• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal,

রাজ্য

বাংলায় এক ধাক্কায় চমকে দেওয়ার মতো বাড়লো করোনা সংক্রমণ, কপালে চিন্তার ভাঁজ বিশেষজ্ঞদের

ধীরে ধীরে বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার বাংলায় এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়লো করোনা সংক্রমণ। রাজ্যে এদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪৫ জন। তার মধ্যে সব থেকে বেশি কলকাতায় প্রায় সাড়ে তিনশো। উত্তর ২৪ পরগণায় আক্রান্তের সংখ্য়া প্রায় আড়াশো। একদিনে প্রায় ১৫০ শতাংশ বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। পজিটিভিটি রেট ৭.৩০ শতাংশ। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কোভিড-এ এদিন কারও মৃত্যু হয়নি। গতকাল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৯৫।বিগত কয়েকদিন ধরে দেশে সামগ্রিক ভাবে করোনা আক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। বাংলায় করোনা বৃদ্ধি পেলেও সংখ্যা ছিল নেহাত অনেকটা কম। এদিনের আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বক্তব্য, বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক পরা ছেড়ে দিয়েছেন। তবে যাঁরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছে তাঁদের বেশিরভাগেরই মৃদু উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে যাঁরা কঠিন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি যথেষ্ট আশঙ্কার বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

কর্মী ঘাটতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পূর্ব-বর্ধমান সহ রাজ্যের ৪৯০ টি লাইব্রেরির খবরে নড়ে চড়ে বসলো রাজ্য

গ্রন্থাগার অনেক থাকলেও নেই গ্রন্থাগারিক বা গ্রন্থাগার কর্মী। আর তার কারণেই তালা পড়ে গিয়েছে খোদ রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর নিজের জেলা পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগ্রারে। আর সারা রাজ্যে তালা পড়েছে ৪৯০ টি গ্রন্থাগারে। এছাড়াও কর্মী হীনতার কারণে রাজ্যের সর্বত্রই এখন দুরাবস্থায় ধুঁকছে গ্রামীন গ্রন্থাগার গুলি। তা নিয়ে হতাশ বাংলার বই প্রেমিরা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হলেও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী দাবি করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।যুগযুগ ধরেই বলা হয়ে আসছে অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হল বই। আর গ্রন্থাগার অর্থাৎ লাইব্রেরি হল সেই বইয়েরই আবাসস্থল। তাই মূলত বাঙালির বই পড়ার আগ্রহ থেকেই রাজ্যে ১৫০০টির মতোন গ্রামীন গ্রন্থাগারের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৫১ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেড় শতাধীক গ্রন্থাগার গুলি পরিচালনার জন্যে সরকারী ভাবে প্রথম থেকেই ৩৪০ জন স্টাফ অনুমোদিত হয়ে আছে। আগে ছিলেনও তাই। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে ২৬২ জন কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের শূণ্য পদে নতুন করে আর কোনও নিয়োগ হয় নি। ফলে এখন পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৮ জন।একই কারণে গোটা রাজ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার কর্মীর ঘটতি। দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে ৪ হাজারের বেশী গ্রন্থাগার কর্মীর পদ এখন শূন্য হয়ে রয়েছে। তারমধ্যে প্রায় হাজারের বেশী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান) শূন্য পদ রয়েছে ।এত বিশাল সংখ্যক গ্রন্থাগার কর্মীর ঘাটতির কারণেই এখন কার্যত ধুঁকছে পূর্ব বর্ধমান সহ গোটা রাজ্যের গ্রামীণ গ্রন্থাগার গুলি।কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগার গুলির দুরাবস্থা কাটার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূল সরকার তৃতীয় বার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর। গত বছরের জুলাই মাসে রাজ্য সরকার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেয়। ২০২১ এর আগষ্ট মাস থেকে গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে রাজ্যের গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, প্রথম দফায় ৭৩৮ টি গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ হবে। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিও সেই কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল আজও যেমন দেখা যায়নি, কাজের কাজও কিছু হয়নি। এমনটাই অভিযোগ, দুর্দশাগ্রস্ত গ্রন্থাগার গুলির পরিচালন কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরা এও জানান, সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাজ্যের ২৩ জেলা মিলিয়ে মোট ৭৩৭ টি গ্রামীণ লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারও যদি ঘোষণা মতো কাজ না হয় তবে আরো বহু পাঠাগারে তালা পড়ে যাবে।জেলা গ্রন্থাগারিক (পূর্ব বর্ধমান) নির্মাল্য অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রন্থাগার কর্মীর সীমাহীন ঘাটতির কারণে জেলায় এখন প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বাকি গ্রন্থাগার গুলি কোনরকমে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন চালু রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র সম্পদ টুকু বাঁচিয়ে রাখার জন্যে। তাও সব জায়গায় গ্রন্থাগারিক দিয়েই যে গ্রন্থাগার চালু রাখা যাচ্ছে, এমনটাও নয়। সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার জন্যে এক একজন গ্রন্থাগার কর্মী বা গ্রন্থাগারিককে এখন একাধীক গ্রন্থাগারের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এমনকি বহু গ্রন্থাগারিক পদ শূন্য থাকায় বেশীরভাগ জায়গায় গ্রন্থাগার কর্মীদেরকেই গ্রন্থাগার সামলাতে হচ্ছে ।তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা জেলার গ্রন্থাগার গুলির অন্যতম একটি হল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। দেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক আগে ১৯৩৬ সালে এই পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে ঐতিহ্যশালী এই পাঠাগারটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলছিল। কিন্তু গত ৭ মাস কাল যাবৎ এই পাঠাগারটির দরজা তালা বন্ধ হয়েই পড়ে রয়েছে। কারণও সেই একটাই। এই পাঠাগারের পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মী অবসর নেওয়ার পর তাঁদের শূন্য পদ আজও পূরণ হয় নি। পাঠাগারটির পরিচালন কমিটির সভাপতি অরুপ মল্লিক ও যুগ্ম সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন,স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। কর্মী শূণ্যতার কারণে সেই পাঠাগারের দরজায় যে তালা পড়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধীকবার জানানো হয়েছে। তবে এখনও অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা হয় নি। একই রকম পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর ব্লকের জাড়গ্রামের মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগার। পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মীরা অবসর নেওয়ার পর এখন একজন মাত্র দপ্তরী কাম বুক বাইন্ডার এই পাঠাগারটির হাল ধরে আছেন। ওই বুক বাইন্ডারই অন্য পাঠাগার সামলে সপ্তাহে ১-২ দিন মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগারটি খুল বসছেন। এমন দুরাবস্থায় ধুঁকছে জেলার আরো অনেক পাঠাগার। তাই স্বাভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, কবে কাটবে বাংলার গ্রামীন পাঠাগার গুলির এই দুরাবস্থা?এরই উত্তর পাবার জন্যে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা মন্তেশ্বরের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কাগজে কলমে রাজ্যে লাইব্রেরির সংখ্যা ২৪৮০টি। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ১৫০০টি লাইব্রেরি। তবে ২৬ টি লাইব্রেরির কোন অস্তিত্বনেই। ২৪৫৪ টি লাইব্রেরির মধ্যে ৪৯০ টি লাইব্রেরি এখন বন্ধ রয়েছে কর্মীর অভাবে। ১৯০০ কিছু বেশী লাইব্রেরি এখন চালু রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ লাইব্রেরি এখন অ্যাডিশনাল চার্জে চলছে। মন্ত্রী জানান, লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদ পূরণে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্যে ৭৩৭টি লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঠিকঠাক কাজ চললে আগামী চার মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে ফিলাপ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটা হয়েগেলে অ্যাডিশনাল চার্জ আর কাউকে নিতে হবে না। পাশাপাশি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি এও জানান, আমফানে রাজ্যের লাইব্রেরি গুলির প্রায় ১০ লক্ষ বই নষ্ট হয়েছে। আর কোথায় কিভাবে বই নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায় ইঙ্গিত মিলেছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন লাইব্রেরী খোলা থাকার দিন এবার এবার শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে শুধু মাত্র প্রতি সপ্তাহের রবিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেত, রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

মে যেন ঘূর্ণিঝড়ের মাসে পরিণত। এর আগেও মে-তেই নানান ঝড় এসেছে বঙ্গে। বা ঝড়ের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। ফের ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, গতকাল দক্ষিণ আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত আজ, শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এই নিম্নচাপ রবিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার এই ঘূর্ণিঝড় পাশের ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছে অবস্থান করবে। আবহাওয়ায় এই পরিবর্তনের দরুন বঙ্গে আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুত্-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ইতিমধ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে, মত্স্যজীবীরা যেন ওই সময় সমুদ্রে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। এদিন সন্ধ্যাতে ঘূর্ণাবর্ত গভীর নিম্নচাপে পরিবর্তন হবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা, রাজ্যে স্কুল ছুটির দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। এর আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার নবান্নে গরমের ছুটির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য়মন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ২ মে থেকে গরমের ছুটি শুরু হবে। শুধু সরকারি স্কুল নয়, বেসরকারি স্কুলগুলিতেও ওই নির্দেশিকা জারি করার জন্য শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। বৈঠকে তিনি ব্রাত্য বসুকে জানান, গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হোক। ২ মে থেকে গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। গরমে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানান, অনেক বাচ্চাদের গরমে কষ্ট হচ্ছে, এমনকী নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।বুধবার দুপুরে নবান্নে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিডিও, এসডিও এবং আইসি-ওসিদের সঙ্গে বৈঠকে করেন মুখ্যমন্ত্রী। গরমের হালহকিকত নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্কুলের ছুটি এগিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আপাতত তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাই জারি রয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

ফের রাজ্যে দুয়ারে সরকার-পাড়ায় সমাধান, ঘোষণা মমতার

ফের রাজ্যে দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। শুরু হবে পাড়ায় সমাধান। আগামী ২১ মে শুরু হবে দুয়ারে সরকার, চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। ৫ মে পাড়ায় সমাধান শুরু হয়ে শেষ হবে ২০ মে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সময় সরকারি কর্মীরা ছুটে পাবে। রবিবার বা ছুটির দিন বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি মমতা জানিয়ে দেন, ফ্লাড সেন্টারগুলি পরিদর্শন করতে হবে। ডিভিসির জল কোন কোন জায়গা ভেসে যায়, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। কোথায় কোথায় বজ্রপাত বেশি হয় সেই জায়গাগুলি চিহ্নিত করতে হবে। কেন্দ্রের কাছে ৯৭ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ওপর দোষ চাপিয়ে সাধু সাজছে। উল্লেখ্য, এদিন মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির জন্য একাধিক রাজ্যকে দায়ী করেছেন। তার মধ্যে বাংলাও রয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, সেই কারণেই একথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধের মেয়াদবৃদ্ধি ৩১ মার্চ পর্যন্ত

রাজ্যে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও আপাতত কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না রাজ্য সরকার। তাই আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বাড়ানো হলো। পাশাপাশি বজায় থাকবে নৈশ কার্ফু। যদিও হোলিকা দহনের জন্য আগামী ১৭ মার্চ নৈশ কার্ফুর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী স্বাক্ষরিত এক নির্দেশিকায় এ কথা জানানো হয়েছে।কিন্তু ফের মারণ ভাইরাস নতুন করে তাণ্ডব চালাতে পারে, এমন আশঙ্কায় বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হচ্ছে না। গত মাসেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ১৫ মার্চ পর্যন্ত করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এদিন সন্ধ্যায় বিধিনিষেধ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা জানানো হলো। মুখ্যসচিবের স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিধিনিষেধের পাশাপাশি রাত বারোটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু চালু থাকবে। তবে দোলের আগের দিন ন্যাড়া পোড়ানো বা হোলিকা দহনের জন্য নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। বিধিনিষেধ চলাকালীন মাস্ক পরা যেমন বাধ্যতামূলক, তেমনই শারীরিক দুরত্বও বজায় রাখতে হবে।রাজ্যে গত মাসখানেক ধরেই করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে। দৈনিক সংক্রমণ যেমন একশোর গণ্ডির নিচে নেমে এসেছে, তেমনই দৈনিক মৃত্যুও হ্রাস পেয়েছে। সংক্রমণের হার কমে দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশে। মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় ধীরে-ধীরে কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করার পথে হেঁটেছে রাজ্য সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র যেমন খুলে দেওয়া হয়েছে, তেমনই নৈশ কার্ফুতেও অনেকটা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

BIG BREAKING: সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধের ডাক বিজেপির, নির্বাচন কমিশনারকে গ্রেফতারের দাবি

আগামিকাল, সোমবার ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। পুরভোটে অশান্তি, ব্যাপক ভোট লুট-ছাপ্পার প্রতিবাদে বঙ্গ বিজেপি এই বনধের ডাক দিয়েছে। রাজ্যের এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ইনভেলিড বলে দাবি করেছে বিজেপি। পুরভাগুলিতে নির্বাচন না করে প্রশাসক বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নির্বাচন কমিশনকে পুরভোট বাতিল করতে হবে বলে দাবি করেছে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। নতুন করে নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্যই এদিন রাজ্য রক্তপাত, অশান্তি, গন্ডগোল হয়েছে বলে বিজেপি সাংসদের দাবি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে খরচ কমল আরটিপিসিআর টেস্টের

একধাক্কায় অনেকটাই কমানো হল করোনা পরীক্ষার খরচ। রাজ্যে প্রায় অর্ধেক করা হল আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এতদিন পর্যন্ত আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে খরচ হত ৯৫০ টাকা। এবার সেই খরচ কমিয়ে করা হল ৫০০ টাকা। বৃহস্পতিবারই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে খরচ কমানোর কথা জানানো হয়েছে। এ দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নির্দেশিকা।করোনার উপসর্গ সাধারণ মানুষের কাছে মোটামুটি পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নন অনেকেই। পাশাপাশি, খরচ একটা বড় সমস্যা অনেকের কাছেই। সম্ভবত সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই খরচ কমানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।এ দিকে, সারা দেশে করোনার ভ্যাকসিনের দামও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজের দাম কমতে পারে অনেকটাই। প্রতি ডোজ়ের দাম ২৭৫ টাকা করা হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিষেবা চার্জ সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার এই দুই ভ্যাকসিনের জন্য এই দাম কমানোর বিষয়টি ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়লো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধি মৃত্যু

টানা নেমে যাওয়ার পর রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৬৯জন। গতকালের তুলনায় করোনা সংক্রিমেতর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পাঁচশো। গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪,৪৯৪ জন। এদিন রাজ্যে মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭,৮৬২ জনের। পজিটিভিটি রেটও প্রায় একই রয়েছে। গতকাল পজিটিভিটি রেট ছিল ৭.১২ শতাংশ। এদিন রেট ৭.৩২ শতাংশ।তবে এদিনও করোনা সংক্রমিত হয়ে মৃতের সংখ্যা টানা তিরিশের ঘরেই রয়ে গিয়েছে। এদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। মৃত্যু হার ১.০৩ শতাংশ।এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭,৭৩৪ জন। জলপাইগুড়িতে ৭ ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২০,৪৪৫। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে টপকে গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯৭ জন।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬৫৪উত্তর ২৪ পরগনা ৬৯৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৯হাওড়া ১৪৫পশ্চিম বর্ধমান ১৭৬পূর্ব বর্ধমান ২০৭হুগলি ২১৯বীরভূম ৩১৯নদিয়া ২৯৬মালদা ২৩৪মুর্শিদাবাদ ১২৫পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ৮৪পুরুলিয়া ৭২দার্জিলিং ১২৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ১৭০উত্তর দিনাজপুর ৯৩দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৭ঝাড়গ্রাম ৫৮ কোচবিহার ১৪৬আলিপুরদুয়ার ১১০কালিম্পং ৪২

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজারের নীচে, চিন্তায় রাখলো মৃত্যু

ফের রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৪৬ জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১,৪২১ জনের। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। তবে এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এদিকে ক্রমশ রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ৮.৮৪, গতকাল ছিল ৯.৫৩ শতাংশ। কয়েকদিন আগেই পজিটিভিটি রেট ছিল ৩০ শতাংশের ওপর।করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্য়াপক হারে কমছে, কমছে পজিটিভিটি রেটও কিন্তু করোনা সংক্রিমত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০-এর ঘরেই আছে। এদিন রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের, গতকাল ছিল ৩৬ জন। শনিবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় এদিন সর্বাধিক ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। কলকাতায় এদিন মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৫শোর নীচে। সোমবার কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৬ জন। গতকাল ছিল ৯৭৩।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৬৭৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৭৮হাওড়া ১৭২পশ্চিম বর্ধমান ১৩৪পূর্ব বর্ধমান ১৫৩হুগলি ২৮০বীরভূম ৩০০নদিয়া ২৫০মালদা ৯১মুর্শিদাবাদ ১১৮পশ্চিম মেদিনীপুর ১৯৮পূর্ব মেদিনীপুর ৪৮পুরুলিয়া ৭০দার্জিলিং ২৪১বাঁকুড়া ১৭৫জলপাইগুড়ি ২৯৫উত্তর দিনাজপুর ৯৪দক্ষিণ দিনাজপুর ১৫৬ঝাড়গ্রাম ৫২কোচবিহার ১৬৯আলিপুরদুয়ার ৯৬কালিম্পং ২

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজনীতি

ব্রেকিংঃ বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত, গুঞ্জন বাড়ল

শেষমেশ রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করল দল। এর আগে রীতেশ তেওয়ারি ও জয়প্রকাশ মজুমদারকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রশ্নে শোকজ করেছিল দল। এবার সাময়িক বরখাস্ত করল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।রাজ্য বিজেপির নতুন কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই জায়গা পায়নি। এদিকে দলের মতুয়া নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রতিনিধিদেরও ব্রাত্য রেখেছে রাজ্য বিজেপি। মূলত দলের বিক্ষুব্ধ অংশ ও মতুয়া প্রতিনিধিরা এক হয়ে নানান জায়গায় বৈঠক করছেন। এমনকী পিকনিকও চলছে দুই তরফের উপস্থিতিতে। তাঁদের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তোপ দেগেছেন। গতকালও রীতেশ তেওয়ারী ও জয়প্রকাশ মজুমদারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তবে শুধু এই দুজন নয়, বঙ্গ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতাই বৈঠকগুলিতে হাজির থেকেছেন। এবার সাময়িক বরখাস্ত করার পর আর কারও ওপর এই খাড়া পড়ে কিনা সেটাই এখন মূল চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে একধাক্কায় অনেকটাই কমেছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, চিন্তা বাড়িয়েছে মৃত্যু

এক ধাক্কায় রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকালের থেকে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা কমেছে ২,২১১জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট চিকিৎসকদের স্বস্তি দিলেও ফের উদ্বেগেই রাখলো মৃত্যুর সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ৬,৯৮০ জন। গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিল ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছে ৯.৫৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।করোনা আক্রান্তের সঙ্গে পজিটিভি রেট কমলেও চিন্তায় রেখেছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। গতকাল মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। শুক্রবার সংখ্যাটা ছিল ৩৫। টানা আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস-বৃ্দ্ধি ঘটলেও এদিন অনেকটা কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু তিরিশের ঘরেই থেকে যাচ্ছে। এদিন সর্বাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়, ১০ জন। হাওড়ায় ৬ জন ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,৪১৮। অনেক দিন পর কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের নীচে নেমেছে। এদিন কলকাতায় ৯৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকালের থেকে ৫১৬ জন কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল ছিল ১,৪৮৯। উত্তর ২৪ পরগনাতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৯৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪৮৪হাওড়া ২২১পশ্চিম বর্ধমান ২৫৮পূর্ব বর্ধমান ৩৯৯হুগলি ২৩৫বীরভূম ৪৪৯নদিয়া ৩৪০মালদা ৩১৩মুর্শিদাবাদ ২৬২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৪৬পূর্ব মেদিনীপুর ১০৭পুরুলিয়া ১৪৫দার্জিলিং ৪৩৩বাঁকুড়া ১৬৭জলপাইগুড়ি ২২০উত্তর দিনাজপুর ১৬০দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪২ঝাড়গ্রাম ৬৭কোচবিহার ১৯৩আলিপুরদুয়ার ১৬০কালিম্পং ১৪৬

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

পজিটিভিটি রেট কমলেও রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

রাজ্যে পরীক্ষা বাড়লেও কমেছে পজিটিভিটি রেট। এদিনও করোনা সংক্রমণ ছিল ১০ হাজারের নীচে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রিমতের সংখ্যা ৯,১৯১, গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন রাজ্যে গতকালের থেকে ১০ হাজার বেশি টেস্ট করা হয়েছে। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিস ৭২,৭৩৮ জনের, এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট ১১.১৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।পজিটিভি রেট কমলেও ফের এদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭। গত কাল সংখ্যাটা ছিল ৩৫। আক্রান্তের সংখ্যাও দুদিন ধরে ১০ হাজারের নীচে রয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না। এদিন হাওড়ায় ৭ ও কলকাতায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৬ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,৩০২। একদিনে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়েছে ২০,৩১৩জন। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা গতকালের থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছে ১,৪৮৯, গতকাল ছিল ১,৩৭৫ ও জন উত্তর ২৪পরগনায় ১,৩৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৪৮৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৭৩১হাওড়া ৩৪১পশ্চিম বর্ধমান ১৮০পূর্ব বর্ধমান ৪৬৩হুগলি ৩৩৩বীরভূম ৫১৮নদিয়া ৩৯২মালদা ৪৫৫মুর্শিদাবাদ ১৬৬পশ্চিম মেদিনীপুর ২২১পূর্ব মেদিনীপুর ১১২পুরুলিয়া ১৫৮দার্জিলিং ৮১৫বাঁকুড়া ১৯৫জলপাইগুড়ি ৩৩০উত্তর দিনাজপুর ২০৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২২০ঝাড়গ্রাম ৮১কোচবিহার ২২১আলিপুরদুয়ার ১৩১কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় ফের কমলো আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে হাওড়ায় মত্যু সর্বাধিক

ফের ১০ হাজারের নীচে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,১৫৪। গত দুদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ওপর। এদিন ৭২,৭৩৮ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। টেস্টের সংখ্যাও বেড়েছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১২.৫৮ শতাংশ। রাজ্য় স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের৷ গতকাল ছিল ৩৭ জন। গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ৩০ ওপর রয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিকে এদিন হাওড়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তবে গত ২৪ ঘন্টায় হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৪৪। সাম্প্রতিক কালে এই জেলায় সর্বোচ্চ।রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,২৬৫। একদিনে কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১,৩৭৫ ও ১,৩১৭ জন উত্তর ২৪পরগনায়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৫৪ জন। একদিনে দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭০৩ জনের।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৩৭৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩১৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৬০৫হাওড়া ৩৪৪পশ্চিম বর্ধমান ৩৪৫পূর্ব বর্ধমান ৪২১হুগলি ৩৪১বীরভূম ৭৫০নদিয়া ৪১৪মালদা ৩৪৯মুর্শিদাবাদ ৩৩২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৫পুরুলিয়া ১৭৪দার্জিলিং ৫০৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ৩১০উত্তর দিনাজপুর ২৭৯দক্ষিণ দিনাজপুর ১৯৫ঝাড়গ্রাম ৮৯কোচবিহার ১৯৮আলিপুরদুয়ার ১৫৭কালিম্পং ৫৮

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের ১০ হাজার পার করোনা আক্রান্ত, ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি রেট ১.০৯ শতাংশ

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ফের কিছুটা বাড়ল। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১০,৪৩০। গতকাল এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, ৯,৩৮৫। রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৫৩,৮২৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ১৯.৩৮ শতাংশ। গতকাল সোমবার ছিল ২৬.৪৩ শতাংশ। রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ, শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। মোদ্দা কথা টানা কমছে পজিটিভিটি রেট। তবে ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি মাত্র রেট ১.০৯ শতাংশ। এদিন মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৩৪, গতকাল ছিল ৩৩।এদিন কলকাতায় কিছুটা বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৮৭৯। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ২,২০৫। পাশের জেলা উত্তর ২৪ পরগানায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ফের কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৭৬১, গতকাল ছিল ১,৮৬৩। মোট সুস্থতার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে ১৩,৩০৮। গতকাল ছিল ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ২,২০৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৭৬১দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৮৮৫হাওড়া ৪৩৮পশ্চিম বর্ধমান ৩৮৬পূর্ব বর্ধমান ৩৯৫হুগলি ৪৫৪বীরভূম ২৯১নদিয়া ২২৭মালদা ৬০৯মুর্শিদাবাদ ২০২পশ্চিম মেদিনীপুর ২৮২পূর্ব মেদিনীপুর ১৭৬পুরুলিয়া ৭৭দার্জিলিং ৪০৩বাঁকুড়া ২২১জলপাইগুড়ি ২৩৫উত্তর দিনাজপুর ৪৩৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮৬ঝাড়গ্রাম ২৭৫কোচবিহার ১৪১আলিপুরদুয়ার ১১৫কালিম্পং ৩১

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গেল ১০ হাজারের নীচে, চিন্তায় রেখেছে পজিটিভিটি রেট

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৩৮৫। রবিবারের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৩৫,৫১৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগে গড়ে পরীক্ষা হচ্ছিল ৬০ হাজারের ওপর। পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ২৬.৪৩ শতাংশ। পজিটিভিটি রেটও ক্রমশ কমছে। গতকাল, রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ। শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক কমে গেলেও এদিন মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে, ৩৩। গতকাল ছিল ৩৬।সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় ৩,৮৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৭৯। উত্তর ২৪ পরগানাতেও কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৬৩। এদিন মোট সুস্থ হয়েছে ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৮৭৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৮৬৩দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৩হাওড়া ৪৭৯পশ্চিম বর্ধমান ৩৬৯পূর্ব বর্ধমান ৪৭৩হুগলি ৫৫২বীরভূম ৫৬৪নদিয়া ৪৭০মালদা ৩৩০মুর্শিদাবাদ ২৪২পশ্চিম মেদিনীপুর ২২৫পূর্ব মেদিনীপুর ৯৫পুরুলিয়া ১৫৭দার্জিলিং ১৭৩বাঁকুড়া ২২০জলপাইগুড়ি ৭৬উত্তর দিনাজপুর ২৯০দক্ষিণ দিনাজপুর ২০৩ঝাড়গ্রাম ১০১কোচবিহার ১৪৫আলিপুরদুয়ার ৬৩কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় করোনা গ্রাফের দ্রুত পতন, কমেছে পজিটিভিট রেট

এর আগে রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত দুদিনে দ্রুত পতন ঘটছে করোনা গ্রাফের। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৩৮। গতকালের তুলনায় কমেছে ৪,১২৬।গত কয়েক দিন টানা রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুক্রবার থেকে রাজ্যে করোনাগ্রাফ নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫, শনিবার ছিল ১৯,০৬৪ জন, আজ রবিবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪,৯৩৮-তে। মৃতের সংখ্যা সামান্য কমেছে। গতকাল মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৮, এদিন ছিল ৩৬। টানা তিন দিন কমল পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩। গতকাল শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ। শুক্রবার পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ। এদিন করোনামুক্ত হয়েছেন ৯,৯৩৭জন। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনাসহ একাধিক জেলায় কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৩,৮৯৩উত্তর ২৪ পরগনা ২,৫৬৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,০২৯হাওড়া ৬৮৪পশ্চিম বর্ধমান ৬৩৫পূর্ব বর্ধমান ৫৯৬হুগলি ৭৪৫বীরভূম ৭৭৬নদিয়া ৫৩৬মালদা ৫৮৬মুর্শিদাবাদ ২০৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৪৭পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৬পুরুলিয়া ১৫৫দার্জিলিং ৫৯৭বাঁকুড়া ২৭১জলপাইগুড়ি ৩০৭উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮২ঝাড়গ্রাম ১৪৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ১২২কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তবে বেড়েছে মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। টানা তিন দিন রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গতকাল, শুক্রবার কিছুটা কমেছিল। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,০৬৪ জন। শুক্রবার সেই সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫। গতকালের তুলনায় কমেছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের গন্ডি কিছুতেই কমছিল না। এদিন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতর। তবে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফের এদিনও পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ২৯.৫২ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ।তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৮। রাজ্য়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,০৫২। পাশাপাশি এদিন সুস্থ হয়েছে ৯,১৩২ জন।কয়েক দিন আগে করোনা আবহে রাজ্যে ভোট বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিও একাধিকবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরভোট বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতের রাজ্য সরকারের সম্মতিতে পুরভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশিন। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসকরা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৪,৮৩১উত্তর ২৪ পরগনা ৩,৪৯৬দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,২৮২হাওড়া ১,০০৩পশ্চিম বর্ধমান ৮৫৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৩হুগলি ১,০৭২বীরভূম ৮০০নদিয়া ৭৩৯মালদা ৭৫৩মুর্শিদাবাদ ৪৪৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৫৮পূর্ব মেদিনীপুর ২১৫পুরুলিয়া ১৯৮দার্জিলিং ৪৭৬বাঁকুড়া ৩৬৯জলপাইগুড়ি ৩১৯উত্তর দিনাজপুর ২৭৪দক্ষিণ দিনাজপুর ২৪৫ঝাড়গ্রাম ১৯০কোচবিহার ১৩৭আলিপুরদুয়ার ৯৮কালিম্পং ৪৩

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal