• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

World

খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিদেশ

9/11 Terrorists attack: ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছর

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-র সকাল। ছবির মত গোছানো শহরের উঁচু উঁচু ইমারতগুলো কেঁপে উঠল আচমকাই। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে পরপর হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার অপহৃত তিনটি বিমান। যা দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম ওই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩০০০ মানুষের। আহত হয়েছিলেন ২৫ হাজারেও বেশি মানুষ। ২০২১-এর ১১ সেপ্টেম্বর। ২০ বছর পর সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছু স্মৃতির কোলাজ আজও রয়ে গিয়েছে বিশ্বের মানুষের মনে।বিশেষত, সাম্প্রতিক আফগানিস্তানের তালিবানি তাণ্ডবের মধ্যে সেই স্মৃতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।সেদিন জঙ্গি হামলার ভয়াবহতা প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচলতি সাধারণ মানুষ। সকলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে অট্টালিকা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের অহঙ্কার যে এভাবে হিংসার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে, কেউই ভেবে উঠতে পারেনি প্রথমে। আরও পড়ুনঃ পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাইওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়লে, প্রাণ বাঁচাতে তখন দৌড় লাগান সাধারণ মানুষ। সকলের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।বিল্ডিংয়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিলে নীচে নিশ্চিত মৃত্যু, তা জেনেও কেবল প্রাণরক্ষার তাগিদে শেষ চেষ্টা করে সাধারণ মানুষ। উপর থেকেই ঝাঁপ দেন অনেকেই। সময়ের কালে ২০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ৯/১১-র ভয়াবহতার রেশ কমে এসেছে মানুষের মনে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরে এসেছেন সাধারণেরা। কিন্তু বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই সেই ভয়াবহতা যেন পিছু তাড়া করে সেদিনের ঘটনার সাক্ষী থাকা, কপালের জোরে বেঁচে ফেরা মানুষগুলোর। ঘটনার ভয়াবহতা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিতে হয়েছিল। আজ আবার সেই স্মৃতি একবার টাটকা হয়ে উঠল।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T-20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে রয়েছে, আগেই জানা গিয়েছিল। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। সুপার ১২-র গ্রুপ দুইতে খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবারই টি ২০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার ১২-র খেলা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৩ অক্টোবরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ অক্টোবর বাবর আজমদের বিরুদ্ধে দুবাইতে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিরা। ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ ৩ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এই পরিস্থিতিতে তারা টি২০ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?৫ নভেম্বর ও ৮ নভেম্বর যোগ্যতা অর্জনকারী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ বিরাট কোহলিদের। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ নভেম্বর। ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য একটা দিন রিজার্ভ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। বিরাট কোহলিদের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে মূলপর্বের যোগ্যতা অর্জনের খেলা শুরু হবে। দুপুর ২টোয় ঘরের মাঠে পাপুুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচ খেলবে ওমান। রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যে ওমানের মাঠে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ এ-র মোকাবিলা শুরু হবে। এই গ্রুপে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়ার মতো দলগুলি লড়াই করবে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে রাউন্ড ওয়ানের মোকাবিলা। দুই গ্রুপের দুটি করে দল সুপার ১২ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টপাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগিতার পরবর্তী সংস্করণ। করোনা ভাইরাসের জেরে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টুর্নামেন্ট। চলতি বছরের টি২০ বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় আইসিসি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমানে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট। উদ্যোক্তার ভূমিকায় থাকবে বিসিসিআই। কবে থেকে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট, তা জানা গিয়েছিল আগেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: রোমে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক সমাজসেবামূলক সংগঠনের উদ্যোগে রোমে আয়োজিত বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আগামী ৬ এবং ৭ অক্টোবর এই সম্মেলন হওয়ার কথা৷সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষত গরিব এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অবদানের কথা মাথায় রেখেই তাঁকে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷ গোটা বিশ্বের প্রায় পাঁচশো জন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা এবং ধর্মগুরুরা এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকেন বলে সংগঠনের আমন্ত্রণ পত্রে জানানো হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেও গিয়েছে৷ এই সম্মেলনে জার্মান চাঞ্চেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, পোপ ফ্রান্সিস উপস্থিত থাকবেন বলেও উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে৷আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরযে সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের নাম কমিউনিটি অফ সান্ট এগিদিও৷ মূলত গৃহহীন, অসুস্থ এবং গরিব মানুষের জন্যই কাজ করে এই সংগঠন৷ ১৯৮৭ সাল থেকেই বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে তারা৷ ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন দেশে অতীতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে৷মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে গরিব এবং সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের জন্য তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন উদ্যোক্তারা৷ পাশাপাশি নির্বাচনে বড় জয়ের জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে৷ আমন্ত্রণপত্রে সংগঠনের সভাপতি লিখেছেন, গত দশ বছর ধরে একটানা সামাজিক ন্যায়বিচার, দেশের উন্নতি এবং শান্তির জন্য কাজের জন্য এবং নির্বাচনে জয় পাওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন৷

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Duare Certificate: বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরা

বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন আবেদনকারী আদিবাসীরা। সোমবার এমনই এক বিশেষ কর্মসূচীর আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক প্রশাসন।এদিন সকালে ব্লকের বিডিও অফিসে এই কর্মসূচীর সূচনা করেন বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, বিধায়ক অলোক মাঝি। পরে ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন গ্রামে থাকা আদিবাসী সহ অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষজনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেন। আদিবাসী দিবসের দিনে বাড়িতে বসে জাতিগত শংসাপত্র পেয়ে খুশি আবেদনকারী আদিবাসীরা।আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচী। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচী নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তারই অনুকরণে বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে আবেদনকারী আদিবাসীদের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদানের কর্মসূচী নেয় জামালপুর ব্লক প্রশাসন। এদিনের এই কর্মসূচী যথেষ্টই সাড়া ফেলে আদিবাসী মহলে।আরও পড়ুনঃ ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝাবিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচীরমাধ্যমে এদিন ৮৯২ জন জাতিগত শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও এমন আরও নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে বিডিও জানিয়েছেন। বিধায়ক অলোক মাঝি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন বলেন, আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রান হতে হত।দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো নাআরও পড়ুনঃ বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালামকাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়েছে। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। এদিন বাড়িতে বসেই জামালপুরের ৮৯২ জন কাস্ট সার্টিফিকেট পেলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী দিনেও মানুষের পাশে এভাবেই থাকবে বলে মেহেমুদ খাঁন এদিন দাবি করেন।

আগস্ট ০৯, ২০২১
দেশ

Modi: 'লোকার গোজ গ্লোবাল'-এ বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

শুক্রবার লোকাল গোজ গ্লোবাল- মেক ইন ইন্ডিয়া ফর ওয়ার্ল্ড নামক একটি অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেশের ব্যবসা উন্নয়নে শিল্পপতিদের বিশেষ জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা বয়ে এনেছে দেশে বেকারত্বও। যুব সম্প্রদায়ের কথা মাথায় রেখেই তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিল্পপতিদের রপ্তানি শিল্পে বিশেষ জোর দেওয়ার পরামর্শ দিলেন। করোনার ধাক্কায় দেশের অর্থনীতির গতি ধীর হয়েছে, তাকেই পুরনো গতিতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ সাহায্য করতে পারে রপ্তানি শিল্প, এমনটাই মত প্রধানমন্ত্রীর।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকতিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের জিডিপির ২০ শতাংশ নির্ভর করে রপ্তানির উপর। আমাদের দেশের অর্থনীতির আয়তন, ক্ষমতা ও উৎপাদন ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বলতে পারি যে রপ্তানিতে আরও বৃদ্ধি সম্ভব।তিনি বলেন, গুণমান ও বিশ্বাসযোগ্যতার মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় তৈরি করার এটিই সঠিক সময়। বিশ্বের প্রতিটি কোণায় যাতে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়, তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আগামী ২৫ বছরের পরিকল্পনা এখনই করে রাখতে হবে। এটি কেবল দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনেরই সময় নয়, একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগও।করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বে বাণিজ্যের দরজা যে খুলতে শুরু করেছে, তার উপযুক্ত ব্যবহার করা উচিত ভারতীয় রপ্তানিকারকদের, এই পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও তিনি অনুরোধ করেন ভারতীয় পণ্য বিক্রির জন্য নতুন বাজার তৈরিতে সাহায্য করতে। বিশ্ব বাজারে রপ্তানি বাড়াতে ভারতের বাধাহীন ও উচ্চ মানের সরবরাহ ব্যবস্থার প্রয়োজন, যা খরচ সাপেক্ষও হবে না, এমনটাই জানান প্রধানমন্ত্রী।

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগেই মুখোমুখি ভারত–পাকিস্তান

শুক্রবার প্রকাশিত হল টি২০ বিশ্বকাপের সূচি। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও ২ নম্বর গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান। টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার ১২তে সরাসরি ৮টি দল খেলবে। এই দলগুলি হল ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে আরও ৪টি দল সুপার ১২তে উঠে আসবে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। গ্রুপ এতে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ড ও নামিবিয়া। গ্রুপ বিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউ গিনি। এই দুটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স সুপার ১২তে উঠে আসবে। সুপার ১২তে দুটি গ্রুপ করা হয়েছে। ১ নম্বর গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলে গ্রুপ এর চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ বির রানার্স ১ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে। অন্যদিকে ২ নম্বর গ্রুপে উঠে আসবে বির চ্যাম্পিয়ন ও গ্রুপ এর রানার্স। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সুপার ফাইভে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চ মাসে আইসিসির র্যাঙ্কিং অনুসারে গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিসি।বৃহস্পতিবার গ্রুপ বিন্যাস হলেও পূর্ণাঙ্গ সূচি পরে ঘোষণা করা হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে টি২০ বিশ্বকাপ শুরু হবে। ১১ ও ১২ নভেম্বর প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ১৪ নভেম্বর ফাইনাল। সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমান যাওয়ার কথা। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইপিএল নিয়েও সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সৌরভ।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: ‌উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনি

নাসরীন সুলতানারজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালের রেকর্ড কি লন্ডনেই স্পর্শ করতে পারবেন নোভাক জকোভিচ? তাঁর সামনে এসে গেছে সেই সুযোগ। এখনও পর্যন্ত ১৯ বার গ্রান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। রবিবার উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেই ফেডেরার ও নাদালের ২০টি গ্রান্ডস্লাম জেতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। ফাইনালে ওঠার পথে জকোভিচতে অবশ্য যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হয়েছে। কানাডার ডেনিস শাপোভালভকে হারান ৭৬, ৭৫, ৭৫ ব্যবধানে। এই নিয়ে ৩০ বার গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠলেন জকোভিচ। উইম্বলডনে ৭ বার। চ্যাম্পিয়ন হলে ষষ্ঠবার উইম্বলডন জেতার স্বাদ পাবেন। শাপোভালভ এদিন কঠিন চ্যালে়ঞ্জের মুখে ফেলেছিলেন জকোভিচকে। ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিটের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত জকোভিচই বাজিমাত করেন।আরও পড়ুনঃ স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে শিয়েরারের, ১৯৮২র কথা মনে পড়ছে জফেরপুরুষদের অন্য সেমিফাইনালে হুবার্ট হুর্কাজকে হারিয়ে জীবনের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে পৌঁছে যান ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে আট বারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরারকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিলেন পোল্যান্ডের তারকা হুর্কাজ। শুক্রবার সপ্তম বাছাই বেরেত্তিনি তাঁর বিরুদ্ধে জেতেন ৬৩, ৬০, ৬৭, ৬৪ সেটে। এই প্রথম ইতালির কোনও খেলোয়াড় ঘাসের কোর্টে গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল খেলতে চলেছেন। শেষ গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে খেলেছিলেন আদ্রিয়ানো পানাত্তা, ১৯৭৬ সালে।আরও পড়ুনঃ ভারতশ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত? আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছেএদিকে, আজ উইম্বলডনে মহিলাদের সিঙ্গলস ফাইনালে মুখোমুখি অ্যাশলে বার্টি ও ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। চ্যাম্পিয়ন হলে টেনিস জীবনে দ্বিতীয় খেতাব পাবেন অ্যাশলে বার্টি। অন্যদিকে ক্যারোলিনা প্লিসকোভা এই আগে মাত্র একটিই টেনিস মেজরের ফাইনালে খেলেছিলেন। ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাই বড় চ্যালেঞ্জ চেক প্রজাতন্ত্রের এই তারকা খেলোয়াড়ের সামনে। বার্টিকে হারাতে পারলে নজির গড়বেন প্লিসকোভা। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডনে দুই শীর্ষ বাছাইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন তিনি। এর আগে ২০০০ সালে শীর্ষ বাছাই মার্টিনা হিঙ্গিসকে কোয়ার্টার ফাইনালে এবং দ্বিতীয় বাছাই লিন্ডসে ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ভেনাস উইলিয়ামস। ২০০৫ সালেও দ্বিতীয় বাছাই মারিয়া শারাপোভাকে সেমিফাইনালে এবং ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারান ভেনাস। প্লিসকোভা সেমিফাইনালে হারান দ্বিতীয় বাছাই আরিয়ানা সাবলেঙ্কাকে। এবার বার্টিকে হারানোর সুযোগ।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: শাপমোচন করতে পারবেন?‌ ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসি

নাসরীন সুলতানাক্লাবের হয়ে একের পর এক সাফল্য। অথচ দেশের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা হজম করে আসতে হচ্ছে লিওনেল মেসিকে। যখনই কিংবদন্তীদের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানা হয়, দেশের হয়ে ব্যর্থতার কথাই বারবার উঠে আসে। এই জায়গাটাতেই পিছিয়ে রেখেছে মেসিকে। এবার সেই বদনাম ঘোঁচানোর সুযোগ মেসির সামনে। কোপার ফাইনালে যদি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে দেশকে জেতাতে পারেন, সমালোচকদের কিছুটা হলেও মুখ বন্ধ রাখতে পারবেন। শাপমোচনের সুযোগ এই ফুটবলের ঈশ্বরের কাছে।এবছর কোপা আমেরিকা খেলতে নেমে বেশ কয়েকটা মাইলস্টোন গড়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬ বার কোপা আমেরিকায় খেলে ফেললেন। এই কৃতিত্ব আগে কোনও ফুটবলার দেখাতে পারেননি। আগেই জেভিয়ার মাসচেরানোর দেশের হয়ে ১৪৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও এক মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি। লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি কোপার ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করবেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৩৩ট ম্যাচ খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন চিলির সার্জিও লিভিংস্টোন।আগের বার কোপাতে এই ব্রাজিলের কাছে হেরেই বিদায় নিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এবার বদলা নেওয়ার সুযোগ। বদলার ম্যাচে মেসির দিকেই তাকিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। আর্জেন্টিনা দলে মেসিই একমাত্র উজ্জ্বল। ৬ ম্যাচে এখনও পর্যন্ত গোল করেছেন ৪টি। তাঁর পাস থেকে গোল এসেছে ৫টি। যদিও ফাইনালে জ্বলে উঠতে না পারার রেকর্ড আছে মেসির। এখনও পর্যন্ত ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছেন এই আর্জেন্টিনা তারকা। আর একবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন। কোনও ফাইনালেই গোল করতে পারেননি। আর্জেন্টিনারও সাফল্য আসেনি। ফলে আর্জেন্টিনাকে সাফল্য পেতে গেলে মেসিকে জ্বলে উঠতেই হবে। ক্লাব ফুটবলে অবশ্য মেসির রেকর্ড ঈর্ষানীয়। ১৭ বার ফাইনাল খেলে ১৪ বার চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছেন।পরিসংখ্যান, ব্যক্তিগত রেকর্ড, এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে ফাইনালের জন্য মনসংযোগ করছেন মেসি। তাঁর লক্ষ্য যে কোনও মূল্যে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করা। না হলে দেশের হয়ে ব্যর্থতার তকমা নিয়েই থাকতে হবে। নেইমারদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মেসির মুখেই শোনা গেছে, কোপা থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরতে চাই। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনের দিকে তাকাচ্ছি না।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro Cup Semi Final 2020: ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড

নাসরীন সুলতানাইউরো কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তি। ইংল্যান্ড ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ততটা রুদ্ধশ্বাস না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হল। শেষপর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেনের করা গোলে ফাইনালে পৌঁছে গেল গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে জিতল ২১ ব্যবধানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। ১১ জুলাই ওয়েম্বলিতে ইতালির মুখোমুখি।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমার১৯৬৬ সালের পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপই বলুন, আর ইউরো কাপ, প্রতিবার ডাকহর্স হিসেবে শুরু করে শুধুই ব্যর্থতা। এবার ইউরোতে শাপমোচনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছিল সাউথগেটের দল। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের ফাইনালের ছাড়পত্র। ৫৫ বছর পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি। ওয়েম্বলিতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ড্যানিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল হ্যারি কেনদের। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে, কিংবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিংরা, ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ততটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তবে ডেনমার্কের লড়াইও প্রশংসার যোগ্য।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকম্যাচের শুরু থেকে ইংল্যান্ডকে কখনোই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি ডেনমার্ক। বিশেষ করে ড্যামসগর্ডের কথা বলতে হবে। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল ইংল্যান্ডের রক্ষণকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল। ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ড্যামসগার্ড। এই গোলের আগে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যামসগার্ড। তাঁর বাঁক খাওয়ানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ডেনমার্ক। ৩৯ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরে। ডানদিক থেকে উঠে এসে বুকায়ো সাকা রাহিম স্টার্লিংকে উদ্দেশ্য করে পাস বাড়ান। স্টার্লিং শট নেওয়ার আগেই বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডেনমার্কের ডিফেন্ডার সিমোন শ্যার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদুই দলই প্রথমার্ধে কোনও ঝুঁকি নেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল। ইংল্যান্ডের আক্রমণে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ডেনমার্কও সমানে প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যায়। বল পজেশন ইংল্যান্ডের বেশি থাকলেও দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল থাকে ১১। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৪ মিনিটে ডেনমার্কের ম্যাশহোলে অবৈধভাবে রাহিম স্টার্লিংকে বাধা দেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেনের পেনাল্টি ডেনমার্ক গোলকিপার ক্যাস্পার স্কিমেচেল বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ক্রিজে বিরাট-আজিঙ্কা, মন্দ আলোয় সমাপ্ত দ্বিতীয় দিনের খেলা

বিশ্ব টেস্ট চাপমিয়ন্সিপ চূড়ান্ত ফাইনালে টসে জয়লাভ করে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ভারতকে ব্যাটিং করতে পাঠানোর সিদ্ধন্ত নেয়। বৃষ্টি ভেজা ইংল্যান্ডের সাদাম্পটনের মাঠে এই টস খুব গূরুত্বপূর্ণ ছিল দুই দলের কাছে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা কতটা ভয়ঙ্কর সেটা একটা উদাহরনেই বোঝা যাবে, নিউজিল্যান্ড পাঁচ জন সিম বোলার কলিন ডে গ্র্যান্ডহোম, কাইল জেমিসন, টিম সাউদি, নিল ওয়াগনার এবং ট্রেন্ট বোল্ট কে তাদের প্রথম একাদশে নেয়। ভারত তাদের প্রথম একাদশ ম্যাচ শুরুর একদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো, সেখান থেকে কোনও পরিবর্তন হয়নি। রোহিত ও শুভমান গোড়াপত্তন করতে নামেন। প্রয়াত মিলখা সিংহের প্রয়াণে জন্য তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কালো রিবন পরে নেমেছেন কোহলীরা।নিউজিল্যান্ডের হয়ে বোলিং শুরু করেন সাউদি এবং বোল্ট। এই ম্যাচটি খেলা হচ্ছে ডিউক বলে। সাধারণত ডিউক বল এসজি বা কোকাবুরা বলের থেকে অনেক বেশী সুইং করে। বলের রং সাধরন ক্রিকেট বলের থেকে একটু বেশী গাড়। ডিউক বল হাতে সেলাই করা, তাই ব্যাটসম্যানদের সদা সতর্ক থাকতে হবে। পড়ে আনেক বেশী সুইং করে। এতে কিছু ক্ষেত্রে বোলারদেরও বলের সুইং নিয়ন্ত্রন রাখতে সমস্যা হয়। আরও পড়ুনঃ টেস্ট চাম্পিয়ান্সিপ ফাইনালের ডিউক বলের মালিক এক ভারতীয়রোহিত ও শুভমান অপরাজিত থেকে দলের অর্ধশতরান পূর্ন করেন। যখন সবাই ভাবছে ভারতের ওপেনিং জুড়ি বড় রনের পার্টনারশিপ দেবে, ঠিক তাখনই জেমিসনের বলে স্লিপে খোঁচা দিয়ে ৩৪ রানে ফিরে গেলেন রোহিত। রোহিত প্যাভিলিয়নে ফিরে প্যাড খোলার আগেই আবার চিরাচরিত ভারতীয় দুর্বলতার কাহিনীকে উসকে দিয়ে দলের ৬৩ রানের মাথায় নিল ওয়াগনারের বলে উইকেটের পিছনে খোঁচা দিয়ে ফিরে গেলেন। আউট হবার আগে গিল ২৮ রান করেন। নিউজিল্যান্ড জোরে বোলারদের দাপটে ভারত তাদের ওপেনিং জুড়ির ভালো সুচনা কাজে লাগাতে পাড়লো না। দুই উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করে ভারত মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে যায়। দলের ৭৮ রানের মাথায় নিল ওয়াগনারের বাউন্সার আছরে পড়ে পূজারার মাথায়। হেলমেটের পিছনের গার্ড ভেঙে ছিটকে পড়ে মাটিতে, অল্পের জন্য রক্ষা পান পূজারা। ওই ঘটনার পর বেশীক্ষন ক্রিজে থাকেননি পুজারা, ট্রেন্ট বোল্টের ইনসুইং বলের লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। আজিঙ্কা রাহানে ও বিরাটের ব্যাটে ভর করে দলীয় শতরানের গণ্ডী পাড় করে ভারত।Bad light plays spoilsport and thats stumps in Southampton!India finish day two on 146/3 with Virat Kohli on 44* and Ajinkya Rahane keeping him company on 29*.#WTC21 Final | #INDvNZ | https://t.co/4vtSUyliQF pic.twitter.com/Xq9vD448Zk ICC (@ICC) June 19, 2021মেঘলা আবহাওয়ার জন্য আলো কমে আসে, তাই নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই চা-বিরতি ঘোষণা করে নিলেন আম্পায়াররা। চা-বিরতিতে ক্রিজে রয়েছেন বিরাট (৩৫) ও রাহানে (১৩)। বিরতির পর খেলা শুরুর কিছুক্ষনের মধ্যে আবার মন্দ আলোর জন্য আম্পায়াররা খেলা বন্ধ করে দেন। কয়েক ওভারের পর আবার খেলা বন্ধ করে দিতে হয়। আবহাওয়া একটু ভালো হলে আবার খেলা শুরু হয়, বিরাট ও রাহানে জুটিতে অর্ধ-শতরান পূর্ণ করেন। আবার ৬৪ ওভারের মাথায় আবার আলো কমে যাওয়ায় দ্বিতীয় দিনের খেলা আজকের মতো স্থগিত করে দেওয়া হয়। ভারতের রান ১৪৬, ৩ উইকেটের বিনিময়ে। আপরাজিত ক্রিজে রয়েছেন বিরাট (৪৪) ও রাহানে (২৯)। ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৯, ২০২১
বিবিধ

World Record: ডুব দিয়ে রেকর্ড গড়লেন হাওড়ার তরুণ

পুকুরে বা নদীতে স্নান করার সময়ে জলে মাথা ডোবান প্রায় সকলেই। যাকে বলা হয় ডুব দেওয়া। কিন্তু কখনও কি গুনে দেখেছেন রোজ স্নান করার সময়ে আপনি ঠিক কতগুলি ডুব দিয়েছেন। এবারে লাগাতার ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুললেন হাওড়ার এক তরুণ। তিনি চার ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ে ১১ হাজারেরও বেশি ডুব দিয়ে এই বিরল রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়ার তেলকল ঘাটে এই রেকর্ড করেন মুকেশ গুপ্তা নামের ওই তরুণ। দিল্লি থেকে আসা ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডের প্রতিনিধি আনন্দ বেদান্তের সামনেই মাত্র ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে তিনি ১১,৫০৪টি ডুব দিয়ে রেকর্ড গড়েন। এ ব্যাপারে মুকেশ গুপ্তা জানান, নতুন নতুন রেকর্ড করার ইচ্ছা সব সময় থাকে। একটানা ডুব দেওয়ার রেকর্ড করার ইচ্ছা ছিল। সেইমতো ট্রেনিং তিনি নিয়েছেন। আরও রেকর্ড করার ইচ্ছে আছে তাঁর। এদিন তেলকল ঘাটের গঙ্গায় ১১ হাজারেরও বেশি ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস নাম তুলেছেন। এর আগে একটা ডুব দিয়ে এইভাবে রেকর্ড কেউ করেননি। এই রেকর্ড করার জন্য জন্য আড়াই মাসের ট্রেনিং নিতে হয়েছিল। বেশিরভাগ সময় জলে থাকতে হয়েছিল অনুশীলনের জন্য। তিনি চেষ্টা করবেন আরও রেকর্ড করার। এর জন্য সরকারি সাহায্য প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের প্রতিনিধি আনন্দ বেদান্ত জানিয়েছেন, ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে ১১ হাজার ৫০৪টি ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলেছে মুকেশ গুপ্তা। এদিন সকাল সাতটায় ডুব দিতে শুরু করেছিল। সোয়া ১১টা নাগাদ তিনি ডুব শেষ করেন। একটানা ডোবার রেকর্ড এটাই প্রথম এবং এখনও পর্যন্ত শেষ বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুন ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

নিউজিল্যান্ড আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ভারতকে পিছনে ফেলে এক নম্বরে

উদ্বোধনী আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ম্যাচের মাত্র পাঁচ দিন আগে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট দল আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ইংল্যান্ড সিরিজে জয়লাভের পর কিউয়িরা আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। লর্ডসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ ড্র করার পরে, নিউজিল্যান্ড বার্মিংহামে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে দুই টেস্টের সিরিজ জয়লাভ করে।এই জয় নিউজিল্যান্ডকে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ভারতীয় ক্রিকেট দলের থেকে ২-পয়েন্টে এগিয়ে দিয়েছে। কিউয়িরা ১২৩ রেটিং পয়েন্ট রয়েছে, অন্যদিকে বিরাট কোহলি এবং কং ১২১ পয়েন্ট নিয়ে ঠিক তাদের পিছনেই রয়েছে। এদিকে, ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান থেকে নেমে চতুর্থ স্থানে আর তাদের অ্যাসেজ প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সেরা তিনে উঠে এসেছে।টেস্ট চ্যাম্পিয়ন ফাইনালের আগে নিউজিল্যান্ড তাদের প্রথম একাদশের নির্ভরশীল খেলোয়াড় কেন উইলিয়ামসন, টিম সাউদি, মিচেল স্যান্টনার, বিজে ওয়াটলিং এবং কাইল জেমিসনকে ছাড়াই বার্মিংহামে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেয়। এটা ভারতের পক্ষে খুবই চিন্তার বিষয়।কিউয়িদের দ্রুতগতির বোলার ম্যাট হেনরি ছয় উইকেট নিয়ে দলেকে জয়ের দিশা দেখিয়েছিলেন। কিউয়ি ব্যাটসম্যান ডিভিউন কনওয়ে, উইল ইয়ং এবং রস টেলর প্রত্যেকে অর্ধশতরান করে দলকে আট উইকেটে জয়লাভ করতে সাহায্য করেন।এখন ভারতের প্রধান চিন্তা, নিউজিল্যান্ড কি তাদের জয়ের গতি অব্যাহত রাখতে পারবে? এবং আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে ফেলতে পারে?এইমুহূর্তে কালো টুপির দল স্বপ্নের ফর্মে রয়ছে। ঘরের মাঠে তারা ভারতের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এছারাও তারা তাদের সর্বশেষ চারটি টেস্ট সিরিজ টানা জিতে মনোবলেরর চুড়ায় আছে। এদিকে টিম ইন্ডিয়াও ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে শেষ দুটি সিরিজে পরাজিত করে টেস্ট চাম্পিয়ান ফাইনালের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলে নিউজিল্যান্ড আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কিছুটা হলেও সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। প্রথমবার আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেই কেন উইলিয়ামসনের দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে ক্রিকেট প্রেমীরা। বিরাটের টিম ইন্ডিয়াও তাদের হাতে তৈরি খাবার তুলে দেবে সেটাও হবে না বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারনা। ম্যচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৩, ২০২১
প্রযুক্তি

ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক আবিষ্কারে বাঙালি তরুণীর বিশ্বজয়

গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার - উচ্চ-রেজোলিউশন চিত্র ও ভিডিও আকারে বিশ্বজুড়ে বিশ্ব সেরা শিল্পকর্ম পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি অনলাইন মিউজিয়াম। গুগল ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা করে এই ভার্চুয়াল মিউজিয়াম টি । এই মিউজিয়াম উচ্চ- রেজুলেশন চিত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে। বিশ্ব সেরা দশটি শিল্পকর্ম, পন্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন গুলির দেখার জন্য গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার এর মিউজিয়ামে প্রবেশ করলে দেখা মিলবে ভারতের গর্ব দিগন্তিকা বোস এর উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক ২০২০। তার উদ্ভাবিত মাস্ক টি গুগল এর মিউজিয়ামে উপস্থাপনে সহযোগিতা করেছে মিউজিয়াম অফ ডিজাইন এক্সিলেন্সের যাদুঘর মুম্বাই। গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার মিউজিয়ামে দিগন্তিকার উদ্ভাবিত ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক এর মডেল সংরক্ষণ করেছে । সাথে উল্লেখ করেছে ভাইরাস ডিটারেন্ট মাস্ক,2020, উদ্ভাবক দিগন্তিকা বোস এর নাম । আরো উল্লেখ করেছে এই ধুলোমুক্ত এবং ভাইরাস-নিরোধকমাস্কটি ভারতের সতের বছর বয়সী কনিষ্ঠ তম উদ্ভাবক হিসাবে ডিজাইন টির প্রোটোটাইপ করেছেন দিগন্তিকা, মিউজিয়ামে আরো উল্লেখ করেছে যে তাঁর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জ্ঞানকে ব্যবহারিক ব্যবহারের জন্য প্রয়োগ করে দিগন্তিকা আবিষ্কার করেছিলেন যে নেতিবাচক আয়নগুলি আমাদের চারপাশের বাতাসের সংস্পর্শে আসে তখন তারা বেশিরভাগ ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেয়। সম্পূর্ণ ভাইরাস ধ্বংস নিশ্চিত করতে, একটি সাবান-জল মিশ্রণ দুটি রাসায়নিক ফিল্টারে যুক্ত করা হয়েছে যা গৃহীত বাতাসকে বিশুদ্ধ করে যার মধ্যে ভাইরাসের অবশিষ্ট ধ্বংস করে প্রবেশ করতে দেয়। এই ভাবে সমগ্ৰ উদ্ভাবন টির বর্ণনা দিয়েছে গুগল। দিগন্তিকা মেমরি ভি এম ইনস্টিটিউশন ইউনিট ২ এর দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। এতি মধ্যে তার এগারো টি উদ্ভাবনের জন্য এই বয়সেই উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।দিগন্তিকা জানায় আমার খুব ভালো লাগছে এটা জানতে পেরে যে আমার উদ্ভাবিত ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক কে গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার বিশ্ব সেরা দশটি অনুপ্রেরণামূলক ডিজাইনের মধ্যে স্থান দিয়েছেন গুগলের মিউজিয়ামে।

মে ০৭, ২০২১
দেশ

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৪ লক্ষ

বিশ্বে প্রথম। ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪ লক্ষের গণ্ডি। পরপর ৯ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি থাকার পর শনিবার নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশে দৈনিক সংক্রমণ চার লক্ষের ধারেকাছেও যায়নি। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি কাঁপুনি ধরাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে স্বস্তির খবর, আক্রান্তের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সুস্থতার হারেও রেকর্ড গড়ছে দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫২৩ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় এই প্রথম মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনা রুখতে আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হচ্ছে গণটিকাকরণ। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী টিকা নেওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৪৪ বছরের প্রায় ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। তবে, কয়েকটি রাজ্যে টিকার অপ্রতুলতার জন্য টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। তবে, এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জন।

মে ০১, ২০২১
দেশ

করোনা সংক্রমণে বিশ্বরেকর্ড ভারতের

দৈনিক করোনা সংক্রমণে বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দিল ভারত। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার তা যেন মাত্র ছাড়িয়ে গেল। বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন প্রায় ৩ লক্ষ ১৫ হাজার মানুষ। এর আগে গতবছর ১৭ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় একদিনে ৩ লক্ষ ৭ হাজার মানুষ করোনার কবলে পড়েছিলেন। সেই রেকর্ডও এদিন ভেঙে দিল ভারত। আক্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাটাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৩৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৮ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের তো বটেই গোটা বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৮০ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ১০৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৮৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২২ লক্ষ ৯১ হাজার ৪২৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৮০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১৩ কোটি ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৪৪ জন সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই দেশের বহু রাজ্য কার্ফু এবং লকডাউনের পথে হেঁটেছে। যে তালিকায় সাম্প্রতিকতম সংযোজন মহারাষ্ট্র। আজ থেকেই মরাঠাভূমে শুরু হচ্ছে কঠোর কার্ফু। ঝাড়খণ্ডেও আজ থেকে শুরু হচ্ছে ৭ দিনের কার্ফু।

এপ্রিল ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত, তিন দিনেই শেষ চতুর্থ টেস্ট!

চারদিনেই ম্যাচ শেষ করে ৩-১ এ সিরিজ জয়ের সাথে সাথে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও পৌছগেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু-দিনে দিন রাতের টেস্ট জিতে পিচ নিয়ে সমলোচকদের বাক্যবানে বিদ্ধ ভারতীয় দল উপযুক্ত জবাব ফিরিয়ে দিল। কোনও ম্যচ-ই কোনদিন পিচ খেলেনি। খেলোয়াড় দের সেখানে নেমে পারফর্ম করতে হয়। শুধু ক্রিকেটে নয়, লন-টেনিসেও ক্লে কোর্ট ও ঘাসের কোর্ট নিয়ে অসট্রেলিয়ান ও ব্রিটিশ দের মধ্যে নাক শোঁকাশুকি আছে। উপমহাদেশের মাঠে খেলতে এসে প্রথম বিশ্বের দলগুলির পিচ নিয়ে অভিযোগ এটাই প্রথম বার নয়। এর আগেও বহুবার করেছেন। তবে এই ম্যচের পিচ সেরকম স্বাভাববিরুদ্ধ আচরণ করেনি ইংল্যন্ডের হয়ে যেমন পেসাররা সফল (বেন স্টোকস ও জেমস অ্যান্ডারসন), তেমনই ভরতের হয়ে আবার স্পিনাররা। ভারত এই ম্যাচে এক ইনিংস ও ২৫ রানে জয় পায়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া।উপমহাদেশে খেলতে গেলে স্পিন বোলিং-এ বিরুদ্ধে ব্যাট করার যে টেকনিক রপ্ত করতে হয় তার হোমওয়ার্ক-এর যথেষ্ট ঘাটতি ছিল এই ইংল্যন্ড দলের। তারা আরও একবার স্পিন অস্ত্রে নাজেহাল হল। ওই একই ঘূর্ণি পিচে জ্যাক লিচ, ডম বেসদের তোয়াক্কা না করে প্রথম ইনিংসে ৩৬৫ রান তোলে ভারত, সেই একই পিচে তৃতীয় ইনিংসে ১৬০ রান তুলতে পারলেন না তারা। তাদের ব্যাটিং অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। অশ্বিন ও অক্ষর যেন তাদের স্পিন বোলিং-এর ক্লাস নিলেন। আরও একবার গুটিয়ে গেল ব্রিটিশদের স্বানামধন্য ব্যাটিং বিভাগ। প্রকট হয়ে উঠল তাদের স্পিন খেলার অক্ষমতা। প্রথম টেস্টের একটা ইনিংস ছাড়া গোটা সিরিজে ভারতীয়দের প্রাধান্যই ছিল লক্ষণীয়। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ভারতীয় বোলারদের বিক্রমে প্রথম দিনের সুর্য ডোবার আগেই ২০৫ রানে মুড়িয়ে যায় তারকাখচিত জো রুটদের প্রথম ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন বেন স্টোকস। অক্ষর প্যাটেল প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন। ৩টি উইকেট নিয়ে তাকে যোগ্য সাহায্য করেন অভিঞ্জ রবিচন্দ্রণ অশ্বিন।জবাবে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় দলে শুরুতেই বিরাট ধাক্কা খায়। শূন্য রান করে ফিরে যান শুভমান গিল। রান করতে ব্যর্থ হন চেতেশ্বর পূজারা। মাত্র ১৭ রান আঊট হয়ে ফিরে আসেন। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও কোনও রান না করেই সাজঘরে ফিরে যান। রোহিত ও অজিঙ্ক রাহানের হাল ধরার চেস্টা করেন তারা ৩৯ রান যোগ করে সাময়িক ধাক্কা সামলান। ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোমাতে চলে যাওয়া ভারতীয় দলকে অক্সিজেন দিয়ে জাগিয়ে তোলেন ঋষভ পন্থ ও ওয়াশিংটন সুন্দর। তারা ১১৩ রানের পার্টনারশিপ করেন। অনবদ্য শতরান করেন ঋষভ পন্থ। নতুন অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর এক সময়োচিত দূর্মুল্য ইনিংস উপহার দেন দলকে, তার দুর্ভাগ্য যোগ্য সঙ্গীর আভাবে শতরান থেকে ৪ রান দূরে অপরাজিত হয়ে সাজঘরে ফিরে আসতে হয়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বাধা অতিক্রম করতে পারলে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে এক অনন্য কীর্তি গড়বে বিরাট কোহলি শিবির। এই মুহুর্তে ভারতীয় দল প্যেন্ট তালিকায় শীর্ষে।দেখে নেওয়া যাক আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত তালিকার কোথায় অবস্থান করছে ভারত। তালিকার কে কোথায়India on 🔝Virat Kohli and Co. are No.1 in the @MRFWorldwide ICC Test Team Rankings 🔥 pic.twitter.com/uHG4q0pUlj ICC (@ICC) March 6, 2021ম্যচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

মার্চ ০৭, ২০২১
দেশ

বিশ্বের মধ্যে ভারতীয় মুসলিমরাই সবচেয়ে সন্তুষ্ট : ভাগবত

বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতীয় মুসলিমরা সবথেকে সন্তুষ্ট ও আনন্দে রয়েছেন। কারণ তাঁরা স্বাধীনভাবে ধর্মাচারণের সুযোগ পান। শনিবার এমনই মন্তব্য করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের একটি হিন্দি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান বলেন , গোটা বিশ্ব জুড়ে যেভাবে হিংসা ও একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব ছড়িয়ে পড়েছে, সেই তুলনায় অনেক ভালো রয়েছে ভারতীয় মুসলিমরা। তাঁদের এখনও সেই মানসিকতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়নি। তাঁদের প্রত্যেকের স্বার্থ সুরক্ষিত রয়েছে। এদিন কথা বলতে গিয়ে মহারাণা প্রতাপের সেনার উল্লেখ করে মোহন ভাগবত বলেন , মহারাণা প্রতাপের সেনায় প্রচুর মুসলিম জওয়ান ছিলেন, যাঁরা মুঘলদের বিরুদ্ধে নিজের প্রাণ দিয়ে লড়েছিলেন। প্রত্যেক ধর্ম এক হয়ে যায়, যখন ভারতের ওপর আঘাত আসে, এটাই দেশের সংস্কৃতি।আরএসএস প্রধানের কথায়, যখন ইহুদিরা ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভারতই একমাত্র দেশ, তাদের শেল্টার দিয়েছিল৷ পারসিরা তাঁদের ধর্মীয় আচার স্বাধীন ভাবে পালন করতে পারেন একমাত্র ভারতেই৷ ভারতের মুসলিমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী৷ আর তার কারণ, আমরা হিন্দু৷ অনেক ভারতীয়, নিজেদের হিন্দু পরিচয় দিতে লজ্জা পান৷ কিছু এমন মানুষ আছেন, যাঁরা গর্বের সঙ্গে নিজেদের হিন্দু বলেন৷ আসলে কিছু মানুষ নিজেদের হিন্দু পরিচয় লুকনোর চেষ্টা করেন, স্বার্থ সিদ্ধির জন্য৷ আরও ্পড়ুন ঃ প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, হিন্দু কোনও ধর্ম নয়, ভাষা নয় কিংবা কোনও দেশের নাম নয়। হিন্দু হল একটা সংস্কৃতি, যাতে ভারতের মানুষ বিশ্বাস করে ও অন্য সব সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে। যখন কোনও জাতি তাদের সঠিক পথ থেকে সরে যায় তখন তারা আমাদের কাছে আসে সত্যের খোঁজে। ঠিক সেভাবেই ভারতীয় মুসলিমরা নিজেদের পথ খুঁজে নিয়ে সুখে রয়েছেন। এটা একমাত্র ভারত বলেই সম্ভব।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal