মেষ/ARIES: ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আশাতীত লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: প্রফুল্লতা পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: মানহানির শিকার হতে পারেন।সিংহ/LEO: ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আকস্মিক বাধা পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: সাফল্যের ইঙ্গিত পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যুৎপত্তিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।মকর/CAPRICORN: পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পরিচারিকা দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।মীন/ PISCES: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।
করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর বন্ধ ছিল স্কুল। অতিমারির প্রভাব শিথিল হবার পর স্কুল খুললে দেখা যায় অনেক পড়ুয়া আর স্কুলমুখী হচ্ছে না। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সেই একই চিত্র উঠে এল পূর্ব বর্ধমান জেলায়। অ্যাডমিট কার্ড পেয়েও এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে পা-ই রাখলো না জেলার ১০৩১ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে রয়েছে মেমারির রসিকলাল স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের ১৪ পরীক্ষার্থী ,বর্ধমানের তেজগঞ্জ হাইস্কুলে ৮ জন পরীক্ষার্থী ও কাটোয়ার একটি স্কুলের ১১ জন পরীক্ষার্থী।মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের এই ভাবে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি হতবাক করেছে জেলার শিক্ষক মহলকেও। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় কেন এত সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলো তার তথ্য অনুসন্ধান ভীষণ জরুরী বলেই মনে করছেন শিক্ষকরা।জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের দেওয়া তথা অনুযায়ী এই বছর খাতায় কলমে জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ৪৪৯ জন। তার মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ২৪ হাজার ১৩৮ জন ও ছাত্রী সংখ্যা ৩১ হাজার ৩১৫ জন। এই পরিসংখ্যায়ন থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে যে এবছর ছাত্রের তুলনায় ৭ হাজার বেশী ছাত্রীর নাভ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী হিসাবে নথিভুক্ত হয়েছে।সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা।কিন্তু পরীকার প্রথ দিন থেকে ছাত্র ও ছাত্রী মিলিয়ে ১০৩১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পা-ই রাখলো না। পরীক্ষায় না বসার ক্ষেত্রে অবশ্য ছাত্রীর তুলনায় ছাত্ররা এগিয়ে রয়েছে।শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছেন, করোনা অতিমারির কারণে অনেক পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাজ চলে গিয়েছে। অভিভাবকরা রেজগারহীন হয়ে পড়েছেন। সংসার টানতে ওইসব পরিবারের পড়ুয়াদেরও কাজে যেতে হয়েছে। আবার অনেক পড়ুয়া স্কুল বন্ধ থাকায় সংসারের আর্থিক দুরাবস্থা কাটাতে নানা জায়গায় কাজে চলে যায়। অনেক নাবালিকা ছাত্রীর আবার বিয়েও হয়ে গিয়েছে।এছাড়াও অনেকে ভেবে ছিল এই বছরও হয়তো পরীক্ষার পরিবর্তে আভ্যন্তরীণ মূল্যায়ণে পাশ করার সুযোগ মিলবে। কিন্তু তা না হওয়ায় পরীক্ষারফর্ম পূরণের পরে অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্র মুখো হয়নি।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহকারী সভাধীপতি দেবু টুডু বলেন,রাজ্য সরকার পড়ুয়াদের নানাবিধ সহায়তা পবার ব্যবস্থা করেছে।তার পরেও একাংশ পরীক্ষার্থীর এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় না বসার কি কারণ থাকতে পারে তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
অবসর প্রসঙ্গে ঝুলন গোস্বামীর মুখে বারবার একটা কথাই শোনা গেছে, যতদিন উপভোগ করব, খেলব। অবসর নিয়ে ভাবছি না। বয়সটা তাঁর কাছে কোনও বাধা আবার প্রমাণ করে দিলেন। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যন্ডের কেটি মার্টিনের উইকেট তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুলস্টনের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ঝুলন। দুজনেরই বিশ্বকাপে ৩৯টি করে উইকেট। রেকর্ড স্পর্শ করলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ ঝুলন। নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬২ রানে হারতে হল ভারতকে। মূলত ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্যই হারতে হল ভারতকে।টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল কম রানের মধ্যে বিপক্ষকে গুটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬০ রান তোলে কিউয়িরা। যদিও শুরুটা ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। তৃতীয় ওভারেই রান আউট হয়ে ফিরে যান সুজিয়ে বেটস (৫)। অধিনায়ক সোফিয়ে ডিভাইন (৩৫) যখন আউট হন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ৫৪। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান আমিলিয়া কের এবং অ্যামি স্যাটার্থওয়েট। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৭। কেরকে (৫০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়। সর্বাধিক ৭৫ রান করেন স্যাটার্থওয়েট। ৪১ রানের কার্যকারী ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক কেটি মার্টিন। ভারতের হয়ে সর্বাধিক চার উইকেট নেন পূজা বস্ত্রকার। ২টি উইকেট পান রাজেশ্বরী গায়েকোয়াড়। ১টি উইকেট নেন দীপ্তি শর্মা। স্লগ ওভারে বোলিং করতে কেটি মার্টিনকে তুলে নিয়ে লিন ফুলস্টনের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্পর্শ করেন ঝুলন গোস্বামী। আর একটি উইকেট পেলেই মহিলা বিশ্বকাপের ইতিহাসে একক ভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির অধিকারি হবেন কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার।ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভারত। স্মৃতি মান্ধানা (৬), দীপ্তি শর্মারা (৫) রান পাননি। ইয়াস্তিকা ভাটিয়া করেন ২৮। অধিনায়ক মিতালি রাজ এবং হরমনপ্রীত কাউরের সৌজন্যে কিছুটা রুখে দাঁড়ায় ভারত। মিতালি (৩১) আউট হওয়ার সঙ্গেই আবার ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। একা লড়াই করেন হরমনপ্রীত কাউর। ৬৩ বলে ৭১ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ মাত্র একবল খেলেই আউট হন। স্নেহ রানা (১৮), পূজা বস্ত্রকাররা (৬) রান পাননি। ঝুলন করেন ১৫। ৪৬.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস।
বাংলার মেডিকেল কলেজগুলিতে নিটের মাধ্যমে ছাত্র ভর্তিতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবছরও বাংলার ডাক্তারি কলেজে অবৈধভাবে বহিরাগত ঢোকানো ও জাল কাস্ট সার্টিফিকেটের কারনে বাংলার ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন কিভাবে ধ্বংস হচ্ছে। বহিরাগত স্বার্থে ডোমিসাইল-বি চলছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অমান্য করে। বাংলার কাস্ট সার্টিফিকেট ও ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জলের দরে বিকোচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে বাংলা ও বাঙালি, বিস্ফোরক দাবি বাংলা পক্ষের।সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে নিট এর মাধ্যমে মেডিক্যালে ছাত্র ভর্তি হয়। যে রাজ্যে মেডিক্যাল-এ যত আসন আছে তার ৮৫% সেই রাজ্যের অধিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। এবং ১৫% সর্বভারতীয় ছাত্র ছাত্রী দের জন্য সংরক্ষিত। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতির দাবি, বাংলার যে ৪৫০০ মেডিক্যালে আসন আছে তার ৮৫% আসনে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, রাজস্থান সহ অনান্য রাজ্য থেকে আসা ছেলে মেয়েরা বাংলা থেকে ভুয়ো ডোমিসিয়াল-বি ও তপসিল সংসাপত্র বানিয়ে বাংলার ছেলে মেয়েদের আসনে ভাগ বসাচ্ছে। তাঁর আরও দাবি এই চক্রে স্বাস্থ দপ্তরের আধিকারিক সহ অনেক কেষ্ট-বিষ্টু জড়িত।তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিভিন্ন সভা সমাবেশে মেডিক্যালে ডোমিসিয়াল-বি বিল তুলে দেওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু স্বাস্থ্য দপ্তর তাঁর নির্দেশ কোনওভাবেই কর্নপাত করেনি। কৌশিক বাবু বর্তমান স্বাস্থ্য সচিবের দিকে মুলত তাঁর অভিযগের তীর নিক্ষেপ করেছেন। তিনি দীপ্ত কন্ঠে বলেছেন এবারে যে দুর্নীতি হয়েছে তা সবকিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ এর শেষ দেখে ছাড়বে, প্রয়োজনে আইনগত সবরকম ব্যবস্থা তাঁরা নেবেন।কৌশিক মাইতি বলেন, প্রথম লিস্টে নাম না থাকা প্রায় ৭০ জন ভিন রাজ্যের প্রার্থীর নাম ইতিমধ্যে দ্বিতীয় লিস্টে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। তিনি জানান এরা সবাই রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরাখন্ড, মধ্যপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যের অধিবাসী। ভুয়ো ডোমিসিয়াল-বি সার্টিফিকেট বের করে বেআইনি পথে এখানে ঢুকছে। তাঁর দাবী, একজন অন্য রাজ্যের তালিকায় জেনেরাল কাস্ট-এ আছেন এবং বাংলার মেডিক্যাল-এ সিডিউল কাস্ট (SC) তালিকায় ঢুকলো কিভাবে। কিভাবে বাংলায় কাস্ট সার্টিফিকেট জালিয়াতি হচ্ছে? কৌশিক মাইতি জানান, এর পুরো তথ্য তাঁদের কাছে আছে। প্রয়োজনে আদালতে পেশ করবেন।বাংলা পক্ষ আপামর বাঙালি জনসাধরণের কাছে আবেদন রেখেছেন, তাঁরা যেনও চোখ খোলা রাখেন, তাহলেই দেখতে পাবেন কি ভাবে বাংলায় কাজ করা কিছু অপদার্থ ভিন রাজ্যের আমলার মদতে বাঙালির ছেলেদের ভবিষ্যৎ ভুলুন্ঠিত হচ্ছে। তাঁরা সমগ্র বাঙালি দের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন। কৌশিক মাইতি বলেন, স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছিল, ফর্ম ফিলাপের সময় যারা পশ্চিমবঙ্গ চয়েস দেবে তারাই রাজ্য কোটায় আবেদন করতে পারবে। তাহকে উত্তরপ্রদেশ সহ ভিন্ন রাজ্যের তালিকায় থাকা কেউ বাংলার তালিকায় ঢুকলো কিভাবে?বাংলা পক্ষের তরফ থেকে বেশ কিছু প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে দাবি করেছেন একই ছেলে/মেয়ের নাম পশ্চিমবঙ্গের ও উত্তরপ্রদেশের বা অন্য রাজ্যের মেডিকেলের লিস্টে স্থানীয় হিসাবে আছে। তাঁদের অভিযোগ, কি করে একই ব্যক্তি একই সাথে দুই রাজ্যের ডমিসিয়াল হতে পারে? তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাখন ডোমিসিয়াল-বি বিল বাতিলের পক্ষে মত দেন তখন কি করে স্বাস্থ সচিব সহ কিছু আমলা এই বিলটিকে এখনও বাতিল না করার সাহস দেখান? কে এর পিছনে? কি তাঁদের উদ্দেশ্য? বাংলা পক্ষ্যের ইঙ্গিত খুব স্পষ্ট। কৌশিক মাইতি একটি লিস্ট দেখিয়ে বলেন, এই ছেলে মেয়ে গুলো সব আমাদের রাজ্যেও কাউন্সেলিং করিয়েছে ডোমিসিয়াল-বি দিয়ে আবার নিজের রাজ্যেও আবেদন করেছেন। যদি এরা ভর্তি হয় সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলোতে, তাতে তো আমাদের রাজ্যের ছেলে মেয়েদের আসন সংখ্যা কমে যাবে। যদি এদের দ্বিতীয় লিস্ট-র পর এদেরকে বাদ দেওয়াও হয় ভেরিফিকেশন এর সময়, আর যদি সিট গুলো ফিরে আসে মপ-আপ-রাউন্ড (Mop Up Round) এর জন্য তবুও ক্ষতি, কারণ তখন আমাদের যারা অন্য কোনো ডেন্টাল কিংবা প্রাইভেট কলেজে এ অ্যাডমিশন নেবে সিট না থাকায় তারা আর মপ-আপ-রাউন্ড (Mop Up Round) এ বসতে পারবে না নিয়মানুযায়ী। আর যদি এরা শুধুমাত্রই প্রাইভেট কলেজের স্টেট কোটা গুলো নেয় তবুও ক্ষতি। কারণ স্টেট কোটা রাজ্যের ছেলে মেয়েদের জন্য। ডোমিসিয়াল লাগে। এরা যদি প্রাইভেট এর স্টেট কোটা গুলো দখল করে তাহলে আমাদের এখানে স্টুডেন্ট গুলো চান্স পাবে না। আর যদি ডোমিসিয়াল-বি লাগিয়ে এখানে সরকারি মেডিকেল কলেজ এ ঢোকে তখন ও পাবে না।
মেষ/ARIES: অনুশোচনা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।মিথুন/GEMINI: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।কর্কট/CANCER: ক্লেশভোগ করতে হতে পারে।সিংহ/LEO: প্রলভনে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: হঠাৎ প্রাপ্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: অবিবেচক কাজ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিনিয়োগে লাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: কর্মী সমস্যা হতে পারে।
মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড তাঁরই দখলে। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ উইকেটের মালিকও তিনিই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটও তাঁর দখলে। আরও একটা মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে ঝুলন গোস্বামী। আর মাত্র ২টি উইকেট পেলেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর রেকর্ড চলে যাবে তাঁর দখলে। ২০০৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পান ঝুলন গোস্বামী। এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ২৯টি ম্যাচ। ঝুলিতে ভরেছেন ৩৮ উইকেট। বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটশিকারের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুল্টস্টনের দখলে। তাংর সংগ্রহে রয়েছে ৩৯ উইকেট। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন ঝুলন। এই ম্যাচে ২ উইকেট তুলে নিলেই ফুল্টস্টনকে টপকে যাবেন তিনি। ১৯৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই ২৪৭ উইকেট সংগ্রহ করেছেন ঝুলন। আড়াইশো উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছতে আর মাত্র ৩ উইকেট প্রয়োজন ঝুলনের। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছবেন। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি যে ভাল ছন্দে রয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারতের এই অভিজ্ঞ জোরে বোলার। ২৬ রানে তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্রেক থ্রু দেওয়ার জন্য দল তাঁর দিকেই তাকিয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ঝুলন অবশ্য ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে দলের সাফল্য। এই নিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপ শুরুর আগে ১৪ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হয়েছিল ভারতকে। বিশ্বকাপে জিততে মরিয়া ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে ঝুলন বলেন, এই রেকর্ডের কথা আমার মাথাতেই ছিল না। আমার কাজ হল দলকে শুরুতেই ব্রেক থ্রু এনে দিয়ে ভালভাবে শুরু করা। দলের সাফল্যে অবদান রাখাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ঝুলন আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খেললে বেশ কয়েকটা ব্যক্তিগত মাইলস্টোনে পৌঁছনো সম্ভব। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে। এই রেকর্ডগুলো আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটাই আমার কাছে আসল। আমি দলের একজন সৈনিক। সুতরাং ব্যক্তিগত মাইলস্টোন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
মেষ/ARIES: অম্লরোগে কষ্ট পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: মুর্চ্ছা যেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: পরার্থে ক্ষতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: মাথার ব্যথা হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আনন্দ সংবাদ পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শ্লীলতাহানির শিকার হতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।মকর/CAPRICORN: চৌর্যভয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: দাম্পত্যসুখ ভোগ করতে পারেন।মীন/ PISCES: বাসনাপূরণ হতে পারে।
রাজ্যের মন্ত্রীদের একাংশের দায়িত্ব বদলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দিলেন অর্থ দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্ব। যা এত দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছিলেন। অন্যদিকে, রাজ্যের পরিবহণ ও আবাসন মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফিরিয়ে আনলেন পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বেও।মমতার প্রথম মন্ত্রিসভায় ফিরহাদ পুর নগরোন্নয়ন দপ্তরেরই মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১০ বছর সেই দায়িত্ব সামলেছেন ফিরহাদ। নতুন প্রস্তাবে ফিরহাদকে তাঁর পুরনো দায়িত্বে বহাল রেখে পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরে আনা হয়েছে তাঁকে। যা এর আগে সামলাচ্ছিলেন চন্দ্রিমা। চন্দ্রিমা এর আগে অর্থ দপ্তরেরও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। অমিত মিত্র বিধানসভা ভোটে না দাঁড়ানোয় অর্থ দপ্তরের ভার নিজের হাতে রাখলেও চন্দ্রিমাকে প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন মমতা। তবে এ বার চন্দ্রিমাকে ওই দপ্তরেরই স্বাধীন দায়িত্ব দেওয়া হল। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলে যাঁরা ভাল কাজ করেছেন তাঁদেরই বিশেষ দায়িত্ব পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
আইএসএলের শেষের দিকে দুরন্ত ছন্দে এগিয়েছে জামশেদপুর এফসি। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা জানতেন জুয়ান ফেরান্দো। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। দলকে লিগ শীর্ষে তোলার, লিগশিল্ড জেতার। একইসঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে কোনও স্বপ্নই পূরণ হয়নি জুয়ান ফেরান্দোর। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে সবুজমেরুণ কোচের চোখ এখন আইএসএলের সেমিফাইনালের দিকে।২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই জামশেদপুর এফসি ম্যাচ অতীত হয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। সেমিফাইনালের কথা বলে ফুটবলারদের মোটিভেট করতে শুরু করেছেন সবুজমেরুণ কোচ। লিগ শিল্ড হাতছাড়া হলেও এখনও আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, ফুটবলারদের এই কথা বলে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছেন জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জেতা কঠিন হবে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ফেরান্দো বলেন, জামশেদপুর এফসির মতো দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা সহজ হবে না, জানতাম। ওরা গোল করার পর কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা সবকিছুই করেছিলাম, কিন্তু সফল হতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। এবার সেমিফাইনাল নিয়ে ভাবতে হবে।চোটের জন্য জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি দলের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হুগো বোমাস। তাঁর না থাকাটা যে দলকে সমস্যায় ফেলেছে, মানতে নারাজ এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, কোনও একজন ফুটবলার ছিল না বলে অজুহাত দিতে চাই না। ফুটবলাররা সবরকম চেষ্টা করেছে। ওদের বক্সের সামনে প্রচুর পাস খেলেছি। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওদের রক্ষণভাগের দৃড়তার জন্য আমরা গোল পাইনি। সেমিফাইনালে সামনে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। দারুণ লড়াই হবে, জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে যতগুলো দল উঠেছে, সবাই যোগ্য দল হিসেবে উঠে এসেছে। চাপ তো থাকবেই। তবে হায়দরাবাদের মতো ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলাটাও ভাল অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় নক আউট পর্বে প্রতিটা ম্যাচই ভাল হবে। প্রত্যেক দলই জেতার চেষ্টা করবে। তবে মনে হয়, ২০টা ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরে এ বার শেষ তিনটি ম্যাচ সবাই উপভোগ করার চেষ্টা করবে।
মেষ/ARIES: প্রতারিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সমাজসেবায় সুনাম কিনতে পারেন।কর্কট/CANCER: শেয়ার বাজারে শুভ।সিংহ/LEO: অংশীদারী ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: উদ্বেগবৃদ্ধি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পারিবারিকভাবে শুভ।বৃশ্চিক/Scorpio: কর্মক্ষেত্রে অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পথে বিপদ হতে পারে।মীন/ PISCES: ঋণমুক্তি হতে পারে।
বিনাপণে বিয়ের প্রস্তাব পেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের রাতে নাবালিকা মেয়েকে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দিয়েছিল বাবা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ঘটনার খবর পেয়েই পূর্ব পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ দ্রুত বেরোয়া গ্রামে পৌছে নাবালিকা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বিয়ে রেখে দেয়। তার কারণে নিরুপায় হয়ে বউ ছাড়াই টোপর হাতে নিয়ে ওই রাতেই নিজের বাড়ি ফিরে যেতে হয় বর বাবাজীবনকে। আর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্বশুরবাড়ি যেতে না হওয়ায় সোমবার মহানন্দেই মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিল ভাতারের মাহাতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।ছাত্রীটি এদিন জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার জন্য সে রবিবার রাতে পড়াশুনা করছিল। পরীক্ষা না দিয়ে ছাদনাতলায় বিয়ের পিঁড়িতে বসার কোনও চিন্তাভাবনা তার মাথাতেই ছিল না। একপ্রকার জোর করেই ওই দিন তাঁকে বিয়ের পিঁড়িতে বসার জন্য বাধ্য করা হচ্ছিল। তবে অবশ্য ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডলের জন্য তা আর কেউ করতে পারেনি। তাই এদিন ভালোভাবেই মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা দিতে পেরেছি বলে ছাত্রী জানিয়েছে। নাবালিকা ওই ছাত্রী আরও জানিয়েছে,পড়াশুনা ছেড়েদিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসার স্বপ্ন সে দেখেনা। লেখাপড়া শিখে নিজেকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করারই তাঁর এখন একমাত্র লক্ষ্য। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতারের বেরোয়া গ্রামেরওই ছাত্রীরা দুই বোন। সে ছোট। তাঁর দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের বাবা জনমজুরির কাজ করেন ৷ মা গৃহবধু। মাহাতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ছাত্রীটি । তাঁর সিট পড়েছে এরুয়ার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। যে যুবক রবিবার তাঁকে বিয়ে করতে টোপর মাথায় দিয়ে হাজির হয়েছিল তার বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার তালিত গ্রামে। ছাত্রীর মা এদিন বলেন, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। বড় মেয়ের বিয়েতে অনেক ধারদেনা হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম।তালিতের পাত্রটিও খারাপ ছিলনা । তার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর যখন আমাদের ছোট মেয়েকে বিনাপণে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আমরা রাজি হয়ে যাই । তবুও আমরা অনুরোধ করেছিলাম মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য। কিন্তু পাত্রপক্ষ শর্ত রেখেছিল রবিবার রাতেই বিয়ে দিতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের দিন রাতে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম ।তবে মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়ার পুলিশ রাতে আমার বাড়িতে পৌছে বিয়ে বন্ধ করিয়ে দেয় । ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দিতে পারবোনা বলে পুলিশের কাছে মুচলেখাও লিখে দিয়েছেন বলে ছাত্রীর অভিভাবকরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার কথা জেনে ওই ছাত্রী সহপাঠীরা ভাতার থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
বদলে গেল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি। চারটি পরীক্ষার দিন বদল হল। সোমবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানানো হয়েছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের চারটি পরীক্ষার দিন বদল করা হচ্ছে। বাকি পরীক্ষার দিনগুলি অপরিবর্তিত থাকছে। একতরফা ভাবে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি সংসদের।মূলত জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার কারণেই এই দিনগুলি বদল করতে হয়েছে। একই দিনে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা পড়ে যাওয়ায় পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারত। তাই এই সিদ্ধান্ত। সংসদের তরফে জানান হয়েছে, এই ঘটনা নজিরবিহীন। কোনও একটি রাজ্যের বোর্ডের অসুবিধা হলে, জয়েন্ট এন্ট্রান্স কর্তৃপক্ষ দিন বদল করবে না। তাই সংসদকেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।কোন পরীক্ষা কবে১৩, ১৬, ১৮ ও ২০ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলির দিন পরিবর্তন করা হয়েছে।১. ১৩ তারিখে দর্শন ও সমাজবিজ্ঞানের যে পরীক্ষা ছিল, সেটাই বদলে হচ্ছে ১৮ এপ্রিল।২. ১৬ তারিখে যে সব পরীক্ষার হওয়ার কথা ছিল, সেগুলি হল রসায়ন, সাংবাদিকতা, সংস্কৃত, আরবি, ফরাসি। এই পরীক্ষাগুলি হবে, ১৩ এপ্রিল।৩. ১৮ এপ্রিল ছিল স্ট্যাটিসটিক্স, ভূগোল, হোম ম্যানেজমেন্টের পরীক্ষা। বদলে সেই পরীক্ষা হবে ২৫ এপ্রিল।৪. ২০ এপ্রিল ছিল অর্থনীতির পরীক্ষা, যা পিছিয়ে ২৭ এপ্রিল করা হয়েছে।গত বছর করোনা পরিস্থিতির জেরে হয়নি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। পূর্ব পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ফের অফলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আর তার আগেই বদল হল সূচি। তবে পরীক্ষা শুরুর দিন অপরিবর্তিত রয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। করোনা অতিমারির কাল সময়কে পেরিয়ে এবার পরীক্ষা হবে ফের অফলাইনে। মাধ্যমিকের পরীক্ষা পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকমের ব্যবস্থা করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ রাজ্য সরকার। পরীক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি কোভিড বিধি নিষেধ মেনে যাতে পরীক্ষা হয় সেদিকেও কঠোর দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের পড়ুয়ারা যাতে নির্বিঘ্নে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে পারে তার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আপামর রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক সংক্রান্ত কন্ট্রোলরুম চালু হয়েছে। ০৩৩ ২৩২১৩৮২৭-সহ বেশ কয়েকটি নম্বর পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত হেল্পলাইন চালু থাকবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গণপরিবহণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি থাকবে। ইন্টারনেটেও নজরদারি চালানো হবে।পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এবছর মাধ্যমিকে বসছে ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্য়া এবছর বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। আর ছাত্রদের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯।পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলনে বলেন, এবছর ৫০ হাজারের মতো পরীক্ষার্থী বেড়েছে। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। পরীক্ষার সেন্টার বা মূল পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা এবছর ১৪৩৫। এছাড়া সাব-ভেন্যু থাকছে ২ হাজার ৭৫৯টি। সব মিলিয়ে মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা চার হাজার ১৫৪টি।
মেষ/ARIES: উৎসাহান্বিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: প্রতিবেশী বিবাদ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: উৎপাদন বৃদ্ধি হতে পারে।কর্কট/CANCER: সহায়তা লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: ঈর্ষাকাতর হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অযথা চিন্তা করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: অনুশোচনা করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যবসার প্রসার ঘটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: শক্রুর সঙ্গে সন্ধি করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: বেহিসাবি খরচ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।মীন/ PISCES: রপ্তানি ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।
শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি ক্যানসার। তা বলে জীবনযুদ্ধে হার মানতে চায়না ছাত্রী সামিনা খাতুন। তাঁর একটাই লক্ষ্য, মারণ ব্যাধির সব জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়েও সাফল্যের সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য মনের জেদকে সম্বল করেই কিশোরী সামিনা সোমবার বসতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। লেখাপড়া শেখার জন্য ছাত্রী সামিনার এমন জীবন সংগ্রামের সাথী হয়েছেন তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে সামিনার যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই বছর পূর্ব বর্ধমান জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ৫৫ হাজার ৪৪৯ জন। তার মধ্যে ছাত্র রয়েছে ২৪,১৩৮ জন । আর ছাত্রী রয়েছে ৩১,৩১৫ জন। এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দিয়েছে এই বছর জেলায় ছাত্রদের থেকে ৭ হাজার বেশী ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। সেই ছাত্রীদের মধ্যেই একজন জেলার জামালপুর ব্লকের রামনাথপুর গ্রাম নিবাসী ছাত্রী সামিনা খাতুন। রামনাথপুরের শেখ পাড়ার এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সামিনা। ছোট্ট দুকুঠুরি ঘরে পরিবারের সকলে বসবাস করেন। সামিনার বাবা শেখ আলম খেতমজুরির কাজ করেন। মা নূরজাহান বেগম সাধারণ গৃহবধূ। সামিনার দিদি আসলিমা বিবাহিতা।ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়া শেখার বিষয়ে সামিনার আগ্রহ তৈরি হয়। তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ সম্পূর্ণ করে সামিনা ভর্তি হয় স্থানীয় বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে। একের পর এক ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করে সামিনা অষ্টম শ্রেণীতে উত্তির্ণ হয়।এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সামিনার জীবনে ছন্দপতন ঘটে যায় এরপরেই। অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত কালেই ছাত্রী সামিনার শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়। তাঁর বাবা মা তাঁকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।পরিবারের সকলে তখন মনে করেছিলেন জামালপুর হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের চিকিৎসাতেই সামিনা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু তা হয় না। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ধরা পড়ে সামিনার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি। তারপর থেকে টানা দুবছর ধরে তাঁর ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে।এখন নিয়ম করে সামিনাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি নিতে যেতে হয়। এর জন্য মাথার চুল সব উঠে যাওয়ায় সামিনা প্রথমে একটু মুষড়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে এখন তা নিয়ে সামিনা আর মাথা ঘামাতে চায় না। এখন তাঁর একটাই স্বপ্ন সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সমিনা জানিয়েছে, তাঁর দুই কানের নিচে গলার অংশে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসা চলছে ঠিকই তবে এখনও খাওয়া দাওয়া সে ভালভাবে করতে পারে না। গলায় খুব ব্যাথা থাকায় ভাত গিলে খেতে পারে না। শুধু পাতলা সুজি কোন রকমে খেয়ে দিনের পরদিন তাঁকে পেট ভরাতে হচ্ছে। তবে কষ্ট যাই থাক লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সে বিছানায় শুয়ে থেকে দিন কাটাতে চায় না।সামিনা জানায়, তাঁকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তীর্ণ হতে হবেই। তাই মারণ ব্যাধির সব জ্বালাযন্ত্রনা সহ্য করে নিয়ে সোমবার থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবার জন্য মনোনিবেশ করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী সামিনা এদিন জানিয়েছে।ছাত্রী সামিনার বাবা শেখ আলম বলেন, আমি খেতমজুরির কাজ করে যে টুকু রোজগার করি তা দিয়েই পরিবারের সকলের দিন গুজরান হয়। দুবছর ধরে আমার ছোট মেয়ে সামিনার ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। মেয়ে এতবড় কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পুষ্টিকর খাবারদাবার কিছুই দিতে পারি না।মেয়ের স্কুলের শিক্ষক মহাশয়গণ ছাড়াও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য শেখ জিয়ারুল রহমান সহ আরও কয়েকজন শুভানু্ধ্যায়ী আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির জন্য মেয়েকে নিয়মিত বর্ধমান হাপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা ও ওষুধের খরচ জোগাড় করতে পারছি। আলম বাবু আরও বলেন, কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও তাঁর মেয়ে দমে যায়নি। সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সে এতদিন পুরোদমে পড়াশুনা চালিয়ে গিয়েছে । সামিনার মা নূরজাহান বেগম বলেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালেই তাঁর মেয়ের চিকিৎসা চলছে। কোন সহৃদয় মানুষ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে মেয়েকে ভিন রাজ্যের বড় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারেন।বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল রায় বলেন, সামিনা খাতুন আমাদের বিদ্যালয়ের এ- বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দুবছর আগে ওর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ওর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে যতটা সম্ভব সামিনাকে সাহায্য করা হয়েছে। সামিনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় স-সন্মানে যাতে উত্তীর্ণ হতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে সমস্তরকম সহযোগিতা ওর জন্য থাকছে। শ্যামল বাবু এও বলেন, সামিনা আমাদের চোখে জীবন সংগ্রামের যোদ্ধা। জীবন যুদ্ধেও সামিনা যাতে জয়ী হতে পারে সেই লড়াইয়েও সামিনার পাশে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকারা। মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার কমিটির বৈঠকের সময়ে সামিনার অসুস্থতার বিষয়টি বিদ্যালয়ের তরফে লিখিত ভাবে জানিয়ে রাখা হয়েছে।পরিক্ষার দিনগুলিতেও সামিনাকে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় সেই বিষয়েও বিদ্যালয় নজর রাখবে বলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন,ব্লক প্রশাসনও মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে অসুস্থ ছাত্রী সামিনার পাশে থাকবে। ওর যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হবে তা নেওয়া হবে।
ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে হয়তো সব ভুলে যাবে। এমন দুঃশ্চিন্তার জেরে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগের দিনেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক পরীক্ষার্থী। মৃতর নাম বিশাল চৌধুরী(১৬)। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার আউড়িয়া গ্রামে। আউড়িয়া গ্রামে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতো আউড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র বিশাল। এদিন বেলায় মামার বাড়ির একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতের মামা রাহুলদেব দাঁ বলেন, ছোট থেকেই বিশাল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। মাধ্যমিকের টেষ্ট পরীক্ষাতেও ৬৮৫ নম্বর পায়। টেষ্টে ইতিহাস বিষয়ে ৮৫ নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু ভুলে যাওয়া স্বভাবের কারনে বিশালের মনে আশঙ্কা তৈরি হয় ষে হয়তো ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে। আর তার কারণেই পরীক্ষার ফল খারাপ হয়ে যাবে ধরে নিয়ে কিছুদিন যাবৎ বিশাল খুব টেনশন করতে শুরু করে। রাহুলবাবু বলেন, অহেতুক টেনশন না করার জন্য বিশালকে আমরা বোঝাতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও যে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেলবে তা আমরা কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী তন্ময় চৌধুরীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় চন্দ্রিকাদেবী তাঁর একমাত্র সন্তান বিশালকে নিয়ে অউড়িয়া গ্রামে বাপের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। চন্দ্রিকাদেবী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। তন্ময় বাবু কাটোয়াতে থাকলেও স্ত্রী ও একমাত্র ছেলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতেন না। সেই সব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে বিশাল পড়াশুনাতেই বেশী মনোনিবেশ করে থাকতো। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে বেশী মেলামেশায় না মেতে থেকে সে পড়াশোনা নিয়েই সারাটা দিন নিজেকে ব্যস্ত রাখতো। ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে এমন আশঙ্কা সে কিছু দিন যাবৎ প্রকাশ করতে শুরু করে। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন যত ঘনিয়ে আসতে থাকে ততই বিশালের উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চা বিস্কুট খেয়ে সে দোতলায় নিজের ঘরে পড়তে চলে যায়। তখন একতলার গৃহস্থালীর কাজকর্ম করছিলেন চন্দ্রিকাদেবী। হঠাৎ দুতলা থেকে একটা আওয়াজ পেয়ে তিনি উপরে ছুটে যান। দেখেন ছেলের ঘরের দরজা বন্ধ। তারপর তিনি দোতলার ঘরের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ছেলের দেহ ঝুলছে। চন্দ্রিকাদেবী চিৎকার শুরু করলে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে যায়। তারা দরজা ভেঙে বিশালকে উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান মানেই টানটান উত্তেজনা। গতবছর পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপে এই ছবিটা দেখা যায়নি। একপেশে ম্যাচে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন বাবর আজমরা। বিরাট কোহলিদের সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলেন মিতালি রাজরা। মহিলাদের বিশ্বকাপের একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৭ রানে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। একদিনের বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই উইকেটের পেছনে পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন বাংলার রিচা ঘোষ। একমাত্র মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের অধিনায়ক মিতালি রাজও। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আউট হন শেফালি ভার্মা (০)। এরপর স্মৃতি মান্ধানা ও দীপ্তি শর্মা জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৯২ রান তুলে চাপ কাটান। ৪০ রান করে বাইশতম ওভারের শেষ বলে আউট হন দীপ্তি। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ২ ওভার পরেই আউট হন ওপর ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। ৭৫ বলে তিনি করেন ৫২। স্মৃতি আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান হরমনপ্রীত কাউর (৫), রিচা ঘোষ (১), মিতালি রাজরা (৯)। একসময় ১১৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর রুখে দাঁড়ান স্নেহ রানা ও পূজা বস্ত্রকার। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে পাকিস্তান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। দুজনে মিলে জুটি বেঁধে তোলেন ১২৪। ৫৯ বলে ৬৭ রান করে আউট হন পূজা বস্ত্রকার। ৪৮ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন স্নেহ রানা। ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ঝুলন গোস্বামী। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত তোলে ২৪৪/৭। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সিদ্রা আমিন ও জাভেরিয়া খান ভারতের দুই প্রারম্ভিক বোলার ঝুলন গোস্বামী ও মেঘনা সিংয়ের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রান তোলার গতি খুবই মন্থর ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে রাজেশ্বরীকে উইকেট উপহার দেন জাভেরিয়া (১১)। আর পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফকে (১৫) তুলে নেন দীপ্তি শর্মা। ওমাইমা সোহেলকে (৫) ফেরান স্নেহ রানা। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে সিদ্রা আমিন (৩০) ও নিদা দারকে (৪) তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। এরপরই রাজেশ্বরীর দাপটে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং। ৪৩ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান। ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন রাজেশ্বরী। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ঝুলন গোস্বামী। ২৭ রানে ২ উইকেট স্নেহ রানার। এদিকে, প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন রিচা শর্মা। উইকেটের পেছনে সিদ্রা আমিন, বিসমা মারুফ, নিদা দার ও নাশরা সান্ধুর ক্যাচ ধরেন। আলিয়া রিয়াজকে দুর্দান্ত স্টাম্পড করেন। অন্য কোনও ক্রিকেটারের এই নজির নেই। ৬টি বিশ্বকাপ খেলে নজির গড়েছেন মিতালি রাজও। ৫টি করে বিশ্বকাপ খেলার নজির রয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেবি হকলে ও ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডসের। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিতালি। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার নজির স্পর্শ করলেন। এই কৃতিত্ব রয়েছে জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন তেন্ডুলকারের।
মেষ/ARIES: প্রতারণায় অর্থক্ষতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: কর্তব্য পালনে অটল হতে পারেন।মিথুন/GEMINI: মতবিরোধ হতে পারে।কর্কট/CANCER: মূর্চ্ছাপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।সিংহ/LEO: অপত্যস্নেহ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: প্রেমে বিঘ্ন হতে পারে।তুলা/ LIBRA: সহায়তা লাভ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: নৈরাশ্য মুক্ত হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: অস্থি ভঙ্গ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আয়বৃদ্ধির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: মানসিক উদ্বেগ হতে পারে।মীন/ PISCES: উন্নতির যোগ রয়েছে।
চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামী সোমবার শুরু হচ্ছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষার পর্ব সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ইন্টারনেটে প্রশ্ন ফাঁস বা অন্য সমস্যা রুখতে যে সমস্ত এলাকায় নেট সার্ভারে অনিয়ম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই এলাকাগুলোতেই বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নবান্নে একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছেন পুলিশ কর্তারা। প্রথমে ঠিক হয়েছিল পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রশ্ন ফাঁস আটকাতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখা হবে। তবে পরে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।আগামী ৭,৯,১১,১২ ও ১৪ তারিখ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সওয়া ৩টে অবধি ইন্টারনেটে সাইবার বিশেষজ্ঞ দলের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরারও ব্যবস্থা থাকছে। পুলিশকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় এবার অফলাইনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে।তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার হোম সেন্টারেই হবে পরীক্ষা।পরীক্ষা চলাকালীন কঠোরভাবে কোভিড বিধি নিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে বসাতে বলা হয়েছে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য কোনও পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে পেন, পেন্সিল, স্কেল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গাঙ্গুলী শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, সব মিলিয়ে চার হাজার ১৫৪টি কেন্দ্রে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। যেটা একটা রেকর্ড। এর মধ্যে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪ জন ছাত্রী রয়েছে। সকাল পৌনে বারোটায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য পনেরো মিনিট সময় পাবেন। বেলা তিনটে পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। প্রশ্ন ফাঁস এড়াতে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পনেরো মিনিটের আগে ছাত্রছাত্রীরা কক্ষের বাইরে বের হতে পারবেন না।করোনার বাড়বাড়ন্তের কারণে গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে অফলাইনে।৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি চলবে পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়ে গেছেন পড়ুয়ারা। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়।
মেষ/ARIES: শুভ প্রয়াস করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: সম্পর্কের অবনতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: চিত্তচাঞ্চল্য হতে পারে।কর্কট/CANCER: শ্বাসকষ্ট হতে পারে।সিংহ/LEO: আনন্দানুষ্ঠানে বিপত্তি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: কর্মী অশান্তি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: চারুকলায় খ্যাতিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: অবৈধ প্রণয় হতে পারে।মকর/CAPRICORN: মর্যাদা বৃদ্ধি পেতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: যকৃতের রোগ হতে পারে।মীন/ PISCES: প্রতিবেশীবিবাদ হতে পারে।