• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Match

খেলার দুনিয়া

‌আবার জয়, দ্বিতীয় পর্বে অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছে নাইট রাইডার্সকে

আইপিএলের প্রথম পর্বের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের কলকাতা নাইট রাইডার্সের আকাশপাতাল পার্থক্য। প্রথম পর্বে রীতিমতো ধুঁকছিল। একসময় মনে হচ্ছিল প্লে অফে ওঠাই কঠিন হয়ে যাবে নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে ছবিটা বদলে গেছে। অনেক ঝকঝকে লাগছে নাইটদের। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে হারানোর পর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আবার জয়। রোহিত শর্মার দলকে মর্গানরা হারিয়েছে ৭ উইকেটে। জয়ের নায়ক সেই ভেঙ্কটেশ আয়ার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৫ সাল থেকে শেষ ১৩টি সাক্ষাতে মুম্বইয়ের কাছে ১২টি ম্যাচেই হারতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। গত বছর আবু ধাবিতে হারতে হয়েছিল দুটি ম্যাচেই। ফলে নিঃসন্দেহে এদিনের জন্য তৃপ্তিদায়ক নাইটদের কাছে। রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি ককের ওপেনিং জুটির সৌজন্যে ভাল শুরু করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আগের ম্যাচে ফিটনেসজনিত কারণে রোহিত শর্মা খেলেননি। এদিন আনমোলপ্রীত সিংয়ের জায়গায় তিনি ফের জুটি বাঁধেন ডি ককের সঙ্গে। রোহিতের ব্যাটিং টি ২০ বিশ্বকাপের আগে ভারতকে স্বস্তিতে রাখলেও সূর্যকুমার যাদব চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩ করার পর এদিন ১০ বলে ৫ রানে আউট হলেন। পাওয়ারপ্লেতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুই ওপেনার তোলেন ৫৬ রান। ৯.২ ওভারে ৭৮ রানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ওপেনিং জুটি ভাঙেন সুনীল নারিন। চারটি চারের সাহায্যে ৩০ বলে ৩৩ রান করে আউট হন রোহিত শর্মা। কুইন্টন ডিকক করেন ৫৫। তিনি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ঈশান কিষাণ করেন ১৪। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন কিয়েরণ পোলার্ড। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৫৫/৬। নাইট রাইডার্সের ফার্গুসন ২৭ রানে ২, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৪৩ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১০ ওভারে ১ উইকেটে ১১১ রান তুলে ফেলে কেকেআর। শুভমান গিল ১৩ রানে আউট হওয়ার পর কেকেআরের স্কোর ছিল ৩ ওভারে ১ উইকেটে ৪০। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৮৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও রাহুল ত্রিপাঠি। ১১.৪ ওভারে দলের ১২৮ রানের মাথায় ৩০ বলে ৫৩ করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আইয়ার। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৬.৬৬, চারটি চার ও তিনটি ছয় মারেন তিনি। শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী মেজাজে। রাহুল ত্রিপাঠির ইনিংসে রয়েছে আটটি চার ও তিনটি ছয়। রাহুলের এদিনের স্ট্রাইক রেট ১৭৬.১৯। ৯ ম্যাচে তাঁর মোট রান ২৬১, গড় ৩৭.২৮, স্ট্রাইক রেট ১৪৫। ২৯ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে কেকেআর। ৪ ওভারে ৪৩ রানে তিনটি উইকেটই পেয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ৯ ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট ৮, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সেরও আট। কিন্তু রোহিতের দল নেট রান রেটের কারণে চলে গেল ছয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : সানরাইজার্সকে উড়িয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

আইপিএলে চলছে সাপলুডোর খেলা। এই খেলায় কখনও এগিয়ে যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস। কখনও আবার দিল্লি ক্যাপিটালস। আগের ম্যাচ জিতে যেমন শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল চেন্নাই। বুধবার সানরাইজার্স হায়দরবাদকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে আবার শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাশুল গুনতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব অনেক ক্রিকেটারের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার। টি২০ বিশ্বকাপে সুযোগ পাননি শিখর ধাওয়ান। নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত ভুল, প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছিল তাঁর কাছে। তেমনি আবার নিজেকে প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছিল ঋদ্ধিমান সাহার কাছেও। নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ ঋদ্ধি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কিংবা আইপিএল, সবসময় অন্যের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকতে হয়েছে ঋদ্ধিমানকে। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বেয়ারস্টো। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ঋদ্ধি। বড় সুযোগ ছিল নিজেকে প্রমাণ করার। জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ঋদ্ধি (১৭ বলে ১৮)। কাগিসো রাবাডার ১৪৩ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বাউন্সার পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে শিখর ধাওয়ানের হাতে। ঋদ্ধিমান সাহার মতো দিনটা সানরাইজার্সেরও ছিল না। গোটা দলেরই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ডেভিড ওয়ার্নারকে (০) দিয়ে শুরু। তাঁকে তুলে নেন আনরচ নর্টিয়ে। অধিনায়ক উইলিয়ামসন (১৮), মণীশ পাণ্ডে (১৭), কেদার যাদবরাও (৩) ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার নর্টিয়ে, রাবাডা শুরুতেই ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন সানরাইজার্সের। অক্ষর প্যাটেলও দারুণ বোলিং করেন। আব্দুল সামাদ (২৮), হোল্ডার (১০), রশিদ খানদের (২২) সৌজন্যে ১৩৪/৯ রানে পৌঁছয় সানরাইজার্স। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি, জয়ের জন্য এই টার্গেট একেবারেই কঠিন ছিল না। তার ওপর দারুণ ছন্দে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান (৪২)। চোট কাটিয়ে দ্বিতীয় পর্বে ফিরে শ্রেয়স আয়ারও (অপরাজিত ৪৭) নিজেকে দুর্দান্তভাবে মেলে ধরলেন। ঋষভ পন্থও (অপরাজিত ৩৫) ছন্দ ধরে রেখেছেন। ফলে জিততে অসুবিধা হয়নি দিল্লির। ১৭.৫ ওভারে ১৩৯/২ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। চলতি আইপিএলে কেন তারা সবথেকে ভারসাম্যপূর্ণ দল, বুঝিয়েই চলেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌KKR vs RCB Match : মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ কোহলি, দ্বিতীয় পর্বে দারুণ শুরু কলকাতা নাইট রাইডার্সের

চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য জাতীয় দলের টি২০ ও আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরাট কোহলি। এটাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নেতা হিসেবে শেষ মরশুম। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কতটা হালকা হয়েছেন বিরাট কোহলি? আইপিএলের মাইলস্টোনের ম্যাচেও ব্যর্থ। ব্যর্থ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরও। কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে ৯ উইকেটে হেরে প্লে অফের ছাড়পত্র নিয়ে সঙ্কটে কোহলিরা। সোমবার আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কোহলি। এদিন এলিট ক্লাবে প্রবেশ করলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ক্যাপ্টেন। পৌঁছে গেলেন ২০০ ম্যাচের মাইলস্টোনে। একই দলের হয়ে আইপিএলে এত ম্যাচ খেলার রেকর্ড অন্য কোনও ক্রিকেটারের নেই। মাইলস্টোনের ম্যাচে ভক্তদের হতাশ করলেন কোহলি। ৪ বলে ৫ রান। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি।তখন থেকেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছিল প্রতিপক্ষ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ভবিষ্যত নিয়ে। দলের সেরা বোলার না থাকা সত্ত্বেও চাপে পড়েনি নাইটরা। প্যাট কামিন্স এবারের আইপিএল থেকে সরে যাওয়ায় প্রথম একাদশে লকি ফার্গুসন সুযোগ পেয়ে যান। তাঁকে খেলানোটা সঠিক সিদ্ধান্ত। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সবথেকে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২২) দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তুলে নেন। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকেই দারুণ ছন্দে আন্দ্রে রাসেল। এস ভরতকে (১৬) শর্ট বলে তুলে নেওয়ার পর বৈচিত্র্য নিয়ে এসে একই ওভারে ইয়র্কারে ডিভিলিয়ার্সকে (০) তুলে নেওয়াটা মুন্সিয়ানার পরিচয়। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে তাঁর সুযোগ পাওয়াটা যে ফ্লুক নয়, প্রমাণ করে দিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তীও। পরপর দুবলে ম্যাক্সওয়েল (১০) ও আইপিএল অভিষেককারী হাসারাঙ্গাকে (০) ফেরানোটা দক্ষতার পরিচয়। হ্যাটট্রিকের সামনেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। অল্পের জন্য হয়নি। বরুন চক্রবর্তী ও আন্দ্রে রাসেলের দুরন্ত বোলিংয়ে ১৯ ওভরে মাত্র ৯২ রানে গুটিয়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। বরুণ চক্রবর্তী ১৩ রানে ৩টি ও আন্দ্রে রাসেল ৯ রানে ৩ উইকেট নেন।৯২ রানের লক্ষ্য একেবারেই কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার দারুণ শুরু করেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮২। ৪৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের বলে আউট হন শুভমান গিল। ১০ ওভারে ৯৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইটরা। ভেঙ্কটেশ আয়ার ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL 2021-22 : ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগান–এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বর

ঘোষিত হল ২০২১-২২ মরশুমে আইএসএলের প্রথম পর্বের সূচি। ১১টি রাউন্ডের সূচি সোমবার প্রকাশ করেছে আইএসএলের আয়োজক কমিটি ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। ১৯ নভেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচে গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে কেরালা ব্লাস্টার্স। এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযান শুরু করবে জামশেদপুর এফসি ম্যাচ বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। এবারের আইএসএলে প্রথম ডার্বি ম্যাচ হবে ২৭ নভেম্বর। প্রথম ডার্বি এসসি ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ।এবারও গোয়াতেই হবে গোটা আইএসএল। মোট ১১৫টি ম্যাচ আয়োজিত হবে। এবারের আইএসএলে শনিবার থাকছে দুটি করে ম্যাচ। প্রথম ম্যাচ সন্ধে ৭.৩০ মিনিট থেকে। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে রাত সাড়ে ৯টায়। সপ্তাহের বাকি দিনগুলির ম্যাচ শুরু হবে সন্ধে সাড়ে ৭টাতেই। গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি ২০২১-২২ মরশুমের আইএসএল অভিযান শুরু করবে ২২ নভেম্বর এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। এব্যর এটিকে মোহনবাগান হোম ম্যাচ খেলবে ফতোরদার নেহেরু স্টেডিময়ামে। প্রথম পর্বে এটিকে মোহনবাগান ৬টি হোম ম্যাচ খেলবে। ১৯ নভেম্বর শুক্রবার উদ্বোধনী ম্যাচে প্রতিপক্ষ কেরালা ব্লাস্টার্স। ১ ডিসেম্বর সন্ধে সাড়ে ৭টায় মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ। ১১ ডিসেম্বর সন্ধে সাড়ে ৭টায় খেলা চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে। ২৯ ডিসেম্বর সন্ধে সাড়ে ৭টায় এটিকে মোহনবাগান খেলবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। ৫ জানুয়ারি একই সময়ে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ হায়দরাবাদ এফসি। ৮ জানুয়ারি হাবাসের দলের সামনে ওডিশা এফসি, এই খেলাটিও শুরু সন্ধে সাড়ে ৭টায়।এটিকে মোহনবাগান প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তিলক ময়দানে ২৭ নভেম্বর, সন্ধে সাড়ে ৭টায়, এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগানের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচই ডার্বি। ৬ ডিসেম্বর ব্যাম্বোলিমের অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসি। ১৬ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে খেলবে এটিকে মোহনবাগান। ২১ ডিসেম্বর মোহনবাগানের ম্যাচ নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে, ফতোরদা স্টেডিয়ামে। অন্যদিকে, প্রথম পর্বে ৫টি হোম ম্যাচ খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের হোম গ্রাউন্ড এবার তিলক ময়দান। ২১ তারিখ প্রথম ম্যাচ এসসি ইস্টবেঙ্গলের জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। ২৭ নভেম্বর এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ডার্বি। ৭ ডিসেম্বর এসসি ইস্টবেঙ্গল খেলবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। ১২ ডিসেম্বর ম্যাচ কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে। ৭ জানুয়ারি এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ গত মরশুমের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি। সব ম্যাচই সন্ধে ৭.৩০ থেকে। ৩০ নভেম্বর এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তিলক ময়দানে, ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে। লাল হলুদের দ্বিতীয় অ্যাওয়ে ম্যাচে ৩ ডিসেম্বর প্রতিপক্ষ চেন্নাইন এফসি। ১৭ ডিসেম্বর এসসি ইস্টবেঙ্গল ফতোরদার নেহরু স্টেডিয়ামে খেলবে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র বিরুদ্ধে। ২৩ ডিসেম্বর লাল হলুদের চতুর্থ অ্যাওয়ে ম্যাচ ব্যাম্বোলিমের অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে। ৪ জানুয়ারি এই স্টেডিয়ামেই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে পঞ্চম অ্যাওয়ে ম্যাচটি খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Manchester Test : বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসি–কে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

করোনা আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে চাননি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওল্ড ট্রাফোডের টেস্ট বাতিল করেছিল। বাতিল হওয়া পঞ্চম টেস্ট ফের কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দফায় দফায় আলোচনায় বসেও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইসিসি-র কোর্টে। বাতিল হওয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট কবে ফের আয়োজন করা যায়, তার সমাধানসূত্র বের করতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্র এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচের ভবিষ্যত জানতে চেয়ে।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?ইংল্যান্ড সফরের শেষদিকে ভারতীয় শিবিরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। চতুর্থ টেস্ট চলাকালীনই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাস্ত্রীর সংস্পর্ষে আসা আরও তিন সাপোর্ট স্টাফকে লন্ডনের টিম হোটেলে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়। বাকি দল পঞ্চম টেস্ট খেলতে ম্যাঞ্চেস্টার রওয়া হয়। কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পঞ্চম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিবৃতি জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কী হবে ভারতইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হয়ে গেলেও সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বাতিল হওয়া ম্যাচ ফের খেলা হলে ভালো, না হলে বিজয়ী ভারতকে ঘোষণা করা হবে, নাকি ইংল্যান্ডের পক্ষে ২২ ফলাফলে সিরিজে ইতি টানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২২ সালে আবার ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টি২০ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। দুই দলের মধ্যে পরের দুটি টি২০ ম্যাচ ট্রেন্টব্রিজ ও সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ও ৬ জুলাই হবে এই দুটি ম্যাচ। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৯, ১২ এবং ২৪ জুলাই যথাক্রমে এজবাস্টন, কিয়া ওভাল ও লর্ডসে হবে মোকাবিলা। তারই ফাঁকে করোনা ভাইরাসের জেরে বাতিল হয়ে যাওয়া ভারত ও ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে ব্যাপারে আই সি সির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : ২০০৮ সালের ২৬/‌১১–র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?‌

ভারতীয় দলের ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ম্যাঞ্চেস্টারে ভারত ও ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট নিয়ে প্রথমে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করে টেস্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানা গেছে, আতঙ্কেই খেলতে চাননি ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় ভবিষ্যতে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। যদিও এই টেস্ট ম্যাচটি সিরিজের অংশ হবে না। বাতিল হওয়া টেস্ট আবার খেলা হবে, আর দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। আর এই ব্যাপারে তিনি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, ২০০৮ সালের ২৬/১১র ঘটনা। মুম্বইয়ে সন্ত্রাস বাদী হামলার জন্য একদিনের সিরিজের দুটি ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। পরে ভারতে এসে ইংল্যান্ড ওই দুটি ম্যাচ খেলেছিল। এই প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, দুই দেশের বোর্ড যে আবার বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে, আমি মনে করি এটি সঠিক পদক্ষেপ হবে। ২০০৮ সালে ২৬/১১ সন্ত্রাস বাদী হামলার পর ইংল্যান্ড দল যা করেছিল তা আমাদের কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সিরিজ শেষ করতে ওরা আবার পরে ফিরে এসেছিল। ইংল্যান্ড দল তখন বলতে পারত যে, ওরা ভারতকে নিরাপদ বোধ করছে না। আবার খেলতে ফিরে আসবে না। ইংল্যান্ড কিন্তু তা করেনি। সন্ত্রাসবাদীরা যখন মুম্বই আক্রমণ করেছিল, তারপরই সফরকারী ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে ভারতের কটকে ম্যাচ ছিল। হামলার কারণে শেষ ২ টি একদিনের ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। ইংল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে ফিরে আসে। যে সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। সিরিজ শেষ করার ব্যাপারে তৎকালীন ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সুনীল গাভাসকার। তিনি বলেন, কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কেভিন পিটারসেন সেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন প্রধান ব্যক্তি। কেভিন পিটারসেন যদি সেই সময়ে ভারতে আসতে অস্বীকার করতেন, তাহলে সফরটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পুনরায় ম্যাচ খেলার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে সুনীল গাভাসকার বলেন, বাতিল টেস্ট আগামী বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা

শুক্রবার থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় শেষ টেস্ট নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর আগে রবি শাস্ত্রী এবং বোলিং কোচ ভরত অরুণ আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার যোগেশ পারমারের রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই তড়িঘড়ি অনুশীলন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। গতকাল ভারতীয় দল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুশীলন করে। কিন্তু এরপরই জানা যায় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পজিটিভ। এরপর আজ সকালে দলের সকলের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। রিপোর্ট না আসা অবধি সকলকে টিম হোটেলের ঘরেই থাকতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় দল আজ ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করতে পারেনি। বাতিল হয়েছে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সও। জানা গিয়েছে, সকালে গোটা দলের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিসিআই কর্তাদের। বিসিসিআই ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছে ফিজিও-র ব্যবস্থা করার জন্য। কারণ, রবি শাস্ত্রীর করোনা ধরা পড়ার পর আইসোলেশনে চলে গিয়েছিলেন বিরাটদের ফিজিও নীতীন প্যাটেল। ফলে তাঁর ভূমিকা পালন করছিলেন পারমার। এবার তাঁরও করোনা ধরা পড়ল। শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসার কারণে প্রধান ফিজিও নীতিন প্যাটেল আগেই আইসোলেশনে চলে যান। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ভারতীয় দলে আর কোনও ফিজিওই অবশিষ্ট রইল না। ওভালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২১ এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর ছাড়া বাকিদের টিভিতেই দেখতে হয়। ভারতের সব ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ জোড়া ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন আগেই। ব্রিটেনে কোভিডের বিধিনিষেধ উঠে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তাই কড়াকড়ি বায়ো বাবল আর নেই। রবি শাস্ত্রী তাঁর একটি বইপ্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিম হোটেলে। এ জন্য তিনি বিসিসিআই বা ইসিবি, কারও কাছ থেকেই নাকি অনুমতি নেননি। তারপর থেকেই কোভিডের উপসর্গ দেখা দিতে থাকে ভারতের হেড কোচের মধ্যে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠানে ভিড়ের মধ্যেই কোনও কোভিড আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন শাস্ত্রী।আপাতত ভারতীয় ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে নিজেদের ঘরেই থাকার জন্য। টেস্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসিবি-র সঙ্গে কথা চালাচ্ছেন বিসিসিআই কর্তারা। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারতীয় দলের ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা জানা গিয়েছিল। হেড কোচ রবি শাস্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে, সঙ্গে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরও। এই পরিস্থিতিতে কেয়ারটেকার কোচের ভূমিকায় রয়েছেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর। তিনি বা বিরাট কোহলি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সেই সাংবাদিক বৈঠক বাতিল হয়েছে। পারমার গতকাল অনুশীলনের পর কোভিড উপসর্গ অনুভব করেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর বিকেলে করোনা পরীক্ষা হতেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এর মাঝে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিও একটি অনুষ্ঠানে সিরিজের শেষ ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না ম্যাচ আদৌ হবে কি না। তবে চাইব যাতে ম্যাচটা হয়। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল সন্ধে ৭:৩০এ। খেলোয়াড়রা আইসোলেশনে। খুব স্বাভাবিকভাবে সেই সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল হল। বোর্ডের কাছেও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ ছিল। এই ম্যাচ আর পাঁচটা ম্যাচের মতো হলে শ্রীলঙ্কা সিরিজে যেমনটা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই পারত। মাঝে একআধখানা দিন অপেক্ষা করে শেষ টেস্ট খেলা যেত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে। এক্ষেত্রে, তেমনটা সম্ভব নয়। বহু কষ্টে বাকি আইপিএলের জন্য একটা ফাঁকা উইন্ডো পেয়েছে বিসিসিআই। টেস্ট সিরিজ শেষ হলেই শুরু আইপিএল। ক্রিকেটারদের এমনিই শ্বাস নেওয়ার সময় নেই। এর মধ্যেই ইসিবি থেকে বিরাটদের কাছে নাকি ভারতকে ওয়াকওভার দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। বিরাট এবং ভারতের আরেক তারকা রোহিত শর্মা বিসিসিআইকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রেখেছেন, তাঁরা কোনওভাবেই ম্যাচ ছাড়তে রাজি নন। প্রয়োজনে কোভিড আশঙ্কা নিয়েও মাঠে নামতে রাজি। একমাত্র ভারতকে সিরিজ জয়ী ঘোষণা করা হলে তবেই শেষ ম্যাচ ছাড়বেন। নয়তো দুই বোর্ড আলোচনা করে নতুন কোনও দিনক্ষণ স্থির করুক। ইংল্যান্ড ক্রিকেটার জস বাটলার বলেন, আমরা কাল নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি ম্যাচটা হবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানি

দ্বিতীয় ইনিংসে ভেঙে পড়ার অভ্যাস ওভালেও বজায় রাখলেন জো রুটরা। আর তার জেরেই ভারতের কাছেও সিরিজ পরাজয়ের হাতছানি। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও ওভাল টেস্ট হেরে গেল ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্টে ১৫৭ রানে জিতে সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসই ভারতকে দুর্দান্ত জয় এনে দিল।জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৬৭। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৭৭/০। শেষ দিন জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯০। হাতে ছিল ১০ উইকেট। ৪১তম ওভারে ১০০ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ ২১০ রানে। লর্ডসের মতো ওভালেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির ভারত। অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ডে এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়েরপ্রথম সেশনে ইংল্যান্ডের ২ উইকেট পড়ে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ধস নামায় অবশ্য রুটরা সমস্যায় পড়ে যান। শেষ সেশনে ভারতের দরকার ছিল ২ উইকেট। চা বিরতির পর ক্রেগ ওভার্টনকে বোল্ড করে দেন উমেশ যাদব। জেমস অ্যান্ডারসনকেও ২ রানে কট বিহাইন্ড করেন উমেশ। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারেননি জিমি। ১৮.২ ওভারে ২ টি মেডেন নিয়ে ৬০ রানে ৩ উইকেট নিলেন উমেশ। যশপ্রীত বুমরার ২২ ওভারে ৯টি মেডেন-সহ ২৭ রানের বিনিময়ে নেন ২ উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ ওভারে ১১টি মেডেন নিয়ে ৫০ রানে ২ উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুরও ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে একটি মেডেন নিয়ে ২২ রানের বিনিময়ে পেলেন ২ উইকেট।আরও পড়ুনঃ বআইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পর এই পরাজয় শেষ টেস্টের আগে চিন্তায় ও চাপে রাখবে ক্রিস সিলভারউড, জো রুটদের। ২০১৬ তে ঢাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পরেও ৬৪ রানের মধ্যে ১০টি উইকেট হারিয়েছিল। চলতি বছরেও রুট-নির্ভর ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ধস বারবার দেখা গিয়েছে। আমেদাবাদ টেস্টে ২ উইকেটে ৭৪ থেকে ১২২ রানে অল আউট হয়েছিল রুট-বাহিনী, ৩৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে। ওই টেস্টেই ৩ উইকেটে ৫০ থেকে ৮১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, শেষ সাত উইকেট পড়েছিল ৩১ রানে। ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধেই তিন উইকেটে ১৩৮ থেকে ১৮৩ রানে শেষ হয়ে যায় রুটের দল। সাত উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। তারপর এই ওভাল। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন হাসিব হামিদ ৬৩। বার্নস করেন ৫০, অধিনায়ক রুট করেন ৩৬।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতের

ওভালে চতুর্থ টেস্ট জিতে কি সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে চতুর্থ দিনে ম্যাচের চালকের আসনে বিরাট কোহলির দল। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ৩৬৭। ভারতকে চালকের আসনে বসিয়েছে টেল এন্ডারদের দুরন্ত ব্যাটিং। ম্যাচের তৃতীয় দিনই ভারতের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারারা। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দলকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন টেল এন্ডাররা। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২৭০ রান হাতে নিয়ে খেলতে নামে ভারত। বিরাট কোহলি ২২ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৯ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুজনই ভারতকে বড় রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন। কোহলি ও জাদেজার জুটিতে ওঠে ৫৯ রান। এরপরই ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হন জাদেজা। ৫৯ বলে তিনি করেন ১৭ রান। ব্যাট হাতে আবার ব্যর্থ সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। মাত্র ৮ বল খেলে ক্রিস ওকসের বলে তিনিও লেগ বিফোর হন। ওকসের বলে একবার আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন রাহানেকে। কিন্তু ডিআরএস নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে যান। রাহানে যখন আউট হন ভারতের রান ২৯৬/৫। হাফ সেঞ্চুরি করার আগে মঈন আলির বলে স্লিপে ধরা পড়েন কোহলি (৪৪)। আবার বড় রান পেতে ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক।এরপর ঋষভ পন্থ ও শার্দুল ঠাকুর দলকে টেনে নিয়ে যান। সপ্তম উইকেটে ঋষভ পন্থের সঙ্গে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে মজবুত জায়গায় দাঁড় করান শার্দুল। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে ওঠেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। প্রথম ইনিংসে ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। একদিনের মেজাজে ব্যাট করে ৭২ বলে ৬০ রানের দুরন্ত ইনিংস উপহার দেন শার্দুল ঠাকুর। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। জো রুটের বলে ক্রেগ ওভারটনের হাতে ধরা পড়েন শার্দুল। ম্যাচের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করে বিশ্ব ক্রিকেটের এক এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছেন তিনি। ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করার বিরল নজির গড়েন। শার্দুল আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান ঋষভ পন্থ। ১০৬ বলে ৫০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ভারতকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন উমেশ যাদব (২৫) ও যশপ্রীত বুমরা (২৪)। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওকস ৩টি, মঈন ও রবিনসন ২টি করে এবং জো রুট, ক্রেগ ওভারটন ও অ্যান্ডারসন ১টি করে উইকেট পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত প্রথম ইনিংস ১৯১, দ্বিতীয় ইনিংস ৪৬৬। ইংল্যান্ড প্রথম ২৯০।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : কেন জরিমানার কবলে পড়তে হল লোকেশ রাহুলকে?‌

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ভারতের। চলতি সিরিজে বলতে গেলে তিনিই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম মুখ। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। ব্যক্তিগত ৪৬ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন লোকেশ রাহুল। আম্পায়ারের অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্থিক জরিমানার কবলে পড়েছেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। ওভালে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৪তম ওভারে বোলিং করছিলেন ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন। ওভারের শেষ বলে পরাস্ত হন লোকেশ রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের আবেদন জানান ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। অনফিল্ড আম্পায়ার আবেদন নাকচ করে দেন। তখন ডিআরএসের আশ্রয় নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে অনফিল্ড আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত বদলের পরামর্শস দেন। রিপ্লেতে একটা শব্দ শুনে টিভি আম্পায়ার মনে করেছিলেন অ্যান্ডারসনের বল লোকেশ রাহুলের ব্যাট স্পর্শ করে উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টোর হাতে পৌঁছেছে। ফলে রাহুলকে আউট দেওয়ার পরামর্শ দেন। আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি সাজঘরে ফেরেন। রাহুলের দাবি বল তাঁর ব্যাটে নয়, ব্যাট তাঁর প্যাডে লাগায় আওয়াজ হয়েছে।আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করা লোকেশ রাহুল আইসিসির কোড অফ কনডাক্টের ২.৮ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ভারতীয় এই ওপেনারের ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। রাহুলের শৃঙ্খলার রেকর্ডে একটা ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে। ম্যাচের অনফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স হোয়ার্ফ, রিচার্ড ইলিংওর্থ, তৃতীয় আম্পায়ার মাইকেল গফ ও ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রাহুল মেনে নিয়েছেন। ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করে আউট হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। ডিআরএস সিদ্ধান্তে লোকেশ রাহুল যখন আউট হন, তিনি হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দুরে। ১০১ বল খেলে তিনি এই রান করেন। দারুণ ব্যাট করছিলেন। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ফিরে যেতে হয়। ওভালে ভারত ও ইংল্যান্ডের চতুর্থ টেস্টে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এর মধ্যেই লোকেশ রাহুলের শাস্তি পরিবেশ কিছুটা হলেও গম্ভীর করেছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে জরিমানার কবলে পড়তে হল।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌abi Shastri : দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, করোনায় আক্রান্ত হেড কোচ রবি শাস্ত্রী

ওভাল টেস্ট চলাকালীনই দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে। করোনায় আক্রান্ত বিরাট কোহলিদের হেড স্যার। তিনি হোটেলের রুমে আইসোলেশনে রয়েছেন। স্বভাবতই হেড কোচকে ছাড়াই রবিবার মাঠে আসতে হয়েছে কোহলিদের। শনিবার রাতে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সব সাপোর্ট স্টাফের ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হয়। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সঙ্গে সঙ্গে দলের মেডিকেল টিম রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়। রবি শাস্ত্রীর পাশাপাশি দলের বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিডিং কোচ আর শ্রীধর ও ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। রবিবার টেস্টের চতুর্থ দিন মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারের দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট কোনও ক্রিকেটারের পজিটিভ না আসায় স্বস্তি মেলে। কোহলিদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে সাপোর্ট স্টাফদের এবার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হবে। সেই রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে তাঁদের গতিবিধি। ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম সবুজ সঙ্কেত না দেওয়া পর্যন্ত সব সাপোর্টকে হোটেল রুমে আইসোলেশনে থাকবেন।কোহলিদের শনিবার রাতের পর রবিবার সকালেও ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট হয়। ক্রিকেটারদের সকলের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় মাঠে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। যে প্রাথমিক পরীক্ষায় রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তা একপ্রকার সেল্ফ টেস্ট কিট। ভারতীয় দলের প্রত্যেক সদস্যকেই তা দেওয়া হয়েছে। এই পরীক্ষার রিপোর্ট সব সময়ই সঠিক আসে, তা কিন্তু নয়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরটি-পিসিআর টেস্টেরই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ বলেছেন, শনিবার ফ্লো টেস্টে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে। সেই টেস্টের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। ভারতীয় দলের চিকিৎসকরা কোচ রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একইসঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও।সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট খেলতে মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা। রবি শাস্ত্রী সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর। শাস্ত্রী ও অন্য সাপোর্ট স্টাফ, যারা আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এলে বাধ্যতামূলকভাবে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। দুদুটি আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলার পর ভারতীয় দল যখন ছুটিতে ছিল তখনই ঋষভ পন্থের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে সুস্থ হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন পন্থ। কিন্তু সেই সময় থেকে পন্থের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিদিন ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হচ্ছে ভারতীয় দলের সদস্যদের। চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে টিম হোটেলে রবি শাস্ত্রী বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনেক বহিরাগত অতিথি এসেছিলেন। সেখান থেকে শাস্ত্রীর সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রোহিতের শতরানে ভর করে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ৩ উইকেটে ২৭০। রোহিত ছাড়াও রান পেলেন চেতেশ্বর পুজারা ও লোকেশ রাহুল। ক্রিজে জমে গিয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন ভারতীয় সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরপ্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের রাশ ফের ভারতের হাতে টেনে নিয়ে এলেন রোহিত শর্মা। হিটম্যানের দুরন্ত শতরানে ভর করে বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে কোহলি ব্রিগেড। আগের দিনের দিনের বিনা উইকেটে ৪৩ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুই ওপেনারই এদিন সতর্কভাবে খেলা শুরু করেছিলেন। ৩৪ ওভারের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় ভারত। লোকেশ রাহুলকে (৪৬) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। উইকেটের পেছনে তাঁর ক্যাচ ধরেন জনি বেয়ারস্টো। দ্বিতীয় সেশনে ভারতের কোনও উইকেট পড়েনি। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১০৮/১।আরও পড়ুনঃ বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ব্যাটিং বিরাট কোহলিরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় দুই ব্যাটসম্যানের ডিফেন্স টলাতে পারেননি ইংল্যান্ড বোলাররা। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত ও পুজারা। ১৪৫ বলে অর্ধ শতরান পূর্ণ করেন রোহিত। তার মধ্যে ছিল ৫টি বাউন্ডারি। জীবনের ৪৩তম টেস্টে ৭৪ তম ইনিংসে ২০৪ বলে শতরান পূর্ণ করলেন রোহিত। হাফ সেঞ্চুরি করার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পরের ৫০ আসে মাত্র ৫৯ বলে। চা পানের বিরতিতে ১০০ রানে এগিয়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রান করে অলি রবিনসনের বলে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ভারতের রান তখন ২৩৬/২। একই ওভারের শেষ বলে পুজারাকে (৬১) তুলে নেন রবিনসন। মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। দিনের শেষে ভারত তুলেছে ২৭০/৩। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে ১৭১ রানে। ক্রিজে রয়েছেন কোহলি (২২) ও জাদেজা (৯)।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতের

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরির মুখ দেখলেন রোহিত শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ওভালে পৌঁছে গেলেন সেই কাঙ্খিত শতরানে। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। বড় রানের পথে বিরাট কোহলির দল। ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার। দেশের মাঠে ওই সিরিজে দুদুটি সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন। কিন্তু মিডল অর্ডারে ধারাবাহিকতার অভাবে টেস্ট দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য জায়গা পাকা করে নিয়েছিলে হিটম্যান। পরে টিম ম্যানেজমেন্ট রোহিতকে টেস্টে ওপেন করার পরামর্শ দেয়। ২০১৯ থেকে টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন রোহিত। লাল বলের ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে চমক দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে ওপেনার হিসেবে প্রথম দুটি ইনিংসে করেছিলেন ১৭৬ ও ১৭২ রান। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ওপেনার হিসেবে ১৯ ইনিংসে ১০৯৪ রান করেন রোহিত। এর মধ্যে ৪টি সেঞ্চুরি এবং ২টি হাফ সেঞ্চুরি। এশিয়ার প্রথম টেস্ট ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০০০ রানের গন্ডি টপকে যান রোহিত। খেলেছিলেন মাত্র ১৭ ইনিংস। দেশের মাঠে সেঞ্চুরি এলেও বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি অধরাই ছিল ভারতের এই ওপেনারের কাছে। যদিও অভিষেক হওয়ার পর বিদেশের মাটিতে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি রোহিত। মাত্র ৬টি টেস্ট খেলেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে খেলেছেন ১৬টি টেস্ট। শেষ পর্যন্ত ওভালে বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরির স্বপ্ন পূরণ হল রোহিতের। ইনিংসের ৬৪ তম ওভারে মঈন আলির বলে ৬ মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন। সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে নেন ২০৪ বল। আগের দিনই রোহিত ১৫ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেছেন। প্রথম টেস্টে তিনি করেছিলেন ৩৬ ও ১২। দ্বিতীয় টেস্টে রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ ও ২১। লিডস টেস্টে তিনি ১৯ ও ৫৯ রানে আউট হয়েছিলেন। রোহিত ও লোকেশ রাহুল জুটি দলকে নির্ভরতা দেয়। চলতি সিরিজে এই নিয়ে তৃতীয়বার ভারতের ওপেনিং জুটি ৫০-এর বেশি রান যোগ করল। ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে উঠেছিল ৯৭ ও ৩৪। লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে রোহিত-রাহুল জুটিতে ওঠে ১২৬, দ্বিতীয় ইনিংসে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে ওপেনিং জুটি ১ রানে ভাঙলেও দ্বিতীয় ইনিংসে উঠেছিল ৩৪। ওভালে প্রথম ইনিংসে ২৮ রানের মাথায় আউট হয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দলের ২৮ রানের মাথাতেই ফেরেন রাহুল। তবে এদিন ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙল ৮৩ রানের মাথায়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের

লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে নতুন বলে দ্রুত ভারতের শেষ ৪ উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডের। অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরা। দুজনের অবিস্মরনীয় ইনিংস ভারতকে শুধু সঙ্কটজনক অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসেনি, পৌঁছে দিয়েছিল জয়ের দোরগোড়ায়। সামিবুমরা জুটি শুধু দেশের মান বাঁচায় নি, কেড়ে নিয়েছিল রুটের মুখের গ্রাস। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয়। ইংল্যান্ডকে ১৫১ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কটি২০ যুগে টেস্ট ক্রিকেট নাকি হারিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে কথাটার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। একদিন আগেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ভারতইংল্যান্ড টেস্টও পৌঁছে গিয়ে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্সে। প্রথম দিন থেকেই পেন্ডুলামের মতো দৌদুল্যমান। কখনও ভারতের দিকে, কখনও আবার ইংল্যান্ডের দিকে। পঞ্চম দিন তো একসময় মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন টিম ইন্ডিয়ার। নায়ক অবশ্যই মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরা। ব্যাট হাতে এই দুজন পৌঁছে দিয়েছিল লড়াই করার জায়গায়। ক্রিকেট দেবতাও নিশ্চিতভাবে কুর্নিশ করবে সামিবুমরার প্রাইসলেস ইনিংস।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?তৃতীয় দিল শেষ বেলা থেকেই উত্তপ্ত লর্ডস। জিমি অ্যান্ডারসনকে একের পর এক বুমরার বাউন্সার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বুমরার বাকযুদ্ধ। পরে বাটলারের সঙ্গে, যোগ দেন মার্ক উডও। উডের বাউন্সার হেলমেটে লাগতেই অন্য চেহারায় বুমরা। মুখে নয়, জবাব দিয়ে গেলেন ব্যাটে। লর্ডসেই ব্রিটিশ রাজের পতন ঘটাতে যেন বদ্ধপরিকর।ভারতের লড়াইয়ে ফেরার ভিত গড়ে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। চাপে পড়লেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। চতুর্থ দিন ভারত যখন ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, রুখে দাঁড়ান পুজারারাহানে। দুজনে মিলে জুটিতে ১০০ রান তুলে দলকে প্রাথমিক বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। দুই ওপেনার রাহুল (৫), রোহিত (২১) দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। কোহলিও (২০)। দলের সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ান পুজারা ও রাহনে। দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বড় রান পেতেন পুজারা (৪৫)। মার্ক উডের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ব্যাটের কানায় লেগে রুটের হাতে। রাহানে (৬১) অবশ্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেননি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টচতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১৮১/৬। ক্রিজে ছিলেন ঋষভ পন্থ (১৪) ও ইশান্ত শর্মা (৪)। ঋষভের (২২) ওপর দায়িত্ব ছিলে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে দলকে বেশি টানতে পারেননি। ইশান্ত মূল্যবান ১৬ রান যোগ করেন। তিনি যখন ফিরে যান, দলের রান ২০৯। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই শুরু সামি (অপরাজিত ৫৬) ও বুমরার (৩৪) সেই অবিস্মরনীয় লড়াই। ইশান্ত ১৬ রানে লেগ বিফোর হতে ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ২০৯ রানে। লিড তখন ১৮২। ইংল্যান্ড যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছে, তখনই রুখে দাঁড়ান সামি ও বুমরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের জুটি ভাঙতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে সামি ও বুমরা যোগ করেন রেকর্ড ৮৯ রান। লাঞ্চের পর ৮ উইকেটে ২৯৮ তুলে যখন ইংল্যান্ডকে জেতার জন্য ২৭২ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন কোহলি, তখন সামি অপরাজিত ৫৬ রানে।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসামিবুমরা জুটি ব্যাট করার সময় বারবার মাথায় হাত দিচ্ছিলেন রুট। দেওয়াল লিখনটা তখনই হয়তো চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ার ঐতিহ্য রয়েছে রুটের ইংল্যান্ডের। লর্ডসেও তার ব্যাতিক্রম নয়। ২৭১ রানে এগিয়ে থাকাটাই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল কোহলি ব্রিগেডকে। রুটদের ওপর শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ার রসদ ছিল ওই ২৭১র মধ্যে। প্রথম দুই ওভারে সামিবুমরা জুটি যেভাবে ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হেনেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার মতো দক্ষতা নেই এই ইংল্যান্ড দলের। রুট (৩৩), বাটলার (২৫) কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই রক্তের স্বাদ পেয়ে গিয়েছিলেন বুমরা (৩/৩৩), সিরাজরা (৪/৩২)। শেষ পর্যন্ত ৫১.৫ ওভারে ১২০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌unil Gavaskar : পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?‌

একের পর টেস্টে ব্যর্থতা। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এই দুই ক্রিকেটারের পরিবর্ত খোঁজার সময় এসেছে। সমালোচনায় বিদ্ধ চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনীল গাভাসকার, ভিভিএস লক্ষ্মনের মতো প্রাক্তনরা। সতীর্থ লোকেশ রাহুলও আড়াল করেছেন পুজারা ও রাহানেকে।রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়ে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, ভারতের এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সহজে হাল ছাড়বে না। ভুললে চলবে না নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে রাহানেই সবচেয়ে বেশি রান করেছিল। দুই ক্রিকেটারই টেকনিক সমস্যায় ভুগছে। এরজন্য শুধু রাহানে ও পুজারাকে দোষ দিলে চলবে না। ওদের এই ব্যর্থতার জন্য দলের কোচিং স্টাফরাও দায়ী। ওরা তো সব দেখছে। কোথায় ভুল হচ্ছে কোচিং স্টাফরা তো জানে। তাহলে কেন ভুল শুধরে দিচ্ছে না। পুজারা, রাহানেকে ব্যর্থ বললে অতীতকে অপমান করা হবে।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গিগাভাসকারের মতো রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণও। দেশের এই প্রাক্তন ব্যাটসম্যান বলেন, এই খারাপ ফর্ম থেকে কীভাবে বার হওয়া যায় তা চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে ভালভাবেই জানে। তবে ওরা যেভাবে বারবার একই কায়দায় আউট হচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। শেষ আট থেকে দশ মাস বিভিন্ন টেস্ট ম্যাচে একই ভাবে আউট হচ্ছে পুজারা ও রাহানে। দুজনের ব্যাটিং টেকনিকে ভুল হচ্ছে। দলের কোচিইং স্টাফদের দায়িত্ব নিতে হবে ভুল শুধরে দেওয়ার। বাইরের সমালোচনায় কান না দিয়ে আপাতত নিজেদের খেলার দিকে মনসংযোগ করতে হবে পুজারা ও রাহানেকে। আশা করছি টেকনিকে ভুল শুধরে এই সিরিজেই বড় রান করবে এই দুই ব্যাটসম্যান।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিট্রেন্ট ব্রিজে রাহানে ও পুজারা দুজনেই ব্যর্থ। লর্ডসেও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩ বল খেলে মাত্র ৯ রান করেছেন চেতেশ্বর পুজারা। অন্যদিকে ২৩ বল খেলে ১ রান করে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে। নটিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪ রান করে আউট হয়েছিলেন পুজারা। রাহানে করেছিলেন ৫। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ হারানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা নেওয়া পুজারা শেষ ১০টি ইনিংসে অর্ধশতরান পাননি। অন্যদিকে রাহানেও শেষ ৭ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি পাননি। শেষ ১৫টি টেস্ট ইনিংসে ২৭.৮-র গড়ে ৩৮৯ রান করেছেন পূজারা। শেষ ১৪টি টেস্ট ইনিংসে রাহানের ব্যাট থেকে এসেছে ২৬৯ রান। ফলে ভারতীয় দল থেকে এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের বিদায় আসন্ন বলে ক্রিকেট মহলের একাংশ মনে করতে শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যেদুই সতীর্থর পাশে দাঁড়িয়েছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরমেন্স করে এসেছে পুজারা ও রাহানে। অনেক কঠিন ম্যাচ বার করেছে। এই ব্যর্থতা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসতে হবে, সেই কৌশল পুজারা ও রাহানের জানা আছে। রাহুল আরও বলেন, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে প্রতিদিন দলের সব ক্রিকেটার ভাল খেলবে, এর কোনও মানে নেই। দিনের শেষে দলগত পারফরমেন্সই আসল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Test : কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টি

ভারতের কাছে ট্রেন্ট ব্রিজ বরাবরই পয়া মাঠ। ইংল্যান্ড সফরে ট্রেন্ট ব্রিজ কখনও খালি হাতে ফেরায়নি টিম ইন্ডিয়াকে। ২০১৮ সালে সিরিজ ৪১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। এবারও এই মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করার সুযোগ ছিল বিরাট কোহলিদের সামনে। বাধ সাধল বৃষ্টি। বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার জন্য টেস্টের পঞ্চম দিন এক বলও খেলা হল না। টেস্ট অমীমাংসিতভাবে শেষ হল।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিজয়ের জন্য ২০৯ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ভারত ১ উইকেটে তুলেছিল ৫২। রোহিত শর্মা ও চেতেশ্বর পুজারা দুজনেই ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। শেষদিনে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৭ রান। ভারতের পক্ষে জেতা খুব একটা কঠিন ছিল না। কিন্তু বৃষ্টির জন্য জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বিরাট কোহলিদের।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?পঞ্চম দিনের প্রথম দুই সেশন বৃষ্টির জন্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও খেলার আশা জেগেছিল। বৃষ্টি থামলেও চা পানের বিরতির পর আবহাওয়ার উন্নতি হয়নি। আলোর অভাব দেখা দিয়েছিল। তাই দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার। স্বভাবতই বিরক্ত বিরাট কোহলি। শেষ দিনে একনাগাড়ে বৃষ্টি কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বাধা হয়ে দাঁড়াল।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানে

শুরুর ধাক্কা সামলাতে পারল না ইংল্যান্ড। জো রুটের লড়াকু ইনিংসও টেনে তুলতে পারল না দলকে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই বেকায়দায় ইংল্যান্ড। তাদের প্রথম ইনিংস শেষ ১৮৩ রানে। ইংল্যান্ডকে ভাঙলেন যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি। বুমরা নিয়েছেন ৪ উইকেট, সামি ৩ উইকেট।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকআইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে পাঁচ টেস্টের সিরিজের প্রথম টেস্টে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নেমেছে। ৪ স্বীকৃত জোরে বোলার নিয়ে খেলছে ভারত। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ররি বার্নসকে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। বার্নস লেগ বিফোর হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ডম সিবলি ও জ্যাক ক্রলি। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে জ্যাক ক্রলির (২৭) উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তাঁকে তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। তিনি আউট হন ২১ তম ওভারে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে সিরাজ ব্রেক থ্রু দেন। ওভারের তৃতীয় বলে জ্যাক ক্রলির বিরুদ্ধে লেগ বিফোরের জোরালো আবেদন ওঠে। আম্পায়ার আউট দেননি। রিভিউ নেন বিরাট কোহলি। এ যাত্রায় রক্ষা পান ক্রলি। ভারতের একটি রিভিউ নষ্ট হয়। ওভারের ষষ্ঠ বলে ক্রলির বিরুদ্ধে ক্যাচের জোরালো আবেদন ওঠে। নাকচ করে দেন আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো। কোহলিকে আবার রিভিউ নিতে অনুরোধ করেন উইকেটকিপার ঋষভ পন্থ। আগের রিভিউ নষ্ট হওয়ায় দোটানায় ছিলেন কোহলি। সিরাজের সঙ্গে কথা বলে শেষ পর্যন্ত রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায় বল ক্রলির ব্যাট ছুঁয়েই পন্থের হাতে জমা পড়েছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন ভারত অধিনায়ক।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আবার ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। উইকেটে জমে যাওয়া ডম সিবলেকে (১৮) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক জো রুট ও জনি বেয়ারস্টো। সামির বলে বেয়ারস্টো (২৯) এলবিডব্লুউ হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস। একমাত্র লড়াই করেন অধিনায়ক জো রুট (৬৪)। সাম কারেন ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। চা বিরতির পর পড়ে ৬ উইকেট। ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন বুমরা, সামি ২৮ রানে নেন ৩ উইকেট।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঘুর্নীর পাক বোঝার আগেই ম্যাচ শেষ , ভারত ২-১ এ এগিয়ে

রবীন্দ্রোত্তর সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন ঝোলের সমুদ্র মন্থন করে হার-মাংসের অস্বিত্ত খুঁজে পেতে গেলে, ডুবুড়ি কে গামছা কিনে দিতে হবে। মোতেরার বা আধুনা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ দুই দলের ব্যাটসম্যানরা মনে হয় সেই গামছাটাই খুঁজছিলেন রানের অস্তিত্ত্ব সন্ধান করতে। তারা হিমসিম খেলেন ঘুর্নী পিচে। সারা ম্যাচে মাত্র দুটি অর্ধশতরান! খেলা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল কোলকাতার সিএবি দু দিনের লীগ হচ্ছে। ১২ ঘন্টাও স্থায়ী হলনা ম্যাচ!ভারতের দুই পেস বোলার ইশান্ত শর্মা এবং যশপ্রীত বুমরা এক বারও হাত না ঘুরিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়ে গেলো মাত্র ৩০.৪ ওভারে! ভূমিপুত্র অক্ষর পটেল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই মাত্র ১৫ ওভার করে হাত ঘোরালেন এবং শেষ উইকেটটা ৩১তম ওভার করতে এসে তার চতুর্থ বলে তুলে নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যন্ডের দ্বিতীয় ইনিংস এক সেশনেরও (দু ঘণ্টার-ও কম) কম সময়ে শেষ হয়ে যাওয়াই এই ম্যাচের পিচের ভঙ্করতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।এখনো পর্যন্ত যতগুলি পিঙ্ক টেস্ট (দিনরাতের) হয়েছে, তার প্রায় সব গুলোতেই পেস বোলারদের প্রাধান্যই বেশী দেখা গিয়েছে। স্পিন বোলাররা সেরকমভাবে হালে পানি পাননি, সর্বত্র গতির দাপটে কাহিল হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। ইডেনে হওয়া প্রথম দিন-রাতের পিঙ্ক টেস্টেও পেসারদেরই প্রাধান্য ছিল তারা ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন।পিচ নিয়ে বিদেশী মিডিয়াতে গেল গেল রব উঠেছে। এখনো পর্যন্ত তারা ঘূর্ণি পিচের থেকে বেশি মাত্রাই ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের স্পিন খেলার অক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন। পেস বোলাররা সাহায্য ভারতের কোন মাঠের কোনও পিচেই সেভাবে পাননি কোনদিন, শোনা যায় সেই কারনেই ভারত সফরে প্রচণ্ড অনীহা ছিল প্রবাদ প্রতিম স্যর রিচার্ড হ্যাডলি এবং ইয়ান বোথামের, ভারতের পিচে কিছুটা সাহায্য সিম বোলাররা পান, বিপক্ষ্যে দুই ভয়ঙ্কর সিম বোলার জেমস অ্যান্ডারসন এবং স্টুয়ার্ট ব্রড রয়েছেন, যাঁরা অসম্ভব পারদর্শি দুদিকেই বল সুইং করাতে। সে কারণেই হয়ত পেস পিচের ঝুঁকি নিতে চাননি রবি শাস্ত্রী ব্রিগেড।প্রথম বল থেকেই বনবন করে বল ঘুরেছে। খুব কম বল-ই হাঁটুর ওপর উঠেছে। কখনো কখনো মনে হচ্ছিল ব্যাটসম্যানরা হয়ত সোজা হয়ে দাঁড়াতেই ভুলে গেছেন। প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে ইংল্যান্ড শেষ হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জ্যাক ক্রাউলি (৫৩), বাকি ব্যাটসম্যানরা কেউই কুড়ি রানের গণ্ডী পার করতে পারেননি। জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার(৬৬), ভারত অধিনায়ক ২৭ রান করে জ্যাক লিচ এর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান। দ্বিতীয় দিন মাত্র চার ঘণ্টাতেই দু দলের ১৭টি উইকেটের পতন হয়। ভারতীয় ব্যটসম্যানরা যারা স্পিন বল খেলতে সিদ্ধহস্ত তারাও হিমসিম খেলেন, একটা উদাহরন-ই যথেষ্ট এটা বোঝানোর জন্য। জো রুটের মত একজন অনিয়মিত অফস্পিনারের বোলিং গড় ৬.২ ওভার ৩ মেডেন, ৮ রান ৫ উইকেট! এক সময় তো রুট কে মনে হচ্ছিল যেন মুথাইয়া মুরলীধরন বল করছেন। একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রুটের বলে দিসেহারা হয়ে সাজঘর থেকে ক্রিজে আসা-যাওয়া করছিলেন। মাত্র ৩৩ রানে এগিয়ে থেকে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। যদিও ম্যাচের শেষে রোহিত শর্মার জানান এই পিচে সে রকম কোন জুজু ছিল না।বোলার্স ফুটমার্ক এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল যে আম্পায়ার কে বার বার গ্রাঊন্ডসম্যান ডেকে ক্ষত রিপেয়ার করতে হচ্ছিল। টেস্ট ম্যাচে প্রথম দিনেই এ দৃশ্য শেষ কবে দেখা গেছে সেটা নিয়ে গবেষনা চলতেই পারে। পিচের হাল এতটাই খারাপ তা অনুমান করে বিরাট কোহালি দ্বিতীয় ইনিংসে জোরে বোলারদের না এনে প্রথম থেকেই স্পিনারদের লেলিয়ে দিলেন। প্রথম ওভারের প্রথম বলে জ্যাক ক্রলি আউট হবার পর তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোও আউট হয়ে ফিরে যান।পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ছাড়া ভারতের ঘুর্নী উইকেটে অন্য দলের সাফল্য দুরবীন দিয়েও বড় একটা দেখা যায় না। অক্ষর এবং অশ্বিনের বল এই ঘুর্নী পিচে সামলানোর মত টেকনিক ইংল্যন্ড দলের ব্যটসম্যানদের ছিল না। কতক্ষণ তারা টেকে সেটাই বড় প্রশ্ন ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। এক সেশনও পার করতে পারলো না!৪৯ রানের টার্গেট অতিক্রম করতে ভারতকে বিশেষ আসুবিধা হয়নি। বিনা উইকেট তারা জয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে যায়। সহজাত ভঙ্গীতে জো রুটের বলে ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করলেন রোহিত শর্মা (২৫) অপরদিকে শুভমন গিল ১৫ রান করে অপরাজিত থেকে যোগ্য সহয়তা করেন। এই জয়ের সৌজন্যে ১-০ পেছিয়ে থেকেও ভারত ২-১ ফলে সিরিজে এগিয়ে গেল। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনা, শোকার্ত ফুটবল বিশ্ব

প্রয়াত ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনা। জানা যায়, বুধবার নিজের বাড়িতে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০। অজস্র ম্যাচে তাঁর অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে। প্রথমেই যে ম্যাচের কথা না বললেই নয়, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল পশ্চিম জার্মানি। আর্জেন্টিনা সেই ম্যাচে ৩-২ গোলে জয়লাভ করে। সেই ম্যাচে মারাদোনার অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলেই মনে রাখবে। আরও পড়ুন ঃ ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথচলা শুরু বাইচুংয়ের ছেলে ইউজেনের এছাড়াও ১৯৮৭ সালে নাপোলি স্কুপ সিরিজ এ কোপা ইটালিয়া ডবলসের ফাইনালে তার অনবদ্য পারফরম্যান্স সকলের মন জয় করে নিয়েছে। এছাড়াও ১৯৮৮-৮৯ ইউয়েফা কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে নাপোলি ৩-০ গোলে জুভেন্টাসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স মনে রাখার মতো। ১৯৮৮-৮৯ এ ইউয়েফা কাপ সেমিফাইনালে তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবি রাখে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে অসাধারণ খেলেছিলেন মারাদোনা। এছাড়াও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ৪-০ গোলে গ্রিসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স অনবদ্য। প্রয়াত হলেও মারাদোনার এই পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ধোনির ভুলে বড় রান পৃথ্বীর, আবার হার চেন্নাইয়ের

সংক্ষিপ্ত স্কোর: দিল্লি ২০ ওভারে ১৭৫/৩ (পৃথ্বী ৬৪, পন্থ ৩৭, ধাওয়ান ৩৫, চাওলা ২/৩৩)। চেন্নাই ২০ ওভারে ১৩১/৭ (ডুপ্লেসি ৪৩, রাবাডা ৩/২৬, নর্টিয়ে ২/২১)। মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো পোড়খাওয়া উইকেটকিপারও তাহলে ভুল করে। যার মাশুল দিতে হল চেন্নাই সুপার কিংসকে। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হার ৪৪ রানে। পরপর ২ ম্যাচে হার ধোনি ব্রিগেডের। ম্যাচের প্রথম ওভারে দীপক চাহারের দ্বিতীয় বল দিল্লি ওপেনার পৃথ্বী শর ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে ধোনির হাতে পৌঁছয়। ধোনি বুঝতে পারেননি বল ব্যাটে লেগেছে। কোনও আবেদন করেননি। ধোনির ভুল কাজে লাগিয়ে বড় রান পৃথ্বীর। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ধোনি। ওপেনিং জুটিতে ৯৪ তোলেন পৃথ্বী ও শিখর ধাওয়ান। পীযূশ চাওলা তুলে নেন শিখর ধাওয়ানকে (২৭ বলে ৩৫)। এক ওভার পরেই ফেরান পৃথ্বীকে (৪৩ বলে ৬৩)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়শ আয়ার (২২ বলে ২৬) ও ঋষভ পন্থ (২৫ বলে ৩৭)। ২০ ওভারে ১৭৫/৩ তোলে দিল্লি। চেন্নাই সুপার কিংসের শুরুটাও ভাল হয়নি। ওয়াটসন (১৬ বলে ১৪) অক্ষর প্যাটেলের বলে ফিরে যান। নর্টিয়ে তুলে নেন মুরল বিজয়কে (১৫ বলে ১০)। ঋতুরাজও ব্যর্থ (৫), কেদার যাদব করেন ২৬। ডুপ্লেসি (৩৫ বলে ৪৩) ফিরতেই চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। ক্যাপ্টেন ধোনি করেন ১২ বলে ১৫। ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৩১/৭।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal