• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sp

দেশ

কবে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে চন্দ্রযান-৩, মহাকাশযান এখন কোথায় অবস্থান করছে?

চন্দ্রযান-৩ নিয়ে বিজ্ঞানীদের যেমন আশা রয়েছে তেমনই উৎসাহ দেশবাসীর। মঙ্গলবার চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযান পৃথিবীর চারপাশে তার সর্বোচ্চ কক্ষপথে পৌঁছে গিয়েছে। এখানে এটি চাঁদের দিকে যাত্রা শুরু করার আগে আরও ছয় দিন থাকবে। ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) জানিয়েছে যে পঞ্চম এবং চূড়ান্ত কক্ষপথে ওঠার কৌশলটি মঙ্গলবার বিকেলেই সেরে ফেলেছে চন্দ্রযান-৩। মহাকাশযানটি বর্তমানে রয়েছে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে। যার দূরত্ব পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে সবচেয়ে বেশি ১,২৭,৬০৯ কিলোমিটার। আর, সবচেয়ে কাছের ২৩৬ কিলোমিটার। এর আগে, মহাকাশযানটি পৃথিবীর চারপাশে ৭১,৩৫১x২৩৩ কিলোমিটার উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ছিল।গত ১৪ জুলাই উৎক্ষেপিত হয়েছে চন্দ্রযান-৩। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই মহাকাশযান আগামী মাসে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে। বর্তমানে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে এটি। ক্রমশই এর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য বাড়াচ্ছে। ১ আগস্ট, এটি পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে বেড়িয়ে যাবে। আর, সরাসরি চাঁদের দিকে যেতে শুরু করবে। একবার চাঁদের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য এই মহাকাশযান চাঁদের একের পর এক কক্ষপথে প্রবেশ করবে। সেই জন্যও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। অবশেষে ২৩ বা ২৪ আগস্টের কাছাকাছি প্রায় ১০০ কিলোমিটার বৃত্তাকার কক্ষপথ থেকে চন্দ্রযান চাঁদের পৃষ্ঠে চূড়ান্ত অবতরণ করবে।চন্দ্রযান-৩ সমগ্র ভ্রমণকে অর্থনৈতিক দিক থেকে সাশ্রয়ী করার জন্য সরাসরি চাঁদে চলে যাওয়ার পরিবর্তে একটি বৃত্তাকার পথে সেদিকে যাচ্ছে। চাঁদে এই মহাকাশযান সরাসরি যেতেই পারত। সেজন্য এর প্রায় চার দিন বেশি সময় লাগত। কিন্তু, সেজন্য চন্দ্রযান-৩ এর অনেক ভারী রকেট এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হত। যার খরচ ছিল ব্যাপক। সেই কারণে খরচ বাঁচাতে চন্দ্রযান-৩ কে পৃথিবীর কাছাকাছি একটি কক্ষপথে প্রথম পাঠানো হয়। সেখান থেকে এই মহাকাশযান গতি অর্জনের জন্য অভিকর্ষ বল ব্যবহার করে। তারপরে ফায়ার থ্রাস্টারগুলোকে ত্বরান্বিত করে একের পর এক কক্ষপথে পৌঁছেছে। এই প্রক্রিয়ায় অনেক কম পরিমাণে জ্বালানি লাগছে। কিন্তু, চাঁদে পৌঁছতে অনেক বেশি সময়ও লাগছে।

জুলাই ২৬, ২০২৩
রাজ্য

বিজেপিকে হঠানোই লক্ষ্য, একুশের মঞ্চে ইন্ডিয়া জোটেই আস্থা মমতার

২০২৪-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে ২৬টি বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া গঠিত হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। শুক্রবার একুশের সভামঞ্চ থেকে মমতা বোঝালেন, ইন্ডিয়ার পাশে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালিয়ে যাবে। শীঘ্রই জোটের প্রতিনিধিরা হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুরেও যাওয়ার উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও আগামী বছরের লোকসভা ভোটের আগে পুলওয়ামার মতো চরম কিছু ঘটারও আশঙ্কা করছেন তৃণমূলনেত্রী।আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে এবারের একুশে জুলাইয়ের শহিদ সভায় দলনেত্রীর বার্তার অপেক্ষায় ছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় বোঝালেন, এবার থেকে সব লড়াই ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারেই তিনি করতে চান। আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। বাম, কংগ্রেস, আপ, ডিএমকে, পিডিপি, সপা, এনসিপি-সহ একাধিক দলের সঙ্গেই জোটে রয়েছে তৃণমূলও।একুশের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ ভারতবর্ষে যে লড়াই হোক, সেটাই হবে ইন্ডিয়ার ব্যানারে। জিতেগা ইন্ডিয়া, এই ব্যানারে হবে। চেয়ারের কেয়ার করি না। আমাদের কোনও চেয়ার চাই না। পরিস্কার বলছি, আমরা চাই বিজেপি দেশ থেকে রাজনৈতিকভাবে বিদায় নিক। আর বিজেপিকে সহ্য করা যাচ্ছে না। সব সীমা ওরা লঙ্ঘন করে গিয়েছে।আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করার ডাক দিয়ে এদিন একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলনেত্রী বলেন, ইন্ডিয়া লড়বে। তৃণমূল ঝান্ডা নিয়ে সৈনিকের মতো পাশে থাকবে। আমাদের চাওয়ার কিছু নেই। শুধু চাই, মোদী হারুক, ইন্ডিয়া জিতুক।এরই পাশাপাশি এদিন আরও একটি মারাত্মক আশঙ্কার কথা শোনা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপি ফেক ভিডিও তৈরি করে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এক্ষেত্রে তাঁর নিশানায় বিজেপি। গেরুয়া দলকে বিঁধে এদিন এপ্রসঙ্গে তৃণমূলনেত্রী বলেন, আমি সবাইকে বলে দিতে চাই, বিজেপি পরিকল্পনা করছে ফেক ভিডিয়ো করবে, পুলওয়ামার মতো, সিনেমার মতো। সেই ভিডিও করে বাংলাকে অসম্মান করার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কথা থেকেই এটা স্পষ্ট। তিনি মণিপুর নিয়ে বলতে গিয়ে বাংলার, ছত্তীশগড় নিয়ে বলেছেন। এটা আগে থেকে পরিকল্পিত।

জুলাই ২১, ২০২৩
দেশ

চন্দ্রযান ‘থ্রী’ দলে সামিল বীরভূমের কৃষক পরিবারের সন্তান বাংলার গর্ব

চাঁদে যান পাঠানোর কর্মযজ্ঞে সামিল বীরভূমের প্রত্যন্ত গ্রামের বিজয় কুমার দাই। ইসরোর গবেষনাগারে বসে চন্দ্রযান থ্রীর সফল উৎক্ষেপনে অংশ নিয়েছেন মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রামের দাই পাড়ার বিজয় কুমার দাই। তপশিলী দরিদ্র চাষী পরিবারে জন্ম নেওয়া বিজয় দারিদ্রতাকে জয় করে চাঁদে যান পাঠানোর কর্মযজ্ঞে সামিল হলেন তিনি। বিশ্বজোড়া খ্যাতির কর্মকাণ্ডে ছেলের অংশগ্রহণে গর্বিত বিজয়ের বাবা-মা ও তার গ্রামের মানুষজন। চন্দ্রযান টু সফল না হলেও চন্দ্রযান থ্রী সফলভাবে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে বলে আশা বিজয় কুমার দাই এর বাবা ও মার।২০০০ সালে মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রাম জগততারিণী বিদ্যায়তন থেকে ৮৯ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন বিজয় কুমার দাই। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ থেকে। তারপর কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ডিগ্রী লাভ করেন। তারপরেই চাকরি পেয়ে যান ইসরোতে। সেখানেই চন্দ্রযান ২ এবং চন্দ্রযান থ্রি উৎক্ষেপনে অংশ গ্রহন করেন তিনি। বিজয় কুমার দাই এর এই সাফল্যে খুশী দক্ষিণগ্রামের মানুষজনও। খুশী দক্ষিণগ্রাম জগততারিণী বিদ্যায়তনের শিক্ষককেরাও।মা শ্যামলী দাই বলেন, আমার তিন ছেলের মধ্যে বিজয় মেজো। বড় ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। বড় ছেলের দেখানো পথেই মেজো ছেলে ইসরোতে পৌঁছেছে। বড় ছেলে সব সময় ভাইকে গাইড করত। খুব ভালো লাগছে।স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল মণ্ডল বলেন, আমরা গর্বিত। আমাদের স্কুলের একজন ছাত্র ইসরো বিজ্ঞানী হয়েছে এটাতো গর্বের বিষয়। আমরা ঠিক করেছি এবার বাড়ি ফিরলে স্কুলে অনুষ্ঠান করে তাকে সম্বর্ধিত করব। পাশাপাশি তাঁর মাধ্যমে বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করব।

জুলাই ১৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

'কুপন' নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নেওয়া! এনএবিসি 'বঙ্গ সম্মেলন' নিয়ে ক্ষোভ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা'র

এবছরে এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে চূড়ান্ত অপদস্থ হতে হয়েছে বাংলার শিল্পীদের। আয়োজকদের অব্যবস্থার নানা অভিযোগ শিল্পীরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমে করছেন। তাঁদের অভিযোগ: প্রাপ্য পারিশ্রমিক না পাওয়া, খাওয়া-দাওয়ার অব্যবস্থা, হোটেলের ঘর নির্ধারিত সময়ের আগে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ, অনুষ্ঠানের অদ্ভুত সময়সূচী; নানাভাবে বাংলার বিশিষ্ট শিল্পীদের নানারকম অপ্রীতিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় এনএবিসি অনুষ্ঠানে এসে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আতিথেয়তা নিয়েও! নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান, অসম্মান ও অবহেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাংলার নবীন থেকে প্রবীন শিল্পীরা।সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে এক খোলা চিঠিতে এই বছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থায় বাংলার একঝাঁক শিল্পী প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।এই মহুর্তের বাংলা সিনেমা ও টেলিভিশন-র ব্যস্ততম সঙ্গীত শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে তাঁর সুমধুর অভিজ্ঞতার কথা জনতার কথা কে জানালেন। মধুরা জানান তিনি, ২০১৭ সালের এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ প্রথম বার তিনি গিয়েছিলেন, এবং ওটাই তাঁর শেষ যাওয়া! মধুরা জানান এনএবিসি সম্পর্কে এক বিশাল ধারণা নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম, প্রচুর মানুষ, দারুণ সুন্দর ব্যবস্থা হবে ওখানে, সবার মত এই রকমই ধারনা আমারও ছিল! ২০১৭ তে প্রথম বার ওখানে পৌঁছাবার পরই বেশীরভাগ ধারনাই ভুল প্রমাণিত হল। তিনি জানান, তিনি ছাড়াও অনেক গুণী শিল্পী সেই বারের অনুষ্ঠানে একত্রে ওখানে গিয়েছিলেন।মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্ত হয়ে, ওখানে একেবারে অন্য একটা ওয়েদারে পৌঁছাবার পর অনেক্ষনের অপেক্ষা রুম এলটমেন্ট এর জন্য। সেসব না হয় মেনে নেওয়া যায়, আমরা মেনে নিইও। অনুষ্ঠানের সময়সূচীর পরিবর্তন! সেসবও ঠিক আছে। হয়েই থাকে।মধুরা আরও বলেন, তবে আমার সবচেয়ে খারাপ লেগেছিল, পৌঁছনোর পরেই, আমাদের হাতে খাবারের কুপন ধরানো! ছোট ছোট কাগজের টুকরোতে এনএবিসি লেখা কুপন। বঙ্গ সম্মেলনএ শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়ে কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে রাতের ডিনার নিতে হবে! আমার সেই ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে গেলো, পাড়ার পুজোর প্যান্ডেলে টিফিন বা ভোগ নেওয়ার জন্য কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর কথা। মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্তি ও ধকলের পর, লাইন দিয়ে কুপন নিয়ে দাঁড়িয়ে খাবার মত মানসিকতা ছিলোনা, তাছাড়া দু-তিন দিনের মধ্যে অনেকগুলো অনুষ্ঠান ছিল, তার প্রস্তুতিও ছিল। সর্বোপরি শিল্পী হিসাবে লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন নিয়ে খাবার নেওয়া আমার কাছে খুব-ই অপমানজনক লেগেছিল। নীরব প্রতিবাদ হিসেবে তাই বেশিরভাগ সময়েই, আমি ও আরও কয়েকজন সহশিল্পী বাইরে থেকে নিজেরাই খাবার কিনে এনে খেয়েছি। সবসময় অনুষ্ঠানের টাইট শিডিউলে সেটাও সম্ভব হয়নি যদিও। তাতে আয়োজক দের কারও মাথা ব্যথা হবে, সেটা এক্সপেক্ট করাও ভুল!তিনি বলেন,তবে বলা বাহুল্য, সেবারে গিয়ে বেশ এমন কয়েকজন শ্রোতার সাথেও আলাপ হয়েছিল, যাঁরা তাদের মতন করে যথা সম্ভব যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের সাথে খুবই সুন্দর হৃদ্যতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেই থেকে। প্রতিবার হয়তো কোর কমিটিতে বদল হতে থাকে। তাই কিছু মানুষের কেলাসনেস এর জন্যে সবাইকে দায়ী কখনোই করবোনা।মধুরা জানান, ওই অভিজ্ঞতার পর এনএবিসি যাবার ইচ্ছা বা আকর্ষণই কমে গিয়েছিল। এর পরেও এনএবিসি থেকে অনুষ্ঠান করার প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু আমি খুব সন্তর্পনে এড়িয়ে গেছি। তিনি জানান এই বছরেও এনএবিসি থেকে প্রস্তাব এসেছিলো, কিন্তু আমার চুক্তি যে তাদের মনমত হয়নি, এটা আমার পক্ষে খুবই মঙ্গলদায়ক হয়েছে।মধুরার জানান, এবছর যা যা ঘটেছে তাতে আয়োজকদের আরও অনেকটা বেশি সচেতন হওয়া উচিত। এতদূর থেকে এতজন শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হলে, আয়োজকদের আরও অনেকটা সময়, ভাবনা চিন্তা, বোধের প্রয়োজন। নানান খুঁটি নাটি দিক অনেক কিছু ভাবার থাকে। শিল্পীরা রোবট নন। তাদের ন্যূনতম হলেও, একটা কমফর্ট এর প্রয়োজন হয়, সুস্থ শরীরে, হাসি মুখে, দুই আড়াই ঘণ্টা শ্রোতা দের নির্ভেজাল আনন্দ দিতে। শিল্পীদের ডেকে নিয়ে গিয়ে যে ভাবে অপমানিত হতে হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে প্রবীন থেকে নবীন। সামাজিক মাধ্যমে চোখ বোলালেই তাঁর আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।একটি খোলা চিঠি তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন তাতে লেখা,সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন ২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।

জুলাই ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বাংলার শিল্পীদের চরম অসম্মান ও হেনস্থা বঙ্গ সম্মেলনে, সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের আগুন

আমেরিকার নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত ২০২৩-র নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমানের প্রতিবাদে মুখর বাঙালি শিল্পী মহল। এবছরে উত্তর আমেরিকায় নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত হয়েছিল ইতিহ্যবাহী বঙ্গ সম্মেলন বা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স। ১৯৮১ থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান মূলত জুলায় মাসেই হয়ে থাকে। বিগত প্রায় চার দশক ধরে বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ সামক এক সংস্থা এই বার্ষিক কনফারেন্সের আয়োজন করে আসছেন। এরপর থেকে প্রতি বছরই বাঙালি শিল্পী সমন্বয়ে (কলকাতার (ভারত) বা বাংলাদেশ) এই অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ২০২৩-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানটি ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই অবধি হয়েছিল।এইবছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থার প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব বাংলার আপামর শিল্পীমহল। বাংলার একঝাঁক শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে এর প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।সমবেত ভাবে তাঁরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লিখেছেন, সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।প্রতিবাদী শিল্পীদের মূল প্রতিবাদ আয়োজক সংস্থার অব্যবস্থা ও শিল্পীদের প্রতি অসন্মান! তাঁদের বক্তব্য এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আমেরিকা পৌছানো পর থেকেই প্রতি পদে তাঁদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। শিল্পীদের অভিযোগ বিমানবন্দর থেকে যাওয়া শুরু করে, হোটেলে থাকার ব্যবস্থা,খাওয়ার মত সামান্য বিষয়েও কোনওরকম নজর দেননা আয়োজকরা। বিদেশ বিভূঁইয়ে স্বজাতির দ্বারা প্রতারিত ও হেনস্তা হয়ে প্রতি পদে বিপদে পড়েন তাঁরা। শিল্পীদের আরও অভিযোগ যে মূল করনে তাঁরা এতদূর পারি দিয়ে এসেছেন সেই অনুষ্ঠান-ই কেটেছেঁটে ছোট করে দেওয়া হয়। এছাড়া পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রেও তাঁদের প্রতারিত হতে হয়েছে নানা সময়, অনেককেই তাঁদের নুন্যতম পারিশ্রমিক টুকুও দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ শিল্পীদের।আয়োযোগ সংস্থা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও, তাঁদের যোগাযোগ করতে ব্যর্থ প্রতিবাদী শিল্পীরা। বিশিষ্ট প্রবীন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-র আয়োজকদের পাঠানো একটি ইমেল সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ইমেলে তিনি লেখেন,অসম্ভব ভুলভাল টাইমিং তো ছেড়েই দিলাম, আমি ভাবতেই পারিনি সেখানে আমাদের জন্য কোনও গাড়ির ব্যবস্থাও থাকবে না, দুপুরের খাবার আসবে বিকেল ৪ টের সময়। তাও আমরা বাইরে থেকে খাবার কেনার পর। হোটেলের ঘরে পর্যন্ত ঢুকতে পারিনি আমরা। বাইরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী আমায় এত সম্মান দেন, ভারতের সব থেকে প্রবীণ শিল্পী আমি সেখানে আমায় নিয়ে গিয়ে এমন অপমান! আমি আমার প্রাপ্য টাকাটুকু পাইনি। এবার বলুন আমার কী করণীয়?...শুধু অজয় চক্রবর্তী-তেই থেমে নেই, ফেসবুক লাইভে এসে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী জয়তী চক্রবর্তী নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর অনুষ্ঠানে এসে তাঁর ভয়ানক অভিজ্ঞতা সকলের সাথে শেয়ার করে নেন। জয়তি বলেন, আমাদের ৫ তারিখ পর্যন্ত হোটেল বুকিং আছে বলে জানানো হয়েছে কিন্তু আজ সকাল (৪ঠা জুলাই ২০২৩) থেকে আমরা আমাদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। বিকেল ৪ টে বেজে গেলেও আমাদের খেতে দেওয়া হয়নি। এক পরিচিত খাবার এনে দেওয়ার পর ওঁরা খাবার দেন। আমাদের অনুষ্ঠানের এক শিডিউল টাইম বলে নিয়ে আসা হয়েছিল, এখানে এসে পুরোটাই পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই আমাদের নিজেদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। পরে সৌগত দা এসে আমাদের কিছু শিল্পীকে উদ্ধার করেন এই পরিস্থিতি থেকে। আমি আজ নিজের চোখে গুরুজির যে অসম্মান দেখলাম সেটা মানতে পারছি না। আমাদের যে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাখা হয়েছিল তার দায় কে নেবে?দায়ভারের প্রশ্নই এখন শিল্পীদের মুখে মুখে তা প্রবীন সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-ই হোক বা অভিনেত্রী সোহিনী সরকার, সকলেই এর একটা যথাযত বিহিত চাইছেন......। সঙ্গীত শিল্পী অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লেখেন ভারতের সিনিয়র-মোস্ট কিংবদন্তি শিল্পীকে যদি এমন চিঠি লিখতে হয়,তাহলে বেঙ্গলি কনফারেন্স করে লাভ কি? এই অসম্মানটুকু পন্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রাপ্য বুঝি!! বাঙালি আর কত নীচে নামবে?

জুলাই ০৭, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

২৫- শে পা দিচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস

কৌশিক ইভেন্টস একটি অর্গানিসশন যেটি এই বছর ২৫ এ বছরে পা দিচ্ছে। তারা এতো বছর ধরে কলকাতা তথা ভারত বর্ষে বিভিন্ন জায়গায় তাদের নিজস্ব অতুলনীয় উদ্ভাবনীয় অনুষ্ঠান করে দর্শক মহলে ছাপ ফেলে দিয়েছে তাদের জার্নি শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ এর মাঝামাঝি একটা কলেজ সোশ্যাল ইভেন্ট করে। একটা দারুন বিষয় সেই কলেজে ২৫ বছর ধরে এখনো কৌশিক ইভেন্টস সুনামের সাথে কাজ করে চলেছে,এই দলের প্রধান উদ্যোক্তা কৌশিক রাহুল ঘোষ জনতার কথা কে জানিয়েছেন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পশ্চিমবঙ্গের সংগীত ও শিল্প কর্ম সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলাম বলে এই দলটির শুরু হয়েছিল। মূলত নতুন শিল্পীদের প্লাটফর্ম দেয়ার পাশাপাশি আমরা বিখ্যাত শিল্পীদের একসাথে মঞ্চস্থ করার জন্য বহু ইভেন্ট করেছি। নজরুল মঞ্চে প্রথমবার একসাথে ভৌমিক ক্যাকটাস এবং চন্দ্রবিন্দুকে পারফর্ম করিয়েছিল এই ইভেন্টস তেমনি আবার রক সক নামে একটি রক কনসার্টের কলকাতা শহরে প্রথমবার আয়োজন করি। আমাদের ইভেন্টস যেখানে পারফর্ম করেছিল বিখ্যাত ব্যান্ড ফসিলস ক্যাকটাস এবং ক্রস উইন্স প্রথমবার একসাথে।এর পাশাপাশি তিনি জানান, কবীর সুমন একক নচিকেতা সুমন চক্রবর্তী এবং কলকাতার তথা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত আর্টিস্টদেরকে নিয়ে করা বিভিন্ন সরকারি মেলা তার সঙ্গে সঙ্গে তাদের নিজস্ব চিন্তাধারায় অটুট বন্ধন নামে ওয়াল্ড মিউজিক ডে উদযাপন করা কৌশিক ইভেন্টস এর স্পেশালিটি,এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম থেকে প্রতিভা তুলে আনার জন্য তারাই প্রথম শুরু করে আগামীর তারারা অনুষ্ঠান এবং সেই অনুষ্ঠান থেকেই অনেক শিল্পী আজ বিশ্বের দরবারে সুনামের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। নতুন প্রজন্ম পুরনো প্রজন্ম এবং তার সঙ্গে নতুন প্রতিভা দের নিয়ে কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে তারা কলকাতার বুকে বিভিন্ন থিম পুজো, ঠাকুর এবং পুজোর থিম সং এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিশেষ ছাপ ফেলেছে গত বছর কৌশিক ইভেন্টস ব্যাঙ্গালোরের বুকে এক অভিনব যাত্রা শুরু করে সেখানে তারা সর্বপ্রথম কলকাতায় কুমোরটুলির ঠাকুর মহিলা ঢাকি স্বনামধন্য শিল্পীদের দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সঙ্গে থিমের প্যান্ডেল এবং ডেকোরেশনের কাজ শুরু করে যেটা একটা অন্য মাত্রায় কাজের রুচির পরিচয় পাওয়া যায়. করোনা কালে কৌশিক ইভেন্টস আর্টিস্টদের পাশে দাঁড়িয়ে লিজেন্ডদেরকে সম্মান জানিয়ে আ ট্রিবিউট টু দ্য লিজেন্ডস এর কাজ বিশেষ প্রশংসনীয়। এর পাশে কৌশিক ইভেন্টস কিছু সমাজমুলক কাজ করেন তাদের বিশিষ্ট কিছু ইভেন্টস এর মাধ্যমে যেমন তারা প্রত্যেক বছর নিয়ম করে দুস্থদের সেবা এবং গরীব দুঃখীদের বস্ত্র, পড়াশোনার জিনিসপত্র বিভিন্ন হাইজেনিক প্রোডাক্ট যেগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি তারা প্রদান করে থাকে। বৃদ্ধাশ্রম এর প্রবীণ দের পুজোর আগে নতুন জামা কাপড় পথ শিশুদের জন্য এবং তাদের পরিবারের জন্য পুজোর জামা কাপড় এবং প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে থাকে। ঠান্ডার সময় শীত বস্ত্র প্রদান এছাড়া নিয়ম করে গরীব মানুষদের জন্য তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী রেশনের ব্যবস্থা করে থাকে।ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস। জনতার কথা-র পক্ষ থেকে তাদের জন্য রইল অনেক শুভকামনা।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

ইতিহাস ছুঁয়ে পূর্ব বর্ধমানকে গর্বিত করল মেমারির কিশোর অনুরাগ

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ মান্না। আগামী ১৪ মে ইসরোর সেন্টারে পৌঁছাবে অনুরাগ। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে ২৭ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেবে সে। এই খবরে খুশির হাওয়া তার স্কুল ও পাড়ায়। অনুরাগের বাবা শ্যামল কুমার মান্না ও মা সাধনা মান্না জানায়, ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ওকে ভাবায়, ভবিষ্যতে তাঁর লক্ষ্য মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়া। স্বপ্নের পেছনে ছুটতে তাঁকে বরাবর অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন তার বিদ্যালয় ও বাবা মা। শিবিরে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেতে অনলাইনে বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সমগ্ৰ ভারত থেকে লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রীর মধ্য থেকে মাত্র ৩৫০ জন সুযোগ পেয়েছে এই প্রশিক্ষণ শিবিরে। ফল প্রকাশিত হতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়েছে অনুরাগ। তার স্কুলের প্রিন্সিপাল শ্রী অরুন কান্তি নন্দি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিভাকে খুঁজে বের করা ও তাদের উদ্দীপিত করার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। তারই আবারও ফল পেলাম।

এপ্রিল ২১, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো দেখে মুগ্ধ প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের আক্ষেপ ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়া অনিহায়

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও ধুমধামের সাথে শুরু হল বর্ধমান শহরের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা। শহরের প্রান্তে অবস্থিত দেওয়ানদিঘী অঞ্চলের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতযোগীতার সূচনা হয়। সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়ানো হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন করে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার শুভ উদ্বধোন করেন ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও সুনামের সাথে কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান খেলা বর্ষিয়ান গোলরক্ষক ভাস্কর গাঙ্গুলি।উদ্বোধনী ভাষণে আক্ষেপের স্বরে বর্ষীয়ান খেলোয়াড় জানান, খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সময়ে আমরা বেশী খেলতাম বলে অবিভাবকদের বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তাঁর উল্টোটা। তিনি বাচ্ছাদের মাঠমুখী করার জন্য অবিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার জন্য নয়, মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে এর কোনও বিকল্প নেই।বর্ষীয়ান খেলোয়াড় ভাস্কর গাঙ্গুলি আরও বলেন, শুধু মাত্র ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস-খেলেও কেরিয়ার তৈরি করা যায়। তিনি বলেন, আমার পরিচিত এক প্রো-কবাডি খেলোয়ারের সাথে কয়েকদিন আগে দেখা হয়েছিলো, সে বলেছিলো একটু ভালো কবাডি খেলোয়াড় প্রো-কবাডি টুর্নামেন্ট খেলে বছরে এক কোটি টাকার কাছাকাছি আয় করে। সেই উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয় খেলার পিছনে না ছুটে বাচ্ছার যেটা মন চায় খেলুক।তিনি বর্ধমানের এই স্কুলের পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, তাঁকে কোনও প্রয়োজনে লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত।ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় জয়ী বাচ্ছাদের হাতে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আর্কাইভ ও লাইব্রেরির কিউরেটর আরুপ পাল। স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস খেলাধুলা কখনই পড়াশোনা-কে ক্ষতি করে না বরং আরও মনোযোগী হতে ও ভবিষ্যৎ জীবনে লড়াইয়ের রসদ যোগান দেয়।

জানুয়ারি ২০, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

মেডিক্যাল কলেজে নির্বাচন, স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা অধ্যক্ষের

একটানা সাতদিনে পড়েছে মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের এই আন্দোলন। এখনও জট কাটেনি। টানা আন্দোলনের জেরে অসুস্থ হচ্ছেন একের পর এক আন্দোলনকারী। এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অনশনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন তাঁদের অভিভাবকরাও। প্রতীকী অনশন শুরু করে দিলেন অভিবাকরা। পড়ুয়াদের দাবিকে মান্যতা দেওয়ার এই আন্দোলনে আজ সকাল ১০ টা থেকে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে অভিভাবকরা। কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডক্টর ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য অবন থেকে বেরোলেন। বেরিয়ে তিনি বলেন, সমস্যাটা আমাদের কলেজ কাউন্সিলের হাতে নেই। সিদ্ধান্ত উপর মহল থেকে আসবে। আলোচনা চলছে কিছু একটা সুরাহা তো নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। অনশন তুলে নেওয়া হোক। ইলেকশন হবে, কিন্তু ২২ ডিসেম্বর হবে না। আমরা পরে একটা তারিখ ঠিক করব।মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনেই অনশন আন্দোলন চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার তাঁদের সঙ্গেই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন অভিভাবকরাও। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে আন্দোলনকারীদের ৬ অভিভাবকও ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন শুরু করেন। সকাল ১০টা থেকে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাঁরা অনশন করছেন।উল্লেখ্য, মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন-সহ বেশ কয়েকটি দাবিতে অনশন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। আগামী ২২ ডিসেম্বর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন ৩০ নভেম্বর ঘোষণা করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। যদিও পরে সেই ২২-এর পরিবর্তে অন্য কোনও দিন ছাত্র ভোট হবে বলে জানানো হয়। যদিও ছাত্র সংসদের নির্বাচন ঠিক কবে নাগাদ হতে পারে সেব্যাপারে স্পষ্ট কোনও উত্তর মেলেেনি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন করতেই হবে, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের অনশন অব্যাহত, অসুস্থ দুই

দুদিন পেরিয়ে গেলেও অনশন জারি রেখেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। নির্বাচনের দাবিতে দিয়ে চলেছেন লাগাতার স্লোগান। শনিবার সন্ধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। তিনি হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দাবিতে অবিচল ছাত্ররা। এদিন অনশনরত দুই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে আশেপাশে।ছাত্রদের দাবি, ঘোষণা করার পরও নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। ৩০ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। কেন সেই নির্বাচন হবে হবে না প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্ররা। এর আগে অবরোধ আন্দোলন করেছিল মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এবার চলছে লাগাতার অনশন। চিকিৎসক সংগঠনগুলির নেতৃত্বও দাবি করেছে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অনশনরত ছাত্রদের মধ্যে ২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন বলে চিকিতসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে চাইছেন না। এই নিয়ে চলছে চাপান-উতোর। ছাত্রদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নির্বাচন করতেই হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি অপসারণের দাবি

আজ দিনভর বর্ধমান জেলা বিজেপির দপ্তরে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী সভা চলছে। আর এই সময়ই যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি পিন্টু সামকে বহিস্কারের দাবি নিয়ে পোস্টার পড়ল বর্ধমান শহরের কোর্ট এলাকায়। ওই পোস্টারে শ্রী সামকে প্রাক্তন হার্মাদ বলে বর্ণনা করে তার বিরুদ্ধে চাকরির নাম করে পয়সা নেবার অভিযোগ করা হয়েছে। তোলা হয়েছে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগ। যদিও পোস্টারটি বেনামী। কে বা কারা লাগিয়েছে জানা যায়নি। তবে পোস্টার নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা বিজেপিতে।এই নিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন; এগুলো বিরোধীদের অপপ্রচার। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এগুলো করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন; বিজেপিতে কোনও বিধায়ক, সাংসদ এমনকি খোদ রাজ্য সভাপতির কোনও চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এরকম অভিযোগ থাকলে দল তা দেখবে। আগামীদিনে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলেও মেধার ভিত্তিতে চাকরি হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা আগুন, হাসপাতালের স্টোররুম ভস্মীভূত

আচমকা আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।দমকলের দুটি ইজ্ঞিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। আগুনে স্টোররুম ভস্মীভূত হয়ে যায়। এমনকি স্টোররুমের সাটার লাগানো গেটও আগুনের লেলিহান শিখায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টোররুমে থাকা বেড ও বেশ কিছু নথিপত্রও পুড়ে যায় আগুনে।মঙ্গলবার দুপুর ১ টার সময় স্টোররুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের দেখে রুগীর আত্মীয় পরিজনরা।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান সর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া দেখে রুগী ও রুগীর আত্মীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

হঠাৎ পঞ্চায়েত পরিদর্শনে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা

বুধবার মন্তেশ্বরের গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। এদিন তিনি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন খাতের হিসাব নিকাশ সহ বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখে উক্ত পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে বলে জানান। অন্যদিকে এদিন জেলাশাসককে কাছে পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন জামনা সমবায় সমিতির অ্যাসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার সুমন ঘোষ। তিনি এদিন জেলাশাসককে জানান, জামনা সমবায় এক মিলারের কাছ থেকে সুদ সহ প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রাপ্য থাকলেও তা এখনও না মেলায় সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সমবায়ের গ্রাহকদের। এরপরেই জেলাশাসক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান। এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগত, বিডিও গোবিন্দ দাস সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

মফস্বল ও শহরতলি থেকে কলকাতায় রাত জেগে প্রতিমা দর্শনঃ রাতভোর লোকাল ট্রেনের সময়সূচি জানুন

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তকম দিয়েছে। তা নিয়ে মাতোয়াড়া বাংলা। এদিকে কলকাতার প্রতিমা দর্শনে সাধারণের সুবিধা করতে প্রতিবারের মতো এবারও এগিয়ে এসেছে পূর্ব রেল। দুর্গা-পুজোয় ঠাকুর ও প্যান্ডেল দেখার জন্য একগুচ্ছ অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের। পুজোতে রাতভর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত কথা জানালো রেল। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনে ২০টি স্পেশাল ট্রেন দুর্গাপুজোর পঞ্চমী থেকে দশমী অবধি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বাড়তি ট্রেন গুলি শিয়ালদহনৈহাটি, শিয়ালদহরানাঘাট, শিয়ালদহবনগাঁ, শিয়ালদহ-ডানকুনি ও দক্ষিণ শাখায় স্পেশাল বজবজ এবং বারুইপুর লোকাল চালানো হবে বলে সুত্রে জানা গেছে।কোন ষ্টেশন থেকে কোন সময় স্পেশাল ট্রেনগুলি ছাড়বে জেনে নিনঃ* শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট যাবার শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২ টা ৪০ মিনিটে। রানাঘাট থেকে শিয়ালদহ আসার লোকাল ট্রেন রানাঘাট ছাড়বে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে।* দুটি স্পেশাল শিয়ালদহ-নৈহাটি লোকাল চালানো হবে রাতে। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে একটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে, অপরটি ২টা ৩০ মিনিটে। ওই একই শাখায় নৈহাটি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ দুটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে রাত ১২টা ২৫মিনিট ও রাত ২টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ - বনগাঁর লাইনের শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে। অন্যদিকে বনগাঁ থেকে শেষ শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ছাড়বে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ-ডানকুনি শেষ লোকাল ট্রেন শিয়ালদহ ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। আবার ডানকুনি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে।* এছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও ঠাকুর দেখার জন্য পুজোর সময় এক জোড়া রানাঘাট-বনগাঁ লোকাল ট্রেন চলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল দপ্তর। রানাঘাট থেকে বনগাঁ যাওয়ার শেষ লোকাল ট্রেনটি ছাড়বে রাত ১০টায়। অপরদিকে, রানাঘাট আসার শেষ ট্রেন বনগাঁ ষ্টেশন ছাড়বে ৯ টা ৫৮ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বারুইপুর শাখায় তিন জোড়া লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ থেকে সেই তিনটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে- দুপুর ৩টা ২০ মিনিট, রাত ১২টা ৩০ এবং ২টা ২০ মিনিটে।* বারুইপুর থেকে শিয়ালদহ আসারও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ওই শাখায় তিনটি লোকাল ট্রেন দেওয়া হয়েছে। একটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে, বাকি দুটি রাত ১টা ২৫ মিনিটে ও ভোর ৩টা ১০ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বজবজ শাখায়, বজবজ স্টেশন থেকে শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে। অপরদিকে শিয়ালদহ থেকে বজবজের উদ্দশ্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ পক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার দাবীতে ডেপুটেশন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন-আদালত-গ্রেফতার তার সাথে কোটি কোটি কালো টাকা উদ্ধার দেখতে দেখতে রাজ্যের মানুষ ক্লান্ত অবসন্ন। তার মাঝেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো আপার প্রাইমারী চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন। বুধবার বর্ধমান শহরে বঞ্চিত আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীরা বর্ধমান ইউনিট জেলা প্রাইমারির সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে ডেপুটেশন প্রদান করেন।তাদের দাবি, ২০১৪ তে নোটিফিকেশন জারি হয় এবং ২০১৫ তে পরীক্ষা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল বের হয় ২০১৬ তে, সেই লিস্টের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ হয়। সেই ইন্টারভিউ প্যানেল ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে বাতিল হয়। তাদের আরও অভিযোগ পরবর্তীকালে আবার প্যানেল ঘোষণা করা হয়, তাতে দেখা যায় যাঁরা কম নাম্বার পেয়েছিল তাঁদের নাম উঠেছে যোগ্য পার্থিদের নাম বাদ দিয়ে, পিছনে থাকা প্রার্থীদের নাম ঢোকানো হয়। তারা এই সভা থেকে দাবি তোলেন গত আট বছরের সমস্ত সিট আপডেট করে পুর্বতন ইন্টারভিউ লিস্টকে মান্যতা দিয়ে সমস্ত শূন্য পদে আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal