• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Son

নিবন্ধ

এলো রে এলো পুজো এলো, ঢ্যামকুড়াকুড় ... মা-আ-আ-তলো রে-এ-এ ভুবন...

সকাল দশটা। স্কুটার নিয়ে ছুটছি কর্মস্থলে। ভাঙাচোরা রাস্তা... কানফাটানো হর্ন... সর্বব্যাপী ধোঁয়া-ধুলো... অসহিষ্ণু টোটো... দিগ্বিদিকজ্ঞানশূণ্য পথচারী... মাইকে ঢ্যামকুড়াকুড় ... মা-আ-আ-তলো রে-এ-এ ভুবন...বৃষ্টি এখন এই আছি এই নেই আমি যেন পাখি মেলি পাখনা! আজ সকাল থেকে চারদিক আলোঝলমল। এক আকাশ নরম শরতের রোদ ঝাঁপিয়ে পড়েছে বর্ধমান শহরের ওপর; মিঠে আদর মাখিয়ে দিচ্ছে আমার কাঁধে.. পিঠে .. কমতে থাকা চুলের ফাঁকে!চারদিকে ফ্লেক্স-ফেস্টুন-ফাটা হোর্ডিংয়ে পুজোর সোচ্চার ঘোষণা। মণ্ডপে মণ্ডপে বাঁশ-শালবল্লার কঙ্কাল দ্রুত ঢাকা পরছে ত্রিপল-পলিথিন-প্লাইউডের ঘেরাটোপে। তাদের পর্দাঢাকা অন্দরমহলে শেষ কদিনের রহস্যময় তৎপরতা। কিছু কুচোকাঁচার হুটোপাটি তার আশেপাশে।বিকেলের দিকে মাঝেমাঝেই দেখি বিচিত্র সব শোভাযাত্রা--- ফর্সা ধুতিগেঞ্জি পরা ঢাকী... রণপা চড়ে টলমলিয়ে হাঁটতে থাকা তালঢ্যাঙা মানুষ, গা থেকে তাদের লুটিয়ে পড়ছে বড় শোরুম বা শপিংমলের নামাঙ্কিত লম্বা আঙরাখা... পিছুপিছু রঙবেরঙের প্ল্যাকার্ড বাগিয়ে ধরে সারিবদ্ধ পদযাত্রীরা। খবরকাগজের পাতায়ও লোভনীয় সব শারদীয়া অফার--- পাতাজোড়া বিজ্ঞাপনে সুশোভিতা সুন্দরীদের পণ্যবাহী আহ্বান!কেমন হুট করে যেন পুজো এসে গেল এবার! টুপটাপ করে বিনা সোরগোলে বেরিয়ে গেল একটার পর একটা পুজোবার্ষিকী ... দেখতে দেখতে মণ্ডপ গজিয়ে উঠলো এখানে সেখানে ... ঢাউস ঢাউস পোশাকের মল-গুলোতে সম্বৎসরের ভিড় শুধু যেন বেড়ে গেল একটুখানি... সমস্ত ট্রেনের টিকিট প্রত্যাশীদের চোখের সামনে লম্বা লম্বা ওয়েটিং লিস্ট ঝুলে গেল কোন অলক্ষ্যে।নাকি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি আমিই! চোখ মেলে দেখছি না সোনা সোনা আকাশ আর সবুজ সবুজ মাটির দিকে! নতুন রঙের ছোঁয়ায় হৃদয় মাতছে না আর, আলোর জোয়ারে খুশীর বাঁধ ভাঙতেও গেছে ভুলে !বিকেলে কর্তাগিন্নী তাই বেরিয়ে পড়লাম। লড়ঝড়ে স্কুটারটা নিয়ে টলমল করতে করতে বাঁধ পেরিয়ে নেমে এলাম দামোদর-এর ধারে। আদিগন্ত দুধসাদা কাশফুলের চাদরে গা ঢেকে দুলছে দু পাড়। পাশে শেষবর্ষার ভরা স্রোত বয়ে চলেছে আপন বেগে। একমানুষ উঁচু কাশবন... ভিজে বালি... দুতিনটে উল্টানো নৌকা... জলের ওপাড়ে বাতাসে ভাসছে ইনি-মিনি-টাপা-টিনি-টানা-টুনি-টাসা...আকাশে শেষ বিকেলের রঙের খেলা... সন্ধ্যে নেমে আসছে উড়ন্ত চিলের ডানায় রোদের গন্ধ মুছে দিয়ে... ছোটো ছোটো কালচে পাখিগুলো লাফিয়ে লাফিয়ে উড়ছে কাশফুলের মাথায় মাথায়... কৌতুহলী চোখে আমাদের মাপতে মাপতে চলে গেল দুতিনটে প্যাংলা ছেলে।আজ রাত পেরোলেই মহালয়ার ভোর; অখিল বিমানে বেজে উঠবে তাঁর জয়গান। আগমনী আলো আকাশ জুড়ে প্রাণের প্রদীপ জ্বালিয়ে আবাহন করবে দূর্গা দূর্গতিনাশিনীর। বাঙালীর ঘরে ঘরে স্নেহময়ী মা উমা হয়ে বিরাজ করবেন সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী মহামায়া।এ দ্যুলোক মধুময় হোক, মধুময় হোক পৃথিবীর ধুলি।সবাই সুস্থ থাকুক, আনন্দে থাকুক। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

ভাদু শেখ খুনের মামলায় গ্রেফতার সোনা শেখ

ভাদু শেখ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত সোনা শেখকে গ্রেফতার করল সিবিআই। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।চলতি বছরের ২১ মার্চ রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাট থানার বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান, তৃণমূল নেতা ভাদু শেখকে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে দুটি মোটর বাইকে চার দুষ্কৃতী তাকে কাছ থেকে বোমা মেরে খুন করে। এদিকে ভাদু শেখ খুনের বদলা নিতে সোনা শেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আগুনে আট জনের মৃত্যু হয়। সেই তালিকায় ছিল সোনা শেখের স্ত্রী রুপালী বিবি। ওই মামলায় ভাদু শেখের পরিবার ১০ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার পরেই পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে দুটি হত্যা মামলা সিবিআইয়ের হাতে আসতেই ভোল পাল্টে যায়। চার্জশিটে ধৃত পাঁচ জনের নাম না থাকায় আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে। শুধুমাত্র শেখ সঞ্জুকে ভাদু খুনে সাব্যস্ত করে সিবিআই। ধৃত সোনা শেখের নাম ভাদুর পরিবারের অভিযোগ তালিকায় থাকলেও সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিটে ছিল না বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। পরবর্তী চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ঢোকায় সিবিআই। তাকে রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ধৃতকে চারদিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।সরকারি আইনজীবী সুরজিত সিনহা বলেন, প্রথম সিবিআইয়ের চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ছিল না। পরবর্তীতে তার নাম ঢোকান হয়। সিবিআই মনে করেছে ভাদু শেখ খুনের সঙ্গে সোনা শেখের যোগসাজশ রয়েছে। তাই তাকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। বিচারক চারদিন মঞ্জুর করেছেন।অভিযুক্তর পক্ষের আইনজীবী আব্দুর বাড়ি বলেন, সোনা শেখকে রামপুরহাটের আশেপাশে থেকে ধরা হয়েছে। তার নাম এফআইআর তালিকায় দ্বিতীয়তে ছিল। তবে সিবিআই তদন্তে নেমে ভাদু খুনের সঙ্গে তার যোগসাজশ না পেয়ে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে সিবিআই তার নাম ঢোকায়।সোনা শেখের নিকট আত্মীয় মিহিলাল শেখ বলেন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে সোনা শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সিবিআইয়ের তদন্তে আমাদের আস্থা রয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখুক। যদি সোনা শেখ দোষী হয় তাহলে সাজা পাবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবেশী নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে কুড়ি বছরের জেল ও নগদ জরিমানার আদেশ কালনা কোর্টের

প্রতিবেশী দশ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে কুড়ি বছরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সুব্রত হালদারের বাড়ি কালনা থানার সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রামে।গত ২০২০-র ১৪ ই অক্টোবর সন্ধ্যাবেলায় প্রতিবেশী ওই নাবালিকা মুদিখানা দোকানে গিয়েছিল। ফেরার পথে আসামি সুব্রত হালদারের সঙ্গে ওই নাবালিকার দেখা হয়। সুব্রত একটা মোবাইল দেখিয়ে নাবালিকাকে বলে চার্জ ফুরিয়ে গেছে, তুই এটা বাড়িতে দিয়ে আয়। সরল বিশ্বাসে মেয়েটি তার বাড়িতে মোবাইল পৌঁছে দিতে গেলে সুব্রতও চুপিসারে পিছন পিছন বাড়ি ফিরে আসে। নিজের বাড়ির ভিতরে পেঁপে গাছ তলায় তাকে ধর্ষণ করে।বাড়ি ফিরে নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে সব খুলে বললে পরিবার তরফে কালনা থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। কালনা থানার পুলিশ সুব্রত হালদারকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এ বি এবং পস্ক আইনের ৪ উপ-ধারায় মামলা রজু করে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন পুলিশ অফিসার সোমনাথ নস্কর। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার সহ ১৬ জনের সাক্ষ্যদানের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার শুক্রবার তাকে কুড়ি বছর জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন। অনাদায় আরও অতিরিক্ত ছয় মাসের জেলের সাজা দেন। সরকারি আইনজীবী মলয় পাঁজা বলেন, এই মামলার রায়ে সমাজে একটা বার্তা পৌঁছালো যে, নাবালিকার উপর অত্যাচার করলে তার পরিণতি এটাই হবে। তবে নির্যাতিতা ওই মহিলা কেস চলাকালীন আত্মহত্যা করেন এই ঘটনার চাপ সহ্য করতে না পেরে। যদিও তার আগেই এই কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতা নাবালিকার মা এদিন শুক্রবার কালনা আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আমার মেয়ে বেঁচে থাকলে আমি আজ আরও খুশি হতাম।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে স্বাধীনতা দিবসে বন্দিমুক্তি

স্বাধীনতা উপলক্ষ্যে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু বন্দিকে। এরা সংখ্যায় কুড়ি জন। এছাড়াও বেশ কিছু যাবজ্জীবন দন্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত বন্দীও এই তালিকায় আছেন। এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও প্রদীপ মজুমদার। এছাড়াও কারা বিভাগের ডিআইজি সহ জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও অন্যান্যরা এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। উপস্থিতি ছিলেন বন্দি ও তাঁদের নাচ-গানের প্রশিক্ষকরাও। এদিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান,যে সব মহিলা ও পুরুষ বন্দি সাজার অর্ধেক বা ষাট শতাংশ কাটিয়েছেন তাঁরা ছাড়া পেলেন। এছাড়াও অল্প বয়সী বন্দি ও গরিব যাঁরা জরিমানা দিতে অপারগ তাঁরাও ছাড়া পেলেন। নিয়ম অনুসারে যাবজ্জীবন বন্দিদের কয়েকজন ছাড়া পাবেন। এক্ষেত্রে অন্য কোনও অপরাধ না করাও বিবেচিত হয়েছে। বিবেচিত হয়েছে সংশোধনাগারে থাকাকালীন তাঁদের অন্য গুণের বিকাশকে। জানা গিয়েছে, এঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন সে জন্য সাহায্য করা হবে।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা, বাবার লকার ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা ও গয়না চুরি করে ছেলে পুলিশের জালে

বাবার লকার ভেঙ্গে লক্ষাধিক টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর ছেলে ঈশানের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার পুলিশ শিলিগুড়ির এক ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর টাকা, গয়নাসহ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত ঈশানকে। এদিন বংশীহারী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে ও গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয় তাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ঈশান কারজাইয়ের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পৌর এলাকার বড়াইলে। বুনিয়াদপুরে প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর পুত্র। ধৃতের নামেই বাবার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম। ধৃতের বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই তার ছেলে ঈশান কারজাই(২০) বাড়ির লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের লোক অনেক খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে ২৩ জুলাই ঈশানের বাবা আবু তাহের বংশীহারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে বংশিহারী থানার পুলিশ। এএসআই বিপ্লব দাসের নেতৃত্বে মোবাইল লোকেশন ধরে শিলিগুড়িতে পৌঁছে যায় তাঁরা।জানা গেছে ১৯ জুলাই থেকে ২৫ শে জুলাই পর্যন্ত সে শিলিগুড়ির বিভিন্ন হোটেলে রাত্রিযাপন করে। ২৬ শে জুলাই শিলিগুড়ি রবীন্দ্রসরণির রাজা রামমোহন রায় রোডে বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায় ঈশান একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। মোবাইল টাওয়ার ধরে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফ্ল্যাটটিতে পৌঁছায় এএসআই বিপ্লব দাস সহ অন্যান্যরা। হাতেনাতে ফ্ল্যাটটি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় সাত লক্ষ টাকা। একটি সোনার আংটি ও একজোড়া কানের দুল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে এই পরিবার দিল্লিতে থাকতেন। হঠাৎ করে কয়েক বছর আগে বুনিয়াদপুরের বেশ কয়েকটি বাড়িসহ হার্ডওয়ার দোকান দিয়ে জাকিয়ে বসেছেন এই ব্যবসায়ী। দিল্লিতে এখনও যাওয়া আসা আছে। গত এক বছর আগে ঈশান কারজাই দিল্লি থেকে বুনিয়াদপুরে চলে আসে। মালদহ-তেও নাকি কিছুদিন ছিল ঈশান। কয়েকদিন আগে ঈশান বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর ও গঙ্গারামপুরে মোমোর স্টল বসিয়েছিল। মালদা, অসম ও শিলিগুড়ি থেকে সাত জন নেপালি ছেলেদের বাড়িতে রেখে মোমো বানিয়ে তাদের দিয়ে সেই স্টলগুলি পরিচালনা করতো বুনিয়াদপুর থেকে। ভালোই চলছিল সেই মোমোর দোকানগুলি। কোনও অজ্ঞাত কারণে কয়েক সপ্তাহের পর সেই মমোর স্টলগুলি বন্ধ হয়ে যায়।বংশীহারী থানার আইসি মনোজিত সরকার বলেন, বাড়ি থেকে লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছিল ঈশান কারজাই। বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার শিলিগুড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকা, সোনার গয়না সহ ঈশানকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে তাকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

না ফেরার গান

না ফেরার গানটি হল জিপসি গান ডিজেলেম ডিজেলেমের একটি রূপান্তর। গানটি মূলত ১৯৪৯ সালে সার্বিয়ান জিপসি সঙ্গীতশিল্পী জারকো জোভানোভিক লিখেছিলেন যিনি তিনটি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ব্ল্যাক লিজিয়ন (হিটলারের সেনাবাহিনী) দ্বারা নিহত হয়েছিল। জার্মান অধিকৃত ইউরোপে ৬ মিলিয়ন ইহুদি ছাড়াও ৫০,০০০-১৫০,০০০ জিপসিকে নাৎসিরা হত্যা করেছিল। কেউ কেউ বলছেন আসল অঙ্ক দেড় লাখ। ১৯৭১ সালে, আন্তর্জাতিক রোমানি কংগ্রেস, লন্ডনে গানটি রোমানি সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে।ভারত ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘৃণার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কবি ও সুরকার সান্তনু রায় এই ফ্যাসিবাদ-বিরোধী গানটি তৈরি করেছেন। বাংলা সংস্করণে জিপসিদের বিচরণ লালসা এবং সেই অসহায় দরিদ্র মানুষের আর্তনাদও রয়েছে যারা বেঁচে থাকার জন্য এক ভূখণ্ড থেকে অন্য অঞ্চলে চলে যায়।গানটি ইউডি এন্টারটেইনমেন্ট প্রকাশ করেছে এবং সমস্ত নেতৃস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে উপলব্ধ। মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশিত হবে ইউটিউব চ্যানেল সান্তনু রায়-দুপুরের নীলে।

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'ম্যাহেসুস' মিউজিক অ্যালবাম, মাধুর্য ছড়ালেন 'মধুরা'

নিতিন জৈন পরিচালিত মিউজিক ভিডিও ম্যাহেসুস গানটি মুক্তি পেল এনভি প্রোডাকশনের ব্যানারে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে বসুন্ধরা পণ্ডিতা ও করণ সারোহা কে। শিশুশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কবীর পাহনা এবং অ্যামারাইরা সুদ।এই মিউজিক অ্যালবাম-এ কন্ঠ দিয়েছেন রাজ বর্মন ও মধুরা ভট্টাচার্য। এই প্রজন্মের বাঙ্গালি কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মধুরা। সঙ্গীতের সুত্রে দীর্ঘ সময় মুম্বাই-য়ে কাটিয়েছেন। আর বাংলা টেলিভিশিন ও সিনেমার জগতে অতি পরিচিত মুখ তিনি।ম্যাহেসুস গানটা নিয়ে জনতার কথা কে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, খুব সুন্দর একটা ৯০ দশকের ফিল আছে গানটার মধ্যে। পুরুষ কন্ঠটা রাজ বর্মনের। ও প্রথমে গানটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। যারা মিউজিক করেন, তারা সবাই দিল্লি, মুম্বই দুই জায়গার ব্যস্ততম মানুষ। এই মিউজিক ভিডিওটার মাধ্যমে একটা গল্প খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। যাঁরা অভিনয় করেছেন তারাও খুব-ই ভালো অভিনয় করেছেন। পুরো ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষের ও বেশি মানুষ গানটা শুনেছেন। এটাও একটা বিশেষ ভালোলাগা।কেকে-র অকাল প্রয়াণের পর যখন মুম্বাই ও কলকাতার সঙ্গীতশিল্পী দের মধ্যেআমরা-ওরা ধারনা-র অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি হচ্ছে ঠিক সেই সময় মধুরা-র ম্যাহেসুস যেন সেই ক্ষতে প্রলেপ। অনেক আগেই তিনি সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামনে এসেছেন। আমাদের আশা ম্যাহেসুস তাঁকে প্রচারের আলোয় আরও সামনে এনে দেবে।

জুন ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বেবি বাম্প আগলে ছবি শেয়ার সোনমের

অভিনেতা অনিল কাপুরের মেয়ে সোনম কাপুর বেবি বাম্পের নতুন ছবি শেয়ার করলেন। প্রথম খবরটা অভিনেত্রী গত মার্চ মাসেই দিয়েছিলেন। এবার আরও একটি খুশির খবর ভাগ করে নিলেন। স্বামীর সঙ্গে পুনর্মিলনের জেরে সোনমের আনন্দ আরও অনেকটাই বেড়েছে এটা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট থেকে এমনটাই আঁচ পাওয়া গেল। কর্মসূত্রে আনন্দ আহুজা বেশিরভাগ সময় লন্ডনে থাকেন। তবে এখন সোনম মা হতে চলায় তার সঙ্গেই সময় কাটছে। এদিন শরীর চাপা কাঁধকাটা কালো রং-এর পোশাকে বেবি বাম্প ফ্লন্ট করতে দেখা গেল সোনমকে। পেটের নীচের দিকটা এক হাত দিয়ে আগলে, অপর হাতে ক্যামেরা- আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছবিটি তুলেছেন অভিনেত্রী। কমেন্টে প্রচুর শুভেচ্ছা পেয়েছেন অভিনেত্রী। এখন শুধু সন্তানের পৃথিবীর আলো দেখার অপেক্ষা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে যোগাযোগ এর নতুন গান

সম্মান রায়ের পরিচালনায় যোগাযোগ ছবিটি প্রথমে শর্ট ফিল্ম হিসাবে বানানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি নির্মাণের ভাবনা নেন পরিচালক। খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। তার আগে শীঘ্রই দর্শকদের কাছে পৌঁছে যাবে যোগাযোগ এর নতুন গান। গানটির নাম মায়া। পরিচালক সম্মান রায় জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, ছবিটি মুক্তি পেতে এখন একটু দেরি আছে।তার আগে জুনের প্রথম সপ্তাহে মায়া নামে দ্বিতীয় গানটি মুক্তি পাচ্ছে। গানটির গীতিকার আমি। সুরকার আদর দাস। গানটি গেয়েছেন জয়তি চক্রবর্তীর ছাত্রী অহনা ঘোষ। যোগাযোগ এ গানটি অদ্রিতাকে রেখেই করা হয়েছে।উল্লেখ্য এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক পুরকাইত, অদ্রিতা দে, সোহম গুহ পট্টদার, অন্বেষা মৈত্র, ইন্দ্রাশিস ঘোষ প্রমুখ। এদের মধ্যে ঋত্বিক পুরকাইত সম্প্রতি অপরাজিত তে অভিনয় করে খুব জনপ্রিয় হয়েছেন।

মে ২৪, ২০২২
রাজ্য

অবলুপ্ত প্রায় প্রাণী ও পতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলে

প্রকৃতির অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্যে সর্বাগ্রে দরকার প্রাণী ও উদ্ভিদকুলের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। কিন্তু নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের জন্যে অবলুপ্তি ঘটেছে সেই বন্ধনের। তার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদ। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে কয়েক বছর ধরে এক অনবদ্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞান নিয়ে পড়ুশানা করা বাঙালি ছাত্র তরুণ পাল। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখছেন বিলুপ্ত হতেবসা বভিন্ন প্রাণী ও পতঙ্গের মৃত দেহ। আর এই কাজেরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পেয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের নানা পুরস্কার ও মানপত্র। যা নিয়ে গর্বিত ছাত্র তরুণের পরিবার পরিজন ও এলাকাবাসী।দার্জিলিং হিল ইউনিভার্সিটি থেকে গণিত বষয়ে এম-এসসি পাঠরত ছাত্র তরুণ পালের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামে। তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল পেশায় ভাগ চাষি। মা ঝর্ণাদেবী সাধারণ গৃহবধূ।বোন মনীষা পাল পড়াশুনা করছে স্নাতক স্তরে। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা কালেই বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়তে শুরু করে ছাত্র তরুণের। সেই সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে হাই স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা কালে তরুণ জানতে পারেন শুধু ডাইনোসর, নয়, আরো অনেক প্রাণী ও পতঙ্গ এই পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষকদের কাছথেকে ও বই পড়ে এও জানতে পারেন, এই বিলুপ্তির কারণ মূলত নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ড। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠরত কাল থেকেই ছাত্র তরুণ পাল বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। এর কারণ প্রসঙ্গে তরুণের বক্তব্য, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পরেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁর সংরক্ষণে থাকা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ গুলি দেখে তাদের বিষয়ে জানতে পারবে।তরুণ পাল জানান, নগরায়নের জাঁতাকলে পড়ে গ্রামে গঞ্জেও বনাঞ্চল কমছে। এছাড়াও দূষণ যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে প্লাস্টিক ও কিটনাসকের ব্যবহার। এইসবের কারণে বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গ অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তা অনুধাবন করেই তিনি প্রথম সংরক্ষণ করেন একটি মৃত খরগোশের দেহ। এই কাজটি করার জন্যে তিনি স্কুল জীবনে ল্যাবরেটরিতে ছুরি, কাঁচির ব্যবহার বিষয়ে যে শিক্ষা পেয়েছিলেন সেটাকেই কাজে লাগান।তরুণ পাল বলেন, প্রথমে ছুরি ও কাঁচির সাহায্যে মৃত খরগোসের দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ি ও অন্যান অংশ কেটে বের করে দেন। তারপর নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি ফরমালিন মেশানো লবন সিক্ত জলে ওই খরগোশের দেহ ৭-৮ ঘন্টা চুবিয়ে রাখার পর সেটিকে শুকিয়ে নেন। এরপর খরগোশের ওই গোটা দেহাংশ অক্সিজেন বিহীন কাঁচের জারে ভরে শিল করে দেন। ৫-৬ বছর হয়ে গেল ওই কাঁচের জারেই অক্ষত রয়েছে খরগোশের দেহাংশ। কোন পচনও ধরে নি। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ফিতাকৃমি, বেঙাচি, সাপের বাচ্চা, বেজি, গিরগিটি,তেঁতুলে বিছা, মথ, রাত পাখি, ইঁদুরের ভ্রুণ এবং শিবলিঙ্গ ফুল সংরক্ষণ করে বাড়িতে রেখেছেন বলে ছাত্র তরুণ পাল জানিয়েছেন।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থকে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলেঅভিনব ভাবনার এই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ভাগ চাষীর ছেলে তরুন পাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকেও নানা পুরস্কার এবং মানপত্র পেয়েছেন। হোপ ইন্টারন্যাশানাল, ইন্ডিয়ান,স্টেট ও স্টার বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এর স্বীকৃতি পত্র ও পুরস্কার তরুণ পালের ঘরে তো সাজানো রয়েইছে। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড রেকর্ড, ডিসকভার ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট রেকর্ড, ইন্ডিয়াস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সহ ১৭ টি সংস্থার স্বীকৃতি ও পুরস্কার ইতিমধ্যেই ছাত্র তরুণ লাভ করেছেন।ছেলের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে গর্বিত তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল ও মা ঝর্ণাদেবী। নিত্যানন্দ বাবু বলেন,ছেলে মরা প্রাণী ও পতঙ্গ নিয়ে আসলে কি করতে ছাইছে তার কিছুই প্রথমে তিনি বুঝতে পারিনি। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি আমার ছেলে তরুণের ভাবনার গভীরতা অনেক। এই টুকু বুঝেছি, একটা দিন হয়তো এমন আসবে যখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া অনেক প্রাণী ও পতঙ্গের বিষয়ে জানতে আমার বাড়িতেই আসবে। মা ঝর্ণাদেবী বলেন, আমার ছেলে তরুণ শুধু মাত্র বিলুপ্ত হতে বসা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ সংরক্ষণ করে রাখার কাজের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখে নি। বাবা ও মায়েরা তাঁদের শিশুকে কিভাবে মানুষ করলে ও শিক্ষা দিলে ওই শিশুর মধ্যে সু-ভাবনা চিন্তা সম্পন্ন মানসিকতা গড়ে উঠবে এবং বড় হয়ে সে সকলের জন্য ভাববে এই বিষয়টি নিয়ে তরুণ গবেষণা মূলক একটি বইও লিখছে। পাশাপাশি অবহেলিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের ভালোর জন্যে কিছু কাজ করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নিচ্ছে ছেলে তরুণ। মানব কল্যাণমূলক কাজে ছেলের সাথী হতে চান বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন। খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত কুমার বাগদি বলেন, তরুণ পালের ভবনা চিন্তা ও কর্মকাণ্ড এক কথায় অনবদ্য। উনি গোটা খণ্ডঘোষ বাসীকে গর্বিত করেছেন। যে কোন প্রয়োজনে উনার পাশে আমরা থাকবো।

মে ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে বিশেষ অনুভূতি

গানের মধ্যে কত অনুভূতিই না জুড়ে থাকে। কোনও গানে শৈশবকে তুলে ধরা হয়। কোনও গানে স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। আবার কোনও গানে কাছের মানুষকে আবার ফিরে পাওয়া যায়।কিন্তু এমন একটা গান যেখানে এই সবকিছুর ছোঁয়া পাওয়া যাবে। শৈশবের পুরনো স্মৃতি, আবেগ ও কাছের মানুষটা আবার কাছে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি এই নিয়েই আসছে একটি নতুন গান। গানটির নাম সোনালি দুপুর। শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় এর কথায় জয় সরকারের সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী ফারজানা সিফাত গানটি গেয়েছেন। সৌমজিৎ আদকের পরিচালনায় গানটির মধ্যে দেখা যাবে ফারজানা সিফাত, শিশু শিল্পী রূপদীপ্তা মুখার্জি এবং লিনা মুখার্জিকে। গানটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

প্লে অফের স্বপ্ন এখনও পূরণ হল না লোকেশ রাহুলদের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে অপেক্ষার প্রহর এখনও বেড়ে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। এদিন লখনউকে ২৪ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যাল। রাজস্থানের জয়ের নায়ক ট্রেন্ট বোল্ট। দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন। প্রথমে ব্যাট করে লখনউর সামনে জয়ের জন্য ১৭৯ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া জুটির হাত ধরে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। তখনই ধাক্কা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। অশ্বিনের বল তুলে মেরেছিলেন ক্রূণাল। লং অফ বাউন্ডারি থেকে অনেকটা দৌড়ে বল তালুবন্দী করেন জস বাটলার। শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে যখন বাউন্ডারি লাইন অতিক্রম করছিলেন, বল ছুঁড়ে দেন রিয়ান পরাগের উদ্দেশ্যে। সেই বল তালুবন্দী করেন রিয়ান। সাজঘরের পথে ক্রূণাল। এই উইকেটটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জয়ের রাস্তা থেকে দুরে সরে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস।লখনউর শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে কুইন্টন ডিকক (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (০) তুলে নিয়ে লখনউকে চাপে ফেলে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। ষষ্ঠ ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (১৯ বলে ১০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। এরপর বিপর্যয় সামলে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া। তখনই ধাক্কা অশ্বিনের। ২৫ রান করে আউট হন ক্রূণাল। ২ ওভার পরেই দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে লখনউর আশা একেবারে শেষ করে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৯ বলে ৫৯ রান করেন হুডা। ১৭ তম ওভারে ২ বলের ব্যবধানে জেসন হোল্ডার (১) ও দুষ্মন্ত চামিরাকে (০) ফেরান ওবেদ ম্যাককয়। ১৭ বলে ২৭ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ তোলে লখনউ। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও ওবেদ ম্যাককয়ও নেন ২টি করে উইকেট।জস বাটলারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও এদিন লখনউর সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার (২)। ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও (১২ বলে ১৪) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। রিয়ান পরাগ ১৬ বলে করেন ১৭। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বাটলার, তবু লখনউ–র সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান

একদলের পয়েন্ট ১২ ম্যাচে ১৬, অন্য দলের ১৪। দুই দলের সামনেই প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিতলেই এদিনই প্লে অফ নিশ্চিত লখনউ সুপার জায়ান্টসের, যারা ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, লখনউর বিরুদ্ধে জিতলে রাজস্থানের সামনেও প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার হাতছানি। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে লখনউর সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৮। এদিনও রান পেলেন না জস বাটলার। তাসত্ত্বেও বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের ম্যাচে শিমরন হেটমায়ারের পরিবর্তে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল রাজস্থান। নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডুসেন। এদিন তাঁর পরিবর্তে জিমি নিশামকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। ডুসেনের ব্যর্থতা ছাড়াও বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেছিল। এছাড়া কুলদীপ সেনের জায়গায় ওবেদ ম্যাককয়কে প্রথম একাদশে নেওয়া হয়।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যার ওপর বেশি ভরসা, সেই জস বাটলার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধেও রান পেলেন না। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার। ৬ বলে করেন মাত্র ২ রান। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটিতে ওঠে ৬৪। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বল ক্রূণাল পান্ডিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারের অভাব আবার ফুটে উঠল। ভ্যান ডার ডুসেনের পরিবর্তে এদিন সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ১২ বলে মাত্র ১৪ রান করে তিনি রান আউট হন। নিশাম আউট হওয়ার ৩ বল আগেই ফিরে যান রিয়ান পরাগ (১৬ বলে ১৭)। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
রাজ্য

অজস্র ডিম সমেত একাধিক বিষধর সাপ উদ্ধার করে আগলে রেখেছেন বন কর্মীরা

বর্ষা নামতেই বনকর্মীদের তৎপরতায় একের পর এক জায়গা থেকে উদ্ধার হচ্ছে ডিম সমেত বিষধর সাপ। এখন বর্ধমানের রমনাবাগান অভয়ারণ্যে বনদফতরের কর্মীদের রক্ষণাবেক্ষনে ও পরিচর্যার মধ্যে ডিম আগলে রয়েছে বিষধর সাপ গুলি। ডিম ফুটে কবে সাপের বাচ্চা বের হয় তারই অপেক্ষায় এখন অপেক্ষমান বন কর্মীরা।বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত কয়েক দিনের মধ্যে শহর বর্ধমান সহ জেলার অন্য কয়েকটি জায়গা থেকে ১০টি বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে ৬টি গোখরো ও ৪ টি চন্দ্রবোড়া রয়েছে। বর্ধমান শহরের সরাইটিকর ভাসাপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে পাঁচটি ডিম সমেত প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা একটি মা গোখরো সাপ উদ্ধার করা হয়। রমনা বাগান অভয়ারণ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। মা সাপটিকে ডিম থেকে সরিয়ে উদ্ধার করতে হিমসিম খেতে হয়। ডিম সমেত সাপটিকে রমনা বাগান অভয়ারণ্যে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সেখানেই পরে আরো ১১টি ডিম পাড়ে ওই সাপটি। এরপর ফের গত মঙ্গলবার রায়না থানার বাঁকুড়া মোড় এলাকার একটি রাইস মিলের ভিতর থেকে ২৭টি ডিম সহ প্রায় চার ফুট লম্বা একটি মা গোখরো সাপ উদ্ধার করে বন কর্মীরা। এই সাপটি ও তাঁর ডিম গুলিও রমনা বাগান অভয়ারণ্যে নিয়ে এসে রাখা হয়েছে।রমনাবাগানে কর্মরত বন দফতরের এক আধিকারিক অনিয়েছেন, ডিম সমেত মা সাপ গুলিকে প্রথমে কয়েকদিন একসঙ্গে রাখা হয়। কারণ সেই সময়ে সাপ ক্ষিপ্ত অবস্থায় থাকে। ফোঁসফোঁস আওয়াজ করে। ডিমগুলি ছেড়ে যেতে চায় না। ঝুঁকি নিয়ে তাদের সরানো হয়। আধিকারিকের কথায় আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে ডিম গুলি দুটি পৃথক বাক্সে রাখা হয়। ডিম ফোটানোর জন্য বিশেষ পদ্ধতি নেওয়া হয়। যাতে বাক্সের মধ্যে তাপমাত্রা ঠিক থাকে।সেই মত ব্যবস্থাও নেওয়া হয় যাতে ২৬ থেকে ২৮দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বেরিয়ে আসে। বাচ্চা বেরিয়ে আসার পর প্রথম কিছুদিন তাদের পিঁপড়ে খাওয়ানো হবে। পরে মাংস দেওয়া হবে। একটু বড় হয়ে গেলে সেগুলিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। জেলার বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, বর্ষা শুরুর প্রাক্কালে সাপের উপদ্রব বাড়তে শুরূ করায় মানুষজনকে সতর্ক ও সচেতন করার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উইলিয়ামসনের ব্যাটে বিজয়রথ থেমে গেল হার্দিক পান্ডিয়াদের

সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে অপরাজিত ছিল গুজরাট টাইটান্স। তাদের সেই অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গুজরাট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আগের তিনটি ম্যাচে সাররাইজার্স হায়দরাবাদের মূল সমস্যা ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। কেন উইলিয়ামসনরা একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি । গুটরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অন্য ছবি। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতালেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৬ বলে তিনি ৫৭ রান করে দলের জয়ে মুখ্য ভুমিকা পালন করলেন। অন্য অপেনার অভিষেক শর্মাও এদিন দারুণ ব্যাট করেন। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এদিন টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এগিন ভুবনেশ্বর কুমার, ওয়াশিংটন সুন্দরদের সামনে জ্বলে উঠতে পারেননি গুজরাট টাইটান্সের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। ম্যাথু ওয়েড (১৯), শুভমান গিল (৭), সাই সুদর্শন (১১), ডেভিড মিলার (১২), রাহুল তেওয়াটিয়ারা (৬)। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার (৪২ বলে অপরাজিত ৫০) ও অভিনব মনোহরের (২১ বলে ৩৫) দায়িত্বশীল ইনিংস গুজরাট টাইটান্সকে ১৬২/৭ রানে পৌঁছে দেয়। সানরাইজার্সের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ও টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৪। ৩২ বলে ৪২ রান করে রশিদ খানের বলে অভিষেক ফিরে যাওয়ার পর দলকে টানেন উইলিয়ামসন। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে তিনি যখন আউট হন সানরাইজার্সের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১২৯/২। শেষ দিকে ঝড় তুলে দলকে জয় এনে দেন নিকোলাস পুরান। ৫ বল বাকি থাকতে ১৬৮/২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান। ৮ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৪ ম্যাচে হার ধোনিদের!‌ দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্সের

আইপিএলে দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসের দল। ৪ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই সুপার কিংস। টানা চারটিতেই হার। সত্যিই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের কী হাল। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আগের তিনটি ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। হারের হ্যাটট্রিক করা চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে আসার জন্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন উথাপ্পারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবার ৪ ম্যাচ হয়ে গেল, ঋতুরাজের ব্যাটে বড় রান নেই। এদিন ১৩ বলে ১৬ রান করে টি নজরাজনের বলে বোল্ড হন। তার আগেই রবিন উথাপ্পাকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর মইন আলি ও অম্বাতি রায়ডু চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে গেলেও সানরাইজার্স বোলারদের ওপর সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ২৭ বলে ২৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন মইন। তিনি মার্করামের শিকার। শিবম দুবে (৩), ধোনিরা (৩) ব্যর্থ। ১৫ বলে ২৩ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৭ তোলে চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও চিন্তা ছিল ব্যাটারদের ফর্ম। বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে গেল। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে ওঠে ৮৯। এরপর মুকেশ চৌধুরির বলে আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে তিনি করেন ৩২। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। দুর্দান্ত ব্যাট করেন অভিষেক। ৫০ বলে ৭৫ রান করে তিনি ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হন। ১৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল ত্রিপাঠী। ১৭.৪ ওভারে ১৫৫/২ রান তুলে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় হাসিল করে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন জরিমানার কবলে উইলিয়ামসন?‌ তাঁর আউট নিয়ে তীব্র বিতর্ক

গত বছর আইপিএলে একেবারেই ভাল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছর ভাল দল গড়ে সাফল্য পাওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই হারতে হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সঞ্জু স্যামসনের রাজস্থান রয়্যালস সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে উড়িয়ে দিয়েছে ৬১ রানে। হারের পাশাপাশি আরও একটা বড় ধাক্কা খেয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।এবারের আইপিএলে অবশ্য কেন উইলিয়ামসনকে প্রথম জরিমানার কবলে পড়তে হয়নি। এর আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মারও মন্থর বোলিংয়ের জন্য জরিমানা হয়েছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাই দলের অধিনায়ককে জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক উইলিয়ামসনও একই অপরাধে অভিযুক্ত।আইপিএলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ মার্চ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইপিএল ২০২২এর ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা করা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। ন্যূনতম ওভার রেটের ব্যাপারে যেহেতু এটা দলের প্রথম ভুল তাই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার আবার একই অপরাধ হলে, আরও বড় শাস্তি পেতে হবে উইলিয়ামসনকে।এদিকে, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে উইলিয়ামসনের আউট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর ক্যাচ নিয়ে সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও উইলিয়ামসনকে যেভাবে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার, বেশ অসন্তুষ্ট হায়দরাবাদ শিবির। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে উইলিয়ামসনের ক্যাচ ধরার জন্য ঝাঁপিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বল তাঁর গ্লাভস থেকে বেরিয়ে যায়। সেই বল ধরেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, দেবদত্তর হাতে জমা পড়ার আগে বল মাটি স্পর্শ করেছে।উইলিয়ামসনের বিতর্কিত ক্যাচের ব্যাপারে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ হেড কোচ টম মুডি বলেন, উইলিয়ামসনকে আউট দেওয়ায় আমরা অবাক হয়ে যাই। টিভিতে রিপ্লে দেখার পর সন্দেহ আরও ওটা আউট নয়। যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে।

মার্চ ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal