• ৪ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bar

রাজ্য

১২ বছর বয়সে অঙ্কে স্নাতক! বর্ধমানে হাজির 'গণিতের বিষ্ময় বালক'

অঙ্ক নিয়ে জাগলারি দেখল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থেকে নবীন পড়ুয়ারা। গণিতের বিষ্ময় বলককে চাক্ষুশ করতে প্রেক্ষাগৃহ ছিল কনাই কানাই পূর্ণ। মিট দা জিনিয়াস শীর্ষক দুই ঘণ্টার এই কর্মশালায় মূলত নাম্বার থিওরি আলোচনা করেন গণিতের বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারি। বিশুদ্ধ ও ফলিত গণিতের বিভিন্ন জটিল তত্ত্ব-র আলোচনাতেও সুবর্ণের সরল ব্যাখ্যা সুবর্ণ গোলকের মতই তেজস্বী।অনুষ্ঠানটিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমার্ধ মূলত সুবর্ণ বক্তব্য রাখেন গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে, দ্বিতীয়ার্ধে শিক্ষাবিদ থেকে ছাত্রছাত্রীদের গণিত সমন্ধীয় নানা প্রশ্নের উত্তর বা সমাধান করেন সুবর্ণ। সুবর্ণে র ছটায় মোহিত দর্শককূল বসার জায়গা না পেয়েও মনখারাপ না করে মোহিত হয়ে প্রেক্ষাগৃহের ফ্লোরে বসেই অঙ্কের রসাস্বদন করতে থাকেন।সুবর্ণ-র অনুষ্ঠাটির আয়োজন করে বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের আইকিউএসি (IQAC) সেল। এইদিনের অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ গৌতম চন্দ্র, রেজিস্টার ডঃ সুজিত কুমার চৌধুরী, বিজ্ঞান বিভাগের ডিন অধ্যাপক সুনীল কারফর্মা, হিউম্যানিটি বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডঃ প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগের অধ্যাপকেরাও উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপাচার্য ডঃ গৌতম চন্দ্র উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারী কে।অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মন্টু সাহা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ডিন-র অদম্য প্রয়াসে ও প্রচেষ্টার ফলেই সুবর্ণকে আমাদের বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিয়ে আসার মত এক অসাধ্য সাধন সম্ভব হয়েছে। সুবর্ণ কে চাক্ষুষ দেখে বহু গণিত প্রেমী বিভিন্নভাবে উপকৃত হয়েছেন। সুবর্ণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, ২০১২-র ৯ এপ্রিল আমেরিকার নিউইয়ার্কে বিষ্ময় বালক সুবর্ণর জন্ম। সুবর্ণ তাঁর বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। তাঁর দাদাও অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। সুবর্ণ মাত্র চার বছর বয়স থেকে তার অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।সুবর্ণের পিতা রাশেদুল বারী জানান, ছোটবেলা থেকেই সুবর্ণ-র এই বিস্ময় প্রতিভা আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও গণিতের প্রথিতযষা প্রতিষ্ঠাগুলির পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করে চলেছে। সুবর্ণকে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাও তাঁদের নানা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করেছে। নানাবিধ পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছে অঙ্কের এই ক্ষুদে যাদুকর। পেয়েছে বহু স্কলারশিপ। রাশেদুল বারী জানান, সুবর্ণ মাত্র সাত বছর বয়সে বিভিন্ন কলেজে গেস্ট লেকচারার হিসেবে গণিত শাস্ত্রের উপর বক্তব্য রেখেছেন। ইতিমধ্যে সুবর্ণ বিশ্বের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর এই বিস্ময় প্রতিভার প্রমান দিয়ে এসেছেন। ভারতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও সুবর্ণ-র প্রতিভাকে সন্মাননা জানানো হয়।রাশিদুল বারী আরো জানান, এর আগে আইআইটি খড়্গপুরে ব্যাক হোল (কৃষ্ণ গহ্বর) থিওরি র উপর বক্তব্য রেখেছে সুবর্ণ। গণিতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকবার পুরস্কৃত হয়েছে সুবর্ণ। গণিত শাস্ত্রে তার বিশ্বরেকর্ড আছে বলেও তাঁর পিতা দাবী করেন। সুবর্নের পিতা আরো জানান, গণিতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র এবং নিজের লেখা দুটি বই-ও ইতিমধ্যে প্রকাশ করে ফেলেছে সুবর্ণ আইজ্যাক বারী। সুবর্নের বর্তমান বয়স ১২, এই বয়সেই সে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ হয়ে আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা ও গণিত এই দুইটি বিষয়ের উপর স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করছে বলে জানান তার পিতা।সুবর্নের পিতা রাশেদুল বারী জানান, নিউইয়র্ক বিশ্বিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এর ১৯০ বছরের ইতিহাসের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছাত্র হিসেবে ব্যাচেলর অফ সায়ন্স (BS) পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। তিনি বলেন, এই কৃতিত্ত্ব আমেরিকার ইতিহাসে বিরল। সুবর্ণের বিরল প্রতিভার খবর দিকে দিকে ছড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সে এখ অত্যন্ত ব্যস্ত আক মানুষ। নিজের পড়াশোনা ও গবেষণার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্বের নানা জায়গার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে ও স্কুলে গণিতের নাম্বারর থিওরি ও বিভিন্ন ধরনের জটিল তথ্য ও সমস্যা সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে ছুটছেন বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারী।সুবর্ণর বাবা রাশিদুল বারী ও মা শাহেদা বেগম। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাগৃহে-এ উপস্থিত আয়োজক অধ্যাপকদের অনুরোধে সুবর্ণ-র পিতা রাশিদুল বারী তাঁর পুত্রের বিষ্ময়কর প্রতিভা সম্পর্কে আলোকপাত করতে মঞ্চে আসেন। তিনি বলেন, মাত্র দুবছর বয়স থেকে তার এই প্রতিভা লক্ষিত হয় ওর মায়ের কাছে পড়ার সময়। আমি নিজে গনিত ও পদার্থবিদ্যা ছাত্র হওয়া স্বত্তেও বেশিদিন সুবর্ণকে পড়াতে পারিনি, হয়রান হয়ে পড়তাম তাকে পড়াতে গিয়ে। তার বিভিন্ন প্রশ্ন বানে জর্জরিত হতাম বারবার। বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা গণিতের অধ্যাপকের কাছে সুবর্ণ-কে নিয়ে যায় তার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরের সমাধানের জান্য। সে নিত্য নূতন ফর্মুলা ও পদ্ধতি আবিস্কার করে অংক কষে থাকে। আসলে সুবর্ণ অংক নিয়ে খেলা করে।সুবর্ণর বাবা রাশিদুল বারী জানান, শিক্ষকদের কাছ থেকে কোনও পশ্নের উত্তর যদি যথাযথ ভাবে না পায়, তাহলে সে নিজে নিজেই সেয়ার সমাধান করে নেয়। সুবর্নের পিতা বলেন ভারত এবং বাংলাদেশ আমার ও সুবর্ণের কাছে খুব প্রিয়। তাই আপনাদের প্রত্যেকের কাছে আশীর্বাদ পার্থনা করি সে যেন প্রকৃত মানুষ হয়। কৰি নজরুলের মত আদর্শ ব্যক্তিত্ত্ব-র অনুসারী হয়। মহাত্মা গান্ধী, কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞানী আব্দুল কালাম দের মত মনীষীরা সুবর্ণের খুব শ্রদ্ধেয়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম চন্দ্র বলেন লিটিল মাস্টার সুবর্ণ হল ওয়ান অফ দা ওয়ান্ডার্স অফ দা ওয়ার্ল্ড। সারা বিশ্বের অন্যতম বিষ্ময়!উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ১২ টায় অনুষ্ঠান শুরুতে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। সুবর্ণ প্রিয় কাজী নজরুল ইসলামের গান পরিবেশন করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী দেবাশীষ ব্যানার্জি। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়া ভিড় ধন্য ধন্য করেন সুবর্ণ-র বিস্ময় প্রতিভা দেখে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত মানুষজন প্রত্যেকেই সুবর্ণ-কে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। তার গুন্মুগ্ধ ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই সুবর্নের সঙ্গে করমর্দন করতে এগিয়ে আসেন। অনেককে অটোগ্রাফ নিতেও দেখা গেল। সেলিব্রিটির সাথে নিজস্বী তোলা তো অনেকটা কর্তব্যের মধ্যে পরে। অনুষ্ঠানের একেবারে শেষদিকে কয়েকজন গণিত প্রেমী ছাত্র-ছাত্রী সুবর্ণের কাছে তাঁদের কিছু প্রশ্ন নিয়ে আসেন, একেবারে মঞ্চের সামনে প্রায় শুয়ে পড়ে সেই সমস্ত প্রশ্নের সমাধান করতে দেখা গেল বিস্ময় বালক-কে। পরিশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইকিউএসি সেল এর চেয়ারম্যান।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেককে খুন করার চেষ্টা, অভিযোগ মমতার, এসএসসি নিয়োগ বাতিল নিয়েও চরমে সুর

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। এই অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তবে এপ্রসঙ্গে নাম না করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেই নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিজেপির এক গদ্দার বললেন বোমা ফাটাব। আরে বোমা ফাটিয়ে মমতা ব্যানার্জির ওপর রাগ হয় তো মেরে দে। অভিষেককেও তো খুন করতে গিয়েছিলি, ধরে ফেলেছিলাম আমরা। তার বাড়ি পর্যন্ত রেইকি করেছে। ফেসটাইমে ফোন করেছে। আপকা সাথ বাত করনা চাহতা হু। সময় দিলেই গুলি করে দিয়ে পালিয়ে যেত। এরা চায়, যাঁরা ওঁদের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাঁদের মেরে দাও, জেলে ভরে দাও। তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দাও। মানুষের ভোটে জিতবেন যদি মনে করেন তাহলে এত ভয় দেখানোর কী দরকার ছিল।দিন কয়েক আগেই চলতি সপ্তাহে রাজ্যে বড় কিছু ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা ছড়িয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে তাই অভিষেকের বাড়ির রেইকি করায় অভিযুক্তের গ্রেফতারিতে শুভেন্দুকেই নিশানা করেছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মেলে। এই ঘটনার খবর মিলতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। মুম্বই থেকে তাকে গ্রেফতার করে আনে লালবাজার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের কেন রেইকি করেছিলেন রাজারাম? তা এখনও স্পষ্ট না হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এর পিছনে গভীর রহস্যের গন্ধ পেয়েছেন।মঙ্গলবার ভাতারে লোকসভা ভোটের প্রচারে এসএসসির চাকরি বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশ নিয়ে ফের মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে এ দিন একতরফা বলে সোচ্চার হন মমতা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ কোটি লোককে চাকরি দেবেন বলেছিলেন। একটা লোককে চাকরি দেননি। আর আমরা বাংলায় যখন চাকরি চাকরি দি, তখন আপনারা কোর্টেকে দিয়ে সেগুলো খেয়ে নেন। ওরা তো আমাদের আন্ডারে নয়, আপনাদের আন্ডারে।এরপরই মমতা বলেন, আমি রায় নিয়ে বলছি, বিচারকের নাম নিয়ে বলছি না, আমার প্রয়োজন পড়ে না। যদি বলতেন এখানে অসুবিধা আছে, ভুল হয়েছে, সংশোধন করে নাও। করে নিতাম আমরা। ভুল হতেই পারে। যে কেউ করতে পারেন। সবটাতো আর আমি চালাই না। শিক্ষা দফতর স্বতন্ত্র। আজকে বলুন তো যাঁরা একতরফা রায় দিয়ে ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিলেন, আর বললেন এক মাসের মধ্যে আট বছরের মাইনে সুদ সহ টাকা ফেরৎ দিতে হবে, পারবেন?

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
উৎসব

অষ্টমীর ভোগে 'চা' নিবদন করা হয়ে থাকে 'সর' এর মা অন্নপূর্ণাকে

কথিত আছে, বিবাহের পর কৈলাশ শিখরে দেবাদিদেব মহাদেব ও তাঁর সহধর্মিণী পার্বতী বেশ সুখেই দাম্পত্যজীবন কাটাচ্ছিলেন। শিব ছিলেন হত-দরিদ্র। বিবাহের কিছুকাল কাটতে না কাটতেই আর্থিক অনটনের জেরবার হয়ে ওঠে তাঁদের সংসার। শুরু হয় দাম্পত্যকলহ। পার্বতীর তিরস্কারে গৃহ ত্যাগ করে মাধুকরী শুরু করেন দেবাদিদেব। কিন্তু কোথাও ভিক্ষে না ব্যর্থ মনোরথে কৈলাশে ফিরে আসেন। কৈলাশে ফিরে বাড়িতে সঘৃত পালান্ন, পায়েস, পিঠে প্রভৃতি খান। তারপর দেবাদিদেব দেবীর মহিমাবৃদ্ধির জন্য কাশী শহরে অন্নপূর্ণার মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। লোকাচার, চৈত্রমাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে সেই মন্দিরে দেবী অন্নপুর্ণা কৈলাশে পদার্পন করেন। সেই থেকেই দেবী অন্নপূর্ণার পূজার প্রচলন বাড়ে। কাশী ভ্রমণকারীদের কাছে দেবী অন্নপুর্ণার মন্দির খুবই আকর্ষনীয়। এই মন্দিরে অন্নকূট উৎসব বিখ্যাত।চৈত্র মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে দেবী অন্নপূর্ণার পূজা করা হয়। এই পুজা নিয়ে নানাবিধ মিথ ছড়িয়ে আছে, কেউ কেউ মনে করেন, দেবী অন্নপূর্ণার আরাধনা করলে গৃহে অন্নাভাব থাকে না। উত্তরপ্রদেশের কাশীতে দেবী অন্নপূর্ণার একটি বিখ্যাত মন্দির আছে, এই মন্দিরে অন্নপূর্ণা পূজা ও অন্নকূট উৎসব প্রসিদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গেও অন্নপূর্ণা পূজার বিশেষ প্রচলন রয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলার পশ্চিম প্রান্তের জাতীয় সড়ক ধরে প্রায় ২৪ কিলমিটার গিয়ে গলসি থেকে গ্রাম সড়ক যোজনা-র রাস্তা ধরে আরো ৭ কিলমিটার গেলেই সর বলে একটি গ্রাম আছে। বর্ধিষ্ণু এই গ্রামে জনবসতি সরকারি হিসাবে প্রায় ৫ হাজার। সর গ্রামের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের অন্নপূর্ণা পুজা এই বছরে ৯৮ তম বৎসরে পদার্পণ করল। বাংলার ১৩৩৩ সালে সর গ্রামে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পুজা সূচনা হয়। মহাধুমধাম ও নিষ্ঠা সহকারে দেবীর আরাধনা করা হয় এখানে। পরিবারের বেশীরভাগ মানুষজন কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও এই পুজোর টান উপেক্ষা করে কেউই সর-এ না এসে পাড়েন না।বাড়ির বর্ষিয়ান সদস্যা আরতি বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান, তাঁর শাশুড়ি মা অন্নপূর্ণা কে মেয়ে রূপে পুজা করতেন বলে আমরা নবমীর দিনটিকে মেয়ের বিয়ের দিন বলে গন্য করি। তিনি জানান, নবমীর দিন প্রায় ৫০০ মানুষ মায়ের অন্নভোগ গ্রহণ করেন। ওইদিন খিচুড়ি ভোগ নিবেদন করা হয় মাকে। সাথে বিভিন্ন রকম ভাজা পদ দেওয়া হয়। সাথে পরমান্ন বা পায়স ও দেওয়া হয় দেবীকে। নবমীর রাতে শীতল আরতি র পর মণ্ডপেই গান বাজনার আসর বসে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, যেরকম কোনও মেয়ের বিয়েতে বিয়ের রাতে বাসর বসে ঠিক সেই রকমই আমাদের এখানেও দেবীর বাসর বসে, তাতে পরিবারের যে যার মত আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক পরিবেসন করে। মূল ব্যাপার সকলে মিলে একটা জমাটি আনন্দ হয় বলে তিনি জানান।আরতি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দশমীর সকালে যেহেতু মাকে দধিকর্মার (চিঁড়ে ভোগ) দেওয়া হয় এই কারনে বাড়িতে অন্ন রান্না হয় না। সেদিন বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে ভাতের হাঁড়ি চাপবেনা বলে জানান। ওইদিন দুপুরে লুচি, তরকারি, চিরে, দই খাওয়া হয়। তিনি আরও জানান, দশমীর সন্ধ্যায় মাকে বরণ করে বিসর্জনের আয়োজন করা হয়। পরিবারের লোক ব্যতীত পড়শীরাও সেই বিদায়বেলায় মাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত থাকেন। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা সকলে রাতে ফিরে এসে এখানে মাছ-ভাত খান। সেদিনের আয়োজনে কোনও হিসাব থাকে না। যেরকম মানুষ থাকবে তাঁদের সকলকেই খাওয়ানো হয়। এইদিন রাতে ভাত, কলাইয়ের ডাল, কুমরোর তরকারি, আলুপোস্ত ও মাছের টক রান্না হয়। তিনি বলেন এটা আমাদের কাছে একটা মিলন উৎসবের মত।আরতি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সরএর বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যেরা এই কটি দিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। বিরাট পরিবার আমাদের ছোট থেকে বুড়ো এই পুজোর অপেক্ষায় দিন গুণী সকলে। পরিবারের আরো এক সদস্য জ্যেষ্টপুত্র অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সর-এর রাধাগোবিন্দ জিউ মন্দির থেকে প্রথমে নারায়ণকে মা অন্নপূর্নার মণ্ডপে আনা হয়, তারপর নারায়ণ কে প্রতিষ্টা করে পুজা আরম্ভ করা হয়। তিনি জানান প্রথামত প্রতিপদের দোলের দিন মায়ের গায়ে মাটি দেওয়া হয়। তারপরই মায়ের মূর্তি গড়ার কাজ শুরু হয়। তিনি জানান, মায়ের মূর্তি স্থানীয় মৃতশিল্পীতেই বানান। তিনি বলেন তাঁদের এখানে এই পুজো মূলত অষ্টমী, নবমী ও দশমী এই তিন দিন-ই হয়।এই পরিবারের সদস্য মুম্বাই প্রবাসী বহুজাতিক সংস্থার কর্মকর্তা অলোক বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁদের এই পুজোয় অষ্টমীর দিন থেকে ভোগ খাওয়ানো হয়। অষ্টমীর দিন পরিবারের সদস্য সহ প্রায় ৪০০ জনের মত মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন। এছাড়াও নবমীর দিন ৫০০-র মত মানুষ ভোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু দশমীর রাতে তাঁদের সেরকম কোনও নির্দিষ্ট হিসাব থাকে না। সকলেরই আমন্ত্রণ থাকে। যত মানুষ প্রতিমা নিরঞ্জনে আসেন তাঁদের সকলেকেই খাওয়ানো হয়ে থাকে।অলোক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই পুজো কোনমতেই এতটা সুষ্টভাবে সুসম্পন্ন হতোনা, যদি না আমাদের অগ্রজ অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে (সর) থাকতেন। পরিবারের বেশীরভাগ সদস্য বাইরে থাকার কারনে এই পুজো প্রারম্ভিক সকল ব্যবস্থা তিনি মোটামুটি একার হাতেই সামলান। এছাড়াও আরো একটি পরিবারের কথা না বললেই ন্য, সেটি হল সর এর চট্টোপাধ্যায় পরিবার। বংশপরাম্পরায় এই পরিবার মা অন্নপূর্ণার পুজার সাথে সেই সৃষ্টি লগ্ন থেকে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। পরিবারের সদস্য জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর মার অবদান আমাদের এই পুজোয় বিশেষ প্রসংসার দাবী রাখে।আরতি বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের বাড়ির পুজোর প্রতিষ্টা নিয়ে বলতে গিয়ে জানান, তাঁর শশুড় ও শাশুড়ি দুজনেই স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন। এই পুজোর প্রতিষ্ঠাতা অশ্বিনী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নে দেখেন মা তাঁকে তাঁর বাড়িতে আসবে বলে জানাচ্ছে। তিনি আর্থিক কারনে ইতস্তত করছেন, ঠিক সেই রাতেই তাঁর সহধর্মিনী গুণমঞ্জরী বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি কন্যা সন্তানে ব্যাকুল ছিলেন, তিনি ও স্বপ্নে দেখেন মা অন্নপূর্না তাঁর কাছে মেয়ে রূপে আসতে চাইছেন। জানা যায় স্বপ্নাদেশে মা অন্নপূর্ণা অশ্বিনী বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানান, তিনি তাঁর জন্য কোনোরূপ আরম্ভর না করে দৈনন্দিন রান্নার জন্য যা জুটবে তাই দিয়েই ভোগ নিবেদন করার কথা। পরিবারের সদস্য অলোক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সেইমত আমরা যেভাবে বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করি সেই সমস্ত পদ-ই মাকে ভোগ রূপে রেঁধে দেয়ে থাকি। তিনি জানান, মাকে কলাইয়ের ডাল, মুগের ডাল, ছোলার ডাল, আলু পোস্ত, ঝিঙ্গে পোস্ত, বাটি পোস্ত, এঁচোর, শুক্ত, আঞ্জা শাক (কচু শাক), মোচা, থোর এই সমস্ত অতি সাধারণ নিত্যদিনের যে পদ আমরা বাড়িতে রাধেঁ থাকি, সেই পদগুলিই মাকে এই পুজোতে ভোগ নিবেদন করা করা হয়। এবং বাজারে সাধারণত যে যে ফল পাওয়া যায় সেই সকল ফলই মায়ের পুজোতে নিবেদন করার রীতি। আলোক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান সর-এর মা অন্নপুর্ণাকে চা ভোগ দেওয়া কথা। তিনি বলেন, নিত্যদিনের পানীয় চা কে ভোগ হিসাবে নিবেদন করতে সচারচর দেখতে পাওয়া যায় না। সেটা একমাত্র সরর পুজোতেই পাবেন।অলোক বন্দ্যোপাধ্যায় আরো জানান, তাঁদের প্রথা মত, বাড়ির জ্যেষ্ঠপুত্রের উপস্থিতিতে মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় মা অন্নপূর্ণার বোধন ও চক্ষুদান হয়। এবং বাড়ির জ্যেষ্ঠবধু (শিখা বন্দ্যোপাধ্যায়)মায়ের সকল লোকাচার পালন করেন। সেই কারনে বাড়ির জ্যেষ্ঠবধু শিখা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পুজার দিনগুলি শুদ্ধাচারে থাকেন। তিনি কোনও রূপ প্রসাধনী ব্যবহার এমনকি কেশ সজ্জা ও করতে পারবেন না ওই দিনগুলিতে।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

রামনবমীতে অযোধ্যার 'রামলালা' বর্ধমানে, পুজোয় ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা

রামনবমী উপলক্ষ্যে অযোধ্যার রামলালা বর্ধমানে অবস্থান করছেন। একেবারে শহর বর্ধমানের মধ্যস্থল বিজয় তোরণের সামনে মন্ডপে পুজিত হচ্ছেন রামলালা। অযোধ্যার রামমন্দিরের রামলালার আদলে মূর্তি গড়ে রামনবমী উৎসব পালিত হল বর্ধমানে। বিজয় তোরণের সামনে রামলালার পুজো হয়েছে। এই পুজোর উদ্যোক্তা শ্রীরামনবমী উদযাপন সমিতি। আজ, বুধবার, সকাল ৯টায় বিজয় তোরণ চত্বরে ভগবান শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের পুজো শুরু হয়। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বিকাল ৪টায় বর্ধমান নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে এই পুজো স্থলে মিলিত হবে। সন্ধ্যা ৬টায় সন্ধ্যারতি এবং প্রসাদ বিতরনের পর কার্যক্রমের পরিসমাপ্তি হইবে। বর্ধমানে রামলালার মূর্তি দেখতে ভীড় জমাচ্ছে ভক্তগন। রাজ্যজুড়ে এদিন রামনবমী উৎসব পালিত হচ্ছে।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

প্রকাশ্য দিবালোকে অফিসে ঢুকে কুলটিতে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতী

আসানসোলের কুলটি থানার চিনাকুড়িতে শুট আউট। প্রকাশ্য দিবালোকে অফিসে ঢুকে একজনকে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতী।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলেই পুলিশ। মৃতের নাম উমা শঙ্কর চৌহান। অফিসের কর্মীরা বলেন এক দুষ্কৃতী এসে উমা শঙ্কর চৌহান কে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে খুন করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল।দুষ্কৃতী হানায় মৃতের অফিসের কর্মীরা জানান, গতকাল রবিবার পয়লা বৈশাখ চেন্নাই থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরেছিলেন উমা শঙ্কর চৌহান। আজ সোমবার সকালে অফিসে এসে কর্মীদের সঙ্গে ব্যবসা সংক্রান্ত নানাবিধ আলোচনা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় আতর্কিতে মুখে গামছা বাঁধা এক দুষ্কৃতী ওই অফিসে ঢুকে পড়ে। ঢুকেই উমা শঙ্করকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। ওই আতর্কিত হানায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান উমা শঙ্কর চৌহান।উমা শঙ্কর চৌহান-র অফিসের এক কর্মী রাজকুমার জানান, গতকালকেই উমাশঙ্কর চেন্নাই থেকে এখানে ফিরেছেন। সকালে আমাদের সাথে ব্যবসা সংক্রান্ত আলোচনায় বসেছিলাম। এমন সময় এক জন হটাৎ এক ব্যক্তি এসে বলে যে, সে উমা শঙ্করকে টাকা দিতে এসেছে। যে তাঁকে পাঠিয়েছে বলল, তাঁর নাম আমরা আগে কখনও শুনিনি। তারপর ওই ব্যক্তি মোবাইলে কথা বলতে বলতে অফিসের বাইরে বেরিয়ে যায়। আমরা আমাদের গাড়ির চালককে ওঁর পিছনে পাঠিয়েছিলাম দেখতে যে, লোক্টি কোথায় যাচ্ছে। কিছুক্ষন পর আমাদের গাড়ির চালক এসে আমাদের বলে যে, ওই অজ্ঞাত ব্যক্তি সেখান থেকে চলে গিয়েছে। তার কিছুক্ষণ পরেই সেই অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখে গামছা বেঁধে আবার আসে। অফিসে ঢুকেই উমাশঙ্করকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি চার-পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায়। তারপরই সেই অজ্ঞাত ব্যক্তি দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।চিনাকুড়িতে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আলোড়ন পরে গেছে। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আকুস্থলে পৌঁছেছে কুলটি থানার পুলিশ। তারা তদন্ত শুরু করেছে। ব্যবসায়ী উমা শঙ্কর চৌহান-র দেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিস জানিয়েছে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে জানা চেষ্টা হচ্ছে, কে বা কারা সেই সময় ওখানে এসেছিল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

অপরাজিত জেলা চাম্পিয়ান হয়ে রাজ্যস্তরে 'বর্ধমান মডেল স্কুল', ফাইনালে হারাল 'বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল' কে

দত্তু ফড়কর অনুর্ধ ১৫-র জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটে নকআউট পর্বের ম্যাচ জিতে রাজ্যস্তরে খেলার ছাড়পত্র পেল বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র উদ্যোগে বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা-র পরিচালনায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অনুর্ধ ১৫ র এই ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ ওভারের এই খেলায় আজ আগাগোড়া প্রাধান্য রেখে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ উইকেটে বিপক্ষ দল বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কে পরাজিত করে।সোমবার সকালে রাধারানী স্টেডিয়াম মেঘাচ্ছন পরিবেশে টসে জিতে বর্ধমান মডেল স্কুল প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কয়েকদিন যাবৎ অত্যাধিক গরম থাকায় বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা খেলোয়াড়দের কথা ভেবে আজকের খেলাটি সকাল ৯ টায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই দলের অভিভাবকদেরই এই সিদ্ধান্তের প্রসংশা করতে দেখা যায়। এলোমেলো হাওয়ায় প্রথমদিকে নতুন বল অত্যাধিক সুইং করছিল। পরের দিকে পরিস্থিতি উন্নতি হয়।প্রথমে ব্যাট করে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেটের পতন হওয়ায় বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কোনও জুটি-ই সেই ভাবে স্থিতি হয়নি। তারা তাদের সমস্ত উইকেট হারিয়ে ২৫ ওভারে মাত্র ১১৩ রান তোলে। জয়ের জন্য বর্ধমান মডেল স্কুলকে তারা ১১৪ রানের লক্ষ মাত্রা দেয়। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল-র শ্রেয়ান ঘোষ ২১ রান ও সৌম্যজিত ঘোষ এবং মির্জা আতিফ হোসেন দুই ব্যাটার-ই ১৫ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুল র সেখ সাবিউদ্দীন ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট ও অরিত্র দাস ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করে। এই ম্যচে বর্ধমান মডেল স্কুল র হয়ে উল্লেখযোগ্য বোলিং পারফরমেন্স করে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়। ডানহাতি এই লেগ স্পিনার মাত্র ১৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র মিডিলঅর্ডার কে একেবারে পঙ্গু করে দেয়। ডানহাতি ব্যাটারের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে থেকে ঘুরে তাঁর বলে দু-দুটি বোল্ড আউট হয়। উল্লেখ্য এর আগের দুটি ম্যাচেও আয়ুষ-র বোলিং পারফরমেন্স ছিল লক্ষণীয়।১১৪ রান তারা করতে নেমে, প্রথম থেকেই বর্ধমান মডেল স্কুল গোড়াপত্তনকারী ব্যাটাররা খুব সাবধানী খেলা শুরু করে। মূলত তারা খুচরো রানের ওপরই জোড় দেয়। দলের ৫০ রান অতিক্রম করে তাদের প্রথম উইকেটের পতন হয়। বর্ধমান মডেল স্কুল-র অনীশ দাস মহাপাত্র ২৬ রান করে, সেখ সাবিউদ্দিন ২৮ রান ও চতুর্থ উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নেমে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ২টি চার ও ১টি ছয় মেরে ঝোড়ো ১৯ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয়ে বিরাট অবদান রাখে। মাত্র ২১.৪ ওভারেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় বর্ধমান মডেল স্কুল। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র জোড়ে বোলার স্নেহাশিস মাহালী খুব ভালো বল করেন। তাঁর বিষাক্ত ইনসুইং বারবার বিব্রত করছিল বর্ধমান মডেল স্কুল-র ব্যাটারদের। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলর শ্রেয়ান ঘোষ ব্যাটিঙ্গের সাথে সাথে বল হাতেও নজর কারেন। তিনি মডেল স্কুলের ৪টি উইকেটের মধ্যে ৩ টি উইকেট তুলে নেন।আজকের জেলা স্তরের ফাইনাল খেলায় রাধারানী স্টেডিয়াম-র গ্যালারী ভরে ওঠে বর্ধমান মডেল স্কুল-র ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের দের আগমনে। তারা সারাক্ষণ তাঁদের প্রিয় স্কুলকে ফাইনালে সাপোর্ট করতে থাকে। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং ও। এছাড়াও দুই দলের অভিভাবকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মত।বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং জনতার কথা মাধ্যমে দুই দলকেই অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন খেলাতে অংশগ্রহণ করাই সবচেয়ে বড় কথা, হারজিত তো আছেই। ছেলেরা যত বেশী মাঠমুখী হবে তারা তত বেশী কর্মমুখী হবে। বর্ধমান মডেল স্কুল-র কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর নিজের স্কুলের বিজয়ী দলের সদস্যদের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি জনতার কথার মাধ্যমে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল এর ছাত্রদেরও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বর্ধমান মডেল স্কুল আমার তৈরি স্কুল আর বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল আমায় তৈরি করেছে। তাই ওটাও আমার স্কুল, তাই তাঁদের কেও জেলা পর্বের এই খেলায় ফাইনালে পৌছানোর জন্য বিশেষ অভিনন্দন।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রীড়া প্রশিক্ষক চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা চূড়ান্ত খেলায় দাপটের সাথে জেতায় আমি খুশি, কিন্তু দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো। সামনে রাজ্য স্তরের খেলা। অন্য জেলায় গিয়ে আমাদের খেলতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক কঠিন হবে। ছেলেদের নিয়ে অনেক খাটতে হবে। তবে তিনি আশাবাদী রাজ্যস্তরেও বর্ধমান মডেল স্কুল ভালো পারফরমেন্স করবে।বর্ধমান মডেল স্কুলের হয়ে আজকের ম্যাচে আজ প্রথম একাদশ ছিল এই প্রকারঃ অরিত্র দাস, ঋদ্ধিমান হালদার (অধিনায়ক),অনীশ দাস মহাপাত্র (উইকেট রক্ষক), সমৃদ্ধা মন্ডল, অরিন্দম ভকত, আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, সেখ সাবিউদ্দিন, বানিব্রত রুদ্র, শিবম কুমার সিং, চন্দ্রজিৎ গোস্বামী।উল্লেখ্য, বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে এর আগে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করে। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

"রোদে এমন চেহারা হবে বাড়ির বউ চিনতে পারবে না", কেন বললেন দিলীপ ঘোষ

যারা কলকাতার বাইরে যায় না, তারা রাজনীতির কি বোঝে? যারা বলছে তারা একটু বাইরে বেরিয়ে দেখুক। রোদে এমন চেহারা হবে বাড়ির বউ চিনতে পারবে না। অনেকে সারা বছর স্টেটমেন্ট দেয়। আমি একবার দিলে তাদের বরাবর হয়ে যায়। আমি প্রেস মিট করি না, আমি ডিবেট শো তে যাই না। দিলীপ ঘোষ কি রাজনীতি করে এটা বাংলার মানুষ জানে। ওরাও আসুক। দেখা যাবে কাকে দেখতে লোক বেরোয়।তিনি আরও বলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে ফলো করি। সংস্কৃতে একটা কথা আছে মহাজনো যেন গতঃ সঃ পন্থাঃ। উনি নিজে, ওনার পার্টির নেতা, মন্ত্রী, আগে যারা নেতা ছিল, তাদের কমেন্টগুলো শুনুন। বাংলায় এটাই ট্রেন্ড। এটাই লোকে সহজে বোঝে। ওনারা যে এগুলো হজম করতে পারবেন না, ওদের যে হজম শক্তি এতো কম, এটা আমি জানতাম না।*ময়নাগুড়ি তে ত্রাণ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে। কি বলবেন?সরকার ফুটো হয়ে গেছে। তারা ভালো হাঁড়ি দেবে কীভাবে? রাজ্যকে রেকর্ড টাকা দিয়েছি: মোদী। রাজ্য তো বলছে কেন্দ্র টাকা দেয় না।কেন্দ্র কি দিয়েছে সেটা ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। এই সরকার সেই টাকা দিয়ে কি করছে সেটাও সিএজি রিপোর্টে পেয়ে যাবেন। ফলে মিথ্যা কথা বলে পার পাওয়া যাবে না। এমন ভাব করছে যেন টাকা ওখানে জমা রেখেছে। চাইলেই দিয়ে দেবে আর লুঠ করে খাবে। এই টাকা দিয়ে ভোট কেনার অধিকার কেউ দেয়নি। বোস বনাম ব্রাত্য। বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে।মজার ব্যাপার। এরা রাজ্যপালকে আর কমিশনকে গালাগাল দেবে। ওগুলো নাকি বিজেপি অফিস। আবার ঠেলায় পড়লে সকাল বিকেল এরা কাকা বা মেসোর বাড়ি দৌড়াবে। রাজ্যপালের সঙ্গে ভাব করলেন। অ আ ক খ শেখালেন। তারপর আবার সেটা মাটি হয়ে গেল। আবার সেটিং করলেন। গিয়ে চা খেলেন। আবার কি হল? আসলে আপনারা এমন লোক যে আপনাদের সঙ্গে কোনও ভদ্রলোক বেশিদিন থাকতে পারে না। রোজ ঝগড়া হবে। আবার ঠেলায় পড়লে দৌড়াবেন। এটাই দেখে আসছি আমরা। বাহিনী আরও ৩ মাস?আমরা বিধানসভার সময় একই দাবি জানিয়েছিলাম। ফল পাইনি। গুণ্ডারা ওপেন বেরিয়ে এসে খুন খারাপি করছিল। মানুষের মনে হয়েছে বাহিনী থাকলে কিছু করলেও করতে পারে। বাহিনী ব্যাবহার করে এখানকার পুলিশ। পুলিশের যেমন ভূমিকা বাহিনীর তাই-ই ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায়। প্রশাসন না চাইলে কি ভাবে হিংসা বন্ধ হবে?আমি না থাকলেই সব বন্ধ: মুখ্যমন্ত্রী!উনি তো এটাও বলেছেন যে সব জায়গায় উনিই মুখ। ওনার মুখ মানে তো সন্দেশখালি। কেউ তো মুখ দেখতে চায় না। তাই ব্যান্ডেজ বেঁধে এদিক সেদিক ঘুরতে হয়। আমিও চলাসার ছবি দেখে চিনতে পারছি না। এটা পুরনো ছবি না নতুন ছবি। উনিও বুঝেছেন ছবি পাল্টাতে হবে। এই ছবি দিয়ে আর চলছে না। দেখা যাক ভোটের আগে আর কি কি হয়।ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে আপত্তি মমতার। কেন এমব বলছেন?উনি বলেছিলেন জিএসটি করতে দেব না। শেষে মেনে নিলেন। দেখলেন লাভ পাচ্ছেন। উনি বলেছিলেন সিএএ করতে দেব না। এরকম উনি বলেন। উনি ওনার সরকারটাই ভালো করে চালাতে পারেন না। মানুষও আজকাল ওনার কথা সিরিয়াসলি নেয় না। গ্যারান্টি মোদী দেবেন। মোদীর গ্যারান্টি এখন দেশে চলছে। কাকে বিয়ে করতে হবে বিজেপি ঠিক করে দেবে নাকি? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন।যেটা উনি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন। যেটা উনি নিজে সারাজীবন ঠিক করতে পারেননি। সেটা ঠিক করতে হবে তো। বিজেপি কোনও ধর্মীয় বা ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে না। উনি মিথ্যা বলে এতদিন লোক ক্ষেপিয়ে এসেছেন। এখন সেটা ধরা পরে গেছে। নওশাদ এর ইউ টার্ন। ফের বিতর্ক।এই সব সেটিং। শুধু ডায়লগ। লোকে এখন এদিক ওদিক তাকাচ্ছে না। গো স্ট্রেট। গো ফর বিজেপি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

সিএবি-র টুর্নামেন্টে টানা তিন ম্যাচ জিতে নজির 'বর্ধমান মডেল স্কুলের'

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র অনুর্ধ ১৫ ক্রিকেট খেলায় অনন্য নজির বর্ধমানের স্কুলের। বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করল। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে ডিপিএস বেলগ্রাম এর সাথে খেলায় ডিপিএস টসে জয়লাভ করে বর্ধমান মডেল স্কুল কে ব্যাট করতে পাঠায়। ২৫ ওভারের খেলায় ব্যাট করতে নেমে বর্ধমান মডেল স্কুল মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুলের ব্যাটার আরিত্র দাস ৬২ রান ও ব্যাটার অনিশ দাস মহাপাত্র ৫০ রান করেন।বর্ধমান মডেল স্কুল ১৫০ রান তারা করতে নেমে ডিপিএস বেলগ্রাম নির্ধারিত ২৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে। মডেল স্কুল -র বোলার সমৃদ্ধ মণ্ডল ২ উইকেট ও ডানহাতি লেগ স্পিনার আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ১ উইকেট তুলে নিয়ে মডেল স্কুল কে এই ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করে। এই ম্যাচে বর্ধমান মডেল স্কুল ৩ রানে জয়লাভ করে সিএবি অনুর্ধ-১৫ স্কুল ক্রিকেটে পরবর্তী পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।এর আগে, ১লা এপ্রিল লিগের প্রথম খেলায় বর্ধমান মডেল স্কুল বর্ধমান টাউন স্কুল-কে বিশাল রানের ব্যবধানে (১৭৮ রানে) পরাজিত করে। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে বর্ধমান মডেল স্কুল ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রান (পেনাল্টি সহ) সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যট করতে নেমে টাউন স্কুল ২৫ ওভারে মাত্র ৪৮ রানে অলাউট হয়ে যায়। বর্ধমান মডেল স্কুলের অরিত্র দাস ৫টি ও ঋদ্ধিমান হালদার ৪টি উইকেট সংগ্রহ করে।২রা এপ্রিল লিগের অন্য এক খেলায় দুর্গাপুরের পিটার্স স্কুল টশে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। পিটার্স স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এর বোলারদের বোলিঙের দাপটে ১০ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৫ রান সংগ্রহ করে। মডেল স্কুলের সেখ সাবিউদ্দিন ৫ ওভার বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে তিনটি উইকেট সংগ্রহ করে। জবাবে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ ওভার ব্যাট করে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেয়।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রিকেট কোচ চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা অফ সিজিনে প্রচুর অনুশীলন করেছে, যার ফল তারা পেয়েছে। তিনি জানান, এই টুর্নামেন্টের জন্য তারা ফাইনাল পরীক্ষা পর থেকে টানা অনুশীলন করিয়েছেন। যদিও এপ্রিলের চড়া তাপে দুপুরে ক্রিকেট খেলাও খুব চাপের, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। চিন্ময় পাঁজা জানান, পরবর্তী পর্যায়ের খেলা আরো কঠিন হবে, তাই প্রস্তুতিও আরো বেশী নিতে হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৪
উৎসব

বাংলায় ব্যতিক্রম: রাজ ঐতিহ্যের রীতি মেনে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান

দোল পূর্ণিমার দিন অর্থাৎ গতকাল, সোমবার সারা বাংলা রঙের উৎসবে মেতেছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীরা এই উৎসবের আবহে ভোট প্রচারও করেছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল একদা রাজাদের শহর বর্ধমান। ঐতিহ্যের পরম্পরা বজায় রেখে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান। অবশ্য হাল আমলের দুএকটি হাউসিং কমপ্লেক্সে ও কিছু কলা ও সংস্কৃতি শিক্ষাকেন্দ্র গতকাল সোমবার হোলি বা দোল পূর্ণিমা পালন করেছে। যা বর্ধমানের ঐতিহ্যের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।রাঢ়বঙ্গের অন্যতম প্রাচীন নগর বর্ধমানের বাসিন্দারা দোল উৎসব পালন করেন দোল পূর্ণিমার পরের দিন। রাজাদের আমল চলে গেলেও সেই রীতিনীতি মেনেই রঙের উৎসব পালন করে চলেছেন বর্ধমানবাসী। শুধু শহর বর্ধমান নয় সাবেকি রীতি মেনে অম্বিকা কালনা সহ আরও বেশ কয়েক জায়গায় আজ চলছে রঙের উৎসব।কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয় চাঁদ মহতাব এই প্রথা চালু করেন। প্রথম দিন অর্থাৎ দোল পূর্ণিমার দিনটি বর্ধমানের অধিষ্টাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা দেবীর দোল। এও কথিত আছে বর্ধমানে দোল পূর্ণিমা তিথিটি হল কূল দেবতার দোল উৎসবের দিন। লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরে দোল পালন হয়েছে গতকাল। সেদিন শুধুমাত্র দেব-দেবীর রাঙা চরণ আবির ও কুমকুমে চর্চিত হবে। সেই উপলক্ষে রাজবাড়ির অন্দর মহলে দোল খেলা হয়ে থাকে। পরের দিন অনুষ্ঠিত হবে সাধারণের রঙের উৎসব। সেই রীতির আজও চালু রয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৪
রাজনীতি

দ্বিতীয় দফায় ৪ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক সিপিএমের

প্রথম দফায় ১৭ আসনের পর দ্বিতীয় দফায় বামেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। মাত্র চারটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয় শনিবার। এই ঘোষণা করা হয় ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক করে।এদিন, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বোলপুর এবং রানাঘাট কেন্দ্রের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান।একনজরে চার কেন্দ্রের বামেদের প্রার্থী?মুর্শিদাবাদ- মহঃ সেলিমবর্ধমান-দুর্গাপুর- ডঃ সুকৃতি ঘোষালবোলপুর- শ্যামলী প্রধানরানাঘাট- অলোকেশ ঘোষশনিবার যে চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে এঁরা সকলেই সিপিআইএম প্রার্থী। সবমিলিয়ে এখনও বামেরা ২১ আসনে প্রার্থী দিল। প্রথম দফার তালিকায় মতুন মুখ, অপেক্ষাকৃত নবীনদের উপর ভরসা রেখেছিল সিপিআইএম। তবে, দ্বিতীয় পর্বের তালিকায় তরুণ মুখ নেই।এরকম ধাপে ধাপে প্রার্থী ঘোষণা বামফ্রন্টে আগে খুব একটা ঘটেনি। তাহলে কী শরিকি চাপ, কংগ্রেস-আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতায় চাপে বামেরা? শনিবার প্রার্থী ঘোষণার সঙ্গেই সব পক্ষের সহমতে না হওয়ার বিষয়টি কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন বিমানবাবু। এ দিন বিমান বসু বলেছেন, সব কেন্দ্রের প্রার্থী নির্দিষ্ট করার ক্ষেত্রে এখনও কিছু আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সেটি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে পারছি না। একটু সময় লাগবে।আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, বেশ কয়েকটি আসন নিয়ে বাম শরিকদের সঙ্গে সিপিআইএমের ও কংগ্রেসের জট রয়েছে। যেমন, উত্তর চব্বিশ পরগণার বসিরহাট আসটির দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস৷ আবার ওই আসনে বরাবরই সিপিআই প্রার্থী দিয়েছে৷ কিন্তু, এবার বসিরহাটে প্রার্থী দিয়েছে সিপিআইএম। বসিরহাট লোকসভা আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়া নিয়ে বামেদের মধ্যেও জটিলতা রয়েছে৷ সিপিআইএম চাইছে বসিরহাটের পরিবর্তে বনগাঁ কেন্দ্রটি কংগ্রেসকে ছাড়তে৷ পুরুলিয়া আসনে এবার কংগ্রেসের প্রার্থী নেপালদেব মাহাতো৷ এই আসনটিতে লড়াই করে ফরওয়ার্ড ব্লক। ফলে অসন্তোষ রয়েছে ফ্রন্ট শরিক দলের নেতৃত্বের। আইএসএফ-ও এমন বেশ কয়েকটি আসন দাবি করেছে যেগুলোতে ইতিমধ্যেই বাম বা কংগ্রেস প্রার্থী ঘোষণা করেছে বা করতে পারে। তাই এইসব জটিলতা মিটিয়েই বাকি কয়েকটি লোকসভা আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে বামফ্রন্ট।আইএসএফ-এর সঙ্গে এখনও জোট হয়নি বলে এ দিন সাফ বলে দিয়েছেন বিমান বসু। তাঁর দাবি, আইএসএফের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত আমাদের কোনও বোঝাপড়া হয়নি। ওরা আন্তরিক থাকলে আলোচনা হবে। আলোচনা হলে আমরা সংবাদ মাধ্যমকে সব জানাব।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী সুকৃতি ঘোষাল

শনিবার বামেদের দ্বিতীয় দফায় পার্থী ঘোষণা করা হল। বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) পার্থী করা হয় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ সুকৃতি ঘোষাল কে। বর্ধমান শহরেরই মানুষ সুকৃতি ঘোষাল, শহরের বোরহাট অঞ্চলে থাকেন ৬৩ বছর বয়সী সুকৃতি। পিতা: চিত্তরঞ্জন ঘোষাল।তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজিতে এমএ ও পিএইচডি (MA, PhD , English)। হুগলীর রবীন্দ্র মহাবিদ্যালইয় ও হাওড়া বিজয়কৃষ্ণ গার্লস কলেজে অধ্যাপনা করেন এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। এবং ২০০২ থেকে ২০২০, মোট ১৮ বছর জেলার স্বনামন্য কলেজ বর্ধমান শহরে অবস্থিত মহারাজাধিরাজ উদয়চাঁদ মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন যা বর্ধমান উইমেন্স কলেজ নামে অধিক পরিচিত। সুকৃতি ঘোষাল ২০২০ সালে ওই পদ থেকে স্বেচ্ছা অবসর গ্রহণ করেন। কিছু কাল রি-এমপ্লয়মেন্ট স্কিমের অধীনে হাওড়ায় নবগঠিত হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক (Register) হিসেবে কর্মপ্রদান করেন। বর্তমানে তিনি সেই পদ থেকেও অবসর গ্রহণ করেন।ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে সুকৃতি ঘোষালের বাম রাজনীতিতে প্রবেশ, পরে অধ্যাপক আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত হন, অবস্র কালে নতুন চিঠি পত্রিকার প্রকাশনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের নয়া জেলাশাসক কে রাধিকা আয়ার, আরও তিন জেলায় পরিবর্তন

নির্বাচন কমিশন রাজ্যের চার জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করল। মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকাকে চিঠি দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমের জেলাশাসক পদে চার জনের নাম অনুমোদন করল কমিশন। বৃস্পতিবার ওই চার জেলার জেলাশাসককে পদ থেকে সরায় নির্বাচন কমিশন।২০১০ ব্যাচের আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন। ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে মৌমিতা গোদারা বসুকে। মৌমিতা ২০০৭ ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কে রাধিকা আয়ারের নাম জেলাশাসক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং বীরভূমে শশাঙ্ক শেঠিকে নতুন জেলাশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাধিকা ২০১১ এবং শশাঙ্ক ২০১০ ব্যাচের আইএস। চার নয়া জেলাশাসকই পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এবং তারা প্রত্যকেই একাধিক বার জেলাশাসকের দায়িত্বভার পালন করেছেন। কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন, আগামিকাল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে নবনিযুক্ত জেলাশাসকদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে কমিশনকে জানাতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ওই চার জেলার জেলাশাসকেরা কেউই আইএএস ক্যাডারের অফিসার নন। ৪ জনই ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক। সেই কারণেই তাঁদের জেলাশাসক পদ থেকে সরানো হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দেয় পশ্চিমবঙ্গের সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন। সেই আবেদনে চার জেলার জেলাশাসকের অপসারণের যে কারণ নির্বাচন কমিশন দেখিয়েছেন সেই বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন দাবি করেছে এই অপসারণ বৈষম্যমূলক। তাঁদের বক্তব্য যে কারণ দেখিয়ে ওই চার জেলার জেলাশাসকদের অপসারণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আধিকারিকদের আবেগ, নীতিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

ফের পুরস্কারের টোপ ব্যারাকপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর

ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের পুরস্কারের টোপ দিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক। গতকাল নৈহাটিতে তিনি বলেন, যে পঞ্চায়েত আগামী ভোটে বেশি লিড দেবে, সেখানে আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বরের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূল প্রার্থীর বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। ওয়াকিবহাল মহলের মত, ভোট এলেই বন্যা আসে। প্রতিশ্রুতির বন্যা। সেই প্রতিশ্রুতি যে শুধু ভোটারদের জন্য তা কিন্তু নয়। গিফট আছে দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্যও।ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বলেন, চারটে পঞ্চায়েতের জন্য একটা ঘোষণা আছে। আজকেই সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, এটা আমাদের ঘোষিত নীতি যে পঞ্চায়েত এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতাবে, সেই পঞ্চায়েতের আবাস যোজনার সমস্ত টাকা এই ডিসেম্বরের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে দেবেন। যে পঞ্চায়েত এই নির্বাচনে তৃণমূলকে লিড দেবে, তাদের প্রত্যেকের বাড়ির, আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বরের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে দেবেন। কালকে আমডাঙায় বলেছিলাম, যে অঞ্চল লিড দেবে, তার প্রাইজ আছে। নির্বাচন কমিশনে নালিশ হল আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন কী প্রাইজ দেবেন। আমি বললাম, অকুণ্ঠ ভালোবাসা। আপনাদের মনে আছে ২০২১ সালের পরে এখানে প্রাইজ হয়েছিল, আমি আর কিছু বলছি না২০২৪-এও প্রাইজ হবে। এর আগেও ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের পুরস্কারের টোপ দিয়েছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার নৈহাটিতে এক কর্মিসভায় যোগ দেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। এর আগে রবিবার আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমানের সঙ্গে একটি কর্মীসভায় যোগ দেন পার্থ ভৌমিক। সেখানেও লিড দিলে পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেন তাঁরা।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের ছোট রাজকুমারের প্রয়াণে শোকের ছায়া

প্রয়াত প্রণয়চাঁদ মহাতাব। তিনি বর্ধমানের ছোট রাজকুমার নামেই অধিক পরিচিত। মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার আলিপুরের ডায়মণ্ড হারবার রোডের বিজয় মঞ্জিলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে রাজকুমারের শেষকৃত্য হয়। প্রণয়চাঁদ মহতাবের প্রয়াণে বর্ধমানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শোকসভা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।জানা গিয়েছে, ১৯৪০ সালের ১৭ এপ্রিল বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন প্রণয়চাঁদ। জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়ে যাওয়ার পরে প্রণয়চাঁদের বাবা উদয়চাঁদ তিন সন্তান নিয়ে বর্ধমান ছাড়েন। দার্জিলিংয়ের দুন স্কুলে পড়াশোনা করতেন ছোট রাজকুমার। জানা গিয়েছে, তারপর ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিসে ডক্টরেট করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি বিয়ে করেন নন্দিনী মহতাবকে। তাঁদের একমাত্র ছেলে অজয়চাঁদ একটি বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক হয়ে আমেরিকায় রয়েছেন।বর্ধমানের লক্ষী নারায়ণ জিউ মন্দির, সোনার কালী, বিজয় বিহার, রাধা বল্লভ মন্দির ছাড়াও জামালপুর, কালনা, পূর্ব মেদিনীপুরে বেশ কিছু মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছে মহতাব ট্রাষ্ট। বর্ধমানে ছোট রাজকুমার বা রানী এলে তাঁরা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরের দোতলায় থাকতেন। শহরের কোন নামীদামী হোটেলে থাকতেন না।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
নিবন্ধ

রাজ্য স্তরে সন্মানিত বর্ধমানের নাট্যদলের নাটক 'ভৌতিক'

নাটকে অবদানের জন্য বিভিন্ন বিভাগে নাট্য একাডেমির তরফে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটকের শিরোপা পেলো পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের ময়না অন্যভবনা নাট্য ও সংস্কৃত চর্চার প্রযোজনা ভৌতিক। পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমী পুরস্কার ২০২৪- সম্মানে ভূষিত হলো ময়না অন্যভাবনার শত-রজনী মঞ্চায়ন অতিক্রান্ত এই নাটক। ভৌতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু এবং নাটকটির নির্দেশনা দেন প্রখ্যাত নাট্যকার স্বরাজ ঘোষ। ভৌতিক নাটকটি-কে ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কলকাতার শিশির মঞ্চে সম্মানিত করা হলো। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী তথা বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ব্রাত্য বসু, পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমীর সভাপতি, অভিনেতা দেবশঙ্কর হালদার, নাট্য একাডেমীর সদস্যা অর্পিতা ঘোষ, সদস্য সচিব দেবকুমার হাজরা, পশ্চিমবঙ্গের সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী তথা নাট্য ব্যক্তিত্ব পার্থ ভৌমিক প্রমুখ। রাজধানী শহর দিল্লি সহ পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলায় একাধিক বার এই নাটক মঞ্চস্থ ও সমাদৃত হয়েছে। বেশ কিছু প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চেও পুরস্কৃত হয়েছে ভৌতিক নাটকটি।রেলপথে বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লাইনের নবগ্রাম স্টেশনের পাশে এক ছোট্ট গ্রামের নাট্য দল ময়না অন্য ভাবনা কয়েকদিন আগেই মহাসমারোহে শততম দিনের নাটক উপস্থাপনা করলো বর্ধমান শহরের সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র সংস্কৃতি লোকমঞ্চে। সেদিন তাঁদের প্রযোজনা সত্যিই মুগ্ধ করে দেয় উপস্থিত দর্শকদের। এক গা ছমছম মঞ্চ সজ্জা দেখে অনেকেরই মনে প্রশ্ন জেগেছিল হয়ত বা কোনও গায়ে কাঁটা দেওয়া ভুতের কাহিনী নিয়ে আবর্তিত হবে এদিনের নাটক।ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু, নির্দেশনা স্বরাজ ঘোষের। এই নাটকের উৎস জানতে চাইলে, ভৌতিক নাটকের মূল চরিত্র ভুতের ভূমিকার অভিনেতা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা দূরদর্শনে একটি নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে তাঁরা প্রথম স্থান লাভ করেন। গ্রাম থেকে আসা একদল তরুণ ছেলের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সেই প্রতিযোগিতার বিচারক সৌমিত্র বসু তাঁদের তাঁর লেখা ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য দেন।তাঁদের দলের প্রান ভোমরা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, ২০১৭ সালে ময়না অন্য ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেকের আমাদের কাছে দাবী ছিল করলে ভালো কিছু কর, নাহলে বন্ধ করে দাও। সেই ভালো করে করার জেদ থেকেই অন্য ভাবনার যাত্রা শুরু। তিনি জানান ভৌতিক ছাড়াও তাঁদের এই মুহুর্তে তিনটি নাটক চলছে, যথাক্রমে প্রতিঘাত, আযান্ত্রিক, ও কর্মফল। তিনি জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলা সহ রাজধানী শহর দিল্লীতেও ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করেছেন। তিনি আরও জানান, নাটককে ভালোবেসে আমরা নাটক করি। নাটক থেকে কোনও আয় আমরা করিনা। আমদের প্রত্যকেই কিছু না কিছু কাজ করি, সেখান থেকে সময় বার করেই আমাদের নাট্য চর্চা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে ঢুকল ২০০ কিমি বেগে গাড়ি! মাথায় আঘাত মমতার

বুধবার বর্ধমানের সভা সেরে সড়কপথে কলকাতায় আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি। চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যায় রাজ্যপালের সহ্গে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত করেছেন। দাবি করেন, যে ভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে তাঁর মৃত্যুও হতে পারত! মমতা জানান, একটি গাড়ি ২০০ কিলোমিটার বেগে তাঁর কনভয়ে ঢুকে পড়েছিল। যে কারণে তাঁর গাড়ির চালক জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে।আঘাতের কারণে বর্তমানে তাঁর শীতকরছে, মাথাও ব্যথা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী। জ্বর আসতে পারে বলে আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।কীভাবে আঘাত পেলেন তিনি? কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, জানি না ঠিক কী হল। আমরা একটা গলি দিয়ে বেরচ্ছি। সামনে একটা গাড়ি প্রায় ২০০ স্পিডে যাচ্ছে। পুরো মরেই যেতাম। যে ড্রাইভার ছিল, ও সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষে। তখন ড্যাশবোর্ডটা আমার মাথায় এসে লাগে। রক্তও বেরিয়েছিল। তাই নিয়ে কাজ করে গেলাম।দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ির কাচটা খোলা ছিল তাঁর। জনসংযোগের জন্যই ওই কাচ খোলা রেখেছিলেন তিনি। বলেন, যদি কাচটা বন্ধ থাকত তাহলে কাচ-ড্যাশবোর্ড সব শুদ্ধ আমার সারা শরীরের ওপর পড়ত। মানুষের আশীর্বাদে বেঁচেছি।শেষে তিনি বলে যান, আমার মাথা টনটন করছে। গা বমি বমি করছে। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি।ওই গাড়িতে কে ছিলেন? তা জানেন না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ সবটা দেখছে।বুধবার কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বর্ধমানে গিয়ে প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফেরার পথে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আর কপ্টারে নয়, গাড়িতে চেপে কলকতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সড়ক পথে ফেরার পথেই চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি জিটি রোডে ওঠার সময়ে চালক আচমকা জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কপাল গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে ঠুকে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে অন্য একটি গাড়ি ঢুকে পড়াতেই এই বিপত্তি বলে সেই সময়ই জানা গিয়েছিল।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
নিবন্ধ

ভাবনায় অন্য মাত্রা যোগ করে ১০০ রজনী অতিক্রান্ত করল 'অন্য ভাবনা'-র 'ভৌতিক'

২০২৪-এ বছরের প্রথম দিনটা শুরু হলো একেবারে ভৌতিক ভাবে। জোড়া নাটকের মুর্ছনায় মেতে উঠলো শহর বর্ধমান। ১লা জানুয়ারি ইংরাজি নববর্ষের প্রথম দিনে যখন একদল মানুষ হুল্লোর করে পিকিনিক-এ ব্যস্ত ঠিক সেই দিন ভরসন্ধ্যায় শহরের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট চত্তরে সংস্কৃতি লোকমঞ্চে অয়োজিত হল এই জোড়া নাটক। নাট্য পিপাসু বর্ধমান-বাসীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি লোকমঞ্চ আক্ষরিক অর্থেই হাউসফুল ছিল।প্রথম নাটকটি ছিল তিমিরবরণ রায় রচিত এবং প্রিয়তোষ রায় নির্দেশিত মনসামঙ্গল কাব্যের আশ্রয় করে জীয়ন কন্যা। যাত্রা দলের নায়েব বা চাঁদসদাগর ও লখিন্দর চরিত্রের অভিনেতা দর্শক মনে দাগ কেটে যায়। হারমোনিয়াম ও বাংলা ঢোলের আবহে মঞ্চে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা যাত্রা-র আমেজ বেশ পাওয়া গেল। এই নাটকের এক অন্যতম আকর্ষন এর গান। বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোক নাটকের সম্পদ মনসামঙ্গল। এদের আছে আলাদা পরিবেশন রীতি, আলাদা আঙ্গিক। যাতে গ্রামীণ মানুষের আশা-আকাঙ্খা আর জীবনের ভাবচিন্তা পরিস্কার বোঝা যায়। ১লা জানুয়ারি ছিল তাঁদের ষষ্ট প্রযোজনা। তাঁদের মঞ্চাভিনয় দেখে কোন সময়েই মনে হয়নি তাঁরা মাত্র ছয়দিন এই নাটকটি মঞ্চস্থ করছেন।তাঁদের জীয়ন কন্যা নাটকটি যে বার্তা বহন করে তা আজকের দিনে খুব-ই প্রাসঙ্গিক। দেশ জুড়ে যখন ধর্ম নিয়ে রাজনিতীর হিড়িক, যখন মানুষকে তাঁর শিক্ষা দিয়ে বিচার না করে, ধর্মের শতাংশের নিরিখে বিবেচনা করা হয়, ঠিক সেই সময়ে এই ধরনের বার্তাবহনকারি নাটকের প্রাসঙ্গিকতা উপলব্ধি করার মত। এক নামকরা চিত্র সমলোচক একবার বলেছিলেন, যে স্লোগান দেওয়ালে লিখে বোঝানো যায় না তাঁর জন্য সিনেমা/নাটক করতে হয়। ঠিক সে রকমই এক বার্তা যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বক্তব্য কে ফোটাতে সত্যজিৎ রায় সৃষ্টি করেন হীরক রাজার দেশ। এই নাটকের মাধ্যমে যাঁরা ধর্মের জিগিড় তুলে বিভেদের রাজনীতি করছেন তাঁদের মুখে বেহুলার চরিত্রে মুসলিম মহিলার অভিনয় যেন সজোরে থাপ্পড়।নাট্য সন্ধ্যার দ্বিতীয় উপস্থাপনা ছিল ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক। বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লাইনের নবগ্রাম স্টেশনের পাশে শহরতলীর এক ছোট্ট গ্রামের নাট্য দলের শততম দিনের প্রযোজনা দাগ কেটে গেল এদিনের উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। এক গা ছমছম মঞ্চ সজ্জা দেখে প্রথমেই অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছিল হয়ত বা কোনও গায়ে কাঁটা দেওয়া ভুতের কাহিনী নিয়ে আবর্তিত হবে এদিনের নাটক।উপস্থিত দর্শককুলকে ভুল প্রমান করে একাধিক ভ্রান্তিময় বদ্ধমূল ভুল ধারনার গোড়ায় আঘাত করলো তাঁদের এই প্রযোজনা। এক গহন জঙ্গলে মাঝ রাত্রিতে আত্মহননে উদ্যত যুগলকে একটি ভুত যে অবচেতন মনের হদিস দিলেন তা সত্যিই সমাজের সামগ্রিক চেতনা ফেরাবার জন্য যথেষ্ট। নাটকের বেশ কয়েকটি সামজিক বার্তার মধ্যে অন্যতম কোনও কিছু হেলায় পেলে তাঁর মুল্য থাকেনা। নাটকের মাধ্যমে যা মূল বার্তাটি তারা দিতে চেয়েছেন, বাঁচতে গেলে লড়তে হবে, মৃত্যুর অনেক রাস্তা আছে, আত্মহননের অর্থ হেরে যাওয়া।ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু, নির্দেশনা স্বরাজ ঘোষের। এই নাটকের মূল চরিত্র ভুতের ভূমিকার অভিনেতা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা দূরদর্শনে একটি নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে তাঁরা প্রথম স্থান লাভ করেন। গ্রাম থেকে আসা একদল তরুণ ছেলের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সেই প্রতিযোগিতার বিচারক সৌমিত্র বসু তাঁদের তাঁর লেখা ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য দেন। বছরের প্রথম দিনে তাঁরা তাঁদের শততম রজনী বর্ধমান শহরে মঞ্চস্থ করলেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, ২০১৭ সালে ময়না অন্য ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেকের আমাদের কাছে দাবী ছিল করলে ভালো কিছু কর, নাহলে বন্ধ করে দাও। সেই ভালো করে করার জেদ থেকেই অন্য ভাবনার যাত্রা শুরু। তিনি জানান তাঁদের এই মুহুর্তে চারটি নাটক চলছে, যথাক্রমে প্রতিঘাত, আযান্ত্রিক, কর্মফল ও ভৌতিক। তিনি জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলা সহ রাজধানী শহর দিল্লীতেও ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করেছেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, তাঁদের নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় এই মহুর্তে তা জানাতে তিনি বলেন জানুয়ারী মাসেই তাঁদের এখনও অবধি ১৫টি শো আছে। তিনি জানান, নাটককে ভালোবেসে আমরা নাটক করি। নাটক থেকে কোনও আয় আমরা করিনা। আমদের প্রত্যকেই কিছু না কিছু কাজ করি, সেখান থেকে সময় বার করেই আমাদের নাট্য চর্চা।প্রথম থেকে শেষ অবধি যে টানটান অভিনয় দেখা গেল তাতে এটুকু বোঝা গেল কেন তাঁরা এত দ্রুত শততম রজনী পার করলেন। আশা করাই যায় অতি দ্রুত তাঁরা সহস্র রজনীও অতিক্রম করবেন। নাটকের মূল চরিত্রাভিনেতা ভুত রূপী সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়-র অভিনয়ে দর্শককূল মুগ্ধ হয়ে যায়। সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় একবার বলেছিলেন ভুত কে আমরা ভালোবাসি বলেই ভুতের গল্প পড়ি, আর সেই ভুতের গল্প বই বেস্ট সেলার হয়। আজকের নাটক দেখতে বসে দর্শকদের অভিব্যাক্তি দেখে মনে হচ্ছিল তাঁরা তাঁদের অজান্তে কখন যেন ভূতকে ভালোবেসে আপন করে ফেলেছেন।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
শিক্ষা

চাকরির মেলা, 'মেলা চাকরি'! বর্ধমানে ম্যানেজমেন্ট কলেজের অভিনব উদ্যোগ

কোভিড কালে পরিষায়ী শ্রমিক বলে এক অনুচ্চারিত বাংলা শব্দের হটাৎ আগমন! এর আগে এই শব্দবন্ধন সাধারণত দুরদুরান্ত থেকে আগত শীতের পাখীদের জন্যই ব্যবহার করা হত। কোভিড আমাদের চোখ খুলে দেয় । আমাদের জানার বাইরে এই বাংলার কত সহস্র শিক্ষিত অথবা অর্ধ-শিক্ষিত মানুষ পাড়ি জমান ভিনরাজ্যে রুজির টানে। এ নিয়ে পাতার পর পাতা লেখা হয়েছে, টিভির পর্দায় প্যনেল ডিসকাশানে তুফান তুলে অনেক মতামত শোনা গেছে। কিন্তু সমস্যা সেই তিমিরেই! শিক্ষিত বেকার যুবকেরা যখন চাকরির সন্ধানে দিশেহারা, ঠিক সময়ই আশার আলো দেখালেন স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER) -র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. নন্দন গুপ্ত।স্বামী বিবেকানন্দ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউট ও আইএইচআর টেকনলজি সল্যুশান প্রাঃ লিঃ উদ্যোগে বর্ধমানে ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ -এর বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ক্যাম্পাসে শনিবার এক মাল্টি ইন্ডাস্ট্রি জব ফেয়ার-র আয়োজন করা হয়। প্রায় ৫০ টি মাল্টি ন্যাশানাল কোম্পানি এই জব ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে।বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS)-র অধ্যক্ষা লিজা ব্যানার্জী জনতার কথা কে জানান, প্রায় ১৫০ জন চাকরি পার্থী এই মাল্টি ইন্ডাস্ট্রি জব ফেয়ার-এ অংশগ্রহণ করে। তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র বিআইএমএস (BIMS)-ই নয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরাও এই চাকরির মেলায় এসেছিল এবং তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানিতে চাকরির অফার পেয়েছে।লিজা ব্যানার্জী জানান, তাঁদের বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ও অন্যান্য কলেজ মিলিয়ে প্রায় শতাধিক (১০০) ছেলে মেয়ে চাকরির অফার পেয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এরকম সুবর্ণ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তিনি বিআইএমএস (BIMS)-র প্রেসিডেন্ট ড. নন্দন গুপ্ত-কে ধন্যবাদ জানান।স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ড. নন্দন গুপ্ত জানান, দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করার পর মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে যাঁরা এই ধরনের ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তী হন, তাঁদের মুখ্য উদ্দেশ্য-ই থাকে পড়াশোনা শেষ করে একটা চাকরি করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো। সেই ছেলেগুলি-ই যখন চাকরি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে যায়, ঠিক তখনই এই ধরনের জব ওরিয়েন্টেড কোর্সের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। তিনি বলেন, আমার ভালো লাগছে এতগুলো ছেলে প্লেসড হয়েছে। তাঁদের নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বলেন, এবারে এতগুলো ছাত্র-ছাত্রী আমাদের এই উদ্যোগে সামিল হয়ে তাদের যোগ্যতায় চাকরি পাওয়ায় আমরাও ভীষণভাবে খুশি। আমরা চেষ্টা করব বছরে একাধিক বার এই চাকরি মেলার আয়োজন করার। তাতে আরও বেশি সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা বর্ধমান রেল স্টেশনে, আশঙ্কা মৃত ৩

ইস্টার্ন রেলওয়ের ব্যস্ততম স্টেশন বর্ধমান। তখন ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বহু যাত্রী। আচমকা ঘটে গেল হাড় হিম হওয়া ঘটনা। প্রাণ গেল ৩ জনের। এই দুর্ঘটনায় জখম বহু, চরম আতঙ্কে যাত্রীরা। ফের প্রশ্নের মুখে রেল স্টেশনে যাত্রী সুরক্ষা।বুধবার দুপুর ১২টা বেজে ৮ মিনিটে বর্ধমান রেল স্টেশনে করোগেটেড শিটের তৈরি জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বড়সড় বিপত্তি ঘটে যায়। ট্যাঙ্ক ভেঙে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তিন জনের মধ্যে দুজন হলেন মফিজা খাতুন এবং ক্রান্তি কুমার। একজনের নাম জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জখমের সংখ্যা কমপক্ষে ২৭ জন। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরপিএফ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধারকাজ। আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। বর্ধমান স্টেশনে এর আগে ২০২০ সালে ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল স্টেশনের ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঝুল বারান্দা।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকট শব্দের পরই আর্তনাদ শুনে বোঝা যায়, বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপের নীচে। তাঁদের উদ্ধারের জন্য শুরু হয় ছোটাছুটি। ততক্ষণে আরপিএফ ও জিআরপিও ছুটে এসে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই ৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 48
  • 49
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের চাঞ্চল্য আইআইটি খড়গপুরে! ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত

আইআইটি খড়গপুরে ফের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পড়ুয়ার নাম জয়বীর সিং দোড়িয়া। একুশ বছর বয়সী এই ছাত্র মেনুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। তিনি আইআইটি খড়গপুরের নেহেরু হলে থাকতেন।শনিবার সকালে নেহেরু হলের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর বাড়ি গুজরাতের আহমেদাবাদে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ষোলো মাসে এই নিয়ে আটজন পড়ুয়া ও গবেষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল আইআইটি খড়গপুরে। এর মধ্যে সাতটি ঘটনাই ঘটেছে ক্যাম্পাসের ভেতরে। পাঁচজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল রেললাইনের ধারে। সেই ঘটনাও ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নেহেরু হল থেকে তিনি কীভাবে অন্য একটি হলের ছাদে পৌঁছলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কখন তিনি বেরিয়েছিলেন, তা জানতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।একাধিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বস্তি বিশ্বে! হরমুজ প্রণালী খুলতেই তেলের বাজারে নয়া আশার আলো

অবশেষে বিশ্বের জন্য বড় স্বস্তির খবর এল। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে Iran। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের জেরে এই জলপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তেল, গ্যাস সহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনে আর বাধা থাকছে না বলে মনে করা হচ্ছে।লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ফের হরমুজ প্রণালী চালু করার কথা জানানো হয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন এই সংঘর্ষবিরতি কার্যকর থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে। তবে নির্দিষ্ট রুট মেনেই জাহাজ চলাচল করতে হবে, যা আগেই ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা ঘোষণা করেছিল।ইরানের এই ঘোষণায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জানান।তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এখনও বলবৎ থাকবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। এর ফলে ভারতের মতো দেশ, যারা ইরান থেকে সরাসরি তেল আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে।উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠে এবং গ্যাসের বাজারেও চাপ বাড়ে। এখন হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় সেই সঙ্কট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal