• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

Bengal Global Business Summit: ২ বছর পর ফের রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

অতিমারির আবহে দু বছর স্থগিত থাকার পর আগামী বছর রাজ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বছর ২০-২১ এপ্রিল এই দুদিন বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই দিনক্ষণ ঘোষণা করেন । তিনি জানান, এখন বাংলায় করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, তাই রাজ্যে বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এরজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মুখ্যসচিব ওই কমিটিতে থাকছেন। পুরো পরিকল্পনা পরে নবান্নের তরফে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার আরও বড় আকারে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। দেশ-বিদেশের বহু নামী-দামী সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে আগামী বছর বাংলা নববর্ষের আগেই কলকাতায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে এ কথা বলাই বাহুল্য। শেষবার এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি এবং শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানান, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে আমাদের কাছে যা আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে। ভিক্ষে করে বাঁচা নয়, বুদ্ধি করে আমাদের সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। সেগুলি কাজে লাগান, সবকিছু পেয়ে যাবেন।পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সেই উদ্যোগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সামিল হতেও অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ইকো পার্কের বিজয়া সম্মেলনীতে ধনখড়কে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতিও জানিয়েছেন ধনখড়। সরকার সূত্রে খবর, রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরতে বিদেশে পাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে করতে পারেন রোড শো-ও। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বিদেশে গিয়ে রোড শো করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। রাজ্যপাল সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও খবর।একইসঙ্গে আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা বইমেলার আয়োজন করা হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Assembly: সুব্রত-স্মরণ দিয়েই শুরু বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন

শীতকালীন অধিবেশনে আর যোগ দেওয়া হল না পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। প্রয়াত মন্ত্রীর প্রতি শোকবার্তা পাঠ করবেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বিধানসভায় প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় উপস্থিত থাকবেন সব দলের বিধায়করা। এমনকী বিজেপি বিধায়কদেরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন বিধানসভায়। এর আগে বঙ্গ বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, ১৩ নভেম্বরের আগে বিধানসভার অধিবেশনে দলের কোনও বিধায়ক যোগ দেবেন না। কিন্তু এখন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হঠাৎ প্রয়াণে সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সুব্রত বাবুর স্মরণ সভায় বিধানসভায় আসবেন বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই। বঙ্গ বিজেপির তরফে তেমনটাই স্থির করা হয়েছে।জানা গিয়েছে প্রয়াত মন্ত্রীর স্মৃতিচারণায় এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টার আলোচনা হবে বিধানসভা ভবনে। সোমবার বিধানসভায় থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Subrata-Bhaiduj: ভাইফোঁটার নাড়ু আর খাওয়া হল না সুব্রতর

১১ দিনের লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পঞ্চায়েতমন্ত্রী। ভাইফোঁটায় নাড়ু খাওয়া আর হল না। হাসপাতালে যাওয়ার দিন কয়েক আগে নারকেল নাড়ু খেতে চেয়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সুব্রতর বোন বুলবুল চট্টোপাধ্যায় কথা দিয়েছিলেন, ভাইফোঁটার দিন নাড়ু খাওয়াবেন। এক কৌটো নাড়ু বানিয়েও রেখেছিলেন। কিন্তু ফোঁটা নেওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন দাদা।শুক্রবার রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার কথা ছিল সুব্রতর। ভাইফোঁটার ঠিক আগের দিন। তিন বোন ঠিক করেছিলেন, দাদা বাড়ি ফিরলে দেখা করতে যাবেন। সুব্রতর বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন তাঁরা। তনিমা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতেই দাদার জন্মদিন থেকে ভাইফোঁটা পালন করা হত। হত ঢালাও খাওয়া দাওয়াও। সাবেকি খাবার পছন্দ করতেন সুব্রত। পছন্দ করতেন পোস্তর বড়া, মাছের টক, পাঠার মাংস। এ বার অবশ্য খাবারের সেই বিপুল আয়োজন ছিল না। যেহেতু সুব্রত অসুস্থ এবং হয়তো তাঁর খাওয়াদাওয়ার উপর চিকিৎসকের নিষেধ থাকবে, তাই এ বছর বড় খাওয়াদাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছিলেন বোনেরা। তবে যেহেতু সুব্রত খেতে ভালবাসতেন তা-ই নারকেল নাড়ুর মতো ইচ্ছেপূরণের ব্যবস্থা রেখেছিলেন বোনেরা। তবে সেই ইচ্ছে অপূর্ণই রয়ে গেল।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
দেশ

Petrol-Diesel Price: দীপাবলিতে পেট্রল-ডিজেল নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

অবশেষে দীপাবলির মরশুমে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমাতে সক্রিয় হল কেন্দ্র। পেট্রলের লিটারপ্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেলের লিটারপ্রতি ১০ টাকা উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বুধবার। বৃহস্পতিবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফায় একাধিক বার পেট্রল-ডিজেলের উৎপাদন শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। অনেকের মতে, সেই ধাক্কা সামলাতেই তেল সংস্থাগুলি ওই দুই পেট্রোপণ্যের দর কমাতে পারছিল না। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল, অতিমারি আবহে দাঁড়িয়েও জ্বালানির দাম কমাতে উৎপাদন শুল্ক ছাঁটাইয়ের দাবিতে কান দিচ্ছে না কেন কেন্দ্র?বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল এখনও ঘোরাফেরা করছে ব্যারেল পিছু ৮৫ ডলারের কাছে। ফলে সরকার আকাশছোঁয়া কর কমিয়ে দাম না-কমালে আমজনতার আপাতত রেহাই পাওয়ার উপায় নেই বলে জানিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদদের একাংশও।মঙ্গলবার দেশজুড়ে উপনির্বাচনের ফলে বেকায়দায় পড়েছে বিজেপি। বিভিন্ন জায়গায় হেরেছে তারা। বাংলায় চারটির মধ্যে তিন আসনে জামানত খুঁইয়েছে গেরুয়া শিবির। হেঁসেলের অগ্নিমূল্যের আঁচ জনমানসে ক্ষোভ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অনেকে। সেই ক্ষোভ প্রশমনে কেন্দ্র দাম কমানোর পথে হাঁটল বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যগুলির উপরেও চাপ বাড়ল। বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্য সরকারের উপরে। পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট না কমালে সমালোচনার তির ঘুরে যাবে তাদের দিকে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hotat bristi elo : ৬টি রোম্যান্টিক গান নিয়ে মুক্তি পেল 'হঠাৎ বৃষ্টি এলো'

বর্ষা যেমন সুখের স্মৃতি বয়ে আনে তেমনই অনেক মনখারাপের সুর হৃদয়ে ঢেউ তোলে। প্রেম বিরহ বেদনা আনন্দের অনুভুতিরা মিলেমিশে যায়। হঠাৎ মেঘ করে আসে মনে৷ বৃষ্টি আসে বাইরে ও ভেতরে ৷ মনের কথারা তখন গান হয়ে ওঠে। তারপর হঠাৎ বৃষ্টি এলো। মোট ৬ টি রোম্যান্টিক গানের সমন্বয় হঠাৎ বৃষ্টি এলো। ক্ষন ভঙ্গুর জীবনে কোন কিছুই স্থায়ী নয়, ক্ষণে ক্ষণে সবকিছুই বদলে যাচ্ছে৷ বদল হবেই বারে বারে৷ এই নিয়েই গান আমার যে ছবি৷ দিল না কেউ দিল না গানটিতে চিঠি, না পাওয়ার বেদনার প্রতীক৷ হঠাৎ বৃষ্টি এলো গানে বারিধারার সঙ্গে মিলেমিশে গেছে মানব মনের এক গভীর আকুতি। কাল বিকেলে পেলাম খুঁজে গানটিতে রয়েছে হারিয়ে ফিরে পাওয়ার আনন্দ৷ ও বৃষ্টি তুমি একটু থাম না গানেও সেই অদর্শনের আকুতি এবং বর্ষার জল তার দোসর৷ অনেক দিনের না দেখার যে আকুতি তার মধ্যে বৃষ্টি হলো যে দোসর। বহমান নদীর মতই জীবন। প্রতিমুহূর্তে ভাঙা গড়ায় বদলে যাচ্ছে জীবন সময়ের ছন্দে ও তালে।গানগুলি লিখেছেন অশোক চক্রবর্তী। কলেজ জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ নাটক লেখার পাশাপাশি আধুনিক বাংলা গান, লোকগান, ভক্তিগীতি রচনা করেছেন। গানগুলি গেয়েছেন এবং সুর করেছেন সেঁজুতি ভৌমিক। মায়ের কাছে মাত্র ৪ বছর বয়সে সেঁজুতির গান শেখার শুরু৷ পরে শ্রীমতি মায়া সেনের ছাত্রী শ্রীমতি শিপ্রা ঘোষ এর কাছে ও সেই সঙ্গে শ্রীবিষ্ণু দত্তের কাছে তালিম চলে। হিমাংশু চক্রবর্তীর কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত এর শিক্ষাগ্রহণ করেছেন৷ ডিজায়ার মেলোডি স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়েছে৷ অধিকর্তা সুনীল মাইতি, তবলায় শেখর পাল, বাঁশিতে মি. অপূর্ব মুনি, গীটারে পুণ্যশ্লোক মাইতি, সুনীল মাইতি।স্যাক্সোফোনে অভিজিৎ,বেহালায় প্রভু দয়াল। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন কুশল, রায়ানী, প্রতীক,শ্রেয়সী, সৌম্যশেখর, সুমন, সুস্মিতা,সায়ন্তন, জয়শ্রী। দক্ষিণ কলকাতার একটি ক্যাফেতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হল সেঁজুতি ভৌমিকের বাংলা রোম্যান্টিক গানের অ্যালবাম হঠাৎ বৃষ্টি এলো। গানগুলি শোনা যাবে Senjuti Pranojyoti ইউটিউব চ্যানেলে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : আসিফের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে কার্যত প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

চাপের মুখে ভেঙে পড়ার পুরনো রোগ যে আর নেই, টি২০ বিশ্বকাপেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যেরকম কঠিন পরিস্থিতিতে ম্যাচ বার করে নিয়ে গেল, এক কথায় অসাধারণ। ম্যাচের নায়ক আসিফ আলি। ১৯ তম ওভারে ৪টি ৬ মেরে দলকে জেতালেন তিনি। এই নিয়ে টানা ৩ ম্যাচ জিতল পাকিস্তান। আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত নিশ্চিত করে ফেলল বাবর আজমের দল।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুটা ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় আফগানরা। হজরতুল্লা জাজাইকে (০) নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন ইমাদ ওয়াসিম। পরের ওভারেই অন্য ওপেনার মহম্মদ শাহজাদকে (৮) ফেরান ছন্দে থাকা শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপরই মাঠে নেমে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন আসগার আফগান ও গুরবাজ। কিন্তু তাঁদের সেই ঝড় একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে আসগার আফগানকে (৭ বলে ১০) ফেরান হ্যারিস রউফ। পরের ওভারেই গুরবাজকে (৭ বলে ১০) তুলে নেন হাসান আলি। করিম জানাত (১৭ বলে ১৫) ও নাজিবুল্লাহ (২১ বলে ২২) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।১২.৫ ওভারে ৭৬ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এরপর ঝড় তোলেন অধিনায়ক মহম্মদ নবি ও গুলবাদিন। এই দুজনের দাপটে ২০ ওভারে ১৪৭ রানে পৌঁছয় আফগানিস্তান। অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৮১। ৩২ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি। অন্যদিকে ২৫ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন গুলবাদিন। পাকিস্তানের হয়ে ইমাদ ওয়াসিম ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি ও সাদাব খান ১টি করে উইকেট পান।পাকিস্তানের যা ব্যাটিং শক্তি ১৪৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তৃতীয় ওভারে মহম্মদ রিজওয়ান (৮) আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান ফাকার জামান ও অধিনায়ক বাবর আজম। ২৫ বলে ৩০ রান করে ফাকার জামান আউট হন। মহম্মদ হাফিজ করেন ১০ বলে ১০। পাকিস্তানের হয়ে অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন বাবর আজম। শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫১ রান করে রশিদ খানের বলে তিনি আউট হন।একসময় জয়ের জন্য ২৩ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩৮। রশিল খানকে ছয় মেরে চাপ কমান শোয়েব মালিক। এরপরই আউট হল বাবর আজম। পরের ওভারে শোয়েব মালিককে (১৫ বলে ১৯) তুলে নেন নবীনউলহক। জেতার জন্য শেষ ১২ বলে ২৪ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। ১৯ তম ওভারে করিম জানাতের প্রথম বলে ৬ মারেন আসিফ আলি। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে আবার ছক্কা। চতুর্থ বল ডট। পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে পরপর দুটি ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে দেন আসিফ আলি। ১ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান (১৪৮/৫)। ৭ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আসিফ।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
দেশ

RBI Governor: ৩ বছর মেয়াদবৃদ্ধি আরবিআই গভর্নরের

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর পদে আরও তিন বছর থাকছেন শক্তিকান্ত দাস। আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিযুক্ত হলেন তিনি।শুক্রবার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের কার্যকালের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানোর ঘোষণা করে কেন্দ্র। একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি ১০ ডিসেম্বর, ২০২১ সালের পরে তিন বছরের জন্য বা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শক্তিকান্ত দাসকে আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।আগামী ১০ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট পদে তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি জানায়, আগামী ৩ বছরের জন্য-ও শক্তিকান্ত দাসকে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদে পুনরায় নিয়োগ করা হল। মোদি সরকারের আমলে শক্তিকান্ত দাসই প্রথম আরবিআই গভর্নর যাঁর মেয়াদ বাড়ানো হল।অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের সচিব ছিলেন শক্তিকান্ত দাস। তাছাড়া অর্থ, কর, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এ ভারতের বিকল্প গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন শক্তিকান্ত। এহেন শক্তিকান্ত দাস গত ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর তিন বছরের জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের প্রধান হিসাবে নিযুক্ত হন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
বিদেশ

Facebook to Meta: ফেসবুকের নাম পরিবর্তনের ব্যাখ্যায় কী বললেন জুকারবার্গ?

বদলে গেল ফেসবুকের নাম। মার্ক জুকারবার্গের সংস্থার নতুন নাম হল মেটা । এই নাম বেছে নেওয়ার নেপথ্যে আসলে কী কারণ রয়েছে, তা জানিয়েছেন সংস্থার চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার তথা প্রতিষ্ঠাতা মার্ক।জুকারবার্গ জানান, ছোট থেকে তিনি ক্লাসিক পড়েছেন প্রচুর। সেখান থেকেই মেটা নামটি নিয়েছেন। মেটা এসেছে গ্রিক মাইথোলজি থেকে। যার অর্থ বিয়ন্ড বা ছাড়ানো। তিনি লেখেন, আমার মতে, এটা বোঝায় যে প্রতিনিয়ত আরও সৃষ্টি করতে হবে এবং সবেরই পরের অধ্যায় রয়েছে। একটা ছোট্ট ঘর থেকে শুরু হওয়া আমাদের গল্প যেমন আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে বলতে এই ফ্যামিলি অ্যাপস ব্যবসা থেকে সম্প্রদায়, সেখান থেকে আন্দোলন করেন মানুষ। যা চটজলদি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।উল্লেখ্য, ফেসবুক সংস্থার নাম বদলালেও ফেসবুক অ্যাপের নাম বদলাচ্ছে না। নতুন যে নামে সংস্থা আত্মপ্রকাশ করছে তার অধীনে একটি অ্যাপের নাম হয়ে থাকবে ফেসবুক। মনে করা হচ্ছে, সংস্থার অধীনে যেহেতু এখন ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো একাধিক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, তাই সংস্থার নাম ফেসবুক হওয়া বাঞ্ছনীয় নয় বলেই মনে করছেন উচ্চপদস্থ কর্তারা। আর সেই নামবদল নিয়ে এক দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন জুকারবার্গ। সেখানে জানালেন, কোথা থেকে পেলেন এই নতুন নাম।ফেসবুককে বিশ্বের আইকনিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্র্যান্ড হিসাবে অবহিত করে জুকারবার্গ লিখেছেন, সোশ্যাল অ্যাপস তৈরি করা সবসময় আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং আরও অনেক তৈরির বাকি আছে। কিন্তু সর্বতোভাবে এটাই শুধু আমরা করছি না। আমাদের ডিএনএ হল, মানুষকে একসঙ্গে আনা। আর মেটাভার্স হবে সেটাই, যেমনটা আমরা শুরুর সময়ও ছিলাম।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

Goa Mamata: গোয়ায় বাধার মুখেও দিনভর ঠাসা কর্মসূচি মমতার, জেনে নিন দিনের সূচি

নতুন ভোরের আশ্বাস যে কেবলমাত্র স্লোগানে আটকে নেই, সেকথা স্পষ্ট তৃণমূল সুপ্রিমোর কন্ঠে। ৩ দিনের তাঁর সফর শুরু গোয়ায়। কিন্তু গোড়াতেই তাঁকে দেখতে হয় কালো পতাকা। আগামী ফেব্রুয়ারিতে গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি আর কংগ্রেসের লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি। সেই মঞ্চে হঠাৎ আর্বিভাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার একের পর এক অনুষ্ঠান ঘিরে দিনভর ব্যস্ত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসুন জেনে নিই মমতার সারাদিনের কর্মসূচি।শুক্রবারের সূচিসকাল ১০গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের বৈঠক। ডোনাপলার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে হবে বৈঠক।বেলা ১২ টাপানাজির বেটিমে মত্স্যজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুপুর ১টাডোনাপোলা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি।দুপুর ৩.৩০ মিনিটেপোন্ডায় মুঙ্গয়েশি মন্দির দর্শন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়বিকাল ৪ টেয়গোয়ায় শ্রী মহালসা নারায়ণী মন্দির দর্শনবিকাল ৪.৩০ মিনিটপোন্ডার তপভূমি মন্দির দর্শন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সন্ধ্যা ৫.৪৫ মিনিটনাগরিক সমাজের মুখোমুখি হবেন তিনি। ইন্টারন্যাশনার সেন্টারেই হবে এই কর্মসূচি।গোয়া সফরের শুরুতেই রাজনৈতিকভাবেও ধাক্কা খেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন না গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির নেতা বিজয় সরদেশাই। আজ গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। শোনা যাচ্ছিল, গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির নেতা বিজয় সরদেশাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। বিজয় সরদেশাইয়ের দল গোয়ায় বিজেপির জোটসঙ্গী। তাই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে মমতার এই বৈঠক যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন গোয়ার রাজনীতির আকাশে যেমন পূর্বাভাস, তাতে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করছেন না বিজয় সরদেশাই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

Facial Paralysis: পৌষের শীতের আমেজের-র আড়ালে ফেসিয়াল প্যারালাইসিস-র সর্বনাশ

শীতকালের আগমন বার্তা বয়ে আনে দুর্গাপুজো আর কালী পুজো। এই উৎসব উৎসব মেজাজে বাঙালির ঘরে প্রবেশ করে উত্তরে হাওয়া। কবুগুরু রবীন্দ্রনাথ এর ভাষায়ঃশীতের হওয়ার লাগলো নাচন আমলকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিলো তালে তালে।।বাঙালি আবার শীত সহ্য করতে পারে না। কিন্তু সারা বছর শীতের অপেক্ষা করতে থাকে। আমার তো মনে হয় এই অপেক্ষা যত না শীতের জন্য তার থেকে বেশি নলেন গুড় আর মটরশুঁটির কচুরি খাবার জন্য। খাদ্যরসিক বাঙ্গালি বসে থাকে কবে শীতের দিনে ভালো করে চড়ুইভাতি করবে আর জমিয়ে আড্ডা দেবে।এই শীতেই আবার প্রকোপ দেখা যায় ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর। যদিও ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর সাথে শীতের কোনো সরাসরি সম্মন্ধ নেই কিন্তু এর একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হলো শ্বাসনালীর ইনফেকশন এবং ঠান্ডা লেগে কানের ইনফেকশন যা এই শীতের সময় বাঙালিদের সঙ্গী। শীতকাতুরে বাঙালির আবার ফেসিয়াল প্যারালাইসিস কিংবা বেলস পালসি হলে আর রক্ষা নেই। ৭ নম্বর ক্রেনিয়াল নার্ভ এর ডিসফানশন হলে এই উপসর্গ দেখা যায়। এটি স্যার চার্লস বেলস (সার্জন,অনাটোমিস্ট) [১৭৭৪ থেকে ১৮৪২] প্রথম উল্লেখ করেন।কি হয় এতে?চোখ বন্ধ না করতে পারা।ঠোঁট ঠিকমতো নাড়তে না পারা, এর ফলে খেতে ও কথা বলতে অসুবিধা হয়।কিছু মানুষের খেতে অসুবিধা না হলেও শুধু কথা বলতে অসুবিধা হয়।চোখ খোলা থাকার জন্য শুকিয়ে যায় এবং এতে চোখের ইনফেকশন হয়।খাবার-এর স্বাদ চলে যায়। তাই যে বাঙালি সারাবছর এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন, সাবধান। তবে সবার ক্ষেত্রে এই উপসর্গ দেখা যায় না।হাসি, ভুরু কোচকানো ও অন্য আরো ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন নষ্ট হয়ে যায়।কিছু পেশেন্টের এর সাথে মাথা ব্যথাও থাকতে পারে।অনেকের আবার শব্দ-তে কষ্ট হয়।এর কারণ কি?ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ও বেলস পালসির সঠিক কারণ বলা মুশকিল তবে কিছু রোগের উপসর্গ হিসেবে এটি দেখা দিতে পারে। যেমনঃ ডায়াবেটিস।হাইপারটেনশন।যে কোনও ধরণের ফেসিয়াল ইনজুরি।জিবি সিনড্রোম।মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (Myasthenia Graves)।ইনফেকশন।টিউমার (Tumour)।শ্বাসনালীর ইনফেকশন।আক্রান্ত হলে কি করণীয়?যখনি এই উপসর্গ গুলো দেখতে পাবেন অবহেলা করলে চলবে না। কারণ আপনি যত ডাক্তার দেখাতে দেরি করবেন তত নার্ভ ড্যামেজ হতে থাকবে। ডাক্তার আপনাকে Steroids ও এন্টি ভাইরাল ওষুধ দেবে। তার সাথে, পারলে প্রথম দিন থেকে ফিজিওথেরাপি করাতে শুরু করুন। ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে এক্সারসাইজ করাবেন এবং ফেসিয়াল মাসল এর স্টিমুলেশন দেবেন যা প্রচন্ড উপকারী।শীতের আমেজ উপভোগ করুন দারুন ভাবে আর তার সাথে সাথে সতর্ক থাকুন যেন এই রোগে আক্রন্ত না হয়ে পড়েন। যদি উল্লেখিত উপসর্গের কোনো একটি দেখতে পান তাহলে দেরি না করে চলে যান ডাক্তার আর ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে। যত দেরি করবেন তত সারতেও দেরি হবে।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanআরও পড়ুনঃ মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির টেক্সট নেক সিনড্রোমআরও পড়ুনঃ বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুনআরও পড়ুনঃ নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Corona: ফের বাড়ল রাজ্যের করোনা সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৫

দুর্গাপুজোর পর উর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ। বেশ কয়েকদিন ধরে হাজারের দোরগোড়ায় ঘোরাফেরা করছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। রাজ্যে করোনার এই ছবি স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্য ভবনকে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বুধবার সকাল ৯ টার মধ্যে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৬ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৮০৬। এক লাফে দেড়শোরও বেশি বেড়েছে রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ। এদিকে করোনা সংক্রমণের হার আগের থেকে অনেকটাই কমলেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে একদিনে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন। পাশাপাশি সুস্থও হয়ে উঠছেন অনেকে। রাজ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩৭ জন।রাজ্যে বর্তমানে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায়। দুই জেলাতেই করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। কলকাতায় প্রতিদিনই দুশো-র উপর দিয়েই যাচ্ছে সংক্রমণের গ্রাফ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৭২। উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৫৯ জন। করোনায় মৃত্যুও সবথেকে বেশি এই দুই জেলাতেই।মৃতের সংখ্যার নিরিখে ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কলকাতা ও উত্তরে জলপাইগুড়িতে। দুই জেলাতেই ৪ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ জন, নদিয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Palsit Toll Plaza: বাস যাত্রীদের মারধোর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার পালসিট টোলপ্লাজার ২ কর্মী

টোল আদায় নিয়ে বিবাদ চলাকালীন বাসের কয়েকজন যাত্রীকে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল টোল প্লাজার দুই কর্মী। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পালসিট টোল প্লাজায়। ধৃতদের নাম রাজু মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। হুগলির উত্তরপাড়া থানার ভদ্রকালীতে রাজুর বাড়ি। অপর ধৃত ইন্দ্রজিৎতের বাড়ি হুগলির ডানকুনি থানা এলাকায়। বাসযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এদিনই তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে হাওড়ার লিলুয়ায় যাচ্ছিল। পালশিট টোল প্লাজার কর্মীরা বাসটির কাছে টোল বাবদ ২৯০ টাকা চায়। ফাস্ট ট্যাগ থাকা সত্বেও কেন বাসের টোল বাবদ নগদে টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাস যাত্রীরা। তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে বাসটিকে তখন ছাড়া হয়। এরপর ফেরার সময় ফের বাসটির চালকের কাছে টোল বাবদ ৩০০ টাকা চায় পালসিট টোল প্লাজার কর্মীরা। কেন এত টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বাসের যাত্রীরা। তা নিয়ে বচসা চলাকালীন টোলের কর্মীরা লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে বাসের যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। যাত্রীদের মারধর করে। বাসের মহিলা যাত্রী ও বৃদ্ধরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান না। মহিলা যাত্রীদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার বিষয়ে রাহুল কুমার বাল্মীকি নামে বাসের এক যাত্রী মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ টোল প্লাজার দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Musical short film : মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্মে নকশাল পিরিওডের প্রেম

যুগ যুগ ধরে প্রেমের পবিত্রতা এক হলেও সমাজের প্রতিবন্ধকতা তার পরিণতির দিক ভিন্ন ভিন্ন হয়। বিচারের চশমা পরে তর্ক চলতে পারে, কিন্তু দুটো পবিত্র আত্মা পবিত্রই থাকে। বেশিরভাগ বিখ্যাত প্রেমের পরিণতি এই চশমা বলে বিয়োগান্তক, কিন্তু দুটো আত্মাকে কোন শক্তি কি আলাদা করতে পেরেছে? এইরকম একটা চোখে জল ঝড়ানো গত সত্তর দশকে (১৯৭০-৮০) এই বাংলার সমাজ জীবনে তোলপাড় কেটেছিল অসংখ্য টাটকা তাজা প্রাণের। বুক ভরা সমাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে ঝাপিয়ে পরা যুব সমাজ নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছিল গঙ্গার বুকে। নিকশ কালো অন্ধকারে ওদের বুকের রক্তে গঙ্গার জল লাল হলেও কতজন তার খবর রেখেছে। এইরকম একটুকরো অল্প সময়ের জন্য হলেও অনন্ত সেই ভালোবাসার এই গল্প হলেও সত্যি ঘটনা। এই নিয়েই পরিচালক অরিন্দম গোস্বামীর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। এখানে অভিনয় করছেন শুভ্রজ্যোতি রায়, শীপ্রা শীল ও কণাদ বণিক।এই মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম নিয়ে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার দ্বিতীয় মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। ১৯৭১ সালের নকশালিস্ট পিরিওডের ওপর বেস করা। এটা একটা আনটোল্ড লাভ স্টোরি। বিষয়টা হচ্ছে আজকালকার দিনের প্রেম আর তখনকার দিনের প্রেমের মধ্যে আকাশ আর পাতাল তফাত আছে। তখনকার দিনের প্রেমের মেন ফোকাস থাকতো আইডোলজির ওপর। প্রচণ্ড শিক্ষিত সমাজ ছিল। এই বিষয়ের ওপর বেস করেই হামারে দরমিয়া। কবে শুটিং শুরু এবং কোথায় কোথায় শুটিং হবে উত্তরে জানালেন,শুটিং টা পুরো নর্থ কলকাতা জুড়ে হবে। তার মধ্যে রয়েছে বাগবাজার, উল্টোডাঙ্গার কিছু জায়গা।অভিনেতা কণাদ বণিক তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি নকশাল লিডারের চরিত্রে অভিনয় করছি। আমি হচ্ছি লিডার। আমার সংগঠন আছে। সেখানে বিভিন্ন লোক আছে যারা আমার অর্ডারে কাজ করে। ১৯৭১ এর এই আনটোল্ড লাভ স্টোরি হামারা দরমিয়া আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। অভিনেতা শুভ্রজ্যোতি রায় তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি ফ্রিডমের যে রাইটস তার জন্য লড়াই করছি। খুবই নতুন। আপনাদের ভালো লাগবে। এই গানটার সঙ্গে আপনারা অনেক কিছু রিলেট করতে পারবেন। অভিনেত্রী শিপ্রা শীল তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমাকে ১৯৭১ সালের একটা স্বদেশী ক্যারেক্টারে লিড করছি। আপনারা ভিডিওটা দেখুন। আপনাদের ভালো লাগবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pota : আবারও পটার সঙ্গী রাধা

আমাদের সকলের প্রিয় পটার গাওয়া নতুন মিউজিক ভিডিও আসতে চলেছে। এই মিউজিক ভিডিওর নাম ভিজতে এসো রাধা। একটু অন্যধরণের একটা প্রোজেক্ট দেখতে চলেছেন দর্শকরা।এই মিউজিক ভিডিওর লিরিক্স লিখেছেন রাজীব চক্রবর্তী। পরিচালনা ও সুরকার ইশানু চক্রবর্তী। কলঙ্কিনী রাধার পর আবার রাধার সঙ্গে দেখা করবেন পটা।এই প্রোজেক্ট নিয়ে তিনি জনতার কথা কে জানালেন,অদ্ভুত ভালো একটা গান। রাজীব দা পেন ডাউন করেছে। সুর করেছে ঈশানু। প্রেম বলতে তো রাধা বিষয়টা চলে আসে। কৃষ্ন বিষয়টাও চলে আসে। এক্ষেত্রে হয়তো একটু অন্যরকম ভাবে ভাবনা। আমরা যেটা ভিডিও করেছি সেখানে দেখানো হচ্ছে একটি মেয়ে একটা জায়গাতে ভীষণ ভালো পারফর্মার কিন্তু তার জীবনে হঠাৎ একটা পরিবর্তন আসে সেখান থেকে জিরো পয়েন্টে চলে আসে। সেখান থেকে হোপ সে আবার চলতে আরম্ভ করবে। সেই তাগিদটার জায়গা থেকে এই গানটা পুরোটা তৈরি করা।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
দেশ

Corona: দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার, চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাও

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৪২৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ৩০৬ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ হাজার ৯৫১ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৮ জন।বিগত কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণ ছিল ১৫ হাজারের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। এরপর আজ একধাক্কায় তা অনেকটাই কম হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি দেশে যে হারে টিকাকরণ হয়েছে সেক্ষেত্রে সংক্রমণ অনেকটা কম থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে চিকিৎসক থেকে সাধারণ জনগণের। তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করেছেন যে টিকাকরণে রোগের মাত্রাটা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু কখনও সংক্রমণ প্রতিহত করতে পারে না। এদিকে, গতকালের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও, ভয় ধরাচ্ছে দেশের মৃত্যুর গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৬ জন গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৪৪৩ জন।সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী পজিটিভিটি রেটেই বাংলাতেও বাড়ছে আতঙ্ক। সোমবারও এক লাফে অনেকটা বাড়ল এই সংখ্যাটা। রবিবার ২.৩২ শতাংশ পজিটিভিটি রেট ছিল বাংলায়। সোমবার তা বেড়ে হল ২.৭৭ শতাংশ। এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। কলকাতায় দৈনিক আক্রান্ত ২২৯ জন। মৃত ৩।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Band : ব্যান্ড লাভারদের নতুনত্বের স্বাদ দিচ্ছে মরফিন-ইন্ডিয়া

বর্তমানে শহর কলকাতার অলিতে-গলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে ব্যান্ড। একটা সময় ব্যান্ড বা বাংলা ব্যান্ড নিয়ে সবার মধ্যে যে ক্রেজটা ছিল সেই ক্রেজে একটু হলেও ভাটা পড়েছে। তবে কিছু কিছু এমন ব্যান্ড রয়েছে যারা এই ব্যান্ডের দুর্দিনের মধ্যেও আশার আলো দেখাচ্ছে। এর মধ্যে যে শুধু নামী ব্যান্ডই রয়েছে তা নয় কিছু নতুন ব্যান্ডও নিজেদের মতো করে সকলের সামনে তাদের গান প্রেজেন্ট করছে।শহর কলকাতার বুকে এরকমই একটি ব্যান্ডের নাম মরফিন-ইন্ডিয়া। তবে এই ব্যান্ডটা একদম নতুন নয়। মরফিন-ইন্ডিয়ার পথচলা শুরু হয় ২০১৩ সালে। ব্যান্ডের সদস্য ৪ জন। ভোকালিস্ট নীলাঞ্জন মৈত্র, ড্রামসে সুশোভন দাস, ব্যাস এ বিকাশ দাস এবং গিটারে গৌতম গোলদার।২০১৯ সাল থেকে এই ব্যান্ড কলকাতার বিভিন্ন নামকরা হোটেলে পারফর্ম করেছে এবং দর্শকদের যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন সল্টলেকের একটি নামকরা হোটেলে এই ব্যান্ডের পারফরম্যান্স দেখার জন্য অনেকেই ভিড় করেছিলেন। এছাড়া খুব শীঘ্রই আরও বেশ কিছু ভালো পারফরম্যান্স শ্রোতা ও দর্শকদের উপহার দেবে মরফিন ইন্ডিয়া।এই ব্যান্ডের গিটারিস্ট গৌতম গোলদার জানালেন,২০১৩ থেকে আমাদের ব্যান্ডের পথচলা শুরু হয়। তখন থেকে আমরা কলকাতা বেসড কম্পিটিশনগুলো অ্যাটেন্ড করতাম। সেখানে ভালো রেসপন্স পেয়েছি। সেখান থেকে আমরা কলেজগুলোতে পারফর্ম করা শুরু করি। আফটার প্যান্ডামিক আমরা প্রাইভেট শো বা প্রাইভেট ইভেন্টগুলো অ্যাটেন্ড করছি।কলকাতায় যখন বড় বড় ব্যান্ডগুলো দলছুট হয়ে যাচ্ছে, নতুন ব্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্রিয়েটিভিটির খামতি দেখাচ্ছে সেখানে মরফিন-ইন্ডিয়া নতুন আলো দেখাচ্ছে। যে আলোর পথ অনুসরণ করে হয়তো আরও অনেক ব্যান্ড তাদের আলো খুঁজে নেবে। দর্শকরা আরও অনেক ভালো ভালো ব্যান্ডের খোঁজ পাবে।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

UttarPradesh-TMC: মোদির গড়ে মমতার প্রবেশ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ ২ নেতার

গত শনিবার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের পরের টার্গেট উত্তরপ্রদেশ৷ তার ঠিক দু দিনের মাথায় উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালো তৃণমূল। এ দিন শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাজেশপতি ত্রিপাঠী৷ তাঁর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের আরও এক কংগ্রেস নেতা ললিত ত্রিপাঠী৷এর আগে গোয়াতেও কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও একই পথে হাঁটল তারা৷Today, eminent leaders from Uttar Pradesh Shri Rajeshpati Tripathi Former Vice President of @INCUttarPradesh Shri @LaliteshPati joined the Trinamool family in the presence of Smt. @MamataOfficial and Shri @abhishekaitc.Extending a very warm welcome to both leaders! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 25, 2021উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে থামছে না কংগ্রেস৷ ছট পুজোর পরই তিনি নিজে বারাণসী যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দলে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশের দুই নেতাই তাঁকে সেখানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই নেতাই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাজেশপতি ত্রিপাঠী বলেন, কংগ্রেস দুর্বল হচ্ছে বলেই কংগ্রেস কর্মীরা বিজেপি-র সঙ্গে লড়তে পারছে না৷ তারা নিজেদের দুর্বল মনে করছে৷ আর এক নেতা ললিত ত্রিপাঠী বলেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষ সচেতন৷ সময় সময় নতুন বিকল্প বেছে নিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব থাকলে আমরা নিশ্চিত যে উত্তরপ্রদেশের মানুষও বিশ্বাস করবেন যে বিজেপি-র প্রকৃত বিরোধিতা করতে পারে তৃণমূলই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষকে নিয়েই সেখানে সংগঠন গড়ে তুলবে তৃণমূল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: সংকটজনক সুব্রত মুখোপাধ্যায়

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সোমবার তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রবল শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি-তে আক্রান্ত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই রোগে মাঝেমধ্যেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায়। সেই সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হৃদরোগের কারণে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। জানা গিয়েছেষ মন্ত্রীর অবস্থা সংকটজনক। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।পরিবার সূত্রে খবর, পুজোর সময় খুব একটা বিশ্রামের সুযোগ পাননি মন্ত্রী। আর তার পর থেকেই ধীরে ধীরে তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। এমনিতেই তিনি সিওপিডি-র রোগী। রবিবার সকালে তাঁকে প্রথমে এসএসকেএম-এর কার্ডিয়োলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে আইসিসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
নিবন্ধ

Ascension: উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)

ম্যাগাজিনের কভার পেজে নিজের ছবি দেখতে দেখতে সোহিনী হারিয়ে গেলো অনেক দিন আগে...প্রায় পাঁচবছর আগে মফস্বল থেকে কলকাতা শহরে এসেছিল পড়াশুনা করতে। তবে ছোট থেকেই তার ইচ্ছা ছিলো মডেলিং করার। মা বাবার চোখের আড়ালে সে ব্যাপারে নিজেকে তৈরি করতে থাকে। পড়াশুনা খারাপ করে না, নব্বই শতাংশ নম্বর পেয়ে 12 পাস করে চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শহরে এসেছে সোহিনী। কলকাতায় আসার একটা কারন অবশ্যই মডেলিং। তাই এই কলেজে পড়ার সুযোগ টা সে ছাড়ল না। কলেজের থেকে একটু দুরে পিজি পেল। ঐ কলেজ এর অনেক মেয়েই থাকে। মা বাবা তাকে রেখে ফিরে গেলো বাড়ি।বেশ চলছে দিন গুলো পড়াশুনা নিয়ে। দু একজন বন্ধু ও হয়েছে এর মধ্যে।কলেজে সোহিনীর বন্ধুত্ব হয় ঋষিকার সঙ্গে; বড়লোকের মেয়ে, মডেলিং করে, অনেক বন্ধু নিয়ে সারাদিন ঘুরে বেরায়। সোহিনী ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে একটাই কারনে। তবু সোহিনীর মনে একটা প্রশ্ন থেকে যায় কী কারনে ঋষিকা ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে?সোহিনী পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর স্বপ্ন কেও রূপ দিতে চায় বাস্তবে;চেষ্টা চলতে থাকে। ঋষিকা ওকে সাহায্য করবে বলে।প্রাথমিক অনেক কিছু শেখায় ও। এভাবে দুজন অনেক সময় কাটায়।এর মধ্যেই একদিন পরিচয় হয় ঋষিকার বন্ধু সিধ এর সঙ্গে; আসল নাম সিদ্ধার্থ। ওরা এরকম অদ্ভুত ভাবেই নাম গুলোকে ছোট করে। ছেলেটা কে ভালো লাগেনা সোহিনীর। তবু সহ্য করতে হয় ঋষিকার জন্য।কেনো জানি না ওকে খুব প্রশ্রয় দেয় সবাই।এভাবেই কাটছিল , হটাত সেদিন ঋষিকা যে প্রস্তাব দিল তা শুনে তো সোহিনীর মাথা ঘুরে গেলো। বুঝল কেনো ঋষিকা সোহিনীর মতো মফস্বলের মেয়েকে এতো গুরুত্ব দেয়। নিজের কেরিয়ারের সিঁড়ি বানাবে ভেবেছিল সোহিনিকে সেটা বুঝতে পারে সোহিনী। সে তো এভাবে মডেলিং করতে চায় না। সে এসব কথা শুনেছিল স্কুলের এক বন্ধুর কাছে তখন ও মানতে রাজি হয়নি। আজ ঋষিকার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো । না আর ওসব ভাববে না মন দিয়ে পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। না তারপর থেকে আর সোহিনী কথা বলেনি ঋষিকার সঙ্গে।তিন চারদিন হয়ে গেলো সোহিনী কথা বলেনি ঋষিকার সঙ্গে...এভাবে একসপ্তাহ কেটে গেলো। তারপর ঘটল সেই ঘটনা...প্রায় সাতদিন হয়ে গেল সোহিনী ঋষিকার সঙ্গে কোনো যোগযোগ রাখেনা। নিজের পড়া নিয়েই ব্যস্ত। না এর মধ্যে কলেজ ও যায়নি। সামনে পরীক্ষা তাই পড়ায় মন দিয়েছে। একদিন পায়েল ফোন করে কী যেন বলতে গিয়েও থেমে গেল শুধু বলল সাবধানে থাকিস। কিছু বুঝতে পারল না।সোহিনী সব ভুলে শুধু পড়া নিয়ে আছে। সে দিনটা ছিল শুক্রবার; ব্যাচের অন্য বন্ধু যারা ওর সঙ্গে ফেরে আজ পড়তে আসেনি কেউ। তাই সোহিনী একাই ছিলো। আজ ঋষিকা ফোন করে সরি বলল আর সোমবার কলেজ যেতে বলল।সোহিনীর খুব আশচর্য লাগল। কিন্তু বেশি কিছু ভাবল না। রাতে পড়ে একা ফিরছে। রাত প্রায় 10 টা। কলকাতা হলেও পাড়ার রাস্তাটা ফাঁকা ই। ও তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল। এমন সময় উল্টো দিক থেকে একটা বাইক আসতে দেখে ও একদম রাস্তার ধারে সরে গেলো। নাঃ! পারল না নিজেকে বাঁচাতে। মাথায় হেলমেট পড়ে ছেলে দুটো কী যেন ছুড়ে দিল। উঃ বাবারে! জ্বলে গেলো জ্বলে গেলো বলে রাস্তায় শুয়ে পরলো সোহিনী। তারপর সব অন্ধকার।জ্ঞান ফিরল যখন তখন ও হাসপাতালের বিছানায়। মা বাবা শুকনো মুখে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আবার জ্ঞান হারাল। এভাবে বেশ কিছুদিন কাটলো। আস্তে আস্তে উঠে বসল। না এই তিন মাস তার কাছের কোনো বন্ধু আসেনি ওর খোঁজ নিতে। ঋষিকা বা অন্য কেউ অদী গ্রুপের। শুধু পায়েল রোজ আসত। তিনমাস পর ছাড়া পেল সে; বাড়ি ফিরল। শুরু হলো নতুন লড়াই। না সব যেন কেমন হয়ে গেল। কে এমন করল বুঝেও বুঝতে পারছে না। সেদিন গলাটা খুব চেনা লেগেছিল। কোনো প্রমান নেই। নিজেকেই দোষারোপ করতে লাগল। ঘর বন্দি করে ফেলল নিজেকে। মা বাবা কী করবে কিছুই বুঝতে না পেরে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলেন। হাসপাতালে এই ডাক্তারবাবু খুব কেয়ার নিয়েছেন। তাই ওনার কাছেই গেলেন সোহিনীর বাবা।একদিন ডাক্তারবাবু হাজির হলেন ওদের বাড়িতে। প্রথম থেকেই উনি সোহিনীর প্রতি একটু স্নেহশীল।উনি মাঝে মাঝে আসতে লাগলেন ওদের বাড়িতে। একটু একটু করে ওকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে লাগলেন; সঙ্গে ছিল সোহিনীর এক বন্ধু পায়েল যাকে ও পাত্তাই দিত না। কিন্তু বিপদে সেই ওর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।সোহিনীর একটা গুনের কথা যেটা কেউ জানত না পায়েল সেটা আবিষ্কার করে জানায় ডাক্তারবাবুকে। শুরুহয় অন্যভাবে সোহিনীর স্বপ্ন পুরণ করার চেষ্টা। সোহিনী অনেক স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।এবার পায়েল আর ডাক্তারবাবু দুজনে মিলে বোঝাতে থাকে পরীক্ষা দিতে হবে। রাজি হয় সোহিনী। প্রাইভেটে গ্রাজুয়েশন শেষ করে। এবার শুরু অন্য কাজ। পায়েল আর অরুদার সাহায্যে সোহিনী নিজের আঁকার গুণ কাজে লাগায়। ড্রেস ডিজাইন করতে থাকে। খোলা হয় বুটিক। এখানে বলি অরুদা আর কেউ না ঐ ডাক্তারবাবু। হ্যাঁ সোহিনীর নিজের দাদা হয়ে উঠেছে। আজ সেই দাদার হাতধরেই সোহিনীর স্বপ্ন পূরণ। সোহিনীর বানানো ড্রেস এখন চারদিকে খুব নাম করেছে। সাতদিন আগে ওর বানানো ড্রেস পড়ে র্যাম্পে হেঁটেছে ওর মতই অ্যাসিড আক্রন্তরা। অনেক নাম করা ব্যক্তিত্ব এসেছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। ঋষিকাকেও নিমন্ত্রণ করেছিল সোহিনী।সবাই সোহিনীর এই উদ্যম কে সাধুবাদ জানিয়েছে। সব থেকে বড়কথা আজ সেই র্যাম্পের ছবি নাম করা ম্যাগাজিনর কভার পেজ এ।আজ সোহিনী অনেককিছু যেমন হারিয়েছে পেয়েছেও অনেককিছু। অরুণাভ আর পায়েল তার জীবনের দুই নক্ষত্র। আজ এদের দুজনের জন্য সোহিনী হারিয়ে যায়নি। সোহিনীর দুচোখে আজ আনন্দধারা।লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

অক্টোবর ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • ...
  • 89
  • 90
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal