• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bar

রাজ্য

সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের মায়ের ছবি তোলে দোষীর মেয়ে! আতঙ্কে বারাসত আদালত

বারাসত আদালতে সাজা ঘোষণার ঠিক আগেই ঘটে গেল এমন এক ঘটনা, যা নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারে। খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত এনজার নবীর সাজা ঘোষণা হওয়ার আগেই আদালত চত্বরে নিহত কিশোরের মা ও তাঁর ননদের ছবি তুলে নেয় অভিযুক্তের মেয়ে। তারপর সেই ছবি নাকি পাঠানো হয় আর এক খুনের আসামিকেএই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার জেলার পুলিশ সুপারের কাছে ছুটে যান মৃত কিশোর ফারদিনের মা। পরে বারাসত আদালত এনজার নবীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের ঘোষণা করে।রায় শোনার পর কান্না চেপে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিশোরের মা জানান, তিনি ও তাঁর ননদ আদালত কক্ষে বসে ছিলেন। হঠাৎই দেখেন, এনজারের মেয়ে তাঁদের দুজনের ছবি তুলছে। এরপরই আদালতেরই এক খুনের আসামিকে ছবি পাঠিয়ে দেয় বলে দাবি তাঁর। নিহতের মা বলেন, তাঁর আরেক সন্তান রয়েছে। তাই এই ঘটনা শোনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের পরিবারের।ফারদিনের পিসি হোসনেআরা বেগমও দাবি করেন, যে ব্যক্তির সঙ্গে ছবিগুলি পাঠানো হয়েছে, সে নাকি মাত্র চার মাসের মধ্যে খুনের মামলা থেকে জেল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। সেই কারণেই তাঁরা আরও ভয় পাচ্ছেন।এ নিয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার স্পষ্ট বক্তব্যএটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ জমা দিলে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফারদিন খুনের মামলার পটভূমিতেও রয়েছে নৃশংসতার দীর্ঘ ইতিহাস। বারাসতের কাজিপাড়ায় দুই ভাইগোলাম নবী ও এনজার নবীর মধ্যে বহুদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই চরমে ওঠে তালগাছ কাটা নিয়ে। তার কয়েক দিন পরেই গত ২০২৪ সালের ৯ জুন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় গোলামের ছেলে, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ফারদিন। পরিবারের চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায় সে। চার দিন পর বাড়ির লাগোয়া পরিত্যক্ত বাথরুম থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এরপর নিজের দোষ ঢাকতে এলাকায় ছেলেধরা গুজব ছড়াতে থাকে এনজার নবী। মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই ভুয়ো খবর। শুধু এলাকাই নয়, সারা জেলাজুড়েও শুরু হয় ছেলেধরা সন্দেহে নানা মারধরের ঘটনা। পরে তদন্তে নামতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য, এবং ১৯ জুন এনজার নবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালত তাকে এই নৃশংস হত্যার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে।কিন্তু সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের পরিবারের ছবি তোলা এবং তা কোনও অপরাধীর কাছে পাঠানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাসত আদালত চত্বরে। পরিবার এখন প্রশ্ন তুলছেএই ঘটনার পিছনে কি নতুন কোনও চক্রান্ত? নাকি ভয় দেখানোর চেষ্টা? উত্তর দেবে তদন্তই।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
উৎসব

প্রাক শীতে বর্ধমান রাঙিয়ে দিল এক অন্য 'পলাশ', মহাসমারোহে শিশুদিবস পালিত বর্ধমান মডেল স্কুলে

মহাসমারোহে ও আনন্দঘন পরিবেশে আজ বর্ধমান মডেল স্কুলে পালিত হল চাচা নেহেরুর জন্মদিন যা ভারতবর্ষে শিশুদিবস হিসাবে পালিত হয়। সকাল থেকেই স্কুল প্রাঙ্গণে ছিল কচিকাঁচাদের হাসি, গান, নাচ এবং নানা আয়োজনের রঙিন ছটা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কথা বলা পুতুল (ভেন্ট্রিলোকুইজম), যাদু প্রদর্শনী ও শিক্ষক/শিক্ষাকর্মী বনাম ছাত্রদের ক্রিকেট ম্যাচে জমে ওঠে দিনভর উৎসবমুখরতা।দিনের মূল আকর্ষণ ছিলেন জি বাংলার মীরাক্কেল খ্যাত পলাশ অধিকারী। তাঁর অসাধারণ ভেন্ট্রিলোকুইজম পরিবেশনা শিশুদের মুগ্ধ করে দেয়। নানান মজার চরিত্র, ছাত্রদের সাথে চমৎকার কথোপকথন ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় তিনি শিক্ষার্থী ও দর্শকদের মন জয় করেন। তাঁর সাথে তালে তাল মিলিয়ে ইন্দ্রজাল (যাদু) পরিবেশন করেন অম্বরীশ দাস।অনুষ্ঠানের আরেক বিশেষ পর্ব ছিল শিক্ষক/শিক্ষাকর্মী বনাম ছাত্রদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। হাসি-মজা ও উচ্ছ্বাসে ভরা এই খেলায় ছাত্ররা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয়।সংস্থার কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল শিশুদিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, যতদিন শিশু থাকা যায় ততদিনই মঙ্গল। বড় হলেই যত সমস্যা। তিনি আরও যোগ করেন, শিশুদের নিষ্পাপ মন ও সরলতা বজায় রেখেই তারা যেন বড় হয়ে ওঠে।তিনি বিখ্যাত কবিতার পংক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা সবাই একদিন বড় হবে, তখন তোমাদের বাবা-মায়ের মতোই দায়িত্ব নিতে হবে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের সকল শিশুর প্রতি স্নেহ, ভালোবাসা ও আশীর্বাদ জানিয়ে তিনি কামনা করেন, তারা যেন এই পৃথিবীর নতুন বাণীর অগ্রদূত হয়ে উঠতে পারে।এই বিশেষ দিন উপলক্ষে সকল ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য মিষ্টিমুখের আয়োজন করা হয়। বর্ধমান মডেল স্কুলে দিনটি শেষ হয় শিশুদের হাসিখুশি মুখ, আনন্দময় মুহূর্ত এবং স্মরণীয় অভিজ্ঞতার মাধ্যমে যা নিশ্চিতভাবেই তাদের আগামী দিনের বড় হয়ে ওঠার পথে সুন্দর এক স্মৃতি হয়ে থাকবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

ভালোবাসার গল্পে রাজনীতির ছোঁয়া— সুন্দরবনের রিয়া ও রাখির সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড

সুন্দরবনের অন্তঃস্থল থেকে উঠে এসেছে এক অনন্য ভালোবাসার গল্প। সমাজের বাঁধা, কুসংস্কার, এবং অগণিত বাধা পেরিয়ে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন রিয়া সর্দার ও রাখি নস্কর। তাঁদের সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস, এবং সত্যিকারের ভালোবাসা গোটা বাংলাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল আবেগে। এবার সেই দুই তরুণীর সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগেও রিয়া ও রাখির সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমর্থন জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে বলেছিলেন, এই দুই কন্যা বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তাঁদের জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় ফোন মারফত বার্তা পাঠিয়ে অভিষেক জানিয়েছিলেন, আমার খুবই ভাল লেগেছে সুন্দরবনের মাটিতে এমন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। রিয়া ও রাখি দেখিয়ে দিয়েছে, ভালোবাসা কোনও সীমারেখায় আটকে থাকে না না ধর্মে, না বর্ণে, না লিঙ্গে।অভিষেকের বার্তায় আরও বলা হয়, দুজনেই জানত, সমাজের চোখ রাঙানি আসবেই, বাধা আসবেই। তবুও তাঁরা পিছিয়ে যায়নি। একসঙ্গে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তাঁদের এই সাহসিকতার জন্য আমি তাঁদের কুর্নিশ জানাই। সেই সঙ্গে গ্রামবাসীকেও ধন্যবাদ জানাই তাঁরা রিয়া ও রাখির পাশে দাঁড়িয়ে ভালোবাসার জয়ে নিজেদের মানুষত্ব প্রমাণ করেছেন।অভিষেক আরও যোগ করেন, রিয়া ও রাখি শুধু একে অপরের ভালোবাসার প্রতীক নয়, তাঁরা মানবতার প্রতীক। এটা কেবল দুটি মানুষের বিয়ে নয় এটা বাংলার গর্ব, ভারতের গর্ব। আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই এবং তাঁদের গ্রামের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা এই ভালোবাসাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করেছেন।রাজনৈতিক নেতা হয়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বার্তা এখন ভাইরাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এমন মানবিক ও সাহসিকতার পাশে দাঁড়ানোর পদক্ষেপকে অনেকে বাংলার প্রগতিশীলতার প্রতীক বলে আখ্যা দিয়েছেন।এখন সকলের নজর অভিষেকের আসন্ন সফরের দিকে কবে তিনি পৌঁছবেন সুন্দরবনের সেই গ্রামে, যেখানে দুই তরুণী তাঁদের ভালোবাসা দিয়ে সমাজের গোঁড়ামিকে হার মানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই অভিষেক তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সরাসরি শুভেচ্ছা জানাবেন।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

‘চাপ সামলাতে পারেননি’— ফর্ম বিলির চাপে ব্রেন স্ট্রোক, মৃত্যু মহিলা বিএলও-র! হইচই মেমারিতে

এসআইআর আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। কোথাও ফর্ম না পেয়ে কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন, আবার কোথাও কাজের চাপে প্রাণ যাচ্ছে সরকারি কর্মীর। এবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে ফর্ম বিলির চাপ সামলাতে না পেরে মৃত্যু হল এক মহিলা বিএলও-র। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক মহলে।মৃতার নাম নমিতা হাঁসদা (৩৮)। তিনি পেশায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ছিলেন এবং মেমারি চক বলরামপুরের ২৭৮ নম্বর বুথের বিএলও দায়িত্বে ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর ফর্ম বিলির কাজে তাঁকে অমানবিক চাপের মধ্যে ফেলা হয়েছিল। দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল বারবার। প্রতিদিনই ফোন আসত বিডিও অফিস থেকে কত ফর্ম বিলি হয়েছে? টার্গেট পূর্ণ হল কি?স্বামী মাধব হাঁসদা বলেন, ওকে খুব চাপ দেওয়া হচ্ছিল। আমরা বারবার বলেছি, এতটা মানসিক চাপ নিও না। কিন্তু ওর দায়িত্ববোধটা খুব বেশি ছিল। সব সময় চিন্তা করত কাজ শেষ হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় ফর্ম বিলি করে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন নমিতা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, শেষরক্ষা হয়নি।পরিবারের দাবি, এসআইআর ফর্ম নিয়ে এই অতি তৎপরতার চাপে ওর মৃত্যু। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করছিল। খাওয়া-দাওয়াও ঠিক মতো করত না।এই ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকাও নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মৃতার স্বামী অভিযোগ করেন, ওকে এত কাজ দেওয়া হয়েছিল যে, শরীরটাই ভেঙে গিয়েছিল।বর্ধমানের জেলা শাসক আয়েশা রানি জানিয়েছেন, ঘটনাটা আমরা দেখছি। তদন্ত করে দেখা হবে আসল কারণ কী।অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা কাউকে কোনও চাপ দিইনি। যারা কাজের ওপর চাপ দিচ্ছে, তারা প্রশাসনের লোকজন। সাধারণ মানুষের সামনে এই নাটক তৈরি করা হচ্ছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মৃত্যুর ঘটনা রাজ্যে চলমান এসআইআর বিতর্ককে আরও উসকে দেবে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এবার সরকারি কর্মীর মৃত্যু সেই আতঙ্ককে নতুন মাত্রা দিল।মেমারির এই ট্র্যাজেডি এখন প্রশ্ন তুলছে এসআইআর ফর্ম বিলির নামে কি রাজ্যে প্রশাসনিক অমানবিকতার চিত্রই ফুটে উঠছে?

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

আত্মার অনুজ্ঞা: ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হল বর্ধমানের বিদ্যালয়ে

আজকের দিনটি ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় স্মরণ করাল। ১৮৭৫ সালের ৭ নভেম্বরএক শতাব্দী ও অর্ধকাল আগে, ৩৭ বছর বয়সী এক সাহিত্যিক তাঁর অন্তরের অনুজ্ঞায় লিখে ফেলেছিলেন একটি গানবন্দে মাতরম, সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাং। নৈহাটির সেই নীরব প্রেরণা থেকেই জন্ম নিয়েছিল এমন এক স্তব, যা শতবর্ষ পেরিয়েও অনুরণিত আজও ভারতবাসীর হৃদয়ে।সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, এই গানটিকে সাত বছর পরে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস আনন্দমঠ-এ অন্তর্ভুক্ত করেন, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে ভারতীয়দের একত্রিত করেছিল এক মহৎ আহ্বানেদেশমাতৃকার বন্দনায়। ভারত সরকার পরবর্তীতে একে জাতীয় স্তোত্রের মর্যাদা প্রদান করে।আজ, বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে সাড়ম্বরে পালিত হল এই ঐতিহাসিক রচনার ১৫০ বছর পূর্তি।বিদ্যালয়ের প্রাত্যহিক সম্মেলনে শিক্ষক দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায় স্মরণ করালেন,কোন জাতি দেশকে মা রূপে, কোন জাতি পিতা রূপে সম্বোধন করে। বন্দে মাতরম-এর এই দুই শব্দে যে ভারতমাতার বন্দনা করা হয়েছে, তাঁর স্নেহচ্ছায়ায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল ভারতবাসী। প্রথম স্তবকটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হওয়ায় এটি সর্বজনগ্রাহ্য ও সর্বজনাদৃত হতে পেরেছে।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক, রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন,বন্দে মাতরম এমন এক উচ্চারণ যা আমাদের ছোটবেলাকে দেশপ্রেমে উষ্ণ করেছিল। আজও এই উচ্চারণ আমাদের অনুপ্রাণিত করে সেই মহত্তম দেশনায়কদের দেখানো পথে এগিয়ে যেতে।উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দেশপ্রেমমূলক কবিতা আবৃত্তি ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সঙ্গীত অনুষ্ঠান। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিধ্বনিত হয় সেই অমর আহ্বানবন্দে মাতরম।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

জমিদারবাড়ির কালীপুজোয় নাটকীয় মোড় — মেমারি পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হারানো অলংকার

গতকাল মধ্যরাতের নীরবতা ভেঙে রোমাঞ্চকর এক ঘটনায় সরগরম হয়ে উঠল মেমারি থানার দালুইবাজার গ্রাম। জমিদার ব্যানার্জি পরিবারের ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর মণ্ডপ থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল প্রায় দশ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মেমারি থানার পুলিশের দক্ষ তদন্তে মিলল তার নাটকীয় পরিসমাপ্তি।রাত প্রায় বারোটা ত্রিশ নাগাদ খবর আসে যে, পূজামণ্ডপে মা কালী মূর্তির অলংকার উধাও। মুহূর্তের মধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশে নেমে আসে আতঙ্কের ছায়া। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান মেমারি থানার ওসি, সিআইবি ও ডিএসপি মেমারি, নেতৃত্বে ছিলেন আইসি পালসিট। জমিদারবাড়ির দেউড়িতে তখন এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা ভক্তির আবেশে মিশে সন্দেহ আর শোকের ছায়া।তদন্তে নেমেই পুলিশ শুরু করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সন্দেহভাজন এক যুবকের নাম দেবজ্যোতি চৌধুরী (৩২), পিতা সুপ্রভাত চৌধুরী, বর্ধমানের খোশবাগান এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, তিনি জমিদারবাড়ির এক শরিকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পুজোর সময় উপস্থিতও ছিলেন।কিন্তু খবর পেয়ে পুলিশের আগে তিনিই এলাকা ত্যাগ করেন। এরপরেই তৎপরতায় নামে মেমারি থানার বিশেষ দল। দ্রুত অভিযান চালিয়ে দেবজ্যোতিকে আটক করা হয় এবং দীর্ঘ জেরার পর তিনি স্বীকার করেন নিছক লোভের বশে দেবী মূর্তির গহনা হাতিয়েছিলেন।তার জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ উদ্ধার করে সমস্ত চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কার। অভিযুক্তকে আজই বর্ধমান আদালতে পেশ করা হচ্ছে।এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মুখে একটাই কথা মা তাঁর বিভূষণ ফিরে পেয়েছেন, আর অশুভ শক্তির বিনাশ হয়েছে ঠিক কালীপুজোর পূণ্য লগ্নে।পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দ্রুততা ও দক্ষতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এক কথায়, এটি যেন বাস্তব জীবনের এক নাটকীয় যবনিকা পতন যেখানে অপরাধ পরাস্ত হয়েছে, আর ন্যায়ের বিজয় ঘটেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন ঢুকতেই হুড়োহুড়ি — পদপিষ্টে অন্তত ১২ জন আহত

রবিবার ছুটির সন্ধ্যায় বর্ধমান (Bardhaman) রেল স্টেশনে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। বহু যাত্রী একযোগে ট্রেন ধরার চেষ্টায় মুখ্য সিঁড়ি ও ওভারব্রিজ এলাকায় ঠাসাঠাসিতে পদপিষ্ট হয়ে পড়েন। এই ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (Burdwan Medical College Hospital) ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সূত্র অনুযায়ী, একসঙ্গে ৩৪টি ট্রেন ৪, ৫ ও ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ছিল। যাত্রীরা ট্রেনে ওঠা ও নামার জন্য সিঁড়ি ও ওভারব্রিজ এলাকায় একসাথে ওটানামা করতে থাকেন, তখন ভিড় গিজ গিজ করছিল। সিঁড়িতে অতিরিক্ত চাপ ও ধাক্কাধাক্কির ফলে কয়েকজন পড়ে যান। এতেই আঘাত পান। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, বেশ কিছু দিন ধরে ওভারব্রিজ একাধিক অংশ কাজ করছে না বা সংস্কার হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের মূল সিঁড়িগুলো ব্যবহার করতে হয়। রেলের উদ্ধার দল ও রেলে নিয়োজিত স্টাফ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধারে মনোনিবেশ করে। রেল প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়ন করা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে পরিকল্পিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
উৎসব

চোটখন্ড উন্নয়নী সংঘ দুর্গোৎসব ঘিরে চার দিনের আয়োজনে আনন্দমুখর পরিবেশ

চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের আয়োজিত দুর্গোৎসব এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো। টানা চারদিন ধরে শিষ্টাচার মেনে পূজা-পার্বণ, বিবিধ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাতৃ আরাধনায় সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রথামত ষষ্টী-তে দেবীর বোধনের মাধ্যমে পুজারম্ভ হয়। সপ্তমী তিথিতে নবপত্রিকার স্নান, অষ্টমী তিথিতে সন্ধিপূজা ও বলিদান, ও নবমী তিথিতে হোম যজ্ঞ-র আয়োজন কর হয়। দশমী তিথিতে দেবী অপরাজিতার পুজার মাধ্যমে সাঙ্গ হয় এবছরের আরাধনা, অপেক্ষা আরেকটি বছরের।দশমী তিথিতে দেবী দুর্গার পূজা-পর্ব শেষে আয়োজিত হয় সান্ধ্যকালীন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এলাকার কচিকাঁচা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ কৃতী শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। এর পাশাপাশি চারদিন ধরে চলতে থাকা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় স্মারক পুরস্কার।একাদশীর দিনে প্রথা অনুযায়ী দিনের বেলা ঢাক-ঢোল বাদ্যি সহযোগে এলাকার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা দেবী প্রতিমা নিরঞ্জনে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যার পর চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের পক্ষ থেকে প্রায় ২০০০ জন ভক্তের মাঝে চোটখন্ড বারোয়ারী তলায় খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হয়। ভোগ প্রাপ্তির আনন্দে চারিদিক মুখরিত হয়ে ওঠে।চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের সম্পাদক সান্তনু চট্টোপাধ্যায় জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও সকলে মিলেমিশে দুর্গোৎসব পালন করাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। স্থানীয় মানুষজনের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে উৎসবের আমেজ আরও বেড়ে ওঠে। ক্লাবের অপর এক সদস্য চঞ্চল মোহন্ত জনতার কথাকে জানান, সারাবছরই আমরা প্রত্যেকেই নানাবিধ কাজে ব্যস্ত থাকি। এই চারটে দিন পজোর ব্যস্ততায় বারোয়ারী তলায় কি ভাবে কেটে যায় বুঝতেই পারিনা। পাড়ার মা, বোন ও ছোটছোট ছেলেমেয়েরা প্রচুর আনন্দ করে/করেন। তিনি জানান, আবার আরেকটি বছরের অপেক্ষা, তিনি আরও বলেন তাঁরা সামনের বছর আরও ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করবেন। সকলে মিলে বসেই সেই পরিকল্পনা করবেন বলে জানান।

অক্টোবর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

কালনায় আস্ত নন্দন! মহানায়ক উত্তমকুমারকে ঘিরে দুর্গাপুজোয় অভিনব উদ্যোগ

জন্মশতবর্ষের সূচনায় মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাবের অভিনব থিম বাংলা তথা ভারতীয় সিনেমার পীঠস্থান এক সিনেমা হলের আবহে মণ্ডপ, বাজবে মহানায়ক উত্তম কুমারের জনপ্রিয় গানের সুর।পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবার দুর্গাপুজোয় দেখবে অন্য রকম চমক। আস্ত নন্দন-এর আবহ টেনে আনা হচ্ছে প্যান্ডেলে, আর সেই আবহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক উত্তমকুমার। জন্মশতবর্ষের সূচনায় মহানায়ককে ঘিরে বছরভর নানা আয়োজন চলছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, আর সেই আবহকেই এ বার থিমে প্রতিষ্ঠা করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।মণ্ডপজুড়ে থাকবে উত্তমকুমারের সিনেমার অমর মুহূর্ত, পর্দায় চলবে তাঁর অভিনীত ছবির ক্লিপিংস, আর চারপাশে বাজবে কালজয়ী গান। এক কথায়, তৈরি হচ্ছে সিনেমা হলের মতো পরিবেশ। প্রতিমা আসছে কোলড়ার শিল্পী অভিজিৎ রায়ের হাত ধরে। স্থানীয় শিল্পীরা তৈরি করছেন সাজসজ্জা ও আলোকব্যবস্থা।ক্লাব সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক সুরজিৎ বক্সী বলেন, নন্দনের আদলে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। মাল্টিপ্লেক্সের দাপটে সিঙ্গল স্ক্রিন হারিয়ে গেলেও নন্দন এখনও গর্বের জায়গা। সেই নন্দনের আবহেই মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে চাই।থিমের রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন এলাকার বিশু সাহা। যদিও মাঠ ছোট, ফলে নন্দনের হুবহু অনুকরণ সম্ভব নয়, তবে পরিবেশ তৈরির দিকেই জোর দিচ্ছেন তিনি। ক্লাবের সচিব সুকল্যাণ কুণ্ডুর কথায়, বর্তমান প্রজন্মের কাছেও মহানায়কের কীর্তি পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারাও বুঝতে পারে, মহানায়ক কাকে বলে।ক্লাবের এক সদস্য জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও সংহতি ক্লাব দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত করবে সামাজিক উদ্যোগ। দুই শতাধিক মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হবে।সব মিলিয়ে, কালনার এই অভিনব থিম শুধু পুজোর আনন্দই বাড়াবে না, বরং মহানায়ক উত্তমকুমারের প্রতি বাঙালির চিরন্তন শ্রদ্ধাকেই আরও গভীর করবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ঠাকুর দেখতে না নিয়ে যাওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র! শোকের ছায়া পূর্বস্থলীতে

পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলার নন্দীপাড়ায় ঘটল এক মর্মান্তিক ঘটনা। অভিমানে গলায় গামছার ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অংশু দাস (১২)। বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দের মধ্যেই এই অকাল মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকায়। বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা হাসপাতালে তার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অংশুর বাবা প্রাণকৃষ্ণ দাস সাইকেল মেরামতির দোকান চালান। সেই দোকানেই ছোট করে বিশ্বকর্মা পূজোর আয়োজন করেছিলেন তিনি। সকালে থেকেই দোকান পরিষ্কারের কাজে সাহায্য করে অংশু। দিনভর আত্মীয়স্বজনের ভিড়ও ছিল তাদের বাড়িতে। বিকেলে পূজারী মন্ত্রোচ্চারণ করে চলে যাওয়ার পর প্রাণকৃষ্ণ দাস আত্মীয়দের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে স্থানীয় কয়েকটি পুজোমণ্ডপ ঘুরতে বের হন। অভিযোগ, সে সময় খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকায় অংশুকে সঙ্গে নেননি তিনি। পরে ছেলে যেতে চাইলে বাবা তাকে বললেও আর বেরোয়নি।সন্ধ্যায় অংশুর মা স্বামীর দোকানে গিয়েছিলেন। ফেরার পর ঘরে ঢুকেই ছেলেকে গলায় গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীরা এসে ছেলেকে নামালেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। শোকে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তারা জানিয়েছেন, অংশু সেদিন বাড়িতে স্বাভাবিক মতো স্নান-খাওয়াও করেছিল। কিন্তু কেন এত বড় সিদ্ধান্ত নিল, তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। যদিও অংশুর এক আত্মীয় ভাস্কর দাসের বক্তব্য, আত্মীয়দের নিয়ে ঠাকুর দেখতে যাওয়া হলেও অংশুকে বাদ দেওয়া হয়। সেই অভিমান থেকেই হয়তো সে এমনটা করেছে। মাত্র ১২ বছরের এক কিশোরের এই মৃত্যুতে এলাকায় নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। পূজার আনন্দের দিনে এমন ঘটনা সকলকেই ব্যথিত করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

রোটারি ক্লাবের সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার বর্ধমানের রোটারি ক্লাব রোটারি ভারত সাক্ষরতা অভিযান প্রকল্পে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুপকুমার দত্তকে ২০২৫ সালের নেশন বিল্ডার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ সম্মানে ভূষিত করেছেন।বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে সহশিক্ষক অনুপকুমার দত্ত উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পুরুলিয়া জেলা স্কুল থেকে পড়াশোনা করেন। তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর পাস করে সহশিক্ষক হিসেবে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগ দেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত। ইলসবেয়ার থেকে ছাত্রাবস্থায় তাঁর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। তার গবেষণা থ্যালাসেমিয়া পেশেন্টদের বারবার রক্ত নেওয়ার ফলে জমে থাকা রক্তের অতিরিক্ত লৌহ যৌগকে আলাদা করার রাসায়নিক বন্ধন এর সাহায্যে আলাদা করার পদ্ধতি আবিষ্কার এর দিশা দেখান। মেধাবী ও পরিশ্রমী এই শিক্ষকের বহু কৃতী ছাত্রছাত্রী মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংএর প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সুনামের সঙ্গে স্ব স্ব ক্ষেত্রে কর্মরত।অনুপকুমার দত্ত বিদ্যালয়ে পাঠদান ছাড়াও গাছপালা পরিচর্যা করে থাকেন। মিড ডে মিলের শাকসবজি যোগানের পুষ্টিবাগান দেখাশোনার দায়িত্ব তাঁর। এছাড়াও নানা ধরণের ফলফুলের গাছ বিভিন্ন নার্সারি থেকে এনে বসিয়েছেন। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তিনি যুক্ত। চিলড্রেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটিতে তিনি স্থানীয় শিশুদের বিনামূল্যে পাঠদান করে থাকেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাবের সভাপতি ড সাইদা পারভিন এবং বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ড মৌসুমি বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরস্কৃত শিক্ষকের বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড সুভাষচন্দ্র দত্ত জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ডে আমাদের নিত্যসঙ্গী তথা ছাত্রপ্রিয় অনুপকুমার দত্তের এই পুরস্কারের সংবাদে আমরা সবাই আনন্দিত।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

রাসবিহারী ঘোষের জন্মভিটে সংরক্ষণ ও সংস্কারের লক্ষ্যে তাঁর পৈতৃক জমি পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসক কার্যালয়ের বিবেকানন্দ মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্যার রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটির যৌথ উদ্যোগে এক ঐতিহাসিক জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।স্বাধীনতা সংগ্রামী, আইনজ্ঞ, সমাজসংস্কারক স্যার রাসবিহারী ঘোষের পৈতৃক জমি আনুষ্ঠানিকভাবে পুর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হল। এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ে বিবেকানন্দ মিটিং হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্যার রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটি জমিটি জেলাশাসক ও কালেক্টরের হাতে তুলে দেন।পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক শ্রীমতী আয়েশা রানি এ., আইএএস এদিন বলেন এই জমি কেবল একটি সম্পত্তি নয়, এটি জাতি গঠনের এক জীবন্ত প্রতীক। আজকের এই হস্তান্তরের মাধ্যমে স্যার রাসবিহারী ঘোষের আদর্শ ও মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতি রক্ষা কমিটির সম্পাদক পঞ্চানন দত্ত ও সদস্যগণ। তাঁরা রাসবিহারী ঘোষের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষার প্রসার ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের সুপার শ্রী সায়ক দাস (আই পি এস), পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (পর্যটন) শ্রী প্রতীক সিং আইএএস, বর্ধমান সদর দক্ষিণ-র মহকুমাশাসক শ্রী বুদ্ধদেব পান (ডাব্লু বি সি এস, এক্সি) ও পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আধিকারীক শ্রী মিলন তীর্থ সামন্ত (ডাব্লু বি সি এস, এক্সি)।স্যার রাসবিহারী ঘোষ একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তাঁর জন্ম খণ্ডঘোষের তোরকোনা গ্রামে। অল্প বয়সেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়ে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীকালে ১৯০৭ সালে সুরাট অধিবেশনে তিনি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি।শুধু রাজনীতি নয়, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণেও তাঁর অবদান অনন্য। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি লক্ষাধিক টাকা দান করেছিলেন, যাতে আগামী প্রজন্ম জ্ঞান ও শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে পারে। তাঁর জীবন তাই কেবল একজন আইনজ্ঞের কৃতিত্বে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এক দেশপ্রেমিক, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসংস্কারকের অমলিন উত্তরাধিকার হয়ে আজও সমুজ্জ্বল।ইতিহাসবিদদের মতে, স্যার রাসবিহারী ঘোষ ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ১৯০৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে তাঁর মেধা ও শিক্ষা প্রসারে তাঁর অসামান্য ভূমিকা তাঁকে ভারতবর্ষের ইতিহাসে অনন্য আসন দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা, হস্তান্তরিত জমিটি ব্যবহার করা হবে স্যার রাসবিহারী ঘোষের জন্মভিটে সংরক্ষণ ও সংস্কারের কাজে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জমিটিকে ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই অনুষ্ঠান কেবল একটি জমি হস্তান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি সম্মান ও ঐতিহ্য রক্ষার এক প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্ধমান তথা সমগ্র বাংলার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এ উদ্যোগ নতুন অধ্যায় রচনা করবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫
রাজ্য

চোখের চিকিৎসা করতে নেপালে আটকে পড়েছিলেন বর্ধমানের বাসিন্দা, সামাজিক মাধ্যমে আবেদন করতেই .....

বিগত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত পরশি দেশ নেপাল। সরকার উপরে ফেলেছে ওই দেশের জনগণ। সেই দেশেই চোখের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন বাংলার বাসিন্দা সৈয়দ আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে কবিতা খাতুন। পূর্ব বর্ধমানের সরাইটিকর গ্রামের বাড়ি আরজাদের। কিন্তু কীভাবে বাড়ি ফিরবেন সেই চিন্তায় আকূল হয়ে পড়েছিলেন। বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরেই সমস্যার সমাধান মেলে। ভারতীয় সেনা, দার্জিলিং এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে দেশে ফিরছেন। এখন দুশ্চিন্তা মুক্ত বর্ধমানের এই পরিবার। পরিবার সূত্রে খবর, গত ৮ সেপ্টেম্বর মেয়ে কবিতাকে নিয়ে নেপালে যান আরজাদ হোসেন। পরের দিন তাঁরা চক্ষু চিকিৎসকের কাছে পৌঁছান। তাঁরা যখন নেপালে গিয়েছিলেন তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে বাইরে বেরিয়ে তাঁরা হকচকিয়ে যান। গণ বিক্ষোভে আগুনে পুড়তে দেখেন পাহারী দেশকে। সেই পরিস্থিতি দেখে আরজাদ ও তাঁর মেয়ে সোজা হোটেলে ঢুকে পড়েন। হোটেলেই তাঁরা বন্দি হয়ে পড়েন। নেপালের পরিস্থিতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিভাবে বাড়ি ফিরবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।নিরুপায় হয়ে সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করেন আরজাদ হোসেন। বিষয়টির ওপর নজর দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। তাঁরা উদ্যোগী হয় হোসেন পরিবারকে এই দেশে ফিরিয়ে আনতে। তাঁরা ভারতীয় সেনার সঙ্গে যোগাযোগের পরেই সমস্য সমাধানের পথ তৈরি হয়। সেনার তৎপরতায় বৃহস্পতিবার সকালে যোগবানী সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন আরজাদ হেসেন ও তাঁর মেয়ে। এই পরিবারের বক্তব্য ভারতীয় সেনা ও প্রশাসন ছাড়া তাঁরা এখন ফিরতে পারতেন না। স্বস্তি ফিরেছে সরাইটিকরের হোসেন পরিবারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত্যুমিছিল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাহাকার

বর্ধমানের নবাবহাটের কাছে ফাগুপুরে জাতীয় সড়ক বড়সড় দুর্ঘটনা। পুণ্যার্থী বোঝাই বাস দূর্ঘটনা দুর্ঘটনার কবলে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে বাসটি। আহত হয়েছে ৩৫ জন। জখমদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসটি তারকেশ্বর থেকে দেওঘরের বাবাধাম যাচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। এঁরা সকলেই বিহারের বাসিন্দা।চোখের সামনে এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ৮ জনের, পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও কয়েকজনের। মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে আশঙ্কা।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাতার থানার পুলিশ ও দমকল। উদ্ধারকাজ চালাতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। হাসপাতালের করিডরে শোকাহত পরিজনদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে দুই গাড়ির চালককেই আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত গতি ও অবহেলাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ।স্থানীয় প্রশাসন জানায়, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

আইজেএ এর উদ্যোগে সাংবাদিকতা কর্মশালা বর্ধমানে

প্রতি বছরের মতো এবারও সাংবাদিক সংগঠন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে হয়ে গেল সাংবাদিকতা বিষয়ে কর্মশালা। রবিবার বর্ধমান বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বর্ধমান জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং বিবেকানন্দ কলেজের সহযোগিতায় এই কর্মশালায় পঞ্চাশ জন অংশ নেন।কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশংকর মন্ডল । ছিলেন এভারেস্ট বিজয়ী সৌমেন সরকার, কাউন্সিলার ও সমাজসেবী রাসবিহারী হালদার, বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ অনিমেষ দেবনাথ, ওই কলেজের গণ জ্ঞাপন বিভাগের প্রধান বিনয় হাজরা, আইজেএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারকনাথ রায় প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজেএর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অরূপ লাহা। সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি স্বপন মুখার্জি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জগন্নাথ ভৌমিক। কর্মশালায় ৫১ জন ছাত্র ছাত্রী অংশ নেয়। ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, ডিজিটাল এবং প্রিন্ট মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই কর্মশালায়। প্রশিক্ষণ দেন তন্ময় প্রামাণিক, জয়প্রকাশ দাস, পার্থ চৌধুরী ও শুভেন্দু সাঁই। এদিন বৃক্ষবন্ধু সমন্বয় দলের পক্ষ থেকে অতিথিদের হাতে একটি করে গাছের চারা উপহার হিসাবে দেওয়া হয়।

জুলাই ২৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

অম্বরীশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত! সিএবিতে চিঠি আজহারের

সিএবিতে চিঠি পাঠালেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। তবে এই আজহার ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বা ইডেনের বরপুত্র নন। এই আজহারের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমানের উখড়ায়। যদিও এই আজহারের দাবি নয়া মাত্রা যোগ করল সিএবিতে চলা সাম্প্রতিক এক বিতর্কে।সম্প্রতি আইনজীবী সুমন কীর্তনীয়া একটি চিঠি সিএবি, বিভিন্ন ক্লাব-সহ নানা জায়গায় পাঠিয়ে সিএবির স্টেডিয়াম কমিটি ও বেঙ্গল প্রো টি২০ লিগের কমিটির সদস্য অম্বরীশ মিত্রর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ আনেন। অম্বরীশ প্রাক্তন ক্রিকেটার, পূর্ব রেলের শিয়ালদহ শাখায় কর্মরত। রেলের নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিত্ব করেন সিএবিতে। ফলে ভিজিল্যান্স-সহ রেলের কর্তাদের কাছেও অম্বরীশের নামে অভিযোগপত্র পাঠান সুমন। তাঁর দাবি, অম্বরীশ বিভিন্ন ক্লাব, বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেলিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন, হাইকোর্ট ক্লাবে বেআইনি কাজকর্ম চালিয়েছেন প্রভাবশালী পরিচয় দেওয়া অম্বরীশ। জালিয়াতি, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, দুর্নীতিতে অম্বরীশের সঙ্গী দেবনিক দাস যুক্ত বলেও দাবি সুমনের। উল্লেখ্য, দেবনিক হলেন টাউন ক্লাবের কর্তা। তিনি আবার সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের পুত্র। দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধেও এক কোটি টাকার বেশি দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে সিএবি ওম্বুডসম্যানের কাছে। সুমন চিঠির সঙ্গে জুড়ে দেন কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। যাতে ইউপিআই লেনদেনের মাধ্যমে অম্বরীশ যে টাকা পেয়েছেন তার প্রমাণ হিসেবে। সেই কথোপকথনে উঠে এসেছিল আজহারের নাম। এবার সেই আজহার চিঠি দিলেন সিএবিতে। আর্জি জানালেন, অম্বরীশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি নস্যাৎ করে দিতে। সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভার আগে অম্বরীশ ও তাঁর খ্যাতিতে আঘাত দিতেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের অপব্যাখ্যা করে ওই চিঠি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি আজহারের।আজহার সিএবি সভাপতি ও সচিবকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, ক্রিকেট খেলার সূত্রে অম্বরীশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। খেলার পাশাপাশি তাঁরা নানাভাবে বিভিন্ন ক্রিকেটারকে সাহায্য করে থাকেন। গত মরশুমে হাইকোর্ট ক্লাবকে সহযোগিতা করেছেন অম্বরীশ, সে কাজে তিনিও অম্বরীশের পাশে ছিলেন।ক্রিকেট দল চালাতে অর্থের প্রয়োজন। ময়দানের বিভিন্ন ক্লাব অনুদান-সহ নানাভাবে অর্থ সংগ্রহ করে খেলাধুলো পরিচালনা করে। সে কাজটাই তিনি ও অম্বরীশ করেছিলেন বলে জানান আজহার। তাঁরা সাধ্যমতো বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ক্রিকেটারদের জার্সি, ক্রিকেট সরঞ্জাম কিনে দেন, যাতায়াত, টিফিন, লাঞ্চের খরচ জোগান, অনুশীলনের জন্য প্র্যাকটিস-স্লট বুকিং, পরিকাঠামো তৈরি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ক্রিকেটারদের সহায়তার কাজে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করেন বলে দাবি আজহারের। তিনি আরও বলেন, যে অর্থ সংগ্রহের প্রমাণ দেওয়া হয়েছে তা হাইকোর্ট ক্লাবের ক্রিকেট চালানোর কাজেই তহবিল গড়তে দেওয়া হয়েছে। যাতে মসৃণভাবে এই প্রক্রিয়া চলে সে কারণেই অম্বরীশের ইউপিআই ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এই অর্থ অম্বরীশ ও আজহার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য তোলেননি বলেই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটকে হাতিয়ার করা হলো তিনিই যখন আসল তথ্য সিএবিকে চিঠি লিখে জানালেন তাতে অভিযোগকারীর দাবি অনেকটাই লঘু হয়ে গেল। অভিযোগকারী সুমন অম্বরীশের কর্মক্ষেত্রে যে ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করেছেন সেটিও সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করছেন বঙ্গ ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত অনেকেই। মঙ্গল-রাতে আজহারের চিঠি জমা পড়ার পর সিএবি কী পদক্ষেপ করে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

জুলাই ২২, ২০২৫
রাজ্য

জাতীয় সড়কে উড়ালপুলের দাবিতে রোড অবরোধ, নবানহাটে জনজোয়ার

আজ সকাল ৮টা থেকে পূর্ব বর্ধমানের মেটেল, নবাবহাট এলাকায় জাতীয় সড়কের উপর ব্যাপক রোড অবরোধ শুরু হয়েছে। মূল দাবিঅতি দ্রুত উড়ালপুল নির্মাণ। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলের যানজট ও দুর্ঘটনার সমস্যা চরমে পৌঁছেছে। অথচ প্রশাসনের তরফে কোনো স্থায়ী সমাধান এখনও গৃহীত হয়নি।সকাল থেকেই প্রায় ৩,০০০-র বেশি মানুষ জাতীয় সড়কের উপর জড়ো হয়ে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ শুরু করেন। উড়ালপুল চাই, জীবনের নিরাপত্তা চাইএই দাবিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন স্কুল, অফিস যেতে গিয়ে আমরা দুর্ভোগে পড়ি। বহুবার দুর্ঘটনা ঘটেছে এই রাস্তায়। উড়ালপুল না হলে ভবিষ্যতে আর বড় ক্ষতি হবে। এই অবরোধে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী যগদান করেছে, জাতীয় সড়কের দুই প্রান্তেই হাজার হাজার লড়ি বাস প্রাইভেট কার আটকে আছে। দূর্ভোগের চূড়ান্ত অবস্থা।অবরোধের কারণে জাতীয় সড়কের দুদিকেই শতাধিক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং শীঘ্রই একটি সমাধানে পৌঁছনোর চেষ্টা করা হবে।

জুলাই ২২, ২০২৫
রাজ্য

'অরুণিমা'র ছটায় স্কুল ড্রপআউট, বাল্যবিবাহ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের সংকট থেকে অন্ধকার দূরীকরণ লড়াই

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এবং বেশ কিছু শহরতলি অঞ্চলে এক নতুন সামাজিক সংকট ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে - স্কুলছুট মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে বাল্যবিবাহ এবং অল্পবয়সে সন্তান ধারণের হারকেও উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তিনটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং রাজ্যের নারী-স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নকেও প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত করছে।রাজ্যের কিছু জেলার ৮ম শ্রেণি বা ১০ম শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলছুট হয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর্থিক অনটন, পরিবারের পুরাতন সামাজিক ধারণা, এবং বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, এই সবই এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS-5) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও প্রতি তিনটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ে ১৮ বছরের আগেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার স্কুলছুট মেয়েদের দায় মনে করে, এবং যত দ্রুত সম্ভব তাদের বিবাহ দিয়ে দিতে চায়।এই বাল্যবিবাহের পরিণতি হিসেবে ১৬-১৮ বছরের বহু কিশোরী মা হয়ে উঠছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত না থাকা অবস্থায় মাতৃত্ব গ্রহণের ফলে বাড়ছে মাতৃমৃত্যুর হার, অপুষ্ট শিশু জন্ম এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতা। সমাজতাত্ত্বিক ও শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, স্কুলশিক্ষার অকাল সমাপ্তি মানে শুধু পড়াশোনার শেষ নয়এটা একসময়ে সেই কিশোরীর আত্মবিশ্বাস, স্বাস্থ্য, স্বপ্ন, এমনকি জীবনের নিরাপত্তার পরিণতিও নির্ধারণ করে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন কন্যাশ্রী ও সবলা মতো সামাজিক প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চালু করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রকল্পগুলি তথ্যের অভাবে সর্বস্তরে পৌঁছায় না। বিদ্যালয়স্তরে মনোবিদ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ঠিক সেই সমস্যার গভীরে গিয়ে তার গুরুত্ব বুঝে জেলার সদর শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এক শিক্ষিকার লড়াইকে সম্বর্ধিত করল স্থানীয় প্রশাসন।১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি-২ ব্লকের পাহাড়হাটী বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়কে মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ-রোধ, স্কুলছুট মেয়েদের আবার পড়াশোনার আবহে ফিরিয়ে আনা ও স্কুলের মেয়েদের বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষিত করা এবং সার্বিক শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সম্বর্ধিত করা হয়। অরুণিমা নিজে একজন প্রথিতযশা নৃত্য শিল্পী। কত্থক নৃত্যে রাজ্যস্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে সুনিপুণ নৃত্যকলা পরিবেশন করেছেন। বর্তমানে তাঁর স্কুল বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলে-ই তাঁর ধ্যানজ্ঞান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে বলেন, আমি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের একজন শিক্ষিকা। গত আট বছর ধরেই আমি স্কুল ছুট এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছি সক্রিয়ভাবে। তিনি আরও বলেন, পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলে একটি কন্যাশ্রী আনন্দ ক্লাব গঠন করেছি। তার সদস্যরা আমাদেরই ছাত্রী। তাদেরকে নিয়ে নিরলসভাবে এই কাজটি করে চলেছি। অরুণিমা বলেন, প্রান্তিক পরিবার এবং গরিব পরিবারের মেয়েরা যেহেতু বাল্যবিবাহে বেশি জড়িয়ে পড়ছে, তাই তাদেরকে স্কুল শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনা আমার মূল লক্ষ্য এবং পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে আমি সচেতন করার চেষ্টা করে চলেছি। চাইল্ড ম্যারেজ এবং চাইল্ড প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে তাদের মেয়ের জীবনটা কতখানি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে পরবর্তীকালে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছি। অনেকজনকেই ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ক্লাসরুমে। তিনি জানান, মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সম্বর্ধনা পেয়েছি এতে আমি খুবই আনন্দিত এবং আপ্লুত। এই পুরস্কার আমাদের লড়াইকে আরও জোড়ালো করতে সাহায্য করবে। অরুণিমা জানান, এই কাজে আমি সবসময়ই মেমারি-২ নম্বর ব্লক প্রশাসন, এসআই অফিস, বিজুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে পাশে পাচ্ছি। সর্বোপরি আমার পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের সহকর্মী ও বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সকল সদস্যদের পাশে পাচ্ছি। অরুণিমা বলেন, আমাদের এই লড়াই যাঁদের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হত না সেই ছাত্রীদের সাহায্য সবচেয়ে বেশী পাচ্ছি। তারা নিজেদের মধ্যেই সচতেনতা প্রসার করছে সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা এবং খুবই আনন্দের বিষয়। তিনি জানান, একজন শিক্ষিকা ও বিদ্যালয়ের প্রধান হিসাবে এটা আমার প্রাথমিক দায়িত্ব। তিনি অঙ্গীকার করেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও শিক্ষা ও সচতেনতা বাড়ানোর এই প্রয়াস তাঁর অব্যহত থাকবে।

জুলাই ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায় চেয়ারপারর্সন ও দুজন ভাইস চেয়ারপারর্সনের নাম ঘোষণা

বর্ধমান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নতুন চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এবার ২জন ভাই চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চেয়ারম্যান হয়েছেন উজ্জ্বল প্রামানিক। জামালপুরের বিধায়ক ছিলেন। ভাইস চেয়রাম্যান দুজন হলেন কাকলি তা গুপ্তা ও আইনুল হক। এর আগে বিডিএর চেয়ারপার্সন ছিলেন কাকলি তা গুপ্তা ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন আইনুল হক। চেয়ারপার্সন থেকে ভাইস চেয়ারপার্সন হয়ে গেলেন কাকলি তা গুপ্তা। আগের পদে রইলেন আইনুল হক। বর্ধমান পুরসভার দীর্ঘ দিনের চেয়ারম্যান ছিলেন আইনুল হক।

জুলাই ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 48
  • 49
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal