• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

বিনোদুনিয়া

Sinduk Rahasya : ভিন্নধারার ছবি সিন্দুক রহস্য

জয়ন্ত পালের ছবি সিন্দুক রহস্যের পোস্টার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার ইন্দিরা সিনেমা হলে। পোস্টার লঞ্চ করলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক রাজা সেন ও তমাল রায়চৌধুরী। এরপর এই প্রোজেক্টের সঙ্গে গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক থেকে শুরু করে বাকিরা তাদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।সিন্দুক রহস্য নিয়ে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে সকলের মধ্যে। এই ছবির মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন মাসুম ও টিনা। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তমাল রায় চৌধুরী, দেবাশীষ গাঙ্গুলী ও রাজু মজুমদার সহ আরো অভিনেতা। সকলের পরিচিত মুখ অরিত্র দত্ত বণিক সিন্দুক রহস্য ছবিতে সম্পাদকের ভূমিকা পালন করেছেন।নবাগত অভিনেতা ও নবাগতা অভিনেত্রী কে এখানে দর্শকরা দেখতে পাবেন। ফলে নতুন একটা জুটি পেতে চলেছে টলিউড। এই ছবির মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি। তবে জানা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে এই ছবিটি।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sindur Khela : দশমীতে সিঁদুরখেলায় মাতলেন টলি তারকারা

আজ বিজয়া দশমী। দশমী মানেই বিষাদের সুর বাজতে শুরু করে। আবার এক বছরের অপেক্ষা। তবে আবার দশমী মানেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন মেয়েরা। যার মধ্যে আবার আলাদা একটা আনন্দ রয়েছে। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠাতে বাদ জাননা টলি তারকারাও। এই বছর কোভিড বিধি মেনে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নুসরত জাহান, শুভশ্রী, দেবলীনা কুমার, কোয়েল মল্লিক, ফালাক রশিদ রায়, রাইমা সেন সকলেই। সিঁদুরখেলায় না মাতলেও দেবীকে বরণ করলেন মিমি চক্রবর্তী। তবে সিঁদুরখেলায় যে বিবাহিতরাই মাতেন এমনটা নয়। সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী ও সোহিনী সরকার। বিয়ের পর প্রথম সিঁদুর খেলায় দেবলীনা কুমারকে বেশ ভালো লাগছিল। সঙ্গে ছিলেন গৌরব। নিয়ম-রীতি মেনে মা-কে বরণ করে নিলেন অভিনেত্রী। দশমীর দিন লাল শাড়িতে ধরা দিলেন কোয়েল। মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিতে দেখা গেল কবীরের মা-কে, সেই সিঁদুর নিজের সিঁথিতেও ছুঁইয়ে নিলেন নিসপাল সিং ঘরনি।এদিন সকলের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। সঙ্গে হাসি মুখে জানান, আসছে বছর আবার হবে। অগ্নিদের চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির দুর্গাপুজো অনেকেই জানেন। তাদের বাড়ির ঠাকুর দেখতে অনেক টলি তারকা ভিড়। অগ্নিদেব ও সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় বিগত বছরগুলোর মত ধূমধাম করে না হলেও একসঙ্গে সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন। সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিদেশ

Sheikh Hasina: বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

পরশি বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কুমিল্লার ঘটনার ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নামাতে হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, হিংসার ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, একাধিক ব্যক্তি জখম হয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের লোক বসবাস করে। যে যার ধর্ম সে পালন করবে। অর্থাৎ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। একসঙ্গে সবাই মিলে উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করে এই দেশে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দুষ্টু চক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্য আমরা পাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। যে ব্যক্তিই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। যখন একটা জিনিস সুন্দর ভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশের উন্নয়নে বাধা দেওয়া ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না তারাই এই কাজ করে। সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কথাও স্মরণ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বলেছিলেন বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারাই এখানে বসবাস করেন সবাই এদেশের নাগরিক। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সম অধিকার ভোগ করবেন। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম পালন সকলেই করতে পারবেন তা সংবিধানে অধিকার দিয়ে গিয়েছেন তিনি।সংখ্যায় কম হলেই সংখ্যালঘু বেশি হলেই সংখ্যাগুরু। সাধারণত একথা সব দেশেই প্রচলিত আছে। এই ধারনাও ঠিক নয় বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের কখনও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় ভাববেন না। এখানে আপনাদের জন্ম। আপনি স্বাধীন নাগরিক। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এসব কেউ ভাববেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Mother: দেবী পক্ষে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দুর্দশায় ফেলে পালালো গুণধর ছেলে

দেবী পক্ষে বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালো গুনধর পুত্র। অসুস্থ বৃদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন ভরসা পূর্ব বর্ধমানের গলসির নবখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা।নিজের ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান্তি তাঁর বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালেও বৃদ্ধাকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন নবখন্ডের বাসিন্দারই। তাঁরা পুলিশের কাছে বৃদ্ধার নিষ্ঠুর ছেলে সুপ্রিয়র কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দারা পাশে থাকলেও নিজের গর্ভের সন্তানের এমন দুর্ব্যাবহার মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধা। তাই প্রতিনিয়ত চোখের জল মুছতে মুছতে বৃদ্ধা মমতাদেবী ঈশ্বরের কাছে মুক্তি প্রার্থনা করে চলেছেন। নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, নবখন্ড গ্রামের বাড়িটি বৃদ্ধার দেশ বাড়ি। হাওড়ার বকুলতলা থানার দক্ষিণ বাকসারার কেঠোপুল এলাকায় বৃদ্ধার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা এখন থাকে। বৃদ্ধার ছেলে সুপ্রিয় বার্জার পেন্টস কোম্পানীতে মোটা টাকা মাস মাইনের চাকরি করেন। বৃদ্ধার স্বামী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাওয়ার পর সুপ্রিয় সেই চাকরিতে যোগ দেয়। কয়েকবছর আগে দুর্ব্যবহার করে সুপ্রিয় নিজের বৃদ্ধা মাকে হাওড়ার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে অসুস্থ শরীর নিয়ে এক প্রকার অনাহারেই নবখন্ড গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন বৃদ্ধা মমতাদেবী। বৃদ্ধার অসুস্থতা বাড়লে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার ছেলেকে ফোন করে বৃদ্ধার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা কার কথা বলেন।চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৫ অক্টোবর সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মাকে হওড়ায় নিয়ে যায়।চিকিৎসা করিয়ে সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শেষ সম্বল টুকুও হাতিয়ে নেয়। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে মাকে চাপিয়ে নিয়ে এসে সুপ্রিয় নবখন্ড এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে একটু আসছি বলে নেমে পড়ে গুনধর ছেলে সুপ্রিয় পালিয়ে যায়। রাত্রি দেড়টা পর্যন্ত ছেলে সুপ্রিয় আর ফিরে না আসায় অ্যাম্বুলেন্স চালক বৃদ্ধাকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌছে দেয়। পরদিন সকালে ওই বাড়ির বাইরে বৃদ্ধাকে কাতরাতে দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে পুুরসা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।অ্যাম্বুলেন্স চালক অচিন্ত্যকুমার মন্ডল বলেন, হাওড়ায় চিকিৎসা করতে নিয়ে গিয়ে মমতা দেবীর পরনের কাপড়, নগদ টাকাকড়ি ও সোনা হাতিয়ে নিয়ে কেটে পরেছে তাঁর ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অমানবিক এই ঘটনার জানার পর প্রতিবেশীরা সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি এমন নির্মম ব্যবহারের কারণ জানতে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : পুজোর আগে পথ শিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন পিঙ্কি ঘোষ এবং Next Envision NGO.

আর মাত্র কিছুদিনের অপেক্ষা। তাই তো দিন গোনা শুরু হয় গেছে কারণ কদিন পরেই দুর্গাপুজো আর দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব আর সাথে নতুন জামকাপড়। কিন্তু আমাদের সমাজে এরকম অনেক শিশু আছে যারা বাবা - মা পরিবারের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। তারা হয় কোনো সরকারি বা বেসরকারি অনাথ আশ্রমে থাকে নয়তো বা ফুটপাতে তাদের ও আমাদের মতোই পুজোয় নতুন জামা গায়ে দিয়ে ঠাকুর দেখতে যেতে ইচ্ছে করে।তাই এবার পুজোর আগেই প্রায় ১০০ জন শিশু পুজোর আনন্দে মেতে উঠলো কারণ পিঙ্কি ঘোষ তার জন্মদিন উপলক্ষে প্রত্যেক বছরের মতো এবারও Next Envision NGO এর তরফ থেকে তাদের হাতে তুলে দিলো নতুন জামা, সেই নতুন জামা পরেই তারা ঠাকুর দেখতে যাবে। Next Envision NGO এর সাথে রয়েছেন রিঙ্কি ঘোষ, শান্তনু কর্মকার, সর্গীয় সৌরভ বনিক, নিবেদিতা হালদার, পুনম বিশ্বাস, মৌমিতা বিশ্বাস চ্যাটার্জী, রিয়া সাহা, অদিতি বিশ্বাস এবং শোমা আগরওয়াল। এভাবেই যদি আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাড়াই তবেই তো এগিবো আমরা। পিঙ্কি ঘোষের জন্মদিনের অনেক অনেক শুভ কামনা জনতার কথা টিম এর পক্ষ থেকে। পিঙ্কি ঘোষ এবং তার টিম এর প্রত্যেক কে এই উদ্যোগ জন্যে কুর্নিশ জানায়।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : দুর্গাপুজোতে পরিচালক সৌভিক দে'র দুটো ভিন্নধারার প্রোজেক্ট

পুজোর মিউজিক ভিডিও জানি দেখা হবে ও স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি কোড 706 এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। দুটোই পরিচালনা করেছেন সৌভিক দে। জানি দেখা হবেতে অভিনয় করেছেন সৌভিক ব্যানার্জি ও মৌটুসী সর্দার। কোড 706 এ অভিনয়ে দেখা যাবে চাঁদনী সাহা ও অনিন্দ্য ব্যানার্জিকে।জানি দেখা হবে নিয়ে মৌটুসী জানালেন,পুজোর প্রেমের স্বাদ এই মিউজিক ভিডিওতে দেখা যাবে। পুজোর সময় কলকাতা যে আলাদা রূপ ধারণ করে, কলকাতার যে আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে সেটা ডিরেক্টর তুলে ধরেছে। আমি আর সৌভিক দা মিলে এটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।কোড 706 এ রয়েছেন চাঁদনী সাহা। দর্শকরা অনেক বাংলা ধারাবাহিকে চাঁদনী কে দেখেছেন। কোড 706 নিয়ে তিনি জানালেন,অনিন্দ্য দার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে মনেই হয়নি যে একটা কাজ করছি। প্রচণ্ড মজার একটা মানুষ। কিছু কিছু সিনে তো মনিটারও দেখতে হয়নি আমাকে। এরকম অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা বড় প্রাপ্তি। আমি আমার দিক থেকে ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।পরিচালক সৌভিক দে জানালেন,সবাই লকডাউনে ছিল। লকডাউনের পর সবাই একটু আনন্দ চায়। সেরকমই কিছু ভাবনা নিয়ে আমি দুটো কাজ করেছি। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।জানি দেখা হবে গতকাল মুক্তি পেয়েছে তাইচি প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে। কোড 706 মুক্তি পাবে পুজোতে। কিন্তু মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

Text Neck Syndrome: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির "টেক্সট নেক সিনড্রোম"

দূর্গা পুজো শুরু হতে যাচ্ছে। করোনার আবহাওয়াতেও মানুষ যেন নিজেকে আনন্দে মশগুল করে নিতে চাইছে। এবার মায়ের ঘোড়ায় আগমন আর দোলায় গমন। ঘোড়ায় আগমন মানে ছত্রভঙ্গন্তরঙ্গমে অর্থাৎ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি আর বিশৃঙ্খলা। দোলাং মড়কাং ভবেৎ অর্থাৎ মায়ের দোলায় গমনের জন্য প্রচুর মৃত্যু আর মড়ক হবে, শরীর খারাপ হবে। তাই মায়ের গমনের কথা মাথায় রেখে আমরা শরীর সম্পর্কিত একটি বিষয় আলোচনা করবো যে অসুবিধা আমাদের সবার জীবনেই আছে।মোবাইল আমাদের জীবনের খুব প্রয়োজনীয় অঙ্গ হয়ে গেছে। তার মধ্যে আবার ফেসবুক, হোয়াটসআপ ছাড়া আমাদের সময় কাটে না। ফেইসবুক, হোয়াটসআপ আর ইনস্টাগ্রাম যখন 4th Oct ডাউন হয়ে যায় তখন মনে হচ্ছিলো আমরা মোবাইল এর কাছে কিভাবে আসক্ত হয়ে গেছি। মোবাইল ছাড়া আমাদের একটুও সময় কাটে না। আর এই মোবাইলের প্রভূত ব্যবহারের ফলে আমাদের টেক্সট নেক সিনড্রোম হচ্ছে। আমরা ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রচুর এই ধরণের রোগী দেখছি, যার ফল মারাক্তক হতে পারে।কি এই টেক্সট নেক?টেক্সট নেক হলো এক বিশেষ ধরণের শারীরিক ভঙ্গিমা যাতে মাথা সামনের দিকে এগিয়ে থাকে ঠিক যেভাবে আমরা ফোন দেখি বা ফোনে টেক্সট করি। এই ভাবে দীর্ঘক্ষণ দিনের পর দিন করতে করতে শরীরের ভঙ্গিমার পরিবর্তন ঘটে। সমীক্ষায় বলছে ভারতীয়রা সারাদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করে.আমেরিকার কাইরোপ্র্যাক্টর Dr. Dean L. Fishman এই সিনড্রোমটির নামকরণ করেন।কখন বুঝবেন আপনার টেক্সট নেক হয়েছে?ঘাড় স্টিফ হয়ে থাকবে।ব্যথা হবে।ব্যথা হাত দিয়ে নামবে।Shoulder ব্যথা হবে।মাথা ব্যথা হবে।দীর্ঘদিন এই সমস্ত উপসর্গ কে অবহেলা করলেঃডিস্ক Prolapsedআর্থরাইটিসকইফোসিসলিগামেন্ট ইনজুরিনার্ভ ইনজুরিইত্যাদি হতে পারে।তাই সাবধান থাকার জন্য কয়েকটি টিপস আর এক্সারসাইজ দেখে নিই।প্রথমে বলি কি করা যাবে নাদীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।এক রকম শারীরিক ভঙ্গিমায় দীর্ঘক্ষণ থাকা যাবে না।কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করলে তা চোখের লেভেল বরাবর করতে হবে এবং হাত ও ঘাড়ের পজিশন ঠিক রাখতে হবে।হাতে বেশি ওজন বহন করা যাবে না।বড়ো কোনো জিনিস হাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকা যাবে না।এবার আলোচনা করি কয়েকটা ব্যায়ামঘাড়ের ডান ও বাম দিকে ঘোরানো।চিন টাক বা রিট্রাকশন এক্সারসাইজ।Shoulder এর মুভমেন্ট এক্সারসাইজ।Cervical এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।Dorsal Spine এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।ক্যাট - কাওএক্সারসাইজ।ডাউনওয়ার্ড ফেসিং ডগ।পদহস্তাসন।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

BAY: অবাস যোজনায় টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করা উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ পূর্ব বর্ধমানে

বাংলা আবাস যোজনায় টাকা পেয়েও যাঁরা বাড়ি তৈরি করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করলো প্রশাসন। টাকা পেয়েও দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি এমন ৪৩ জন উপভোক্তাকে মঙ্গলবার লাল চিঠি ধরালো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসন। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে বলেও প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন এমন কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এবার মহা-ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছে বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কজ শুরু না করা উপভোক্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর এমন উপভোক্তার সংখ্যা জেলার অন্য অনেক ব্লকেও রয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রশাসন একই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।খণ্ডঘোষ ব্লকের বিডিও সত্যজিৎ কুমার জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির অগ্রগতির ক্ষেত্রে গোটা জেলার মধ্যে খণ্ডঘোষ ব্লক সবথেকে এগিয়ে রয়েছে। এদিন যে ৪৩ জন উপভোক্তাকে লাল চিঠি ধরানো হয়েছে তাঁরা খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের কেউ দেড় বছর আগে আবার কেউ দুবছর আগে বাংলা আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজই শুরু করেননি। বিডিও ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ওই ৪৩ জন উপভোক্তাকে এর আগে গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লকের যুগ্ম বিডিও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুর কথা জানিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা কেউ হেলদোল দেখাননি। তাই এদিন ওই ৪৩ জনকে লাল চিঠি ধরিয়ে এক সপ্তাহের অন্তিম সময় বেঁধে দেওয়া হল। তাঁর মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে।বিডিওর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার উপভোক্তাদের এ্যাকাউন্টে যথা সময়েই বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু টাকা পেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করার দায় একন্ত ভাবেই উপভোক্তাদের। এক্ষেত্রে প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না ।খণ্ডঘোষের কিছু বাসিন্দা এই প্রসঙ্গে বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেয়ে সেই টাকা ব্যবসায় লাগিয়েছে। আবার কেউ সুদে খাটাচ্ছে। তাই তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারেননি। লাল চিঠি পৌছে যাওয়ার এবার তাঁরা কি করেন সেটাই এখন দেখার বলে বাসিন্দারা মন্তব্য করেছেন। জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি করবে বলে সরকারের টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরি করবে না এমনটা হতে পারে না। যাঁরা বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। প্রশাসন সঠিক কাজই করেছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
দেশ

Priyanka Arrest: গ্রেপ্তার করা হল প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে

৩৫ ঘণ্টা আটক করে রাখার পরে গ্রেপ্তার করা হল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে সীতাপুর থানার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিভঙ্গের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। যে গেস্ট হাউসে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, তাকেই অস্থায়ী জেল হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রিয়াঙ্কা-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস নেতা দীপেন্দ্র হুডা, অজয় কুমার লাল্লুও রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রিয়াঙ্কার অফিসের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো না হলেও সূত্রের খবর, শীঘ্রই আদালতে তোলা হবে তাঁদের।বিস্তারিত আসছে-

অক্টোবর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Designer Studio : 'অপ্সরা দ্য ডিজাইনার স্টুডিও'র এক বছর উদযাপন

ওমেন অফ দ্য ইউনিভার্স ২০১৯ অপ্সরা গুহঠাকুরতার অপ্সরা দ্য ডিজাইনার স্টুডিও এক বছরে পড়ল। বিশেষ দিনে পুজো উপলক্ষে স্পেশাল অফার ও ছিল। কেক কেটে কাছের মানুষ ও মিডিয়ার বন্ধুদের সঙ্গে এই বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করলেন তিনি। বেলুন ও হ্যাপি অ্যানিভারসারি লেখা দিয়ে খুব সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল অপ্সরা দ্য ডিজাইনিং স্টুডিও। তাই বিশেষ দিনটি আরও বেশি কালারফুল হয়ে উঠেছিল। পুজোর ঠিক আগে ১ বছরের সেলিব্রেশন। তাই স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি তিনি। পুজোর জন্য বেশ কিছু অফারও রাখছেন। নতুন কালেকশন থাকছে পুজোর আগে রামগড় প্রগতি সংঘ ক্লাবের কাছে তার এই ডিজাইনার স্টুডিওতে। বিশেষ দিনে অপ্সরা জানালেন, আমার এটা শুরু করার প্ল্যান ছিল এপ্রিল ২০২০ তে। কিন্তু প্যান্ডামিকের জন্য সবকিছু ভেস্তে গেল। ২০২০র ১ অক্টোবর এই জার্নিটা শুরু হয়। শুরুর প্রথম দিন থেকেই আমি ভীষণ পজিটিভ রেসপন্স পেয়েছি। আমার কাছে এটা আমার সন্তানের প্রথম জন্মবার্ষিকী। ভেরি ভেরি মেমোরেবল। প্রথম একটা অধ্যায়, প্রথম একটা ধাপ পেরিয়েছি। জার্নি আরও অনেক বাকি। তিনি আরও জানালেন,সারাদিন খুব ভালো কাটছে। এক বছরের এই বিশেষ দিনের মূল উদ্দেশ্য প্রি পুজো এক্সিবশন কাম সেল। আপটু ৩০% ফ্ল্যাট সেল রয়েছে। এটা আমি আমার ক্লায়েন্টস দের অফার করছি।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Galsi-2 BDO: ১৫২ তম গান্ধী জয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানের গলসী -২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম জয়ন্তী সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও মহাসমারোহে পালন করা হয়। পুর্ব-বর্ধমান জেলার গলসী-২ ব্লক এমপ্লইয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এই দিনটি মহাসমারোহে পালন করা হয়। দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে তাঁরা অফিস প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুপ্রিয় অধিকারী।এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) গলসী-২ ব্লকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, আমরা কর্মজীবন শুরু বিডিও হিসাবেই। সেই সময়ে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ করার চেষ্টা করা হত। কিন্তু বেশীরভাগ ব্লক অফিস হয় বড় রাস্তার ধারে নাহলে রেল স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায়, দূরের মানুষজনকে পরিষেবা পেতে খুব-ই কষ্ট করে ব্লক অফিস আসতে হয়। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন ব্যবহার যত বেড়েছে ততই মানুষ যেকোনও জিনিস অতি সহজেই জানতে পারছেন, তা সে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা দুয়ারে সরকার-এর পরিষেবা। তিনি আরও বলেন, গলসী-২ এর এই ওয়েবসাইটের জন্য মানুষ খুব সহজেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্বন্ধে বাড়িতে বসেই বিশদে জানতে পারবেন।গলসী-২ বিডিও সঞ্জীব সেন জানান, এই বিশেষ দিনে গলসী-২ ব্লক এমপ্লয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও আবশ্যক খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ব্লক স্বাস্থ আধিকারিকের সহায়তায় স্থানীয় অপুষ্ট শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পৌষ্টিক আহার বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, বর্তমানকালে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ব্যবহার ছাড়া কোনও গতি নেই। সেই উদ্দেশ্যেই এই ওয়েবসাইট বানানো। মানুষ ঘরে বসে ব্লকের পরিষেবা সমন্ধে অনেক কিছুই জানতে পারবে এর মাধ্যমে। করোনা ভ্যাকসিনের টোকেনের জন্য মানুষকে রাত জেগে লাইন দিতে হবে না, এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পেরে যাবেন তাঁর টিকা কবে কোথায় কখন পাবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি, গলসি-২ ব্লকের আধিকারিকগন, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ-প্রধান।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lilly : পুজোয় লিল্লির সঙ্গে নাচবে বাংলা

এনা সাহার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেইনমেন্ট এর নতুন চমক। তাদের প্রোডাকশন হাউস থেকে দুর্গাপুজোর জন্য মুক্তি পেল তাদের পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি। জয়জিৎ ব্যানার্জীর লেখা এই গানটি গেয়েছেন সমিধ মুখার্জি ও উরভি চ্যাটার্জী। গানটির সুরকার সমিধ মুখার্জি। এই গান নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত সমিধ মুখার্জি। তিনি জানালেন,জয়জিৎ আমাকে একটা ইনজেকশন দিল। লিলির ইনজেকশন। আমার একটা জ্বর হলো, লিলি জ্বর। এটাতে কাঁপতে যাচ্ছে বাংলা। আশাকরি মানুষের ভীষণ ভালো লাগবে।জয়জিৎ ব্যানার্জিও লিল্লি জ্বরে নিজেকে আটকে রেখেছেন। তিনি বলেছেন,এবারের পুজোয় লিল্লির সঙ্গে। লিরিক্সটা কিছু ভেবেচিন্তে লিখিনি। বেরিয়ে গেছে মাথা থেকে। আমি একটা জিনিসের টাচ রাখতে চেয়েছিলাম সেটা বাঙালিয়ানা। এখন দেখা যাক পুরোটা কেমন হয়। এনা সাহা তার প্রোডাকশন হাউস থেকে দুটো ফিচার ফিল্ম করলেও এরকম হাটকে মিউজিক ভিডিও প্রথম। এই মিউজিক ভিডিওর বৈশিষ্ট্য এখানে গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সে দেখা যাবে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী কে। সবমিলিয়ে দুর্গাপুজোর আগে চারপাশ লিল্লিময়।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

LPG Price Hike: পুজোর আগেই ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের!

পুজোর আগে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতিমাসেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে গ্যাসের দাম। হেঁসেল জ্বালাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে সবাই, সেই সময়ই ফের একবার বাড়ল গ্যাসের দাম। সেপ্টেম্বর মাসের পর এ বার অক্টোবর মাসের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তবে গৃহস্থদের এবার রেহাই দিয়ে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১৯ কেজির যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার রয়েছে, তার দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। আজ থেকেই যা কলকাতায় কার্যকর। উৎসবের মরশুমে এই দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তরাঁ, খাবারনের দোকানগুলিতেও দাম বাড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে সেই গৃহস্থের পকেটই ফাঁকা হতে চলেছে।।১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি, ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নিতে গেলে এবার থেকে খরচ করতে হবে ১৪৪৬.৫০ টাকা। রিফিল সিলিন্ডারের জন্য ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ পড়বে। ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। রিফিল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সেই খরচই পড়বে ৫২০ টাকা। ৪৭.৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এবার থেকে সিলিন্ডার পিছু ৪৫১০ টাকা খরচ পড়বে। একস্ট্রা তেজ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৪৫৬৬ টাকা খরচ হবে। ১৯ কেজি ন্যানো কাট বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এ বার থেকে পড়বে ২০৬৪ টাকা। ১৯ কেজি এক্সট্রা তেজ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেই সেই খরচটা কিছুটা কম পড়বে। সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৮২৮ টাকা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur By Poll: ভোটারদের এগিয়ে আসার আবেদন ফিরহাদ-সুব্রতর, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

সকাল থেকে ভবানীপুরে ভোটের হার কম। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্রা ২২ শতাংশ। তাই ভোটারদের ভোটদানের আর্জি জানিয়ে টুইট করেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। নিয়মবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে ভবানীপুর কেন্দ্রের বাইরে কোনও থানায় ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দি করার দাবিও জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ভবানীপুরে ফাঁকা বুথ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। সকাল থেকেই এখানে একাধিক বুথ ফাঁকা। অবশেষে ভোট চেয়ে ময়দানে নামলেন তৃণমূল নেতারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটদানের আর্জি ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের। ফিরহাদ হাকিম টুইটারে লেখেন, ভবানীপুরে উন্নয়নের স্বার্থে সবাই ভোট দিতে আসুন। অন্যদিকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের টুইট, আজ ভবানীপুর-সহ বাংলার তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। আমাদের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করতে হবে।Urging everyone from Bhabanipur today to step out and vote for Development, vote for Equality.#MamataBanerjeeForBhabanipur FIRHAD HAKIM (@FirhadHakim) September 30, 2021সোমবার সকাল ৯টা অবধি ভবানীপুরে ভোটের যে শতাংশ, তা মাত্র ৭.৫৭ শতাংশ। ভোটদানের এই হার যথেষ্টই খারাপ। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আবহাওয়ার কারণে হয়তো ভোটাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করা মুশকিল হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেল, রোদ ঝলমলে সকালেও ভোটের লাইনে দাঁড়াতে অনীহা ভোটারদের।#VoteForDidiToday is a very important day as the by-polls are are being held in 3 seats including Bhabanipur. We have to motivate voters to vote in favour of Didi and ensure that Didi wins by a huge margin.#MamataBanerjeeForBhabanipur pic.twitter.com/XzS4nUxTuP MLA Subrata Mukherjee (@MLA_Subrata) September 30, 2021ক্যাথিড্রাল মিশন হাইস্কুলের চারটি বুথ ১৪৮, ১৪৯, ১৫৯ ও ১৫২। বুথের ভিতরে এবং বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু ভোটারদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশ কিছুক্ষণের ব্যবধানে পর পর দু চারজন করে ভোটার ভোট দিতে আসছেন। বেলতলা গার্লস হাইস্কুলের বুথেও সকাল থেকে ভোটারদের দেখা নেই। চেতলাহাট আরবান হেলথ সেন্টারের ৯৯ নম্বর বুথেও একই ছবি। ৭১ নম্বর ওয়ার্ডেও হাতে গোনা কয়েকজন ভোটার লাইনে দাঁড়িয়েছেন। খাস কলকাতায় এমনিতেই ভোটের হার তুলনামূলক কম পড়ে। কিন্তু তা বলে এতটা কম কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরাল যে, রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে টুইট করে ভোটদাতাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করতে হচ্ছে, তাও আবার ভোটের দিন!আর সুযোগ বুঝে কমিশনে এই টুইটের প্রেক্ষিতে অভিযোগও জানিয়ে ফেলেছে বিজেপি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • ...
  • 89
  • 90
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal