• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

সানডে সাস্পেন্স! পূর্ব বর্ধমানে পুলিশি ঝড়! গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস সহ তৃণমূলের আরও দুই প্রভাবশালী নেতা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। সেই ধারাবাহিকতায় রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় কার্যত সুপার সানডে অভিযান চালিয়ে তিন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে আইনের জালে আনল পুলিশ। প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস ও তপন চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পাশাপাশি আটক করা হয়েছে কাটোয়ার প্রভাবশালী নেতা দিগন্ত পালকেও। জেলাজুড়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে পূর্বস্থলীতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার সকালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দেয় পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বরাদ্দ বহু ত্রিপল এবং সরকারি ক্রীড়া উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিতরণের উদ্দেশ্যে পাঠানো ফুটবল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত হেফাজতে রাখার অভিযোগে তপন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে পরে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের পরিবর্তে এই সামগ্রিগুলি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মজুত রাখা হয়েছিল। এমনকি সেগুলি কালোবাজারে বিক্রির পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এলাকার মানুষ। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রাক্তন বিধায়কের মালিকানাধীন একাধিক গুদামেও তল্লাশি চালিয়েছে।তল্লাশির খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে স্লোগান দিতে থাকেন। উদ্ধার হওয়া সরকারি সামগ্রীর উৎস, সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা জেলার অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক মুখ খোকন দাসকে রবিবার সকালে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ এর হান্ডিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একটি পুরনো মারধরের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। ২০২১ এ নির্বাচন পরবর্তী সন্ত্রাসে অভিযুক্ত ছিলেন খোকন দাস। সিবিআই তাকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, স্থানীয় আদালতে তাঁকে পেশ করে ট্রানসিট রিমান্ডের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রাজ্যের বাইরে ছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেলার রাজনৈতিক অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে একই দিনে গ্রেফতার করা হয়েছে কাটোয়ার প্রভাবশালী নেতা তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিগন্ত পালকে। আর্থিক তছরুপ ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগে শনিবার গভীর রাতে কাটোয়া স্টেশন বাজার এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে কাটোয়া থানার পুলিশ। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়।সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং ব্যক্তিগত গুদাম থেকে সরকারি ত্রাণসামগ্রী, আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে প্রশাসনিক সম্পদের অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।একদিনে জেলার তিন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপে পূর্ব বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল কার্যত সরগরম। তদন্ত যত এগোবে, ততই আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। ফলে এই ঘটনাপ্রবাহ আগামী দিনে জেলার রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

মে ৩১, ২০২৬
দেশ

অভিষেকের উপর হামলায় সরগরম দেশ! খাড়্গে-অখিলেশের বিস্ফোরক বার্তায় চাপে বিজেপি?

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার জাতীয় রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সোনারপুরের ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি সরব হয়েছে ইন্ডিয়া জোটের নেতারাও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন।সামাজিক মাধ্যমে মল্লিকার্জুন খাড়্গে লিখেছেন, সোনারপুরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁর দাবি, অভিষেক ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করা প্রতিহিংসার রাজনীতিরই উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।খাড়্গে আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত সব বিরোধী দলের নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনও হিংসার কারণ হতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি দাবি করেন, এত সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা না থাকা গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর কথায়, ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।এদিকে আগামী ছয় জুন ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, সেই বৈঠক নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্তরে বিরোধী শিবির আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে। ইন্ডিয়া জোটের আসন্ন বৈঠকের আগে এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

২ জুনের আগে ফর্ম না জমা দিলে কি মিলবে না ৩০০০ টাকা? সামনে এল বড় আপডেট

মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়ার আশায় অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করতে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মহিলা। বিডিও অফিস, পুরসভা, ওয়ার্ড অফিস থেকে শুরু করে সাইবার ক্যাফে ও জেরক্সের দোকানেও দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম বিলি এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই এখন একটাই প্রশ্ন, ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন কবে?সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইন এবং অফলাইন দুই মাধ্যমেই অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। গত ২৭ মে থেকে অফলাইনে ফর্ম পাওয়া শুরু হয়েছে। আর ২৯ মে থেকে শুরু হয়েছে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ। আবেদনকারীরা বিডিও অফিস, জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়, পুরসভা এবং ওয়ার্ড অফিস থেকে ফর্ম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আগামী ২ জুনের মধ্যে যাঁরা আবেদনপত্র জমা দেবেন, তাঁরা জুন মাসের কিস্তিতে ৩ হাজার টাকা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ৩ জুন থেকেই সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে।তবে যাঁরা এখনও আবেদন করতে পারেননি এবং আগে থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধাভোগী, তাঁদের চিন্তার কারণ নেই। তাঁরা এই মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নির্ধারিত ১৫০০ টাকা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। ১২ পাতার আবেদনপত্রে পরিবারের সকল সদস্যের তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, বার্ষিক আয়, জমির মালিকানা এবং সন্তানদের শিক্ষার তথ্য দিতে হবে। কোনও তথ্য ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রমাণিত হলে আবেদন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট’ শুরু হতেই তৎপর প্রশাসন! মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে ৩ অনুপ্রবেশকারী

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন কারা?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার নবান্নে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য একটি পোর্টাল চালু করা হবে। তারপরই প্রকল্পটি কার্যকর করা হবে।রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, যাঁরা বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আসবেন। তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও সরকারের কাছে জমা পড়ে থাকা প্রায় ৯১ লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমীক্ষার ভিত্তিতে নতুন উপভোক্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাঁরা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদেরও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি সরকার।সরকারি সূত্রে খবর, যাঁরা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা নন, তাঁদের আলাদা করে আবেদন করতে হবে। নতুন পোর্টাল চালু হওয়ার পর সেখানে নাম নথিভুক্তির সুযোগ থাকবে।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন, ধর্মীয় ভাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকের পরই নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যে সরকার বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বরং সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও নতুন প্রকল্প আনা হবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে সরকারের এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি বিদায়, ফিরছে ভয়ংকর গরম! জৈষ্ঠ্য পড়তেই হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে

মে মাসের শুরুতে টানা মেঘলা আকাশ, ঝড়-বৃষ্টি এবং ঠান্ডা হাওয়ার জেরে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিকের নীচে ছিল। সন্ধে নামলেই একাধিক জেলায় শুরু হচ্ছিল ঝড়-বৃষ্টি। ফলে বৈশাখের তীব্র গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু জৈষ্ঠ্য মাস পড়তেই বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম এবং অস্বস্তি।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা আপাতত ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আগামী দুদিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরম এবং গুমোট অস্বস্তি থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একেবারেই আলাদা। দক্ষিণবঙ্গে যখন বাড়ছে গরম, তখন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা ভাসছে বৃষ্টিতে। সোমবার এবং মঙ্গলবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী তিন দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
দেশ

বড় সুখবর! সময়ের আগেই দেশে ঢুকছে বর্ষা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি

প্যাচপ্যাচে গরম থেকে খুব শীঘ্রই মিলতে পারে স্বস্তি। সময়ের আগেই দেশে ঢুকতে চলেছে বর্ষা। এমনই বড় ঘোষণা করেছে আবহাওয়া দফতর। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা ঢোকে। তবে গত বছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষার আগমন ঘটতে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষার প্রবেশ শুরু হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তার জেরেই সক্রিয় হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলে দুটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।আজ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ি এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকাল রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আগামী কয়েকদিন গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৬০ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ১৬.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে। সেখানে পারদ পৌঁছেছিল ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল অসমের হাফলংয়ে, ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আন্দামান-নিকোবর, উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এখন সকলের নজর, কবে বাংলায় পুরোপুরি বর্ষার প্রবেশ ঘটে।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 91
  • 92
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

হারের হ্যাটট্রিকে চাপে শ্রেয়স, বৈভবের অভিষেক রঙহীন; ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে ভারত

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুর্দশা যেন কাটছেই না। বিশ্বকাপজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বেও সেই হতাশার ছবিই আরও স্পষ্ট হল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ রান করেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ হল ভারত। এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনটি ম্যাচ হেরে সমালোচনার মুখে পড়লেন শ্রেয়স আয়ার।এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ না পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান বৈভব। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের নজির গড়লেও ব্যাট হাতে সেই অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি।তবে শুরুটা ছিল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। জফ্রা আর্চার ও জশ টংয়ের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিরুদ্ধে দুটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান বৈভব। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। উইল জ্যাকসের বলে ক্রিজ ছেড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই তরুণ ব্যাটারকে।অন্য প্রান্তে অভিষেক শর্মা নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে খেলতে মাত্র ২৪ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্যাম কারেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তাঁর বিদায়ের পর ভারতের ইনিংসে কিছুটা গতি কমে যায়।মধ্যক্রমে ঈশান কিশন ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান ৪৯ এবং শ্রেয়স ৩৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের বোলাররা চমৎকার পরিকল্পনায় ভারতের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারির দিকে শট খেলতে বাধ্য করেন। ঝুঁকিপূর্ণ সেই শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ভারত।শেষের দিকে তিলক বর্মা মাত্র ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও শিবম দুবে ও অক্ষর পটেল ব্যর্থ হন। ফলে একসময় ২০০ রানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভারত থামে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে। হার্দিক পাণ্ড্য না থাকায় অতিরিক্ত বোলার খেলাতে গিয়ে ব্যাটিং গভীরতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন দুই বিধ্বংসী ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। ম্যাচের শুরুতে ভারতের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল।কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে চাপ সরিয়ে দেন তিনি। পরে টম ব্যান্টন ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে ওঠেন জেকব বেথেল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতরান করেও ভারতের বিরুদ্ধে দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। এবার সেই আক্ষেপ মুছে দিলেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে।ভারতের বোলাররা শুরুতে সাফল্য পেলেও মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এক ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এই জয় ইংল্যান্ডকে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল। এখন সিরিজে ফিরতে হলে বাকি তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই জিততে হবে ভারতকে। তবে বর্তমান ফর্ম, ব্যাটিংয়ের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবং মাঝের ওভারে বোলিংয়ের ধারহীনতা দেখে সেই কাজ মোটেও সহজ মনে হচ্ছে না।নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের জন্যও পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। অধিনায়ক হিসেবে এখনও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। টানা তিনটি পরাজয়ের পর তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শুধু সিরিজ নয়, দলের আত্মবিশ্বাসও আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে বড় বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘোষণায় চমকে রাজ্য, বদলে গেল সব হিসাব

শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ফেরাতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ এবং হাজার হাজার চাকরি বাতিলের ঘটনার পর এবার নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যের বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার আরও এক ধাপ এগোল বলে দাবি করা হয়েছে।শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গত কয়েক বছরে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত ছিল। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় আদালতের নির্দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার। এবার সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হিসেবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শীর্ষ পদে অভিজ্ঞ প্রশাসনিক আধিকারিককে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সরকার শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে। সেই লক্ষ্যেই নিয়োগ কমিশনগুলিকে সর্বভারতীয় মানের কাঠামোয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাখা হবে না।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালার হাতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলেই সরকারের আশা।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি হবে মেধা এবং যোগ্যতা। অতীতের মতো কোনও ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মকে বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সরকারের এই ঘোষণার পর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। এখন নজর থাকবে নতুন কমিশনের অধীনে নিয়োগ কতটা স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেই।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চন্দ্রিমাকে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল! ‘সব পেয়েও তখন অভিমান হয়নি, এখন হঠাৎ কী হল?’

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। চন্দ্রিমার সিদ্ধান্ত নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর সময় কোনও অভিমান ছিল না। তাহলে এখন হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।সম্প্রতি দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবারও তিনি দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তৃণমূল ভবনে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু পরের দিনই দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেই মন্তব্যে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমার পরিবারের কয়েকজন আগেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। কিন্তু তৃণমূল ভবনের ঘটনাদিন তিনি যদি আরও কিছুক্ষণ সেখানে থাকতেন, তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে দাবি করেন কুণাল। তাঁর কথায়, দলীয় কর্মীরাও চন্দ্রিমাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সেই অনুরোধ না মেনে সেখান থেকে চলে যান। কুণালের দাবি, দলের দায়িত্বে থাকা একজন নেতার কাছে এমন আচরণ প্রত্যাশিত ছিল না।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি কাউকে ভবনের দখল নিতে সাহায্য করেননি। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যেই তিনি অপমানিত বোধ করেন। তাঁর মতে, সেই কথার মধ্য দিয়ে তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন।এর জবাবে কুণাল ঘোষ আরও কড়া ভাষায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন চন্দ্রিমা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তখন কোনও অভিমান ছিল না। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই হঠাৎ অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। কুণালের কথায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন সব সুবিধা নেওয়া আর পরে অন্য শিবিরের দিকে ঝুঁকে পড়া রাজনৈতিকভাবে অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবে নেবেন না।চন্দ্রিমাকে এক সময় স্বাস্থ্য, অর্থ এবং আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের পর এই প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মারাদোনার রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শিখরে মেসি! গোলেও একের পর এক নজির

বয়স যত বাড়ছে, ততই যেন নতুন নতুন ইতিহাস লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুধু দলকে জেতাতেই বড় ভূমিকা নেননি, একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এতদিন ছিল আর্জেন্টিনার আর এক কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার দখলে।ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড় করালেন ৯-এ। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের মালিক এখন এককভাবে লিওনেল মেসি। এতদিন ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে এই রেকর্ডটি ছিল দিয়েগো মারাদোনার নামে। সেই নজির ভেঙে আরও একবার নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।গোল করাতেও অতুলনীয় মেসিফুটবল বিশ্বে মেসিকে সাধারণত অসাধারণ গোলদাতা হিসেবেই বেশি চেনা হয়। তবে তাঁর খেলার অন্যতম বড় শক্তি হল সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। নিখুঁত পাস, অসাধারণ ভিশন এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেমেকারেও পরিণত করেছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেই দক্ষতারই আরও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ মিলল।বিশ্বকাপে ৯টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বই নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরও প্রতীক।গোলেও নতুন মাইলফলকঅ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল করেও ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বাড়ানো বল থেকে দুরন্ত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর ২০তম গোল।এই গোলের সুবাদে আরও একটি অনন্য নজির গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দুটি পৃথক বিশ্বকাপে সাত বা তার বেশি গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও নিজের নাম লেখান মেসি।গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই সাতটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন মেসি। তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ছয় গোল করে খুব কাছেই রয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ততই জমে উঠবে সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতা।নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনার জয়কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে দুই দলই ২-২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় এক আত্মঘাতী গোলে। অতিরিক্ত সময়ে মেসির নেওয়া একটি শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনে বোরজেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন। সেই আত্মঘাতী গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই জয়ের সুবাদে লিওনেল স্কালোনির দল নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট। আর ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসি আরও একবার প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু গোল করার জন্যই নন, দলের আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ইতিহাস সৃষ্টিদুই ক্ষেত্রেই অনন্য। প্রতিটি ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি যেন নিজের কিংবদন্তিকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক?' আর্জেন্টিনার জয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, ভবিষ্যদ্বাণী উল্টে দিল লা অ্যালবিসেলেস্তে

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমক, নাটকীয়তা আর নানান ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। কখনও অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণী, কখনও আবার কার্টুন সিরিজ The Simpsons-এর কাকতালীয় মিলপ্রতিটি বিশ্বকাপেই এমন নানা ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ঘানার এক স্বঘোষিত তান্ত্রিক।বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, লিওনেল মেসিদের দল নাকি কেপ ভার্দের কাছেই আটকে যাবে এবং প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কেউ সেটিকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিলেও, অনেকেই আবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন।কিন্তু মাঠে নেমে সব হিসেবই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ১২০ মিনিট ধরে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা নিশ্চিত করে লা অ্যালবিসেলেস্তে। কঠিন লড়াইয়ের পর পাওয়া এই জয় শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচ্ছ্বসিত করেনি, একইসঙ্গে ঘানার সেই তান্ত্রিকের দাবিকেও সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে।আর্জেন্টিনার জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে হাস্যরসের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসব জায়গাতেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক? কেউ লিখছেন, ধরে আন ব্যাটাকে! আবার কেউ মিম বানিয়ে দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হতেই তিনি নাকি গায়েব হয়ে গিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মিম এবং ট্রোল ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।ঘটনার মজার দিক আরও একটি। যে ঘানার তান্ত্রিক আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সেই ঘানার দলই শেষ পর্যন্ত কলম্বিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফলে সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করে বলছেন, অন্যের ভাগ্য গণনা করতে গিয়ে নিজের দলের ভবিষ্যৎই দেখতে পেলেন না!ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনও ফলাফল মেনে নেয় না, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচ যেন তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কুসংস্কার, অলৌকিক দাবি কিংবা ভাইরাল ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই, কৌশল এবং ফুটবল দক্ষতাই যে আসল কথাতা আরও একবার প্রমাণ করলেন মেসিরা।এখন শেষ ১৬-র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে মিশর। তবে এই মুহূর্তে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় একটাইঘানার সেই তান্ত্রিক এখন

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal