• ২ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

রাজ্য

নতুন গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত গলসি, নজর রাখছে জেলা নেতৃত্ব

নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং তার জেরে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ ঘিরে তেতে উঠেছে গলসি ১ ব্লকের রাজনৈতিক পারদ। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে তাতে রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা বড় বিপদে পড়তে পারে শাসক তৃণমূল। এমনকি ওই ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কাজকর্ম শিকেয় উঠতে পারে।রাজনৈতিক মহলের দাবি, দিন দুয়েক আগে শাসকদলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পেছনে দলেরই কোন্দল রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজ না করে তৃণমূল পরিচালিত গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের টাকা পাওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেন ওই সমিতিরই সদস্য-সদস্যাদের একাংশ, বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ সহ খোদ সভাপতি রোকেয়া বেগমও। যদিও লিখিত কোন অভিযোগ নেই। তবে তাঁদের দাবি, ঠিকাদার কোন কাজ না করেই দুদফায় কাজের অনুমোদিত সমস্ত অর্থ তুলে নিয়েছে। আর তা হয়েছে ঠিকাদার অনুপবাবুর ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই অভিযোগকে ঘিরে সরগরম গলসির রাজনীতি। কিন্তু সেই সব অভিযোগ উড়িয়ে অনুপবাবুর পাল্টা দাবি, যা হয়েছে সব নিয়ম মেনেই হয়েছে। ঘোলাজলে মাছ ধরতে নেমে দলের ভাবমূর্তি, প্রাশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছেন অভিযোগকারীরা। কিন্তু, দলের জেলা নেতৃত্ব জানেন কোথায় কি হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, গলসি ১ ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও তার তীব্রতা সব থেকে বেশি দেখা যাচ্ছে গত এক মাসধরে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দলের আদিগোষ্ঠীর পরিবর্তে নতুন গোষ্ঠী মাথা চড়া দিয়েছে ওই ব্লকে। ফলে দিন যত যাচ্ছে ততই নতুন গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশে চলে আসছে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করবে, তা নিয়েই নতুন গোষ্ঠী-বিরোধ। যার এক দিকে রয়েছেন ব্লক তৃণমূল প্রাক্তন সভাপতি তথা জেলা সহ সভাপতি জাকির হোসেন এবং তাঁর অনুগামীরা। অন্য দিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্রোপাধ্যায় ও তাঁর গোষ্ঠী।স্থীনায় সূত্রে খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে আধিপত্য রয়েছে অনুপবাবুর। আর সভাপতি রোকেয়া সহ বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ আর সদস্য রয়েছেন জাকিরের দিকে। কিন্ত এমনটা ছিল না। মাস পাঁচেক আগেও জাকিরের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল অনুপ। আর তাঁদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল দলের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়ের। এলাকার রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছে। তারই জেরে মারপিট, পার্টি অফিস ভাঙচুর, বোমাবাজির একাধিক অভিযোগ উঠছে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই লড়াইয়ে তিতিবিরক্ত ছিলেন। কিন্ত নতুন করে জাকির আর অনুপের কোন্দল দলকে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান সফরের আগেই গলসির এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব ঘুম ছুটিয়েছে জেলা নেতৃত্বের।কিন্তু কেন এমন হলো?রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাকির আর অনুপের দূরত্ব বেড়েছে পারাজ-শিল্ল্যা রোডের উপর পঞ্চায়েত সমিতির টোল নিয়ে। তাঁদের দাবি, ওই টোল নিজের ঘনিষ্ঠদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য উঠে-পরে লেগেছিলেন জাকির হোসেন। কিন্তু, পঞ্চায়েত সমিতি নিয়ম মেনে দরপত্র ডেকে দেওয়াতে তা হয়নি। এরপর যত দিন গড়িয়েছে ততই দূরত্ব বেড়েছে জাকির আর অনুপের। সম্প্রতি পারাজে কাঠের সেতুর উপর টোল আদায় বন্ধ করেছে প্রশাসন। যে কাঠের সেতুর উপর অবৈধভাবে টোল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল জাকিরের অনুগামীদের বিরুদ্বে। এই টোল আদায় বন্ধ করার পেছনে অনুপ কলকাটি নেড়েছে বলে মনে করছেন জাকিরের অনুগামীরা। ফলে জাকির আর অনুপের সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দলের ভেঙে দেওয়া গলসি ১ ব্লক সভাপতি পদে দুজনই দৌড়ঝাঁপ করছেন। আর সেই দৌড়ে অনুপকে পেছনে ফেলতে জাকির গোষ্ঠী অনুপ ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারকে কাজের আগে টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেনে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।জেলাস্তরে এক নেতার বক্তব্য, গলসির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অবৈধ বালি খাদান চালানো, বৈধ বালি খাদান থেকে টাকা তোলার অভিযোগ ছিলই। তারপরে নতুন করে এমন সব অভিযোগ আসছে যা দলকে ভাবিয়ে তুলছে। তবে দল এইসব বেনিয়ম বরদাস্ত করবে না। আগামীতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তৃণমূলের জেলা শীর্ষ জানিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করবে না ইমামি

শ্রী সিমেন্টের পর এবার ইমামি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জট কিছুতেই কাটছে না। প্রাথমিক কথা হওয়ার প্রায় মাসখানেক পর ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ইমামির চুক্তির খসড়া। চুক্তিপত্র দেখে সই করতে বেঁকে বসেছেন লালহলুদ কর্তারা। এবার শুরু হয়েছে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষি।ইমামি যে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছে তাতে ৮০ শতাংশ শেয়ার চেয়েছে তারা। লালহলুদ কর্তারা এই পরিমান শেয়ার ছাড়তে রাজি নন। তাঁরা ইমামির সঙ্গে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষির খেলায় নেমেছে। সূত্রের খবর, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ৫০ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখতে চান। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ক্লাবের ৪ জন কর্তাকে বোর্ড অফ ডিরেক্টরে রাখতে হবে। লালহলুদ কর্তাদের দ্বিতীয় দাবিটা মেনে নিতে রাজি ইমামি। কিন্তু শেয়ারের ব্যাপারে তারা অনড়। ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বোর্ড অফ ডিরেক্টর গঠন করা হবে। ১০ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জন থাকবে ইমামির ও ৪ জন ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তির খসড়া লালহলুদ তাঁবুতে পৌঁছনোর পর ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদার ইমামিকে একটা চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দল গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত সেরে ফেলার জন্য। প্রাকারান্তে তিনি চুক্তি নিয়ে ইমামির ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছেন। চিঠিতে লালহলুদ সচিব লিখেছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সামনে একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম। দল গঠনের প্রক্রিয়া যদি গতি না পায় তাহলে গত দুই তিন বছরের মতো আবার আমাদের লক্ষ্য অপূর্ণ থাকবে এবং ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা ছাড়া আর কিছুই দেওয়া যাবে না। তাই চুক্তির প্রক্রিয়া সমান্তরালে চলুক যাতে দল গঠনের প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়।সূত্রের খবর, এই সপ্তাহে চুক্তিপত্রে সই হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করার পরই চুক্তিতেই সই করতে চান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এদিকে, ইমামি কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তারা বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

তিরির বিকল্প খুঁজে নিল এটিকে মোহনবাগান, আসছেন এ–লিগ কাঁপানো ডিফেন্ডার

চুক্তি নিয়ে এখনও ডামাডোল চলছে ইস্টবেঙ্গলে। ইমামির সঙ্গে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়া অথৈ জলে। এই অবস্থায় নিজেদের আরও গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের বিকল্পর সন্ধান চললেও তিরির পরিবর্ত খুঁজে নিল। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন মাইকেল হামিলকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হচ্ছে। হামিলের সঙ্গে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথাবার্তা চূড়ান্ত শুধুমাত্র চূক্তিপত্রে সই হওয়া বাকি।এটিকে মোহনবাগানের হয়ে এএফসি কাপে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান স্প্যানিশ ডিফেন্ডার তিরি। ২০২৩এর জানুয়ারির আগে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না। এই মরশুমে আইএসএলে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না ধরে নিয়েই তিরির বিকল্প ফুটবলারের সন্ধানে ছিলেন বাগান কর্তারা। বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডারের বায়োডাটা দেখে তাঁরা যোগাযোগ করেন ব্রেন্ডন হামিলের এজেন্টের সঙ্গে। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান হামিল।২৯ বছর বয়সী ব্রেন্ডন হামিলের জন্ম সিডনিতে। ২০১০ সালে মেলবোর্ন হার্ট এফসিতে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন। এই ক্লাবের জার্সি গায়ে ২ বছর কাটান। তারপর যোগ দেন কোরিয়ার কেলিগের ক্লাব সিগনাম এফসিতে। ২০১৩ সালে সই করেন কেলিগেরই গাংওয়ান এফসিতে। পরের বছর আবার নিজের দেশে ফিরে আসেন ব্রেন্ডন হামিল। যোগ দেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। টানা ৫ বছর এই ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলেন। ২০১৯এ আবার ক্লাব বদল। এবার ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্স ছেড়ে সই করেন ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড এফসিতে। গতবছর জুলাইতে যোগ দেন মেলবোর্ন ভিকট্রিতে। সেখান থেকেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন ব্রেন্ডন মাইকেল হামিল।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্ষিপ্ত প্রাক্তন ফুটবলাররা, কড়া চিঠি ইস্টবেঙ্গলকে

ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটে এখনও আটকে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দলগঠন প্রক্রিয়া। গত বছরের মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো? আশঙ্কার প্রাক্তন ফুটবলাররা। ক্লাবকে যাতে কলঙ্কের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আসরে নামলেন তাঁরা। কড়া চিঠি পাঠালেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদারকে।নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর প্রায় একমাস কেটে গেছে। দলগঠন প্রক্রিয়া এখনও সেভাবে এগোয়নি। যার জন্য বিরক্ত হয়ে পড়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। সোমবার প্রাক্তন ফুটবলারদের পক্ষ থেকে প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মিহির বসু, কৃষ্ণেন্দু রায় এবং সুমিত মুখার্জি ক্লাবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।ইস্টবেঙ্গল সচিবকে দেওয়া চিঠিকে প্রাক্তন ফুটবলাররা লিখেছেন, ইস্টবেঙ্গলের অগুণিত সমর্থকদের মতো আমরাও চিন্তিত ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে। ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর ২৪-২৫ দিন পার হয়ে গেছে। এখনও চুক্তিপত্রে সই হয়নি। নতুন ফুটনলারের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। এই অবস্থায় আমরা চাই ক্লাব এবং ইনভেস্টারের যৌথ উদ্যোগে এ বছর ইস্টবেঙ্গল তার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনুক। ক্লাবের সাবেক কর্তাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছে কোনও ভাবেই হাতের সামনে পাওয়া ফুটবলার সই করিয়ে কোনও মতে আইএসএল-এ নামা চলবে না। তাতে ক্লাবের ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হবে। তাঁরা বলেছেন, আপনারা তখনই টিম নামান যখন আইএসএলের উপযুক্ত টিম করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তবে লোক দেখানো টিম নামিয়ে ক্লাবের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত করবেন না। তা হলে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, আইএফএ শিল্ড খেলুন কিন্তু এ ভাবে আইএসএলে খেলবেন না। আইএসএলে খেলতে হলে আইএসএলের মতো করেই খেলুন। নতুন মরসুমের দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবের অনুরোধে আই লিগ এবং সন্তোষ ট্রফি দেখে বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারের একটি তালিকা ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছিল এই প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। এ দিন সেই ব্যপারে কত দূর ক্লাব এগিয়েছে সেই বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তি প্রাক্তনীরা।

জুন ২০, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল

বাংলা পক্ষ বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মহামিছিল করল। মিছিলে হাজার হাজার বাঙালি উপস্থিত ছিল। বাংলার উত্তর দিকের জেলাগুলোকে বাংলা থেকে ভাগ করে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার চক্রান্ত করছে বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি-আরএসএস। এরই প্রতিবাদে কলেজষ্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় পর্যন্ত এক মহা মিছিল সংগঠিত করে বাংলা পক্ষ।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, শোয়েব আমিন, অমিত সেন, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, হাওড়া জেলার সম্পাদক জয়দীপ দে, হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, উত্তর চব্বিশ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগণা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশিষ মজুমদার, বাঁকুড়ার জেলা সম্পাদক অচিন্ত্য নাথ, পূর্ব বর্ধমানের সম্পাদক জুয়েল মল্লিক, পূর্ব মেদিনীপুরের সম্পাদক সুতনু পণ্ডিত, বাংলা শ্রমিক পক্ষর অভিজিৎ কুন্ডু প্রমূখ।গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাংলা ভাগের চক্রান্ত ব্যর্থ করবোই। বাংলা পক্ষর মিছিল থেকে প্রমাণ হল বাঙালি জেগে গেছে। এবং বিজেপি চক্রান্ত করছে আমার মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় জন্য, বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। বিজেপি বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দিতে পারে কিন্তু আমার হৃদয় থেকে বাংলাকে সরাতে পারবেনা। তিনি আরও বলেন, একটি জাতিকে দুর্বল করে দেওয়ার সবথেকে সহজ উপায় হল তার মাতৃভূমিকে টুকরো টুকরো করে দেওয়া। ভূমিপুত্রদের ঐক্য ধ্বংস করে দেওয়া। জাতি হিসাবে বাঙালি টুকরো টুকরো হলে লাভ বাঙালি বিদ্বেষীদের। বাংলার উত্তরের জেলাগুলো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলে গোটা এলাকার জমি, অর্থব্যবস্থা, পুলিশ সবই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্রীয় সরকার এনআরসি করে ভূমিপুত্রদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে তাদের নিজের মাতৃভূমি থেকে বেদখল করে, তাদের জমি দোকান সম্পত্তি রাখার অধিকার কেড়ে নিয়ে ইউ পি -বিহার-ঝাড়খণ্ড-রাজস্থান থেকে বহিরাগত ঢুকিয়ে এলাকার ভূমিপুত্রদের ওপর অত্যাচার চালাবে। উত্তরের জেলাগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ তুলে দেবে তাদের পছন্দের গুজরাট, রাজস্থানের পুঁজিপতিদের হাতে। সেখানে সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন করে দেওয়া হবে বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের।কৌশিক মাইতি বলেন, গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের উপর আঘাত হানলে বাংলার প্রতিটি জেলা বাংলার প্রতিটি ঘরে প্রতিবাদের আগুন জ্বলবে। তিনি আরও বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তার জল বাংলাদেশে পাঠিয়ে বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে শ্মশানে পরিণত করতে চায়। বাংলার সরকার রাজি না হওয়ায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে পারলে দিল্লি তিস্তার জল সহজেই বাংলাদেশে পাঠাতে পারবে। এখনও পর্যন্ত এই চক্রান্ত আটকে রেখেছে বাংলার সরকার। কিন্তু বাংলা ভাগ হলে উত্তরের জেলাগুলোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর বাংলার সরকারের হাতে থাকবে না। বিপন্ন হয়ে যাবে উত্তরের জেলাগুলোর বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের অস্তিত্ব।বাংলা পক্ষ প্রথম দিন থেকে বিজেপির এই বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এর আগে গোর্খাল্যান্ড তৈরি করে বাংলাকে দু-টুকরো করার ষড়যন্ত্র করেছিল বিজেপি-আরএসএস। সেই সময়ও বাংলা পক্ষ গোটা রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ, পথ সভা প্রতিবাদ সংগঠিত করেছিল।

জুন ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালেই স্বপ্ন শেষ, আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে

কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বাধা টপকানোর পর ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ব্যাটারদের দুরন্ত ফর্মই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল বাংলা শিবিরকে। ভেবেছিল মধ্যপ্রদেশের বাধাও অনায়াসে টপকে যাবে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল। আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে। যেমনটা ঘটেছিল ২০১৪ সালে। আলুরে সেমিফাইনালেই শেষ হয়ে গেল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলের রনজি অভিযান। বাংলাকে ১৭৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল মধ্যপ্রদেশ। তাদের সামনে এবার মুম্বই। জয়ের জন্য ৩৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলা। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। চতুর্থ দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৬। পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচের শেষ দিনের খেলায় ব্যাঘাত ঘটায় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে মাঠ ভিজে থাকায় খেলা শুরু হয়েছিল নির্ধারিত সময়ের অনেকটাই দেরিতে। দিনের দ্বিতীয় বলেই অনুষ্টুপ মজুমদারের উইকেট তুলে নেন গৌরব যাদব। অনুষ্টুপ মজুমদার ২৬ বলে ৮ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। যদিও দুজনে মিলে জুটিতে ৩৮ রানের বেশি তুলতে পারেননি।চুয়ান্নতম ওভারের প্রথম বলেই অভিমন্যুকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়। ১৫৭ বলে ৭৮ রান করে বোল্ড হন বাংলার অধিনায়ক। এদিন প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৫ হাজার রানের গণ্ডি টপকে গেলেন অভিমন্যু। খেললেন ৭২ ম্যাচ। অভিমন্যু যখন আউট হন বাংলার রান তখন ৬ উইকেটে ১৩৫। ২ ওভার পরেই সায়নশেখর মণ্ডল আউট হন। ৬ বলে মাত্র ১ রান করে তিনি সারাংশ জৈনের বলে এলবিডব্লু হন। ৫৯.২ ওভারে বাংলার অষ্টম উইকেট পড়ে। ১৩ বলে ৫ রান করে আউট হন প্রদীপ্ত প্রামানিক। তিনি কার্তিকেয়র পঞ্চম শিকার। ৬৩.৪ ওভারে আকাশ দীপ (১১ বলে ২০) আউট হন গৌরব যাদবের বলে। বাংলার রান তখন ১৭১। ১ ওভার পরেই মুকেশ কুমারকে (৪ বলে ৪) তুলে নিয়ে বাংলার ইনিংস শেষ করে দেন গৌরব যাদব। ১৭৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। ৮২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন শাহবাজ আমেদ। ৬৭ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন কুমার কার্তিকেয়া। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট। গৌরব যাদব ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। সারাংশ জৈন নেন ২ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন হিমাংশু মন্ত্রী।

জুন ১৮, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতিঃ সময়ের আগেই প্রথম কিস্তির টাকা জমা মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতার

আদালতের নির্দেশে আগেই মন্ত্রীকন্যা চাকরি খুইয়েছেন। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দুই কিস্তিতে টাকা ফেরত দেওয়ার। নির্দিষ্ট তারিখও জানিয়ে দিয়েছিল আদালত। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন। শুক্রবার অঙ্কিতা আদালতে জানিয়েছেন, সময়ের আগে দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও দিয়ে দেবেন। উল্লেখ্য, সময়ের আগেই দিয়েছেন প্রথম কিস্তির টাকা।রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একাধিক মামলা চলছে কলকাতা আদালতে। একইসঙ্গে একাধিক মামলায় সিবিআই তদন্ত চলছে। এরইমধ্যে মে মাসে এসএসসি চাকরিপ্রার্থী ববিতা সরকারের দায়ের করা মামলায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন অঙ্কিতা অধিকারী। মন্ত্রী কন্যা ৪১ মাস যা বেতন পেয়েছেন তা দুই কিস্তিতে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কিস্তির তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল ৭ জুন ও ৭ জুলাই। মন্ত্রী কন্যা এদিন আদালতে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রথম কিস্তির টাকা জমা দিয়েছেন। গত ৬ জুন ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা অঙ্কিতা ফেরত দিয়েছেন।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
রাজ্য

গাড়ি ভাঙছে, গাড়ি পুড়ছে, আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে, সেনা নামানো হোকঃ শুভেন্দু

বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র নুপুর শর্মার মন্তব্যের প্রতিবাদে এদিনও হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ জারি ছিল। প্রতিবাদ কার্যত তান্ডবে পরিনত হয়। গাড়ির পর গাড়ি ভেঙে-পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উলুবেড়িয়ায় বিজেপির কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। ডোমজুর থানা আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনা সামলাতে সেনা নামানোর আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।গতকাল, বৃহস্পতিবার হাওড়ায় জাতীয় সড়কে অবরোধের জেরে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছিল। এদিন রীতিমোত তান্ডব চালায় বিক্ষোভকারীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। গতকাল অবরোধের ফলে রাস্তায় সন্তান প্রসব করার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদের নামে বিশৃঙ্খলা চলছে। যা নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কেন রাজ্য সরকার প্যারামিলিটারি ও মিলিটারিকে নামাল না। আমি সিপিএমের সব কথার নিন্দা করেও বলব, রিজানুরের সময় মিটিলারি ডেকে তৎকালীন মুখ্যসচিব মানুষের সম্পত্তি রক্ষা করেছিলেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, উলবেড়িয়াসহ হাওড়ায় কয়েকশো গাড়ি ভাঙা হয়েছে, গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। গোটা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাজ্যপালকে একাধিক ভিডিও পাঠিয়েছি। টুইট করেছি। এখন ইমেল করে আর্মি নামিয়ে মানুষের জীবন সম্পত্তি রক্ষা করতে অনুরোধ করেছি। বিক্ষোভকারীদের মূল লক্ষই বিজেপি। তৃণমূলের উসকানি আছে। বিজেপির জেলা কার্যলয়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী হামলার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এসএসসি দুর্নীতির অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

জুন ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বঙ্গ সাহিত্য পত্রিকার আন্তর্জাতিক সাহিত্য মিলন বাসর

কলকাতার কৃষ্ণপদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ভবনে বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি অনুমোদিত বঙ্গ সাহিত্য পত্রিকা পরিবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সাহিত্য মিলন বাসর। বাংলাদেশ থেকে এই মিলন বাসরে অংশ নেন কবি বিশ্বজিৎ মণ্ডল এবং কবি ও গীতিকার ইভা মণ্ডল। ওমান থেকে এসে এই মিলন বাসরের মান বাড়িয়ে দেন কবিবন্ধু মলয় দত্ত এবং রাখী দত্ত। তামিলনাড়ু থেকে এই মনোগ্রাহী অনুষ্ঠানে যোগ দেন বদরুল হোসেন লস্কর, সম থেকে এই সাহিত্য মিলন বাসরে যোগ দিলেন কবি ইকবাল হোসেন খাঁন কবি অজয় সেনগুপ্ত এবং নাট্যকার সঞ্জয় সেনগুপ্ত মহাশয় রায়গঞ্জ থেকে কি শিক্ষক এবং জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিপ্লব কুমার মণ্ডল মহাশয়, কলকাতা নিবাসী কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক পরীক্ষিৎ মান্না, সর্বোপরি বাংলাদেশ বর্ডার সুদূর হিলি থেকে কবি কনক কান্তি সরকার, কবি সুব্রত লাহিড়ী এবং কবিভাই বাপ্পা দাস।বাঁকুড়া নিবাসী মাননীয়া রঙ্গনা পালের সম্পাদনায় বুলু পাল, কবিতা ঘোষ, শিল্পী সাহা, নবনীতা সরকার, রুবী গুপ্তা এবং মল্লিকা চ্যাটার্জি রায় এর অভিভাবকত্বে প্রদান করা হলো কবিরত্ন, সাহিত্য রত্ন, নবরত্ন, বঙ্গের আভরণ, দৈনিক সাহিত্য সম্মাননা, ছান্দোসিক কবি ও প্রভাত আলোক সাথী সম্মাননা। উন্মোচিত হল বঙ্গ সাহিত্য পত্রিকা পরিবারের প্রথম বর্ষের কাব্য সংকলন সকল গুণীজনের উপস্থিতিতে। সম্মাননার অবসরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিকদের জোয়ারে মুখরিত ছিলো অনুষ্ঠান মঞ্চ। প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করেও সংস্কৃতির টানে মিলিত হলেন কবি, সাহিত্যিকরা।

জুন ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাইকেল বোসের প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে নারীর যন্ত্রণা

শিল্পী মাইকেল বোস তার চিত্রশিল্পের মাধ্যমে বহু বিশিষ্ট মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। চিত্রশিল্পী হিসাবে তাঁর একাধিক একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে।মাইকেল বোসের নতুন একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে একাডেমিতে। বুধবার ৮ জুন এই চিত্র প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল উপস্থিত ছিলেন শিল্পী দেবব্রত চক্রবর্তী, শিল্পী বিমল কুন্ডু, শিল্পী মলয় দাস, শিল্পী পার্থসারথি নাথ, শিল্পী পৃথ্বীশ সিকদার, শিল্পী বাদল পাল, সমাজসেবী দেবলীনা রায় চৌধুরী, সমাজসেবী শ্যামাদাস, সমাজসেবী সুজিত কুমার ঘোষ, কবি ফুল্লোরা মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখার্জি প্রমুখ।এই একক চিত্র প্রদর্শনী নিয়ে মাইকেল বোস জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার ১৮ তম একক চিত্র প্রদর্শনী। ৮ তারিখ শুরু হয়েছে, ১৪ তারিখ পর্যন্ত প্রর্দশনীটি চলবে। মোট ২২টি পেন্টিং রয়েছে। সবকটা আঁকাতেই নারীদের কষ্ট তুলে ধরা হয়েছে। মর্ডান ইন্ডিয়ান আর্টিস্ট সিক্স বইটিরও আনুষ্ঠানিক প্রকাশ পেল।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় মহিলা ক্রিকেটের ‘‌শচীনের’‌

৩৯ বছর বয়সেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে খেলা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার মহিলা ক্রিকেটে। জুনিয়রদের টেক্কা দিয়ে সেই কঠিন কাজটা এতদিন ধরে করে চলেছিলেন মিতালি রাজ। অবশেষে তাঁর সেই পথ চলা শেষ হল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহিলা শচীন। আক্ষেপ নিয়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন মিতালি রাজ। বছর তিনেক আগে টি২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল একদিনের বিশ্বকাপ জিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর। সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল মিতালিদের। এবছর বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে মিতালি তাকিয়েছিলেন জীবনের শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্নপূরণের দিকে। সতীর্থদের কাঁধে চেপে ভিকট্রি ল্যাপ দিচ্ছেন, সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন। বলেও ছিলেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে আমার ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু তাঁর সেই ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেল। শচীনের মতো ঝুলিতে অজস্র রেকর্ড মিতালি রাজের। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। গতবছরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই ভেঙে দিয়েছেন শার্লট এডওয়ার্ডসের ১০২৭৩ রানের রেকর্ড। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে ৭ হাজারের বেশি রান। টানা ৭ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির অনন্য নজির। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটার মিলিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম টি২০ ক্রিকেটে ২ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনো।Thank you for all your love support over the years!I look forward to my 2nd innings with your blessing and support. pic.twitter.com/OkPUICcU4u Mithali Raj (@M_Raj03) June 8, 2022এখানেই শেষ নয়। মিতালির মুকুটে রয়েছে আরও পালক। মহিলা ক্রিকেটে তিনিই প্রথম অধিনায়ক, যিনি দুদুটি একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ২০০৫ ও ২০১৭ সালে। আর কী চাই? শচীনের মতোই মহিলাদের ক্রিকেটে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছেন মিতালি রাজ। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মানও। এছাড়াও অনেক মিল রয়েছে। সীমিত ওভার ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত ওপেন করেছেন। শচীনের মতোই পার্ট টাইম লেগ স্পিনার।মিতালি রাজের ভারতীয় ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালের জুন মাসে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারত এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে অবসর নিলেন। শেষ হল ২৩ বছরের যাত্রা। বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মিতালি। ওই ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভারত ওই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু মিতালি ওই ম্যাচে ৮৪ বলে ৬৮ রান করেছিলেন। টুইটারে পোস্ট করা এক আবেগঘন পোস্টে মিতালি রাজ লিখেছেন আমি একটি ছোট মেয়ে হিসাবে নীল জার্সি পড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দেশের হয়ে খেলাটাই তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হয়ে থেকেছে। পথ সহজ ছিল না। কখনও খুব ভালো সময় গিয়েছে আবার এসেছে খারাপ সময়ও। তবে মাঠের প্রতিটি ঘটনা আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। আমার জীবনে প্রচুর চ্যালেঞ্জ এসেছে তবে সবসময় সব চ্যালেঞ্জকে আমি উপভোগ করেছি।মিতালি আরও বলেছেন, সমস্ত যাত্রার মতো, এটিও অবশ্যই একদিন না একদিন শেষ হত। সেটাই হল। আমি অবসর নিলাম ক্রিকেট থেকে। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, ভারতকে জেতানোর জন্য আমি সেরাটা দিয়েছি। আমি মনে করি এখন আমার খেলার ক্যারিয়ারে ইতি টানার উপযুক্ত সময় কারণ দল এখন কিছু অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। আমি বিসিসিআই এবং জয় শাহ স্যারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তাঁদের দারুণ সমর্থন পেয়েছি। প্রথমে একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং তারপর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে। এত বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি সম্মানের বিষয়। এটি অবশ্যই একজন ব্যক্তি হিসাবে আমাকে তৈরি করেছে এবং আশা করি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকেও নতুন রূপ দিতে সাহায্য করেছে। ৩৯ বছর বয়সী মিতালি মহিলাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং এই ফরম্যাটে তিনি ৭৮০৫ রান করেছেন। সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭, হাফ সেঞ্চুরি ৬৪টি। ৮৯ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২৩৬৪ রান করেছেন মিতালি। ১৭টি হাপ সেঞ্চুরি। ১২ টেস্ট ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৬৯৯ রান। সেঞ্চুরির সংখ্যা ১টি।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুদীপ ঘরামির দুরন্ত সেঞ্চুরি, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের পথে বাংলা

ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখেছিলেন বাংলার কোচ। তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক ছিল, প্রমান করে দিলেন সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রীতিমতো দাপট দেখালেন বাংলার টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩১০। দুরন্ত সেঞ্চুরি সুদীপ ঘরামির। সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে অনুষ্টুপ মজুমদার।জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বাইশ গজে ঘাসের আভা দেখে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান ঝাড়খণ্ড অধিনায়ক সৌরভ তেওয়ারি। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে বুমেরাং করে দিয়ে দারুণ শুরু করেন বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক রমণ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কিন্তু ইনিংসের ২৫ তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান লাগে অভিষের রমণের। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। ৭২ বলে ৪১ রান করেন অভিষেক। এরপর বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ও তরুণ সুদীপ ঘরামি। ৩৯.৫ ওভারে বাংলার প্রথম উইকেট পড়ে। বাংলার রান তখন ১৩২। সুশান্ত মিশ্রর বলে এলবিডব্লু আউট হন অভিমন্যু। ১২৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁদের অসমাপ্ত ১৭৮ রানের পার্টনারশিপ বাংলাকে বড় রানে পৌঁছে দেয়। প্রথম দিন ৮৯ ওভারে বাংলা তোলে ১ উইকেটে ৩১০। সুদীপ ঘরামি ২০৪ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। অন্যদিকে ১৩৯ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ইনিংসের ৮১ তম ওভারে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সুদীপ ঘরামি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে রান পাননি বাংলার এই তরুণ ব্যাটার। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ অরুণলাল। অভিজ্ঞ সুদীপ চ্যাটার্জিকে বাইরে রেখে তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর ইনিংস নিয়ে বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। সুদীপ ঘরামি দুর্দান্ত প্রতিভা। তাই গ্রুপ পর্যায়ে রান না পেলেও ওর ওপর আস্থা হারাইনি। আমাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল।

জুন ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনককে সম্বর্ধনা পুর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা-র

বর্ধমান শহরের সিএমএস স্কুলের ছাত্র রৌনক মণ্ডল। ২০২২র মাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্ম প্রথম স্থানাধিকারী। রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল (বাঁকুড়া) অর্ণব ঘড়াই রৌনক -এর সাথে যুগ্ম ভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ বছর ৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ এ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। ২০২২ এ মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩। ছাত্রের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯ জন। এবং ছাত্রী ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। সারা রাজ্যে ৪ হাজার ১৫৪ টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সম্পুর্ণ আদর্শ করোনা বিধি মেনে।পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনক মণ্ডল-কে তাঁর জেলাশাসক কার্যালয়ে শুক্রবার সম্বর্ধনা দেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা রৌনক-কে একটি ল্যাপটপ উপহার দেন। ভবিষ্যতে কি হতে চাই সে কথা জানতে চাইলে, রৌনক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে জানান আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। প্রিয়াঙ্কা সিংলা তার সাফল্য কামনা করে শুভকামনা জানান, যাতে সে তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে লক্ষ্য পুরণ করতে পারে।রৌনক জানান, সে মাধ্যমিকে প্রথম হবে সেটা আশা করেননি। তার ধারনা ছিল সে এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে। রৌনক কতক্ষণ পড়ত জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এ কথা জানতে চাইলে, তাঁর মা জেলাশাসক-কে জানান, রৌনক দিনে গড়ে আট ঘণ্টা পড়ত। তিনি আরও জানান, রৌনক খুব বেশী রাত জেগে পড়েনি।শুক্রবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর প্রথম স্থানাধিকারী পূর্ব বর্ধমানের রৌনক মণ্ডল জানতে পারেন তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। সে জানাই, তার প্রিয় বিষয় জীবনবিজ্ঞান এবং অঙ্ক। যেহেতু আমার লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া তাই, নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছি।রৌনকের প্রিয় চরিত্র ফেলুদা, সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি পড়েই অবসর সময় অতিবাহিত করে সে। অবসর সময়ে ভলিবল খেলত বলে জানাই রৌনক। রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুরাগী, সময় পেলেই রবীন্দ্রনাথের গান গুনগুনিয়ে ওঠে। জেলাশাসকের কাছ থেকে ল্যাপটপ উপহার পেয়ে খুবই খুশি মাধ্যমিকে প্রথম রৌনক। সে জানাই এই ল্যাপটপ আমার পড়াশোনার জন্য খুব-ই কাজে লাগবে।

জুন ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দল গঠনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে কেন ছেড়ে দিল ইমামি?

দল বদলের বাজারে ইস্টবেঙ্গল যাতে পিছিয়ে না পড়ে তার জন্য ক্লাব কর্তাদের দল গঠনের ব্যাপারে পুরো স্বাধীনতা দিল ইমামি। বুধবার ইমামির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। বৃহস্পতিবার আবার এক দফা আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সেই বৈঠকেই দল গঠনের দায়িত্ব ক্লাব কর্তাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে ইমামি।এদিনের বৈঠকে লালহলুদ কর্তারা কোন কোন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তা বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন ইমামির কর্তাদের। আগামী মরশুমের দল গঠনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই কোনও টেকনিক্যাল টিমও গঠন করা যায়নি। তাই দুই পক্ষের কর্তারা আলোচনা করেই আপাতত দল গঠনের কাজে এগোবেন। নতুন কোম্পানিতে কত শতাংশ শেয়ার কাদের কাছে থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কোনও আলোচনায় হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে পুরো স্পোর্টিং রাইটসের পরিবর্তে শুধু ফুটবল রাইটস ইমামির হাতে তুলে দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সামনের সপ্তাহে কার্যকরী কমিটির বৈঠকে বসবেন লাল হলুদ কর্তারা। সেই বৈঠকে শেয়ারের ব্যাপারে আলোচনা হবে। তারপর ইমামি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ কর্তারা চাইছেন চুক্তির বিষয় চূড়ান্ত করে নতুন কোম্পানি তৈরি করতে। মনতোষ হাতছাড়া হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য খুশির খবর। লাল হলুদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপে ভারতের জার্সিতে খেলা জিতেন্দ্র সিং-এর। গত আইএসএলে জামশেদপুরের হয়ে লিগ শিল্ড জয়ী জিতেন্দ্র সিং-এর কাছে ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও অফার রয়েছে অন্যান্য ক্লাবের। একাধিক আইএসএল-এর ক্লাব তাঁকে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুরোটাই এজেন্টের সঙ্গে খাতিয়ে দেখছেন জিতু। ইস্টবেঙ্গল মনমতো প্রস্তাব দিলে বেশি ক্লাবের চুক্তি পত্রে সই করতে বেশি সময় নেবেন না তিনি। এদিকে, আশুতোষ মেহতাকে কলকাতা লিগের জন্য অধিনায়ক ঘোষণা করতে পারে এটিকে মোহনবাগান। সহ অধিনায়ক বাছা হতে পারে অভিজ্ঞ কোনও বাঙালি ফুটবলারকে।

জুন ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ছোটপর্দার জার্নি শুরু করছেন আমির খানের বোন

কয়েকমাস আগেই খুকুমণি হোম ডেলিভারি বাংলায় বেশ জনপ্রিয় হয়। কয়েক সপ্তাহ পরপর টিআরপির তালিকায় শীর্ষে ছিল। যদিও অজ্ঞাত কারণে হঠাৎই ৫ মাসেই বন্ধ হয়েছে এই শো। তবে খুকুমণির জনপ্রিয়তা এতটাই ঝড় তুলেছিল যে এই শো হিন্দিতে তৈরি হচ্ছে জাতীয় স্তরের দর্শকদের জন্য, নাম বান্নি চাও হোম ডেলিভারি নামে একটি মেগার কথাও চলে আসে। শশী-সুমিত মিত্তল প্রোডাকশনের স্টার প্লাসের এই শো-র সঙ্গে ছোট পর্দায় জার্নি শুরু করছেন আমির খানের বোন নিখাত খান। এই সিরিয়ালে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন উল্কা গুপ্তা, নায়কের চরিত্রে থাকছেন প্রবিষ্ট মিশ্রা। এছাড়াও নিখাত এবং রাজেন্দ্র চলকে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য চরিত্রে। নতুন জার্নি নিয়ে নিখাত জানিয়েছেন, আমি দারুণ এক্সাইটেড এই সফর নিয়ে। স্টার প্লাস আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল। আমার কাছে এটা একটা গর্বের ব্যাপার, আশা করছি দর্শকদের হৃদয় ছুঁতে সফল হব।টেলিভিশনে এটা তাঁর প্রথম কাজ হলেও বড়পর্দায় এর আগে অনেক কাজ করেছেন নিখাদ। এর আগে মিশন মঙ্গল, তানাজি, সান্ড কি আঁখ-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। পরিচালক-প্রযোজক তাহির হুসেনের বড় মেয়ে নিখাত। তাঁর দুই ভাই আমির, ফয়জল এবং বোন ফারহাত। নব্বইয়ের দশকে একাধিক বলিউড ছবির প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নিখাত। আমির খানের লাগান ছবির সহ-প্রযোজক ছিলেন তিনি। বাড়ি বাড়ি বান্নির খাবার পৌঁছে দেওয়ার গল্প বাঙালি দর্শকরা আগেই পছন্দ করেছেন। এখন হিন্দিতে দর্শকরা কতটা পছন্দ করেন সেটাই দেখার। ৩০শে মে থেকে রাত ৯টায় সম্প্রচারিত হবে এই শো।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
রাজ্য

সকাল পৌনে ১১টায় ঢুকে সন্ধ্যের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলায় রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও। তবে দ্বিতীয় দিন দুদফায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে প্রায় সাড়ে ৮ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। প্রায় ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ নিজাম প্যালেস ছাড়েন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এদিন প্রথম দফায় তাঁকে প্রায় ২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছু সময় তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ৪ ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সিবিআইয়ের এসপি রাজীব মিশ্রও এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এসএসসি নিয়োগে উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ওই কমিটির কার্যকলাপের উপর তাঁর কতটা নিয়ন্ত্রণ ছিল তা-ও জানতে চায় সিবিআই। বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার নিয়োগ নিয়েও তাঁর কাছে জানতে চান তদন্তকারীরা।বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে ঢোকেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তারপর নিজের গাড়ি চড়ে নিজাম প্যালেস ছাড়েন মন্ত্রী। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতেও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টেও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও রক্ষাকবচ জোটেনি। সূত্রের খবর, ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করতে পারে সিবিআই।

মে ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • ...
  • 122
  • 123
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal