• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

বিনোদুনিয়া

Hema Malini : জন্মদিন উদযাপন করলেন হেমা মালিনী

আজ হেমা মালিনীর জন্মদিন। ৭৩ বছরে পা দিলেন তিনি। এই বিশেষ দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেন। স্বামী ধর্মেন্দ্র, মেয়ে এশা দেওল, চলচ্চিত্র নির্মাতা রমেশ সিপ্পি এবং সঞ্জয় খানের সঙ্গে উদযাপন করছেন। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে লাল সালোয়ার স্যুট পড়েছেন এবং ধর্মেন্দ্র তার সঙ্গে মিলিয়ে ড্রেস- আপ করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন,পরিবার এবং কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে বাড়িতে জন্মদিন উদযাপন। এর আগে এশা ইনস্টাগ্রামে গিয়ে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন যেখানে তাকে তার মায়ের উপর ঝুঁকে থাকতে দেখা গিয়েছে। মা-মেয়ের জুটি কুর্তা চুড়িদার সেটে তাদের পোশাক জোড়া করেছিল। এশার পোশাকের গোলাপী ফুলের নকশা ছিল ও হেমার পোশাকে সূচিকর্ম এবং নীল রঙে শোভিত ছিল। তার জন্মদিন-বিশেষ পোস্টে এশা তার মায়ের জন্য লিখেছেন শুভ জন্মদিন মা।তোমাকে ভালোবাসি। তুমি ধন্য, সুখী এবং সুস্থ থাক।এশা হেমা ও ধর্মেন্দ্রের বড় মেয়ে। এই দম্পতির একটি ছোট মেয়ে অহনাও রয়েছেন।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Iman Chakraborty : মা কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন ইমন

মায়ের জন্মদিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় থ্রোব্যাক ছবি পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানালেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। বেশ কিছুদিন হল মা-কে হারিয়েছেন ইমন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পোস্টে মায়ের কথা লিখেছেন তিনি, মাকে মনে করেছেন।ছবিতে ছোট করে কাটা চুল, চোখে চশমা পরে ইমন চক্রবর্তীকে দেখে স্কুলছাত্রী মনে হচ্ছে। মায়ের সঙ্গে হেসে পোজ দিয়েছেন তিনি। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, শুভ জন্মদিন মা। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর পোস্টে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। অনেকেই ইমনের মা কে এই বিশেষ দিনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। কমেন্ট বক্সে কেউ লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে কাকিমা। কেউ লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে জেঠিমা।সম্প্রতি ইমন চক্রবর্তীর মিউজিক ভিডিও ইচ্ছেডানা মুক্তি পেয়েছে। গানটি লিখেছেন মানিক বেরা। সুর দিয়েছেন ইমনের স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষ। দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই গানটি

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan : জেল থেকে বেরিয়ে দরিদ্রদের পাশে থাকবেন জানালেন আরিয়ান

এখনও জেল থেকে ছাড়া পায়নি। বুধবার পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে মাদক কাণ্ডে জড়িত শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান। এখন জেলের মধ্যেই তার কাউন্সিলিং চলছে। নেশার ঘেরাটোপ থেকে তাকে সরিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। জানা গেছে এই কাজে এনসিবির সঙ্গে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন তিনি। জেল থেকে বেরিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেছেন তিনি। এনিসবির সামনে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন শাহরুখ-পুত্র। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি কী করবেন এই প্রসঙ্গে বলেছেন, জেল থেকে বেরিয়ে, স্বাভাবিক জীবনে সমাজের দুঃস্থ মানুষদের জন্য কাজ করব। পিছিয়ে পড়া মানুষদের মূলস্রোতে ফেরানোর চেষ্টা করব। এছাড়া তিনি আরও জানান এমন কোনও খারাপ কাজ করবেন না যার জন্য তাকে নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়। এনসিবি-র মুম্বই ইউনিটের ডিরেক্টর সমীর ওয়াঙ্কেদাকে আরিয়ান কথা দিয়েছেন, একদিন গর্ব করার মতো কাজ করবেন তিনি।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
নিবন্ধ

Daughter: কন্যা রুপেন সংস্থিতা

নীল আকাশের মহাসাগরে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভাসিয়ে দিত কেউ, শরৎ তার অরুণ আলোর অঞ্জলি দিয়ে ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায় খেলতো লুকোচুরির খেলা, শিউলিবনের বুক উঠতো চঞ্চল হয়ে--- তখনই একদিন খবরকাগজে পাতাজোড়া পুজোয় চাই নতুন জুতো, আর শারদীয়া আনন্দমেলার আনকোরা নতুন বিজ্ঞাপনে প্রফেসর শঙ্কু বয়ে আনতেন দেবীপক্ষের প্রথম আলোর চরণধ্বনি।সেই মোলায়েম পূজো পূজো গন্ধ বাড়তে বাড়তে একসময় ম ম করতো চরাচর। স্কুল ঝাঁপ ফেললেই জলপাইগুড়ির বন্ধুমহল, সেজে ওঠা পাড়ার মন্ডপ, নিতাই পালের আস্তানায় অপরূপা মৃণ্ময়ী মাতৃপ্রতিমাদের ফেলে রেখে-- পর্যায়ক্রমে ট্রেন-বাস-গোযান বাহিত হয়ে, পঞ্চমী কি ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় পৌঁছে যেতাম বর্ধমান থেকে গোটা তিরিশ কি.মি. দূরে নারায়ণপুর গ্রামে।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যপরের চারদিন কোথা দিয়ে যে কেটে যেত আরতি-অঞ্জলি-পূজো-প্রসাদের পৌনঃপুনিকতায়! গ্রামের গুটিকয় বন্ধুর সাথে সেরে ফেলতাম ফেলে আসা বারো মাসের সালতামামি; আর এই সব করতে করতেই কোথা দিয়ে পূজো শেষ। ঢাকিরা বোল তুলত -- ঠাকুর থাকবি কতক্ষণ ঠাকুর যাবি বিসর্জন! দশমীর নিশুতি রাতে বিসর্জনের পর বুকটা সত্যি খাঁ খাঁ করতো অজয় নদের শূণ্য চরের মতো, খেতে বসে বার বার ঢোঁক গিলে সামলে নিতাম উপচে আসা চোখের জল।বড় হয়ে পূজো শেষের এই মনখারাপটা কেটে গেল। মনকে সহজেই বোঝাতে পারতাম-- মা তো যাননি কোথাও; আছেন তো সারাক্ষণ আমার পাশেই!তুমি যে চেয়ে আছো আকাশ ভরে,নিশিদিন অনিমেষে দেখছো মোরে...চলমান জীবনের প্রতি পলে আজ অনুভব করি তাঁর কল্যাণময়ী স্পর্শ। মণ্ডপের মৃণ্ময়ী মাতৃমূর্তি চিন্ময়ীরূপে অনুক্ষণ আচ্ছন্ন করে রাখেন চেতন ও মনন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুপূজো আসে, পূজো যায়..... ২০০২ -এ তিস্তা এলো আমাদের ঘরে। তার পৃথিবীর আলো দেখার আগে নানা জটিলতার জন্য চারবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়েছিল রূপার; কিন্তু আগেভাগে অনাগত সন্তানের লিঙ্গ জেনে ফেলতে ব্যাকুল হইনি আমরা কেউই। মেয়ের মুখ প্রথম দেখার শুভক্ষণটি মনে হয়েছিল জীবনের সেরা মুহূর্ত, যে স্বাদের ভাগ হবে না কোন দিনও!পূজোমন্ডপ হরগৌরীতলায় হামাগুড়ি দিয়ে... হোমের কৃষ্ণতিলক হাতের তেলো দিয়ে কপালময় লেপে নিয়ে... বাবার কাঁধে চড়ে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় সামিল হয়ে... ঢাকের গায়ে ছোট্ট হাতের এলোমেলো চাঁটি মেরে... নবমীর দুপুরে হোমাগ্নির ধোঁয়ায় চোখ কচলে লাল করে... ভোরের শিউলি বিছানো গাছতলায় ফুল কুড়িয়ে মালা গেঁথে, একটু একটু করে পাপড়ি মেললো আমার ছোট্ট তিস্তা।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাসন্ধ্যারতির সময়, ঢাক-কাঁসর-ঘণ্টা-সানাই-র ঐকতানে, ফুলের মালা-দীপের আলো-ধুপের ধোঁয়ার প্রেক্ষাপটে, আত্মজার মধ্যে যেন আজ ফুটে উঠতে দেখি জগন্মাতার অগ্নিময়ী রূপকল্পেরই এক প্রোজ্জ্বল খন্ডাংশ। মনে হয় মা উমা যেন ঘরের মেয়েটি হয়ে খেলে বেড়াচ্ছেন আমাদের ছোট্ট ঘরে। শরনাগতদীনার্তপরিত্রাণপরায়ণা সর্বস্যার্তিহরা দেবী নারায়ণী যেন ভালবাসার টানে আলো করছেন আমাদের আতুর আঙিনা.... তাই তোমার আনন্দ আমারপর, তুমি তাই এসেছ নীচে....আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলঅবাক হয়ে দেখি, কাকতালীয়ই হবে নিশ্চয়, আমার স্কুল-কলেজ-কর্মস্থলের বেশীর ভাগ সমবয়সী বন্ধুরই ঘর আলো করছে এক একটি কন্যাসন্তান। তাদের মেয়েবেলার উজ্জ্বল সংকেত ভেসে আসে আন্তর্জালে। এদের সব্বার মধ্যে জ্যোতির্ময়ী মহামায়ার পরমা শক্তির উদ্বোধন হোক, মেধা-প্রতিভা-সাফল্যের পবিত্র হুতাশনে পূব আকাশ উঠুক রাঙা হয়ে!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sindur Khela : দশমীতে সিঁদুরখেলায় মাতলেন টলি তারকারা

আজ বিজয়া দশমী। দশমী মানেই বিষাদের সুর বাজতে শুরু করে। আবার এক বছরের অপেক্ষা। তবে আবার দশমী মানেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন মেয়েরা। যার মধ্যে আবার আলাদা একটা আনন্দ রয়েছে। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠাতে বাদ জাননা টলি তারকারাও। এই বছর কোভিড বিধি মেনে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নুসরত জাহান, শুভশ্রী, দেবলীনা কুমার, কোয়েল মল্লিক, ফালাক রশিদ রায়, রাইমা সেন সকলেই। সিঁদুরখেলায় না মাতলেও দেবীকে বরণ করলেন মিমি চক্রবর্তী। তবে সিঁদুরখেলায় যে বিবাহিতরাই মাতেন এমনটা নয়। সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী ও সোহিনী সরকার। বিয়ের পর প্রথম সিঁদুর খেলায় দেবলীনা কুমারকে বেশ ভালো লাগছিল। সঙ্গে ছিলেন গৌরব। নিয়ম-রীতি মেনে মা-কে বরণ করে নিলেন অভিনেত্রী। দশমীর দিন লাল শাড়িতে ধরা দিলেন কোয়েল। মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিতে দেখা গেল কবীরের মা-কে, সেই সিঁদুর নিজের সিঁথিতেও ছুঁইয়ে নিলেন নিসপাল সিং ঘরনি।এদিন সকলের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। সঙ্গে হাসি মুখে জানান, আসছে বছর আবার হবে। অগ্নিদের চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির দুর্গাপুজো অনেকেই জানেন। তাদের বাড়ির ঠাকুর দেখতে অনেক টলি তারকা ভিড়। অগ্নিদেব ও সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় বিগত বছরগুলোর মত ধূমধাম করে না হলেও একসঙ্গে সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন। সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Super Dancer 4 : সুপার ড্যান্সার ৪ এর চ্যাম্পিয়ন ফ্লোরিনা

সুপার ডান্সার ৪ শেষ হয়ে গেল। ট্রফি জিতলেন অসমের ছোট্ট মেয়ে ফ্লোরিনা গগোই। সুপার ডান্সারের তিন বিচারক শিল্পা শেট্টি, গীতা কাপুর, অনুরাগ বসু মন জয় করে নিল ফ্লোরিনা। তাঁর জয়ে খুশি গোটা সেট।ট্রফির পাশাপাশি সোনি এন্টারটেনমেন্ট টেলিভিশনের পক্ষ থেকে ফ্লোরিনার হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৫ লাখ টাকার চেক। ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয় ফ্লোরিনার কোরিওগ্রাফার গুরু তুষার শেট্টিকে। কর্ণাটকের বেলগমের পৃথ্বীরাজ দ্বিতীয় হয়েছেন। পঞ্জাবের সঞ্চিত চান্না হয়েছেন তৃতীয়। আর মধ্যপ্রদেশের নীরজা তিওয়ারি রয়েছেন চতুর্থ পজিশনে। তাঁদের সকলকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১ লাখ।সঙ্গে সুপার ডান্সার ৪র পাঁচ ফাইনালিস্টই পেয়ে গিয়েছেন একটি করে এয়ার পিউরিফায়ার ও শো-র পার্টনার ব্যাঙ্কের থেকে ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট। সুপার ডান্সার ৪র বিজেতা ঘোষিত হওয়ার পর ফ্লোরিনা জানান, আমি জানি না আমার কি বলা উচিত। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাকে যারা ভোট দিয়েছে আর ভালোবাসা দিয়েছে সকল দর্শকদের ধন্যবাদ জানাই। তুষার ভাইয়াকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য আর আমাকে শেখানোর জন্য। সুপার ডান্সার আমায় অনেক নতুন নতুন বন্ধু দিয়েছে। এর পরেও আমি নাচ করে যেতে চাই আর নতুন নতুন ডান্স ফ্রম শিখতে চাই।

অক্টোবর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yash : যশের জন্মদিনে কি বললেন নুসরত?

আজ ১০ অক্টোবর। আজই অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের জন্মদিন। এদিন ৩৬ বছর পূর্ণ করলেন টলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। বিশেষ দিনে শুভেচ্ছায় ভরেছে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে আসল লক্ষ্য তো ছিল একজন কে নিয়েই। তিনি নুসরত জাহান। বিশেষ দিনে নুসরত কী করলেন, সেদিক থেকে কেউ চোখ ফেরাতে পারেনি। রাত ১২টা বাজামাত্রই অপেক্ষার অবসান। জানা গেল যশের জন্মদিনেই প্রকাশ পেল নুসরতের ভালবাসা।যশের জন্মদিন পালনের ক্ষেত্রে যদিও কোনও আড়ম্বরের ব্যবস্থা করেননি নুসরত। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন কোনও আভাস পাওয়া যায়নি। তা বলে মোটেও ভাববেন না যশের জন্মদিনের কথা ভুলে গিয়েছেন নুসরত। প্রিয় মানুষের জন্মদিনের কথা যে তিনি ভোলেননি তা ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে জানান দিলেন। ইনস্টা স্টোরিতে যশের ছবি পোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। তার পাশেই লাল হার্ট ইমোজি দিয়েছেন নুসরত।ইনস্টা স্টোরিতে যশের ছবি পোস্টসন্তান হওয়ার পর অবসরযাপন করেননি নুসরত। ১২ দিন পরই কাজে ফিরেছিলেন। একটি স্যাঁলোর উদ্বোধন করতে দেখা গিয়েছিল নুসরতকে। তিনি এবং যশ ইশানকে নিয়ে ভাল সময় কাটাচ্ছেন বলেই জানান। এরপর শুটিং ফ্লোরে ফেরা থেকে শুরু করে সংসদীয় কাজ সবই করতে দেখা যায় তাকে।

অক্টোবর ১০, ২০২১
রাজ্য

Murder: রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ

রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক যুবকের মৃতদেহ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শুক্রবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতর নাম শাহাজান শেখ(৩৩)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নসরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কা করছেন যুবককে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ রেল লাইনের ধারে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন শাহাজান শেখ। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও চার শিশু সন্তান ছাড়াও অন্য সদস্যরা রয়েছেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে শাহাজান বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেনি। সারারাত নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার সকালে রেল লাইনের ধারে শাহাজানের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকে। সেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতের ভাই আহম্মদ শেখ জানান, সমুদ্রগড় স্টেশনের ৪ নম্বর লাইনের ধারে তাঁর দাদার মৃতদেহ পড়েছিল। ওই লাইন দিয়ে কোনও ট্রেন চলে না। সেই কারণে তাঁরা মনে করছেন কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর দাদা শাহাজান শেখ মারা যায়নি। তাঁর দাদাকে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ ওই লাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। শাহাজানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবি করেছে পরিবার।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Durga Puja: সম্প্রীতির অনন্য নজির, মন্ডপে মন্ডপে ঠাঁই পায় নূর মহম্মদের প্রতিমা

সম্প্রীতির এ এক অনন্য নজির। মুসলিম কারিগড়ের তৈরি দুর্গা মূর্তি পুজিত হচ্ছে মন্ডপে মন্ডপে। নিজ সম্প্রদায় থেকে বাধা এলেও তাকে পাত্তা দেননি। বরং সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে তাঁদের বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে মূর্তি গড়ার কাজ করেছেন একাত্ম হয়ে। কয়েক দশক ধরেই এই মৃৎ শিল্পীর কদর রয়েছে জেলাজুড়ে।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর মহম্মদ চৌধুরী। প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় থেকেই মূর্তি গড়ায় হাতেখড়ি। খেলার ছলে ছোট্ট নূর পুরনো কাঠামোয় বানিয়েছিল প্রতিমা। নূর মহম্মদ বলেন, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। তখন বিভিন্ন প্যান্ডেলে পুজো হতো। প্রতিমা দেখতে যেতাম। সেই দেখতে দেখতে মনের ইচ্ছা জাগলো যে প্রতিমা বানাবো। পুরনো কাঠামো তুলে এনে খেলার ছলে প্রতিমা বানিয়ে ফেললাম। তারপর শিল্পী রাধাকৃষ্ণ সামন্তের সঙ্গে যোগোযোগ হয়। ওনার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিমা গড়া শুরু করি। এখন বিভিন্ন ক্লাব, বিভিন্ন গ্রামের পুজোর প্রতিমা গড়ার কাজ করছি।স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে তাঁকে সঙ্গত দেনভিন ধর্মের হওয়ায় কোনও দিক থেকে বাধা আসেনি? বছর পঞ্চান্নর নূর মহম্মদের কথায়, বাধা যে একেবারে আসেনি তা নয়। আমাদের ধর্মের মৌলানারা একটু আধটু বাধা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের বোঝালাম, নজরুল ইসলাম যদি মুসলিম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত গাইতে পারেন, ভক্তিমুলক কৃষ্ণের গান গাইতে পারেন, তাহলে আমি কেন মূর্তি বানাতে পারব না। বাংলাদেশের গোলাম রসুল বাউল শিল্পী। অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। না বুঝলে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে বাড়িতে কোনও সমস্যা নেই। বাড়ি থেকে বাবা-মা খুব সমর্থন করেছেন। এখন তো বাড়ির সবাই এর পিছনে কাজ করছে। দরকারে কাদা লেপে দিচ্ছে। এই মৃৎ শিল্পী জানান, এবার মোট ৮টা প্রতিমা তৈরি করছেন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুকয়েক দশক ধরে নূর মহম্মদের প্রতিমা পুজিত হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্ডপে মন্ডপে। তাঁর স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে যোগ্য সঙ্গত দেন। তিনি বলেন, বাড়ির কাজ আছে, লোকজনের রান্না আছে, তার বাইরে সময় পেলে কাজ করি। আমি সাপোর্ট না করলে কে করবে? আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই কাজ করে সংসার চালাই আমাদের ভাল লাগবে না? আমার বাবা জেনেই এই পরিবারে বিয়ে দিয়েছেন। প্রতিমা বানায় বলে অনেকে বাবাকে মেয়ে দিতে বারন করেছিল। কথা না শোনায় বাবাকে একঘরেও করেছিল।প্রতিমা তৈরি করলেও নিজ ধর্মের প্রতি অবহেলা করেন না নূর মহম্মদ। নিয়ম করে নামাজ পড়েন। মসজিদেও যান। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, মানুষ মানুষকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিক, এটাই চান নূর মহম্মদ।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tanushree Bhattacharya : বাড়িতেই স্পেশাল ডে উদযাপন করলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য

জন্মদিন। সকলের কাছেই জন্মদিন একটা স্পেশাল দিন। একটা আলাদা এক্সাইটমেন্ট থাকে এই বিশেষ দিনে। তবে অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্যের কাছে এই বছরের জন্মদিনটা আরও বেশি স্পেশাল। কারণ তিনি মা হতে চলেছেন। তাই আপাতত শুটিং থেকে বিরতিও নিয়েছেন।নিজের স্পেশাল মানুষ শমীক বোস ও পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে এবারের জন্মদিনটা উদযাপন করলেন সকলের প্রিয় মা ভবতারিণী। ফেসবুকে তনুশ্রীর জন্মদিন উদযাপনের ছবি পোস্ট করেছেন তনুশ্রীর হাজব্যান্ড পরিচালক শমীক বোস। সেখানে সুন্দরভাবে ডেকরেশন করা একাধিক কেকের ছবিও দেখা গেছে। শমীকের দেওয়া স্পেশাল কেকে লেখা রয়েছে,হ্যাপি বার্থডে বৌ।সারাটা দিন কেমন কাটল সেটা জানতে জনতার কথা থেকে যোগাযোগ করা হয় তনুশ্রীর সঙ্গে। তনুশ্রী বলেন, এবছর আর বেরোনো হয়নি। বাড়িতেই রয়েছি। রাত্তিরে কালকে কেক কাটা হয়েছে। দুপুরে একটু বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া হল। আমার ননদরা,তাদের মেয়েরা, আমার বাবা, মা এসেছিল। রাতেও বাড়িতেই ছিলাম। আমার বর শুটিং-এ গিয়েছিল। শুটিং থেকে ফিরে রাতে একটা ভালো ডিশ বানিয়েছিল। ফ্যামিলির সঙ্গে মজা করা, খাওয়া-দাওয়া করা এইভাবেই সারাটা দিন কেটে গেল।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

BAY: অবাস যোজনায় টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করা উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ পূর্ব বর্ধমানে

বাংলা আবাস যোজনায় টাকা পেয়েও যাঁরা বাড়ি তৈরি করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করলো প্রশাসন। টাকা পেয়েও দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি এমন ৪৩ জন উপভোক্তাকে মঙ্গলবার লাল চিঠি ধরালো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসন। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে বলেও প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন এমন কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এবার মহা-ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছে বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কজ শুরু না করা উপভোক্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর এমন উপভোক্তার সংখ্যা জেলার অন্য অনেক ব্লকেও রয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রশাসন একই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।খণ্ডঘোষ ব্লকের বিডিও সত্যজিৎ কুমার জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির অগ্রগতির ক্ষেত্রে গোটা জেলার মধ্যে খণ্ডঘোষ ব্লক সবথেকে এগিয়ে রয়েছে। এদিন যে ৪৩ জন উপভোক্তাকে লাল চিঠি ধরানো হয়েছে তাঁরা খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের কেউ দেড় বছর আগে আবার কেউ দুবছর আগে বাংলা আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজই শুরু করেননি। বিডিও ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ওই ৪৩ জন উপভোক্তাকে এর আগে গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লকের যুগ্ম বিডিও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুর কথা জানিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা কেউ হেলদোল দেখাননি। তাই এদিন ওই ৪৩ জনকে লাল চিঠি ধরিয়ে এক সপ্তাহের অন্তিম সময় বেঁধে দেওয়া হল। তাঁর মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে।বিডিওর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার উপভোক্তাদের এ্যাকাউন্টে যথা সময়েই বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু টাকা পেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করার দায় একন্ত ভাবেই উপভোক্তাদের। এক্ষেত্রে প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না ।খণ্ডঘোষের কিছু বাসিন্দা এই প্রসঙ্গে বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেয়ে সেই টাকা ব্যবসায় লাগিয়েছে। আবার কেউ সুদে খাটাচ্ছে। তাই তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারেননি। লাল চিঠি পৌছে যাওয়ার এবার তাঁরা কি করেন সেটাই এখন দেখার বলে বাসিন্দারা মন্তব্য করেছেন। জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি করবে বলে সরকারের টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরি করবে না এমনটা হতে পারে না। যাঁরা বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। প্রশাসন সঠিক কাজই করেছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
নিবন্ধ

Poem: বিকল্প (কবিতা)

বিকল্পকোলাহল মুখরিত নাগরিক জনপদ থেকেঅনেক দূরে, যখন আমি নিঃসঙ্গ,একাকীত্বের ভারে অবনত;তখনই বাতায়ন পথে এক মুঠোদমকা বাতাস কানে কানে বলে -আমি আছি, তোমার সাথে অবিরত।মনের নিভৃতে পোষিত গোপন আশাশুকিয়ে যাওয়া কুঁড়ির মতো ঝরে,অবজ্ঞার চোরাস্রোতে ভাঙে বুক।অকস্মাৎ আকাশের বুকে মেঘরাশি বলে,আমিও পারিনি এখনও বৃষ্টি হয়ে ঝরতে,আছি উন্মুখ।সাদা কালো মন হয়না রঙিন,আবিরের পরশ পায় না হৃদয়,বসন্ত চলে যায়।বৃষ্টির পরে পুবের আকাশেরামধনু বলে, আমি তো আছি,সাতরঙে রাঙাবো তোমায়।স্বজন হারানো ব্যথায় কাতর,শরীরে মনে আসে অনাদর,বৈরাগ্যের ভাব জাগে।বৃক্ষরাজি বলে চুপিসারে,শুষ্ক পাতা ঝরিয়ে দিয়ে,কিশলয় আনতে হবে।সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত্রি জাগে,নিভে যায় দীপ তেলের অভাবে,আঙিনা আঁধার কালো।জ্যোৎস্না বলে, আমরা তো আছি,তোমার উঠানে নিত্য জ্বালাবোনক্ষত্ররাজির আলো।প্রখর তপন তাপে তপ্ত কুটির,ঘর্মস্রাবি দিন নিংড়ে নেয় আয়ু,দেহের সাথে মনও জ্বলে যায়।বৃষ্টি বলে হেসে, আমি তো আছি,সিক্ত করব তোমার শরীর,আমার ফল্গুধারায়।লেখকদীপক কুমার মণ্ডল

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ড জয়ের স্বপ্নভঙ্গ, বাংলার সম্মান রক্ষা করতে পারল না মহমেডান

স্বপ্ন ছিল, ছিল আশাও। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রবিবার যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন মহমেডান সমর্থকরা। দীর্ঘদিন পর সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না। ৮ বছরের পুরনো ইতিহাস স্পর্শ করতে পারল না সাদাকালো ব্রিগেড। এফসি গোয়ার কাছে ১০ ব্যবধানে হেরে ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কাছে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে এডু ভেদিয়ার দুরন্ত গোলে স্বপ্নভঙ্গ মহমেডান সমর্থকদের।বিকেল থেকেই যুবভারতীর পথে গাড়ি লম্বা লাইন। সাদাকালো পতাকায় সাজানো। আরোহীদের গন্তব্য যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। মহমেডান সমর্থকদের সৌজন্যে দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফুটবল ঘিরে উন্মাদনা। ডুরান্ড ফাইনালে বাংলা বনাম গোয়ার লড়াই। মহমেডান ক্লাবের হাতে ছিল বাংলার সম্মান রক্ষার ব্যাটন। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের অবর্তমানে স্পোর্টিং। ফেরাতে পারল না ২০১৩ সালের স্মৃতি। এফসি গোয়া আইএসএলের দল। ডুরান্ড কাপকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে নিয়েছিল। তাই পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে এসেছিল। এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। প্রতি আক্রমণভিত্তিক ফুটবলের দিকে নজর দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, এফসি গোয়া শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহমেডানের ওপর। কিন্তু মহমেডান রক্ষণ সতর্ক থাকায় তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এফসি গোয়ার যাবতীয় আক্রমণ এসে আটকে যাচ্ছিল পেনিট্রেটিভ জোনে। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।অন্যদিনের তুলনায় মহমেডানের আক্রমণ এদিন অনেকটাই নিস্প্রভ ছিল। তার অন্যতম কারণ নিকোলা স্টোজানোভিচ। ডিফেন্সকে মজবুত করতে এদিন তাঁকে একটু পেছন থেকে ব্যবহার করেন মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ফলে বল সরবরাহ বেশি না হওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেননি মার্কাস জোসেফ। তার মাঝেই ৩৪ মিনিটে দুরন্ত শটে মিলন সিং এফসি গোয়ার জালে বল রাখলেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই বিরক্তিকর ফুটবল। কোনও দলই ঝুঁকি না নেওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের নিশ্চিত সুযোগ তৈরি হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মহমেডান। নিকোলার কর্নারে ওয়েন ভাজের হেড এফসি গোয়া গোলকিপার নবীনকুমারের হাতে চলে যায়। ১০৫ মিনিটে বাজিমাত এফসি গোয়ার। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করেন এডু ভেদিয়া। তাঁর বাঁপায়ের শট মহমেডান গোলকিপার জোথানমাইওয়ার নাগাল এড়িয়ে দ্বিতীয় পোস্টের কোন দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে নিকোলার বাঁপায়ে শট অসাধারন দক্ষতায় বাঁচান গোয়ার গোলকিপার নবীনকুমার।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammedan SC: ৮ বছর পর অতীতকে ছোঁয়ার হাতছানি মহমেডানের সামনে

দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতার ফুটবলে প্রাণ ফিরে এসেছে মহমেডান স্পোটিং ক্লাবের দৌলতে। টিকিটের জন্য হাহাকার। এই ছবিটাই তো দেখতে চেয়েছিল ডুরান্ড কাপের আয়োজকরা। তাই দিল্লি থেকে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে এসেছে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর ডুরান্ড কাপের এত জনপ্রিয়তা মহমেডান ক্লাবের সমর্থকদের সৌজন্যে। কেনই বা হবে না? ৮ বছর পর আবার ইতিহাসের মুখে দাঁড়িয়ে সাদাকালো ব্রিগেড। রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহমেডানের সামনে এফ সি গোয়া।২০১৩ সালে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। দীর্ঘদিন পর আবার সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি সাদাকালো ব্রিগেডের সামনে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছে মহমেডান শিবির। দলকে তাতানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস। শেষবার মহমেডান যখন ডুরান্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলে ছিলেন দীপেন্দু। ৮ বছর আগের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে দরছেন ফৈয়াজ, আজহারউদ্দিনদের সামনে।এফসি গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে না। তবে মহমেডানের বাড়তি সুবিধা ঘরের মাঠে প্রিয় দর্শকদের সামনে খেলা। সেমিফাইনালে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে সাদাকালো ফুটবলারদের বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছিল সমর্থকরা। রবিবারও যে মহমেডান বাড়তি অক্সিজেন নিয়ে নামবে সেকথা বলাই বাহুল্য। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে ডুরান্ড কাপ খেলছে এফসি গোয়া। পূর্ণশক্তি নিয়ে খেলতে এসেছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষকে ভয় পাচ্ছেন না মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফাইনাল সবসময়ই বড় ম্যাচ। আমরা ভারতের অন্যতম সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব। বিপক্ষকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে ভয় পাচ্ছি না। আমরা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছি। এখন লক্ষ্য ফাইনালে সেরাটা দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এফসি গোয়াকে হারানোর জন্য সেরাটা দিতে হবে, সেটা ফুটবলাররা জানে।দীপেন্দু বিশ্বাসও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, দল ভাল ছন্দে রয়েছে। যদি আগেরল ম্যাচগুলোর মতো খেলতে পারি, চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাবে না। দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতা ময়দানে উন্মাদনা ফিরে এসেছে। এমন উন্মাদনা দীর্ঘদিন দেখিনি। চ্যাম্পিয়ন হলে ষোলকলা পূর্ণ হবে। এফসি গোয়া ডিফেন্সে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। সেটা কাজে লাগাতে হবে। ফুটবলারদের কাছে সেরা সুযোগ নিজেদের প্রমাণ করার।

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar attacks Mamata: মহাত্মার জন্মদিনে মুখ্যমন্ত্রীকে ফের 'গণতন্ত্র'-খোঁচা ধনখড়ের

গান্ধি জয়ন্তীতে ফের এক বার বাংলার গণতন্ত্র নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ভয় ও হিংসা মেটাতে মমতা সরকারের পদক্ষেপ করা উচিত বলেই দাবি করেছেন তিনি। ধনখড়ের এই সমালোচনার পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তাঁর মন্তব্য করা উচিত বলেই দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।অহিংসার বার্তাপ্রেরকের জন্মদিনেও বাদ গেল না রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী টুইট-যুদ্ধ। শনিবার গান্ধিজয়ন্তীর সকালে মহাত্মা গান্ধির বার্তা স্মরণ করার পাশাপাশি রাজ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফের মুখ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এদিন টুইট করে ধনখড় লেখেন, বাপুকে তাঁর যোগ্য সম্মান জানিয়ে তাঁর আদর্শায়িত শান্তি ও অহিংসার বাণীগ্রহণ, পালন ও অনুশীলন বিশ্বজুড়ে পাথেয়। গণতন্ত্রের ফুল ফোটাতে ও মানবিক সম্মান রক্ষার্থে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যে ঘটে চলা হিংসার ঘটনায় রাশ টানা। টুইটে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ট্যাগ করেছেন রাজ্যপাল।তবে, এই প্রথম নয়, রাজ্যের শান্তি শৃঙ্খলা ও সংবিধানের মান্যতা প্রসঙ্গে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, এমন অভিযোগ বারবারই করেছেন রাজ্যপাল। কখনও টুইটারে কখনও বা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে। সম্প্রতি, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তরজায় জড়ান রাজ্যপাল। ধনখড় এক বিশেষ দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন এমন অভিযোগ বারবারই করে এসেছে তৃণমূল। নির্বাচনের ঠিক পরেই দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন জগদীপ। কেন তাঁর সেই সফর, তা নিয়ে যথেষ্ট জল্পনাও তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। পরে জানা গিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করতে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি, অগস্ট মাসেও দুই দিনের জন্য দিল্লি যান ধনখড়। তার আগে রাজভবনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাত্সারেন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Flood Situatuation: ফুঁসছে দামোদর-অজয়-গন্ধেশ্বরী-দ্বারকেশ্বর, বানভাসী দক্ষিণবঙ্গ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা

অজয় নদের জলে প্লাবিত হল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই অজয়ের জল বাড়তে শুরু করে। রাতে ভেদিয়ার সাঁতলা গ্রামের অজয় নদের বাঁধে ফাটল বিশাল আকার ধারণ করে। এই মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে অজয়ের জল সাঁতলা বাগবাটি-সহ চার পাঁচগ্রামকে প্লাবিত করেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে প্রশাসন। বিঘের পর বিঘে ধানের জমি জলের তলায়। ফলে চরম বিপদ শঙ্কায় এলাকার বাসিন্দারা।এদিকে, শুক্রবার সকাল পরিস্থিতির আরও অবনতি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম বহু অংশ প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। ঘর হারানো মানুষজন একটু ডাঙার খোঁজে উত্তাল নদীর স্রোতের মধ্যে দিয়েই সাঁতরে চলেছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে একাধিক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে। প্রাণহানি নিয়েও আশঙ্কায় প্রশাসন। সাতসকালে মঙ্গলকোটের কোঁয়ারপুর, মালিয়ারা ও গণপুর তিনটি গ্রামের কাছে অজয় নদের বাঁধ ভেঙেছে। বাঁধ ছাপিয়ে জল ঢুকতে শুরু করেছে আউশগ্রামের সাঁতলাতেও। জলবন্দি বেশকিছু গ্রামের মানুষ। আউশগ্রামের সাঁতলায় অজয়ের বাঁধ ভেঙেছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে। আউশগ্রামের সাঁতলা গ্রাম থেকে সাঁতরে বেরিয়ে এসে বাঁচার চেষ্টা করছেন তাঁরা। বাঁকুড়ার পরিস্থিতিও তথৈবচ। জলের তীব্র স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে পাত্রসায়ের, সোনামুখীর বহুলাংশ প্লাবিত। গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর নদী ফুঁসছে। দ্বারকেশ্বরের জলে হুগলির আরামবাগ, গোঘাট-সহ একাধিক ব্লক জলমগ্ন। উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে সেনাবাহিনী।অন্যদিকে, বানভাসী হুগলিও। লাল সতর্কতা জারি হয়েছে আরামবাগে। একদিকে টানা বৃষ্টি অন্যদিকে দফায় দফায় ডিভিসি-র ছাড়া জল আবার পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ সব মিলিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী ও দামোদর নদী । কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকছে। তার মধ্যে রয়েছে আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও নিচু এলাকার মানুষদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। পুরশুড়াতেও বিপদ বাড়িয়েছে ডিভিসির ছাড়া জল।দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীও বইছে বিপদ সীমার উপর দিয়ে। ইতিমধ্যেই প্রায় দুই লক্ষ্য কিউসেকেরও বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। যদিও এখনও ডিভিসির ছাড়া জল মুন্ডেশ্বরী দিয়ে খানাকুলে এসে পৌঁছয়নি। কিন্তু ডিভিসির জল খানাকুলে এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে এবং সমস্ত বন্যা পরিস্থিতিকে ছাপিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নিয়ে ২ মাসে আরামবাগ মহকুমা পরপর তিনবার বন্যার সম্মুখীন হলো। সব মিলিয়ে বড় সড় বন্যা পরিস্থিতির আতঙ্কে আতঙ্কিত গোটা আরামবাগ মহকুমার মানুষ। জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হচ্ছে। আজ সকাল থেকে ১ লক্ষ ৮৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। গতকাল এই জল ছাড়ার পরিমাণ ২ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি ছিল। নিম্নচাপ ধীরে ধীরে সরে যাওয়ায় বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে কমছে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ। নতুন করে নিম্নচাপ না হলে এই জল ছাড়ার পরিমাণ আজকে অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করছে সেচ দপ্তর।

অক্টোবর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal