• ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Student

রাজ্য

Vaccination of 15-18: ১৫-১৮ বয়সীদের টিকাকরণে ব্রাত্য বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা, উদ্বেগ অভিভাবকদের

দেশজুড়ে ফের বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের প্রভাব। নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। সারা দেশের সঙ্গে এরাজ্যেও জোরকদমে চলছে টিকাকরন প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬ ডিসেম্বর ঘোষণা করেন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হবে এবং ৬০ বছরের উর্ধে যারা তাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ৩ ডিসেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে ১৫ থেকে ১৮ টিকাকরণ চলছে।আরও পড়ুনঃ জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারতবিভিন্ন সরকারি স্কুল-এ আস্থায়ী ক্যাম্প করে এই টিকাকরণ প্রকল্প চলছে। শিবিরেগুলিতে উপস্থিতির হার আশাব্যাঞ্জক। এই টিকাকরন থেকে শধু ব্রাত্য বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের প্রশ্নের মুখে জেরবার। বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের প্রিন্সিপ্যালকে ভ্যাকসিন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জনতার কথাকে বলেন, আমাদের কাছে এই সংক্রান্ত কোন নির্দেশিকা নেই। আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি, কোনও সুরাহা হলেই ছাত্রদের জানিয়ে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যবেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমে পাঠরত ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের প্রশ্ন, সরকার বলছে স্কুলে স্কুলে টিকা দেওয়া হবে, আমরা স্কুলে গেলে তাঁরা এই ব্যাপারে কিছু জানেন না বলছেন। এখন আমরা কোথায় যাব? আমাদের ছেলে মেয়েরা বেসরকারি স্কুলে পরে বলে কি এই দেশের নাগরিক নয়? স্কুল খুলে দিয়ে ছেলেদের ভ্যাকসিন না দিয়ে ছেলে, মেয়েগুলোকে মত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া ছাড়া কিছু না। এটা বেসরকারি স্কুলে পড়া ছেলে মেয়েদের সঙ্গে চরম বিমাতৃসুলভ আচরণ।আরও পড়ুনঃ ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবজনতার কথা এবিষয়ে বর্ধমান জেলা করোনা ভ্যাকসিন-র নোডাল জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক ডিপিআরডিও (DPRDO) অনুপ মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি জানান, এখনও অবধি বেসরকারি স্কুলে ভ্যাকসিন দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা নেই।আরও পড়ুনঃ নামল তাপমাত্রার পারদ, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে হতে পারে বৃষ্টিওঅভিভাবকদের প্রশ্ন, যখন বন্যার স্রোতের মত করোনা ধেয়ে আসছে তখন এই কচি-কাঁচাদের ভয়ঙ্কর দোটানায় ফেলে রাখার দায় কার? কোনওরকম পরিকল্পনা না করেই কি এই ভ্যাক্সিনেশন প্রোগ্রাম চলছে? নাকি একশ্রেণির মানুষকে খুশি করতেই এই বিমাতৃসুলভ আচরণ?

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Student's Struggle: শরীরে বাসা বেঁধেছে মারন রোগ, তবুও মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য এক ছাত্রীর সংগ্রামের কাহিনী

শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি ক্যানসার। তা বলে জীবনযুদ্ধে হার মানতে চায় না ছাত্রী সামিনা খাতুন।তাঁর এখন একটাই লক্ষ্য, মারণ ব্যাধির জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়েও পড়াশুনা চালিয়ে গিয়ে সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া।মনের জেদকে সম্বল করেই কিশোরী সামিনা সেই লক্ষ্য পূরণের পথে এখন এগিয়ে চলেছে। শুধুমাত্র লেখাপড়া শেখার জন্য এক ক্যানসার আক্রান্ত ছাত্রীর এমন কঠিন লড়াইয়ে ব্রতি হওয়া কার্যতই নজিরবিহীন বলে মনে করছেন শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা।পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম রামনাথপুর। এই গ্রামের শেখ পাড়ার এক দিন দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সামিনা খাতুন। ছোট্ট দুকুঠুরি ঘরে পরিবারের সকলে বসবাস করেন । সামিনার বাবা শেখ আলম খেতমজুরির কাজ করেন। মা নূরজাহান বেগম সাধারণ গৃহবধূ।সামিনার দিদি আসলিমা বিবাহিতা। ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়া শেখার বিষয়ে সামিনার আগ্রহ তৈরি হয়। তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ সম্পূর্ণ করে সামিনা ভর্তি হয় স্থানীয় বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে। একের পর এক ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করে সামিনা অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়। এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সামিনার জীবনে ছন্দপতন ঘটে যায় এরপরেই।আরও পড়ুনঃ ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল দুয়ারে সরকার কর্মসূচিঅষ্টম শ্রেণিতে পাঠরত কালেই ছাত্রী সামিনার শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়। তাঁর বাবা মা তাঁকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। পরিবারের সকলে তখন মনে করেছিলেন জামালপুর হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের চিকিৎসাতেই সামিনা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু তা হয় না। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ধরা পড়ে সামিনার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি। তার পর থেকে টানা দুবছর ধরে তাঁর ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। এখন নিয়ম করে সামিনাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি-র জন্য নিয়ে যেতে হয়। এর জন্য মাথার চুল সব উঠে যাওয়ায় সামিনা প্রথমে একটু মুষড়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে এখন তা নিয়ে সামিনা আর মাথা ঘামাতে চায় না। তাঁর মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন সে সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তির্ণ হওয়ার জন্য শুধুই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে।সমিনা জানিয়েছে, তাঁর দুই কানের নিচে গলার অংশে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসা চলছে ঠিকই তবে এখনও খাওয়া দাওয়া সে ভালভাবে করতে পারছে না। গলায় খুব ব্যাথা থাকায় ভাত গিলে খেতে পারছে না। শুধু পাতলা সুজি কোনওরকমে খেয়ে দিনের পর দিন তাঁকে পেট ভরাতে হচ্ছে। তবে কষ্ট যাই থাক লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সে বিছানায় শুয়ে থেকে দিন কাটাতে চায় না। সামনেই তাঁর মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় সফল ভাবে তাঁকে উত্তীর্ণ হতেই হবে। তাই মারণ ব্যাধির জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়ে সে এখন শুধু পড়াশুনাতেই মনোনিবেশ করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী সামিনা জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাহার কী স্বাদ ঘর মে- চিকেন রেশমি কাবাবছাত্রী সামিনার বাবা শেখ আলম বলেন , আমি খেতমজুরির কাজ করে যে টুকু রোজগার করি তা দিয়েই পরিবারের সকলের দিন গুজরান হয়। দুবছর ধরে আমার ছোট মেয়ে সামিনার ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। মেয়ে এতবড় কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পুষ্টিকর খাবারদাবার কিছুই দিতে পারছি না। মেয়ের স্কুলের শিক্ষক মহাশয়গণ ছাড়াও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য শেখ জিয়ারুল রহমান সহ আরও কয়েকজন শুভানু্ধ্যায়ী আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির জন্য মেয়েকে নিয়মিত বর্ধমান হাপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা ও ওষুধের খরচ জোগাড় করতে পারছি।আলম বাবু আরও বলেন, কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও তাঁর মেয়ে দমে যায়নি। সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সে এখন পুরোদমে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। সামিনার মা নূরজাহান বেগম বলেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালেই তাঁর মেয়ের চিকিৎসা চলছে। কোন সহৃদয় মানুষ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে মেয়েকে ভিন রাজ্যের বড় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারেন। অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার জন্য নূরজাহান বেগম সকলের কাছে সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।আরও পড়ুনঃ প্রায় ৩ লক্ষ কিশোর-কিশোরীকে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু পূর্ব বর্ধমানেবনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল রায় বলেন, সামিনা খাতুন আমাদের বিদ্যালয়ের এ- বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দু,বছর আগে ওর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ওর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে যতটা সম্ভব সামিনাকে সাহায্য করা হয়েছে। সামিনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় স-সন্মানে যাতে উত্তীর্ণ হতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে সমস্তরকম সহযোগিতা থাকছে। শ্যামলবাবু এও বলেন, সামিনা আমাদের চোখে জীবন সংগ্রামের যোদ্ধা । জীবন যুদ্ধেও সামিনা যাতে জয়ী হতে পারে সেই লড়াইয়েও সামিনার পাশে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার কমিটির বৈঠকের সময়ে সামিনার অসুস্থতার বিষয়টি বিদ্যালয়ের তরফে লিখিত ভাবে জানিয়ে রাখা হবে। পরীক্ষার দিনগুলিতেও সামিনাকে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় সেই বিষয়েও বিদ্যালয় নজর রাখবে বলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, ব্লক প্রশাসনও মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে অসুস্থ ছাত্রী সামিনার পাশে থাকবে। ওর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার তা নেওয়া হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিদেশ

Parag Agarwal: টুইটারের নতুন সিইও মুম্বইয়ের পরাগ আগরওয়াল

টুইটারের সিইও পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জ্যাক ডোরসে। আর তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদে এবার বসলেন পরাগ আগরওয়াল। তিনিই হচ্ছেন টুইটারের নতুন সিইও। পরাগ আগরওয়াল এতদিন টুইটারে সিটিও পদে নিযুক্ত ছিলেন। মুম্বইয়ের পরাগ আগরওয়াল আইআইটি প্রাক্তনী। জ্যাক ডোরসের ইস্তফার পর সিটিও থেকে পরাগ আগরওয়ালের পদোন্নতি হয়ে সিইও হচ্ছেন তিনি।টুইটারের সকল কর্মীর কাছে পাঠানো একটি ইমেলে, জ্যাক ডরসি লিখেছেন, আমাদের কোম্পানিতে সহ-প্রতিষ্ঠাতা থেকে সিইও থেকে চেয়ার থেকে এক্সিকিউটিভ চেয়ার থেকে অন্তর্বর্তী সিইও থেকে সিইওআই প্রায় ১৬ বছর সংস্থার বিভিন্ন ভূমিকায় কাটানোর পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে অবশেষে আমার বিদায় নেওয়ার সময় এসেছে।উল্লেখ্য, পরাগ আগরওয়াল আইআইটি বম্বে থেকে তার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন। এরপর স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেন তিনি। টুইটারের সদ্য প্রাক্তন সিইও জ্যাক ডরসিও তাঁর উত্তরসূরি পরাগ আগরওয়ালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশে ইমেলে, তিনি বলেছেন, বোর্ড সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করে একটি কঠোর প্রক্রিয়া চালিয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে পরাগকে নিয়োগ করেছে। তিনি কোম্পানি এবং এর চাহিদাগুলিকে কতটা গভীরভাবে বোঝেন তা বিবেচনা করে তিনি কিছু সময়ের জন্য আমার পছন্দ হয়েছিলেন। পরাগ প্রতিটি সমালোচনামূলক সিদ্ধান্তের পিছনে ছিলেন। যা এই কোম্পানিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি কৌতূহলী, অনুসন্ধানী, যুক্তিবাদী, সৃজনশীল, দাবিদার, স্ব-সচেতন এবং নম্র। তিনি হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে নেতৃত্ব দেন এবং এমন একজন যার থেকে আমি প্রতিদিন শিখি। আমাদের সিইও হিসাবে তার উপর আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Commit Suicide: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রের নাম সৈকত মাঝি(১৯)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। সৈকত দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়তো। গত ১৫ অক্টোবর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ছাত্রের এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য দোষীদের শাস্তিদানের ব্যাপারে পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতের দ্বারস্থ হন ছাত্রের দাদা সৌমেন মাঝি। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য শুনে সিজেএম আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা জন্য জামালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সৌমেন মাঝি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। তাঁর ভাই সৈকত মাঝি দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মেকানিক্যাল বিভাগের ছাত্র ছিল। কাঁশড়া এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি যুবতীর পরিবার মেনে নেয়নি। ঘটনার মাস দুই আগে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য যুবতীর পরিবার সৈকতকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এইসবের কারণে তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ভাই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিল। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতো না।উদাস থাকতো। সেই কারণে সব ভুলে গিয়ে ভাল করে পড়াশুনা করার জন্য তিনি তাঁর ভাইকে বলেন।সৈকত তখন তাঁদের জানায় ,যুবতী অন্য একজনের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পের্ক লিপ্ত হয়েছে। তাই নানা কটুক্তি করে তাকে ভুলে যাওয়ার কথা যুবতী তাঁর ভাই সৈকতকে বলছে। এমনকি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুবতী সৈকতকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ডেকে পাঠায়। সৈকত দেখা করতে গেলে যুবতী ও তার নব্য প্রেমিক তাকে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। তাতে সৈকত মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থার মধ্যেই গত ১৫ অক্টোবর রাত দেড়টা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। তারা তাঁর ভাইকে ডাকাডাকি করে। তা শুনে সৈকত বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে তাঁরা পুনরায় কটূক্তি করে। এমনকি গুলি করে মেরে দেওয়ারও হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। এরপর সৈকত ঘরে শুতে যায়। সৌমেন জানিয়েছেন, পরের দিন সকালে ঘরের সিলিং ফ্যানের হুকে লেপের কভার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সৈকতকে ঝুলতে দেখা যায়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন।মামলাকারী মৃতের দাদার আইনজীবী শর্মিষ্ঠা সামন্ত জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার কথা থানায় জানানো হয়েছিল। থানা কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রের পরিবারকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপারকেও জানানো হয়। তারপরও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে সিজেএম আদালতে মামলা করা হয়েছে। সিজেএম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জামালপুর থানার এক অফিসার বলেন, সম্ভবত কেউ এই ধরণের অভিযোগ জানাতে থানায় আসেন নি। তবে আদালত নির্দেশ দিলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

বন্ধুদের সঙ্গে ভাগীরথীতে স্নান করতে নেমে ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তৈরি হল রহস্য

বন্ধুদের সঙ্গে ভাগীরথী নদীতে স্মান করতে নেমে এক ছাত্রের মারা যাওয়ার ঘটনা নিয়ে তৈরি হল রহস্য । মৃত ওই ছাত্রের নাম রিক রায়(১৬)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার সুবর্ণনগর কলোনীতে।সে স্থানীয় বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল ।ভাগীরথীতে স্নান করতে নেমে রিক তলিয়ে যায় বলে তাঁর বন্ধুরা দাবি করলেও ছাত্রের পরিবার তা মানতে চায়নি। আর তার কারণেই ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য । ময়নাতদন্তের জন্য ছাত্রের মৃতদেহ শনিবার পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশের দাবি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই ছাত্রের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিন দুপুরে ছাত্র রিক তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায়।পরে সে বাড়ির ওই বন্ধুদের সঙ্গেই আবার কালনার ভাগীরথী নদীতে স্নানও করতে যায়।বন্ধুদের দাবি স্নান চলাকালীন অবস্থায় রিক নদীর জলে তলিয়ে যায় ।যদিও ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ রিকের বন্ধুরা এই ঘটনার কিছুই তাঁদের বাড়িতে জানায় নি । সব চেপে যায় । অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁরা নদীতে গিয়ে রিকের খোঁজ চালান। পাশাপাশি বিপর্যয় ব্যবস্থাপন দপ্তরের টিমও ভাগীরথীতে রিকের খোঁজ চালায়।কিন্তু ওই দিন রিকের কোন হদিশ মেলে নি । শনিবার সকালে ফের ভাগীরথীতে রিকের খোঁজ চালানো শুরু হয় । বেলা ১০ টা নাগাদ উদ্ধার হয় ছাত্র রিকের মৃতদেহ।মৃত ছাত্রের বাবা গোপাল রায় এদিন বলেন,বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাচ্ছি বলে রিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল ।বন্ধুরা পরে যে যার বাড়ি ফিরে গেলেও রিকের ব্যাপারে তাঁরা কোন খবর তাঁদের জানায়নি। পরে একজন বয়স্ক লোকের কাছ থেকে তাঁরা রিকের ব্যাপারে খবর পান ।গোপালবাবু বলেন , বন্ধুরা কেন সব ঘটনা চেপে গেল সেটাই তাঁদের কাছে রহস্য জনক লাগছে । তাই ঘটনার বিষয়ে তিনি পুলিশের কাছে আভিযোগ জানানোর দিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Suicide: খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারায় আত্মঘাতী ছাত্র

খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারার অভিমানে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম রূপায়ন দাস(১১)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার কালেখাঁতলা পঞ্চায়েতের মুরাগাছা গ্রামে।বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে মৃত ছাত্রের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়ে, মুরগাছা গ্রামের ছাত্র রূপায়ন দাস স্থানীয় বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়তো। সে বৃহস্পতিবার তাঁর মা বিহান দাসের কাছে দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করে। অত দামি মোবাইল ফোন কিনে দিতে পারবে না বলে খেতমজুর মা বিহানদেবী তাঁর ছেলেকে জানিয়ে দেন। এরপরেই মায়ের উপর অভিমান করে ছেলে রূপায়ন দাস ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়েঝুলে পড়ে। রুপায়ন দীর্ঘ সময় ঘর থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকে পরিবারের লোকজন রূপায়নের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। ছাত্রের এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: স্কলারশিপ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আর ৭৫ শতাংশ নয়, এবার থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলেই ছাত্র-ছাত্রীরা পাবেন বিবেকানন্দ স্কলারশিপ। আজ রাজ্যের কৃতি পড়ুয়াদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে ছাত্রদের উৎসাহ দিতে প্রত্যেক কৃতি ছাত্র ও ছাত্রীকে দেওয়া হল ল্যাপটপ ও একগুচ্ছ বই। ছাত্ররাই যে রাজ্যের ভবিষ্যৎ এদিন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে সে কথাই বার বার শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। একইসঙ্গে উঠলো স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রসঙ্গও।এদিন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রতিটি জেলার উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ স্থানাধিকারী ছাত্র-ছাত্রীরা। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও মাদ্রাসা বোর্ডের কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের এদিন পরীক্ষায় নজিরবিহীন সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী । সেই সঙ্গে সকলকে আগামী দিনে আরও ভালো ফল করে পড়াশোনায় রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য উৎসাহিত করেন মমতা।আরও পড়ুনঃ প্রো কবাডি লিগে বেঙ্গল ওয়ারিয়র্স দলে বাঙালি নেই!ছাত্র-ছাত্রীদের মুখ্যমন্ত্রী জানান এবার থেকে বিবেকানন্দ স্কলারশিপের আওতায় বৃত্তি পাবেন আরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী। এছাড়াও সংখ্যালঘুদের জন্য থাকছে ঐক্যশ্রী। তপসিলি জাতি উপজাতির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য থাকছে শিক্ষাশ্রী। মেদিনীপুর, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদীয়া এক এক করে সব জেলার ছাত্রদের সঙ্গেই এদিন কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, পড়ুয়ারাই রাজ্যের গর্ব। আরও নতুন দিশা দেখাক ছাত্ররা। মনে করিয়ে দেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করা হয়েছে পড়ুয়াদের সুবিধার্থে। এই ধরণের সরকারি সুবিধা যেন ভোগ করতে পারেন ছাত্র ছাত্রীরা।মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম ১০ তম স্থান পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বরাবরই সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও সেই সংবর্ধনার রীতি বজায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন জেলার কৃতি ছাত্র ছাত্রীরা জেলাশাসকের অফিস ও এসডিও অফিসে হাজির ছিলেন। এদিন তাঁদের ভার্চুয়ালি সংবর্ধনা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Students Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্র

আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা যাতে থমকে না যায় তার জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।তার মাধ্যমে পড়ুয়ারা ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবে। পড়ুয়াদের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেওয়া এমন উদ্যোগ গোটা দেশের পড়ুয়া মহলে সাড়া ফেলে দেয়। কিন্তু এত কিছুর পরেও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পড়ুয়ার কাছ থেকে সিকিউরিটি বাবদ বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা রাখার কথা বলায় পণ্ড হতে বসেছে স্টুটেন্ড ক্রেডিট কার্ড চালু করার মূল উদ্দেশ্য। ব্যাঙ্কের জারি করা এমন ফরমানে চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বি-টেক পড়ুয়া আবির মিত্র। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ যাতে এমন ফরমান প্রত্যাহার করে নেয় তার জন্য ছাত্র আবির চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও কালনার মহকুমা শাসকের কাছে আর্জি জানিয়েছে। পড়ুয়ার আর্জির কথা জানতে পেরে নড়ে চড়ে বসেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।কালনা শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটমিত্র পাড়ায় বাড়ি বি-টেক এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবির মিত্রর।তাঁর বাবা ওষুধের দোকানে কাজ করে সামান্য যেটুকে অর্থ রোজগার করেন তা দিয়েই কোনরকমে তাঁদের সংসার চলে। তবুও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্র আবিরের স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষিত হওয়া। এখন তাঁর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থই বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করায় লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখেছিল আবির।পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য আবির ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের রেজিষ্ট্রেশন করে। এরপর সে পড়াশোনার জন্য দেড় লক্ষ টাকা লোন নিতে চেয়ে বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কালনা শাখায় আবেদন করে। আবিরের অভিযোগ, ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে দেড় লক্ষ টাকা লোন পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা (বন্ধক )রাখতে বালায় সে বিপাকে পড়ে যায়। আবির এদিন জানিয়েছে, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমন ফরমান যাতে প্রত্যাহার করে তার আর্জি জানিয়ে সে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও মহকুমাশাসকের কাছে চিঠি লিখেছে।যদিও ওই ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রদীপ অধিকারী এদিন বলেন, লোন নিয়ে প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়। ওই লোন সেন্ট্রাল বর্ধমান থেকে দেওয়া হচ্ছে। জমি, বাড়ি বন্ধক রাখার কথা কাউকে বলা হয়নি বলে প্রদীপ বাবু জানান। কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ওই ছাত্রের লোন পেতে কোনও অসুবিধা হবে না।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Visva Bharati: বিশ্বভারতীতে বাড়ছে জটিলতা, শান্তিনিকেতনে আজ ঐশীদের মিছিল

ক্রমেই বাড়ছে বিশ্বভারতীর জটিলতা। চার দিনেও বদল হল না পরিস্থিতির। তিন পড়ুয়ার বহিষ্কারের প্রতিবাদে চতুর্থ দিনে পড়ল ছাত্র আন্দোলন। আজ, মঙ্গলবার উপাচার্যের বাংলোর বাইরে একই রকম ভাবে অবস্থান করছেন বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। উপাচার্য যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁর সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিচ্ছেন, এই আন্দোলন চলবে। অন্যদিকে, আজই বিশ্বভারতীর আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে বোলপুর স্টেশন থেকে উপাচার্যের বাসভবন পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন জেএনইউ-এর ছাত্র নেত্রী ঐশী ঘোষ। এদিকে, উপাচার্যর নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের হয়েছে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগও।আরও পড়ুনঃ আজ রাজ্যজুড়ে পেট্রল পাম্প বনধ, কোথাও মিলবে না তেলসম্প্রতি, বিশ্বভারতী থেকে সাসপেন্ড করা হয় তিন পড়ুয়াকে। ফাল্গুনী পান, সোমনাথ সৌ এবং রূপা চক্রবর্তীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, পদার্থ বিজ্ঞানের দুই অধ্যাপক পীযুষকান্তি ঘোষ ও অরণি চক্রবর্তীকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করে বিশ্বভারতী। আচমকা এই সাসপেনশন ও পড়ুয়াদের বরখাস্তের নোটিসে কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের একাংশ।তিন পড়ুয়াকে বরখাস্ত করার প্রতিবাদে ও তার কারণ জানতে চেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন ছাত্রছাত্রীরা। উপাচার্যের বাড়ির বাইরে আন্দোলনে অনড় তাঁরা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একাধিক। শিক্ষকমহলের একাংশের প্রশ্ন, কেন এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না উপাচার্য? প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে উপাচার্য এই দায় কি এড়িয়ে যেতে পারেন, সে প্রশ্নও উঠছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Student Molestation: ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্র

নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল চার নাবালক ছাত্র। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। পূর্বস্থলী থানা এলাকাতেই ধৃতদের বাড়ি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমানের জুভেনাইল জাষ্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত বছর ১৬ বয়সী নাবালিকা ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্বস্থলী থানার উখুড়া শরাংপুর এলাকায়। সে স্থানীয় যে কোচিং সেন্টারে পড়তে যেত সেখানেই পড়তো নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এলাকার চার ছাত্র। গত ১০ই আগষ্ট ছাত্রটি ওই কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। তখন চার ছাত্রও কোচিং সেন্টারেই ছিল। অভিযোগ, শিক্ষক নিজের কাজে একবার বাইরে যেতেই ওই চার ছাত্র নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতহানি করে। এমনকী শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও ছাত্ররা মোবাইলে তুলে রাখে। কাউকে কিছু জানালে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে ছাত্ররা ছাত্রীটিকে হুমকি দেয়।এমন হুমকির কথা শুনে ভয়ে ছাত্রীটি বাড়ির কাউকে কিছু জানায়নি। তার পরেও শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও তারা ছড়িয়ে দেয়। তা দেখার পর ছাত্রীর অবিভাবকরা ছাত্রীর কছে বিষয়টি জানতে চায়। ছাত্রীটি ঘটনার কথা তাঁর পরিবারকে খুলে বললে অবিভাবকরা চার ছাত্রের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে পুলিশ চার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দোলনে 'গুন্ডামি' দেখছেন দিলীপ

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেন্ট্রাল অফিসের পর শুক্রবার রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্য না দেখা করলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের এ হেন আচরণকে গুন্ডামি বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার নিউ টাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটা গুন্ডামি করার জন্য নয়।আরও পড়ুনঃ নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা সম্প্রতি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনজন ছাত্রছাত্রীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার প্রথমে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিস এবং পরে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতভর ঘেরাও চলে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, উপাচার্যকে তাঁদের দাবিদাওয়া মেনে নিতে হবে। অনৈতিক ভাবে পড়ুয়াদের বরখাস্তও করা চলবে না।শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় যে দপ্তর তা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। সেই বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে কার্যত হাতাহাতি বেধে যায় বিশ্বভারতীর নিরাপত্তাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন, বিশ্বভারতী নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছে। এরপরই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদুৎ চক্রবর্তীর আপ্ত সহায়কের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান পড়ুয়ারা। তখন তিনি পড়ুয়াদের গাড়ি চাপা দিতে উদ্যত হন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। এর পরই রাতে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন পড়ুয়াদের একাংশ। অভিযোগ, রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে থাকেন তাঁরা।

আগস্ট ২৮, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - অন্তিম পর্ব

আমরা তখন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। মাষ্টার্স করছি। আমি আর দীপ্ত স্কুল থেকে একসাথে পড়ি। কলেজ আর ইউনিভার্সিটিতে ও এক সাথেই থাকি। দীপ্ত খুব ভালো গান করে বরাবর। ইউনিভার্সিটির একটা কম্পিটিশনে যুগ্ম প্রথম হয় ফিজিক্সের দীপ্ত সেন আর ইংরাজীর মধুছন্দা ব্যানার্জী।তারপর ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। ধীরে ধীরে সেই বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে পরিনত হয়।মধুর বাড়ি শিলিগুড়ি। ওর বাবা ওখানকার সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার উপর ওরা ব্রাহ্মণ। ওদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা বন্ধুরা খুব চিন্তিত ছিলাম। মধু বড়লোকের মেয়ে ওর কাছে এটা ছেলে খেলা এরকম অনেক কিছু আমরা ভাবতাম। মাস্টার্স কমপ্লিট করে দীপ্ত পিএইচডি করার প্রস্তুতি নিতে থাকে। মধুও মাস্টার্স শেষ করে শিলিগুড়ি গিয়ে একটি স্কুলে চাকরি পায়। এরমধ্যে দীপ্ত পিএইচডিতে যোগ দেয়। কিন্তু মধুর বাবা ওর বিয়ে ঠিক করেন। তখনই সমস্যা শুরু হয়। মধু ওর মা, বাবাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ওর মা বুঝলেও বাবা বোঝে না।অগত্যা মধু পালিয়ে চলে আসে দীপ্তর কাছে। আমরা বন্ধুরা তখন বুঝতে পারি মধুর ভালোবাসা কত গভীর। ওরা বিয়ে করে। তখন দীপ্ত কয়েকটি টিউশন পড়ায় মাত্র, আর স্কলারশিপের কটা টাকা।আমার বাড়ি যেহেতু এখানে আর আমার বাবারও কিছু নামডাক ছিল তাই বাবাকে বলে একটা স্কুলে মধুর একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিই।বেশ আনন্দের মধ্যে দিয়ে কাটতে থাকে ওদের জীবন। স্বাচ্ছন্দ্য স্বচ্ছলতা না থাকলেও আনন্দ ছিল।অনিমেষবাবুর সাথে কথা বলার পর মেহুলের মনের মধ্যে তোলপাড় চলে। কি করবে ও এখন? কিভাবে দুটো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানুষকে সামনাসামনি আনবে? যখন আবার একটা মানুষ অসুস্থ। বলা যায় এটা ওই মানুষটার শেষ ইচ্ছা। এইসব ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফেরে।ওকে দেখে মাধুরীদেবী মানে ওর দিয়া বলে ওঠে কি ব্যাপার দিদি ভাই আজ এত দেরি কেন? কোথায় গিয়েছিলে? তোমাকে এত গম্ভীর দেখাচ্ছে কেন?বলছি সব বলছি। আগে ফ্রেশ হয়ে আসি। তোমার সঙ্গে আজ অনেক কথা আছে। আলোচনাও আছে অনেক। বলে মেহুল বাথরুমে ঢুকে পড়ে।মাধুরীদেবী ভাবেন কি বলবে মেহুল!একটু পরেই মেহুল বেরিয়ে এসে মাধুরী দেবীকে নিয়ে নিজের ঘরে এসে বসে।শোনো দিয়া আজ আমি যা যা জানতে চাইব সব আমাকে বলবে। কোনও কিছু আমার কাছে লুকিয়ে রাখবে না। অনেক দেরি হলেও একটা চেষ্টা আমাকে করতেই হবে।কি বলছিস আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।বুঝতে পারবে বললে বুঝতে পারবে।সেদিন আমি যখন তোমাকে জিজ্ঞাসা করলাম সৌরীশ সেন নামে কাউকে চেনো কিনা? তুমি চমকে উঠেছিলে আমি সেটা লক্ষ্য করেছি। তার মানে তুমি চেনো।হ্যাঁ না মানে হ্যাঁ চিনি।এবার আমি যা বলছি দেখো সব ঠিক বলছি কিনা?অবাক চোখে তাকায় মাধুরীদেবী মেহুলের দিকে।মেহুল একে একে সব বলে যা শুনেছে অনিমেষ বাবুরকাছে। এবার বলো মা কে কি তোমরা আবার বিয়ে দিতে পেরেছিলে?না না কোলকাতা থেকে ফিরে গিয়ে তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন আমাদের ফ্যামিলি ডাক্তার তোর আসার খবর শোনায়। এও বলেন যে তোর মাকে খুব সাবধান থাকতে হবে। শরীরের অবস্থা খুব খারাপ কোনওরকম উত্তেজনা চলবে না। তাই আমরা আর তোর বাবাকে খবর দিতে পারিনি। আর তোর দারুণ চায়নি মাও না। মাধুরীদেবী বলেন আমি জানতাম কোথাও একটা মস্ত ভুল হচ্ছে। বারবার বলেছিলাম মেয়েটাকে দীপ্তকে একবার বলার সূযোগ দিতে।না মেয়ে শুনলে না মেয়ের বাবা। এখন আমি কি করি?? বলে কপাল চাপড়াতে লাগলেন। মাঝখানে তুই কত কষ্ট ভোগ করলি। পারবে ওরা এখন তোকে সেসব ফিরিয়ে দিতে?সেসব এখন ছাড়ো। এখন যেটা করতে হবে মা কে আনতে হবে কলকাতায়। একমাত্র আমার শরীর খারাপ শুনলেই আসবে।তুমি ফোন করে বলো আমার খুব জ্বর। কিছুতেই জ্বর ছাড়ছে না।সেরকমই করলেন মাধুরীদেবী। মধুছন্দাকে ফোন করে বলেন মেহুলের খুব জ্বর।সেকথা শুনে পরদিনই ফ্লাইট ধরে মধুছন্দা চলে আসে। মেহুল একটু নাটক করে শরীর খারাপের।বিকেলে প্ল্যান অনুযায়ী অনিমেষবাবু মেহুলকে দেখতে আসে।অনিমেষ বাবুকে দেখে মধুছন্দা একটু ঘাবড়ে যায়। মেহুল পরিচয় করাতে গেলে অনিমেষ বলেন ওনারা পূ্র্ব পরিচিত। মধুছন্দা এড়িয়ে যেতে চান কিন্তু অনিমেষ বাবু চেপে ধরেন। এবং বলেন সৌরীশ অর্থাৎ দীপ্ত খুব অসুস্থ। প্রথমে শুনতে চায় না তখন মেহুল জোর করে।বলে মা ভুল বুঝে আর কত কষ্ট দেবে মানুষটাকে আর তুমি আমি সবাই কেন আর কষ্ট পাব। একবার বলার সূযোগ তো দিতে হবে।মধুছন্দা বলে তুমি ছোটো যা জানো না তা নিয়ে বড়দের মাঝে কথা বলো না।মেহুল কিন্তু থামে না বলে আর আমি ছোট নেই। আর আমি এখন পুরোটাই জানি। আমার মনে হয় তোমারও জানা উচিত। যে মানুষটা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে সে কখনও মিথ্যা বলবে না।মধুছন্দা বলে মানে? কে জীবনের শেষ পর্যায়ে?অনিমেষ বাবু বলেন দীপ্ত; ওর ব্রেইনে একটা টিউমার হয়েছে অপারেশন করতে হবে। তাতে ও নাও বাঁচতে পারে। তাই আমাদের সবার অনুরোধ তুমি একবার সত্যিটা শোনো।তারপর সব শোনে মধুছন্দা।মেহুল বলে আমি তো স্যারের ঘরে তোমার অতো বড় একটা ছবি দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম। তারপর আঙ্কেল আমাকে সব বলেন।মধুছন্দা অঝোরে কাঁদতে থাকে। বলে সে কি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে?অনিমেষ বলেন সব হবে তুমি চলো আমাদের সাথে।সবাই মিলে চলে সৌরীশ সেনের বাড়িতে। অনিমেষ বাবু মল্লিকাকেও ডেকে নেন।অনিমেষ বাবুর সাথে মধুছন্দাকে দেখে অবাক হয়ে যান সৌরীশ।মধু মেহুলকে এগিয়ে দিল ; তোমার মেয়ে, আমি এতদিন আগলে রেখে ছিলাম এবার তুমি সামলে রাখবে। তাড়াতাড়ি তোমাকে সুস্থ হতে হবে। বলে মধুছন্দা কাঁদতে থাকে। মল্লিকা এর মধ্যে খাবার দাবার নিয়ে হাজির। মধুছন্দা মল্লিকার কাছেও ক্ষমা চায়।মল্লিকা বলে, না বৌদি আমার কাছে নয় তুমি দাদার কাছে ক্ষমা চেয়েছ ওতেই হবে। দুঃখ শুধু একটাই ভুল বুঝে তুমি মেয়েটাকে বাবার থেকে দূরে রাখলে। যাক পুরনো সব ভুলে আবার নতুন করে শুরু করো। দাদা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুক আর আমার কিছু চাই না।অপরাধ বোধে ভুগতাম তোমাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জন্য নিজেকে দায়ী মনে হত। আজ এতদিন পরে আবার সব ঠিক হল। এবার সবাই একটু মিষ্টি মুখ করো। মল্লিকা প্লেটের মধ্যে মিষ্টি নিয়ে সবাইকে দেয়।মেহুল গিয়ে বাবার পাশে বসে। সৌরীশবাবু ওকে বুকের মধ্যে টেনে নেন।অনিমেষ বাবু বলেন, দীপ্ত একেই বলে রক্তের টান।-সমাপ্ত- লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

আগস্ট ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

হ্যালো, আঙ্কেল আমি মেহুল বলছি। ...... হ্যাঁ, ঠিক চিনেছেন। ........ হ্যাঁ আমি যাই তো। আপনার সঙ্গে দেখা হয়নি। আমি তো কলেজ থেকে যাই। .........বলছিলাম আপনার সাথে খুব জরুরি একটা দরকার আছে। একদিন দেখা করতে চাই। ......... আপনার সুবিধা মত বলুন আমি ঠিক হাজির হয়ে যাব। ......... ঠিক আছে আঙ্কেল তাহলে কাল দেখা হচ্ছে। এখন রাখি। এই বলে মেহুল ফোন রেখে দিলে। পরের দিন ঠিক সময়ে অনিমেষ বাবু আর মেহুল হাজির নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায়। বসো, কি খাবে বলো? কিছু না। একটু কফি। আচ্ছা তাহলে কোল্ড কফি হয়ে যাক। বললেন অনিমেষ বাবুতাই হোক। দুটো কোল্ড কফি অর্ডার দিয়ে জমিয়ে বসলেন। বলো তো মা কি দরকার এই বুড়োটাকে? ঠিক বুঝতে পারছি না কিভাবে কথাটা বলবো? কোনো দ্বিধা না করে বলো। আমার মনেও একটা কৌতূহল জেগেছে তোমার কৌতূহলের সাথে মিলে যেতেও পারে। তাই বলছি বলে ফেলো, কোনও সংকোচ করো না। স্যারের বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই এই প্রশ্নগুলো জেগেছে। কিন্তু স্যারকে জিজ্ঞাসা করতে পারছি না। আর যাকে জিজ্ঞাসা করতে পারি সে তো কাছে থাকে না, তাই ভাবলাম আপনি তো স্যারের খুব কাছের বন্ধু তাই ভাবলাম আপনার কাছেই জানতে পারব। বেশ বেশ বলো না কি জানতে চাও। বলছি স্যারের তো নিজের বলতে কেউ নেই শুনছি, তবে ওনার ঘরে ওই ছবিটি কার? আপনি কি চেনেন ছবির ওই ভদ্র মহিলা কে? অনিমেষ বাবু মেহুলের প্রশ্নে একটু যেন চমকে গেলেন; সাথে সাথে নিজেকে ঠিক করে নিয়ে বলেন আমার মনে যে কথাটি এসেছে তার সাথে তোমার প্রশ্ন রিলেটেড। মেহুল এবার চমকে যায়, মানে? আমার প্রশ্ন হলো তুমি কে? কি তোমার পরিচয়? আর তোমার এই কৌতূহল কেন? তুমি কি চেন? কাকে চেনার কথা বলছেন? ছবির সঙ্গে তোমার মিল আমি সেদিনই খেয়াল করেছি যেদিন হাসপাতালে তোমাকে দেখি। বলতে পারো চমকে গেছিলাম তোমাকে দেখে। তারপর ভাবলাম মানুষে মানুষে তো মিল হয়। তাই চুপ করে ছিলাম। আজ তোমার কথায় আবার সেটা ফিরে এল। বলো চেনো ছবির ওই ভদ্রমহিলাকে? চুপ করে থেকো না বলো!! মেহুল বলে----- হ্যাঁ চিনি। কে হন উনি? আ আ-- মার মা----ঠিক আন্দাজ করেছিলাম আমি। বলেন অনিমেষ বাবু। আপনি আমার মাকে চেনেন? হ্যাঁ খুব চিনি। তা তিনি এখন কোথায়? শিলিগুড়িতে? নাকি অন্য কোথাও? মা সাউথের একটা স্কুলে পড়ায়। আমি দাদু দিদার কাছে বড়ো হয়েছি। মা ছুটিতে আমাদের কাছে আসে। অনিমেষ বাবু এবার জিজ্ঞাসা করেন তোমার বাবা? মেহুলের মুখটা কালো হয়ে যায়। বলতে থাকে, আমি জানি না কে আমার বাবা। কারণ সব জায়গায় মায়ের নাম দেওয়া আছে। যেখানে বাবার নাম দরকার হয়েছে শুধু লেখা আছে ডি. সেন। এর বেশি আমি কিছু জানি না। খুব ছোট বেলায় একবার মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম বাবার কথা। মা খুব কেঁদে ছিল আর বলেছিলেন বাবা হারিয়ে গেছে। তারপর থেকে কোনও দিন কাউকে আর জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। স্যারের ঘরে মায়ের ছবি দেখে মনের কোণে তাই এত প্রশ্ন।এখানে কোথায় থাক? কার কাছে?আমি আর আমার দিদা ইউনিভার্সিটির কাছে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকি।এবার আঙ্কেল আপনি বলুন আমার মায়ের ছবি স্যারের ঘরে কেন?সেটা জানতে গেলে তোমাকে একটা গল্প শুনতে হবে। অত সময় আছে তো তোমার কাছে?হ্যাঁ আমার কাছে সময় আছে। শুধু একবার বলে দিই দেরি হবে ফিরতে।বলে মেহুল ওর দিকে ফোন করে বলে দেয়। এবার আপনার গল্প শুরু করে দিন।অনিমেষ বাবু বলেন এবার কিছু অর্ডার না করলে এরা তুলে দেবে। তাছাড়া খিদেও পেয়েছে কি বলো?মেহুল ওনার কথা শুনে হেসে ফেলে। বলে তাহলে এদের চিকেন কাটলেটটা খুব ভালো। বলে ও ওয়েটারকে ডেকে দুটি কাটলেট অর্ডার দেয়।এবার আপনার গল্প শুরু করুন আঙ্কেল।গল্প শুরু করেন অনিমেষ বাবু ...............ক্রমশঃলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্ব

আগস্ট ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্ব

কিরে দিদিভাই কি ভাবছিস? কদিন ধরে দেখছি তুই কেমন অন্যমনস্ক! কি হয়েছে? তোদের গ্রূপের বন্ধুদের সঙ্গে কিছু হয়েছে?কিরে উত্তর দিচ্ছিস না কেন?হুঁ?কি হ্যাঁ হ্যুঁ করছিস?ও হ্যাঁ, বলো কি বলছো?আমি যে এতক্ষণ বকে যাচ্ছি তোর কানে কিছুই ঢোকেনি!?না মানে খেয়াল করিনি; বলো।বলছি তোর কি হয়েছে? কেমন চুপচাপ হয়ে গেছিস! আমার দিদিভাই তো এত চুপচাপ থাকার মেয়ে নয়।না গো তেমন কিছু হয়নি। একটা প্রশ্ন খুব ঘুরপাক খাচ্ছে মাথার মধ্যে।কি প্রশ্ন? আমাকে বলা যাবে?আচ্ছা দিয়া তুমি সৌরীশ সেন নামে কাউকে চেনো?কী!! সৌ-- রীশ সেন? সে --সে আবার কে? আমি চিনব কি করে?না না তুমি চেনো বলিনি। জিজ্ঞাসা করছি চেনো কিনা?না না আমি ঐ নামে কাউকে চিনি না। একটু যেন উত্তেজিত হয়ে পড়লেন মাধুরীদেবী।আরে বাবা ওরকম করছো কেন! উনিইতো স্যার যাকে হসপিটালে ভর্তি করেছিলাম।তাকে আমি চিনব কি করে?না মানে মা ও তো এখানেই পড়ে ছিল। ওনার বয়স মায়ের কাছাকাছি হবে আর উনি ওখানেই পড়ে ছিলেন। তাই জিজ্ঞাসা করলাম।না না আমি চিনব কেমন করে?মেহুল বুঝতে পারলো মাধুরীদেবী র কাছে কোনও সদুত্তর পাওয়া যাবে না। উঠে পড়ল খাবার টেবিল থেকে।মনে আবার একটা খটকা -------- দিয়া এতটা রিয়্যাক্ট করলো কেন?নামটা শুনে যেন একটু চমকেই উঠলো মনে হলো। কিন্তু কেন?মেহুল কলেজে চলে গেল। মাধুরীদেবী মনে মনে মেহুলের বলা কথা গুলো ভাবতে লাগলেন। আরও ভাবলেন মধু এসব শুনলে মেয়েটার পড়া বন্ধ করে নিয়ে না চলে যায় এখান থেকে। ভাবলেন মেহুল যদি ওর মাকে এই কথাগুলো বলে তাহলে আর রক্ষা থাকবে না। মনে মনে বললেন ----- কি যে করি? আমার হয়েছে যত জ্বালা। সারা জীবন বাপ বেটি জ্বালালো এখন নাতনীও সামিল হয়েছে।এদিকে মেহুল কলেজে দুটি ক্লাস করার পর আর ভালো লাগলো না ও রিমা আর সৈকতকে বললো যাবি স্যারকে দেখতে?ওরা ক্লাস আছে বলে গেল না।কিন্তু মেহুল কলেজে আর থাকতে পারল না।রোজ একবার এস. এস. এর বাড়ি না গেলে ওর মন ভালো লাগে না। অদ্ভুত একটা টান অনুভব করে ও। মনে যে ফাঁকা জায়গাটা আছে, যে কষ্টটা আছে সেটা ভুলে যায় ওনার কাছে গেলে।ওদিকে সৌরীশবাবুও অধীর হয়ে মেহুলের পথ চেয়ে থাকেন। ওনার মধ্যে যেন পিতৃ সত্ত্বা জাগৃত হয়েছে মেহুল কে পেয়ে।এইভাবে বেশ কিছু দিন কাটল। কিন্তু মেহুল ওর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার পথ বের করতে পারছে না। ওর শেষ পর্যন্ত মনে এল অনিমেষ বাবুর কথা।ক্রমশঃলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্ব

আগস্ট ০১, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - প্রথম পর্ব

হ্যালো, হ্যাঁ হ্যাঁ মনে আছে। আজ স্যার কে ছেড়ে দেবে। আমি কালকেই হসপিটালে সব কাগজ পত্র রেডি করে রাখতে বলেছি, যাতে বেশি দেরি না হয়।হ্যাঁ রে বাবা বাড়িতে খবর দেওয়া আছে। বাড়িতে তো আছে শুধু সবসময়ের কাজের লোক বিশু দা! ওনার বাড়িতে খবর দিতে গিয়ে পাড়ার চায়ের দোকানে শুনলাম একা মানুষ, বিশুদা থাকে সঙ্গে।ঠিক আছে আমি আধাঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাব। রাখছি।বলে ফোন কেটে রেডি হতে লাগল মেহুল।মেহুল সেন, যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে মাসকম্যুনিকেশন নিয়ে পড়ে। তার সাথে সমাজসেবা করে ওর কয়েকজন বন্ধু মিলে।মেহুলকে রেডি হতে দেখে ওর দিদা বলে উঠল আজ আবার হসপিটাল যাবি এখন? কখন ফিরবি? দিন দিন বাউন্ডুলে হয়ে যাচ্ছিস।ডার্লিং মানুষের সেবা করতে চাইছি আর তুমি বলছো বাউন্ডুলে!!তোমার তো জানা আছে আমাদের যে স্যারকে রাস্তায় অসুস্থ হতে দেখে হসপিটালে ভর্তি করেছিলাম ওনার কেউ নেই। একা থাকেন। খুব ভালো মানুষ। আজ ওনাকে ডিসচার্জ করে দেবে। তাই ওনাকে বাড়ি দিয়ে আসতে যাচ্ছি।ঠিক আছে সময় মতো বাড়ি ফিরে এসো। তোমার মা ফোন করলে কৈফিয়ত দিতে পারব না।কুল ডার্লিং; ম্যায় হু না। তোমাকে কিছু বলতে হবে না। যা বলার আমি বলব।ঠিক আছে; খেয়ে যেও। বলে মেহুলের দিদা মাধুরী দেবী ওর ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।কিছুক্ষণের মধ্যেই মেহুল বেরিয়ে পড়ল। হসপিটালে গিয়ে দেখল ওরা যেমন এসব কাজে যুক্ত তাদের দুতিন জন হাজির আর স্যার মানে প্রফেসর সৌরীশ সেনের বন্ধু অনিমেষ রায় দাঁড়িয়ে। এ কদিন উনিই রোজ এসেছেন। স্যার নিষেধ করায় আর কাউকে মানে ডিপার্টমেন্টে খবর দেওয়া হয়নি।হসপিটালে সব মিটিয়ে একটা ক্যাব ভাড়া করে অনিমেষবাবু আর মেহুল সৌরীশ বাবুকে নিয়ে রওনা দিলেন। বাকিরা নিজের কাজে গেল।গাড়ি চলতে লাগলো। অনিমেষ বাবু বললেন এই কদিন এই বাচ্চা ছেলে-মেয়েগুলো যা করল ভাবা যায় না। কে বলে এখনকার ছেলে মেয়েরা স্বার্থপর?ওরা সব বিষয়ে কি ভীষন দক্ষ। সেদিন তো এই মেহুল না থাকলে তোকে বাঁচাতে পারা যেত না। এটি আমি বলছি না ডাক্তারবাবু বলেছেন।সৌরীশবাবু ক্লান্ত শরীর গাড়ির ব্যাক সিটে এলিয়ে দিয়ে বসেছেন। এতক্ষণ বন্ধুর কথা শুনছিলেন।উনি ক্লান্ত গলায় বললেন এখনকার ছেলেমেয়েদের ভালো না যারা বলে খুব ভুল বলে।এবার মেহুলকে বলেন তুমি এবং তোমার বন্ধুরা নিশ্চয়ই পড়াশোনা করো?হ্যাঁ স্যার যাদবপুরেই পড়ি। অন্য ডিপার্টমেন্ট। আপনার পরিচয় জানি আপনার গান শুনে। আপনার গান খুব ভালো লাগে আমার।তুমি ও কি গান করো?হ্যাঁ, মায়ের কাছে শিখেছি।কথাবার্তা বলতে বলতে সৌরীশবাবুর বাড়ি এসে পড়ে।মেহুল আর অনিমেষবাবু দুজনে মিলে একদম ওনার শোওয়ার ঘরে নিয়ে যায় সৌরীশবাবুকে।ওনাকে বিছানায় বসিয়ে সোজা দাঁড়াতেই মেহুলের চোখ চলে যায় দেয়ালে টাঙানো একটা ছবির দিকে।কি হলো মা বসো।হুঁ - হ্যাঁ বসছি। আপনি চুপ করে শুয়ে বিশ্রাম নিন। অনেকটা পথ এসেছেন।আমি বিশুদাকে সব বুঝিয়ে দিই, আপনিও একটু ওষুধ গুলো দেখে নিন।তুমি বিশুকে চিনলে কি করে?আপনাকে হসপিটালে ভর্তি করার পর আপনার ব্যাগে রাখা ছোট ডায়েরিটা থেকে আপনার ঠিকানা নিয়ে খবর দিতে এসে বিশুদার সঙ্গে পরিচয় হয়।স্যরি স্যার আপনার ব্যাগে হাত দেওয়ার জন্য।না না স্যরি হওয়ার কি আছে। এছাড়া কি-ই বা করার ছিল।ঠিক আছে স্যার আপনি দেখুন আর বিশুদা তুমিও দেখে নাও- মেহুল কথা বলছে ঠিকই কিন্তু চোখ বারবার চলে যাচ্ছে ছবিটার দিকে;সেটা খেয়াল করলেন অনিমেষবাবু। উনি নিজেও কম অবাক হননি মেহুলকে দেখার পর। তবুও ভেবেছেন মানুষে মানুষে মিল তো থাকে। তবুও মনের কোনে একটা প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে।মেহুল সব বুঝিয়ে দিয়ে আবার আসার কথা দিয়ে বেরিয়ে পড়ে সৌরীশবাবুর বাড়ি থেকে।ভদ্রলোকের জন্য খুবই মায়া হচ্ছে, অসুস্থ মানুষ, একা, দেখাশোনা করার এক ঐ কাজের লোক ছাড়া কেউ নেই। এইসব সাত পাঁচ ভাবছে আর মনের মধ্যে উঁকি দিচ্ছে ছবিটা।বারবার মনে হচ্ছে কোথায় পেলেন ঐ ছবি উনি!!এমন সময় ফোন বেজে উঠলোহ্যাঁ ডার্লিং আসছি একঘন্টার মধ্যে, বলে ফোনটা কেটে একটা ট্যাক্সি ধরলো।ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজ্য

HS -Protest: বিক্ষোভের জের, মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব

শহর কলকাতা থেকে জেলা, উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেও পাশের দাবিতে রাজ্যজুড়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ জারি রয়েছে গত দুদিন। এই আবহে এদিন সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারশনিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের অফিসের সামনে চলে বিক্ষোভ। কখনও বিক্ষোভ দেখায় উত্তর ২৪ পরগনা আমডাঙা ব্লক থেকে আসা স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।এ দিন বিকেলেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব করেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদী৷ কেন এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করল, সংসদ সভানেত্রীর কাছ থেকে সেই ব্যাখ্যাই চাওয়া হয়েছে বলে খবর৷ মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাস ছাড়াও শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈনও উপস্থিত ছিলেন৷চাপের মুখে এ দিনই বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের ডেকে পাঠিয়েছিল সংসদ৷ বিকেলে সংসদের তরফে জানানো হয়, ফেল করা ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে৷ অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা এবং একাদশ শ্রেণিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা জমা দেওয়ার জন্যও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷আরও পড়ুনঃ টেস্ট দলের দরজা খুলে গেল সূর্যকুমারের সামনেএ বারের উচ্চ মাধ্যমিকে প্রায় ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে ছাত্রছাত্রীরা৷ বিক্ষোভ হয়েছে সংসদের সদর দপ্তরের সামনেও৷ এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কেন ফেল করল, আগেই শিক্ষা দপ্তরের তরফে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে সেই জবাবদিহি চাওয়া হয়েছিল৷ এবার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করল নবান্নও৷আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পরীক্ষা না হওয়ায় একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নম্বরের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন হয়েছে৷ এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গরমিলের জেরেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে মত প্রধান শিক্ষকদের একাংশের৷ সংসদের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও নবান্নের বৈঠকে সংসদ সভানেত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলেই খবর৷

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Road Blockade: কালনায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রীদের

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার পূর্ব বর্ধমানেও ছড়াল উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে ক্ষোভের আঁচ। পরীক্ষা না নিয়ে কেন ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? এই দাবী তুলে শনিবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী। তারা কালনা-কাটোয়া রোডে ধাত্রীগ্রাম পোস্ট অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাছাত্রীদের সঙ্গে পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেয় তাঁদের অবিভাবকরা। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে অবরোধ বিক্ষোভ। তার জেরে থমকে যায় কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে যানবাহন চলাচল। প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনউচ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী জানতে পারে তারা ফেল করেছে। রেজাল্ট হাতে পাওয়ার ওই ছাত্রীরা দেখে তাদের বেশির ভাগই বাংলা অথবা ইংরাজিতে ফেল করেছে। পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী রিতিশা ঘোষ বলেন, পরীক্ষা হলে আমরা কেউ ফেল করতাম না। কারণ আমরা পড়শুনাটা সিরিয়াসলি করেছি। ছাত্রীদের প্রশ্ন, পরীক্ষা না নিয়ে তাহলে তাঁদের ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? তাই তারা চাইছে অবিলম্বে উচ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হোক। নয়তো তাঁদের সকলকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরঅবিভাবক ঝুমা দেবনাথ বলেন, এই বছর অতিমারির কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার ১০০ শতাংশ ।অথচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানসিকতা দেখানো হল। পরীক্ষা না নিয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে অনেক পড়ুয়াকে উত্তীর্ণ করা হয়নি। ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রীকে হয় বাংলা নয়তো ইংরাজিতে ফেল দেখানো হয়েছে। যাদের ফেল দেখানো হয়েছে তাদের সবাইকে পাশ করাতে হবে বলে ঝুমা দেবনাথ সহ অন্য অবিভাবকরা দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টবিক্ষোভরত ছাত্রীদের স্কুলের ভিতর নিয়ে গিয়ে পুলিশ শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনায় বসায়। শিক্ষিকাদের কাছেও একই দাবি জানায় পড়ুয়া ও অবিভাবকরা। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিলে ছাত্রী ও অবিভাবকরা এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Discipline : ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকের

প্রাইভেট টিউশন পড়তে যাওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক স্কুল শিক্ষক। ধৃতের নাম অখিলেশ্বর সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের শ্যামগঞ্জপাড়ায়। স্কুল শিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে ছাত্রীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা শহরের আমলাপুকুর এলাকায় বাড়ি দশম শ্রেণীর ছাত্রীর। ছাত্রীটি সোমবার সকালে কালনা শহরের সরকারি স্কুলের শিক্ষক অখিলেশ সরকারের বাড়িতে প্রাইভেট টিউশন পড়তে যায়। অভিযোগ, ওই সময়ে ছাত্রীকে একা পেয়ে ওই শিক্ষক ঘরের দরজা বন্ধ করে তার শ্লীলতাহানি করে। শিক্ষকের যৌন লালসার হাত থেকে বাঁচতে ছাত্রীটি চিৎকার শুরু করে। তখনই ছাত্রীকে ছেড়ে দিলেও কাউকে ঘটনার কথা জানালে পরিণতি ভয়ংকর হবে বলে শিক্ষক ছাত্রীকে হুমকি দেয়। এই ঘটনা বিষয়ে ওই দিনই ছাত্রীর পরিবার কালনা থানায় শিক্ষক অখিলেশ্বর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে এর পরেই পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Suicide: প্রেমিক বিয়েতে অস্বীকার করায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার পরেও প্রেমিক বিয়ে করতে না চাওয়ায় আত্মঘাতী হল এক কলেজ ছাত্রী। এমনই অভিযোগ করেছে মৃতার পরিবার। বছর ১৮ বয়সী ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চাঁচাই এলাকায়।মেমারি থানার পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে উদ্ধার করে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ। এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। ছাত্রীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রেমিক সৌরভ বিশ্বাসের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার পরিজন।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীটি মেমারি কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, পাল্লা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে তাঁর মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল। তারপরও ওই যুবক তাঁর মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার কারণে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলে কলেজ ছাত্রী মেয়ে আত্মঘাতী হয় বলে ছাত্রীর বাবা জানিয়েছে। পুলিশ প্রেমিক যুবকের খোঁজ শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল পড়ুয়াদের মৃত্যুর পরই বড় পদক্ষেপ! গেটম্যান গ্রেফতার, সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল রেল ও পুলিশ। দুর্ঘটনার পর প্রথমে গেটম্যান এবং তাঁর সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গেটম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সকালে রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলের পুলকারে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রেলের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল না। ট্রেন নির্ধারিত সিগন্যাল মেনেই চলছিল। তাই এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গেটম্যানের ভূমিকার উপর।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। অভিযোগ, সেই সময় গেটম্যান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।রেল জানিয়েছে, এটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত ইন্টারলকিং রেলগেট। তাই গেটম্যান কোথায় ছিলেন, কেন সময়মতো গেট নিয়ন্ত্রণ করা গেল না এবং কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল দলও পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, এতগুলো নিরীহ পড়ুয়ার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে এমন গাফিলতি হল, তা বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধীর চৌধুরী রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রেলমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে অধীরের অভিযোগ, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গেটম্যানের গ্রেফতারি এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ঠিক কার গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেই উত্তরই এখন জানতে চাইছে সকলেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মদন কি এখনও কালীঘাট তৃণমূলের লোক? কুণালের এক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এর মধ্যেই হঠাৎ কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি। আর তাঁকে পাশে পেয়েই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিতে এদিন বিধানসভায় অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষ, আলিফা আহমেদ, বীণা মণ্ডল, রুকবানুর রহমান, বাবর আলি ও অসীমা পাত্র। সেই কর্মসূচির মাঝেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মদন মিত্র। তাঁর উপস্থিতি ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা।মদনকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মদন মিত্র এখন অন্য শিবিরে থাকলেও তাঁর মন এখনও অন্য জায়গায় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইডির নোটিস দিয়ে মদনের পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাই মদন আপাতত যা ইচ্ছা বললেও, তাঁকে এখনও নিজেদের লোক বলেই মনে করেন তাঁরা। কুণালের এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি ঋতব্রত শিবিরের ভিতরে নিজেদের লোক রেখে নজরদারি চালাতে চাইছে কালীঘাট তৃণমূল?কুণালের বক্তব্যের জবাব দিতে অবশ্য দেরি করেননি মদন মিত্র। তিনি বলেন, তাঁর ইচ্ছা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগামী দশ বছর বিরোধী আসনে বসুন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শোভনদেব মজার ছলে জবাব দেন, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর মদনের এই প্রথম কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল। সেই সঙ্গে কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সোনমকে চিনতেনই না আমির! ‘থ্রি ইডিয়টস’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভেঙে গেল বহু বছরের বিশ্বাস

দিল্লির যন্তরমন্তরে দীর্ঘদিন ধরে অনশনে রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁকে নিয়ে বহু বছরের একটি প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিলেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতেন, জনপ্রিয় ছবি থ্রি ইডিয়টস-এর ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুককে ভিত্তি করেই তৈরি। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন আমির।লন্ডনে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে থ্রি ইডিয়টস ছবির বিশেষ প্রদর্শনের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির বলেন, ছবির গল্প বা তাঁর চরিত্র কোনওভাবেই সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে নেওয়া নয়। চিত্রনাট্য লেখা এবং ছবির কাজের সময় তাঁরা সোনম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সোনমকে চিনতেন না বলে জানান অভিনেতা।আমিরের এই বক্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, এর আগেই একটি জনপ্রিয় কুইজ অনুষ্ঠানে সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছিলেন, বহু বছর আগে দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমিরের দেখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি সিয়াচিন নিয়ে একটি ছবি তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি যুদ্ধ নয়, শান্তির বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ করেছিলেন অভিনেতাকে।/pসেই পুরনো ভিডিও আবারও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, আমির কি সেই সাক্ষাতের কথা ভুলে গিয়েছেন, নাকি বর্তমান বিতর্ক এড়াতেই এই মন্তব্য করেছেন?উল্লেখ্য, দুই হাজার নয় সালে মুক্তি পাওয়া থ্রি ইডিয়টস ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ছবি। ছবিটি মূলত চেতন ভগতের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল। তবে ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রকে ঘিরে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে মিলের আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। এবার সেই জল্পিত সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি মুখ খুলে সব জল্পনায় ইতি টানার চেষ্টা করলেন আমির খান। তবে তাঁর এই মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
দেশ

রথের উন্মাদনায় হঠাৎ মৃত্যু! পুরীতে কী ঘটল, সামনে এল প্রশাসনের বিস্ফোরক দাবি

পুরীর রথযাত্রায় লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢলের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। বৃহস্পতিবার রথযাত্রা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই ভক্তের। একই সঙ্গে একশোরও বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রথমে পদপিষ্টের আশঙ্কার কথা সামনে এলেও পরে ওড়িশা সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রথযাত্রায় কোনও পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেনি।প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স প্রায় ষাট বছর। ভিড়ের মধ্যে তিনি আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজনের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে প্রশাসনের দাবি। চিকিৎসার চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।ওড়িশা সরকার জানিয়েছে, ভিড় এবং আবহাওয়ার কারণে একশোরও বেশি ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের পুরী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।রথযাত্রাকে ঘিরে এ বছরও ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিলেন প্রায় বারো হাজার পুলিশকর্মী, ঊনিশ জন জ্যেষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক এবং শতাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রশাসনের অনুমান, নয় দিনের এই উৎসবে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত পুরীতে আসবেন। বৃহস্পতিবারই প্রায় আট থেকে নয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল।প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভক্তরা রথযাত্রায় অংশ নেন। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার তিনটি রথ গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তবে সময় বেশি লাগায় বৃহস্পতিবার রথ টানা শেষ করা সম্ভব হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে আবার রথ টানা শুরু হবে।ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, গোটা অনুষ্ঠানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কোনও বড় ধরনের ব্যর্থতা হয়নি। প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, সেবায়েত এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক সমস্যার কারণে কয়েকজন ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভুল! চোখের সামনে ছাত্রবোঝাই গাড়িকে টেনে নিয়ে গেল ট্রেন

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি রেলগেটে ছাত্রবোঝাই পুলকারে ধাক্কা মারে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ঘটনায় একাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি আপ ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গেট খুলতেই আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। সেই সময় স্কুলের পুলকার এবং এক সাইকেল আরোহী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আবার রেলগেট নামানো হয়। ফলে পুলকারটি মাঝপথে আটকে যায় এবং বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়নি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। ট্রেনটি পুলকারে সজোরে ধাক্কা মেরে প্রায় পঞ্চাশ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাইকেল আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ। পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় রেলগেট পরিচালনায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীও রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কীভাবে রেলগেট খুলে আবার বন্ধ করা হল এবং সেই সময় দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বিপর্যয়! ছাত্রবোঝাই গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, মুহূর্তেই মৃত্যু

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। স্কুলের ছাত্রবোঝাই একটি গাড়িতে চলন্ত ট্রেন ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। সেই সময় স্কুলের গাড়িটি রেললাইন পার হওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনটি গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।জানা গিয়েছে, গাড়িতে মোট আট জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের প্রথমে কর্ণসুবর্ণ ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনার পর রেলগেট খোলা ছিল কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। কেন রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময় গেটম্যান কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, রেলগেট পরিচালনায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal