• ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

রাজ্য

দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে স্বাধীনতা দিবসে বন্দিমুক্তি

স্বাধীনতা উপলক্ষ্যে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু বন্দিকে। এরা সংখ্যায় কুড়ি জন। এছাড়াও বেশ কিছু যাবজ্জীবন দন্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত বন্দীও এই তালিকায় আছেন। এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও প্রদীপ মজুমদার। এছাড়াও কারা বিভাগের ডিআইজি সহ জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও অন্যান্যরা এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। উপস্থিতি ছিলেন বন্দি ও তাঁদের নাচ-গানের প্রশিক্ষকরাও। এদিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান,যে সব মহিলা ও পুরুষ বন্দি সাজার অর্ধেক বা ষাট শতাংশ কাটিয়েছেন তাঁরা ছাড়া পেলেন। এছাড়াও অল্প বয়সী বন্দি ও গরিব যাঁরা জরিমানা দিতে অপারগ তাঁরাও ছাড়া পেলেন। নিয়ম অনুসারে যাবজ্জীবন বন্দিদের কয়েকজন ছাড়া পাবেন। এক্ষেত্রে অন্য কোনও অপরাধ না করাও বিবেচিত হয়েছে। বিবেচিত হয়েছে সংশোধনাগারে থাকাকালীন তাঁদের অন্য গুণের বিকাশকে। জানা গিয়েছে, এঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন সে জন্য সাহায্য করা হবে।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের প্রাক মুহুর্তে বিপ্লবীদের আস্ত্র ভান্ডারের হদিস বালুরঘাটে

বহু বিপ্লবী লড়াই, সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের ফলে আমাদের এই দেশমাতৃকা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। তারপর থেকে দেশের প্রবাহিত নদীগুলির মধ্যে দিয়ে বহু জল প্রবাহিত হয়েছে। দেশ স্বাধীনতা লাভের ৭৪ টি বসন্ত পার করে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে। আর সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বালুরঘাট শহরের প্রাচীন স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাচ্য ভারতি স্কুল ভাড়ার ঘর থেকে অনুশীলন সমিতির ব্যবহার করা অস্ত্রশস্ত্রের হদিস মিললো।উল্লেখ্য যে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে বালুরঘাট ক্ষুদ্র হলেও অসামান্য অবদান রেখেছে। দেশের পঞ্চম স্থান হিসেবে স্বাধীনতার লাভের আগেই একদিনের জন্য হলেও স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ইংরেজদের ইউনিয়ন জ্যাক নামিয়ে বালুরঘাটে তিরাঙ্গা পতাকা উড়িয়েছিলেন। আর সেই সমস্ত ইতিহাস তৈরীর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল যুগান্তর, অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনগুলির। প্রাচ্যভারতী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে একটি ক্লাব সংগঠনের পাশাপাশি একটি বিদ্যালয়ের রূপ পেয়েছে সেই প্রাচ্য ভারতীতে ছিল যুগান্তর অনুশীলন সমিতির মতো গোপন বিপ্লবী সংগঠনের আস্তানা।বিপ্লবীদের অনেক অস্ত্র লুকানো থাকতো এই সংগঠনের বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায়। সেই অস্ত্রের কিছু অংশবিশেষ উদ্ধার হল প্রাচ্যভারতীর ভাঁড়ার ঘর থেকে। পাশাপাশি কিছু প্রাচীন মূর্তির ধ্বংসাবশেষ ও উদ্ধার হয় শুক্রবার দুপুরে প্রাচ্য ভারতি স্কুলের ভাড়ার ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে। বিদ্যালয় এর শিক্ষকেরা সেই অস্ত্রশস্ত্র এবং মূর্তিগুলি উদ্ধার করে সযত্নে রেখে দেন। আগামী দিনে এই অস্ত্রশস্ত্র গুলি নিয়ে তারা স্কুলেই একটি ছোট্ট মিউজিয়াম তৈরি করতে চান বলে স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এই ধরনের স্বাধীনতার কাজের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়ার ফলে স্বাধীনতা যুদ্ধে বালুরঘাটের অবদানের ইতিহাস জানতে অনেক শিক্ষকরা আশাবাদি বলে জানান।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

পরিবহন ব্যবস্থার পরিকাঠামো পর্যালোচনা করতে বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা পরিবহন মন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গের পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনিক সভা করতে বর্ধমানে এলেন রাজ্যের নতুন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। এদিন দক্ষিবণবঙ্গের মোট পাঁচটি জেলার পরিবহন দপ্তরের পরিকল্পনা নিয়ে সভা করেন তিনি। রাজ্যস্তরের আধিকারিকরা ছাড়াও এই সভায় জেলাগুলির আধিকারিকরাও অংশ নেন। নবনিযুক্ত পরিবহনমন্ত্রী জানান, পরিবহন ব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত নিরসনের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করা হচ্ছে। এছাড়াও ওভারলোডিং বা অন্যান্য অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি পরিবহন, কর্পোরেশনগুলিকে আরো আধুনিক করে তোলা হবে। এছাড়াও তিনি জানান, ১৫ বছরের বেশি গাড়িগুলি বাতিল করার নির্দেশ এসেছে। সরকারি ও ব্যক্তিগত স্তরে রাতারাতি এত গাড়ি পরিবর্তন করা বড় ধরণের খরচের ব্যাপার। এ ব্যাপারে তারা নির্দিষ্ট স্তরে দরবার করবেন যাতে একাজের জন্য আরো সময় পাওয়া যায়।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

এক মাসের জাঠা শেষে কলকাতায় বৃহৎ সমাবেশ এসএফআইয়ের

এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় জাঠা শুরু হয়েছে ১লা আগস্ট। শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও স্লোগানে মুখরিত জাঠা। পূর্ব ভারতের দুটি জাঠার একটি ত্রিপুরায় শুরু হয়ে বাংলায় প্রবেশ করবে ১৯ অগাস্ট। আরেকটি বিহারে শুরু হয়ে বাংলায় প্রবেশ করবে ২০ অগাস্ট। কালিম্পং বাদ দিয়ে মোট ২২টি জেলায় ঘুরে ১লা সেপ্টেম্বর কলকাতায় প্রবেশ করবে জাঠা। ২রা সেপ্টেম্বর কলকাতার কলেজস্ট্রিটে অনুষ্ঠিত হবে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশ। এই জাঠা বাংলায় তার যাত্রাপথে ছুঁয়ে আসবে নানান রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সৌধ, ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ স্থান, শহিদদের বাড়ি। মূলত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর বিরোধিতা এবং স্বাধীনতা ৭৫ কে সামনে রেখে এসএফআই বাংলার বুকে প্রায় এক কোটি ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছে তাদের মতামত নিয়ে তৈরি করবে বিকল্প শিক্ষানীতি। একাজে তাঁরা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, কেরলের শিক্ষামন্ত্রী এবং বিভিন্ন শিক্ষাবিদের পরামর্শও নেবে। এই শিক্ষানীতি প্রকাশিত হবে ২রা সেপ্টেম্বরের মঞ্চে। এই জাঠাকে কেন্দ্র করে সারা মাসজুড়ে একাধিক ধরণের কর্মসূচি করবে এসএফআই। ৩-৬ই অগাস্ট এসএফআইয়ের ডিজিটাল সেমিনার চলছে শ্যামল চক্রবর্তী- সুভাষ চক্রবর্তী স্মরণে। হাজার হাজার সভা, মিছিলের পাশাপাশি স্বাধীনতা উৎযাপনে বিপ্লবীদের স্মরণ করার অভিনব পদ্ধতি ঘোষণা করেছে তাঁরা। ১৫ই আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ১৬ই আগস্ট এই রাজ্যের দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলিতে সম্প্রীতির রাখি বন্ধন পালন করার পরিকল্পনাও নিয়েছে এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় স্লোগান ছাড়াও এরাজ্যের জন্য নিজস্ব স্লোগান স্থির হয়েছে এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।

আগস্ট ০৪, ২০২২
রাজ্য

দল ও সরকারে অধিপত্য শুরু, 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতিতেই শীলমোহর

দলে আগেই আধিপত্য বিস্তার হয়েছে, এবার রাজ্য প্রশাসনেও শুরু হল অভিষেকরাজ। এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ করা, দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাসপেন্ড করার মতো দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বুধবার রাজ্যে নয়া মন্ত্রীদের শপথে অভিষেকের নীতির মান্যতা দেওয়ার ছবি স্পষ্ট।এক ব্যক্তি এক পদের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যার প্রধান প্রবক্তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুজনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর মন্ত্রী করা হয়েছে। হুগলির স্নেহাশিষ মুখোপাধ্য়ায়, উত্তর ২৪ পরগণার পার্থ ভৌমিক। এই দুজনই একসময়ে দুই জেলার যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়েছিলেন স্নেহাশিষ ও পার্থ। এবার সাংগঠনিক পদ ছেড়ে একেবারে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে পরিবহণ নিয়ে ওই দফতর দেওয়া হয়েছে স্নেহাশিষকে। এই ফিরহাদ হাকিমের নাম মেয়র হিসাবে ঘোষণার দিন অভিষেক হাজির ছিলেন না। এক ব্যক্তি এক পদ ঘোষণার পরও দলের একাংশ একাধিক সাংগঠনিক পদ ও একাধিক মন্ত্রিত্ব আঁকড়ে বসে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, এদিন মূলত ফিরহাদের কাছ থেকে দুটি দফতর সরিয়ে নিয়ে বোঝানো হয়েছে একাধিক পদ নিয়ে বসে থাকা যত বড় নেতাই হোক না কেন দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাঠে নেমে পড়লেন লক্ষ্মী, প্রথম দিনের অনুশীলনে অভিনবত্ব

কয়েকবছর ধরে ভাল খেলেও রনজিতে সাফল্য আসেনি। অরুণলালকে সরিয়ে এবছর বাংলা ক্রিকেট দলের দায়িত্ব লক্ষ্মীরতন শুক্লার হাতে তুলে দিয়েছেন সিএবি কর্তারা। রনজি জয়ের লক্ষ্যে বুধবার থেকে মাঠে নেমে পড়লেন বাংলার নবনিযুক্ত কোচ। সিএবির ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ৬টি উইকেটে টানা ৬ ঘন্টা ধরে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের নিয়ে পড়ে রইলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা, সৌরাশিস লাহিড়ী, শিবশঙ্কর পালরা।এই মরশুমের জন্য ৪১ জন ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আপাতত তাঁদের নিয়েই প্রস্তুতি চলবে। প্রস্তুতি শিবিরে ডাক পাওয়া মনোজ তেওয়ারি, মহম্মদ সামি, মুকেশ কুমাররা প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন না। এদের কেউই শহরে নেই। অভিমন্যু ঈশ্বরণ, অনুষ্টুপ মজুমদাররা অবশ্য একসময়ের সতীর্থর অধীনে চুটিয়ে অনুশীলন করেন। ভেজা টেনিস বল ও প্লাস্টিকের বলে ব্যাটিং অনুশীলন চলে দীর্ঘক্ষণ। গত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ব্যাটিং। ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার দারুণ অভাব। সেদিকেই নজর দিতে চাইছেন লক্ষ্মী। তাই শুরু থেকেই অনুশীলনে অভিনবত্ব নিয়ে এসেছেন। প্রথম দিনের অনুশীলনে মূলত ব্যাটিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলির অপর নজর দেন লক্ষ্মীরতন। ব্যাটারদের ব্যাকফুট ও ফ্রন্ট ফুটের ব্যবহার নিয়ে পরামর্শ দেন। এছাড়া হুক শট, সুইপ শটও অনুশীলন করান। কীভাবে বল ছাড়তে হবে, সেটাও নিজের হাতে দেখিয়ে দেন।প্রথম দিনের অনুশীলেন পর লক্ষ্মীরতন বলেন, ইন্ডোরে আজ আমরা অনুশীলন শুরু করলাম। প্রথম দিন মূলত ব্যাটিংয়ের বেসিক জিনিসের ওপর জোর দিয়েছি। প্লাসিক বলের পাশাপাশি ভেজা টেনিস বলেও অনুশীলন করিয়েছি। কীভাবে বল ছাড়তে হয় সেটাও দেখিয়েছি। বল ছাড়টা ব্যাটিংয়ের একটা শিল্প। নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, এই দায়িত্বটা নতুন হলেও জায়গাটা পরিচিত। মনেই হচ্ছে না যে এই কাজটা আগে কখনও করিনি। যখন ছেলেদের অনুশীলন করাচ্ছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি তো এখানেই ছিলাম। এখন শুধু প্রাথমিক ব্যাপারগুলোর দিকে জোর দিতে চাই।আপাতত এভাবেই অনুশীলন চলবে।এদিকে, বাংলার সিনিয়র দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ২৫ দলের জোরে বোলিং কোচ করা হল ময়দানের সুপরিচিত ম্যাকো শিবশঙ্কর পালকে।

আগস্ট ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান, ইমামির সঙ্গে চুক্তি হল ইস্টবেঙ্গলের

এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন অগনিত লালহলুদ সমর্থক। অবশেষে যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান। ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি হয়ে গেল। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে দুই পক্ষ চুক্তিপত্রে সই করে। তবে মোহনবাগানের মতো নামের আগে অন্য ক্লাবের নাম জুড়ে খেলতে হবে না ইস্টবেঙ্গলকে।মে মাসে দুই পক্ষের কর্তাদের উপস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করেছিলেন, এই মরশুমের ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করবে ইমামি গোষ্ঠী। সেই ঘোষণার পর দুমাসের বেশি সময় কেটে গেলেও নানা জটিলতায় সরকারিভাবে চুক্তিপত্রে সই হয়নি। দুই পক্ষের কর্তারা বারবার চুক্তিপত্র নিয়ে আলোচনায় বসেন। নানা সংশোধনী হয়। অংশীদারিত্ব নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত লালহলুদ কর্তারা ৭৭ শতাংশ শেয়ার লগ্নিকারী সংস্থার হাতে ছেড়ে দিতে রাজি হয়। এরপরই সমস্যার সমাধান হয়।ইমামির সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর নতুন সংস্থার নাম হল ইমামি ইস্টবেঙ্গল প্রাইভেট লিমিটেড। নতুন কোম্পানির ৭৭ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইমামির হাতে। ২৩ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। নতুন বোর্ডে ৭ জন ইমামির প্রতিনিধি থাকবেন, ৩ জন ইস্টবেঙ্গল প্রতিনিধি। কলকাতা লিগ এবং ডুরান্ড কাপে ইমামি ইস্টবেঙ্গল নামে খেলবে লালহলুদ। আইএসএলে শুধুমাত্র ইস্টবেঙ্গল এফসি নাম ব্যবহার করা হবে। মঙ্গলবার চুক্তিপত্রে সই হওয়ার পর ইমামি গোষ্ঠীর কর্ণধার আদিত্য আগরওয়াল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ক্রীড়াজগতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে ইমামির। প্রয়াত মিলখা সিংহ থেকে শুরু করে সৌরভ গাঙ্গুলি, শচীন তেণ্ডুলকার, বীরেন্দ্র শেহবাগ, সাইনা নেহাল, সানিয়া মির্জা, মেরি কম, সুশীল কুমারের মতো ক্রীড়া জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে আমরা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তুলে এনেছি। ৯০এর দশকে আমরা ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে ছিলাম। এ বার বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হতে পেরে খুশি।ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার বলেন, ইমামিকে বিনিয়োগকারী হিসেবে পেয়ে আমরা খুব খুশি। ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে দেশের অন্যতম সেরা ফুটবল দল বানানোই আমাদের লক্ষ্য। আপাতত ডুরান্ড কাপ এবং কলকাতা লিগে ভাল দল গড়াই প্রধান লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের। আইএসএলের জন্য দল গঠন ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে তারা। এদিন চুক্তিপত্রে সই অনুষ্ঠানে ইস্টবেঙ্গলের একঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার হাজির ছিলেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
রাজ্য

৫০ কোটি টাকা কার? পার্থ বলছেন, 'টাকা আমার নয়'

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা কার? এ যেন রীতিমতো গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্রের খবর, অর্পিতা ইডিকে বলছেন টাকা তাঁর নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানেন। এদিকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জোরের সঙ্গে বলছেন, টাকা আমার নয়। একইকথা তিন বার বলেছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেন্ট মহাসচিব। শুধু তাই নয়, পার্থর দাবি, তিনি টাকা লেনদেন করেন না। এখনও ষড়যন্ত্রের দাবিই করছেন পার্থ। তবে সময়ের জন্য অপেক্ষা করে আছেন।উল্লেখ্য, ২২ জুলাই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহ একাধিক জায়গায় ইডি হানা দেয়। তৎকালীন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার র নানা হলেও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। কয়েকদিন পর বেলঘরিয়া রথতলায় কামারহাটি পুরসভার পাশে একটি অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাটে ফের হানা দেয় ইডি। তখন উদ্ধার হয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা। এছাড়া ৬ কেজি সোনা, রাশি রাশি রুপোর কয়েন উদ্ধার করে ইডি। কিন্তু এই ৫০কোটি নগদ টাকা কোথা থেকে এল? তার তদন্তে শুরু করে ইডি। এই টাকা নিজের নয় বলেই দাবি অর্পিতার। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ওই টাকা তাঁরও নয়। তাহলে ওই ফ্ল্যাটের চাবি কী আর কারও কাছে ছিল? সূত্রের খবর, সেই প্রশ্নও উড়িয়ে দিচ্ছে না ইডি। নাকি তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে পার্থ-অর্পিতা? সমস্ত সম্ভাবনাই ক্ষতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

জুলাই ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

'অরুণের' প্রস্থানে বাংলার আবার 'লক্ষ্মী' লাভ, আশায় বুক বাঁধছেন ক্রীড়া প্রেমীরা

ভারতীয় ক্রিকেটে লক্ষ্মীরতন শুক্লা শুধুমাত্র একটা নাম নয়, লক্ষ্মীরতন শুক্লা একটি বিশ্বাস। যে বিশ্বাসের আশায় এখন দুলছে বাংলার ক্রিকেট। ৩০ রানে ৫ উইকেটে ধুঁকছে বাংলা, লক্ষ্মীর আগমনে সেই রান পৌছে গেলো ৩০০/৫। কিনান স্টেডিয়াম, ব্যাট হাতে বাংলার ক্রাইসিস ম্যান উল্টো দিকে বল হাতে তৎকালীন সময়ের ভারতের দ্রুততম পেস বোলার আশিস নেহেরা। লক্ষ্মীর ইনিংসের প্রথম বল মাঠের বাইরে। ছয় রান। লক্ষ্মী মানে আসাধ্যসাধন, লক্ষ্মী মানে আশ্বাস।বাংলা ক্রিকেটের আকাশে অরুণলাল অস্তমিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোজাগরীর লক্ষ্মীর আবির্ভাব। ক্রীড়াপ্রেমী বাংলার মানুষের আশা, লক্ষ্মী কোজাগরী পূর্ণিমার রাতের ঝলমলে আকাশের মতো আলো ছড়িয়ে বাংলার ক্রিকেট ভাঁড়ারে বহু মূল্যবান রতন এনে দেবেন। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) আগামী মরসুমে বাংলার সিনিয়র দলের কোচ হিসাবে লক্ষ্মীরতন শুক্লার নাম বিবেচনা করেছেন। ক্রিকেট ছাড়ার পর থেকেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাওড়ার ডুমুরজলাতে বিনা পারিশ্রমিকে বাচ্চাদের নিয়ে কোচিংয়ে মেতে ওঠেন। যাঁরা ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে চেনেন তাঁরা জানেন, লক্ষ্মী কি প্রচন্ড ফিটনেস ফ্রিক। নিত্যদিন জিমে ১-২ ঘণ্টা সময় কাটান নিজেকে ফিট রাখতে। অত্যাধুনিক কোচিং ম্যানুয়ালের সঙ্গে সুপরিচিত এরকম একজন মানুষকে বাংলা দল পাশে পেয়ে ভীষণ রকম উপকৃত হবে সে কথা বলাই বাহুল্য। এর আগে তিনি বাংলা অনুর্ধ ২৩ দলের দায়িত্ব সামলেছেন।লক্ষ্মী খেলার শেষে মাঠ থেকে সোজা বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের মানুষজন ও কিছু ঘনিষ্ট বন্ধুবান্ধবের সাথেই সময় কাটাতে বেশী পছন্দ করেন। তাঁর জীবনদর্শন গড়পড়তা পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা। তাঁর কথা একটা প্রতিবেদনে লিখে শেষ করা মুশকিল। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন যোগ্য ব্যক্তিদের স্যার সম্বোধন করতেন অবলীলায়। যা তাঁর শিক্ষা ও বংশপরিচয়ের প্রমান রাখে। ছোটোবেলায় দাদার সাথে সাইকেলের পিছনে বসে ব্লাউজের পিস বিক্রী করেছেন অভাবের সংসারের পাশে থাকতে, সে থেকেই হয়ত জন্ম নিয়েছে লড়াকু মানসিকতার, হার না মানা লক্ষ্মীর।উল্লেখ্য, লক্ষ্মী ২০১৬-তে বর্তমান শাসক দলের হয়ে ভোটে লড়ে হাওড়া উত্তর বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। বিধায়ক হয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পান। ২০২১-র ৫ জানুয়ারি লক্ষ্মী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বান্দ্যপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যহতি চান। মমতা প্রেসকে জানান লক্ষ্মী খুব ভালো ছেলে, ও খেলায় মোনযোগ করতে চায়। বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে প্রবাদটির প্রতি সন্মান দিয়েই বোধহয় লক্ষ্মী মাঠে-ই ফিরে গেলেন। ঘাসফুল নয় তাঁকে টানছিল মাঠের সবুজ ঘাস। শাসক দলের বিধায়ক, মন্ত্রিত্ব...... হাজারো সুবিধা, প্রলোভন যে ছেলে অবলীলায় ছক্কা মেরে মাঠের বাইরে পাঠাতে পারে, মাঠ তো তাঁকে টেনে নেবেই। অভিষেক ডালমিয়া ও তাঁর সহকারীরা একেবারে সঠিক মানুষকেই বাংলার দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন বলে বাংলার প্রাক্তনীরা জানাচ্ছেন।ভোটের প্রচারে লক্ষ্মীরতন শুক্লাতাঁর জীবনটাই এক লড়াই, স্কুল বেঙ্গল খেলায় জম্মুতে গিয়ে একপ্রকার জোর করে প্রথম দলে ঢুকে ম্যচ জেতানো ইনিংস উপহার দেওয়া। তাঁর নিজের প্রতি অগাধ বিশ্বাস তাঁকে অনেকটা সামনে নিয়ে গেছে। তাঁর এই অদম্য মনোভাবের পরিচয় তিনি রেখেছিলেন সে ছোটবেলা থেকেই। নদিয়ার গয়েসপুরে অনুর্ধ ১৬ স্কুল ডিস্ট্রিক্ট টুর্নামেন্টের ফাইনালে হুগলীর পাঁচ জন ব্যাটারকে রান আউট করে ম্যান অফ দা ম্যাচ হওয়া ক্রিকেটারের নাম লক্ষ্মীরতন শুক্লা। যাখনই যে দলে খেলেছেন সেই দলকে খাদের কিনারা থেকে তোলার দ্বায়িত্ব নেওয়া যেন তাঁর কাছে সহজাত ব্যাপার ছিল। তাঁর খেলা ফুটে উঠত দল খাদে পড়লেই। তাঁর কেরিয়ার অ্যানালিসিস করলে দেখা যাবে ৩০/৫ অবস্থায় নেমে লক্ষ্মী যে খেলা খেলেছেন, ৩৫০/৫ এ তাঁকে সেভাবে পাওয়া যাইনি।২০১১-১২-র মরসুমে বিজয় হাজারে ট্রফিতে সারা টুর্নামেন্ট জুড়ে অনবদ্য পারফরমেন্স করে বাংলাকে চাম্পিয়ন করেন। ফাইনালে মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে বল হাতে দুরন্ত পারফরমেন্সের (৯.২ - ১ - ৩৮ - ৪) পর ব্যাট করতে নেমে অনবদ্য অপরাজিত শতরান (১০৬) করেন। ফাইনালে সেরা খেলোয়াড়ও তিনিই নির্বাচিত হন লক্ষ্মী। মনে রাখতে হবে সেই দলে বাংলার আইকন সৌরভ গাঙ্গুলী, বর্তমান ভারতীয় দলের দ্রুততম পেস বোলার মহঃ শামি-ও ছিলেন।তাঁর খেলোয়াড় জীবনের মূল মন্ত্র ছিল মাঠে না নেমে হারবো না। এই মনোভাবটাই তিনি তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন। মুম্বাই ক্রিকেটে একটা কথা খুব চালু আছে খাড়ুশ, যার অর্থ হল উইকেটে পরে থাকো। বোলার তোমার উইকেটে অর্জন করুক, তুমি তাকে তোমার উইকেট বিসর্জন দিও না। লক্ষ্মী তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর মনোভাব তুমিও পারবে ছড়িয়ে দিতে সফল হয়েছিলেন, তাই বহু জুনিয়ার খেলোয়াড় আজও লক্ষ্মীকে মনে রেখেছে। কলকাতা ময়দানে বিভিন্ন বড় দলে খেলেও কোনও নির্দিষ্ট স্ট্যাম্প লাগতে দেননি তাঁর গায়ে। এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে তিনি কালিঘাট ক্লাবকে পাঁচ মুকুট চাম্পিয়ান করেছিলেন।লক্ষ্মীর জন্ম হাওড়া শহরে ঘুশুড়ি এলাকায়। শুক্লা স্থানীয় ঘুশুড়ি শ্রী হনুমান জুট মিল হিন্দি হাই স্কুলে এবং ডন বস্কো হাই অ্যান্ড টেকনিক্যাল স্কুল, লিলুয়া থেকে পড়াশোনা করেন। তাকে স্থানীয় মানুষ জন ভালোবেসে বিট্টু নামে ডাকেন, শুক্লা বাংলা অনূর্ধ্ব-১৬ দলে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ খেলায় উড়িষ্যা-র বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ৫৬ এবং ৫ উইকেট নিয়ে তাঁর আগমন জানান দিয়েছিলেন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলা খেলতে খেলতে, মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন সেই ম্যাচে ২৬ রান এবং ২টি উইকেট দখল করে তাঁর যোগ্যতার প্রতি সুবিচার করেন। পরের সিজিনে তিনি দলীপ ট্রফির জন্য নির্বাচিত হন।হার না মানা লক্ষ্মীরতন শুক্লাক্রিকেট বিশেষঞ্জদের মতে তাঁর ব্যাটিং ছিল ভয়ডরহীন। তিনি দ্রুত গতিতে বোলিং করতেন এবং একজন আন্তর্জাতিক মানের সুদক্ষ ফিল্ডার ছিলেন। তাঁর অলরাউন্ড দক্ষতার জন্য তাঁকে ১৯৯৯ এ সফরকারী পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ভারত এ-তে খেলার জন্য ডাক পেয়েছিলেন। ওপেনিং বোলিং করে শুক্লা ওয়াজাহাতুল্লাহ ওয়াস্তি, ইউসুফ ইউহানা এবং ইনজামাম-উল-হক এর উইকেট নিয়েছিলেন, সেই মাচে তিনি ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯৯৯ এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচ দিয়ে তাঁর ক্যারিয়ার শুরুক মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলিয়ে তাঁকে বাতিলের তালিকায় ফেলে দেওয়া হয়।শুক্লা ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের হয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধেও দারুণ খেলেছিলেন, সেই ম্যাচে তিনি ৪ টি উইকেট নেন। সে সময়ের পাকিস্তানের চার মহারথী শহীদ আফ্রিদি, ইনজামাম, আজহার মাহমুদ, এবং ইউহানাকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন, তাঁর এ হেন পারফরমেন্সের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা ছিল হয়ত খুব শীঘ্রই লক্ষ্মী ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পাবেন।২০১১-১২ দেশের সেরা অলরাউন্ডারের পুরস্কার লালা অমরনাথ ট্রফি পান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার, সেই সেরা অলরাউন্ডারকে তাঁর সেরা সময়ে দেশের হয়ে খেলে নিজেকে প্রমান করার নুন্যতম সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁকে মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলিয়ে শুধু যে তাঁর প্রতি অবিচার করা হল তা নয়। দেশ একজন লড়াকু ছেলের লড়াই দেখা থেকে বঞ্চিত হল। যাঁর জানপ্রান লড়াই বাংলার অগণিত ক্রিকেটপ্রেমী দেখতে অভ্যস্ত ছিল, সেটা কলকাতা ময়দানের লিগ খেলা হোক বা রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। তাঁর এই মনোভাব অসম্ভব ছোঁয়াচে ছিল। প্রায়সই সেই রোগে আক্রান্ত হয়ে জুনিয়র খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের উজার করে দিতেন।সারা বাংলা লক্ষ্মীরতন শুক্লার দিকে তাকিয়ে, গত দুটি রঞ্জীতে বাংলা অরুনলালের কোচিং -এ একবার ফাইনাল ও এবার (২০২২) সেমিফাইনালে পোঁছেও চুড়ান্ত সফলতা পাইনি। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি কি বাংলাকে সি উচ্চতায় পৌছাতে পারবেন? পারিবারিক জীবনেও লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি অনেকদিনের। সেই সমঝোতা কতটা কাজে লাগে বাংলার ক্রিকেটে সেই দিকেই তাকিয়ে বাংলা ক্রিকেটপ্রেমী জনগণ। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ দুজনে একসঙ্গে বহু ম্যাচ বাংলার হয়ে খেলেছেন। পুরনো পেস-স্পিন জুগলবন্দী দেখার আশায়। সৌরাশিষ এর আগে বাংলার অনুর্ধ ২৩ টিমকে নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁর সাফল্য ঈর্ষনীয়। সৌরাশিষের সাধাসিধে জীবনযাত্রা ক্রিকেটের প্রতি সততা ও অনুগত প্রান উপরি পাওনা বাংলার ক্রিকেটে।বাংলার ক্রিকেটের আর এক জনপ্রিয় ব্যাটার মনোজ তিওয়ারি। যিনি লক্ষ্মী-র ছেড়ে আসা পদে আসীন হয়ে বাংলার বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্ভবত বিশ্ব ক্রিকেটে হয়ত বা যেকোনও ধরনের খেলায়, এক প্রাক্তন ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী কোচিং এ বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী খেলবেন। এক প্রাক্তন ক্রিকেটারকে একবার তাঁর ঘনিষ্ট মহলে বলতে শুনেছিলাম, লক্ষ্মীরতন শুক্লা কমপক্ষে ১০০ একদিনের ম্যাচ খেলা উচিত ছিল, বাস্তবে সেটা হইনি, কিন্তু সেকারণে তাঁর কমিটমেন্টের কোনও খামতি ছিল না। বর্তমানে অনেকের মুখেই শোনা যায় এ বাঙালি ও অবাঙালি, লক্ষ্মী হেঁসে তাঁদের বলে যে বাঙলাই জন্মেছে সেই বাঙ্গালি। গর্বিত করেছে এই বাংলা বহুবার... আরও করবে ভবিষ্যতে। তাঁর কথাতেই শেষ করি। বাংলার জার্সির লোগোতে বাঘের ছবি আছে,মাঠেও তাঁর প্রতিফলন দেখতে চাই বাংলা তোমার থেকে......।কুনাল মুখোপাধ্যায়(বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদস্ত আধিকারিক)

জুলাই ৩১, ২০২২
দেশ

আরবিআই-র অনুমোদনহীন এই ব্যাঙ্ক গুলি থেকে টাকা তোলায় বিধিনিষেধ, আপনি কি ওই ব্যাঙ্ক গুলির গ্রাহক?

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, দুটি বাঙ্কের আর্থিক অবস্তার অবনতির দিকে নজর রেখে আপাতত ছয় মাস ওই দুই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।উত্তরপ্রদেশের দুটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা তোলা সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই দুই ব্যাঙ্ক হল লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সীতাপুর। ব্যাঙ্কিং নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে এই বিধিনিষেধ ছয় মাসের জন্য আপাতত বলবৎ থাকবে।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতি জারী করে বলেছে, লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা ৩০,০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে টাকা তোলার সীমা গ্রাহক প্রতি ৫০,০০০ টাকা।জানা গেছে যে, এই দুটি ব্যাঙ্ক-ই আরবিআই-এর অনুমোদন হীন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই ব্যাঙ্ক কোনওরকম ঋণ দিতে পারবে না, কোনও সংস্থা তে বিনিয়োগ করতে পারবে না, কোনও দায় বহন করতে পারে না ... সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এই দুই ব্যাঙ্কের ওপর।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রিত্ব থেকে, আপাতত দায়িত্বে মুখ্যমন্ত্রী

শেষমেশ মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষদীয় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৬ দিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।পার্থ চট্টোপাধ্যায় ১০ মে ২০১১ তে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। টানা ১১ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। পার্থ ২০০১-এ বেহালা পশ্চিম থেকে বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হন। তিনি ২০১১-তে বিধানসভার দলনেতা মনোনীত হন। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেই সময় আদালতের কথার গুরুত্ব দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপর সিবিআই তাঁকে নিজাম প্যালেসে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত সপ্তাহে ইডি তাঁর বাড়িসহ একাধিক জায়গায় হানা দেয়। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকাসহ মূল্যবান গযনা, দলিল, নথি উদ্ধার করে ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ সহ, ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়। ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে অর্পিতা স্বীকার করে নেয় তাঁর বাড়িতে উদ্ধার হওয়া টাকা সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপর তড়ঘড়ি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পার্থকে বরখাস্ত ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর দাবি তোলে। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরানো হয় পার্থকে। এবার দলীয় পদ থেকে অপসারণের পালা।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, দাবি মিঠুনের

শিবসেনার মধ্যে বিদ্রোহ ঘটিয়ে মহারাষ্ট্র দখল করেছে বিজেপি তারপর থেকেই বিরোধী দলনেতা দাবি করে আসছেন এরপর ঝাড়খন্ড তারপর বাংলা। এই নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। যদিও ২০২১ ভোট-পরবর্তী সময়ে বিজেপির ৭-৮জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২ জন সাংসদ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। বুধবার রাজ্য দফতরে বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী দাবি করেন, তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জন আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এই দাবিকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে।এদিন হুগলিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, চব্বিশে বিজেপি আসবে না, আসবে না, আসবে না। কোন অঙ্ক, কেন, কী ভাবে তা জানি না। তারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেতা মিঠুন জানিয়ে দেন ৩৮ জন তৃণমূল বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখছেন।

জুলাই ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করে পাঠিয়ে দিলেন কনস্টানটাইন, ইমামির সই কবে?‌

সামনের মরশুমে আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনকেই লালহলুদের রিজার্ভ বেঞ্চে দেখা যাবে। মঙ্গলবারই বিষয়টা নিশ্চিত হয়ে গেল। ইমামি গোষ্ঠীর পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করে এদিনই তা পাঠিয়ে দিয়েছেন এই ব্রিটিশ হাই প্রোফাইল কোচ। ক্লাবের একটা বিশেষ সূত্র থেকে খবরটা জানা গেছে। কনস্টানটাইন চুক্তিপত্রে সই করায়, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, আইএসএলে তাংর কোচিংয়ে খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। কনস্টানটাইনের চুক্তিপত্রে সই করার কথা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি।লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করলেও এখনই কলকাতায় আসছেন না কনস্টানটাইন। ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, ডুরান্ড কাপ চলার সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। নিজের পছন্দ করা সাপোর্ট স্টাফদেরও তিনি সঙ্গে নিয়ে আসবেন। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ত কাপে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনো জর্জ। তিনি দুএকদিনের মধ্যেই কলকাতা চলে আসছেন। বিনো জর্জ আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন।এদিকে, চলতি মাসেও ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে শোনা গিয়েছিল বুধ কিংবা বৃহস্পতিবার চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। কিন্তু সূত্রের খবর, সামনের সপ্তাহের প্রথম দিকে চুক্তিপত্রে সই হবে। তবে দল গঠন প্রক্রিয়া চলবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি পাকা হয়েছে। গত বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলা অঙ্কিত মুখার্জির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গেছে। আরও কয়েকজন ফুটবলার প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছেন বলে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইমামির সঙ্গে চুক্তিজটে ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকার

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি না হওয়ায় ফুটবলারদের সি করাতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও এর ফলে একের পর এক ফুটবলার হাতছাড়া হয়ে চলেছে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ভরসা করতে পারলেন না বিদেশি স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউন। এবার তিনিও হাতছাড়া। লালহলুদের অপেক্ষায় না থেকে নতুন ক্লাব বেছে নিলেন মেজর সকার লিগে খেলা জামাইকার এই স্ট্রাইকার।শনিবারই দেশর্ন ব্রাউন সই করেছেন মেজর সকার লিগের ক্লাব সাক্রামেন্টোতে। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি সাক্রামেন্টোও প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রাউনকে। ইস্টবেঙ্গলের টালবাহনার জন্য তিনি মেজর সকার লিগের এই ক্লাবকেই বেছে নিলেন। লালহলুদে সই না করার পেছনে তিনি ক্লাবের চুক্তি জটের কথা জানিয়েছেন।দেশর্ন ব্রাউন ছাড়াও তরুণ গোলকিপার ভাস্কর রায়কেও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। তাঁকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কিন্তু ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটের জন্য তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ঝঁাপয়েছিল মুম্বই সিটি এফ সি। দুবছরের চুক্তিতে তিনি মুম্বইতে সি করেছেন। গত মরশুমে আই লিগে রাজস্থান ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। মুম্বই সিটি এফ সির চুক্তিপত্রে সই করার পর তিনি বলেন, মুম্বই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমি বদ্ধপরিকর।এদিকে, সামনের মরশুমের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু এফ সি। রয় কৃষ্ণাকে তুলে নেওয়ার পর এবার তারা সই করাল অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার অ্যালেক্সজান্ডার জোভানোভিচকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও চার ফুটবলারকে সই করাল বেঙ্গালুরু এফসি। এরা হলেন, সুধীর কোটিকালা, অঙ্কিত পদ্মনাভন, ক্লারেন্স এবং ফেলিক্সসন ফার্নান্ডেজ। সুধীরকে দুই বছরের চুক্তিতে এবং অঙ্কিতকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ...
  • 118
  • 119
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

৮.৪ ওভারেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে ভারত, বোলিংয়ে ঝড়—তবু ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভাবাচ্ছে হরমনপ্রীতদের

দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটে জয় ভারতের। বোলারদের দাপটে ম্যাচ একতরফা হলেও মাত্র ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট হারানোয় প্রশ্ন উঠল ভারতের টপ অর্ডার নিয়ে। নকআউটের আগে এটাই এখন হরমনপ্রীতদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।দুবাইয়ের আকাশে তখনও ম্যাচের উত্তাপ। কিন্তু মাঠে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই যেন ফলাফল লেখা হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৫। ভারতের সামনে লক্ষ্য ৫৬। ক্রিকেটের হিসাব বলছিল, এই রান তাড়া করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।মাত্র ৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে নিজেদের দাপট আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল হরমনপ্রীত কৌরের দল।তবে এই জয় যতটা স্বস্তির, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছোট্ট একটা অস্বস্তি। কারণ, ৫৬ রানের মতো মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতেও ভারতের টপ অর্ডারের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারশেফালি বর্মা, প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানাদ্রুত ফিরে গেলেন। ম্যাচের গুরুত্বের নিরিখে যা হয়তো বড় সমস্যা নয়, কিন্তু নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে এই জায়গাটাই ভাবাবে।প্রথম বলেই ছক্কা, তারপরই থেমে গেল শেফালির ঝড়৫৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। শেফালি বর্মা যেন শুরুতেই ঘোষণা করে দিলেনএই ম্যাচকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।কিন্তু সেই ঝড় স্থায়ী হল না।মাত্র ১২ রানেই শেফালিকে ফিরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াইটা উপহার দিলেন।এরপর তিন নম্বরে নেমে প্রতিকা রাওয়ালও ব্যর্থ। জেমাইমা রদ্রিগেজের জায়গায় এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপেক্ষায় থাকা প্রতিকা মাত্র ৪ রান করেই ফাতিমার শিকার। একই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। কিন্তু সেই উত্তেজনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।মন্ধানার আউট নিয়েও রয়ে গেল প্রশ্নআগের ম্যাচে দুর্দান্ত শতরান। ফলে স্মৃতি মন্ধানার দিকে প্রত্যাশার চোখ ছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই তাঁকে কিছুটা মন্থর দেখাচ্ছিল।৯ রানেই ফাতিমা সানার বলে আউট হয়ে গেলেন মন্ধানা। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্কের জায়গা থাকল। বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু এই এশিয়া কাপে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অবশ্য আর কোনও বিপদ হতে দেননি হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মা।অভিজ্ঞতার ভারেই ম্যাচ শেষ করে দিল ভারতের মিডল অর্ডার। হরমনপ্রীত অপরাজিত থাকলেন ১৮ রানে, দীপ্তির অপরাজিত ইনিংস ১২ রানের। আর শেষটা এল অধিনায়কের ছক্কায়।৮.৪ ওভার। ৭ উইকেটের জয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সহজ সাফল্য।ভারত-পাকিস্তানফারাকটা ক্রমেই স্পষ্টমহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্য যে কতটা একপেশে, এই ম্যাচ তারই আরেকটি উদাহরণ।দুদল এখনও পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত জিতেছে ১৫ বার, পাকিস্তান তিনবার। এশিয়া কাপে ছবারের সাক্ষাতে এটি ভারতের পঞ্চম জয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের জয়টি এখনও এই ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের শেষ সাফল্য।অর্থাৎ পরিসংখ্যানের খাতাতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট অটুট। কিন্তু এ দিন ভারতের আসল শক্তি ব্যাট হাতে নয়বল হাতে।চার স্পিনার, ৯ উইকেটদুবাইয়ে ঘূর্ণির সামনে অসহায় পাকিস্তানটস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফাতিমা সানা। পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কারস্কোরবোর্ডে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।শুরুটাও মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। প্রথম উইকেটে ২৭ রানও উঠে গিয়েছিল। তারপরই ম্যাচের চেহারা বদলে গেল।ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং যেন হঠাৎ পথ হারিয়ে ফেলল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবা আলিকে ফিরিয়ে শেফালি শুরু করলেন ধসের। তারপর একের পর এক উইকেট।পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপের পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। দুই ওপেনার বাদে কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেন না। মন্থর উইকেটে ভারতীয় স্পিনের মোকাবিলা করার কোনও উত্তরই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানেই অল আউট পাকিস্তান।চরণি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে কাঁপল পাকিস্তানভারতের চার স্পিনার মিলে তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের নয়টি উইকেট। বাকি একটি রান আউট।সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রী চরণি। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট। চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট সংখ্যা এখন ৩৪। আর দুটি উইকেট পেলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের রেকর্ড তাঁর দখলে চলে আসবে।প্রেমা রাওয়াতও সমান বিধ্বংসী। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তিন উইকেট।দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেফালি বর্মার ঝুলিতেও এসেছে একটি উইকেট।অর্থাৎ পাকিস্তানের ১০ উইকেটের মধ্যে নয়টিই ভারতীয় স্পিনের শিকার। এটাই সম্ভবত ম্যাচের সবচেয়ে বড় ছবি।শুধু একটি জায়গাতেই অস্বস্তিবোলিং নিয়ে ভারতের চিন্তার কারণ প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে একটি ঘটনা নজরে পড়েছে। দুই পেসার ক্রান্তি গৌড় এবং নন্দিনী শর্মার বলে মুনিবা আলির ক্যাচ ফস্কেছেন প্রতিকা রাওয়াল। ক্যাচ দুটি ধরা পড়লে পেসারদের নামের পাশেও উইকেট থাকত।কোচ অমল মুজুমদারের কাছে সেটিও অবশ্যই নোট করার মতো বিষয়।তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন টপ অর্ডার।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগও কি নষ্ট হল?ম্যাচ যখন কার্যত হাতের মুঠোয়, তখন ভারত চাইলে রিচা ঘোষ বা ভারতী ফুলমালিদের আগে নামিয়ে কিছুটা পরীক্ষা করতে পারত। কম রান তাড়া করার ম্যাচে তাঁদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত।ভারত অবশ্য সেই পথে হাঁটেনি।জয় এসেছে দ্রুত। কিন্তু নকআউটের আগে এমন ম্যাচেই তো বেঞ্চের শক্তি যাচাই করে নেওয়া যায়।আর এখানেই ভারতের সামনে প্রশ্নটা আরও স্পষ্টবোলিং যদি এতটাই শক্তিশালী হয়, ব্যাটিংয়ের প্রথম সারিও কি একই রকম ধারাবাহিক?নকআউটের আগে সতর্কবার্তাপাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারানোর জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বরং ভারতীয় স্পিনাররা যে ভয়ঙ্কর ছন্দে রয়েছেন, তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় সতর্কবার্তা।কিন্তু পাকিস্তানের মতো দুর্বল স্কোরের দলের বিরুদ্ধে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। বড় ম্যাচে সেই সুযোগ মিলবে না।আজ ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট পড়েছেতবু জয় এসেছে অনায়াসে।কাল যদি লক্ষ্য হয় ১৫০ বা ১৬০, তখন?সেই কারণেই এই জয় ভারতের জন্য নিছক আর একটি জয় নয়। ৫৫ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়া যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনই টপ অর্ডারের অনিয়মিত ছন্দ নকআউটের আগে হরমনপ্রীতদের কপালে সামান্য ভাঁজও ফেলবে।দুবাইয়ে পাকিস্তানের রাতটা ছিল দুঃস্বপ্নের। ভারতের কাছে রাতটা ছিল স্বস্তির। কিন্তু সেই স্বস্তির আড়ালেই ভবিষ্যতের বড় ম্যাচের জন্য একটি প্রশ্ন রেখে গেল এই জয়স্পিনাররা পথ দেখাচ্ছেন, এবার কি ব্যাটাররা সেই পথ ধরে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারবেন?

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

শতবর্ষের মঞ্চে মোদীর মুখে জেন জি-র ভাষা! এসআরসিসির প্রাক্তনীদের নিয়ে বললেন, ‘ওজি’

দেশের অন্যতম পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সের শতবর্ষ উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিক্ষক দিবসের দিনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি এসআরসিসির প্রাক্তনীদেরও বিশেষ ভাবে সম্মান জানান তিনি। তাঁদের প্রশংসা করতে গিয়ে জেন জি-র প্রচলিত ভাষা ব্যবহার করে ওজি শব্দটিও বলেন প্রধানমন্ত্রী।এসআরসিসিতে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গেলেন মোদী। এর আগে ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসআরসিসির যাত্রা শুরু হয়েছিল দরিয়াগঞ্জের একটি ছোট জায়গা থেকে। একশো বছরে সেই প্রতিষ্ঠান এখন বিশাল এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে এবং বহু প্রজন্মের পড়ুয়াকে পথ দেখিয়েছে।কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতি স্যার শ্রী রামের কথাও স্মরণ করেন মোদী। তিনি বলেন, ১৯২৬ সালে শ্রী রাম এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একশো বছরে এই প্রতিষ্ঠান দেশকে বহু বিদ্বান, প্রশাসক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক দিয়েছে। আগামী ২৫ বছরে বিকশিত ভারতের যাত্রাতেও এসআরসিসির পড়ুয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।এর পরেই এসআরসিসির প্রাক্তনীদের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে জেন জি-র পরিচিত শব্দ ব্যবহার করেন মোদী। তিনি বলেন, তরুণদের ভাষায় এসআরসিসির প্রাক্তনীরাই আসল ওজি। তাঁদের সাফল্য শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাঁরা প্রতিষ্ঠানের গৌরব বাড়িয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মোদী বলেন, তিনি তরুণদের স্বপ্ন, তাঁদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের নিজেদের মুখ থেকে শুনতে চান। সেই লক্ষ্যেই বিজেপির তরফে জেন জি-র সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এসআরসিসির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে মেট্রোয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর কথাও হয়। ফলে একই দিনে মেট্রো থেকে শুরু করে এসআরসিসির মঞ্চদুই জায়গাতেই যুব সমাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ নজর পড়ে।এসআরসিসির শতবর্ষ উপলক্ষে এর আগেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এপ্রিল মাসে কলেজের শতবর্ষ স্মরণে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে এসআরসিসিকে জাতীয় কর্পোরেট পরিচালন কেন্দ্রের মর্যাদা পাওয়ার জন্যও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র কলেজ এসআরসিসি। শতবর্ষের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি, যুব সমাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং প্রাক্তনীদের ওজি বলে প্রশংসাসব মিলিয়ে এ দিনের অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে মস্কোয় ট্রাম্পের দুই দূত! তার মধ্যেই তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধ করল রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ফের তৎপর আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। তাঁদের সফরের মধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী তিন দিন ইউক্রেনে কোনও হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছে মস্কো।রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ এই সংঘাত থামাতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে বার বার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে বড় কোনও সমাধান হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই ফের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা শুরু করেছে আমেরিকা।এর আগে যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের বিশেষ দূতদের মস্কো সফরকে নতুন করে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, মার্কিন দূতেরা রাশিয়া সফরে থাকাকালীন কিয়েভের তরফে কোনও বিমান হামলা চালানো হবে না। একই সঙ্গে মস্কোকেও একই পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি। জেলেনস্কি বলেন, আলোচনা এবং মার্কিন দূতদের সফর সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া উচিত।এর পরেই শনিবার রাশিয়ার তরফে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়। পুতিনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই তিন দিনের বিরতি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, স্থায়ী ভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি মার্কিন প্রস্তাব নিয়ে মস্কোয় গিয়েছেন স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। সেই প্রস্তাবে ঠিক কী রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে এই সফরকে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী রবিবার কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন দূতদের। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা। ফলে মস্কো এবং কিয়েভদুই জায়গাতেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার আগেও ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শুক্রবার কিয়েভের নিরাপত্তা পরিষেবার সদর দফতর-সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে মস্কোর বিরুদ্ধে। পাল্টা রাশিয়ার ভূখণ্ডেও দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন।এই পরিস্থিতিতে পুতিনের তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বিরতি কতটা কার্যকর হয় এবং এর পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কতটা এগোয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

পহেলগাঁওয়ের সেই হামলার নেপথ্যে কে? কাশ্মীরে সেনার গুলিতে লস্কর কমান্ডার ইয়াসিরের মৃত্যু

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। এর মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় ইয়াসিরের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ইউসমার্গের জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু করে সেনার বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।তল্লাশি অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইয়াসিরের গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইয়াসির গুলি চালায় বলে সূত্রের দাবি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ইয়াসির নিহত হয় বলে খবর।সূত্রের আরও দাবি, পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে পরিচিত সুলেমান মুসার গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়াসিরের যোগাযোগ ছিল। সে ওই গোষ্ঠীর সদস্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে যায় ইয়াসির। এরপর আলাদা ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াসির নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজরে ছিল বলে সূত্রের খবর। তার গতিবিধি এবং যোগাযোগের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বুদগামের জঙ্গলঘেরা এলাকায় অভিযানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইয়াসিরের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল, তার নেটওয়ার্ক কতটা ছড়িয়েছিল এবং পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তার যোগাযোগের সূত্র ধরে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।এর আগে গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে সেনার অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে সুলেমান মুসা এবং তার দুই সঙ্গী ছিল বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে ওই জঙ্গিদের যোগ থাকার অভিযোগও উঠেছিল।ইয়াসিরের মৃত্যুর পর পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। তার যোগাযোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এগোলে হামলার নেপথ্যের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
শিক্ষা

‘শিক্ষাষ্টকম্’ মডেলের জাতীয় স্বীকৃতি, জাতীয় সম্মানে সম্মানিত পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক

আনন্দ, সৃজনশীলতা আর সামগ্রিক বিকাশবিদ্যালয় শিক্ষার এই নতুন ভাবনাই এবার পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক পৌষালী চক্রবর্তীর পরিকল্পিত শিক্ষাষ্টকম্ মডেল জাতীয় স্তরে পুরস্কৃত হল। বিদ্যালয়কে শুধু পুঁথিগত শিক্ষার জায়গা না রেখে শিশুদের আনন্দ, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগই এনে দিল এই বিশেষ সম্মান।৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর সভাগৃহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৌষালী চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার ও শংসাপত্র। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষাক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।শিক্ষাষ্টকম্ মডেলের মূল ভাবনা হলবিদ্যালয়ের সঙ্গে পড়ুয়াদের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলা এবং শিক্ষার পরিবেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে কোনও পড়ুয়া মাঝপথে স্কুলছুট না হয়। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা কমানো এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।এই মডেলটি গড়ে উঠেছে আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর। ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সচেতনতা, ডিজিটাল শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন বা স্কিলিং, শিক্ষাগত সহায়তা, স্বাস্থ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পরীক্ষার ফল নয়একজন পড়ুয়ার সার্বিক বিকাশকেই এখানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়েছে।এই মডেলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিসরে এমন একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে পড়ুয়ারা নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে, আনন্দের সঙ্গে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। একইসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামাজিক সচেতনতার যোগসূত্রও তৈরি করছে শিক্ষাষ্টকম্।জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর পৌষালী চক্রবর্তীর বক্তব্যেও উঠে এসেছে এই উদ্যোগের নেপথ্যে থাকা সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সহযোগিতা না পেলে এই পুরস্কার আমরা পেতাম না। বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে শিক্ষকরা সবাই সঙ্গ দিয়েছেন। তাই এই পুরস্কার সবার সঙ্গেই ভাগ করে নিয়েছি।তবে জাতীয় সম্মানের আনন্দের মধ্যেও তাঁর নজর রয়েছে আরও বড় লক্ষ্যের দিকে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও এখনও যে পথ অনেকটা বাকি, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাল্যবিবাহ রোধ করতে পেরেছি অনেকটা। পুরোটা তো পারিনি। চেষ্টা করব আগামীতে শূন্য বাল্যবিবাহ করার জন্য।একদিকে স্কুলছুট রোধ, অন্যদিকে পড়ুয়াদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলা, তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার বিকাশ এবং সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতাএই সমস্ত লক্ষ্যকে একসূত্রে বেঁধেছে শিক্ষাষ্টকম্। আর সেই ভাবনাই এবার দিল্লির মঞ্চে পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই সম্মান তাই শুধু একজন আধিকারিকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, প্রশাসন এবং পড়ুয়াদের সম্মিলিত প্রয়াসেরও স্বীকৃতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু! মালদহ মেডিক্যালে বড় পদক্ষেপ, সরানো হল হাসপাতালের সুপারকে

মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর হাসপাতালের সুপার তথা এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর কারণ আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এক দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সরকারি হাসপাতালে কী ভাবে এত শিশুর মৃত্যু হল।এর পরেই স্বাস্থ্যভবনের তরফে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যায়। তদন্তের পরে তৈরি করা রিপোর্টে এক মাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৮৯ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, শিশুমৃত্যুর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তদন্তে অপুষ্টিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞ দলের তরফে জানানো হয়েছিল, শিশুমৃত্যুর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরেই এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে পদক্ষেপ করা হল।শিশুমৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। কোন শিশুর কী শারীরিক সমস্যা ছিল, হাসপাতালে কখন ভর্তি করা হয়েছিল এবং চিকিৎসার সময় কী পরিস্থিতি ছিল, সেই সমস্ত বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।মালদহ মেডিক্যাল কলেজে এক মাসে এত শিশুমৃত্যুর তথ্য সামনে আসার পরেই হাসপাতালের পরিষেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে একাধিক চিকিৎসাগত ও শারীরিক কারণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এখন প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর পৃথক তদন্ত শেষ হওয়ার পরেই গোটা পরিস্থিতির আরও স্পষ্ট ছবি সামনে আসবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আরও বড় বিপদ সামনে? গঙ্গা-পদ্মা মিশে গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে বহু এলাকা!

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধসের জেরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মেরামতের কাজ চলছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজকের মধ্যেই রেললাইনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই ধসের ঘটনায় শুধু রেল যোগাযোগ নয়, ফরাক্কার ভাঙন নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।নিউ ফরাক্কা রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের এক দিকে রয়েছে ভাগীরথী বা হুগলি নদীর প্রবাহ, অন্য দিকে রয়েছে গঙ্গার মূল স্রোত বা পদ্মার দিক। স্থানীয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জায়গা হল, এই দুই জলধারার মধ্যের স্থলভাগের দূরত্ব এখন প্রায় দেড় কিলোমিটার বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।নদীভাঙন আরও বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে এই স্থলভাগের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞের।নদী বিশেষজ্ঞ কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ফরাক্কা বাঁধ তৈরি হওয়ার পর থেকেই নদীর জলপ্রবাহ এবং চর তৈরির ক্ষেত্রে নানা পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, জল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জল সরবরাহ এবং ১৯৯৬ সালের জলচুক্তির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, এরপর নদীর গতিপথে চর তৈরি হওয়া এবং নীচের দিকে জলপ্রবাহ কমে যাওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা যায়। কয়েক বছর পর থেকেই ভাঙন ভয়াবহ আকার নেয়।নিউ ফরাক্কার কাছে ভাঙন আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু রেললাইনের উপরেই পড়বে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগও দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। ধুলিয়ান, বল্লারপুরের মতো এলাকাও বড় বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞের দাবি।রেললাইন মেরামত করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও নদীভাঙন ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ নদীভাঙনের জেরে বসতি, রাস্তা, রেলপথ এবং চাষের জমি একসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা সত্যিই এক জায়গায় মিশে যাবে কি না, তা নিয়ে অবশ্যই আরও বিস্তারিত সমীক্ষা ও বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিউ ফরাক্কার কাছে নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি যে উদ্বেগের, সে বিষয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে ওই এলাকার ভৌগোলিক চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে পরিবর্তন হলে তার প্রভাব শুধু জমি বা নদীর উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।ফলে নিউ ফরাক্কার রেললাইন মেরামত হয়ে গেলেই যে গোটা সমস্যা মিটে যাচ্ছে, তা নয়। আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নদীভাঙন কী ভাবে ঠেকানো হবে এবং গঙ্গা-পদ্মার মাঝের বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে কী ভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এই প্রশ্নের উত্তরেই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

চার বছর পর ফের অন্ধকারের আশঙ্কা? কয়লার মজুত তলানিতে, উৎসবের মরশুমে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

চার বছর বাদে ফের কি বড় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশে? কয়লার সরবরাহে সমস্যা এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের একাধিক বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম কয়লা মজুত রয়েছে বলে খবর।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বরের হিসাব বলছে, দেশের ৫০টি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরকার নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ কয়লা মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ কয়লায় বড়জোর ৯ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানা গিয়েছে। ফলে কয়লার সরবরাহ দ্রুত না বাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতির পিছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রথমত, আগস্ট মাসে প্রবল গরমের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে।দ্বিতীয়ত, বর্ষার কারণে কয়লা উত্তোলন এবং সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত কমেছে বলে খবর। বর্তমানে ওই কেন্দ্রগুলিতে প্রায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ টন কয়লা রয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী মজুত থাকার কথা প্রায় ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় মজুত অনেকটাই কম।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কয়লার সরবরাহ না বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ বার ২০২২ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এবার সেপ্টেম্বরে উৎসবের মরশুমে চাহিদা আরও বাড়লে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কয়লার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। মোট জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আসে বলে জানা যায়। ফলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার সরবরাহ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়লার জোগানে দীর্ঘ সময় সমস্যা হলে তার প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর পড়তে পারে।তবে এখনই দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে বলে মানতে চাইছে না কয়লা মন্ত্রক। মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের দাবি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লা সরবরাহের উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আন্তঃমন্ত্রক বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে।প্রয়োজনে কয়লা আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। উৎসবের মরশুমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লে যাতে সরবরাহে বড় কোনও সমস্যা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।তবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত কম থাকা এবং সামনে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাএই দুই বিষয় একসঙ্গে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। এখন দ্রুত কয়লার জোগান বাড়ানো যায় কি না, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal