• ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন

ইদের মঞ্চে ভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়ার বার্তা দলনেত্রীর। বৃহস্পতিার কলকাতার রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই এদিন তৃণমূলনেত্রী ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে।বৃহস্পতিবার ইদের সকালে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ফের একবার সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী বলেন, CAA, NRC চাই না। আমরা কোনও ভেদাভেদ চাই না। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতে চাই। সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। একাধিক এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে ভয়ের আবহ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় ,ভোটের আবহে ভয় দেখাতে চাইছে কেউ কেউ। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতর দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সবাইকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। ভোটের সময় বেছে বেছে মুসলিম লিডারদের ফোন করে বলছে কি চাই? আমাদের সঙ্গে বিজেপির লড়াই এখানে। তৃণমূল ছাড়া একটা ভোটও অন্য কোনও দলকে দেবেন না।এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পার করে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিজেপির সেই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এদিন বলেন, বলেছিল এবার দুশো পার। সত্তরেই শেষ। এখন বলছে চারশো পার। আগে দুশো পার করে দেখাও।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
দেশ

খেলা হবে কিন্তু মাঠ কই

২০২১ শের বিধানসভা নির্বাচনে আবহে রাজ্যে স্লোগান উঠেছিল খেলা হবে। নির্বাচন তা কোনো রাজ্যের হোক অথবা দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের নির্বাচনে অতি বিশেষ স্থান রয়েছে। সেখানে এই ধরণের স্লোগান অনেকের কাছে Infantile Disorder বলে মনে হয়েছিল। আবার অনেকের কাছে দবশ রহস্যগন্ধী মজাদার ঠেকেছিল। এবার লোকসভা নির্বাচনের প্রচার কালে কিছু কিছু ঘটনা ও দ্রুত পট পরিবর্তন দেখে মনে হচ্ছে সত্যি ই যেন দেশ জুড়ে খেলা হচ্ছে। আর সেই খেলার পিছনে ধুরন্ধর কোচের মস্তিস্কের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই খেলায় ফুটবলের ভাষায় বললে Movement আর দাবার ভাষায় বললে চাল দুটোতেই শাসক দল আক্রমনাত্মক Strategy বেছে নিয়েছে। আর শাসক দলের এই চলন নিয়ে অন্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন উঠছে। যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পথ চলার উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দলবদল INDIA জোটকে ধাক্কা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সাড়া না দেওয়ায় এই জোট দেশের পূর্ব প্রান্তে অস্তিত্বহীন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ক্রমাগত রক্তক্ষরণ। এই সব মিলিয়ে বিরোধী জোটকে ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিল। অন্য দিকে শাসকদলকে অপ্রতিরোধ্য বলে মনে হচ্ছিল। এই অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্ৰেপ্তারি বিরোধী দলগুলির পালে জোরালো হাওয়া এনে দিয়েছে। এক দশক ধরে দিল্লির দুই যুযুধান রাজনৈতিক দল কে এক মঞ্চে এনেছে। শুধু তাই নয় গত ৩১ মার্চ দিল্লির রামলীলা ময়দানে India Gate -র জনসভা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও ছড়িয়েছে। এর আগে দিল্লির যন্তরমন্তরে এবং মুম্বাইয়ে INDIA মঞ্চের জনসভা হয়েছে। কিন্তু দেশের সব প্রান্ত থেকে শীর্ষ বিরোধী নেতাদের মঞ্চে উপস্থিতি রামলীলা ময়দানে জনসভার ধার এবং ভার দুইই বাড়িয়েছে। সবকিছু কে ছাপিয়ে এই জনসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তার বার্তায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বার্তা দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের চেহারা ভবিষ্যতে কেমন হবে সেই ভাবনা কে উস্কে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ টাকা দাও, ভোট নাও, প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কেINDIA -র মঞ্চ থেকে যে পাঁচটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে তার প্রথম দুটি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে । ১৯৫২ সাল থেকেই নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দল গুলি একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে আসছে। কিন্তু এই দুটি দাবি মামুলি অভিযোগের গন্ডই ছাড়িয়ে এক বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করেছে। দেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় একশো চল্লিশ কোটি। এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৯৮ কোটি। তারমধ্যে ৭০-৭৫ কোটি মানুষ ভোট দেবেন। ফলে দেশের প্রথম নির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন যে কাজ করে আসছে তার ক্রমশ আড়ে বহরে বাড়ছে। এই কাজ শুধু নির্বাচন করিয়ে দেওয়া নয়, নির্বাচন যেন অবাধ শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য। এই কাজ করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিষয়টি হলো যে দলগুলি নির্বাচনে লড়বে তারা যেন সমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে। অর্থাৎ শক্তিশালী দল আর দুর্বল দলের লড়াইয়ের জমি যেন সমান থাকে। আর জমি সমান রাখতেই আদর্শ নির্বাচনী বিধি জারি করে কমিশন। এই বিধির মূল নিশানায় থাকে শাসকদল। কারন দাপট আর প্রশাসনিক প্রভাবে শাসক দল-ই এগিয়ে থাকে। এই কারণে ই INDIA মঞ্চের প্রথম দুটি দাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দাবিটি হল লোকসভা ভোটের ময়দানে সবাইকে সমান ভাবে লড়তে পারার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। দ্বিতীয় দাবিটি হল ভোটের মুখে যেভাবে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্তকারি সংস্থা গুলির ব্যবস্থা নিচ্ছে তা বন্ধ করুক নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন বিচারপতিকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছেন মমতাঅবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি কারি নানান কৌশল ও প্রকরণের তালিকা এদেশে দীর্ঘ এবং অনেক পুরনো। এই পথ ধরেই হিংসা, ভয় দেখানো, এবং ভোট লুঠের মতো অগণতান্ত্রিক আচরণ যে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে রয়ে গিয়েছে তা নাগরিকরা বিলক্ষণ জানেন। এর পাশাপাশি রয়েছে নির্বাচনী ফলকে প্রভাবিত করার বিভিন্ন কৌশল। আর এই সমস্ত প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি যে শাসকদল তা ও সবাই জানে। কারণ ক্ষমতা ছাড়া পেশীশক্তি বা অর্থবলের দাপট দেখানো যায় না। এই কারণেই শাসকদলকে ভোটের সময় নির্বাচন বিধির ঘেরাটোপের মধ্যে না রাখতে পারলে বিরোধী দলগুলি কে অসমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে হয়। অবশ্য সীমাবদ্ধ অঞ্চলে যেখানে তাদের ক্ষমতা থাকে সেখানে বিরোধী রাও এক ই পথে হাঁটে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য বর্তমান শাসক দল রাষ্ট্রক্ষমতা কে যে ভাবে ব্যবহার করছে তা বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতিএই প্রেক্ষাপটে রাজধানীর রামলীলা ময়দান থেকে কমিশনের কাছে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিরোধীদের অভিযোগ নির্বাচনে শাসকদলের রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তোলে। রাষ্ট্রক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ভোটের মুখে প্রধান বিরোধী দল গুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে দুর্বল করতে পারলে জেতার পথে অর্ধেক রাস্তা এগিয়ে থাকা যায়। শুধু তদন্ত কারি সংস্থা দিয়ে বিরোধী নেতাদের গ্ৰেপ্তার নয় তার সঙ্গে আয়কর দপ্তরের ও অতি সক্রিয়তা সবার নজর কেড়েছে। কংগ্রেসের আর্থিক সংস্থান বন্ধ করে নির্বাচনী ব্যয় কে কঠিন করে তুলতেই এই সক্রিয়তা কিনা তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। বিশ্বের মধ্যে ভারত বৃহত্তর গনতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বিশাল জনসংখ্যার দেশে নির্দিষ্ট সময় নিয়মিত ভোট দানের প্রক্রিয়া গনতান্ত্রিক পথে সম্পন্ন হওয়ার কারণেই এই সম্মান পাওয়া গিয়েছে। এর জন্য স্বশাষিত সংস্থা নির্বাচন কমিশন অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারে। তাই বিরোধীদের দুটি দাবির মুখে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ করবে তার উপর দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভবিষ্যত কাঠামো অনেক টাই নির্ভর করছে ।

এপ্রিল ০৭, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের নয়া জেলাশাসক কে রাধিকা আয়ার, আরও তিন জেলায় পরিবর্তন

নির্বাচন কমিশন রাজ্যের চার জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করল। মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকাকে চিঠি দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমের জেলাশাসক পদে চার জনের নাম অনুমোদন করল কমিশন। বৃস্পতিবার ওই চার জেলার জেলাশাসককে পদ থেকে সরায় নির্বাচন কমিশন।২০১০ ব্যাচের আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন। ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে মৌমিতা গোদারা বসুকে। মৌমিতা ২০০৭ ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কে রাধিকা আয়ারের নাম জেলাশাসক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং বীরভূমে শশাঙ্ক শেঠিকে নতুন জেলাশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাধিকা ২০১১ এবং শশাঙ্ক ২০১০ ব্যাচের আইএস। চার নয়া জেলাশাসকই পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এবং তারা প্রত্যকেই একাধিক বার জেলাশাসকের দায়িত্বভার পালন করেছেন। কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন, আগামিকাল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে নবনিযুক্ত জেলাশাসকদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে কমিশনকে জানাতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ওই চার জেলার জেলাশাসকেরা কেউই আইএএস ক্যাডারের অফিসার নন। ৪ জনই ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক। সেই কারণেই তাঁদের জেলাশাসক পদ থেকে সরানো হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দেয় পশ্চিমবঙ্গের সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন। সেই আবেদনে চার জেলার জেলাশাসকের অপসারণের যে কারণ নির্বাচন কমিশন দেখিয়েছেন সেই বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন দাবি করেছে এই অপসারণ বৈষম্যমূলক। তাঁদের বক্তব্য যে কারণ দেখিয়ে ওই চার জেলার জেলাশাসকদের অপসারণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আধিকারিকদের আবেগ, নীতিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

টানা ৩ দিন আয়কর তল্লাশি রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের বাড়িতে, ইডির হানা আরেক মন্ত্রীর ঘরে

একটানা ৩ দিন! রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে টানা তিন দিন ধরে আয়কর দফতরের টানা তল্লাশি। নিউ আলিপুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে একটানা চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। স্বভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। এদিন বোলপুরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।টানা ৩ দিন ধরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, আপাতত টানা তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও হাতে এসেছে আয়কর অফিসারদের।এদিকে, টানা এই তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আয়কর দফতর কঠিনভাবে সক্রিয় হয়েছে। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কিছু জানা যাচ্ছে ততক্ষণ রাজনৈতিক বিতর্ক চাই না।এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে শুক্রবার একযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়ির পাশাপাশি কলকাতা শহরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডিনিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা ঘুরপথে বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর মাধ্যমেই সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তারই ভিত্তিতে কলকাতায় এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি চালিয়েছে। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্তে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাড়িতেও এদিন ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন আইপিএস অফিসার

নিঃশর্তে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ সুপার তথা আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধর। ২০২১ বিধানসভা ভোটের সময়ে কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। বিধানসভার ভোট মিটে যেতেই দেবাশিসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর তথা সিআইডি। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ণ।বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের কোন একটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা দেবাশীষ ধর। এরআগে উত্তরবঙ্গের আইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। স্বভাবতই জল্পনা তুঙ্গে।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে, সংঘর্ষে মাথা ফাটল পুলিশ আধিকারিকের, শহর বনধের ডাক

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতীশ অধিকারী ও রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এক মন্ত্রী আরেকজনের দিকে তেড়ে যাচ্ছে, অন্য জন জবাব দিচ্ছে, এমন দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। মঙ্গলবার কোচবিহারে দিনহাটায় প্রচারে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। প্রচারিত একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দুই মন্ত্রীর বাকবিতন্ডা থেকে লাঠিসোটা নিয়ে দাপাদাপি। বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় মাথা ফেটেছে এক পুলিশ আধিকারিকের। এই ঘটনার জেরে আজ, বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে নির্বাচনের আগে পরে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা। এবার লোকসভা নির্বাচন আসতেই ফের উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের দিনহাটায়। দুই মন্ত্রীর সামনেই তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ মুখোমুখি বাকবিতন্ডায় জড়ান। একে অপরের দিকে তেড়ে যান। এই দৃশ্য দেখে স্বভাবতই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়৷ জানা গিয়েছে, এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দিনহাটার এসডিপিও মাথায় চোট পেয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ নাজেহাল হয়ে পড়ে। এমনকী মন্ত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষীদের দিকেও লাঠি নিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় প্রচারিত ভিডিওতে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, উদয়ন গুহের জন্মদিন পালনের জন্য দিনহাটা চৌপতি এলাকায় কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। তখন ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন নিশীথ প্রামানিক। তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা করে। তা থেকে বিবাদের সূত্রপাত।বিজেপির অভিযোগ, সভা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়ে তৃণমূলের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ কনভয়ে ইট-পাটকেল, তির-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের কাছে দিনহাটার ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি।

মার্চ ২০, ২০২৪
রাজ্য

ফের বদল রাজ্য পুলিশের ডিজি, নতুন পদে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ কমিশনের

ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আইপিএস রাজীব কুমারকে অপসারণ করেছিল। নির্বাচনী সব প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে বাইরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর রাজ্যের ডিজি কে হবেন তা নির্ণয়ে নবান্নের কাছে তিনটি নাম চেয়েছিল কমিশন। সেই তালিকা থেকে রাজ্যে কর্মরত সবচেয়ে অভিজ্ঞ আইপিএস বিবেক সহায়কে ডিজির চেয়েরে বসার সিলমোহর দেয় কমিশন। ওইদিনই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন বিবেক সহায়। কিন্তু ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ফের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি পরিবর্তন করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিবেক সহায়ের বদলে নবান্নের তরফে কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় নাম থাকা আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি-র দায়িত্ব দেওয়া হল। আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেল ৫টর মধ্যেই ডিজি-র দায়িত্বভার গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।রাজীব কুমারের উত্তরসূরি হিসাবে আইপিএস বিবেক সহায়ের সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসার সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় এবং রাজেশ কুমারের নাম নবান্ন কমিশনে পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে থেকেই এ দিন ১৯৮৯ সালের আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি নিয়োগ করল কমিশন।কেন ২৪ ঘন্টার আগেই ডিজি-র পদ থেকে আইপিএস বিবেক সহায়কে সরাল কমিশন? সূত্রের খবর, আইপিএস বিবেক সহায়কে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা ভোট চলাকালীনই আগামী মে মাসে তাঁর অবসর। তখনও সাত দফা নির্বাচনের শেষ দফা ভোট (১ জুন) বাকি থাকবে। ফলে আইন-শৃঙ্খলার অসুবিধা হতে পারে। কমিশনের যুক্তি, ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন ডিজিপি দায়িত্বে থাকলে কাজের সুবিধা হয়। তাই আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কেই রাজ্যের ডিজি-র চেয়ারে বসানো হল।অপসারণের দিন রাতেই আইপিএস রাজীব কুমাকে রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য প্রশাসন।

মার্চ ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির সদস্যপদ পুনঃ নবীকরণ করলেন অর্জুন সিংহ, দিল্লি পদ্মে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী

পুনরায় দিল্লীতে বিজেপি যোগদান করলেন ব্যারাকপুরের সদ্য প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ এবং তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার পুর্ব নির্ধারিত সুচী অনুযায়ী দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে বিজেপির উত্তরীয় পরেন প্রাক্তন দুই সাংসদ। দুই নেতাকে সাংবাদিক সাংবাদিক বৈঠক করে সাদ্রে বরণ করে নিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।দিব্যেন্দু অধিকারী এবং অর্জুন সিংকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অমিত মালব্য বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে ভাবে বিজেপিতে ওঁরা যোগ দিলেন, সেটা থেকে বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সন্দেশখালির ঘটনায় ভীষণভাবে দুঃখ পেয়েছেন তৃণমূলের দুই সাংসদ। তাই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন। অমিত মালব্য আরো বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁদের একাধিক মন্ত্রী দুর্নীতির জন্য জেলে আছেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আজ সারা বাংলায় আইনের শাসন নেই। যাঁরাই পশ্চিমবঙ্গে শান্তি আনতে চান, তাঁদের সকলকে আমরা বিজেপি দলে নিয়ে আসার চেষ্টা করব।বিজেপিতে যোগদান করে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, আজ আমার জন্য শুভ দিন। আমি বিজেপি পরিবারের সদস্য হলাম। অর্জুন সিংহের সঙ্গে আমি লোকসভায় কাজ করেছি। আমাদের নেতা মোদীজি সারা দুনিয়ার নেতা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি এই দলে যোগ দিয়েছি। সুকান্ত মজুমদার, দাদা শুভেন্দু অধিকারীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দিব্যেন্দু। দিব্যেন্দু আরও বলেন, আমরা মা দুর্গা, মা কালীর পুজো করি। সন্দেশখালিতে মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, নিন্দা করার ভাষা নেই। সন্দেশখালি এখন সারা দেশের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি ওখানকার নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে মহিলাদের সম্মান করা যায় না। মমতার দল বাংলার মহিলাদের সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মার্চ ১৫, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন, দিব্যেন্দু বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন দিল্লিতে! ভাইপো সৌরভ তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট

২২ মাস পর ঘরওয়াপসি হচ্ছে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। আজ বৃহস্পতিবার দিল্লি যাবেন, পরের দিন শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন ব্যারাকপুরের বিদায়ী সাংসদ। এদিন তাঁর বিজেপিতে ফেরার খবর ঘোষণার সময়ই অর্জুন দাবি করেছেন যে, তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলের আরও এক নেতা গেরুয়া শিবিরের নাম লেখাবেন। তাপস রায়, অর্জুন সিংয়ের পর আর কে ফুল বদব করবেন? তা নিয়ে দিনভর জল্পনা চলে।অর্জুন সিংয়ের ঘোষণার ঘন্টাখানেক পর জানা যায়, তমলুকের বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন। ব্যারাকপুরের সাংসদের সঙ্গে তিনিও আজ রাজধানী যাচ্ছেন। দিব্যেন্দু সম্পর্কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই। কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীর ছোট ছেলে।গুঞ্জন যে, তমলুক লোকসভা আসনে এবার বিজেপি প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করতে পারে। ইতিমধ্যেই তমলুক, নন্দীগ্রাম ঘুরে এসেছেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিজিৎবাবু শান্তিকুঞ্জে গিয়ে বর্ষীয়ান শিশির অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করেন। রটনা সত্যি হলে তমলুকে দিব্যেন্দুর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। এখন দেখার তমলুক, নাকি বাংলার অন্য কোনও লোকসভা কেন্দ্র থেকে দিব্যেন্দুকে পদ্ম বাহিনী প্রার্থী করে কিনা।#Barrackpore pic.twitter.com/QNCsF96sCh Arjun Singh (@ArjunsinghWB) March 14, 2024২০১৯ সালে তমলুক থেকে জোড়াফুল প্রতীকে লড়ে জয় পেয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। এরপর ২০২১ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ে। দিব্যেন্দুর বাবা তথা কাঁথির প্রবীণ সাংসদ শিশির অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের বাগযুদ্ধে সরগরম থেকেছে রাজ্য রাজনীতি। সেই সময় বিধানসভা ভোটের প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র সভাতেও দেখা গিয়েছিল বর্ষীয়ান শিশিরকে। শিশির এবং দিব্যেন্দুর সাংসদ পদ বাতিলের জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করে তৃণমূলের সংসদীয় দল। সেই সময় থেকেই তৃণমূলে নিষ্ক্রিয় তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।এদিকে ব্যারাকপুরে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ অর্জুন সিং জানিয়ে দেন, তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে। তাঁকে প্রার্থী করবে বলে কথা দিয়েও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব কথা রাখেনি। তারপর বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। বৃহস্পতিবার অর্জুন জানিয়ে দেন তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি ব্যারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এদিকে অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের নির্বাচনী এজেন্ট হচ্ছেন। জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।

মার্চ ১৪, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন সিং কি বিজেপিতে ফিরছেন? 'তৃণমূল আমাকে বেইজ্জত করেছে', আক্ষেপ সাংসদের

এবার কি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিজেপিতে ফেরা সময়ের অপেক্ষা? মঙ্গলবার ভাটপাড়ায় নিজের অফিস মজদুর ভবনে বসে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য আক্ষেপ করেছেন। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, মানুষ নরেন্দ্র মোদীর পক্ষেই আছে। অর্জুনের ইঙ্গিত অনুযায়ী ব্যারাকপুরে তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন।অর্জুন সিং এদিন বলেন, মানুষের আবেগ মোদীজির পক্ষে আছে। ব্যারাকপুর বিজেপির দখলেই থাকবে। তৃণমূলের আমাকে আর প্রয়োজন নেই। আমি তৃণমূলের কাছে আন-ওয়ান্টেড। আমাকে বেইজ্জত করা হল। ব্যারাকপুরে নির্বাচনে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। সবটাই পরিকল্পনা করে ডিপ্রাইভ করা হল। তৃণমূলে যাওয়াটা প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করছি। আমার ছেলে দূরদর্শী। ছেলে বলেছিল আমাকে তৃণমূলে নেওয়া একটা প্ল্যান। সত্যিকারের তৃণমূল কর্মীদের বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিংয়ের দফতর থেকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হল।

মার্চ ১২, ২০২৪
দেশ

নতুন হাওয়া আসুক - "মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে"

আজ বাদে কাল দেশে লোকসভা নির্বাচন হবে। কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তারপরেই নির্বাচনী প্রচারের ভরা জোয়ারে ভাসবে দেশ। তবে রাজনৈতিক দল গুলির তাল ঠোকাঠুকি জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মাঝে দেশের যে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভূখণ্ডে সুষ্ঠ ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে সেই নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা ও তুঙ্গে উঠেছে। এবার নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দেশের যুবশক্তিকে ভোটদানে উৎসাহিত করা।এবারের নির্বাচনে যারা প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তারাও যাতে দলে দলে ইভিএম মুখি হন তার জন্য এক অভিনব প্রচার শুরু করেছে কমিশন। এই প্রচার পরিকল্পনার নাম মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে। শুধু ভোট দেওয়াই নয় আনুমানিক দু কোটি নতুন ভোটার দের মধ্যে সামাজিক কর্তব্য বোধ ও দেশের জন্য গর্ব বোধ তৈরি করা ও এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে যে অল্প বয়সী দের মধ্যে রাজনীতি সম্পর্কে অনাগ্ৰহ তৈরি হয়েছে। তারা সরাসরি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে উৎসাহ পাচ্ছেন না। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যদি নতুন রক্ত সঞ্চালিত না হয় তাহলে তার কাঠামোয় নানান ত্রুটি দেখা যাবে। এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হবে।এখন Digital মাধ্যমের যুগ। তরুণ প্রজন্ম এই মাধ্যমে নিজেদের প্রকাশ করতে সাচ্ছন্দ বোধ করেন। তাই এই প্রচারাভিযানে মঞ্চে যদি কম বয়সীরা আসতে থাকেন তাহলে হয়তো তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া আগ্ৰহ বাড়তে পারে। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য কে অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে Digital মাধ্যমে জনপ্রিয়তার একটি প্রধান কারণ এই মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরে মানুষ-ই অংশ নিতে পারেন। তাই ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের এই প্রচারাভিযানে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।কমিশনের প্রচারাভিযানে দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করায় এই প্রচার দুরন্ত গতি পেয়েছে। জনপ্রিয় ক্রিকেটার, ফুটবলার, ক্রীড়াবিদ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীরা প্রচারে যুক্ত হওয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। কমিশনের ভোটদানের হার বাড়ানোর লক্ষ্যে এই প্রচারে যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে তা যদি ইভিএমে এসে পৌঁছায় তা যে দেশের গণতান্ত্রিক স্বাস্থের পক্ষে সুলক্ষণ হবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তরুণ প্রজন্ম মানেই নতুন চিন্তা নতুন পথ। দেশের রাজনৈতিক পরিসরে সাম্প্রতিক কালে যে দূষণ চোখে পড়ছে তার হয়তো নতুন হাওয়ায় পরিশোধিত হবে এই আশা করাই যায়।এবারের নির্বাচনে কমিশনের আরেকটি লক্ষ্য হল ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরন। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি কমিশন কেন্দ্রের কাছে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে সংশোধনী আনার জন্য প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার ফর্মেও পরিবর্তন আনার অনুরোধ করেছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য কোনো ভোটার যদি তাঁর আধার কার্ড সংযুক্ত করতে না চান তার জন্য কারণ দর্শানোর সুযোগ রয়েছে এই ফর্মে। কমিশন তাই ফর্ম থেকে এই অপশনটি বাদ দিতে বলেছে। তবে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক কমিশনের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার H S Brahma ঘোষণা করেন চলতি মাস থেকেই ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু হবে। ভোটার তালিকা থেকে ভুয়ো নাম এবং ডুপ্লিকেট নাম বাদ দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। তবে আধার কার্ড সংযুক্তিকরন বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Brahma । তবে শুরু হলেও ওই বছরের অগাষ্ট মাসে সুপ্রিমকোর্টের এক নির্দেশের ফলে সংযুক্তিকরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দেশের শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে সরকারের খাদ্য সুরক্ষার মতো প্রকল্পগুলি ছাড়া আধার কার্ড বাধ্যতামুলক নয়। ২০১৮ সালে একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আধার কার্ডের সাংবিধানিক গ্ৰাহ্যতা রয়েছে বলে জানানোর পরে কমিশন নির্বাচনী আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রের কাছে ফের আবেদন জানান। এবার কেন্দ্রীয় সরকার সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে The Election Laws (Amendment) Bill 2021 সংসদে পাশ করায়। এই bill পাশ হওয়ার পরে ২০২২ সাল থেকে কমিশন ফের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু করে। এই লক্ষ্যে নতুন 6B Form চালু হয়। তবে সেই Form য়ে দুটি অপশন রয়েছে। একটি হল আধার কার্ডের নম্বর সংযুক্ত করা এবং অপর টি হল আধার কার্ড নেই বলে জানানো।এই পরিস্থিতিতে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতা G Nilanjan সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। মামলায় তাঁর আবেদন যদি কোন ব্যক্তি আধার কার্ড সংযুক্তি না চান তাহলে ফর্মে তাঁর জন্য সেই অপশন রাখা হোক। এই মামলার কারণে গতবছরের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশন আবার ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায়। অনেকেই মনে করছেন ভোটার দের আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের ফলে তার নাগরিকত্ব প্রমানের সহায়ক হবে। যদিও আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমান নয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশের নাগরিক হিসেবে কারা পরিচিত হবেন তা নিয়ে হাওয়ায় নানান কথা ভাসছে। এই অবস্থায় কমিশনের এই প্রচেষ্টা কোন পথে যাবে তার উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৪
দেশ

শিলিগুড়ির জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে গোর্খা সমস্যার কথা, ১৪ লক্ষ মহিলার গ্যাস সংযোগ না মেলায় রাজ্যকে দোষারোপ

শিলিগুড়ি সভায় যোগ দেওয়ায় দেরি হওয়ায় প্রথমেই জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় ভাষণ শুরু করেন মোদী। নরেন্দ্র মোদী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা উজ্জ্বলা যোজনার বিনামূল্যে গ্যাস দিয়েছি। কিন্তু তৃণমূল এখানে ১৪ লাখ গ্যাস সংযোগ দিতে দিচ্ছে না। কোটি কোটি মহিলাকে এর আগে উজ্জ্বলা যোজনায় কম দামে গ্যাস দিয়েছি। গতকাল মহিলা দিবস উপলক্ষ্যে আরও একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সব মহিলাদের জন্য গ্যাস আরও ১০০ টাকা কম। যারা পরিবারের সদস্য হয় তারা সুখ দুঃখের ভাগীদার হয়। কোভিডের সময় বহু গরীব পরিবার চিন্তিত ছিল। তাই মোদী দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছে। আমার লক্ষ্য একটাই ছিল কোনও গরীব বাচ্চা যেন অভুক্ত না ঘুমায়, কোনও গরীবের বাড়িতে যেন উনুন না নিভে যায়। এই বিনামূল্যে রেশন আরও ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর লাভ পাবেন চা বাগানের শ্রমিকরাও।এদিনও দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়া ছিল প্রধানমন্ত্রীর। শনিবারও সন্দেশখালির কথা শোনা যায় মোদীর গলায়। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ, দলিত, আদিবাসী, ওবিসি, মহিলা বিরোধী তৃণমূল সরকার রেশন দুর্নীতি করেছে। এদের নেতা মন্ত্রী রেশন দুর্নীতিতে জেল খাটছে। রেশনের সঙ্গে সঙ্গে মোদী গরীব পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসার গ্যারান্টি দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল সরকার এখানে আয়ুষ্মান সরকার লাগু হতে দেয় না। তৃণমূল সরকার আপনাদের প্রতি মুহূর্তে লুটছে। মনরেগার টাকা মোদী কেন্দ্র থেকে পাঠায়। কিন্তু TMC তাদের তোলাবাজদের সুবিধার জন্য ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করেছে। মোদী গরীবদের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু তৃণমূল তা নিজের লোকদের দিয়ে দেয়। তৃণমূলের আপনাদের কষ্ট নিয়ে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। সন্দেশখালিতে গরীব ,দলিত, আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতারা কি কি করেছে তার চর্চা পুরো দেশে হচ্ছে। মহিলাদের অত্যাচার আর গরিবদের টাকা লোটা এটাই তৃণমূলের তোলাবাজদের কাজ।এদিন ফের গোর্খাদের সমস্যার কথা শোনা যায় মোদীর মুখে। তিনি বলেন, গোর্খাদের সমস্যা নিয়ে বিজেপি বরাবর সংবেদনশীল। আপনাদের চিন্তা দুর করার নিরন্তর প্রচেষ্টা করে গেছে। এখন আমরা সমাধানের খুব কাছে। সমস্যা সমাধানে আমাদের চেষ্টা বজায় থাকবে। উত্তরবঙ্গের বিকাশের জন্য আমাদের স্পষ্ট রূপরেখা রয়েছে। টি, টিম্বার, এবং ট্যুরিজম সংক্রান্ত ব্যবসার উন্নতির বিষয়ে আমাদের ভাবনাচিন্তা রয়েছে। তাই এখানে জরুরি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ৪০ হাজার ছোট চা বাগানের উন্নতি বিজেপির মূল লক্ষ্য। বিজেপি ছোট চা বাগান গুলিকে কিষান ক্রেডিট কার্ডের আওতাভুক্ত করেছে, পিএম ফসল বীমা যোজনা, সেচের সুবিধার জন্য আর্থিক সাহায্য, চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান যাতে সরাসরি তাঁদের একাউন্টে যায় আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। উত্তরবঙ্গের প্রতিটি আসনে জয়ের জন্য আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজনীতি

সিপিএম বা কংগ্রেস নয়, কেন বিজেপিতে? ব্যাখ্যা দিলেন সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব জল্পনার অবসান। শেষমেশ বিজেপিতেই যোগদান করছেন বলে মঙ্গলবার ঘোষণা করলেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেশ কয়েকমাস ধরেই চর্চায় ছিল অভিজিৎবাবুর রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি। এক সাক্ষাৎকারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আইনজীবী তথা বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে গুরু হিসাবে মানেন। তারপরই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি কখনও রাজনীতিতে এলে সিপিআইএমে যোগ দেবেন তিনি। সেই সম্ভাবনা আর নেই। কেন সিপিআইএম বা কংগ্রেসে যোগ দিলেন না বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়? এদিন নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে যুক্তি দিয়ে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া এই বিচারপতি।অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বিজেপিই একমাত্র দল, যারা তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তাই এই দলেই যোগদান করলাম। তাঁর কথায়, শেষ সাত দিন বিজেপির সঙ্গে কথা হয়েছে। দুপক্ষের সহমতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওই দিনগুলিতে বিচারের কাজ করিনি। ছুটিতে ছিলাম।এরপরই বিস্ফোরক অভিজিৎ বলেন, তৃণমূল একটি দুষ্কৃতীদের দল বলে মনে করি। তৃণমূলকে আমি রাজনৈতিক দল বলেই মনে করি না। তৃণমূল হল একটি আদ্যোপান্ত যাত্রাদল। ওদের যাত্রাপালার নাম হল মা-মাটি-মানুষ। স্পষ্ট বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকৃত রাজনীতিবিদ বলে আমি মনে করি। তবে অন্য যাঁর কথা বলছেন, তাকে আমি তালপাতার সেপাই বলে মনে করি।কে এই তালপাতার সেপাই? জবাবে অভিজিৎ বলেন, যাঁকে আপনারা সেনাপতি বলছেন। আমি কারও নাম করছি না। আমি তো এখানে কোনও কুকথা বলছি না। তাঁর নামটাকে আমি কুকথা বলে মনে করি। তালপাতার সেপাই বলেছে, বিচারব্যবস্থা ওর গ্রেফতারি আটকেছিল। তালপাতার সেপাই বিচার ব্যবস্থার কিছু জানেন না। ওঁর পেটে বোমা মারলেও কিছু বেরোবে না। তাঁর বিরুদ্ধে আদালত কিছু ব্যবস্থা নেয়নি, ওঁর ভাগ্য ভাল।অভিজিৎবাবুর ভবিষ্যদ্বাণী, তৃণমূল ভিতর ভিতর ভেঙে পড়ছে। এই দল বেশি দিন আর নেই। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সেই অবস্থা হবে, যা ২০০৯ সালে সিপিএমের হয়েছিল। আর ২০২৬ সাল পর্যন্ত দলটাই থাকবে না। শুধু কয়েকটা গ্রেফতারির প্রয়োজন। তবে কাদের গ্রেফতারি প্রয়োজন তা এদিন স্পষ্ট করেননি তিনি।এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিপিএমে যোগ দেব না কারণ আমি ঈশ্বর বিশ্বাসী। ধর্মে বিশ্বাস করি। তাদের সঙ্গে আমার মিল হবে না। আর কংগ্রেস হল পারিবারিক জমিদারির একটা দল। এখানে জয়রাম রমেশের মতো শিক্ষিত মানুষেরা থাকেন। কিন্তু তাঁরা পদ পান না। রাহুল গান্ধীর মতো নেতাদের পিছনে থেকে যেতে হয়। তাই এ দলে যাওয়ার কোনও প্রস্নই নেই।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে শোরগোল, কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রার্থীর সম্ভাবনা?

শেষমেশ ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আগামী মঙ্গলবার মাস্টারদা সূর্য সেনের মূর্তির নীচে দাঁড়িয়ে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। আগামিকাল হাইকোর্টে যাবেন তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলাগুলি ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্বাক্ষর করতে। রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন এই বিতর্কিত বিচারপতি। এই নিয়ে চলছে জোর চর্চা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সদ্য পদত্যাগ করা বিচারপতির। বিচারপতির পদত্যাগ ঘিরে তুমুল শোরগোল পরে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিচারপতির এই সিদ্ধান্তের কড়স সমালোচনা করেছে। সিপিএম বলছে, এর ফলে চাকরি প্রার্থীরা বিপাকে পড়ল। অধীর চৌধুরী তাঁকে কংগ্রেসে যোগদানের আবেদন জানিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের বিকাশ ভবন অভিযান

CUTAB এর রাজ্য কমিটির ডাকে স্টেট অ্যাডেড কলেজ টিচার্স অধ্যাপকদের ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজ সুনির্দিষ্ট পে স্কেল, ওয়ার্কলোডেড সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা, SACT II থেকে SACT I এ আপগ্রেডেশন অ্যাডিশনাল বেনিফিট, DEATH গ্যাজুরিটি, ট্রান্সফার অর্ডার সহ একাধিক দাবি, পাশাপাশি গভর্মেন্ট অর্ডার অনুযায়ী SACT এর বেতন কমিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বিকাশ ভবন অভিযান।রাজ্যের উচ্চশিক্ষার অন্যতম SACT অধ্যাপকেরা হাজারো সমস্যায় জর্জরিত অথচ শিক্ষামন্ত্রী থেকে আধিকারিকরা সমস্যা সমাধানে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না বলে দাবি। আধিকারিকদের চূড়ান্ত উদাসীনতা বারবার সমস্যা সমাধানের আবেদনেও কোনো রকম কর্ণপাত করছেন না। তাই আবার রাজপথে। বঞ্চনা এবং শোষণ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে বিক্ষোভে ফেটে পড়ছেন অধ্যাপকেরা।SACT অধ্যাপকেরা তাদের ন্যায্য দাবি দাওয়া নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির হস্তক্ষেপ দাবি করছে ন। তাঁদের প্রয়োজনীয় দাবি ল আদায় না হলে আরও বৃহত্তর এবং লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেবে।

মার্চ ০১, ২০২৪
রাজনীতি

শেষমেশ শুভেন্দুর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নিলেন কৌস্তভ

দীর্ঘ মতবিরোধের পর হাতের সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন বুধবার। এরপর তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বিজেপির দিকেই ধাবিত হবে? এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শেষপর্যন্ত বিজেপিতে-ই যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। বৃহস্পতিবার বিজেপি দফতরে কৌস্তভের হাতে পদ্মপতাকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা।বিগত বেশ কয়েকমাস যুব নেতা কৌস্তভের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সম্পর্ক ভাল ছিল না। ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ফাটলের সূত্রপাত। পরে তৃণমূল বিরোধীতায় অধীর চৌধুরীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন এই আইনজীবী নেতা। কংগ্রেস থেকেই সেই পর্বে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা শোনা গিয়েছিল কৌস্তভ বাগচীর গলায়। এমনকী পতাকাছাড়া শুভেন্দু ও কৌস্তুভকে ডিএ আন্দোলন বা শিক্ষা দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনেও দেখা যায়। শেষমেষ গতকাল কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। আর বৃহস্পতিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে।কেন বিজেপিতে তাঁর যোগদান? সেই ব্যাখ্যায় এদিনও কৌস্তভ বাগচীর মুখে কংগ্রেসের সমালোচনা শোনা গেল। বললেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করতে পারলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। এখনও সেখানে থাকলে নিজেকে অসম্মানিত করা হবে। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভের সাফ দাবি, সন্দেশখালিকাণ্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেসের কোনও বক্তব্য নেই। দলের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষের থাকলেও কেউ বলছেন, কেউ বলছেন না। আমার মনে হয়েছে এখানে থাকাটা নিজের আত্মমর্যাদার সঙ্গে সমঝোতা করা। এই তৃণমূলের প্রতি নরম অবস্থান নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলকে উৎখাত করা যাবে না।দুয়ারে লোকসভা ভোট। পদ্ম প্রতীকে প্রার্থী হবেন তিনি? কৌস্তভ বলেন, আমি কোনও শর্তে দল করি না। চাওয়া পাওয়ার জায়গা নেই। অত্যাচারী শাসকদলকে এ রাজ্য থেকে উৎখাত করতেই বিজেপিতে যোগদান।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, কৌস্তভ ভাল যুবনেতা। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এলাকায় যান। এ জন্য পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করেছে। আমরা চাই কৌস্তভ বাগচী বিজেপিতে ভাল করে কাজ করতে পারবেন। আমাদের সকলের একটাই লক্ষ্য- দেশে মোদীজির হাত শক্তিশালী করা ও বাংলা থেকে মমতা কোম্পানিকে উৎখাত করা।বিজেপিতে যোগ দিয়েই কৌস্তভ বাগচী বলেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভ ছাড়াও এদিন হাত শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখান কংগ্রেস নেতা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ মজুমদার এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র দত্ত।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

হাইকমান্ডকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা, লক্ষ্য কি গেরুয়া শিবির?

অবশেষে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। হাইকমান্ডের সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের সখ্যতা নিয়ে বারবার প্রতিবাদ করেছেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন নানা মহলে। তৃণমূল বিরোধিতায় নানা পরিস্তিতিতে তুলোধোনা করতে ছাড়েননি রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত।রাজ্যের নানা বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি কংগ্রেস হাইকমান্ডের শীতল মনোভাব নিয়ে বহুবার কড়া সমালোচনা করেছেন। গর্জে উঠেছেন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে টিভি প্যানেল ডিসকাশান অবধি। এরই পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে কৌস্তভের।২০২৩ এর মার্চ মাসে কৌস্তভের গ্রেপ্তারের অব্যবহিত পরেই শুভেন্দু অধিকারী কৌস্তভের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। রাজনীতির ময়দানে দুজনে চরম বিরোধী হলেও কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সম্প্রতি মমতা সরকারের দুর্নীতি, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে কয়েকজন যুবক সোচ্চার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি করি। পুলিশ যে কায়দায় রাত তিনটের সময় ওঁর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে তার প্রতিবাদ করছি। আমরা সোচ্চার হবো। এর পর থেকেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবী। বিশিষ্টদের ধারণা এখন হাতএ ফুল (পড়ুন পদ্ম) ধরা সময়ের অপেক্ষা।লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন, তার উত্তরে কৌস্তভ বাগচীর জানান, কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলরেই বেশি গুরুত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্বই নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে, ঠিক সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
কলকাতা

ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ পক্ষের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার সল্টলেকে

২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ পক্ষ থেকে APC ভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। লোকসভা ভোটের আগে ন্যূনতম ৫০০০০ শূন্যপদে ২০২২ প্রাথমিক টেট পাসদের অবিলম্বে ইন্টারভিউ নোটিসের দাবিতে ২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ সল্টলেক করুণাময়ীর সামনে APC ভবন অভিযান করে।তাঁদের দাবি:১) TET-2023 এর রেজাল্টের আগে, ছয় বছর বঞ্চিত TET-2022 পাস দের সুযোগ দিতে। সমস্ত জেলারআপ টু ডেট শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।২) RTE ACT মেনে সমস্ত প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।৩) পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বছরে দুবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে।৪) TET-2022 পাস করা সকলের নাম, রোল নং, ট্রেনিং ধরণ, টেট মার্কস, কাস্ট, ক্যাটাগরি, যাবতীয় তথ্য পিডিএফ আকারে প্রকাশিত করতে হবে।৫) B.Ed/B.Ed(Special Education), Certificate/Diploma in Physical Education/B.P.Ed এবং NIOS এর ট্রেনিং দিয়ে TET পাস করা প্রার্থীদের Eligibility Certificate নোটিফিকেশন দিয়ে বাতিল করতে হবে।৬) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় EXEMPTED CATEGORY শূন্যপদ পূরণ করতে পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে বাকি থাকা শূন্যপদ NON-EXEMPTED CATEGORY তে থাকা প্রার্থী দিয়ে পূরণ করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 108
  • 109
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রেজিনগরে হার হুমায়ুন-পুত্রের, কলকাতার বিজয় মিছিল থেকে ভাগীরথী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জয়ের পর কলকাতায় বিজয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পরে আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ভাগীরথী মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে। একই সঙ্গে রেজিনগরের ফলকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থী করেন ছেলেকে। ভোটের প্রচারে রেজিনগর থেকেই হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।কিন্তু রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা এই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে পরাজিত হন। ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন বলে দাবি করা হয়েছে। হারের আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। পরে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কলকাতার সভা থেকে তাঁকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।রেজিনগরের ফলকে বিজেপির রাজনৈতিক সাফল্য হিসাবেই তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় নাএই ধারণা ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। শুভেন্দুর দাবি, সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশও এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘুরা দেখেছেন, তাঁদের ভোট ছাড়াও মোদির জয়রথ চলছে। তাই মূলস্রোতে থাকতে তাঁরাও বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।এ দিনের সভা থেকে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়েও দলের পক্ষে প্রচার করেন শুভেন্দু। আগামী দিনে এই দুই পুরসভায় বিজেপিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, এ বার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্য নিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতার মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুহাত পেতে ভোট চাওয়ার কথা বলে আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন চান শুভেন্দু।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতাতেও ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! হাঁটতে পারেন মমতা, নজর পুলিশের অনুমতিতে

দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিলের ডাক দিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা। এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে শেষ পর্যন্ত মিছিল হবে কি না, তা নির্ভর করছে পুলিশের অনুমতির উপর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।প্রকাশিত প্রচারপত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে সেখানে। এই সব ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আয়োজকেরা। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি আদৌ এই কর্মসূচিতে হাঁটবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত প্রচারপত্রে মিছিলের কথা জানানো হলেও, পুলিশের অনুমতি না মেলা পর্যন্ত কর্মসূচির চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।এ দিকে, পুজোর মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপ ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মিছিল হলে ওই এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনুমতি না মিললে কালীঘাট তৃণমূল কী পদক্ষেপ করবে, তা এখনও জানা যায়নি।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সেই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরাও যোগ দেন।দিল্লির পর এ বার কলকাতায় এই ইস্যুতে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মিছিলের অনুমতি মেলে কি না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে যোগ দেন কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের পীঠস্থান’, আন্দোলনের দিন ঠিক করতে পুলিশকে চরম বার্তা সিজেপির

যন্তর-মন্তরেই আন্দোলন করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে এ বার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল সিজেপি। সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যায়। থানায় ঢোকার আগে সিজেপি নেতারা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যন্তর-মন্তর ছেড়ে অন্য কোথাও আন্দোলন করতে তাঁরা রাজি নন। তাঁদের দাবি, যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান জায়গা। সেখানে বিক্ষোভের দিন ও সময় পুলিশকেই ঠিক করে দিতে হবে।সিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আন্দোলনের দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে সিদ্ধান্ত জানাতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আন্দোলনের তারিখ জানতে তাঁরা দিল্লি পুলিশের কাছে যাচ্ছেন। পুলিশই তাঁদের বিক্ষোভের দিন জানাবে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সৌরভ দাসের বক্তব্য, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে গেলে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার কথা বলত। এ বার তাঁরা পুলিশের কাছেই আন্দোলনের দিন ও সময় জানতে চাইছেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন তাঁরা।উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন দলের তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই বিমানের ভিতর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।মুক্তি পাওয়ার পরেও আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও ইঙ্গিত দেননি সিজেপি নেতারা। বরং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই মতো সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান দলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পরেই এই টানাপড়েন আরও বেড়েছে। সিজেপির দাবি, যন্তর-মন্তরেই তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ দিতে হবে। অন্য দিকে, পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সঙ্কট থেকে বাজারের ওঠানামা, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদএমনই দাবি করা হয়েছে প্রকাশের জন্য দেওয়া খবরে। সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে ব্যষ্টিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।রবার্ট ই হল আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে, মাইকেল উডফোর্ড নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল বিষয় হল, কী ভাবে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়। ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কী ভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। এই সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গে সামগ্রিক অর্থনীতির ওঠানামার সম্পর্ক বুঝতে তাঁদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সরকার অর্থনীতি পরিচালনার জন্য নানা ধরনের মডেল ব্যবহার করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলির তাত্ত্বিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা সাহায্য করেছে। বাজারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাঁদের কাজের গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই গবেষণার ফলে জ্বালানি সঙ্কট কিংবা সাধারণ মানুষের খরচের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর প্রস্তুতি আরও ভাল ভাবে নেওয়া সম্ভব। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তা বুঝতে পারলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষে উপযুক্ত নীতি তৈরি করা সহজ হতে পারে।গত বছর ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য তিন জন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। নতুন পণ্য ও উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁরা।এর আগে গত সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দেওয়া খবরে উল্লেখ রয়েছে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল ঘোষণা পর্ব শেষ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম এবং পুরস্কারের কারণ সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাজ্য

আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক সাড়ে ৯ হাজার টাকা! আরামবাগের পড়ুয়াদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়কের

ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই মিলবে টাকা! দৈনিক ১০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অংশ নিলে মাসে ৯৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজ পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে এই প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের সমর্থনে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশটও দেখিয়েছেন বিধায়ক। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার পরশুড়া বিধানসভা এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ওই পড়ুয়া তাঁকে কিছু তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা দেখান। সেই সূত্রেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই পড়ুয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ্যে আনেননি।বিমান ঘোষের অভিযোগ, ককরোচদের আন্দোলনের নামে পড়ুয়াদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি এবং ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির পক্ষে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর কাছে আসা তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জানানোর প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ককরোচদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি, আবার কখনও ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনের পিছনে বিদেশি অর্থের জোগান রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে বিমান ঘোষের দাবি এবং দেখানো হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলি ঘিরে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত বা সরকারি তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

মোদি সরকারের অন্দরে ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

মোদি সরকারের অন্দরমহলের খবর কি পৌঁছে যাচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে? সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত অন্তত ২০০ জন আধিকারিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাঁদের কাছ থেকেই সরকারের নানা খবর পান বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে দাবি রাহুলের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ভোট চুরি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সরব হন রাহুল। সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিকের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং বিদেশমন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতর থেকে তিনি তথ্য পাচ্ছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কংগ্রেস নেতা।দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, পুলিশের প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী তাঁদের জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যা করছেন, তা ঠিক এবং সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আধাসেনা এবং দেশের সাধারণ মানুষ বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির সমর্থনে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।শনিবারের বিক্ষোভে ধরপাকড়ের প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও দিল্লিকে কার্যত জেলখানায় পরিণত করা হয়েছে। তাঁর মতে, আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে মোদি সরকার বড় ভুল করছে।ব্যঙ্গের সুরে রাহুল বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে সরকার চাইলে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মীও মোতায়েন করতে পারে। তাঁর দাবি, গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে। সরকার যত বেশি বাধা দেবে, বিরোধীরা ততই তাদের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাহুলের বক্তব্য, শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জমায়েত থেকেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন চলবে বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুলিশের একাংশের সমর্থন নিয়ে রাহুলের দাবিগুলি তাঁর নিজের বক্তব্য হিসাবেই সামনে এসেছে। এই দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal