• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্ট

গরুপাচার মামলায় একাধিকবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে চলেছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। সকালে তাঁকে দেড় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তখন বাড়ির সমস্ত গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ করেন। তবে যে কায়দায় এদিন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে রেখে সিবিআই আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন তাতে তাঁকে গ্রেফতারের জল্পনা ক্রমশ বাড়ছিল। শিষমেশ অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে অনুব্রত মণ্ডলের। তার পর আজই হয়তো আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে কেষ্টকে। এদিকে অনুব্রতকে গ্রেফতারির ঘটনায় ফের চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তৎকালীন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির এক মাসের মধ্যে আরেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি। অনুব্রত ইস্যুতে দল পাশে থাকে দল না কিনা সেটাই দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২২
দেশ

বিহারে অষ্টমবারের জন্য শপথ নীতীশ কুমারের, ডেপুটি লালুপুত্র তেজস্বী

বিহারের রাজভবনে অষ্টমবারের জন্য শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। বুধবার একইসঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন লালুপুত্র তেজস্বী প্রসাদ যাদব। বিহারে এর আগে বিজেপির সঙ্গে জোট করে সরকার গড়েছিলেন নীতীশ কুমারের জেডিইউ। মাঝপথেই ভাঙল বিজেপি ও জেডিইউর জোট। অন্য রাজ্যে যেখানে বিরোধীদের সরকার ভেঙে গেরুয়া শিবির সরকার গড়ছে। বিহার তার উলাটপূরাণ দেখাল। বিহারে আরজেডির বিধায়ক ৭৯ জন, জেডেইউর ৪৫, কংগ্রেসের ১৯, লেফ্টফ্রন্ট ১৯, হাম ৪ ও ১ জন নির্দল রয়েছেন নূতীশ ও তেজস্বীর জোটে। এর আগে মঙ্গলবারই এনডিএ জোট ছাড়েন নীতীশ কুমার। ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে। তারপর তেজস্বীকে সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে জোট সরকার গড়ার আবেদন জানান রাজ্যপালের কাছে।এদিকে, নীতীশকে স্বভাবগত বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। পাটনার বিভিন্ন জায়গায় নীতীশ কুমার মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। জেলায় জেলায়, ব্লকে ব্লকে বিজেপি কর্মীদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ এসেছে দিল্লি থেকে। বিহারের ঘটনায় বিরোধীরা গেরুয়া শিবিরের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী হয়েছে

আগস্ট ১০, ২০২২
রাজ্য

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের কোন্দলে দুই নেত্রীর ভিন্নমত

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে দুই নেত্রীর ভিন্নমত। মালদার মানিকচক বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের দাবী এলাকার ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৪২কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান ৪২কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানা নেই।তিনি বলেন ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৭কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এই সময় ভাঙণ প্রতিরোধের কাজ করলে বরাদ্দ অর্থ জলে যাবে। তাই ভাঙণের প্রবনতা কমলে কাজ হবে। ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের নিয়ে মন্ত্রী ও বিধায়কের মুখে বরাদ্দ অর্থের পরিমান নিয়ে ভিন্ন মত হওয়ায় জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির দাবী ভোট রাজনীতির জন্য ভাঙণ প্রতিরোধ কাজের বরাদ্দ অর্থের কথা বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আসলে কোন অর্থই বরাদ্দ হয় নি। শুধু তাই নয় অর্থ তছরূপের জন্যও মন্ত্রী বরাদ্দ অর্থের পরিমান কম বলেছেন এমনই অভিযোগ করছেন বিরোধীরা।

আগস্ট ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একটা আলাদা Vibe আছে কিশোর কুমারের

আমরা সকলে প্রথমে সমাজের অংশ, তারপর আমাদের জীবিকাগত পরিচয় গুলো বহনকারী মানুষ। আর সমাজের দিক থেকে দেখলে আমি আমার ছেলেবেলায় যা দেখেছি সেই থেকে বলতে পারি কিশোর কুমারে আমাদের সমাজে অবদান আলীম। ৯০ই এর দশকে দেখেছি প্রচুর সংসার চলত কিশোর কুমারের গান গেয়ে। শিল্পী হিসেবে উনি আমার কেন আমাদের সকলেরই ভীষণ প্রিয়। আমরা যারা Performer বা নিছক গান ভালোবাসি শিল্পীদের concern, television show, performance প্রায়ই শুনে থাকি। পুরোনো শিল্পীদের মধ্যে live show video যা যা available থাকে, তার মধ্যে আমি কিশোর কুমারের ভিডিও দেখি প্রায়ই। আমি ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিনা হয়ত অনুভূতিটা। একটা আলাদা vibe আছে কিশোর কুমারের performance এ। ঠিক যেন উনি যা ব্যাক্ত করতে চান,শ্রোতা খুব সহজ সরলভাবে ওটা absorb করে নেয়। যেমন zindagi ek safar hai suhana হাজার মন খারাপ কে হারিয়ে দেয় সহজে। নয়ন শরসি এক ছাপা কান্না আবেগকে উষ্কে দিয়ে যায়। আমার বাবা এক সময় youth choir এ ছিলেন। বাবার কাছে শুনেছি উনি মিষ্টি দই পছন্দ করতেন। তা প্রায়ই নেওয়া হতো কলকাতা থেকে। বাবা ও তার কিছু সাথীর সৌভাগ্য হয়েছিল একবার আমাদের এলাকার এক দোকান থেকে দই নেওয়ার। তবে আজ বলতে চাই সেই কিশোর কুমারের কথা যিনি অসংখ্য পরিবারের কাছে পেয়েছেন ঈশ্বরের আসন।খুব অল্প বয়স থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে আমার স্তেজের সাথে মিতালী। তাই নানা শিল্পীর সাথে ব্র্যাক স্তেজে আলাপ। এমন কিশোর কন্ঠির সাথেও আলাপ হয়েছে যিনি মঞ্চে ওঠার আগে কিশোর কুমারের ছবিতে প্রণাম করেন। কিশোর কুমারের শিল্পী নন উনি phenomenon...

আগস্ট ০৪, ২০২২
রাজ্য

মেমারির হিমঘরের গাফিলতিতে আলু নষ্টের ক্ষতিপূরনের দাবিতে বিক্ষোভ বর্ধমানে

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুরে ১৮০০ চাষির আলু নষ্ট হওয়ার প্রতিবাদে আজ বর্ধমান শহরে অবস্থান বিক্ষোভ করেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। চাষিদের অভিযোগ, বারবার বৈঠক, আবেদন নিবেদন এমনকি জেলাশাসকের সঙ্গে বারংবার বৈঠক হলেও এখনও অবধি কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। তাঁরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্বেও জেলা প্রশাসন ক্ষতিপূরণ নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি।আজ বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জনগেটের সামনে জিটি রোডের ওপর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক কৃষক। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে লিখিত প্রতিশ্রুতি চাই। নইলে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন। তাঁরা জানান, এটা প্রায় দশ হাজার মানুষের রুজির সমস্যা।উপস্থিত চাষিরা জানান, এর আগেও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকেও তেমন কোনও সমাধানসূত্র না মেলায় চরম হতাশ হয়ে পড়েন আলুচাষীরা। কিছুদিন আগে হিমঘরে রাখা আলু পচে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা জানান, পুর্ব-বর্ধমানের রসুলপুরের তিরুপতি হিমঘরে আলু রেখেছিলেন। কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে প্রায় এক লক্ষ বস্তা আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে চাষীদের দাবি। হিমঘর মালিক প্রথমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি রাখেননি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে ওই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ব্যাপারে হাইকোর্টে কেস চলছে, কোর্টের নির্দেশ এলেই সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলুর ক্ষতিপূরনের টাকা না পেয়ে ইতিমধ্যেই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে মেমারি থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা।উল্লেখ্য, মেমারির রসুলপুর এলাকার তিরুপতি হিমঘরে গত ১৯ মে আলু বার করতে গিয়ে চাষীদের মাথায় হাত। হিমঘরের ২ ও ৩ নম্বর চেম্বারের আলু ড্রাইং শেডে ফেলার পর দেখা যায় আলু একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। হিমঘর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এক লক্ষ ১৫ হাজার প্যাকেট আলু নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন চাষীরা। চাষীদের বিক্ষোভের মুখে পরে গত ৬ জুন হিমঘর কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসন ও চাষীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি স্থানীয় বিধায়ক ও কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ক্ষতিপূরণ বাবদ চাষীদের ৮৯০ টাকা প্রতি প্যাকেট দেওয়া হবে। এবং ওই ক্ষতিপূরণ ২১ জুনের পর দেওয়া হবে। কিন্তু চাষীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত হিমঘর কর্তৃপক্ষ তাদের টাকা মেটানোর কোনও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি উল্টে হিমঘর মালিক হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। এমত অবস্থায় বিপাকে পড়েছে এই হিমঘরে আলু রাখা কৃষকরা।ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা ২ আগস্ট মঙ্গলবার জেলাশাসকের দপ্তরে এসে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ডেপুটেশন দিতে এলে তিনি তাঁদের জানিয়ে দেন, প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং-এ সিদ্ধান্ত মতো ক্ষতিপূরণের বিরুদ্ধে হিমঘর কতৃপক্ষ উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছে। যেহেতু ব্যাপারটি আদালতের বিচারাধীন, এই মুহুর্তে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হয়েছে। আগামিকাল কলকাতা হাইকোর্টের রায়দানের সম্ভাবনা আছে। আমরা সেই রায়ের দিকেই তাকিয়ে আছি, সেখান থেকে কিছুটা রিলিফ চাষিরা পেতে পারেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার আশ্বাসে চাষিরা অবস্থান তুলে নেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা, বাবার লকার ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা ও গয়না চুরি করে ছেলে পুলিশের জালে

বাবার লকার ভেঙ্গে লক্ষাধিক টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর ছেলে ঈশানের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার পুলিশ শিলিগুড়ির এক ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর টাকা, গয়নাসহ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত ঈশানকে। এদিন বংশীহারী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে ও গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয় তাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ঈশান কারজাইয়ের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পৌর এলাকার বড়াইলে। বুনিয়াদপুরে প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর পুত্র। ধৃতের নামেই বাবার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম। ধৃতের বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই তার ছেলে ঈশান কারজাই(২০) বাড়ির লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের লোক অনেক খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে ২৩ জুলাই ঈশানের বাবা আবু তাহের বংশীহারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে বংশিহারী থানার পুলিশ। এএসআই বিপ্লব দাসের নেতৃত্বে মোবাইল লোকেশন ধরে শিলিগুড়িতে পৌঁছে যায় তাঁরা।জানা গেছে ১৯ জুলাই থেকে ২৫ শে জুলাই পর্যন্ত সে শিলিগুড়ির বিভিন্ন হোটেলে রাত্রিযাপন করে। ২৬ শে জুলাই শিলিগুড়ি রবীন্দ্রসরণির রাজা রামমোহন রায় রোডে বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায় ঈশান একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। মোবাইল টাওয়ার ধরে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফ্ল্যাটটিতে পৌঁছায় এএসআই বিপ্লব দাস সহ অন্যান্যরা। হাতেনাতে ফ্ল্যাটটি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় সাত লক্ষ টাকা। একটি সোনার আংটি ও একজোড়া কানের দুল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে এই পরিবার দিল্লিতে থাকতেন। হঠাৎ করে কয়েক বছর আগে বুনিয়াদপুরের বেশ কয়েকটি বাড়িসহ হার্ডওয়ার দোকান দিয়ে জাকিয়ে বসেছেন এই ব্যবসায়ী। দিল্লিতে এখনও যাওয়া আসা আছে। গত এক বছর আগে ঈশান কারজাই দিল্লি থেকে বুনিয়াদপুরে চলে আসে। মালদহ-তেও নাকি কিছুদিন ছিল ঈশান। কয়েকদিন আগে ঈশান বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর ও গঙ্গারামপুরে মোমোর স্টল বসিয়েছিল। মালদা, অসম ও শিলিগুড়ি থেকে সাত জন নেপালি ছেলেদের বাড়িতে রেখে মোমো বানিয়ে তাদের দিয়ে সেই স্টলগুলি পরিচালনা করতো বুনিয়াদপুর থেকে। ভালোই চলছিল সেই মোমোর দোকানগুলি। কোনও অজ্ঞাত কারণে কয়েক সপ্তাহের পর সেই মমোর স্টলগুলি বন্ধ হয়ে যায়।বংশীহারী থানার আইসি মনোজিত সরকার বলেন, বাড়ি থেকে লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছিল ঈশান কারজাই। বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার শিলিগুড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকা, সোনার গয়না সহ ঈশানকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে তাকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থর প্রমীলা সঙ্গ নিয়ে বিব্রত দল! অর্পিতা, মোনালিসা... আর কে কে?

২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারি নিয়ে দল সাংবাদিক সম্মেলন করলেও, এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য রাখেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিমরা যে কথা বলেছেন, সেটি তৃণমূল নেত্রীরই বক্তব্য বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহলের ধারনা মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দল জল মাপছেন। তবে সুত্রের খবর, পার্থ ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত কিছুটা নরম। ঘনিষ্ট মহলের ধারনা, যে কোনও মানুষের বিপদ হলে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হয় এরকমই মনে করছেন নেত্রী, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সতীর্থ নিয়ে কিছুটা সময় দেওয়ার কথাও হয়ত ভাবছেন তিনি।শিল্পমন্ত্রীর এই ঘোর দুর্দিনে ঘনিষ্টমহলে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে বলছেন তৃণমূল নেত্রী। আদালতের নির্দেশ হাতে না পেয়ে পার্থকে সরানো উচিত হবে না বলে শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করেন। তবে দলের অনেকেই পার্থর প্রমীলা-আসক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শুক্রবার ইডি-র হানার পরই পার্থ ঘনিষ্ঠ হিসাবে নাম উঠে এসেছে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় নামে জনৈক অভিনেত্রীর নাম। রাত গড়াতে না গড়াতেই আরও এক মহিলার নাম নাম উঠে আসে। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা মোনালিসা দাস। ইডি সুত্রে জানা যায়, পার্থ ঘনিষ্ট অভিনেত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১কোটির বেশি নগদ টাকা, সোনার গহনা ও বিদেশী নোট। অপরদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, বীরভূম জেলায় শান্তিনিকেতনে অধ্যাপিকা মোনালিসার কমপক্ষে ১০ থেকে ১২টি বাড়ি আছে, সে সবই পার্থের আনুকুল্যে। সেখানকার স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমে বলেন, পার্থ সহ অনেক ভিভিআইপিদের আনাগোনা ছিল এই বাড়িগুলিতে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-র (ইডি) তদন্তকারীরা এসএসসি দুর্নীতি মামলার একেবারে মূলে পৌঁছতে চাইছেন। জনমানসে একটা প্রশ্ন বারবারই উঠে আসছে, এবং যেটি নিয়েই সবচেয়ে বড় বিতর্ক দানা বেঁধেছে, তা হল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল মহাসচিবের সঙ্গে এই দুই মহিলার পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা-র উৎস কি বা কে? টলিগঞ্জের বিলাসবহুল আবাসনের অন্যান্য আবাসিকরা জানান, অর্পিতার ফ্ল্যাটে লালবাতি গাড়ি চড়ে রাতে কেউ আসতেন। তবে কে বা কারা আসতেন সে বিষয়ে তাঁরা খোলসা করে কিছু বলেননি।আসানসোলের কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালের অধ্যাপিকা মোনালিসার নাম সামনে আসতেই নানা প্রশ্ন ভেসে আসছে। সুত্র মারফত জানা যায়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর মোনালিসা প্রথম জীবনে বিদ্যালয়ে শিক্ষাকতা করতেন। ২০১৪ তে তিনি কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালের অধ্যাপিকা হিসাবে যোগদান করেন। এবং খুব স্বল্প দিনে ২০১৮ তেই তিনি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হয়ে যান এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় প্রধান হয়ে যান। তাঁর এই উল্কা গতির উত্থান তাঁর পরিচিত জনের অনেকেই ভালো চোখে নেননি। কিন্তু তৃণমূলের উচ্চস্তরের নেতাদের ঘনিষ্ট হওয়াতে কেউই এবিষয়ে মুখ খোলেননি। এই মুহুর্তে মোনালিসার আয় বহির্ভুত সম্পত্তির সাথে সাথে তাঁর শিক্ষকতা যোগ্যতা ও চাকরির সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষিকাকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়কের প্রতিবাদ

দক্ষিণ দিনাজপুর: গতকাল দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট বিধানসভার অন্তর্গত হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী উচ্চবিদ্যালয়ে একদল দুষ্কৃতী আচমকা চড়াও হয়ে এক শিক্ষিকাকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানি করে। পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষিকাকে চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ও দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, ওই উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শাসন করাতে ছাত্রীর পরিবার ও অন্যান্য দুষ্কৃতীদের হাতে চরম হেনস্থার শিকার হন ঐ শিক্ষিকা। এদিন তারই প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন বিজেপির বালুরঘাট বিধানসভার বিধায়ক।

জুলাই ২৩, ২০২২
দেশ

আধার কার্ড আপডেট: আধার কার্ডে আপনার ছবি নিয়ে খুশি নন? জানুন কত সহজে হবে পরিবর্তন

বহু বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বায়োমেট্রিক কার্ড হিসেবে আধার কার্ডকে মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ব্যক্তিগত পরিচয়ের জন্য যে সমস্ত পরিচয়পত্র আছে তাঁদের মধ্যে আধার কার্ড হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি। কোনও সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা-ই এই কার্ড বা নম্বর অস্বীকার করতে পারে না। ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (UIDAI) দেওয়া ১২-সংখ্যার অভিন্ন নম্বরটি এখন একটি উল্লেখযোগ্য নথিতে পরিণত হয়েছে কারণ এতে আপনার জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য-র পাশাপাশি বায়োমেট্রিক ডেটা রয়েছে।আধার পরিচালন সংস্থা UIDAI আপনাকে আপনার আধারের কিছু কিছু তথ্য আপডেট করার অনুমতি দেয়। যে যে তথ্য আপনি আপডেট করতে পারেন সেগুলি হলঃজনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্যঃ এতে আপনি আপনার নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ/বয়স, লিঙ্গ, মোবাইল নম্বর, ইমেল ঠিকানা, পারিবারিক সম্পর্কের তথ্য এবং আপনার তথ্য শেয়ার করে নেওয়ার সম্মতিও আপডেট করতে পারেন।বায়োমেট্রিক তথ্যঃ এতে আপনি আপনার আইরিস (চোখের মনির ছবি), দুই হাতের পাঁচটি করে আঙুলের ছাপ এবং মুখের অবয়বের ছবি আপডেট করতে পারেন।আপনি যদি আপনার মুখের ছবি পরিবর্তন করতে চান তবে এটি বায়োমেট্রিক তথ্য পরিবর্তনের অধীনে আসবে। অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি সম্ভব নয়। এর জন্য আপনাকে সশরীরে নিকটবর্তি কোনও সরকার নির্ধারিত আধার পরিসেবা কেন্দ্রে যেতে হবে।অনলাইনে আধার কার্ডে আপনার ছবি পরিবর্তন করার নিচের নির্দেশিকাগুলি ধাপে ধাপে করুনঃপ্রথম ধাপঃ আপনার মোবাইল বা কম্পিটার-এই লিঙ্কটি খুলুন https://uidai.gov.in/দ্বিতীয় ধাপঃ এরপর UIDAI এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আধার তালিকাভুক্তির ফর্ম ডাউনলোড করুন।তৃতীয় ধাপঃ সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ভুলভাবে উক্ত ফর্মে পরিষ্কার ভাবে লিখুন।চতুর্থ ধাপঃ এরপর আপনাকে নিকটবর্তি কোনও সরকার নির্ধারিত আধার পরিসেবা কেন্দ্রে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।পঞ্চম ধাপঃ আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্টের নির্ধারিত দিনে আধার তালিকাভুক্তি কেন্দ্রে যান, যেখানে আপনার নতুন ছবি তোলা হবে।ষষ্ট ধাপঃ আধার তালিকাভুক্তি কেন্দ্রে ওই পরিবর্তনের জন্য আপনাকে জিএসটি ছাড়াও ১০০ টাকা দিতে হবে।সপ্তম ধাপঃ আধার তালিকাভুক্তি কেন্দ্রে আপনার অনুরোধ গৃহীত হলে, (ছবি তোলা) আপনাকে একটি স্বীকৃতি স্লিপ এবং একটি আপডেট অনুরোধ নম্বর (URN) দেওয়া হবে।অষ্টম ধাপঃ আপনার আধারে যদি মোবাইল নম্বর ও এ-মেল যোগ করা থাকে, তাহলে আপনি আপনার আধার কার্ডের স্থিতি ট্র্যাক করতে URN ব্যবহার করুন।

জুলাই ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলবন্দি সরকারি আধিকারিকের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার অপরাধে মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার চিত্র পরিচালক

জেলে বন্দী সরকারি অফিসারের (IAS) সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছবি শেয়ার করায় মঙ্গলবার মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসকে গ্রেফতার করেছে আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ।আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ সুত্রে খবর, অবিনাশ দাস গ্রেফতার হওয়া ঝাড়খণ্ড ক্যাডারের আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলর সাথে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি ছবি তাঁর সামাজিক মাধ্যম টুইটারে শেয়ার করেছিলেন এবং সেখানে ক্যাপশন দিয়েছিলেন যে, অফিসারের গ্রেপ্তারের আগে ছবিটি তোলা হয়েছিল।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) অর্থ পাচারের অভিযোগে আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলকে গ্রেপ্তার করেছিল। ইডি অফিসারদের সিংঘলের বাড়ি থেকে নগদ বাজেয়াপ্ত করার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসঅবিনাশ দাস, মুম্বাইয়ে এক ব্যস্ততম চিত্র পরিচালক। তিনি আনারকলি অফ আরা মত জনপ্রিয় ছবির পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও রাত বাকি, সি, রানওয়ে লুগাই ছবি গুলির পরিচালনা করেছেন।এফআইআর অনুসারে, দাস মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং শাহের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ৮ মে, ২০২২-এ অমিত শাহের একটি পাঁচ বছর আগের ছবি শেয়ার করেছিলেন। অবিনাশ দাসের বিরুদ্ধে আইপিসি ৪৬৯ ধারা (জালিয়াতি), আইটি আইনের ৬৭ ধারা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১-এর ধারাগুলির অধীনে মামলা করা হয়। দাসকে আগামীকাল আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে পেশ করা হবে।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে সমীকরণ চেঞ্জ, তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠীর উত্থান

শহিদ দিবসে মুখে গোষ্ঠী কোন্দলে দাঁড়ি টেনে তৃণমূলের ঐক্যের ছবি দেখা গেল গলসির ১ ব্লকে। রবিবার বিকেলে রামগোপালপুর বাজারে একুশে জুলাই প্রস্তুতি পথসভাতে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মাথা গলসি ১ ব্লকের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি জাকির হোসেন। জামালপুরের বিধায়ক (গলসির প্রাক্তন বিধায়ক) তথা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি অলোক মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান জাহির আব্বাস, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রোকেয়া বেগম প্রমুখ। জনার্দনবাবু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা সকলকে ডেকেছিলাম। জাকির হোসেন এসেছেন। সবাই দলের হয়ে লড়াই করবো। আর জাকিরবাবুর বক্তব্য, আমাদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি ছিল। তবে আমাকে ব্লক সভাপতি ডেকেছিলেন। জনার্দন দা আমার রাজনৈতিক গুরু। গুরুর ডাকে এসেছি। এবার গুরুশিষ্য এক সঙ্গে দলের কাজ করবো। যদিও বিরোধীদের দাবি, আজই নতুন গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সেই গোষ্ঠীর এক দিকে প্রধান জাকির, জনার্দন আর অন্যদিকে বিধায়ক নেপাল ঘরুই, দল যুব সভাপতি পার্থ মণ্ডল, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির এক জেলা নেতার দাবি, এবার তো গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের নতুনগোষ্ঠীর খেলা হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি,গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নতুন নয়। দলের বিভাজন তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তখন এক গোষ্ঠীর মাথায় ছিলেন জনার্দনবাবু আর অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষে ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পরেশ পাল। মাঝে দুজনেই রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। সেই সময়ে দলের ব্লক সভাপতি দায়ীত্ব সামলদেন জাকির হোসেন। আর দলের ব্লক যুব সভাপতির পদে আসীন ছিলেন পার্থ মণ্ডল। তখন এক গোষ্ঠীর একটি মাথা হয়ে যান জাকিরবাবু আর অপর গোষ্ঠীর শীর্ষে থেকে যান পার্থবাবু। কিন্ত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জাকিরকে সরিয়ে এক প্রকার ঘর থেকে তুলে এনে জনার্দনবাবুকে ব্লক সভাপতির পদে বসিয়ে দেন। সেই থেকেই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের সম্পর্কের অবনতি শুরু। তারপরে ব্লকে একাধিক বার একাধিক গ্রামে অশান্তির ঘটনা ঘটে। লাগাতার বোমা গুলিগালা চলে। শনিবার সন্ধ্যাতেও খলসেগড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। ভাঙচুর হয় বাইক, টোট সহ দলীয় কার্যলয়। এই পরিস্থিতির জন্যও জাকির গোষ্ঠী এবং জনার্দন গোষ্ঠী পরস্পরকে দোষারোপ করে।দলের একাংশের দাবি, ক্রমে এই কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের প্রচার নিয়েও বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছিল। গলসি বিধানসভার দলীয় প্রার্থী নেপাল ঘরুই সমর্থনে পৃথক প্রচার চালায় দুই গোষ্ঠী।দলীয় কর্মীদের দাবি, দলের ক্রমাগত দ্বন্দ্বের ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে গলসি বিধানসভাতে বিজেপি থেকে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।লোকসভাতে পিছিয়ে থাকা তার উপর দলের চরম গোষ্ঠী কোন্দল বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কে ভাবিয়ে তুলেছিল বলে দাবি তাঁদের। তাঁরা জানান, এমন পরিস্তিতি তৈরি হয় অলোক মাঝিকে গলসি বিধানসভা থেকে সরিয়ে তার পরিবর্তে নেপাল ঘরুইকে ২০২১ সালে প্রার্থী করতে হয়। সেই সময় বহু পরিশ্রম করে তৃণমূলকে বৈতরণী পার হতে হয়েছে। গলসিতে তৃণমূল জিতলেও গোষ্ঠীকোন্দল কিছুতেই থামছিল না। জেলার এক নেতার দাবি, এই পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থেই বিবদমান দুই নেতাকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। সামনে পঞ্চায়েত, বছর দুয়েকের মধ্যে আবার লোকসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে দলের দ্বন্দ্ব মিটানোই লক্ষ্য। কিন্তু, তা হয়ে উঠছিল না। এ দিন মিছিলের পরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জেলা নেতৃত্ব। হাঁফ ছাড়েন অলোকবাবুও। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের এই টিম গলসি বিধানসভা জিতিয়ে দিদির হাতে তুলে দিয়েছিল। আবার এক মঞ্চে তারা। খুব ভালো লাগছে। অলোক বাবু আশাবাদী হলেও এদিন সভাতে দেখা যায়নি, গলসির বিধায়ক নেপাল ঘরুই, ব্লকের যুব সভাপতি পার্থবাবুকে, দলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা আর গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলের একাংশের দাবি, তাঁরা জাকিরবাবু বিরোধী হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল মিটিংও করছেন। জাকিরবাবু আর জনার্দনবাবুকে এক করতে গিয়ে নতুন একটা গোষ্ঠীর জন্ম করে দিয়ে গেলেন অলোকবাবু এমনটাই অভিযোগ দলের নীচু তলার বহু কর্মীর।

জুলাই ১৭, ২০২২
দেশ

কেন বিজেপি এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে জগদীপ ধনকড়কে বেছে নিল?

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র সহ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে। উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ আগস্ট। এই পদে ধনকড়কে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় আসন্ন নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে হবে, এই দুই রাজ্যই কৃষি প্রধান, বিজেপি সে হাওয়া কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক লভ্যাংশ তোলার অঙ্কে ঝাঁপিয়েছে। ধনকড়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রামীণ পটভূমি এবং জাট সম্প্রদায়ের সমর্থন বিজেপির পক্ষে কাজ করবে বলে তাঁদের আশা।কিষাণ পুত্রধনকড়ের নাম ঘোষণা করার সময়, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ধনকড়কে একজন কিষাণ পুত্র (কৃষকের সন্তান) হওয়ার জন্য প্রশংসা করে বলেছিলেন ধনকড় নিজেকে জনগণের রাজ্যপাল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। জেপি নাড্ডা ধনকড়ের নম্র স্বভাব এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন।Kisan Putra Jagdeep Dhankhar Ji is known for his humility. He brings with him an illustrious legal, legislative and gubernatorial career. He has always worked for the well-being of farmers, youth, women and the marginalised. Glad that he will be our VP candidate. @jdhankhar1 pic.twitter.com/TJ0d05gAa8 Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022এখানে উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর সামাজিক মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ পার্থী জগদীপ ধনকড়কে কিষাণ পুত্র বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কিষাণ পুত্র জগদীপ ধনকড়-জি তাঁর নম্র স্বভাবের জন্য পরিচিত। তিনি একজন বিখ্যাত আইনজীবী। তিনি আইন প্রণয়ন, প্রশাসন এবং সরকারের মধ্যে এক যোগসুত্র তৈরি করেন। তিনি সর্বদা কৃষক, যুবক, মহিলা এবং প্রান্তিকদের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আমরা এই ভেবে যার পরনাই আনন্দিত যে তিনি আমাদের উপরাষ্টপতি প্রার্থী হবেন।জগদীপ ধনকড় রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার কিথানা গ্রামের আদি বাসিন্দা। ভারতীয় জনতা পার্টি, কৃষক পুত্র ধনকড়কে বেছে নিয়ে কৃষকদের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে এটি একটি কৃষকপন্থী দল।সাংবিধানিক জ্ঞানপশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের প্রগাঢ় আইনি ও আইনিসভার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯৮৯-এ ঝুনঝুনু সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে নবম সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি চন্দ্রশেখর সরকারের সংসদীয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ অবধি রাজস্থানের আজমির জেলার কিষাণগড় বিধানসভায় জয়লাভ করে রাজস্থান বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।ধনকড় লোকসভা এবং রাজস্থান বিধানসভা উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। ধনকড় সুপ্রিম কোর্ট এবং রাজস্থান হাইকোর্ট দুই জায়গাতেই বর্ষীয়াণ আইনজীবী ছিলেন।৩০ জুলাই, ২০১৯-এ ধনকড় বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন এবং রাজ্য বিধানসভার সাথে কোনও বিতর্ক উত্থাপনের সময় তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আইন এবং সংবিধান অনুসরণ করে চলবেন।ধনকড়ের প্রশংসা করে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে তিনি আইন প্রণয়ন বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী এবং রাজ্যসভার জন্য তিনি একদম সঠিক ব্যক্তি হবেন।রাজনৈতিক এবং আইনগত অভিজ্ঞতাতিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হয়ে গেলে, জগদীপ ধনকড়ের রাজনৈতিক ও আইনি অভিজ্ঞতা বিজেপিকে উচ্চকক্ষে বিল পাস করতে এবং বিরোধী নেতারা যেখানে বেশি সক্রিয় থাকে সেখানে হাউস চালানোর জন্য চুক্তিগুলি সহজতর করতে সহায়তা করতে পারে।Shri Jagdeep Dhankhar Ji has excellent knowledge of our Constitution. He is also well-versed with legislative affairs. I am sure that he will be an outstanding Chair in the Rajya Sabha guide the proceedings of the House with the aim of furthering national progress. @jdhankhar1 pic.twitter.com/Ibfsp1fgDt Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বসে, জগদীপ ধনকড়ের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হল রাজ্যসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং মুলতুবি থাকা বিলগুলিতে ঐক্যমতে পৌঁছানো। এইমুহুর্তে রাজ্যসভায় ২৬টি বিল মুলতুবি রয়েছে।জাট ফ্যাক্টররাজস্থান এবং হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪-এর নির্ধারিত, এবং সেই ভোটে জয়-পরাজয়ে বিশেষ ভূমিকা থাকবে জাট ভোটারদের। বিজেপির আশা সেই ভোটে ধনকড়ের উপরাষ্ট্রপতি একটা ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে।যদিও জাটরা রাজস্থানের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ, শেখাওয়াতি এবং মারওয়ার অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। এদিকে, কয়েক দশক ধরে হরিয়ানার রাজনীতিতে জাট সম্প্রদায়ের আধিপত্য রয়েছে। বর্ণ সমীকরণের অঙ্ক বিজেপিকে ২০১৪-র হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দিয়েছে।২০১৩ পর্যন্ত, বিজেপি ব্রাহ্মণ, ব্যবসায়ী ও রাজপুতদের দল হিসাবে পরিচিত ছিল। ২০১৩ পর, বিজেপি হরিয়ানায় জাট সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছেছিল। উল্লেখ্য জাট সম্প্রদায় হরিয়ানার জনসংখ্যার প্রায় ২৫ থেকে ২৮ শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

স্বাধীনতার পর এই প্রথম ১৫ই অগাস্ট ছুটি বাতিল করল রাজ্য সরকার, মিশ্র পতিক্রিয়া জনমানসে

দে স্বাধীনের ৭৫ বছর পর মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসের ছুটি বাতিল করে দিলেন। এই ঘোষণায় তোলপাড় দেশজুড়ে। ২০২২ এর স্বাধীনতা দিবসে আর ছুটি নেই। ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে বিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না। সরকারি-বেসরকারি অফিসও খোলা রাখতে হবে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে রীতিমত নির্দেশিকা জারি করা হল সারা রাজ্যে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, আগামী ১৫ অগাস্ট সবাইকে অন্যান্য দিনের মতোই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে হাজির হতে হবে। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?২০২২ ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি সেই উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব। এই দিনটি উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষভাবে পালিত হবে। সরকার বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে অন্যান্য বারের মত এবার স্কুল-কলেজ-অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বা ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা উচিত নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। যোগী আদিত্যনাথ সকল রাজ্যবাসীকে ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব ডিএস মিশ্র জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতিবার উত্তরপ্রদেশে দীপাবলির সময় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। তবে এবারের লক্ষ্য এই অভিযানকে জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত করা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত জায়গায় বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসকে শুধু সরকারি অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। এই কর্মসুচীর সাথে জনগণকে যুক্ত করতে হবে।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব আরও বলেছেন যে, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (NGO), এনসিসি (NCC), এনএসও-র (NSO) ক্যাডেটদের পাশাপাশি জনগণেরও স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়া উচিত। সেখানে সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ১৫ অগাস্ট দিনটা যেন একটা নিছক ছুটির দিন না হয়ে থাকে সেই কারনেই এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে, স্বাধীনতা দিবসে স্কুল-কলেজ, সরকারি, বেসরকারি অফিস খোলার পথে হাঁটল যোগী প্রশাসন। যা স্বাধীনতার পর এই প্রথম।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীঃ রাজস্থানের ভোট না তৃণমূলের স্বস্তি? চর্চা রাজনৈতিক মহলে

বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র তরফে উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা এনডিএ শিবিরের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক বসেন। ওই আলোচনাতেই জগদীপ ধনকড়ের নাম প্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত হয়।সাংবাদিক বৈঠকে জেপি নাড্ডা বলেন, উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বিজেপির সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে কৃষক পরিবারের সন্তান জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপরই টুইট করে জগদীপ ধনকড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে শাসক-বিরোধী একমত হয়নি। এনডিএর আদিবাসী প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তার আগে বিরোধীদের একমঞ্চে নিয়ে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেসই। তৃণমূলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা বিরোধীদের তরফে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। উপরাষ্ট্রপতি পদে আগে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিরোধীদের চাপে ফেলল এনডিএ। নাড্ডা উপরাষ্ট্রপতি পদে তাঁদের প্রার্থী সকলের সমর্থন পাবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।২০১৯-এর ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন জগদীপ ধনকড়। তারপর গত তিনবছর প্রায় প্রতিটি ইস্যুতে রাজ্যপালের সঙ্গে নিয়ম করে সংঘাত বেধেছে রাজ্য সরকারের। বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজভবনকে বিজেপির রাজ্যের প্রধান কার্যালয় বলেও সোচ্চার হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শুধু সমালোচনা করেই ক্ষান্ত থাকেননি জগদীপ ধনকড়, তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে নিয়মিত রিপোর্টও দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী হওয়ায় হাঁফ ছাড়ল তৃণমূল। যদিও পরবর্তী ক্ষেত্রে বাংলায় কে রাজ্যপাল হবেন, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।জগদীপ ধনকড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদে বেছে নেওয়ার পিছনে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ২০২৩ সালে রাজস্থানের ভোটের কথা বলছেন। কারণ, রাজস্থান এখন কংগ্রেসের দখলে। জাঠ ভোট নিজেদের দখলে নিয়ে আসার চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। রাজস্থানের মানুষকে বার্তা দিল বিজেপি। পাশাপাশি সংবিধান নিয়ে তাঁর পান্ডিত্যের কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। আইন বিশেষজ্ঞ উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার সুবিধাও পাবে কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলকে ভরসা করতে পারলেন না, লালহলুদ ছাড়লেন তারকা গোলকিপার

কবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হবে, সেটাই এখন কলকাতা ময়দানে বড় প্রশ্ন। লালহলুদ সমর্থকরা যেমন তিতিবিরক্ত, তেমনই ভরসা করতে পারছেন না ফুটবলাররাও। একের পর এক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের আশা ছেড়ে অন্য ক্লাব খুঁজে নিয়েছেন। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে তিনি অন্য ক্লাব বেছে নিলেন। ঢাকঢোল পিছিয়ে গতমরশুমে এটিকে মোহনবাগান থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০২০২১ আইএসএলে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এই গোলকিপারকে রেকর্ড অর্থে সই করিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত আইএসএলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরমেন্স করতে না পারায় মাঝপথেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অরিন্দম। এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। অনেক টাকা খরচ করে নিয়ে এসেও পারফর্ম করতে না পারায় টিম ম্যানেজমেন্টের ক্ষোভও বেড়েছিল অরিন্দমের ওপর। জঘন্য পারফরমেন্সের জন্য, তাঁকে বাধ্য হয়ে বেঞ্চে বসাতে হয়েছিল। এই মরশুমে অরিন্দমকে যে রাখা হবে না, তা পাকাই ছিল। নিজের ভবিষ্যত বুঝে নতুন ক্লাব খুঁজে নিলেন অরিন্দম। সামনের মরশুমে তাঁকে মুম্বই সিটি এফসির জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। অমরিন্দার সিং গত মরশুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর আরও একজন গোলকিপারের খোঁজে ছিল মুম্বই সিটি এফসি। অরিন্দম ভট্টাচার্যকে নিয়ে ফাঁক ভরাট করাল। নিজের খেলার উন্নতির জন্য স্পেনে গিয়ে ট্রেনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিন্দম। ২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে খেলেছেন অরিন্দম। ২০১২১৩ মরসুম তিনি খেলেন মোহনবাগানের হয়ে। ২০১৩১৪ মরসুমে ফের চার্চিল ব্রাদার্সে ফিরে যান তিনি। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পুনে সিটি এফসির হয়ে মাঠে নামেন। ২০১৫ সালে ভারত এফসি, ২০১৬ সালে স্পোর্টিং ক্লাব দ্যা গোয়া এবং ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরু এফসিতে লোনে খেলেন তিনি। ২০১৭-১৮ মরসুমে তিনি খেলেন মুম্বই সিটি এফসির হয়ে। ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন এটিকেতে। এর পর এটিকে এবং মোহনবাগানের ফুটবল দলের সংযুক্তির পর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপান অরিন্দম। তারপর লালহলুদে।

জুলাই ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পঞ্চম বর্ষে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন

যাদবপুর গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন স্কুল এবার পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল। স্কুলের কচিকাঁচাদের উপস্থিতিতে কেক কেটে এই ৫ বছর উদযাপন করা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রিন্সিপাল মৌসুমী ভৌমিক, সহ প্রিন্সিপাল কল্লোল নস্কর, প্রেসিডেন্ট সুরঞ্জিত দাস, সায়ন্তন সেন প্রমুখ। বিশেষ দিনে স্কুলে উপস্থিত হন অভিনেত্রী সুমা দে, শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের প্রিন্সিপাল কানু দাস, সেক্রেটারি সোমনাথ চক্রবর্তী। গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণে বিশেষ নজর দেয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে স্কুলের অনেক নতুন ভাবনাও রয়েছে জানিয়েছেন মৌসুমী ভৌমিক। আগামীর জন্য গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশনের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

জুলাই ১৪, ২০২২
রাজ্য

পাহাড়ের সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার, খুশি মমতা

দার্জিলিং সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরইমধ্যে বুধবার পাহাড়ের জনপ্রিয় কবি ভানু ভক্তের জন্মদিনের এক অনুষ্ঠানে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে তিনি ফাঁস করেন তাঁর পরিবারের সঙ্গে পাহাড়ের বিশেষ সম্পর্কের কথা। নিজের খুশির কথাও তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা শুনে খুশি হয়ে যাবেন। আমার এক ভাইপোর সঙ্গে কার্শিয়াংয়ের মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। সে আমার বাড়িতে যাওয়ার পর তাঁর কাছ থেকে আমি গোর্খা শিখে নেব। সে ডাক্তার, আমার ভাইপো ডাক্তার। এভাবে পাহাড়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক জুড়ে গেল। আমার রাজ্য় সরকারের সঙ্গে পাহাড়ের যেমন ভাল সম্পর্ক। আমার পরিবারের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক। এতে আমি খুব খুশি হয়েছি।

জুলাই ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • ...
  • 94
  • 95
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal