• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cid

বিদেশ

Bangladesh: নিজের ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে অন্যের ধর্মকে আঘাত করতে গিয়ে

অন্যের ধর্মকে আঘাত দিয়ে নিজের ধর্মকে হেয় করা হচ্ছে। কুমিল্লা-কাণ্ড এবং তার পরবর্তী অশান্তির কড়া নিন্দা করে এমনটাই জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।কুমিল্লার ঘটনা এবং তার পরবর্তী হিংসাপর্বের উপযুক্ত বিচারের আশ্বাসও দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। কুমিল্লা মহানগর আওয়ামি লিগের একটি দপ্তরের উদ্বোধন কর্মসূচিতে ভার্চুয়াল বক্তৃতায় তিনি বলেন, অন্য ধর্মকে অবমাননার শিক্ষা ইসলাম দেয় না। কুমিল্লার ঘটনা বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখতে পাব, পবিত্র কোরান শরিফকে অবমাননা করেছে, অন্যের ধর্মকে অবমাননা করতে গিয়ে।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলা পক্ষের প্রতিবাদ কর্মসূচিসাম্প্রতিক হিংসার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারগুলিকে উপযুক্ত সরকারি সাহায্যেরও আশ্বাস দিয়ে হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের চেতনা অসাম্প্রদায়িক। এখানে সকলে স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্ম পালন করতে পারবে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে কুমিল্লার ঘটনায় দোষী ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গভীর রাতে স্থানীয় একটি মাজার থেকে পবিত্র কোরান নিয়ে গিয়ে দুর্গামণ্ডপে রেখেছিল কুমিল্লার সুজানগরের বাসিন্দা ইকবাল। তবে এখনও পলাতক ইকবালকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Bangladesh-BJP: বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি

বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকার ও তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে বুধবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এ দিন তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ভূমিকায় আমরা মোটেই সন্তুষ্ট নই। দলের অবস্থানও একই বলেই জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি।সুকান্ত মজুমদার বলেন, এত বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে অথচ সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফ থেকে বা মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে কোনও ধরনের বিবৃতি আমরা পাইনি। তাঁর দাবি, যে ধরনের বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল, তা দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুলগতকালই বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুপ করে আছেন কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগো বাংলায় মোদির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তৃণমূলের অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে বিজেপি কুৎসিত রাজনীতি করছে।আজ সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কী কথা বলেছে না বলেছে আপনারা ভবিষ্যতে ঠিক জানতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের একটি আইন সিএএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলতে পারেন যে তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘে যাবেন, সে ক্ষেত্রে তার পার্শ্ববর্তী দেশ যেখানে নাকি বাঙালিরাই থাকে সেই জায়গায় এত বড় ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলছেন না, এটা খুব চিন্তার বিষয় বলে আমার মনে হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

Durgapur Dharna: স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন স্বামী

স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার আবেদন করে শ্বশুরবাড়ির সামনে বধূর ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়েনা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডিটিপিএস এলাকাতে এমনটাই ঘটতে দেখা গেল। এলাকার নিউ কলোনির বাসিন্দা দেবদুলাল দে নিজের স্ত্রী ও সাত বছরের সন্তানকে ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়ির সামনেই ধরনায় বসেছেন। যদিও এর আগে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আরও পড়ুনঃ ইউপিএসসি-তে প্রথম দুশোয় বাংলার রিকি ও ময়ূরীজানা গিয়েছে, শাশুড়ির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী অপর্ণা দেবী। বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মহিলা বাপের বাড়িতে চলে যান। ফিরে আসার কথা বললেও তিনি কথা শোনেনি। বরং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে কিন্তু তাতেও আখেড়ে কোনও লাভ হয়নি। দেবদুলাল বাবুর অভিযোগ, ছেলেকে তাঁর বাবা-মা দেখতে গেলে স্ত্রী ও তাঁ বাড়ির লোকজনেরা তাঁদের অপমান করেন। সব চেষ্টা বিফলে যাওয়ায় অবশেষে শ্বশুরবাড়ির সামনেই শনিবার ধরনায় বসলেন দেবদুলাল বাবু। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে না ফিরলে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এদিন সকাল থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এখনও জানা যায়নি, স্বামীর কথা শুনে দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবেন কি না। কারণ, আগেই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি কিছুতেই আর স্বামীর ঘরে ফিরে যাবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Tragic Accident: মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, কাঁদাজল থেকে উঠে আসছে পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহ

বুধবার গভীর রাতে রায়গঞ্জে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল যাত্রীবোঝাই বাস। বাসটিতে ছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।। আশঙ্কাজনক ৩ জন। আহতরা রায়গঞ্জ রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ। আরও পড়ুনঃ সানরাইজার্সকে উড়িয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালসজানা গিয়েছে, রাতে বাসটি ঝাড়খণ্ড থেকে লখনউ যাচ্ছিল। রায়গঞ্জের রূপাহারের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। বাসের চাকা পিছলে গিয়ে পাশের নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। রাতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে উদ্ধার কার্যে হাত লাগান স্থানীয়রা। নয়ানজুলিতে নেমে যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন বাসিন্দা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী, দমকল বাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকার্য। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে উদ্ধার কাজ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জল-কাদায় ভর্তি নয়ানজুলিতে বাস পড়তেই দম বন্ধ হয়ে আসে বাসে থাকা যাত্রীদের। সেখানে একাধিক শিশু ও মহিলা ছিল বলেও জানা গিয়েছে। প্রায় ১০০ জনের কাছাকাছি যাত্রী ছিলেন বাসে। বাসটিকে জল থেকে তোলা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান, সম্ভবত বাসের চালক মদ্যপ ছিলেন। সেজন্যই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। একাংশের অভিযোগ, জাতীয় সড়কে প্রচুর গর্ত রয়েছে। সেটাও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ঘটনার পর থেকে পলাতক চালক। তাঁর খোঁজ শুরু হয়েছে। মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Priest Suicide: আত্মহত্যা না খুন? আখড়া পরিষদ প্রধানের মৃত্যুতে ঘুরছে নানা তত্ত্ব

অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের প্রধান নরেন্দ্র গিরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁরই তিন শিষ্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার মধ্যে এক জন তাঁর অন্যতম প্রধান শিষ্য ছিলেন বলেই জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে উদ্ধার হয় নরেন্দ্রর দেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়। কিন্তু সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে কয়েক দিন আগেই নরেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর অন্যতম প্রধান শিষ্য আনন্দ গিরির ঝগড়া হয়েছিল। আনন্দর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনে তাঁকে আখড়া থেকে বার করেও দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কী এটা আত্মহত্যা? না কি এর পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে? আরও পড়ুনঃ নভেম্বরে ইডেনে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটতদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, এই ঝগড়ার ঘটনার পরে আনন্দ এসে নরেন্দ্রর কাছে ক্ষমাও চান। কিন্তু তাতে তাঁদের সম্পর্কের বিশেষ উন্নতি হয়নি। সেই রাগে আনন্দ আখড়া প্রধানকে খুন করে থাকতে পারেন বলে পুলিশের অনুমান। আনন্দ ছাড়া বাকি যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের নাম সন্দীপ তিওয়ারি ও আদ্য তিওয়ারি। তাঁরা আনন্দর সঙ্গে থাকতেন। প্রয়াগরাজ পুলিশের এক আধিকারিক কে পি সিংহ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নরেন্দ্রর মৃতদেহের কাছে যে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে তাতে তিনি মানসিক অবসাদের কথা লিখেছেন। তাঁর মৃত্যুর পরে আখড়ার দায়িত্ব কে নেবেন সে কথাও লিখে গিয়েছেন তিনি। আধিকারিক আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও এটি খুনের ঘটনাও হতে পারে। আনন্দকে জেরা করছে পুলিশ। এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্ন্যাসী সমাজের অন্যতম বড় সংগঠন হল অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদ। সেই সংগঠনের সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিলেন মহন্ত নরেন্দ্র গিরি। তাঁর এই রহস্যজনক মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই সন্ন্যাসীকূলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকবিহ্বল উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। টুইটারে এক শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরির মৃত্যু আধ্যাত্মিক জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি ভগবান রামের কাছে প্রার্থনা করি যেন তাঁর আত্মাকে তাঁর চরণে স্থান দেন। এই কঠিন সময়ে নরেন্দ্র গিরির শিষ্য ও অনুগামীদের আরও শক্তি দিক।টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা-সহ আরও একাধিক রাজনৈতিক নেতা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Aushgram: আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ

ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে গোটা একটা দিন।আগ্নেআস্ত্র মিললেও মেলেনি পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত আততায়ীদের হদিশ। তাই আততায়ীদের হদিশ পেতে দুই বর্ধমান জেলা পুলিশের পাশাপাশি বুধবার বেলা থেকেই জোরদার তদন্তে নেমে পড়লো সিআইডি দল। মৃতর পরিজন ও আউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের প্রত্যাশা খুব শিঘ্রই সিআইডির জালে ধরা পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত দুস্কৃতিরা। তার পরেই পর্দা ফাঁস হবে খুনের রহস্যের।আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে মঙ্গলবার হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন চঞ্চল। বৈঠক শেষে দুপুর ৩টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিকের দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেইসব জায়গা খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন।সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দল সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান।তারই মধ্যে এদিন নিহতের ভাই রাহুল বক্সী পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। চঞ্চল বক্সূকে খুনের ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে সে বিষয়ে এদিনও সঠিক কিছু জানাতে পারেননি তাঁর বাবা শ্যামল বক্সী। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগেও কারও নাম উল্লেখ করেননি নিহতের ভাই।আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার বলেন, খুনি যারাই হোক কেউ পার পাবে না। সিআইডি তদন্তে ভরসার কথা শোনা গিয়েছে তৃণমূল বিধায়কের গলায়। ময়নাতদন্ত শেষে এদিন বিকালে নিহতের মৃতদেহ দেবশালা অঞ্চল তৃণমূল কার্যালয়ে পৌছায়। সেখানে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী ও এলাকার বিধায়ক তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দু

দিনভর একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাই সোমবার সিআইডি-র কাছে হাজিরা দিতে পারবেন না শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ই-মেল করে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তবে এই সিআইডি তলব নিয়েই হাইকোর্টে সওয়ালের সম্ভবনা রয়েছে। উচ্চ আদালতে সওয়াল করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীরা।শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রয়েছে সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই এদিন সকাল ১১টা নাগাদ শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তাঁর আগে থেকে কিছু কর্মসূচি রয়েছে, তাই সোমবার হাজিরা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমনইটাই জানিয়ে, সিআইডিকে ই-মেল করলেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, তাঁর জন্য তৈরি রাখা হয়েছে ৪৩ পাতার প্রশ্নপত্র। জিজ্ঞাসাবাদ করবেন ৫ সদস্যের তদন্তকারী দল। শুভেন্দুর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক শম্ভু মাইতিকেও ডাকা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিংউল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা হওয়ায় তাঁকে নানাভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটিও তেমন একটি মামলা। সেক্ষেত্রে সিবিআই দিয়ে যাতে এই সব মামলার তদন্ত করা হয়, তার আবেদন জানান শুভেন্দু। সোমবার সেই মামলারই শুনানি রয়েছে হাইকোর্টে। ফলে আজই তিনি সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে পারবেন না বলে ইমেলে তদন্তকারীদের জানিয়ে দেন।প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ১৩ অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লাগে শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। পর দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার আড়াই বছর পরে কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

No Confidence: পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারের

টাকা হাতানোর জন্য বীরভূমের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনার পর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ টা দিন।অপহৃতদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে হুগলির ডানকুনি এলাকার তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফায় ৩ দুস্কৃতীকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ ডানকুনির খালে তল্লাশী চালিয়েও আজ অবধি অপহৃতদের হদিশ করতে পারেনি। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তের উপর আর ভরসা রাখতে না পেরে অপহৃতদের পরিবার শুক্রবার রাতে জামালপুর থানায় হাজির হয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলেন। তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের কর্তারা যদিও বিশেষ কিছু বলতে চাননি।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রপুলিশ জানিয়েছে, অপহৃতরা হলেন বীরভূমের ইলামবাজারে ব্যবসায়ী শামিম খাঁন(২১) ও তার পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মু (২৬)। ব্যবসার ফাস্টফুড সামগ্রী কেনার জন্য গত ৪ আগষ্ট পিকআপ ভ্যানে চড়ে তাঁরা কলকাতা যাচ্ছিলেন।ব্যবসায়ীর সঙ্গে ছিল ৭০ হাজার টাকা। পরদিন জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ীদের পিকআপ ভ্যানটি। ওই গাড়ির চালকের কোন হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ীশামিমের পরিবার সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় এসে শামিম ও বরুণকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে জামালপুর থানার পুলিশ। হুগলির ডানকুনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো নামে তিন দুস্কৃতিকে। জেরায় ধৃতরা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর খুন করে দেহ ডানকুনির খালে ফেলে দেওয়ার কথা পুলিশকে জানায়। দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ তিন ধৃতকে দুই দফায় ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে ডানকুনির খালে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালকের কোন হদিশ করতে পারেনি পুলিশ। দেহ উদ্ধার না হওয়ায় মামলায় খুনের ধারাও পুলিশ যুক্ত করতে পারেনি। এদিকে হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুলিশ তিন ধৃতকেই শুক্রবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর ফের আদলতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরশামিমের মা সামেনা বিবির বলেন, তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে শামিম ও তার গাড়ির চালক মৃত না জীবিত তা আজও জানা নেই।পুলিশ তো অনেক তদন্ত করল। এ বার তদন্তভার সিআইডি হাতে তুলে দেওয়া হোক। একই দাবির কথা পুলিশকে জানিয়েছেন বলে জানান শামিমেরদিদি মোমেনা খাতুন সহ পরিবারের অন্য সকল সদস্য। অন্যদিকে এক বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বরুণ মুর্মুর স্ত্রী তুলসীদেবী বলেন, আমার দুই ছেলেই এখন শিশু। বড় ছেলের বয়স আড়াই বছর, আর ছোট ছেলের বয়স মাত্র এক বছর। স্বামী বরুণ মুর্মুই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। স্বামীর হদিশ না মেলায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর স্বামীর হদিশ উদ্ধারের দায়িত্ব এবার পুলিশ সিআইডির হাতে তুলে দিক এটাই তিনি চান।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন অবশ্য এদিন জানান, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ধৃতদের দেখানো জায়গায় দেহ খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কিছু সূত্র মিলেছে। সেই সূত্র ধরেও অপহৃতদের খোঁজ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh Trawler: রাত যত বেড়েছে, জল থেকে উঠে এসেছে একের পর এক মৃতদেহ

ফের মর্মান্তিক ট্রলার ডুবি বাংলাদেশে। ব্রাহ্মণবেড়িয়ায় বাল্কহেডের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনার জেরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারীরা। শেষ পাওয়া খবরে, ৫০ জনের কিছু বেশি মানুষ সাঁতার কেটে পাড়ে উঠতে পেরেছেন। বাকিরা এখনও নিখোঁজ। উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলে খবর। আরও পড়ুনঃ কাটোয়ায় গ্রেপ্তার তিন আন্তরাজ্য গাঁজা পাচারকারী, উদ্ধার ১ কুইন্টল গাঁজাজানা গিয়েছে, ব্রাহ্মণবেড়িয়ার বিজয়নগরের চম্পকনগর থেকে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে এই ট্রলারটি ছেড়ে আসে। শতাধিক যাত্রী ট্রলারটি শহরের আনন্দ বাজার ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু মাঝ নদীতে একটি বালিবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এরপরই ট্রলারটি ডুবতে শুরু করে। এই সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠে আসতে পারলেও অনেকে সেটা পারেননি। ফলে জলে ডুবে মৃত্যু হয় অনেকের।স্থানীয়রা জানান, বালির ট্রলারটি ধাক্কা মারার পরই যাত্রীবোঝাই ট্রলারটি ডুবে যায়। এলাকাবাসী সঙ্গে সঙ্গে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রায় ১৯ জনের দেহ উদ্ধার করেছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। আহত যাত্রীরা জানিয়েছেন, ধাক্কা মারা ট্রলারটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। মৃতদের পরিবারের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে ইতিমধ্যেই ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩

তালিবান তাণ্ডবে কাঁপছে আফগানিস্তান। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল বিমানবন্দরের বাইরের চত্বর। বিস্ফোরণের পর পাগলের মতো ছুটতে থাকা জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি। যার জেরে গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ কমপক্ষে ১৩ জনের প্রাণ গিয়েছে বলে শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সাধারণত এই কৌশলে হামলা চালিয়ে থাকে আইএস (ইসলামিক স্টেট)।Video: Aftermath of attack close to Kabul airport. US Pentagon confirms at least two blasts. Taliban spokesperson Zabiullah Mujahid told TOLOnews at least 52 people are wounded. #Afghanistan pic.twitter.com/pBztAtS7oB TOLOnews (@TOLOnews) August 26, 2021গোটা এলাকাজুড়ে অসহায়দের চিৎকার আর হাহাকার। অ্যাবি গেটের সামনে পড়ে রয়েছে সার সার রক্তাক্ত দেহ। রক্তজলে ভাসছে কিছু। হাত, পা টেনে শুকনো জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন পরিবার-পরিজনেরা। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের পর এমনই সব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ল নেটমাধ্যমে। আমেরিকার সেনা-ঘেরা অ্যাবি গেটের সামনে প্রথমে একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ঠিক পরেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি-বর্ষণ। গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ ১৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অন্তত ৫২ আহত হয়েছে দুই বিস্ফোরণের জেরে, এমনটাই জানিয়েছেন এক তালিবান মুখপাত্র। কিন্তু মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারেই বলেই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন সূত্রে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতাসম্প্রতি আমেরিকা দাবি করেছিল, নাগরিকদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলাকালীন কাবুল বিমানবন্দরে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গি সংগঠন। তেমন হুমকি-বার্তাও দিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল পেন্টাগন সূত্রে। তার পরই এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগের আঙুল আইএসের বিরুদ্ধে। আমেরিকার দাবি, আফগানিস্তানে আইএসের খোরাসান শাখা সংগঠন এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রথমে বিস্ফোরণ, তার পর এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে এই হামলা পদ্ধতিকে কমপ্লেক্স অ্যাটাক বলা হয়। সাধারণত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে তাঁদের উপর গুলি চালানো হয় এই পদ্ধতিতে। কাবুল বিমানবন্দরেও ঠিক তাই ঘটেছে। আফগানিস্তান ছাড়তে চেয়ে বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের বাইরে জড়ো হয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। ওই এলাকা তখনও আমেরিকার সেনার দখলেই ছিল। সেখানেই হয় প্রথম আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা পালাতে আরম্ভ করতেই তাঁদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু হয়েছিল, এমনটাই দাবি করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।৩১ অগস্টের আগে বিমানবন্দরে চলছে বিভিন্ন দলের উদ্ধারকারী দলের তৎপরতা। সূত্রের খবর, ইতালির উদ্ধারকারী বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়েছে বহু মানুষ। পেন্টাগনের প্রেস সচিব জন কিরবি টুইটে জানিয়েছেন বিস্ফোরণের কথা।

আগস্ট ২৬, ২০২১
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে উদ্ধার বহুমূল্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ

কলকাতা বিমানমন্দরে উদ্ধার বহুমূল্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ। যার দাম ৪ হাজার ২৫৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। মনে করা হচ্চে, পাথরগুলি শক্তিশালী তেজস্ত্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম। যার এক গ্রামের দাম ১৭ কোটি টাকা।পাথরগুলো দেখতে ধূসর রঙের। কিন্তু অন্ধকারেও খুবই উজ্বল। মোট ৪ টি পাথর উদ্ধার হয়েছে ২ যুবকের কাছ থেকে। সিআইডি জানিয়েছে, এই চারটি পাথরের মোট ওজন মাত্র ২৫০.৫ গ্রাম। উল্লেখ্য, ক্যালিফোর্নিয়াম বিশ্বের অন্যতম দামি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এই পাথর ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এমনকী, বিস্ফোরক চিহ্নিত করে যে যন্ত্র, তাতেও কাজে লাগে ক্যালিফোর্নিয়াম। গ্রেপ্তার ২ যুবকের নাম সাইলান কর্মকার ও অসিত ঘোষ। প্রথমজনের বাড়ি সিঙ্গুরে, দ্বিতীয়জনের বাড়ি পোলবায়। আপাতত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে এই পাথর তারা কোথা থেকে পেল। আপাতত পাথরগুলি বাজেয়াপ্ত করে সেগুলি সত্যিই তেজস্ত্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম কি না, তা জানতে গবেষণাগারে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Inciting to Suicide: বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন স্বামী। ধৃতের নাম হরলাল মুখোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার উত্তর শুড়া গ্রামে ধৃতের বাড়ি। স্ত্রী সুরমা হালদার (৪৪) কে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বধূ সুরমা হালদারের বাপের বাড়ি জামালপুরের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর গ্রামে। ২৩ বছর আগে উত্তর শুড়া নিবাসী হরলাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুরমার বিয়ে হয়। দম্পতির এক সাবালক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে। মৃতার দাদা রাজকুমার হালদার সোমবার জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগে জানান ,তাঁর বোন সুরমার সাংসারিক জীবন কোনদিনও সুখের হয়নি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে সুরমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। দিন দিন তা বাড়তে থাকে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সুরমা তাঁর পুত্র ও কন্যাকে নিয়ে জামালপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকা শুরু করেন। সম্প্রতি বোঝাপড়া হওয়ায় সুরমা তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফিরেযায়। এর পর রবিবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ শ্বশুরবাড়ির তিনতলা ছাদে মুখে গেজলা বেরনো অবস্থায় সুরমাকে পাওয়া যায়। তাঁকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান।সোমবার বধূর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনা নিয়ে মৃতার দাদার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

Bikash Bhaban: বিকাশ ভবনের সামনে ধুন্ধুমার, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ৫ শিক্ষিকার

বদলির প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন পাঁচ শিক্ষিকা। মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা। পুলিশ তাঁদের বাধা দিতে গেলে আচমকাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থও হয়ে পড়েন। পুলিশ পাঁচ জনকেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। ওই পাঁচ জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!অসুস্থ পাঁচ শিক্ষিকাই ঐক্য মঞ্চের সদস্য। শিক্ষকদের এই সংগঠন বেশ কিছু দিন ধরেই শিক্ষকদের বদলি ইস্যুতে আন্দোলন করছে। এর আগে নবান্নের সামনে এমনকী, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলন করার শাস্তি হিসেবেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এই অভিযোগ নিয়েই মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা মূল ফটক পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয় আন্দোলনকারীদের। এর পর আচমকাই ব্যাগ থেকে বিষ বার করে খেতে শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার শিক্ষিকা ফাজিলাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের অপর শিক্ষিকাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়িতে। জ্যোৎস্না টুডু নামে এক শিক্ষিকাকে মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে জলপাইগুড়িতে। শিখা দাসকে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করা হয়েছে। পুতুল মণ্ডল নামে এক শিক্ষিকাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কেচাবিহারে বদলি করা হয়েছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষিকাদের এই বদলি অনৈতিক বলে দাবি করছে শিক্ষক ঐক্যমঞ্চ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Linkman Arrested: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যান

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় এবার এক লিঙ্কম্যানকে গ্রেপ্তার করলো সিআইডি। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় ধৃত লিঙ্কম্যানের নাম রিপন শেখ। তার বাড়ি মঙ্গলকোটের সীতাহাটি গ্রামে। রিপন বর্ধমান স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা কষেছিল। সেই খবর পেয়ে সিআইডি দল শনিবার রাতে বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন নবাবহাট এলাকা থেকে রিপন শেখকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার ধৃতকে পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক তাকে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের সিউর গ্রামে বাড়ি লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসের। গত ১২ জুলাই সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তিনি যখন কাসেমনগর বাজার থেকে বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তখন দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি করে তাঁকে খুন করে। প্রথমে সিট গঠন করে পুলিশ এই খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও পরে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে তদন্তভার সিআইডি নিজেদের হাতে নেয়। এরপর সিআইডির জালে একের পর এক ধরা পড়ে দুস্কৃতী সাবুল শেখ, সামু শেখ ও রফিকুল শেখ। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি কর্তারা জানতে পারেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের মাস্টার মাইন্ড বালি মাফিয়া রাজু শেখ।আরও পড়ুনঃ ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট? সম্ভাবনা প্রবলএই রাজুর আদি বাড়ি বীরভূম জেলার নানুর থানা এলাকার সিদাই গ্রামে হলেও ৪ বছর ধরে সে মঙ্গলকোটের মল্লিকপুর গ্রামে থেকে অবৈধ বালির কারবার চালাচ্ছিল। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আসীম দাসের কাছে অবৈধ বালি কারবারে বাধা পেয়ে সে সুপারি কিলারকে দিয়ে তাঁকে খুন করায়। তার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়ে থাকে শেখ রাজু। দিন কেয়েক আগে সিআইডি দিল্লি থেকে শেখ রাজুকে গ্রেপ্তার করে ট্রানজিট রিমান্ডে মঙ্গলকোটে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুর হদিশ পায়। কয়েকদিন আগে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুকে গ্রেফতার করে। তাকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ লিঙ্কম্যান রিপন শেখের নাম জানতে পারে। শনিবার রাতে রিপনও ধরা পড়ে সিআইডির জালে।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিসিআইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় মূল লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করেছিল ধৃত রিপন শেখ। সে খুনের কাজে শ্যুটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া ও অসীম দাসের গতিবিধির ওপর নজর রাখার দায়িত্বও পালন করেছিল। খুনের ঘটনার মূলচক্রী শেখ রাজুর ডান হাত হিসাবে রিপন শেখ কাজ করত বলে জানতে পেরেছেন সিআইডির কর্তারা।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Monkey: দুর্ঘটনায় মৃত্যু পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য সম্পন্ন হল রাজকীয় মর্যাদায়

রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত হনুমানকে একজন দেবতা হিসাবেই মানেন হিন্দুরা। রামায়নের বর্ণনা অনুয়ায়ী হিন্দুদের কাছে হনুমান পবননন্দন হিসাবে পূজনীয়। এহেন হুনুমানের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় যারপরনাই ব্যাথিত হয়ে পড়েছেন পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের মাঝেরগ্রাম এলাকার হিন্দু ধর্মপ্রাণ মানুষজন। তাঁরা দেবতা হনুমানের শেষকৃত্যেও তাই কোন খামতি রাখলেন না। রীতিমতো খোল করতাল বাজিয়ে হরিনাম সহযোগে ভাগীরথীর ঘাটে তাঁরা সম্পন্ন করলেন পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য।ভক্তিভাবের এখানেই শেষ নয়। ধর্মীয় উপাচার মেনে হনুমানের পরলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করবেন বলে গ্রামের বাসিন্দা ঝাঁপু তরি পরিধান করেছেন সাদা কাপড়ের কাছা। মাজের গ্রামের বাসিন্দারের হনুমানের প্রতি এমন ভক্তিভাব সাড়া ফেলে দিয়েছে হনুমান ভক্ত মহলে।আরও পড়ুনঃ ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?মন্তেশ্বরের মাঝেরগ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামে হামেশাই হনুমানের আগমন ঘটে। গ্রামের যেখানে যা পায় তা খেয়ে হনুমানেরা অন্যত্র চলেও যায়। বৃহস্পতিবার বিকালে একটি হনুমান মালডাঙ্গা- মেমারির রোড ধরে স্থানীয় পুরগুনা মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে একটি লরি হনুমানটিকে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই হনুমানটিআরও পড়ুনঃ তালিবানি আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল আফগানিস্তানমারা যায়। হনুমানটির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু প্রত্যক্ষ করে মাঝের গ্রামের বাসিন্দারা ব্যাথিত হন। এলাকার যুবক চিরঞ্জিত রায়, রাজু হাজরা, কৌশিক মাঝি প্রমুখরা সড়কপথ থেকে হনুমানটিকে উদ্ধার করে মাঝের গ্রাম বাজারে নিয়ে যান। তাঁরাই হনুমানের মৃত্যুর কথা জানায় স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান সুমন্ত রায়কে। এরপর উপ-প্রধান সহ গ্রামের সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা রাজকীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করবেন পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য। সেই অনুযায়ী এদিন হনুমানটির শরীরের উপরে গেরুয়া কাপড় চড়িয়ে দিয়ে তার উপর ফুল ও মালা সাজিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে খোল-করতাল বাজিয়ে হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে হনুমানের মৃতদেহ কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে চলে গ্রাম প্রদক্ষিন। এরপর গ্রামবাসীরা কালনার ধাত্রীগ্রামে ভাগীরথীর ঘাটে হনুমানের শেষকত্য সম্পন্ন করেন। দেবতা পবননন্দনের পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করবেন বলে মাঝেরগ্রামের বাসিন্দা ঝাঁপু তুরি ভাগীরথীতে স্নান সেরে কাছাও পরিধান করছেন।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফবাড়ি ফিরে ঝাঁপু তুরি বলেন, আমরা হিন্দুরা হনুমানকে প্রভু রামচন্দ্রের বিশ্বস্ত সহযোগী এক দেবতা হিসাবেই মানি। সেই শ্রদ্ধা রেখেই আমরা হনুমানের পরলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করলাম। উপপ্রধান সুমন্ত রায় বলেন, এদিন হনুমানটির শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী তিন দিনে হনুমানটির পারলৌকিক ক্রিয়া ধুমধাম করে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজ্য

Accident: একই দিনে পৃথক ৪টি পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২, জখম ১২

একই দিনে পৃথক চারটি পথ দূর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১ বাইক আরোহীর সহ ২ জনের। জখম হয়েছেন ১২ জন। সোমবার দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার, মঙ্গলকোট ও মন্তেশ্বরে. যা নিয়ে সারাদিন হিমসিম খেতে হয় পুলিশ কর্মীদের। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি গুলি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপুলিশ জানিয়েছে, মৃত বাইক আরোহীর নাম প্রণব সাধু(৪৫) । তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোট থানার নতুনহাট গ্রামে। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ প্রণব সাধু বাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর পিছনে বসেছিলেন বাবু থান্ডার নামে এক ব্যক্তি। বাদশাহী রোড ধরে তিনি বাইক চালিয় যাওয়ার সময়ে দাসগর গ্রামের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাইক চালক প্রণব সাধুর। গুরুতর জখম হন বাইকের পিছনে বসে থাকা বাবু থান্ডার। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পর এলাকার ক্ষিপ্ত বাসিন্দারা বাদশাহী রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ বাসিন্দাদের বুঝিয়ে সড়কপথ অবরোধ মুক্ত করে।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলএকই দিনে ভাতার ও মঙ্গলকোটের দুটি যাত্রীবাহী বাস দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ভাতার থানার আলিনগর চৌমাথার কাছে। বাসটি বাদশাহী রোড ধরে নতুনহাট থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল। আলিনগর মসজিদতলার কাছে আসতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে নেমে যায়। তার জেরে ২ মহিলা সহ মোট ৫ জন বাসযাত্রী আহত হন।খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহত বাস যাত্রীদের উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অপর দিকে এদিন সকাল ৮ টা নাগাদ দ্বিতীয় বাস দূর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলকোটের মাহার্তুবা বাস স্ট্যান্ডের কাছে। জঙ্গিপুর-কলকাতা রুটের একটি যাত্রিবাহী বাস বাদশাহী রোড ধরে দ্রুতগতীতে যাওয়ার সময়ে সামনে থাকা ডাম্পারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। এই দূর্ঘটনায় বাসের চালক সহ কেবিনে বসে থাকা ৫ যাত্রী আহত হন। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনা গুলি ছাড়াও এদিন দুপুরে মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটে। রড় বোঝাই একটি লরি বর্ধমানের দিক থেকে কুসুমগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরে ধাক্কা মেরে লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় লরির ভিতরে থাকা একজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ট্র্যাক্টর সহ তার চালককে আটক করেছে।

আগস্ট ০২, ২০২১
কলকাতা

Accident: বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকের

বারুইপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৬ শ্রমিক। কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য হাওড়ার স্টেশনের দিকে রওনা হয়েছিলেন ২৭ জন শ্রমিক। একই গাড়িতে ছিলেন তাঁরা। গাড়িটি সজোরে একটি ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৬ জনের। আহত অবস্থায় ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাত পৌনে ১২ টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দিল্লি দরবারে যেতে চান রাজ্য বিজেপি নেতারাবারু্ইপুরের কুলতলি এলাকার রাধা বল্লভপুর মল্লিকপুরের ঘটনা।জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার কথা ছিল ওই ২৭ জন শ্রমিকের। একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানে সে দিকেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। সজোরে একটি পোস্টে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছজনের। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বকুলতলা থানার পুলিশ। আহতদের নিমপীঠ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কয়েকজনকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। ঘটনাস্থলে বারুইপুর পুলিশ জেলার এসডিপিও-র নেতৃত্ব বিশাল পুলিশবাহিনী যায়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে আনে বকুলতলা থানার পুলিশ। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে বকুলতলা থানার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল, আর তার জেরেই এই দুর্ঘটনা।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতির বলি ৩, জখম ১

জাতীয় সড়কে ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা। এবার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিন মহিলা খেতমজুর। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও এক মহিলা খেতমজুর।বৃহস্পতিবার ভোরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে। মৃতদের নাম শিউলি লোহার(২৮), গায়ত্রী বাগ(৫০) ও জবা বাগ (২৮)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বছর ৩৫ বয়সী রুমা লোহার। মৃতদের মধ্যে শিউলির বাড়ি উত্তর গলসিতে। বাকি মৃত ও জখম মহিলার বাড়ি গলসির বাবলা গ্রামের লোহার পাড়ায় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক গাড়ির খোঁজ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারতপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খেত মজুরির কাজে যাওয়ার জন্য এদিন ভোর ৫ টা নাগাদ এই চার মহিলা তাঁদের বাড়ি থেকে বের হন। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে হেঁটে তাঁরা গলসি থেকে স্থানীয় গলিগ্রামে মাঠে কাজে করতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় গলসি ও গলিগ্রামের মাঝামাঝি জায়গায় পিছন থেকে আসা দুর্গাপুর মুখী একটি বেপরোয়া গতির গাড়ি তাঁদের পিষে দিয়ে চলে যায়।ঘটনাস্থলেই তিন মহিলা খেতমজুর শিউলি লোহার, গায়ত্রী বাগ ও জবা বাগের মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় সড়ক পথে পড়ে থাকেন অপর মহিলা খেত মজুর রুমা লোহার। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রুমা লোহারকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এলাকার বাসিন্দা সুবল লোহার বলেন, গলসিতে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। এদিন জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতির বলি হতে হল তাঁদের এলাকার তিন মহিলা খেত মজুরকে। গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়াতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। পুলিশ ঘাতক গাড়িটির সন্ধান চালাচ্ছে।

জুলাই ২৯, ২০২১
দেশ

Tragic Accident: ফের দুর্ঘটনার বলি ১৮ পরিযায়ী শ্রমিক

মঙ্গলবার গভীর রাতে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার মর্মান্তিক পরিণতি দেখল উত্তরপ্রদেশ। বারাবাঙ্কি এলাকায় প্রবল গতিতে ধেয়ে আসা ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে মৃত্যু হল ১৮ জনের। জখম হয়েছে আরও ২৪ জন। অযোধ্যা-লখনউ জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাম সানেহি পুলিশ স্টেশনের কাছে এই ঘটনায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই বাসে প্রায় ১৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এরা সকলেই ছিলেন শ্রমিক। উত্তরপ্রদেশের এই জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বাসটি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাস হরিয়ানার পালওয়াল থেকে বিহার আসছিল।লখনউ ঢোকার ২৮ কিলোমিটার আগে জাতীয় সড়কে খারাপ হয়ে যায় বাসের যন্ত্রাংশ। তা ঠিক করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল বাসটি। বাসে আসা কিছু শ্রমিক বাসের সামনে রাস্তার ধারে ঘুমোচ্ছিলেন। সে সময়ই ঘটে এই ভয়ানক দুর্ঘটনা।আরও পড়ুনঃ বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলেখবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। মৃতদের দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারাল এসএন সাবাত বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে বারাবঁকীতে এক পথ দুর্ঘটনায় বিহারের ১৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দ্বারভাঙা, সীতামারি-সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। ঘটনায় আহত হয়েছে দুডজনেরও বেশি। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলে

বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই বহুতল হাসপাতাল বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম অশোক রুইদাস (২২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার তোড়কনা গ্রামে। সে ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষে ছাত্র ছিল। অশোকের আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারতশ্রীলঙ্কা ম্যাচমৃতর দাদা অলোক রুইদাস জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কার্তিক রুইদাস (৫০) সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথম বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কার্তিক বাবু সুস্থ হননি। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আট দিন আগে পরিবারের লোকজন কার্তিকবাবুকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকাল ৫ টা নাগাদ দুর্গাপুরের হাসপাতালেই কার্তিক রুইদাসের মৃত্যু হয়। অলোক রুইদাস বলেন, বাবার মৃত্যু সংবাদ তাঁর ভাই অশোক-ই তাঁকে জানায়। মা ভেঙে পড়বে বলে আমরা মাকে বাবার মৃত্যু সংবাদ জানাইনি। তারই মধ্যে ওই দিন রাত সাড়ে নটা নাগাদ অশোক হঠাৎই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর বেশ কিছু সময় বাদ অশোক আমাকে ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে জানায় বাবার মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী। মেসেজ আসার আধঘন্টা পর আলোক দেখেন তাঁর ভাই অশোক হাসপাতলের ৫ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে নীচে ঝাঁপ দিয়েছে। অশোককে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দাদা অলোক রুইদাস বলেন, ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে ভাইয়ের ব্যাঙ্গালোরে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল। ওর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতখণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি শ্যামল দত্ত বলেন, সোমবার বিকেলে বাবার মৃত্যুর পর রাতে ওই হাসপাতালের পাঁচ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলে অশোক রুইদাস আত্মঘাতী হয়। দুর্গাপুরের বিধাননগর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন ময়নাতদন্তের পর বাবা ছেলের মৃতদেহ একসঙ্গে তোড়কনার বাড়িতে আসে।

জুলাই ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal