• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool

রাজনীতি

'বিহারী বাবু' বলে মা বোনেদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন এখন দেখুন গিয়ে কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে বসে আছে

শুক্রবার বর্ধমান বিজেপি জেলা অফিসে (রাসবিহারী বসু ভবন) সাংসদ এবং রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চ্যাটার্জী সাক্ষাৎকারঃজনতার কথাঃসামনেই ছটপুজো। কিন্তু এই সময় বিহারীবাবু কোথায়? এই মর্মেই পোস্টার পড়ল আসানসোলের তৃণমূর সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্হার নামে। নিখোঁজ পোস্টারে ছয়লাপ কুলটি এলাকা।লকেট চ্যাটার্জীঃ দেখুন গিয়ে কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে বসে আছে। ভোটের সময় বিহারী বাবু বলে মা বোনেদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন। যেভাবে মমতা ব্যানার্জি বাংলার মেয়ে সেজে ভোট নিয়েছেন সেভাবেই উনিও বিহারীবাবু সেজেছেন। আর আসানসোলের মানুষ এই সময় তাকে পাচ্ছেন না।জনতার কথাঃ বেসরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসাথী খাতে বকেয়া মিটিয়েছে রাজ্য।লকেট চ্যাটার্জীঃ এটা পুরো লোকদেখানো। পঞ্চায়েত ভোট আসছে বলে টাকা মেটানো হয়েছে। অথচ মানুষ হয়রাণ হচ্ছেন। বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তাররা তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন। মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন।জনতার কথাঃ 1 লা নভেম্বর থেকে গ্রাম থেকে শহর ঘেরো কর্মসূচি সিপিএমের। পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে।লকেট চ্যাটার্জীঃ এটা পুরোপুরি তৃণমূল আর সিপিএমের প্ল্যান। ওরা পঞ্চায়েতের আগে শীতঘুম থেকে জেগে উঠেছে। হটাৎ করে গ্রামে যাবার কথা বলছে।বিজেপি কর্মীরা গ্রামেই আছেন; মানুষের সঙ্গে আছেন।জনতার কথাঃ কাটমানি মন্তব্যর জের শোকজ বড়ঞা থানার ওসি সন্দীপ সেনলকেট চ্যাটার্জীঃ উনি সত্যি কথা বলে ফেলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই তো চোর। চোরের নামে সঠিক কথা বলে ফেলেছেন বলে ওনাকে বরখাস্ত করা হল।জনতার কথাঃ অফলাইনে ভর্তি করে তিন বছরে কুড়ি কোটি টাকা পান মানিক ভট্টাচার্য। ইডি র তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য।লকেট চ্যাটার্জীঃ অনেক কিছু বেরিয়ে আসছে। কেঁচো খুড়তে কেউটে বেরোচ্ছে। ৫৭ হাজার চাকরিত্ব দুর্নীতি হয়েছে। তবে উনি তো একা খান নি। কালীঘাট বা নবান্ন থেকে লিস্ট গেছে। আমরা চাই সেগুলো সামনে আসুক। কাদের হাত ওনার মাথায় ছিল।চাকুরীপ্রার্থীরা বিচার পান।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

রাতের অন্ধকারে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে রাস্তায় ফেলা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বর থেকে বীরহাটা পর্যন্ত এলাকায়। কয়েকদিন ধরে শহরে জেলা বিজেপি ও বিজেপির যুবমোর্চার কয়েকটি কর্মসূচি ছিল, তাতে শহরের বেশ কিছু অংশে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শুক্রবার রাতে বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তায় এবং রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেই সব জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উরতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দূষ্কৃতিরা তাদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে দিয়েছে বলে বিজেপির দাবী। এই বিষয়ে শুক্রবার রাতে বর্ধমান জেলা বিজেপির যুবমোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বর্ধমান থানায়। অবিলম্বে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে নামবে জেলা যুবমোর্চার সদস্যরা বলে দাবী করেন জেলা বিজেপির যুবমোর্চার সভাপতি পূরব সাম। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

কাটোয়া বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে পর্যদুস্ত তৃণমূল সমর্থিত জোট, ব্যাপক জয় বিরোধীদের

কাটোয়া আদালতে বার অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে পরাজিত হলেন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত প্রার্থীরা। পুরো গোহারা হেরে গিয়েছে। এই নির্বাচনে বাজিমাত করেছে শাসকদল বিরোধী জোটের প্রার্থীরাই। জানা গিয়েছে, শুক্রবার এই নির্বাচনে মূল দুই প্রতিপক্ষ ছিল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত অ্যাডভোকেট ডেভেলপমেন্ট কমিটি বনাম আইনজীবী কল্যানকারী জোট। টান টান উত্তেজনায় অনেক রাত পর্যন্ত ভোটগণনা হয়।মোট পাঁচটি পদের নির্বাচন ছিল। কাটোয়া বার আ্যসোসিয়েশনের এই নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬৮ জন। তার মধ্যে শুক্রবার ভোট দিয়েছেন ১৬৪ জন। বাকি ৪ জন ভোট দেননি। ১৬৪ টি ভোটের মধ্যে দুটি পোষ্টাল ব্যালটে ভোট।সভাপতি, সহ সভাপতি, সম্পাদক, সহ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই পাঁচটি পদে নির্বাচনের জন্য ভোট হয়। দুপক্ষের মোট ১০ জন প্রার্থী ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত জোটের প্রার্থী ছিলেন সভাপতি- শ্রীধর বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ সভাপতি পদে উদয় মুখোপাধ্যায়, সম্পাদক পদে ভোটে লড়েন দেবাশীষ মণ্ডল, সহ সম্পাদক পদে ইমরান কাসেম এবং কোষাধ্যক্ষ পদে ছিলেন পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অপরদিকে আইনজীবী কল্যাণকারী জোট এর প্রার্থী সভাপতি ছিলেন অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, সহ সভাপতি পদে কিশলয় সাহা, সম্পাদক পদের জন্য সৌমেন সরকার, সহ সম্পাদক পদে মহম্মদ ইমদাদুল মণ্ডল এবং কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য সুচন্দন সেন।এদিন মোট ৭ রাউন্ড গণনা হয়। গননার প্রথম থেকেই আইনজীবী কল্যাণকারী জোটের প্রার্থীদের এগিয়ে থাকতে দেখা যায়। দুইপক্ষের সমর্থকদেরই অধীর আগ্রহে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। শেষপর্যন্ত জয়ী হন আইনজীবী কল্যাণকারী জোটের প্রার্থীরাই। বিগত দুটি নির্বাচনেই অবশ্য শাসকদল সমর্থিত আইনজীবী জোট পরাজিত হয়েছিল। জোটের পাঁচ প্রার্থীই ভাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বলে জানা যায়।তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী সেলের সভাপতি শেখ আসরফ আলির অভিযোগ, রাম, বাম ও কংগ্রেস একজোট হয়ে আমাদের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে লড়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। সম্পাদক পদে জয়ী সৌমেন সরকার অভিযোগ নস্যাৎ করে দাবি করেন, আমরা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে লড়াই করেছি। এটা আইনজীবীদের সংগঠন। এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

তমলুকের টোলপ্লাজায় নবান্ন অভিযানের দিন তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস

১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুরের সোনাপাত্যা টোলপ্লাজায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে আকবরকে মারধোর করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ওই একই জায়গায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন কুমার মহাপাত্র স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে সোনাপ্যত্যা টোল প্লাজা থেকে মিলন নগর বাজার পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয়। এবং এর পাশাপাশি প্রধান কে যারা মারধোর যারা করে ছিলেন, তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছিলেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তমলুক থানার পুলিশ সুরজিৎ ধাড়া, টোটন মাইতি, কার্তিক হাজর, সুমন জানা, পার্থপ্রতিম মান্না, বিবেকানন্দ বেরা, চিন্তা মনি মাইতি, মিলন অধিকারী, ও অরুন মল্লিককে 147/148/149/341/323/325/307/379/506 জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করে।কিন্তু এই জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে সেই একই জায়গায় পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিল এলাকার বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। উপস্থিত তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি, সহ-সভাপতি আশিক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র মাইতি সহ জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতৃত্বরা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

আজ বর্ধমান জেলা কার্যালয়ে বাঘার ১নং অঞ্চলের মাহিনগর গ্ৰামের সাতজন তৃণমূল সহ অন্য দলের সৎ, আদর্শবান, সশক্ত কর্মী ভারতীয় জনতা পার্টির বিচার ধারায় উদ্ভুত হয়ে এবং তৃণমুল নেতামন্ত্রীদের দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে স্ব-ইচ্ছায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করার আগ্রহ প্রকাশ করলে, জেলা পদাধিকারী ও মন্ডল সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁদের সকলকে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে এবং উত্তেরীয় দিয়ে বরণ করে নিলেন মাননীয় জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা মহাশয়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

নতুন তৃণমূল কেমন হবে? প্রকাশ্যে জানালেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

ফর নতুন তৃণমূল নিয়ে বক্তব্য রাখলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার জলপাইগুড়ির জনসভায় তৃণমূল সাংসদ ঘোষণা করলেন নতুন তৃণমূলের অবয়ব। অভিষেক বলেন, ১২ জুলাই নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা বলেছিলাম। নতুন তৃণমূল মানে পুরনো তৃণমূল বাদ নয়। মানুষ যেমন তৃণমূলকে চাইছে তেমন দল করতে হবে। পঞ্চায়েতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন হবে। আমরা ভোট চাইব, বিরোধীরাও ভোট চাইবে। মানুষ যাকে চাইবে ভোট দেবে। সারাবছর মানুষের পাশে থাকলে নিশ্চিতভাবে তৃণমূলই জিতবে।একইসঙ্গে অভিষেক জানিয়ে দেন, যে তৃণমূল ২০১১-তে সিপিএমের মতো শক্তিতে উৎখাত করেছিল। শ্রমিক-কৃষকদের দাবিদাওয়া আদায় করতে আন্দোলন করবে, মানুষের জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিকর। সেই তৃণমূল দেখতে চায় মানুষ। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের হুঁশিয়ারি, কেউ যদি কোনওরকম ব্যক্তি স্বার্থে দলকে ব্যবহার করে দল তাঁর পাশে দাঁড়াবে না। আমি দেখলাম মমতা বা দলের ওপর কোনও রাগ নেই। কিছু স্থানীয় নেতার ওপর রাগ রয়েছে। তাই নতুন তৃণমূলের কথা বলছি।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

দাদা বিজেপিতে যাওয়ায়, সাংসদ ভাই ব্রাত্য তৃনমুলের অনুষ্ঠানে

তৃণমূল সাংসদ হলেও দাদা শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর থেকেই দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তৃণমূলের। ১৪ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুরে জেলা সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের সভায় ডাক পাননি তমলুকের সাংসদ দিব্য়েন্দু অধিকারী। এ নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সভায় ডাক না পাওয়ার পাশাপাশি দিব্যেন্দুর অভিযোগ, গত ২ বছর ধরে কোনও বৈঠকেই ডাকা হয়নি তাঁকে। হলদিয়াতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে শনিবার এই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভায় ডাক না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা পূর্ব মেদিনীপুর তমলুকের তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জেতা সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তমলুকের সাংসদের এই বক্তব্যের পর নতুন করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল করেছে। ডাক না পাওয়ার কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসককে দায়ী করেছেন তিনি। শনিবার সকালে শিল্পনগরী হলদিয়া একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিব্য়েন্দু বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফরে কেন ডাকা হয়নি তা মুখ্যমন্ত্রীর দফতর বলতে পারবে ও এই জেলার জেলাশাসক বলতে পারবে। আমি বলতে পারব না। সাংসদ হিসাবে আমি দুবছর কর্মকাণ্ডের মধ্যে নেই। রাজ্য সরকারের কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাই না। এর থেকে দুঃখের আর কি আছে। তবে নিজের সাংসদ হিসাবে মেয়াদ থাকা অবধি তিনি মানুষের জন্য় কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন। হলদিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দিব্যেন্দু বলেছেন, মানুষ কাছে এলে কথা বলতে চায়, তবে ভয়-ভীতি একটা কাজ করে। কারণটা আমি জানি না।যদিও সাংসদের এমন বক্তব্যে পাল্টা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। তিনি বলেছেন, সাংসদ কী মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিতে ডাক পাওয়ার জন্য উদগ্রীব। মুখ্যমন্ত্রীর অনুকূলে জয়ী হয়ে তমলুকের সাংসদ হলেন দিল্লি গেলেন। সেই মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের কুৎসা করার পর ডাক পাওয়ার আশা করেন কী করে। তবে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি দিব্যেন্দুর অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

রাজ্য সরকারের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত মজুমদার

যে কাজ করার কথা একজন পুলিশ আধিকারিকের সেখানে যদি খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই থানার একজন আইসিকে সাসপেন্ড করতে হয় তাহলে রাজ্যের মানুষের বুঝতে খুব একটা অসুবিধে হবার নয় যে, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির কি হাল করে ছেড়েছেন তৃণমুল নেত্রী। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার গোপালগঞ্জে চোর ধরো জেল ভরো কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের এক পথসভায় যোগ দিতে এসে সংবাদিকদের বাগুইআটি থানার আইসি সাসপেন্ড করা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে তো কেবল মলয় বাতাস বইছে আগে আগে দেখুন আরও কিছু ঘটবে। এর পাশাপাশি আজকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশের সময় বলেছেন তিনি কোনও দুর্নীতি নিয়োগ ক্ষেত্রে মানবেন না, সে প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো মেনে নিয়েছেন চরম দুর্নীতি হয়েছে, তার চেয়েও বড় কথা দুর্নীতি হয়েছে সেটা যে মুখ্যমন্ত্রী জানতেন তার বড় উদাহরণ উত্তরবঙ্গে এক প্রাক্তন তৃণমুল বিধায়ক তো জানিয়ে দিয়েছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাচটি নাম পাঠিয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসব বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন, এখন সব জেনে বুঝেও নিজের দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন, বলে সুকান্ত মজুমদার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন।পাশাপাশি বাগুইআটি কান্ডের তদন্তে গিয়ে পুলিশ এলাকার বেশির ভাগ সিসিটিভি অকেজো হওয়ায় তদন্তে আসা অফিসারদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃনমুলের লোকজন নিজেদের চুরি চামারি ঢাকতে এই সব সিসিটিভি অকেজো করে রাখে। না হলে সারা রাজ্যে যে ভাবে বালি চুরি, পাথর চুরি, কয়লা চুরি, মাটি চুরি, গরু চুরি চলছে তা যে ধরা পড়ে যাবে সে জন্য পুলিশকে বলেই তৃণমুলীরা এসব কাজ করে থাকে বলে তিনি জানান। এছাড়া হঠাৎ করে রাজ্যে সিআইডি সক্রিয় হয়ে ওঠা নিয়ে বলেন, রাজ্যে সিবিআই ইডিকে থামানোর জন্য রাজ্য সরকার এগুলো করছে। আগে করলে তবুও হতো এখন এগুলো করা হচ্ছে জাস্ট আই ওয়াস করবার জন্য।এদিকে আজকের এই পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল বাগুইআটি কান্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁকে যে কাল তৃণমুল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে লক্ষীরভান্ডার প্রাপক মহিলাদের দিয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে বলেন অথচ ছেলেটির মা জানলা দিয়ে তাকিয়েছিল আমাদের সাথে কথা বলার জন্য।বিকাল চারটেতে এই পথসভায় সুকান্ত মজুমদারের আসার কথা থাকলেও সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ এই পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে সম্প্রতি রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে বলেন, আমি পাহাড় দেখেছি দার্জিলিং গিয়ে, আর এবার টিভিতে টাকার পাহাড় দেখলাম। তাহলেই বুঝুন এই সরকারের আমলে কতরকমের দুর্নীতি হয়েছে। যার পরিমান কোটি কোটি। অনুব্রতর জেলে যাওয়ার প্রসঙ্গও বাদ যায়নি। তিনি বলেন এখানকার বেকার ভাইদের বলব এবার থেকে মাছের ব্যবসা করুন, তাহলে ১৭ কোটি ঘরে আনতে পারবেন। ছুয়ে যান প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ের টিউশনি পড়ানোর তত্ব ও তার উপার্জনের কথা। ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযানে এই জেলা থেকে প্রচুর মানুষ যাতে যোগ দিতে পারে সে ব্যাপারে জোর তৎপরতা জেলা বিজেপির তরফে চলছে দেখে রাজ্য সভাপতি খুশি হন আজকের এই ছোট্ট পথসভা শেষমেষ জনসভায় রুপান্তর হতে দেখে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

'বর্ধমান শহরে ওরা যা তান্ডব করেছে, আমাদের ৫ মিনিট লাগবে ওই তান্ডব বন্ধ করে দিতে' -বিধায়ক খোকন দাস

বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। এই নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে জনতার কথাকে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, তিনি ২-৩ দিন একটা বিশেষ কারণে বর্ধমানের বাইরে ছিলেন। তিনি এও জানান এক বেসরকারি এনজিও তাঁকে বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসাবে সন্মাননা দেওয়ার জন্য তাঁকে দিল্লী ডেকে ছিল, সেই পুরস্কার নিতেই তিনি শহরের বাইরে ছিলেন।তিনি আরও জানান আমি কাল দিল্লীতে বিভিন্ন চ্যনেলের মাধ্যমে ও দলের কর্মিদের কাছে বুধবারের ঘটনার পুংখানুপুংখ রিপোর্ট পেয়েছি। তিনি জানান, যেকোনোও পার্টিই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করতে পারে, কিন্তু বুধবারচোর ধরো জেল ভরো আন্দোলনের নামে যেভাবে তান্ডব চালিয়েছে সিপিএম তাঁর ভাবছে আবার এইভাবে সন্ত্রাস করে সিপিএম আবার বাংলায় ফিরে আসবে। ২০১১ থেকে বারবার নির্বাচনে প্রমানিত বাংলার মানুষ সিপিএম কে পছন্দ করেনা।তিনি আরও জানান কলকাতা থেকে দলনেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের দলীয় কর্মীরা যথেষ্ট সংযত ছিল। কারন আমরা বাংলায় শান্তি চায়। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, বর্ধমান শহরে ওরা যা তান্ডব করেছে, আমাদের ৫ মিনিট লাগবে ওই তান্ডব বন্ধ করে দিতে। তিনি আরও জানান,আমাদের কর্মীরা কাল্কেই অদের পার্টি অফিস ভেঙ্গে দিতে চায়ছিলো। আমাদের কলকাতা থেকে বারন করেছে বলে তাই আমাদের কর্মীদের কোনও জায়গায় কোনও কিছু করে নাই। তিনি বাম নেতাদের ও সংযত হওয়ার আবেদন করেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

'গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না' অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ইডির তলব নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আমি রাজনীতির কথা বলবো না গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না। অন্য জায়গায় বলবো জায়গাটাকে অপবিত্র করবেন এইরকম গরু চোর গরুকে আমরা মাতা বলি আর এরা গরু পাচার করে।পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন নিয়ে বলেন, আমাদের সহানুভূতি আছে আমি যে বিধানসভায় সাসপেন্ড হয়েছিলাম পানিহাটি ঝালদা রামপুরহাটের বাগটুই এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে উনি আমাদের দলের কাউন্সিলর ছিলেন না কিন্তু আমাদের সহানুভূতি ছিল আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম প্রথম দিন তার পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয় কিন্তু পরবর্তীকালে শাসক দলের লোকেরা ওনাকে বুঝিয়ে বলেন এই সরকারের পুলিশ সিআইডি থেকে বিচার পাবেন সাময়িকভাবে ভুল বুঝিয়ে আজকে খুনিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে ওনার স্ত্রী এবং বাড়ির লোককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সিআইডি তদন্তের উপর আস্থা রাখবেন না উচ্চ আদালতে যাবেন সিবিআই তদন্তের দাবিতে।অনুপম দত্তের স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, আমি জানি খুব খুব বেদনাদায়ক ঘটনা গণপতি বাবার কাছে ওনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করব এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়ুক তিনি যে ধরনের আইনি সাহায্য বা লিডার অপজিশন হিসেবে যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ছাড়া আর কোন দলের এমএলএ নেই তাই এই সরকারের দ্বারা এখানকার গুন্ডাদের দ্বারা যেই পীড়িত হবে যে দলেরই যারা সরকার বিরোধী তাদের পাশে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত বিরোধী দলনেতা তাদের পাশে থাকবে।মিনাক্ষী দত্ত মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিল কিন্তু পাইনি, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এগুলো বলতে পারব না। আমি শুধু বলবো এই রাস্তাটা তাড়াতাড়ি সারানোর ব্যবস্থা করতে।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধিত হারে ডিএ না দেওয়ায় কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও কলেজের কর্মীদের হুমকি জামালপুরের ছাত্র নেতার

বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল বাম সমর্থিত কর্মি সংগঠন। সেই কর্মবিরতির ডাকে সামিল হওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের রুমে ঢুকে শাসালেন ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক। তাঁর আচরণে শিক্ষক মহলের অনেকেই আরাবুলের ছায়া দেখতে পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানিয়েছেন।টেবিল চাপড়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারিও দিলেন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ এই ছাত্র নেতা। প্রসঙ্গত, তিনি জামালপুর কলেজের ছাত্র নন। কলেজ পড়ুয়া না হয়েও শুধুমাত্র শাসক দলের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একজন যুবক কি ভাবে কলেজ শিক্ষকদের এইভাবে হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকরাই। মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকেও রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজনীতি

বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির, ভাইরাল ভিডিও, কটাক্ষ বিজেপির

শাসকদল তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের দূর্নীতির কর্মকান্ড ক্রমেই সামনে আসছে। এবার মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললো দলেরই অঞ্চল সভাপতি। মহিষাদল ব্লকের নাটশাল-২ এর তৃণমূলের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি কমলাকান্ত মন্ডল, এবং স্ত্রী জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মন্ডল। অঞ্চল সভাপতি কমলা কান্ত মন্ডলের একটি ভিডিও ভাইরাল রয়েছে। সেই ভিডিওতে তিনি বলছেন,নাটশাল-২ অঞ্চলে সরকারি যে কাজ হয়ে থাকে তা থেকে বিধায়ক কাটমানি নিয়ে থাকেন। কাটমানির অর্থ চার ভাগ করে পাট পাট নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি, রাস্তার কাজ ছোট ও কম উচ্চতায় করা হয়। কাটমানি নিয়ে নিম্ন মানের কাজ হয়ে থাকে। পাশাপাশি নাটশাল-২ গ্রামপঞ্চায়েতে যাকে প্রধান করেছেন তিনি তৃতীয় শ্রেণী পাশ। অনেক সদস্য মাস্টার ডিগ্রি থাকলেও তাদের করা হয়নি। কারন কাটমানি নিতে পারা যাবে না তাই।মঙ্গলবারই কলকাতার কাম্যাক স্ট্রিট অফিসে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠকের কয়েক ঘন্টা কাটতে না কাটতে দলের অঞ্চল সভাপতির এই ধরনের ভিডিও নিয়ে রাজনীতি চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য জুড়ে যেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী, নেতারা কাটমানি নিচ্ছে সেখানে একজন বিধায়ক নিচ্ছে, তৃণমূল দলটাই দূর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। পাশাপাশি দলের মধ্যে এতো বেশি গোষ্ঠী দ্বন্দ তার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্লক সভাপতি বিধায়কের সমন্ধে বলছে আবার বিধায়ক ব্লক সভাপতি বিরুদ্ধে বলছেন। এটাই এই রাজনৈতিক দলের কালচার। এই ধরনের অভিযোগ ব্লক, জেলা, রাজ্য সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে।যদিও দলের অঞ্চল সভাপতি করা অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অঞ্চলের মিনিমাম কন্ট্রোল যার নেই, সে এই ধরনের মন্তব্য করছে, যার কোনো মূল্য নেই, যার কোনো গ্রহনযোগ্যতা নেই, যতটুকু পাওয়ার তার থেকে বেশি পাওয়ার জন্য এইধরনের অভিযোগ করছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্ব বাড়িতে আসায়, বাড়িতে বোমা বাজির অভিযোগ কাঁচরাপাড়ায় বিজেপি নেতা বিমলেশ তেওয়ারির

গতকাল কাঁচরাপাড়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কলেজ মোড়ে বিজেপি নেতা, বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত ভট্টাচার্য। বিমলেশ তেওয়ারির অভিযোগ সুকান্ত মজুমদার আসার জন্য আমরা রোষানলে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। রাত্রি একটা নাগাদ বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ জানায় ওই বিজেপি নেতা।এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে জিজ্ঞাসা করলে গোটা ঘটনা অস্বীকার করেন শাসকদলের নেতারা। আশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজপুর থানার পুলিশ, ইতিমধ্যেই তাঁরা তদন্ত শুরু করেছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামে অনুব্রত ঘনিষ্ট ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই একাংশের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ

এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি বালির কারবার সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষ পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্যও। জানা যায় কয়েকজনের সাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ রামকৃষ্ণ ঘোষ।আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন ধনকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সুভাষ মণ্ডলকে ২০১৬ র বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার কেন্দ্রের প্রার্থী করে দল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকে দলের সভাপতির পদে রামকৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই থেকেই রামকৃষ্ণ ঘোষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়দের একাংশ।জানা যায় আউশগ্রামের কোটা অঞ্চলের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ ডেকরেটর সামগ্রীর ব্যবসা করেন। রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সাবির হোসেনের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্ব পরেই ঠিকাদারি, বেআইনি বালির কারবার, বেআইনি কয়লার কারবার থেকে প্রচুর টাকা রোজগার করে রামকৃষ্ণ ঘোষ। রাস্তাঘাটের টেণ্ডার ওর মাধ্যমেই পরিচালনা হয়। গ্রামে তিনতলা বাড়ি ছাড়াও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি বাড়ি তৈরি করেছে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে। আমরা আগেও রামকৃষ্ণ ঘোষের বেআইনি কারবার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ চেপে যাওয়া হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।গ্রামবাসী উত্তম আঁকুড়ে বলেন,রামকৃষ্ণ ঘোষ আগে প্যাণ্ডেলের ব্যবসা করতেন। ব্লক সভাপতি হয়ে যাওয়ার পর অনেক জমিজায়গা,বাড়ি কিনেছেন। দুমাস আগেও একটা বাড়ি কিনেছেন। পার্টির নেতা তো, বালি,কয়লা,অনেক রকম কারবার আছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রামকৃষ্ণ ঘোষ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওসব বিরোধীদের চক্রান্ত। আমার জমিজায়গা যা আছে সেগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি প্যান্ডেলের ব্যবসা করি। আমার স্ত্রী কলেজে চাকরি করেন। সেই চাকরি ২০০৮ সালে পাওয়া। আমার দাদা সায়েন্টিস্ট।আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার। ভাইয়ের নিজস্ব কারখানা আছে। আমাদের জমিজায়গা, পুকুর যা আছে তা বাপঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

ফের পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব

ফের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ভাল্কি পঞ্চায়েত এলাকার শাসক দলের জিতেন বাগদীকে তলব করলো সিবিআই।তবে তাকে দুর্গাপুর বা কলকাতার নিজাম প্যালেসে যেতে হবে না। ২ সেপ্টেম্বর জিতেন বাগদীর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। গতকাল অর্থাৎ ২৪ আগষ্ট জীতেন বাগদীর বাড়ি ঘুরে গেছে সিবিআইয়ের টিম। তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় সিবিআই জিজ্ঞসাবাদ করবে ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩ টের সময়।তাকে বাড়িতে থাকাতে বলা হয়েছে।এখানে উল্লেখ্য গত ৬ আগষ্ট অরূপ মিদ্যাকে সরিয়ে তার জায়গায় জীতেন বাগদীকে ভাক্লি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। তবে তিনি নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি। তিনি টেলিফোনে বলেন, কোনও নোটিস পায়নি।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আউশগ্রামের শাসক দলের একাধিক নেতাকে তলবা করা হয় দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে। সেখানে জেরা করা হয়েছে। যদিও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই বিষয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,এরকম খবর শুনলাম। এই কদিন আগে তাকে অঞ্চল সভাপতি করেছে দল।তবে সবই তো বোঝা যাচ্ছে কি হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা।বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আমরা তো বারে বারে আবেদন করেছি দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের সিবিআই গ্রেপ্তার করে তদন্ত করুক। আগামীদিনে বাংলার দুর্নীতিবাজ নেতারা কেউ রেয়াত পাবে না। জীতেন বাগদীর বাড়ি আউশগ্রাম থানার প্রেমগঞ্জ গ্রামে গেলে তার দেখা মেলে নি। তার স্ত্রী চিন্তা বাগদী বলেন, বাড়িতে নাই। বাইরে গেছে। তিনিও জানান,তাদের বাড়িতে কোন চিঠি আসে নাই।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির ভোটে বিজেপি ধরাশায়ী, বিপুল জয়লাভ তৃনমূলের

রবিবার ছিল নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম-পঞ্চায়েতের হানুভুঁইয়া কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাচন। মোট ৫২ টি আসনের মধ্যে মনোনয়ন পর্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১টি আসনে জিতেছিলেন তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থী। বাকি ৫১টি আসনের ভোটে তৃণমূল সমর্থিত ৫১ জন প্রার্থী ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি সমর্থিত ৪০ জন এবং সিপিএম সমর্থিত ২৯ জন প্রার্থী।নির্বাচনে ২৫০০ সদস্য ভোটারের মধ্যে ৯০ শতাংশ ভোটাধিকার প্র্যোগ করেন। নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ছিল রীতিমত টানটান উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। ভোট শেষ হলে গণনায় দেখা যায় ৫০ টি আসনে তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। আর একটি আসনে জয়ী বাম সমর্থিত প্রার্থী।নন্দীগ্রাম ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মহাদেব বাগ বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে বিরুলিয়া অঞ্চলে ১০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। বিজেপির হাত ধরার অভিজ্ঞতা হয়েছে মানুষের। তাই সমবায়ের উন্নয়নের জন্য তৃণমূলেই আস্থা রেখেছেন এলাকার মানুষজন। তাঁরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে কেন এই ছবি, তার উত্তর খুঁজতে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে বিজেপি-র অন্দরেই। যদিও ব্যর্থতা আড়ালে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জির দাবি, চাপা সন্ত্রাসের মুখে ভোট দিয়েছেন মানুষ তাই এই ফল।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

'তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে রাইসমিলে চালের বদলে গাড়ি উৎপাদন হয়' কটাক্ষ বিজেপি রাজ্য নেত্রীর

শুক্রবার বর্ধমান সদর জেলা কার্যালয়ে দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার সাংসদ তথা বেজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের রাইসমিলের ভিতর দামী চারচাকা গাড়ি উদ্ধার হওয়া নিয়ে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।শুক্রবার সকালে ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের একটি রাইসমিলে সিবিআই আধিকারিকরা তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকটি দামী বিলাসবহুল গাড়ির সন্ধান পায়। এই নিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই রাজ্যে ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা মেলে, রাইসমিলের ভিতরে গাড়ি উদ্ধার হয়। তাই বাংলার মানুষ হিসেবে নিজেদের লজ্জা হয়। এই সব গাড়ি করেই বিভিন্ন জায়গায় জিনিস পাচার হত। অপকর্ম করা হত। এখন তার প্রমাণ মিলছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন এসব প্রতিহিংসা। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমরা প্রস্তুত তদন্তের মুখোমুখি হতে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্রনাথ তেওয়ারি বলেন,সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা হয়েছে রাজনৈতিক নেতারা দুর্নীতিগ্রস্থ। তাই আমরা চাই তদন্তে সামনে দাঁড়াতে। কিন্তু যারা অভিযোগ করছে তারাই তো দুর্নীতিতে ঢেকে গেছে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অতি-তৎপরতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থার অতি-তৎপরতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার পর রাজ্য শাসকদলের প্রেস বিবৃতি দিতে এসে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন শুক্র ও শনিবার রাস্তায় নামবে তৃণমূল ছাত্র যুব সংগঠন। সিবিআই নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করুক এই দাবিতে রাস্তায় নামলো পুর্ব বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস ও জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শুক্রবার বিকালে শহরের বীরহাটা থেকে কার্জনগেট চত্বর পর্যন্ত মহামিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে কার্জনগেট চত্বরেই হয় বিক্ষোভ সভা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস, অলোক মাঝি, রাজ্যে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু কোনার, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ যুব তৃণমূলের নেতৃত্বরা।প্রসঙ্গত, অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির পর দিকে দিকে চলছে বিরোধীদের বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের মনোবলকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতৃত্বের এদিনের প্রতিবাদ মিছিল বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর। তাঁদের দাবী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে কন্ঠরোধ করতে আসরে নেমেছে।তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিবিআই ও ইডি কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করছে। তাঁরা মিছিল থেকে এই অভিযোগ তোলে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের মনোবল ভেঙে দেবার চেষ্টা করছে। কিন্তু তৃণমূলকে চমকে, ধমকে কিছু হবে না বলে প্রতিবাদ মিছিল থেকে দাবি করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে বুকে পোষ্টার লাগিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয় তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। মিছিল থেকে ওঠে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে স্লোগান।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, দাবি মিঠুনের

শিবসেনার মধ্যে বিদ্রোহ ঘটিয়ে মহারাষ্ট্র দখল করেছে বিজেপি তারপর থেকেই বিরোধী দলনেতা দাবি করে আসছেন এরপর ঝাড়খন্ড তারপর বাংলা। এই নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। যদিও ২০২১ ভোট-পরবর্তী সময়ে বিজেপির ৭-৮জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২ জন সাংসদ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। বুধবার রাজ্য দফতরে বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী দাবি করেন, তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জন আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এই দাবিকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে।এদিন হুগলিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, চব্বিশে বিজেপি আসবে না, আসবে না, আসবে না। কোন অঙ্ক, কেন, কী ভাবে তা জানি না। তারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেতা মিঠুন জানিয়ে দেন ৩৮ জন তৃণমূল বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখছেন।

জুলাই ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal