• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

Parents Murder: বৃদ্ধ বাবাকে ঘুম থেকে তুলে পিটিয়ে মারার অভিযোগে গ্রেপ্তার মদ্যপ ছেলে

ভোর রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে বৃদ্ধ বাবাকে ঘুম থেকে তুলে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ছেলে।ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ হালদার। এই ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার কাকুরিয়া পঞ্চায়েতের মেদগাছি গ্রামে। কালনার বুলবুলিতলা ফাঁড়ির পুলিশ মৃতকুমুদরঞ্জন হালাদার(৭১)এর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন এলাকাবাসী।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনার মেদগাছি গ্রামে বাড়ি কুমুদরঞ্জন হালদারের। অসুস্থ সত্তর ঊর্ধ্ব এই বৃদ্ধ বুধবার ভোররাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছেলে বিশ্বজিৎ তখনও বাড়ি না ফেরায় তাঁর মা অঞ্জলিদেবী না ঘুমিয়ে বাড়িতে ছেলের খাবার আগলে বসে ছিলেন। ভোর তিনটে নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরে গুণধর ছেলে বিশ্বজিৎ। মদ খেয়ে কেন বাড়িতে বাড়িতে এসেছিস? এই প্রশ্ন মা অঞ্জলিদেবী করতেই মায়ের উপরে চড়াও হয় মদ্যপ ছেলে বিশ্বজিৎ । ধারালো হাঁসুয়া নিয়ে বিশ্বজিৎ তাঁর মায়ের গলায় ঠেকালে মা প্রাণভয়ে ঘরছেড়ে পালায়। এরপর বিশ্বজিৎ তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে ঘুমন্ত অবস্থায় খাট থেকে তুলে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। ছেলের মারে গুরুতর জখম হয়ে ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন কুমুদরঞ্জন বাবু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথম গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। কলনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বৃদ্ধ কুমুদরঞ্জন হালদার । ঘটনার খবর পেয়ে বুলবুলিতলা ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ছেলে বিশ্বজিৎ হালদার কে আটক করে থানায় নিয়ে যায় । জেরায় বাবাকে মারধোরের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃদ্ধর এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Jamalpur: মন্দিরে ভক্ত সেজে সোনার হার ছিনতাই, গ্রেফতার ৬ সুন্দরী মহিলা

দেবতার দরবারে হাজির হয়েছিল ছয় সুন্দরী চোর ও তাঁদের গাড়ির চালক। একেবারে ফিল্মি কায়দায় তারা এক মহিলা ভক্তকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে তার গলায় থাকা সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা আর হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্তসেজে হাজির হওয়া ৬ মহিলা ও তাদের গাড়ি চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আটক করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। ধৃতরা সকলেই হুগলী জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থকেই উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনার হারটি।পুলিশের অনুমান, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রে জড়িত। মঙ্গলবার ৭ ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়েজনে ৬ দিনের জন্য তাদর নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়েরপুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য অনেক ভক্ত লাইনে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ধৃত ছয় মহিলাও ছিল। দুপুরে হঠাৎই লাইনে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। কয়েকজন ভক্ত মাটিতে পড়ে যান। সেই ফাঁকে পড়ে যাওয়া মহিলা স্বপ্না দাসের গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে গাড়ি চেপে পালিয়ে যায় ভক্ত সেজে আসা মহিলা ছিন্তাইবাজদের দল। স্বপ্না দাস চোরেদের টাটা সুমো গাড়ির নম্বর ও রঙের বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মন্দির চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জানায়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ওই টাটাসুমো গাড়িটির খোঁজে নেমে পড়ে। গাড়ি সহ সুন্দরী মহিলা চোরের দলটি ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।আরও পড়ুনঃ আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতাকালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতায় বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্ত সেজে এসে মহিলার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া ৬ মহিলা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সোনার হারটি। মনে করা হচ্ছে এই চোরের দলটি বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলে

বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই বহুতল হাসপাতাল বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম অশোক রুইদাস (২২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার তোড়কনা গ্রামে। সে ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষে ছাত্র ছিল। অশোকের আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারতশ্রীলঙ্কা ম্যাচমৃতর দাদা অলোক রুইদাস জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কার্তিক রুইদাস (৫০) সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথম বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কার্তিক বাবু সুস্থ হননি। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আট দিন আগে পরিবারের লোকজন কার্তিকবাবুকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকাল ৫ টা নাগাদ দুর্গাপুরের হাসপাতালেই কার্তিক রুইদাসের মৃত্যু হয়। অলোক রুইদাস বলেন, বাবার মৃত্যু সংবাদ তাঁর ভাই অশোক-ই তাঁকে জানায়। মা ভেঙে পড়বে বলে আমরা মাকে বাবার মৃত্যু সংবাদ জানাইনি। তারই মধ্যে ওই দিন রাত সাড়ে নটা নাগাদ অশোক হঠাৎই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর বেশ কিছু সময় বাদ অশোক আমাকে ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে জানায় বাবার মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী। মেসেজ আসার আধঘন্টা পর আলোক দেখেন তাঁর ভাই অশোক হাসপাতলের ৫ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে নীচে ঝাঁপ দিয়েছে। অশোককে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দাদা অলোক রুইদাস বলেন, ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে ভাইয়ের ব্যাঙ্গালোরে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল। ওর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতখণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি শ্যামল দত্ত বলেন, সোমবার বিকেলে বাবার মৃত্যুর পর রাতে ওই হাসপাতালের পাঁচ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলে অশোক রুইদাস আত্মঘাতী হয়। দুর্গাপুরের বিধাননগর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন ময়নাতদন্তের পর বাবা ছেলের মৃতদেহ একসঙ্গে তোড়কনার বাড়িতে আসে।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Eco-Tourism: গলসির ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব, পরিদর্শন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টার

ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব পেয়ে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভরতপুর এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকা পরিদর্শনে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন গলসি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস, পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও স্থানীয় চাকতুঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রধান অশোক ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা এলাকা পরিদর্শনে আসায় বেজায় খুশি গলসি ১ ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। তাঁরা প্রত্যাশা করছেন ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে খুব শিঘ্র রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেত মিলে যাবে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনগলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, চাকতেঁতুলে গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার জন্য আমরা রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠাই। সেই প্রস্তাব পেয়ে এদিন চাকতেঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুর এলাকার জমি ও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুপ বাবু বলেন,ভরতপুর এলাকায় বহু পুরাতন বৌদ্ধ স্তুপ রয়েছে। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে দামোদর নদে রনডিহা ব্যারেজের মনোরম সৌন্দর্য্য। যা দেখতে প্রায় প্রতিদিনই বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমান। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে বুজে যাওয়া গাঙ্গুর নদীর পাশের কসবা গ্রাম। যার উল্লেখ রয়েছে মনসামঙ্গল কাব্যে। ওই জায়গায় রয়েছে চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দির ও বেহুলা লক্ষ্মীন্দরের স্মৃতি বিজড়িত লোহার বাসর ঘর। কালক্রমে লোহার ঘরটি বিলুপ্ত হয়ে গেলেও চাঁদ সদাগরের সেই শিব মন্দির আজও তদানীন্তন কালের ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। এইসব কিছুই যুগ যুগ ধরে এলাকার পৌরাণিক ইতিহাসকে ধরে রেখেছে। তাই এমন ইতিহাস প্রসিদ্ধ জায়গায়আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালপর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে ইকো টুরিজম সেক্টরের গড়ার প্রস্তাব রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়। বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দুজনেই আশাবাদী ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দেবে। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও এদিন সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি ।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ’কাটমানি’ অভিযোগ, তদন্তে জেলা প্রশাসন

বিল পাশে কাটমানি মিলছে না বলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে বানচাল করতে চাইছে দুএকটি থার্ড পার্টি এজেন্সি (টি পি এ)।নএমনই অভিযোগ এনে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ জানালেন বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি। অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা। সোমবার থেকে শুরু হল অভিযোগের তদন্ত।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মানুষের চিকিৎসা সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ দেবার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে দুটি বিমা কোম্পানিকে। সেই বীমা কোম্পানিগুলির মধ্যে বীরভূমের এফএইচপিএল ইন্সুরেন্স কোম্পানি এই অনিয়ম করেছে বলে অভিযোগ বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি সেখ আলাউদ্দিনের। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ডেপুটি সিওএমএইচ (১) এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সোমবার বিকালে বর্ধমানের বেসরকারী সান হাসপাতালে যান।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনস্বাস্থ্য কর্তাদের ওই বেসরকারি হাসপাতালের অধিকর্তা মহম্মদ আলহাজউদ্দিন জানান, তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসার পুরো বিল অ্যাপ্রুভ না হওয়ায় রোগী ও তার পরিবারকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চিকিৎসা হয়ে যাওয়ার পরেও সেই কারণে রোগীকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। ওই হাসপাতালে থাকা বাঁকুড়ার ইন্দাসের রোগী মুরারী ধারার ছেলে শম্ভু ধারা জানান, ব্রেন স্ট্রোকের রোগী হিসেবে গত ২৮ জুন তাঁর বাবা এই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির সময়ে রোগী খুবই সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। চিকিৎসা মেলার পর এখন তিনি সুস্থ। কিন্তু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছে, তাঁদের চিকিৎসার পুরো বিল টিপিএ ছাড়েনি। তাই রোগীকে এখন ছাড়া যাচ্ছে না। মহম্মদ আলহাজউদ্দিন এই প্রসঙ্গে বলেন রোগী স্বাস্থ্যসাথী, কার্ডে ভর্তি হয়। সিইউতে ভর্তি থাকা ও ওষুধ সহ তার চিকিৎসায় ৯৬ হাজার টাকা বিল হয়েছে। কিন্তু টিপিএদিতে চাইছে মাত্র ৩৪ হাজার টাকা। আলহাজউদ্দিনের অভিযোগ ওই টিপিএ ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করছে। কাটমানি খাবার লোভে টিপিএ এই চক্রান্ত করছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন আলহাজউদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, টিপিএ কোম্পানিকে দ্রুত পরিবর্তন করুক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলডেপুটি সিওএমএইচ(১) জগন্নাথ মণ্ডল বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর এদিন কাগজপত্র দেখা হল।রিপোট জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে দেওয়া হবে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Indecent Dance: মেমারিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিলে 'অশালীন' নাচ-গান, সরব বিজেপির রাজ্য নেত্রী

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিল রবিবার অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দলুইবাজারে। সেই বিজয় মিছিলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। অশালীনতার দৃশ্য ধরা পড়া ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে অগ্নিমিত্রার দাবি, বিজয় মিছিলটি হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দলুইবাজার ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সেখপুর এলাকায়। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেছেন, এই রাজ্যে দুরকমের আইন। তৃণমূলের জন্য এক রকম। বাদবাকি জনগনের জন্য অন্যরকম। তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজনের মুখে মাস্ক না থাকা নিয়েও তিনি প্রশাসনকে কটাক্ষ করেছেন।একই সঙ্গে অগ্নিমিত্রা দাবি করেছেন, এগিয়ে বাংলা। গানের তালে নাচ, তৃণমূলী সংস্কৃতি।অভিযোগ, বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে মেমারির দলুইবাজার ১ পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের কর্মীরা রবিবার বিজয় মিছিল করে। রীতিমত মাইক লাগিয়ে তারস্বরে ব্যাঞ্জো বাজিয়ে সেই বিজয় মিছিল হয়। সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে ওই বিজয় মিছিলে নাচানাচিতে সামিল হন দলের মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা। বিজয় মিছিলের নামে নাচা-গানা সহযোগে অশালীন মিছিল করার অভিযোগ ওঠে এলাকার শাসকদলের লোকজনের বিরুদ্ধে। যে নাচ নিয়ে এলাকার অনেকে লজ্জায় মুখ লুকোতেও বাধ্য হন বলে এলাকা সৃত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারবিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিজয় মিছিলের নামে এমন অশালীনতা নিয়ে ঘটনার দিন থেকেই সরব হন এলাকার বিরোধীরা। বিরেধী নেতৃত্বের অভিযোগে, কোভিডের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে এই রাজ্যে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সাধারণ জনগনের মুখে মাস্ক না থাকলে পুলিশ পদক্ষেপ করছে। অথচ শাসক দলের বিজয় মিছিলে সবেরই ছাড়। সেখানে সচেতনতা, দূরত্ববিধির কোন কিছুর বালাই ছিল না। তার উপর বিজয় মিছিলে থাকা মহিলা ও পুরুষরা তৃতীয় শ্রেণীর চটুল গানে বিভোর হয়ে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে গোটা রাস্তা নেচে বেড়ালেন। সব জেনেও শাসক দলের বিজয় মিছিল বলে প্রশাসন নিরবই থেকে গিয়েছে বলে অভিযোগ মেমারির বিরোধী শিবিরের।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনজেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের নেতারা এখন বলেছেন এগিয়ে বাংলা। তাই যা হবার সেটাই হচ্ছে। রাজ্যবাসীকে এরকম আরও অনেক কিছু এখনও দেখতে হবে । যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাসের সাফাই, বিজয় মিছিল হয়েছে করোনা বিধি মেনেই। সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দিয়েই সব কিছু হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Rape: নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী

বাড়িতে একা থাকা নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রতিবেশী পরিবারের যুবক। ধৃতের নাম বকুল হেমব্রম। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার বেগপুর পঞ্চায়েত শিমুলগড়িয়ায়। ধর্ষণ ও পকসো ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৩+বয়সী নাবালিকার বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের শিমুলগড়িয়া গ্রামে। ওই নাবালিকা শনিবার দুপুরে বাড়িতে একাই ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী যুবক বকুল তাদের বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।অবিভাবকরা বাড়িতে ফিরলে নির্যাতিতা নাবালিকা বকুলের কুকীর্তির কথা তাঁদের জানায়। ওই দিনই ঘটনার কথা জানিয়ে নাবালিকার পরিবার কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Group Clashes: বিজয় মিছিলের নামে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে জখম অন্তত ১০, গ্রেফতার ৯

বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত দশ জন। জখমদের একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের পলাশন গ্রামে। খবর পেয়ে এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও র্যাফ বাহিনী ঘটনা পৌঁছায়। গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে যাওয়া পুলিশকে হেনস্থা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই পুলিশ ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহলদারি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাসেদ শেখের সঙ্গে ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আবু আওয়াল গোষ্ঠীর বিরোধ দীর্ঘ দিনের। মেমারির বড়পলাশন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবি খাতুন ও তাঁর স্বামী আবু আওয়ালের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিজয় মিছিল হয়। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন দুপুরে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পলাশন গ্রাম ঘুরে মিছিলটি মির্জাপুরের দিকে যাওয়ার সময়েই তৃণমূলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারপিট আটকাতে গেলে পুলিশও হেনস্থার শিকার হয়। এমনকি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাবিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষের অনুগামী বলে পরিচিত গোলাম আকবর চৌধুরির অভিযোগ, তাঁদের বিজয় মিছিল পলাশন গ্রাম ঘুরে মির্জাপুরের দিকে এগোচ্ছিল। ওই সময় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আবু আওয়াল সহ ১২-১৩ জন লাঠি, বাঁশ নিয়ে পিছন দিক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজয় মিছিলে আক্রমণ চালায় । তাতে বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদ সহ ৬-৭ জন জখম হয়েছেন। আবু আওয়ালের লোকজন বিজয় মিছিলে থাকা বেশ কয়েকটি টোটোও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাযদিও আবু আওয়ালের অনুগামিদের অভিযোগ, বিজয় মিছিলের নামে পলাশন গ্রামে ঢুকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে প্রধানের স্বামী আবু আওয়ালকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন জখম হয়েছে। আবু আওয়ালের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান রুবি খাতুনের অভিযোগ,পরিকল্পনা করে বিজয় মিছিল থেকে লাঠি-টাঙি নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে।বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ জখম থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পওয়া যায়নি।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Fraud: ৩ লক্ষ টাকায় ২০০ 'সোনার কয়েন', গ্রেফতার তিন

সোনার কয়েন বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ৩ প্রতারক। ধৃতদের নাম শেখ মেহের ,খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল। প্রতারিতর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের মধ্যে মেহেরের বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। খোকন আউসগ্রামের ভেদিয়া ও সাগর কাঁটাটিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনপুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত একটি মোটর বাইক ও প্রতারণার প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার তিন ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের মঙ্গলবার পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা বিমল কুমার মালকে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি ফোন করে তাঁর নাম রাজীব দাস বলে বিমলকে পরিচয় দেন। রাজীব নামের ওই ব্যক্তি ফোনে বিমলকে জানায়, বাড়ির পুকুর কাটার সময়ে সে একটি কলসি পায়েছে। কলসির মধ্যে অনেক সোনার কয়েন মিলেছে। সেই সোনার কয়েন নেওয়ার জন্য রাজীব গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলে বিমলকে। সেইমতো বিমল ১৬ জুলাই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সেখানে তাঁকে একটি কয়েন দেখিয়ে সেটি পরীক্ষা করার জন্য বিমলকে বলা হয়। বিমল কয়েনটি নিয়ে স্বর্ণকারের কাছে যান। স্বর্ণকার কয়েনটি সোনার বলে জানান। এরপরেই সোনার বাকি কয়েন কেনার জন্য দুজনের মধ্যে দরাদরি হয়। ২০০ টি কয়েনের জন্য তিন লক্ষ টাকা দর ঠিক হয়।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅভিযোগ, প্রতারকদের কথামতো শুক্রবার সন্ধেয় বিমলবাবু টাকা নিয়ে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই শেখ মেহের, খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল অপেক্ষা করছিল। তারা নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে বিমলকে ২০০টি কয়েন দেয়। এই কয়েনগুলি নেওয়ার পরেও বিমল সেগুলি স্বর্ণকারের কাছে নিয়ে যায়। স্বর্ণকার পরীক্ষা করে সেগুলি জাল বলে জানিয়ে দেয়।এরপরই বিমল মাল আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Road Blockade: কালনায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রীদের

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার পূর্ব বর্ধমানেও ছড়াল উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে ক্ষোভের আঁচ। পরীক্ষা না নিয়ে কেন ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? এই দাবী তুলে শনিবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী। তারা কালনা-কাটোয়া রোডে ধাত্রীগ্রাম পোস্ট অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাছাত্রীদের সঙ্গে পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেয় তাঁদের অবিভাবকরা। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে অবরোধ বিক্ষোভ। তার জেরে থমকে যায় কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে যানবাহন চলাচল। প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনউচ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী জানতে পারে তারা ফেল করেছে। রেজাল্ট হাতে পাওয়ার ওই ছাত্রীরা দেখে তাদের বেশির ভাগই বাংলা অথবা ইংরাজিতে ফেল করেছে। পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী রিতিশা ঘোষ বলেন, পরীক্ষা হলে আমরা কেউ ফেল করতাম না। কারণ আমরা পড়শুনাটা সিরিয়াসলি করেছি। ছাত্রীদের প্রশ্ন, পরীক্ষা না নিয়ে তাহলে তাঁদের ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? তাই তারা চাইছে অবিলম্বে উচ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হোক। নয়তো তাঁদের সকলকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরঅবিভাবক ঝুমা দেবনাথ বলেন, এই বছর অতিমারির কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার ১০০ শতাংশ ।অথচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানসিকতা দেখানো হল। পরীক্ষা না নিয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে অনেক পড়ুয়াকে উত্তীর্ণ করা হয়নি। ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রীকে হয় বাংলা নয়তো ইংরাজিতে ফেল দেখানো হয়েছে। যাদের ফেল দেখানো হয়েছে তাদের সবাইকে পাশ করাতে হবে বলে ঝুমা দেবনাথ সহ অন্য অবিভাবকরা দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টবিক্ষোভরত ছাত্রীদের স্কুলের ভিতর নিয়ে গিয়ে পুলিশ শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনায় বসায়। শিক্ষিকাদের কাছেও একই দাবি জানায় পড়ুয়া ও অবিভাবকরা। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিলে ছাত্রী ও অবিভাবকরা এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতা

বহু লক্ষাধিক অর্থমূল্যের গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরে অভিযোগ জানালেন তৃণমূল নেতা। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ২ ব্লকের মসজিদপুর অঞ্চলের ঘটনা। গাছ চুরি নিয়ে ব্লক তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাগলসির মসজিদপুর অঞ্চলে ছিল প্রায় কোটি টাকা মূল্যের গাছ। সেই গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হন এলাকার বাসিন্দা ও একাংশ তৃণমূল নেতা। ঘটনায় নাম জড়ায় ব্লক তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লার। শুক্রবার গাছ চুরি কাণ্ডের তদন্ত চেয়ে গুল মহম্মদ বনদপ্তর ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুল মহম্মদ দাবি করেন, তাঁর বদনাম করতেই গাছ চুরির ঘটনার তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই তিনি চান প্রশাসন গাছ চুরির ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করুক।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহল, যেখানে ১১,০০০ অ্যাথলিট থাকবেএকই সঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে ওমরপুর গ্রামের কিছু মানুষ ও পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারপর ফের বৃহস্পতিবার এলাকার কিছু মানুষ পুনরায় গাছ চুরি নিয়ে বিডিও, জেলাশাসক ও বন বিভাগে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সবাই গাছ চুরির ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টে গাছ চুরি বেড়ে যাচ্ছে বলে গুল মহম্মদের অভিযোগ।অন্যদিকে এলাকাবাসী মসজিদপুর অঞ্চলের গাছ চুরি নিয়ে প্রশাসনের কাছে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাতে গুসকরা ও গলসির তিন গাছ ব্যবসায়ী ছাড়াও জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুলমহম্মদ মোল্লা সহ এলাকার অপর তৃণমূল নেতা সুমন পবি, খোয়েশ মোল্লা এবং সেখ জহরের নাম জড়িয়েছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়াটাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীমসজিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি বলেন, পূর্বের গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে তাঁরা বিডিও অফিসে ও থানায় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুস্কৃতীদের সাহস বেড়ে গিয়েছে। এখন ব্যবস্থা না নিলে আর যে কটি গাছ অবশিষ্ট আছে তাও চুরি হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির বনভূমির কর্মাধক্ষ্য সেখ সাবিরউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এলাকার মানুষ কোটি টাকা মুল্যের গাছ চুরি নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগ করছেন। সাবিরউদ্দিন বলেন, তিনিও চান ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক সাজার ব্যবস্থা করুক বনদপ্তর। বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bomb Blast: কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশ

মজুত রাখা বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভেঙে পড়ার পর গা ঢাকা দেওয়া ষাটোর্দ্ধ বাড়ির মালিক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার সুজাপুর গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরিবারের বাকি সদস্যরা এখনও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। পুলিশ তাদের সন্ধান চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকেই পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বোমাগুলি কোথা থেকে এনে কি উদ্দেশ্যে বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল সেই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃত সাক্ষী ঘোষকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক সাক্ষী ঘোষের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও স্ত্রী মিনতি ঘোষকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারপুলিশ জানিয়েছে,গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুজাপুর গ্রামের বাসিন্দা সাক্ষী ঘোষের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে ঘোষ পরিবারের কংক্রিটের বাড়ির ছাদ ও দেওয়ালের একাংশ। ফাটল ধরে যায় বাড়ির অন্য দেওয়ালগুলিতেও। এই ঘটনার জেরে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বিস্ফোরণের খবর পেয়েই কেতুগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দেয় সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ সহ পরিবারের ৮ সদস্য।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগোটা বাড়ি খতিয়ে দেখার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় বোমা বিস্ফোরণের কারণেই সাক্ষী ঘোষেদের বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে বাড়ির পলাতক লোকজনের খোঁজ শুরু করে ।বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘোষ বাড়ির গৃহকর্তা ও গৃহকর্তীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এদিন ফরেনসিক দল বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রত বাড়িটি সরোজমিনে খতিয়ে দেখে। শনিবার ফরেনসিক দল কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি খতিয়ে দেখতে আসছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Abortion: পেটে লাথি মেরে গৃহবধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ও ভাশুর

পেটে লাথি মেরে বধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাদ্দাম শেখ ও সামাত শেখ। তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার আমবোনা গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী শুক্রবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিস জানিয়েছে, নির্যাতিতা গৃহবধূর নাম চুমকি বেগম। গলসি থানার গোলগ্রামে চুমকির বাবার বাড়ি। বছর চারেক আগে ভাতারের আনবোনার যুবক সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়েতে চাহিদামতো পণ দিয়েছিল বধূর বাবার বাড়ির লোকজন। বিয়ের দুমাস পর যৌতুকের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বধূর উপর মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। পাশাপাশি তাঁর স্বামী বাইক কেনার জন্য চুমকিকে বাপের বাড়ি থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে গৃহবধূর বাপের বাড়ি লোকজন জামাইকে বাইক কিনে দেয়। এছাড়াও আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অভিযোগ, এসব চাহিদা পূরণ হলেও বধূ নির্যাতন বন্ধ হয়নি। অত্যাচার চলতেই থাকে। গৃহবধূ চুমকি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময়ে তাঁকে গর্ভপাত করার জন্য এরপর চাপ দেওয়া শুরু করে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা। চুমকি তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁর উপর অত্যাচার বাড়ে। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে তাঁকে মারধর করা হয়। পেটে লাথি মারা হয়। তাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাপের বাড়ির লোকজন তাঁকে বর্ধমান শহরের একটি নাির্সংহোমে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাঁকে পানাগড়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন। দুমাস পর তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফেরেন। ফের তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দুমাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে চুমকি বেগম বর্ধমান আদালতে মামলা করেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য ভাতার থানার ওসিকে নির্দশ দিলে পুলিশ বধূর স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Ketugram Blast: ভাতারের পর কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত কংক্রিটের বাড়ি, পলাতক বাড়ির লোকজন

মজুত বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভঙে পড়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। ভাতারের বানেশ্বরপুর গ্রামের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়লো কেতুগ্রামের সুজাপুর গ্রামের জনৈক সাক্ষীগোপাল ঘোষের বাড়ির একাংশ। বোমা বিস্ফোরণের কারণে জখম হওয়া বাড়ির মালিক সহ ৩ জনই গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখে পলাতকদের সন্ধান চালাচ্ছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কেতুগ্রামে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসুজাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামেই সাক্ষীগোপাল ঘোষের একতলা পাকা বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকেন সাক্ষীগোপালের স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ ও ভাইসহ মোট ৬ জন সদস্য।প্রতিবেশীরা বলেন, এদিন ভোর রাতে বিকট বিস্ফোরণের কেঁপে ওঠে এলাকা। তারপরেই এলাকার সবাই যে যার ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন সাক্ষীগোপালের পাকা কংক্রাটের বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এমনকি সাক্ষীগোপালের বাড়ির পাকা দেওয়ালগুলিতেও ফাটল দেখতে পান গ্রামবাসীরা। ঘটনা নিয়ে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকা সূত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে সাক্ষীগোপাল ছাড়াও তাঁর ছেলে ও ভাই আহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারি এড়াতে ঘটনার পরেই আহতদের সবাইকে নিয়ে পালিয়ে যায় পরিবারের বাকি সদস্যরা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএই বিস্ফোরণের খবর পেয়েই এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ বাড়িটি খতিয়ে দেখে। বাড়িতে আর বোমা মজুত রাখার আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্যে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই বাড়িতে মজুত থাকা একাধিক বোমা বোস্ফোরণ ঘটাতেই বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্তাদের কথাতেই স্পষ্ট, পলাতকদের খুঁজে বার করাটাই এখন পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন ,পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?সুজাপুর গ্রামের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগাঠনিক জেলার সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, সুজাপুর গ্রামে যার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী। ওই বাড়িতেই বোমা মজুত রাখা হয়েছিল। কোনও ভাবে তাতে বিস্ফোরণ হয়ে যায়। তার পরেই বোমা মজুত রাখার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বোমা মজুতের ঘটনায় জড়িত সকলের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি নেতা কৃষ্ণ ঘোষ। যদিও সাক্ষীগোপালের ছেলে শুভজিৎকে বিজেপি কর্মী বলে পালটা দাবি করেছে তৃণমূল। কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ বলেন, তাঁর বিধানসভা এলাকা অনেক বড়। তার মধ্যে কে কাকে ভোট দিয়েছে বা কে কোন দলের সমর্থক অত খবর রাখা কারোও পক্ষেই সম্ভব নয় । পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে৷ আইন আইনের পথে চলবে। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Discipline : ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকের

প্রাইভেট টিউশন পড়তে যাওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক স্কুল শিক্ষক। ধৃতের নাম অখিলেশ্বর সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের শ্যামগঞ্জপাড়ায়। স্কুল শিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে ছাত্রীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা শহরের আমলাপুকুর এলাকায় বাড়ি দশম শ্রেণীর ছাত্রীর। ছাত্রীটি সোমবার সকালে কালনা শহরের সরকারি স্কুলের শিক্ষক অখিলেশ সরকারের বাড়িতে প্রাইভেট টিউশন পড়তে যায়। অভিযোগ, ওই সময়ে ছাত্রীকে একা পেয়ে ওই শিক্ষক ঘরের দরজা বন্ধ করে তার শ্লীলতাহানি করে। শিক্ষকের যৌন লালসার হাত থেকে বাঁচতে ছাত্রীটি চিৎকার শুরু করে। তখনই ছাত্রীকে ছেড়ে দিলেও কাউকে ঘটনার কথা জানালে পরিণতি ভয়ংকর হবে বলে শিক্ষক ছাত্রীকে হুমকি দেয়। এই ঘটনা বিষয়ে ওই দিনই ছাত্রীর পরিবার কালনা থানায় শিক্ষক অখিলেশ্বর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে এর পরেই পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Murder: সন্তান না হওয়ায় বধূহত্যা, অভিযোগ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

সন্তান না হওয়ায় বধূকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার নাম সুদীপা কুণ্ডু (২৩)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার জোকারি পাড়ায় বধূর শ্বশুর বাড়ি। সোমবার সকালে শ্বশুর বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ।বধূর বাবার বাড়ির লোকজনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন বধূর বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ।আরও পড়ুনঃ স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশীবধূ সুদীপার বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ পুলিশকে জানিয়েছেন,তাঁদের পাড়ারই যুবক মানস কুন্ডুর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুদীপার বিয়ে হয় পাঁচ বছর আগে।বিয়ের সময়ে পাত্র পক্ষের দাবি মতো তিনি নগদ ২ লক্ষ টাকা, মোটরবাইক, বেশ কয়েক ভরি সোনার গহনা, খাট, বিছানা, ও অন্য দানসামগ্রী দিয়েছিলেন। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজন যত ভরি সোনার গহনা দাবি করেছিলেন ততটা তিনি দিতে পারেননি। সেই কারণে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুদীপার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। কৃষ্ণচন্দ্র বাবু বলেন, সেই অত্যাচার মেনে নিয়েও সুদীপা সংসার করছিল। তারই মধ্যে আবার শুরু হয় বিয়ের পাঁচ বছর পরেও সুদীপা সন্তানের মা হতে না পারার অত্যাচার। সেই জন্য সুদীপাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হতো বলে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু অভিযোগ করেছেন।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেএদিন সকালে সুদীপার বাবার বাড়িতে ফোন করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায় সুদীপা গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হয়েছে। সেই খবর পেয়ে বধূর বাবার বাড়ির লোকজন জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখেন সেখানে সুদীপা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখেই কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়েকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে জামাই সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এমনটা দাবি করে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু এদিনই মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগ জমা পড়ার কথা জানতে পেরেই গা ঢাকা দেয় বধূর স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। কালনায় এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বধূ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Murder: স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশী

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া প্রতিবেশীকে হামাল দিস্তা থেঁতলে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। নূর আলম মিদ্দে (৬৫) কে খুনের ঘটনার চার দিনের মধ্যে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন মহম্মদ মুসা শেখ। নিহত ও ধৃত দুজনেরই বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার দীর্ঘনগর গ্রামে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও আরও তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ এদিন ধৃতকে ৭ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে মৃতর পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ জুলাই সকালে দীর্ঘনগরের বাড়ির কাছে থাকা গাড়ির সার্ভিস সেন্টার থেকে উদ্ধার হয় নূর আলম মিদ্দের রক্তাত মৃতদেহ। তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় ছিল আঘাতের ক্ষত। এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রথমে অভিযোগের আঙুল ওঠে মৃতের মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মৃতের পরিবার তিনজনের নামে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ সেই অভিযোগের তদন্তে নামতেই উঠে আসে অন্য এক কাহিনী। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ মৃতের প্রতিবেশী মহম্মদ মুসা শেখের নাম জানতে পারে। সূত্রের খবর, পুলিশ মুসা শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ম্যারাথন জেরায় ভেঙে পড়ে শেষপর্যন্ত মুসা শেখ পুলিশের কাছে নূর আলম মিদ্দেকে খুনের কথা কবুল করে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরপুলিশকে মুসা শেখ জানায়, তাঁর স্ত্রী প্রতিবেশী নূর আলম মিদ্দের বাড়িতে যাওয়া আসা করতো। নূর আলমের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর গভীর মেলামেশা নিয়ে তার সন্দেহ হয়। মুসার দাবি, সে নূর আলম মিদ্দে ও তাঁর স্ত্রীকে একদিন ঘনিষ্ঠ অবস্থাতেও দেখে ফেলে। এর পরেই সে নূর আলমকে খুনের পরিকল্পনা কষে । পরিকল্পনা অনুযায়ী হামাল দিস্তা দিয়ে আঘাত করে নূর আলম মিদ্দেকে খুন করেছে বলে মুসা শেখ পুলিশকে জানায় । এই কথা কবুল করার পরেই পুলিশ মুসা শেখকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমককালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টার্য্য জানিয়েছেন, টানা জেরায় মুসা শেখ খুনের কথা কবুল করার পরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে খুন হওয়া ওই প্রৌঢ়ের সঙ্গে ধৃতের স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Attempt Murder: বিজেপি করায় দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের

বিজেপি করার অপরাধে এক দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পিন্ডিরা পঞ্চায়েতের কৈগড়িয়া গ্রামে। মারধরের বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী স্বপন দাস কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। কালনার তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, স্বপন দাস কালনা ২ ব্লকের কৈগড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।স্বপনবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি পার্টি করেন। সেই কারণে রবিবার সকালে তিনি যখন কাজে যাচ্ছিলেন তখন তৃণমূলের ৬ জন তাঁর উপরে হামলা চালায়। স্বপনবাবু দাবি করেছেন, তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। সেই সময়ে তাঁর স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। স্বপনবাবুর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অর্ধনগ্ন করা হয়।এরপর তাঁদের পুড়িয়ে মারার জন্য কেরোসিন তেল নিয়ে আসে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। বাঁচার জন্য তাঁরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশাবিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, রাজ্য জুড়েই তৃণমূল সন্ত্রাস জারি রেখেছে। ওদের মন্ত্রীও এখন সেই সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, স্বপন দাস ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপি কর্মীর এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কালনা ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রণব রায় বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এইসব অসত্য অভিযোগ আনা হচ্ছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal