• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool

রাজনীতি

জেলবন্দি অনুব্রত মন্ডলের বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতির পদত্যাগ, কেন?

গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জেলবন্দি। এই সময়ে দল ছাড়লেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিপ্লব ওঝা। সেই সঙ্গে বীরভূমের জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ঘট করে সাংবাদিক সম্মেলনে দলত্যাগ ও পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন বিপ্লববাবু।একসময় বিপ্লব ওঝা বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০৭-এ তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সংসদ শতাব্দী রায় জয়ী হন। তারপরই প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লববাবু। সে সময় নলহাটি পুরসভা রাজ্যে তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। নলহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেননি। বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন।পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোন পদে রাখা হয়নি। কিন্তু বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বিপ্লববাবুকে। সেই আক্ষেপেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে দাবি বিপ্লববাবুর। তবে এখনও কোন দলে যোগদান করছেন সে কথা না জানাননি। তবে আজই নলহাটিতে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চেই বিপ্লববাবুর বিজেপিতে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি যে রাজনীতি থেকে সরে যাবেন না তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

দলেরই এক কাউন্সিলরের ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, দলীয় কোন্দলে জেরবার কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার বাইরে নয় একেবারে কালনা পুরসভার অন্দরমহলে। তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর এর ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে কালনা পৌরসভায় পৌরসভার বোর্ড মিটিং চলার সময়, কালনা শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির উপর হামলার অভিযোগ, কালনা শহরেরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপ বসু এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন বসুর বিরুদ্ধে।ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এরপরই এদিন বুধবার সন্ধ্যায় কালনা কাটোয়া এসটিকে রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে, রাস্তা অবরোধ করে সন্দীপ বসু এবং অনিল বসুর বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসেরই একাংশ। কালনা পৌরসভারই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস দাসের ওয়ার্ডে ঠিক মতন নিকাশী নালা পরিষ্কার হয় না, আর সেই বিষয় নিয়ে আজকের বোর্ড মিটিংয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুমন বসু ওরফে অনিল বসু ওই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তাপস দাস কে চেয়ার ছুড়ে মারতে যায়, এরপর তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাপ ছুঁড়তে থাকে,সেই কাপ দিয়ে লাগে রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জীর দাঁতে এবং কপালে।গুরুতর জখম অবস্থায় থাকে কানলা মহকুমা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের অন্তরে এই এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলর অনিল বসু দিন জানান, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, উনি বয়স্ক মানুষ আমি ওনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। কালনা এসটিকেকে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করার পর বিক্ষোভকারীরা কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায়, অন্যদিকে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুমন বসু।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিক তৃণমূলের দলীয় সভায় সংবর্ধিত, সমলোচনায় মুখর বিরোধীরা

কর্তব্যরত অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচিতে সম্বর্ধনা নেবার অভিযোগ উঠল বর্ধমানের এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। বর্ধমান গোলাপবাগ ট্রাফিক পোস্টের ওসি বিশ্বনাথ পাইনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তিনি অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের খাগড়াগড় এলাকায় খাগড়াগড় তৃণমূল কংগ্রেস ও খাগড়াগড় যুব সংঘ একটি মশারি বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে বিধায়ক খোকন দাস, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা হাজির ছিলেন।এখানেই একটি ভিডিওতে ট্রাফিক ওসি বিশ্বনাথ পাইনকে সম্বর্ধনা নিতে দেখা যায়। তিনি পুলিশের পোশাকেই ছিলেন।এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, এই রাজ্যের পুলিশ মমতা পুলিশে পরিণত হয়েছে। আমাদের দাবি, এ কাজ অন্যায়। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।অন্যদিকে জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি গৌরব সমাদ্দারের দাবি, এ রাজ্যে পুলিশের পোশাকের নীচে দলের পতাকা রয়েছে। এই কাজ নিয়মের বাইরে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি। দলীয় কর্মসূচিতে সরকারি আধিকারিক যেতে পারেন না। কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।অভিযুক্ত আধিকারিক বিশ্বনাথ পাইনের বক্তব্য, ওটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি বলেই তিনি জানতেন। তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওখানে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে অনুরোধ করায় অল্প সময় সেখানে ছিলেন। দলের কর্মসূচি বলে সেখানে যাননি।এমনিতেই বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের কাজকর্ম নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বর্ধমানে। তার উপর এই নতুন বিতর্ক। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, খবরটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। প্রয়োজনে শোকজ করা হবে আইন অনুযায়ী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কংগ্রেসের নিচুতলা নেতাদের সতর্ক করে যুবনেত্রী জানালেন "বাপেরও বাপ আছে"

নদীয়ার চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুকদেব ব্রহ্মের বিরোধীদের হুঁশিয়ারি সম্পর্কে সরব হলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। তিনি বলেন, এইসব বড় বড় কথা যাঁরা বলছেন তাঁরা নিজেকে মমতা বন্দ্যপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা ভাবছেন। যাঁরা নিজেদেরকে দলের থেকেও বড় মনে করবেন তাঁদের ক্ষেত্রে মানুষ অবধি সুযোগ যাবে না। দলই ঠিক সময়ে তাঁদেরকে বসিয়ে দেবে। একই সঙ্গে সায়নী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেখছেন তো অভিষেকদা যাবার পরেই এদিন পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে।সায়নী আরও বলেন, কেউ যদি ভাবে আমি তৃণমূল করি, তৃণমূল আমাদের জায়গা দিয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের লিডারের কথা অমান্য করে, প্রশাসনকে অমান্য করে ধমকি দেব ধামকি দেব সেই সব চলবে না। তাদের যেন মাথায় থাকে বাপেরও বাপ আছে।রবিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আসরে সায়নী ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন খেলা হবে। দুমাস পর খেলা হবে। এখানে উল্লেখ্য চাপড়ার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুকদেব ব্রহ্ম প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের দিন সিপিএম ও বিজেপিকে ঘর থেকে বার হতে দেব না। ওদের ঘরবন্দী করে রাখবো।পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে প্রতিনিয়ত বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের টাইট দেওয়ার নানা নিদান দিচ্ছেন প্রকাশ্য জনসভা মঞ্চ থেকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে 'ধেরে ইঁদুর' বলে কোন তৃণমূল নেতাকে সম্বোধন করলেন সৌমিত্র খাঁ?

ডিসেম্বরে ধেরে মাথা অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরা পড়বে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সারের কালোবাজারির প্রতিবাদে ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিডিওকে। ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন ধেরে ইঁদুর মানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পিসি ভাইপো সহ গোটা পরিবার চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।এদিন জামালপুরের নেতাজী ময়দান থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করে যায় বিডিও অফিসে।মিছিলে নেতৃত্ব দেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। মিছিল জমায়েত হয় বিডিও অফিসের সামনে। আলুচাষের ভরা মরশুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি হচ্ছে। চাষীরা চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিন কালো বাজারী রুখতে প্রশাসনকে সক্রিয় হওয়ার জন্য ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিডিও অফিসের সামনে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা চোর,শ্বশুর চোর। এরা সোনা চোর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

আবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের নামে

পোস্টার রাজনীতি অব্যাহত বর্ধমানে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গার রাজনৈতিক নেতাদের নিখোঁজ নোটিশ দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ জনসাধারণ। বর্ধমানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো শহর জুড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই পোষ্টার বিরোধীরা লাগিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। বিষয়টি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা সাঁই। উমা সাঁই হলেন ১৯৭০-এর ১৭ই মার্চ বর্ধমান শহরের হারহিম হত্যা কান্ড সাঁই বাড়ির প্রতিনিধি। সেই উমা সাঁইয়ের সন্ধান চেয়ে কার্জনগেট চত্ত্বরে পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পোষ্টারে উমা সাঁইয়ের ছবি দিয়ে সন্ধান চাই লেখা হয়েছে। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ওয়ার্ডের মানুষজন জানেন আমি ওয়ার্ডে যাই কিনা। সপ্তাহে দুদিন আমি ওয়ার্ডে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখি ও তার সমাধান করার চেষ্টা করি। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ড থেকে আমি জয়লাভ করি এবং এবছরও এই ওয়ার্ড থেকে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। কে বা কারা কি উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোষ্টার লাগিয়েছে বলতে পারবো না।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস এটাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে লড়াই করতে না পেরে তৃণমূলকে বদনাম করতে এটা করা হচ্ছে বলে দাবি তার। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে, লজ্জায় তাঁরা মানুষের কাছে জেতে পারছে না। নিজেদের মধ্যে তোলাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সমস্যার জেরে এই পোষ্টার বলে দাবি বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউয়ের।উল্লেখ্য, মাস চারেক আগে বর্ধমানে পোস্টার রাজনীতির আমদানি হয়। শহরের কোর্ট কম্পাউণ্ডে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে ফের পদে ফেরানোর দাবিতে পোস্টার পড়ে। মাস খানেক আগে ফের কোর্ট কম্পাউণ্ডে পোস্টার পড়ে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া নিখোঁজ বলে। তারপর বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর চায়না কুমারী নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়ে। পোস্টার রাজনীতির নবতম সংযোজন বর্ষিয়াণ উমা সাঁই।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজনীতি

উত্তপ্ত রায়না, শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ছড়ালো এলাকায়

ফের রায়নায় গণ্ডগোল। শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ছড়ালো। মিছিলে না যাওয়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান ও তার স্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো ব্লক সভাপতির অনুগামীদের বিরুদ্ধে।বুধবার বিকালে রায়না ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বাইক র্যালি ও পথসভার আয়োজন করা হয় রায়নার বৈঠারি গ্রামে। অভিযোগ সেই সভায় যোগ না দেওয়ায় কাইতি পঞ্চায়েতের প্রধান তনুজা বেগম ও তার স্বামী সেখ সিরাজকে মারধর করে ব্লক সভাপতির অনুগামীরা। বৃহস্পতিবার সকালে একটি স্কুটিতে করে পঞ্চায়েত অফিসে যাচ্ছিলেন তনুজা বেগম। সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী সেখ সিরাজ। তিনি আবার রায়না ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কিষাণ মোর্চার সভাপতি। অভিযোগ, পঞ্চায়েতে যাবার সময় অসীম পালের লোকজন তাদের রাস্তা আটকায়। স্কুটি দাঁড় করিয়ে সেখ সিরাজকে মাটিতে ফেলে মারধর করে গ্রামেরই চার তৃণমূল কর্মী। রায়হান ওরফে বুড়ো, সাহারো, মনি ও মিরাজ এই চারজন হামলা করে বলে অভিযোগ। প্রধান তনুজা বেগম আটকাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এরা সকলেই তৃণমূল ব্লক সভাপতি অসীম পালের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ করেন প্রধান। তাদের আলমপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর প্রধান তনুজা বেগমকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সেখ সিরাজকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই অসীম পাল টেলিফোনে জানিয়েছেন, ওই প্রধান নিজেকে শাহেনসা মনে করেন। অঞ্চলের লোককে বিশেষ পাত্তা দেন না। অঞ্চলে যা কাজ হয় সবটাই নিজেদের সুবিধার্থে করে। প্রধানের বাড়িতে বসেই টেণ্ডার হয়। বাড়িতেই দুতিনজন কনট্রাকটর আছে তারাই সব কাজ করে বলে অভিযোগ। গ্রামে মসজিদে যাবার রাস্তা খারাপ অথচ প্রধানের বাড়ির সামনের রাস্তা ভালো। এটা এলাকাবাসীদের ক্ষোভের কারণ হতে পারে। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানান সভাপতি।বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি শুনেছি। যে বা যারা প্রধানের উপর আক্রমণ করেছে পুলিশকে বলবো তাদের বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নিতে।

নভেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

'জন প্রতিনিধি মানে জনগণের প্রতিনিধি', সকলকে নিয়ে চলার বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী

জনগণের প্রতিনিধি। সুতরাং জনগণকে আমাদের সার্ভিস দেওয়ার কাজ বলে জনপ্রতিনিধিদের দাওয়ায় দিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের জৌগ্রামের আমড়া মোড়ে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মহিলাদের নিয়ে চলো গ্রামে যাইয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় তিনি বলেন, শুধু ভোট নয়,আমি তো চাইবো ভোটটা আমাদের দিক। কিন্তু তাতেও তার একটা রাজনৈতিক দল করার অধিকার আছে। অন্য কাউকে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু তার জন্য তিনি জল পাবেন না,বাড়ি পাবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এইটা বিশ্বাস করেন না। সবাইকে দেবে।এটা মনে রাখতে হবে। আপনি যখন গ্রামে যাবেন হয় আপনি পঞ্চায়েত সদস্য বা পঞ্চায়েত সমিতির কিংবা জেলা পরিষদের। আপনি জনগণের প্রতিনিধি। তাই জনগণকে আমাদের সার্ভিস দেওয়া কাজ। আমরা সিপিএম নই, আমাদের সঙ্গে মিছিলে না গেলে সুযোগ সুবিধা পাবে না। আমরা এই বিশ্বাসে রাজনীতি করি না তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে কোন ভয়ের নয়। ভয় তো বিজেপিই খাচ্ছে। ওরা তো দাঙ্গা বাঁধানো দল। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পুলিশ প্রশাসনকে সর্তক থাকতে।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

চাঞ্চল্যকর মন্তব্য বিধায়কের! বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসছে তাঁরা সবাই বিজেপির

নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তারাতো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যারা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাদের। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বির্তক।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন বিধায়ক খোকন দাস। যা ঘিরে জেলায় আলোড়ন শুরু হয়ে গেছে।বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি তথা জেলা মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জীর অভিযোগ, এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে যে তৃণমূলই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে বিজেপি নয়। বাংলাদেশ থেকে আসা লোক সম্পর্কে যদি বিধায়কের কাছে কোন তথ্য থাকে তাহলে বিধায়কের উচিত ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি না করে সেই তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রকে জানানো। আমরা তো এই কারণেই সিএএ লাগু করার কথা বলেছি,যার প্রযোজনীয়তা আজ বিধায়কের কথাতেই স্পষ্ট।যদিও পূর্ব-বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিজেপিই অভিযোগ করেছিল পশ্চিমবাংলায় বাংলাদেশী লোক ঢুকছে তো বিধায়ক এটাই বলতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশ থেকে যদি কোনো লোক ঢোকে তাদের নাম ভোটার লিষ্টে তুলবেন না। অযথা কথার অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তৃণমূল ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে না। সিএএ লাগু করা বিজেপির একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। ভোটের সময়ই তা প্রতিফলিত হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

আতঙ্ক কাটেনি সাঁইথিয়ার বহরাপুর গ্রামে, আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন অনেকে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক

সাংগঠনিক ভাবে না স্বীকার না করলেও উত্তররোত্তর বেড়েই চলেছে গোষ্ঠী দ্বন্দ। বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আছে নিজেদের দলের ভিতরেই এলাকা দখলের লড়াইয়ে বারুদের স্তুপে পরিণত হয়েছে গ্রাম বাংলা। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরে সোমবার থেকে চাপা উত্তেজনা বীরভূম জেলার সাঁইথিয়ার কাছে বহরাপুর গ্রাম। সোমবার বোমাবাজির ফলে জখম হন ২ জন। আতঙ্ক ছড়িয়েছে বহরাপুরে সংলগ্ন এলাকা । গ্রামবাসিরা গ্রাম ছাড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এখনও অবধি বীরভূম জেলা পুলিশ এই ঘটনায় মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে।বহরাপুর গ্রামে পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ তৃণমূলের সাঁইথিয়া ব্লক সভাপতি সাবের আলি খান এবং তৃণমূল নেতা তুষার মণ্ডলের গোষ্ঠীর সাথে ঝামেলার কারনেই এই দূর্ঘটনা। এখনও অবধি বহরাপুর ও তার আশপাসের এলাকা তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বম্ব স্কোয়াড। টহলদারি চলানো হচ্ছে। বীরভূমের পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে জানান, গ্রামে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে, পুলিস সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করছে। মানুষের ভরসা ফেরাতে গ্রাম জুড়ে টানা তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যাতে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত না হয়ে ওঠে সেই দিকেও পুলিস নজর দিচ্ছে।যে দুজন বোমার আঘাতে আহত, তাঁদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজনকে আইসিইউ ভর্তি করা হয়েছে। সুত্র মারফত জানা যায়, আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসারা জন্য কলকাতা নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

গোষ্ঠী কোন্দলে লাগাম টানা যাচ্ছে না! শীর্ষ নেতৃত্বের হুঁশিয়ারী, নিষেধাজ্ঞা কাজ হচ্ছে না কিছুতেই

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হুঁশিয়ারী কিংবা নিষেধাজ্ঞা, তবু দলের গোষ্ঠী কোন্দলে লাগাম টানা যাচ্ছে না। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বিরুদ্ধে বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন পূর্ববর্ধমানের মেমারি ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। সিপিএম ও বিজেপির লোকদের নিয়ে গ্রাম দখলের রাজনীতি করতে নেমেছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী । তিনি আরো বলেন, যারা দুর্দিনে মার খেয়ে পার্টি করেছিল তাদেরকে তিনি সরিয়ে দিতে চাইছেন। দলকে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছেন। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই তিনি ময়দানে নেমেছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মেমারি ২ নম্বর ব্লকে মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুর মেমারি ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হরিসাধন ঘোষের সমর্থনে র্যালিতে অংশ নেন। ওই র্যালি থেকে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন,মুখ্যমন্ত্রী ৭২ টি প্রকল্প চালু করেছেন মানুষের জন্য। বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাবো এসসি, এসটি মা বোন ভাইদের কি পান নি আমাদের জানান। কি করতে হবে আমাদের বলুন। দলের নেতারা কেউ কাটমানি খাবে না। আমরা চাঁদা তুলবো,বলে তুলবো।আমরা চাল আলু দিয়ে খিচুড়ি ভাত খাবো।আমি কাউকে কাটমানি খেতে দেবো না।আমি কাউকে চার পয়সা চাই নি।আপনারাও দেন নি।আমিও চাই নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,দলের কথা, প্রশাসনের কথা বাইরে বলা উচিত নয়।এটা দল বিরোধী কাজ।দল এসব বরদাস্ত করবে না। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঠাকুর ঘরে কে,আমি তো কলা খায় নি।কাটমানি নিয়ে আমি তো কারো নাম করে কিছু বলে নি।তাহলে ওর এত গায়ে লাগছে কেন। আমার কাছে তথ্য আছে তা যদি আমি প্রকাশ করি তাহলে উনি আর সাতগাছিয়া বাজারে মুখ দেখাতে পারবেন না।পাশাপাশি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও ওর বিরুদ্ধে অনেক তথ্য আছে।আমার কাছে যা খবর দল ওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আর আমি সিপিএমের ত্রাস ছিলাম।সুতরাং আমি বিজেপি বা সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক রাখি না।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

সিদ্দিকুল্লার 'কাটমানি' প্রসঙ্গে প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মন্ত্রীর দিকেই তোপ দাগলেন

কয়েকদিন আগেই মেমারি-২ এলাকায় জনসংযোগ র্যালি থেকে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী কাটমানি তোলার ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি কাউকে কাটমানি তুলতে দেবেন না বলেও জানিয়েছিলেন। তিনি সেদিন বলেছিলেন চাঁদা তুলে খিচুড়ি খাব, তা-ও কাউকে কাটমানি খেতে দেব না। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মেমারি ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল। তিনি বুধবার বলেন, মন্ত্রী সিপিএম ও বিজেপির লোকদের নিয়ে গ্রাম দখলে রাজনীতি করতে নেমেছেন। যারা দুর্দিনে মার খেয়ে পার্টি করেছিল তাদেরকে তিনি সরিয়ে দিতে চাইছেন। দলকে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই তিনি ময়দানে নেমেছেন। প্রসঙ্গত, বুধবার মেমারি-২ ব্লকে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরী রোড শো করেছেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাটমানি ইস্যুতে তিনি দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি পাল্টা তোপ দেগে বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

৬ বছর পর মমতার সভায় পাশে থাকছেন মুকুল, ফের সক্রিয় 'চানক্য'!

রাস উৎসবের মরসুমে কৃষ্ণনগরে তিন দিনের নদিয়া সফরে পা রেখেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়া অধ্যুষিত নদিয়া জেলা নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদিয়া সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। মমতার নদিয়া সফরকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রানাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকও পেয়েছেন মুকুল রায়। এমনকী বুধবার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রকাশ্য সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই মঞ্চে দেখা যেতে পারে একসময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। তাহলে কী ঘাসফুল শিবিরে ফের মুকুলের উত্তোরন ঘটতে চলেছে, এই জল্পনাই ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে, নদিয়ায় মতুয়াদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। এক্ষেত্রে চানক্য মুকুলকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১-এ বিজেপির প্রতীকে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জয় পান মুকুল রায়। জয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সপুত্র তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন তিনি। যদিও শুভ্রাংশু রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মুকুল রায় অনেকটা আড়ালে চলে যান।কিছু দিন আগে তৃণমূল ভবনে যাওয়া, তারপর নেতাজি ইন্ডোরের সভায় হাজির, তারপর কালীঘাটে ভাইফোঁটায় যাওয়া। এবার সরাসরি মমতার সভায় থাকতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের মমতা ঘনিষ্ঠ পুরনোদের অনেকেই এখন ইতিহাস। তাহলে কী ফের মমতা মুকুলকে ভরসা করতে চলেছেন? তৃণমূলে সক্রিয় হচ্ছেন মুকুল? এই গুঞ্জন চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের নির্দেশে সরতে হচ্ছে অভিযুক্ত দাঁইহাটের পুরপ্রধান শিশির মন্ডলকে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। একেই নানা দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার মমতা-অভিষেকের দল। তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরেই পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য শিশির মণ্ডলকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন।পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আনেন। শিশির মণ্ডল তরুণীর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ঘরে ও বাইরে তাঁকে নিয়ে নিন্দার ঝড় বাইছে। বিরোধীরা এই অভিরযোগকে হাতিয়ার করেশাসক দলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের সঙ্গে এক তরুণীর টেলিফোনে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড মঙ্গলবার দুপুর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,শিশির মণ্ডলকে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সেই নির্দেশ এদিন শিশির মন্ডলকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ মতো পদত্যাগ করবো বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিশিরবাবু।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

কাজের বদলে জুটল কুপ্রস্তাব, তৃণমূল পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগে ছিঃছিঃ রব পূর্ব বর্ধমানে

চেয়েছিলেন কাজ, জুটেছে সহবাসের প্রস্তাব। অভিযোগ তরুণীর। অভিযুক্ত তৃণমূল পুরপ্রধান। আর ওই দুজনের সেই অডিও ভাইরাল হতেই চারিদিকে ছিঃছিঃ রব উঠেছে। তরুণীর অভিযোগের তীরে বিদ্ধ পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল। যদিও শিশির মন্ডল পুরো বিষয়টাকে চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় তোলপাড় জেলার রাজনৈতিক মহল।দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল দীর্ঘদিন কাটোয়ার অগ্রদ্বীপ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ২০০০-তে তিনি প্রথম দাঁইহাট পুরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওই পুরসভার বিরোধী দলনেতা হন। ২০১৮-তে অনাস্থা এনে পুরবোর্ডের পতন ঘটিয়ে শিশির মণ্ডল পুরপ্রধান হন। তারপর ২০২২-এর পুরনির্বাচনে ফের জয়ী হয়ে শিশির মণ্ডল দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। প্রাক্তন শিক্ষক ও দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বর বিরুদ্ধে মেয়ের বয়সী তরুণীকে সহবাসের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিস্মিত দাঁইহাটের বাসিন্দা।সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অডিও ও ভিডিও কথোপকথনে পুরুষ কন্ঠের ব্যক্তি দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল বলে দাবি করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও এবং ভিডিওর সত্যতা জনতার কথা যাচাই করেনি। সেই কথোপকথন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০-তে স্নাতক হয়েছেন তরুণী। ফোনের শুরুতেই ওই তরুণী চেয়ারম্যানকে কাকু সম্মোধন করে একটা কাজের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। চেয়ারম্যান তাঁর কাছে জানতে চান কোন স্কুলে পড়াশুনা করেছেন, বাড়ি কোথায়, বাবার নাম, পরিবারের অবস্থা কেমনসহ নানা বিষয়। অভিযোগ, সেই কথোপকথনেই সহবাসের প্রস্তাব দিয়ে বসেন চেয়ারম্যান। তবে দাঁইহাট পুরপ্রধান শিশির মণ্ডল ওই অডিও এবং ভিডিও কথোপকথন তাঁর নয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ওই অডিওতে আমার গলায় অন্য কেউ এইসব কথা বলছে। এই ধরনের অশালীন কাজ কোনদিনও আমি করতে পারি না। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্যই এই চক্রান্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপির বক্তব্য, এটাই তৃণমূল নেতাদের আসল রূপ।

নভেম্বর ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal