বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এক বিবৃতি জারি করে ২০২১-২২ স্নাতকস্তরের আবেদনপত্রের জমা করার তারিখ ২০.৮.২১ থেকে বাড়িয়ে ২৭.৮.২১ করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আবেদন করা হয়েছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের তরফে। পরবর্তী সময়ে কলেজগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট বিষয় জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়ছে।
এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
তালিবান কাবুলে প্রবেশ করার পরই প্রাণভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর অবস্থান ঠিক ভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। আফগানিস্তান ছেড়ে কোন দেশে গেলেন আসরাফ ঘানি, সেই প্রশ্নে ঘুরছিল আন্তর্জাতিক মহলে। অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে যে মানবিকতার খাতিরে সেখানেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। গতকালের সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশ ছাড়ার পর প্রথম মৌনতা ভাঙলেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। রক্তপাত এড়াতে যে কাবুল ছেড়েছেন সে কথা আগেই বলেছিলেন ঘানি। এবার তিনি নাম না করে জবাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেই সঙ্গে টাকা নিয়ে দেশ ছাড়ার যে গুজব তৈরি হয়েছে তা মিথ্যা বলেও ওড়ালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে খুঁটিনাটি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রীআসরাফ ঘানি দেশ ছাড়ার পর রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে গাড়ি এবং চপার ভর্তি টাকা নিয়ে আফগানিস্তান ছেড়েছেন ঘানি। সেই অভিযোগ উড়িয়ে আসরাফ ঘানি বলেন, আমি খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। এত কম সময়ের মধ্যে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে যে আমার পায়ের চটি খুলে বুট পর্যন্ত পরার সময় পাইনি। টাকা নেওয়ার অভিযোগ যে মিথ্যা তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। প্রয়োজন হলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাস্টমসে খোঁজ নিন।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাআফগান প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম ভিডিও বার্তা। গতকাল দুবাই থেকে সেই বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, যদি তিনি কাবুলে থাকতেন তাহলে সেখানে আরও ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটত।সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের থেকে লড়াই করার জন্য আফগান সেনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের যে প্রক্রিয়া চলছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং প্রাক্তন নেতা আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহের নেতৃত্বে, সেই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ঘানি বলেন, আমি আমি চাই এই প্রক্রিয়া সফল হোক। তিনি আরও বলেন, আমি যদি আফগানিস্থানে থাকতাম তাহলে একজন প্রেসিডেন্টকে আফগানিস্তানের মানুষের চোখের সামনে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হতো।
টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীল। তার নতুন সিনেমা আসছে। বেশ কিছু বড় কাস্টও রয়েছে এই ছবিতে।বৃষ্টিভেজা সকাল। মেকআপহীন লুক। শপিং মলে হাজির মিমি চক্রবর্তী। পরনে হলুদ কুর্তি আর সাদা চুড়িদার। এমন লুকে মিমিকে খুব বেশি দেখা যায় না, কিন্তু এমনই অবতারে মঙ্গলবার অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শ্যুটিং শুরু করবেন মিমি। শ্যুটিং ফ্লোরে মুখোমুখি হলেন মিমি ও সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। মিমি জানিয়েছেন, এই চরিত্রের জন্য (উর্মি।) তাঁর গালে হাল্কা কাটা দাগ আর চোখের নীচে কালির রং মেকআপ আর্টিস্ট তৈরি করে দিয়েছে, বাকি কোনও মেক-আপের ঝামেলা নেই। গত সপ্তাহেই ছবির শুভ মহরত সুসম্পন্ন হয়েছিল, আর এদিন থেকে পুরোদমে শ্যুটিং শুরু হল। দীর্ঘদিন নানান জটিলতার জেরে আটকে অরিন্দম শীলের এই ড্রিম প্রোজেক্ট। এদিন ইনস্টাগ্রামে শ্যুটিংয়ের ফাঁকের একটি ছবি পোস্ট করে মিমি লেখেন, অনিন্দম শীল এই ছবির জন্য আড়াই বছর অপেক্ষা করেছেন. অবশেষে এটা শুরু হল, আপনাদের সকলের অনেক ভালোবাসা আর আর্শীবাদ চাই।আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতসুস্মিতাকে এর আগে দর্শকরা প্রেম টেম সিনেমায় অভিনয় করতে দেখেছেন। মিমি-অর্জুন-সুস্মিতা ছাড়াও খেলা যখন-এ থাকবেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, করণ হরিহরণ এবং আরজে জিনিয়া। আগামী ডিসেম্বরে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
আমির খান ও করিনা কপূরের লাল সিং চাড্ডা ছবির ঘোষণা হওয়ার পরেই দর্শকদের মনে আলাদা উত্তেজনা কাজ করছে। তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে এই সিনেমার জন্য। আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতবড় পর্দায় এই নিয়ে তৃতীয়বার একসঙ্গে দেখা যাবে করিনা ও আমিরকে। ফলে অনুরাগীদের উত্সাহ খানিক বেশিই। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন করিনা কপূর। লাল সিং চাড্ডা ছবির অধিকাংশ শ্যুটিংই তিনি গর্ভবতী অবস্থায় করেন। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীনই ছবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শ্যুটিং শেষ করেন কলাকুশলীরা। দিল্লি-এনসিআরে শ্যুটিং চলাকালীন টিমে যোগদান করেন বেবো।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরএক সাক্ষাত্কারে অশোকা অভিনেত্রী জানান, শ্যুটিংয়ের সময়ে তাঁর বিশেষ যত্ন করতেন আমির খান। বেবোর জন্য সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করা ছিল সেটে। সাক্ষাত্কারে জব উই মেট অভিনেত্রী আরও জানান যে তিনি রোজ পটৌডি থেকে দিল্লি যেতেন শ্যুটিংয়ের জন্য। তবে বেশিরভাগ দৃশ্যের শ্যুটিং রাতে হওয়ায় বিশেষ অসুবিধাও হয়নি বলে জানান তিনি।
আফগান হিন্দু ও শিখদের আশ্রয় দেবে ভারত। মঙ্গলবার নিজের বাসভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে এমনই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মানুষ সাহায্য চাইলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন তিনি। সূত্রের খবর, মোদি বৈঠকে জানিয়েছেন, ভারত কেবলমাত্র নিজের দেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে না। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ ও হিন্দুদের অবশ্যই আমাদের আশ্রয় দিতে হবে। যে আফগান ভাইবোনেরা সাহায্যের জন্য ভারতের দিকে তাকিয়ে আছেন, তাঁদেরও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেবল আফগান হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আশ্রয় দেওয়ার কথা না বললেও আফগান নাগরিকদের সাহায্যের আশ্বাস দেন মোদি।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে মঙ্গলবার আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪০ জন ভারতীয়। এর মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন, দূতাবাসের কর্মী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) কর্মী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ট্যান্ডন দেশে ফিরেই হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট বৈঠকে। সেখানে তিনি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাজধানীর বাইরে থাকায় মন্ত্রকের হয়ে বৈঠকে অংশ নেন বিদেশ সচিব। এ ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।
ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।
জল্পনা জিইয়ে কংগ্রেস ছাড়লেন দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেব। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন সুস্মিতা। অসমের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দল ছাড়ার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি এ বার তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপের২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসছে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেন কি না সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সূত্রের খবর, সম্ভবত বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন সুস্মিতা দেব। সোমবারই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব।
অবশেষে কাবুল দখলে নিয়ে নিয়েছে তালিবান। চারিদিক থেকে কাবুলে প্রবেশ করছে তালিবানরা । কথা চলছিল শান্তিপূর্ণভাবেই আফগান প্রশাসন তালিবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। এরইমধ্যে আত্মসমর্পণ এড়াতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সপরিবার প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান প্রশাসন ও তালিবানদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা চললেও সরকার পতনের পরই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন আসরাফ ঘানি।সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আহমেদ জালালির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন, যদিও সরকারি সূত্রে এই খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। এ দিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে আফগান প্রশাসনের দখলে থাকা শেষ পোস্ট তোরখাম সীমান্তও দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা।আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীএ দিন দুপুরেই তালিবানদের তরফে জানানো হয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর চায়। কাউকে শহর ছেড়ে যেতে হবে না। তালিবান বাহিনীকেও শহরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। যদিও তাদের এই আশ্বাসের উপর বিশ্বাস কেউ রাখতে পারছে না। তবে দেশের সমস্ত সীমান্তই তালিবানের দখলে চলে যাওয়ায় একমাত্র কাবুল বিমানবন্দরই পালাবার শেষ রাস্তা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন কাবুলজুড়েই বিভিন্ন অংশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কেউ উত্তপ্ত পরিস্থিতির অসৎ ব্যবহার না করে। পুলিশকে প্রয়োজনে গুলি চালানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ন্যাটোর তরফেও জানানো হয়েছে আফগানিস্তানের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংযোগ বজায় রাখতে কাবুল বিমানবন্দরকে সচল রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপাতত কাবুলে কিছু মার্কিন কূটনীতিবিদও থাকবেন বলে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপেরতবে আফগান প্রশাসনের পতনের ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেই ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকাওয়াল টুইটে বলেছেন, কাবুলে কোনও আক্রমণ হবে না। শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তরের আলেচনা চলছে। এ দিকে, তালিবান প্রধান মোল্লাহ আবদুল ঘানি বারাদার ইতিমধ্যেই দোহা থেকে কাবুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে তালিবান সূত্রে খবর।
তীব্র ভূমিকম্প হাইতিতে। শনিবার সকালে আচমকাই দেশের পশ্চিম অংশে ভয়াবহ কম্পন অনূভূত হয়। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় একাধিক এলাকা। কোথাও চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে রাস্তা। কোথাও আবার রাস্তার দুপাশের অট্টালিকা সমান বাড়িগুলি মিশে গিয়েছে ধুলোয়। এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি যদিও, তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.২। এছাড়া জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতাও।আরও পড়ুনঃ মমতার কন্যাশ্রী টুইটস্থানীয় সময় শনিবার সকালে আচমকাই তীব্র কম্পনে কেঁপে ওঠে দেশের পশ্চিমাংশ। তাতেই মুহূর্তের মধ্যে ধূলিসাৎ হয়ে যায় একাধিক এলাকা। আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল রাজধানী পোর্ত-অউ-প্রিন্স থেকে ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে, ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। দেশের অন্যত্রও কম্পন অনুভূত হয়। শুধু তাই নয়, পড়শি দেশগুলিতেও দীর্ঘ সময় ধরে আফটার শক অনুভূত হয়। শনিবারের ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইতি সরকার। তবে কত জনের প্রাণহানি ঘটেছে, রাত পর্যন্ত তার হিসেব মেলেনি। সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের নাগরিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান জেরি চ্যান্ডলার বলেন, প্রাণহানি ঘটেছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি আমরা।#NEW: Images reveal mass destruction following the 7.2 earthquake in #Haiti. Similar in strength to the catastrophic earthquake that killed more than 160,000 people in the Caribbean country in 2010, according to a study. pic.twitter.com/1RYFlv31af Leonardo Feldman (@LeoFeldmanNEWS) August 14, 2021উত্তর আটলান্টিকের গা ঘেঁষে অবস্থিত হাইতি ভূমিকম্প প্রবণ বলেই পরিচিত। এ ছাড়াও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে সেখানে। ২০০২, ২০০৩, ২০০৬ এবং ২০০৭ সালে পর পর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয় সেখানে, তাতে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। উত্তর গোলার্ধের অন্যতম দরিদ্র দেশ হাইতি। রাষ্ট্রপুঞ্জ-সহ বহু দেশ বিভিন্ন সময় বিপুল অনুদান দিলেও, সেখানকার পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।এর পর ২০১৬ সালে হাইতির দক্ষিণাঞ্চলে হারিকেন ম্যাথিউ আছড়ে পড়ে। সেই ধাক্কাও এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি হাইতি। ধ্বংসস্তূপ পর্যন্ত পুরোপুরি সাফ করে, হাজার হাজার মানুষকে পুনর্বাসন পর্যন্ত দিতে পারেনি সে দেশের সরকার।
কাল ভারতবাসীর কাছে একটি বিশেষ দিন। কাল আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এবারের স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব আরও বেশি। কারণ এবছর স্বাধীনতা দিবসের ৭৫ তম বর্ষ।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গিএই বিশেষ দিন উপলখ্যে ভারত ভাগ্যবিধাতা গাইলেন ৭৫ জন শিল্পী। মূল উদ্যোগে রয়েছেন শুভদীপ চক্রবর্তী ও চিরন্তন ব্যানার্জী। তাদের এই উদ্যোগে সামিল হয়েছেন উষা উত্থুপ, অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী , লগ্নজিতা চক্রবর্তী, সোমলতা আচার্য , ইন্দ্রানী সেন, রূপঙ্কর বাগচী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়,সুরজিত্, সিধু, জোজো এছাড়াও রয়েছে আগত প্রজন্মের কিছু নবীন সংগীত শিল্পী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভারত ভাগ্যবিধাতা গানটিকে গেয়ে এক নতুন রূপ দেয়। মোট ৪০ জন গানটি গায়, সাথে গানটিতে সামিল হন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী,দেবশ্রী রায়, অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জী ও আরো ১০ জন অভিনেতা অভিনেত্রী। আছেন সুমন্ত্র সেনগুপ্ত, বাচিক শিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়,প্রণতি ঠাকুর, নবীনরাও কণ্ঠ মিলিয়েছেন এই সঙগিতে, সংগীত পরিচালনা করেছেন চিরন্তন। নৃত্যশিল্পী থাঙ্কুমণি কুট্টি সহ রয়েছেন পরিচালক গৌতম ঘোষ, তনুশ্রী শঙ্কর সাথে আরো ১০ নৃত্য শিল্পী এবং বেশ কয়েকজন জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী।
অসুস্থ হয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজনের সঙ্গেও কথা বলেছেন। স্নেহাশিসের অসুস্থতার খবর পেয়েই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ভাই সৌরভ গাঙ্গুলি। লন্ডন থেকে ফোনে দাদার খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিশুক্রবার রাতে হঠাৎই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্নেহাশিস। পরিবারসূত্রে জানা গেছে, প্রচন্ড জ্বর আসার পাশাপাশি বুকে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন তিনি। সাময়িকভাবে কথাবার্তাও বন্ধ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্নেহাশিসকে রাতেই তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা কোনও ঝুঁকি না নিয়ে জরুরী পরিষেবা বিভাগে ভর্তি করে দেন। অন্যান্যদের সঙ্গে স্নেহাশিসকে নিয়ে হাসপাতালে যান সৌরভ গাঙ্গুলির মেয়ে সানা। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতলে ছুটে যান সৌরভের ঘনিষ্ট বন্ধু। তাঁরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে স্নেহাশিসের শারীরিক অবস্থার খুঁটিনাটি জানান সৌরভকে। আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাতেই স্নেহাশিসের নানা রকম শারীরিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকদের অভিমত, হজমের সমস্যা থেকেই সিএবি সচিব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। আপাতত কিছুটা সুস্থ হওয়ায় জরুরী বিভাগ থেকে সরিয়ে হাসপাতালের সাধারন বেডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্নেহাশিসের কোভিড ১৯ রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলেও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। তবে তাঁকে আরও কয়েকদিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?গত বছর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। কয়েক মাস আগে হৃদযন্ত্রেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সিএবি সচিবের হৃদযন্ত্রেও স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। তারপর থেকে সবকিছু নিয়মমাফিক চললেও আবার শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। লন্ডন থেকেই ফোনে ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। সচিবের অসুস্থতার খবর পেয়ে খোঁজখবর নেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াও।
ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?
লর্ডসে প্রথম দিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে দলকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিন ব্যর্থ। দলের বাকি ব্যটসম্যানরা জ্বলে উঠতে পারলেন না। ফলে বড় রানের স্বপ্ন দেখেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে থেমে যেতে হল ভারতকে। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল ৮৮ রানে। ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন জিমি অ্যান্ডারসন। ২৭৬/৩ রানে নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। এদিন দ্বিতীয় বলেই লোকেশ রাহুলের উইকেটট তুলে নেন অলি রবিনসন। রবিনসনের হাফ ভলি ড্রাইভ করতে গিয়ে ডম সিবলির হাতে সহজ ক্যাচ দেন রাহুল। ২৫০ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি আউট হন। সেই সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ২৭৮। রাহুল আউট হওয়ার পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন অজিঙ্ক রাহানে। ২৩ বল খেলে মাত্র ১ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন রাহানে। দীর্ঘদিন বড় রান নেই রাহানের ব্যাটে। চলতি বছরে ৯টি টেস্টে ১৪টি ইনিংসে তাঁর রান ২৬৯। সর্বাধিক ৬৭।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণদ্রুত দু উইকেট হারানোর পর ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। মার্ক উডের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ। তিনি ৫৮ বলে ৩৭ রান করেন। পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন মহম্মদ সামি (০)। মঈন আলির বলে তিনি আউট হন। ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩৩৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর মাত্র ১০.১ ওভার স্থায়ী হয় ভারতের ইনিংস। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। ৮ রান করে ইশান্ত শর্মা আউট হন দলের ৩৬২ রানের মাথায়। এক ওভার পরেই অ্যান্ডারসনের বলে ফেরেন বুমরা (০)। এরপর রবীন্দ্র জাদেজার (৪০) উইকেটট তুলে নেন মার্ক উড। ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন জিমি অ্যান্ডারসন। মার্ক উড ও অলি রবিনসন পান দুটি করে উইকেট। মঈন আলির ঝুলিতে ১ উইকেট।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ররি বার্নস ও ডম সিবলে। শুরুর স্পেলে যশপ্রীত বুমরা ও ইশান্ত শর্মা সুবিধা করতে পারেননি। ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। সিবলেকে (১১) তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান হাসিব হামিদকে। দীর্ঘদিন পর টেস্টে প্রত্যাবর্তন সুখের হল না হাসিব হামিদের কাছে (০)। বুমরা, ইশান্তের শুরুর ব্যর্থতা ঢেকে দেন মহম্মদল সিরাজ, পরপর দুবলে সিবলে ও হামিদকে ফিরিয়ে। ররি বার্নস ও জো রুট দলকে টেনে নিয়ে যান। বার্নসকে (৪৯) তুলে নেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে ইংল্যান্ড ১১৯/৩। ক্রিজে রয়েছেন রুট (৪৮) ও জনি বেয়ারস্টো (৬)।
লক্ষ্য ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই জনসংযোগ বাড়াতে ত্রিপুরায় আজ একযোগে হাজির থাকছেন ৯ সাংসদ ও বাংলার ১ মন্ত্রী। যাদের প্রধান কাজই হচ্ছে আগামী সোমবার খেলা হবে দিবস পালন করা। দলের শীর্ষ স্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। তাই ২১শে জুলাই পালনের মতো করেই ত্রিপুরায় খেলা হবে দিবস পালন করতে উদ্যোগী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, অপরুপা পোদ্দার, আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও প্রতিমা মণ্ডল, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আবু তাহের, প্রসূন বন্দোপাধ্যায়রা যাচ্ছেন ত্রিপুরায়। মনে করা হয়েছে, সেরাজ্যে সাংগঠনিক বৈঠক করতেই তৃণমূলের এই অভিযান। আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?ব্রাত্য বসু অবশ্য এদিন জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার ভয় পেয়েছে। তাই আমাদের নেতা কর্মীদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। আমরা তো সংগঠন তৈরি করতে যাচ্ছি। এতে বিজেপির এত ভয় পাওয়ার কী আছে? আসলে ত্রিপুরা বিজেপি বুঝে গিয়েছে, তাদের পাশে আর সেখানকার মানুষ নেই। এখানেও তো বিজেপির নেতারা এসেছিলেন সংগঠনের কাজে, ভোট প্রচারে। বাংলায় তো তাদের ওপর আক্রমণ হয়নি। তাহলে কেন ত্রিপুরায় এমন হচ্ছে? ত্রিপুরায় বামেদের সঙ্গে জোট করতে রাজি নয় তৃণমূল। তবে কোনও বাম নেতা কর্মী তৃণমূলে যোগ দিতে চাইলে তাঁদের স্বাগত জানাবে দল।তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, ত্রিপুরাতে বিজেপির গুন্ডারাজ ও পুলিশ রাজ চলছে। মানুষের মহাজোট হচ্ছে ওখানে। ওরা ভয় পেয়েছে। যেনতেন প্রকারে আটকাতে চাইছে। গত কয়েকদিন রাতভোর পুলিশি সন্ত্রাস চালিয়েছে।গাড়ির চালককে অবধি তুলে নিয়েছে। মিথ্যা মামলা করেছে৷ জামিন প্রাপকদের গ্রেপ্তার করছে। হামলা-মামলা করে লাভ নেই। মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। কুণাল জানান, আজ সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, অপরুপা পোদ্দার, আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও প্রতিমা মণ্ডল, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আবু তাহের, প্রসূন বন্দোপাধ্যায়রা যাবেন ত্রিপুরায়।ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় পৌঁছে গিয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন। তিনি বলেন, আগামী ১৭ মাস ত্রিপুরায় মাটি গেঁড়ে বসে থাকবে তৃণমূল। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।
টাকা হাতানোর জন্য এক ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। অপহৃতরা হলেন শামিম খাঁন (২১)ও বরুণ মুর্মু (২৬)। বীরভূম জেলার ইলামবাজার থানার ভগবতিবাজারে ব্যবসায়ী শামিমের বাড়ি। আর তাঁর পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মুর বাড়ি একই থানা এলাকার নোলার গ্রামে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইব্যবসার ফাস্ট ফুড সামগ্রী কেনার জন্য ৪ আগষ্ট ইলামবাজার থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে শামিম ও বরুণ অপহৃত হয়। পরদিন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় পিকআপ ভ্যানটি। গাড়ির চালকের হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও পরিবারের সদস্যদের খোঁজ না পেয়ে এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ী শামিমের পরিবারের সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে জামালপুর থানার পুলিশ হুগলির ডানকুনি থানার সাহায্য নিয়ে বুধবার রাতে তিন জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের নাম আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো । ধৃত তিনজনই ডানকুনি থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডানকুনি থানায় বসিয়ে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশ তিনজনকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদেই উঠে অসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ধৃতরা কবুল করে, তারা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর তাদের খুন করে ।তারপর তাঁদের দেহ তারা ফেলে দেয় ডানকুনির খালে। পাশাপাশি পুলিশের নজর ঘোরাতে তারা পিকআপ ভ্যানটি জামালপুরের নবগ্রামে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে দাঁড় করিয়ে রেখে পালায়।জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে আসার পরেই পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ব্যবসায়ী ও পিকআপ ভ্যানের চালকের দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ডানকুনির খালে খোঁজ চালানো শুরু করে। জেসিবি দিয়ে ও ডুবুরি নামিয়ে মৃতদেহের খোঁজ চালানো হয়। তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহদুটির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। খুনের ঘটনা আড়াল করতে ধৃতরা বিভ্রান্ত করছে কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ব্যবসায়ী শামিমের আত্মীয় জামির খাঁন এদিন বলেন, ব্যবসার মোটা টাকা হাতানোর জন্যই আপহরণকারীরা শাামিম ও বরুণ মুর্মুকে খুন করেছে দেহ গায়েব করে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনএসডিপিও আমিনুল ইসলাম (বর্ধমান সদর দক্ষিণ) এদিন জানান, পিকআপ ভ্যানটি ৫ আগষ্ট নবগ্রামে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে পাওয়া যায়। ওই গড়িতে থাকা ব্যবসায়ী শামিম শেখ ও গাড়ির চালক বরুণ মুর্মুকে অপহরণের ঘটনা নিয়ে তাঁদের পরিবার ৮ অগাষ্ট জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পিকআপ ভ্যানটির সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে অপহরণের ঘটনায় ডানকুনির ৩ জনকে ধরা হয়। জেরায় তারা কবুল করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে থাকা দুজনকে খুন করে দেহ ডানকুনির সেচখালে ফেলে দিয়েছে। এদিন ধৃতদের কথা মতো পুলিশ ডানকুনির সেচখালে তল্লাশি চালায়। যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহ উদ্ধার হয়নি। দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের আরও জেরা করা হবে।
বিরোধী শক্তিকে একজোট করতে বৈঠক ডাকলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। ২০ অগস্ট ভার্চুয়ালি এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকেও। উপস্থিত থাকতে পারেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারও। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিরোধীদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করতে পারেন সনিয়া গান্ধি। তার আগে এই ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধী ঐক্যের শক্তি তিনি মেপে নিতে চাইছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ শুটিং শেষ হল রেডিও-রবাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই বিরোধীরা এককাট্টা হয়ে সংসদের দুই কক্ষে সরকার বিরোধিতায় নেমেছিল। সেই ঐক্যের ছবি দেখা গিয়েছে বৃহস্পতিবারও। একাধিক ইস্যুতে মিছিল করেছে ১৫টি বিজেপি বিরোধী দল। মিছিলের আগে কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে আলোচনায় বসতে দেখা যায় আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংকেও। পরে শিবসেনার তরফ থেকে সঞ্জয় রাউত জানান, বিরোধীরা একজোট হয়েছে। ২০ অগস্ট কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন। সেই আলোচনায় আমন্ত্রিত রয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীও। বুধবার সংসদের উভয় কক্ষেই অধিবেশন সময়ের আগেই শেষ হয়। সরকার তার দায় বিরোধীদের ঘাড়ে চাপালেও, বিরোধী দলগুলির দাবি, সংসদে মার্শাল আইন চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে সেই বিষয়টি ফের উল্লেখ করে রাহুল গান্ধি বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে সংসদে। পেগাসাস নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি, তুলতে দেওয়া হয়নি কৃষি আইন নিলে আলোচনাও।
হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।
করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের জেরে সংক্রমণ হু হু করে বেড়েছিল রাজ্যে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতেই অন্যান্য পরিষেবার মতো মেট্রো চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে মেট্রো চালু হলেও এখনও পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এ বার ফের বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যা। আগামী শুক্রবার থেকে বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যা। সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দিনে ২২৮টি করে মেট্রো চলবে কলকাতায়। অফিস যাত্রীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরকলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৩ অগস্ট, শুক্রবার থেকে মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে রাত ৯ টা র্পন্ত চলবে মেট্রো। অফিস টাইমে অর্থাৎ সকালের দিকে ও সন্ধের পর ৫ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। সোম থেকে শুক্রবার দিনে মোট ২২৮টি অর্থাৎ আপ লাইনে ১১৪ টি ও ডাউন লাইনে ১১৪ টি ট্রেন চলবে। শনিবার চলবে মোট ১১৪ টি ট্রেন, আপ ও ডাউন লাউনে ৫২ টি করে মেট্রো চালানো হবে। রবিবার আপাতত কোনও মেট্রো চলবে না।ট্রেনের সংখ্যা বাড়লেও প্রথম ও শেষ ট্রেনের সময় অবশ্য একই থাকছে। অর্থাৎ সকালে প্রথম ট্রেন চলবে সকাল সাড়ে ৭টায়। সন্ধ্যায় শেষ মেট্রোর সময় রাত ৮টা। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা ও দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ১০৪টি মেট্রো চলবে। তবে সেগুলি শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্যই। রবিবার আপাতত পরিষেবা বন্ধই থাকছে। এখনও স্মার্ট কার্ড নিয়েই যাত্রীদের উঠতে হবে ট্রেনে। টোকেন পরিষেবা শুরু হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
বার্সেলোনার সঙ্গে ছিন্ন হয়েছে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক। লিওনেল মেসিকে এবার খেলতে দেখা যাবে নেইমার, এমবাপেদের পাশে। প্যারিস সাঁ জার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করেছেন এই আর্জেন্টিনার তারকা। নতুন ক্লাবে প্রিয় ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন না। ৩০ নম্বর জার্সি গায়েই প্যারিস সাঁ জাতে খেলতে দেখা যাবে। অর্থাৎ এখন আর এল এম ১০ নন। প্যারিস সাঁ জাতে চিহ্নিত হবেন এল এম ৩০ নামে। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে মেসির হাতে তুলে দেওয়া হল ৩০ নম্বর জার্সি।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসবার্সেলোনার মতো প্যারিস সাঁ জাকেও সাফল্য এনে দেওয়াই লক্ষ্য লিওনেল মেসির। নতুন ক্লাবে সই করার পরই নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কবে মাঠে নামতে পারবেন জানেন না। তবে অনুশীলনে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন মেসি। নেইমারদের সঙ্গে বোঝাপড়া নিয়েও সমস্যা হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, জীবনের শুরু থেকেই জয় ছাড়া কিছু বুঝিনি। সেই মানসিকতা নিয়েই প্যারিস সাঁ জাকে সমৃদ্ধ করতে চাই। বার্সার মতো পিএসজিকেও বড় বড় টূর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন করতে চাই। আশা করছি নতুন ক্লাবের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ভাল হবে। আগামী মরসুম নতুন ক্লাবের জন্য অসাধারণ হতে চলেছে। জীবনের সব অনুপ্রেরণা ও ইচ্ছা সঙ্গে নিয়েই তিনি পিএসজিতে সই করেছি।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরপ্যারিস সাঁ জার হয়ে কবে খেলতে নামবেন, জানেন না লিওনেল মেসি। তবে দলের সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে নেমে অনুশীলনে শুরু করার জন্য তিনি মুখিয়ে রয়েছেন। ২১ বছর পর বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে মেসি বলেন, বার্সা ছাড়া আমার কাছে বেদনাদায়ক ছিল। তবে নতুন অধ্যায় সূচনার লক্ষ্যেই প্যারিসে এসেছি।নতুন দল এবং নতুন সতীর্থদের সঙ্গে খেলতে পারাটাই আনন্দ দেবে। এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পিএসজিকে ধন্যবাদ। বার্সেলোনায় মেসি ও নেইমারের জুটি দুর্দান্ত ছিল। আবার একই দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন দুই তারকা। পাশে কিলিয়ান এমবাপে। দুই তারকা ফুটবলের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করাটা তাঁর কাছে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন মেসি। তিনি বলেন, বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের সঙ্গে মাঠে নামতে পারার অনুভূতিই আলাদা।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিবুধবার মেসির সাংবাদিক বৈঠক স্টেডিয়ামের বাইরের জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয়। সেই মুহুর্তের সাক্ষী থাকতে বাইরে পিএসজি সর্মথকদের ভিড় ছিল দেখার মতো। স্টেডিয়ামের ভিতর থেকে শোনা যাচ্ছিল বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবল প্রেমীদের গর্জন। এই আবেগ ও ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে ক্লাব সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেসি। সাংবাদিক বৈঠক শেষ হতেই নতুন দলের মাঠে নেমে ৩০ নম্বর জার্সি হাতে ক্যামেরার সামনে পেজ দেন এলএম টেন। উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন অনুরাগীরা।