• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal,

রাজ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গেল ১০ হাজারের নীচে, চিন্তায় রেখেছে পজিটিভিটি রেট

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৩৮৫। রবিবারের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৩৫,৫১৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগে গড়ে পরীক্ষা হচ্ছিল ৬০ হাজারের ওপর। পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ২৬.৪৩ শতাংশ। পজিটিভিটি রেটও ক্রমশ কমছে। গতকাল, রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ। শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক কমে গেলেও এদিন মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে, ৩৩। গতকাল ছিল ৩৬।সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় ৩,৮৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৭৯। উত্তর ২৪ পরগানাতেও কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৬৩। এদিন মোট সুস্থ হয়েছে ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৮৭৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৮৬৩দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৩হাওড়া ৪৭৯পশ্চিম বর্ধমান ৩৬৯পূর্ব বর্ধমান ৪৭৩হুগলি ৫৫২বীরভূম ৫৬৪নদিয়া ৪৭০মালদা ৩৩০মুর্শিদাবাদ ২৪২পশ্চিম মেদিনীপুর ২২৫পূর্ব মেদিনীপুর ৯৫পুরুলিয়া ১৫৭দার্জিলিং ১৭৩বাঁকুড়া ২২০জলপাইগুড়ি ৭৬উত্তর দিনাজপুর ২৯০দক্ষিণ দিনাজপুর ২০৩ঝাড়গ্রাম ১০১কোচবিহার ১৪৫আলিপুরদুয়ার ৬৩কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় করোনা গ্রাফের দ্রুত পতন, কমেছে পজিটিভিট রেট

এর আগে রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত দুদিনে দ্রুত পতন ঘটছে করোনা গ্রাফের। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৩৮। গতকালের তুলনায় কমেছে ৪,১২৬।গত কয়েক দিন টানা রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুক্রবার থেকে রাজ্যে করোনাগ্রাফ নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫, শনিবার ছিল ১৯,০৬৪ জন, আজ রবিবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪,৯৩৮-তে। মৃতের সংখ্যা সামান্য কমেছে। গতকাল মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৮, এদিন ছিল ৩৬। টানা তিন দিন কমল পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩। গতকাল শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ। শুক্রবার পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ। এদিন করোনামুক্ত হয়েছেন ৯,৯৩৭জন। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনাসহ একাধিক জেলায় কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৩,৮৯৩উত্তর ২৪ পরগনা ২,৫৬৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,০২৯হাওড়া ৬৮৪পশ্চিম বর্ধমান ৬৩৫পূর্ব বর্ধমান ৫৯৬হুগলি ৭৪৫বীরভূম ৭৭৬নদিয়া ৫৩৬মালদা ৫৮৬মুর্শিদাবাদ ২০৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৪৭পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৬পুরুলিয়া ১৫৫দার্জিলিং ৫৯৭বাঁকুড়া ২৭১জলপাইগুড়ি ৩০৭উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮২ঝাড়গ্রাম ১৪৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ১২২কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তবে বেড়েছে মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। টানা তিন দিন রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গতকাল, শুক্রবার কিছুটা কমেছিল। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,০৬৪ জন। শুক্রবার সেই সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫। গতকালের তুলনায় কমেছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের গন্ডি কিছুতেই কমছিল না। এদিন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতর। তবে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফের এদিনও পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ২৯.৫২ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ।তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৮। রাজ্য়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,০৫২। পাশাপাশি এদিন সুস্থ হয়েছে ৯,১৩২ জন।কয়েক দিন আগে করোনা আবহে রাজ্যে ভোট বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিও একাধিকবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরভোট বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতের রাজ্য সরকারের সম্মতিতে পুরভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশিন। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসকরা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৪,৮৩১উত্তর ২৪ পরগনা ৩,৪৯৬দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,২৮২হাওড়া ১,০০৩পশ্চিম বর্ধমান ৮৫৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৩হুগলি ১,০৭২বীরভূম ৮০০নদিয়া ৭৩৯মালদা ৭৫৩মুর্শিদাবাদ ৪৪৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৫৮পূর্ব মেদিনীপুর ২১৫পুরুলিয়া ১৯৮দার্জিলিং ৪৭৬বাঁকুড়া ৩৬৯জলপাইগুড়ি ৩১৯উত্তর দিনাজপুর ২৭৪দক্ষিণ দিনাজপুর ২৪৫ঝাড়গ্রাম ১৯০কোচবিহার ১৩৭আলিপুরদুয়ার ৯৮কালিম্পং ৪৩

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে সামান্য কমলো করোনা সংক্রমণ, বেড়েছে মৃত্যু

রাজ্যে টানা তিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য কমেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ২২,৬৪৫। গতকাল এই সংখ্য়া ছিল ২৩,৪৬৭। তবে কিছুতেই ২০ হাজারের গন্ডি কমছে না। এদিন পজিটিভিটি রেটও সামান্য় কমেছে। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩২.১৩, এদিন ৩১,১৫ শতাংশ। তবে এদিন ফের বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৬। রাজ্য়ে মোট করোনায় মৃত্য়ু হয়েছে ২০,০১৩ জনের।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বাংলা তোলপাড়। সংক্রমণের সংখ্য়া সেভাবে কমছে না, পাশাপাশি পজিটিভিটি রেটও প্রায় এক তৃতীয়াংশ। স্বভাবতই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলায় মানুষের থিকথিকে ভিড়। এরপর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়ছে চিকিতসক মহল। এদিকে রাজ্যের চার পুরসভার ভোট বন্ধ মামলার সিদ্ধান্তও ঝুলে গিয়েছে। দোকান-পাট, রাস্তায় এখনও বহু মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নতুবা থুতনিতে মাস্ক ঝুলছে। মোদ্দা কথা আগামিতে করোনা সংক্রমণের হাল কী দাঁড়াবে এসব ভেবেই আতঙ্ক তাড়া করছে। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮,৬৮৭ জন। গতকাল সংখ্য়াটা ছিল ৮,১৩৯। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও অল্প বেড়েছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৮৬৭উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৫৩৩হাওড়া ১,২২৩পশ্চিম বর্ধমান ৯৩৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৭হুগলি ১,৩৯৪বীরভূম ৯৮৪নদিয়া ৮১৬মালদা ৬৪৮মুর্শিদাবাদ ৩৯০পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৭৯পূর্ব মেদিনীপুর ২৪৬পুরুলিয়া ২২৬দার্জিলিং ৫৯৬বাঁকুড়া ৩৬৫জলপাইগুড়ি ২১৬উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ২০২ঝাড়গ্রাম ২০১কোচবিহার ১২৪আলিপুরদুয়ার ১১২কালিম্পং ৮০

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটও

রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেট

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২২,১৫৫। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। গতকাল, মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ২১,০৯৮। এদিন মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭১,৭৯২ জনের। কলকাতায় ফের সংক্রমণ বেড়েছে গতকালের তুলনায় প্রায় পাঁচশো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্য়া ১৮,১৭,৫৮৫। ক্রমশ বাড়ছিল পজিটিভিট রেট। এদিন কিছুটা কমেছে পজিটিভিটি রেট, ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। পজেটিভিটি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় ফেলেছিল রাজ্যকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। এই হার কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে স্বাস্থ্য দফতরের। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১১৭জন। কলকাতায় এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় সংক্রমণ বেড়েছে, কোথাও আবার একটু কমেছে। মোদ্দা কথা করোনার তৃতীয় ঢেউ এখনও শঙ্কায় রেখেছে রাজ্যবসীকে। এদিকে বাংলায় একাধিক শহরে আংশিক লকডাউন চলছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতাঃ ৭,০৬০উত্তর ২৪ পরগনাঃ ৪,৩২৬হাওড়াঃ ১,৪৬১পশ্চিম বর্ধমানঃ ১,০১০হুগলিঃ ১,১০৭দক্ষিণঃ ২৪ পরগনা ১,৪৬১বীরভূমঃ ৭০১পূর্ব বর্ধমানঃ ৭৭৮নদিয়াঃ ৬৩৫মালদাঃ ৫১৮মুর্শিদাবাদঃ ৪২১পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ৩০৯পুরুলিয়াঃ ২৭৮দার্জিলিংঃ ৫০০বাঁকুড়াঃ ৩৭০জলপাইগুড়িঃ ২৫৫উত্তর দিনাজপুরঃ ১৭৫পূর্ব মেদিনীপুরঃ ২৪১ঝাড়গ্রামঃ ২৯৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪১কোচবিহারঃ ৮৬আলিপুরদুয়ারঃ ৭৮কালিম্পংঃ ৫১

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Bengal Corona: রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় কিছুটা কমল করেনা আক্রান্তের সংখ্যা

ফের রাজ্যে কিছুটা বাড়ল সংক্রমণের হার। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১,০৯৮। যদিও রবিবারের তুলনায় কিছুটা কম। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতাতেও করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা রবিবারের তুলনায় কমেছে অনেকটা। একই অবস্থা উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রেও। তবে সোমবারের তুলনায় সংক্রমণ ফের কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। এদিন করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে মোট ৬৫,২১০ জনের।রাজ্যে প্রতিদিনই রকেট গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল, সোমবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,২৮৬। রবিবার ছিল ২৪,২৮৭। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে কেন্দুলিতে জয়দেবের মেলা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের বিভিন্ন শহরে স্থানীয় প্রশাসন আংশিক লকডাউন ঘোষণা করছে। স্থানীয় স্তরে দোকানপাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। এখনও বহু মানুষ মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে।রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২১,০৯৮কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৫৬৫উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৬হাওড়া ১,৮১৫পশ্চিম বর্ধমান ১,১০৯হুগলি ১,৩০৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৪৩৫বীরভূম ৬৮২পূর্ব বর্ধমান ৬২২নদিয়া ৩৮৫মালদা ৫৪৪মুর্শিদাবাদ ৪৪৫পশ্চিম মেদিনীপুর ৫১৪পুরুলিয়া ২০৯দার্জিলিং ২২৬বাঁকুড়া ২৫৬জলপাইগুড়ি ১৩৪উত্তর দিনাজপুর ১৮১পূর্ব মেদিনীপুর ২১৯ঝাড়গ্রাম ১৫২দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৮কোচবিহার ৬৬আলিপুরদুয়ার ৭০কালিম্পং ২০

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Bengal Corona: বাংলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা কোয়ার্টার সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই, উদ্বেগ চরমে

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই। এক দিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৮৭ জন। এই রিপোর্টে উদ্বিগ্ন রাজ্যের চিকিৎসক মহল।রাজ্যে প্রতিদিনই রকেট গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল, শনিবারের রিপোর্টে ছিল প্রায় ১৯ হাজার। ২৪ ঘন্টায় একলাফে তা ২৪ হাজার পার করে দিয়েছে। কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৭১২জন। তারপরেই স্থান উত্তর 24 পরগনার। কলকাতা লাগোয়া এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫,০৫৩। রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। হাওড়া ১,৭৪২, পশ্চিম বর্ধমান ১,০০৭, হুগলি ১,২৭৬, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১০৩৪, বীরভূম ৯০৪, পূ্র্ব বর্ধমান ৬৪৯, নদিয়া ৬০৫।রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উর্দ্ধমুখী হলেও সাধারণ মানুষের একাংশের কোনও হেলদোল নেই। বহু মানুষ এখনও মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকের মাস্ক কিছুতে থুঁতনির ওপর উঠছে না। অধিকাংশ পুরসভা এলাকায় দোকান-পাট বন্ধ-খোলা নিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Omicro: ৫ দিনের ব্যবধানে বাংলায় করোনা পজিটিভ ১০ গুণের বেশি, লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ

এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক গুণ বেড়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলায় লাফ দিয়ে বাড়ছে কোভিড পজিটিভ। ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। বছর শুরুর দিন স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ৪ হাজার ৫১২ জন। ওই দিনের তুলনায় বৃদ্ধি ১০ গুনেরও বেশি। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে আক্রান্তের হিসাবে এখনও এগিয়ে আছে কলকাতা। রাজ্যে ওমিক্রনে সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১৫।রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৯ হাজার ৯২৪ জন। রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার সংখ্যা ১ হাজার ৯১৩। করোনায় রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৭৭৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। মৃত্যু হার ১.২০ শতাংশ।তবে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক আকার নিচ্ছে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কোভিড সংক্রমিতের হার। মহানগরে ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩৯৮। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। উত্তর ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ৬৮৮ জন, মৃত ২ জন), হাওড়া (আক্রান্ত ৩৪৪ জন, মৃত ২ জন), পশ্চিম বর্ধমান (আক্রান্ত ২৪১ জন, মৃত ২ জন), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ১৯৮ জন, মৃত ১ জন), হুগলি (আক্রান্ত ১৬৫ জন)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ফের রাজ্যে কোভিড বিধি চালু হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যে ভাবে উৎসব, মেলা, ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে তার কাছে এই পরিসংখ্যান নগন্য। সাবধানতা অবলম্বন না করলে এবার দ্বিতীয় ঢেউকে ছাপিয়ে যাবে রাজ্য।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Employment: রাজ্যে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান ৪২ হাজার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দুয়ারে রেশন প্রকল্পে রাজ্যে নতুন ৪২ হাজার কর্মসংস্থানের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে রেশন ডিলারডের গাড়ি কেনার জন্য ১ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথাও জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাড়ির ৫ মিটারের মধ্যে রেশন পৌছানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সারা রাজ্যে ২১ হাজার রেশন ডিলার রয়েছেন। এদিন নেতাজি ইন্ডোরে রেশন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় এদিন বলেন, রেশন ডিলাররা লোক নিতে পারে না। পাড়ায় পাড়ায় রেশন পৌছবে কি করে! ২১ হাজার ডিলার ৪২ হাজার লোক নেবেন। এর জন্য রাজ্যের ১৬০ কোটি টাকা বেশি লাগবে। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ৫ হাজার টাকা দেবে আর ৫ হাজার ডিলাররা দেবে। এর বেশি দেওয়া সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, কাজটা করতো দেবেন। কেউ কিন্তু বাধা দেবেন না। আমি যখন বলেছি তখন করব। অসুবিধা হলে খাদ্য দফতর তাঁদের মত ভাববে।এদিনের অনুষ্ঠানে গ্রাহকের বাড়ির কতটা কাছে গিয়ে রেশন সামগ্রী দেওয়া হবে তাও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাড়ির কাছাকাছি না রেশন পৌছালে দুয়ারে রেশন বলতে পারবো না। ৫০০ মিটারের মধ্যে গাড়ি দাঁড় করাবেন। ওই অঞ্চলের লোক রেশন নেবে। আগে থেকে জানিয়ে দেবেন। তাহলে গ্রাহকদের বেশি হাঁটতে হবে না। তারপর আবার পরের ৫০০ মিটারে গাড়ি দাঁড় করাবেন। যেহেতু এবার গাড়ি করে সামগ্রী নিয়ে যেতে হচ্ছে তাই গাড়ি কিনে নেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ডিলার গাড়ি কিনলে সাবসিডি পাবে। গাড়ির জন্য ১ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দেবে সরকার। নতুন গাড়িও হয়ে যাবে ডিলারদের।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Bengal Global Business Summit: ২ বছর পর ফের রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

অতিমারির আবহে দু বছর স্থগিত থাকার পর আগামী বছর রাজ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বছর ২০-২১ এপ্রিল এই দুদিন বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই দিনক্ষণ ঘোষণা করেন । তিনি জানান, এখন বাংলায় করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, তাই রাজ্যে বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এরজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মুখ্যসচিব ওই কমিটিতে থাকছেন। পুরো পরিকল্পনা পরে নবান্নের তরফে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার আরও বড় আকারে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। দেশ-বিদেশের বহু নামী-দামী সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে আগামী বছর বাংলা নববর্ষের আগেই কলকাতায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে এ কথা বলাই বাহুল্য। শেষবার এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি এবং শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানান, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে আমাদের কাছে যা আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে। ভিক্ষে করে বাঁচা নয়, বুদ্ধি করে আমাদের সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। সেগুলি কাজে লাগান, সবকিছু পেয়ে যাবেন।পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সেই উদ্যোগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সামিল হতেও অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ইকো পার্কের বিজয়া সম্মেলনীতে ধনখড়কে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতিও জানিয়েছেন ধনখড়। সরকার সূত্রে খবর, রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরতে বিদেশে পাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে করতে পারেন রোড শো-ও। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বিদেশে গিয়ে রোড শো করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। রাজ্যপাল সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও খবর।একইসঙ্গে আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা বইমেলার আয়োজন করা হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Dengue Fear: রাজ্যে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক

করোনার মাঝে দাপট বাড়ছে ডেঙ্গুর। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে সাড়ে ৬০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন ডেঙ্গুতে। হাওড়া নিয়ে বিশেষ চিন্তায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে এক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ গুন বেড়ে গেল? একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি নিয়েও। তা যে হাওড়ায় ধাক্কা খেয়েছে পরিসংখ্যানই তার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে। ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে রাজ্যে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে বাংলায় ডেঙ্গুর কবলে পড়েন ৬৫০ জন। গত বছর এই সময় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪১৯।এর মধ্যে হাওড়ার পরিসংখ্যান দেখে শিউরে উঠছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, দিন সাতেক আগে হাওড়ায় ২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য ভবনকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পাঁচ গুন বাড়ল কী ভাবে? উদ্বেগ রয়েছে আরও। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ঠিকমতো পরীক্ষা হলে, রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ছবিটা যে কী হবে ভেবে কূল কিনারা পাচ্ছেন না কেউ।গত সপ্তাহ থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। চলতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৬৩ জন। কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৯২ জন। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২২। নদিয়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩২ জন। দার্জিলিংয়ে এই সংখ্যাটা ২৬। এরপরই রয়েছে মালদহের স্থান। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ২৩। উত্তর দিনাজপুরে ১৬।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Local Train: উঠে গেল বিধিনিষেধ, রাজ্যে কবে থেকে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন?

করোনা পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছিল এই রাজ্যে। দীর্ঘ দিন লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তা চালু করার দাবিও উঠেছিল। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে না পেরে অবরোধের ঘটনাও ঘটে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে যাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন কলকাতা সংলগ্ন জেলায় ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হলে ট্রেন চালু করা হবে। যদিও পরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে স্টাফ স্পেশাল ও বিশেষ ট্রেন চলাচলে ছাড় দেয় রাজ্য।স্পেশাল বললেও লোকাল ট্রেনের টাইম টেবিলেই বেশ কিছু ট্রেন চলাচল শুরু করে। হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন যাত্রীরা। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রেনের টিকিট দেওয়া শুরু হওয়ায় যাত্রী হয়রানি কিছুটা কমে। এবার অবসানের পথে সেই কষ্ট। লোকাল ট্রেন চলাচলে ছাড় ঘোষণা করল নবান্ন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মেনে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন। আগামী রবিবার থেকেই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, নবান্নে জরুরি বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা

পুজোর পর সংক্রমণ বাড়বে, এমন আশঙ্কা চিকিৎসকেরা আগেই করেছিলেন। তবে লক্ষ্মী পুজো কাটতে না কাটতেই যে এ ভাবে তরতর করে বাড়তে থাকবে দৈনিক সংক্রমণ, তেমনটা প্রত্যাশা ছিল না প্রশাসনের। শহরে করোনার রেখচিত্র দেখে চোখ কপালে উঠছে প্রশাসনিক কর্তাদের। কলকাতায় কার্যত লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গতকাল শহরে দৈনিক সংক্রমণ ৩০০ ছাড়িয়েছিল। আর আজ সেই সংখ্যাটা ছাড়াল ৪০০। আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরশনিবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৪৯ জন। এর মধ্যে ১৯৪ জনের টিকার দুটি ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এদিকে, করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সবরকমের ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। নবান্নে শনিবার রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সমস্ত জেলা প্রশাসনকে করোনা রুখতে সর্বোচ্চ স্তরে প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর বেশ কয়েকটি জেলায় করোনা সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি আটকাতে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার ব্যবস্থা প্রয়োজনে ফের ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে। নৈশ বিধি-নিষেধ যাতে রাজ্যের সর্বত্র কঠোরভাবে পালিত হয় তা দেখতে মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সার্বিক টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি করোনা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা পরিষেবার মান নতুন করে মূল্যায়ন করারও তিনি নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Flood Situatuation: ফুঁসছে দামোদর-অজয়-গন্ধেশ্বরী-দ্বারকেশ্বর, বানভাসী দক্ষিণবঙ্গ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা

অজয় নদের জলে প্লাবিত হল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই অজয়ের জল বাড়তে শুরু করে। রাতে ভেদিয়ার সাঁতলা গ্রামের অজয় নদের বাঁধে ফাটল বিশাল আকার ধারণ করে। এই মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে অজয়ের জল সাঁতলা বাগবাটি-সহ চার পাঁচগ্রামকে প্লাবিত করেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে প্রশাসন। বিঘের পর বিঘে ধানের জমি জলের তলায়। ফলে চরম বিপদ শঙ্কায় এলাকার বাসিন্দারা।এদিকে, শুক্রবার সকাল পরিস্থিতির আরও অবনতি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম বহু অংশ প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। ঘর হারানো মানুষজন একটু ডাঙার খোঁজে উত্তাল নদীর স্রোতের মধ্যে দিয়েই সাঁতরে চলেছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে একাধিক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে। প্রাণহানি নিয়েও আশঙ্কায় প্রশাসন। সাতসকালে মঙ্গলকোটের কোঁয়ারপুর, মালিয়ারা ও গণপুর তিনটি গ্রামের কাছে অজয় নদের বাঁধ ভেঙেছে। বাঁধ ছাপিয়ে জল ঢুকতে শুরু করেছে আউশগ্রামের সাঁতলাতেও। জলবন্দি বেশকিছু গ্রামের মানুষ। আউশগ্রামের সাঁতলায় অজয়ের বাঁধ ভেঙেছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে। আউশগ্রামের সাঁতলা গ্রাম থেকে সাঁতরে বেরিয়ে এসে বাঁচার চেষ্টা করছেন তাঁরা। বাঁকুড়ার পরিস্থিতিও তথৈবচ। জলের তীব্র স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে পাত্রসায়ের, সোনামুখীর বহুলাংশ প্লাবিত। গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর নদী ফুঁসছে। দ্বারকেশ্বরের জলে হুগলির আরামবাগ, গোঘাট-সহ একাধিক ব্লক জলমগ্ন। উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে সেনাবাহিনী।অন্যদিকে, বানভাসী হুগলিও। লাল সতর্কতা জারি হয়েছে আরামবাগে। একদিকে টানা বৃষ্টি অন্যদিকে দফায় দফায় ডিভিসি-র ছাড়া জল আবার পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ সব মিলিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী ও দামোদর নদী । কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকছে। তার মধ্যে রয়েছে আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও নিচু এলাকার মানুষদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। পুরশুড়াতেও বিপদ বাড়িয়েছে ডিভিসির ছাড়া জল।দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীও বইছে বিপদ সীমার উপর দিয়ে। ইতিমধ্যেই প্রায় দুই লক্ষ্য কিউসেকেরও বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। যদিও এখনও ডিভিসির ছাড়া জল মুন্ডেশ্বরী দিয়ে খানাকুলে এসে পৌঁছয়নি। কিন্তু ডিভিসির জল খানাকুলে এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে এবং সমস্ত বন্যা পরিস্থিতিকে ছাপিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নিয়ে ২ মাসে আরামবাগ মহকুমা পরপর তিনবার বন্যার সম্মুখীন হলো। সব মিলিয়ে বড় সড় বন্যা পরিস্থিতির আতঙ্কে আতঙ্কিত গোটা আরামবাগ মহকুমার মানুষ। জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হচ্ছে। আজ সকাল থেকে ১ লক্ষ ৮৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। গতকাল এই জল ছাড়ার পরিমাণ ২ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি ছিল। নিম্নচাপ ধীরে ধীরে সরে যাওয়ায় বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে কমছে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ। নতুন করে নিম্নচাপ না হলে এই জল ছাড়ার পরিমাণ আজকে অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করছে সেচ দপ্তর।

অক্টোবর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal