• ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sp

প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজনীতি

CM Speech: মমতার একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য। বিধানসভা নির্বাচনে ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রি পাওয়ার পর প্রথম শহিদ দিবস পালন হতে চলেছে। তাও দিল্লির দরবার থেকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তা প্রচার করবেন। এবারের কর্মসূচির একটা অন্যতম আকষর্ণ ভিনরাজ্যে মমতার ভাষণের সরাসরি সম্প্রচার। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের পাশাপাশি গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, তামিলনাড়ু, ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় তার সম্প্রচার হবে। আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউসূত্রের খবর, গুজরাতের ৩২টি জেলায় ৫০টি স্ক্রিন বসানোর কথা হয়েছে। প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, এবার বিধানসভা ভোটে বড় সাফল্যে পর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের বাইরে নেত্রীর ভাষণ শুনতে চাইছেন অসংখ্য মানুষ। এছাড়া অবিজেপি রাজ্যে গিয়ে মমতার কর্মসূচি নিয়েও একপ্রস্থ আলোচনা সারা। একুশের কর্মসূচির কদিন পরই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। বাদল অধিবেশন চলছে এখন। ফলে এ সময় মমতাকে ঘিরে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হবে। তিনি নিজেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি অবিজেপি দলগুলির নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠকের পরিকল্পনা সামনে এসেছে। ফলে হাইভোল্টেজ সফর। তার আগে দিল্লির উদ্দেশে মমতার বার্তা চূড়ান্ত উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে কর্মীসমর্থকদের মধ্যে।

জুলাই ১৯, ২০২১
দেশ

Pegusas: দেশের গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করতেই পেগাসাস ষড়যন্ত্র

বাদল অধিবেশনের ঠিক একদিন আগে আচমকাই পেগাসাস প্রসঙ্গ সামনে আসা কাকতালীয় হতে পারে না। এমনটাই মনে করছেন, দেশের নতুন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি নিশ্চিত, এই বিষয়টিকে হঠাৎ টেনে আনার নেপথ্যে কোনও ষড়যন্ত্র আছে। আর এই ষড়যন্ত্র অশ্বিনীর কথায়, আদতে দেশের গণতন্ত্র এবং সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামোকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা।লোকসভায় বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে যে পেগাসাস প্রসঙ্গে উঠবে, তা জানা ছিল। সেই মতো বক্তব্যও রাখেন অশ্বিনী। প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার পর এই প্রথম লোকসভা অধিবেশন তাঁর। সোমবার তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন যোগাযোগ ব্যবস্থায় নজরদারি চালানো আইনত বৈধ। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই নজরদারি চালানো হয়ে থাকে। আর তা হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই। তবে পেগাসাস নিয়ে রবিবার রাতের খবরটিকে অযথা অতিরঞ্জিত করে দেখানো হচ্ছে বলেই মত মন্ত্রীর। তিনি বলেছেন, গতকাল রাতে একটি ওয়েব পোর্টালে এ সংক্রান্ত অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটি ঘিরে বহু অতিরঞ্জিত অভিযোগও তোলা হয়েছে। সংসদে বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক এক দিন আগে ওয়েব পোর্টালে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশের ঘটনা আর যা-ই হোক কাকতালীয় হতে পারে না। মন্ত্রীর কথায়, ওই রিপোর্টে স্পষ্টতই ভারতীয় গণতন্ত্র এবং ভারতের সুসংহত প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ এর আগেও হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি সফটওয়্যার পেগাসাসের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে জানান অশ্বিনী। বলেছেন, তখনও ওই অভিযোগের কোনও ভিত্তি ছিল না। আজও নেই। রবিবার দ্য ওয়্যার নামে একটি সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে জানানো হয়েছিল, ভারতের বহু মন্ত্রী, বিরোধী নেতা, সাংবাদিকের ফোন হ্যাক করেছে ইজরায়েলি সংস্থার স্পাইওয়্যার পেগাসাস। লোকসভায় অশ্বিনী সরাসরি সে প্রসঙ্গে না গিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিন যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি করা হয়। তবে তা আইন মেনেই করা হয়। প্রত্যেক নজরদারির ঘটনা আইন মেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই হয়েছে। তা ছাড়া ভারতের মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এত রকমের যাচাই ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় যে আইনের বাইরে গিয়ে কোনও রকম নজরদারি করা সম্ভবই নয়। এ প্রসঙ্গে অশ্বিনীর বক্তব্য, ভারতের মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এত রকমের যাচাই ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় যে আইনের বাইরে গিয়ে কোনও রকম নজরদারি করা সম্ভবই নয়। বৈদ্যুতিন যোগাযোগ ব্যবস্থায় নজরদারি বা আড়ি পাতার অনুমতি রয়েছ ভারতীয় আইনেই। ভারতীয় টেলিগ্রাফ আইন (১৮৮৫)-এর ৫ (২) ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন (২০০০)-এর ৬৯ ধারাতে এই সুযোগ রয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ইস্টবেঙ্গল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবেন না কর্তারা

সপ্তাহ দুয়েক আগে দুই পক্ষের কথাবার্তাতে জট কাটার ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে সংঘাত আরও চরমে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রীসিমেন্টের মধ্যে। টার্মশিটসহ শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে লালহলুদ কর্তাদের কাছে যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল, তাতে সই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কর্মসমিতির বৈঠকে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারগতবছর ১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে শ্রী সিমেনেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তারপর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে টালবাহনা চলছিল। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে প্রচুর পার্থক্য আছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বারবার চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে আইএসএলে দল না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়। তাতেই বরফ গলেনি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকশুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ২৫ জন সদস্য বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন করা না সই করা হবে না। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সকল এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবকে চিরতরে একতরফা দিয়ে দেবার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে সদস্যদের অসম্মান এবং তাদের অধিকার খর্ব করে দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের মৌলিক অধিকার নেই, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের ক্লাবের মাঠ, ক্লাবের লোগো, ক্লাবের নাম, টেন্টসহ সমস্ত কিছু চিরতরে নিয়ে নেওয়ার এবং ক্লাবকে সেগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের কোটি কোটি সদস্যসমর্থের চিরকালীন আত্মাভিমানে আঘাত ও যে এগ্রিমেন্টে সমর্থকদের বলা হয় ট্রেস পাসার্স উইল বি প্রসিকিউটেড সেই এগ্রিমেন্টে আমরা সই করব না।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে দল গঠন করবে না শ্রী সিমেন্ট। ফলে এই মরশুমে কোনও প্রতিযোগিতায়ে খেলতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হতে চলেছে। এই অবস্থায় সদস্যসমর্থকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

National Medical College: ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরা

সমবেতনের দাবিতে কর্মবিরতিতে গেলেন পার্কসার্কাসের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের গ্রুপ ডি-র কর্মচারীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের দীর্ঘ দিনের দাবি, একই ধরনের কাজে গ্রুপ ডি অর্থাৎ চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সমবেতন দেওয়া হোক। সেই দাবি না মানায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তার ফলে হাসপাতালে রোগী পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহতও হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষের আশা, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা যাবে।তবে কখন সেই আলোচনা শুরু হবে তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। আরও পড়ুনঃ বকখালিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ৯ মৎস্যজীবীরগ্রুপ ডি কর্মীদের একাংশের দাবি, সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও এই বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবিপত্র পেশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভোটের ফল প্রকাশের পর দুমাস কেটে যাওয়া সত্ত্বেও দাবি পূরণ না হওয়ায় প্রতিবাদে নেমে নিজেদের কাজকর্ম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, মূলত হাসপাতালের ওয়ার্ডেরই কাজকর্ম করে থাকেন গ্রুপ ডি কর্মীরা। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে হাসপাতালের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে রোগীরা বড় সমস্যায় পড়তে পারেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
দেশ

Pak-Spy: রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চর

মুখোশের আড়ালে থেকে দিনের পর দিন ধরে গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে পাক চর। এমনকী, দেশবিরোধী কাজও চালিয়ে গিয়েছে। কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সম্প্রতি, রাজস্থানের পোখরান থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বুধবার রাতে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। জেরা করে তার কাছ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্তরের নাবালিকা ক্যারাটে খেলোয়াড়ের আত্মহত্যা, গ্রেফতার যুবকজানা গিয়েছে, সামান্য সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পড়শি দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর হাতে তুলে দিত ওই ব্যক্তি। ধৃতের নাম হাবিব খান। অভিযোগ, সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে জওয়ানদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে, সেনার গোপন তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিত ধৃত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই হাবিব খানের উপর নজর ছিল। সূত্রের খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতের কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Y‌ashpal Sharma : মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশ

ভারতীয় ক্রিকেটে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য যশপাল শর্মা। বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। মঙ্গলবার সকালে নিজের বাসভবনেই মারা যান দেশের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। মৃত্যুকালে যশপাল রেখে গেলেন স্ত্রী রেণু শর্মা, দুই মেয়ে পুজা ওপ প্রীতি এবং ছেলে চিরাগকে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়ামহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের১৯৮৩ বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন যশপাল শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিস খেলেছিলেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওটাই ছিল সর্বোচ্চ স্কোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেও ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন যশপাল। দেশের হয়ে ৩৭ টি টেস্ট খেলেছিলেন। রান করেন ১৬০৬। সেঞ্চুরি ২টি। ৪২টি একদিনের ম্যাচে রান করেছেন ৮৮৩। যশপাল শর্মার রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে এই ব্যাপারে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। খারাপ ফর্মের জন্য ১৯৮৩৮৪ মরশুমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। পরে আর সেই জায়গা ফিরে পাননি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিখেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর একসময় ম্যাচ রেফারির দায়িত্বও পালন করেছিলেন যশপাল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন যশপাল। তাঁর সময় কালেই কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। প্রকাশ্যে সৌরভের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যশপাল। সৌরভের হয়ে বিবৃতিও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের নানা কর্মকান্ডের সমালোচনায় মুখর হন। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, গ্রেগ চ্যাপেল যাদের পছন্দ করেন না, তাদের দলে না রাখার জন্য নির্বাচকদের চাপ দিতেন। শারদ পাওয়ার বোর্ড সভাপতি হওয়ার পর নির্বাচকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় যশপাল শর্মাকে। পরে আবার নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। একসময় আম্পায়ারের ভুমিকাতেও দেখা গেছে যশপালকে।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেযশপাল শর্মার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে ক্রীড়ামন্ত্রী, বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ শোকজ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ টুইটারে লিখেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। দেশকে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিল। ওর পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর টুইটারে শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ভারতীয় ক্রিকেটে যশপাল শর্মার অবদান কখনও ভোলা যাবে না। শচীন টুইট করেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ে শর্মাজীর অবদান কখনও ভোলার নয়।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিদেশ

Iraq Fire: ইরাকের করোনা হাসপাতালে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ৬০

ইরাকের করোনা হাসপাতালে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে কমপক্ষে ৬০ জন। ঘটনাটি ঘটেছে ইরাকের নাসারিয়াতে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। হাসপাতালে আগুন লাগার পর তড়িঘড়ি আপদকালীন বৈঠক করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাধিমি।আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকাবৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নাসারিয়ার স্বাস্থ্য ও সিভিল সার্ভিস ডিফেন্স ম্যানেজারকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত জানিয়ছেন বলে খবর। হাসপাতালের ম্যানেজারকেও গ্রেপ্তার করার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে। এলাকা ঢেকে গিয়েছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায়। মূলত অক্সিজেন ট্যাংকে বিস্ফোরণের জেরেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক অনুমান উদ্ধারকারীদের। এক সরকারি আধিকারিকের মতে, আগুনের কারণ হচ্ছে শর্ট সার্কিট। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর এখন তল্লাশি অভিযান চলছে। এখনও অনেক রোগী করোনা ওয়ার্ডে আটকে আছেন বলে জানাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। এর আগে এপ্রিল মাসেও বাগদাদে অক্সিজেন ট্যাংকে বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগেছিল একটি করোনা হাসপাতালে। সেখানে ৮২ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন ১১০ জন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীজানা গিয়েছে, দমকলবাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিষাক্ত ধোঁয়ার সঙ্গে লড়াই করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন অনেকে। বেশ কয়েকজনকে ওই ওয়ার্ড থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়। যদিও তাঁদের অবস্থাও সংকটজনক। রোগীর পরিবারের সদস্যরা ওই বিল্ডিং থেক লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। অনেকেই জখম হয়েছেন। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলবাহিনীর সদস্যরা। মাত্র তিন মাস আগে এই হাসপাতালে ৭০ বেডের করোনা ওয়ার্ড চালু হয়েছিল। ইরাকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মূল ভবনের পাশে করোনা ওয়ার্ডটি পুরো পুড়ে গিয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Exceptional Rathayatra: রথের পরের দিন সম্রাট খানের দুর্গে পালিত হয় ব্যতিক্রমী রথযাত্রা

পঞ্জিকার সময় সারণি মেনেই প্রতিবছর দেশজুড়ে মহাসমারোহে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। কিন্তু শতাধিক বছরকাল ধরে রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন গোঁসাই মতে ব্যতিক্রমী রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার সেলিমাবাদ গ্রামে। এ বছরও মঙ্গলবার সেলিমাবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাল গোপাল জীউ- এর রথযাত্রা। হিন্দু, মুসলিম-সহ সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন সামিল হন সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রা উৎসবে। এককালের সম্রাট সেলিম খানের আস্তানা সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রাই আজ জেলায় সম্প্রীতির রথযাত্রা উৎসব হিসেবে পর্যবসিত হয়েছে। সেলিমাবাদ গ্রামের প্রবীণ নাগরিকরা জানান, কথিত আছে সম্রাট সেলিম খান বহুকাল পূর্বে আরামবাগ থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। দামোদরের বাঁধ ধরে যাওয়ার সময়ে পথে তাঁদের গ্রামের বাল গোপাল জীউর মন্দির সংলগ্ন জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। পরে পাকাপাকিভাবে তিনি সেখানেই তাঁর আস্তানা গড়ে তোলেন। সেলিম খানের নাম অনুসারে পরে পরবর্তী সময়ে গ্রামটি সেলিমাবাদ গ্রাম নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। আরও পড়ুনঃ রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু বালকের ইতিহাস ও পুরাতত্ত্বের কাজে যুক্ত জামালপুর থানা এলাকার বাসিন্দা পূরবী ঘোষ জানান, প্রবাদ আছে, এই গ্রামেই সম্রাট সেলিম খান খালি হাতে বাঘ মেরেছিলেন। কবিকঙ্কন মুকুন্দরামে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যেও সেলিমাবাদের নাম উল্লেখ রয়েছে বলে পূরবী ঘোষ জানান। তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে,শের আফগানকে হত্যা করার পর তার পত্নী মেহেরুন্নিসাকে সেলিমাবাদ গ্রামের দুর্গা লুকিয়ে রেখেছিলেন সেলিম খান। পরবর্তীকালে এই মেহেরুন্নিসাই নুরজাহান নামে পরিচিত হয়েছিলেন। একইভাবে সম্রাট হওয়ার পর সেলিম খান পরিচিত হয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর নামে। বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে পূরবী ঘোষ আরও জানান, একদা সেলিমাবাদ গ্রামে হিন্দু ও জৈন এই দুই ধর্মের যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। সেই থেকে সেলিমাবাদ গ্রামটি বহু সুপ্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে আসছে ।এই সেলিমাবাদ গ্রামের মাঝেই রয়েছে বাল গোপাল জীউ মন্দির। মন্দির তৈরির পিছনেও রয়েছে এক প্রাচীন ইতিহাস। জানা গিয়েছে, বহুকাল পূর্বে সেলিমাবাদ গ্রামে বসতি করেছিলেন বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য ও তার স্ত্রী দয়ালময়ী দাসী। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক শক্তিপদ সাঁতরা জানান,১৯১৮ সালের পরবর্তী কোন এক সময়ে সেলিমাবাদ গ্রামে এসে সস্ত্রীক বসবাস শুরু করেন দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য। ওই বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজের বাড়ির সামনেই মন্দির গড়ে তোলেন। সেই মন্দিরেই তিনি রাধাকৃষ্ণ ও গোপাল ঠাকুরের বিগ্রহের পুজোপাঠ শুরু করেন। তিথি মেনে হওয়া রথ উৎসবের পরের দিন সেলিমাবাদ গ্রামের রথযাত্রা উৎসবের সূচনা দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজেই করেছিলেন। সেই প্রথা মেনেই আজও রথের পর দিন রথের পুজোপাঠ সম্পন্ন করে আসছে সেলিমাবাদের বাল গোপাল জীউ সেবা সমিতি। আরও পড়ুনঃ অনিবার্য তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএশক্তিপদ বাবু জানান, পুরীর রথে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহের পুজোপাঠ হয়। রথের দিন এই তিন দেবতার বিগ্রহ রথে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের মাসির বাড়িতে। কিন্তু সেলিমাবাদ গ্রামের রথে রাধাকৃষ্ণের প্রস্তর মূর্তি এবং অষ্টধাতুর গোপাল মূর্তির পুজো হয়। তিথি মেনে হওয়া রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন সকাল থেকে সেলিমাবাদ গ্রামের বাল গোপাল জীউ মন্দিরে এই তিন দেবতার পূজা পাঠ শুরু হয়। ভক্তদের প্রসাদ ও ভোগ বিতরণ শেষে বিকালে কাঠের তৈরি প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার রথে রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ও গোপাল মূর্তি চাপিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে নিয়ে যাওয়া হয় দামোদরের ধারের মাসির বাড়িতে। মাসির বাড়িতে যাওয়ার পথে এই গ্রামের রথে রশিতে টান দেন সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Accident: বালি বোঝাই ট্রাকের সজোরে ধাক্কা পুলিশ গাড়িকে, আহত চার

বালি বোঝাই লরির সঙ্গে টহলদারি পুলিশ গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে জখন হলেন তিন পুলিশ কর্মী ও পুলিশ গাড়ির চালক। শনিবার মধ্য রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বলগোনা-গুসকরা রোডে ভাতারের এরুয়ার বাসস্ট্যান্ডের কাছে। জখমদের সবাইকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও অপর দুই পুলিশ কর্মী এখনও সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভাতার থানার পুলিশ বালির লরি আটক করে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ চোট নিয়ে ফাইনাল খেলেছেন মেসি! ফাঁস করলেন স্ক্যালোনিভাতার থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, থানার একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর ও দুই কনস্টেবল পুলিশ গাড়িতে চড়ে রাতে এলাকা টহল দিচ্ছিলেন। ওই সময়ে এরুয়ার হাই স্কুলের কাছে গুসকরার দিক থেকে আসা একটি বালি বোঝাই লরির সামানের ডানদিকের চাকা আচমকাই ফেটে যায়। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরিটি রাস্তার ডাকদিকে চলে গিয়ে পুলিশ গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরসেই ধাক্কায় পুলিশ গাড়িটি দুমড়ে মুচরে যায়। এই দুর্ঘটনায় পুলিশ গাড়িতে থাকা ভাতার থানার এএসআই সুশান্ত রায়, কনস্টেবল পতিতপাবন ঘোষ, নরেন সোনার জখম হন। পুলিশ গাড়ির চালক বরুণ সামন্তও আহত হয়েছেন। সুশান্ত রায়ের মাথা ও শরীরের বেশ কিছু জায়গায় চোট লেগেছে। কনস্টেবল পতিতপাবন ঘোষের বাঁ পা ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি তাঁর মুখ ও শরীরের বাম দিকের অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তুলনামূলক ভাবে আঘাত কম থাকায় এএসআই সুশান্ত রায়কে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। জখম অপর দুই পুলিশ কর্মী এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজনীতি

Soumitra Khan: ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?

জল দুধের সাথে বন্ধুত্ব করল এবং নিজের স্বরূপ ত্যাগ করে দুধের সঙ্গে মিশে গেল। ফেসবুকে ফের দীর্ঘ পোস্ট দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আর তাঁর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হতে চলেছে। সাংসদের ব্যাখ্যা, শিক্ষা ও শিক্ষিত ছাত্রের মধ্যে রাজনীতিবিদরা ঢুকে পড়েছেন। বেনোজলরা এখন চাকরি পেয়ে যাচ্ছে। সেটাই বলতে চেয়েছেন। তবে, রাজনৈতিক মহলে কিন্তু ইতিমধ্যেই তাঁর এই পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বাংলার চার সাংসদ, তখন যুবমোর্চার সভাপতি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন সৌমিত্র খাঁ। রাতে আবার জানান, বিএল সন্তোষ, অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যের নির্দেশে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছেন! মাঝে আবার ফেসবুক লাইভে এসে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিশানা করেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ। বলেন, যিনি বলছেন তাঁর নেতৃত্বে সব কিছু হয়েছে। আমি এলাকায় না প্রবেশ করে জিতেছি। আমার মনে হয়েছে যুবমোর্চার পদ দিয়েছে দল। লড়াই করেছি। এই যিনি বিধানসভার দলনেতা হয়েছেন তিনি নিজেকে জাহির করছেন, দলকে নয়। যেভাবে চলছে তাতে যুবমোর্চার সভাপতি হিসেবে লড়াই করা মুশকিল হয়ে উঠছে। এখন যিনি নেতা হয়েছেন পুরো ফোকাস এক জায়গায় চলে গিয়েছে। তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বারবার। নেতাদের ভুল বুঝিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন তিনিই সবচেয়ে বড় নেতা। তিনি একসময় তৃণমূলে বড় নেতা দেখিয়েছেন। সৌমিত্রের কথায়, মাননীয় সভাপতিকে বললেও অর্ধেকটা বোঝেন, অর্ধেকটা বোঝেন না। বাংলা বিজেপি যেভাবে চলছে, তাতে ভালো কিছু হবে না। নতুন নেতা এসে দিল্লির নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করেছেন। দলটা একটা জেলার মধ্যে চলে যাচ্ছে। পরিষ্কার বলছি, নরেন্দ্র মোদি যতদিন বাঁচবেন বিজেপি করব।এরই মধ্যে ফের একবার ফেসবুক পোস্ট করে নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি করলেন সৌমিত্র।

জুলাই ১০, ২০২১
দেশ

Zika Virus: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাস

করোনার ভয়াবহতার মাঝেই এবার জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে। ইতিমধ্যে কেরলে মোট ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি। আক্রান্তদের শরীরে জিকার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি। ২৪ বছরের এক তরুণীর দেহে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। সেখানে ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই তরুণীর গর্ভাবস্থায় এই ভাইরাস হানা হয়৷ সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা জারি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জল জমতে না দেওয়া, মশার হাত থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ওষুধ ব্যবহার করা যায়৷ এদিকে জিকা ভাইরাস নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। জিকা প্রতিরোধে তৈরি হচ্ছে বিশেষজ্ঞ কমিটিও। জিকা ভাইরাস একটি মশাবাহিত রোগ। বাহক হল এডিস মশা৷ চিকেনগুনিয়া, ডেঙ্গির মতোই উপসর্গ দেখা যায়। প্রবল জ্বর, গাঁটে ব্যাথা ছাড়াও, শরীরে র্যা শ বের হতে দেখা যায়। এমনকী, শরীরের জটিলতা বাড়িয়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে জিকা। খুব দ্রুত এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এই জিকা ভাইরাস মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে গর্ভস্থ সন্তান ও ভ্রুণের। গর্ভবতী মহিলারা যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে শিশু বিকলাঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

Hospital: ওয়ার্মারে ঝলসে গেল সদ্যোজাত শিশু!

শহরের হাসপাতালে চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ। হাসপাতালে ওয়ার্মারে ঝলসে গেল ১০ দিনের শিশু! কাঠগড়ায় কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা নয়নতারা সর্দার। দিন সাতেক আগে বারুইপুর হাসপাতালে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু শিশুটি সুস্থ ছিল না একেবারেই। ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জন্ডিস ধরা পড়ে। পরিবারের লোকেদের দাবি, বারুইপুর হাসপাতালের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, জন্ডিসে আক্রান্ত একরত্তির চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এরপর শিশুকে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের লোকেরা। এসএনসিইউ বিভাগে ওয়ার্মারে শিশুটিকে রেখে ছিলেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেপরিবারের লোকেদের অভিযোগ, এদিন দুপুরে যখন ছেলেকে দুধ খাওয়াতে যান নয়নতারা, তখন দেখেন, ওয়ার্মারে শিশুটির শরীরে ঝলসে লাল হয়ে গিয়েছে! সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যরত নার্সকে ঘটনাটি জানান তিনি। শেষপর্যন্ত তড়িঘড়ি ওয়ার্মারটি বদলে দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুটির শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে। যদিও গাফিলতির অভিযোগ মানতে চাননি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বরং তাঁদের দাবি,ওয়ার্মারে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে শিশুটির শরীর তেতে গিয়েছিল, ঝলসে যায়নি। বস্তুত, ঘটনাটি নজরে পড়ার পর তড়িঘড়ি ওয়ার্মারটি বন্ধ করে শিশুটিকে সরিয়েও ফেলা হয়।

জুলাই ০৯, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যান

শুক্রবার মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটা ঘোষণা হতেই বিধানসভায় হট্টগোল শুরু করে বিজেপি। তার পর বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের বিধায়করা। আরও পড়ুনঃ বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রামসাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিরোধী দলের তরফে পিএসি চেয়ারম্যান হন। সেই ঐতিহ্যকে ভাঙলেন অধ্যক্ষ মহোদয়। ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও সদস্য বা সদস্যা মুকুল রায়ের নাম প্রস্তাব করেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর উপস্থিতিতে গলায় উত্তরীয় পড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অডিয়ো-ভিডিয়ো সবাই দেখেছেন। আমাদের অশোক লাহিড়ীর নাম পাঠিয়েছিলেন মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। সেটা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কারণ সরকার চায় খরচ আমরা করব, হিসাব আমরা দেখব। এই সরকার ২০১৭ সাল থেকে ক্যাগের অডিট করেনি। ২০১২-১৩ সাল থেকে জিটিএ-র অডিট করেনি। খেলা-মেলায় টাকা খরচে বিরোধীরা বাধা না হতে পারে তাই এই সিদ্ধান্ত। অশোক লাহিড়ীর মতো ভোটে জিতে আসা সম্মানীয় অর্থনীতিবিদ ভুল গুলি যাতে ধরতে না পারেন, তাই মুকুল রায়কে মনোনীত করল।

জুলাই ০৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona-Nasal spray: করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রে

করোনা প্রতিরোধে শুধু টিকাতেই আটকে থাকতে চান না বিজ্ঞানীরা। তাই বাজারে আসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে করোনার ওষুধ। ইতিমধ্যে ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে একটি ওষুধও এসে গিয়েছে। আর এবার করোনা প্রতিরোধে ন্যাজাল স্প্রে বাজারে আসার অপেক্ষায়। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই তৃতীয় ট্রায়াল শেষ করে ফেলবে করোনার ন্যাজাল স্প্রে। ভারতে এর তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। সংস্থার দাবি, করোনার বিরুদ্ধে তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে অত্যন্ত কার্যকর।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে নকল স্যানিটাইজারের রমরমা, গ্রেপ্তার ৪জানা গিয়েছে, তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করার অনুমতি চেয়ে গত সপ্তাহে ড্রাগ রেগুলেটরের কাছে আবেদন করেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। যদিও ড্রাগ রেগুলেটরের অন্তর্গত সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (SEC) প্রথমে সংস্থাটিকে তৃতীয় ট্রায়াল সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে। যা শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। সংস্থার দাবি, সামনে থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। এই বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতে সার্স-কোভ-২ (SARS-COV-2) ভাইরাসের মোকাবিলা করতে একসঙ্গে কাজ করবে তাঁরা।ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করেছে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজ (Sanotize)। যা করোনার বিরুদ্ধে খুবই ভাল কাজ করছে বলেই সূত্রের খবর।

জুলাই ০৯, ২০২১
কলকাতা

SSKM: মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থায় স্বাস্থ্য ভবনের কোপে ২ চিকিৎসক

এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজে ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন। দুজনকেই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের যে সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং আর এক অধ্যাপক চিকিৎসককে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত দুই চিকিৎসককে বদলির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২২ জুলাই থেকে দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে ধর্ণায় বাংলার কৃষকওএই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুতরফের বক্তব্যই শুনেছে ওই কমিটি। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মে মাসে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিটি। সেই রিপোর্টে জানা গিয়েছে নির্যাতিতার অভিযোগ সত্যি। তার পরেই পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যৌন হেনস্থার বিষয়টি জানান নির্যাতিতা পড়ুয়া-চিকিৎসক। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভবানীপুর থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে করা অভিযোগে নির্যাতিতা জানান, ২০২০ সাল থেকেই যৌন হেনস্থার শিকার তিনি। নানা অছিলায় অভিযুক্ত চিকিৎসক তাঁকে হেনস্থা করত বলে অভিযোগ করেছেন ওই পড়ুয়া-চিকিৎসক।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Edu Garcia‌‌: স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকে–মোহনবাগান

নাসরীন সুলতানা২০১৯২০ মরশুমের আইএসএলে এটিকের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন এডু গার্সিয়া। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। মাঝে এটিকে ছেড়ে চীনের ক্লাবে যোগ দিলেও গত মরশুমে আবার তুলে নেন এটিকেমোহনবাগানের জার্সি। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি এই আক্রমণাত্মক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। তাই এই মরশুমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারস্পেনের সেগুন্ডা ডিভিশনের জারাগোজা ক্লাব থেকে ২০১৭১৮ মরশুমে আইএসএলের ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দেন গার্সিয়া। একমরশুম বেঙ্গালুরুতে কাটিয়ে চীনের দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ঝেজিয়াং গ্রিনটাউন এফসিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালে চাইনিজ লিগে খেলার পর ২০১৯২০ মরশুমে এটিকেতে যোগ দেন। এটিকের হয়ে ২২ ম্যাচে ৯ গোল করেছিলেন গার্সিয়া। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এই স্প্যানিশ আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। ফাইনালে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে গোলও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকআগের মরশুমে দুরন্ত পারফরমেন্সের জন্য গত মরশুমে এডু গার্সিয়ার সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তি করেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা। গতমরশুমে কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। ১১ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল করেছিলেন। তাঁর পারফরমেন্সে হাবাস খুশি ছিলেন না। তাছাড়া আক্রমণভাগে জনি কাউকোর মতো ফুটবলারকে পেয়ে গেছে এটিকেমোহনবাগান। তাই গার্সিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তারা। যদিও গার্সিয়ার সঙ্গে এখনও ১ বছর চুক্তি আছে এটিকেমোহনবাগানের। গার্সিয়াও রিলিজ নিতে রাজি। এটিকেমোহনবাগান থেকে রিলিজ নিয়ে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দিচ্ছেন গার্সিয়া। হায়দরাবাদের স্প্যানিশ কোচ মার্কুয়েজও গার্সিয়াকে দলে চান। কয়েকদিনের মধ্যেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএদিকে, আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তুলে নিচ্ছেন ডিফেন্ডার আশুতোষ মেহতা। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি আই লিগ জয়ী মোহনবাগান দলের সদস্য ছিলেন। তারপর আইএসএলের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড দলে যোগ দেন। রক্ষণে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে আশুতোষকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। রক্ষণের সব পজিশনে খেলার দক্ষতা রয়েছে আশুতোষের। আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পেয়ে খুশি তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dilip Kumar Passed Away: বলিউডে নক্ষত্রপতন, প্রয়াত দিলীপ কুমার

সিনেমার এক যুগের অবসান। প্রয়াত বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা দিলীপ কুমার। বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল অভিনেতার। অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধ্যকজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন তিনি। গত ৬ জুন শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল দিলীপ কুমারকে। জানা যায়, সেই সময়ও অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল অভিনেতাকে। গত মাসেই দ্বিতীয়বারের জন্য ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত কয়েকমাস ধরেই শারীরিক সমস্যা বেড়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতার। বেশ কয়েকবার হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। অভিনেতার মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া। গত বুধবারও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল দিলীপ কুমারকে। আইসিইউ- তে রাখা হয়েছিল অভিনেতাকে। এর আগে ফুসফুসে জল জমার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন দিলীপ কুমার। তা থেকে সুস্থ হওয়ার পর তাঁকে বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতার।প্রায় ছয় দশকের বলিউড কেরিয়ার দিলীপ কুমারের। তাঁকে ট্র্যাজেডি কিং আখ্যা দেওয়া হত। গোটা কেরিয়ারে প্রায় ৬৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দেবদাস (১৯৫৫), মুঘল ই আজম (১৯৬০), গঙ্গা যমুনা (১৯৬১), ক্রান্তি (১৯৮১), কর্মা (১৯৮৬)-র মতো ছবি বলিউডের ইতিহাসে চিরকাল মনে রাখবেন সিনে প্রেমী দর্শক। ১৯৯৮০এ মুক্তিপ্রাপ্ত কিলা ছবিতে শেষ দেখা গিয়েছিল দিলীপের অভিনয়। ১৯৯৪-এ দাদা সাহেব ফালকে এবং ২০১৫-এ পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ...
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal