• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bagda

রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে একই পরিবারের দুই 'সুন্দরী' বউকে নিয়ে পালাল স্থানীয় যুবক, কি ভাবে ঘটাল এক কাণ্ড?

এর আগেও বউ নিয়ে পালানোর অভিযোগ রয়েছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। তবে এবার আর পৃথক ভাবে নয়, এক সঙ্গে একই পরিবারের দুই বউকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে পাড়ারই এক যুবক। প্রণয় সংঘটিত করতে চায়ের সঙ্গে মাদক জাতীয় কিছু মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই দুই মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের মালিদা গ্রামে।ওই গ্রামের বাসিন্দা দাদা ইয়াসিন শেখ ও ভাই আনিসুর শেখের দুই স্ত্রীর সঙ্গে গ্রামের আরিফ মোল্লার প্রণয়ের মাখো মাখো সম্পর্ক ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় আনিসুর গ্যারেজের কাজ সেরে বাড়ি ফেরে। বাড়িতে এসে তাজ্জব বনে যায়। সে দেখে তাঁর বাবা মা ও তিন মেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্য করে বাড়িতে নেই স্ত্রী, বৌদি ও এক মেয়ে। তাঁর মনে সন্দেহ বাড়তে থাকে। কিছুই প্রথমে বুঝে উঠতে পারেনি আনিসুর।বাবা-মা সহ তিন মেয়েকে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে জ্ঞান ফিরলে বাবা ও মা জানিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যায় আরিফ এসে দুই বউয়ের কাছে কিছু একটা দিয়ে গিয়েছিল। তারপরেই চা বানিয়ে দিয়েছিল দুই বউ। সেই চা খাওয়ার পর থেকেই তাঁরা অচেতন হয়ে পড়েছে। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বাড়ির বড় বউ কুলচান মল্লিক ও ছোট বউ নাজমা মন্ডল এক মেয়েকে নিয়ে আরিফের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার বাগদা থানায় অভিযোগ দায়ের করে আনিসুর। এই আরিফের বউ নিয়ে পালানোর ঘটনা নতুন নয়। আনিসুর শেখ জানিয়েছে, এর আগেও বড় বৌদি ও তার স্ত্রীকে নিয়ে আরিফ মোল্লা চম্পট দিয়েছিল। সেই সময় বাড়ির ছোট বাচ্চাদের কথা ভেবে ফেরত নিয়ে আসা হয়েছিল। এবার চায়ের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে বাবা, মা, দাদার দুই মেয়ে ও তার এক মেয়েকে অচেতন করে দুই বউকে নিয়ে পালিয়েছে আরিফ। আরিফের শাস্তির দাবি তুলেছে আনিসুরের বাবা-মা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাগদা থানার পুলিশ। আরিফের স্ত্রী সোনিয়া মোল্লা স্বামীর ঘটনায় যারপরই অস্বস্তিতে পড়েছে। তিনিও আরিফ এবং ওই দুই বউয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। আমার ও আমার বাচ্চাদের জীবন আছে নষ্ট করছে আরিফ। দুই বউকে নিয়ে আরিফের পালানার ঘটনায় এক মুখরিত বাগদা।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বেহাল দশা রাস্তার, রাস্তায় ধান রোপন করে অবরোধ ও বিক্ষোভ বিজেপির

বাগদার নাটাবেড়িয়া থেকে নদীয়ার আইসমালি পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা, রাস্তা সংস্কারের দাবিতে পাঁচপোতাতে রাস্তায় ধান রোপন করে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির। অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির। যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের আশ্বাসে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নেয় অবরোধকারীরা।উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার নাটাবেড়িয়া ও নদীয়ার রানাঘাটের মধ্যে সংযোগকারী রাজ্য সড়কের আইসমালী পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার মাঝে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বেহাল রাস্তার কারণে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিন রাস্তা সংস্কার করা হয়নি। সোমবার বিজেপি রাস্তা সংস্কারের দাবিতে নাটাবেরিয়া আইসমালি রাজ্য সড়কের পাঁচপোতাতে রাস্তায় ধান রোপণ করে অবরোধ শুরু করে। অবরোধকারীদের দাবি অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন সংস্কারের আশ্বাস দিচ্ছে অবরোধ ততক্ষন চলবে। বিজেপি নেতা অমৃতলাল বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার করুণ দশা। মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিপদ বাড়ছে সাধারণ পথ চলতি মানুষের। বর্তমান সরকার রাস্তা সংস্কারের কোন সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন না। অবিলম্বে এই রাস্তা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি, রাস্তা সংস্কার না হলে আগামীতে সমগ্র বাগদার মানুষ এখানে এসে প্রতিবাদ জানাবে।বিজেপির পথ অবরোধ শুরু হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগদা পুলিশ প্রশাসন। অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে অবরোধ তোলার চেষ্টা করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে বাগদা বিডিওর প্রতিনিধি এসে রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিলে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। এই বিষয়ে ভিডিওর প্রতিনিধি হিসেবে আসা প্রশাসনিক কর্তা শুভেন্দু বিশ্বাস বলেন, বিজেপি যে দাবি রেখেছে সেই দাবি ন্যায্য দাবি। আমি বিডিও সাহেবকে ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টি জানাবো। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনুযায়ী কাজ হবে।

জুন ২৩, ২০২৫
রাজ্য

ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল ফাস্টফুডের দোকানির, পাওনাদারের টাকা মেটাতে গিয়ে লরারির টিকিটি কেটেছিলেন

পাওনাদারের টাকা মেটাতে গিয়ে লটারি টিকিট কেটে কোটিপতি ফাস্টফুডের দোকানদার। ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল। খুশি দম্পতি। উত্তর ২৪ পরগনার হেলেঞ্চা বাজারের ফাস্টফুডের দোকানদার গোপাল সরকার। শনিবার সকালে বাগদাতে গিয়েছিল আইসক্রিমের মালিকের কাছে টাকা দিতে। বাগদা বাজার থেকেই দুপুর ১ টায় খেলার দেড়শ টাকার লটারি কিনেছিল গোপাল। আর সেই লটারি গোপালের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিল। দুপুর গড়াতেই লটারি রেজাল্ট বেরোতেই তা দেখে চক্ষু চড়ক গাছ দম্পতির। খুশি গোপাল ও গোপালের স্ত্রী। কোটি টাকার প্রথম পুরস্কার পেয়ে গোপাল সরকার জানিয়েছেন সে খুব খুশি। মাঝেমধ্যে ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য টিকিট কাটতো গোপাল। এই টাকা দিয়ে দোকানের উন্নতি করবে এবং ছেলের ভবিষ্যৎ গড়বে। আর গোপালের স্ত্রী জানিয়েছেন, স্বামী লটারি টিকিট কাটত মাঝে মধ্যে। আমি জানতাম কিন্তু ভাগ্য পরীক্ষার জন্য কিছু বলতাম না। কোটি টাকা পুরস্কার পায় আমি খুব খুশি। আগামীতে দোকানটাকে ভালো করে সাজাবো এবং পরিবারের সকলকে নিয়ে ভালো থাকবো।

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

দোলের দিন দোকান না খোলায় মারধর, দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, তিরে পঞ্চায়েত প্রধানের অনুগামীরা

মদ্যপানের অভিযোগ, দোকান না খোলায় মারধর, পাল্টা অভিযোগ। এতেই জড়িয়ে পড়েছেন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান। যা নিয়ে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা। বাগদার কৃষক বাজারের সামনে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের পার্টি অফিসের উল্টোদিকের দোকান। অভিযোগ এখানে প্রতিদিন মদ্যপান করে প্রধানের অনুগামীরা। সাম্প্রতিক দোকানের সামনে বসতে নিষেধ করেছিল দোকানের মালিক। অভিযোগ, হোলির দিন কেন দোকান খোলেনি সেই আক্রোশে দোকানের মালিক রাজু বিশ্বাস ঘর থেকে বেরোতেই তাকে হেনস্তা করে। প্রতিবাদ করতে গেলে প্রধানের অনুগামীরা একত্রিত হয়ে রাজু বিশ্বাসকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রাজুকে বাঁচাতে গেলে তার অন্তসত্ত্বা স্ত্রীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। বাড়ির উদ্দেশ্য করে বাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত সরদার ইট নিয়ে আক্রমণ করে, তার ছোড়া ইঁট ওই মহিলার লাগে বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় রাজু বিশ্বাসের দোকান। এই বিষয়ে বাগদা থানার দ্বারস্থ হয়েছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। প্রধান কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।অন্তঃসত্ত্বা মহিলা অভিযোগ, তাঁর বাড়ির সামনের দোকানে বিভিন্ন সময় মদ্যপান করে গালাগাল করে প্রধানের অনুগামীরা। গতকাল তাঁর স্বামীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করলে স্বামী প্রতিবাদ করতেই তাঁকে মারধর শুরু করে। তিনি ঠেকাতে গেলে তাঁকে ধাক্কা মারা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের আশ্বাসে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন । যদিও এই বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম অভিযুক্ত শুভেন্দু মন্ডল। শুভেন্দুর দাবি, একজন প্রতিবন্ধী ছেলেকে মারধর করছিল দোকান মালিক, তিনি ঠেকাতে গেলে তাকেও মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনিও পাল্টা থানায় অভিযোগ করেছেন রাজুর বিরুদ্ধে। বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম, দাবি বিজেপির জেলা সভাপতির

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম,নথি দেখিয়ে দাবি জেলা বিজেপির জেলা সভাপতির । মিথ্যা অভিযোগ দাবি তৃণমূলের । বাগদায় বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা গ্রামের তৃণমূল কর্মীর বাংলাদের ভোটার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় ভারতীর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। দুই দেশের নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। রবিবার দেবদাস মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বাগদার বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের মালিদায় তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী সহিদুল বিশ্বাস। বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের কন্টাকটারিও করেন। বাংলাদেশের নথি দেখিয়ে দেবদাস দাবি করন, সহিদুল বাংলাদেশের যশোরের চৌগাছার বাসিন্দা। পাশাপাশি বাগদার মালিদার ভোটার। দেবদাসের আরও দাবি, শুধু সহিদুল নয় তার পুরো পরিবার বাংলাদেশের বাসিন্দা। এবং এখানের ভোটার। এরা তৃণমূলের সম্পদ। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সমু মল্লার কাছে কর্মী স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তৃণমূল জেলা সভাপতির আদরের লোক। এরাই ভোটের সময় তৃণমূল হয়ে ভোট করায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না। দেবদাসের দাবি, সহিদুলের সমস্ত নথি দিয়ে জেলাশাসকে মেল করা হয়েছে কিন্তু তার কোন উত্তর আসেনি।তবে সহিদুলের দাবি, তার বাবা ঠাকুরদাদা এখানের বাসিন্দা। তার জন্মএ এখানে। জমি জামা নিয়ে প্রতিবেশী সঙ্গে সমস্যার কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে যশোরে তার আত্মীয় সজন আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি বয়রা আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসিত মণ্ডলের । সহিদুল তৃণমূল কর্মী বলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সহিদুল ভারতের বাসিন্দা। মিথ্যা নতি দেখাচ্ছে বিজেপি। এটাই ওদের কাজ।

মার্চ ০২, ২০২৫
রাজনীতি

উপনির্বাচনে সবুজ ঝড়, কোন আসনে কার কত ভোট? জয়ের ব্যবধান কত?

উপনির্বাচন মানেই শাসকদলের একচেটিয়া জয়। সম্প্রতি একমাত্র ব্য়তিক্রমী ঘটনা ঘটেছিল সাগরদিঘি উপনির্বাচনে। বামেদের সমর্থনে কংগ্রেস বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে। এবার চার কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচনে সবুজ ঝড় বয়ে গেল। তৃণমূলের বিরাট জয়, বিজেপির বিপর্যয়। লোকসভার পর বাংলায় ফের হার বিজেপির। উপনির্বাচনের লড়াইয়ে ৪-০ ব্যবধানে জয় পেল তৃণমূল। এবার লোকসভা ভোটেও তিনটি আসনে এগিয়েছিল BJP। তিনটি বিধানসভা আসনই হাতছাড়া গেরুয়া শিবিরের। বিজেপির থেকে রায়গঞ্জ, বাগদা, রাণাঘাট দক্ষিণ ছিনিয়ে নিল তৃণমূল। বিজেপির রানাঘাট দক্ষিণও এবার তৃণমূলের দখলে চলে গেল। মতুয়াগড়ে বিজেপির বিপর্যয়।রায়গঞ্জে প্রথমবার জয় পেল তৃণমূল। রায়গঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যানী। প্রায় ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। এর আগে দল বদলে বিজেপিতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এখানে বিজেপির টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে তৃণমূলে গিয়ে যোগ দেন। লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছিলেন বিজেপির কাছে। তবে তাঁর ওপর আস্থা হারায়নি দল। বিধানসভা উপনির্বাচনে আবারও কৃষ্ণ কল্যাণীকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বাগদায় একুশের নির্বাচনে জয় পেয়েছিল বিজেপি। লোকসভাতে এগিয়ে ছিল এই বিধানসভায়। এবার উপনির্বাচনে বাগদা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণার বাগদা কেন্দ্র থেকে ৩৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। এবার আর বিশ্বজিৎ দাস প্রার্থী হতে চাননি।অন্যদিকে, রানাঘাট দক্ষিণেও জয় তৃণমূলের। এখানে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। তার জয়ও প্রায় নিশ্চিত বলা চলে। কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্রেও সবুজ সুনামি। উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি পাণ্ডে।বাগদাTMC প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ১০৭,৭০৬। BJP প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাসের প্রাপ্ত ভোট ৭৪,২৫১। তৃণমূল জয়ী ৩৩,৪৫৫ ভোটের ব্য়বধানে। এখানে ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী গৌর বিশ্বাস পেয়েছেন ৮,১৮৯টি ভোট।রাণাঘাট দক্ষিণTMC প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী পেয়েছেন ১,১৩,৫৩৩। BJP প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস পেয়েছেন ৭৪,৪৮৫টি ভোট। CPM প্রার্থী অরিন্দম বিশ্বাস পেয়েছেন ১৩,০৮২টি ভোট। মুকুটমনি জয়ে পেয়েছেন ৩৯০৪৮ ভোটে। রায়গঞ্জএখানে তৃণমূলের কৃষ্ণ কল্যানীর প্রাপ্ত ভোট ৮৬,৪৭৯। BJP প্রার্থী মানস ঘোষ পেয়েছেন ৩৬,৪০২ ভোট। কংগ্রেসের মোহিত সেনগুপ্ত পেয়েছেন ২৩,১১৬ ভোট। তৃণমূল জয়ী হয়েছে ৫০,০৭৭ ভোটে।মানিকতলাTMC প্রার্থী সুপ্তি পান্ডে পেয়েছেন ৮৩,১১০টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী কল্যান চৌবে ২০,৭৯৮টি ভোট পেয়েছেন। সিপিএম প্রার্থী রাজীব মজুমদারের প্রাপ্ত ভোট ৯,৫০২। জয়ের ব্যবধান ৬২,৩১২।

জুলাই ১৩, ২০২৪
রাজনীতি

"দুই কেন্দ্রে কিভাবে জিতবে তৃণমূল?", বাগদায় প্রচারে ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুভেন্দুর

রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন ১০ জুলাই। ওই দিন উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা আসনেও উপনির্বাচন। শনিবার দলীয় প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাসের হয়ে প্রচার করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাথুরিয়ায় পরিবর্তে সিন্দ্রাণীতে এদিন এক পথসভা করেন বিরোধী দলনেতা। সেখান থেকে তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে আনেন ভয়ঙ্কর অভিযোগ। যাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে।ভোট লুঠ করে জিততে চাইছেন মমতা। বুধবারই বাগদায় ভোটের আগেই প্রচারে ঝড় তুলে মারাত্মক অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১০ জুলাই বাগদায় নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথাও এদিন শোনা গিয়েছে বিরোধী দলনেতার গলায়। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বাগদা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস জয়ী। জয়ের পরপরই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ। এবার বাগদা আসন থেকে পদত্যাগ করে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে লড়াই করে পরাজিত হন। উপনির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলীয় রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে মধূপর্ণা ঠাকুরকে। রানাঘাট দক্ষিণ, বাগদা জেতাতে নবান্ন থেকে এসপিকে ফোন মমতার। এদিন প্রকাশ্য সভায় তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, মমতা পার্থ ভৌমিক, রাজীব ব্যানার্জীকে নিয়ে মিটিং করেছেন। নবান্ন থেকে এসপিকে ফোন করে বলেছেন আমার এই সিট চাই একই সঙ্গে তিনি বলেন, এসব যত করবে তত ধ্বংসের পথে যাবে তৃণমূল।এদিনের প্রচার থেকেই বাগদা উপনির্বাচনকে তৃণমুলের চাপিয়ে দেওয়া নির্বাচন বলে উল্লেখ করা পাশাপাশি ৭ দফায় লোকসভা ভোটে ভোট লুঠের চেষ্টার অভিযোগও আনেন তিনি। আক্ষেপের সুরে শুভেন্দু এদিন আরামবাগে বিজেপিকে হারিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিশীথ প্রামাণিককে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। প্রচার সভা থেকেই এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ফিরহাদ হাকিমকে সরিয়ে শোভনকে মেয়র করতে চান মমতা। উল্লেখ্য লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে বাগদা বিধানসভায় ২০ হাজার ৬১৪ ভোটে এগিয়েছিল বিজেপি।

জুলাই ০৬, ২০২৪
রাজ্য

কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাগদার পঞ্চায়েত সদস্যের, অভিযোগের তির প্রধানের দিকে

মানসিক চাপে কিটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পঞ্চায়েত সদস্য। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের ঘটনা। তৃণমূলের প্রধানের কথায় আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে তারই দলের পঞ্চায়েত সদস্য। এদিকে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলায় লাগাতার হুমকির অভিযোগ প্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধ। অভিযুক্ত প্রধানের নাম অসিত মণ্ডল। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অসিত।জানা গিয়েছে, বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদহ গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য দিলীপ দাসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে ওই গ্রাম থেকে প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে। এসব কাজ করেছেন তিনি প্রধান অসিত মণ্ডলের কথা মতো। সেই টাকা তিনি প্রাধানকে দিয়েছেন। তবে গুরুতর অভিযোগ টাকা দিয়েও গ্রামের কেউ ঘর পায়নি। ফলে তাঁরা এখন টাকা ফেরত চাইছে। কিন্তু টাকা দিচ্ছেন না প্রধান। পরবর্তীতে বিষয়টি তিনি দলেও নেতৃত্বকে জানান এবং সংবাদমাধ্যের সামনে ওই ঘটনা তুলে ধরেন। অভিযোগ, তার পর থেকে দিলীপকে পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মণ্ডলের লোকজন হুমকি দিতে থাকে। ভয়ে তারা বাড়ি থেকে বেড়তে পারছেন না। পঞ্চায়ের সদস্যর স্ত্রী মঞ্জু দাসের দাবি, নানা হুমকির ফলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল আমাদের পরিবার। আর সেই মানসিক চাপে চলতি মাসের ছয় তারিখ শুক্রবার বিকেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দিলীপ। দুই দিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার দিলীপ দাসের স্ত্রী মঞ্জু দাস, অভিযুক্তদের শান্তি ও নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে বনগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। টাকা তোলার কাজে দিলীপ দাস নিজেই যুক্ত বলে পাল্টা অভিযোগ করেন প্রধান অসিত মণ্ডল। প্রধানের দাবি, সাংসারিক কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল দিলীপ। আমার সঙ্গে দিলিপের কোনও যোগাযোগ নেই। গ্রামের একাধিক লোকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে দিলীপ। নানা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার টাকা তুলে প্রধানকে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমি কোন টাকা নেইনি। পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শাহবাজ রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতেই পাল্টা জবাব! ওসামা প্রসঙ্গ টেনে দিল্লির কড়া বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। কাশ্মীর, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি এবং গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এর পরেই ভারতের তরফে জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব পেটল গেহলট ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধির বক্তব্যকে তিনি অদ্ভুত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারত প্রয়োগ করবে এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্তদের তার পরিণতি ভুগতে হবে।ভারতের পাল্টা বক্তব্যে বিশেষ ভাবে উঠে আসে আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গ। পেটল গেহলট বলেন, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির প্রসঙ্গও মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাছে বসবাস করছিলেন।ভারতীয় প্রতিনিধির বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত বছর ভারত দেখিয়েছে যে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়ার বা লুকিয়ে থাকার জায়গা থাকবে না। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কথাও তিনি জানান। পাকিস্তানের সন্ত্রাসনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গও ছিল। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের ওই চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসের পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে গত বছরের সংঘাত এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও ফিরে আসে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওই সংঘাতের ফলাফল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক দাবি তুলেছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিগুলির পাল্টা জবাব দিয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এর আগে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান কত দিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।ফলে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের পর ভারতের পাল্টা জবাব ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল দিল্লি-ইসলামাবাদের তীব্র মতবিরোধ। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির মতো একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান যে এখনও পরস্পরের বিপরীত, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চের এই বক্তব্যে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, রাজ্য পুলিশেই পুরভোট? কমিশনের ভাবনায় বড় বদল

পশ্চিমবঙ্গে ফের পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে ভোটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি।এই সাতটি পুরসভা হল কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং। প্রশাসনিক স্তরে ইতিমধ্যেই বুথ, ভোটকর্মী, ভোটকেন্দ্র এবং ইভিএম সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে কাজ এগোচ্ছে।নিরাপত্তার বিষয়টিও কমিশনের প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিবর্তে রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট পরিচালনার বিষয়ে কমিশনের প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা যাচ্ছে।ভোটের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন এলাকাকে বেশি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন এবং কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়গুলিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে রাখতে চাইছে কমিশন।এদিকে পুরভোটের জন্য ইভিএমের জোগান নিয়েও প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র পাওয়া যায় কি না, তার উপর ভোট এক দিনে হবে নাকি একাধিক দিনে আয়োজন করা হবে, সেই বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা করার আগে একাধিক প্রশাসনিক বিষয় মিটিয়ে নিতে চাইছে কমিশন।কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নিয়ে এবার বিশেষ নজর রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন হয়নি। বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই এবং প্রশাসকের মাধ্যমে পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে।প্রাথমিক ভাবে সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও রাজ্যের আরও একাধিক পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে। সেই তালিকায় বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, মিরিক, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো পুরসভাও রয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাকি পুরসভাগুলির ভোট কী ভাবে এবং কখন আয়োজন করা হবে, তা নিয়েও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পর রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এখনই ভোটের চূড়ান্ত দিন ঘোষণা হয়নি। কমিশনের প্রস্তুতি কোন দিকে এগোয় এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার উপরই পরবর্তী ছবিটা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার সভার কয়েক ঘণ্টা আগে কুণালের গাড়িতে হামলা! ভাঙল কাচ, শরীরে ঢুকল কাচের টুকরো

শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জমায়েতে সর্বাধিক এক হাজার মানুষের উপস্থিতির শর্তও রয়েছে। সভার কয়েক ঘণ্টা আগে মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।কুণাল ঘোষের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার কাছে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এরপর একদল মানুষ গাড়ির দিকে ডিম, পাথর এবং অন্যান্য জিনিস ছুড়তে শুরু করেন বলে তাঁর দাবি। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কাচের টুকরোয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে কুণালের দাবি।কুণালের বক্তব্য, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রীরামপুরের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাস্তা আটকে কিছু মানুষ লাঠি ও লোহার রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থামিয়ে কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছেন, তা দেখা হচ্ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, গাড়ির কাচ ভেঙে পাথর ঢুকে তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। ভাঙা গাড়ি নিয়েই তিনি কলকাতার দিকে রওনা হন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেন।ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে কুণাল ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও একই দাবি করেছেন।ফলে কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হামলার পেছনে কারা ছিলেন এবং ঠিক কী কারণে গাড়ি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এরই মধ্যে শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরেও রাজনৈতিক নজর রয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সভাটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে করতে হবে। জিটি রোডে স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখার নির্দেশও রয়েছে।এ দিনের সভাটি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফলে সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ রয়েছে।কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার পরেই বড় সিদ্ধান্ত! অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

রাজনৈতিক মহলে ফের বিরোধী দলগুলির সমন্বয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির একটি বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যেতে পারেন বলেও জানা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরেই আগামী সপ্তাহে বিরোধীদের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার পরদিন বিরোধী দলগুলির বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বর্তমানে বিরোধী দলগুলির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের সূত্রের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে ফের নোটিস দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কী হবে এবং আগামী দিনে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।কয়েক দিন আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়। বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে ওই কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এখনও সব দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। তাঁর দাবি, এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের আলোচনায় শুধু ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলিই থাকবে, নাকি জোটের বাইরে থাকা বিজেপি বিরোধী দলগুলিকেও বৈঠকে আনার চেষ্টা হবে, তা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে কোন কোন দল শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে তাঁর দিল্লি সফর এবং বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও সূত্রনির্ভর বলেই জানা যাচ্ছে।সব মিলিয়ে এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলির ক্ষোভের আবহে দিল্লির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কে বিরোধীরা যৌথ কোনও কর্মসূচি নেয় কি না, কিংবা ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকে এই সমন্বয়ের মধ্যে আনা যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপ দুর্বল হলেও বৃষ্টি থামছে না! কোথায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা?

নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও দক্ষিণবঙ্গে শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকেও বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার দিনে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন মধ্যপ্রদেশের কাছে অবস্থান করছে। এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দিকে যেতে পারে। নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে দূরে সরে গেলেও সমুদ্রের উপর ঝোড়ো হাওয়া থাকতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্যও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে শনিবারের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই ধীরে ধীরে কমবে। সেপ্টেম্বর মাসের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সোমবার থেকে আরও কমবে বৃষ্টির প্রবণতা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।ফলে আগামী কয়েক দিনে বাংলার আবহাওয়ায় দুই রকম ছবি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব কাটায় ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে শনিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতাতেও শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

যে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় মমতা, সেই দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেই ফোনে কথা! কেন এই বদল?

বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। সেই দুই দলের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই পক্ষের মধ্যে চিঠি বিনিময়ের পর এই ফোনালাপ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হোক। এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই যোগাযোগের নেপথ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এম এ বেবি বিরোধী নেতাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা এবং যৌথ কৌশল তৈরির কথা বলা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার জবাবে চিঠি দেন। এরপর দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়েছে।তবে এই যোগাযোগকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও সিপিএমের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট হিসেবে দেখানো হয়নি। আপাতত বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হিসেবেই সামনে এসেছে।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এবং আগের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ফের ভোট নেওয়ার দাবিও তোলেন। এগুলি মমতার রাজনৈতিক দাবি; নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।এদিকে মমতা ও এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তৃণমূল ও সিপিএমের দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। পশ্চিমবঙ্গে দুই দল বহু বছর ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। জাতীয় স্তরে দুদল একই বিরোধী জোটের অংশ হলেও এত দিন তাদের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমিত ছিল বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে এম এ বেবির সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলাদা করে কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। সেই আলোচনায় ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা-বেবির বর্তমান ফোনালাপের সঙ্গে ওই আগের কথোপকথনকে এক করে দেখার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূলের মিছিলে হামলার অভিযোগও ওঠে। কয়েক জন কর্মী আহত হন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনার খবর সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি-তেও প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন রয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য আলাদা এবং ঘটনাটির দায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে জাতীয় স্তরের বিতর্ক নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম এ বেবির ফোনালাপ এবং দিল্লিতে বিরোধী বৈঠকের উদ্যোগ সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী দিনে এই যোগাযোগ কেবল নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিরোধী দলগুলির মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
দেশ

তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, এসবিআই গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা! এটিএম থেকে টাকা তুললে লাগবে না বাড়তি টাকা

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার পরিবর্তে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবিসহ একাধিক বিষয়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের সংগঠনগুলি। মাসের শেষে এই ধর্মঘটের কারণে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট চলাকালীন তাদের গ্রাহকেরা দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এবং ওই সময় এটিএম লেনদেনের প্রযোজ্য চার্জ নেওয়া হবে না। এমনকি সাধারণ নিয়মে মাসিক বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা পেরিয়ে গেলে যে অতিরিক্ত এটিএম চার্জ দিতে হয়, ধর্মঘটের ওই তিন দিনে সেই চার্জও মকুব থাকবে।অর্থাৎ, ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখায় পরিষেবা ব্যাহত হলেও জরুরি প্রয়োজনে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এসবিআই গ্রাহকদের অতিরিক্ত এটিএম চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তবে কোন এটিএমে পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে, তা এলাকা ও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় নগদ ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেওয়া ভাল।শুধু এটিএম নয়, ধর্মঘটের সময় এসবিআইয়ের ডিজিটাল পরিষেবাগুলিও চালু থাকবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ওয়াই-ফাইভো অ্যাপ এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। ফলে টাকা পাঠানো, বিল দেওয়া বা অন্যান্য সাধারণ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।তবে চেক জমা দেওয়া, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, ঋণ সংক্রান্ত নথি জমা বা শাখায় গিয়ে করতে হয় এমন অন্য কোনও জরুরি কাজ থাকলে তা ধর্মঘটের আগে সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্মঘটের দিনগুলিতে শাখার স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা, দফতর, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং নগদ ভাণ্ডার চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে।এর ফলে ২৬ সেপ্টেম্বরের ছুটি, ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার এবং তার পরের তিন দিনের ধর্মঘট মিলিয়ে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় টানা কয়েক দিনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই ধর্মঘটের আগে রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ব্যাঙ্ক কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন ছুটির দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। এবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক পরিষেবা যাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একাধিক বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।সব মিলিয়ে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে। তবে এসবিআইয়ের ঘোষণায় ওই তিন দিন এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি চার্জ মকুব থাকবে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাও চালু থাকবে। তাই জরুরি শাখাভিত্তিক কাজ থাকলে তা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেরে নেওয়াই সুবিধাজনক।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal