• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Footbal

খেলার দুনিয়া

Hakim Death : ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ান

করোনা কালে ভারতীয় ফুটবল হারিয়েছে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জিদের মতো কিংবদন্তীদের। এবার আরও এক তারা খসে পড়ল ভারতীয় ফুটবল থেকে। মারা গেলেন ভারতের ফুটবল অলিম্পিয়ান তথা প্রাক্তন জাতীয় কোচ সৈয়দ শাহিদ হাকিম। রবিবার কর্ণাটকের গুলবার্গার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২। হাকিম সাবএর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশের ফুটবল মহল।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানদীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। সম্প্রতি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে গুলবার্গার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ভারতীয় ফুটবলের এই কিংবদন্তী। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে রেখে গেলেন দেশের প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। বাবা আব্দুল রহিম ছিলেন বিখ্যাত কোচ। যিনি রহিম সাহেব নামে বেশি পরিচিত ছিলেন। যাঁর কোচিংয়ে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি, তুলসীদাস বলরাম, জার্নেল সিংরা খেলেছিলেন। সার্ভিসেসের হয়ে ১৯৬০ সালের সন্তোষ ট্রফি জিতেছিলেন হাকিম সাব। শুধু ফুটবলার হিসেবেই নয়, রেফারি হিসেবেও শাহিদ হাকিম যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। ফিফা প্যানেলভূক্ত প্রাক্তন রেফারি হিসেবে তিনি ১৯৮৮ সালের এএফসি কাপের একাধিক ম্যাচ পরিচালনাও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিকোচ হিসেবেও শাহিদ হাকিম নজর কেড়েছিলেন। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ফুটবল দলের সহকারি কোচ ছিলেন। মারডেকা কাপে দেশের ফুটবল দলের হেড কোচের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাঁরই প্রশিক্ষণে ১৯৮৮১৯৮৯ মরসুমের ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা ফুটবল ক্লাব। ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল। সালগাঁওকর, হিন্দুস্তান এফসির মতো ক্লাবকেও কোচিং করিয়েছেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। ২০০৪২০০৫ মরসুমে বেঙ্গল মুম্বই এফসিকেও তিনি কোচিং করিয়েছিলেন। ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে সেটিই ছিল তাঁর শেষ কাজ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবল ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৭ সালে সৈয়দ শাহিদ হাকিমকে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারে (তৎকালীন রাজীব গান্ধী খেলরত্ন) ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন স্কোয়াড্রন লিডার হাকিম সাব স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর পদের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৭ সালে ভারতে হওয়া অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবাল বিশ্বকাপের প্রোজেক্ট ডিরেক্টরের ভূমিকায় তাঁকে শেষবার স্বমহিমায় দেখা গিয়েছিল। সৈয়দ শাহিদ হাকিমের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে এআইএফএফ, ভারতীয় ফুটবল দল, সাই সহ ফুটবল জগতের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য রথীমহারথীরা। প্রয়াত সৈয়দ হাকিমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এআইএফএফ সচিব কুশল দাস।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট?‌ সম্ভাবনা প্রবল

ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক কি ছিন্ন করতে চলেছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লালহলুদের কর্তাদের টালবাহনা আর মেনে নিতে পারছেন না শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ক্ষতির সামনে পড়েও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিতিবিরক্ত হয়ে স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দিতে চলেছেন। দুএকদিনের মধ্যেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রিলায়েন্সের এক মধ্যস্থতাকারী। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়। সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কোন কোন জায়গায় আপত্তি রয়েছে, তা মধ্যস্থতাকারীদের জানান লালহলুদ কর্তারা। বৈঠক থেকেই মধ্যস্থতাকারী ফোন করেন শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের। লালহলুদ কর্তাদের আপত্তির কথা জানান। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায় সেদিনের সন্ধের কার্যকরী কমিটির বৈঠক স্থগিত করে দেয় ইস্টবেঙ্গল। মধ্যস্থতাকারী শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?এদিকে, লালহলুদ কর্তাদের আচরণে রীতিমতো তিতিবিরক্ত শ্রী সিমেন্টের কর্তা হরিমোহন বাঙ্গুর। শোনা যাচ্ছে তিনি আর অপেক্ষা করতে রাজি নন। লালহলুদ কর্তাদের আচরণে অপমানিত বোধ করছেন শ্রী সিমেন্টের কর্তা। এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে এগোতে চান। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আর সুযোগ দিতে নারাজ তিনি। গতবছর প্রাথমিক চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে শ্রী সিমেন্ট। আর টাকা ঢালতে নারাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারী৩১ আগস্টের মধ্যে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনও ঘনিয়ে আসছে। তাই শ্রী সিমেন্ট আর সময় দিতে রাজি নয়। বিচ্ছেদের রাস্তা বেছে নিতে চলেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইস্টবেঙ্গলকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরিয়ে দিয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করবে। তবে গত মরশুমে যে অর্থ লগ্নি করেছিল, সেই অর্থ হয়তো ফেরত চাইবে না। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা যদি শেষ মুহূর্তে সই করতে রাজি হয়, তাহলেও হয়তো মেনে নেবে না শ্রী সিমেন্ট। কারণ দল গড়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাবে না।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohonbagan : মাজিয়াকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা পরিস্কার করল এটিকে মোহনবাগান

জিতলেই এএফসি কাপের পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা পরিস্কার হয়ে যেত এটিকে মোহনবাগানের। অন্যদিকে, পরের রাউন্ডে যাওয়ায় সম্ভবনা টিকিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে। এটিকে মোহনবাগানের কাছে হেরে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিল মালদ্বীপের এই দলটি। পিছিয়ে পড়েও ৩১ ব্যবধানে দারুণ জয় তুলে নিল সবুজমেরুণ। পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ডুবতে হয়েছিল মাজিয়া স্পোর্টস এন্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেই ভুল করেনি মালদ্বীপের দলটি। শুরু থেকেই সতর্ক। ম্যাচের সূচনা থেকেই অবশ্য সবুজমেরুণের আক্রমণের চাপ অনেক বেশি ছিল। তবে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেয় মাজিয়া। খেলার গতির বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় মালদ্বীপের দলটি। ২৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ডানদিক থেকে বক্সের মধ্যে মাইনাস করেন। আইজল ইব্রাহিম হালকা পুশে বল জালে পাঠান। শুভাশিস জায়গায় ছিলেন না। দুজন ডিফেন্ডার একসঙ্গে ট্যাকেলে যাওয়ায় আইজল ইব্রাহিম ফাঁকা হয়ে যান। ৩২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল। লিস্টন কোলাসোর দুরন্ত ফ্রিকিক মাজিয়া গোলকিপার কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান। হুগো বুমোকে প্রথমার্ধে মাঠে নামাননি হাবাস। তাঁর অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। রয় কৃষ্ণা সেভাবে বল পাচ্ছিলেন না। ডেভিড উইলিয়ামসও ছিলেন একেবারে নিষ্প্রভ। ফলে এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগ প্রথমার্ধে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। সবুজমেরুনে মাঝমাঠে ফাঁক তৈরি হয়। প্রথমার্ধে সেটাই কাজে লাগায় মাজিয়া।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীম্যাচের বিরতিতে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের পেপ টক বদলে দেয় এটিকে মোহনবাগানকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল তুলে নেয় সবুজমেরুন। ৪৯ মিনিটে আশুতোষ মেহতার সেন্টার থেকে হেডে সমতা ফেরান লিস্টন কোলাসো। ৬৩ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের পরিবর্তে হুগো বুমোকে মাঠে নামান হাবাস। তিনি মাঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় এটিকে মোহনবাগান। ৬৫ মিনিটে বুমোর বাড়ান বল লিস্টন গোল লক্ষ্য করে শট নেন। গোলকিপারের গায়ে লেগে ফিরে এলে সেই বল ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। ৭৮ মিনিটে সেই হুগো বুমোর পাশ থেকে ৩১ করেন মনবীর সিং। এটিকে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে ড্র করলেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ATK Mohunbagan : আজ মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই এএফসি কাপের পরের পর্ব নিশ্চিত বাগানের

মরশুমের প্রথম ম্যাচে এএফসি কাপে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আধিপত্য নিয়ে জিতেছে এটিকে মোহনবাগান। আজ মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের দল। মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে সবুজমেরুণ শিবিরের। আজই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত করতে চান রয় কৃষ্ণারা। তবে আজ সতর্কভাবে মাঠে নামতে চান হাবস।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশমাজিয়ার স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় দলের ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের কাছে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচ হেরে বেশ চাপে রয়েছে মাজিয়া। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে আজ মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে মালদ্বীপের এই দলটিকে।আরও পড়ুনঃ শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দুভাগবেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে যথেষ্ট ইতিবাচক ফুটবল উপহার দিয়েছিল সবুজমেরুণ শিবির। মাজিয়ার বিরুদ্ধে সেটাই ধরে রাখতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। তবে বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। মাজিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামর আগে হাবাস বলেন, মাজিয়া নতুন প্রতিপক্ষ। আগের ম্যাচে কী হয়েছে তা ভুলে আমাদের মাঠে নামতে হবে। প্রতিপক্ষকে সমীহ করতেই হবে। নিজেদের খেলায় আরও উন্নতি করতে হবে। নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দল জিতেছে। প্রথম ম্যাচ জিতলেও আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। একটা বাজে দিন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।সবুজমেরুণ কোচ আরও বলেন, বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাজিয়ার খেলা দেখেছি। একইরকম স্ট্র্যাটেজিতে আমাদের বিরুদ্ধে নাও খেলতে পারে। আমাদের বিরুদ্ধে কী রকম স্ট্র্যাটেজিতে খেলে, সেটা দেখেই আমাদের খেলতে হবে। ওরা আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারে, এটা মাথায় রেখেই মাঠে নামতে হবে।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরঅন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারের পর এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া মাজিয়া। কোচ রিস্টো ভিদাকোভিচের বলেন, বসুন্ধরা ম্যাচে আমার ফুটবলাররা নার্ভাস ছিল। নিজেদের স্বাভাবিক খেলা তুলে ধরতে পারিনি। শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচেও ফিরতে পারিনি। ফুটবলারদের বলেছি আগের ম্যাচের কথা ভুলে গিয়ে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফোকাস করতে। অতীতে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে পয়েন্ট তোলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মাজিয়া স্পোর্টসের।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Gostho Paul : শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দু’‌ভাগ

বাড়িতে ঢোকার মুখে নীল রঙের কাঠের দরজার নেমপ্লেটে জ্বলজ্বল করছে গোষ্ঠ পালের নাম। দরজার পাশের লেটার বক্স একদিকে ঝুলে পড়েছে। মূল দরজা থেকে বাড়িতে ঢোকার সরু গলিটাও পলেস্তরা পড়ে বেশ পিচ্ছিল। তার করুণ অবস্থা বাড়ির দোতলায়। সিলিং থেকে প্লাস্টার খসে পড়েছে। ঘরের দরজার সামনে আবর্জনার স্তুপ। পা রাখার উপায় নেই। এখানেই থাকতেন কিংবদন্তী গোষ্ঠ পাল! সত্যিই বিশ্বাস করা খুবই কঠিন। শরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মৃতি বিজরিত বাড়িও আজ অবহেলিত।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানহাওড়া ছেড়ে উত্তর কলকাতায় আস্তানা গাড়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত নর্দান এভিনিউয়ের ৩/২ কে. শ্রীনাইন মুখার্জি লেনে বসবাস করতেন গোষ্ঠ পাল। শরিকী বিবাদে সেই বাড়ির আজ বেহাল দশা। গোষ্ঠ পালের ৭ ছেলের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। বেঁচে রয়েছেন ৩ জন, সীতাংশু পাল, নীরাংশু পাল ও সুকুমার পাল। সুকুমার পাল থেকেন নাগপুরে। নীরাংশু পাল বাবার মৃত্যুর আগে থেকেই টালা পার্কের কাছে থাকেন। বাবার স্মৃতি আগলে বসে রয়েছেন সীতাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনভগ্নপ্রায় বাড়ি যে সাড়াবেন, সে উপায় নেই সীতাংশু পালের। ভাঙা বাড়িতেই নীচের তলার দুটি ঘরে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, এক নাতিকে নিয়ে থাকেন সীতাংশু। ওপরের ঘরে প্রবেশ করার উপায় নেই। সীতাংশু বলছিলেন, বাবা ওপরের ঘরে থাকতেন। ওই দুটি ঘরের বেহাল দশা। বাড়ি ভেঙে পড়ছে। ভেবেছিলাম সরকার কিছু করবে, তাও করছে না। নীরাংশু তালা বন্ধ করে রাখায় আমিও সারাতে পারছি না। বাবার স্মৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। কেন বাড়ির এইরকম দশা? দুটি ঘরই বা তালাবন্ধ করে রেখেছেন কেন? যার দিকে অভিযোগের আঙুল, সেই নীরাংশু পাল বলছিলেন, এটা আমাদের শরিকী ব্যাপার। আপনাকে বলতে পারব না। সীতাংশু পালকে জিজ্ঞেস করুন। হায় রে, শেষ পর্যন্ত গোষ্ঠ পালকেও কিনা পড়তে হল শরিকী বিবাদে!গোষ্ঠ পালের ভগ্নপ্রায় বাড়িশরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মারকগুলিইও খোঁজ নেই। আর্কাইভের জন্য ২০০৩ সালে গোষ্ঠ পালের সব স্মারক মোহনবাগান ক্লাবে দিয়ে এসেছিলেন ছেলেরা। কিন্তু পরে আর্কাইভ আর হয়নি। নীরাংশু পাল বাবার স্মারকগুলি ফেরত আনতে গিয়েছিলেন। জানতে পেরে ক্লাবে ছুটে গিয়ে বাধা দেন সীতাংশু পাল। তারপর সেই স্মারকগুলি কোথায় আছে, জানেন না সীতাংশু পাল। তিনি বলছিলেন, ২০১০ সালের পর থেকে মোহনবাগান ক্লাব আমাকে ডাকে না। সরকারও কোনও অনুষ্ঠান করলে ডাকে না। সরকারের লোকজন মনে করে গোষ্ঠ পালের একটাই ছেলে বেঁচে আছে, নীরাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিশুক্রবার কিংবদন্তি ফুটবলারের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল। ময়দানে গোষ্ঠ পালের মূর্তির সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, কলকাতার তিন প্রধানের প্রতিনিধিরা এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনরা। গোষ্ঠ পালের ছেলে নীরাংশু পাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁর বাবার নামে একটি মেট্রো স্টেশনের নামকরণ করার জন্য। শরিকী বিবাদে সেটাই হবে হয়তো গোষ্ঠ পালের সার্থকতা।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌fganistan Footballer: বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলারের

দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Premier League : কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলা

গতবছর কাছাকাছি এসেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছিল। আই লিগেও প্রত্যাশিত পারফরমেন্স হয়নি। এবছর সাফল্য পেতে মরিয়া মহমেডান। মরশুমের শুরুতেই হাই প্রোফাইল বিদেশি কোচ নিয়োগ, ভাল মানের বিদেশি দলে নিয়ে চমক দিয়েছিলেন সাদাকালো কর্তারা। তার সুফল মিলল মরশুমের প্রথম ম্যাচেই। দুর্দান্ত জয় দিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩০ গোলে হারাল সাদার্ন সমিতিকে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দলটাকে দারুণভাবে তৈরি করেছেন কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল সাদাকালো শিবিরের। গোটা ম্যাচে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন মহমেডানের সার্বিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলা স্টোজানোভিচ। শুধু গোল করলেন না, গোল করিয়ে ম্যাচের নায়ক তিনি। দীর্ঘদিন পর একজন ভালমানের বিদেশি ফুটবলার নিয়েছেন মহমেডান কর্তারা। নিকোলা স্টোজানোভিচকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সাদাকালো সর্মথকরা।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরু থেকেই সাদার্ন সমিতির রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল মহমেডান। ১৫ মিনিটে এগিয়েও যায়। ১৮ গজ বক্সের ওপর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে মহমেডানকে এগিয়ে দেন নিকোলা স্টোজানোভিচ। এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় মহমেডান। আক্রমণের জন্য বাঁ প্রান্তকেই বেছে নিয়েছিলেন সাদাকালো ফুটবলাররা। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত। মাঝমাঠে ডানপ্রান্ত থেকে মিলন সিংয়ের লম্বা বাড়ানো বলে স্টেফান ইলিচের শট সার্দান ডিফেন্সে প্রতিহত হয়। ম্যাচের ৪০ মিনিটে সাদার্নের ৬ গজ বক্সের ওপর এসে কোনাকুনি দুরন্ত শটে গোল করে মহামেডানকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন শেখ ফৈয়াজ।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপদ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ছিল মহমেডানের। একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি ফৈয়াজরা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে নিকোলার দুরন্ত শট সাদার্ন গোলকিপার অর্ণব দাস শর্মা দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করে। ৮৩ মিনিটে নিকোলার অসাধারণ থ্রু পাশ থেকে সাদাকালো শিবিরের হয়ে তৃতীয় গোল আজহারউদ্দিন মল্লিকের। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি পেয়েছিল সাদার্ন। কিন্তু সাদার্নের মিনহাও কিলঙের পেনাল্টি রুখে দেন মহমেডান গোলরক্ষক জোথানমাওইয়া। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন নিকোলা স্টোজানোভিচ। প্রথম ম্যাচে দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান

জাতীয় প্রতিযোগিতায় বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ। গত মরশুমে আইএসএলর দুটি ম্যাচেই জিতেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। এই মরশুমেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত। জাতীয় মঞ্চ ছেড়ে সাফল্য এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে। এএফসি কাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই জিতল এটিকে মোহনবাগান। ২০ ব্যবধানে হারাল বেঙ্গালুরু এফসিকে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও সুরজিৎ বোস।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরুর দিকে একটু জড়তা ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলায়। বোঝাপড়া অভাব বেশ স্পষ্ট। এটাই স্বাভাবিক। গত মরশুমের বেশ কয়েকজন ফুটবলার এবছর নেই। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বুমোর এখনও সেভাবে বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনি। তার ওপর মরশুমের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের ফুটবলাররা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?অন্যদিকে, প্লে অফ ম্যাচ খেলে মূলপর্বে উঠে এসেছে বেঙ্গালুরু এফসি। প্লে অফ ম্যাচে জয়েস রানের গোলে হারিয়েছিল মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে। মোহনবাগানের তুলনায় সুনীল ছেত্রীদের বোঝাপড়া অনেক বেশি ছিল। বেঙ্গালুরু এফসি মাঝে মাঝেই বিপজ্জনকভাবে আক্রমণে উঠে আসছিল। তবে ম্যাকাউ, প্রীতম কোটালরা সজাগ থাকায় সুনীল ছেত্রিরা সুবিধা করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসবুজমেরুণ জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই যথেষ্ট নজরকাড়া ফুটবল খেললেন হুগো বুমো। শুরু থেকেই দাপট ছিল। ২১ মিনিটে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁদিকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন হুগো বুমো। তাঁর শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপার গুরপ্রীত সিং। হুগো বুমো ও রয় কৃষ্ণা মিলে বেঙ্গালুরু রক্ষণে যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিলেন। তার ফলও মেলে প্রথমার্ধে।আরও পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টেরম্যাচের ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোর কর্ণারে লাফিয়ে উঠে হেড করেন সুরজিৎ বোস। গোলমুখী সেই বলে বেঙ্গালুরু গোলকিপার গুরপ্রীতের সামনে থেকে ফ্লিক করে জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৪৬ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের ফ্রিকিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে ২০ করেন সুরজিৎ।1️⃣st #AFCCup outing for #ATKMohunBagan 💪2️⃣ Goals on the scoreboard! 🤩3️⃣ Points in the bag! 🙌The #Mariners start the tournament with a convincing display!💚❤️📸 - @AFCCupATKMB 2-0 BFC#ATKMBvBFC #MarinersInAsia #ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #IndianFootball pic.twitter.com/dtH7wI5ISw ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 18, 2021৫৩ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার ডানপায়ের জোরালো শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন সবুজমেরুণ গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বেঙ্গালুরুর সুনীল ছেত্রি এদিন একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে লিওন অগাস্টিনকে নামান বেঙ্গালুরু কোচ। অন্যদিকে হুগো বুমো ক্লান্ত হয়ে পড়ায় শেষ দিকে তাঁকে তুলে নিয়ে ম্যাচের গতি বাড়ানোর জন্য বিদ্যানন্দ সিংকে নামান হাবাস। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও গোল পায়নি বেঙ্গালুরু।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌olkata League : ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু.‌.‌.‌রু.‌.‌.‌ফু.‌.‌.‌রু.‌.‌শব্দ, শুরু কলকাতা লিগ

করোনার জন্য গতবছর থেকে ময়দান বন্ধ। চারিদিকে হাহাকার। ফুটবলার থেকে রেফারি, এমনকী ফুটবলপ্রেমীরাও পর্যন্ত দিন গুনছিলেন, কবে থেকে শুরু হবে খেলা। দীর্ঘ ১ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে আবার কলকাতা ময়দানে বল গড়াল। ফিরে এল সেই পরিচিত ফু...রু...ফু...রু.. শব্দ। ঢাকে কাঠি পড়ে গেল এবারের কলকাতা লিগের।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরগতবছর করোনার জন্য বন্ধ ছিল কলকাতা লিগ। ফুটবল বন্ধ থাকায় আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিলেন ফুটবলার থেকে শুরু করে রেফারি এবং ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষজন। ফুটবলারদের মুখের দিকে তাকিয়ে কলকাতা ময়দানে ফুটবল ফেরাতে বদ্ধপরিকর ছিল আইএফএ। তাই আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সব বিধিনিষেধ মেনে আগস্ট থেকে শুরু হবে এবারের কলকাতা লিগ।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজমঙ্গলবার মোহনবাগান মাঠে উদ্বোধন হল কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার এ ডিভিশন। উদ্বোধনী ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফেডারেশন সচিব কুশল দাস, ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি এবং আইএফএর অন্য কর্তারা। বল মেরে এবারের কলকাতা লিগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। প্রথম ম্যাচে খিদিরপুরকে ৪১ গোলে হারিয়ে লিগ অভিযান শুরু করল ২০১৯২০ মরশুমের লিগ চ্যাম্পিয়ন পিয়ারলেস। ম্যাচের তিন মিনিটে বিদেশি স্ট্রাইকার ইমানুয়েলের গোলে এগিয়ে যায় খিদিরপুর। ৮ মিনিটে পঙ্কজ মৌলার গোলে সমতা ফেরায় পিয়ারলেস। ২১ মিনিটে পিয়ারলেসকে এগিয়ে দেন গোটা ম্যাচে দুরন্ত খেলা মহম্মদ আফতাব আলম। ৩৯ মিনিটে ৩১ করেন আনসুমানা ক্রোমা। দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে আবার গোল করেন ক্রোমা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দীর্ঘদিন পর আবার ময়দানে খেলতে পেরে খুশি ফুটবলাররা। ম্যাচের শেষে ক্রোমা বলেন, একবছর পর আবার লিগ শুরু হয়েছে, খুব ভাল লাগছে। বসে থাকতে খারাপ লাগছিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। মাঠে নেমে যেন অক্সিজেন পেলাম। খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই শুরু করলাম। লিগ শুরু করার জন্য আইএফএকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফেডারেশন সচিব কুশল দাস। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতেও আইএফএ লিগ আয়োজন করছে। অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: খেলা হবে দিবসে 'গোল' দিলীপের

খেলা হবে দিবসে পাল্টা ফুটবল খেলায় মেতে উঠলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর ফুটবল খেললেন তিনি। সঙ্গে এও বললেন, বাকিরা ডায়লগ দেয়, আমি গোল দিই। আজ, ১৬ অগস্ট থেকে রাজ্য জুড়ে খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। কর্মসূচি সফল করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। অনান্য দিনের মতো এদিনও ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান দিলীপ ঘোষ। তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খেলা হবে দিবস নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতিদিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে ফুটবল খেলে আসছি । খোলা মাঠে কাদার ওপরে কখনও বাতাবি লেবু, কখনও প্লাস্টিক দিয়ে বেঁধে বল খেলতাম। এখন খেলাধুলো উঠে গিয়েছে। কিন্তু ওরা খেলাটাকে রাজনীতি ও হিংসার খেলায় নিয়ে গিয়েছে। কথাগুলোর বলার সময়ে কিছুটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তারই কথা প্রসঙ্গে শাসকদলকে বেঁধেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, সিন্ডিকেট ও কাটমানির খেলায় নিয়ে গেছে ওরা। আমরা চাই ফুটবল ফিরে আসুক।ফুটবলের খেলা হোক। আমাদের নতুন ছেলে যুবক যুবতীরা খেলা করে শরীর স্বাস্থ্য ঠিক করুক। বাংলাতে দেশের সম্মান আরও বাড়ুক। সেই জন্য আজ আমরা ফুটবল খেলছি, গতকাল ক্রিকেট খেলেছি। কিছু না কিছু রোজ করি আমরা।At Eco park (New Town) took a time off from my routine physical workout and played football. pic.twitter.com/xnOIZ5SayT Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 16, 2021প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রের আসরে রাজ্যপালের সামনে বিরোধী-শাসক দলের নেতৃত্ব মুখোমুখি হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলীপ ঘোষকে নবান্নে চায়ের আসরে আমন্ত্রণ জানান। দিলীপ ঘোষের প্রাতঃভ্রমণ ও শরীরচর্চা করার অভ্যাসকে প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এদিনের সাক্ষাতে রাজনীতি উর্ধ্বে ছিল। দিলীপ ঘোষ আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন এটা ছিল কেবল সৌজন্য বিনিময়। সে প্রসঙ্গ আরও একবার এদিন উত্থাপিত হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওখানে কুশল বিনিময় হয়েছে, তবে মত বিনিময়ের জায়গা নেই। ওঁ বলেছেন, আসুন একবার নবান্নে। আমি বলেছি, হ্যাঁ যাবো। শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে, কে কতক্ষন হাঁটেন, ব্যায়াম করেন, কী খান- এই সব গল্পই হয়েছে। উল্লেখ্য, আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে সেই দিন। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, পাঁচ বছর ধরে দেখে আসছেন আমাকে। কে কোথায় গোল মারে সবাই জানে। বাকিরা ডায়লগ দেন, আমি গোল দিই।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?

গত মরশুমে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। ফাইনালে পৌঁছেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে তীরে এসে তরী ডুবেছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবছর সুদেআসলে মেটাতে বদ্ধপরিকর সবুজমেরুণের প্রাণভোমরা রয় কৃষ্ণা।গতমরশুমে ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে ভারত ছেড়ে নিজের দেশ ফিজিতে উড়ে গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার আগে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথা দিয়েছিলেন, ভারতে খেললে মোহনবাগানেই খেলবেন। মুম্বই সিটি এফসির বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব উপেক্ষা করে পুরনো ক্লাবেই থেকে গেছেন। লক্ষ্য এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া। সামনে এএফসি কাপ। আপাতত এই প্রতিযোগিতাকেই পাখির চোখ করছেন রয় কৃষ্ণা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসনতুন মরশুমে লক্ষ্য কী? রয় কৃষ্ণা বলেন, গত মরশুমে ভাল খেলেও ট্রফি জিততে পারিনি। আইএসএলের ফাইনালে মুম্বই সিটির কছে হারতে হয়েছিল। ওদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। গতবছর ট্রফি না জেতার আক্ষেপ রয়েছে। ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এবছর মাঠে নামব। আইএসএল দেরি আছে। সামনে এএফসি কাপ। এই টুর্নামেন্টে দলের সবাই সেরাটা দিতে চায়। সাফল্য পেতে গেলে আমাদের ভাল খেলতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় খেলে আইএসএলের আগে আমরা নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বুঝে নিতে পারব। গত মরশুমে আইএসএলের দুটো ডার্বিতেই গোল ছিল কৃষ্ণার। তবে সেটা এখন অতীত কৃষ্ণার কাছে। তিনি বলেন, ডার্বিতে জেতা বা গোল করা অবশ্যই দারুন ব্যাপার। কিন্তু তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি জেতা। এবার তাই ট্রফিও জিততে হবে।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণএএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন রয় কৃষ্ণা। বড় মঞ্চে সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এবছর পাশে পাচ্ছেন ভাল মানের বিদেশি ফুটবলার। গোল করার জন্য শুধু তাঁর ওপর ওপর চাপ থাকছে না। বাড়তি স্বস্তি কৃষ্ণার। তিনি বলেন, উইলিয়ামস ছিলই, এবার জনি কাউকো ও বোমাসের মতো ছন্দে থাকা ফুটবলার যোগ দিয়েছে। গতবছরের মতো চাপ নিতে হবে না। অতিমারীর মাঝেও অনুশীলনের মাধ্যমে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলার কাজটা সারছেন কোচ হাবাস। কৃষ্ণা নিজেও বেশ উপভোগ করছেন ওদের সঙ্গে খেলা। লক্ষ্য, নতুন মরশুমে সেরা দিয়ে ট্রফি জেতা।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরজনি কাউকো , হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণারা আগেই চলে এসেছেন। বুধবার মাঝরাতে কলকাতা এসেছেন ডেভিড উইলিয়ামস। অনুশীলনে তাঁর শারীরিক সমক্ষতা দেখে মালদ্বীপে এএফসি কাপের দলে তাঁকে রাখবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। এশীয় কোটার বিদেশি উইলিয়ামস যেতে পারলে, মাঠে একজন বিদেশির অভাব বোধ করবে বাগান।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohun Bagan : এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন?‌ কী বলছেন হাবাস

কলকাতায় শুরু হয়ে গেছে এটিকে মোহনবাগনের এএফসি কাপের প্রস্তুতি শিবির। প্রতিযোগিতায় খেলতে ১৪ আগস্ট মালদ্বীপ রওনা হবে সবুজমেরুণ শিবির। নতুনভাবে দল সাজাতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসকে। তবুও প্রথম পর্বের বাধা টপকানোর ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরপ্রস্তুতি নেওয়ার ফাঁকেই হাবাস বলেন, দলে এবছর বেশ কয়েকজন নতুন ফুটবলার এসেছে। আবার নতুন করে দল সাজাতে হচ্ছে। অতিমারীর জন্য সব বিদেশিকে প্রথম দিন থেকে অনুশীলনে পাওয়া যায়নি। জনি কাউকো, হুগো বোমাসরা এলেও ডেভিড উইলিয়ামস এখনও এসে পৌঁছয়নি। ও অনুশীলনে যোগ দিলে বুঝতে পারব কেমন অবস্থায় রয়েছে। তবে আশা করছি দল প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাবে। জনি কাউকো ও হুগো বুমাস যে দলের শক্তি অনেটাই বাড়িয়েছে, স্বীকার করে নিয়েছেন হাবাস। এই দুই বিদেশি বড় ভুমিকা নেবে বলে তিনি মনে করছেন। সবুজমেরুণ কোচ বলেন, দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। দলে বড় ভুমিকা নেবে। আগের মরশুমে বোমাস মুম্বই সিটি এফসির হয়ে খুব ভাল খেলেছিল। কাউকো ইউরো কাপ খেলে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দিয়েছে। ওরা যোগদান করায় দলে বাড়তি ভারসাম্য আসবে।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিগতমরশুমে এটিকে মোহনবাগানের ঘরে কোনও ট্রফি আসেনি। এই মরশুমে ট্রফি খরা কাটাতে মরিয়া হাবাস। যদিও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে তিনি মুম্বই সিটি এফসিকে মনে করছেন। তিনি বলেন, মুম্বই খেতাবের অন্যতম দাবিদার। তবে এবারও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। গতবার ভাল খেলেও আমরা কোনও ট্রফি জিততে পারিনি। এই মরশুমে গতবছরের ভুল করা চলবে না। বেঙ্গালুরু এফসি যদি প্লে অফ ম্যাচ জেতে, তাহলে এএফসি কাপের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ম্যাচ ১৮ আগস্ট।

আগস্ট ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Lionel Messi : ‘‌এল এম ১০’‌ নন, পিএসজি–তে মেসি ‘‌এল এম ৩০’‌

বার্সেলোনার সঙ্গে ছিন্ন হয়েছে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক। লিওনেল মেসিকে এবার খেলতে দেখা যাবে নেইমার, এমবাপেদের পাশে। প্যারিস সাঁ জার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করেছেন এই আর্জেন্টিনার তারকা। নতুন ক্লাবে প্রিয় ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন না। ৩০ নম্বর জার্সি গায়েই প্যারিস সাঁ জাতে খেলতে দেখা যাবে। অর্থাৎ এখন আর এল এম ১০ নন। প্যারিস সাঁ জাতে চিহ্নিত হবেন এল এম ৩০ নামে। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে মেসির হাতে তুলে দেওয়া হল ৩০ নম্বর জার্সি।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসবার্সেলোনার মতো প্যারিস সাঁ জাকেও সাফল্য এনে দেওয়াই লক্ষ্য লিওনেল মেসির। নতুন ক্লাবে সই করার পরই নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কবে মাঠে নামতে পারবেন জানেন না। তবে অনুশীলনে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন মেসি। নেইমারদের সঙ্গে বোঝাপড়া নিয়েও সমস্যা হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, জীবনের শুরু থেকেই জয় ছাড়া কিছু বুঝিনি। সেই মানসিকতা নিয়েই প্যারিস সাঁ জাকে সমৃদ্ধ করতে চাই। বার্সার মতো পিএসজিকেও বড় বড় টূর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন করতে চাই। আশা করছি নতুন ক্লাবের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ভাল হবে। আগামী মরসুম নতুন ক্লাবের জন্য অসাধারণ হতে চলেছে। জীবনের সব অনুপ্রেরণা ও ইচ্ছা সঙ্গে নিয়েই তিনি পিএসজিতে সই করেছি।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরপ্যারিস সাঁ জার হয়ে কবে খেলতে নামবেন, জানেন না লিওনেল মেসি। তবে দলের সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে নেমে অনুশীলনে শুরু করার জন্য তিনি মুখিয়ে রয়েছেন। ২১ বছর পর বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে মেসি বলেন, বার্সা ছাড়া আমার কাছে বেদনাদায়ক ছিল। তবে নতুন অধ্যায় সূচনার লক্ষ্যেই প্যারিসে এসেছি।নতুন দল এবং নতুন সতীর্থদের সঙ্গে খেলতে পারাটাই আনন্দ দেবে। এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পিএসজিকে ধন্যবাদ। বার্সেলোনায় মেসি ও নেইমারের জুটি দুর্দান্ত ছিল। আবার একই দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন দুই তারকা। পাশে কিলিয়ান এমবাপে। দুই তারকা ফুটবলের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করাটা তাঁর কাছে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন মেসি। তিনি বলেন, বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের সঙ্গে মাঠে নামতে পারার অনুভূতিই আলাদা।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিবুধবার মেসির সাংবাদিক বৈঠক স্টেডিয়ামের বাইরের জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয়। সেই মুহুর্তের সাক্ষী থাকতে বাইরে পিএসজি সর্মথকদের ভিড় ছিল দেখার মতো। স্টেডিয়ামের ভিতর থেকে শোনা যাচ্ছিল বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবল প্রেমীদের গর্জন। এই আবেগ ও ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে ক্লাব সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেসি। সাংবাদিক বৈঠক শেষ হতেই নতুন দলের মাঠে নেমে ৩০ নম্বর জার্সি হাতে ক্যামেরার সামনে পেজ দেন এলএম টেন। উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন অনুরাগীরা।

আগস্ট ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Messi : প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসি

প্যারিস সাঁ জাঁর সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন লিওনেল মেসি। মেসি যে প্যারিস সাঁ জাঁতেই যাবেন, এই খবরের সত্যতা আগেই স্বীকার করেছিলেন তারকা ফুটবলারের বাবা জর্জ। ফ্রান্সের এই ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে বেশকিছু দিন ধরে কথাবার্তা চলছিল মেসির বাবা ও তাঁর আইনজীবীর। প্যারিস সাঁ জাঁ ছাড়াও ইংল্যান্ডের ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ও চেলসি মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিল। তবে প্যারিস সাঁ জাঁ ছাড়া অন্য কোনও ক্লাব মেসিকে চুক্তিপত্রের কাগজ পাঠায়নি।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?মঙ্গলবার স্পেন থেকে প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসি। This is Paris পোশাক পরে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। মেসি.. মেসি ধ্বনিতে বিমানবন্দর চত্বর আলোড়িত করেন প্যারিসের ফুটবলপ্রেমীরা। হাসি মুখে তাঁদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়ে তাঁদের অভিবাদন গ্রহন করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ বাউন্সার সামলাতে গিয়ে একি হাল বিরাট কোহলির!ফরাসি লিগ ওয়ানে এবার নেইমার, এমবাপেদের সঙ্গে খেলতে দেখা যাবে লিওনেল মেসিকে। প্যারিস সাঁ জাঁর সঙ্গে মেসির সঙ্গে প্রাথমিকভাবে দুই বছরের চুক্তি হতে চলেছে। যদিও পরে পিএসজি মেসির সঙ্গে আরও এক বছরের চুক্তি বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানানো হয়েছে। সে অনুযায়ী ছয় বারের ব্যালন ডিঅর জয়ী তারকাকে ২০২৪ পর্যন্ত প্যারিসের ক্লাবে ফুটবল খেলতে দেখা যেতে পারে। ফরাসি ক্লাব থেকে বার্ষিক ৩৫ মিলিয়ন ইউরো বা ৩০৫ কোটি টাকারও বেশি উপার্জন করতে পারেন এলএম টেন। বুধবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে। ভারতীয় সময় দুপুর আড়াইটে নাগাদ প্যারিস সাঁ জাঁর পক্ষ থেকে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করা হবে। সেখানেই মেসির সঙ্গে ক্লাবের গাঁটছড়ার বিষয়টি জানানো হবে বলে খবর।আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট২০১৭ সালে বার্সিলোনা থেকেই প্যারিস সাঁ জায় খেলতে এসেছিলেন নেইমার। ব্রাজিলিয় তারকাকে পেতে ২২২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছিল প্যারিস সাঁ জাঁ। যেখানে নেইমারএমবাপে জুটির ফলানো ফসলে সম্বৃদ্ধ হয়েছে ফুটবল। সে দলের আক্রমণভাগে মেসির উপস্থিতি লিগা ওয়ান জায়ান্টদের অপ্রতিরোধ্য করে তুলবে বলে মনে করেন ফ্যানরা। বার্সালোনা থাকাকালীন মেসি ও নেইমারের যুগলবন্দি ছিল দেখার মতো। দুই তারকার নিবিড় বন্ধুত্বের প্রমাণ চলতি বছরের কোপা আমেরিকা কাপের ফাইনালেও দেখা গিয়েছিল। হারজিত ভুলে একসঙ্গে গল্প মশগুল হয়েছিলেন চির প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্তিনা ও ব্রাজিলের দুই মহাতারকা। সেই জুটি পিএসজির জার্সিতেও সফল হবে বলে আশা ফুটবল প্রেমীদের।

আগস্ট ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi : ‌বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি

২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হওয়ার যন্ত্রণা যে কতটা ভয়ানক, পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা কঠিন। যে কোনও ব্যক্তির কাছেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। বিদায় যন্ত্রণায় কাতর লিওনেল মেসিও। এতটাই যন্ত্রণাবিদ্ধ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন এই আর্জেন্টিনীয় তারকা। বিদায় ভাষণ দিতে উঠে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। রবিবার ক্যাম্প ন্যুকে বিদায় জানাতে এসেছিলেন মেসি। যখন তিনি বিদায় ভাষণ দিতে উঠেছেন, বাইরে অসংখ্য অনুরাগীর ভিড়। প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে এসেছিলেন। অনুরাগীদের গায়ে মেসির নাম লেখা জার্সি। প্রিয় নায়কের দিকে মোবাইলের ক্যামেরা তাক করে উৎসুক চোখে তাকিয়ে। শুধু এক ঝলক দেখার অপেক্ষা। শেষ বারের মতো বার্সিলোনায় সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন। প্রেস রুমে ঢুকে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন মেসি। মাইক্রোফোনে কিছু বলার আগে চোখে জল। মাস্ক খুলে চোখ মুছতে থাকেন। নিজেকে সামলে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, খুবই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম। এর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর বার্সিলোনা ছাড়ার ভাবনা আমার মাথায় এসেছিল। কিন্তু এবছর আমি ও আমার পরিবার চেয়েছিল এই ক্লাবেই থাকি। বার্সিলোনা আমার নিজের বাড়ি। আমার তিন সন্তানেরও এখানেই জন্ম। ২১ বছর পর তাদের নিয়ে নিজের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। খুব কঠিন লাগছে ব্যাপারটা মেনে নিতে। এ রকম হবে কোনও দিন ভাবিনি। ঠিকঠাক ভাবে ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে নিজের সেরাটা দিয়েছি। আশা করি এক দিন ঠিক ফিরে আসতে পারব। যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ামেসি আরও বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত ক্লাবের জন্য সব উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু ভাবিনি এভাবে বিদায় জানাতে হবে। এটা আমার কল্পনারই বাইরে ছিল। আমি যাতে বার্সেলোনাতেই থাকতে পারি তার জন্য সবকিছু করেছিলাম। বার্সেলোনাও চেয়েছিল আমাকে ধরে রাখতে, কিন্তু লা লিগার কারণেই তা পারল না। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমার দিক দিয়ে যা করণীয় ছিল, সব করেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলার প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, আমি আমার ক্লাবকে ভালোবাসি। বছর দেড়েক ধরে ফুটবল সমর্থকদের সামনে খেলতে না পারাটাও খুব কঠিন ছিল। আজ শেষবার বার্সেলোনার সাংবাদিক সম্মেলনে বিদায় জানাতে হচ্ছে। খুব ভালো লাগত যদি দর্শকঠাসা ক্যাম্প ন্যু-তে সকলের উপস্থিতিতে এই বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। সেটাই বিদায়ের সেরা মুহূর্তও হতে পারত।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াকোন ক্লাবে যোগ দেবেন তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মেসি বলেন, পিএসজিতে যোগদান এই মুহূর্তে একটা সম্ভাবনা। বার্সার বিবৃতির পর অনেক ফোন বা প্রস্তাব আসছে। কথাবার্তাও চলছে। কিন্তু এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে মেসি পিএসজি-তে যোগ দিলে মেসি-নেইমার-এমবাপের ত্রিফলায় পিএসজি যে বিধ্বংসী জায়গায় পৌঁছে যাবে সে নিয়ে সংশয় নেই ফুটবল মহলের। পিএসজি-র বিরুদ্ধে সব দলের ডিফেন্সই যে প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জুনেই মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোপা আমেরিকার পর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি আর্থিক সঙ্কট এবং লা লিগায় আর্থিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতাতেই মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। জানা গিয়েছিল, বেতনের ৫০ শতাংশ কমিয়েও বছর পাঁচেক মেসি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি। যদিও শুক্রবারই বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে মেসির বৈঠকের পর বার্সা লা লিগার ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে জানিয়ে দেয়, দুই পক্ষ আগ্রহী থাকলেও শেষ অবধি মেসিকে রাখা সম্ভব হল না।

আগস্ট ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal