• ২২ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পালসিট টোলপ্লাজায় হল্ট হাবের শিলান্যাস মন্ত্রীর

জাতীয় সড়কের পালসিট টোলপ্লাজার কাছে হল্ট হাবের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার তিনি শিলান্যাস করেন। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর এক্সেপ্রেয়ওয়ের ২ নম্বর জাতীয় সড়কে তৈরি হবে হল্ট হাব। দুএকর জায়গা নিয়ে আপাতত হাবের কাজ শুরু হবে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী বলেন, এখন দুএকর জমির উপর কাজ শুরু হবে জানুয়ারি মাসে। আরো ৬ একর জমি নেওয়া হবে। মোট আট একর জায়গায় আধুনিক হল্ট হাব তৈরি হবে পিপিপি মডেলে। জাতীয় সড়কের শক্তিগড় বাজারে টয়লেটের ব্যবস্থা থাকলেও তা ততটা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নয়।কিন্তু এই হাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন টয়লেট থাকবে। থাকবে বাথরুম। যাত্রীরা পয়সা দিয়ে বাথরুম ও টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন। বাঙালী খাবার মাছ, ভাতের পাশাপাশি থাকবে দক্ষিণী খাবার ও পাঞ্জাবি খাবার। হাবে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। মেডিকেল ব্যবস্থাও থাকবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর দ্রুত চিকিৎসার জন্য সবরকম ব্যবস্থাপনা রাখা হবে। জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে জখমদের হাসপাতালে পাঠানের জন্য অ্যাম্বুলেন্স থাকবে ২৪ ঘন্টায়। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমানে ফের সোনার দোকানে ডাকাতি, লুঠ বহু গহনা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন আগে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে সাড়ে চারশো বাস ছিল। এই সরকারের আমলে তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে নশো বাস।এখানে হাব চালু হলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।অনেকে চায়ের দোকান,ফুচকার দোকান বসাবে। রাতে থাকার জন্য ঘরও থাকবে অত্যাধুনিক এই হাবে। পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান বলেন, জানুয়ারি মাসে কাজ শুরু হবে এবং হাব চালু হবে মার্চ এপ্রিল মাসের মধ্যেই। কলকাতা থেকে দুর্গাপুর যাওয়ার লেনের বাঁদিকে হল্ট হাব তৈরি হচ্ছে।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন

বিজেপির সঙ্গে বাংলার আত্মিক যোগাযোগ নেই। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি বলেন, বাংলার জন্য বিজেপির আন্তরিকতা নেই। কিন্তু তৃণমূল বাঙালি অবাঙালি ভাগ করে না। যে গব্বর সিংগুলিকে বাংলায় আমদানি করা হচ্ছে তাদের বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। সেটা সিনেমাতেই ভালো লাগে। ইন্দ্রনীল সেন আরও বলেন, লোকশিল্পীদের পাশে কোনও বিজেপি নেতা দাঁড়ায়নি। লোকশিল্পীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। আরও পড়ুনঃ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর রাজ্যের প্রকল্প পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে সরকার-এর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজ্যের প্রকল্প অনুকরণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু কেন্দ্র নয়, অন্য রাজ্যও বাংলাকে অনুকরণ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিন তিনি তিনি নাম না করে দিলীপ ঘোষকে মিস্টার বিন বলে উল্লেখ করেন। গুন্ডা শব্দ নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছে সে বিষয়ে ইন্দ্রনীল বলেন, অভিষেক ব্যানার্জীর সৎসাহস আছে তাই মঞ্চ থেকে এ কথা বলতে পেরেছেন। বলেন, গুন্ডামি মানুষ সিনেমায়, যাত্রায় বা নাটকে দেখতে ভালবাসে কিন্তু এলাকায় দেখতে অভ্যস্ত নন। বাংলার মানুষ গুন্ডাদের এখানে আমদানিও করবেন না।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি উন্মোচনের মঞ্চে একই সারিতে দেখা গেল তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার শিলিগুড়ি কোর্ট মোড় লাগোয়া এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শিলিগুড়ির সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য, মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার সহ অনেকেই। পুরমন্ত্রী জানান, মানুষের হৃদয় থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম মুছবে না। একই সঙ্গে রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পদ অলংকৃত করার মতো ব্যক্তি উনি কি না তা জানি না। বলতে চাই ভগবান ওঁকে ক্ষমা করুন। কী বলছেন তা উনি নিজেও জানেন না। তিনি আরও বলেন, চায়ে পে চর্চা আসলে বিজেপির খরচা । দিলীপ ঘোষ কাকে কী সম্বোধন করছেন তা তাঁর রুচি ও সংস্কৃতির বিষয়। আমার নয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এই লড়াই নীতির লড়াই। ব্যক্তির বিরুদ্ধে লড়াই নয়। আরও পড়ুন ঃ সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু অশোকবাবু জানান, তারা পুরসভার তরফ থেকে সরকারি কর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পুর-প্রশাসনের শীর্ষে থাকা পুরমন্ত্রী আসায় তাঁরা খুশি বলে জানান তিনি। এর মধ্যে রাজনীতি নেই বলে দাবি তাঁর। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার বলেছেন, অতীতে তাঁকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠা্নে ডাকা হত না। এখন তৃ্ণমূলের হুঁশ ফিরেছে। আগামীদিনে সেই হুঁশ রেখে তৃণমূল সরকার চললে সকলেরই ভাল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে। ওসব করে কোনও লাভ নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে রবিবার হলদিয়ার কদমতলা থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের মিছিলে সুজিত বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হলদিয়া টাউনের নেতৃত্ব। সুজিত বসু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আবার সরকার হবে। নন্দীগ্রামের আন্দোলন, সিঙ্গুরের আন্দোলন দেখেছেন। দিদিকে আমার নেত্রী মানি। তাঁর বিকল্প একমাত্র তিনিই। আরও পড়ুন ঃ লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকারকে তাঁর কটাক্ষ, কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে, ওরা গরীবের কথা ভাবে না। বিজেপি কিছু নেতা যাদের ক্লাব জেতার ক্ষমতা নেই, তারা বড় বড় কথা বলছে। সোনার বাংলা করতে গেল ত্রিপুরা, গুজরাটের করুন। বাংলা নিয়ে ভাবতে হবে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব খারিজ কৃষক সংগঠনগুলির

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দেওয়া সব শর্ত উড়িয়ে দিল পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি। ওই কৃষক সংগঠনগুলি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা দিল্লি সীমানায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি সরকারের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের একাধিক রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। কৃষকদের প্রবল আন্দোলনের মুখে পড়ে শনিবারই সুর নরম করেছিল কেন্দ্র। শর্ত সাপেক্ষে চাষীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু রবিবার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল কৃষক সংগঠনগুলি। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের সভাপতি জগজিৎ সিং রবিবার বলেন, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লির বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্তে কেন্দ্র যে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিল তা সর্বসম্মতভাবে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার কী ব্যবস্থা নেয় আমরা সকলেই সেদিকে তাকিয়ে আছি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার কৃষকদের আশঙ্কা, সরকারি নির্ধারিত স্থানে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কার্যত বন্দি করে রাখবে দিল্লি পুলিশ। অমিত শাহ জানান, কৃষকরা চাইলে ৩ ডিসেম্বরের আগেই সরকার বৈঠকে বসবে। তবে এজন্য কৃষক সংগঠনগুলিকে কিছু শর্ত মানতে হবে। শর্ত হিসেবে শাহ জানিয়েছিলেন সরকার নির্ধারিত স্থানে এই আন্দোলনকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দেখতে পাচ্ছি অনেক জায়গাতেই প্রবল ঠান্ডায় জাতীয় সড়কের উপর ট্রাক্টর এবং ট্রলিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু বয়স্ক মানুষ। তাই আমি চাই, কৃষকরা বুরারি ময়দানে সরে আসুন। সেখানে তাঁদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করবে পুলিশ। কেউ কৃষকদের বাধা দেবে না। বরং পানীয় জল, অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করবে সরকার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

ডিসেম্বরেও খুলছে না কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ঃ পার্থ

আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে খুলছে না কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এখনও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খুব একটা সন্তোষজনক নয়। সংক্রমণের ধারা বজায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুললে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে। তাই সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এখনই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়। পরিবর্তে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তবেই খুলবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। আপাতত অনলাইন ক্লাসেই জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া স্নাতকে সেমেস্টার অনুযায়ী পরীক্ষাও অনলাইনে নেওয়ার কথাই বলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা করোনা পরিস্থিতিতে স্নাতকের প্রথম বর্ষের ভরতি প্রক্রিয়াও অনলাইনেই হয়েছে। যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও আসন খালি রয়েছে সেখানে পুনরায় ভর্তির জন্য পোর্টাল চালু করা হতে পারে। তবে কীভাবে সেই প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে বিগত সাড়ে সাত মাসের উপর বন্ধ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। অনলাইনেই চলছে পঠন-পাঠন। স্নাতক ও স্নাতোকত্তোরে পরীক্ষাও হয়েছে অনলাইনে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ

ওরা হল পাইকারি দল, ওদের কোনও নীতিবোধের মানুষ নেই। প্রত্যেক দলের একটা আদর্শ থাকে। তাই যারা আদর্শহীনভাবে দল করেন, তাদের ওনারা আহ্বা্ন করছেন, আদর্শহীন লোকেরা একসাথে জোট হন। তাতে বাংলায় চিড়ে ভিজবে না। শনিবার বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলায় আদর্শগতভাবে মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা , প্রগতি ও গণতান্ত্রিক পথে থাকে। মানুষকে খুন করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাট করতে চায় না বাঙালি। তাই দিলীপ ঘোষ যতই চেষ্টা করুক, বেশিরভাগ মানুষ ও আমাদের দলের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ করছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, ওদের আদর্শগতভাবে কোনও ব্যাপার নেই। ঝালমুড়ির মতো কে এল, ঢুকিয়ে নিয়ে দল করছে। এভাবে কোনও দল হয় না। তৃণমূল দল শেষ হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনি স্বপ্ন দেখছেন। ওনার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। তৃণমূলকে ফেলে দেওয়া যায় না। তৃণমূল কখনও বিজেপির মতো বহিরাগত দল নয়। অন্য জায়গা থেকে আসেনি। বাংলার মাটিতে আন্দোলনের ফল হচ্ছে তৃ্ণমূল। বিজেপির মতো অমিত শাহ ও মোদির দল নয়। এটা মানুষের ্দল। তাই মানুষ তৃণমূলকে রাখবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের কড়া নিন্দা পার্থর

অগ্নিমিত্রা পল পূর্ব মেদিনীপুরের সভায় যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার তিনি টুইটে লেখেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্স র্যাকেট চলে বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ষণকে সমর্থন করেন বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা শুধু রাজ্য সরকারের অবমাননা নয়, বাংলার সংস্কৃতিকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। আমরা এখন দেখছি, বিজেপি নেতারা বাংলার মূল্যবোধকে অসম্মান করছে। আরও পড়ুন ঃ সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায় প্রসঙ্গত , অগ্নিমিত্রা পল বলেছিলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

মঙ্গলকোটে অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নইঃ সিদ্দিকুল্লা

বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অধীনে মঙ্গলকোটে কাজ করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। মঙ্গলবার বর্ধমানে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তিনি বলেন, দল বললে কাজ করতেই হবে। তাহলে আমাকে মঙ্গলকোটে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নই। এটা আমি পরিষ্কার বলে দিলাম। আমি ওর মেজাজ চিনি। জানি। আরও পড়ুন ঃ অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর গত নির্বাচনেও তারা কী করেছে সকলে জানে। সংবাদমাধ্যম জানে। আমি মঙ্গলকোটে গেলে স্বাধীনভাবে কাজ করব। উনি বড় খেলোয়াড়। ওনার কথা আমি কী বলব? আমি ওই পর্যায়ের খেলোয়াড় নই। মারামারি করতে চাই না। কেউ করুক তাও চাই না। এভাবে আমি মঙ্গলকোটে হাত পোড়াতে যেতে পারব না। মঙ্গলকোটের বিধায়ক আরও বলেন, বিজেপির লোকেরা আমাকে খবর দিচ্ছে সাহেব নিরুপায় হয়ে বিজেপিতে গিয়েছি। আমরা আসলে বিজেপি না। তিনি আরও বলেন, মঙ্গলকোটের অজয় নদে ২২ টি বালি ঘাট আছে।এগুলি বৈধ ঘাট।কিন্তু সেখানে একই স্লিপ দিয়ে এক গাড়ির জায়গায় বেশী সংখ্যক বালি বোঝাই গাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে সরকারের রিভিনিউ মার খাচ্ছে। একের পর এক তার অনুগামীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। তাদের গাঁজা কেস দেওয়া হচ্ছে। এদিন তিনি পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জির কাছে ৯ জনের তালিকা দেন। যাঁরা জেলে আছে।তারা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক। অথচ অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিনিধিরা তাদের মামলা দিচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তারা জেল খাটছে। অনেকেই এখনো ঘরছাড়া। তারা ভয়ে ঘর ঢুকতে পারছে না। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন। দলকে জানিয়েছেন। এখন তিনি ঘরছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ঘর ঢোকাতে পারেন।কিন্তু তাতে অশান্তি হতে পারে।সেই জন্য তিনি যাচ্ছেন না। এলাকার ৯০ শতাংশ লোক তাঁর সঙ্গে আছেন। শুধুমাত্র দশ শতাংশ লোক যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা ছাড়া।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

ইলিশ খেয়ে মাঠে কাঁটা ফেলে রেখে যায়, পরেশ পালের নাম না করে বেনজির আক্রমণ সাধনের

আমি সেই নেতাদের ঘৃণা করি যারা এখানে ইলিশ মাছ খায়। আর কাঁটাগুলো ফেলে রাখে। আমি খুব দুঃখিত হই, যখন শুনি পাশের বড় পার্কে ইলিশ মাছ খাওয়ানো হয়েছে। ওখানে বহু মানুষ থাকেন যাঁরা নিরামিশাষি। কিন্তু সেই পার্কেই ইলিশ মাছ খাচ্ছে। খুব লজ্জা হয়। বলি বাড়িতে কি খেতে পান না? মাছ খেয়ে কাঁটা ফেলে রেখে যান? রবিবার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এক কর্মী সমাবেশ থেকে পরেশ পালের নাম না করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের ক্রেতা ও সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। সেখানে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়। তিনি পরেশ পালের নাম না করে আরও বলেন, এলাকার মানুষ ভয় পাচ্ছে। রাতে দশটা ছেলে পাঠিয়ে হামলা করছে। যখন তখন যাকে তাকে মারধর করছে। কারো দোকানের সামনে স্ট্যাচু বসিয়ে দিচ্ছে। এমএলএ পদ ছেড়ে দিয়ে টাকা কামাতে হলে কাউন্সিলর হতে হবে? বড়ো নেতা নেত্রীদের বলে কোনও লাভ হয় না। কারণ তাঁরা মনে করেন যারা গুন্ডামি করে তাদের গুন্ডামি করতে দিতে হবে। তারাও ইলিশ খেতে আসে। পরিস্থিতি সমাধানের রাস্তা হিসেবে বললেন, প্রতিটি দরজায় দরজায় যাব। মানুষকে সাহসী হতে বলব। কেউ ভয় দেখালে আমাকে একটা ফোন করবেন। বুঝে নেব। গালাগালিতে ভয় পাবেন না। কিছু লোকের স্বভাব গালাগালি দেওয়া। তারপর তাদের আর কিছু করার নেই। কেউ কিছু বললে আমাকে জানান। এলাকায় ইল্লিগাল প্রমোটিং, হামলা বাজি রুখতে হবে। আরও পড়ুন ঃ মুকুল রায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি করছিঃ কুণাল তিনি আরও বলেন, কোনও মারওয়ারী লোককে গালে থাপ্পড় মারলে এটা কি বাঙালি কালচার? অনেকে ভাবছেন বিধায়ক সাংসদ হলেও টাকা আনতে হবে। টাকা আনতে গেলে কাউন্সিলর হতে হবে। এমন অনেক লোক ভাবছে ধান্দাবাজি করার জন্য পার্টি তে ঢুকে যাও। কিন্তু ধান্দাবাজি চলবে না। ক্ষমতা থাকলে কেউ করুক, আমি অন্যায় করতে দেব না। আমার মৃত বডির উপর দিয়ে এসব করতে হবে। পোস্তার ব্রিজ ভেঙে পড়া প্রসঙ্গে সাধন পাণ্ডে বলেন, পোস্তার ব্রিজটা হল। ভেজাল মালটাল দিল। ভেঙে পড়ে গেল ব্রিজটা। আমি উল্টোডাঙা থেকে একটা ব্রিজ বানাব। যেটা ১৫ মিনিটে সোজা হাওড়া চলে যাবে। উল্টোডাঙা থেকে কাঁকুড়গাছি হয়ে। চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলেছি এই নিয়ে।

নভেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

শারীরিক অবস্থার অবনতি, ভেন্টিলেশনে তরুণ গগৈ

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের। জানা গিয়েছে, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তিনি আপাতত গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্বাসকষ্টের প্রবল সমস্যা রয়েছে। তরুণ গগৈর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নিশ্চিত করেছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গত আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা থাকায় হাসপাতালে ভরতি হতে হয়। প্রায় দুমাস সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন অসমের তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা জয়ের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন অক্টোবরের শেষদিকে। কিন্তু নভেম্বরের শুরুতেই করোনা পরবর্তী একাধিক উপসর্গ নিয়ে তাঁকে ভরতি করাতে হয় গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকার গরিবদের জন্য কোনও কাজ করেনিঃ রাহুল তবে শনিবার বিকেল থেকে দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে। ধীরে ধীরে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। তাঁকে দিতে হয় ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে। খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর সাংসদ পুত্র গৌরব গগৈ। তাঁর পাশে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব জিষ্ণু বড়ুয়া। এদিকে, অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর খোঁজ নিচ্ছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় বহিরাগতদের তাণ্ডব চলছেঃ ব্রাত্য

গত কয়েকদিন ধরে বঙ্গ রাজনীতির মূল চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বহিরাগত। এবার এই ইস্যু্তে শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের জন্ম বোলপুরে বলা এবং বাংলা দখল করা, একইসঙ্গে সম্ভব? বিজেপি বহিরাগত তত্ত্ব খাঁড়া করতে এবার এমনই প্রশ্ন তুলে দিল তৃণমূল। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রাত্য বসুর দাবি, আপনারা বহিরাগত নিয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবেন ? আমাদের জাতির কি এত বড় দুর্দশা এসে গেল। একসময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করত এই বাংলা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেই আন্দোলনের কাণ্ডারী ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, নেতাজিতে তাড়ানো হয়েছিল, এবং দেশের ক্ষমতাভার কলকাতা থেকে সরানো হয়েছিল। সেইসময় বাংলার ওপর নিয়ন্ত্রণ করেছিল হিন্দিভাষীরা। বর্তমান সময়ই ঠিক একই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি যেদিন ভাঙা হয় সেদিন ভাটপাড়ায় উল্লাস হয়েছিল৷ সত্যেন্দ্রনাথ বোস, জগদীশ বোসকে কেউ অপমান করলে আপনারা ছেড়ে দেবেন? আমাদের রাজ্যে ধর্ম দেখে ভাগ করা হয় না৷ আমাদের উপর যে সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা ঠিক না৷ তিনি আরও বলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরি করেছে। তার নাম তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ফৌজ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য উত্তর ভারত থেকে বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। যদিও পরে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি দাবি করেন, আমি একথা বলে কোনওমতেই নেতাজির সঙ্গে মমতার তুলনা করছি না। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ব্রাত্য আরও বলেন, আমাদের এখানে রচপাল সিং থাকেন, ওনাকে আমরা নিজেদের লোকই ভাবি। কিন্তু বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কোনও বাঙালিকে সম্মান দেওয়া হয় না। প্রশ্ন করেন, যদি এখানে অর্জুন সিং বিধায়ক থেকে সাংসদ হতে পারেন, তাহলে উত্তরপ্রদেশ-গুজরাতে কেন বাঙালি পদবিধারী ব্যক্তিরা নির্বাচিত সদস্য হন না? পাশাপাশি আরও একটি উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ১৯২৫-এ তৈরি আরএসএস কেন এখনও পর্যন্ত কোনও বাঙালি প্রধান পেল না? সীমান্ত এলাকায় যারা প্রচার করছেন তাদের প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয় না? নাগপুরের বাহ্মণ হলেই ভাল, বাঙালি বাহ্মণ হলে খারাপ কেন? প্রশ্ন মন্ত্রীর। এছাড়াও ২০২০ সালের ২০ জুন গুজরাতের ভারুচে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে এনে ব্রাত্য বসু বলেন, ওইদিন ভারুচে বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷ আহত হয়েছিলেন কমপক্ষে ২০০ জন কর্মী৷ কিন্তু আমরা বলছি না যে সেখানে নাশকতা ঘটানো হয়েছে৷ কিন্তু বাংলায় বিস্ফোরণ হলেই নাশকতা দেখতে পান৷ আসলে পুরোটাই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা৷

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন নীতীশ! রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জেডিইউ সুপ্রিমো, বিহারে আসছে বড় বদল

বিহারের রাজনীতিতে বড় চমক। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন নীতীশ কুমার। যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়া তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই এবার রাজ্যসভা নির্বাচনে লড়তে চান।সম্প্রতি নির্বাচিত হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই এই সিদ্ধান্তে বিহারের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই নীতীশের এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।নিজের বার্তায় তিনি লেখেন, প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিহারের মানুষ তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থাকে ভিত্তি করেই তিনি কাজ করেছেন। তবে রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই বিধানসভা ও সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এবার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি।জেডিইউ সূত্রে খবর, তিনি বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেবেন। আগামী ষোলো মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বিহারে শাসক জোটের শক্তি বিবেচনায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।নীতীশের ঘোষণার পর পাটনায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁর সমর্থকদের একাংশ। ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। তবু নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি তিনি।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তাঁর পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? জেডিইউ-র অন্য কোনও নেতা, নাকি বিজেপির কেউ? বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বিজেপির দীর্ঘদিনের নজর রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও নেতা পাটনায় মুখ্যমন্ত্রী হননি। এবার সেই সুযোগ আসতে পারে বলেই জল্পনা।একই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে, নীতীশের ছেলে নিশান্ত কুমার উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। ছেলের রাজনৈতিক উত্থানের পথ তৈরি করতেই কি এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নও ঘুরছে।সব মিলিয়ে বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। এখন নজর নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণার দিকে।

মার্চ ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর এক ধাপ ফাইনাল! ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে হারালেই বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণ ভারতের

আর মাত্র এক ধাপ। বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই আরও একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেবে ভারত। কিন্তু কাজটা সহজ নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বরাবরই কঠিন প্রতিপক্ষ।দুই দলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত। মোট ঊনত্রিশ ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে সতেরোটি, ইংল্যান্ড বারোটি। তবে বিশ্বকাপে লড়াই অনেকটাই সমানে সমানে। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারত এগিয়ে তিন-দুই ব্যবধানে। এর মধ্যে দুবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। দুদলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। আর দুবারই ফল হয়েছে একপেশে।দুই হাজার বাইশ সালের সেমিফাইনাল এখনও ভোলেননি সমর্থকেরা। সেবার ভারতকে দশ উইকেটে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল একশো আটষট্টি রান। কিন্তু কোনও উইকেট না হারিয়েই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। জস বাটলার করেছিলেন আশি রান, অ্যালেক্স হেলস ছিয়াশি। সেই হার ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুঝেছিলেন, ব্যাটিং মানসিকতায় বদল আনতেই হবে। এরপর থেকে ভারত আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। তার ফলও মিলেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের সেমিফাইনালে আবার ইংল্যান্ডকে একপেশেভাবে হারায় ভারত। সেবার ইংল্যান্ড হেরেছিল আটষট্টি রানে।তবে বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত নিঃসন্দেহে যুবরাজ সিং-এর ছয় ছক্কা। দুই হাজার সাত সালে তাঁর সেই বিধ্বংসী ইনিংস দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ভারত।এবার আবার সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে টপকাতে পারলে আরও একবার শিরোপার হাতছানি। সমর্থকদের প্রশ্ন, এবার কোন ক্রিকেটার হবেন নায়ক? বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচেই মিলবে তার উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ বন্ধের হুমকি, জ্বালানি সংকটে ভারত? ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ভারত। বাজারে ইতিমধ্যেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শেয়ার বাজারে ধস, টাকার দামে পতন সব মিলিয়ে অর্থনীতির উপর চাপ বাড়ছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের তেলের মজুতেও টান পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ।এই পরিস্থিতিতে পুরনো বন্ধু রাশিয়া সাহায্যের বার্তা দিয়েছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল নিয়ে একটি নৌবহর ভারতের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। নয়াদিল্লি চাইলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই তেল ভারতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব বলে ইঙ্গিত রাশিয়ার আধিকারিকদের।ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জবাবে ক্ষুব্ধ ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, ওই পথে জাহাজ চলাচল হলে হামলা করা হবে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই জলপথ বন্ধ হলে ভারতের উপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। কারণ ভারতের আমদানিকৃত তেলের বড় অংশই এই পথ দিয়ে আসে।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সরকার প্রস্তুত। তবু বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে সমস্যা বাড়বে। ভারত নিজের প্রয়োজনের প্রায় পঁচাশি শতাংশ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও কুয়েত থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ভারতে আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই সঙ্কটে রাশিয়া আগেই জানিয়েছে, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা হলে তারা পাশে থাকবে। মস্কো থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে তেলবাহী জাহাজগুলি দ্রুত ভারতে পাঠানো হবে।তবে প্রশ্ন উঠছে, ভারত কি সেই রুশ তেল কিনবে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই সতর্ক করেছেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে ভারতের উপর শুল্ক চাপানো হতে পারে। বর্তমানে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সেই চুক্তিতেও রুশ তেল কেনা নিয়ে শর্ত থাকতে পারে।এই অবস্থায় নয়াদিল্লির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রুশ তেল কিনলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়তে পারে। আবার না কিনলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, রাশিয়া সাহায্যে প্রস্তুত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারেন ট্রাম্প।সব মিলিয়ে যুদ্ধের আবহে জ্বালানি, কূটনীতি ও অর্থনীতি তিন দিক থেকেই চাপে ভারত। এখন নজর নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের দিকে।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রার রথে হামলার অভিযোগ! খাগড়াবাড়িতে তীব্র উত্তেজনা, মুখোমুখি বিজেপি-তৃণমূল

পরিবর্তন যাত্রার রথ ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি। রথে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, বুধবার গভীর রাতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তাঁর অনুগামীরা আচমকা এসে রথের সামনে ভাঙচুর চালায়। তৃণমূলের যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নামও সামনে আনছে বিজেপি। তাঁর নেতৃত্বেই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।বৃহস্পতিবার সকালে সেই একই রাস্তা দিয়ে রথ যাওয়ার কথা, যেখানে কিছুদিন আগে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-র উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা।খাগড়াবাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলের কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তার দুধারে ভিড় জমিয়েছেন। কয়েক জনের হাতে বাঁশ ও লাঠিও দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে অশান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা। এলাকায় বড় পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অভিযোগ করেন, খাগড়াবাড়িতে তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, কোচবিহারে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বেড়েছে এবং তাদের ভরসাতেই তৃণমূল বারবার হামলা করছে। পরিবর্তন যাত্রা শেষ পর্যন্ত সফল হবেই বলে দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ঘটনার পূর্ণ রিপোর্ট না পেয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যের ছয়টি জায়গা থেকে পরিবর্তন যাত্রার রথ বেরোনোর কথা। তার মধ্যে কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। তাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সতর্ক প্রশাসন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পুলিশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ওলির পতনের পর প্রথম ভোট! কড়া নিরাপত্তায় নেপাল, ৭২ ঘণ্টা বন্ধ পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত

গণবিক্ষোভের জেরে গত নয় সেপ্টেম্বর ক্ষমতা হারিয়েছিল কেপি শর্মা ওলি-র নেতৃত্বাধীন সরকার। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন ধীরে ধীরে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। তার পরেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। সেই প্রেক্ষাপটে আজ নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলছে ভোট।নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত বাহাত্তর ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা হিসেবে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেপাল থেকে বহু রোগী প্রতিদিন শিলিগুড়িতে চিকিৎসার জন্য আসেন। আগামী ছয় মার্চ সকাল থেকে সীমান্ত আবার খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।সীমান্ত বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পানিট্যাঙ্কি এলাকার বাণিজ্য অনেকটাই নেপালের ক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, নেপালে স্থায়ী সরকার গঠনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সীমান্তের ব্যবসায়ীরা। কারণ নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়ে সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়।সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত থেকে শুধুমাত্র নেপালের নাগরিকরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে দেশে ফিরতে পারছেন। একইভাবে নেপালে আটকে থাকা ভারতীয় পর্যটক বা শ্রমিকদের ভারতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু রয়েছে।নেপালের নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলিগুড়ি মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রেখে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই ভোটের দিকে নজর রয়েছে দুই দেশেই। ভোটের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর তার প্রভাব পড়তে পারে সীমান্তবর্তী ভারতের অর্থনীতিতেও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

শ্রীলঙ্কার কাছে ডুবল ইরানের যুদ্ধজাহাজ! মার্কিন সাবমেরিনের হামলার অভিযোগে তীব্র হুঁশিয়ারি তেহরানের

শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগাছি আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি সাবমেরিন হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্য আমেরিকাকে কঠিন মূল্য দিতে হবে।ইরানের নৌবাহিনীর ফ্রিগেট IRIS Dena চার মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার গলের দক্ষিণে প্রায় চল্লিশ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায়। জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল বলে দাবি তেহরানের। প্রায় একশো তিরিশ জন নাবিক জাহাজে ছিলেন। জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর অতিথি হিসাবেও এসেছিল বলে জানানো হয়েছে।শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী সূত্রে খবর, ভোর পাঁচটা আট থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে বিপদ সংকেত আসে। জলের নীচে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জাহাজের তলায় বড় ফাটল তৈরি হয় এবং দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই জাহাজটি রাডার থেকে হারিয়ে যায় এবং ডুবে যায়। ঘটনাকে সাবমেরিন থেকে টর্পেডো হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth জানিয়েছেন, একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকেই টর্পেডো ছোড়া হয়েছিল। তবে কেন এই হামলা, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।উদ্ধারকারীরা গল হাসপাতালে সাতাশি জনের দেহ নিয়ে আসেন। বত্রিশ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ষাট জন এখনও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জাহাজে মোট প্রায় একশো আশি জন ছিলেন বলে অনুমান। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বুদ্ধিকা সম্পথ জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় হলেও বিপদ সংকেত পেয়ে দ্রুত সাহায্য করা হয়।ডুবে যাওয়া যুদ্ধজাহাজটি সম্প্রতি ভারতের আয়োজিত মিলান দুই হাজার ছাব্বিশ নৌ-মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে আয়োজিত এই মহড়া আঠারো থেকে পঁচিশ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল। ভারতীয় নৌবাহিনী বিশাখাপত্তনমে জাহাজটিকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং ভারত-ইরানের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছিল।এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তীব্র হয়েছে। তবে জাহাজটি ডুবেছে উপসাগর থেকে বহু দূরে, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, এই ঘটনা সংঘাতকে নতুন দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং ভারতের সামুদ্রিক অঞ্চলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই নৌ-হামলা ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে একাধিক দেশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা! মতুয়াদের সামনে প্রশ্নের পাহাড়, বিজেপিকে কড়া বার্তা মমতার

বঙ্গে এখন নাগরিকত্ব ও নতুন তালিকা ঘিরে জোর চর্চা। তার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় মতুয়া সম্প্রদায়। এই পরিস্থিতিতে মতুয়াদের ইস্যুতে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড়মা বীণাপানি দেবী-র তিরোধান দিবসে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি অভিযোগ করেন, নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে মতুয়াদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে মানুষকে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। এই অন্যায় মানা হবে না, লড়াই চলবে। তাঁর দাবি, বিজেপির চক্রান্তেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।মতুয়াদের নাগরিকত্ব প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বহু অনুসারী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও অনেকের কাছে পুরনো নাগরিকত্বের নথি নেই। তাই এই বিষয়টি বারবার নির্বাচনের আগে সামনে আসে।সাম্প্রতিক প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়ার নাম বিচারাধীন হিসাবে রয়েছে। বসিরহাট, নদিয়া, রানাঘাট, বনগাঁ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই চিত্র সামনে এসেছে। অথচ বনগাঁ, রানাঘাট, বারাসত, গাইঘাটার মতো কেন্দ্রে মতুয়া ভোট বড় প্রভাব ফেলে। ফলে ভোটের আগে এই অনিশ্চয়তা রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।দুই হাজার উনিশ সালে কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ করে। এই আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপির দাবি, এই আইনের ফলে মতুয়া শরণার্থীরা সহজেই নাগরিকত্ব পাবেন।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মতুয়ারা আগেই ভারতের নাগরিক। নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই আইনের মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার পাল্টা দাবি করেছেন, তৃণমূলের প্রচারের জন্যই অনেক মতুয়া ফর্ম পূরণ করেননি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ভয় দেখিয়েছিল যে ফর্ম পূরণ করলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। এখন অনেকেই বুঝতে পারছেন ভুল হয়েছে এবং শেষ মুহূর্তে আবেদন করতে চাইছেন।তবে উদ্বাস্তু মতুয়া পরিবারগুলির মধ্যে এখনও একাধিক প্রশ্ন ঘুরছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র কবে হাতে পাবেন? তার আগে কি নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাবে? এবারের ভোটে তাঁরা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই সব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। ফলে মতুয়া গড়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না।

মার্চ ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal