• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bar

রাজনীতি

বামেদের আন্দোলন নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি জেলা সভাপতির, 'সিপেমূল'এর আন্দোলন বলে কটাক্ষ

গরুপাচার, কয়লা চুরির উপর থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল ও সিপিএম যৌথ ভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের নামে ভাঙচুর করেছে। সিপিএমকে এগিয়ে দিয়ে পিছন থেকে মদত দিয়েছে তৃণমূল। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ তুললেন পূর্ব বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা। যেভাবে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে সে বিষয়েও কড়া ভাষায় নিন্দা করেন তিনি। এভাবে সিপিএমকে এগিয়ে দিয়ে বিজেপিকে রোখা যাবে না বলে জানান তিনি।অভিজিৎ তা বলেন, একটা গরীবের দল কর্জনগেট এলাকার গরীব ফল বিক্রেতাদের দোকানে আন্দোলনের নামে ফল লুট করেছে। তিনি বলেন, এটা কোনও আইন অমান্য কর্মসূচি নয়। এটা লুটতরাজের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আচরণ নিয়েও অভিজিৎ প্রশ্ন তুলেছেন। যেভাবে পুলিসকে তাড়া করে রাস্তায় ফেলে মারা হয়েছে, তাতে প্রশাসনকে অসহায় লেগেছে। তিনি বলেন, সেই বাম আমল থেকে এই সরকার অবধি পুলিস যে অসহায়, তা আরও একবার প্রমান হল বর্ধমানে।পূর্ব বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা পুলিসের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বলেছেন, পুলিস আপনার আমার বাড়িরই কোনও সদস্য, তাঁদেরকে যেভাবে সিপিএম পিঠ ব্যগে করে ইঁট নিয়ে এসে ছুঁড়ে ছুঁড়ে মেরেছে, সেটা আন্দোলনের অংশ হতে পারে না।অভিজিৎ তা মিটিংয়ে আসার পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়েও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে বললেন, যেকোনও রাজনৈতিক দলকেই সভা সমাবেশে যেতে গেলে গণপরিবহণের সাহায্য নিতে হয়। কিন্তু বিজেপির মিটিংয়ে কোনও পাবলিক বাস মালিকই বাস ভাড়া দিতে চান না। কারণ তাঁরা বিজেপিকে বাস ভাড়া দিলে সেই বাসমালিক ও তাঁর কর্মচারীদের নানা ভাবে হেনস্তার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি বলেন, এইবারের মিটিংয়ে আসার জন্য বাস সংক্রান্ত কোনও সমস্যায়ই পড়তে হয়নি বামেদের। অভিজিৎ তা মনে করেন, তৃণমূলের একটা অংশ (বিক্ষুদ্ধও হতে পারে) পরোক্ষে এই মিটিংয়ে আসার জন্য বাসের ব্যাপারে তাঁদের সাহায্য করেছেন। তিনি এই আন্দোলনকে সিপেমূল-এর আন্দোলন বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে সিপিএম পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

আবারও সিপিএম পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় ২ নম্বর এরিয়া সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। পার্টি অফিসের বাইরে শহীদ বেদীতেও ভাঙচুর করার পাশাপাশি অফিসার তালা ভেঙে অন্য তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সিপিএম সমর্থকেরা। তাঁরা জানান, দুস্কৃতিরা জানালা, দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।প্রসঙ্গত, বুধবার বামেদের আইন অমান্য অভিযানের রাতে হাটুদেওয়ান এলাকাতেও একটি সিপিএমের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জেলা সিপিএমের অভিযোগ ৩১শে আগষ্ট আইন অমান্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালাচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে। জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, কোন পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাই ঠিক নয়। তবে এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই। সিপিএম নিজেরাই এই কাজ করতে পারে। ৩১শে আগষ্ট সিপিএম তান্ডব চালিয়ে বিশ্ববাংলা লোগো থেকে শুরু করে বিধায়কের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। দলের নির্দেশে আমরা শান্ত আছি। এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

জগদ্দলে গঙ্গায় ডুবে মৃত পরিবারের পাশে সাংসদ অর্জুন সিং, দিলেন আর্থিক সাহায্য

মঙ্গলবার দুপুরে জগদ্দলের বিচুলি ঘাটে গঙ্গায় তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল তিন কিশোর-সহ চারজন। ওইদিন রাতেই বিপর্যয় মোকাবিলার টিম বিচুলি ঘাট থেকেই শম্ভু রাম (১৯) ও সৌরভ প্রাসাদের (১৪) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। বুধবার সকালে ব্যারাকপুর দুই পয়সার ঘাট থেকে জিতু চৌধুরীর (১৪) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন সন্ধায় ব্যারাকপুর দুই পয়সার ঘাট থেকেই গৌতম প্রাসাদের (১৫) দেহ উদ্ধার করা হয়। তারপর তাঁর দেহ জগদ্দল বিচুলি ঘাটে আনা হয়। চারজনই ভাটপাড়ার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জগদ্দল স্টেশন সংলগ্ন পূর্বাশা কলোনির বাসিন্দা। মৃতদের পরিবার পিছু ব্যক্তিগতভাবে এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা দেবার কথা বুধবার ঘোষণা করেছিলেন ব্যারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্বাশা কলোনি এলাকায় গিয়ে ৪ পরিবারের হাতে এক লক্ষ টাকা করে চেক তুলে দিলেন ব্যারাকপুরে সংসদ অর্জুন সিং। তার সাথে ছিলেন তৃণমূল নেতা মনোজ গুহ, স্থানীয় কাউন্সিলর সীমা মন্ডল সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। শোকোস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেতা মনোজ গুহ বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই, তবে সাংসদ নিজ উদ্যোগে তিনি এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

বুধবার বামেদের 'আইন অমান্য' কাণ্ডে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা প্রশাসন ও তৃণমূলের, ৩৪ জনের জেল হেপাজত

বুধবারের বামেদের আইন অমান্য কি ঘিরে যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায় তাতে ৫০ জনের উপর বাম কর্মীকে সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বর্ধমান শহর সংলগ্ন বিভিন্ন থানায় রাতে পুলিস কাস্টডি করে রাখা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষা করে তাদের আদালতে পেশ করা হয়।বাম কর্মী সমর্থকদের হয়ে আদালতে সাওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী কমল দত্ত। তিনি জানান বর্ধমান কোর্টে ২টি কেস ফাইল করা হয়। একটি কেস নং ১০০৪ অপরটি ১০০৫। ১০০৪ কেসটি প্রশাসনের তরফে করা হয়েছে, কেস নং ১০০৫ তৃণমূল দলের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। সিপিএম রজ্য নেতৃত্ব সহ জেলার নেতাদের নামে এই কেস দুটি করা হয়েছে। তিনি জানান, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম, আভাস রায়চৌধুরি, অচিন্ত্য মল্লিক,অমল হালদার, তাপস সরকার সহ ছাত্র নেতৃত্ব শ আরও অনেকের নামে কেস ফাইল করা হয়েছে।কমল দত্ত জানান, কেস নং ১০০৪ এ ৫৭ জনের নাম আছে। আর ১০০৫ কেসে ১১ জনের নাম আছে। ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০৭,৩৭৯, ৩৫৩, ৩৩২, ৩৩৩ এছাড়াও ৩৪ বিপি অ্যাক্ট ও আরও কিছু উপধারাতে এই কেসদুটি করা হয়েছে। তিনি জানান, মোট ৫ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তিনজন আশিতিপর ও দুইজন বয়স ১৯ নিচে। জেল কাস্টডি দেওয়া হয়েছে মোট ৩৪ জনকে। ৭ জনকে পুলিস রিমান্ডে তিন দিনের জন্য অ্যালাও করেছে কোর্ট। তাঁরা হলেন, অর্নিবান রায় চৌধুরী (এসএফআই জেলা সম্পাদক),সৌমেন্দ্র নাথ মালিক, তারক নাথ চ্যাটার্জী, মহসীন সেখ, সাহাবুল ইসলাম, সঞ্জয় মৃধা, আনারুল সেখ

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

গভীররাতে সোনার দোকানের সাটার ভেঙ্গে দুঃসাহসিক চুরি

সোনার দোকানের সাটার ভেঙ্গে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের পাঠানপাড়া এলাকায়। বুধবার গভীররাতে খণ্ডঘোষের পাঠানপাড়া এলাকায় একটি সোনার দোকানের শাটার ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়ে দোকানের ভিতরে লুটপাট চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার খবর পেয়ে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ারা ছুটে গেলে একজন দুষ্কৃতি সিভিক ভলেন্টিয়ারদের লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছুটে যায়। কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়াররা প্রাণ বাঁচাতে ছুটে পালিয়ে যান খণ্ডঘোষ থানার দিকে। তড়িঘড়ি খণ্ডঘোষ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী যায় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে দোকানের ভিতরে লুটপাট চালিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। সোনার দোকানের মালিকের দাবি তার দোকান থেকে আনুমানিক এক থেকে দেড় লক্ষ টাকার সোনার গহনা ও ক্যাশ কাউন্টারে থাকা ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা চুরি করে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সকাল থেকে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ চুরির ঘটনার শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বর্ধমানে

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বৃহস্পতিবার বর্ধমানে বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। ছৌ নৃত্য, মহিলা ঢাকি,রণপা, আদিবাসী নৃত্য সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে পদযাত্রা শেষ হয় টাউনহলে। পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বিধায়ক খোকন দাস, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু, পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।বর্নাঢ্য শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনও অংশগ্রহণ করেপদযাত্রায় শহরের দুর্গাপুজো কমিটি গুলিও অংশ নেয়। তারাও বিভিন্ন সুসজ্জিত ট্যাবলো নিয়ে পদযাত্রায় হাঁটে। পাশাপাশি শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়ারাও এদিনের পদযাত্রায় ছিল। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এদিন বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পদযাত্রায় শহরের ছোট বড় দুর্গাপুজো কমিটি ও ক্লাবের সদস্যরাও এদিন অংশ নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

'আইন অমান্য' কান্ডে ধৃত বাম কর্মীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার পক্রিয়া বর্ধমানে

বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় পুলিশ মোট ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের আদালতে তোলা হলো। বর্ষিয়ান বাম নেতা কমঃ আভাস রায় চৌধুরী কেউও গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। প্রথমে তাদের বর্ধমান থানা নিয়ে যাওয়া হয়, পড়ে স্থানাভাবে তাদের বিভিন্ন থানায় ভাগ করে রাখা হয়। বাম কর্মীদের দেওয়ানদিঘি, রায়না, মেমারি,গালসি থানায় রাতে রাখা হয়। তাদেরকে আজ সকাল থেকেই বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্ধমান থানা থেকে নাম লিখে নিয়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের প্রাথমিক মেডিকেল চেকআপ করে বর্ধমান আদালতে তোলার পক্রিয়া শুরু হয়েছে।সুত্র মারফত জানা যাচ্ছে বাম কর্মীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হচ্ছে। যাতে ৪৬ জন সি পি এম কর্মী সহজে জামিন না পায়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

বামেদের 'আইন অমান্য' নিয়ে রণক্ষেত্র বর্ধমান, ভাঙল বিশ্ববাংলা লোগো, উত্তেজিত জনতা ছিঁড়ে ফেলল সরকারি প্রকল্পের তালিকা

সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচিতে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বর্ধমান শহর। পুলিস ও বাম সমর্থকদের উত্তেজনার টানাপোড়েনে মাঝে পড়ে কিংকর্তব্য-বিমূঢ় শহর বাসী ও শহরে কর্মসুত্রে আসা আসা জনসাধরণ। বিকাল ৩টার পর থেকেই ষ্টেশন থেকে বড় নীলপুর যেন রুপ নেয় রণক্ষেত্রের।এদিন দুটি বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। বড়নীলপুর মোড় এবং বর্ধমান স্টেশনে দুটি সভায় দলের নেতারা অংশ নেন। বড়নীলপুরের সভায় বক্তব্য রাখেন দলের পলিটব্যুরো সদস্য ও রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। দুটি মিছিল শহরের দুই প্রান্ত থেকে কার্জনগেটে সমবেত হয়। সেই সভায় এদিন সেলিম বলেন, লুঠ হলে, ধর্ষণ হলে এ রাজ্যের পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ১৯৫৯ এ হাজার হাজার মানুষ খাদ্যের দাবিতে সমবেত হন। পুলিশ লাঠি পিটিয়ে ৮৪ জন মানুষকে খুন করে। প্রত্যেক বছর এই লড়াইয়ে শহিদদের স্মরণ করি আমরা। জীবন জীবিকার এই লড়াই। একসময় সব কিছু নিষিদ্ধ করে, গুন্ডা পুলিশ নামিয়েও আমাদের দমাতে পারেনি। শুভেন্দু অধিকারী কম দুর্নীতিগ্রস্ত নন। মুখ্যমন্ত্রী লিস্ট করে নাম বলে দিয়েছেন। লাল ঝান্ডা শেষ হয়েছে? এমন হিটলার ভেবেছিল। হিটলার মুসোলিনী মুছে গেছে।তিনি বলেন, হক কথা সোচ্চারে বলার দাবিতে, চোরদের ধরার দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। সব জেলাতেই। যতই বিশ্ববাংলার ঢাক পেটান, ওই ঢাক ফেটে গেছে। কেন বেকাররা কাজ পাবেনা? কেন মজুরেরা সঠিক মজুরি পাবেন না? লাল হটেছে কিন্তু রাজ্য বাঁচেনি। আজ রাজ্যকে বাঁচাতে লাল ঝান্ডা আবার রাস্তায় নেমেছে।মহঃ সেলিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, চোর ধরো জেলে ভরো এটা কি ছাত্র যুবদের কাজ? এটা কি পুলিশের কাজ নয়? পুলিশ এখানে চোরেদের মাল পাহারা দেয়। এ লড়াই পুলিশকে জাগিয়ে তোলার। আনিস খুন হলেও আমরা বিচার চাই পুলিশ খুন হলেও বিচার চাই। বিজেপির চোর আলাদা কিছু নয়। দুই চোরের বিচার চাই। সেলিম এদিন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এরপর স্টেশন ও নীলপুর থেকে দুটি মিছিল শুরু হয়ে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে আসে। দুপুর থেকেই বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল গোটা এলাকায়।মিছিল পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যে বাম সমর্থকেরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন, প্রথম গার্ড ওয়াল ভেঙ্গে কিছুটা এগোতেই জল কামান চালানো হয়, ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা আবার একজোট হয়ে আবার ফিরে আসতেই পুলিস কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়েন। এরপর উত্তেজিত জনতা ইট পাথর ছুড়তে থাকেন পুলিসকে লক্ষ করে। পুলিসও লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাস্তায় নামেন। শুরু হয়ে পুলিস-জনতা খন্ডযুদ্ধ।অবশেষে র্যাফ নেমে রুট মার্চ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বিক্ষোভকারিদের। বেশ কিছু বাম সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। দুপক্ষের এই খণ্ডযুদ্ধে পুলিস ও বাম সমর্থকের অনেকেই আহত হয়েছে। কিছুদিন আগে কর্জনগেট এলাকা সৌন্দার্য্যায়নের জন্য একটি বিশ্ব বাংলার লোগো বসানো হয়। বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের তালিকা টাঙ্গানো হয় টেলিফোন অফিসের দেওয়ালের গায়ে। সেই সবই এখন ধংস্তুপে পরিণত। এমনকি কর্জনগেটের অনতিদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিধায়ক পরিসেবা কেন্দ্রেও ভাংচুড় করার অভিযোগ করেন বিধায়ক ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধিত হারে ডিএ না দেওয়ায় কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও কলেজের কর্মীদের হুমকি জামালপুরের ছাত্র নেতার

বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল বাম সমর্থিত কর্মি সংগঠন। সেই কর্মবিরতির ডাকে সামিল হওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের রুমে ঢুকে শাসালেন ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক। তাঁর আচরণে শিক্ষক মহলের অনেকেই আরাবুলের ছায়া দেখতে পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানিয়েছেন।টেবিল চাপড়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারিও দিলেন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ এই ছাত্র নেতা। প্রসঙ্গত, তিনি জামালপুর কলেজের ছাত্র নন। কলেজ পড়ুয়া না হয়েও শুধুমাত্র শাসক দলের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একজন যুবক কি ভাবে কলেজ শিক্ষকদের এইভাবে হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকরাই। মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকেও রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি সংস্থার ঋনের কিস্তি না দিতে পারায় শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ মেমারিতে

মাইক্রো ক্রেডিট সংস্থার ঋণ নিয়ে দাবিমত কিস্তি শোধ না করতে পারায় মারধোর করার অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বোহার এলাকায়। মারধরের ফলে ঋণগ্রহীতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। থানায় সুবিচার না পেয়ে আজ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্বামী স্ত্রী।মেমারি থানার জাকরা গ্রামটি বোহার এলাকায়। এখানকার সুদেব হালদার জনা ব্যাংক নামে একটি ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন। তাদের মাসিক কিস্তি ছিল ১৪০০ টাকা। কিন্তু লকডাউনে অভাবের কারণে তারা ৭০০ টাকা করে মাসে দুবারে কিস্তি দিচ্ছিলেন। সুদেব হালদারের স্ত্রী গৌরী হালদারের অভিযোগ এবারে একটি কিস্তি অর্থনৈতিক কারণে তারা দিতে পারেন নি।অভিযোগ আমিরুল ইসলাম ও চয়ন ঘোষ নামে ওই ব্যাংকের দুই কর্মী তাদের বাড়ি চড়াও হয়ে হুমকি ও গালিগালাজ দিতে থাকে। অনুনয় করলেও তারা শোনেনি। উলটে কিস্তি না দিলে মারধর করা শুরু করে। অভিযোগ তার স্বামী ও ছেলের উপর এমনকি তার উপর হামলা হয়। ছেলেকে মারার পাশাপাশি ঘরের একটি মুগুর দিয়ে তার স্বামীর মাথায় বাড়ি মারা হয়। এইসময় স্থানীয় মানুষরা ছুটে এলে ওরা পালিয়ে যায়।কিন্তু হুমকি দিতে ছাড়ে নি। এরপর আহতকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হয়। আজ দুপুরে ওই দম্পতি পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ করেন। তাদের দাবি ; থানায় তাদের অভিযোগ না নেওয়ায় এখানে আসতে হলো।তারা দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

আগস্ট ৩১, ২০২২
দেশ

মহাসমারোহে পালিত হল হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ি'র ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বর্ষপুর্তি উৎসব

বঙ্গ সংস্কৃতির ইতিহাস অতি প্রাচীন। কথায় আছে, কয়েকজন বাঙালি একজোট হলেই, হয় একটা পুজো করে, নাহলে একটা নাটক, নিদেন পক্ষে কোনও গানবাজনার আসর তো বসবেই। প্রবাসী বাঙালি একাত্মবোধ একটু বেশী। কর্মসুত্রে বাঙালিকে বহু দুর দুড়ান্তে যেতে হয়েছে, কখনও কখনও দেশে বাইরেও। যেখানেই তাঁরা গিয়েছে সেখানে কোনও না কোনও নিদর্শন রেখে এসেছেই। বাঙালীর দিল্লী ভ্রমণ মানে যেমন চিত্তরজ্ঞন পার্ক কালি বাড়ি সে লিস্টে থাকবেই। মুম্বাইয়ে তো একাধিক বাঙ্গালী অ্যাসোসিয়েশন অতি জনপ্রিয়। সেরকমই এক বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন হায়দ্রাবাদ কালি বাড়ি। শহরটার নাম শুনলেই মনে আসে সম্রাট নিজামুদ্দিন র নাম। মহান সম্রাটের সেই শহরের প্রাণকেন্দ্রে কালি পুজোকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির উদাসীনতা কেবল বাঙ্গালি-ই দেখাতে পারে।১৯৭২-রে কয়েকজন বাঙালি যাঁদের অধিকাংশই সেনাবাহিনী এবং রেলওয়ের কর্মী ছিলেন তাঁরা বিবেকানন্দপুরম, সৈনিকপুরীতে দেবী কালীর মন্দির স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁরা ১৯৭৪ এর ১১ আগস্ট ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেই মন্দিরটি ২৮ আগস্ট ১৯৭৬ রে হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ি নামে দেবী কালীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। এই সংগঠনটিক মূলত সেখানকার বসবাসকারী বাংলাভাষি বাঙালি সম্প্রদায়ের জন্য একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক পীঠস্থানে পরিণত হয়েছেঅমাবস্যা ও পূর্ণিমায় বিশেষ পূজার পাশাপাশি প্রত্যহ তিনবার প্রতিমার পূজার্চনাও করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক বছর জাঁকজমকপূর্ণভাবে ভাবে দুর্গাপূজা ও কালীপূজা করা হয়। এছাড়াও আরও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজার্চনা করা হয় যেমন, লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা, সরস্বতীপূজা। এছাড়া সারা বছর বাঙ্গালী বিভিন্ন উৎসব সাড়ম্বরে পালন করা হয়ে থাকে। বাংলা নববর্ষ, রবীন্দ্র জয়ন্তীও এই মন্দির প্রাঙ্গণে পালিত হয়। সেই সব বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।প্রিয়াংশী রায়, অহনা মজুমদার, শিক্ষা জানা, রাজন্যা ব্যানার্জী২৮ আগস্ট হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ির ৪৬ তম বর্ষপুর্তি পালন করা হল মহাসমারোহে। সঙ্গীত, নৃত্যনুষ্ঠান সহ নানা অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয় এই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সমাবেশে। অনেক অনুষ্ঠানের মধ্যে নজর কারে শিব তান্ডব নৃত্য নাটক। নৃত্য বিশারদ মধুশ্রী রায়চৌধুরি তাঁর ছাত্রছাত্রী দের নিয়ে এই নৃত্যনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই ধরনের বিষয়ে তাঁর উদ্ভাবনীতা ও পোষাক নির্বাচন সত্যিই মনে দাগ কেটে যায়। নৃত্য পারদর্শিতায় যে নাম গুলো প্রথমেই মনে আসে তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রিয়াংশী রায়, অহনা মজুমদার, শিক্ষা জানা, রাজন্যা ব্যানার্জী, তেজস্বিনী সেনগুপ্ত ও চাতুর্য। নাম গুলো পড়ে আপনাদের মনে হতেই পারে এ যেন বাংলার কোনও এক যায়গার কোনও অনুষ্ঠান। এখানেই বাঙালির মাহাত্য। সেটা নিউ জার্সী হোক বা হায়দ্রাবাদ বাঙ্গালিয়ানায় ভরপুর।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেফতার

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ রিন্টু ও শেখ জুলফিকার ওরফে শান্ত। বাড়ি ভাতারের ঘোলদা গ্রামে। জানা যায়,পাওনার টাকা আদায় করে দেওয়া ও মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার নামে দুই যুবক রিন্টু ও জুলফিকার ভাতারের আয়মাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজউদ্দিন মিঁয়ার কাছ থেকে দুদফায় ত্রিশ হাজার টাকা নেয় বলে অভিযোগ।এই বিষয়ে হাফিজউদ্দিন ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন দুই যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দুই যুবককে। ধৃতদের মঙ্গলবার হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ । যদিও অভিযুক্ত শেখ রিন্টুর দাবি মিথ্যা মামলায় তাদের ফাঁসানো হয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ল্যাবের নাম সুপারিসের অভিযোগ

এবার খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাইরের ল্যাবের নাম সুপারিস করার অভিযোগ উঠলো। সেই ল্যাব থেকে বাড়তি টাকা দাবি করায় পরীক্ষা না করিয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ করেন রোগীর পরিজন। অভিযোগ করা হয়েছে বর্ধমান থানাতেও। ঘটনা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর জন্ম দেয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাটাকুলের রাকিনা বেগম। তারপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শিশু বিভাগের এস এন সি ইউ-তে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গত ২৫ আগষ্ট শিশুটির একটি রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তখন চিকিৎসক অমরেশ রায়, রোগীর পরিজনদের ডেকে বলেন, এই পরীক্ষা হাসপাতালে হয়না। এটি বাইরে থেকে করাতে হবে।পরিজনদের অভিযোগ, ওই ডাক্তারবাবু বাইরের ল্যাবের একজনকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং রক্ত পরীক্ষার জন্য ১৩০০০ টাকা লাগবে বলা হয়। কিন্তু, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে অনেক অনুরোধে ৮০০০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করার রফা হয়। তাঁকে প্রথমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। শিশুর কাকা সেখ জসীমউদ্দিনের বলেন, পরদিন ওই ল্যাব আরও বাড়তি টাকা দাবি করে। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন। এবং সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সোমবার বিকালে বর্ধমান থানাতেও অভিযোগ করা হয়।পাশাপাশি পরিবারের দাবি, হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, পরীক্ষাটি বাইরে থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে করিয়ে দেওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষা বর্ধমান হাসপাতালে হয়না। তাই বাইরে থেকে করানোর কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তবুও, একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আসল তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
স্বাস্থ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবার প্রতিবাদে তুমুল বিক্ষোভ

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পেয়ে সোমবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জড়ো হয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ঘটনা পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রামের দিগনগরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় দশবছর ধরে চিকিৎসক নেই। এখানে নার্স ও ফার্মাসিস্ট চিকিৎসা করেন। তাও আবার অনিয়মিত। এছাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো ভেঙে একোবারে পড়েছে। ঠিকমতো পরিস্কার হয় না।সন্ধ্যা হলেই হাসপাতাল চত্বরে সমাজবিরোধীদের মদ জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এইসমস্ত অভিযোগ তুলে এদিন স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। অথচ এলাকার ৭ - ৮ টি গ্রামের ১০ থেকে ১২ হাজার বাসিন্দা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। অথচ স্থানীয় নেতা থেকে মন্ত্রী, কিংবা বিধায়কের কোন উদ্যোগ নেই।

আগস্ট ২৯, ২০২২
শিক্ষা

আবার অশান্তি বর্ধমানের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (ইউ আই টি)

আচমকাই সেশনের মাঝে ফিস বৃদ্ধি, প্রতিবাদে ক্লাস বন্ধ রেখে বিক্ষোভ ছাত্রছাত্রীদের। ফিস বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে নামলো বর্ধমানের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ বছরের মাঝে হঠাৎই কলেজ কর্তৃপক্ষ পাঁচ হাজার টাকা ফিস বাড়িয়েছে। ফলে সমস্যার মধ্যে পড়েছে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, আগষ্ট মাসের ১৬ তারিখে কলেজের তরফে একটি নোটিফিকেশন দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে ১ আগষ্ট থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে ফিস বাড়ানো হয়েছে। আগষ্টের ৩১ তারিখে বর্ধিত ফিস জমা না দিলে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ফাইন দিতে হবে বলেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ছাত্রছাত্রীরা।প্রতিবাদে সোমবার থেকে পঠন পাঠন বন্ধ রেখে কলেজ চত্ত্বরে বিক্ষোভ আন্দোলনে সামিল হয়েছে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির সিভিল, ইলেকট্রিকাল, সিএসই, আইটি, ইসিই, এইআইএফ বিভাগের ২৮০ জন ছাত্রছাত্রী এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে। তাদের দাবী অবিলম্বে এই বর্ধিত ফিজ মুকুব করতে হবে। যতদিন কর্তৃপক্ষ এই ফিস মুকুব না করবে ততদিন আন্দোলন চলবে বলে জানাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা।এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রিন্সিপাল অভিজিৎ মিত্র টেলিফোনে জানান, ২০২১ সালে এই ছাত্রছাত্রীরা যখন ভর্তি হয়েছিল তখন তাদের নোটিফিকেশনের মাধমে জানানো হয়েছিল যেকোনো সময়ে ফিস বাড়ানো হতে পারে। এতদিন কোভিড পরিস্থিতিতে ফিস বাড়ানো হয়নি। এবার খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এক্সিকিউটিভ কমিটিতে আলোচনা করে ফিস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নাবালিকা কন্যাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে

কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চালছল্য ছড়িয়ে পড়ে। যানা যায় নির্যাতিতা ওই নাবালিকাকে প্রানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই এমন অপকর্ম করে আসছিলেন তার বাবা।তিন দিন আগে মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এর পরই নির্যাতিতা ওই নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানায় দায়ের হয় অভিযোগ, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার কালনা আদালতে পাঠায় কালনা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

আবার বিজেপিকে কর্মীকে মারধর ও গাঁজা কেস দেবার হুমকির অভিযোগ শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে

বিজেপির পক্ষ থেকে আজ ছোড়াফাড়ি ও আউশগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের দাবি, আউসগ্রাম বিধানসভার বিজেপির ৫২ নং মন্ডলের সম্পাদক জয়দেব ঘোষের বাড়ি রামনগর পঞ্চায়েতের গোপালপুর। গতকাল রাত ৯:৩০ নাগাদ অসুস্থ মায়ের ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের পক্ষ থেকে রাধামাধব মন্ডল, প্রদীপ ঘোষ (তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী), কালীপদ আঁকুড়ে, পরিধন কর্মকার - এই চার জন মিলে প্রচন্ড মারধর করে এবং প্রাণে মেরে গাছে টাঙিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাকে গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।জয়দেব ঘোষের দাবি, বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে ছিলেন বলেই এই আক্রমণ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, বিজেপিই বারবার এই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে গেছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সংস্কৃতি নয়।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের মেমারিতে বামেদের 'চোর ধরো জেল ভরো' দাবীতে মিছিল

মেমারী দুনম্বর ব্লক এরিয়া কমিটির অন্তর্গত কালেশ্বর শাখার মেলনা স্কুল থেকে শুরু করে রেঁঞা গ্রামহয়ে ভান্ডুল পর্যন্ত চোর ধরো জেল ভরো, জিনিসপত্রের দাম, GST কমানো সহ আগামী ৩১ আগষ্ট বর্ধমানে আইন অমান্য কর্মসূচি ও আগামী ৩ (3)রা সেপ্টেম্বর সাতগেছিয়া বাজারে কমরেড দেবলীনা হেমব্রম এর জনসভার সমর্থনে মিছিল ও পথসভা সংগঠিত হয় সি.পি.আই(এম) এর পক্ষ থেকে।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কমরেড শান্তি ব্যানার্জ্জী, শাখা সম্পাদক কমরেড সুব্রত মিত্র, পার্টি নেতা কমরেড বিপিন রায় চৌধুরী, ব্লকে ছাত্রনেতা দেব জিৎ ব্যানার্জি সহ আরো অনেকে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি ও একশো দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ রমজান আলী শেখ, কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতে এক পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলীর বিরুদ্ধে। এই মর্মে কালনা মহকুমাশাসক, বিডিও অফিস ও কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বাভাবিক কারণেই এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় কালনায়। যদিও ঘটনার কথা সত্য নয় বলে জানান তৃণমূল নেতা মেহের আলি শেখ ও তাঁর স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি। যদিও যার বিরুদ্ধে ভুরিভুরি অভিযোগ রমজান আলী শেখ তাঁর বাড়িতে যাওয়া হলে এদিন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর পরিবারের লোকেরাও এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি।সরকারি প্রকল্পে উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানির টাকা ও একশো দিনের কাজে অন্যজনের জব কার্ডের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল কালনার বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল নেতা রমজান আলি শেখ ও কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলি সেখের বিরুদ্ধে। কালনা মহকুমাশাসক, কালনা-১ বিডিও অফিস ও কালনা থানায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন, আমরা বিজয়নগর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামের সদস্যা রেহেনা বিবি, স্বামী মেহের আলি শেখ, মেহের আলি শেখের দাদা রমজান আলি শেখ দিনের পর দিন প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে গরীব মানুষের পাওয়া টাকা থেকে প্রতিটি বাড়ি পিছু কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা কাটমানি নিয়েছে।তাঁরা জানিয়েছেন, একশো দিনের কাজে তাদের পরিবারের কেউ সামিল না হয়েও বহু ব্যক্তির জব কার্ডের লক্ষাধিক টাকা দুর্নীতি করে আত্মসাৎ করেছে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে নানারকমভাবে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন। কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবির স্বামী মেহের আলী তিনি এদিন শনিবার বলেন,আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে,সামনে পঞ্চায়েত ভোট আসার কারণে বিরোধীরা এই চক্রান্ত করছে। আর এক অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রমজান আলী শেখ তিনি এদিন বাড়িতে ছিলেন না।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজনীতি

শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই স্লোগান নিয়ে বাম ছাত্র জাঠা পৌছালো বর্ধমানে

শিক্ষায় দূর্নীতির ফলে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই ভেঙে পরেছে। চাকরি প্রার্থীরা পাশ করে চাকরি না পেয়ে রাস্তায় আন্দোলন করছে, অন্যদিকে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে অথচ স্কুলে যায় না। অনুব্রত মন্ডলের কন্যার স্কুলে না যাওয়া প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা ভারতের ছাত্র ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক ময়ুখ বিশ্বাসের।শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের পাঁচটি প্রান্ত থেকে জ্যাঠা বার করেছে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন। শনিবার এই রকমই একটি জ্যাঠা বর্ধমান শহরে এসে পৌঁছায়। এই জ্যাঠাটি বিহার থেকে শুরু হয়ে ঝারখন্ড, উড়িষ্যা হয়ে মেদিনীপুর পেরিয়ে বর্ধমান শহরে পৌঁছায়। ভারতের ছাত্র ফেডারেশন সম্পাদক ময়ুখ বিশ্বাস জানান, গোটা দেশে শিক্ষা দামী হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। স্কুল কলেজে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম দূর্নীতি হচ্ছে। রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে দূর্নীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। এই ধরনের জ্যাঠার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • ...
  • 49
  • 50
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal