• ১৮ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sand

দেশ

দেশে একদিনে করোনার কবলে প্রায় ৪১ হাজার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গোটা দেশকে জেরবার করে দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪০ হাজারের উপরে ঘোরাফেরা করছে। ব্যতিক্রম হল না মঙ্গলবারও। এদিন আরও একবার একদিনে আক্রান্ত হলেন প্রায় ৪১ হাজারের কাছাকাছি। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভোটমুখী রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। এরাজ্যেও বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে হঠাত করোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪০ হাজার ৭১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার কম হলেও সার্বিকভাবে উদ্বেগজনক। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে সামান্য কম।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ২৯ হাজার ৭৮৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেকটা কম। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৭৭ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন, ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮১ হাজার ২৫৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট টিকা পেয়েছেন ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৯৪ জন।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৪৩ হাজার

ঠিক এক বছর আগে করোনা কাঁটায় ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। আর দেশজুড়ে কোভিড টিকাকরণ শুরু হওয়ার পরও যে হঠাৎ করে এভাবে সংক্রমণ ছড়াবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেননি। দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসে উদ্বগ্নি বিশেষজ্ঞরাও। ইতিমধ্যেই নতুন করে লকডাউনের পথে হেঁটেছে বিভিন্ন শহর। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার স্বাস্থ্যবিদরাও।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৩ হাজার ৮৪৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গত চার মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ। ফলে দেশে মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৩০। একদিনে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ১৯৭ জনের। দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৫৫ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যা রীতিমতো চিন্তার। একইসঙ্গে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৮৭ জন করোনা রোগের চিকিৎসাধীন।

মার্চ ২১, ২০২১
দেশ

ভারতে একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার

ঋতু বদলের সময়ে দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫ হাজার ৮৭১। তুলনায় অনেক কম সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন। বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগী ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জন।মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণেই নয়া বিপদ সংকেত। দেশে সপ্তাহখানেকের কোভিড গ্রাফ দেখে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রও। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে এ নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এখনও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। নইলে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ফের পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। সংক্রমিত এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে নাইট কার্ফু, লকডাউন জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে গণটিকাকরণের মাধ্যমে করোনা যুদ্ধে দেশ আরও এগিয়ে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১৭ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ। করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল দেশের ১ কোট ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩১১ জনের শরীরে। তাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যেমন, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বনে সামান্য ঢিলেমিও ভয়াবহ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা স্বাস্থ্যমহলের।

মার্চ ১৯, ২০২১
দেশ

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৩৬ হাজার

রীতিমতো কাঁপুনি ধরাচ্ছে করোনা। দেশের একাধিক রাজ্যে এই মারণ ভাইরাস যে দ্বিতীয়বার আঘাত হেনে ফেলেছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার কবলে পড়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ। অথচ, দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একটা সময় ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। হঠাৎকরোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মরাঠাভূমে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজারের বেশি। সম্ভবত মহারাষ্ট্রের জন্যই গোটা দেশের পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক মনে হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ হাজার ৮৭১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে বেশ কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬০৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭২ জনের। এই সংখ্যাটা অবশ্য আগের দিনের থেকে সামান্য কম। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ হাজার ৭৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের কার্যত অর্ধেক। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৬৪ জন।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমান জেলা বিজেপি সভাপতিসহ ১৪ নেতাকে শোকজ, ভোটের মুখে কড়া পদক্ষেপ

বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীসহ ১৪ জন বিজেপি নেতাকে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি নেতা গৌর মল্লিক, বিজয় ধারা, নন্দন সিং, কেশব চন্দ্র কোনার, খোকন সেন, সাগ্নিক শিকদার, বিশ্বজিৎ দাস, লক্ষ্মীকান্ত দাস, উত্তম চৌধুরী, স্মৃতিকান্ত মন্ডল, পুস্পজিৎ সাঁই, দেবজ্যোতি সিংহ রায়, রবীন্দ্র গর্গকে শোকজ করা হয়েছে। ৭দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। জবাবে সন্তুষ্ট না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে দল।গত ২১ জানুয়ারি বর্ধমান জেলা বিজেপি অফিস চত্বর রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায় বিজেপির জেলা অফিসের ছাদ থেকে ইঁট, পাথর, পাটা নীচে ছোড়া হচ্ছে। অফিসের সামনে বিক্ষোভ চলতে থাকে। জেলা বিজেপি সভাপতির বিরোধিতা করে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকে। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অভিযোগ পুলিশের ওপর ব্যাপক ইঁটবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনায় তখন তৃণমূলের ওপর দোষ চাপিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ বলেই পাল্টা দাবি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ২১ জানুয়ারির ঘটনায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বর্ধমানে দলের ১৪ জন জেলা নেতাকে শোকজ করল।গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় দলীয় শোকজের তালিকায় বিজেপির জেলা সভাপতি তো রয়েছেন। বাকি ১৩ জনও নেতৃত্ব স্থানীয়। এই শোকজের পর গোষ্ঠী সংঘর্ষে অযথা তাদের নাম জড়ানো হয়েছিল বলে দাবি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন দেখার বিষয় বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
বিদেশ

নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া

রাশিয়ায় দুর্নীতি, দমননীতি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে । এমন পরিস্থিতিতে রুশ বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান হাজার হাজার মানুষ।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল নাভালনিকে। তবে আদালত তিন বছর জেলের সাজা দিলেও কারাগারে দিন কাটাতে হয়নি তাঁকে। কারণ, দোষী সাব্যস্ত হলেও নাভালনির সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত অনুসারে তাঁকে থানায় বা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে হাজির দিতে হয়। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্ত মানছেন না নাভালনি। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে ফের একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে নাভালনিকে।সূত্রের খবর, শনিবার রাজধানী মস্কোর পুশকিনস্কয়া স্কোয়ারে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নাভালনির মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ দেখান। একইভাবে গোটা দেশে, এমনকী সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তেও সরকার বিরোধী সমাবেশে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। রুশ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশ করা হয়েছে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন প্রতিবাদীরা। ঘটনায় ৩৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনিও।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিদেশ

মুজিববর্ষ স্মরণ: ৭০ হাজার গৃহহীনকে বাড়ি হাসিনার

বাংলাদেশের একলক্ষ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । শনিবার তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর-সহ বাড়ি উপহার দিয়েছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিনে এত মানুষকে ঘর দিতে পারলাম, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহারা থাকবেন না। যাঁদের গৃহ নেই তাঁদের ঘর করে দিয়ে অসাধ্য সাধন করতে পারলাম, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর হতে পারে না।যাঁদের ঠিকমতো দুবেলা খাবার জুটতো না। পরনের কাপড় ছিল ছিন্ন-ভিন্ন মলিন। এই দুটো মৌলিক সমস্যা মিটিয়ে আজ তাঁরা পরম নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জায়গা পেলেন। ঝড়-বৃষ্টি দেখলেও আর কোন কষ্ট ভোগ করতে হবে না তাঁদের। পারবেন নিশ্চিন্তে ঘুমোতে। খোলা আকাশের নিচে প্রখর রোদের তাপ হজম করতে হবে না। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীন পরিবারগুলিকে বাড়ি চাবি বুঝিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪৯২টি উপজেলার মানুষ।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহহীনদের জন্য দুটি ঘরবিশিষ্ট প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে বাড়িগুলো। থাকছে বারান্দা, রান্নাঘর ও অ্যাটাচ বাথরুমও। এছাড়া টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎসংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
দেশ

শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ল সেনসেক্স

করোনা টিকাকরণ ও বাইডেনের শপথগ্রহণের জোড়া খবরে এই প্রথমবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরোল সেনসেক্স। প্রথমবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক পেরোল ৫০ হাজারের গণ্ডি। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও পেরিয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের গণ্ডি। এখানেও রেকর্ড।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী ছিল সেনসেক্স। গতমাসের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মানিটারি পলিসি ঘোষণা করতেই চাঙ্গা হয়ে যায় শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ৩৫০ পয়েন্ট লাফিয়ে সেনসেক্সের সূচক পৌঁছয় রেকর্ড ৪৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে। রেকর্ড হারে বাড়ে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও। ১০০ পয়েন্ট বেড়ে নিফটি পৌঁছয় ১৩ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সেটা ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর থেকে লাগাতার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার তা পেরিয়ে গেল ৫০ হাজারের গণ্ডি। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ৫০ হাজারের উপরে চলে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,১২৬.৭৩ অঙ্কে পৌঁছেছে সূচক। যা সর্বকালের রেকর্ড। নিফটির সর্বোচ্চ উত্থান ছিল ১৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্ট পর্যন্ত।লকডাউন পর্বে ইতিহাসের সবথেকে খারাপ বাজারের সাক্ষী হয় দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ২৫ হাজারের কোঠায়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের রেকর্ড বৃদ্ধি সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও তাঁদের মতে, সেনসেক্সের এই রেকর্ড বৃদ্ধির পিছনে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ট্রাম্প বিদায় নিতেই ওয়ালস্ট্রিটে স্থিরতা আসবে বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা। যা বিশ্বের বাজারেও স্থায়িত্ব আনবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই দালাল স্ট্রিটে বাড়ছে বিনিয়োগ। যা অর্থনীতির জন্য সুখবর বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের

প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যু্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্র জগতে। অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় জানান, বহুদিনের সম্পর্ক ছিল। একসঙ্গে কাজ করেছি প্রচুর। তাঁর কথায়, ওনার মৃত্যু কখনই হবে না। ও বেঁচে থাকবে। সৌমিত্রের প্রয়াণে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় জানান, আমার কাছে মানুষ সৌমিত্র অত্যন্ত সহজ সরল একজন মানুষ। ওঁর মৃত্যুটা মেনে নিয়ে পারছি না।বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী বলেন, আমরা প্রায় একই সঙ্গে কাজ শুরু করেছি। এত সুন্দর ওঁর ব্যবহার। একসঙ্গে থিয়েটার করেছি। শুধুই সুখস্মৃতির ভিড়। আরও পড়ুন ঃ সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের সত্যজিতের ফেলুদার স্মৃতিচারণায় সন্দীপ রায় জানান, ষাট বছরের বেশি সময় ধরে চিনি। পরিবারের একজনকে হারালাম আজ। শর্মিলা ঠাকুর জানান, উনি শুধু অভিনয়ে নন, একাধারে আরও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ছাপ রেখে গেছেন তিনি। আক্ষেপ থেকে গেল, কেন যে ওঁর আবৃত্তিগুলো রেকর্ড করলাম না। অপর্ণা সেন বলেন , উনি আমার প্রথম ছবির প্রথম নায়ক। প্রথমে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে কাকা বলে ডাকতাম। পরে নাম ধরে ডাকলেও সেই শ্রদ্ধাটা ছিল। জুটি হিসেবে আমরা কখনও সফল ছিলাম কি না জানি না। তবে উনি একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, তুই পরিচালক হলি আমাদের জুটিটা ভেঙে গেল। সৌমিত্রের মৃত্যুতে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন প্রসেনজিৎ। হয়ে পড়েছেন আবেগপ্রবণ। বাড়ি থেকে বেরোতে চাইছেন না। কথাও বলতে চাইছেন না। তবু তারই মধ্যে সৌমিত্রের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে তিনি পিতৃপ্রতিম এক ব্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতীয় ছবি ও নাটকে তাঁর অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।বিসিসিআই-র সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, আপনি প্রচুর কাজ করেছেন। শান্তিতে থাকুন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

তিন বন্ধুর দেহ ফিরছে গ্রামে, তবু অপেক্ষা শেষ হল না! উত্তরকাশীতে এখনও নিখোঁজ বাঁকুড়ার রতন

দীপাবলির আনন্দের বদলে বাঁকুড়ার শালবনি গ্রামে এখন শুধুই শোকের ছায়া। উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে ভয়াবহ তুষারধসে প্রাণ হারিয়েছেন গ্রামের তিন যুবক। তাঁদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু এখনও খোঁজ মেলেনি রতন ঘোষের। তিন বন্ধুর দেহ নিয়ে আত্মীয়রা গ্রামে ফিরছেন। সঙ্গে ফিরছে পাশের কেশরা গ্রামের মনোজ খাওয়াসের দেহও। তবে রতনকে ছাড়া গ্রামে ফেরার দুঃখ যেন আরও ভারী হয়ে উঠেছে সকলের কাছে।উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর কেদারতাল ট্রেক রুটে তুষারধসের কবলে পড়েছিলেন বাঁকুড়ার পাঁচ যুবক। তাঁদের মধ্যে চার জন শালবনি গ্রামের বাসিন্দা। অন্য জন ছিলেন পাশের কেশরা গ্রামের। দুর্ঘটনার পর শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তল্লাশির পর শালবনির রিন্টু মণ্ডল, উদয় ঘোষ এবং তাপস বাউরির দেহ উদ্ধার হয়েছে। কেশরা গ্রামের মনোজ খাওয়াসের দেহও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শালবনির রতন ঘোষের এখনও কোনও খোঁজ মেলেনি।উদ্ধার হওয়া যুবকদের দেহ নিয়ে বাঁকুড়ার পথে রওনা হয়েছেন তাঁদের আত্মীয় ও গ্রামের বাসিন্দারা। একসঙ্গে পাহাড়ে যাওয়া বন্ধুদের মধ্যে তিন জনের দেহ ফিরছে গ্রামে। কিন্তু রতন কোথায়, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। তাঁর পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। রতনকে ফিরে পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছেন গ্রামের মানুষও।উত্তরকাশীর দুর্গম কেদারখড়ক এলাকায় এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। জাতীয় পর্বতারোহণ সংস্থা এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১০ সদস্যের একটি যৌথ দল রতনের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে। তুষারধসের পর ওই এলাকায় ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত বরফ জমে রয়েছে। ফলে উদ্ধারকাজ চালাতে যথেষ্ট সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে।তিন যুবকের দেহ উদ্ধারের পর শালবনি গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্বজন হারানোর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ। কিন্তু সেই শোকের মধ্যেও রতনের ফেরার আশায় পথ চেয়ে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্য এবং গ্রামবাসীরা। উদ্ধারকারীরা যদি তাঁকে খুঁজে পান, সেই আশাতেই এখনও অপেক্ষা করছে গোটা গ্রাম।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে রাতের অন্ধকারে বড়সড় অভিযান! গুলি চালিয়ে বাংলাদেশি পাচারকারীকে ধরল বিএসএফ, উদ্ধার ৩ কেজি সোনা

কালীপুজোর আগে নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড়সড় সোনা পাচারের চেষ্টা বানচাল করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। রাতের অন্ধকারে ডিঙিনৌকায় করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন সাত জন বাংলাদেশি। তাঁদের বাধা দিতে গুলি চালান সীমান্তে টহলরত জওয়ানেরা। সেই গুলিতে জখম হয়েছেন এক যুবক। তাঁর নাম মণিরুল ইসলাম। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে তিন কেজি সোনা। বাকি ছয় জন পালিয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।শুক্রবার সন্ধ্যায় নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের টুঙ্গি সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে খবর, মণিরুল-সহ সাত জন বাংলাদেশি ডিঙিনৌকায় করে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছেছিলেন। তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে টহলরত জওয়ানদের। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের থামতে বলা হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ও রবার বুলেট ছোড়েন জওয়ানেরা। তাতেই মণিরুলের ডান পায়ে গুলি লাগে। পিঠেও রবার বুলেটের আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে। বাকি ছয় জন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।এর পর জখম মণিরুলকে উদ্ধার করেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানেরা। ঘটনাস্থল থেকে তিন কেজি সোনাও উদ্ধার হয়েছে। আহত যুবককে প্রথমে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং উদ্ধার হওয়া সোনার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়েছে।কালীপুজোর আগে এই অভিযানকে বড় সাফল্য বলে মনে করছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ওই যুবককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, সোনা কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় তা নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। শীতের মরশুমে নদিয়ার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলেও বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal