• ২ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cbi

রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডল ছাড়া পাচ্ছেন হাসপাতাল থেকে, থাকবেন কলকাতাতেই

সিবিআই তলবের দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল৷ হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়ার সতেরো দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল সিবিআই। আগের দিন কলকাতায় চিনারপার্কে নিজের ফ্লাটে এসেও ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু পরের দিন নিজাম প্যালেসে না গিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে সিবিআই-এর সামনেও হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল৷ সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাঁদের মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের হৃদযন্ত্রের দুটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে৷ আপাতত তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি বীরভূম যাচ্ছেন না। চিনারপার্কের ফ্লাটেই তিনি থাকবেন।গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ৫ বার তলব করেছিল সিবিআই৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও কারণে সিবিআয়ের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা। এবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে গ্রেফতার টোটোচালক, সিবিআইয়ের হাতে পেট্রল পাম্পের সিসি টিভি ফুটেজ

বগটুই কাণ্ডে ফের ওই গ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে মুম্বাই থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যক্তি রিটন শেখ পেশায় টোটোচালক। রিটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। এদিকে মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই।সূত্রের খবর, বগটুই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীরা রিটন শেখের নাম বলে। ওই গ্রামেই বাড়ি তাঁর। সূত্রের খবর, রিটন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্প থেকে ঘটনার দিন জারে করে পেট্রল আনা হয়েছিল। সেই পাম্পে গিয়ে সিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেই ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বগটুই কাণ্ডে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। পরে আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর পেট্রল দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। তার আগে তাঁদের মারধর করে জখম করা হয়েছিল। নানা অত্যাধুনিক পদ্ধতিও বগটুই তদন্তে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনার পর বগটুই গ্রামে মাটির নীচ থেকে বোমাও উদ্ধার করেছে সিবিআই। রাজ্যের একের পর এক ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। বগটুই কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

গ্রেফতার সত্যবানের ধাবায় কী তপন কান্দু হত্যার ছক? তদন্তে সিবিআই

তপন কান্দু খুনের তদন্তে নেমে প্রথম গ্রেফতার করল সিবিআই। গ্রেফতার ধাবার মালিক সত্যবান প্রামানিক। অভিযোগ, থানার পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে তাঁর ভাল সম্পর্ক ছিল। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের সঙ্গেও তাঁর ভাল যোগাযোগ ছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রের খবর, তাঁর ধাবায় বসেই তপন কান্দু হত্যার ছক কষা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁকে জেরা করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।জানা গিয়েছে, তপন কান্দুর দাদা নরেন কান্দুর সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল। ঝালদার হাটতলার বাসিন্দা সত্যবান। ঝাড়খন্ড সীমানা লাগোয়া হেঁসাহাতু গ্রামের আদি বাসিন্দা তিনি। তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে সিবিআই। এর আগে সিট তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তখনকার মতো তাঁকে ছেড়ে দেয়। সিবিআই তদন্ত হাতে নেওয়ার পর সত্যবানের ওপর নজর রাখে। তদন্তকারীরা মনে করছে, সত্যবানের ধাবায় বসে তপন কান্দু হত্যার ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। তাহলে কী সুপারির অর্থ সত্যবানও নিয়েছে? এসব প্রশ্নই ঘুরুপাক খাচ্ছে। শুধু তাঁর ধাবাই নেই, তিনি একটি প্রাথমিক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলেও জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
রাজ্য

এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ নিরঞ্জন বৈষ্ণব খুনে

নিরঞ্জন বৈষ্ণব খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপম কান্দু খুনের ঘরনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিরঞ্জন ছিল তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী। ঘটনার দিন তপনের সঙ্গে হাটতে বেরিছিলেন নিরঞ্জন। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা সিবিআই তদন্তের ওপর আস্থা রেখেছেন। নিরঞ্জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য দেখছেন পূর্নিমা।নিরঞ্জনের পরিবারের সদস্যরাও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিল। এর আগে রামপুরহাটের বগটুই গণহত্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে আবার ভাদু খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। কারণ আদালত মনে করে দুটি ঘটনাই সম্পর্কযুক্ত। ঝালদার তপন কান্দু খুনের ঘটনার সাক্ষী ছিলেন নিরঞ্জন।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

বগটুই গণহত্যার সঙ্গে ভাদু খুনের ঘটনারও তদন্তে সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুই গণহত্যার পাশাপাশি তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের খুনের তদন্ত করবে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতিরা মনে করছেন একটা ঘটনার সঙ্গে অন্যটার ইন্টারলিংক আছে। দুটি ঘটনা দুটি সংস্থা তদন্ত করলে সঠিক হত না। মামলাকারীরা দাবি করছিলেন, একটা ঘটনার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত। সিবিআই তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হতে পারে।বগটুই মোড়ে তৃণমূল উপপ্রধান খুন হওয়ার পর বগটুই গ্রামে একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। তার মধ্যে একটি বাড়িতে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অন্য একটি বাড়িতও একজন মারা যায়। এই গণহত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্ট প্রথমে গণহত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ভাদু খুনের দুঘন্টার মধ্যে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুটো ঘটনার মধ্যে সংযোগ রয়েছে বলে রিপোর্টে জানিয়েছে সিবিআই।এদিকে মুম্বাই থেকে গণহত্যার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। তাদের রামপুরহাটে নিয়ে এসে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
রাজ্য

বগটুই কান্ডে মুম্বাই থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

বগটুই কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার করল সিবিআই। বাপ্পা শেখ, সাবু শেখ সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন করে তাঁদের ধরা হয় মুম্বাই থেকে। জানা গিয়েছে, সিবিআই মুম্বাইয়ে তাদের আদালতে পেশ করে। তাদের রিমান্ডে রামপুরহাট নিয়ে আসবে সিবিআই। ঘটনার পরই তারা মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান। বগটুইয়ে আগুন লাগিয়ে গণহত্যার ঘটনায় এদের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাদু শেখের খুনের পর বগটুইয়ে ৯ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।বিস্তারিত আসছে......

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

ঘটনার তিন দিন পরেও স্বামীর পারলৌকিক কর্ম হল না, সিবিআই তদন্ত চায় সন্তোষপুরও

খুনের বাদলা নিতে বগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তাঁর পরিজনদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। সোমবার বিকালে পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ এমন ঘটনা ঘটানোর পরেই পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে নামে। পুলিশ ৩৯ জনকে গ্রেফতারের পর থেকে এখন কার্যত পুরুষ শূণ্য রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের সন্তোষপুর গ্রাম। আর তাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন উৎপল ঘোষ (৩৩) এর স্ত্রী সাধনা ঘোষ ও তাঁর পরিবার। কারণ গ্রামে এখন নাপিত, ব্রাহ্মণ কেউ নেই।স্বামীর পারলৌকিক কাজ সম্পাদনের জন্য ক্ষৌরকর্ম পর্যন্ত তাঁরা করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য বুধবার পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষেভ উগরে দিয়েছেন সাধনাদেবী। পাশাপাশি তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনার সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন।ছেলের সাথে অসহায় উৎপল ঘোষ-র স্ত্রী সাধনা ঘোষকৃষি প্রধান গলসির সন্তোষপুর গ্রাম হঠাৎ করে এই ভাবে খবরের শিরণামে জায়গা করে নেওয়ার নেপথ্য কারণটাও যথেষ্ট শিহরণ জাগানো। স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করেছিলেন এই গ্রামেরই বাসিন্দা উৎপল ঘোষ (৩৩)। শুধু প্রতিবাদ করাই নয়, স্ত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী মনোজ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি গলসি থানায় অভিযোগও জানিয়ে ছিলেন। তারই বদলা নিতে রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুড়ুর দিয়ে কুপিয়ে উৎপল ঘোষকে নৃশংস ভাবে খুন করে মনোজ ঘোষ। রাতে মাথায় কুড়ুল গেঁথে থাকা অবস্থায় এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় উৎপলের মৃতদেহ। মৃতর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওই রাতেই মনোজ কে আটোক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উৎপলকে নৃশংস ভাবে খুন করার কথা জেরায় মনোজ পুলিশের কাছে স্বীকারও করে নেয়। পুলিশ মনোজ ঘোষকে গ্রেফতারের পর সেমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে নিয়েছে।ভষ্মীভুত গাড়িএই পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও মনোজের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে উৎপলের মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার পর। তা আঁচ করে গ্রামে পুলিশও চলে যায়। তারই মধ্যে গ্রামের উত্তেজিত মানুষজন মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে চড়াও হয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পোড়ে মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা, কাকার বাড়িতে থাকা একাধিক গাড়ি ও খড়ের পালুই। আগুন নেভানোর জন্য খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও খুনের ঘটনার বদলা নিতে বাগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তার পরিজনদের বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রামের ৩৯ জনকে গ্রেফতার করে।ভষ্মীভুত ট্রাকটারপুলিশের এই গ্রেপ্তারি নিয়ে এদিন প্রশ্ন তুলেছে নিহত উৎপল ঘোষের স্ত্রী সাধনাদেবী। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ নিরপরাধ গ্রামবাসীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। অথচ অপরাধীরা এখনও দিব্যি গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুনি মনোজ ঘোষকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও তার বাবা কার্তিক ঘোষ ও কাকা হারাধন ঘোষকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। এখনও গ্রেফতারির ভয়ে গোটা গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে রয়েছে।গ্রামে ব্রাহ্মণ নেই, নাপিত নেই। স্বামীর মৃত্যুর তিন দিন পরও পারলৌকিক কাজ সম্পাদনে জন্য ক্ষৌরকর্ম করার রীতি থাকলেও তা করতে পারা গেল না। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাধনাদেবী এদিন বলেন, আমি চাই সিবিআই আমার স্বামীকে খুনের ঘটনার তদন্তু করুক। নিহত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষও বলেন, পুলিশ ঠিক মত কাজ করছে না। যার বাড়ি থেকে অস্ত্র গেল উৎপলকে খুন করার জন্য তাকে পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিও সিবিআই তদন্ত চাইছেন। যদিও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, পুলিশ খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব দিক বিবেচনা করেই পুলিশ তদন্ত করছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে পারবেন না অনুব্রত', বর্ধমানে মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতির

গতকাল অনুব্রত যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন আমি বলেছিলাম ক্যামেরার মুখগুলো উডবার্ন ওয়ার্ডের দিকে ঘুরিয়ে রাখতে। উনি আমার সেই ভবিষ্যৎবাণীকে ঠিক প্রমাণ করলেন। বর্ধমানে এসে অনুব্রত মন্ডলের বিষয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন বর্ধমানে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।সুকান্ত আরও বলেন, এটা ওনার পূর্ব পরিকল্পিত। এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে চাইছেন উনি। কিন্তু বাঁচতে পারবেন না। এদিন পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুরুলিয়ার তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেন, এই মৃত্যুও খুবই সন্দেহজনক। আগের মৃত্যু অর্থাৎ কাউন্সিলর খুনের সাথে এর যোগ আছে। ইনিই একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। তথাকথিত সুইসাইড নোটেও উনি পুলিশের হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এই মৃত্যুর তদন্তও সিবিআই মারফৎ হওয়া উচিত।এদিকে এসএসসির নিয়োগ নিয়েও আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি রাজ্য সরকারকে একহাত নেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, সিবিআইয়ের হাত শিক্ষামন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক অবধি পৌঁছে গেছে। শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছে যায় কীনা তা দেখা সময়ের অপেক্ষা। এককালে এই এসএসসিতেই অনেক যুবক-যুবতী চাকরি পেয়েছেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ণেই অনুব্রত মন্ডল, দুই আইনজীবী চিঠি ধরালেন সিবিআইকে

পঞ্চমবার নোটিশ হয়ে গেল, তবু সিবিআইয়ের মুখোমুখি হলেন না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। গতকাল, মঙ্গলবার কলকাতায় চিনারপার্কের ফ্লাটে এসে উঠেছিলেন অনুব্রত। তবে এদিন নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তিনি যাবেন কীনা তা নিয়ে সংশয় ছিল। এদিন দুপুরে তিনি সোজা চলে যান এসএসকেএমে হাসপাতালে। সেখানে উডবার্ণ ওয়ার্ডে তিনি ভর্তি হয়েছেন।এদিকে তাঁর ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মন্ডলের দুই আইনজীবী সিবিআই দফতরে হাজির হন। তাঁরা সিবিআইকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের মক্কেলের শরীর অসুস্থ। সিবিআই বারে বারে নোটিশ দেওয়ায় তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তিনি আসতে পারবেন না। এবারেও গরুপাচার কান্ডে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মুখোমুখি হলেন না বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি। এর আগে আরও চারবার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল অনুব্রত মন্ডলকে।হাইকোর্টে কক্ষাকবচ-এর আবেদন করেছিলেন অনুব্রত। হাইকোর্ট তাঁর ওই আবেদন বাতিল করে দেয়। বার বার তলব করা সত্বেও সিবিআইয়ের দফতরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি হাজির হতে পারছেন না। এমনটাই বক্তব্য তাঁর আইনজীবীদের। বরং তাঁদের দাবি, অনুব্রতর সিবিআই দফতরে আসার সদিচ্ছা আছে।এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে অনুব্রত মন্ডলের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এর আগেও তিনি এসএসকেএমে ভর্তি হয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, অনুব্রতর বুকে ব্যাথা রয়েছে। পেটেও সমস্যা রয়েছে। ইতিমধ্যে, ইসিজি করা হয়েছে অনুব্রতর{ ইসিজিতে কিছু সমস্য়া পাওয়া গিয়েছে। সেই সমস্য়া কতটা গুরুতর তা পরীক্ষার জন্য় ইকো করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিতসকরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

ঝালদা বনধের মধ্যে উদ্ধার তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ, সিবিআই চায় পরিবার

ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। কংগ্রেসের ডাকা ঝালদা বনধের দিন নিরঞ্জন বৈষ্ণবের বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুইসাইডাল নোটে মানসিক অবসাদের কথা বলেছেন নিরঞ্জন। পাশাপাশি বার বার পুলিশি ডাকের ফলে মানসিক চাপের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।জানা গিয়েছে, তপন কান্দুর সঙ্গে রাস্তায় হাঁটতেন নিরঞ্জন। তপন খুনের দিনও তাঁর পাশে ছিলেন নিরঞ্জন। তিনি ছিলেন তপনের ঘনিষ্ঠবৃত্তের একজন। খুনের ঘটনার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ডেকে পাঠাত বলে তাঁর পরিবার জানিয়েছে। বিশেষ দৃশ্য দেখার কথাও তিনি বলেছেন। তপন কান্দু খুনের ঘটনায সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। নিরঞ্জন বৈষ্ণবের পরিবারও সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। তিনি প্রাইভেট টিউশন পড়াতেন। এদিন তাঁর ঘরে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। এদিন ঝালদা বনধে দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে শহরে। যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।যেদিন থেকে তপনের মৃত্যু হয় সেদিন থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছি। সেই দৃশ্য ভুলতে পারছি না। ঘুমাতে পারছি না। পুলিশ বারংবার ডাক দিচ্ছে। সেই ঘটনায় অভ্যস্ত নই, বলেও নিরঞ্জন সুইসাইডাল নোটে লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ তাঁকে থানায় ডেকে বার বার চাপ সৃষ্টি করছিল। নিরঞ্জনের মৃত্যুতে রহস্য দেখছেন তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। অভিজ্ঞ মহলের মতে, তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর রহস্য-মৃত্যুতে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ন না নিজাম প্যালেস', অনুব্রতর গন্তব্য নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে

মঙ্গলে ঊষা বুধে পা......। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে বুধবার গরুপাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তলব করেছে। সুত্রের খবর, মঙ্গলবার বারবেলায় সেই উদ্দেশ্যেই তিনি বোলপুরের বাসভবন থেকে কলকাতার উদ্দশ্যে রওনা দেন। অনুব্রত কলকাতায় পৌঁছতেই কৌতূহলী মানুষজনের একটাই প্রশ্ন। তাহলে কি অবশেষে সিবিআইয়ের ডাকে সারা দিতেই কলকাতায়? না চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ন! তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের ধারণা, বুধবার নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআই তদন্তকারীদের সামনে তিনি হাজিরা দেবেন।অনুব্রত সন্ধ্যা ছটার সামান্য পরে চিনার পার্কের একটি আবাসনে আসেন। তাঁর বুধবার সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দেওয়ার কথা। কলকাতায় অনুব্রত মন্ডলের উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চিনার পার্কের সেই আবাসনের বাইরে সাংবাদমাধ্যমের যঠেষ্ট ভিড় ছিল। তিনি এখনও পর্যন্ত কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। একটা বড় অংশের মতে, অনুব্রত চিকিৎসার কারণেই কলকাতায় এসেছেন। এর আগে তিনি শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে গেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন অনুব্রত দলের কাজে কলকাতায় এসেছেন। এটি গরুপাচার মামলায় তাঁর চতুর্থ সমন। উডবার্ন না নিজাম প্যালেস বুধবারে মিডিয়ার অভিমুখ কোন দিকে থাকে তাঁর দিকেই তাকিয়ে বাংলার কৌতূহলী জনতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ঝালদায় বুধবার ১২ ঘন্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের, গন্ডগোলের মাঝে পুরবোর্ড গঠন তৃণমূলের

কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুন, সিবিআই তদন্ত শুরু, কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তাল ঝালদা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করল তৃণমূল কংগ্রেস। ঝালদার পুরপ্রধান হলেন সুরেশ আগরওয়াল ও উপপুরপ্রধান পদে এলেন সুদীপ কর্মকার। এদিকে এদিন কংগ্রেসের চার কাউন্সিলরও শপথ নেন। পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।এদিন ঝালদা শহরে মিছিল করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলে কংগ্রেস কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। ঝালদা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেস। পুরসভার ভিতরেও তান্ডব চলতে থাকে। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর ওপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সিবিআই তদন্ত শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী রূপে অভিযোগ উঠেছে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার আইসিকে ক্লিন চিট দিয়েছেন। তবে পূর্ণিমা নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ওই আইসি যুক্ত রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে সিবিআই-এর তদন্তকে প্রভাবিত করতে চাইছে বিজেপি: মমতা

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাহাড়ের সফরের তৃতীয় দিন। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফেরার কথা মমতার। তার আগে ফের একবার রামপুরহারকাণ্ডে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন মমতা।রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডে জেপি নাড্ডার কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। দার্জিলিংয়ে দাঁড়িয়ে সেই ইস্যুতেই বিজেপির কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রীয় দলের রিপোর্ট তদন্তকে প্রভাবিত করবে বলেই আশঙ্কা তাঁর। এমনকী, এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।দার্জিলিঙে মমতা বললেন, বিজেপির আচরণের নিন্দা করছি। ওরা রিপোর্টে আমার জেলা সভাপতির নাম রেখেছে। যখন সিবিআই তদন্ত করছে এবং তাদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে তখন বিজেপি তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এদিন দার্জিলিঙয়ের মহাকাল মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালী মন্দিরের সামনে আরতি করতে দেখা গেল তাঁকে।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুই হত্যাকান্ডঃ সাসপেন্ডেন্ট আইসিকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে খতিয়ে দেখেছে তাঁরা। প্রথম দফায় নিহতদের আত্মীয় মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এদিকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে রামপুরহাট থানার সাসপেন্ডেন্ট আইসি ত্রিদীপ প্রামানিককে।সিবিআই সূত্রে খবর, ত্রিদীপ প্রামানিককে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনা কখন ঘটেছিল? সেদিন রাত কটা নাগাদ আইসি খবর পেয়েছিলেন? তারপর কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? কেন একসঙ্গে এভাবে পুড়ে গেল একাধিক দেহ? গন্ডগোলটা কোথায়? মূলত এসবই তার কাছে জানতে চেয়েছে সিবিআই। কীভাবে খুন হওয়ার পর আগুনে জীবন্তদের ভষ্মীভূত করা সম্ভব হল তা নিয়ে বিস্মিত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এর পিছনে আদৌ কী রহস্য রয়েছে তা উদ্ঘাটন করতে চাইছে সিবিআই।জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে রামপুরহাট থানা চত্বরে কী ঘটেছিল তা জানার জন্য সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সময় থানায় কোন কোন আধিকারিকরা ছিলেন, ঘটনা নিয়ে পুলিশের কোনও ততপরতা ছিল কীনা থানায়, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে সিবিআই জানতে চাইছে ওই দিন থানায় কারা এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে সন্দেহভাজন কেউ আছে কীনা তা-ও দেখে নিতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিকে এদিন ফের মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

এবার ডিভিশন বেঞ্চে 'রক্ষাকবচ'-এর আবেদন খারিজ, অস্বস্তি বাড়ল অনুব্রতর

গরু পাচার মামলায় অস্বস্তি কাটছে না তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডলের। প্রথম দফায় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। এবার রক্ষাকবচ-এর আবেদন খারিজ করল ডিভিশন বেঞ্চেও। একাধিকবার বীরভূম জেলা তৃণমূবল কংগ্রেসের সভাপতিকে তলবি নোটিশ পাঠায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। শেষ নোটিশ পাঠায় গত ৪ মার্চ। সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত। দুবারই রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ হওয়ায় দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার সমস্যা বাড়ল বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।গরু ও কয়লা পাচার নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিনয় মিশ্র বিদেশে আত্মগোপন করেছেন। সেখান থেকে এদেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। গরু ও কয়লা পাচার চক্রের কোটি কোটি টাকা ঘুর পথে প্রভাবশালীদের কাছে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে নাম উঠে আসে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁকে বারে বারে ডেকে পাঠালেও আদালতের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। এদিন সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল রাখে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।বোলপুরে বা তাঁর বাড়ির কাছাকাছি কোনও জায়গায় যাতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সেই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অনুব্রত মণ্ডল। এমনকী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও তিনি জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন। সিবিআই মনে করছে, সর্বত্র অনুব্রত যাতায়াত করছেন। অথচ সিবিআই দফতরে তিনি আসতে চাইছেন না। সেটাই তো বড় প্রশ্ন। আদালতে রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ায় ফের অস্বস্তিতে পড়েছেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

আগুন লাগানো হয়েছিল কীভাবে, বগটুই-তে গিয়ে খতিয়ে দেখছেন সিবিআইয়ের ডিআইজি

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই-কাণ্ডের তদন্ত গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর হাতে। তদন্তভার পাওয়ার পরদিনই অকুস্থলে ডিআইজি অখিলেশ সিংয়ের নেতৃত্বে সিবিআইয়ের বিশাল দল। শনিবার সকালে রামপুরহাট থানায় সিটের হাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেস ডায়েরি-সহ মামলার সব নথি নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার পরই বগটুইয়ের উদ্দেশে রওনা দেন অখিলেশ। অন্য সিবিআই আধিকারিকের পাশাপাশি গ্রামে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন ফরেন্সিক, কেমিক্যাল ও ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞরা। পৌঁছতেই শুরু হয় তদন্তের কাজ। যা চলে প্রায় সারাদিন।ঘড়িতে সকাল এগারোটা বেজে পাঁচ মিনিট। রামপুরহাট থানা থেকে সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ সিংয়ের গাড়ি রওনা দেয় বগটুইয়ের উদ্দেশে। তার আগেই সম্পূর্ণ হয়েছে রামপুরহাট থানায় মামলার আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর। থানা থেকে সিবিআইয়ের একটি দল সোজা চলে যায় রামপুরহাট আদালতে। সেখানে মামলা হস্তান্তরের নথি জমা দেওয়া হয়। অখিলেশের গাড়ি চলে যায় বগটুই। গ্রামে পৌঁছেই শুরু হয় অকুস্থল ঘুরে দেখার কাজ। ডিআইজি নিজে ঘুরে দেখেন গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি। কথা বলেন, সেখানে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে।সিবিআই আধিকারিকদের পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজে নেমে পড়েন সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির দল, কেমিক্যাল ও ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞরা। ব্যবহার করা হয় থ্রিডি স্ক্যান। সোনা শেখ ও বানিরুল শেখের বাড়ির মধ্যে ফিতে দিয়ে দূরত্ব মাপার পাশাপাশি ব্যবহার করা হয় থ্রিডি স্ক্যান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বগটুই তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কী ভাবে অগ্নিসংযোগ করা হল। তা জানতে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য থ্রিডি স্ক্যান। পাশাপাশি সোনা শেখের বাড়ির ছাদে উঠেও এলাকা জরিপ করেন তদন্তকারীরা। বোঝার চেষ্টা করেন, কোন দিক থেকে আক্রমণ এসেছিল। গ্রিল কেটে বাড়িতে ঢুকে আগুন লাগানো হয়, না কি বাইরে থেকে বোমা বা ওই জাতীয় কিছু ভিতরে ছুড়ে ফেলে আগুন লাগানো হয়, এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

রামপুরকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশের পরই সিটের থেকে এফআইআর কপি চাইল সিবিআই

রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর রাজ্য পুলিশের সিটের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের অফিসাররা। সিটের থেকে এফআইআরের কপি চাইলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মামলা রুজু করে তারপর কেস ডায়েরি হাতে নেবে সিবিআই। এদিকে সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সিটের তরফেও তদন্তে সবরকম সাহায্য করা হবে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ফোনে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের অর্ডার কপি হাতে পাওয়ার পরই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যোগাযোগ করেন সিটের সদস্যদের সঙ্গে। এরপর ই-মেল মারফত এফআইআরের কপি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। রামপুরহাটে মূলত দুটি ঘটনার তদন্ত চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা তথা পঞ্চায়েত উপপ্রধান ভাদু শেখের খুন এবং তারপর সোনা শেখের বাড়ি-সহ এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এক্ষেত্রে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাতে রাজ্য পুলিশের তরফে যে এফআইআর করা হয়েছে, সেই এফআইআরের কপি চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।জানা গিয়েছে, এই এফআইআর কপি হাতে পাওয়ার পর সিবিআই নিজেদের তদন্তকারী দল গঠন করবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব সেই তদন্তকারী দল রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পাঠাবে সিবিআই। এখনও পর্যন্ত সূত্র মারফত যা খবর, তাতে শনিবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল যেতে পারে বগটুই গ্রামে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যেই বগটুই গ্রাম থেকে ঘুরে গিয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal