• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

বাগডোগরায় রানওয়ে ছাড়িয়ে ঘাসজমিতে ঢুকে গেল বায়ুসেনার বিমান, জখম চালক ও ক্রু

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। পাক ১১টা ৫৮মিনিট নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর। ছুটোছুটি শুরু হয়ে যায় বায়ুসেনা, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলকর্মীদের। জানা যায়, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। বায়ুসেনার উদ্ধারকারী দল, দমকলকর্মীরা মিলে দূর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে চালক সহ ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতদের একজন চালক এবং একজন ক্রু রয়েছেন। এদের ব্যাংডুবি সামরিক বিভাগের বেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনা তড়িঘড়ি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বায়ুসেনা এবং পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৫৮ মিনিটে এএন-৩২ বিমানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রানওয়ে ছেড়ে প্রায় ঘাসজমির মধ্যে ২২০ ফুট ঢুকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ ও ধুলো উড়তে দেখা যায়। দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই বিমানবাহিনীর ডিভিওআর রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বায়ুসেনার দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স, মেডিকেল টিম, উদ্ধারকারী দল, বায়ুসেনার আধিকারিকরা পৌঁছে যান। বিমানের পাইলট, কো পাইলট ও ৪ জন ক্রু সহ মোট ৬ জন ছিলেন। আহত হয়েছেন একজন পাইলট ও একজন ক্রু। তাঁরা সামরিক হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও আঘাত গুরুতর নয় বলেই জানা গিয়েছে। তবে রানওয়েতে দুর্ঘটনা ঘটলেও বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে কোনও সমস্যা হয়নি। শুক্রবার সব বিমানই স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করেছে। অন্যদিকে শুক্রবার হরিয়ানার পঞ্চকুলায় ভেঙে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান। দৈনন্দিন প্রশিক্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যুদ্ধবিমান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন চালক।

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজনীতি

ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত সিউড়ি, কাজল-অনুব্রত অনুগামীরা সম্মুখসমরে।

বীরভূমের লাল মাটিতে কিছুতেই থামছে না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ফের কাজল-অনুব্রত অনুগামীরা সম্মুখসমরে। এবার কাজল অনুগামী সিউড়ি ২নম্বর ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কার্যত জেহাদ ঘোষণা করে সভা করলেন অনুব্রত অনুগামীরা। অভিযোগ একনায়কতন্ত্র ও সমান্তরাল ভাবে দল পরিচালনা করছেন নুরুল ইসলাম। এমনই অভিযোগ অনুব্রত অনুগামী সিউড়ি ২নম্বর ব্লকের পাঁচটি অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের।সোমবার সিউড়ি ২ নম্বর ব্লকের পাঁচটি অঞ্চলের অনুব্রত অনুগামীরা একটি ইন্ডোর সভা করেন। সভার মধ্যমণি ছিলেন তৃণমূল নেতা বলরাম বাগদি। এই বলরাম বাগদিকেই শুক্রবার কর্মী সভায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম নেওয়ায় বক্তব্যের মাঝ পথে থামিয়ে দেওয়া হয়েছি। সেই বলরামের নেতৃত্বে এদিন সভা করা হয় ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বক্তব্যে অধিকাংশ নেতৃত্ব ব্লক সভাপতি বদল চেয়ে গরম গরম বক্তব্য রাখেন। নতুন করে কমিটি তৈরির দাবি উঠে আসে। ব্লক কার্যকারী সভাপতি অশ্বিনী মণ্ডল বলেন, আমাদের ব্লক সভাপতি একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন। তাঁকে অনেকেই মানতে পারছেন না। তবে তার চলার দৃষ্টিভঙ্গি বদলালে আমাদের মানতে আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি সকলকে নিয়ে চলতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন পুরনো সকলকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মানতে আমি এদিন সকলকে নিয়ে সভা করেছি।তবে ওই সভা তৃণমূল পরিচালিত মানতে নারাজ ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যারা সভা করেছেন তাদের ৯৫ শতাংশ গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট করেছেন। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আমি কারও প্রশংসা করতে রাজি নই। ওরা চায় আমি অনুব্রত মণ্ডলের নামে মালা জপি। কিন্তু মালা জপাতে আমি নেই। যারা মনে করছে বিশৃঙ্খলা করে কিছু একটা করা যেতে পারে তারা ভুল করছে। যারা লাগামছাড়া চলতে চায় তাদের আমাকে অপছন্দ হবে। পুরন্দরপুরের শেখর মাল, অবিনাশপুরের রাজু মুখোপাধ্যায় ও বনশঙ্কা অঞ্চলের সভাপতি সরজিত ঘোষ ওই সভায় যাননি।বিজেপির জেলা সসভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, টাকার ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে দুই গোষ্ঠী আড়াআড়ি হয়ে গিয়েছে। দলনেত্রীর নির্দেশের পরেও যত দিন যাচ্ছে ততই ব্লকে ব্লকে বাড়ছে কাজল-অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

মার্চ ০৪, ২০২৫
কলকাতা

রণক্ষেত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, জখম ছাত্র-অধ্যাপক

হুলস্থুল কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়ির চাকার হওয়া খুলে দিল ছাত্রছাত্রীরা একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আটকে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বাম ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি চলে। ক্যাম্পাসের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলতা। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। মূলত, ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ভাষণ চলাকালীন সেখানে ঢুকে পড়ে বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। তারপর চেয়ার ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপকদের অনেকেই বলে অভিযোগ। ব্রাত্যের গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়। চোর-চোর এবং গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। মন্ত্রীর গাড়ির বেনেটেও উঠে পড়ে ছাত্ররা। ওয়েবকুপার বার্ষিক সভা শুরুর আগে ছাত্র ভোট চেয়ে সভাগৃহের বাইরে এসএফআইয়ের সদস্যরা হোর্ডিং, পোস্টার টাঙিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবি জানাতে থাকেন। এরপরই ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির জন্য টিএমসিপি (TMCP) প্রতিবাদ করতেই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তিন নাম্বার গেট দিয়ে ওয়েব কুপার মিটিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। ছাত্র বিক্ষোভে আটকে থাকা অবস্থায় ব্রাত্য বসু বলেন, এটাই হচ্ছে এই সব (বাম-অতিবাম) ছাত্র সংগঠনের গণতন্ত্র। এরাই রাস্তায় নেমে অসভ্যতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধৈর্যে বিশ্বাস করেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা সহিষ্ণুতার পাঠ জানি। আমি ওদের বললাম আপনারা দুজন আসুন। ওরা বলল চল্লইস জন যাব। আর এতজন মিলে কথা হয়। এরপরই ওরা বাধা দেয়। আমাদের প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে যাতে পুলিশ ডাকি। কিন্তু সেটা করব না।দুপক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেই খবর। এদিকে বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড-এ অবস্থান SFI-এর। এদিকে গোটা ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ আজকের হামলাকে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক পোস্টে লিখেছেন, তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত।

মার্চ ০১, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, দেশের মঙ্গল কামনায় করলেন প্রার্থণা

সস্ত্রীক মা তারাকে পুজো দিলেন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। দেশের মঙ্গল কামনা করে মা তারার কাছে প্রার্থণা করলেন তিনি। আজ বেলা ১০টা ১৫ মিনিটে তারাপীঠ মন্দিরে পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি। তারপর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে পুজো অর্চনা করেন। পুজো দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, মা তারার কাছে দেশের মঙ্গল কামনা করছি। মা তারার দর্শনে আমরা দুজনে এক আলাদা অনুভুতি পেয়েছি।আজ, শুক্রবার দিল্লী থেকে বিমানে করে পানাগড় পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান থেকে বায়ুসেনার চপারে চড়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানার বায়ুসেনার সুঁড়িচুয়া এয়ারবেসে অবতরণ উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান ১০টা১৫ মিনিটে সড়ক পথে পৌঁছান তারাপীঠ মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর ১০টা৩৫ মিনিটে তারাপীঠ থেকে বেড়িয়ে ১১টা ২০ মিনিটে ফের বায়ুসেনার চপারে চড়ে পানাগড়ের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেন।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে এবার পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস। তবে বিশ্বভারতীতে যথারীতি মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, বাংলাদেশ ভবনের সংস্কার চলছে। তাই এবছর বাংলাদেশ ভবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত থাকছে।এদিকে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর, সে দেশে টালমাটাল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ভবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। যদিও, এর প্রভাব বাংলাদেশ ভবনের উপর আদৌ পড়বে না বলে বাংলাদেশ ভবন আধিকারিক সূত্রে খবর।এ ব্যাপারে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক (ভারপ্রাপ্ত) এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবছরও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ২১ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কো-ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে বিশ্বভারতী। ওইদিন সকাল সাড়ে আটটায় আন্তর্জাতিক অতিথি নিবাসের সামনে থেকে (পূরবী গেট) একটি সাংগীতিক পরিক্রমা পৌঁছোবে ইন্দিরা গান্ধী কেন্দ্রে। সেখানে ভাষাশহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।২০১৭ সালে শান্তিনিকেতনে পূর্বপল্লীর পিছনের মাঠে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ ফুট জায়গাজুড়ে তৈরি হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবন ৷ বাংলাদেশ সরকারের ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল এই ভবন ৷ দুই বাংলার সংহতির প্রতীক এই ভবনের নকশা নিজে হাতে তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৷ ২০১৮ সালের ২৫ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন৷ সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ংকর বিস্ফোরণ কেতুগ্রামে, উড়লো ছাদ - ভাঙলো ইটের দেওয়াল

গুলি, বিষ্ফোরণের পালা চলছে। এবার ভয়ংকর বিস্ফোরণ পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চেঁচুড়া গ্রামে। বিস্ফোরণে উড়ে গেল পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ। গুড়িয়ে গিয়েছে শৌচাগারের ইটের দেওয়ালের একাংশ। গতকাল, রবিবার সন্ধ্যায় এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চেঁচুড়া গ্রামে। খবর পেয়ে কেতুগ্রাম থানার আই সি ও কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশিনাথ মিস্ত্রির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কেউ গোপনে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারে প্রচুর বোমা বা বিস্ফোরক পদার্থ মজুত করে রেখেছিল। কারা কি উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত ওই শৌচাগার শক্তিশালী বোমা মজুত রেখেছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে । উল্লেখ্য, দুদিন আগে কল্যাণীতে বেআইনি বাজির কারখানায় বিষ্ফোরণে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে বাড়ির শৌচাগারে এদিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেই বাড়িতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কেউ থাকেন না। বাড়ির মালিকরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। বছরে একবার তাঁরা আসেন। ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের বর্ডার সংলগ্ন। ঘটনাস্থলের আশপাশের বাড়ির বাসিন্দারা বলেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তাঁদের বাড়ি পর্যন্ত কেপে উঠেছিল। তাই ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে তটস্থ ঘুম ছুটেছে চেঁচুড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের।বিগত লোকসভা ভোটের আগের রাতেই বাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার সময় দুস্কৃতি হামলায় খুন হন চেঁচুড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি মিন্টু শেখ। বোমা মেরে ও কুপিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই হামলায় মিন্টুর এক সঙ্গী মিশির শেখ ওরফে নজরুল ইসলাম গুরুতর জখম হয়েছিল। আজও ওই খুনের হামলাকারী দুস্কৃতীদের নাগাল পায়নি পুলিশ। সেই আতঙ্ক আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি চেঁচুড়ি গ্রামবাসী। তারই মাঝে ভয়ংকর বিস্ফোরণে একটা পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ উড়ে যাওয়ার ঘটনায় সিঁদূরে মেঘ দেখছে গ্রামবাসীরা।কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) কাশিনাথ মিস্ত্রি জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যে বাড়ির শৌচাগারে বিস্ফোরণ ঘটেছে ওটি পোড়ো বাড়ি। ১৫-১৬ বছর ধরে ওই বাড়িতে কেউ থাকেন না। আমারা সুয়োমোটো মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

দলের লাইনের বিপক্ষে হাঁটলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা, আমিষ নিষিদ্ধ নিয়ে বড় মন্তব্য়

এতো দলের উল্টো সুর গাইলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ। আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা এ কী বললেন! তিনি প্রকাশ্যে তার মত ব্যক্ত করে বলেছেন, গরুর মাংস কেন সমস্ত আমিষই নিষিদ্ধ করা উচিত। অথচ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারে বারে বলেছেন, কারও খাওয়া নিয়েই কেউ কোনও কিছু বলতে পারে না। কে কি খাবে, কি পরবে সেটা তাঁর একান্তই নিজস্ব বিষয়। এবার দলের লাইনের একেবারে বিপক্ষে হাঁটলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শত্রুঘ্ন সিনহা বলেছেন, শুধু গোমাংসই নয়, দেশে সব ধরনের আমিষ পদ নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। সরকার বিভিন্ন জায়গায় গোমাংস বিক্রি বন্ধ করেছে, এটা ঠিক কাজ হয়েছে। তবে এখনও বহু জায়গা রয়েছে যেসব জায়গায় গোমাংস বিক্রি করা কিংবা খাবার ক্ষেত্রে কোনও আইনি বাধা নেই। উত্তর-পূর্বে গোমাংস খেলে ইয়াম্মি, আমাদের উত্তর ভারতে খেলে মাম্মি। এটা চলতে পারে না। বন্ধ করলে সব জায়গায় করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৫
দেশ

নির্মলা সীতারামনের বাজেটে মধ্যবিত্তের কতটা সুরাহা হোল? জানুন

সংক্ষেপে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬গড় মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন আয়কর নয়; লক্ষ্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয় এবং ভোগ ব্যয় বাড়ানো।নতুন কর কাঠামোয় বেতনভোগী বর্গের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয়ে করের পরিমাণ শূন্য।কেন্দ্রীয় বাজেটে উন্নয়নের চারটি চালিকাশক্তি চিহ্নিত কৃষি, অণু-ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি।কৃষকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে থাকা ১০০টি জেলা।তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের উৎপাদন বাড়াতে মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস।পুনর্মাজিত সুদ ছাড় প্রকল্পের মাধ্যমে কেসিসি-র আওতায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ।অর্থবর্ষ ২৫-এ আর্থিক ঘাটতি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান, অর্থবর্ষ ২৬-এ তা ৪.৪ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য।ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে ঋণের সংস্থান বৃদ্ধি, জামিনযুক্ত ঋণের সীমা ৫ কোটির বদলে ১০ কোটি টাকা।মেক ইন ইন্ডিয়ায় গতি আনতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প ক্ষেত্রকে নিয়ে আসা হচ্ছে জাতীয় উৎপাদন অভিযানের আওতায়। সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব।শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষ কেন্দ্র, মোট বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা।পিএম স্বনিধি-র আওতায় ব্যাঙ্ক থেকে আরও ঋণ, ইউপিআই সংযুক্ত ক্রেটিড কার্ডের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ৩০,০০০ টাকা।গিগ কর্মীদের পরিচয়পত্র, ই-শ্রম পোর্টালে নিবন্ধন এবং পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে শহর কর্মসূচির আওতায় নগরাঞ্চলের সমস্যা দূর করতে ১ লক্ষ কোটি টাকা।ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টার নিয়ে গবেষণার জন্য পরমাণু শক্তি মিশন বাবদ ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে পুনর্মাজিত উড়ান প্রকল্পের আওতায় নতুন ১২০টি গন্তব্য।১ লক্ষ আবাসন নির্মাণে গতি আনতে ১৫,০০০ কোটি টাকা এসডাব্লুএএমআইএইচ তহবিল গড়ে তোলা হবে।গবেষণা এবং উদ্ভাবনমূলক উদ্যোগে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বরাদ্দ ২০,০০০ কোটি টাকা।১ কোটিরও বেশি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশন।বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৭৪ থেকে বেড়ে ১০০ শতাংশ।বিভিন্ন আইনের ১০০-রও বেশি সংস্থানকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।আপডেটেড আয়কর রিটার্নের সময়সীমা ২ বছর থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪ বছর।টিসিএস প্রদানে বিলম্বকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।ভাড়াবাবদ টিডিএস ২.৪ লক্ষ থেকে বেড়ে ৬ লক্ষ টাকা।ওপেন সেলের ক্ষেত্রে আইপিএফডি-র ওপর শুল্কে রেহাই।ব্যাটারি উৎপাদনে গতি আনতে বৈদ্যুতিক যানের এবং মোবাইল ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূলধনে কর রেহাই।জাহাজ নির্মাণে কাঁচামাল এবং উপকরণের ওপর ১০ বছরের জন্য শুল্কে ছাড়।হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্কের হার ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ, মাছ থেকে তৈরি তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ থেকে কমে ৫ শতাংশ।সংসদে আজ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার সংক্ষিপ্তসার বিভাগ - কবাজেটে সকলের বিকাশ-এর মন্ত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিকশিত ভারতের মূল নীতিগুলি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী :১. সম্পূর্ণ দারিদ্র্য দূরীকরণ;২. বিদ্যালয়ে শিক্ষার উৎকর্ষমান সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৩. সকলের জন্য সার্বিক, উন্নত এবং সুলভ চিকিৎসা পরিষেবা;৪. উপযুক্ত নিয়োগ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৫. অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৭০ শাতংশে নিয়ে যাওয়া; এবং৬. দেশকে সারা বিশ্বের খাদ্য থালি করে তুলতে কৃষকদের ভূমিকায় অগ্রাধিকার।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ বিকাশ হার বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে মর্যাদা দেওয়া এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্তবর্গের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। দরিদ্র, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক এবং মহিলাদের উন্নয়নে বিশেষ সংস্থান রয়েছে এই বাজেটে। কর, বিদ্যুৎ, নগরোন্নয়ন, খনি, আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামোকেও পরিমার্জিত করে ভারতের বিকাশের যাবতীয় সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার এবং বিশ্বের বাজারে এদেশের পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা বাড়ানোর বিষয়গুলিও বাজেটে প্রাধান্য পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট বলেছে যে কৃষি, ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্ষেত্র, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বিকশিত ভারতের পথে যাত্রার মূল চালিকাশক্তি।প্রথম চালিকাশক্তি : কৃষি বাজেটে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এর আওতায় আসবে ১০০টি জেলা। লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্যের বৈচিত্র্য, ফসল পরবর্তী মজুত ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি ঋণের সংস্থান সহজতর করা। সূচনা হবে বহুক্ষেত্রিক গ্রামীণ সমৃদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতা কর্মসূচির। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কর্মসূচির আওতায় দক্ষতায়ন, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের প্রসারের পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গ্রামের মহিলা, তরুণ কৃষক, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এবং ভূমিহীন পরিবারগুলিকে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে সরকার ৬ বছরের মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস নামে একটি কর্মসূচি চালু করবে। এখানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের ওপর। নাফেড এবং এনসিসিএফ-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা আগামী ৪ বছর কৃষকরা যতটা পরিমাণে এই সব ডাল বিক্রি করতে চান, ততটাই কিনে নেবে। শাক-সব্জি এবং ফলমূলের উৎপাদন বৃদ্ধির একটি সার্বিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চফলনশীল শস্য বীজের জাতীয় মিশন এবং তুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫ বছরের একটি বিশেষ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে। পুনর্মার্জিত সুদ রেহাই কর্মসূচির আওতায় কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হবে। দ্বিতীয় চালিকাশক্তি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্র ভারতের রপ্তানিতে ৪৫ শতাংশ অবদান এই ক্ষেত্রের। প্রযুক্তিগত বিকাশ, দক্ষতায়ন, মূলধনের সংস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার নিরিখে এই সব সংস্থার আর্থিক আদান-প্রদানের সীমা আড়াই থেকে দুই গুণ বাড়ানো হয়েছে। জামিনযুক্ত ঋণের ঊর্ধ্বসীমাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। মহিলা, তপশিলি জাতি ও উপজাতি বর্গের ৫ লক্ষ নতুন উদ্যোগপতিকে সহায়তার জন্য অর্থমন্ত্রী একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় আগামী ৫ বছর ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। খেলার সরঞ্জাম উৎপাদনে মেক ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডকে বিশ্বের বাজারে আরও জনপ্রিয় করতে চায় সরকার। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ছোট-বড় সব শিল্পকে আওতায় এনে সূচনা হবে জাতীয় উৎপাদন মিশনের। তৃতীয় চালিকাশক্তি: বিনিয়োগ অর্থমন্ত্রী মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক পরিমণ্ডল এবং উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে জোর দিয়েছেন। মানবসম্পদে বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেছেন সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব গড়ে তোলা হবে। গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে ভারত নেট প্রকল্পের আওতায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভারতীয় ভাষায় ডিজিটাল বইয়ের সংস্থানে রূপায়িত হবে ভারতীয় ভাষা পুস্তক প্রকল্প। মানবসম্পদের দক্ষতায়ন ও উৎকর্ষমানের বিকাশে জাতীয় স্তরে চারটি আন্তর্জাতিক মানের উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর লক্ষ্য মেক ফর ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচিকে জোরদার করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে। গিগ কর্মীদের (ডেলিভারি বয় বা এই ধরনের কাজে নিযুক্ত) দেওয়া হবে পরিচয়পত্র। ই-শ্রম পোর্টালে তাঁদের নিবন্ধন হবে। পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে বিনিয়োগের বিষয়ে শ্রীমতী সীতারমন বলেছেন যে পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ৩ বছরের একটি রূপায়ণ সংক্রান্ত উদ্যোগ হাতে নেবে। মূলধনী বিনিয়োগ এবং সংস্কারের জন্য রাজ্যগুলিকে ৫০ বছর বিনাসুদে ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলেছেন। নতুন প্রকল্পগুলির অর্থায়নের প্রশ্নে মূলধন বাবদ ১০ লক্ষ কোটি টাকার সংস্থানে অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় সম্পদ মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা ২০২৫-৩০-এর ঘোষণা করেছেন। জল জীবন মিশনের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কাজে পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। সিটিস অ্যাজ গ্রোথ হাবস- সামগ্রিক ভাবে নগর বিকাশ এবং জল ও শৌচালয় পরিষেবা উন্নত করতে সরকার ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি তহবিল গড়ে তুলবে। উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়ে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা হয়েছে। বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার কাজে গতি আসবে এর ফলে। অর্থমন্ত্রী ন্যাশনাল জিওস্প্যাশিয়াল মিশনের ঘোষণা করেছেন এসংক্রান্ত পরিকাঠামো জোরদার করতে। এর থেকে পাওয়া তথ্যাদি নগর পরিকল্পনার কাজ সহজ করবে। ১ কোটি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশনের ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সামিল হবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, এমনকি বেসরকারি পক্ষও। ভারতীয় জ্ঞান ধারার ভান্ডার নিয়ে গড়ে উঠবে একটি জাতীয় ডিজিটাল রেপোজেটরি। চতুর্থ চালিকাশক্তি : রপ্তানি এক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং অর্থমন্ত্রক। রপ্তানির বাজার ধরতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির সহায়তায় কাজ করবে রপ্তানি প্রসার মিশন। ডিজিটাল জনপরিকাঠামো সমৃদ্ধ ভারতট্রেডনেট এক্ষেত্রে তথ্য ও অর্থ সংস্থানে কাজ করবে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রসার এবং বিশ্বের সরবরাহ শৃঙ্খলে সংযুক্তির প্রসারে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী। শিল্প ৪.০ সংক্রান্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার দেশে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণ ক্ষেত্রকে সহায়তা করবে। টায়ার ২ শহরগুলিতে গড়ে তোলা হবে গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার। পচনশীল বাগিচা পণ্যের বিমানে পরিবহণ এবং মজুত ব্যবস্থাকে জোরদার করতে পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। জ্বালানি হল সংস্কার অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়টিকেই জ্বালানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বিগত ১০ বছরে সরকার কর ক্ষেত্রে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচিতে হাত দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবারও বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার এবং বিকাশ ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসকে জোরদার করতে অর্থমন্ত্রী সমগ্র পরিমণ্ডলে ব্যাপক পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৭৪ থেকে ১০০ শতাংশ করা হবে। কর সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলিকে নাগরিক কেন্দ্রিক করে তোলার ওপর আবারও জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী : ১. নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সংস্কারে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এর কাজ হবে আর্থিক নয় এমন ক্ষেত্রগুলির নিয়ন্ত্রণ, শংসাপ্রদান এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা। পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক নানা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জোরদার করা হবে ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস-কে কমিটি সুপারিশ পেশ করবে ১ বছরের মধ্যে। এই কাজে সামিল হতে রাজ্যগুলিকে উৎসাহিত করা হবে।২. রাজ্যগুলির বিনিয়োগ সহায়তা সূচক ২০২৫-এ সূচনা হবে এই কর্মসূচির, জোরদার হবে প্রতিযোগিতামূলক সহযোগিতার পরিমণ্ডল।৩. আর্থিক সুস্থিতি ও বিকাশ পরিষদ (এফএসডিসি)-এর আওতায় ব্যবস্থাপনা এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্তমানে প্রযোজ্য আর্থিক নিয়ন্ত্রণবিধি ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হবে। এই সব বিধির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গড়ে তোলা হবে একটি ব্যবস্থাপনা।৪. জন বিশ্বাস বিল ২.০ বিভিন্ন আইনের ১০০টি সংস্থানকে অপরাধের তকমা মুক্ত করা হবে।আর্থিক শৃঙ্খলা অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন জিডিপি-র অনুপাতে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ নিম্নমুখী রাখতে সরকার সচেষ্ট। এক্ষেত্রে আগামী ৬ বছরের পরিকল্পনা রূপরেখা বিশদ ভাবে রয়েছে এফআরবিএম-এর বিবৃতিতে। পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫-এ আর্থিক ঘাটতি জিডিপি-র ৪.৮ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা। ২০২৫-২৬-এর বাজেট হিসাব অনুযায়ী তা হতে পারে জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ। পুনর্মার্জিত হিসাব ২০২৪-২৫ পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ঋণ বাদ দিয়ে সরকারি কোষাগারের ৩১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা আসতে পারে। এর মধ্যে কর সংগ্রহ দাঁড়াবে ২৫.৫৭ লক্ষ কোটি টাকা। মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৭.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় যার মধ্যে মূলধনী ব্যয় ১০.১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বাজেট হিসেব ২০২৫-২৬ এক্ষেত্রে ঋণ ব্যতিত সংগ্রহের পরিমাণ ৩৪.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। কর বাবদ ২৮.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা পেতে পারে সরকার।বিভাগ খদেশ গঠনে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ নতুন কর সীমার ও হারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্য মূলধনী লাভের দিকটি বাদ থাকছে। ৭৫ হাজার কোটি টাকা স্ট্যান্টার্ড ডিডাকশনের কথা মাথায় রাখলে দেখা যাচ্ছে বেতনভোগী কর্মীদের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। নতুন এই কর কাঠামো এবং প্রত্যক্ষ কর সংক্রান্ত নানা প্রস্তাবের দরুণ সরকারের রাজস্ব প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা কমবে। পুনর্মার্জিত আয়কর সীমা অনুযায়ী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করের হার শূন্য, ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে। বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশ। টিডিএস টিসিএস প্রণালীতে যুক্তিযুক্ত করতে প্রবীণ নাগরিকদের সুদ বাবদ আয় কর ছাড়ের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে টিডিএস-এর সীমা বছরে ২.৪ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। টিডিএস মতো টিসিএস প্রদানের ক্ষেত্রেও বিলম্ব এবার থেকে আর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। নাগরিকরা যাতে স্বেচ্ছায় কর দিতে আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন সেজন্য মূল্যায়ন বর্ষের ভিত্তিতে আপডেটেড রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সময়সীমা ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৪ বছর করা হচ্ছে। আয়ের আপডেট বাবদ ৯০ লক্ষ করদাতা বাড়তি কর দিয়েছেন। ছোট সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তাদের নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এছাড়াও করদাতারা এখন নিজের দখলে থাকা দুটি সম্পত্তির ক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্য শূন্য বলে দাবি করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন শর্ত থাকছে না। গত বাজেটের বিবাদ থেকে বিশ্বাস কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ৩৩ হাজার করদাতা এর সুযোগ নিয়েছেন। প্রবীণ এবং অতিপ্রবীণদের আরও সহায়তার লক্ষ্যে ২৯ আগস্ট ২০২৪ কিংবা তার পরে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে করে রেহাই দেওয়া হবে। এনপিএস বাৎসল্য খাতার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসের বিষয়টি জোরদার করতে আন্তর্জাতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত মূল্যমান অপরিবর্তিত রাখার মেয়াদ ৩ বছর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে করের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সেলফ হার্বার রুলের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের প্রসারে, অনাবাসী ভারতীদেরে কথা মাথায় রেখে একটি অনুমান ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনার কথা ভাবা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলকারী জলযানগুলির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য টন ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনা চালু হবে। স্টার্টআপ পরিমণ্ডলকে বিকশিত করতে নিগমায়নের সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে সভারেন ওয়েল ফান্ড এবং পেনশন ফান্ডে বিনিয়োগের সময়সীমা আরও ৫ বছর বাড়িয়ে ২০৩০-ের ৩১ মার্চ করা হয়েছে। শিল্পপণ্যের শুল্ক প্রণালীকে যুক্তিযুক্ত করতে বাজেটে ৭টি শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেস প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ, ক্যান্সার ও বিশেষ ধরনের রোগের একাধিক ওষুধের ওপর সীমাশুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। রোগীদের বিনামূল্যে প্রদান করা হলে মেধাস্বত্ব সহায়তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৩টি নতুন ওষুধে ভিত্তি সীমাশুল্ক কার্যকর হবে না। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও মূল্যসংযোজনের প্রসারে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ২০২৪-এর জুলাইয়ে। আরও ১২টি খনিজের ক্ষেত্রেও এই নীতি কার্যকর হবে। দেশে বস্ত্র উৎপাদনে গতি আনতেও বিভিন্ন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে কিংবা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রসারে ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন উপকরণে কর সংক্রান্ত সুবিধা মিলবে। রপ্তানি ক্ষেত্রের প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে হস্তশিল্প সামগ্রীর ওপরে। হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্ক ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ হবে। মাছ থেকে উৎপাদিত তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৫ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিকশিত ভারতের যাত্রায় মূল স্তম্ভগুলি হল গণতন্ত্র, জনবিন্যাস এবং চাহিদা। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা মাথায় রেখে কর কাঠামোয় ধারাবাহিক পরিমার্জন করে চলেছে সরকার। নতুন কর কাঠামোর সুবাদে মধ্যবিত্তদের হাতে টাকা আসবে। বাড়বে ভোগ ব্যয়, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজ্য

পদপিষ্টের রাত থেকে খোঁজ মিলছে না, বাংলার পুন্যার্থী নিখোঁজ মহাকুম্ভে

মহাকুম্ভে কী ঘটছে! কখনও আগুন লাগছে, পদপিষ্ট হয়ে পুন্যার্থীদের মৃত্যু ঘটছে। আগের দিনের মতো এখন সেখানে ভক্তরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। এবার মালদহের ষাটোর্দ্ধ মহিলা কুম্ভতে শাহী স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। বাড়ি মালদার উত্তরকৃষ্ণপল্লীতে। তাঁর খোঁজ করতে প্রয়াগরাজের উদ্দ্যেশে রওনা দিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ওই পুন্যার্থীর নাম অনিতা ঘোষ। বয়স ষাট (৬০)। পদপিষ্টের দিন ব্যারিকেড ভেঙ্গে যাওয়ার সময় অনেকের সঙ্গে তিনিও ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর বৃদ্ধার সঙ্গে যে সমস্ত পরিবারের সদস্য ছিল তদের থেকে ছিটকে যায়। তারপর তাঁর খোঁজ শুরু করলে তাঁর পরনের চাদর পাওয়া যায় কিন্তু তাঁর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্বিগ্ন পরিবারের অভিযোগে সেখানকার প্রশাসন সেভাবে সহযোগিতা করছে না। পুত্রবধূ অষ্টমী ঘোষ জানিয়েছেন, সোমবার ভোরবেলায় আত্মীয় পরিজন নিয়ো কুড়ি জনের একটি দল গাড়ি ভাড়া করে প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। প্রত্যেক প্রত্যেকেই একে অপরের আত্মীয়। মঙ্গলবার শাহী স্নানের ভালো সময় ছিল। সেই মত রাত্রিবেলা ১টার সময় স্নানের উদ্দ্যেশে নদীতে যায়। এরপর মঙ্গলবার রাতে ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার সময় ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। দুঘণ্টা পর অন্যদের পাওয়া গেলেও এখনও পর্যন্ত অনিতা ঘোষকে পাওয়া যাচ্ছে না।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৫
দেশ

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এইমসে সনিয়া, প্রিয়াঙ্কা, আসছেন রাহুল

প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দিল্লির ভর্তি করা হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। আজ রাতেই দিল্লির এমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এইমসে পৌঁছান সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।পঞ্জাবের গাহতে জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন সিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্ণরও ছিলেন। অর্থনীতিতে পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন মনমোহন সিং। দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করছেন। মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই দিল্লির AIIMS-এ পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কর্ণাটক থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জন খাড়গেরা। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে এবং স্ত্রীও এইমস-এ রয়েছেন। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বেলাগাভিতে চলমান CWC সভা মাঝপথে বাতিল করেছে কংগ্রেস। শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অগ্রগণ্য তিনি। তাঁর অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মনমোহন সিং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার বলে অভিহিত করলেও প্রধানমন্ত্রী থেকে তাবড় বিজেপি নেতৃত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। সজ্জন, ভদ্র, সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই দেশের জনতা মনে রাখবেন মনমোহন সিংকে।তিনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি লোকসভা নির্বাচনে না জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়ে দুবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এরপরেও তিনি রাজ্যসভার মাধ্যমে কংগ্রেসের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তাঁর সরকারের অনরাত্মা ছিলেন সনিয়া গান্ধী।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শিলিগুড়িতে, SSB-এর ইতিহাস গর্ব করার মতো

নেপাল-ভুটানের সীমান্ত, কাশ্মীরের উপত্যকা বা নকশালবাদ নির্মূলের অভিযান, প্রতিটি ক্ষেত্রে এসএসবি-র জওয়ানরা তাদের জীবন উৎসর্গ করে ভারতকে সুরক্ষিত করেছে। অটল বিহারি বাজপেয়ী ২০০১ সালে এক সীমা, এক বাহিনী নীতি চালু করেছিলেন।৬১ বছরের দীর্ঘ যাত্রায়, এসএসবি সেবা, সুরক্ষা এবং ভ্রাতৃত্ব স্লোগানকে শুধুমাত্র কার্যকর করেনি বরং জাতি প্রথম ধারণাকেও তুলে ধরেছে। উন্মুক্ত সীমান্ত থেকে মাদক পাচার, মানব পাচার, অস্ত্রের চলাচল এবং দেশবিরোধী উপাদানগুলির অনুপ্রবেশকে এসএসবি-র জওয়ানরা কঠোরভাবে আটকেছে। বিহার এবং ঝাড়খণ্ড নকশাল মুক্ত হয়েছে, এতে এসএসবি-র জওয়ানদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নেপাল-ভুটানের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে আস্থা, ঐতিহ্য এবং বন্ধুত্ব রয়েছে; এর কৃতিত্ব এসএসবি-র প্রাপ্য। এসএসবি ১৮৩ জন মানব পাচারকারী সহ ৩০১ জন পীড়িতকে আটক করেছে, যার মধ্যে ২৩১ জন তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিহারে বন্যা, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে ভূমিধস, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার মতো সকল দুর্যোগের সময় এসএসবি দেশের নাগরিকদের পাশে থেকে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে।মাদকমুক্ত ভারত অভিযানের আওতায় প্রায় ৩৬,০০০ যুবককে সচেতন করে মাদক থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে এসএসবি বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। মোদী সরকার গত ১০ বছরে আমাদের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য প্রচুর কাজ করেছে। ১০ বছরে ১৩,০০০ এর বেশি বাড়ি, ১১৩টি ব্যারাক এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সহযোগিতা মন্ত্রী এবং ভারতীয় জনতা পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা শ্রী অমিত শাহ শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবস প্যারেড অনুষ্ঠানে জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং এই উপলক্ষে আগরতলা ও পেট্রাপোলের বিএফজি-র নবনির্মিত আবাসিক কমপ্লেক্সের ই-উদ্বোধন করেন।এসএসবি-র সমস্ত জওয়ানকে ৬১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে অমিত শাহ বলেন, আজকের এই দিনে আমরা আবার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করছি এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছি যে ভারতের দুই প্রতিবেশী বন্ধু দেশের উন্মুক্ত সীমান্তে জাতি-বিরোধী তৎপরতাগুলিকে খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেপাল-ভুটানের সীমান্ত হোক, কাশ্মীরের উপত্যকা হোক বা পূর্বাঞ্চল থেকে নকশালবাদ নির্মূলের জন্য ভারতের অভিযান হোক, আমাদের জওয়ানরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে ভারতের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন।তিনি আরও বলেন, এসএসবি-কে যখন সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়, তার পূর্বে এর প্রাক্তন অবতারে ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর সাংস্কৃতিক বিবরণ, ভাষার সমৃদ্ধি এবং তাদের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে ভারতের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করেছে এসএসবি। ২০০১ সালে অটল বিহারি বাজপেয়ী এক সীমা, এক বাহিনী নীতি গ্রহণ করেন। এরপর এসএসবি-কে আমাদের দুই বন্ধু দেশ নেপাল এবং ভুটানের সীমান্ত পর্যবেক্ষণ এবং সুরক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়।অমিত শাহ বলেন, ৬১ বছরের যাত্রায় এসএসবি এখন পর্যন্ত চারটি পদ্মশ্রী, একটি কীর্তি চক্র, ছয়টি শৌর্য চক্র, দুটি রাষ্ট্রপতি সাহসিকতা পদক, ২৫টি পুলিশ সাহসিকতা পদক এবং ৩৫টি সাহসিকতা পদক অর্জন করেছে। এই জাতীয় স্তরের সম্মানগুলোই প্রমাণ করে যে আমাদের এসএসবি কর্তব্য পালনে কতটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আজ, ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গ্যালান্ট্রি মেডেল, প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল, ইন্ডিয়ান পুলিশ মেডেল এবং ভারত-নেপাল, ভারত-ভুটান, বামপন্থী উগ্রপন্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় শ্রেষ্ঠ ব্যাটালিয়নগুলিকে ট্রফি এবং মেডেল প্রদান করা হয়েছে। যারা তাদের সাহসিকতা এবং কর্তব্যপরায়ণতার জন্য এই পদক অর্জন করেছেন, তাদের সবাইকে অনেক অভিনন্দন।তিনি আরও যোগ করেন, আজ এখানে এসএসবি-র সাথে সংশ্লিষ্ট আটটি ভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পের ই-উদ্বোধন এবং ই-শিলান্যাসও হয়েছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে এসএসবি-র জওয়ান এবং তাদের পরিবারের জন্য আবাসনের সুযোগ এবং প্রশিক্ষণের সময় তাদের জন্য উন্নত রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার সূচনা করা হয়েছে।তিনি বলেন, ৬১ বছরের গৌরবময় ইতিহাসে, সেবা, সুরক্ষা এবং ভ্রাতৃত্বের স্লোগানকে এসএসবি শুধুমাত্র তার কর্মদক্ষতার মাধ্যমে বাস্তবায়িত করেনি, বরং জাতির সেবা এবং জাতি প্রথম ধারণাকেও উজ্জ্বল করেছে। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দেশপ্রেম ও ভারতের সঙ্গে গভীর সংযোগের এক অসাধারণ আবেগ জাগ্রত করার কাজ করেছে এসএসবি। নেপাল এবং ভুটানের ২,৪৫০ কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখার গুরু দায়িত্ব পালন করেছে এসএসবি। যখন সীমান্তে বেড়া থাকে, তখন নিরাপত্তার দায়িত্ব সহজ হয়, কিন্তু উন্মুক্ত সীমান্তের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। নেপাল এবং ভুটানের ২,৪৫০ কিলোমিটার সীমান্তে, আজ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো চিন্তা নেই, কারণ সেখানে এসএসবির জওয়ানরা প্রহরায় রয়েছে। এসএসবির জওয়ানরা উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে মাদক, মানব পাচার, অস্ত্র পরিবহণ এবং দেশবিরোধী বিষয়বস্তুর প্রবেশ কঠোর সতর্কতার সাথে আটকেছে। শুধু তাই নয়, পূর্বাঞ্চলে নকশালবিরোধী অভিযানে এসএসবি, সিআরপিএফ এবং স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে মিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নকশালমুক্ত করতে সহায়তা করেছে। প্রায় চার দশক পরে আজ বিহার এবং ঝাড়খণ্ড নকশালমুক্ত হয়েছে এবং এতে এসএসবির জওয়ানদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসএসবির জওয়ানরা ঝাড়খণ্ডের কোকারাজাল জেলার রাই মোনা ন্যাশনাল পার্ক, বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ, হাতি নালা, হরানালা, তাওয়াং-এর বঙ্গে জাং, নেগো ট্যাংক এবং উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত এলাকায় কঠিন পোস্টে সতর্ক প্রহরায় দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। শিলিগুড়ি করিডর পূর্ব ভারতের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। নেপাল এবং ভুটানের মধ্যে এক উচ্চমানের সমন্বয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে আস্থা, ঐতিহ্য এবং বন্ধুত্বের মেলবন্ধন রয়েছে।ভারত-নেপাল মৈত্রী চুক্তির মর্যাদাকে সর্বদা সম্মান জানিয়ে, নো ম্যানস ল্যান্ড-এ ১,১০০-এর বেশি অবৈধ দখলদারিকে এসএসবির মাধ্যমে সরানো হয়েছে, যা একটি বড় সাফল্য। সীমান্তের ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সরকারি জমিতে অবৈধ দখল প্রতিরোধের জন্য গত তিন বছরে এসএসবি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং কোনো বিতর্ক ছাড়াই হাজার হাজার একর সরকারি জমি অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করেছে। প্রায় ৪,০০০-এর বেশি পাচারকারী ধরা পড়েছে। এক বছরে ১৬,০০০ কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ২০৮টি অস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জব্দ করেছে এসএসবি। ১৮৩ জন মানব পাচারকারী এবং ৩০১ জন ভুক্তভোগী, যার মধ্যে ২৩১ জন তরুনি, তাদের উদ্ধার করার কাজও করেছে এসএসবি।এসএসবির প্রশংসা করে শ্রী অমিত শাহ বলেন, গত সাত বছরে ৬০০-এর বেশি মাওবাদীকে গ্রেপ্তার, ১৫ জনের বেশি মাওবাদীর মৃত্যু এবং ২৮ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ প্রমাণ করে যে এসএসবি কতটা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে, এসএসবির জওয়ানরা তাদের বিভিন্ন অভিযানে ১৯ জনের বেশি সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছে এবং ১৪ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে। শুধুমাত্র সুরক্ষা প্রদান নয়, বিহারের বন্যা, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের ভূমিধস, এবং কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার মতো দুর্যোগের সময় এসএসবি দেশের জনগণের পাশে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা করেছে। খেলাধুলাতেও, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মোট ৭২টি পদক জিতেছে এসএসবি।এসএসবির প্রশিক্ষিত কর্মীদের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার যুবসমাজকে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে মধু উৎপাদনের জন্য মৌমাছি পালন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, মোবাইল মেরামত এবং মোটর ড্রাইভিংয়ের মতো বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নেশামুক্ত ভারত অভিযানের অধীনে প্রায় ৩৬,০০০ যুবককে সচেতন করে এবং নেশা মুক্ত করতে এসএসবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।শ্রী অমিত শাহ মোদি সরকারের সাফল্যের উল্লেখ করে বলেন, গত ১০ বছরে মোদি সরকার আমাদের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য প্রচুর কাজ করেছে। সিএপিএফ-এর ৪১,২১,৪৩১টি আয়ুষ্মান সিপিএফ কার্ড নিবন্ধিত হয়েছে, যার মাধ্যমে ১,৬০০ কোটি টাকার পেমেন্ট হয়েছে এবং ১৪,৩৮,০০০ কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ১০ বছরে ১৩,০০০-এর বেশি বাড়ি, ১১৩টি ব্যারাক এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধার ভবন নির্মাণের কাজ মোদি সরকার করেছে। সিপিএফ ই-আবাস ওয়েব পোর্টালের সুবিধা এখন পর্যন্ত ৬৩,১৪৬ জন কর্মী গ্রহণ করেছেন। সিএপিএফ-এর জওয়ানরা ১৫ই নভেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত ৬ কোটি গাছ লাগিয়ে বসুন্ধরার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৪
বিদেশ

বিকল্প বাজার দেখতে তৎপর বাংলাদেশ! তবে এখনও ভারতীয় পন্যেই নির্ভরশীল ইউনুস সরকার

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নির্যাতনের অভিযোগে তোলপাড় সারা বিশ্ব। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা থেকে গ্রেট ব্রিটেন। এদিকে ভারতের পন্য বয়কট নিয়ে লাগাতার প্রচার চলছে বাংলাদেশে। এখন তো বিএনপি নেতৃত্ব সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে ভারতীয় দ্রব্য়সামগ্রী বয়কটের ডাক দিয়েছে। তবে এখনও ভারতে থেকে সীমান্ত পার হয়ে স্বাভাবিক ভাবেই পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। তা এখনও বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয়নি বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। এদিকে পেঁয়াজ ও আলুর বিকল্প বাজার খুঁজতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কালের কন্ঠে পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর বাজার স্থিতিশীল করতে ভারতের বিকল্প বাজার থেকে আমদানি এবং বাজার মনিটরিংয়ের জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজ বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ ও আলুর স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল করা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অংশীজনদের নিয়ে সভায় তারা এই তাগিদ দেন।এ ছাড়া আলুর শুল্ক মেয়াদ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে আরো দুই মাসের জন্য বাড়ানোর সুশারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। বাণিজ্যসচিব মোহা. সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর আলুর বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। যদিও দাম বেশি হলেও নতুন আলু ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বাজারে আসবে। এই সময় সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে জানিয়েছে তারা। এ ছাড়া পেঁয়াজের ও আলু সঠিক তথ্য না থাকায় বাজার স্থিতিশীল করা যাচ্ছে। এ জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরকে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য সরকারের হিমাগার করার জন্য পাইলট প্রকল্প নিতে পারে। যেখানে কম সুদে ঋণ, জমি দিতে পারে উদ্যোক্তাদের।এদিকে ট্যারিফ কমিশনের ওই সভায় একটি পর্যবেক্ষণ ও দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর অন্যতম উৎস ভারত। ভারতের বাজারের পণ্য দুটির দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে আলু আমদানি করা হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৫৬৮ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গত ৫ মাসে (১ জুলাই - ৩০ নভেম্বর) আমদানি করা হয়েছে ৫৬ হাজার ৭৬৩ টন। ভারত থেকে এসব আলু এসেছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭০ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৫২ টন। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, চীন ও মিয়ানমার থেকে এসব পেঁয়াজ এসেছে।বাংলাদেশের সংবাদপত্রে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে মুখেই ভারতীয় পন্য বয়কটের কথ বলা হচ্ছে। কোনওরকম ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসা বন্ধ করেনি। শেখ হাসিনা গদি ছাড়ার পরও একই ভাবে আলু, পেঁয়াজ, মাছসহ একাধিক পন্য ভারত থেকেই নিচ্ছে বাংলাদেশ। তাতেই বাংলাদেশের বাজারদর কিছুটা হলেও স্থিতিশীল রয়েছে। পন্য বয়কটের অযথা রাজনীতি করছে বাংলাদেশ। বেনোপোল সীমান্তে প্রতিদিন শয়ে শয়ে ভারতীয় কম্বল কিনছে বাংলাদেশীরা।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৪
বিদেশ

সংঘাতের পথে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক? ঢাকায় তলবে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনের

তবে কি সংঘাতের পথ বেছে নিল ইউনুসের বাংলাদেশ সরকার? ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেল চারটের কিছু আগে প্রণয় ভার্মা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গেছেন। বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রণয় ভার্মা। জানা যাচ্ছে, আগরতলায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তলব করা হয় ভারতের হাই কমিশনারকে। কূটনৈতিক মহল এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের তরফে সংঘাতের বার্তা বলে অনেকে মনে করছে। আগরতলার ঘটনায় ভারত সরকার দুঃখ প্রকাশ ও নিন্দা করার পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশকে বরখাস্ত করেছে। তারপরও হাই কমিশনারকে তলব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিপন্থী বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। এর ফলে দুইদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকতে পারে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার আক্রমণের অভিযোগ উঠছে। এদিকে আজ ইউনুস সরকারের হাতে গ্রেফতার চিন্ময়কৃষ্ম দাসের হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে দাঁড়াননি। এর আগে তাঁর হয়ে সওয়াল করা আইনজীবীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রায় এক মাস পিছিয়ে গিয়েছে তাঁর শুনানি। তাঁর প্রাণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে ইসকন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

১৪ বছরেও চাকরির পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি, কড়া নির্দেশ বিচারপতির

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী তিনদিনের মধ্যে ২০১০ সালের পরীক্ষার ফলপ্রকাশ করতে হবে তাঁদের। ১৪ বছর আগে পরীক্ষা হওয়ার পর এখনও তার ফল বেরোয়নি! এতেই বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কমিশনের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, কোনও পরীক্ষার ফল বের করতে ১৪ বছর লাগে কি? ২০১০ সালে গ্ৰুপ ডি-তে তিন হাজার শূন্যপদে পরীক্ষা হয়েছিল। অন্তত ১ লক্ষ পরীক্ষার্থী সেই পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সেই পরীক্ষায়।দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষার ফল না বেরোনোয় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীরা। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ ফলপ্রকাশের দিনক্ষণ বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময়সীমা দুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। তার আগে মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিলেন, তিনদিনের মধ্যেই সে ফলপ্রকাশ করতে হবে মাদ্রাসা কমিশনকে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাই, এবার ভোর দখলের ডাক শিলিগুড়িতে

এবার শিলিগুড়িতে ভোর দখলের ডাক। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আরজি করের ঘটনার একমাস পূর্তি হচ্ছে। সেই দিনই ভোর ৪টে ১০ মিনিট থেকে ৬টা পর্যন্ত শিলিগুড়ির রাস্তায় মঙ্গল প্রার্থনা ও শপথবাক্য পাঠের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিন শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে টেবিল টেনিস তারকা অর্জুন মান্তু ঘোষ, সমাজসেবী ও শিক্ষিকা সুনন্দা সরকার ও পৌলমী চাকি নন্দীরা জানান, আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা এখনও বিচার পায়নি। দ্রুত যাতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত যারা তাদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়, এই দাবিতে তাঁরা পথে নামবেন। শুধু শিলিগুড়ি নয়, অন্যান্য জায়গাতেও একই ভাবে সকলকে পথে নামার ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
রাজ্য

দুর্গাপুরে কোটি টাকা ছিনতাইয়ে যুক্ত দুই পুলিশ কর্তা! অভিযোগে গ্রেফতার মোট ৬

দিল্লির এক ব্যবসায়ীর এক এজেন্টের কাছ থেকে জাতীয় সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ছিনতাই করা হয় এক কোটি এক লক্ষ টাকা। আর এই ছিনতাই কাণ্ডে জড়িয়ে গেল দুই পুলিশ কর্তা। ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুর্গাপুর পুলিশের কর্তা ও সিআইডি দুর্গাপুরের এক কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতার হয় পুলিশের কাজ থেকে বরখাস্ত এক কর্মী। মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান অভিষেক গুপ্তা। শনিবার তাদেরকে আদালতে তোলা হবে। ডিসি জানান এখন তদন্ত চলছে, পুলিশ বলে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন আইনের পথেই চলবে। এই ঘটনা নিয়ে সকাল থেকেই দুর্গাপুর উত্তাল ছিল। ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা বলেন, দিল্লীর এক ব্যবসায়ী এক কোটি এক লক্ষ টাকা নিয়ে সড়কপথে কলকাতা যাচ্ছিল। সেই সময় ডিভিসি মোড়ের কাছে টাকা লুঠ করে দুস্কৃতীরা। যার মধ্যে ছিলেন দুই পুলিশ কর্তা। ডিসিপি বলেন, দিল্লীর ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ ছিল যাদের তারাও ছিল এর মধ্যে। কোন টাকা উদ্ধার হয়নি। তদন্ত চলছে তবে ব্যবসায়ীর পরিচিত লোকেরা যুক্ত রয়েছে। আইন আইনের পথেই চলবে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal