• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

শিক্ষা

গৌড়বঙ্গের মুকুটে নতুন পালক, খুলে গেল মহাকাশ গবেষণা ও কর্পোরেট ফার্মিং-এর দরজা

মহাকাশ গবেষণার দরজা খুলে গেল এবার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে। মালদার ভূমিপুত্র তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর হাত ধরেই এই ঐতিহাসিক সুযোগ আসতে চলেছে গৌড়বঙ্গে। সম্প্রতি সন্দীপ বাবুর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ' ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স'-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আর তাতেই আশার আলো দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। একইসঙ্গে হায়দ্রাবাদের 'আর আর এনিম্যাল হেল্থকেয়ার' সংস্থার সঙ্গে কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়েও একটি মউ স্বাক্ষর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগ। এর ফলে অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির গবেষণার পাশাপাশি আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিতর্ককে পিছনে ফেলে ক্রমেই উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম তুলেছিলেন। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে খুলে গেল মহাকাশ গবেষণার সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি 'ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' নামে এক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর মালদার ভূমিপুত্র তথা জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত ওই সংস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এখানকার পড়ুয়ারা মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে। যারা উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে গৌড়বঙ্গ অথবা উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তেমনভাবে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাচ্ছিলেন না, তারাও এখন উপকৃত হবেন। এমনকি সন্দীপ বাবুর 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' থেকে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। এর ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষতা বাড়বে তেমনই সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের পরিকাঠামো ব্যবহার করে গবেষণার সুযোগ পাবেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রসঙ্গত বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা মালদা জেলাতেই। এমনকি তাকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন উৎসবে সাম্মানিক 'ডক্টর অফ সায়েন্স' উপাধি দেওয়া হয়। মহাকাশ গবেষণার জন্য সন্দীপ চক্রবর্তীকে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক সমীক্ষায় ভারতবর্ষের সেরা বিজ্ঞানীর শিরোপা দেওয়া হয়েছে। তার 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' সংস্থাটি ইতিমধ্যেই মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছে। পূর্ব ভারতের সবচেয়ে উন্নত মানের টেলিস্কোপ রয়েছে ওই সংস্থার কাছে। এমনকি মহাকাশ গবেষণার জন্য বিশাল আকারের বেলুন ও যন্ত্রপাতি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার উচ্চতায় ভেসে থাকা সেই বেলুন থেকেই সম্প্রতি বৃহস্পতি ও শণি গ্রহের নৈকট্য লেন্সবন্দী করেছে সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স। এমনকি কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে ওই সংস্থা। স্বভাবতই এমন সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর চঞ্চল চৌধুরী জানান," সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সন্দীপবাবু সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স প্রতিষ্ঠানকে সহযোগী সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন ভাবনার আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার দরজা খুলে যাবে। গৌড়বঙ্গের পড়ুয়ারাও মহাকাশ গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের অবদান রাখতে পারবেন। এমনকি গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স থেকে গবেষণা করলে পিএইচডি ডিগ্রি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়ার সুযোগ থাকছে।" এ প্রসঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি বলেন," সন্দীপবাবু সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার একটা নাড়ির টান রয়েছে। তিনি মালদার ভূমিপুত্র। তাই গৌড়বঙ্গ তথা উত্তরবঙ্গের জন্য তিনি কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি যখন মহাকাশ গবেষণার প্রস্তাব আমাদের দেন, তখন আমরা তাতে সম্মত জানাতে দেরি করিনি। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরফলে এস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে গবেষণার নতুন দিক উন্মোচিত হবে।" অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী। তিনি জানান," গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমার সংস্থার তরফ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সে প্রস্তাবে তারা রাজি হয়েছেন। এর ফলে আখেরে গৌড়বঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ইতিমধ্যেই এখানকার ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ফলে এখানকার পড়ুয়ারা আমার সংস্থায় গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। গবেষণার পর পিএইচডি ডিগ্রি দেবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে যে সমস্ত প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেত না, তাদেরও প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটবে বলে আশা করি।" একদিকে যখন মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে তখন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করলো হায়দ্রাবাদের প্রাণী সম্পদ বিকাশ সংস্থা 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার'। উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কর্পোরেট ফার্মিং অর্থাৎ ভক্ষ প্রাণীর উন্নত পরিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে গবেষণা ও কাজকর্ম করে থাকে সংস্থাটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে ওই সংস্থা গাঁটছড়া বাঁধায় এবার এখানকার পড়ুয়ারাও কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়ে যেমন তালিম পাবেন যেমন তেমনিই তাদের সামনে খুলে যাবে গবেষণার রাস্তাও। গরু, ছাগল,ভেড়া,হাঁস, মুরগি, মাছ সমেত পোলট্রি ফার্মিং বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ওই সংস্থা। সাধারণ মানুষের কাছে দূষণমুক্ত উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গবেষণা ও উৎপাদনের কাজ করে ওই সংস্থা। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে এই সংক্রান্ত গবেষণার কাজ করেছে সংস্থাটি। শারীরবিদ্যা বিভাগ সূত্রে খবর, যারা পোলট্রি তথা অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির সঙ্গে যুক্ত তারা যাতে নিজেরাই উন্নত মানের প্রজাতির প্রাণীর ব্রিডিং করতে পারেন সেজন্য সিমেন এক্সটেন্ডার মেশিন তৈরির চেষ্টা যৌথ ভাবে করা হবে। ওই মেশিন তৈরি হলে উন্নত মানের পুরুষ পশু বা পাখির বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে তার সফল প্রয়োগ বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে। শারীরবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তথা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি জানান," যে সমস্ত প্রাণীর মাংস, দুধ, ডিম আমাদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে তাদের বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রতিপালন করা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা করার বিষয়ে পড়ুয়ারা গবেষণার সুযোগ পাবেন। আমরা গবেষণার মাধ্যমে যদি উন্নততর কিছু আবিষ্কার করতে পারি তবে তার বাণিজ্যিক প্রয়োগের মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন পশু পালক ও পোলট্রি ফার্মাররা। আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে আমূল সংস্কার আনা সম্ভব হবে এর মাধ্যমে। নিঃসন্দেহে এটি বড় প্রাপ্তি।" এ প্রসঙ্গে 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার' এর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের প্রধান লাবণ্যময় কোলে জানান," গৃহপালিত প্রাণীর উন্নত প্রতিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি সম্পর্কে পড়ুয়ারা যেমন জানতে পারবেন তেমনি এখানে গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রজননক্ষম গৃহপালিত প্রাণী ও তার উৎপাদনের বিষয়টিও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে গ্রামের পশুপালকরাও উপকৃত হবেন।" নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে যখন গৌড়বঙ্গে অচলাবস্থা তৈরীর চক্রান্ত চলছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমন দু'টি বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার গাঁটছড়া বাঁধার ঘটনা নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে শিক্ষাপ্রেমীদের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফরেই শুভেন্দুকে তোপ সৌগত- ফিরহাদের

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় কাঁথিতে মিছিল ও জনসভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকারীগড়ে সমাবেশ করে তৃণমূল বার্তা দিল আপাতত অখিল গিরিদের হাতেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের ক্ষমতা। এই জনসভায় ছিলেন না তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ শিশির অধিকারী ও অপর সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক ও মিরজাফর তকমাতে অনড় থাকলেন। বক্তারা টানা নিশানা করে গেলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে জনসভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। শুভেন্দু মেদেনীপুরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দিন থেকে ভাইপো হটাওয়ের ডাক দিচ্ছেন। এদিকে এদিনের সভায় মূল দুই বক্তা সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যের প্রতি লাইনেই তুলোধোনা করেন দলের প্রাক্তন সেনানীকে। আগাগোড়া তোপ দাগলেন। শুভেন্দুকে ছাড়াই পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনে ১৬ আসনেই জয়ী হবে তৃণমূল সেকথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ। এদিনের সভায়ও ফিরহাদ হাকিম বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেন শুভেন্দুকে। সৌগত রায় মীরজাফর বলে অভিহিত করেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য আ্মরা ক্ষমা চাইছি। মমতাকে নয়, শুভেন্দু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯-তে কীভাবে মনোনয়ন পেলেন তিনি। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। ফিরহাদের কথায়, মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে থাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে। দল ছাড়ার আগে সৌগত রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এদিন শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সৌগত রায়। দমদমের সাংসদ বলেন, শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না। মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? কাঁথি কোনও পরিবারের সম্পত্তি নয় বলেও জানিয়ে দেন সৌগত রায়। তিনি শুভেন্দুকে কোনও বড় পালোয়ান বলতে নারাজ, তাঁর মতে, অখিল গিরিই বড় পালোয়ান। কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই থাকবেন বলে মনে করে সৌগতবাবু। এই জনসভায় যে শুভেন্দুকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে তা রাজনৈতিক মহল অবগত ছিল। অখিলি গিরি জানিয়েছিলেন, শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী কনসেন্ট দেয়নি সভায় থাকার বিষয়ে। এদিকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই সভার বিষয়ে তাঁদের জানানোই হয়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে সভায় ছেলেকে লাগামছাড়া শব্দে আক্রমণ করা হবে সেখানে কী থাকতে পারেন সাংসদ বাবা। তাছাড়া শিশির অধিকারীকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

‘বিজেপি বহিরাগতদের এনে ব়্যালি করছে’, দাবি অনুব্রতর

ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা গোটা রাস্তাতেই ব্যান্ড বাজছে। বাড়ির উপর থেকে ফুল পড়ছে। জনজোয়ারে ভেসে এগিয়ে চলেছেন অমিত শাহ। পরে শাহের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে যেন জনতার বাঁধ ভাঙল। বোলপুরে এ দিন অমিত শাহের মেগা ব়্যালিতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। তবে, একে আমল দিতে নারাজ খোদ বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। উল্টে এখানেও বহিরাগত তত্ত্ব হাজির করলেন নেত্রীর আস্থাভাজন কেষ্ট। দলীয় বঙ্গধ্বনী কর্মসূচির মাঝেই নিজস্ব কায়দায় বললেন, বিজেপি বহিরাগতদের এনে এই ব়্যালি করছে। আমি জেলার লোক নিয়ে মিছিল করি। কয়েকটা ব্লক নিয়ে মিছিল করলেই এর থেকে বেশি ভিড় জমিয়ে দিতে পারি। আরও পড়ুন ঃ রোড শোতে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের এখানেই থেমে থাকেননি অনুব্রত। উল্টে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সুরেই তাঁর দাবি, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সভা শুরু হবে। প্রতিটা ব্লকে ৮০ হাজার করে লোক থাকবে। এরপরই তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রার প্রসঙ্গ উত্থাপ করে তিনি বলেন, মমতাদির সবা-মিছিল হলে পাঁচ-ছয়টা ব্লক থেকে মিছিল তাতেই চার-পাঁচ লাখ লোক হয়ে যায়। এসব আমাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। বিজেপির এ দিনের কর্মসূচিতে যে ভিড় হয়েছে তাতে কি তিনি ভীত? অনুব্রত মণ্ডল বলেন, আমিত শাহ রোজ আসুন। এতে তৃণমূলের কোন ক্ষতি হবে না। উৎসাহিত হবে দলের কর্মীরা। একই সঙ্গে বলেন, শুভেন্দু হোক বা অন্য কেউ- তৃণমূল ছাড়লে ক্ষতি দলত্যাগীদের। ফের বাংলার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
বিদেশ

সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করলেন কেপি ওলি

দেশের নয়া রাজনৈতিক মানচিত্র নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধের মাঝেই নয়া পদক্ষেপ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। সূত্রের খবর, নেপালের নির্বাচিত সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠিও লিখেছেন কেপি ওলি।আরও পড়ুন ঃ অবশেষে পরাজয় স্বীকার করে নিলেন ট্রাম্পনেপালের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর রবিবার সকালাএ মন্ত্রী পরিষদের জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারিয়েছে, তাই রকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করছেন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতির অবস্থাকে কেন্দ্র করে ডামাডোল চলছে নেপালের রাজনীতিতে। ফের দেশে রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি উঠেছে। দলের অন্দরেও কেপি ওলির বিরুদ্ধে সুর চড়া হচ্ছিল। তার মাঝেই এল সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশের খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

অনুব্রত বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে ভেবে দেখবেনঃ দিলীপ ঘোষ

বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে কি নেবেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি কাউকে বলে থাকলে ভেবে দেখব আমরা। সকালে নিউটাউনে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ সেরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, কাজের পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রী, পর্যবেক্ষকরা এখানের নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখছেন। সেই কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা নিয়ে কথা হয়েছে। বৈঠকে তেমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে দাবি দিলীপের। তবে এবার থেকে বাংলায় আরও বেশিদিন থাকবেন অমিত শাহ। আরও পড়ুন ঃ বুকের পাটা থাকলে অভিষেকের নাম নিয়ে দেখান, শুভেন্দুকে তোপ কল্যাণের বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়,প্রতি মাসেই উনি আসবেন। এরপর দিন বাড়বে। দুদিন থাকছিলেন। এবার ৩ দিন থাকবেন। এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, আজ বোলপুরে তৃণমূলের দুই বিধায়ক যোগ দেবেন? দিলীপের জবাব,আমার জানা নেই। কেউ চলে আসতেও পারেন। শাসক দলের আর কেউ যোগাযোগ করেছেন? দিলীপ বলেন,অনেকেই যোগাযোগ করছেন। আগামী দিনে আরও বাড়বে। আপনারা ধীরে ধীরে দেখতে পারবেন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিনঃ অমিত শাহ

ফের বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল তাঁর। তবে, বিমান বিভ্রাটের ফলে নির্ধারিত সময়ের বেশ খানিকটা পর রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা পৌঁছন তিনি। আপাতত দুদিন ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের রাজনীতিতে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের ডাক জিএনএলএফ-এর কুয়াশা বিভ্রাট কাটিয়ে কলকাতায় পা রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ শাহের বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু দিল্লিতে প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যায়। সেই কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমান ছাড়তে পারেনি। শেষ মেশ রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন অমিত। রাতে বিমানবন্দরে অমিতকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। মধ্যরাতেও বিমানবন্দরের বাইরে বিজেপির সমর্থকদের ভিড় ছিল দেখার মতো। তাঁদের উদ্দেশে হাত নেড়ে গাড়িতে চেপে রওনা দেন অমিত। বিমানবন্দর থেকে তাঁর কনভয় ছোটে নিউটাউনের উদ্দেশে, সেখানেই একটি পাঁচতারা হোটেলে আগামী দুদিন থাকবেন তিনি। শনিবার সকালে এই পাঁচতারা হোটেলেই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এনআইয়ের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক শেষ করেই অমিত যান স্বামী বিবেকানন্দের পৈত্রিক বাড়িতে। সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিন। আমি সেই জায়গায় এসেছি যেখানে বিশ্বজুড়ে যিনি চেতনা জাগ্রত করেছেন সেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মভিটে এসেছি। ভারতের সংস্কৃতি দর্শনকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন স্বামীজি। আমি এখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছি। স্বামীজির সেই চেতনা নিয়েই এগিয়ে যাব। আজও প্রাসঙ্গিক রয়েছে সেই চেতনা। এখন খুব দরকার সেই চেতনার। বঙ্গবাসীর মন জিততে বাংলায় এদিন টুইট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রিয় ভাই এবং বোনেদের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলাপচারিতার জন্য আমি উদগ্রীব রইলাম। অমিত শাহের সঙ্গে রয়েছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, অরবিন্দ মেনন, অগ্নিমিত্রা পলের মতো নেতা-নেত্রীরাও রয়েছেন শাহের সঙ্গে। বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটেতে মিউজিয়াম, শিবের মন্দির ঘুরে দেখেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

এবার গেরুয়া শিবিরের পথে হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক

দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে দলত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। জানালেন, কাজ করতে পারছেন না। ইঙ্গিতে বোঝালেন বিজেপি শিবিরে যোগদানের ইচ্ছেও। তিনি বলেন, মানুষের হয়ে কাজ করতে চান, কিন্তু তা করতে পারছেন না। আরও পড়ুন ঃ বোলপুরে বিজেপির পোস্টার, অমিত শাহের ছবির নীচে স্থান পেলেন রবি ঠাকুর! এতে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে তাঁর দলত্যাগ নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর স্বামীর বিজেপি যোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্টভাবে তিনি জানান, একইবাড়ির দুজন মানুষ আলাদা রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে চললে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যায়। তাই তাপসীদেবী মনে করেন, স্বামীর সঙ্গে একসঙ্গে চলাই তাঁর উচিত। এতেই কার্যত স্পষ্ট যে, দল ছাড়তে চলেছেন তিনিও। বিধায়কের মনোভাব প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে বহিষ্কার করেছে দল।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

'দুয়ারে-দুয়ারে নয়, যমের দুয়ারে যাচ্ছে তৃণমূল সরকার, বদলা নেওয়া হবে', হুঙ্কার দিলীপের

শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। শনিবারই নরেন্দ্র মোদি সেনাপতি অমিত শাহের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যাত্রা করবেন তিনি। এছাড়াও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যেতে পারেন তৃণমূলের একাধিক সাংসদ-বিধায়ক এই সম্ভবনাও প্রবল। ফলে ভোটের আগে রাজ্যে বিজেপির শক্তি ক্রমে যতই বাড়ছে, ততই ঘ্রের ভাঙ্গনে রক্তাক্ত হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস তা বলাই যায়। আর নিজেদের এই শক্তি বৃদ্ধিতে আরও বেলাগাম হচ্ছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় এক জনসভা থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, দুয়ারে দুয়ারে সরকার করছেন দিদি। মানুষের দুয়ারে নয় এখন যমের দুয়ারে তৃণমূল সরকার। বাড়িতে এলে এক গ্লাস জলও দেবেন না, গলাধাক্কা দিয়ে তাড়া করবেন। কেন্দ্রের টাকা চুরি করে ভাড়া করে লোক আনছে। তৃণমূলের অত্যাচারে তাঁদের নেতারা দল ছেড়ে বিজেপিতে আসছে। সকালে গিয়ে বোঝাচ্ছে, বিকেলে নেতারা দল ছেড়ে পালাচ্ছে। দিদিকে যে মা বলেছেন, সেই মায়ের ভোগে গেছে। এখন শুধু একজনের পিসিই আছে। নিজেদের বাড়ি ভাঙছে বলে এখন তৃণমূলের কষ্ট হচ্ছে, একসময় অন্যদের বাড়ি ভেঙ্গেছিল তৃণমূল। এদিন হুঙ্কারের সুরে দিলীপ ঘোষ বলেন, বদলও হবে, বদলাও হবে। এমন বদল হবে, কদিন পর ওদের পার্টি অফিস খোলার লোক পাওয়া যাবে না। নরেন্দ্র মোদি টাকা পাঠাচ্ছেন কিন্তু তৃণমূল চুরি করে নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প এখানে চালু করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই মোদির টাকা নিতে চাইলে দিদিকে তাড়ান। তৃণমূলে যারা সম্মান পাননি তাঁরা বিজেপিতে আসুন, সবার জন্য আমাদের পরিবারে দরজা খোলা। রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন বলেন, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে বলে বিজেপিতে আসছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

অনুব্রতকে বিজেপিতে আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

আমার কাছে জয়েনিংয়ের লিস্ট নেই। যারা জয়েন করবেন তারা লিস্ট নিয়ে আসবেন। তবে একটা বড় সংখ্যা এবং ভারী নেতারা জয়েন করবেন। আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আগামীকাল ঐতিহাসিক সভা হবে। এক লক্ষের বেশি লোক হবে। পূর্ব মেদনীপুর জ্যাম হয়ে যাবে। পরিবর্তনের ঢেউ লেগে গিয়েছে যেটা জঙ্গলমহল এবং মেদিনীপুর থেকে পরিবর্তন হবে। শুক্রবার নিউটাউন ইকো-পার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এমনটাই দাবি করেন। জেপি নাড্ডার কনভয় হামলার আশঙ্কা আগে থেকেই করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আগামীকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সভা ঘিরে কোন আশঙ্কা রয়েছে কিনা তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ওদের পার্টি ভেঙে যাচ্ছে। এধরনের হিংসাত্মক রাজনীতি ভারতবর্ষে আর পশ্চিমবঙ্গে চলবে না। যারা করেছেন তারা আজ টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিজেপিতে যোগদান নিয়ে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। এ বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন অনেকেই পার্টি ছেড়ে দিচ্ছে। যারা আসছেন দল ঠিক করবেন তাদের নেবে কি নেবে না। আরও পড়ুন ঃ গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র, সোমবার ডাকা হল বিধানসভায় দিলীপ ঘোষ দাবি করেন যে জঙ্গলরাজ চলছে তা জনজাগরণের মাধ্যমে পরিবর্তন করব। সেই সংকল্প নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের লড়াইটা সফল হয়েছে। সাধারণ মানুষ যেমন বিজেপিতে আসছেন তেমন টিএমসি ছেড়েও বিজেপিতে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের মাধ্যমে সরকার গঠন করবে বিজেপি। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, টিএমসি পার্টি থাকবে না। পার্টিতে চারজন থাকবেন পিসি-ভাইপো, ববি হাকিম এবং প্রশান্ত কিশোর। গতকালই অনুব্রত মণ্ডল তারাপীঠে পুজো দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন মা তাঁকে বলেছেন ২২০টি আসন বাঁধা। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ২২০ আসুন হয়তো তিনি বিজেপির জন্য চেয়েছেন। কারণ সবাই যেভাবে বিজেপিতে আসছে উনিও হয়তো আসতে পারেন। অনুব্রত মণ্ডল আমাকে তার দলে আহ্বান করেছিলেন। এখন দলটা থাকলে তো আহবান করবেন। আসতে চাইলে আসতে পারেন। বিজেপি এত লোককে জায়গা দিচ্ছে ওনাকে একটু জায়গা তো এক কোণে দিতেই পারি। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে শাসক-বিরোধী তরজার ঝাঁজ। দিলীপ ঘোষ প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক বিষয়ে এক হাত নিলেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র, সোমবার ডাকা হল বিধানসভায়

এখনও গৃহীত হল না শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগ পত্র। সম্প্রতি তিনি নিজে গিয়ে বিধানসভায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসেন। সেই সময় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তিনি তাঁর সচিবের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে ইমেল মারফৎ তিনি বিধানসভার অধ্যক্ষকেও পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগ পত্র গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা ছিল। কারণ, তার মধ্যে কিছু ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ঠিক সেটাই দেখা গেল। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে আগামী সোমবার বিধানসভায় ডাকাও হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাংবিধানিক সংস্থান ও বিধানসভার নিয়ম বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র এখনই গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আজ, শুক্রবার বিধানসভা ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, বিধানসভায় এসে শুভেন্দু যে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন, তাতে কোনও তারিখ ছিল না। কিন্তু ইমেলে পাঠানো চিঠিতে ছিল। কোনটা আসল, সেটা তাঁকে আগে বুঝতে হবে। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীকে অধ্যক্ষ বিধানসভায় ডেকেছেন। সবদিক থেকে সন্তুষ্ট হবার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, যতদিন তাঁর পদত্যাগ পত্র গৃহীত না হচ্ছে, ততদিন শুভেন্দু বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য থাকছেন বলে বিমানবাবু জানান।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

এখনই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না , সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে বিজেপি

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় মুকুল রায়, অর্জুন সিংদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন অর্জুন সিং, মুকুল রায়-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। মামলাকারীদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক একাধিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এই মামলাগুলির তদন্ত সিবিআইয়ের মতো কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে করানো হোক। আরও পড়ুন ঃ বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার এদিন সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, বাংলায় এখন বিজেপিতে যোগ দেওয়াটাই ফৌজদারি অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যতক্ষণ পর্যন্ত পরবর্তী শুনানি হচ্ছে, ততক্ষণ মুকুল রায়, অর্জুন সিং-এর মতো বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। বক্তব্য জানতে চেয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিসকে নোটিশ দিল শীর্ষ আদালত। ৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রীরামপুরে বিজেপি নেতা কবীর শঙ্কর বসুকে হেনস্থার ঘটনায় সিআইএসএফের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার

বঙ্গবন্ধুর সম্মানে একটি ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজকের ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলন চলাকা্লীন বাংলাদেশের সাথে আমাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে পেরে আমি সম্মানিত। বঙ্গবন্ধু-বাপু জাদুঘর ও চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেল সংযোগ উদ্বোধন করেছি। আরও পড়ুন ঃ আগামী বছর চার দফায় জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষাঃ রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক পরের বছর, ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে মুজিববর্ষ এবং আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০ বছর উদযাপন করবে। আমি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা সফরের প্রত্যাশায় রয়েছি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

আরামবাগের সভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরব শমীকও

বৃহস্পতিবার হুগলির আরামবাগে সভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত দলকে সরাতেই একুশের লড়াই। পঞ্চায়েত ভোটে অত্যাচারের জবাব মানুষ বিধানসভা ভোটে দেবে। এই কাটমানি আর সিন্ডিকেটের সরকার আর চলবে না। এছাড়াও বলেন, বাংলায় রোজ খুন-ধর্ষণ হচ্ছে। একমাত্র বাংলায় মহিলাদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়। তৃণমূলের ভাঙন প্রসঙ্গ টেনেও দিলীপবাবু বলেন, রাজ্যের এই অবস্থার জন্য তৃণমূল থেকে নেতারা পালাচ্ছেন। মানুষ কাটমানির হিসাব চাইছে তাই পালাচ্ছে। এমনকি বিজেপিতে যোগদানের ভয়ে তৃণমূল নেতাদের পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের পরিবেশ রক্ষা করতে একাধিক পরিকল্পনা রেলের অন্যদিকে আজ হেস্টিংসে বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে নাড্ডার কনভয়ে হামলা থেকে পাহাড় প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তিনি। বিজেপি নেতা বলেন, জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কোন তদন্ত ছাড়া পুলিশের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করেছিল তৃণমূল। রাজ্যে বাধাহীনভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচী করার অবস্থা নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব না। শমীক আরও বলেন, ধর্ম ও জনগোষ্ঠীর নামে বিভাজন করতে চাইছে তৃণমূল। পাহাড় নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিজেপি। দলের তরফ থেকে সর্বদলীয় বৈঠকে জানানো হয়েছিল কোন গোষ্ঠী বা জনজাতির নামে এই ধরনের পরিষদ গঠন করলে ভারতবর্ষের একতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা পাহাড়ের উন্নয়ন চাই। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে রেখেই পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিকাশ চায় বিজেপি। আমরা পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাই না। পাশাপাশি গোর্খাল্যান্ড নিয়ে বিজেপির অবস্থান এদিন স্পষ্ট করেন তিনি। সাম্প্রতিক টেট পরীক্ষা-সহ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি এই বিজেপি নেতা। পুরভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার মুখে নির্বাচন চাই বললেও এখনও অবস্থান স্পষ্ট করেনি। আমরা চাই, সব পুরভোট সঠিক সময়ে হোক। কিন্তু রাজ্য সরকার, প্রত্যেক বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকার কারণে গণতান্ত্রিক পরিসরকে সংকুচিত করে দিয়েছে। একইভাবে পুরনিগম ও পুরসভায় রাজনৈতিক নেতাকে প্রশাসকের পদে বসিয়ে অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

নিয়ম মেনে করা হয়নি, অধ্যক্ষের দাবি গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগ

মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর গতকাল বিধানসভা ভবন এসে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তার সচিবের হাতে ইস্তফা পত্র জমা দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী নিজের তরফ থেকে তৃণমূলের সঙ্গে এত বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করলেও তাঁর পদত্যাগপত্র নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেল। কারণ গতকালই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছিলেন, শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র বিধিসম্মত নয়, সুতরাং সেটি গ্রহণ করা যায়নি। এদিনও সংবাদ মাধ্যমের সামনে একই কথা আরো একবার স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ অগণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী, আইপিএস পোস্টিং নিয়ে তোপ মমতার এদিন বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র বিধিসম্মত নয়। আজ তিনি সচিবের থেকে সেই ইস্তফাপত্র হাতে পেয়েছেন, সেটি পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপার আছে। পরীক্ষা করার পর তিনি সেই প্রেক্ষিতে একটি অর্ডার দেবেন। যতক্ষণ না সেই অর্ডার দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত বলা যায়না শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। অর্ডার এর পরেই সম্পূর্ণ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রে তিনি এও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত পদত্যাগপত্র গৃহীত বা প্রত্যাখ্যান না করা হলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা যেতেই পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে সেই পদত্যাগপত্র খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার উপর এবং অর্ডারের ওপর। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী খাতায়-কলমে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক পদেই রয়েছেন। একইসঙ্গে ইস্তফাপত্র একই ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে তার ব্যাপারে কিছুই বলতে চাননি বিধানসভার অধ্যক্ষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে অর্ডার বেরোবে সেটা দেখলেই বোঝা যাবে আসল ব্যাপার কি। তবে তিনি ইস্তফা পত্র গ্রহণ করবেন কি করবেন না সে ব্যাপারে এখন থেকেই ইঙ্গিত দিতে চাইলেন না বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গতকাল বিকেল চারটে নাগাদ বিধানসভা ভবনে পৌঁছে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই সময় সেখানে ছিলেন না তিনি। অতঃপর স্পিকারের সচিবের কাছে সেই পদত্যাগপত্র পেশ করেন তিনি। গতকালই বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আগে বিধানভবনে গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র দেখবেন, তারপর আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবেন। তার আগে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নয়। বিমানের কথায়, শুভেন্দু অধিকারীর যেভাবে সচিবের হাতে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন সেটা বৈধ নয়, এইভাবে পদত্যাগপত্র সচিবের হাতে দিয়ে পদত্যাগ করা যায় না।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে এবার পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। তিনি একাধিক সরকারি পদে ছিলেন। আজ, বৃহস্পতিবার তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করার কথা জানান। আরও পড়ুন ঃ মিথ্যা হজম করব না, মন্তব্য ধনকড়ের তিনি সাউথ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। এমনকী তিনি মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স এবং মনিটরিং সেলের অ্যাডভাইজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন। বিষয়টি তিনি ই মেলে রাজ্যপালকেও জানিয়ে দিয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত দিলীপ ও মুকুলের

শুধু শুভেন্দু নন, দলের যাঁরা সিনিয়র লিডার, যাঁদের জন্য দল ক্ষমতায় এসেছে, তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তৃণমূলে নিশ্চয়ই কোনও গন্ডগোল আছে। দলে এলে স্বাগত জানাব। আমরা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। শুভেন্দুর ইস্তফা প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, পিকের টিমের সদস্যরা রোজই দলের নেতা-সাংসদ-বিধায়কদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু একজন বুথস্তরের কর্মীও দল ছেড়ে যাবে না। আরও পড়ুন ঃ জিতেন্দ্রর সঙ্গে ফোনে কথা মমতার এছাড়াও বিধায়ক পদ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফা নিয়ে মুকুল রায় বলেন, শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়েছেন, অত্যন্ত সুখবর। বাংলার গণ আন্দোলনের পক্ষে বড় সিদ্ধান্ত। পিকের প্রসঙ্গে মুকুলবাবু বলেন, পয়সা নিয়ে কাজ করছে নাকি দলে কোনও পদে আছে, পিকেকে নিয়ে অবস্থান এখনও স্পষ্ট করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা তৃণমূল করছেন, তাঁদের দমবন্ধ হয়ে আসছে। আমি মনে করি, শুভেন্দু বিজেপিতে এলে ভালো হবে। সুযোগ হলে কথা বলব।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৮ দিন আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন। তখন থেকেই বিধায়ক পদ ও দল থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এবার তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় বিধানসভার সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, বিধানসভার সচিবের ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার নেই।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

মানুষের ফোন নম্বর জোগাড় করে ভোটপ্রচারে কাজে লাগাবে , তোপ দিলীপের

বুধবার চায়ে পে চর্চায় বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে কেক কাটেন দিলীপ ঘোষ। না, তবে আজ ওনার জন্মদিন নয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি হিসাবে পাঁচ বছর পূর্ণ হল তাঁর। তবে এদিন সকালে ওই অনুষ্ঠানেও রাজ্য সরকারকে বিঁধতে ছাড়লেন না সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দুয়ারে সরকার, ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোর-সহ একাধিক বিষয়েই তোপ দাগেন তিনি। কাটমানি ইস্যুতে এদিন রাজ্য সরকারকে একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, দিদি বলেছিলেন কলকাতাকে লন্ডন বানাবেন। কিন্তু এখনও একটু বৃষ্টি হলেই কলেজ স্ট্রিটে কোমর সমান জল জমে। রাস্তাঘাট সব দখল করে নিয়েছে তৃণমূল। পয়সা নিয়ে বড় দোকানের সামনে হকার বসিয়ে দিচ্ছে। উন্নয়ন বলতে ৬ মাসে একবার করে ফুটপাথের টালি বদলায়। আর তা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা কাটমানি খান তৃণমূল নেতারা। আরও পড়ুন ঃ মার্চে ভোট করতে চেয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল রাজ্য এছাড়া দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন দিলীপবাবু। তাঁর দাবি, এতদিন পর মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার কথা মনে পড়েছে সরকারের। ৯ বছরে যে সরকার পরিষেবা দিতে পারল না তারা ২ মাসে কী করে পরিষেবা দেবে? আসলে এসব মানুষের ফোন নম্বর জোগাড়ের ফন্দি। প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা মানুষের ফোন নম্বর জোগাড় করে ভোটপ্রচারে কাজে লাগাবে। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের ক্যাম্পে একেবারে না যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এছাড়াও এদিনের চায়ে পে চর্চার অনুষ্ঠানে পুরভোট নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ভোট যখনই হোক। দল তৈরি।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

মার্চে ভোট করতে চেয়ে কমিশনকে  চিঠি দিয়ে জানাল রাজ্য

মার্চে কলকাতা পুরসভার ভোট হতে পারে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিল সরকার। মঙ্গলবার প্রশাসনের তরফে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হল, মার্চে হতে পারে পুরভোট। চিঠি আরও জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তারপর পুরনির্বাচনের যথাযথ প্রস্তুতি নিতে খানিকটা সময় লাগবে। ওয়ার্ড বিন্যাস, সংরক্ষণ সম্পূর্ণ করতে অন্তত মাসখানেক সময় প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মার্চ মাসের শেষে ভোট হতে পারে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটের জন্য প্রস্তুত দল। আরও পড়ুন ঃ শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে মানবিক প্রকল্প আগামী ১৭ তারিখ এই চিঠিই সুপ্রিম কোর্টে পেশ করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতা পুরসভায় ভোট হলেও এখনই রাজ্যের অন্য কোনও পুরসভার ভোট হবে না বলেই জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। কলকাতা পুরসভায় দ্রুত নির্বাচন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা শরদ কুমার সিং। সেই মামলায় ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যকে পুরসভার ভোটের নির্ঘন্ট জানাতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে মানবিক প্রকল্প

শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষকে যাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে ঘোরাঘুরি না করতে হয়, সেকারণে দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে মানবিক প্রকল্পকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দুয়ারে সরকার এর দ্বিতীয় পর্বের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার আওতায় সারা রাজ্যে শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষকে ১০০০টাকা করে পেনশন দেওয়া হবে। আরও পড়ুন ঃ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রথম পর্যায়ে অসাধারণ সাফল্যের পরে, যেখানে মাত্র ১১ দিনের মধ্যে ৬৪ লক্ষেরও বেশি লোক বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নিবন্ধিত হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন দ্বিতীয় পর্বে মনোনিবেশের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দুয়ারে সরকার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের একান্ত কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ। আজ থেকে তা শুরু হল। প্রথম ধাপে, পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের চাহিদা পূরণের জন্য কমপক্ষে ৭,২২৪ টি শিবির সমগ্র বাংলা জুড়ে স্থাপন করা হয়েছিল। রাজ্য সরকারের প্রথম পদক্ষেপে ইতিমধ্যে, ৬০% এরও বেশি নাগরিক স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পটি গ্রহণ করেছেন। নীচে প্রথম ধাপের আরও হাইলাইট দেওয়া আছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 81
  • 82
  • 83
  • 84
  • 85
  • 86
  • 87
  • ...
  • 96
  • 97
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় ঘোষণা! এই দিনই মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা, জমবে শক্তির প্রদর্শন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিল শাসক শিবির। সূত্রের খবর, আগামী আট এপ্রিল ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার সার্ভে বিল্ডিংয়েই তাঁর মনোনয়ন পেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, ওই দিন ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত সব কাউন্সিলর উপস্থিত থাকতে পারেন। পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্বও সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে মনোনয়ন পেশের দিনটি বড় রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।ভবানীপুর কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই এই কেন্দ্র থেকেই তাঁর মনোনয়ন পেশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম আসনের জন্য ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের নেতা দিলীপ ঘোষ। এ বছরের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু।এর আগে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয় শুভেন্দুর হাতে। ফলে একদিকে নন্দীগ্রাম, অন্যদিকে ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরে তাণ্ডব! ফর্ম ৬ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, হাতাহাতি চরমে

ভোটের মুখে ফর্ম ৬ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সিইও দফতর চত্বরে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশান্তিতে উসকানির অভিযোগ জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিক্ষোভে নামেন তৃণমূলপন্থী বিএলওরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে তা দ্রুত ধস্তাধস্তিতে পৌঁছয়।পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতর ছেড়ে বেরোনোর পর কয়েকজন যুবক ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ জমা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।এর আগে সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাইরের রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।মঙ্গলবারও সেই অভিযোগ সামনে এনে সোশাল মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তৃণমূল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারপর অন্যদের নাম তোলা হচ্ছে, যারা নির্দিষ্ট একটি দলের হয়ে ভোট দেবে।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রক্তাক্ত ১৫ পড়ুয়া, আশঙ্কাজনক এক শিশু

মুর্শিদাবাদে স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় জখম হল ১৫ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে ১১ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরা নার্সারি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো এদিনও তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে প্রায় ১৫ জন পড়ুয়া পলাশির একটি বেসরকারি স্কুলে যাচ্ছিল। পথেই আচমকা দুর্ঘটনার মুখে পড়ে তাদের গাড়ি।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি পলাশি ফুলবাগান মোড়ে পৌঁছতেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নির্বাচনের কারণে ওই এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাকা তল্লাশি চলছিল। তল্লাশির জন্য ডাম্পারটি রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকায় স্কুল ভ্যানের চালক সময়মতো গাড়ি থামাতে পারেননি। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ডাম্পারের পিছনে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। এই ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।দুর্ঘটনার পর আহত পড়ুয়াদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নাকা তল্লাশির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূল থেকে বিজেপি! হঠাৎ শিবির বদল লিয়েন্ডার পেজের, ভোটের মুখে বড় চমক

ভোটের আগে বড় চমক দিলেন ভারতের প্রাক্তন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন। এর আগে ২০২১ সালে গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তখন তাঁকে দলের মুখ হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছিল। তবে পরে তাঁকে সক্রিয়ভাবে খুব বেশি দেখা যায়নি রাজনীতির ময়দানে।দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে লিয়েন্ডার পেজকে দলে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগেই কলকাতায় বিজেপি নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি হল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়ায় তিনি মূলত প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এবং তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। এবার বিজেপিও তাঁকে প্রার্থী করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বিজেপিতে যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার বলেন, তিনি বাংলার সন্তান এবং ছোটবেলা থেকেই এখানেই তাঁর খেলার শুরু। তিনি জানান, একসময় বাংলায় খেলাধুলার পরিকাঠামো খুব কম ছিল, যদিও এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও অনেক উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে খেলাধুলার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।বিজেপি নেতা অনীল বালুনি দাবি করেন, লিয়েন্ডার পেজ মহান কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বংশধর। ফুল ও দলীয় প্রতীক দিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানানো হয়।এখন দেখার বিষয়, এই টেনিস তারকা রাজনীতির ময়দানে কতটা সফল হন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয় কি না।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম! সরাসরি কমিশনকে চিঠি মমতার, তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের মানুষের নাম ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই অভিযোগ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। চিঠিতে ডিয়ার সিইও সম্বোধন করে মমতা লিখেছেন, এই অভিযোগ সত্যি হলে তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্রবিরোধী কাজ ।চিঠিতে তিনি আরও জানান, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় বিপুল পরিমাণে ফর্ম ছয় জমা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নয় এবং এর মাধ্যমে এমন মানুষদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, যাঁরা এই রাজ্যের বাসিন্দা নন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।এর আগেই একই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিপুল পরিমাণ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ে কমিশনের দফতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার ফর্ম জমা পড়েছে, যেগুলির সঙ্গে ভিনরাজ্যের ভোটারদের নাম জড়িত থাকতে পারে। সেই সময় তিনি কমিশনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও জানান ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে আরও অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের কার্যকলাপের ফলে বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই চিঠি তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী হিসেবে পাঠিয়েছেন। ফলে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নজরদারির অভিযোগে বিস্ফোরণ! কমিশনের দরজায় শুভেন্দু

ভোটের মুখে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, তাঁর এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফোনের অবস্থান গোপনে নজরদারি করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাজ্যের একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক এই নজরদারির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অভিযোগ, বিশেষ টাস্ক ফোর্স, গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা দফতরের কিছু আধিকারিক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নীচুতলার নেতাদের ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করছেন। এই বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সব ক্ষেত্রে কার্যকর করা হচ্ছে না। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে শাসকদলের নেতাদের সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।এই দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক বক্তব্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এক ক্ষেত্রে নাকি তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে নামার কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। অন্য একটি বক্তব্যে বিজেপি কর্মীদের নিজেদের অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্যে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় ময়নাগুড়ির একটি জনসভা থেকে। সেই বক্তব্য ঘিরেই বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরেও নালিশ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, অতীতে অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে যেমন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, একই নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হোক।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা খারিজ

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলাগুলিতে উপযুক্ত যুক্তি দেখানো যায়নি।রাজ্যে আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ব্যাপক বদলির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক আইনজীবী। গত পনেরো মার্চ থেকে উনিশ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ছেচল্লিশ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে মামলা করা হয় এবং বদলি হওয়া আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিও তোলা হয়েছিল। এই মামলায় রাজ্য সরকারও সমর্থন জানিয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।একই সঙ্গে বিডিও, আইসি এবং ওসি পদে বদলি নিয়েও আর একটি মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাটিও খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ পাওয়া যায়নি।রায়ে আদালত জানায়, মামলাকারী ব্যক্তিগতভাবে কোনও ক্ষতির মুখে পড়েননি, ফলে এই আবেদনকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বা অযৌক্তিক বলেও মনে করেনি আদালত। দেশে অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের বদলি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।আদালত আরও জানায়, যদি কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে নেওয়া হয়, তবেই আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।পাশাপাশি আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও আধিকারিক যদি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তিনি আলাদাভাবে নিজের বদলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।এই রায়ের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক বদলি নিয়ে তৈরি হওয়া জট অনেকটাই কাটল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে বড় ধাক্কা, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলি নিয়ে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপে অস্বীকৃতি আদালতের।

মার্চ ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal