• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Son

ব্যবসা

৭০ বছর পর টাটা'র ঘরে প্রত্যাবর্তন 'মহারাজা'র

শেষ হল এয়ার ইন্ডিয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া। টাটা সন্সের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল মহারাজা-কে। একসময় টাটা-র হাত ধরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পথ চলা শুরু। মাঝে অনেক পথ পেরিয়ে আবারও টাটার ঘরেই ফিরল সেই সংস্থা। টাটার হাতে হস্তান্তর করা হল সংস্থার ১০০ শতাংশ শেয়ার ও দেওয়া হল ম্যানজমেন্টের নিয়ন্ত্রণ।এই হস্তান্তরের পর টাটা সন্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি জানান, সরকারি সংস্থা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ দিন বড় সাফল্য পেল ভারত। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়ায় ফের সাফল্য আসবে বলে মনে করেন তিনি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পুরো শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে টাটার হাতে। সংস্থার ১২ হাজার কর্মীকে বহাল রাখবে টাটা।Shri N Chandrasekaran, the Chairman of Tata Sons called on PM @narendramodi. @TataCompanies pic.twitter.com/7yP8is5ehw PMO India (@PMOIndia) January 27, 2022প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার। এই সংস্থার জন্য প্রত্যেকদিন সরকারের ক্ষতি হচ্ছিল ২০ কোটি টাকা করে। এর আগেও একবার এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল ঋণের বোঝা থাকার কারণে কোনও সংস্থা উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে, তখন সফল হয়নি কেন্দ্র। বছরের পর বছর লাভের মুখ দেখেনি এয়ার ইন্ডিয়া। কার্যত ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। এ ভাবে সংস্থা আর চালানো সম্ভব হচ্ছিল না সরকারের পক্ষে।#FlyAI : Air India Limited, Air India Express AISATS (AI stake) have become part of the Tata Group today.Senior Officials of @TataCompanies , @SecyDIPAM and @MoCA_GoI met at Airlines House New Delhi. pic.twitter.com/HA4aEkVwWX Air India (@airindiain) January 27, 2022গত বছর অক্টোবরে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১৮ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থা টালাস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং বা উড়ান বাদে অন্যান্য বিষয় সামলানো হয় যে সংস্থাকে দিয়ে)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ারও টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর হয়। বৃহস্পতিবার শেষ হল ১০০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে পরিচালন ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে দেওয়া হল টাটা গোষ্ঠীর হাতে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বলিউডে আইটেম নাম্বার এ দেখা যাবে পুষ্পা খ্যাত সামান্থা কে?

তাঁর অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠার কথা নয়। সম্প্রতি পুষ্পা: দ্য রাইজ ছবিতে তাঁর আইটেম নাম্বার দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। একটা আইটেম নাম্বারের জন্য নাকি ৫ কোটি নিয়েছিলেন তিনি এমনটাও শোনা গেছে। দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থার এই আইটেম নাম্বারের সাফল্য এবার তাকে বলিউডেও নিয়ে আসতে পারে।শোনা যাচ্ছে কর্ণ জোহর প্রযোজিত লাইগার ছবিতে একটি আইটেম গানে দেখা যেতে পারে সামান্থাকে। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে থাকবেন জনপ্রিয় দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেভরাকোন্ডা। এই ছবির মাধ্যমে বলিউড ডেবিউ হতে চলেছে সামান্থার। এই বিষয়ে আরও জানা গেছে যে সামান্থার জন্য বিশেষ একটি গানও নাকি ভেবে রেখেছেন কর্ণ জোহর। তবে এই বিষয়ে সামান্থার প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। পুষ্পা: দ্য রাইজ এর পারিশ্রমিকের সমস্যার জন্য প্রথমে আইটেম নাম্বার করতে নিমরাজি ছিলেন সামান্থা। পরে অল্লু অর্জুনের অনুরোধে তিনি আইটেম নাম্বার করতে রাজি হন। বলিউডে এখন সামান্থা কি করেন তার অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত বিজেপি বিধায়কের ছেলে-সহ ৭ ডাক্তারি পড়ুয়া, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বিজেপি বিধায়কের পুত্র-সহ আরও ৬ জনের।মৃতরা সকলেই ডাক্তারি পড়ুযা।সোমবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওয়ার্ধা থেকে দেওলি অভিমুখে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেই সময় সেলসুরার কাছে একটি সেতু থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা সাতজনেরই। তাঁরা সকলেই সাওয়াঙ্গি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া।Maharashtra | 7 medical students, including BJP MLA from Tirora constituency Vijay Rahangdales son Avishkar Rahangdale, died after their car fell from a bridge near Selsura around 11.30 pm on Monday (January 24) pic.twitter.com/Hc9WC7sZvx ANI (@ANI) January 25, 2022ঘটনায় টুইটে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাশাপাশি, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন নমো। টুইটেই জানিয়েছেন মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।Pained by the loss of lives due to an accident near Selsura in Maharashtra. In this hour of sadness, my thoughts are with those who have lost their loved ones. I pray that those injured are able to recover soon: PM @narendramodi PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্যে অন্যতম মহারাষ্ট্রের তিরোরা বিজেপি বিধায়ক বিজয় রাহাংদালের পুত্র আবিষ্কার রাহাংদালে। পবন শক্তি নামে আরও একজন ছিলেন প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। বাকি চারজন ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।PM @narendramodi announced that Rs. 2 lakh each from PMNRF would be given to the next of kin of those who have lost their lives in the accident near Selsura. Those who are injured would be given Rs. 50,000. PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিদেশ

আশা দেখাচ্ছে ব্রিটেন, দ্রুত সংক্রমণ কমছে ওমিক্রনের, বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক পরা

সারা পৃথিবী যখন ওমিক্রন ঝড়ে বেসামাল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী-র গলায় অন্য সুর, তিনি সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়ে জানালেন আর মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর অর্থ কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলেও তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বুধবার ব্রিটেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০৮,০৬৯ যা গত সাত দিনের তুলনায় ৩৭.২% কম, এবং ৩৫৯ জন করোনা আক্রন্তের মৃত্যু হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ৮.২% কম। প্রধানমন্ত্রী বাইডেন আরও জানিয়েছেন যে, এখন থেকে থাকছে না ওয়ার্ক ফ্রম হোমও, সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হ্রাস পাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করলেন বরিস। তিনি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহ থেকেই কোভিড সংক্রান্ত আরও অন্য যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গিয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাউকেই বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করতে বলবে না, সকলেই অফিসে এসে কাজ করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনই বিশ্বে প্রথম টিকা তৈরি করে এবং সমগ্র ইউরোপের সমস্ত দেশের আগে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে।We were the first nation in the world to administer a vaccine, and one of the fastest in Europe to roll it out.This was because we made the big call to pursue our own vaccine procurement, outside of the EMA.1/5 Boris Johnson (@BorisJohnson) January 19, 2022তিনি টুইট করে আরও জানান, আমরা নিজেদের উদ্যোগে টিকা তৈরি হওয়ার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে ৷ আমরা যখন আগের গ্রীষ্মকালে সবকিছু স্বাভাবিক রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাকিরা বলেছিল এটা করা উচিত নয়৷ এই শীতেও যখন অন্যান্য দেশ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ছে, তখনও আমাদের সবকিছু স্বাভাবিক খোলা ছিল ৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ব্রিটেনের অর্থিনীতিতে ক্ষতি বাকিদের থেকে অনেক কম হয়েছে। বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গেছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আরও জানান ইউরোপে মধ্যে কেবলমাত্র আমাদেরই অর্থনীতি এবং সমাজ সবচেয়ে উন্মুক্ত এবং জি-৭ অন্তভুক্ত দেশ গুলির মধ্যে ব্রিটেন-ই সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা অর্থনীতির দেশ৷ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খুব দ্রুত বুস্টার ডোজের প্রচারের জন্য এবং প্ল্যান-বি নির্দেশিকায় মানুষ খুব ভালো সাড়া দেওয়ায়, তাঁরা প্ল্যান-এ-তে আবার ফিরে যাচ্ছেন এবং প্ল্যান বি-র নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন৷ প্ল্যান-বি নির্দেশিকা বলতে তিনি জানিয়েছেন বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক, বাধ্যতামূলক কোভিড পাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মত পরামর্শের কথা অখানে বলা হয়েছে৷We delivered the biggest and fastest vaccine roll out in Europe, resisted lockdown, and can now restore freedoms with the end of Plan B.Labours answer was 𝐥𝐨𝐜𝐤𝐝𝐨𝐰𝐧.Ours is a plan thats protecting health, kept unemployment low and restored the economy. pic.twitter.com/noX3j5ihy7 Oliver Dowden (@OliverDowden) January 19, 2022ব্রিটেনে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫,২১,৫১,৬৪৩ (৯০.৭০%) প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪,৮০,১৯,০৬৯ (৮৩.৫%) এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩,৬৬,২১,৬৭১ (৬৩.৭%) জন ৷ এখানে বিশেষ উল্লেখ্য ভারতে যেখানে ১৫ বছরের উর্ধে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, ব্রিটেনে ১২ বছর বয়সের উর্ধে সকলকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন-ই সেই দেশ যারা প্রথম সারা বিশ্বকে কোভিড-১৯-এর রূপ বদল (ভেরিয়েন্ট) নিয়ে সতর্ক করেছিল এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোখার জন্য তাঁরা ডিসেম্বরের প্রথমেই আন্তর্জাতিক উড়ানে সফর নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল ও তাদের প্ল্যান-বি শুরু করে দিয়েছিল।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরা

চারপাশে সবুজে ভরা ক্ষেত। তারাই মাঝে কোনওরকমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙা ফুটো একচিলতে কুঁড়ে ঘর। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যে সেই কুঁড়ে ঘর থেকে ভেসে আসে শিশু পুত্র অভিষেক সানার মায়াবী কন্ঠে ভরা লোক গানের সুর। নিথুর প্রেম ভিখারি করেছে মোরে। মা হারানো অভিষেকের গাওয়া এই গানের সুর মূর্ছনাতেই মোহিত পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের আট থেকে আশি সকলে। মায়াবী কন্ঠে ভরা গানের জাদুতেই একরত্তি ছেলে অভিষেক গ্রামের সকলের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। বড়শুলের সকল বাসিন্দাই মনেপ্রাণে চান দিন দরিদ্র পরিবারের ছেলে অভিষেক বড় হয়ে নামজাদা বাউল কিংবা লোকগানের শিল্পী হোক। অভিষেকও সেই স্বপ্নকে আঁকড়েই নিজেদের কুঁড়ে ঘরে নিত্যদিন রেওয়াজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপরবর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুল ২ পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম বালিমাঠ। এই গ্রামের চারপাশে থাকা চাষের জমির মাঝেই রয়েছে ছিটেবেড়া আর খড়ের চালার তৈরি অভিষেকদের কুঁড়ে ঘরটি। নিজভূমি নিজগৃহ প্রকল্পে পাওয়া জায়গায় গড়ে তোলা ভাঙা ফুটো সেই ঘরেই ৯ বছর বয়সী অভিষেক ও তাঁর ছোট ভাই সহ বাবা, বৃদ্ধা ঠাকুমা ও পিসি বসবাস করেন। জায়গা মিললেও এখনও পাকা বাড়ি তাঁদের মেলেনি। অভিষেকের যখন ৪ বছর বয়স তখন তাঁকে ও তাঁর ছোটভাই কৌস্তভ কে বাড়িতে ফেলে রেখে গায়েব হয়েযান মা ভারতীদেবী। অভিষেকের বাবা তারকচন্দ্র সানা বালি খাদানে শ্রমিকের কাজ করে যৎসামান্য যা রোজগার করেন তা দিয়েই তাঁদের দিন গুজরান হয়। অভিষেক বড়শুল নিম্নবুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। তাঁর ভাই কৌস্তভ একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়া। বাড়িতে বিদ্যুতের বাতির আলোয় পড়াশুনা করার সৌভাগ্যও এখনও তাঁদের হয়নি। সন্ধ্যা নামলেই লম্ফ অথবা হারিকেনের আলোই ভরসা অভিষেকদের। তবে কষ্টের সংসারে অভিষেকই গানের সুরে সবার মন ভুলিয়ে রেখেছে।তারকচন্দ্র সানা জানিয়েছেন, তিনি গান-বাজনা ভালোবাসেন। বাউল ও লোকগান শোনার টানে আগে তিনি বীরভূমে জয়দেবের মেলায় যেতেন। তখন ছোট্ট অভিষেককেও সঙ্গে নিয়ে যেতেন। জয়দেব মেলায় হাজির হওয়া বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনে অভিষেকেরও গান গাওয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। প্রথমদিকে সে বাড়িতেই গুনগুন সুরে গান গাইতো। তা দেখে অভিষেককে একটা হারমোনিয়াম কিনে দেয় ওর মামারা। হারমোনিয়াম পাওয়ার পর প্রথম প্রথম অভিষেক নিজেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতো। বছর দুই হল বড়শুল নিবাসী মঙ্গল কালিন্দী কোনও পারিশ্রমিক না নিয়ে গান শেখাচ্ছেন অভিষেককে। মঙ্গলবাবু নিজেই গান লিখে গানের সুর দেন। সেই গানই এখন গেয়ে অভিষেক বড়শুলবাসীর মন জয় করে নিয়েছে। পাশাপাশি অভিষেক তাঁর নিজের ছোট ভাই কৌস্তবকেও একটু একটু করে গানের তালিম দিচ্ছে।আরও পড়ুনঃ যন্ত্রের যুগেও গ্রাম বাংলায় পৌষ পার্বণের পিঠে-পুলি তৈরিতে আজও অনবদ্য ঢেঁকিখুদে শিল্পী অভিষেক জানিয়েছে, বাবার হাত ধরে সে জয়দেবের মেলায় যেত। সেখানে বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনেই সে গান গাওয়ার ব্যপারে অনুপ্রাণিত হয়। অভিষেক এও জানায়, বাউল ও লোকগান শেখার প্রতিই তাঁর টান বেশী। বড় হয়ে স্বনামধন্য বাউল গানের শিল্পী হতে চায় বলে অভিষেক। মঙ্গল কালিন্দী বলেন, তাঁর ছাত্র অভিষেকের প্রতিভা রয়েছে। গান গেয়ে এত ছোট বয়সে ও যে ভাবে সবার মন জয় করে নিয়েছে সেটাই সবথেকে গৌরবের বলে মঙ্গলবাবু দাবি করেছেন। এলাকার বাসিন্দা নয়ন মণ্ডল বলেন, মায়াবী কন্ঠে ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান তাঁদের মুগ্ধ করে।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিঅভিষেকের গাওয়া গানের সুর মর্ছনাতেই এখন মোহিত বড়শুলবাসী। দূর দূরান্তের সংগীত প্রেমীরাও অভিষেকের কন্ঠে গান শুনতে এখন তাদের কুঁড়ে ঘরে হাজির হচ্ছে। বর্ধমান ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদার ও ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান শুনে মুগ্ধ। জানা গিয়েছে, তিনি অভিষেক ও তাঁর পরিবারকে সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন। অভিষেকের প্রতিভার কথা শুনে যারপরনায় মুগ্ধ বিশিষ্ঠ বাউল গান শিল্পী তথা অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির রাজ্য সম্পাদক মণিমোহন দাস। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেকের বাবা চাইলে তিনি সহ তাঁদের সংগঠনের অন্য শিল্পীরাও বিনা পারিশ্রমিকে অভিষেককে গান শেখাতে রাজি রয়েছেন। তবে অভিষেকের বাড়ি গিয়ে হয়তো গান শেখানো সম্ভব হবে না।অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির আখড়ায় এসে অভিষেককে গান শিখতে হবে। অভিষেককে দিয়ে বড় মঞ্চে গান গাওয়ানোর ব্যাপারেও প্রয়োজনে উদ্যোগ নেবেন বলে মনিমোহন দাস জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

STF Operation Burdwan: বর্ধমানে এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে ফাঁস হল হেরোইন তৈরি ও পাচারের সঙ্গপ যুক্ত আন্ত রাজ্য চক্রের।অভিযানে ধরা পড়েছে মোট ৬ জন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে এসটিএফ রবিবার রাতে ধরে বর্ধমানে বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে। পৌরসভা ভোটের আগে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে ধৃতদের নাম বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডল। এঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এই দুই ধৃতর আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গকোটে। তবে ১০ বছর আগে সেখান থেকে চলে এসে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বর্ধমানে পালার- শ্রীরামপুর এলাকায় থাকতে শুরু করে। পরে তাঁরা শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে বাড়ি ক্রয় করে। রবিবার রাতে এসটিএফ বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের বর্ধমানের ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ রাজেয়াপ্ত করেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের দাবি। এছাড়াও ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ ১০ হাজার ১০০ টাকা। বাকি চার ধৃতর মধ্যে ২ জন ওড়িশা ও ২ জন মণিপুরের বাসিন্দা। এদের বিষয়ে হাওড়ার গোলাবারি থানা মামলা রুজু করেছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট মামলার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে বর্ধমানের ডেরার হেরোইন তৈরি করে ওড়িশা ও মণিপুরে পাচার করতো।আরও পড়ুনঃ করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তাতদন্তকারীদের কথায় জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার রুজু হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে এসটিএফ ওড়িশা ও মণিপুর থেকে ৪ মাদক-পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বর্ধমানের দুজনের কাছ থেকে তাঁরা মদক দ্রব্য কেনে। বর্ধমানের মাদক কারবারীদের ৫ জন এজেন্ট ওড়িশাতে থাকার কথাও জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে। এমনকি বর্ধমানে দৈনিক ৪-৫ কোটি টাকার মাদক তৈরি হয়ে পাচারের তথ্যও তদন্তকারীদের কাছে উঠে আসে। এরপরেই রবিবার রাতে এসটিফ কর্তা আমিনুল ইসলাম খাঁনের নেতৃত্বে বর্ধমানের গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের ডেরায় অভিযান চালানো হয়।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নএসটিএফের দাবি বাবর ও রাহুলদের বর্ধমানের ডেরা থেকে ১৩ কেজি হেরোইন, হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ ও নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা ছাড়াও টাকা গোনার যন্ত্র এবং অন্যান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুটি বাড়ির ভিতরে বস্তাবন্দি করে বড় বড় প্লাস্টিক ড্রামের ভিতর হেরোইন ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে গুলি রাখা ছিল। তদন্তকাীরা জেনেছেন, বর্ধমানে বাবর ও রাহুলের গোপন ডেরায় যে হেরোইন তৈরি হত তার কাচা মাল আসতো মণিপুর থেকে। হেরোইন তৈরি হওয়ার পর তা পাচারের জন্য দেওয়া হত ওড়িশার এজেন্টদের হাতে। হেরোইনের কারবার চক্রে বর্ধমানের আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও এসটিএফ খোঁজ খবর চালাচ্ছে।হেরোইনের কারবারের বিষয়ে বর্ধমান অভিযান চালিয়ে এসটিএফ প্রচুর হেরোইন সহ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলেও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল। এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Nigam : সপরিবারে কোভিড পজিটিভ সোনু নিগম

বলিউডে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর পরপর আসছে। বিগত কয়েকদিনে অনেক বলিউড তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার সপরিবার কোভিডে আক্রান্ত বলিউড গায়ক সোনু নিগম। টুইট করে সোনু নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কোভিডে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী মধুরিমা নিগম এবং ছেলে নীভম।বর্তমানে সপরিবারে দুবাইতে রয়েছেন সোনু। কয়েক দিনের মধ্যেই ভুবনেশ্বরে একটি শো-এর শ্যুটিংয়ের জন্য যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। সোনু জানিয়েছেন, সামান্য উপসর্গ রয়েছে তাঁর। তবে অসুস্থ নন তিনি। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দুবাইয়ে। দেশে ফেরার কথা ছিল। ভুবনেশ্বরে একটি রিয়ালিটি শোয়ের শ্যুটিংয়ের কথা রয়েছে। কিন্তু কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত নিভৃতবাসেই রয়েছি। যত বার পরীক্ষা করিয়েছি, তত বারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি সুস্থ আছি। কিন্তু আমার জন্য যাঁদের ক্ষতি হল তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে।সম্প্রতি সুমনা চক্রবর্তী, একতা কপূর, জন আব্রাহাম এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল, প্রেম চোপড়া-সহ অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে করিনা কাপুর, নোরা ফতেহির মতো তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁরা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

New song : পথের গানওয়ালা মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ এর প্রথম গান মুক্তি নতুন বছরে

বছর শুরুতে পাহাড়ের গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন কলকাতার স্ট্রিট মিউজিকে অতি চেনা নাম মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ। এই ব্র্যান্ডে বেশ পরিচিত নীলাঞ্জন সাহা। গোলপার্কে সাইকেলকে সম্বল করে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করার তাগিদেই স্যান্ডউইচ বিক্রির এই অভিনব পন্থা নেন নীলাঞ্জন। দেখতে, দেখতে বছর তিন পার করে ফেলেছেন এই তরুণ তুর্কী।এই প্রথম অরিজিনাল গান করলেন নীলাঞ্জন। সম্ববত এই প্রথম শহরের কোনো স্ট্রিট মিউজিশিয়ান গান রেকর্ড করলেন।আর এই গানের নেপথ্যে থাকা মানুষটি শহরের প্রথম স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর উদ্যোক্তা, পাশাপাশি মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এরও আয়োজক, সুদীপ্ত চন্দ। গানের কথা,সুর তাঁর এবং এই প্রথম গানও গাইলেন নীলাঞ্জনের সাথে। সুদীপ্ত মূলত পাহাড়ের গান করেন।এর আগে দুটো গানই পাহাড় নিয়ে বানিয়েছেন। গেয়েছেন রূপঙ্কর। এই প্রথম স্ট্রিট মিউজিশিয়ানকে সঙ্গী করে গান বানালেন সুদীপ্ত।গানের শুট হলো দার্জিলিং এর দাওয়াইপানির আনাচেকানাচে, লামাহাটার পাইন বনে,ত্রিবনীতে। গান জুড়ে পাহাড়ের দৃশ্যগুলো বেশ নজর কাড়ে। পাহাড়ের কোলে দুই বন্ধুর জার্নি নিয়ে বছর শুরুতে এই গান প্রকাশ পাবে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে। গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়। সুদীপ্ত চন্দ বললেন, ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে পড়ার সময় প্রথম গান করেছিলাম। পরে সুরঙ্গমা-তে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষা।মূলত মিউজিক নিয়ে সাংবাদিকতা করেই পরিচিত হই। নতুন গান তৈরি করার ইচ্ছে অনেক দিন ধরেই ছিল।কিন্তু নিজে গান রেকর্ড করবো আগে ভাবিনি।নীলাঞ্জনকে তিন বছর ধরেই চিনি। ওঁর কাজ বহু মানুষকে আনন্দ দেয়।আমাকও দেয়। তাই মনে হলো একজন স্ট্রিট মিউজিশিয়ানের সঙ্গেই গানটা রেকর্ড করি।আর পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে গানটা শোনার সাথে দেখতেও বেশ ভালো হয়েছে।অন্যদিকে নীলাঞ্জন সাহা বলেন, সুদীপ্ত দা আমার থেকে বয়েসে অনেকটাই বড়। বয়েসের এই পার্থক্যকে উপেক্ষা করে গড়ে ওঠা একটা বন্ধুত্বের গল্প বলে আমাদের এই গান এ পথ চলা,যেটা খুব একটা দেখা যায় না বলে আমার মনে হয়। ফুটপাথের গানওয়ালা থেকে একজন রেকর্ডেড আর্টিস্ট হয়ে উঠতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Bhatar: পূর্ব বর্ধমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তিন লক্ষ টাকার চেক চুরি, শ্রীঘরে জামাই

শ্বশুরবাড়ি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরির দায়ে গ্রেফতার হল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। ধৃত জামাইয়ের নাম সাইগন শেখ। তাঁর বাড়ি জেলার মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তুলে পুলিশ তাঁকে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায় । বিচারক ধৃতের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভাতারের বলগোনা গ্রামে সাইগন শেখের শ্বশুরবাড়ি। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জনৈকা পম্পা গড়াই নামে এক মহিলা তাঁদের ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরি যাওয়া বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই চেক ভাঙিয়ে কেউ গোষ্ঠির এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়ছে বলেও ওই মহিলা পুলিশকে জানান। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে চেকের ওই ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইগন শেখের ব্যাঙ্ক আ্যকাউন্টে। সাইগন শেখ ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠির এক মহিলার আত্মীয় বলে পুলিশ জানতে পারে। এরপর বুধবার রাতে মেমারির ডাঙ্গাপাড়ায় সাইগন শেখের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। গোষ্ঠীর চেক চুরি করে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আর কারও হাত রয়েছে কিনা তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
বিদেশ

Kim Jong Un: পপ গান শোনার অপরাধে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড দিল অত্যাচারী কিম জং উন

কে পপ (দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় পপ গান) শোনার অপরাধে সাত জনকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের বিরুদ্ধে।একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষাকারী সংগঠন এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্টে দাবি করেছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি কে পপ শোনা এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অপরাধে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অন্তত সাত জনকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেন কিম। এর মধ্যে ৬টি ঘটনা ঘটেছে হেসান প্রদেশে। শুধু তাই নয়, ওই সময়ে কিমের নির্দেশে প্রিয়জনের মৃত্যুদণ্ড দেখতে নিকটাত্মীয়দের বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানায় সংগঠনটি।২০১৫ সাল থেকে অন্তত ৬৮৩ জন কিম-বিরোধী উত্তর কোরিয়ানদের সঙ্গে এ নিয়ে তারা কথা বলেছে। তাতে জানা গিয়েছে, কিমের প্রথম পাঁচ বছরের শাসন কালে নানা কারণে ৩৪০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই তালিকায় রয়েছেন কিমের কাকা জ্যাং সং থেকে, দেশের তৎকালীন সেনা প্রধান রি ইয়ং হো।পাশাপাশি, বাবা কিম জং ইলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নতুন ফতোয়া দিয়েছে কিমের সরকার। রেডিয়ো ফ্রি এশিয়া সূত্রে খবর, টানা ১১ দিন চলবে না মদ্যপান। হাসতেও পারবেন না কেউ। দেশবাসীর চোখেমুখে কোনও ভাবেই যেন খুশির ঝলক দেখা না যায়।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Viral Badam Song: বাদামকাকু-কে আর্থিক সাহায্য মদন মিত্রের

খ্যাতির বিড়ম্বনা। কাঁচা বাদম গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বীরভূমের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর । সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাঁর গান কাঁচা বাদাম। কিন্তু গান ভাইরাল হলেও বন্ধ বাদাম বিক্রি। শনিবার কলকাতায় পুরভোটের প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এরই মাঝে রবীন্দ্র সরোবরের কাছে একটি চায়ের দোকানে মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা মিলল তাঁর।আরও পড়ুনঃ বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম বাদাম বিক্রির সঙ্গে গান, সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল বাদাম কাকুমদন মিত্রের সঙ্গে দেখা করে নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান তিনি। তাঁর গানে মুগ্ধ মদন মিত্র, এক কথাতেই তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মদন মিত্র জানান, তিনি ২০ হাজার টাকা তুলে দেবেন ভুবনের হাতে। এদিন ভুবনের সঙ্গে একসঙ্গে কাঁচা বাদাম গানটিও গেয়েছেন মদন মিত্র। এছাড়াও আগামী পুরভোটের দিন প্রতিটি ওয়ার্ডের পার্টি কর্মীদের জন্য বাদাম ভাজা অর্ডার করেন বিধায়ক। মদন মিত্র বলেন ও লাভলির বদলে এখন তাঁর নতুন ট্যাগলাইন বাদাম ভাজা।আরও পড়ুনঃ আবার ড্র! হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগানকিছুদিন আগেই নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলেন ভুবন বাদ্যকর। গান গেয়েছেন তিনি, কিন্তু পাচ্ছেন না তাঁর প্রাপ্য টাকা। ইউটিউবাররা সে গান রেকর্ডিং করে সোশ্যাল মাধ্যমে রোজগার করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এই অভিযোগ নিয়ে এবার দুবরাজপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ভুবন বাদ্যকর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Singur Tragedy: ধারালো অস্ত্রের কোপ থেকে বাঁচল না দাদু ও নাতিও, সিঙ্গুরে নিভল প্যাটেল পরিবারের প্রদীপ

পারিবারিক বিবাদের জের। একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্রের কোপে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারালেন ২ জন। কলকাতায় এনেও বাঁচানো গেল না বাকি ২ জনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক আত্মীয়কে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে।জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন মাওজি প্যাটেল, তাঁর ছেলে দীনেশ প্যাটেল, দীনেশের স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। গুজরাত থেকে চলে এসেছিলেন এ রাজ্যে। কয়েক দশক ধরে সিঙ্গুরের নান্দাবাজার এলাকায় থাকতেন প্যাটেলরা। বাড়ির পাশেই কাঠ চেরাইয়ের কল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন প্যাটেল পরিবারের সদস্যরা। কখনও কোনও ঝামেলায় জড়াননি তাঁরা। সকলের সঙ্গেই ভদ্র ব্যবহার করতেন।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন ভোরে বাড়িতে যান প্যাটেলদেরই এক আত্মীয় যোগেশ ধাওয়ানী। প্রথমে কথা কাটাকাটি, তারপর পরিবারের চার সদস্যকে যোগেশ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান বলে অভিযোগ। বাড়ির নিচে থাকেন বছর বাইশের এক যুবক। সকালে তিনিই প্রথম ঠাকুরঘরে গৃহকর্তা মাওজি প্যাটেলকে রক্তাক্ত অবস্থা পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর জখম অবস্থায় পাশাপাশি দুটি শোওয়ার ঘরে পড়েছিলেন দীনেশ, তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। আর মেঝে চাপ চাপ রক্ত! খবর দেওয়া হয় সিঙ্গুর থানায়।চারজনকেই উদ্ধার করে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে দীনেশ ও তাঁর স্ত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মাওজি প্যাটেল ও তাঁর নাতি ভাবিকের দেহে প্রাণ ছিল তখনও। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বিকেলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে দাদু ও নাতিরও। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত যোগেশ ধাওয়ানীকে দেখা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক সে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sonu Sood : কোরিওগ্রাফারের মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়লেন সোনু সুদ

করোনা এক এক করে অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেলিপাড়ার মানুষও। করোনা কেড়ে নিল জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কোরিওগ্রাফার শিব শংকরের প্রাণ। তেলেগু চলচ্চিত্রের একটা বড় নাম শিব শংকর বেশ কয়েকদিন ধরেই হায়দরাবাদের একটা হাসপাতালএ ভর্তি ছিলেন। শিব শংকরের স্ত্রী এবং তাঁদের বড় ছেলে অজয় কৃষ্ণও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। বেশ কিছুদিন আগে বর্ষীয়ান কোরিওগ্রাফারের চিকিত্সার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আর্তি রেখেছিলেন পরিবার, জানা মাত্রই তাঁর চিকিত্সার ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন অভিনেতা, সমাজকর্মী সোনু সুদ। কিন্তু শেষ রক্ষাটা আর করা গেল না। রবিবার রাতে কোরিওগ্রাফারের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে মন খারাপের কথা লেখেন সোনু। টুইটারে তাঁর বার্তা, মনটা ভেঙে গেল শিব শংকর মাস্টারজির চলে যাওয়ার খবরে। আমাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম ওঁনাকে বাঁচাতে, কিন্তু ভগবান ওঁনার জন্য অন্য কোনও পরিকল্পনা করে রেখেছেন। মাস্টারজিকে সবসময়ই মিস করব। ভগবান ওঁনার পরিবারকে এই শোক সইবার ক্ষমতা দিক। সিনেমা আপনাকে মিস করবে স্যার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

TMC-Teacher: তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বিষপানকারী শিক্ষিকারা

বদলির প্রতিবাদে গত অগস্ট মাসে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক। তাঁরাই এ বার তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, আগামী ২১ নভেম্বর, রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূলের সভায় শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর লক্ষাধিক সদস্য তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। ওই সভায় হাজির থাকবেন বিধায়ক তথা শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবার-যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শক্তি মণ্ডল প্রমুখ।গত ২৪ অগস্ট সল্টলেকের বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক, পুতুল জানা মণ্ডল, অনিমা নাগ, ছবি চাকী দাস, শিখা দাস এবং জ্যোৎস্না টুডু। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। চিকিৎসার পর সুস্থ হন তাঁরা। শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর ব্যানারে শিক্ষকদের বদলি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। সেই সংগঠনই এ বার তৃণমূলে বিলীন হতে চলেছে।বিষপানকারী এক শিক্ষিকা ছবি চাকী দাস বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা খুশি। আমাদের সংগঠন তাই তৃণমূলে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sonu Sood : রাজনীতিতে পা রাখছেন সোনু সুদের বোন মালবিকা

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন অভিনেতা সোনু সুদের বোন মালবিকা। রবিবার মোগায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বোন মালবিকার রাজনীতিতে যোগদানের কথা জানিয়েছেন সোনু। অভিনেতা বলেন, আমার বোন মালবিকা সুদ পঞ্জাবের মানুষের পাশে দাঁড়াবে। তাঁদের জন্য কাজ করবে। তবে কোন দলে তিনি যোগ দেবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সোনু সুদ বলেছেন যে, মালবিকা সম্ভবত মোগার আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।সোনু সুদ জানিয়েছেন যদি মালবিকা নির্বাচিত হন তাহলে তার প্রধান লক্ষ্য থাকবে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতিসাধন। যারা ডায়ালিসিস পাচ্ছেন না তাদের যেন বিনামূল্যে ডায়ালিসিস দেওয়া হয়।এদিন সোনু সুদকেও প্রশ্ন করা হয় তিনি রাজনীতিতে নিজের নাম লেখাবেন কি না সেই বিষয়ে। উত্তরে এই তারকা অভিনেতা জানান,প্রথমে মালবিকাকে সমর্থন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে আমাদের ভিটে মোগার সঙ্গে যুক্ত। আমি আমার পরিকল্পনাটা পরে জানাবো।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Manipur-Assam Rifles: মণিপুরে জঙ্গিহানায় শহিদ ৭, নিহত স্ত্রী, পুত্র-সহ অসম রাইফেলসের কর্নেল

মণিপুরে জঙ্গি হামলার শিকার অসম রাইফেলস। শনিবার সকালে মায়ানমার সীমান্তবর্তী চূড়াচাঁদপুর জেলায় জঙ্গিহানায় অসম রাইফেলসের এক কমান্ডিং অফিসার-সহ সাত জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ওই অফিসারের স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রের খবর। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই অফিসারের গাড়ির চালক এবং অসম রাইফেলসের দুই কর্মী।ঘটনার পরেই মায়ানমার সীমান্তবর্তী মণিপুরের ওই এলাকায় অভিযানে নেমেছে সেনা এবং অসম রাইফেলস।Strongly condemn the attack on the Assam Rifles convoy in Manipur. I pay homage to those soldiers and family members who have been martyred today. Their sacrifice will never be forgotten. My thoughts are with the bereaved families in this hour of sadness. Narendra Modi (@narendramodi) November 13, 2021সূত্রের খবর, মণিপুরের জঙ্গিগোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মি অফ মণিপুর (পিএলএএম)। হামলার পিছনে মায়ানমারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা নাগা জঙ্গিগোষ্ঠী এনএসসিএন (খাপলাং) গোষ্ঠীরও হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের খবর, নিহত কর্নেল বিপ্লব ত্রিপাঠী অসম রাইফেলসের ৪৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। বেহিয়াং থানার অন্তর্গত সিংঘাটের কাছে সায়লসি এবং সেকেন গ্রামের মধ্যবর্তী জঙ্গল ঘেরা এলাকায় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। কনভয়ের অন্য গাড়ি থেকে জওয়ানেরা পাল্টা গুলি চালালে জঙ্গিরা গা ঢাকা দেয়।The cowardly attack on an Assam Rifles convoy in Churachandpur, Manipur is extremely painful condemnable. The nation has lost 5 brave soldiers including CO 46 AR and two family members.My condolences to the bereaved families. The perpetrators will be brought to justice soon. Rajnath Singh (@rajnathsingh) November 13, 2021জঙ্গিহানার নিন্দা করে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং।Strongly condemn the cowardly attack on a convoy of 46 AR which has reportedly killed few personnel including the CO his family at CCpur today. The State forces Para military are already on their job to track down the militants. The perpetrators will be brought to justice. N.Biren Singh (@NBirenSingh) November 13, 2021জঙ্গিহানায় অসম রাইফেলসের কর্নেল ত্রিপাঠী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি টুইটারে তিনি লিখেছেন, মণিপুরে ৪৬ অসম রাইফেলসের কনভয়ে জঙ্গিদের জঘন্য হামলার তীব্র নিন্দা করছি।I strongly condemn the dastardly attack by militants on a convoy of 46 Assam Rifles in Manipur. It pains me to learn that we have lost five brave soldiers, including the CO his family members.Heartfelt condolences to the bereaved families. The entire nation awaits justice! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 13, 2021

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

High Court: কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোয় উপচে পড়বে ভিড় ! মামলা হাইকোর্টে

দূরত্ববিধি বজায় রেখে বাঙালিকে দুর্গাপুজোয় আনন্দ করার অনুমতি দিয়েছিল বলেছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশে না মেনে উৎসবপ্রেমী মানুষের ভিড়ের ঢল নেমেছিল রাস্তায়।রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ গত কয়েক সপ্তাহে বেশ কিছুটা উর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় পর কালীপুজো, ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোর মতো উৎসব আসন্ন। এখন কী হবে প্রশ্ন তুলে উদ্বেগের কথা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অজয় দে নামে এক ব্যক্তি। দুর্গাপুজোর মাত্রাছাড়া ভিড়ের প্রসঙ্গ টেনে আসন্ন কালীপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আবেদনের শুনানিতেই দুর্গাপুজোয় ভিড়ের কারণ জানতে চেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার আবেদনটির শুনানি ছিল বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ এবং বিচারপতি আনন্দকুমারের অবকাশকালীন বেঞ্চে। বেঞ্চ ওই ব্যক্তিকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে।বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি আবেদনের শুনানিতে তিনি রীতিমতো বিরক্তির সুরেই বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ মানা দরকার বলেই মনে করেনি কেউ। দুর্গাপুজোয় যথেচ্ছ ভিড় হয়েছে। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করাও হয়নি। হাইকোর্টের নির্দেশ এ ভাবে প্রকাশ্যে অমান্য করার কারণ কী?

নভেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hotat bristi elo : ৬টি রোম্যান্টিক গান নিয়ে মুক্তি পেল 'হঠাৎ বৃষ্টি এলো'

বর্ষা যেমন সুখের স্মৃতি বয়ে আনে তেমনই অনেক মনখারাপের সুর হৃদয়ে ঢেউ তোলে। প্রেম বিরহ বেদনা আনন্দের অনুভুতিরা মিলেমিশে যায়। হঠাৎ মেঘ করে আসে মনে৷ বৃষ্টি আসে বাইরে ও ভেতরে ৷ মনের কথারা তখন গান হয়ে ওঠে। তারপর হঠাৎ বৃষ্টি এলো। মোট ৬ টি রোম্যান্টিক গানের সমন্বয় হঠাৎ বৃষ্টি এলো। ক্ষন ভঙ্গুর জীবনে কোন কিছুই স্থায়ী নয়, ক্ষণে ক্ষণে সবকিছুই বদলে যাচ্ছে৷ বদল হবেই বারে বারে৷ এই নিয়েই গান আমার যে ছবি৷ দিল না কেউ দিল না গানটিতে চিঠি, না পাওয়ার বেদনার প্রতীক৷ হঠাৎ বৃষ্টি এলো গানে বারিধারার সঙ্গে মিলেমিশে গেছে মানব মনের এক গভীর আকুতি। কাল বিকেলে পেলাম খুঁজে গানটিতে রয়েছে হারিয়ে ফিরে পাওয়ার আনন্দ৷ ও বৃষ্টি তুমি একটু থাম না গানেও সেই অদর্শনের আকুতি এবং বর্ষার জল তার দোসর৷ অনেক দিনের না দেখার যে আকুতি তার মধ্যে বৃষ্টি হলো যে দোসর। বহমান নদীর মতই জীবন। প্রতিমুহূর্তে ভাঙা গড়ায় বদলে যাচ্ছে জীবন সময়ের ছন্দে ও তালে।গানগুলি লিখেছেন অশোক চক্রবর্তী। কলেজ জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ নাটক লেখার পাশাপাশি আধুনিক বাংলা গান, লোকগান, ভক্তিগীতি রচনা করেছেন। গানগুলি গেয়েছেন এবং সুর করেছেন সেঁজুতি ভৌমিক। মায়ের কাছে মাত্র ৪ বছর বয়সে সেঁজুতির গান শেখার শুরু৷ পরে শ্রীমতি মায়া সেনের ছাত্রী শ্রীমতি শিপ্রা ঘোষ এর কাছে ও সেই সঙ্গে শ্রীবিষ্ণু দত্তের কাছে তালিম চলে। হিমাংশু চক্রবর্তীর কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত এর শিক্ষাগ্রহণ করেছেন৷ ডিজায়ার মেলোডি স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়েছে৷ অধিকর্তা সুনীল মাইতি, তবলায় শেখর পাল, বাঁশিতে মি. অপূর্ব মুনি, গীটারে পুণ্যশ্লোক মাইতি, সুনীল মাইতি।স্যাক্সোফোনে অভিজিৎ,বেহালায় প্রভু দয়াল। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন কুশল, রায়ানী, প্রতীক,শ্রেয়সী, সৌম্যশেখর, সুমন, সুস্মিতা,সায়ন্তন, জয়শ্রী। দক্ষিণ কলকাতার একটি ক্যাফেতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হল সেঁজুতি ভৌমিকের বাংলা রোম্যান্টিক গানের অ্যালবাম হঠাৎ বৃষ্টি এলো। গানগুলি শোনা যাবে Senjuti Pranojyoti ইউটিউব চ্যানেলে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal