• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cbi

রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
দেশ

উত্তর বনাম দক্ষিণ

১৯ শে এপ্রিল শুরু লোকসভা নির্বাচন। রামমন্দির, সিএএ (CAA), দূর্নীতি, ইলেক্টরাল বন্ড (Electoral Bond), ইডি (ED), সিবিআই-র (CBI) গ্ৰেফতার কড়া নাড়া। প্রচারে এই সমস্তই হাতিয়ার। এর পাশাপাশি চলছে লাভার্থী বা সুবিধা ভোগী বাড়িয়ে ভোট কুড়োনোর জন্য প্রতিশ্রুতির বন্যা। এর তুলনায় বেকারত্বের সমস্যা, ক্ষুধার সমস্যা, বৈষম্য বেড়ে চলা, স্বাস্থ্য পরিষেবার অপ্রতুলতা নিয়ে হইচই অনেক কম। অনেকে বলছেন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যুক্তরাস্ট্রীয় কাঠামোর চেহারা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ও বিরোধী রাজনীতির পরিসরের মত বিষয়গুলি ভবিষ্যতে কোন দিকে বাঁক নেবে তা নির্ধারিত হবে এবারের নির্বাচনে। তবে এরই মাঝে চোরা স্রোতের মত বইছে আরো এক সমস্যা। যা গত বছর কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পরে বাড়তি গতি পেয়েছে। এই হারের পরে বিন্ধ পর্বতের নিচে কোনো রাজ্যেই আর গেরুয়া শাসন নেই। এই পথ বেয়েই জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে উত্তর বনাম দক্ষিণের বিভাজন। সংসদীয় রাজনীতির এই পাশা খেলার ফল প্রতিফলিত হচ্ছে ভাষা, আর্থিক উন্নয়ন, আর সামাজিক রূপান্তরের রাজনীতিতেও।আরও পড়ুনঃ কেজরীওয়াল: টেক্কা না পুট?Colonial Hangover বলে ইংরেজি কে যতই গাল পাড়ুন, বর্তমানে হিন্দি-হিন্দুস্তানের দাপটের মাঝেও ইংরেজি বিনা গীত নেই। চাকরির ক্ষেত্রে, সমাজে কল্কি পাওয়ার ক্ষেত্রে, ইংরেজের মাতৃভাষা-ই এখনো অধিকাংশের কাছে ধারালো হাতিয়ার। অনেকের কাছে আবার বদ্ধ জলাশয় থেকে স্রোতে অবগাহনে কার্যকরি উপায়। এই পরশ পাথরের মুল্য দক্ষিণ ভারত অনেক আগেই বুঝেছে। তাই উত্তরের অনেক রাজ্যে যখন ইংরেজি হঠানোর জন্য লাফঝাঁপ দিচ্ছে, দক্ষিণ তার এই অবস্থানে অনড় থেকে ক্রমশ এগোচ্ছে। ন্যাসো-র (NSSO) সমীক্ষা বলছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্য গুলিতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্কুলে ক্লাস ১২ পর্যন্ত ইংরেজি-ই শিক্ষার বাহন। প্রতিতুলনায় উত্তরপ্রদেশে ১৪% এবং বিহারে ৬% স্কুলে ইংরেজিতে পঠনপাঠন চলে। শুধু তাই নয় উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ নিয়ে ২০২০-২১ সালে সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে দক্ষিণে ১৮-২৩ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ৫০% উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হয়। যেখানে সর্বভারতীয় গড় হচ্ছে ২৭%। হরিয়ানা এবং হিমাচল ছাড়া হিন্দি বলয়ের সব রাজ্য, গুজরাট এবং দেশের পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের উচ্চ শিক্ষায় ভর্তির হার জাতীয় গড়ের অনেক নিচে। এর পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে আর্থিক বৈষম্যের পার্থক্যটাও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। ইংরাজি জানা দক্ষ কর্মী এবং উন্নত পরিকাঠামোর কারণে দক্ষিনে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। জাতীয় পরিসংখ্যান বলছে বিহার, ছত্তিশগঢ়, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশের তুলনায় কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, তামিল নাড়ু তে মাথা পিছু আয় অনেকটাই বেশি।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকতরাজনীতির অলিন্দে শোনা যাচ্ছে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে দেশের লোকসভা কেন্দ্র গুলির সীমা নির্ধারণ-র (Delimitation ) কাজ শুরু হবে। জনসংখ্যার বিচারে নির্ধারিত হবে কেন্দ্র গুলির সীমানা। কেন্দ্রীয় পরিবার পরিকল্পনা নীতি মেনে দক্ষিণে অনেক আগে থেকেই জন সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। নারী শিক্ষায় অগ্ৰাধিকারের জন্য দক্ষিণে Fertility Rate কমেছে। ১৯৭১ সালে দেশের মোট জনসংখ্যা ২৪.৮% ছিল দক্ষিণ ভারত। ২০২১সালে তাই কমে ১৯.৯% এসে দাঁড়িয়েছে। আর বিহার এবং উত্তর প্রদেশে এই হার ২৩% থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬%। ৮৪৮ সদস্য আসন বিশিষ্ট নতুন সংসদ ভবন চালু হয়ে গিয়েছে। Delimitation য়ের পরে ৮৪৮ আসনে লোকসভার ভোট হবে। রাজনৈতিক পন্ডিতদের মতে জন সংখ্যার ভিত্তিতে উত্তর প্রদেশে লোকসভার আসন ৮০ থেকে বেড়ে ১৪৩ হবে। যেখানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে দশটি লোকসভার আসন বাড়বে তামিলনাড়ুতে।আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক ভোটহিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ড এই দশটি রাজ্য নিয়ে হিন্দি বলয়। বর্তমানে এই দশটি রাজ্যে রয়েছে ২২৫টি লোকসভা আসন। ২০১৯শের লোকসভা নির্বাচনে এই ২২৫টি আসনের মধ্যে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল NDA। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় ম্যাজিক ফিগার হলো ২৭২। এবার ও হিন্দি বলয়ে বিজেপির এই দাপট বজায় থাকলে ক্ষমতায় ফেরা নিশ্চিত। তবে দলকে এবার ৩৭০ আসনের লক্ষ্য মাত্রায় বেঁধেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হিন্দি বলয়ে আসন বাড়ার যেহেতু আর জায়গা নেই বিজেপির বিশেষ নজরে এবার দক্ষিণ ও দেশের অন্যান্য অংশ। তাই ৫০ বছর আগে কংগ্রেস শাসনে পকপ্রনালীর এক দ্বীপ কচ্ছথিভু চুক্তি করে শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি দক্ষিণে প্রচারে গিয়ে দ্রাবিড় অস্মিতা জাগিয়ে তোলার সব রকম চেষ্টাই তিনি করেছেন। কিন্তু ক্ষমতায় ফিরে delimitation য়ের কাজ সম্পূর্ণ করার পরে দক্ষিণের এই গুরুত্ব কি বিজেপির কাছে থাকবে? তখন হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে আসন সংখ্যার যে বৃদ্ধি হবে তার জোরেই বিপুল আসন হাতের মুঠোয় আসার পথ খোলা থাকবে। আর কে না জানে যার ভোট নেই তার গুরুত্বও নেই। তখন দক্ষিণের রাজ্য গুলিতে কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরনে স্লোগান তুলে গলা ফাটালেও বিশেষ লাভ হবে বলে মনে হয় না। অতএব জাতীয় রাজনীতিতে উত্তর বনাম দক্ষিণের দ্বন্দ্বের নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার অপেক্ষা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
দেশ

সিবিআই তল্লাশির পর এবার ইডির তলব মহুয়াকে, কি করবেন তৃণমূল প্রার্থী?

সিবিআইয়ের পর ইডি। আগামী ৩১ মার্চ কৃষ্ণনগরে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই সংসদে ঘুষের বদলে প্রশ্ন কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে সমন পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থীকে দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজির দিতে হতে বলা হয়েছে। মহুয়ার পাশাপাশি এই মামলায় অন্যতম অভিযোগকারী ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানিকেও সমন পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর এজেন্সির তরফে।মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ, লোকসভায় প্রশ্ন করার জন্য তিনি নাকি শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ বাবদ নগদ ও নানা ধরণের উপহার নিয়েছেন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এই ব্যাপারে প্রথম সরব হন। তারপর এই বিষয় নিয়ে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ চলতে থাকে। অবশেষে এথিক্স কমিটির সুপারিশের পর সাংসদ পদ বাতিল হয় কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থীর। এরপরই মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় লোকপাল। ইতিমধ্যে মহুয়ার বাবার কলকাতা ও কৃষ্ণনগরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই।জানা গিয়েছে, বিদেশি মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় ফেমা, 1999-এর নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে মহুয়া এবং ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে। এর আগে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিল করে এথিক্স কমিটি। তা নিয়ে শোরগোল পরে যায় রাজনীতিতে।

মার্চ ২৭, ২০২৪
রাজ্য

শেখ শাহজাহানের বাড়িতে-মার্কেটে সিবিআই

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গেল সিবিআই। এই প্রথম সন্দেশখালি গেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এদিন সিবিআই গিয়েছে সরবেড়িয়ায় তার মার্কেটেও। ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার তদন্ত করতে সেখানে গিয়েছে সিবিআই। গতকালই আদালতের নির্দেশে সিআইডি শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। এদিকে হামলার দিন শেখ শাহজাহান কাদের ফোন করেছিলেন? তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই। ইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনা জানা হচ্ছে। যে ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছিল, তাঁর বয়ান নিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি ইডি কি তথ্য পেয়েছে তাও জানতে চাইছে সিবিআই। একইসঙ্গে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে শেখ শাহজাহানকে।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ দীর্ঘ টালবাহানার পর সিআইডির হাত থেকে সিবিআইয়ের হেফাজতে শাহজাহান

বহু টালবাহানা, বিভ্রান্তি, শেষমেশ সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শাহজাহনকে হেফাজতে পেল সিবিআই। কোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হল সিআইডি।বুধবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতেই হবে। বুধবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। এদিকে এদিন ইডি শেখ শাহজাহানকে হস্তান্তরে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে। তারপরই বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বুধবার বিকেল ৪.১৫-র মধ্যে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। সেই মত এদিন ৪টের মধ্যে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। কিন্তু তখনও সন্দেশখালির বাঘকে হাতে পায়নি সিবিআই গোয়েন্দারা। ফলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের দৃষ্টি আকর্ষণে ফের উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই।এসবের মধ্যেই সন্ধ্যার মুখে ভবানী ভবনের পিছনের দরজা দিয়ে শেখ শাহজাহানকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি।সন্দেশখালি কাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়াও, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যে ধৃত শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, সন্দেশখালি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিশেষ তদন্তকারী দলগঠনের নির্দেশ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মত, বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবানী ভবনে চলে আসে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। অবশেষে টালবাহানার পর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে সিবিআইয়ের হাতে শাহজাহানকে তুলে দেয় পুলিশ। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে বলে সিবিআই-কে জানিয়ে দেয় পুলিশ।গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শাহজাহান। গত বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর বামনপুকুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে সিআইডির হেফাজতে রাখা হয়েছে বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতাকে। শাহজাহানের পুলিশি হেফাজের নির্দেশের পরই ইডি তাঁকে হেফাজতে চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি ছিল, সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলেও কোনও ভরসা নেই। কারণ, রাজ্য পুলিশ এই মামলায় সহযোগিতা করবে না। তাই এই তদন্তভার শুধু সিবিআইকেই দেওয়া হোক। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।আদালত সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দুটি এফআইআর (৮ ও ৯ নম্বর) দায়ের হয়েছিল। এছাড়া বনগাঁ থানায় আরও একটি এফআইআর (১৮ নম্বর) দায়ের হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানায় রাজ্য। কিন্তু, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না তাতে সাড়া দেননি। প্রক্রিয়া মেনে মামলা হবে বলে জানানো হয়। বুধবার প্রক্রিয়া মেনে আবেদন হলেও রাজ্যের আবেদনে সাড়া দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে।

মার্চ ০৬, ২০২৪
রাজনীতি

নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ নানা প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিলেন

এবার ইডির স্ক্যানারে প্রসন্ন-আগে তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে। অবশেষে সংহতি মিছিলে আদালতের অনুমতি-আগে তৃণমূলের মধ্যে সংহতি করুন। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যার শরীরে হিন্দু রক্ত আছে সে রামের বিরুদ্ধে যাবে না। কিছু হারামখোর যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্ট ভোগী, এই করেই যারা খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন বাস রেল জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে। আইএসএফের সভার অনুমতি ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই-সবাইকে আদালতে যেতে হয়। কারণ এখানে সরকার বলে কিছু নেই। আমরা খুঁজে পাইনা সরকার কোথায় আছে। অনুমতি কে দেবে? পুলিশ কোথায়? টাকা তুলতে চাঁদা তুলতে আর ফুটবল খেলতে ব্যস্ত। প্রশাসন কে চালাবে? কোর্ট আছে। ভালো মন্দ যাই হোক কোর্টের কাছেই বিরোধীদের যেতে হয়। তৃণমূলের নেতা খুন হলেও পুলিশে ভরসা না রেখে কোর্টে যেতে হয়। সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যকে রাজধর্ম মনে করালো হাইকোর্ট-আদালত বা রাজ্যপাল। এই দুটি স্তম্ভই এখন মানুষের ভরসা। সমস্যায় পড়লে মানুষ এখন আদালতে যায় বা রাজ্যপালের কাছে যায়। কারণ আর কারও কাছে আশা নেই। কেউ কানমোলা দিচ্ছে। কেউ চিঠি লিখে রাজধর্ম মনে করিয়ে দিচ্ছে। সরকার ঘুমাতে চলে গেছে। বেহায়া নির্লজ্জ দের কিছু হয় না। কুকুরের বিবাহবার্ষিকী পালন-হেমন্ত বিশ্ব শর্মা একবার গল্প করছিলেন, কেন তিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন। রাহুল গান্ধী একবার তাকে বাড়িতে খেতে ডেকেছিলেন। রাহুল আমাদের সঙ্গে খাননি। সামনে কুকুর বিস্কুট খচ্ছিল। পশ্চিমবঙ্গে আগে জমিদারের বউরা পুতুলের বিয়ে দিত। এখন কেউ কুকুরের ডায়ালিসিস করছে। কেউ বিবাহবার্ষিকী করছে। আপনার আমার টাকায় ভূতের শ্রাদ্ধ হচ্ছে। গরীব মানুষ কিছু পায়না। এরকম লোক, যারা দাপিয়ে বেড়ায়, তারাই ফুর্তি করে। ভুয়ো জব কার্ড ধরতে কমিটি-১৪ লক্ষ ৪২ হাজার ভুয়ো জব কার্ড। হয় মালিক নেই। অথবা যার নামে কার্ড তার হাতে কার্ড নেই। এই লোকের কাজের টাকা উঠছে। কিন্তু খেয়ে ফেলছে কে? কোথায় যাচ্ছে এই টাকা? এটাও তদন্ত করে বের করার দরকার আছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

এবার সন্দেশখালির ঘটনার যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

সন্দেশখালির বেপাত্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখের সন্ধানে এবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। বুধবার এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। নির্দেশ অনুযায়ী, এই বিশেষ তদন্তকারী দল প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে। তদন্তকারী দলের মাথায় যৌথভাবে থাকবেন সিবিআইয়ের ও রাজ্যের এস পি পদমর্যাদার একজন করে অধিকারিক। এই তদন্তের উপর নজরদারি রাখবে আদালত।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা কেন্দ্র কোথাও সন্দেশখালি তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্টও হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণণূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন ইডি গোয়েন্দারা। যা জানতে পেরেই ধুন্ধুমার বেঁধে যায় সেখানে। স্থানীয়রা মারধর চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের লক্ষ্য করে। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়িও। এরপর মোট তিনটি এফআইআর হয় ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট।রাজ্য জানিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন আইপিএস জসপ্রীত সিং। যদিও সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিনই বিশেষ তদন্তকারী দল-কে তদন্তের অগ্রগতির সংক্রান্ত রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে।মঙ্গলবার সন্দেশখালি মামলায় তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির চারদিকে নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার রাজ্য হাইকোর্টে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ১০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শাহজাহান মার্কেটেও ইন্সস্টল করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এরপরই এজলাসে রাজ্য ও সিবিআই-ইডি বাকযুদ্ধ হয়। সিবিআই বলে ওসামা বিন লাদেনের মতো ভয়েস মেসেজ করছেন শাহজাহান অথচ পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। ইডি তাতে সহমত পোষণ করে। এরপরই সন্দেশকালি মামলার তদন্তে পুলিশ-সিবিআই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেগুপ্ত।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

ফের নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের হানা, লক্ষ লক্ষ উদ্ধার বিধায়কের বাড়ি থেকে

নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে আবারও টাকা পাহাড় মিললো। এবার মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে মিলল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। টাকা গুণতে মেশিন আনেন তদন্তকারীরা। বিপুল পরিমাণ এই টাকার উৎসের খোঁজ শুরু করেছে সিবিআই। তবে বিধায়কের দাবি, একটি জমি বিক্রি করেই এই টাকা পেয়েছেন তিনি। জাফিকুল ইসলামের এই দাবির পিছনে সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।রাজ্যজুড়ে আজ ফের একবার ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতার একাধিক এলাকার পাশাপাশি কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদে তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই দিকে দিকে চলে এই অভিযান। মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।সেই বাড়িতেই তল্লাশিতে মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রের দাবি। তবে বিধায়ক নিজে দাবি করেছেন, এই টাকা একটি জমি বিক্রি মাধ্যমে তাঁর কাছে এসেছে। যদিও তৃণমূল বিধায়কের এই দাবির পিছনে আদৌ সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগা জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।জানা গিয়েছে, জাফিকুল ইসলামের বেশ কয়েকটি কলেজ রয়েছে। বিএড এবং ডিএড-এর পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে তাঁর। এদিন বেশ কিছুক্ষণ তাঁর বাড়িতে তল্লাশির পর ওই বাড়িতে ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের ডাকে সিবিআই। আনা হয় টাকা গোনার মেশিন। সূত্রের খবর মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল জাফিকুলের।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে আবারও নড়াচড়া শুরু করেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলপর প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ও কলকাতা পুরসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এদিন সকালে কলকাতার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় সিবিআই। এদিন একইসঙ্গে তল্লাশি চলে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও। এছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদের ডোমকলে তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়ি ও কোচবিহারেও একাধিক ঠিকানায় হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে। শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার তা্র বাড়িতে পৌঁছনোর পর বেশ কিছুক্ষণ বাইরেই অপেক্ষা করতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। বাড়ির ভিতর থেকে কেউ দরজা না খোলায় বাধ্য হয়ে প্রায় কুড়ি মিনিট বাড়ির বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে সিবিআই অফিসারদের। প্রায় কুড়ি মিনিট পর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত নিজে এসে দরজা খুলে দেন। তিনিই সিবিআই আধিকারিকদের বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়েছেন।এরই পাশাপাশি আজ সকালে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও সিবিআই হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যায় তদন্ত সংস্থা। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। দেবরাজ তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি। শহর কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকা ছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নেমেছে সিবিআই। ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

কালীঘাটের কাকুর গলার স্বর এখনও অধরা, পিজির বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা এখনও জোগাড় করতে পারেনি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। হাসপাতালে তাঁর মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমনই যে ইডি এখনই তাঁর গলার স্বরের নমুনা নিতে গেলে সেই চাপ আরও বেড়ে গিয়ে তাঁর অসুস্থতাও নাকি বেড়ে যেতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন দাবিতে বেজায় প্যাঁচে ইডি। আদালতে এব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার মাস্টারমাইন্ড কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, এমনই দাবি ইডির। গ্রেফতার হলেও বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একটি গলার স্বরের নমুনা পেয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই গলার স্বরটি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। যদিও এটি প্রমাণ সাপেক্ষ। সেই কারণেই কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা চায় ইডি।একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে ইডির আধিকারিকদের। কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা নিতে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এদিকে, এসএসকেএমের পরিবর্তে ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর চিকিৎসার জন্য সওয়াল করেছে ইডি। সিবিআই বিশেষ আদালত নির্দেশে জানায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গলার স্বরের নমুনা নেওয়া সম্ভব কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে ইএসআই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।যদিও এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, বর্তমানে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের শারীরিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই গলার স্বরের নুমনা সংগ্রহে সায় দেওয়া যাচ্ছে না। মানসিক চাপে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এই পরিস্থিতিতে গলার স্বরের নমুনা নেওয়া হলে সেই চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে হাসপাতার কর্তৃপক্ষ। যদিও ইডির পাল্টা দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা দিতেই এই পদক্ষেপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

নভেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

নতুন বছরে সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন কে পাবেন? দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ক্ষিপ্ত তৃণমূল

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কেও কেন্দ্রীয় সংস্থার তলব করা উচিত বলে মনে করেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ইডির ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না? দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যে বিরাট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তৃণমূলের।নেতা-মন্ত্রী, বিধায়করা গিয়েছেন। দিল্লিতে দুজন মন্ত্রী গিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না। তাঁর এত গুণধর ভাই-বোন, বাড়ির লোক সবাই যদি ডাক পানআসল জায়গাটা তো ওটাই। উনি কেন ডাক পাবেন না? এখন ডেকে সিবিআই চা খাওয়াক। কেমন চা দেখে আসুক।তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় নতুন বছরে সেই সুযোগ আসবে। সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন পাবেন দিদি। কেউ যেন বাইরে না থাকে। পার্থ-বালু বলছেন সব দিদি জানেন। ভাইরা দিদিকে ভালো করে জানেন। নতুন বছরের আগে আরও কিছু লোককে জেলের ভাত খেতে হবে।এদিকে, দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তৃণমূল। দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমে বলেন, বিজেপির বিভিন্ন নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী করবে তার আগাম পূর্বাভাস দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলে দিচ্ছেন কার বাড়িতে কখন ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যাবে। অনেক ক্ষেত্রে সেই পূর্বাভাস মিলেও যাচ্ছে। দিলীপবাবু বলছেন ইডির চিঠি পাবেন দিদি। এতে প্রমাণিত হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, সিবিআইকে দলীয় সংগঠনে পরিণত করেছে বিজেপি।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

এবার আর ৯-১০ ঘন্টা নয়, মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই ইডি দফতর ছাড়লেন অভিষেক

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সূত্রেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, কিছু নথি চেয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি, সেটা পাঠিয়ে দিলেও হত, কিন্তু সশীরের আসার কথা বলা হয়েছিল তাই এসেছি। তদন্তে সহযোগিতা করছি। আবার ডাকলে আসব। বিস্তারিত মিডিয়ায় আর কিছু বলছি না। অভিষেক জানান, এদিন প্রায় ৬ হাজার পাতার নথি ইডি আধিকারিকদের কাছে জমা করেছেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে আমাগী দিনেও সহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এই নথি দেখে যদি মনে করেন তদন্তকারীর আবার ডাকবেন, জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে আবার আসব। শুধু নথি পাঠিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি। তদন্ত এড়াতে কোনওদিন কোনও অজুহাত খুঁজিনি।গত কয়েকমাসে কেন্দ্রীয় একাধিক সংস্থার বারবার তলবের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর আগেও তৃণমূলের শীর্ষ নেতাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছিল। একটানা ৯-১০ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তৃণমূল নেতাকে। যদিও বারাবর তাঁকে এই তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই তোপ দেগেছেন অভিষেক ও তাঁর দলের নেতারা। ইডি-সিবিআইকে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের চাপে রাখতে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।রাজনৈতিকভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পেরে না উঠে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ রাজ্যের শাসকলের। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁকে ফের একবার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এই মামলায় এর আগে ইডি এবং সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেলিন তৃণমূল নেতা। আজ ফের একবার ওই একই মামলায় হাজিরা তৃণমূলের সেকন্ড ইন কম্যান্ডের।

নভেম্বর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

রেশন দুর্নীতিতে গারদে জ্যোতিপ্রিয়, এবার আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের মন্ত্রীর

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যেতিপ্রিয় মল্লিক। সঙ্গীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরই মধ্যে বড় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস৷ এদিন এক সভায় সুজিত বোস বলেন, যখন আমরা লড়াই সংগ্রাম করছি তখন আমাদের নেতৃত্বদের নানাভাবে হেনস্তা করছে। কাউকে জেলে ধরে নিয়ে যাচ্ছে কাউকে ইন্টারোগেশন করা হচ্ছে। ছমাস বাদে যখন দেশে সাধারণ নির্বাচন তার আগে সমস্ত বিরোধী নেতাদের জেলবন্দি রাখবার জন্য চেষ্টা করছে। আজকে ওরা আমাদের বিভিন্ন নেতাদের গ্রেফতার করছে। আমি বলছি কোন নেতা যদি দোষ করে তাহলে নিশ্চয়ই তাদেরকে গ্রেফতার করুক। কিন্তু অনেকে দোষী না থাকা সত্ত্বেও তাঁদেরকে নানাভাবে অ্যারেস্ট শুধু করছে না তাদেরকে অসুস্থ করে দিচ্ছে এমন এমন জেরা করছে।সুজিতের অভিযোগ, আমার আপ্ত সহায়ক নিতাই দত্ত আছে সবাই জানে। নিতাই কাউন্সিলর হয়েছে পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছে। তার বাড়িতে ইডিকে পাঠিয়ে দেওয়া হল ১২ ঘন্টা জেরা তাকে করা হলো। তাঁর বাড়ি থেকে কিছু পেল না কিন্তু বলতে হবে একটাই নাম। সুজিত বোসের নামটা তোমরা বলে দাও সুজিত বোসের নামটা তুমি লিখে দাও তোমাকে ছেড়ে দেবো। এটা কোন ধরনের অত্যাচার। সুজিত বোসের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ৪২ বছর। সুজিত বোসের এত খারাপ অবস্থা হয়নি যে সুজিত বোস টাকার বিনিময়ের লোককে চাকরি দিয়েছে। জীবনে এই কাজ আমি কোনদিন করিনি। যতই ওকে মেরে ফেলুন কেটে ফেলুন যতই ওকে জেলে আটকান কোনদিনও ও বলবেনা সুজিত বোস এই কাজ ওকে করতে বলেছে, সুজিত বোস কোন কাউকে বলেছে।রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর কার দিকে নজর কেন্দ্রীয় এজেন্সির? সুজিত বোসের নিউটনের তৃতীয় সূত্রের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কড়া নির্দেশ, নিজাম প্যালেস ছুটলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

নির্দেশ ছিল। শেষমেশ সেই নির্দেশ কার্যকরী করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে পৌঁছেও গিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশ না মানলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও ছিল। শেষমেশ নির্ধারিত সময়েই চতুর্থীর ভিড় ঠেলে নিজাম প্যালেসে পৌঁছান পর্ষদ সভাপতি।শুধু গৌতমবাবু নয়, পাশাপাশি পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জেরা করতে পারেন বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলে। ওএমআর শিট সংক্রান্ত মামলায় এদিন সিবিআইকে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সেই রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানি এমনভাবে ওএমআর শিট তৈরি করেছিল যাতে প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর কোনও কিছু স্পষ্ট বোঝা না যায়। এমনকী পর্ষদের কাছে ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলেও তাঁরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকেই ডিজিটাইজ ডাটা হিসাবে দাবি করছেন।এরপরই বিচারপতি জানান, সিবিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ওএমআর শিট দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন। এই দুর্নীতি সামনে আসার পরও বর্তমান বোর্ড সদস্যরা কীভাবে এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানিকেই ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব দিলেন? এ জন্যই পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তারপরই পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল ও সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। ফলে গৌতম পালকে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, সিবিআই চাইলে সেক্রেটারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। তারপর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। যদি বোর্ড সদস্যেদের কেউ সহযোগিতা না করেন তাহলে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
কলকাতা

সিবিআইয়ের দিনভর তল্লাশি চেতলার বাড়িতে, ক্ষোভ উগরে দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

এর আগে নারদাকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রবিবার পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই ১০ ঘণ্টা তল্লাশি চালালো ফিরহাদের চেতলার বাড়িতে। সেই বাড়ি থেকে সিবিআই আধিকারিকরা চলে যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র। তিনি বলেন, এভাবে আমার সম্মানহানি করা হচ্ছে। আজ আমার ভাইয়ের শ্রাদ্ধ ছিল। সেখানে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। কেন এভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে হেনস্তা করা হবে? রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়িতে আচমকা হানা দেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। সেই অভিযান ১০ ঘণ্টা পর শেষ হয় সন্ধে সাড়ে ৬টায়। তদন্তকারীরা বাড়ি ছাড়তেই ফিরহাদ মেয়ে প্রিয়দর্শিনী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাঁদের ওপর, মানসিক নির্যাতন চলছে।মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্ত্রী রুবি ও কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, দীর্ঘ বছর ধরে চেতলার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আসছেন। তাঁরা আমাকে কাউন্সিলর বানিয়েছেন। বিধায়ক বানিয়েছেন। আজ অবধি কেউ বলতে পারেনি যে আমি দুর্নীতি করেছি। তার পরও কেন আমাকে এই ভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে? বিজেপিকে বলব, আমাকে জেলে রাখুন। কিন্তু, আমাকে এই ভাবে সম্মানহানি করবেন না। একটা অসভ্য, বর্বর দল। এদের কাছে মাথানত করব না।তাঁর বিরুদ্ধে নারদা মামলা প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ওই একটা মামলাতেই আমি অভিযুক্ত। জেলেও গেছি। কিন্তু, জেলে না-গিয়ে অসুস্থ বলে হাসপাতালে শুয়ে থাকিনি। কিন্তু, ওই একই মামলায় তো শুভেন্দু অধিকারীও অভিযুক্ত। কোথায়, ওকে তো ডাকাই হল না? আমি ২৫ বছর ধরে কাউন্সিলর। কখনও দুর্নীতির সঙ্গে হাত মেলাইনি। বামফ্রন্ট আমলেও মার খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু, এভাবে আমাকে কখনও হেনস্তা করা হয়নি। এদিন সিবিআই তল্লাশি চালায় প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বাড়িতেও।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচনের আগে তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, জেরা-তলব অব্যাহত

প্রায় ছয় ঘন্টা জিজ্ঞাসাবেদ শেষে ইডি দফতর ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদ মাধ্যমে এই অভিনেত্রী-সাংসদ বলেন আমি সব উত্তর দিয়ে দিয়েছি। এদিকে আগামী কাল সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগেই অভিষেককে তলব করা হয়েছিল। অন্য দিকে দীর্ঘ দিন পরে নারদ কয়ণ্ডে তলব করা হয়েছে ম্যাথু স্যামুয়েলকে।ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় এদিন তলব করা হয়েছিল বসিরহাটের সাংসদ নুসরতকে। কিন্তু প্রথম ডাকেই সিজিও কংপ্লেক্সের ইডি দফতরে পৌঁছে যান ১০টা ৪৩ মিনিটে। এরপর তাঁর পার্সোনাল ডিটেল ফর্মপূরণ প্রক্রিয়া চলে। খতিয়ে দেখা হয় অভিনেত্রীর আনা নথি। এরপর থেকেই ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। ইডি সূত্রে খবর, দুটি পর্বে নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে।রিয়েল এস্টেট সংস্থার ডিরেক্টর থাকাকালীন কেন প্রতারণা? ডিরেক্টর হিসাবে তাঁর কী ভূমিকা ছিল? কত টাকা ও কেন ঋণ নিয়েছিলেন? ফেরৎ কীভাবে, কতদিনে দিয়েছিলেন, তার কোনও নথি রয়েছে কিনা? নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদে এইসবই জানতে চান ইডির আধিকারিকরা।সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন মুসরত জাহান। সেই সংস্থা সস্তায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে বহু মানুষের থেকে অর্থ নিয়ে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ যে, ওই প্রতারণার টাকাতেই দক্ষিণ কলকাতায় একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছিলেন নুসরত।২০১১ সালে সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের পথ চলা শুরু হয়েছিল। ২০১৪ সাল নাগাদ সেই কোম্পানি অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন বাংলা অভিনেত্রী নুসরত। ওই সংস্থায় নুসরতের পাশাপাশি অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন রাকেশ সিং নামে এক ব্যবসায়ী ও মডেল-অভিনেত্রী রূপলেখা মিত্র। নুসরতের পাশাপাশি এদিন রাকেশ সিংকেও তলব করা হয়েছে। বুধবার তলব করা হয়েছে রূপলেখাতে, তবে তিনি ইডিকে চিঠি দিয়ে না যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। দাবি করেছেন, নথি জোগাড়ে সময় লাগবে তাঁর।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
রাজ্য

গ্রেফতারির পালা ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের, এবার তলব বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে

ঘুষ দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি। এমন অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। এবার বাঁকুড়ায় কর্মরত ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষক নুয়ে ধন্দ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বুধবার নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই। এই সাত জনের বিরুদ্ধে ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। তলব পাওয়া সাত শিক্ষক ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পাশ করে চাকরি পেয়েছিলেন। মূলত ২০১৪-র টেট দুর্নীতির অভিযোগ মামলাতেই সোমবার প্রাথমিকের ৪ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। শিক্ষকের চাকরি পেতে এঁরা প্রত্যেকে ৫-৬ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের ধৃত ওই ৪ জন অযোগ্য প্রাথমিক শিক্ষক জেরায় নিজেরা দোষ কবুল করেছে।সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রথম টাকার বিনিময়ে চাকরি মেলার অভিযোগে ৪ শিক্ষককে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গ্রেফতার হওয়া ৪ শিক্ষক মুর্শিদাবাদ জেলার। সিবিআই-এর চার্জশিটে এই ৪ ধৃত শিক্ষকের নাম ছিল সাক্ষী হিসাবে। কিন্তু বিচারক প্রশ্ন তোলেন যে চার্জশিটে কেন সাক্ষী হিসেবে নাম রয়েছে তাদের? এরপরই এই ৪ জন অযোগ্য শিক্ষিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারক। ৪ ধৃত অযোগ্য শিক্ষিক হলেন- জাহিরউদ্দিন শেখ, সায়গল হোসেন, সীমার হোসেন ও সৌগত মণ্ডল। বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় জন ধৃত ৪ শিক্ষককে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার বুধবার বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে সিবিআই তলবের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কলকাতায় সিবিআই ডিরেক্টর, গতি বাড়বে তদন্তের?

বুধবার সিবিআই ডিরেক্টর হবার পর প্রথমবার কলকাতায় এলেন প্রবীণ সুদ। বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান প্রবীণ। সেখানে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি দফায় দফায় বৈঠক করপন। সেখানে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন সিবিআইয়ের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব শেষে, বিভিন্ন তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়েও আলোচনা শুরু করেন সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ। প্রতিটি মামলাগুলির কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, কি কি তথ্য উঠে এসেছে এবং আদালতের নির্দেশে কোন মামলার গতিপ্রকৃতি কত পর্যন্ত এগিয়েছে সবটাই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চান তিনি। সিবিআই অফিসারদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে তিনি দেন বলে সূত্রের খবর।প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, ইতিমধ্যে সিবিআই এর ভূমিকা নিয়ে আদালত বেশ কয়েকবার উষ্মা প্রকাশ করেছে। হাইকোর্টের এক বিচারপতিকে সম্প্রতি একটি মামলার শুনানিতে বলতে শোনা গিয়েছিল সিবিআই অফিসাররা যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিবিআই-এর বিরুদ্ধে নালিশ করতে বাধ্য হবেন। এখন দেখার বিষয় সিবিআই এর নবনিযুক্ত ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ কলকাতায় আসার পর সিবিআই এর আধিকারিকদের এই রাজ্যে যে সকল মামলা তাদের হেফাজতে রয়েছে তা নিয়ে তাদের পরবর্তী ভূমিকা কি হয়।

আগস্ট ০২, ২০২৩
রাজ্য

অঞ্চল সভাপতির পদের দাম ১০ লক্ষ! টুইট সুকান্তর, কি বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি?

জনৈক তৃণমূল নেতাকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা দাবি। এমনই অভিযোগ উঠেছে খোদ তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। রবিবার বিকেলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের তিনটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে জনৈক ব্যাক্তিকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে টাকা পয়সার কথা বলতে শোনা যায় মৃণালবাবুকে। এই বিষয় নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম এর তরফে তৃনমুল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ভিডিও গুলি টুইট করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মৃণাল সরকার। মৃণাল সরকারের দাবি, এটা দীর্ঘদিন আগেকার একটা ঘটনা। তখন আমি ব্লক সভাপতি ছিলাম, তখন কেউ এটা তুলে থাকবেন। আমি ঘুমোচ্ছিলাম। তখনই কেউ একজন এসব বলে, প্রশ্ন করে ও টাকা দিতে চায়। আমি কোনও সায় দেয়নি। ড্যান্স বারের ভিডিওর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন মৃনাল সরকার। তিনি বলেন, খাওয়া-দাওয়ার ভিডিওটা অনেক পুরনো ও ব্যক্তিগত। তবে আমি মদ্যপান করছি এমন কোনও দৃশ্য ওই ভিডিওতে নেই। বিজেপির আইটি সেল ভোটের আগে বদনাম করার জন্যই এরকম ভিডিও ভাইরাল করছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের নতুন কিছু না। এই দলের টিকিট থেকে পদ সবই টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সভাপতিও তাই টাকা চাইবেন, এতে কোনও আশ্চর্যের কিছু নেই। এটা তৃণমূলের ব্যবসা। টাকা দিয়েই পদ নেবেন, আবার সেই টাকা তুলবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal