• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

কলকাতা

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জেরে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। বুধবার দুপুরে তাকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালে ভরতি করার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সেখানে তাঁর কন্যা উপস্থিত হয়। তাঁর চিকিৎসায় চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অক্সিজেনের স্যাচুরেশন লেভেল ৭০ হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। এর জেরে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা আগের থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শারীরিক অবস্থার কারণেই দীর্ঘদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ তৃণমূলের সিপিএমের কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও তিনি এখন আর যোগ দিতে পারেন না, যেতে পারেন না দলীয় দফতরে। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি চোখের সমস্যাতেও ভুগছেন তিনি। বাড়িতেও কৃত্রিম অক্সিজেন সাপোর্টের রাখা হয়েছিল তাঁকে। মাস কয়েক আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেসময় তাঁর খোঁজ নিতে বুদ্ধবাবুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

পুলিশ নয়, নিজেদের শট গানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি সুব্রতর

বিজেপির নিজেদের দুষ্কৃতীদের শটগানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এর পাঠানো রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। সেই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শটগানের ছোট ছোট গুলি বুকে লেগে মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানান,পুলিশের কাছে কখনোই ছোট গুলি থাকে না। পুলিশের গুলি আকারে একটু বড় হয়। শটগানের গুলি আকারে ছোট হয়। সেইগুলি বুকে লেগেই বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট। শটগান পাখিমারা থেকে শুরু করে খেলনা পিস্তল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে উত্তর কন্যা অভিযানে আন্দোলনের নামে বিজেপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিল।সুব্রত বাবু আরো জানান,তৃণমূল কংগ্রেস কখনোই গুলির রাজনীতি করে না। এই ঘৃণ্য রাজনীতি একটা সময় করেছিল সিপিএম। সেই সময় তারা বহু মানুষকে গুলি করে খুন করেছিল। তাই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল রাজ্য থেকে। এবার সেই গুলির রাজনীতি করছে বিজেপি। তাই তাদেরও আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলা থেকে বিদায় করে দেবে সাধারণ মানুষ। আরও পড়ুন ঃ সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল কারণ, বাংলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। তারা কখনোই গুলির রাজনীতি পছন্দ করে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে বিজেপির গুলির রাজনীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি বলেন, ওইদিন বিজেপি প্রথম থেকেই প্ররোচিত করছিল পুলিশকে। হাজারও প্ররোচনা সত্বেও গুলি করা হয়নি। লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছেন মাত্র। এর বেশি আর কিছুই হয়নি। আমরা বারবার দেখেছি পুলিশের কোনও ভুল ছিল কিনা। পুলিশ মার খেয়েও লাঠি চালায়নি। উত্তরবঙ্গে যা হচ্ছে তা সত্য নয়। অসত্য প্রচার করে ধর্মঘট ডেকেছেন। পাশাপাশি কৃষি বিল নিয়ে কৃষকদের ডাকা বনধকে এদিন নৈতিকভাবে সমর্থন করেন সুব্রতবাবু। তিনি জানান, বনধ সমর্থন করি না। কিন্তু কৃষকদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছি। পাশে আছি আমরা। বনধ শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। আন্দোলনকে সমর্থন করে আজ থেকে পরপর তিনদিন মিছিল হবে। গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হবে। অনেক কৃষকভাই এসেছে। এই আন্দোলনের জয় হবেই। কৃষক আন্দোলনের বার্তা দিতে ব্লকে ব্লকে আন্দোলন হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল

দু পয়সার প্রেস। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চারদিকে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকেও তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কথা যে তিনি একেবারেই ভুল বলেননি, তাতে অনড় থেকেই দায়সারাভাবে ক্ষমাপ্রকাশ করেছিলেন টুইটে। তারপর থেকেই তাঁকে বয়কটের ডাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মহুয়া মৈত্রর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী। আমরাও তাই বিশ্বাস করি। তাই সাংবাদিকদের প্রতি এমন মন্তব্য শুনে খারাপ লাগছে। তবে একটা কথা বলতে পারি। এটা ওর ব্যক্তিগত কথা, দলের নয়। আমরা প্রেসের সঙ্গে হৃদ্যতা রেখে চলি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখলেও রাখি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য থেকে পরিস্কার, সাংসদের মন্তব্যের দায় নিচ্ছে না দল।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

ফের হাওড়ায় পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার

এবার গোটা হাওড়া শহরজুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টার পড়ল। নবান্নের সামনে থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন, রবিবার গভীর রাতে গোটা শহর জুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে যায়। যার ফলে রাজীবকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। বনমন্ত্রীর প্রশংসা করে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। টালিগঞ্জের একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্তাবকতা করলেই দলে গুরুত্ব পাওয়া যায়। হ্যাঁতে হ্যাঁ বললেই ভাল, না বললেই খারাপ। যাঁরা স্তাবকতা করে ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন, তাঁরাই এখন দলে সামনের সারিতে থাকেন বলেও সোচ্চার হন রাজীব। পরে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি আরও বলেন, এর পরে দেখুন আরও কী হয়। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং রাজীবের এই অবস্থানের পর রবিবারই কলকাতায় রাজীবের সমর্থনে সততার প্রতীক বলে পোস্টার পড়েছিল। তারপর রবিবার রাতেই গোটা হাওড়া শহর জুড়ে রাজীবের সমর্থনে অসংখ্য পোস্টার পড়ে। পোস্টারের প্রচারের দায়িত্বে আমরা দাদার কর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে। নবান্নের সামনের রাস্তা, হাওড়া স্টেশন, হাওড়া ময়দান, হাওড়া কোর্ট, দানেশ শেখ লেন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়লেও রাজীবের নিজের বিধানসভা এলাকা ডোমজুড়ে কোনও পোস্টার পড়েনি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের

দলের নাম না করে শনিবারই এক সভা থেকে তোপ দেগেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলেরই আরেক মন্ত্রী অরূপ রায়। রবিবার অরূপ রায় বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। চালুনি আবার ছুঁচের বিচার করে। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল। এদিন অরূপ আরও বলেন, দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অরূপ রায় এদিন দাবি করেন, তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের প্রসঙ্গত, অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল নয়। এর আগেও বহুবার তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এবার রাজীবকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে যেন সেই দ্বন্দ্বই আরও প্রকট হল। এদিকে, বেসুরো কথা বলার পরই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টারও পড়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে নাম না করে অরূপ রায়ের খোঁচা যে তৃণমূল শিবিরে আরও অস্বস্তি বাড়ল, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, এদিন ফিরহাদ হাকিম দলের বেসুরোদের উদ্দেশে নাম না করে বলেন, মানসিক অবসাদ একটা বাজে জিনিস। এক জন কেউ হুক্কা হুয়া করলে আরও অনেকে তা দেখে হুক্কা হুয়া শুরু করে দেন। এদিন রাজীব প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলেই আছেন, দলেই থাকবেন। ও পরিণত নেতা। গ্যাস খাবেন না বলেই মনে করি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার

এবার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল কলকাতা শহরজুড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশপার্ক, উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুড়গাছি, ফুলবাগানের মতো একাধিক এলাকায় রবিবার সকালে এই পোস্টারগুলি চোখে পড়েছে। কোনও পোস্টারে লেখা হয়েছে, কাজের মানুষ কাছের মানুষ, কোনওটিতে রাজীবের ছবির নিচে লেখা সততার প্রতীক এবং ছাত্র যুবর নয়েনের মণি। এতদিন শুভেন্দু অধিকারীর নামে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়ত। সেই পোস্টারগুলি দলের ব্যানারে ছিল না। ছিল দাদার অনুগামীর ব্যানারে। যা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ায় নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কী শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি মন্ত্রীত্ব ছাড়বেন। আরও পড়ুন ঃ নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২ উল্লেখ্য, শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজীব। তিনি বলেন, যারা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছেন তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হয় না। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে তাঁদের সামনের সারিতে আসতে দেওয়া হয় না। স্তাবকদের উন্নতি হয়। যারা ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন তাঁরাই সামনের সারিতে চলে আসেন। এই ঘটনা দুঃখ দেয়। মানুষ এত বোকা নয়। মানুষকে বোকা ভাবলে ভুল হবে। তাঁর মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পোস্টার পড়ল কলকাতা শহর জুড়ে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তো জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার বেসুরোদের তালিকায় এবার নাম লেখালেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলে যারা স্তাবকতা করে তাদের নম্বর বেশি। আমি পারি না বলে আমার নম্বর কম। শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, নেতাদের এত কেন ক্ষোভ-বিক্ষোভ অনুসন্ধান জরুরি। এসব আরও আগে ভাবা উচিত ছিল। তাঁর আক্ষেপ, যারা মাঠেঘাটে কাজ করে, তারা প্রাধান্য পায় না। ক্ষমতালোভীরা জায়গা পাচ্ছে দলে। ভালকে খারাপ, খারাপকে ভাল বললেই মুশকিল। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয় এ দিন অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা আমরা রাজনীতিতে আছি, অনেক সময়ে ভাবি রাজনীতিতে ক্ষমতটাই সব। অর্থাৎ আমি ক্ষমতা ভোগ করতে পারি। এখন এই ধরনের মানুষ অনেক রয়েছে। আমি রাজনীতিটা করি মানুষের স্বার্থে। গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা। যাঁরা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছে, যাঁদের মধ্যে দক্ষতা রয়েছে, যাঁরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে, মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রমের চেষ্টা করে তাঁরাই প্রাধান্য পাচ্ছে না। এটা আমাকে কষ্ট দেয়। যাঁরা ঠান্ডা ঘরে থাকে, যাঁরা মনে করে মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায়, তাঁদের ঠকিয়ে দিলে বোধহয় আমার কাজ সফল। আজ তাঁরাই বিভিন্ন জায়গায় সামনের সারিতে চলে আসছেন। এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী হিসাবে ভাল কাজ করছেন। ও ভাল ছেলে। আমাদের ছোট ভাইয়ের মতো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন আছেন মাথার উপর, তখন চিন্তার কোনও কারণ নেই। তিনি সব দেখছেন। সকলের জন্য ভাল করবেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

অপমানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদ, পরেশ পালকে আইনি নোটিশ শ্রেয়ার

তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল এবং মন্ত্রী সাধন পান্ডের মধ্যে বিরোধ চলছিলই। এবার সেই আগুনে ঘি ফেলল আইনি নোটিশ। পরেশ পালকে আইনি নোটিস পাঠালেন সাধন পান্ডের কন্যা শ্রেয়া পান্ডে৷ সম্মানহানির অভিযোগ তুলে পরেশ পালকে সাতদিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। তা না হলে পরেশ পালের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি৷ পরেশ পালের তিনটি ঠিকানাতেই এই নোটিস পৌঁছে গিয়েছে৷ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে রেশ পালের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ফের সরব হন সাধন পান্ডে। তাঁর জবাব দিতে গিয়েই পরেশ পাল শ্রেয়া পান্ডেকে উদ্দেশ করে অসম্মানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিনেত্রী শ্রেয়া পাণ্ডেকে ইডির তলব নিয়ে মন্তব্য করেন পরেশ পাল। সেই বক্তব্যের জন্য এই নোটিশ পাঠিয়েছেন শ্রেয়া। সাধন কন্যা বলেন, আমার চরিত্রহনন করা হয়েছে। দুজন রাজনীতিক বাকযুদ্ধে জড়াতেই পারেন। তবে দুজনের ঝামেলার মধ্যে তাঁকে টেনে আনা কখনই উচিত নয়। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে টুইট মমতার দাবিমতো নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে পরেশ পালের বিরুদ্ধে ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শ্রেয়া পান্ডের আইনজীবী সুদীপ্ত পণ্ডা৷ তিনি বলেন, নোটিস দেওয়ার পর ইতিমধ্যেই ৭ দিনের সময়সীমা শেষ হয়েছে৷ এখনও কোনও প্রত্যুত্তর পাইনি। আমরা দেওয়ানি ও মানহানি মামলার মতো আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছি। পরেশ পালের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম

বেলেঘাটা নাইসেডে গিয়ে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক টিকা নিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। এদিন থেকেই নাইসেডে শুরু হয়েছে ভারত বায়োটেকের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। কলকাতায় টিকা চলে এলে প্রথম স্বেচ্ছাসেবক হবেন তিনি, এমন প্রস্তাব দিয়েছিলেন ববি হাকিম। তৃ্তীয় পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে পৌছেছে ১০০০টি ডোজ। ২ ডিসেম্বর থেকে ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছিল নাইসেডের তরফ থেকে। বুধবার বেলার দিকে নাইসেডে পৌছে যান পুরমন্ত্রী। টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় তাঁকে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণ কমিটির দায়িত্বে মদন মিত্র এদিন টিকা নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, সুস্থ আছি। ওনাদের ধন্যবাদ জানাই এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ওনাদের আরও বলেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রেজাল্ট নিয়ে যাতে জনসাধারণের জন্য এই ভ্যাক্সিন চালু করা যায়। টিকা নেওয়ার পর আমাকে আধঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিল। দেখলাম কোনও অসুবিধা হয়নি। ভাল আছি। আমার একটুখানি যদি অসুবিধা হয়, কিছু যায় আসে না। যদি প্রাণহানি হয়, তাহলেও কিছু যায় আসে না। মানুষের যদি ভাল হয়, সেটাই হবে আমার কাছে লাভ। আশা করছি এই ট্রায়াল সফল হবে। ভারতবাসী খুব তাড়াতাড়ি করোনার টিকা পেয়ে যাবে। রাজ্যপাল এদিন এই ট্রায়াল প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করতে গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, করোনার চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার টাকা নিয়ে দূর্নীতি হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ এদিন বলেন, এটা রাজনীতির জায়গা না। ওর মন্তব্যের জবাব অন্যত্র দেব। উনি অন্যায় করছেন। রাজ্যপাল পদের যোগ্য না উনি, পদের মর্যাদা রাখছেন না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পালসিট টোলপ্লাজায় হল্ট হাবের শিলান্যাস মন্ত্রীর

জাতীয় সড়কের পালসিট টোলপ্লাজার কাছে হল্ট হাবের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার তিনি শিলান্যাস করেন। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর এক্সেপ্রেয়ওয়ের ২ নম্বর জাতীয় সড়কে তৈরি হবে হল্ট হাব। দুএকর জায়গা নিয়ে আপাতত হাবের কাজ শুরু হবে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী বলেন, এখন দুএকর জমির উপর কাজ শুরু হবে জানুয়ারি মাসে। আরো ৬ একর জমি নেওয়া হবে। মোট আট একর জায়গায় আধুনিক হল্ট হাব তৈরি হবে পিপিপি মডেলে। জাতীয় সড়কের শক্তিগড় বাজারে টয়লেটের ব্যবস্থা থাকলেও তা ততটা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নয়।কিন্তু এই হাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন টয়লেট থাকবে। থাকবে বাথরুম। যাত্রীরা পয়সা দিয়ে বাথরুম ও টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন। বাঙালী খাবার মাছ, ভাতের পাশাপাশি থাকবে দক্ষিণী খাবার ও পাঞ্জাবি খাবার। হাবে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। মেডিকেল ব্যবস্থাও থাকবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর দ্রুত চিকিৎসার জন্য সবরকম ব্যবস্থাপনা রাখা হবে। জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে জখমদের হাসপাতালে পাঠানের জন্য অ্যাম্বুলেন্স থাকবে ২৪ ঘন্টায়। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমানে ফের সোনার দোকানে ডাকাতি, লুঠ বহু গহনা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন আগে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে সাড়ে চারশো বাস ছিল। এই সরকারের আমলে তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে নশো বাস।এখানে হাব চালু হলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।অনেকে চায়ের দোকান,ফুচকার দোকান বসাবে। রাতে থাকার জন্য ঘরও থাকবে অত্যাধুনিক এই হাবে। পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান বলেন, জানুয়ারি মাসে কাজ শুরু হবে এবং হাব চালু হবে মার্চ এপ্রিল মাসের মধ্যেই। কলকাতা থেকে দুর্গাপুর যাওয়ার লেনের বাঁদিকে হল্ট হাব তৈরি হচ্ছে।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন

বিজেপির সঙ্গে বাংলার আত্মিক যোগাযোগ নেই। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি বলেন, বাংলার জন্য বিজেপির আন্তরিকতা নেই। কিন্তু তৃণমূল বাঙালি অবাঙালি ভাগ করে না। যে গব্বর সিংগুলিকে বাংলায় আমদানি করা হচ্ছে তাদের বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। সেটা সিনেমাতেই ভালো লাগে। ইন্দ্রনীল সেন আরও বলেন, লোকশিল্পীদের পাশে কোনও বিজেপি নেতা দাঁড়ায়নি। লোকশিল্পীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। আরও পড়ুনঃ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর রাজ্যের প্রকল্প পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে সরকার-এর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজ্যের প্রকল্প অনুকরণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু কেন্দ্র নয়, অন্য রাজ্যও বাংলাকে অনুকরণ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিন তিনি তিনি নাম না করে দিলীপ ঘোষকে মিস্টার বিন বলে উল্লেখ করেন। গুন্ডা শব্দ নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছে সে বিষয়ে ইন্দ্রনীল বলেন, অভিষেক ব্যানার্জীর সৎসাহস আছে তাই মঞ্চ থেকে এ কথা বলতে পেরেছেন। বলেন, গুন্ডামি মানুষ সিনেমায়, যাত্রায় বা নাটকে দেখতে ভালবাসে কিন্তু এলাকায় দেখতে অভ্যস্ত নন। বাংলার মানুষ গুন্ডাদের এখানে আমদানিও করবেন না।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি উন্মোচনের মঞ্চে একই সারিতে দেখা গেল তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার শিলিগুড়ি কোর্ট মোড় লাগোয়া এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শিলিগুড়ির সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য, মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার সহ অনেকেই। পুরমন্ত্রী জানান, মানুষের হৃদয় থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম মুছবে না। একই সঙ্গে রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পদ অলংকৃত করার মতো ব্যক্তি উনি কি না তা জানি না। বলতে চাই ভগবান ওঁকে ক্ষমা করুন। কী বলছেন তা উনি নিজেও জানেন না। তিনি আরও বলেন, চায়ে পে চর্চা আসলে বিজেপির খরচা । দিলীপ ঘোষ কাকে কী সম্বোধন করছেন তা তাঁর রুচি ও সংস্কৃতির বিষয়। আমার নয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এই লড়াই নীতির লড়াই। ব্যক্তির বিরুদ্ধে লড়াই নয়। আরও পড়ুন ঃ সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু অশোকবাবু জানান, তারা পুরসভার তরফ থেকে সরকারি কর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পুর-প্রশাসনের শীর্ষে থাকা পুরমন্ত্রী আসায় তাঁরা খুশি বলে জানান তিনি। এর মধ্যে রাজনীতি নেই বলে দাবি তাঁর। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার বলেছেন, অতীতে তাঁকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠা্নে ডাকা হত না। এখন তৃ্ণমূলের হুঁশ ফিরেছে। আগামীদিনে সেই হুঁশ রেখে তৃণমূল সরকার চললে সকলেরই ভাল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে। ওসব করে কোনও লাভ নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে রবিবার হলদিয়ার কদমতলা থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের মিছিলে সুজিত বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হলদিয়া টাউনের নেতৃত্ব। সুজিত বসু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আবার সরকার হবে। নন্দীগ্রামের আন্দোলন, সিঙ্গুরের আন্দোলন দেখেছেন। দিদিকে আমার নেত্রী মানি। তাঁর বিকল্প একমাত্র তিনিই। আরও পড়ুন ঃ লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকারকে তাঁর কটাক্ষ, কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে, ওরা গরীবের কথা ভাবে না। বিজেপি কিছু নেতা যাদের ক্লাব জেতার ক্ষমতা নেই, তারা বড় বড় কথা বলছে। সোনার বাংলা করতে গেল ত্রিপুরা, গুজরাটের করুন। বাংলা নিয়ে ভাবতে হবে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব খারিজ কৃষক সংগঠনগুলির

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দেওয়া সব শর্ত উড়িয়ে দিল পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি। ওই কৃষক সংগঠনগুলি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা দিল্লি সীমানায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি সরকারের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের একাধিক রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। কৃষকদের প্রবল আন্দোলনের মুখে পড়ে শনিবারই সুর নরম করেছিল কেন্দ্র। শর্ত সাপেক্ষে চাষীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু রবিবার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল কৃষক সংগঠনগুলি। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের সভাপতি জগজিৎ সিং রবিবার বলেন, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লির বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্তে কেন্দ্র যে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিল তা সর্বসম্মতভাবে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার কী ব্যবস্থা নেয় আমরা সকলেই সেদিকে তাকিয়ে আছি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার কৃষকদের আশঙ্কা, সরকারি নির্ধারিত স্থানে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কার্যত বন্দি করে রাখবে দিল্লি পুলিশ। অমিত শাহ জানান, কৃষকরা চাইলে ৩ ডিসেম্বরের আগেই সরকার বৈঠকে বসবে। তবে এজন্য কৃষক সংগঠনগুলিকে কিছু শর্ত মানতে হবে। শর্ত হিসেবে শাহ জানিয়েছিলেন সরকার নির্ধারিত স্থানে এই আন্দোলনকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দেখতে পাচ্ছি অনেক জায়গাতেই প্রবল ঠান্ডায় জাতীয় সড়কের উপর ট্রাক্টর এবং ট্রলিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু বয়স্ক মানুষ। তাই আমি চাই, কৃষকরা বুরারি ময়দানে সরে আসুন। সেখানে তাঁদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করবে পুলিশ। কেউ কৃষকদের বাধা দেবে না। বরং পানীয় জল, অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করবে সরকার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

ডিসেম্বরেও খুলছে না কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ঃ পার্থ

আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে খুলছে না কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এখনও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খুব একটা সন্তোষজনক নয়। সংক্রমণের ধারা বজায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুললে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে। তাই সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এখনই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়। পরিবর্তে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তবেই খুলবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। আপাতত অনলাইন ক্লাসেই জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া স্নাতকে সেমেস্টার অনুযায়ী পরীক্ষাও অনলাইনে নেওয়ার কথাই বলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা করোনা পরিস্থিতিতে স্নাতকের প্রথম বর্ষের ভরতি প্রক্রিয়াও অনলাইনেই হয়েছে। যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও আসন খালি রয়েছে সেখানে পুনরায় ভর্তির জন্য পোর্টাল চালু করা হতে পারে। তবে কীভাবে সেই প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে বিগত সাড়ে সাত মাসের উপর বন্ধ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। অনলাইনেই চলছে পঠন-পাঠন। স্নাতক ও স্নাতোকত্তোরে পরীক্ষাও হয়েছে অনলাইনে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ

ওরা হল পাইকারি দল, ওদের কোনও নীতিবোধের মানুষ নেই। প্রত্যেক দলের একটা আদর্শ থাকে। তাই যারা আদর্শহীনভাবে দল করেন, তাদের ওনারা আহ্বা্ন করছেন, আদর্শহীন লোকেরা একসাথে জোট হন। তাতে বাংলায় চিড়ে ভিজবে না। শনিবার বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলায় আদর্শগতভাবে মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা , প্রগতি ও গণতান্ত্রিক পথে থাকে। মানুষকে খুন করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাট করতে চায় না বাঙালি। তাই দিলীপ ঘোষ যতই চেষ্টা করুক, বেশিরভাগ মানুষ ও আমাদের দলের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ করছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, ওদের আদর্শগতভাবে কোনও ব্যাপার নেই। ঝালমুড়ির মতো কে এল, ঢুকিয়ে নিয়ে দল করছে। এভাবে কোনও দল হয় না। তৃণমূল দল শেষ হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনি স্বপ্ন দেখছেন। ওনার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। তৃণমূলকে ফেলে দেওয়া যায় না। তৃণমূল কখনও বিজেপির মতো বহিরাগত দল নয়। অন্য জায়গা থেকে আসেনি। বাংলার মাটিতে আন্দোলনের ফল হচ্ছে তৃ্ণমূল। বিজেপির মতো অমিত শাহ ও মোদির দল নয়। এটা মানুষের ্দল। তাই মানুষ তৃণমূলকে রাখবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal