যথাসাধ্য সাহায্য করবে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ভারতের করোনা টিকা পেতে আবেদন জানিয়েছে, তাও মোদি জানিয়েছেন ট্রুডোকে। করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের প্রশংসায় করে ট্রুডো এরপর জানান যে, করোনা যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এই মুহূর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় প্রযুক্তিতে একাধিক টিকা তৈরির চেষ্টায় ভারতই সবচেয়ে এগিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
কলকাতা

বন সহায়ক পদে নিয়োগ: রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

বন সহায়ক পদে নিয়োগ তরজার জল গড়াল হাইকোর্টে।নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলা নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। ৪ মার্চের মধ্যে হলফনামা জমা করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মন্থা। গত নভেম্বর মাসে রাজ্যের ২ হাজার বন সহায়ক পদে নিয়োগ হয়। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন মালদহের বাসিন্দা কৌশিক ঘোষ। এর আগে স্যাটেও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিন আদালতের বিচারপতি রাজশেখর মন্থা নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যের কাছে। মেধাতালিকা কী অবস্থায় রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে আদালত। হলফনামা জমা পড়ার পরই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।প্রসঙ্গত, বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে আপাতত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক নয় বলে অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। দিন কয়েক আগে একই অভিযোগ শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজ্য

সাধারণের জন্য খুলে গেল বেলুড়মঠের দরজা

দ্বিতীয় দফায় ১৯১দিন বন্ধ থাকার পরে বুধবার থেকে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে গেল বেলুড়মঠ। এদিন থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর মেনে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়া হল বেলুড়মঠের দ্বার। গত ২৫শে জানুয়ারী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ। লকডাউনের জেরে ২০২০সালে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর। ১৫ জুন তা আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করান হতো।বেলুড়মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা থেকে স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২রা আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক প্রায় ৮০জন সন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার থেকে প্রত্যহ সকাল ৮.৩০মিনিট থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০মিনিট থেকে বিকাল ৫.১৫মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে মঠের দরজা | মঠের মূল মন্দিরসহ মোট চারটি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও, মন্দিরে বসা ও মঠ চত্বরে সময় কাটাতে পারবেন না কেউ | দেখা যাবে না সন্ধ্যা আরতি।কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে এই বছরে বেলুড়মঠে বন্ধ রাখা হচ্ছে সাধারণ উৎসব। আগামী ২১মার্চ সাধারণ উৎসব বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জী মহারাজ। এদিন তিনি আরো জানান, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী সরস্বতী পূজা ও আগামী ১৫ই মার্চ ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি পুজার দিনেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। এই দিনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে করোনা বিধি ভাঙ্গার আশঙ্কাই করছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন মঠ কর্তৃপক্ষ যে পরিমান দর্শনার্থীর আশা করে ছিলেন সেই তুলনায় কয়েক গুন বেশী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের এলেও কোন সমস্যা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের ছাত্রী পারমিতা এদিন সকালেই মায়ের সাথে ছুটে আসেন বেলুড়মঠে। তিনি জানান, মঠে ঢোকার সময়ে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে, হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। পারমিতার ভাষায় আজকের ভোর নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। তিনি আরও জানান, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। করোনার প্রকোপ কমে গেলেও মাস্ক পরা সহ কিছু বিধিনিষেধ লাগু থাকাই আমাদের পক্ষে মঙ্গলের বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বাংলার মধুরার মধুর কন্ঠে মাতোয়ারা মুম্বাই

তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা। ২০০৯ এর শেষের দিকে শহর থেকে গ্রাম-বাংলা এই গানের জাদুতে মেতে থাকতো। সকলের মুখে মুখে ঘুরে বেরানো এই গানের মুর্ছনায় একটাই প্রশ্ন ছিল কে এই মধুর সঙ্গীত শিল্পী? কি মায়াময় কণ্ঠ! শিল্পী ছিলেন মধুরা ভট্টাচার্য।যখন তিনি দশম শ্রেণিতে পড়েন সেই ২০০৫ সাল থেকেই পেশাগতভাবে গান গাইছেন মধুরা। আজ তিনি দেশের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা হিসাবে পরিচিত। প্লেব্যাক, বাংলা, হিন্দি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন এবং মঞ্চে এক ব্যস্ততম খ্যাতনামা শিল্পী।২০০৫ সালে ইটিভি, কালার্স বাংলায় সুপারহিট টেলিভিশন মেগা সিরিয়াল বহ্নিশিখা দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু, তারপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্টার জলসা, জি-বাংলা, কালার্স বাংলা, লাইফ ওকে চ্যানেলে ৮০ টিরও বেশি সুপার হিট টিভি সিরিয়ালে টাইটেল সং-এ কণ্ঠ দেন তিনি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য মা, বোঝেনা সে বোঝেনা, মেরি মা, কিরণমালা, রাগে অনুরাগে, চোখের বালি, গোয়েন্দা গিন্নী, পুণ্যি পুকুর, মিলন তিথি, জয়ী, কুঞ্জছায়া, প্রথমা কাদম্বনি।২০০৭-তে তিনি ইন্ডিয়ান আইডল-এ অংশ নিয়েছিলেন, ২০০৯-তে অল ইন্ডিয়া মিউজিক প্রতিযোগিতা সিতারোঁ কো চুনা হ্যায়-এ ১১ জন কঠিন প্রতিযোগির সঙ্গে লড়াই করে দ্বিতীয় স্থান আধিকার করে ভারত জোড়া খ্যাতি লাভ করেন।মধুরা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সঙ্গীত নিয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। মধুরার এই সংগীত সাধনার প্রেরণা তাঁর মা শম্পা দেবী, তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শন-এর নিয়মিত সংগীতশিল্পী, বাবা প্রাক্তন বিচারপতি তুষারকান্তি ভট্টাচার্য সরকারি আধিকারিক হলেও খুব ভাল আবৃত্তিকার ও লেখক।তাঁর প্রথম বাংলা ছবিতে আত্মপ্রকাশ প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের মাহাকাল ছবিতে। তারপর থেকে তাঁর দৌড় আর থামানো যায়নি। সঙ্গীত রসিকদের মতে, তাঁর নামকরণ যে কতটা সার্থক তা তাঁর গান শুনলেই বোঝা যায়। প্রথম জীবনে তিনি নিলাক্ষী নামে পরিচিত ছিলেন। মনে করা হয় সাফল্যকে আরও মসৃন ও শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্যই তিনি নাম পরিবর্তন করে মধুরা হন।মধুরা মুম্বাই ও কলকাতার বহু বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে সিনেমায় ডুয়েট ও একই মঞ্চে আনুষ্ঠান করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, উদিত নারায়ণ, বাবুল সুপ্রিয়, অভিজিৎ, কুমার সানু, শান, শফতত আমানত আলি, অঙ্কিত তিওয়ারি, অরিজিৎ সিংহ। এর পাশাপাশি অরুনধতি, দিওয়ানা, কি করে তোকে বোলবো, তোর নাম, তিনপাত্তি, শিকারি, উড়োচন্ডী, গুগলি-র মত বকব্লাস্টার সিনেমায় টলিউড এবং বলিউড-এর বিখ্যাত সংগীত পরিচালক জিৎ গাঙ্গুলি, দেবোজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রাদীপ দাশগুপ্ত এবং আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন। অপর্না সেন পরিচালিত সিনেমা আরশিনগরে মওলা গানের জন্য মধুরাকে শ্রেষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে টেলিসিনে পুরস্কার প্রদান করা হয়।ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মধুরাকে চিনে আয়জিত ১০ম এশিয়া আর্ট ফেস্টিভ্যাল আমন্ত্রন জানানো হয়। অনুষ্ঠানগুলি বেজিং সহ আরও ১৪টি প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে আমন্ত্রণমূলক আনুষ্ঠান করেন। তাঁকে ২০১৭ সালে উত্তর আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সে (এনএবিসি) আমন্ত্রিত করা হয়েছিল। ২০১৮-তে টরন্টো, ২০১৮ এবং ২০১৯-তে মধুরা তাঁর সহ সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে সাঙ্গীতের মাধুর্য্য ছড়িয়ে আসেন।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ছবিঃ ফেসবুক

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
দেশ

ফের বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

স্থায়ী হল না স্বস্তি। বুধবার ফের বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুও বাড়ল অনেকটা। তবে স্ব্স্তি দিচ্ছে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা। সুস্থতার হার বেশি থাকায় দেশে ক্রমশ কমছে চিকিৎসাধীন কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৭ জন। মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজার ১১০ জন। এক ধাক্কায় হাজারের বেশি বেড়েছে দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা। এর ফলে দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৭১ জন। তবে মোট আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সরকারি হিসেব বলছে, ইতিমধ্যে দেশে করোনাকে জয় করেছেন ১ কোটি ৫ লক্ষ ৬১ হাজার ৬০৮ জন। যাঁদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডমুক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৭ জন। যা দৈনিক সংক্রমিতের চেয়ে অনেকটাই বেশি।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের হিসেব বলছে, ইতিমধ্যে দেশে ৬৬ লক্ষ ১১ হাজার ৫৬১ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে টিকাকরণ চললেও কোভিডবিধিতে ঢিলেমি করতে রাজি নয় সরকার। তাই আমজনতাকে সামাজিক দূরত্ববিধি এবং মাস্ক পরে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
দেশ

লালকেল্লার হিংসার ঘটনায় গ্রেপ্তার দীপ সিধু

গ্রেপ্তার লালকেল্লা হিংসার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধু। এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। কয়েকদিন আগেই দীপ সিধুর হদিশ দিতে পারলেই দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিশ। সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লা দখলের ঘটনায় দীপের আরও দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়। এর মধ্যে একজন যুগরাজ সিং। যাঁর বিরুদ্ধে লালকেল্লায় নিশান সাহিবের পতাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যেই দিল্লি ও পঞ্জাবের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রায় ৪৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও শোনা গিয়েছে। জজবীর সিং, বুটা সিং, সুখদেব সিং এবং ইকবাল সিং নামের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছে। তাদের হদিশ দিতে পারলে মিলবে ৫০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার। অভিযুক্তদের ছবিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। যাতে কেউ চিনতে পারলেই পুলিশে খবর দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

'আবার আমিই ফিরব', আত্মপ্রত্যয়ী মুখ্যমন্ত্রী

ফের তিনি ফিরে আসবেন। রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিধানসভারও মেয়াদ শেষ হল। বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন আইনসভা গঠিত হবে। সেখানে বর্তমান সদস্যদের কেউ কেউ থাকবেন। কেউ আবার থাকবেন না। নতুন সদস্যও আসতে পারেন। শেষ অধিবেশনের শেষদিন আনুষ্ঠানিক ফোটোসেশন হল বিধিবদ্ধ ঔপচারিকতা। সেই সমবেত ছবি তোলার পর মমতা বলেছেন, আই উইল বি ব্যাক, অর্থাৎ আমি ফিরে আসব।এমনিতে শাসক-বিরোধী মিলেই ফোটোসেশন হয়। তবে সোমবার ওই সময় ছিলেন না বাম এবং কংগ্রেসের কোনও বিধায়ক। তবে হাজির ছিলেন বিজেপি বিধায়করা। ফোটোসেশন সেরে যাওয়ার সময় দুআঙুল তুলে ভিকট্রি চিহ্ন দেখান মমতা। বলেন, আই উইল বি ব্যাক। তারপর স্পিকারের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে বিধানসভার কর্মচারীদের সঙ্গেও ছবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন তিনি আবার বলেন, আই উইল বি ব্যাক। কর্মচারীদের মধ্যে একজন মমতাকে বলেন, আপনাকে খুব আত্মপ্রত্যয়ী লাগছে। মুখ্যমন্ত্রীর উত্তর, আমি চিরকালই খুব আত্মপ্রত্যয়ী। অর্থাৎ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসবে এবং তিনিই যে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে নিশ্চিত মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
দেশ

উত্তরাখণ্ডের তুষার ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা!

রবিবার সকালে নামা তুষার ধসে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ড। জোশীমঠের কাছে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। তীব্র জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কায় ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্প তছনছ হয়ে গিয়েছে। ভেসে গিয়েছে নদীর পাড়ের বহু ঘরবাড়ি। এই ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় ১০০-১৫০ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন মুখ্যসচিব ওম প্রকাশ। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। আচমকা নামা ধসের ফলে চামোলির তপোবন বাঁধের কাছে নির্মীয়মাণ টানেলে আটকে পড়েছেন অন্তত ২০ জন মানুষ। আইটিবিপি-র ডিজি এসএস দেশওয়াল জানিয়েছেন, তাঁদের দল আটক ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রেনি গ্রামের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় ১০০ জন কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে নদী থেকে। বাকিদেরও খোঁজে চলছে তল্লাশি। ঘটনাস্থলে রয়েছেন আইটিবিপি-র ২৫০ জন জওয়ান। ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও সেখানে যাচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। উদ্ধার কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা লাগাতার এনটিপিসির ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছিল নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করতে। এদিন ধস নামার পরেই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে ভাগীরথীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য খালি করে দেওয়া হয়েছে শ্রীনগর ও ঋষিকেশ বাঁধ। জলের তোড় ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে জোশীমঠের মালারি অঞ্চলে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের তৈরি এক সেতু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে সকলের নিরাপদে থাকার প্রার্থনা করেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে তাঁর ও অমিত শাহর। দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। তিনি তাঁর টুইটারে লিখেছেন, আমি নিশ্চিত উদ্ধারকার্য ও ত্রাণকার্য ভালভাবেই চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
কলকাতা

ফের মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন

ফের মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন। আবার বাড়ল ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম। একধাক্কায় ২৫ টাকা বাড়ল দাম। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে ৭৪৫ টাকা ৫০ পয়সা দাম দিয়ে কলকাতায় কিনতে হবে রান্নার গ্যাস। ফের রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় বিরক্ত আমজনতা।ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন এখন নিয়ম করে মাসের শুরুর দিকেই রান্নার গ্যাসের দাম পর্যালোচনা করে। প্রতি মাসের শুরুতেই জানিয়ে দেওয়া হয় সিলিন্ডারের নতুন দাম। তবে এবার ৪ তারিখ থেকে লাগু হল রান্নার গ্যাসের নতুন দাম। গত মাস পর্যন্ত ৭২০ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে রান্নার গ্যাস কিনতে হত আমজনতাকে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে সেদিন শেষ। কারণ, একধাক্কায় ২৫ টাকা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তার ফলে ৭৪৫ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে কিনতে হবে রান্নার গ্যাস। এর আগে ডিসেম্বর থেকে তিন দফায় বাড়ল গ্যাসের দাম। ১৩ দিনের ব্যবধানে ডিসেম্বরে দুবার বেড়েছিল গ্যাসের দাম। তারপর ফেব্রুয়ারি ফের ভরতুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
দেশ

বাজেটে নির্মলার মন্ত্র 'আত্মনির্ভর ভারত'

করোনাকালে শতাব্দীর প্রথম সাধারণ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। অতিমারির আবহে দেশকে ফের উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে আত্মনির্ভর ভারত মন্ত্রই আওড়ালেন তিনি।সংসদে বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝে পেপার লেস বাজেট পেশ করে নির্মলা বলেন, আমরা আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে বাজেট তৈরি করেছি। ধারাবাহিক বৃদ্ধির চেষ্টা থাকবে এই বাজেটে। ৫৪ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ হয়েছে। এর ফলে ১৭ হাজার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত হবে। সরকার যে আত্মনির্ভর প্রকল্প নিয়েছে তা জিডিপির ১৩ শতাংশ। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে আমরা দায়বদ্ধ। করোনা ভ্যাকসিন তৈরিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত গোড়ার জন্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে হবে। ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরকে মজবুত করতে পাঁচ বছরে ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। করোনা টিকার জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গরীব মানুষের উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করছে সরকার। এর আগে তিনটি আত্মনির্ভর প্যাকেজ প্রায় তিনটি মিনি বাজেটের সমান ছিল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
দেশ

রবি ঠাকুরকে স্মরণ করে শুরু বাজেট বক্তৃতা

কোভিড পরিস্থিতিতে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে ভারতের অর্থনীতি। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। মন্দা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। সাধারণ বাজেট ২০২১ সংক্রান্ত সমস্ত লাইভ আপডেট:সকাল ১০.১২: সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সকাল ১০.২১: বাজেট পেশের আগে ক্যাবিনেট বৈঠকে মন্ত্রীরা। সকাল ১০.৩৩: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সংসদে পৌঁছলেন। সকাল ১০.৪৫: ক্যাবিনেট বাজেটকে ছাড়পত্র দিল। সকাল ১০.৫৫: বাজেটে কর্মসংস্থানের হদিশ দিতে হবে, দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির। সকাল ১১.০১: বাজেট পেশ করছেন নির্মলা সীতারমণ। সকাল ১১.০৫: গত এক বছর ধরে নানা নতুন প্রকল্প শুরু করেছে কেন্দ্র। সেই খতিয়ান তুলে ধরছেন অর্থমন্ত্রী। সকাল ১১.০৭: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আবৃত্তি করে বাজেট পেশ শুরু করলেন নির্মলা সীতারমণ।সকাল ১১.১৩: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নয়া ঘোষণা। আত্মনির্ভরতায় জোর। বরাদ্দ ৫৪ হাজার কোটি। বরাদ্দ বাড়ল ১৩৭ শতাংশ।সকাল ১১.১৫: পুষ্টিক্ষেত্রে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের।সকাল ১১.১৭: বিশুদ্ধ জল শহরে পৌঁছে দিতে মোটা টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের। দূষণ রুখতে নয়া নীতি। সকাল ১১.১৮: ২০ বছর পর ব্যক্তিগত পুরনো গাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। সকাল ১১.২০: কোভিড ভ্যাকসিন খাতে ৩৫ হাজার কোটি। সকাল ১১.২২: ইনসেনটিভ ভিত্তিক উৎপাদনে জোর। সকাল ১১.২৩: বস্ত্রশিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পার্ক তৈরি করবে কেন্দ্র। ৭ বস্ত্রশিল্প পার্ক তৈরি হবে। বিশ্বমানের রপ্তানি পরিকাঠামো তৈরি হবে। সকাল ১১.২৪: অ্যাসেট মনিটাইজিং প্রোগ্রাম শুরু।সকাল ১১.২৭: ক্যাপিটাল এক্সপেনডেচার বাড়ানো হল। ৫.৫৪ লক্ষ কোটি বরাদ্দ। সকাল ১১.২৮: রাস্তা ও হাইওয়ে তৈরির ক্ষেত্রে ভারতমালা প্রকল্পে জোর। কলকাতা-শিলিগুড়ি হাইওয়ে ও অসমের রাস্তা উন্নয়নে মোটা টাকা বরাদ্দ। আগামী তিন বছরে খরচ হবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
দেশ

সুর নরম কৃষকদের

কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় রাজি কৃষকরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবের পরই সুর নরম করল কৃষক সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। শনিবার ৪০টি কৃষক সংঠনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কৃষকরা এতদূর থেকে দিল্লিতে সরকারের দ্বারে এসেছে শুধু নিজেদের নির্বাচিত সরকারকে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে। সুতরাং কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা না করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদিও, কৃষক সংগঠনগুলো আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, কৃষি আইন বাতিল ছাড়া কোনওভাবেই আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না।শনিবার সর্বদল বৈঠকে কৃষি আইন ইস্যু নিয়ে বিরোধীদের আশ্বস্ত করার সবরকম প্রচেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিয়েছেন, কৃষকরা চাইলে এখনও তাঁর সরকার এই বিতর্কিত আইন সাময়িকভাবে স্থগিত করে রাখতে রাজি আছে। বিরোধী সাংসদদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষকদের এই আইন স্থগিত রাখার যে প্রস্তাব দিয়েছিলাম তা এখনও আছে। আমার সরকার এখনও ১৮ মাসের জন্য এই আইন প্রত্যাহারে প্রস্তুত। এদিকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বার্তা দিলেও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলো। তাঁদের দাবি, দিল্লি পুলিশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণে উস্কানি দিচ্ছে। স্থানীয়দের নামে বিজেপি সমর্থকরা হামলা চালাচ্ছে নিরীহ বিক্ষোভকারীদের উপর।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
দেশ

দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ

দিল্লির ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ। ইতিমধ্যেই তাদের টেলিগ্রাম চ্যাট তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সেখানেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। তবে সেই চ্যাট এখনও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। তাই এ নিয়ে সরকারিভাবে তদন্তকারীদের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।ওই টেলিগ্রাম চ্যাটে জইশ-উল-হিন্দ সংগটের পরবর্তী পরিকল্পনার হদিশ মিলেছে বলেও খবর। সূত্রের দাবি, এই সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষছে। এরপরই মুম্বই-সহ একাধিক শহরে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে একটি মুখবন্ধ খামও উদ্ধার হয়েছিল। যেখানে ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনের বিস্ফোরণকে ট্রেলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের হুমকি দে্ওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী!

১৫ দিনের মধ্যে ফের রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় এক সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। তবে, মোদির এবারের সফরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি এখনও নেই।বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত পেট্রোলিয়ামের এক সরকারি কর্মসূচিতে ঝটিকা সফরে রাজ্যে পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতা হয়ে সরাসরি তিনি চলে যাবেন শুভেন্দুর গড় হলদিয়ায়। সেখানেই সরকারি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেখান থেকেই দিল্লি ফিরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বিজেপি সূত্রের খবর, রাজ্য নেতৃত্ব চেষ্টা করছে, সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য সফর দীর্ঘায়িত করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি তাতে অন্তর্ভুক্ত করার। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দুদিনের রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। কিন্তু শুক্রবার দিল্লিতে ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ হওয়ায় সেই সফর বাতিল হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে হাওড়ার যোগদান মেলায় কেন্দ্রস্তরের বড় কোনও নেতাকে আনার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। তাছাড়া আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি এমনিও রাজ্যে আসতে চলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
দেশ

আজ শুরু বাজেট অধিবেশন

কোভিড পরিস্থিতি, কৃষক বিক্ষোভের মধ্যেই আজ থেকে সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অধিবেশন চলবে। তবে বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্নে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মুখিয়ে রয়েছেন বিরোধীরা। সেই সঙ্গে কোভিডকালে দেশের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে।কোভিড পরিস্থিতিতে ৩টি আলাদা জায়গায় সমস্ত সাংসদদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।শুধু কৃষক আন্দোলনই নয়, এ বারের বাজেটে দেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্ন সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ কেন্দ্র ভূরি ভূরি দাবি করলেও, অর্থনীতি সে ভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে না বলে মত অর্থনীতিবিদদের একাংশের। বরং চলতি অর্থবর্ষে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের হার ২৫ শতাংশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের। কোভিড পরিস্থিতিতে অধিবেশনের জন্য বিশেষ সতর্কতাও অবলম্বন করা হচ্ছে। উপ রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু এবং অন্য সাংসদরা ইতিমধ্যেই কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। কর্মী, আধিকারীক মিলিয়ে রাজ্যসভা সেক্রেটারিয়েট থেকে মোট ১২০০ জন কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। এঁদের কারুরই টেস্ট পজিটিভ আসেনি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 87
  • 88
  • 89
  • 90
  • 91
  • 92
  • 93
  • ...
  • 103
  • 104
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal