• ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

রাজ্য

অত্যাচার, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি বন্ধ হয়নি বাংলায়, শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

বিধানসভা নির্বাচনের এক বছর পরে এরাজ্যে এসে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে টানা তোপ দাগেন অমিত শাহ। তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেও তৃণমূল কংগ্রেস যে শোধরায়নি সেকথাও জানিয়ে দেন শাহ। তাঁর হুঙ্কার এখানে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে বিজেপি। করোনা আবহ কেটে গেলেই সিএএ চালু হবে বলেও জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তৃণমূল সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বলে শাহর দাবি।অমিত শাহ বলেন, বাংলার মানুষ বলুন সিন্ডিকেটরাজ, দুর্নীতি কী বন্ধ হয়েছে? তারপরও কী অত্যাচার বন্ধ হয়েছে? অত্যাচার বন্ধ না হলে বিজেপি লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের ওপর অত্যাচার, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানি চললে বিজেপি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবে। তৃতীয়বার ক্ষমতা এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও শোধরাননি।ভোটপরবর্তী হিংসার কথাও উঠে আসে অমিত শাহর বক্তব্যে। বাংলায় আইনের শাসন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, মানবাধিকার কমিশনও বলছে বাংলায় আইনের কোনও শাসন নেই। ২২ মার্চ থেকে বাংলায় ৮১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশে কোথাও কিছু হলে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন দিদি। বীরভূমে মহিলা-শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। সেখানে কেন প্রতিনিধিদল পাঠানো হল না। বীরভূম কী বাংলায় নয়। হাঁসখালিতেও কেন প্রতিনিধি দল গেল না।এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার বাংলার অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের অত্যাচার বন্ধ না করা অবধি শান্তিতে বসতে পারব না।

মে ০৫, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

মমতা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও রাজ্যে ৩৫৫ চাইছেন বিরোধী দলনেতা

রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রতিবাদে বীরভূমের সিউড়িতে আইন অমান্য আন্দোলন করে বিজেপি। বুধবার এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুভেন্দু বলেন, ওনার মেজরিটি আছে। মুখ্যমন্ত্রী আছেন, থাকুন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে নিক কেন্দ্র। তাঁর প্রভিশন আছে ৩৫৫-তে। এসেম্বলিতে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। তবে রাজ্যে ৩৫৬-এর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, রাজ্যে কিছু সামাজিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। ওর তালু গরম হয়ে গিয়েছে। তাই এসব বকছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের মোট ৫টি আইন-শৃঙ্খলা জনিত ঘটনার ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। বগটুইতে গণহত্যা থেকে ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুন। নদিয়ার হাঁসখালিতে গণধর্ষণ করে নাবালিকার ডেথ সার্টিফিকেট না থাকা সত্বেও শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনাতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা তলানিতে বলে দাবি করে আসছে বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলি। তবে এদিন সরাসরি শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তন চান না। কেন্দ্রের হাতে আইন-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণ চাইছেন।এদিকে শুভেন্দুর দাবির প্রেক্ষিতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে রক্ষা করার জন্য সুকৌশলে দিল্লি পরিকল্পনা নিয়েছে। সারদা-নারদায় তা আগেই বোঝা গিয়েছে। এটা দিল্লির মতো পরিকল্পনা আছে। জম্মুকাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস অসহ্য। তবে বিজেপি সিরিয়াস হলে সারদা-নারদায় শাস্তি দিতে পারত। তা করেনি।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করে বিতর্কে রাজ্যের মন্ত্রী

সোমবার বর্ধমান শহরের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে এক সভায় পুর্ব বর্ধমান জেলার ছয় (৬) পুরসভার এম সি আই সি (MCIC) ঘোষণা করেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাপতি সম্পা কুণ্ডু, বর্ধমান ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কাকলি তা গুপ্তা, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি,প্রানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের বিধায়ক খোকন দাস ও নিশিথ মালিক এবং ছটি পুরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।বক্তব্য রাখে গিয়ে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, একটা মানুষ তিল তিল করে বাংলাকে গড়ে চলেছেন। সৃষ্টিকারী যদি কেউ হোন,তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সৃষ্টি করছেন। আর কেউ যদি ধ্বংসকারী হয়ে থাকে তাহলো বিজেপি সরকার,নরেন্দ্র মোদীর সরকার। আজ ভারতবর্ষ বলুন, ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থা বলুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সরকারি মঞ্চে বক্তব্য রখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন আগে একটা সার্টিফিকেট পেতে গেলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যেত। তবুও তা পাওয়া যেত না। আর এখন মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। একেই বলে পাড়ায় সমাধান।সোমবার বর্ধমানের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে জেলার উপভোক্তাদের হাতে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সরকারি মঞ্চে এভাবে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করায় ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেন সরকারি মঞ্চে যেভাবে মন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তা খুবই দুঃখজনক।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
দেশ

দ্বিতীয়বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ যোগীর, পাশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বিতীয়বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যোগী আদিত্যনাথ। শুক্রবার লখনউয়ে অটল বিহারি বাজপেয়ী স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি-র তারকা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে শপথ পাঠ করেন তিনি। যোগীকে শপথবাক্য পাঠ করান উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেল।এদিন যোগী আদিত্যনাথ সহ মোট ৫২ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ১৮ জন পূর্ণমন্ত্রী পদে এবং ৩৪ জন রাষ্ট্রমন্ত্রী পদে শপথ বাক্য পাঠ করেন। যোগী মন্ত্রিসভায় মহিলা মুখের সংখ্যা ৩ জন। এ বারও যোগীর ক্যাবিনেটে থাকছেন দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। ভোটে হারলেও কেশবপ্রসাদ মৌর্য হলেন উপমুখ্যমন্ত্রী। আবার বিধানসভা ভোটে না লড়েও বিধান পরিষদের দৌলতে উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন দীনেশ শর্মা। গত বার ওই পদে থাকা ব্রজেশ পাঠককে এ বার উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের ৪০৩ বিধানসভা আসনের মধ্যে ২৫৫টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় বার শুরু হল যোগীর রাজত্ব।প্রায় ৮৫ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এই সভায় বলিউডের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। স্টেডিয়ামজুড়ে নতুন ভারতের নতুন উত্তরপ্রদেশ লেখা পোস্টারে ছয়লাপ।বিজেপি শাসিত সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অনেকেই উপস্থিত ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের অবনতি কথা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। কিন্তু এদিন শপথ গ্রহণের মঞ্চে তাঁকে প্রথমসারিতে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ও পূর্ণমন্ত্রীরা আলাদাভাবে শপথ নিলেও রাষ্ট্রমন্ত্রীরা একসঙ্গে শথথ বাক্য পাঠ করেন। অক্ষয় কুমার থেকে কঙ্গনা রানাউত, দ্য কাশ্মীর ফাইল্স- এর পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী থেকে অনুপম খের, এঁদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার উত্তরপ্রদেশের তখতে বসার শপথ নিলেন যোগী।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রীর ধমকানির তোয়াক্কা না করে কালনা পুরসভায় চেয়ারম্যান নির্বাচনে ভোটাভুটি, তবু হল না বোর্ড গঠন

রাজ্যের মন্ত্রীর সামনেই তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন পুর ভোটে নির্বাচিত তৃণমূলেরই কাউন্সিলাররা। আর তার কারণেই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান হতে পারলেন না দলের মনোনিত কাউন্সিলার আনন্দ দত্ত। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ রুখে দাঁড়িয়েও বাগে আনতে পারেননি দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের। ভোটাভুটিতে ১৭ জন কাউন্সিলারের মধ্যে দলের বিক্ষুব্ধ ১২ জন কাউন্সিলার আনন্দ দত্তকে হারিয়ে দিয়ে তপন পোড়েলকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। যদিও পরে কালনার বোর্ড গঠন প্রক্রিয়াই বাতিল করে দেওয়া হয়।এইসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদে সরাটা দিন উত্তপ্ত হয়ে থাকে কালনা পুরসভা অফিস চত্ত্বর। একইরকম ভাবে এদিন ক্ষোভের আঁচ ছড়ায় বর্ধমান পুরসভাতেও। ক্ষোভে শপথ গ্রহণেই অংশ নিলেন না দলের কাউন্সিলার অরুপ দাস।পুরভোটের পর পুরসভার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হওয়া নিয়ে তৃণমূলের এমন নজিরবিহীন। গোষ্ঠীদ্বন্দ প্রকাশ্যে চলে আসায় উৎফুল্ল বিরোধী শিবির।কালনা পুরসভা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানরাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের নিজের গড় হিসাবেই পরিচিত কালনা পুরসভা। সেখানকার একটা বড় অংশের দলীয় কাউন্সিলার দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় বেজায় চটেছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এদিন তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনে যাঁরা দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের সাসপেন্ড করা হবে বলেও স্বপনবাবু এদিন জানিয়ে দিয়েছেন। রাজ্যের পুর মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এদিন কলকাতায় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ঘটনা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি যে যে পুরসভায় দলের মনোনীত কাউন্সিলারকে চেয়ারম্যান হতে না দিয়ে অন্যকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে সেই সব পুরসভায় অনাস্থা আনা হবে। শেষ পর্যন্ত দল কালনা পুরসভার বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্বের তরফে মঙ্গলবার বর্ধমান ও কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নাম জানিয়ে দেওয়া হয়। বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান করা হয় পরেশ চন্দ্র সরকারকে। আর ভাইস চেয়ারম্যান করা হয় মৌসুমি দাসকে। অন্যদিকে দল কলনা পুরসভায় আনন্দ দত্তকে চেয়ারম্যান ও তপন পোড়েলকে। ভাইস চেয়ারম্যান মনোনিত করে। এই দুই পুরসভার নব নির্বাচিত কাউন্সিলারদের এদিন ছিল শপথ গ্রহন। কালনা পুরসভার কাউন্সিলারদের জন্য কালনার একটি হলে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তৃণমূলের ১৭ জন কাউন্সিলার ও একজন বাম কাউন্সিলার সেখানে উপস্থিত হন। তবে শপথ গ্রহণের আগে থেকেই সেখানে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়ায়। এক পক্ষ দলের মনোনিত কাউন্সিলারকে চেয়ারম্যান মনোনীত করার দাবি তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। অপর পক্ষ দলের ঘোষিত চেয়ারম্যানের বিরোধিতায় সোচ্চার হয়। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌছান রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা কলনা পুরসভা ভেটে দলীয় পর্যবেক্ষক ও বিধায়ক অলোক মাঝি।কালনা পুরসভা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিক্ষোভঅনেক বুঝিয়েও এই দুই তৃণমূল নেতার কেউ-ই বিক্ষুব্ধদের বাগে আনতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হলের বাইরে দলের কর্মীদের নিয়ে ধর্ণায় বসে পড়েন কালনা পুরসভা ভোটের তৃণমূল পর্যবেক্ষ অলোক মাঝি । সময় গড়ানোর সাথে সাথে উত্তেজনা আরও চরমে ওঠে। কালনার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে উত্তেজনা সামাল দেয়। এরই মধ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের সঙ্গে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায় কালনা পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার অনিল বসুর। বাকবিতণ্ডা চলার সময়েই তিনি আবার স্বপন দেবনাথের সামনেই ওই হলের দোতলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ মারাতে উদ্যত হন । মন্ত্রীর চরম বিরোধীতা সত্ত্বেও শপথ গ্রহনের পর বিক্ষুব্ধ ১২ জন কাউন্সিলার চেয়ারম্যান নির্বাচনে ভোটাভুটির দাবি তোলেন। ভোটা ভুটিতে তাঁরা দলের মনোনিত চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তকে হারিয়ে দিয়ে তপন পোড়েলকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন।তবে বিক্ষুব্ধদের দলের সিদ্ধান্তকে এই ভাবে চ্যালেঞ্জ ছোড়াটা বরদাস্ত করেননি তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষ তথা মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস এদিন সন্ধ্যায় জানিয়ে দেন, বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া তপন পোড়েলকে কালনা শহর সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। একই সঙ্গে তাঁকে দল থেকেও বহিস্কার করা হল বলে অরুপ বিশ্বাস জানিয়ে দেন।এদিন বর্ধমান পৌরসভার কাউন্সিলারদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও ক্ষোভ বিক্ষোভের আঁচ প্রকাশ্যে চলে আসে। ভেটে জিতে কাউন্সিলার হয়েও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হননি অরুপ বিশ্বাস ও বসির আহমেদ (বাদশা)। একটি ফৌজদারি মামলায় জামিন না পাওয়ার জন্য বসির আহমেদ শপথ নিতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তবে বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা নব নির্বাচিত কাউন্সিলার অরূপ দাস চেয়ারম্যান হতে না পারার ক্ষেভে এদিন শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হননি বলে খবর। মঙ্গলবারই অরূপ দাস সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েদেন, দলের সিদ্ধান্তে তিনি অপমানিত হয়েছেন। তাই তিনি শহর তৃণমূল সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নেবেন। কাউন্সিলার পদ থেকে অব্যাহতি নিতে পারেন। যদিও দলীয় নেতৃত্ব অরুপ দাসের এই সব বক্তব্যকে কোন আমল দিতে চাননি।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি কচুরিপানার হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রী করবেন মন্ত্রী

কচুরিপানা নিয়ে হেলাফেলা করার দিন শেষ হতে চলেছে। এইবার কচুরিপানা দিয়েই তৈরি হবে নজরকাড়া হস্তশিল্প সামগ্রী। দুই মাস ধরে প্রশিক্ষণ নেওয়া পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ওইসব হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বড়কোবলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মহিলাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। প্রশিক্ষণ কতটা সার্থক হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে সোমবার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পৌছান। সেখানে তাঁর সঙ্গেই বিডিও দেবব্রত জানা ও রিজিওনাল হ্যান্ডিক্র্যাফটস প্রমোশন অফিসার পীযূস সিংহ ও উপস্থিত থাকেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন বলেন, কচুরিপানা পরিবেশ বান্ধব। সেই কচুরিপানা দিয়ে হস্তশিল্প তৈরি করার জন্য প্রথম পর্যায়ে কুড়িজন মহিলাকে বেছে নেওয়া হয়। তাঁদের ২ মাস ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু খতিয়ে দেখে তাঁদের আরও দু-সপ্তাহ প্রশিক্ষন দেওয়ার সিদ্ধান্ত এদিন নেওয়া হয়। তারপর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর ওই মহিলারাই কচুরিপানা দিয়ে নজরকাড়া নানান হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। উৎপাদিত সেইসব হস্তশিল্প সামগ্রী বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কালনা নবদ্বীপ ও বর্ধমান শহরেও তা বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। মন্ত্রী জানিয়ে দেন, কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হস্তশিল্প সামগ্রীর জন্য তিনি নিজে সেলসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেনপুকুর কিংবা জলাশয়ে কচুরিপানা ভরে থাকলে তা কিভাবে কাজে লাগানো যায় এতদিন সেই ভাবে কেউ মথা ঘামাননি। কিন্তু কচুরিপানা দিয়েও যে হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরি করা যায় সেই দিশা প্রথম দেখায় পূর্বস্থলীর যুবক রাজু বাগ। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বাঁশদহ বিল সহ এলাকার খালবিলে জন্মানো কচুরিপানা দিয়ে রাজু নজরকাড়া ডিজাইনের ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরি করে তাক লাগিয়ে দেয়। কচুরিপানা ভালোভাবে শুকিয়ে সেগুলি দিয়ে সে বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুড়ি, ম্যাট, ব্যাগ সহ ঘর সাজানোর জিনিস তৈরী করে দেখায়। যুবক রাজুর এই শিল্প কীর্তি এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের তা নজরে আসতেই তিনি নড়েচড়ে বসেন। কিছুদিন আগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবে রাজুর তৈরী করা সেই হস্তশিল্পের একটি প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করে দেন মন্ত্রী। কচুরিপানা দিয়ে তৈরী হস্তশিল্পের সেই কাজ শিখে এলাকার মহিলা ও অন্যান্যরা স্বনির্ভর হতে পারবে ধরে নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বিধানসভা এলাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও খোলান। খালবিল ওয়েলফেয়ার সেসাইটি ওই প্রশিক্ষণ শিবিরের যাবতীয় খরচ বহন করে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলা থেকে বেকসুর খালাস বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জন

সিঙ্গুর মামলায় বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার এই নির্দেশ দেয় বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালত। সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল মন্ত্রী বেচারাম মান্না এবং চাষিরা ইচ্ছেকৃতভাবে গণ্ডগোল করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এই মামলা। আজ বিধান নগর এমপি এমএলএ আদালতে মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতির নির্দেশে মন্ত্রী-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাস করা হল।এর আগে সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সময় বাম সরকারের করা দুটি ফৌজদারি মামলা থেকে ছাড় পেলেন হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। বাম আমলে সিঙ্গুরে কৃষিজমি রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত চাষি এবং তৎকালীন বিরোধী তৃণমূল নেতা বেচারাম মান্না, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, স্নেহাশিস চক্রবর্তী-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সরকারি কাজে বাধা দান-সহ বহু মামলা হয়েছিল।বেচারাম মান্না বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মোট ৬৮ টি মামলা ছিল। সবই থেকেই মুক্তি মিলেছে। আজকের আমার একটা শেষ মামলা। সিঙ্গুরে আন্দোলনের সময়ে আমাদের একটা বড় অংশকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তারা সবাই আজ এসেছিলাম। আমরা যে নির্দোষ, তা প্রমাণিত হল। জমি অধিগ্রহণ ন্যায়সঙ্গত হয়নি, প্রমাণীত হল। কেবল মাত্র একটি মামলাই আর রয়ে গিয়েছে। তাতে যাঁরা অভিযুক্ত রয়ে গিয়েছেন, আশা করব তাঁরাও দ্রুত বিচার পাবেন।রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বর্তমান শাসক দল সেই সব মামলা তোলার আশ্বাস দিয়েছিল। শেষ কয়েক বছরে বেশ কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু তা সম্ভব হয় নি। প্রত্যাহার না-হওয়া সেই সব মামলার শুনানি চলছিল। সেরকমই একটি মামলার শুনানি ছিল বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
কলকাতা

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের। সোমবার নিমতলা মহাশ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় বর্ষীয়ান মন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।প্রয়াত মন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি সাধন পাণ্ডের শেষকৃত্যের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন সাধন পাণ্ডে। যখনই যে কাজের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে অর্পিত হয়েছে, তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালন করেছেন। তাঁর দেহাবসান হলেও, আমাদের হৃদয়ে তাঁর চিরস্থায়ী অধিষ্ঠান। আজ নিমতলা মহাশ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হল। তাঁর শোকসন্তপ্ত আত্মীয়-পরিজন ও অনুগামীদের গভীর সমবেদনা জানাই। তাঁর প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনওদিনই পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর আদৰ্শ ও উপদেশ আগামীদিনেও আমাদের পথ দেখাবে। তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মৃত্যুতে রাজ্যে আজ অর্ধ দিবস ছুটি

প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে । তাঁর মৃত্যুতে আজ অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। দুপুর দুটো থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে। কাল রাতে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় মন্ত্রীর মরদেহ।আজই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।উল্লেখ্য, রবিবার সকালেই প্রথম দুঃসংবাদটি আসে। মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সফল ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাট সামলানোর কাজে অনেকটা ভরসা করতেন সাধনবাবুকে। তাঁর এই হঠাৎ প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মমতাও। প্রয়াত ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রীকে সম্মান জানাতে আগামিকাল অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করেছে নবান্ন।দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন সাধন পাণ্ডে। গতবছরেই মানিকতলার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। ধরা পড়েছিল ফুসফুসের সংক্রমণ। উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য তাঁকে মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মুম্বইয়ের ওই হাসপাতালের বেডে শুয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মন্ত্রী।বর্ষীয়ান মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়েও ব্যক্তিগত স্তরে বেশ সুসম্পর্ক ছিল রাজ্যপাল ও সাধন পাণ্ডের। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে টুইটে এমনটাই লিখেছেন রাজ্যপাল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জয় দিয়ে রনজি অভিযান শুরু বাংলার

এভাবেও ফিরে আসা যায়! রনজি ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনের সেরা উদাহরণ হতে পারে বাংলা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বরোদার বিরুদ্ধে যেভাবে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিল, এককথায় অবিশ্বাস্য। বাংলার জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল। টসে জিতে বরোদাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। প্রথম ইনিংসে ১৮১ রান তোলে বরোদা। জবাবে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার প্রথম ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে বরোদা তোলে ২৫৫। জয়ের জন্য বাংলার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪৯। বাংলার সামনে লক্ষ্যটা খুব একটা সহজ ছিল না। চতুর্থ ইনিংসে সাড়ে তিনশো রান তাড়া করা যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই সহজ করে দিলেন বাংলার দুই ব্যাটার শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল।জয়ের জন্য ৩৪৯ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ২ উইকেটে ১৪৬। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৭৯ রানে ও অনুষ্টুপ মজুমদার ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন শুরুতেই ফিরে যান অভিমন্যু। আগের দিনের সঙ্গে কোনও রান যোগ করতে পারেননি। অনুষ্টুপ মজুমদারও (৩৩) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। সুদীপ চ্যাটার্জিও (১৮) ব্যর্থ। মনোজ তেওয়ারি (৩৭) কিছুক্ষণ দলকে টানার চেষ্টা করেন। একসময় ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপরই মঞ্চে আবির্ভূত হন অভিষেক পোড়েল। প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুখে দাঁড়ালেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিষেক পোড়েল। রনজি অভিষেকেই যেভাবে চাপ সামলালেন, এককথায় অনবদ্য। শাহবাজ ও অভিষেকের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ১০৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৩৫০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। শাহবাজ আমেদ ৭১ ও অভিষেক পোড়েল ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

পৌর ভোটে ২ হাজার ভোটে জয়কে ২০৫০ না করার জন্য কর্মীদের বার্তা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী

রাজ্যে যা উন্নয়ন হয়েছে তার নিরিখেই মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে আশীর্বাদ করবে। পৌর নির্বাচনে ২ হাজার ভোটে জয় হলে সেটাই গণতন্ত্রের আশীর্বাদ। সেটাকে ২০৫০ করার কোনো দরকার নেই। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দলের কর্মীদের জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। বিরোধীরা পুর ভোটের প্রচারে বেরিয়ে প্রতিমুহুর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হচ্ছেন। ঠিক তেমনই সময়ে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের এমন বার্তা দেওয়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পৌরসভার ভোট হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন পূর্ব বর্ধমানের কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, বর্ধমান, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। তার প্রাক্কালে দলে কর্মীদের উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই এমন বার্তা দেওয়ার কারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন ,উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই তৃণমূল কংগ্রেস পুর ভোটে লড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে বর্ধমান সহ রাজ্যের সর্বত্র ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সেই উন্নয়নের নিরিখেই তৃণমূলের প্রার্থীরা মানুষের কাছে ভোট চাইবে। উন্নয়নের জন্যই মানুষ তৃণমূলের প্রার্থীদের আশীর্বাদ করবে। মানুষের আশীর্বাদ পাথেয় করেই তৃণমূল এগিয়ে যাবে। অরুপ বিশ্বাস এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধিক পৌরসভা এলাকায় কর্মী সভা ও প্রচারে অংশ নেন। প্রথমে বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে কর্মীসভায় তিনি অংশ নেন। সেখানে তার সাথে ছিলেন দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস সহ দলের অন্য নেতারা।বর্ধমান পুরসভার ভোটে দলের ৩৫ জন প্রার্থীকে এদিন অরুপ বিশ্বাস উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এর পর কর্মীসভা থেকে অরুপবাবু বলেন, আজ একজন প্রার্থী। কাল আপনিও প্রার্থী হতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব নজরে আছে। ভোটে উন্নয়নের কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলুন। তাঁদের সমস্যার কথা শুনুন। ভোটের পর সেগুলি মাথায় রাখতে হবে। সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্ধমানে সভা শেষে সেরে অরূপ বিশ্বাস জেলা নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মেমারি ও কালনায় প্রচারে যান।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যাট হাতে মন্ত্রীমশাইয়ের অবদান শূন্য, চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার

দীর্ঘদিন ক্রিকেটের মধ্যে না থাকার ফল যে কী হতে পারে, বাংলাবরোদা রনজি ম্যাচে তারই প্রমান পাওয়া গেল। বরোদার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার। ৫ জন ব্যাটারের নামের পাশে শূন্য। তালিকায় রয়েছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি। বরোদার ১৮১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলা গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৪। সব মিলিয়ে ২৩৭ রানে এগিয়ে বরোদা। কটকে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে বৃহস্পতিবার বরোদাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে মাত্র ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় বরোদা। ইশান পোড়েল ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩টি ও আকাশ দীপ ৬৩ রানে ২ উইকেট নেন। প্রথম দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ১৩ ওভারে ২৪/১। দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। দিনের তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান সুদীপ চ্যাটার্জি (১১)। পরের ওভারেই ১ বলের ব্যাবধানে অনুষ্টুপ মজুমদার (০) ও মনোজ তেওয়ারিকে (০) তুলে নেন অতীত শেঠ। ওপেন করতে নামা সুদীপ ঘরামিও (২১) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। এরপর সাময়িকভাবে কিছুটা রুখে দাঁড়ান রনজিতে অভিষেককারী অভিষেক পোড়েল ও শাহবাজ আমেদ। অভিষেক (২১) ফিরতেই ধস বাংলার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (৯), আকাশ দীপ (০), মুকেশ কুমার (০), শাহবাজ আমেদ (২১)। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৩ ওভারে ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন। লুকমান মেরিওয়ালা ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ৯৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বরোদা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪১। জ্যোৎস্নিল সিংকে (১২) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ইশান পোড়েল। অন্য ওপেনার কেদার দেবধরকে (৪১) ফেরান শাহবাজ আমেদ। ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (১০) তুলে নেন আকাশ দীপ। দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ১৪৪/৫।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি, অমিত শাহ, বিষণ্ণ রাষ্ট্রপতি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র-পতনে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিংবদন্তী গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিবেষ্টিত ছিল বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে।বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত ছিল পরিবেষ্টিত, সুন্দরভাবে বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে। তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব সবাই মিস করবেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত, পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।Shri Bappi Lahiri Jis music was all encompassing, beautifully expressing diverse emotions. People across generations could relate to his works. His lively nature will be missed by everyone. Saddened by his demise. Condolences to his family and admirers. Om Shanti. pic.twitter.com/fLjjrTZ8Jq Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার সকালে বাপ্পি লাহিড়ীর মৃত্যুর দুঃসংবাদ শুনেই শোকে ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রপতি। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, শুধু দেশ নয় বিশ্বেও বাপ্পি লাহিড়ীর গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে।বুধবার সকালে শোকপ্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একজন অতুলনীয় গায়ক ও সুরকার। তাঁর গান শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর স্মরণীয় গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে বহুদিন। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা।Shri Bappi Lahiri was a matchless singer-composer. His songs found popularity not only in India but abroad. His diverse range included youthful as well as soulful melodies. His memorable songs will continue to delight listeners for long time. Condolences to his family and fans. President of India (@rashtrapatibhvn) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল ভারতীয় সঙ্গীত জগতে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মিউজিকের দশা আর দিশা দুটোই বদলে গিয়েছিলেন এই বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি। ডিস্কো সঙ্গীতের অবিসাংবাদিত রাজা তিনি। বাপ্পি লাহিড়ী প্রয়াত হয়েছেন মঙ্গলবার মধ্যরাতে।Pained to learn about the passing away of legendary singer and composer, Bappi Lahiri Ji. His demise leaves a big void in the world of Indian music. Bappi Da will be remembered for his versatile singing and lively nature. My condolences to his family and admirers. Om Shanti. Amit Shah (@AmitShah) February 16, 2022বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে টুইট করে শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, কিংবদন্তী গায়ক এবং সুরকার বাপি লাহিড়ীর মৃত্যু সংবাদে আমি শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাপি দা তাঁর বহুমুখী গানের প্রতিভা এবং প্রাণবন্ত প্রকৃতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

লখিমপুর-কাণ্ডে জামিন পেল মূল অভিযুক্ত মন্ত্রিপুত্র আশিস!

জামিন পেলেন লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনায় ধৃত আশিস মিশ্র। বৃহস্পতিবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। গত ৯ অক্টোবর আশিসকে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তার কয়েক দিন পরেই উদ্ধার করা হয় তাঁর বন্দুক। লখিমপুর-কাণ্ডের তদন্তে ঢিলেমির জন্য গত ২০ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তুলোধনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আদালতে পেশ করা রিপোর্টে জানায়, লখিমপুরের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার বিদ্যারাম দিবাকর তাঁর রিপোর্টে বলেছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিট-এর পেশ করা চার্জশিটে আশিস এবং তাঁর ড্রাইভার-সহ তিন জনকে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটপর্বের মাঝে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা টেনির ছেলের জামিন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।গত বছরের ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে আশিসের গাড়ির তলায় চাপা পড়ে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষক এবং এক মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তী হিংসায় আরও চার জনের প্রাণ যায়। যদিও অজয়ের দাবি, ঘটনার সময় ওই গাড়িতে ছিলেন না আশিস। ওই ঘটনায় আশিস এবং তাঁর সঙ্গী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপাল ফোন করেন? পুলিশ আধিকারিককে ভর্ৎসনা মুখ্যমন্ত্রীর

পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক কর্তাদের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন। ওই জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পর্কে তার কাছে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। তার ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে কি না, রাজ্যপাল তাকে ফোন করে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিচ্ছেন কি না পুলিশ সুপারের কাছে তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনকে ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করারও তিনি নির্দেশ দেন।বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জেলা স্তরে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক চলাকালীন হঠাৎই তিনি জানতে চান , কোথায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার? লুকিয়ে আছে? মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে আসন থেকে উঠে দাঁড়াতেই মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন তাঁর দিকে। বললেন, তোমার জেলা সম্পর্কে বেশ কিছু অভিযোগ পাচ্ছি। কাউকে কাউকে সাজিয়ে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে, অভিযোগ আসছে। অনেক দিন ধরে দেখছি। অনেক দিন বলেছি, কিছু করা হয়নি। তুমি কি ওখানে কাজ করতে ভয় পাচ্ছো? তোমাকে কি রাজ্যপাল ফোন করছেন? এটা কোরোনা, ওটা কোরোনা, এসব নির্দেশ দিচ্ছেন রাজ্যপাল?তোমাকে ফোন করলেও তুমি বলবে না জানি। তবে ভয় পেও না। তোমাকে অনেক আশা নিয়ে ওখানে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমি হলদিয়া নিয়েও কমপ্লেন পেলাম। দুইজন গ্রেপ্তার হল। কিন্তু তোমরা থাকতে আমাকে কেন মাথা ঘামাতে হবে? কারও কথা না শুনে কাজ করতে হবে। ভয় পাওয়ার দরকার নেই। মনে রাখতে হবে জেলার পুলিশ সুপার রাজ্য সরকারের অফিসার। আর যদি তোমার ওখানে কাজ করতে ভয় লাগে পলিটিক্যালি প্রেশারের কারণে তাহলে আমাকে সেটা জানিও। এই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা একসময় অধিকারীদের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল। একুশের ভোটে বিজেপির হার ও দলবদলের জেরে নিজ জেলাতেই এখন চূড়ান্ত কোণঠাসা দশায় রয়েছে অধিকারীরা। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপালকে কাজে লাগিয়ে পরোক্ষে প্রশাসনের উপরে তারা চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন বলে এদিন ইঙ্গিত মিলেছে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বাংলার কোচ থেকে ঋষভদের ব্যাটিং গুরু! ইরানি কাপে বড় দায়িত্বে লক্ষ্মীরতন শুক্ল

শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের ম্যাচে ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় বাংলার কোচ | অধিনায়ক ঋষভ পন্থ, দলে সুদীপ ঘরামি-আকাশদীপ-মুকেশ কুমারবর্ধমান: বাংলার ক্রিকেটে কোচ হিসেবে সাফল্যের পর এবার আরও বড় মঞ্চে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। আসন্ন ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারত (Rest of India) দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বাংলার বর্তমান কোচ। অর্থাৎ, ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন তারকা-সমৃদ্ধ দলের ব্যাটিং বিভাগ সামলানোর দায়িত্ব উঠতে চলেছে বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কের কাঁধে।যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, ক্রিকেটমহলে খবর, লক্ষ্মীরতনের দায়িত্ব পাওয়া কার্যত নিশ্চিত। খুব শীঘ্রই বিসিসিআই এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা করতে পারে।ইরানি কাপে সাধারণত আগের মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয়ী দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় অবশিষ্ট ভারত। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার অবশিষ্ট ভারতের প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের।এই ম্যাচেই নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে লক্ষ্মীরতনকে। তবে তিনি দলের প্রধান কোচ হিসেবে নয়, ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে বোলিং বিভাগে কাজ করতে পারেন ওড়িশা ও ভারতের প্রাক্তন পেসার দেবাশিস মোহান্তি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনও প্রধান কোচ ছাড়াই কোচিং ইউনিটের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।বাংলার কোচ হিসেবে লক্ষ্মীরতন শুক্লর কাজ নজর কেড়েছে। তাঁর কোচিংয়ে সাম্প্রতিক রঞ্জি মরসুমে বাংলার পারফরম্যান্সও ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ইরানি কাপে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এবারের অবশিষ্ট ভারত দলে রয়েছে একাধিক পরিচিত মুখ। দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভারতের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ। সহ-অধিনায়ক সরফরাজ খান। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আরও বড় আকর্ষণ, দলে রয়েছেন বাংলার সুদীপ ঘরামি, আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমার।তবে আকাশদীপের খেলা এখনও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি।ইরানি কাপ বরাবরই ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। রঞ্জি ট্রফির সেরা দলের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের এই লড়াইয়ে জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারের পাশাপাশি উঠে আসা ঘরোয়া ক্রিকেটারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ থাকে। সেই মঞ্চেই এবার ঋষভ পন্থদের ব্যাটিং শক্তিকে আরও ধারালো করার দায়িত্ব পেতে চলেছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।অবশিষ্ট ভারত দলের সম্ভাব্য সদস্যরাঋষভ পন্থ (অধিনায়ক), সনৎ সাঙ্গোয়ান, শিখর মোহন, সুদীপ ঘরামি, সরফরাজ খান (সহ-অধিনায়ক), স্মরণ রবিচন্দ্রন, মানব সুতার, সারাংশ জৈন, আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, মুকেশ চৌধরী, আরিয়ান জুয়াল, আরিয়ান পান্ডে, অনুকূল রায়, আয়ুষ দোসেজা।সব মিলিয়ে, বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর জন্য ইরানি কাপ হতে চলেছে আরও একটি বড় পরীক্ষা। এবার তাঁর ব্যাটিং-পরামর্শে ঋষভ পন্থদের অবশিষ্ট ভারত শ্রীনগরের মাটিতে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal