• ২২ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

যে কোনও রাজ্য থেকেই বাংলায় মানুষ আসুন না কেন, যে রাজ্য থেকেই মানুষ এসে বাংলায় থাকুন না কেন, আমাদের রাজ্যের মানুষ তাদের স্বাগত জানান। বাংলা এমনই একটা রাজ্য। কিন্তু যদি কোনও বহিরাগত তাদের অদ্ভুত চিন্তা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবেন বলে লাল চক্ষু দেখান, তাহলে সেই বহিরাগতদের বাংলার মানুষ মানেন না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যাদেরকেই বাংলায় পাঠানো হচ্ছে, তাদের কারোর বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পর্কে কোন রকম জ্ঞান নেই বলেই এদিন দাবি করলেন মন্ত্রী। বলেন, তারা বাংলার অলিগলি চেনেন না, বাংলার ২৩টি জেলা চেনেন না, বাংলার ৩৮,৬০০ গ্রাম চেনেন না, বাংলার ১০ কোটি মানুষের জন্য কখনও কিছু ভাবেননি। চন্দ্রিমার কথায়, বাংলা উন্নয়নের তীর্থস্থান। উন্নয়নের তীর্থস্থানের তীর্থযাত্রীর মতো যদি কেউ ভ্রমণ করতে আসেন তাহলে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু দিবাস্বপ্ন দেখার যে লোভ তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে আপত্তি রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে কটাক্ষ করে বলেন , ওই প্রকল্পে দেশের ৫০ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। ৮০ কোটি মানুষ পরিষেবার বাইরে থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তার আনেক আগে চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের ১০ কোটি বাসিন্দার মধ্যে ৭.৫ কোটি ইতিমধ্যে পরিষেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতাতেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

 আমি 'নমিনেটেড' নই , ইলেকটেডঃ শুভেন্দু

কেন্দ্রের কাছে পৃথক সমবায় দফতরের দাবি জানালেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন , আমি নমিনেটেড নই! সমবায় জীবনের শুরু থেকেই আমি ইলেকটেড। কালীপুজো ও ভাইফোঁটার কারণে ১৪ নভেম্বরের থেকে উদযাপনের দিন পিছিয়েছে। সমবায় আন্দোলনের ইতিহাস থেকে আজকের সমবায় ব্যবস্থার পোক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রসঙ্গ টেনে জওহরলাল নেহেরু , সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু । আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি আরও বলেন , সমবায় বিকল্প অর্থনীতি। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুরের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি , সমবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর রেজিস্ট্রি এক জায়গায় হলেও মা - বোনেরা সমান গুরুত্ব পান না। তিনি মা - বোনেদের আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেন ওই মঞ্চ থেকে। এদিন শুভেন্দুর পরণে ছিল নীল-সাদা উত্তরীয়। দলীয় সাংসদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব কি মিটে যেতে চলেছে , এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় সংকল্পে জোর দিলাম। করোনা মহামারী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার মতো বিষয়ে দুপক্ষের অগ্রাধিকার এবং উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি এছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন , নব-নির্বাচিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর কথা বলেছি। ভারতীয়-মার্কিনদের কাছে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণামূলক। উল্লেখ্য , বাইডেন-হ্যারিস ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

দলিতদের প্রতি অত্যাচার এই রাজ্যে হয় নাঃ শশী পাঁজা

বিজেপিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি সব জায়গাতেই ভোট শেয়ার কমেছে বিজেপির। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন তৃণমূল মিডিয়া সেন্টার সেলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি আরও বলেন, নারী ক্ষমতায়নে দেশের মধ্যে বাংলা প্রথম। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য ৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০১৬-তে চালু হওয়া স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড বাড়ির মহিলাদের নামেই করা হয়, এর ফলে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজনও এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। রাজ্যের ১ কোটি ৪২ লক্ষ পরিবারের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। শুধু স্বাস্থ্য সাথীই নয়। রূপশ্রী প্রকল্পের দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের ২০১৮-তে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার মেয়ে এই সুবিধা পেয়েছে। প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এই প্রকল্পে। পাশাপাশি রাজ্যের মহিলাদের জন্য পৃথক পুলিশ স্টেশন ২০১১-এর আগে ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। দলিতদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে শশী পাঁজা বলেন, অনেক রাজ্যেই দলিতদের প্রতি নির্যাতন বেশি হয় । তবে আমাদের রাজ্যে হয় না । এছাড়াও তিনি বলেন , ৪৬টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট মহিলা দ্বারা পরিচালিত। শুধু তাই নয়, মাদারস অ্যান্ড চাইল্ড হাব, মাদারস পিকনিক, ওয়েটিং হার্টসের মতো সুবিধা শুধুমাত্র এই রাজ্যেই পাওয়া যায়।৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ২ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকারই। তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন , মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলার অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নমূলক কাজের কোনও প্রচার হচ্ছে না। ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এই ধরনের ভুয়ো ভিডিয়োর জন্য নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। শশী পাঁজা বলেন , কেন ডক্টরড ভিডিয়ো শেয়ার হচ্ছে ? যাঁরা এই ধরনের কাজ করছেন, তাঁরা উন্নয়নকে আড়াল করার জন্য এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়াচ্ছেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিহারের রাজভবনে শপথ নেন তিনি। এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না সুশীল মোদি। তার বদলে এবার বিহার পাচ্ছে দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা হলেন রবিবার বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়া তারিকিশোর প্রসাদ ও অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধি ও বিজেপির উপপরিষদীয় দলনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত রেনুদেবী। সুশীল মোদিকে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জেডিউই ও বিজেপির তরফ থেকে চার জন করে আটজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করে মহাজোটের প্রধান দল তথা বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আরজেডি। তেজস্বীর দলের তরফে টুইটারে বলা হয়, পরিবর্তনের পক্ষে এনডিএ-র বিপক্ষে জনাদেশ ছিল। মানুষের রায় ছিল সরকার বদলের। যে কারচুপি এনডিএ করেছে তাতে রাজ্যবাসী হতাশ। তাই নীতীশ কুমারের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। আরও পড়ুন ঃ আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল প্রসঙ্গত , নীতীশকে সামনে রেখেই এবার বিহারে প্রচার চালিয়েছিল এনডিএ। সেখানে ৭৩ টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আরজেডি পেয়েছে ৭৫ টি আসন। নীতিশের দল মাত্র ৪৩ টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। তবুও ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি মতো নীতিশকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এনডিএ-র বৈঠকে রবিবারই নীতীশ কুমারকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের

অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি টুইটে লিখেছেন , সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য সিনেমায় তাঁর স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য সৌমিএ চট্টোপাধ্যায়কে আজীবন স্মরণ করা হবে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার সঙ্গে, সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগত আরও একজন কিংবদন্তি নায়ককে হারাল। সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে। অভিনয়ের নৈপুণ্যে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মভূষণ এবং লেজিয়ান ডিহ্নেউর সহ একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরষ্কার এনে দিয়েছে। তাঁর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সমবেদনা রইল। চলচ্চিএ জগৎ এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর অগনিত ভক্তদের জন্য রইল আমার সমবেদনা। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটে নরেন্দ্র মোদি লেখেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগত, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কাজের মধ্যে বাঙালির চেতনা , ভাবাবেগ ও নৈতিকতার প্রতিফলন পাওয়া যায়। তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার ও অনুরাগীদের সমবেদনা জানাই। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে টুইট বার্তায় শোকজ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন টুইটারে তিনি লেখেন, কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়জির মৃত্যুর খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সৌমিত্র দার মৃত্যু ভারতীয় রুপালি পর্দার অপূরণীয় ক্ষতি। আরও এক রত্নকে হারাল দেশবাসী। আমার সমবেদনা এবং প্রার্থনা তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুগামীদের সঙ্গে রয়েছে। ওম শান্তি শান্তি শান্তি। আরও পড়ুন ঃ বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট বার্তায় শোক জ্ঞাপন করে লিখেছেন, দাদাসাহেব ফালকে পুরষ্কারপ্রাপ্ত শ্রী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবরে দুঃখিত। তিনি বহু বছর ধরে গোটা জাতির কাছে শ্রদ্ধার পাএ ছিলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং ভক্তদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। শোকজ্ঞাপন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটে লেখেন, ফেলুদা আর নেই। বিদায় জানালেন অপু। বিদায় সৌমিত্র (দা) চট্টোপাধ্যায়। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তী ছিলেন। আন্তর্জাতিক, ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্র একজন বিরাট ব্যক্তিত্বকে হারাল। আমরা তাঁর অভাব গভীরভাবে অনুভব করব। বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ অনাথ হয়ে গেল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র টুইট করে শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন তিনি বলেন, উদয়ন পণ্ডিত অপরাজেয়। ৮৫ তে এসে ৪০ দিনের লড়াই থামেনি। তিনি অপরাজিত। তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন, তাঁর অমর সৃষ্টিতে, স্মৃতিতে, অসংখ্য মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং তাঁর পরিবার,পরিজন ও অনুরাগীদের আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন টুইটে তিনি বলেন, আপনি সকলের হৃদয়ে মন জুড়ে থাকবেন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

মাথায় আছে কি করতে হবেঃ শুভেন্দু

আগামী ১৯ নভেম্বর একটি সভা ডেকেছি। সেদিন একটু বেশি সময় নিয়ে অনেক কথা বলব। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে কালীপুজোর উদ্বো্ধনী অনুষ্ঠানে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । তিনি এদিন বলেন, একটা সময়ে যাদের উপকারে লেগেছিলাম , এখন তাদের অনেকের আমাকে নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে অনেক বাহাদুরকে না দেখা গেলেও ফেসবুকে আমাকে গালাগালি দিতে অনেককেই দেখা যাচ্ছে। ভাল সময়ে না থাকলেও খারাপ সময়ে শুভেন্দু পাশেই থাকে। আরও পড়ুন ঃ ২০২১ নির্বাচনে বাংলায় কৈলাসেই ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপির তিনি আরও বলেন , অনেক পদ আসে , আবার চলেও যায়। আজ পদ আছে , কাল থাকবে না। আমার কাছে পদ কিছু নয়। সেবক শুভেন্দু সাধারণের পাশে যেমন ছিল , তেমনই থাকবে। এরপর তিনি বলেন , যা বলতে হয় , তা করতে নেই। আর যা করতে হয় , তা বলতে নেই। তাঁর মাথায় আছে , কখন কি করতে হবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
দেশ

প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি

১৩০ কোটি ভারতীয় আপনাদের সঙ্গে রয়েছেন। প্রতিটি নাগরিক আমাদের জওয়ানদের শক্তি ও আত্মত্যাগের জন্য গর্বিত। তাঁরা গর্ব অনুভব করে আপনাদের অদ্যম মনোভাবের জন্য। আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষার কাজে নিয়োজিত বীর সৈনিকদের নিজেদের কর্তব্য করা থেকে পৃথিবীর কোনও শক্তিই আটকাতে পারবে না বলেও সাধারণ নাগরিকরা বিশ্বাস করেন। শনিবার জয়সলমীরের লোঙ্গেওয়ালায় ভারতীয় স্বশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মন্তব্য করেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, হিমালয়ের শীর্ষ থেকে মরুভূমির তপ্ত পরিবেশ কিংবা ঘন জঙ্গল থেকে গভীর সমুদ্র, সর্বক্ষেত্রেই আপনারা হার না মানা মনোভাব নিয়ে প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেন। তাই গোটা ভারত আপনাদের জন্য গর্ব অনুভব করে। আপনারা আছেন বলেই আমরা প্রতিবছর ধুমধাম করে দিওয়ালি উদযাপন করতে পারি। তাই আজ প্রত্যেক দেশবাসীর তরফে আপনাদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাই। আমারও দিওয়ালি আপনাদের সঙ্গে উপযাপন না করলে ভাল লাগে না। আপনাদের আনন্দিত মুখ আমার খুশিও দ্বিগুণ হয়ে যায়। আরও পড়ুন ঃ আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস তিনি আরও বলেন , গোটা বিশ্ব বুঝতে পেরেছে যে নিজের স্বার্থের বিষয়ে এই দেশ কোনও মূল্যেই সমঝোতা করবে না। আজকে ভারত জঙ্গিদের নিকেশ করছে আর তাদের নেতারা ঘরে ঢুকে পড়ছে। আপনাদের শক্তি ও দক্ষতার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। আপনাদের দেশকে সুরক্ষিত রেখেছেন বলেই আন্তর্জাতিক মহল আজ আমাদের সম্পর্কে এই ধারণা পোষণ করে। এর জন্য ভারতও তার প্রতিরক্ষা শক্তি ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছে। আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। দেশবাসীও স্থানীয়ভাবে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির বিষয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেইঃ শুভেন্দু

ঘূর্ণিঝড়ের পর নন্দীগ্রামে কেউ আসেনি। আমিই বারবার ছুটে এসেছি, পাশে থেকেছি। শুক্রবার নন্দীগ্রামে কালীপুজো উদ্বোধনে এসে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নিজের মনোভাব আরও স্পষ্ট করে দিলে শুভেন্দু জানান, আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই। আপনাদের আশীর্বাদ, দোয়া, প্রার্থনাকে সঙ্গী করে আমি এগিয়ে যাব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই কাঁথিতে শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক পিকের প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে যান ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোর। তিনি কাঁথির অধিকারী বাড়িতে যখন যান, শুভেন্দু বাড়িতে ছিলেন না। তারপর সেখানে বসেই ফোনে কথা হয় শুভেন্দুর সঙ্গে। কিন্তু পিকেকে ময়দানে নামিয়েও যে শুভেন্দুর মনোভাব বদলানো যায়নি, তা এদিন তাঁর মন্তব্যেই স্পষ্ট।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই কাঁথিতে শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক পিকের

রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃ্ণমূলের দূরত্ব বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে কাঁথির অধিকারী বাড়িতে দল নিয়ে হাজির হলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না। তিনি তখন কালীপুজো উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাপতি শিশির অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর। তাদের মধ্যে ঘণ্টা দুয়েক বৈঠক হয় বলে সূ্ত্র মারফত জানা গিয়েছে। ্কি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে , তা অবশ্য জানা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের জনতা দরিদ্রই থেকে গিয়েছেঃ দিলীপ প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার ঘাটালে বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে শুভেন্দুর ভাষণে ছিল দল ও নেত্রীর কথা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে শহিদ স্মরণে সমাবেশের মঞ্চ থেকে ভাষণে দল এবং নেত্রীর কথা একবারও উচ্চারণ করেননি রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু

ফের সমালোচকদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার পান্ডুয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় পুজো উদ্বোধন করতে যাওয়ার পথে ঘাটালে দুপুর দুটো নাগাদ একটি বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন , আমি ছিলাম, আছি, থাকবো। আপনারা আমার সঙ্গে আছেন তো ? পরিবহণ মন্ত্রীর সমর্থনে চিৎকার করে ওঠে বিশাল জনতা। এরপরেই তিনি বলেন , চরৈবতী চরৈবতী। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবি। এর পর হাসতে হাসতে তাঁর মন্তব্য, দেখবেন এই স্লোগানটা লরি বা বাসের পিছনে লেখা থাকে। লরি-বাস এগিয়ে যায় পিছনে সবাই পড়ে থাকে। সেটাই হবে এবার। আরও পড়ুন ঃ ৬ মাসের মধ্যে সব খুনের বিচার হবেঃ সায়ন্তন এদিন সভাস্থলে এসে বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মালা দেন তিনি। তিনি এদিন আরও বলেন , আমরা বিদ্যাসাগর, ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী হাজরার জেলার ছেলে। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বাড়িতে আমার জন্ম। আমরা লড়াই করতে জানি। এ সব কথা বলার পাশাপাশি হঠাৎই তাঁর মুখে শোনা যায়, ছাত্রাবস্থা থেকেই এখানে আসছি। এখানে আসা আমার নতুন নয়। ২০১১ তে যখন আমার দল ও নেত্রী দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের যুদ্ধ করেছিলেন তখন এই অঞ্চলে আমি সংগঠন তৈরি করেছিলাম। আমাদের নেতা কর্মীদের মেরে ধরে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছিল। আমি নিজে তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। এদিনের এই বিজয়া সম্মিলনীতে রমাপ্রসাদ গিরি , তপন দত্ত, কাবেরী চ্যাটার্জি, দুলাল মণ্ডল সহ একদল দাপুটে তৃণমূল নেতা উপস্থিত ছিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে বলা হয়েছে , ২০২০ সালের অক্টোবরের পর যে সমস্ত সংস্থা নতুন কর্মী নিয়োগ করবে সেই সব সংস্থা ইপিএফও র অধীন বিশেষ কিছু সুবিধা পাবে। এছাড়াও পুরনো যেসব কর্মী ইপিএফও র সদস্য ছিল না , তাদেরকেও ইপিএফও র অধীনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের কম কর্মী থাকবে, সেই সংস্থায় নতুন কর্মীদের ইপিএফওর ২৪ শতাংশ খরচই কেন্দ্র বহন করবে। আর যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের বেশি কর্মী, সেই সব সংস্থার শুধুমাত্র কর্মীদের ভাগের ১২ শতাংশ অর্থ ভারত সরকার দেবে। অর্থাৎ ইপিএফও বাবদ সংস্থাকে শুধু সংস্থার অংশের টাকাই দিতে হবে, কর্মীর ভাগের টাকা দিতে হবে না। এই সুবিধা মিলবে আগামী ২ বছর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সংস্থাই প্রথম অংশে পড়বে। আরও পড়ুন ঃ কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সার এবং কৃষি উপকরণে ভরতুকি হিসেবে দেওয়া হবে। ১৪ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনার আওতায় আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হল। যা ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে খরচ করা হবে। এর ফলে ১০০ দিনের কাজের বাজেট বেড়ে হল ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, বেশ কয়েকটি সূচক দেখাচ্ছে, অর্থনীতি সুস্পষ্টভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। একটানা সংস্কারের ভিত্তিতে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে চলেছে সরকার। তিনি আরও বলেন , জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ছে। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পেয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি

কাজ করলে সমর্থন মিলবে , বিহার ভোটে তা স্পষ্ট হয়েছে। যারা বোঝেনি , তাদের জামানত জব্দ হয়েছে। বুধবার দিল্লিতে বিহার জয়ের জন্য জনতাকে অভিনন্দন দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । তিনি এদিন বলেন, আগে ভোটের পর দিন হেডলাইন হত, ভোট লুঠ হয়েছে। এখন হেডলাইন হয়, এত শতাংশ ভোট পড়েছে। একটা ভোটকেন্দ্রেও পুনর্গণনার প্রয়োজন হয়নি। করোনাকালে এই নির্বাচন করা সহজ ছিল না। কিন্তু তা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এদিন বলেন , দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। কাল সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত গোটা দেশের নজর ছিল টিভি, টুইটার, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। ভোটে হারজিত হয়। কিন্তু ভোট প্রক্রিয়া সকল ভারতীয়র কাছে জরুরি। আরও পড়ুন ঃ অবশেষে জামিন পেলেন অর্ণব গোস্বামী কোটি কোটি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।শান্তিপূর্ণ, সফলভাবে ভোট করার জন্য কমিশন, প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সুশাসন মানে বিজেপি সরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। কংগ্রেসের নাম না করে তিনি বলেন, যে সব দলে পরিবারতন্ত্র রয়েছে , সেই সব পার্টি ্দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। দেশের যু্বকদের বিজেপিতে যোগ দিয়ে দেশসেবায় যোগ ্দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার পক্ষে ্তিনি সওয়াল করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের হত্যার ঘটনার নিন্দা করে তিনি বলেছেন, অনেক দল ভোটে জিততে না পেরে বিজেপি কর্মী্দের হত্যা করছেন। যাতে তাদের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। জনতাই তাদের জবাব দেবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজনীতি

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবেঃ শুভেন্দু

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবে। লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে। শুভেন্দু ভয় পায় না। ২০০৭ সালের রক্তস্নাত সূর্যোদয় দিবসের বর্ষপূতি উপলক্ষে গড়চক্রবেড়িয়া হাইস্কুল মাঠে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারের এই সভায় তিনি আরও বলেন , রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে থেকে রাজনৈতিক কথা বলব। কোন রাস্তায় গর্ত, কোথায় হোঁচট খাঁচ্ছি, কোন রাস্তায় হাঁটলে মসৃণ ভাবে চলব, সেটা তো রাজনৈতিক মঞ্চে বলব। পবিত্র প্ল্যাটফর্মে রাজনীতি করি না, করব না। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন , আমি জানি সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অপেক্ষা করে আছেন। তারা আমার মুখ থেকে কিছু শুনতে চান। আমি বলব। সব বলব। নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও তৃণমূলের নাম না করে শুভেন্দু খোঁচা দিয়ে বলেন, ১৩ বছর পর নন্দীগ্রামকে মনে পড়ল? ভোটের পর নন্দীগ্রামে আসবেন তো। এদিনের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বারবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি নন্দীগ্রামে নতুন লোক নই, চেনা বামুনের পৈতের দরকার নেই। সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছি। ক্ষমতা নিয়ে কোনও কিছু করিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেছি। এই আন্দোলন শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন নয়, স্বত:স্ফূর্ত লোকের আন্দোলন। তিনি আরও বলেন , নন্দীগ্রামের আন্দোলন কারও একার নয়। শুভেন্দু নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন ভারতমাতা জিন্দাবাদ বলে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামে অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে বাংলার সুশীল সমাজের অবদানের প্রসঙ্গ টেনে মহাশ্বেতা দেবী, শুভাপ্রসন্ন, পল্লব কীর্তনীয়া, অর্পিতা ঘোষদের নাম নেন শুভেন্দু। সভার শেষে শুভেন্দুর জয় জয় নন্দীগ্রাম স্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা। এদিনের শুভেন্দুর সভায় উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, খেজুরীর বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল, নন্দীগ্রামের শহিদ মাতা ফিরোজা বিবি, সংগ্রাম দলুই সহ ভূমি উচ্ছেদ কমিটির সদস্যরা। শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের পূর্বে মঞ্চ থেকে উপস্থিত জনস্রোতকে প্রণাম জানিয়ে নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করেন। সঙ্গে নন্দীগ্রামের প্রতিটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে শীতের চাদর তুলে দেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে এবার নতুন ওয়েবসাইট চালু করল আমরা দাদার অনুগামীরা। www.dadaranugami.com এই লিঙ্ক-এ গিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ১২ নভেম্বর থেকে। তিনিই যে প্রকৃ্ত জননেতা , তা সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের প্রসঙ্গত , সম্প্রতি দলের ব্যানার ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি বিভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে শাসক দলের অন্দরে। এরইমধ্যে আগামিকাল মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। পালটা সভা করবেন ফিরহাদ হাকিম। এই দুটি সভার দিকে সকলের লক্ষ্য রয়েছে। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অশোক করন বলেন, প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তিনটে মঞ্চ করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য আলাদা একটি মঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মঙ্গলবারের সভায় লক্ষাধিক লোক আসবেন। মাঠে ৫০ হাজারের ওপর লোক হবে। অন্য জেলা থেকেও একাধিক গাড়িতে মানুষ আসবেন সভা শুনতে। উল্লেখ্য , শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টার পড়েছে। এনিয়ে দলের মধ্যে থেকে শুভেন্দু বিরোধী কিছু বক্তব্য মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসছে। রবিবারই দেখা গিয়েছিল , দলনেত্রীর সঙ্গে একই ব্যানারে শুভেন্দুর ছবি জায়গা করে নিয়েছে। এই ছবি দলের মধ্যে বেড়ে চলা বিরোধকে কিছুটা মেটাতে চেষ্টা করবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
দেশ

নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের

ভারতকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি মাফিক মোদি সরকার চার বছর আগে নোটবন্দি করেছিল এই দিনে। কালো টাকার বিরুদ্ধে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দেশের করকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটার অর্থনীতির দিকে দেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। রবিবার নোট বাতিলের চার বছরের বর্ষপূর্তির দিনে টুইট করে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৯০০ কোটি হিসাব বহির্ভূত আয় বাজেয়াপ্ত হয়েছে নোটবন্দির প্রথম চার মাসের মধ্যে। গত তিন বছরে ৩,৯৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপারেশন ক্লিন মানি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে নোটবন্দির পর। নোটবন্দি শুধুমাত্র কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ব্যাপকতাই আনেনি, এটা টাকার মূল্যহ্রাস এবং সার্কুলেশনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। আরও পড়ুন ঃ হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত অন্যদিকে , কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অভিযান শুরু করা হয়েছে। নোটবন্দি বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর দাবি, নোটবন্দির প্রধান লক্ষ্যই ছিল বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ মকুব করা। কংগ্রেসের আরও দাবি, নোটবন্দির ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান ৩ শতাংশে এসে ঠেকে। একটি ভিডিওতে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভারতের অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ভারতের অর্থনীতি এখন ভাল পারফর্ম করার জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সেদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জো বিডেন। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। শনিবার পঞ্চম দিনের ভোট গণনা শুরু হতেই পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট চলে যায় বিডেনের ঝুলিতে। ফলে সহজেই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের ম্যাজিক ফিগার পার করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা এখন ২৭৩। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আটকে রইলেন ২১৩তেই। ফলে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বয়স্ক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বিডেন। ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ারও নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। জো বিডেন বলেছেন , এ দেশের মানুষ একসঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা একযোগে জয়ের বার্তা দিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ভোটে আমরা জিতেছি। এই জয় মানুষের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। তাই এই জয় আমেরিকাবাসীর জয়। জয়ের যত কাছাকাছি এসেছেন বিডেন ততই আমেরিকার রাস্তায় ভিড় জমতে শুরু করেছে। উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন মানুষ। এতেই আপ্লুত বিডেন। তাঁর কথায়, এটা উন্মাদনা জয়ের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতের শুভ সূচনার আশায় মানুষের আস্থা। আমি এই আশা-আস্থা পূরণের চেষ্টা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আরও পড়ুন ঃ করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের রবিবার একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জো বিডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক মজবুত করতে আপনার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। একইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান মোদি। টুইটারে তিনি লেখেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের জন্য আপনার সফলতা অত্যন্ত গর্বের। আপনার নেতৃত্ব ও সমর্থনে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন নীতীশ! রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জেডিইউ সুপ্রিমো, বিহারে আসছে বড় বদল

বিহারের রাজনীতিতে বড় চমক। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন নীতীশ কুমার। যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়া তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই এবার রাজ্যসভা নির্বাচনে লড়তে চান।সম্প্রতি নির্বাচিত হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই এই সিদ্ধান্তে বিহারের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই নীতীশের এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।নিজের বার্তায় তিনি লেখেন, প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিহারের মানুষ তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থাকে ভিত্তি করেই তিনি কাজ করেছেন। তবে রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই বিধানসভা ও সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এবার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি।জেডিইউ সূত্রে খবর, তিনি বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেবেন। আগামী ষোলো মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বিহারে শাসক জোটের শক্তি বিবেচনায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।নীতীশের ঘোষণার পর পাটনায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁর সমর্থকদের একাংশ। ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। তবু নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি তিনি।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তাঁর পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? জেডিইউ-র অন্য কোনও নেতা, নাকি বিজেপির কেউ? বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বিজেপির দীর্ঘদিনের নজর রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও নেতা পাটনায় মুখ্যমন্ত্রী হননি। এবার সেই সুযোগ আসতে পারে বলেই জল্পনা।একই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে, নীতীশের ছেলে নিশান্ত কুমার উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। ছেলের রাজনৈতিক উত্থানের পথ তৈরি করতেই কি এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নও ঘুরছে।সব মিলিয়ে বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। এখন নজর নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণার দিকে।

মার্চ ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর এক ধাপ ফাইনাল! ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে হারালেই বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণ ভারতের

আর মাত্র এক ধাপ। বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই আরও একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেবে ভারত। কিন্তু কাজটা সহজ নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বরাবরই কঠিন প্রতিপক্ষ।দুই দলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত। মোট ঊনত্রিশ ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে সতেরোটি, ইংল্যান্ড বারোটি। তবে বিশ্বকাপে লড়াই অনেকটাই সমানে সমানে। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারত এগিয়ে তিন-দুই ব্যবধানে। এর মধ্যে দুবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। দুদলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। আর দুবারই ফল হয়েছে একপেশে।দুই হাজার বাইশ সালের সেমিফাইনাল এখনও ভোলেননি সমর্থকেরা। সেবার ভারতকে দশ উইকেটে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল একশো আটষট্টি রান। কিন্তু কোনও উইকেট না হারিয়েই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। জস বাটলার করেছিলেন আশি রান, অ্যালেক্স হেলস ছিয়াশি। সেই হার ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুঝেছিলেন, ব্যাটিং মানসিকতায় বদল আনতেই হবে। এরপর থেকে ভারত আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। তার ফলও মিলেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের সেমিফাইনালে আবার ইংল্যান্ডকে একপেশেভাবে হারায় ভারত। সেবার ইংল্যান্ড হেরেছিল আটষট্টি রানে।তবে বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত নিঃসন্দেহে যুবরাজ সিং-এর ছয় ছক্কা। দুই হাজার সাত সালে তাঁর সেই বিধ্বংসী ইনিংস দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ভারত।এবার আবার সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে টপকাতে পারলে আরও একবার শিরোপার হাতছানি। সমর্থকদের প্রশ্ন, এবার কোন ক্রিকেটার হবেন নায়ক? বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচেই মিলবে তার উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ বন্ধের হুমকি, জ্বালানি সংকটে ভারত? ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ভারত। বাজারে ইতিমধ্যেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শেয়ার বাজারে ধস, টাকার দামে পতন সব মিলিয়ে অর্থনীতির উপর চাপ বাড়ছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের তেলের মজুতেও টান পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ।এই পরিস্থিতিতে পুরনো বন্ধু রাশিয়া সাহায্যের বার্তা দিয়েছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল নিয়ে একটি নৌবহর ভারতের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। নয়াদিল্লি চাইলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই তেল ভারতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব বলে ইঙ্গিত রাশিয়ার আধিকারিকদের।ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জবাবে ক্ষুব্ধ ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, ওই পথে জাহাজ চলাচল হলে হামলা করা হবে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই জলপথ বন্ধ হলে ভারতের উপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। কারণ ভারতের আমদানিকৃত তেলের বড় অংশই এই পথ দিয়ে আসে।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সরকার প্রস্তুত। তবু বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে সমস্যা বাড়বে। ভারত নিজের প্রয়োজনের প্রায় পঁচাশি শতাংশ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও কুয়েত থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ভারতে আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই সঙ্কটে রাশিয়া আগেই জানিয়েছে, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা হলে তারা পাশে থাকবে। মস্কো থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে তেলবাহী জাহাজগুলি দ্রুত ভারতে পাঠানো হবে।তবে প্রশ্ন উঠছে, ভারত কি সেই রুশ তেল কিনবে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই সতর্ক করেছেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে ভারতের উপর শুল্ক চাপানো হতে পারে। বর্তমানে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সেই চুক্তিতেও রুশ তেল কেনা নিয়ে শর্ত থাকতে পারে।এই অবস্থায় নয়াদিল্লির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রুশ তেল কিনলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়তে পারে। আবার না কিনলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, রাশিয়া সাহায্যে প্রস্তুত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারেন ট্রাম্প।সব মিলিয়ে যুদ্ধের আবহে জ্বালানি, কূটনীতি ও অর্থনীতি তিন দিক থেকেই চাপে ভারত। এখন নজর নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের দিকে।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রার রথে হামলার অভিযোগ! খাগড়াবাড়িতে তীব্র উত্তেজনা, মুখোমুখি বিজেপি-তৃণমূল

পরিবর্তন যাত্রার রথ ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি। রথে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, বুধবার গভীর রাতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তাঁর অনুগামীরা আচমকা এসে রথের সামনে ভাঙচুর চালায়। তৃণমূলের যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নামও সামনে আনছে বিজেপি। তাঁর নেতৃত্বেই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।বৃহস্পতিবার সকালে সেই একই রাস্তা দিয়ে রথ যাওয়ার কথা, যেখানে কিছুদিন আগে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-র উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা।খাগড়াবাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলের কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তার দুধারে ভিড় জমিয়েছেন। কয়েক জনের হাতে বাঁশ ও লাঠিও দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে অশান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা। এলাকায় বড় পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অভিযোগ করেন, খাগড়াবাড়িতে তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, কোচবিহারে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বেড়েছে এবং তাদের ভরসাতেই তৃণমূল বারবার হামলা করছে। পরিবর্তন যাত্রা শেষ পর্যন্ত সফল হবেই বলে দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ঘটনার পূর্ণ রিপোর্ট না পেয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যের ছয়টি জায়গা থেকে পরিবর্তন যাত্রার রথ বেরোনোর কথা। তার মধ্যে কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। তাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সতর্ক প্রশাসন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পুলিশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ওলির পতনের পর প্রথম ভোট! কড়া নিরাপত্তায় নেপাল, ৭২ ঘণ্টা বন্ধ পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত

গণবিক্ষোভের জেরে গত নয় সেপ্টেম্বর ক্ষমতা হারিয়েছিল কেপি শর্মা ওলি-র নেতৃত্বাধীন সরকার। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন ধীরে ধীরে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। তার পরেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। সেই প্রেক্ষাপটে আজ নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলছে ভোট।নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত বাহাত্তর ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা হিসেবে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেপাল থেকে বহু রোগী প্রতিদিন শিলিগুড়িতে চিকিৎসার জন্য আসেন। আগামী ছয় মার্চ সকাল থেকে সীমান্ত আবার খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।সীমান্ত বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পানিট্যাঙ্কি এলাকার বাণিজ্য অনেকটাই নেপালের ক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, নেপালে স্থায়ী সরকার গঠনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সীমান্তের ব্যবসায়ীরা। কারণ নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়ে সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়।সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত থেকে শুধুমাত্র নেপালের নাগরিকরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে দেশে ফিরতে পারছেন। একইভাবে নেপালে আটকে থাকা ভারতীয় পর্যটক বা শ্রমিকদের ভারতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু রয়েছে।নেপালের নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলিগুড়ি মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রেখে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই ভোটের দিকে নজর রয়েছে দুই দেশেই। ভোটের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর তার প্রভাব পড়তে পারে সীমান্তবর্তী ভারতের অর্থনীতিতেও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

শ্রীলঙ্কার কাছে ডুবল ইরানের যুদ্ধজাহাজ! মার্কিন সাবমেরিনের হামলার অভিযোগে তীব্র হুঁশিয়ারি তেহরানের

শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগাছি আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি সাবমেরিন হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্য আমেরিকাকে কঠিন মূল্য দিতে হবে।ইরানের নৌবাহিনীর ফ্রিগেট IRIS Dena চার মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার গলের দক্ষিণে প্রায় চল্লিশ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায়। জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল বলে দাবি তেহরানের। প্রায় একশো তিরিশ জন নাবিক জাহাজে ছিলেন। জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর অতিথি হিসাবেও এসেছিল বলে জানানো হয়েছে।শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী সূত্রে খবর, ভোর পাঁচটা আট থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে বিপদ সংকেত আসে। জলের নীচে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জাহাজের তলায় বড় ফাটল তৈরি হয় এবং দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই জাহাজটি রাডার থেকে হারিয়ে যায় এবং ডুবে যায়। ঘটনাকে সাবমেরিন থেকে টর্পেডো হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth জানিয়েছেন, একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকেই টর্পেডো ছোড়া হয়েছিল। তবে কেন এই হামলা, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।উদ্ধারকারীরা গল হাসপাতালে সাতাশি জনের দেহ নিয়ে আসেন। বত্রিশ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ষাট জন এখনও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জাহাজে মোট প্রায় একশো আশি জন ছিলেন বলে অনুমান। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বুদ্ধিকা সম্পথ জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় হলেও বিপদ সংকেত পেয়ে দ্রুত সাহায্য করা হয়।ডুবে যাওয়া যুদ্ধজাহাজটি সম্প্রতি ভারতের আয়োজিত মিলান দুই হাজার ছাব্বিশ নৌ-মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে আয়োজিত এই মহড়া আঠারো থেকে পঁচিশ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল। ভারতীয় নৌবাহিনী বিশাখাপত্তনমে জাহাজটিকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং ভারত-ইরানের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছিল।এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তীব্র হয়েছে। তবে জাহাজটি ডুবেছে উপসাগর থেকে বহু দূরে, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, এই ঘটনা সংঘাতকে নতুন দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং ভারতের সামুদ্রিক অঞ্চলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই নৌ-হামলা ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে একাধিক দেশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা! মতুয়াদের সামনে প্রশ্নের পাহাড়, বিজেপিকে কড়া বার্তা মমতার

বঙ্গে এখন নাগরিকত্ব ও নতুন তালিকা ঘিরে জোর চর্চা। তার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় মতুয়া সম্প্রদায়। এই পরিস্থিতিতে মতুয়াদের ইস্যুতে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড়মা বীণাপানি দেবী-র তিরোধান দিবসে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি অভিযোগ করেন, নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে মতুয়াদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে মানুষকে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। এই অন্যায় মানা হবে না, লড়াই চলবে। তাঁর দাবি, বিজেপির চক্রান্তেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।মতুয়াদের নাগরিকত্ব প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বহু অনুসারী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও অনেকের কাছে পুরনো নাগরিকত্বের নথি নেই। তাই এই বিষয়টি বারবার নির্বাচনের আগে সামনে আসে।সাম্প্রতিক প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়ার নাম বিচারাধীন হিসাবে রয়েছে। বসিরহাট, নদিয়া, রানাঘাট, বনগাঁ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই চিত্র সামনে এসেছে। অথচ বনগাঁ, রানাঘাট, বারাসত, গাইঘাটার মতো কেন্দ্রে মতুয়া ভোট বড় প্রভাব ফেলে। ফলে ভোটের আগে এই অনিশ্চয়তা রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।দুই হাজার উনিশ সালে কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ করে। এই আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপির দাবি, এই আইনের ফলে মতুয়া শরণার্থীরা সহজেই নাগরিকত্ব পাবেন।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মতুয়ারা আগেই ভারতের নাগরিক। নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই আইনের মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার পাল্টা দাবি করেছেন, তৃণমূলের প্রচারের জন্যই অনেক মতুয়া ফর্ম পূরণ করেননি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ভয় দেখিয়েছিল যে ফর্ম পূরণ করলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। এখন অনেকেই বুঝতে পারছেন ভুল হয়েছে এবং শেষ মুহূর্তে আবেদন করতে চাইছেন।তবে উদ্বাস্তু মতুয়া পরিবারগুলির মধ্যে এখনও একাধিক প্রশ্ন ঘুরছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র কবে হাতে পাবেন? তার আগে কি নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাবে? এবারের ভোটে তাঁরা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই সব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। ফলে মতুয়া গড়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না।

মার্চ ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal