• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ODI

দেশ

করোনায় প্রয়াত নরেন্দ্র মোদির কাকিমা

এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবারে করোনার থাবা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হলেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধেয় তাঁর মৃত্যু হয়। গুজরাতের আমদাবাদের নিউ রনিপ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। নাম নর্মদাবেন (৮০)। দিন কয়েক আগে কোভিড আক্রান্ত হন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হল তাঁর। তাঁর প্রয়াণের জেরে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই প্রহ্লাদ মোদি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর কাকিমা নর্মদাবেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ১০ দিন আগে তাঁকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তাঁর মৃত্যু হল।যদিও পরিবারের সদস্যের মৃত্যু নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
রাজ্য

জয়ের পর বাংলার মাটি ছুঁয়ে প্রণামের প্রতিশ্রুতি মোদির

করোনা আবহে বঙ্গে এসে নির্বাচনী প্রচারের পরিকল্পনা বাতিল করেছিলেন বৃহস্পতিবার। বদলে ভার্চুয়াল বক্তৃতায় রাজ্যের ৫৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কিন্তু জনসভার সেই চেনা মেজাজটাই নেই ভারচুয়াল প্রচারে। ফলে অনেকটাই নিষ্প্রভ শোনাল তাঁর বক্তৃতা। চিরাচরিত ভঙ্গিতে তৃণমূল সরকারকেও বিঁধতে শোনা গেল না মোদিকে। বাংলার আবেগ উস্কে ফের তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের বিখ্যাত রচনা ও আমার দেশের মাটির দুটি লাইন দিয়ে শুরু করলেন বক্তৃতা। টানা ৩০ মিনিটের বক্তব্যে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা বারবার উল্লেখ করলেও একবারও দিদি, ও দিদি সুর শোনা গেল না মোদির কণ্ঠে। এই সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেননি মোদি।একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। এতদিন বারবার দিল্লি থেকে প্রচার করতে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিজেপির শীর্ষ নেতারা। রাজ্যে ৮ দফা ভোটের মধ্যে ছটি দফার আগে তাঁরা এভাবেই প্রচার করেছেন। তবে সম্প্রতি দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় কিছুটা রাশ টানতে হয়েছে প্রচারে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোভিড সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় শুক্রবার বঙ্গের চার জায়গায় সশরীরে এসে নির্বাচনী প্রচার বাতিল করেছেন। বদলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি নিজের বক্তব্য রেখেছেন। আর শুরুতেই সরাসরি আসতে না পারায় দলীয় কর্মী, সমর্থক থেকে আমজনতা সকলের কাছেই ক্ষমা চেয়েছেন মোদি। প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির জন্য আপনাদের কাছে আসতে পারলাম না, ক্ষমাপ্রার্থী। তবে ২ মে জয়ের পর বাংলার মাটি ছুঁয়ে মাথা নত করে প্রণাম করব।ভাষণের গোড়ার দিকে বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে তাঁর বক্তব্য, বাংলার প্রতি কোণায় কোণায় গিয়ে জনতার কথা শুনেছি। বুঝেছি, তাঁরা কতটা আগ্রহী পরিবর্তনের জন্য। সোনার বাংলা তৈরির সংকল্প করছেন তাঁরা। আর মানুষের এই ইচ্ছাপূরণের সংকল্প নিয়েছি আমরা। এই নির্বাচন শুধু পরিবর্তনের জন্যই নয়। এই নির্বাচন নয়া আশা, আকাঙ্ক্ষার নির্বাচন। এরপরই মোদি বলেন, গত ৬ দফার ভোটে বিজেপিকে সমর্থনের জন্য বাংলার নাগরিকদের ধন্যবাদ। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বঙ্গবাসীকে গুণ্ডামিমুক্ত, ভ্রষ্টাচারমুক্ত বাংলা উপহার দেবেন। যুব প্রজন্মকে চাকরি এবং মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। গতি পাবে থমকে থাকা মেট্রো প্রকল্পের কাজ। বিজেপির ইস্তাহারে প্রকাশিত একাধিক পয়েন্ট নিয়ে ফের নির্বাচনী ভাষণ দিলেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে করোনা সতর্কতা নিয়ে একটি কথাও শোনা গেল না তাঁর মুখে।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
দেশ

দেশকে লকডাউনের দিকে নিয়ে যাবেন না, আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

করোনা সংক্রমণ রুখতে সোমবার এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে দিল্লি। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের এক বার লকডাউন ঘোষণা করা হবে কি না তা নিয়ে বুধবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে মহারাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা, দেশকে লকডাউনের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। সঙ্কটের সময়। এখন দেশকে লকডাউনের দিকে নিয়ে যাবেন না।মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাষণে তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ তুফানের মতো আছড়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে এগোতে হবে এর পর মোদির বার্তা, দেশকে লকডাউন থেকে বাঁচাতে হবে। রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করব, তারা যেন করোনার বিরুদ্ধে শেষ অস্ত্র হিসাবে লকডাউনকে প্রয়োগ করে। মোদির আশা, অনুশাসন এবং ধৈর্যের মাধ্যমেই আমরা করোনাকে হারাব।দেশবাসীর সেবায় সাধারণ মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, যুব সমাজকেও নিজের নিজের এলাকায় কমিটি তৈরি করে সচেতনতা গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছেন তিনি। করোনার টিকা আবিষ্কারে দেশের বিজ্ঞানীদের ভূমিকার প্রশংসা করার পাশাপাশি চিকিৎসক-সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদেরও পিঠ চাপড়েছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে পরিস্থিতি শোধরাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

একদিনে করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার, আজ ফের বৈঠকে মোদি

গত বছরের মতোই এবারও শক্ত হাতে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। শনিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর একথাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু দেশে করোনা পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ভয়াবহ। সাধারণ মানুষের অবহেলার সুযোগ নিয়েই চোখ রাঙাচ্ছে মারণ ভাইরাসটি। আর রবিবারের বুলেটিন বলছে, দেশে প্রথমবার একদিনে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরল আড়াই লক্ষের গণ্ডি। উদ্বেগ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পাঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০৯ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ১৫০১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৫০ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ১৮ লক্ষ ১ হাজার ৩১৬ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪২৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯ হাজার ৬৪৩ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ২৬ লক্ষেরও বেশি মানু। কিন্তু টিকাকরণেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না কোভিড-১৯-কে। সেই কারণেই নতুন করে দেশের একাধিক শহর আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে। প্রশ্ন উঠছে, সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে কি ফের দেশজুড়ে লকডাউন হবে। আজ, রবিবার উত্তরপ্রদেশে ফের চিকিৎসক ও উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মোদি। সেখানে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটাই দেখার।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
দেশ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউকেও কাবু করবে ভারত, দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

করোনার প্রথম তরঙ্গের মতো এর দ্বিতীয় ঢেউকেও কাবু করতে সক্ষম হবে ভারত। এমনটাই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার কোভিড পরিস্থিতি এবং টিকাকরণ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।শনিবার কেন্দ্রের কয়েকটি দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোভিড পরিস্থিতি আলোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, গত বছর একজোট হয়ে কোভিডকে হারিয়েছিল ভারত। এবং এ বার ফের তা-ই করতে পারবে ভারত। টানা ৩ দিন ধরে দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষের উপর হয়েছে। এই আবহে শনিবারের বৈঠকে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বাসের সুর শোনা গিয়েছেন মোদির কণ্ঠে। তাঁর মতে, কঠোরভাবে করোনাবিধি পালনের মাধ্যমে আরও দ্রুত গতিতে সমন্বয় সাধন করে কোভিডকে রোখা সম্ভব।সংক্রমণের গতিকে রুখতে কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বার করা এবং তাঁদের চিকিৎসা করানোর উপরেও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তাঁদের চিকিৎসা করার কোনও বিকল্প নেই। কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডের বন্দোবস্ত করার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি, কোভিড রোগীদের জন্য রেমডেসিভির-সহ অন্যান্য ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন তিনি।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

নববর্ষে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

পয়লা বৈশাখের সকালে বাংলায় টুইট করে রাজ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালিদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি টুইটে তিনি প্রোটোকল মেনে সকলের সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করলেন। আবার আরেকটি টুইটে উঠে এল রাজনীতির কথা। একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বাংলা গড়ার বার্তা দিলেন। দিলেন পরিবর্তনের ডাক। সাতসকালে ফেসবুকে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।পয়লা বৈশাখে সাতসকালে বাংলায় করা এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন,বাংলার মানুষের ভালবাসা আর প্রাণস্পন্দন প্রকৃত অর্থেই মন ছুঁয়ে যায়। নতুন বছর সকলের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক, সকালে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোন। পয়লা বৈশাখে ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাঙালিদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রী মোদির মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহও নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর টুইট,মঙ্গলময় উৎসব পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আমার সকল বাঙালি বন্ধুদের জানাই অগ্রিম আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ঈশ্বরের কাছে কামনা করি এই নতুন বছর প্রত্যেকের জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি।শুভ নববর্ষ! টুইটে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও।অরাজনৈতিক পোস্টে শুধু নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার পর পয়লা বৈশাখের সকালে রাজনৈতিক পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এবং ইংরেজিতে করা দুটি টুইটে তিনি লিখেছেন,পুণ্যভূমি পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষে নতুনের সূচনা হোক, রাজ্য প্রগতির পথে এগিয়ে যাক!

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ শীতলকুচির ঘটনা, বিস্ফোরক মোদি

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত। এবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কল্যাণীর সভা থেকে মোদি দাবি করলেন, শীতলকুচির ঘটনা আসলে মমতার ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মমতা রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চান। সেজন্যই ছাপ্পার পরিকল্পনা। আর সেটার জেরেই ঘটেছে শীতলকুচির ঘটনা।কল্যাণীতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন,মমতা এখন রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভয় দেখাচ্ছেন, ধমকাচ্ছেন, মারধর করছেন। কিন্তু দিদি, আপনি যতই ভয় দেখান, মোদির প্রতি ওঁদের ভালবাসা কমাতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সোজা পথে বাংলার তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের আটকানো যাবে না বুঝতে পেরেই মমতা এঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোটের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর কথায়,মতুয়া-নমঃশূদ্রদের আটকানোর জন্যই দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিচ্ছেন। একটা দলকে বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে। আরেকটা দলকে বলছেন বুথে গিয়ে ছাপ্পা মারতে। এটাই দিদির ছাপ্পা মারার মাস্টারপ্ল্যান। শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের ঘটনাও সেই মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। কিন্তু দিদি এভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আপনি কেড়ে নিতে পারেন না। জয়-পরাজয় সব ভোটেই থাকে। দলিতদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না।প্রসঙ্গত, কল্যাণী এবং সংলগ্ন এলাকায় একটা বড় অংশের ভোটার মতুয়া সম্প্রদায়ের। লোকসভার মতো বিধানসভাতেও সেই মতুয়া ভোটে বিশেষ নজর বিজেপির। সম্ভবত, সেকারণেই এদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ওড়াকান্দির সফর প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন। মোদি বোঝানোর চেষ্টা করলেন, মানুষের গণতন্ত্র রক্ষা করা মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণা পেতেই বাংলাদেশের ওড়াকান্দি সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই মমতাকে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, আমার ওড়াকান্দি যাওয়াটাই দিদির পছন্দ হয়নি। ওড়াকান্দিতে যাওয়াটা কি ভুল ছিল? হরিচাঁদ ঠাকুরের কর্মভূমিতে মাথা ঠেকানো ভুল ছিল নাকি?

এপ্রিল ১২, ২০২১
দেশ

করোনা রুখতে ‘টিকা উৎসব’-এর নিদান প্রধানমন্ত্রীর

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। প্রায় রোজই রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার চিন্তার ভাঁজ ফেলছে প্রশাসনের কপালে। এহেন পরিস্থিতি ভ্যাকসিনকে হাতিয়ার করে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ১১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টিকা উৎসব পালন করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার, দেশে বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, আমাদের কাছে করোনা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। যে কোনওভাবে আমাদের মৃত্যুর হার কম রাখতে হবে। আবার কঠিন সময় আসছে। আমাদের সতর্কতায় ঢিলেমি করলে চলবে না। সম্পূর্ণ লকডাউনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন তৈরির উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া, নাইট কার্ফুয়ের বদলে করোনা কার্ফু শব্দবন্ধ ব্যবহারের আর্জি জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাত ৯টা বা ১০টা থেকে সকাল ৫টা অথবা ৬টা পর্যন্ত নাইট কার্ফুয়ের সময় হওয়া উচিত। সংক্রমণ রুখতে কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা উচিত। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, পঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যগুলি করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণের প্রাথমিক ঢেউ দেখেছে। তাই মানুষের মধ্যে কিছুটা গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রশাসনের মধ্যে ঢিলেমি দেখা যাচ্ছে। এমনটা করলে চলবে না।বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে সওয়া এক লক্ষ। যা গত বছর যে সময় দেশের করোনা সংক্রমণের পরিমাণ একেবারে চরমে ছিল তার থেকেও অনেকটা বেশি। এই নিয়ে গত চারদিনের মধ্যে তিনদিন দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। এই পরিসংখ্যান ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী টিকা উৎসবের কথা বললেও মহারাষ্ট্র-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় টিকার জোগান পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ আসছে। সব মিলিয়ে দেশে মহামারি পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

সোনারপুর থেকে মমতাকে কটাক্ষ মোদির

আগামী লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী থেকে দাঁড়াতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! সম্প্রতি তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে তৃণমূল। এই সম্ভাবনা নিয়ে সোনারপুরের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমোকে খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাবেন জানেন। তাই রাজ্যে অন্য আসনে দাঁড়াবেন ভাবছিলেন। কিন্তু দলেরই কিছু মানুষ ওঁনাকে বুঝিয়েছেন, দুটি আসন থেকে উনি হেরে গেলে তো দলটাই থাকবে না।এর পর বারাণসী থেকে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে বেনজির কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী।সোনারপুরের শনিবারের সভা থেকে মোদির খোঁচা, দিদি বলছেন, বারাণসী থেকে লড়বেন। এটা থেকে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এক, উনি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন। আর তাই উনি নির্বাচনে লড়াই করার জন্য বাংলার বাইরে খুঁজছেন। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর লোকসভা ভোটে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী আরও কটাক্ষ, উত্তরপ্রদেশ, বারাণসীর মানুষকে এত ঘেন্না করবেন না। বহিরাগত বলবেন না। ওখানকার মানুষের মন অনেক বড়। আপনাকে খুব স্নেহ করবে। এতটা স্নেহ করবে যে ওখানেই রেখে দেবে। দিল্লি অবধি যেতে দেবে না।হঠাৎ নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বারাণসী কেন্দ্রকে বেছে নিলেন কেন্দ্র মমতা? সভা থেকে সেই জবাবও দিলেন মোদি। বললেন, আমরা হলদিয়া থেকে বারাণসী পর্যন্ত যে জলপথ করে দিয়েছি। সেটা দেখেই হয়তো ওঁনার বারাণসী যেতে ইচ্ছে করেছে। সভামঞ্চ থেকে বিজেপির হেভিওয়েট প্রচারকের খোঁচা, আপনি তো জয় শ্রীরাম শুনলেই রেগে যান। ওখানে কিন্তু দুমিনিট অন্তর অন্তর দরজা-দরজায় হর হর মহাদেব শুনতে পাবেন। মোদির কথায়, নন্দীগ্রাম থেকে মমতার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ফ্লপ। এটা ওঁর দলের লোকেরাও এখন বুঝতে পারছে। বঙ্গে নির্বাচন শুরুথেকে ইভিএম, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এদিন সেই প্রসঙ্গেও খোঁচা দিলেন মোদি। বললেন, ছাপ্পা দিতে পারছে না। তাই কমিশনের বিরুদ্ধে এত রাগ? সবমিলিয়ে নরমে-গরমে এদিনের সভা থেকেও তৃণমূল সুপ্রিমোকে তীব্র কটাক্ষ করলেন নরেন্দ্র মোদি।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজনীতি

‘২০২৪-এ বারাণসী সামলান’, মোদিকে নিশানা তৃণমূলের

বঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন প্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । নন্দীগ্রামের ভোট পরিস্থিতিতে গেরুয়া ঝড়, দিদির হার দেখেছিলেন তিনি। তাই উলুবেড়িয়ার সভা থেকে তাঁর শ্লেষমিশ্রিত প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি অন্য কোনও আসন থেকে ফের লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো? সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলও এর জবাব দিয়েছে। নন্দীগ্রামে জয় নিশ্চিত, অন্য আর কোথাও লড়বেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টুইট করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৪এ দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।তৃণমূলের অফিশিয়াল পেজে লেখা হয়েছে, দিদি নন্দীগ্রাম থেকে জিতছেনই।তাই অন্য কোনও আসন থেকে তাঁর লড়াইয়ের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। পরের অংশের বার্তাই বেশ ইঙ্গিতবাহী। নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে তৃণমূলের পরামর্শ বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন, আপনার মিথ্যাচার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। বরং ২০২৪এ নিজের জন্য নিরাপদ একটি আসন খুঁজে নিন। কারণ, আপনি বারাণসীতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন। আর এখানেই উসকে উঠছে জল্পনা। তবে কি পরবর্তী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই? তারই ইঙ্গিত দিয়ে রাখল দলের তরফে এই টুইট?

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

'দিদি হার মেনে নিয়েছেন', মমতাকে কটাক্ষ মোদির

নন্দীগ্রামের বয়ালে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথে বসে একের পর এক ফোন করছেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর আধা সেনার উদ্যোগে বয়াল থেকে বেরিয়ে মমতা যখন সাংবাদিক বৈঠক করলেন তার পরেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় জনসভা শুরু হল মোদির। আর দুই সভাতেই মোদি টেনে নিয়ে এলেন হট সিট নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ। বললেন, বাংলা যা চাইছে সেটাই হয়েছে নন্দীগ্রামে। দিদি, প্রথমে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। পরে বুঝলেন সেটা ভুল করেছি।গোটা দিন নন্দীগ্রামের ভোটগ্রহণ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে গেছে তৃণমূল। অভিযোগ জানিয়েছেন প্রার্থী মমতাও। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করেও ভোটে অনিয়মের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই জানিয়ে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু যেমন জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিন্ত বলে দাবি করেছেন তেমন মমতাও দুআঙুলে ভিকট্রি দেখিয়ে বলেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূল ৯০ শতাংশ ভোট পাবে। মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে আমিই জিতব। পাশাপাশি তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম নিয়ে চিন্তিত নই আমি। গণতন্ত্র নিয়ে চিন্তিত। এখানে ভোটে চিটিংবাজি হয়েছে।যদিও মোদির বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট, নন্দীগ্রামে বিজেপি-র জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনেই বাংলা দখলের প্রত্যায়ও বৃহস্পতিবার শোনা গিয়েছে মোদির গলায়। তিনি বলেন, দিদিকে দেখুন। তা হলেই সব বুঝে যাবেন। দিদিই ওপিনিয়ন পোল, দিদিই এক্সিট পোল। ওঁর চোখ-মুখ, হাব-ভাবেই সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। মোদি বৃহস্পতিবার দাবি করেন, বাংলায় যে আসল পরিবর্তন-এর জোর হাওয়া বইছে তা প্রথম দফাতেই বোঝা গিয়েছে। বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জিতবে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে বাংলায় তৃতীয় দফার ভোট প্রচারে রাজ্যে সিন্ডিকেটের সরকার চলছে বলে আক্রমণ করেন। বলেন, দিদি সব কিছুতে শুধু বাধা দিতেই জানেন। শিল্পকে ধ্বংস করেছেন। ১০ বছর কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই সরকার চালিয়েছেন। কিন্তু একবিংশ শতকের বাংলায় ওই সরকার চলবে না। বাংলার দরকার এক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সরকার, যারা পরিকল্পনা করে বাংলার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
দেশ

৭৫তম মন কি বাত-এ স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষের কথা উল্লেখ মোদির

আজ রবিবার মন কি বাতের ৭৫তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছুঁয়ে গেলেন করোনা টিকা উৎপাদনে ভারতের সাফল্য থেকে পর্যটনের নতুন দিগন্তকে। আর স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে দেশজুড়ে শুরু হওয়া অমৃত মহোৎসবে দেশবাসীকে সামিল হওয়ারও আহ্বান জানালেন তিনি। ৭৫তম মন কি বাত-এ মোদি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেন, যে যেভাবে পারেন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করুন, তাঁদের ইতিহাস তুলে ধরুন। প্রধানমন্ত্রী জানান এই অমৃত মহোৎসব চলবে ২০২৩ সালের ১৫ অগস্ট পর্যন্ত।মার্চ মাসেই জনতা কার্ফুর হাত ধরে দেশে করোনা যুদ্ধের প্রথম দামামা বাজিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।এই একটা বছরে ভারত এবং ভারতবাসী যেভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে তাকে কুর্নিশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এক বছর আগে মানুষের কাছে একটাই প্রশ্ন ছিল করোনা টিকা কবে আসবে? আর আজ দেশের বিজ্ঞানীদের হাত ধরে গোটা বিশ্বের মধ্যে সব থেকে বেশি টিকা ভারত তৈরি করছে। সামনেই বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ তাঁদের নববর্ষের উৎসবে মাতবেন। তার জন্য আগাম শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, করোনা বিধি ভুলে গেলে চলবে না। ক্রীড়া, বিজ্ঞান থেকে সব ক্ষেত্রে দেশের মেয়েরা যেভাবে বিশ্বে ভারতের মাথা উঁচু করে চলেছেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ৭৫তম মন কি বাতে তিনি বলেন, মৌমাছি পালনের হাত ধরে দেশ আরও এক বিপ্লবের দিকে এগিয়ে চলেছে। একে মিষ্টি বিপ্লব বলে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। দার্জিলিং, সুন্দরবন, গুজরাতের কিছু গ্রামের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ কীভাবে মৌমাছি পালনের হাত ধরে শুধু স্বনির্ভরই হওয়াই নয়, দেশকে নতুন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সে কথা তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি দেশের লাইট হাউসগুলিকে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও বলেন। এর জন্য দেশের এমন ৭১টি লাইট হাউসকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৭৫তম পর্বে মনের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা মানুষদের কথাও তুলে ধরেন। যাঁরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে প্রকৃতির শক্তিকেই ব্যবহার করছেন। সব শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দোল, হোলি, বসন্ত, নববর্ষ এবং ইস্টারের উৎসবের মাঝেও, যাতে মানুষ করোনার কথা ভুলে না যান, তা আরও এক বার স্মরণ করিয়ে দেন।

মার্চ ২৮, ২০২১
বিদেশ

মোদির বাংলাদেশ সফরে দৃঢ় হল মৈত্রীর বন্ধন

বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর বন্ধন আরও মজবুত করতে দুদিন ঢাকায় কাটিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে ফিরে আসার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে একাধিক মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেরও ঘোষণা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে মিতালী এক্সপ্রেসের সূচনা করা হবেও বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে আশা করছেন কূটনীতিকরা। একই সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত মিতালী এক্সপ্রেসেরও সূচনা হবে বলে জানানো হয়। এই ট্রেনের জন্য বিশেষভাবে তিনটি সীমান্তবর্তী হল্ট স্টেশনেরও নির্মাণ হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এবং দেশে ফিরে আসার আগে একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফসপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সমগ্র পরিসর নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও গভীর করা নিয়েও আলোচনা করেছি। এ দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার স্বরূপ ১০৯ টি অ্যাম্বুল্যান্স ও ১২ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, বাংলাদেশের ৫০ তম স্বাধীনতা দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষের এই বিশেষ অনুষ্ঠান উপলক্ষে নির্মিত সোনা এবং রুপোর মুদ্রাও মোদির হাতে তুলে দেন হাসিনা।

মার্চ ২৮, ২০২১
বিদেশ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জেলে গিয়েছেন, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ মোদির

মুজিববর্ষ উদযাপনে আমন্ত্রিত হয়ে শুক্রবার সাড়ে দশটা নাগাদ দুদিনের সফরে ঢাকা পৌঁছন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই তিনি ঢাকা বিমানবন্দরে নামেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। তারপর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, পরাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য তিনিও লড়াই করেছিলেন।ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা করে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, পরাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আমিও লড়াই করেছিলাম। মুক্তি যুদ্ধের জন্য সহযোগীদের সঙ্গে সত্যাগ্রহ করে জেলে গিয়েছিলাম আমরা। এই লড়াইয়ে কৃষক, জওয়ান, শিক্ষক ও চাকুরিজীবী সবাই একসঙ্গে এসে মুক্তিবাহিনী গঠন করে লড়াই করেছেন। এদিন রাজধানী ঢাকার সভামঞ্চে মুজিব চিরন্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মোদি বলেন, এই সংগ্রামে ভারতীয় জওয়ানদের অনেক রক্ত ঝরেছে। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের আমি শ্রদ্ধা জানাই। সেসময় পাকিস্তানের সেনারা অকথ্য অত্যাচার চলিয়েছিল। এহেন পরিস্থিতিতে লড়াই চলিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান। আমাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে অগ্রসর হতে হবে। এদিন পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা দুই দেশ গণতন্ত্রের শক্তিতে বলীয়ান। আমাদের সন্ত্রাসবাদীদের রুখে দিতে হবে। একসঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নের পথে আমরা এগিয়ে যাব। আজকের দিন আমার কাছে স্মরণীয়। আমরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশকে সাহায্য করেছি। আমাদের ভ্যাকসিন বাংলাদেশের কাছে পৌঁছেছে, এতে আমি খুশি।শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। এ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শতবর্ষ। মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করছেন বাংলাদেশবাসী। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে মাস কয়েক আগেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতি দেখেশুনে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থে আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সফরসূচি নিশ্চিত করা হয়। সেইমতো শুক্রবার সকালেই ঢাকা পৌঁছে যান নরেন্দ্র মোদি। করোনা মহামারি শুরুর পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই হবে প্রথম বিদেশ সফর।

মার্চ ২৬, ২০২১
দেশ

আজ বাংলাদেশ সফরে হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

বাংলাদেশ সফর নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে শুক্রবার বাংলাদেশ যাওয়ার আগে মোদি তাঁর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি খুশি যে, করোনা অতিমারির পর তাঁর প্রথম বিদেশ সফরটিই হচ্ছে বন্ধু প্রতিবেশি দেশে। শুক্রবার বাংলাদেশের জাতীয় দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদি। তিনি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতেও। ৫১ শক্তিপীঠের একটি যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরেও পুজো দেবেন মোদি। তিনি যে ওরাকান্দির মতুয়াসমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, বিবৃতিতে তা-ও জানিয়েছেন মোদি। যাঁদের সঙ্গে মতুয়াদের ঠাকুর হরিচাঁদের সম্পর্ক নিবিড়। বাংলায় ভোটের আগে বাংলাদেশ সফরে গিয়ে মতুয়ামন জয়ের এই চেষ্টাকেই মাস্ট্রারস্ট্রোক হিসেবে বর্ণনা করছে বাংলায় বিরোধী বিজেপি শিবিরের একাংশ। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মতুয়াদের মধ্যে যে অনুযোগ ছিল, তা দূর করার চেষ্টা সর্বতো ভাবে করছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেও মতুয়াদের কর্মসূচিতে গিয়ে বক্তৃতা করেছেন। বলেছেন, মতুয়া এবং নমশূদ্রদের নাগরিকত্ব দেবে। কিন্তু স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদির মতুয়ামন জয়ের চেষ্টা এই প্রথম। ঘটনাচক্রে, বাংলার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ৩০টির মতো আসনে মতুয়াদের প্রভাব রয়েছে বলেই রাজনৈতিক দলগুলি মনে করে। ফলে মোদির বাংলাদেশের মতুয়াদের সঙ্গে বার্তালাপ রাজ্যের ভোটে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারবে বলেই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের একাংশ মনে করছে।

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে ভোটের দিন বাংলায় প্রচারে মোদি

আগামী ১ এপ্রিল নন্দীগ্রামে ভোটের ময়দানে যেদিন পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন যুযুধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শুভেন্দু অধিকারী, সেদিনই নির্বাচনী প্রচারে বাংলায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওইদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর এবং হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় দুটি নির্বাচনী সভা করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই প্রথম মোদি একইদিনে বাংলায় দুটি জনসভা করবেন। বিজেপি সূত্রের খবর, অসমে ভোট মিটে যাওয়ার পর বাংলায় দিনে তিনটি করে সভা করতে চাইছেন মোদি। ঘটনাচক্রে, তার আগেই শুক্র এবং শনিবার দুদিনের সফরে বাংলাদেশ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে মতুয়ামন জয়ের চেষ্টা করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার জারি করা তাঁর সফরসূচি তেমনই বলছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির সদস্য তথা বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।ওয়াকিবহালরা মনে করছেন, পরিকল্পনা করেই প্রধানমন্ত্রী প্রচারে আসার জন্য এমন একটি দিন বেছেছেন, যেদিন সারা রাজ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনের নির্বাচন। বস্তুত, নন্দীগ্রাম আসনের ভোটের দিকে রাজ্য তো বটেই, তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলও। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর ছেড়ে মমতা নন্দীগ্রামে ভোট লড়বেন বলে ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু আগে থেকেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসে রয়েছেন যে, মমতাকে অন্তত ৫০,০০০ ভোটে হারাতে না পারলে তিনি রাজনীতি করা ছেড়ে দেবেন! ফলে নন্দীগ্রাম নিয়ে সমস্ত মহলেই একটা কী হয়-কী হয় ভাব রয়েছে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, নন্দীগ্রামে ভোটের দিন একদিকে তৃণমূল শিবিরের উপর বাড়তি চাপ তৈরির জন্য এবং অন্যদিকে, বিজেপি শিবিরের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী ওইদিন রাজ্যে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিজেপি ওই তত্ত্ব উড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারসূচি তৈরি হয়েছে একেবারেই প্রধানমন্ত্রীর সময়ের উপর ভিত্তি করে। এর সঙ্গে কোথায় কবে ভোট, তার কোনও সম্পর্ক নেই। এটা একেবারেই কাকতালীয় যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার দিনের সঙ্গে নন্দীগ্রামের ভোটের দিন মিলে গিয়েছে। এর মধ্যে অন্য কোনও অভিসন্ধি নেই। ভোট দেবেন মানুষ। তাঁদের সঙ্গে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর থাকা বা না-থাকার কী সম্পর্ক!

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজ্য

'এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়’, মমতাকে আক্রমণ মোদির

এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়। কাঁথির সভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর গলায় জবাব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, যে মাটিতে রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মেছেন, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যের সুর ছিল রুক্ষ। তাঁর কথার মধ্যেও ছিল বিরক্তির ভাব।উল্লেখ্য, রাজ্যের ভোটের প্রচারাভিযানের একেবারে শুরু থেকে বহিরাগত ইস্যুকে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল। বাংলার ভোটের লড়াইকে বাঙালি বনাম গুজরাতি, বাংলা বনাম দিল্লির লড়াই হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে তৃণমূল। মমতাকে বাংলার মেয়ে এবং বিজেপি শীর্ষনেতাদের বহিরাগত হিসেবে তুলে ধরার এই কৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ শাসক দলের বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান।কাঁথির সভা থেকে তৃণমূলের সেই অস্ত্র ভোঁতা করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন মোদি। বলে দিলেন, কবিগুরুর এই বাংলা কাউকে বহিরাগত মনে করে না।সভামঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদির দৃপ্ত ঘোষণা, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে বন্দেমাতরম লিখে গোটা দেশকে একসুরে বেঁধেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। এরা সবাই এই বঙ্গভুমির সন্তান, ভারতভূমির সন্তান। এই ভূমিতে কেউ বহিরাগত নই। এখানে কোনও ভারতবাসী বহিরাগত নন। মোদি বলছেন, যে বাংলায় দাঁড়িয়ে কবিগুরু জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ, বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গাকে একত্রিত করার কথা বলেছেন। সেখানে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। গুরুদেবের এই মাটি কাউকে বহিরাগত মনে করে না। প্রধানমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করলেন, নিজের ১০ বছরের কাজের খতিয়ান দিতে না পেরে এখন অজুহাত দিচ্ছেন মমতা। আর এই বহিরাগত ইস্যুও আসলে অজুহাত। মোদির প্রশ্ন, গত দশ বছরে কী কাজ করেছেন? তার হিসেব দিচ্ছেন না। কেউ হিসেব চাইলে তাঁকে গালি দিচ্ছেন কেন? এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও একবার ঘোষণা করেছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন কোনও ভূমিপুত্রই।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী কী কী বললেন, দেখে নিন একনজরে

বঙ্গে ফের প্রধানমন্ত্রী। রবিবার বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদি বলেন, আমি মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম করি। আমার মনে আছে, লোকসভা নির্বাচনে যখন আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছিলাম দিদি কি কি করেছিলেন। লোকেদের ভয় পাওয়ানোর জন্য দিদি কি না করেছেন। কিন্তু আমি বাঁকুড়ার মানুষের প্রশংসা করব কি, মানুষ এত কিছুর পরও চুপচাপ পদ্মে ভোট দিয়েছেন। আজও এত মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। এত জনগহ থেকে এটা নিশ্চিত ২ মে দিদি যাচ্ছে, আসল পরিবর্তন আসছে। আসল পরিবর্তন বাংলার বিকাশ, এমন সরকার আনার জন্য যা গরিবের সেবা করবে।তিনি আরও বলেন, যারা তোলাবাজির সিন্ডিকেটে কড়া পদক্ষেপ নেবে। এই পরিবর্তন বিজেপি করবে। দিদি ও দিদি, ভ্রষ্টাচারের খেলা চলবে না, চলবে না। সিন্ডিকেটের খেলা, কাটমানির খেলা চলবে না, চলবে না। বিজেপি সরকার এলে মায়ের পূজা হবে, মাথায় তিলক হবে, মানুষের সম্মান হবে। রামপাড়ায় আওয়াজ দিলে সব ঘর থেকে রাম বেরোবে, শুধু রামপাড়া নয় সব আদিবাসী সমাজের চিত্র এটা। বনবাসী সমাজের সঙ্গে প্রভু রাম সবসময় থেকেছেন। আর ভাবুন যারা রাম নাম নেয়, তাদের সাথে দিদি কি করেন। তুষ্টিকরণের জন্য দিদি। দিদি আপনার আসল চেহারা আপনি আগে দেখিয়ে দিলে কখনও আপনার সরকার আসত না। দিদি এখন তাঁর রাগ আমার উপর বের করেছেন। দিদির লোক আজকাল দেওয়াল চিত্র বানাচ্ছে। আমার মাথা নিয়ে ফুটবল খেলছে। কেন আপনি বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন এভাবে?আমি আজ দিদিকে বার্তা দিতে চাই, আমি আমার মাথা ১৩০ কোটি মানুষের কাছে মাথা ঝুকিয়েই রেখেছি। এটাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সংস্কার। তাই দিদি আপনি চাইলে আমার মাথায় পাও রাখতে পারেন আর লাথিও মারতে পারেন। কিন্তু আপনাকে আমি আর বাংলার বিকাশের উপর লাথি মারতে দেব না। এখানে মানুষ একটু জলের জন্য কষ্ট পাচ্ছে। জল কই দিদি? এখানে কৃষকদের এই হাল কেন? সেচ নেই কেন? চাকরি নেই কেন? আপনি শুধু কথা বলেছেন। আপনি দশ বছর বাংলার সঙ্গে খেলার পরেও আপনার মন ভরেনি? এখন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঠিক করে নিয়েছে খেলা শেষ হবে, বিকাশ আরম্ভ হবে। অজিত মুর্মুর মত আদিবাসী শহিদ হয়েছেন। মানুষ গরিব হয়েছেন, তৃণমূলের নেতারা বড়লোক হয়েছেন। গরিবের টাকা লুটে এসব হয়েছে। তাই দিদি যাচ্ছে। বালি মাফিয়াদের রোজগার বেড়েছে। মানুষের অসুবিধায় দিদির হেলদোল নেই। এখন তো দিদি আমার মুখটাও দেখতে পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের চন্দনা দিদির মত কার্যকর্তার চেহারা দিদি অনেক দিন মনে রাখবেন। এটা সেই গরিবদের প্রতীক যাঁদের হকের চাল, টাকা মেরেছে তৃণমূল। এখন এরাই গরিবদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেবে। এটাই আসল পরিবর্তন। এঁদের সমর্থন দিয়ে বিধানসভায় পাঠাবেন যাতে দিনরাত তাঁরা আপনাদের সেবা করতে পারেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানাতে পারেন। আমি যুব ভোটার দের বলব সোনার বাংলার জন্য ভোট দিন। আপনাদের আগের প্রজন্মে সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল শেষ করেছে। লাখ মানুষ বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখন থেকে ২৫ বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ। সোনার সময়। ভ্রষ্টাচার মুক্ত সরকার তৈরির জন্য বাংলায় বিজেপি সরকার জরুরি। সরকার এসেই জাতীয় শিক্ষা নীতি লাগু হবে। যাতে নিজেদের ভাষায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে। জল জীবন মিশন লাগু হবে। আয়ুষ্মান ভারত লাগু হবে। হেলথ সেন্টার তৈরি হবে।বিজেপি স্কিম এর উপর চলে আর তৃণমূল স্ক্যামের উপর চলে। স্কিম যাদেরই স্কিম হোক না কেন স্ক্যামের ব্যবস্থা করে নেয় তৃণমূল। যেখানে স্কিম, সেখানে স্ক্যাম। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম কিষান থেকে স্ক্যাম করা সম্ভব নয় তাই দিদি স্কিম আসতে দেননি। বাংলার কৃষক সরকার বঞ্চিত হয়েছেন পিএম কিষান যোজনা থেকে। বিজেপি সরকারে এসেই টাকা দেবে। আগেও দেবে। দশ বছর যে ইভিএমে জিতলেন এখন সেই ইভিএম চাননা। বোঝাই যাচ্ছে। এইবার জোরসে ছাপ, পদ্মে ছাপ। বন্ধুগণ, আসুন আমরা সংকল্প করি আসল পরিবর্তন, এবার নিশ্চই আসছে বিজেপি। সবাইকে ধন্যবাদ। ভারত মাতার জয়। বন্দে মাতরম।

মার্চ ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal